পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সিলেবাস: i) বাংলাদেশের সংবিধান, ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও সরকার ব্যবস্থা উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির পৌরনীতি ও সুশাসন বোর্ড বই, বাংলাপিডিয়া, সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট ও যেকোনো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সুশাসনের জন্য নাগরিক
  2. আইন ও সালিশ কেন্দ্র
  3. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
  4. ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত নয়।

• চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হলো এমন এক গোষ্ঠী যার সদস্যগণ সমজাতীয় মনোভাব এবং স্বার্থের দ্বারা পরস্পরের সাথে আবদ্ধ। তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারি নীতি ও সিদ্ধান্তকে নিজেদের অনুকূলে প্রভাবিত করার মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করা। এদের কোন বৃহৎ বা জাতীয় লক্ষ্য থাকে না।
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য হল সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা।
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্য সংখ্যা রাজনৈতিক দলের তুলনায় সাধারণত কম হয় এবং অভিন্ন স্বার্থের পরিপ্রেক্ষিতে গোষ্ঠীর সদস্যরা ঐক্যবদ্ধ থাকে।

উল্লেখ্য, 
- আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা, এনজিও, সুশীল সমাজ, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন প্রভৃতি চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- আইন ও সালিশ কেন্দ্র, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি), সুশাসনের জন্য নাগরিক, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) প্রভৃতি চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথমপত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মোজাম্মেল হক।

.
সংবিধানের কোন ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বর্ণিত আছে?
  1. প্রথম ভাগ
  2. দ্বিতীয় ভাগ
  3. তৃতীয় ভাগ
  4. চতুর্থ ভাগ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় ভাগ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বর্ণিত হয়েছে। এই অংশে সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদসহ মৌলিক দিক নির্দেশনা অন্তর্ভুক্ত।

বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।

• সংবিধানের ভাগ:
- প্রথম ভাগ: প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগ: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগ: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগ: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগ: মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগ: বাংলাদেশের কর্মবিভাগ,
- দশম ভাগ: সংবিধান-সংশোধন,
- একাদশ ভাগ: বিবিধ।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

.
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের কতটি বিভাগ রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
- সুপ্রীম কোর্টে দুটি বিভাগ রয়েছে—হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।

• সুপ্রীম কোর্টের গঠন:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রীম কোট।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান হল প্রধান বিচারপতি।
- এ আদালতের দু’টি বিভাগ রয়েছে যথা- হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।

উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেন।
- প্রধান বিচারপতির পরামর্শে রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- বাংলাদেশী কোন নাগরিক ১০ বছর এডভোকেট হিসেবে অভিজ্ঞতা থাকলে বা ১০ বছর বিচার বিভাগীয় কোন পদে চাকুরি করলে সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভের যোগ্য বলে বিবেচিত হন।

সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য কে ছিলেন?
  1. রাফিয়া বানু
  2. সাজেদা চৌধুরী
  3. রাজিয়া বানু
  4. নুরজাহান মোর্শেদ
সঠিক উত্তর:
রাজিয়া বানু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজিয়া বানু
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

বাংলাদেশের সংবিধান:

- ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
- ১১ এপ্রিল ১৯৭২, ড. কামাল হোসেনকে আহ্বায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ১৭ এপ্রিল।
- দীর্ঘ আলোচনার পর ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে সংবিধানের খসড়া গণপরিষদে উত্থাপন করা হয়।
- পরবর্তীতে, ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
- সর্বশেষ, ঐতিহাসিকভাবে তা কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত উক্ত খসড়ায় স্বাক্ষর করেননি।
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাদেশের সংবিধান - আরিফ খান।
.
রাজনৈতিক দল হচ্ছে -
  1. ধর্মভিত্তিক সংগঠন
  2. বিক্ষিপ্ত জনগোষ্ঠী
  3. ঐক্যবদ্ধ, সচেতন ও ক্ষমতায় আগ্রহী জনগোষ্ঠী
  4. কেবল মাত্র নির্বাচনকালীন সংগঠন
সঠিক উত্তর:
ঐক্যবদ্ধ, সচেতন ও ক্ষমতায় আগ্রহী জনগোষ্ঠী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐক্যবদ্ধ, সচেতন ও ক্ষমতায় আগ্রহী জনগোষ্ঠী
ব্যাখ্যা

- রাজনৈতিক দল হচ্ছে একটি সংঘবদ্ধ জনসমষ্টি, যারা রাষ্ট্রের সমস্যা সম্পর্কে ঐকমত্য পোষণ করে এবং নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমে তাদের নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে সচেষ্ট হয়।
- এরা জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে সরকার গঠনে প্রতিযোগিতা করে।

