পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
“Award Mania: Season - 8” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. ডাটাবেজ সিস্টেম ও এর উপাদান, ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। ২. কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপদ ব্যবহার, সাইবার অপরাধ ও এর প্রতিকার ইত্যাদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
অবৈধ কাজ এবং ইনফরমেশন চুরি করে কোন ধরনের হ্যাকার?
  1. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
  2. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  3. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  4. গ্রিন হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা
• অবৈধ কাজ এবং ইনফরমেশন চুরি করে ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা।

• হ্যাকিং:

- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা:

১. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- একজন Black hat hacker যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটি কে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়।
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

২. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এ ধরনের হ্যাকাররা দুই ধরনের বৈধ এবং অবৈধ দুই ধরনের কাজ করতে পারে।
- একজন গ্রে হ্যাট হ্যাকার যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মত কাজ করে।
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

৩. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- একজন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহতি করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• গ্রিন হ্যাট হ্যাকার নামে কোনো হ্যাকার গ্রুপের অস্থিত নেই।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
.
ইভসড্রপিং কী?
  1. একটি নিরাপত্তা পদ্ধতি যা ডেটা এনক্রিপ্ট করে।
  2. একটি আক্রমণ যেখানে আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই কথোপকথন শোনে।
  3. ডেটা ব্যাকআপ নিতে ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি
  4. একটি সফটওয়্যার যা নেটওয়ার্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়।
ব্যাখ্যা
• ইভসড্রপিং হলো একটি আক্রমণ যেখানে আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই কথোপকথন শোনে।

• ইভসড্রপিং (Eavesdropping):
- এই আক্রমণে আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই, তার অজ্ঞাতে সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের কথোপকথন শুনে এবং সেই তথ্যটি প্রতিযোগী সংস্থা বা শত্রু সংস্থার কাছে পৌঁছে দেয়।
- এটি একটি প্যাসিভ আক্রমণ, যেখানে আক্রমণকারী গোপনীয়তা বজায় রেখে পর্যবেক্ষণ করে এবং কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা নেটওয়ার্কে যুক্ত অন্যান্য ডিভাইস থেকে তথ্য চুরি করে।
- পরবর্তীতে, এই তথ্য নেটওয়ার্ক সম্পর্কে প্রয়োজনীয় সবকিছু জানিয়ে সক্রিয় আক্রমণও চালানো হতে পারে।
- কার্নিভো এবং নারুসের মতো বিভিন্ন প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার এই উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়।
- পাবলিক ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কগুলি এই ধরনের আক্রমণের জন্য সহজ টার্গেট, কারণ যে কেউ সেই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে এবং পাসওয়ার্ড অর্জন করতে পারে।
- ইভসড্রপিং ওয়্যারলেস সেন্সর নেটওয়ার্ক এবং ইন্টারনেট অফ থিংসের জন্য একটি মারাত্মক হুমকি।

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম?
  1. FAT8
  2. FAT32
  3. FAT64
  4. HTFS
ব্যাখ্যা
• FAT32 একটি ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ফাইল ম্যানেজমেন্ট:

- ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো কম্পিউটার ফাইল এবং তাদের ডেটার সংগঠন ও সংরক্ষণের পদ্ধতি।
- অপারেটিং সিস্টেম প্রধানত ফাইল তৈরি, অ্যাক্সেস, কপি, মুছা ইত্যাদি কার্যক্রম সম্পাদন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো প্রধান স্মৃতিতে ফাইল ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম নিয়ে আসা এবং সেগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা করা, পাশাপাশি ফাইল ও নথির সঠিক ব্যবস্থাপনা করা।
- বর্তমানে, কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের ফাইল সিস্টেমের মধ্যে থেকে যেকোনো একটি ব্যবহার করতে পারে।

• ফাইল সিস্টেমগুলো হলো:
• FAT16.
• FAT32.
• HPFS.
• NTFS.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
DDL এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Data Description Language
  2. Data Distribution Language
  3. Data Development Language
  4. Data Definition Language
ব্যাখ্যা
• DDL এর পূর্ণরূপ হলো Data Definition Language.

• ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ল্যাঙ্গুয়েেজের মাধ্যমে ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি ও ডাটা মডিফিকেশন করা হয় থাকে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ ২ ধরনের -

১. Data Definition Language (DDL):
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে তথ্য সংরক্ষণ ও তথ্য অ্যাক্সেস করার জন্য DDL ব্যবহার করা হয়।

২. Data Manipulation Language (DML):
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে তথ্য যোগ (ইনসার্ট), মুছে ফেলা (ডিলিট), আপডেট এবং পরিবর্তন (মডিফাই) করার জন্য DML ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই ও ডিলিট করার পদ্ধতি?
  1. কুয়েরি
  2. ইনডেক্সিং
  3. ক্রিপটোগ্রাফি
  4. সর্টিং
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।

 কুয়েরি:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।
- কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. Select Query:
- একাধিক ডাটা টেবিল থেকে ফিল্ড বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
২. Parameter Query:
- প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
৩. Crosstab Query:
- ফলাফলকে সামারি আকারে ডাটা শিট প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
৩. Action Query:
- কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:

- ইনডেক্সিং হচ্ছে ডাটাবেজের মধ্যে ক্রম সাজানোর একটি বিশেষ পদ্ধতি এবং ইনডেক্সিং এর মাধ্যমে ডেটা দ্রুত সময়ে খুব সহজেই খুঁজে পাওয়া যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানের যে শাখায় ডেটা এনক্রিপশন নিয়ে কাজ ও গবেষণা করা হয় থাকে ক্রিপটোগ্রাফি বলে।
- এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
ডেটাবেজ টেবিলের রেকর্ডগুলোকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকে বলে-
  1. কুয়েরি
  2. ক্রিপটোগ্রাফি
  3. ইনডেক্সিং
  4. সর্টিং
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ টেবিলের রেকর্ডসমূহকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকে ইনডেক্সিং বলে।

• ইনডেক্সিং:
- ডেটাবেজ টেবিলের রেকর্ডসমূহকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকে ইনডেক্সিং বলে।
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং।
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো।
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- সর্ট করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানের যে শাখায় ডেটা এনক্রিপশন নিয়ে কাজ ও গবেষণা করা হয় থাকে ক্রিপটোগ্রাফি বলে। 
- ডাটাকে ঊর্ধবক্রম থেকে অধঃক্রম অনুসারে সাজানোকে সর্টিং বলা হয়। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ফিশিং
  2. স্প্যামিং
  3. অ্যাডওয়্যার
  4. স্নিকিং
ব্যাখ্যা
• Adware সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত নয়।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া মেলওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাডওয়্যার (Adware)।

• সাইবার ক্রাইম:

- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং (Phishing),
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism),
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
নিচের কোনটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট এর কাজ?
  1. প্রয়োজনীয় ডেটা অনুসন্ধান করা
  2. নতুন ডেটা/রেকর্ড অন্তর্ভুক্ত করা
  3. অপ্রয়োজনীয় ডেটা/রেকর্ড বাদ দেওয়া
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• অপশনে উল্লিখিত সবগুলোই ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট এর কাজ।

• DBMS এর কাজসমূহ:
- প্রয়োজন অনুযায়ী ডেটাবেজ তৈরি করা।
- নতুন ডেটা/রেকর্ড অন্তর্ভুক্ত করা।
- ডেটার ভুল খুঁজে বের করে সংশোধন করা।
- অপ্রয়োজনীয় ডেটা/রেকর্ড অপসারণ করা।
- সম্পাদনার কাজ সম্পন্ন করা।
- প্রয়োজনীয় ডেটা অনুসন্ধান করা।
- প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পূর্ণ ডেটাবেসকে যেকোনো ফিল্ডের ভিত্তিতে সাজানো।

- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা DBMS হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ডেটাবেজ তৈরি, পরিবর্তন, সংরক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: MySQL, PostgreSQL, Microsoft Access, SQL Server, FileMaker, Oracle, dBASE, Clipper, and FoxPro. ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
কম্পিউটারকে হ্যাকিং এর হাত থেকে রক্ষা করে কোনটি?
  1. সফটওয়্যার
  2. ফায়ারওয়াল
  3. কম্পিউটার ভাইরাস
  4. ম্যালওয়ার
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল কম্পিউটারকে হ্যাকিং এর হাত থেকে রক্ষা করে।

