পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়35 minutes
মোট প্রশ্ন৬৬
সিলেবাস
Bangla-03 - ধ্বনি, বর্ণ, শব্দ, পদ, বাক্য, প্রত্যয়
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৬৬ প্রশ্ন

.
স্বরের অনুনাসিকতা বোঝায় কোন বর্ণের সাহায্যে?
  1. ক) ৎ
  2. খ) ঃ
  3. গ) ঁ
  4. ঘ) ং
ব্যাখ্যা
চন্দ্রবিন্দুর সাহায্যে স্বরের অনুনাসিকতা বোঝায়। যেমন - আ(আঁ), ই(ইঁ), উ(উঁ)।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
.
নিচ থেকে হ্রস্বস্বরটি চিহ্নিত করুন।
  1. ক) অ
  2. খ) ও
  3. গ) আ
  4. ঘ) এ
ব্যাখ্যা
উচ্চারণের সময়ের তারতম্য অনুসারে স্বরধ্বনিগুলােকে দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়। যেমন: ক.হ্রস্বস্বর ও খ. দীর্ঘস্বর।
হ্রস্বস্বরঃ যেসব স্বরধ্বনি উচ্চারণে কম সময় লাগে, তাদেরকে হ্রস্বস্বর বলে। যেমন: অ, ই, উ, ঋ এই (৪টি হ্রস্বস্বর)
দীর্ঘস্বরঃ যেসব স্বরধ্বনি উচ্চারণে অপেক্ষাকৃত বেশি সময় লাগে, তাদেরকে দীর্ঘস্বর বলে। যেমন: আ,ঈ,ঊ, এ, ঐ, ও, ঔ এই ৭টি দীর্ঘস্বর।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
.
নিচের কোনটি পরাশ্রয়ী বর্ণ?
  1. ক) ং
  2. খ) ঁ
  3. গ) ঃ
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ং, ঃ, ঁ এই তিনটি বর্ণ স্বাধীনভাবে স্বতন্ত্র বর্ণ হিসেবে ভাষায় ব্যবহৃত হয় না। তাই এ বর্ণগুলোকে পরাশ্রয়ী বর্ণ বলে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
.
জ্ঝ এই বর্ণটি কোন যুক্ত বর্ণের ফলে তৈরী হয়েছে?
  1. ক) জ্‌+ঝ
  2. খ) জ+ব
  3. গ) জ+ক্ষ
  4. ঘ) ঝ+জ
ব্যাখ্যা
জ্ঝ = জ্‌+ঝ - কুজ্ঝটিকা।
জ্‌+ঞ = জ্ঞ (উচ্চারণ গ্‌গ্যঁ এর মত) - জ্ঞান, বিজ্ঞান, অজ্ঞান, সংজ্ঞা, প্রজ্ঞা।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
.
নিচের কোন বর্ণটি একইসাথে নাসিক্যবর্ণ এবং তালব্য বর্ণ?
  1. ক) ঙ
  2. খ) ঞ
  3. গ) ণ
  4. ঘ) ম
ব্যাখ্যা
নাসিক্য বর্ণ- ঙ, ঞ, ণ, ন, ম। তালব্য বর্ণ - চ, ছ, জ, ঝ, ঞ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
.
নিচের কোন বর্ণটি ‘দন্ত্য’ বর্ণ না?
  1. ক) ত
  2. খ) থ
  3. গ) ন
  4. ঘ) ণ
ব্যাখ্যা
দন্ত্য বর্ণ হচ্ছে - ত, থ, দ, ধ, ন। মুর্ধন্য বর্ণ হচ্ছে - ট, ঠ, ড, ঢ, ণ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
.
অন্তস্থ ধ্বনি প্রকাশক বর্ণ নয় কোনটি?
  1. ক) য
  2. খ) জ
  3. গ) ল
  4. ঘ) ম
ব্যাখ্যা
স্পর্শ বা উষ্ম ধ্বনির অন্তরে অর্থাৎ মাঝে থাকে বলে য, র, ল, ব এ ধ্বনিগুলোকে অন্তস্থ ধ্বনি বলে এবং বর্ণগুলোকে বলে অন্তস্থ বর্ণ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
.
নিচের কোন বর্ণটি উষ্ম বর্ণ?
  1. ক) ষ
  2. খ) স
  3. গ) হ
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
শ, ষ, স, হ এ চারটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি উচ্চারণের সময় আমরা শ্বাস যতক্ষণ খুশি রাখতে পারি। এ বর্ণগুলোকে বলা হয় উষ্মবর্ণ। শিশ দেয়ার সঙ্গে সাদৃশ্য আছে বলে এগুলােকে বলা হয় শিশধ্বনি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
.
স্কুল> ইস্কুল কিসের উদাহরণ?