রাজনৈতিক দলের সংজ্ঞা: 
- যখন কোন জনসমষ্টি রাষ্ট্রের সমস্যা সম্পর্কে একমত পোষণ করে, নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় ক্ষমতা আরোহণে আগ্রহী এবং রাজনীতি সচেতন হয়ে সংঘবদ্ধ হয় তখন এই সংঘবদ্ধ একদল লোককে 'রাজনৈতিক দল' বলে।
- বার্ক বলেন, "রাজনৈতিক দল এরূপ একটি জনসমষ্টি যারা কিছু ঐক্যবদ্ধ নীতির ভিত্তিতে জাতীয় স্বার্থ অর্জনের জন্যে সংঘবদ্ধ হয়েছে।”
- অধ্যাপক গেটেল বলেন, “রাজনৈতিক দল বলতে কম-বেশি সংগঠিত একদল লোককে বোঝায়, যারা রাজনৈতিকভাবে এককরূপে কাজ করে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে সরকার গঠন ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে চায়।”
- অধ্যাপক ফাইনার বলেন, "আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসন কার্যত রাজনৈতিক দলের শাসন।”
- ম্যাকাইভার বলেন, রাজনৈতিক দল বলতে সেই জনগোষ্ঠীকে বোঝায় যারা সুনির্দিষ্ট নীতির ভিত্তিতে সম্মিলিত এবং নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় সরকার গঠনে প্রয়াসী।”
অধ্যাপক সুম্পিটার রাজনৈতিক দলের একটি সংক্ষিপ্ত অথচ উত্তম সংজ্ঞা দিয়েছেন। তিনি বলেন, "রাজনৈতিক দল এমন একটি সংস্থা যার সদস্যবৃন্দ রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের প্রতিযোগিতায় ঐক্যবদ্ধ।”
- বস্তুত রাজনৈতিক দল বলতে এমন এক সংঘবদ্ধ জনসমষ্টিকে বোঝায় যারা রাষ্ট্রের সমস্যা সম্পর্কে ঐকমত্য পোষণ করে এবং নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ক্ষমতা দখলের মাধ্যমে গৃহীত কর্মসূচি বাস্তবায়নে এগিয়ে যায়। প্রকৃত রাজনৈতিক দলের কাছে নেতা ও দলের চেয়ে দেশের স্বার্থ বড়।

সূত্র: পৌরনীতি, এস এস সি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

.
সংবিধানের ১২২নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা
  2. ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
  3. নির্বাচন কমিশনের গঠন
  4. নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব
সঠিক উত্তর:
ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ১২২ অনুচ্ছেদ ‘ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা’ সংক্রান্ত।

ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
- সংবিধানের ১২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার যোগ্য হবেন, যদি তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন এবং তাঁর বয়স ১৮ বৎসরের কম না হয়। এছাড়াও, যোগ্য আদালত কর্তৃক তিনি অপ্রকৃতিস্থ হিসেবে ঘোষিত না হয়ে থাকেন এবং ঘোষণাটি বহাল না থাকে। সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী হিসেবে তার বসবাস থাকতে হবে বা আইনের দৃষ্টিতে তিনি ঐ এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হতে হবে। উপরন্তু, তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোনো অপরাধের জন্য দণ্ডিত হয়ে না থাকলে, তিনি ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত হবার অধিকারী হবেন।

অন্যদিকে:
- অনুচ্ছেদ - ১১৯ : নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ - ১১৮ : নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ - ১২৩ : নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।

সূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।
.
কোন ব্যক্তি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্য বিবেচিত হন?
  1. ১২ বছর এডভোকেট হলে
  2. ৮ বছর এডভোকেট হলে
  3. ১০ বছর এডভোকেট হলে
  4. ১৫ বছর এডভোকেট হলে
সঠিক উত্তর:
১০ বছর এডভোকেট হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর এডভোকেট হলে
ব্যাখ্যা
- ১০ বছর এডভোকেট বা বিচার বিভাগীয় পদে চাকুরির অভিজ্ঞতা থাকলে যোগ্য বিবেচিত হন।

• সুপ্রীম কোর্টের গঠন:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রীম কোট।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান হল প্রধান বিচারপতি।
- এ আদালতের দু’টি বিভাগ রয়েছে যথা- হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।

উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেন।
- প্রধান বিচারপতির পরামর্শে রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- বাংলাদেশী কোন নাগরিক ১০ বছর এডভোকেট হিসেবে অভিজ্ঞতা থাকলে বা ১০ বছর বিচার বিভাগীয় কোন পদে চাকুরি করলে সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভের যোগ্য বলে বিবেচিত হন।

সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দলের প্রধান ভূমিকা কী?
  1. সরকারের সকল নীতির বিরোধিতা করা
  2. সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করা
  3. শুধু হরতাল ও বিক্ষোভ করা
  4. শুধুমাত্র ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করা
সঠিক উত্তর:
সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করা
ব্যাখ্যা

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দলের ভূমিকা সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করা। 

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দলের ভূমিকা: 

- দল প্রথার ভিত্তিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে যে দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সে দলই শাসনকার্য পরিচালনা করে। নির্বাচনে পরাজিত দল বা দলগুলি আইন সভাতে বিরোধী দলের ভূমিকা নেয়। একটি আদর্শ বিরোধী দল কেবল বিরোধীতার খাতিরেই বিরোধীতা করে না। বরং সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা, ভুলগুলো ধরিয়ে দেয়া এবং জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজন মাফিক সরকারকে পরামর্শ দেয়ার দায়িত্ব পালন করে।  