• ফায়ারওয়াল:

- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে।
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না।
- শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ব্রিটানিকা
১০.
একাধিক টেবিলের মাঝে সম্পর্ক স্থাপনে ব্যবহৃত হয়-
  1. প্রাইমারি কী
  2. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  3. ফরেন কী
  4. কম্পোজিট ফরেন কী
ব্যাখ্যা
• ফরেন কী ব্যবহার করে একাধিক টেবিলের মাঝে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

• কী ফিল্ড:

- যে ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড অনুসন্ধান, সনাক্তকরণ, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

১. প্রাইমারি কী:
- ডাটা টেবিলের যে ফিল্ডের মানসমূহ দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্যান্য রেকর্ড থেকে সম্পূর্ণরূপে আলাদা করা যায়, তাকে প্রাইমারি কী বলা হয়।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহার করা হয় তবে তাকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী এর সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
নিচের কোনটি ওপেন সোর্স DBMS নয়?
  1. Altibase
  2. SQLite
  3. OCR
  4. Cubrid
ব্যাখ্যা
• OCR ওপেন সোর্স DBMS নয়, এটি একটি ইনপুট ডিভাইস।

• DBMS:

- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- Altibase
- MySQL
- PostgreSQL
- Maria DB
- MongoDB
- Cassandra
- SQLite
- Cubrid

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১২.
ইন্টারনেটের মাধ্যমে কাউকে হুমকি দেয়াকে কী বলে?
  1. Cyberstalking
  2. Spamming
  3. Piracy
  4. Phishing
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের মাধ্যমে কাউকে হুমকি দেয়াকে Cyberstalking বলে।

• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং
- স্প্যামিং
- সাইবার থেফ্ট
- সাইবার বুলি
- স্ফুফিং
- ফিশিং
- ভিশিং
- স্নিকিং
- প্লেজিয়ারিজম
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৩.
কোথায় Cookies জমা থাকে?
  1. ক্যাশ মেমোরি
  2. র‍্যাম
  3. হার্ড ডিস্ক
  4. রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
• কুকিজ ক্যাশ মেমোরিতে জমা হয়।

• কুকিজ:
- Internet Information File Cookies ব্রাউজিং তথ্য ব্যবহারকারীর ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে সংরক্ষণ করে।
- Internet Information File Cookies এক ধরনের টেক্সট ফাইল, যা কোনো ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীর ব্রাউজার ডাইরেক্টরিতে জমা করে যখন ব্যবহারকারী সেই ওয়েবসাইটটি ব্রাউজ করে।
- এটি ওয়েবসাইটকে ব্যবহারকারীর ডিভাইসে প্রাসঙ্গিক তথ্য সংরক্ষণ করতে সহায়তা করে, ফলে ব্যবহারকারী যখন পুনরায় ওয়েবসাইটটি ভিজিট করেন, তখন তাকে সহজেই শনাক্ত করা যায় এবং ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা উন্নত হয়।
- যখন ব্যবহারকারী একটি ওয়েবসাইট পরিদর্শন করেন, ওয়েবসাইটটি কম্পিউটারের হার্ড ডিস্কে ভিজিট সম্পর্কিত কিছু তথ্য সংরক্ষণ করে।
- ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে অনেক অস্থায়ী ফাইল এবং কুকিজ জমতে থাকে, যা কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।
- সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে এই ক্যাশ মেমোরি এবং কুকিজ সহজেই পরিস্কার করা যায়, যা কম্পিউটারের গতি বাড়াতে সহায়ক।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- RAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Random Access Memory।
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়।
- রেজিস্টার হলো কম্পিউটারের প্রসেসর এর ভিতর অনেক গতিসম্পন্ন বিশেষ ধরনের স্টোরেজ বা মেমোরি।
হার্ড ডিস্ক - কম্পিউটারের সহায়ক মেমরী।

উৎস: 
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. Microsoft website.