  1. ক) অপিনিহিতি
  2. খ) আদি স্বরাগম
  3. গ) অসমীকরণ
  4. ঘ) মধগত স্বরসঙ্গতি
ব্যাখ্যা
উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের আদিতে স্বরধ্বনি এলে তাকে আদি স্বরাগম বলে। যেমন- স্কুল> ইস্কুল, স্টেশন˃ ইস্টিশন, স্পর্ধা˃ আস্পর্ধা।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
১০.
ফলাহার > ফলার _____র উদাহরণ।
  1. ক) ব্যঞ্জনদ্বিত্বা
  2. খ) অন্তর্হতি
  3. গ) বিষমীভবন
  4. ঘ) সমীভবন
ব্যাখ্যা
পদের মধ্যে কোন ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পেলে তাকে বলে অন্তর্হতি। যেমনঃ ফাল্গুন > ফাগুন, ফলাহার > ফলার, আলাহিদা > আলাদা ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
১১.
ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ-
  1. ক) বাক্‌স> বাস্‌ক
  2. খ) রিক্‌সা> রিস্‌কা
  3. গ) পিশাচ> পিচাশ
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের পরস্পর পরিবর্তন ঘটলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। যেমনঃ ইংরেজি বাক্‌স> বাংলা বাস্‌ক, জাপানি রিক্‌সা> বাংলা রিস্‌কা। অনুরূপ- পিশাচ> পিচাশ, লাফ> ফাল।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
১২.
অশুদ্ধ সংযুক্তবর্ণ কোনটি?
  1. ক) ণ+চ = ঞ্চ
  2. খ) ক্‌+ক = ক্ক
  3. গ) ঞ্‌+ছ = ঞ্ছ
  4. ঘ) ন্‌ + ম = ন্ম
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ যুক্ত বর্ণঃ
ঞ্‌+চ = ঞ্চ
ক্‌+ক = ক্ক
ঞ্‌+ছ = ঞ্ছ
ন্‌ + ম = ন্ম।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
১৩.
শব্দ গঠনের উপায় কী?
  1. ক) সন্ধির মাধ্যমে
  2. খ) সমাসের মাধ্যমে
  3. গ) পদ-পরিবর্তনের মাধ্যমে
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলা শব্দ গঠনের কতিপয় উপায় হলো -
১)সন্ধির মাধ্যমে
২)সমাসের মাধ্যমে
৩)পদ-পরিবর্তনের মাধ্যমে
৪)বাক্য সংকোচনের মাধ্যমে
৫)উপসর্গ সহযোগে
৬)প্রত্যয় সহযোগে
৭)দ্বিরুক্তি শব্দের সহযোগে।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
১৪.
'পুরুত' শব্দটি উৎপত্তিগতভাবে কোন ধরনের?
  1. ক) তৎসম শব্দ
  2. খ) তদ্ভব শব্দ
  3. গ) অর্ধ-তৎসম শব্দ
  4. ঘ) দেশি শব্দ
ব্যাখ্যা
তৎসম শব্দের উদাহরণ হলো - চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ক্ষুধা, পদ্ম, ক্ষমা, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য ইত্যাদি। তদ্ভব শব্দ হলো হাত, চামার, আফিম, বোতল ইত্যাদি। অর্ধ-তৎসম শব্দ হলো নেমন্তন্ন, পুরুত, মিত্তির, জ্যোছনা, ছেরাদ্দ, গিন্নী, বোষ্টম, কুচ্ছিত ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
১৫.
নিচের কোনটি রূঢ়ি শব্দ?
  1. ক) পঙ্কজ
  2. খ) চিকামারা
  3. গ) হস্তী
  4. ঘ) কর্তব্য
ব্যাখ্যা
যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযাগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনাে বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে। যেমন -হস্তী=হস্ত+ইন, অর্থ-হস্ত আছে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বােঝায়।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
১৬.
সাধিত শব্দটি শনাক্ত করুন।
  1. ক) নাক
  2. খ) তিন
  3. গ) গোলাপ
  4. ঘ) চাঁদমুখ
ব্যাখ্যা
যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙ্গে আলাদা করা যায় না সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে। মৌলিক শব্দগুলোই হচ্ছে ভাষার মূল উপকরণ। যেমন- গোলাপ, নাক, লাল, তিন ইত্যাদি।
যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করা হলে আলাদা অর্থবোধক শব্দ পাওয়া যায় সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে। যেমন - চাঁদমুখ (চাঁদের মত মুখ), নীলাকাশ ( নীল যে আকাশ)।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
১৭.
মহাযাত্রা একটি -
  1. ক) সমাস নিষ্পন্ন শব্দ
  2. খ) যোগরূঢ় শব্দ
  3. গ) ক ও খ উভয়ই
  4. ঘ) রূঢ়ি শব্দ
ব্যাখ্যা
সমাসনিষ্পন্ন যেসব শব্দ তার ব্যাসবাক্যের কোনো অর্থ প্রকাশ না করে, কোনো বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, সেসব শব্দকে বলা হয় যোগরূঢ় শব্দ। যেমনঃ পঙ্কজ- শব্দের অর্থ যা পঙ্কে জন্মে যা, কিন্তু ব্যবহারিক অর্থ পদ্মফুল। মহাযাত্রা - মহাসমারোহে যাত্রা অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দরূপে অর্থ ‘মৃত্যু’।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
১৮.
নিচের কোনটি পারিভাষিক শব্দ?
  1. ক) তৎসম
  2. খ) তদ্ভব
  3. গ) তওবা
  4. ঘ) ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষায় বিদেশী শব্দের ভাবানুবাদমূলক প্রতিশব্দকে পারিভাষিক শব্দ বলে। বিশেষ অর্থ বহন করে এমন শব্দগুলো হচ্ছে পারিভাষিক শব্দ। তৎসম ও তদ্ভব পারিভাষিক শব্দ। তওবা হচ্ছে আরবি ভাষা থেকে আগত শব্দ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
১৯.
অর্ধ তৎসম শব্দ শনাক্ত করুন।
  1. ক) ধর্ম
  2. খ) জ্যোছনা
  3. গ) হত্থ
  4. ঘ) গঞ্জ
ব্যাখ্যা
তৎসম শব্দ - ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য, চন্দ্র।
অর্ধ তৎসম শব্দ - কুচ্ছিত, বোষ্টম, জ্যোছনা।
প্রাকৃত শব্দ - হত্থ, চম্মআর।
দেশী শব্দ - গঞ্জ, চোঙ্গা, টোপর।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
২০.
নিচের কোনটি দেশী শব্দ না?
  1. ক) কোলা
  2. খ) ডাব
  3. গ) বাকি
  4. ঘ) ঢেঁকি
ব্যাখ্যা
দেশী শব্দ - গঞ্জ, চোঙ্গা, টোপর, কোলা, ডাব, ডাগর, ঢেঁকি।
‘বাকি’ আরবি ভাষা থেকে আগত শব্দ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
২১.
বেহেশত কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
  1. ক) আরবি
  2. খ) ফরাসি
  3. গ) উর্দু
  4. ঘ) ফারসি
ব্যাখ্যা
ফারসি শব্দের উদাহরণ হলো- খোদা, গুনাহ, নামাজ, ফেরেশতা, চশমা, জানোয়ার, বান্দা, বেগম, জিন্দা, নমুনা ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
২২.
হিন্দি থেকে আগত শব্দ-
  1. ক) বাবা
  2. খ) বিবি
  3. গ) চাচা
  4. ঘ) আব্বু
ব্যাখ্যা
হিন্দি শব্দ- চাচা, দাদা, দাদি, ফুফা, ফুফি।
তুর্কি ভাষার শব্দ- বাবা, খোকা, বিবি।
আব্বু উর্দু ভাষার শব্দ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
২৩.
খদ্দর, কার্তুজ যথাক্রমে কোন ভাষার শব্দ?
  1. ক) গুজরাটি, ফারসি
  2. খ) পাঞ্জবি, তামিল
  3. গ) গুজরাটি, ফরাসি
  4. ঘ) বার্মিজ, পাঞ্জাবি
ব্যাখ্যা
গুজরাটি ভাষার শব্দ- খদ্দর, হরতাল।
ফরাসি (ফ্রান্স) ভাষার শব্দ- কার্তুজ, কুপন, ডিপো, রেস্তোরাঁ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
২৪.
জাপানি ভাষার শব্দ কোনটি?
  1. ক) নথি
  2. খ) হারিকিরি
  3. গ) রুইতন
  4. ঘ) হরতন
ব্যাখ্যা
রিক্সা, হারিকিরি জাপানি শব্দ।
হরতন, রুইতন এগুলো ওলন্দাজ শব্দ।
নথি হচ্ছে File এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
২৫.
খ্রিস্টাব্দ কোন ধরনের শব্দের সমন্বয়ে গঠিত মিশ্র শব্দ?
  1. ক) গ্রিক+তৎসম
  2. খ) ইংরেজি+তৎসম
  3. গ) ততসম+ফারসি
  4. ঘ) ইংরেজি+আরবি
ব্যাখ্যা
কয়েকটি মিশ্র শব্দঃ খ্রিস্টাব্দ, হেড-পণ্ডিত = ইংরেজি+তৎসম। ডাক্তার-খানা, হেড-মৌলভি = ইংরেজি + ফারসি। চৌ-হদ্দি = ফারসি+আরবি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
২৬.
কোনটি পর্তুগিজ শব্দ না?
  1. ক) পাদ্রি
  2. খ) বালতি
  3. গ) চশমা
  4. ঘ) আনারস
ব্যাখ্যা
পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ - আনারস, আলপিন, আলমারি, গির্জা, গুদাম, চাবি, পাউরুটি, পাদ্রি, বালতি ইত্যাদি। চশমা ফারসি শব্দ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
২৭.
কোন ভাষাটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে?
  1. ক) নামাজ
  2. খ) ফেরশতা
  3. গ) কোরবানি
  4. ঘ) দোকান
ব্যাখ্যা
ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দ- খোদা, গুনাহ, নামাজ, ফেরেশতা, চশমা, দোকান, আদমি, আমদানি, তোশক, জানোয়ার, বান্দা, বেগম, জিন্দা, নমুনা ইত্যাদি। কোরবানি আরবি ভাষার শব্দ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
২৮.
‘দাম’ শব্দটি কোন ভাষার?
  1. ক) গুজরাটি
  2. খ) গ্রিক
  3. গ) বাংলা
  4. ঘ) তৎসম
ব্যাখ্যা
গ্রিক শব্দ - দাম (দ্রাখ্‌মে), সেমাই (সেমাদালিম), সুড়ং (সুরিংক্স), ইউনানি (আইওনিয়ন)।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
২৯.
নিচের কোনটি নামপদ নয়?
  1. ক) বিশেষ্য
  2. খ) ক্রিয়া
  3. গ) সর্বনাম
  4. ঘ) অব্যয়
ব্যাখ্যা
পদ প্রধানত দুই প্রকার। যথাঃ ক্রিয়াপদ ও নামপদ। বাক্যে ক্রিয়া পদ ব্যতীত বাকি সব পদই নাম পদ (যেমনঃ বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয়)।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
৩০.
সাধারণত বিশেষ্য পদ কত প্রকার?
  1. ক) চার
  2. খ) পাঁচ
  3. গ) ছয়
  4. ঘ) সাত
ব্যাখ্যা
সধারণত ছয় প্রকার বিশেষ্যের কথা জানা গেলেও ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বিশেষ্য পদ পাঁচ প্রকার এবং ব্যাকরণবিদ জগদীশচন্দ্র ঘোষের মতে সাত প্রকার।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
৩১.
সংজ্ঞার্থবাচক বিশেষ্য-
  1. ক) পদ্মা
  2. খ) ঝাঁক
  3. গ) মানুষ
  4. ঘ) সাহস
ব্যাখ্যা
নাম বা সংজ্ঞার্থবাচক বিশেষ্য হচ্ছে - পদ্মা, বুড়িগঙ্গা, অমর, ইমরুল ইত্যাদি। মানুষ জাতিবাচক, ঝাঁক সমষ্টিবাচক এবং সাহস গুণবাচক বিশেষ্য।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
৩২.
'হ্যাঁ' শব্দটি কোন ধরনের পদ?
  1. ক) বিশেষণ
  2. খ) অব্যয়
  3. গ) বিশেষ্য
  4. ঘ) সর্বনাম
ব্যাখ্যা
যার ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না, অর্থাৎ যা অপরিবর্তনীয় শব্দ তাই অব্যয়। যেমন- হ্যাঁ, না, এবং, জন্য, আর, কিন্তু, ও, আবার ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
৩৩.
'শ্রেণি' শব্দটির পদ শনাক্ত করুন।
  1. ক) দ্রব্যবাচক বিশেষ্য
  2. খ) সমষ্টিবাচক বিশেষ্য
  3. গ) শ্রেণিবাচক বিশেষ্য
  4. ঘ) গুণবাচক বিশেষ্য
ব্যাখ্যা
যে বিশেষ্য পদ দ্বারা একজাতীয় ব্যাক্তি বা প্রাণির সমষ্টি বোঝায়, তা-ই সমষ্টিবাচক বিশেষ্য। যেমন- সভা, জনতা, সমিতি, পঞ্চায়েত, শ্রেণী, বাহিনী, মাহফিল, ঝাঁক, বহর, দল ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
৩৪.
কোনটি বিশেষণ পদ না?
  1. ক) দুঃসাহসী
  2. খ) অভিযাত্রী
  3. গ) চিরন্তন
  4. ঘ) প্রস্তুত
ব্যাখ্যা
বিশেষ্য পদ - অভিযাত্রী, মানুষ, রাজ্য, দেশ, মঙ্গলগ্রহ।
বিশেষণ পদ - দুঃসাহসী, চিরন্তন, প্রস্তুত।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
৩৫.
কোটবাড়ি দর্শন করে এলাম। বাক্যে ‘দর্শন’ কোন ধরনের পদ?
  1. ক) ক্রিয়াপদ
  2. খ) ভাববাচক বিশেষ্য
  3. গ) নামবাচক বিশেষ্য
  4. ঘ) প্রযোজক ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
‘কোটবাড়ি দর্শন করে এলাম’ এবং ‘খুকুর নাচন দেখে যা’ বাক্য দুটিতে ‘দর্শন’ এবং ‘নাচন’ ভাববাচক বিশেষ্য। ‘আমি কোটবাড়ি দেখেছি’ এবং ‘খুকু নাচছে’ এই বাক্য দুটিতে ‘দেখেছি’ এবং ‘নাচছে’ ক্রিয়াপদ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
৩৬.
নিচের কোনটি ব্যতিহারিক সর্বনাম?
  1. ক) আপসে
  2. খ) স্বয়ং
  3. গ) ওরা
  4. ঘ) সকল
ব্যাখ্যা
ব্যাতিহারিক সর্বনাম - আপনা আপনি, নিজে নিজে, আপসে, পরস্পর ইত্যাদি। খোদ, স্বয়ং আত্মবাচক সর্বনাম। সব, সকল - সাকুল্যবাচক সর্বনাম। আমি, আমরা, তুমি, ওরা, তারা ব্যাক্তিবাচক সর্বনাম।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
৩৭.
অব্যয় পদ সম্পর্কে কোন উক্তিটি মিথ্যা?
  1. ক) এটি পরিবর্তন যোগ্য
  2. খ) বাক্যের শোভাবর্ধন করে
  3. গ) একাধিক পদের সংযোগ ঘটায়
  4. ঘ) একাধিক বাক্যের বিয়োগ ঘটায়
ব্যাখ্যা
ন ব্যয় = অব্যয়য়। যার ব্যয় বা পরিবর্তন হয়না তাই অব্যয়। যে পদ অপরিবর্তনীয় থেকে কখনো বাক্যের শোভাবর্ধন করে, কখনো একাধিক পদ, বাক্যাংশের বা বাক্যের সংযোগ বা বিয়োগ সম্বন্ধ ঘটায় তাকে অব্যয় পদ বলে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
৩৮.
গুণবাচক বিশেষ্যটি শনাক্ত করুন।
  1. ক) তিক্ততা
  2. খ) চৌকস
  3. গ) দক্ষ
  4. ঘ) তাজা
ব্যাখ্যা
তিক্ততা, মধুরতা, তারুণ্য, তারল্য, সুখ, স্বাস্থ্য, দুঃখ, সৌরভ, যৌবন গুণবাচক বিশেষ্য। গুণবাচক বিশেষণ - চৌকস, দক্ষ। তাজা, রোগা, খোঁড়া - অবস্থাবাচক বিশেষণ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
৩৯.
নিচের কোনটি বিদেশী অব্যয়?
  1. ক) শাবাশ
  2. খ) খুব
  3. গ) বরং
  4. ঘ) ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
বিদেশী অব্যয় শব্দ - আলবত, বহুত, খুব, শাবাশ, খাসা, মাইরি, মারহাবা ইত্যাদি। যদি, যথা, সদা, সহসা, হঠাৎ, অর্থাৎ, দৈবাৎ, বরং ইত্যাদি তৎসম অব্যয় শব্দ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
৪০.
সর্বনামের মধ্যম পুরুষ রূপটি শনাক্ত করুন।
  1. ক) আমি
  2. খ) আমরা
  3. গ) তুমি
  4. ঘ) তারা
ব্যাখ্যা
উত্তম পুরুষঃ আমি, আমরা, আমাকে, আমাদের।
মধ্যম পুরুষঃ তুমি, তোমরা, তোমাকে, তোমাদের।
নাম পুরুষঃ সে, তারা, তাদের, তাকে ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
৪১.
যে ক্রিয়াপদ দ্বারা বাক্যের পরিসমাপ্তি ঘটে না, বক্তার কথা অসম্পূর্ণ থেকে যায়-
  1. ক) সকর্মক ক্রিয়া
  2. খ) অকর্মক ক্রিয়া
  3. গ) অসমাপিকা ক্রিয়া
  4. ঘ) সমাপিকা ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
যে ক্রিয়াপদ দ্বারা বাক্যের পরিসমাপ্তি ঘটে না, বক্তার কথা অসম্পূর্ণ থেকে যায় তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে। যেমন- আমরা হাত মুখ ধুয়ে...।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
৪২.
প্রযোজক ক্রিয়াকে সংস্কৃত ব্যাকরণে কী বলে?
  1. ক) সমধাতুজ ক্রিয়া
  2. খ) ণিজন্ত ক্রিয়া
  3. গ) নামধাতুজ ক্রিয়া
  4. ঘ) প্রযোজক ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
যে ক্রিয়া একজনের প্রযোজনা বা চালনায় অনুষ্ঠিত হয় তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলে। প্রযোজক ক্রিয়াকে সংস্কৃত ব্যাকরণে ণিজন্ত ক্রিয়া বলে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
৪৩.
তুমি তো দেখি প্রায় পাগলের মত দৌড়াচ্ছো। এই বাক্যে ‘প্রায়’ কী?
  1. ক) নাম বিশেষণ
  2. খ) অব্যয় বিশেষণ
  3. গ) ক্রিয়া বিশেষণ
  4. ঘ) বিশেষণের অতিশায়ন
ব্যাখ্যা
তুমি তো দেখি প্রায় পাগলের মত দৌড়াচ্ছো। এই বাক্যে ‘মতো’ পদান্বয়ী অব্যয়। ‘প্রায়’ অব্যয় বিশেষণ। কারণ ‘প্রায়’ দিয়ে কতটুকু মত তা বুঝানো হয়েছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
৪৪.
ঘটনাচক্রে তারা চোর সন্দেহে জেলে গেছে। এই বাক্যে ‘ঘটনাচক্রে’ কী?
  1. ক) বিশেষণের বিশেষণ
  2. খ) বাক্যের বিশেষণ
  3. গ) ক্রিয়ার বিশেষণ
  4. ঘ) অব্যয় বিশেষণ
ব্যাখ্যা
ঘটনাচক্রে তারা চোর সন্দেহে জেলে গেছে, দুর্ভাগ্যক্রমে দেশে অপশক্তির উত্থান ঘটেছে, বাস্তবিকই তোমাদের সামনে দেশরক্ষার কঠিন সংগ্রাম উপস্থিত। এই বাক্যগুলোতে দুর্ভাগ্যক্রমে, ঘটনাচক্রে, বাস্তবিকই বাক্যকে বিশেষায়িত করে।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
৪৫.
ক্রিয়ার অনুজ্ঞা ভাব প্রকাশ পেয়েছে নিচের কোন বাক্যে?
  1. ক) আমরা বই পড়ি
  2. খ) তুমি কাল যেও
  3. গ) তারা বাড়ি যাবে
  4. ঘ) সে কি গিয়েছিলো?
ব্যাখ্যা
ক্রিয়ার অনুজ্ঞা ভাব প্রকাশ পেয়েছে - ‘চুপ কর, তুমি কাল যেও, মিথ্যা বলবে না’ এই বাক্যগুলোতে। ক্রিয়ার নির্দেশক ভাব প্রকাশ পেয়েছে - ‘আমরা বই পড়ি, তারা বাড়ি যাবে, সে কি গিয়েছিলো?’ এই বাক্যগুলোতে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
৪৬.
আসত্তি অর্থ কী?
  1. ক) যোগাযোগ
  2. খ) যোগ্যতা
  3. গ) মিলন
  4. ঘ) ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
বাক্যের পদগুলিকে অর্থসঙ্গতিক্রমে পূর্বাপর সন্নিবিষ্ট করার নাম আসত্তি। আসত্তি অর্থ মিলন বা নৈকট্য বা পারস্পরিক সংযোগ।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
৪৭.
বাক্যে কী কী থাকলে তা যোগ্যতাহীন বলে বিবেচিত হবে?
  1. ক) রীতিসিদ্ধ অর্থবাচকতা
  2. খ) দুর্বোধ্যতা
  3. গ) বাহুল্যদোষ
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
রীতিসিদ্ধ অর্থবাচকতা, দুর্বোধ্যতা, উপমার ভুল প্রয়োগ, বাহুল্যদোষ, বাগধারার রদবদল, গুরুচণ্ডালী দোষ ইত্যাদি থাকলে বাক্য যোগ্যতাহীন বলে বিবেচিত হয়।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
৪৮.
‘চাঁদে বসে মা শিশুকে ছাদ দেখাচ্ছেন’ বাক্যটিতে কোন ধরনের অপপ্রয়োগ হয়েছে?
  1. ক) পদক্রমবিন্যাস জনিত
  2. খ) আসত্তি জনিত
  3. গ) যোগ্যতা জনিত
  4. ঘ) বাহুল্য জনিত
ব্যাখ্যা
‘চাঁদে বসে মা শিশুকে ছাদ দেখাচ্ছেন’ এই বাক্য গদ্যে যোগ্যতাহীন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
৪৯.
“তাহার উদ্ধত আচরণে ব্যথিত হয়েছি।” বাক্যটিতে কী ধরনের ভুল আছে?
  1. ক) বানান জনিত
  2. খ) প্রত্যয় জনিত
  3. গ) গুরুচন্ডালী জনিত
  4. ঘ) আসত্তি জনিত
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ বাক্যটি হবে - তাহার উদ্ধত আচরণে ব্যথিত হইয়াছি৷ প্রশ্নোল্লিখিত বাক্যটি অশুদ্ধ কারণ সাধু এবং চলিত ভাষার মিশ্রণ ঘটানোয় গুরুচন্ডালী দোষ ঘটেছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
৫০.
ভোর হলে, সে ব্যক্তি, ঐ ইউরোপীয়ের সঙ্গে কিছুটা দূরে গেলো। এটি কী ধরণের বাক্য?
  1. ক) মিশ্র
  2. খ) জটিল
  3. গ) সরল
  4. ঘ) যৌগিক
ব্যাখ্যা
সরলঃ ভোর হলে, সে ব্যক্তি, ঐ ইউরোপীয়ের সঙ্গে কিছুটা দূরে গেলো।
যৌগিকঃ যখন ভোর হলো তখন সে ব্যক্তি ঐ ইউরোপীয়ের সঙ্গে কিছুটা দূরে গেলো।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
৫১.
কোনটি বাগধারার শব্দ পরিবর্তন জনিত ভুল?
  1. ক) অষ্টকপাল
  2. খ) আটকপালে
  3. গ) ঘোড়ায় গলদ
  4. ঘ) ঘোড়ার ডিম
ব্যাখ্যা
সঠিক বাগধারা সমূহঃ অষ্টকপাল - হতভাগ্য; আটকপালে - হতভাগ্য; ঘোড়ার ডিম - অবাস্তব; গোড়ায় গলদ - প্রথমেই ত্রুটি।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
৫২.
যে স্থানে আমার বাড়ি তুমি আমায় সেখানে পৌছে দাও। বাক্যটির ধরণ নির্ণয় করুন।
  1. ক) জটিল
  2. খ) সরল
  3. গ) কঠিন
  4. ঘ) যৌগিক
ব্যাখ্যা
জটিল বাক্য:
যে-সে, যারা-তারা, যিনি-তিনি, যাঁরা-তাঁরা, যা-তা প্রভৃতি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যদিও-তবু, যেহেতু-সেহেতু, যত-তত, যেটুকু-সেটুকু, যেমন-তেমন, যখন-তখন প্রভৃতি সাপেক্ষ যোজক দিয়ে যখন অধীন বাক্যগুলো যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলে । যেমন –

- যে ছেলেটি এখানে এসেছিল, সে আমার ভাই।
- যদি তুমি যাও, তবে তার দেখা পাবে।
- যে স্থানে আমার বাড়ি তুমি আমায় সেখানে পৌছে দাও।
- যদি সে কাল আসে তাহলে আমি যাব।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
৫৩.
গফুর কত কী চিন্তা করিয়া হঠাৎ সেই সমস্যার সমাধান করিয়া ফেলিল। বাক্যটি-
  1. ক) মিশ্র
  2. খ) সরল
  3. গ) জটিল
  4. ঘ) যৌগিক
ব্যাখ্যা
সরলঃ গফুর কত কী চিন্তা করিয়া হঠাৎ সেই সমস্যার সমাধান করিয়া ফেলিল।
যৌগিকঃ গফুর কত কী চিন্তা করিল এবং হঠাৎ সেই সমস্যার সমাধান করিয়া ফেলিল।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
৫৪.
যেহেতু নির্বাচন হয়েছে, সেহেতু দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসবেই। বাক্যটির জটিল রূপ কোনটি?
  1. ক) যেহেতু নির্বাচন হয়েছে, সেহেতু দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসবেই
  2. খ) নির্বাচন হয়েছে এবং এখন দেশে গণতন্ত্র ফিরবে
  3. গ) নির্বাচন হলে দেশে গণতন্ত্র ফিরবেই
  4. ঘ) দেশে গণতন্ত্র ফিরাতে হলে নির্বাচন লাগবেই
ব্যাখ্যা
মিশ্র বা জটিলঃ যেহেতু নির্বাচন হয়েছে, সেহেতু দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসবেই।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
৫৫.
‘অশ্বগাড়ি’ শব্দটিতে কী ধরনের ভুল হয়েছে?
  1. ক) দুর্বোধ্যতা
  2. খ) অপ্রচলিত শব্দের ব্যবহার
  3. গ) গুরুচণ্ডালী
  4. ঘ) আকাঙ্ক্ষার ভুল প্রয়োগ
ব্যাখ্যা
‘অশ্বগাড়ি’ শব্দটিতে গুরুচণ্ডালী দোষ হয়েছে। অশ্বগাড়ি না হয়ে হবে ঘোড়াগাড়ি অথবা অশ্বশকট।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
৫৬.
প্রাতিপদিক হচ্ছে-
  1. ক) বিভক্তিহীন নাম শব্দ
  2. খ) তদ্ধিত প্রত্যয়ের প্রকৃতি
  3. গ) নাম প্রকৃতি
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলে। প্রাতিপদিক তদ্ধিত প্রত্যয়ের প্রকৃতি বলে প্রাতিপদিককে ‘নাম প্রকৃতি’ ও বলা হয়ে থাকে। ধাতু যেমন কৃৎ প্রত্যয়ের প্রকৃতি তেমনি প্রাতিপদিকও তদ্ধিত প্রত্যয়ের প্রকৃতি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
৫৭.
‘জানানো’ শব্দের প্রকৃতি প্রত্যয় নির্ণয় করুন।
  1. ক) √জা+আনানো
  2. খ) √জ + আনানো
  3. গ) √জানা + আন
  4. ঘ) √জানা + আনো
ব্যাখ্যা
আ-কারান্ত প্রযোজক (ণিজন্ত) ধাতুর পর ‘আন’ প্রত্যয় যুক্ত হলে ‘আনো’ হয়। যেমন- √জানা + আন = জানানো। এরূপ - শোনানো, ভাসানো।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
৫৮.
আল-প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. ক) মাতাল
  2. খ) মিশেল
  3. গ) বলিয়ে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
আল-প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ- √মাত্‌ + আল = মাতাল, √মিশ্‌ + আল = মিশাল।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
৫৯.
সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় শনাক্ত করুন।
  1. ক) ইন্‌
  2. খ) আই
  3. গ) ইয়া
  4. ঘ) আনি
ব্যাখ্যা
সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় - অনট্‌, ঘ্যণ, ইন্‌, ণিন, ইন্‌। বাংলা কৃৎ প্রত্যয় - অন্তঃ, আই, আও, ইয়া, আল, আনি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
৬০.
গ্রামে খুব ধর্‌ পাকড় চলছে। এই বাক্যে ‘ধর্‌’ শব্দটি কোন প্রত্যয় যোগে গঠিত?
  1. ক) শূন্য প্রত্যয়
  2. খ) হস প্রত্যয়
  3. গ) অনা প্রত্যয়
  4. ঘ) ও প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
কোনো প্রত্যয় না থাকলে ক্রিয়া প্রকৃতিটি শূন্য প্রত্যয় রূপে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণঃ এ মোকদ্দমায় তোমার জিত্‌ হবে না, হার্‌-ই হবে। গ্রামে খুব ধর্‌ পাকড় চলছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী
৬১.
নিচের কোন শব্দটি ‘ণিন’ প্রত্যয়যোগে গঠিত?
  1. ক) পানীয়
  2. খ) আত্মঘাতী
  3. গ) শ্রবণীয়
  4. ঘ) পালনীয়
ব্যাখ্যা
শব্দের শেষে ‘ঈ’ থাকলে ‘ণিন’ হবে। যেমন - গ্রাহী, পায়ী, আত্মঘাতী ইত্যাদি। কর্ম ও ভাববাচ্যের ধাতুর পর তব্য ও অনীয় প্রত্যয় যুক্ত হয়। যেমন - √রক্ষ্‌ + অনীয় = রক্ষনীয়; √শ্রব্‌ + অনীয় = শ্রবণীয়। এরূপ - করণীয়, পানীয়, পালনীয় ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী
৬২.
‘তা’ প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. ক) বন্ধুতা
  2. খ) বন্ধুত্ব
  3. গ) ঘনত্ব
  4. ঘ) মহত্ব
ব্যাখ্যা
বন্ধুতা, শত্রুতা এ শব্দগুলো তা প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। বন্দুত্ব, ঘনত্ব, মহত্ব, গুরুত্ব এ শব্দগুলো গঠিত হয়েছে ত্ব প্রত্যয় যোগে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী
৬৩.
বিদেশী প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. ক) মেঘলা
  2. খ) চৌকিদার
  3. গ) জমিদারি
  4. ঘ) কানাই
ব্যাখ্যা
মিঠা + আই =মিঠাই, কানু + আই = কানাই, জমিদারি (জমিদার+ই), মেঘলা (মেঘ+লা) এবং চতুরালি (চতুর + আলি) বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ। অন্যদিকে চৌকিদার ফারসি দার প্রত্যয়যোগে গঠিত। এরূপ- পাহারাদার, দেনাদার, খবরদার, তাঁবেদার, রুটিদার ইত্যাদি।
উৎসঃবাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী
৬৪.
‘লেখক’ শব্দটি কোন প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়?
  1. ক) ইল
  2. খ) আও
  3. গ) ণক
  4. ঘ) ইন
ব্যাখ্যা
গায়ক, পাঠক, নায়ক, লেখক এই শব্দগুলো ণক-প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
৬৫.
‘ষ্ণ’ প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ-
  1. ক) মনুষ্য
  2. খ) উষ্ণ
  3. গ) দানব
  4. ঘ) সৌভাগ্য
ব্যাখ্যা
যেসব শব্দের শেষে ষ্ণ (অ) প্রত্যয় যুক্ত হয়, তার প্রাতিপদিকের অন্ত্যস্বরের উ-কারও ও-কারে পরিণত হয়। যেমন - মনু + ষ্ণ = মানব, দনু + ষ্ণ = দানব, গুরু + ষ্ণ = গৌরব।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী
৬৬.
বায়বীয় শব্দটি কোন প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে?
  1. ক) নিন
  2. খ) নীয়
  3. গ) ণীয়
  4. ঘ) আন
ব্যাখ্যা
বর্ষীয়, জলীয়, বায়বীয় শব্দ গুলো গঠন করতে নীয় প্রত্যয় যোগ হয়েছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী