পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগ, মধ্যযুগ এবং পত্রিকা ও সাময়িকী। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, লাল নীল দীপাবলি, যেকোনো একাডেমিক ব্যক্তির বই। [এই পরীক্ষা থেকে পড়া শুরু করলে আগামী ১৫০ দিনে বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাস কাভার হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
মধ্যযুগের কবি শুকুর মাহমুদ কোন জেলার অধিবাসী ছিলেন?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) ফরিদপুর
  4. ঘ) বগুড়া
ব্যাখ্যা
শুকুর মাহমুদ (১৬৬৫-১৭৩৫) মধ্যযুগের একজন সাধক কবি। তিনি রাজশাহী জেলার সিন্দুর কুসুম গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। প্রকৃত নাম আবদুল শুকুর মাহমুদ। তার রচিত কাব্যের নাম- গোপীচন্দ্রের সন্ন্যাস (১৭০৫)। উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।
.
হারামনি কি?
  1. ক) প্রাচীন সাহিত্য
  2. খ) পুঁথি সাহিত্য
  3. গ) প্রাচীন লোকগীতি
  4. ঘ) উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত
ব্যাখ্যা
মুহম্মদ মনসুর উদ্দীন বাংলা লোকসাহিত্যের অন্যতম প্রধান সংগ্রাহক। তিনি লোকসাহিত্যের সংকলন 'হারামনি' (দশ খন্ড) সম্পাদনা করেন। এর প্রথম সংগ্রহ ছিল নিজ গ্রামের প্রেমদাস বৈরাগীর কাছ থেকে লালনের একটি গান। যা প্রবাসী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।
.
'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়-
  1. ক) ১৯১৬ সালে
  2. খ) ১৩২২ বঙ্গাব্দে
  3. গ) ১৯০৭ সালে
  4. ঘ) ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
চর্যাপদের পাশাপাশি মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজ গ্রন্থাগার থেকে আবিষ্কার করেন আরও তিনটি পুঁথি। ১৯১৬ সালে (১৩২৩ বঙ্গাব্দে) তিনি চারটি পুঁথিকে একত্র করে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' শিরোনামে। উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
.
'কাশিমের লড়াই' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ক) হায়াত মাহমুদ
  2. খ) আলাওল
  3. গ) বাহারাম খান
  4. ঘ) শেরবাজ
ব্যাখ্যা
কবি শেরবাজ চৌধুরীর আদি নিবাস ত্রিপুরা জেলায়। তিনি সতের শতকের শেষার্ধের কবি বলে অনুমান করা হয়। তাঁর রচিত কাব্য কাশিমের লড়াই। মহররমের একটি ক্ষুদ্র বিবরণী এ কাব্যে স্থান পেয়েছে। তাঁর অন্যান্য কাব্য- ফক্করনামা বা মল্লিকার হাজার সওয়াল, ফাতেমার সুরতনামা। উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।
.
২০২৫ সালে কোন পত্রিকার শতবর্ষ পূর্ণ হচ্ছে?
  1. ক) ধুমকেতু
  2. খ) নবযুগ
  3. গ) সওগাত
  4. ঘ) লাঙল
ব্যাখ্যা
'লাঙ্গল' কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত সাপ্তাহিক পত্রিকা। প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৫ সালের ডিসেম্বরে কলকাতা থেকে। এটি 'শ্রমিক প্রজা স্বরাজ সম্প্রদায়' নামে শ্রমিক শ্রেণীর একটি মুখপত্র। এর সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম হলেও ছাপা হতো মণিভূষণ মুখোপাধ্যায়ের নামে। দৈনিক নবযুগ (১৯২০) ও ধূমকেতু (১৯২২) কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত পত্রিকা। উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।
.
'লখিন্দর' কোন কাব্যের চরিত্র?
  1. ক) চন্ডীমঙ্গল
  2. খ) মনসামঙ্গল
  3. গ) ধর্মমঙ্গল
  4. ঘ) অন্নদামঙ্গল
ব্যাখ্যা
মনসামঙ্গলের প্রধান চরিত্র গুলো হলো- সাপের দেবী মনসা, চাঁদ সওদাগর, বেহুলা, লখিন্দর, সনকা। মনসামঙ্গলের অপর নাম পদ্মাপুরাণ। চন্ডীমঙ্গল মধ্যযুগের মঙ্গল কাব্যের সাহিত্য ধারা। চন্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্রসমূহ- কালকেতু, ফুল্লরা, ভাড়ুদত্ত, মুরারি শীল। উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।
.
আলাওলের গ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. ক) সেকান্দর নামা
  2. খ) পদ্মাবতী
  3. গ) হপ্ত পয়কর
  4. ঘ) নূরনামা
ব্যাখ্যা
আবদুল হাকিমের কাব্যগ্রন্থ- নূরনামা। আর আলাওলের কাব্যগ্রন্থ- পদ্মাবতী, সেকান্দর নামা, তোহফা ও হপ্ত পয়কর। উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।
.
কোন গ্রন্থখানি রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান?
  1. ক) রামচরিত
  2. খ) পদ্মাবতী
  3. গ) কীচকবধ
  4. ঘ) ভাগবত
ব্যাখ্যা
অনুবাদ সাহিত্য মধ্যযুগের একটি সাহিত্য ধারা। মুসলমান সাহিত্যিকদের অনুবাদকৃত সাহিত্যের নাম 'রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান'। কবি আলাওলের অনুবাদ কাব্য 'পদ্মাবতী'। 'রামচরিত' সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত সংস্কৃত ভাষার একটি কাব্যগ্রন্থ। 'কীচক বধ' মহাভারতের একটি কাহিনী। আর 'ভাগবত' একটি হিন্দু মহাপুরাণ‌। উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।
.
'দৈনিক বাংলা' পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক ছিলেন-
  1. ক) আহসান হাবীব
  2. খ) আনোয়ার হোসেন
  3. গ) সুফিয়া কামাল
  4. ঘ) তোফাজ্জল হোসেন
ব্যাখ্যা
আহসান হাবিব একজন খ্যাতিমান কবি ও সাংবাদিক। তিনি ১৯৬৪ সালে দৈনিক পাকিস্তান (পরের দৈনিক বাংলায় রূপান্তরিত হয়) পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। তিনি দীর্ঘ ২১ বছর অর্থাৎ আমৃত্যু এ দায়িত্ব পালন করেন। উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।