- গঠনমূলক সমালোচনা: গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে সরকারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। সরকার বিরোধী দলের সমালোচনার চাপে একক কোন সিদ্ধান্ত জনগণের উপর চাপিয়ে দিতে পারে না। বিরোধী দল সুপরিকল্পিতভাবে সরকারের সমালোচনা করে সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি জনসাধারণের সামনে তুলে ধরে।

- অধিকার বাস্তবায়ন: জনগণের অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিরোধী দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সরকার যাতে জনগণের অধিকার খর্ব করে কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারে সে ব্যাপারে বিরোধী দলকে সচেষ্ট থাকতে হয়।

- গণতন্ত্র রক্ষা: আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না। গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ। এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়। শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে। জন স্টুয়ার্ট মিল তাই বলেন, “যেখানে বিরোধী দল নেই, সেখানে গণতন্ত্র নেই”।

- বিকল্প নীতি উত্থাপন: বিরোধী দলের অন্যতম একটি কাজ হচ্ছে সরকারি নীতিমালাগুলো ভালোভাবে যাচাই বাছাই করা। এক্ষেত্রে যদি কোন নীতিমালা জন বান্ধব মনে না হয়, সেক্ষেত্রে বিরোধী দল দেশের স্বার্থে উন্নততর বিকল্প নীতি প্রস্তাব করতে পারে। এর মধ্য দিয়ে বিরোধী দল জনগণের নিকট তাদের অবস্থানও স্পষ্ট করতে পারে।

- সমস্যা চিহ্নিত করা: রাষ্ট্রে অনেক ধরনের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক সমস্যা বিদ্যমান থাকে। এ ধরনের সমস্যাগুলো সমগ্র জনগোষ্ঠীর পক্ষে বিরোধীদল সরকারের কাছে উপস্থাপন করতে পারে।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
সংবিধানের ১৩৭নং অনুচ্ছেদে মূলত কী নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা
  2. অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
  3. বিচারক-নিয়োগ
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
১৩৭নং অনুচ্ছেদ: সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা
- আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হবে, সেইরূপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হবে।

অন্যদিকে:
অনুচ্ছেদ - ৯৫: বিচারক-নিয়োগ,
অনুচ্ছেদ - ৯৭: অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ,

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১০.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্মের মর্যাদা দেওয়া হয়?
  1. সপ্তম
  2. অষ্টম
  3. নবম
  4. দশম
সঠিক উত্তর:
অষ্টম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম
ব্যাখ্যা

অষ্টম সংশোধনী: 
অষ্টম সংশোধনী আইন ১৯৮৮ সালের ৭ জুন এই সংশোধনী আইন পাস হয়। এর দ্বারা সংবিধানের ২, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়। এই সংশোধনী আইনবলে
(১) ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়;
(২) ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়;
(৩) সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার বা অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

উল্লেখ করা যেতে পারে যে, পরবর্তী সময়ে সুপ্রীম কোর্ট সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদের সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে, কারণ তার দ্বারা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তিত হয়েছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১১.
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ১নং আসন কোনটি?
  1. খুলনা - ১
  2. পঞ্চগড় - ১
  3. বান্দরবান - ১
  4. রাঙ্গামাটি - ১
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড় - ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড় - ১
ব্যাখ্যা
পঞ্চগড়-১ আসন হলো জাতীয় সংসদের ১নং আসন।

জাতীয় সংসদ:
- অবস্থান - শেরে বাংলা নগর, ঢাকা।
- স্থপতি - লুই আই কান (যুক্তরাষ্ট্র)।
- সংসদ উদ্বোধন হয় - ২৮ জানুয়ারি, ১৯৮২ সালে।

উল্লেখ্য, 
- সংসদের মোট আসন - ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন - ৩০০টি।
- সংরক্ষিত নারী আসন - ৫০ টি।
- ১নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- ৩০০ নং আসন - বান্দরবান।
- ১ টি করে আসন রয়েছে তিনটি জেলায় (রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি)।

সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।
১২.
CPD এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Centre for Political Development
  2. Council for People’s Democracy
  3. Centre for Policy Dialogue
  4. Committee for Public Discussion
সঠিক উত্তর:
Centre for Policy Dialogue
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Centre for Policy Dialogue
ব্যাখ্যা

CPD:
- পূর্ণরূপ: Center for Policy Dialogue.
- CPD হলো বাংলাদেশের একটি বেসরকারি গবেষণা সংস্থা যা সরকারি বিভিন্ন বাণিজ্যিক পদক্ষেপের বিষয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- এটি ১৯৯৩ সালে অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: ঢাকার ধানমন্ডি।
- সিপিডির লক্ষ্য বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য একটি চাহিদা-চালিত এবং জবাবদিহিমূলক উন্নয়ন প্রক্রিয়া গড়ে তোলা, তথ্যবহুল বিতর্ক উদ্দীপিত করা, জ্ঞান তৈরি করা এবং গবেষণা, সংলাপ, প্রচার এবং সমর্থনের মাধ্যমে নীতি নির্ধারণকে প্রভাবিত করা।

সূত্র: CPD ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকা।