পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. কম্পিউটারের ইতিহাস ও বিবর্তন। ২. কম্পিউটারের প্রকারভেদ ও এমবেডেড (Ambeded) কম্পিউটার। ৩. কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম: কম্পিউটার সিস্টেম সম্পর্কে ধারণা ব্যবহার, মাদারবোর্ড ইত্যাদি। ৪. কম্পিউটার প্রোগ্রাম ও সফটওয়্যার: অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, ভাইরাস ও এন্টিভাইরাস ইত্যাদি। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
সাধারণত কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয় - 
  1. মিলিসেকেন্ডে
  2. ম্যাক্রোসেকেন্ডে
  3. ন্যানোসেকেন্ডে
  4. মাইক্রোসেকেন্ডে
সঠিক উত্তর:
ন্যানোসেকেন্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যানোসেকেন্ডে
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার: 
- Computer শব্দটির আভিধানিক অর্থ গণনাযন্ত্র বা হিসাবকারী যন্ত্র। 
- পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজই করা হতো। 
- কিন্তু বর্তমান অত্যাধুনিক কম্পিউটার দিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জটিল হিসাব-নিকাশের কাজ নির্ভুলভাবে করা ছাড়াও বহু রকমের কাজ করা যায়। 
- কম্পিউটার সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি হিসাব-নিকাশ করতে পারে। 
- কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত ন্যানোসেকেন্ডে। 
- ন্যানোসেকেন্ড হচ্ছে এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ সময় মাত্র। 
- ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় কাজকর্ম পরিচালিত হয়। 
- মূলত কম্পিউটার একটি অত্যাধুনিক ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভাণ্ডারে সুনির্দিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নিদের্শাবলি সংরক্ষণ করে রাখে। 
- ব্যবহারকারী ডাটা বা উপাত্ত সরবরাহ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটার প্রক্রিয়াকরণ (প্রসেসিং) করে কাজের ফলাফল প্রদান করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি এমবেডেড কম্পিউটারে থাকেনা?
  1. মাইক্রোপ্রসেসর
  2. মনিটর
  3. ইনপুট/আউটপুট সিস্টেম
  4. মেমরি
সঠিক উত্তর:
মনিটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনিটর
ব্যাখ্যা
♦ এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

উৎস:  Computer Hope ওয়েবসাইট।
.
সফটওয়্যার পাইরেসি বলতে বুঝায় - 
  1. বিনা অনুমতিতে কোনো সফটওয়্যার কপি করা
  2. বিনা অনুমতিতে কোনো সফটওয়্যার বিতরণ করা
  3. বিনা অনুমতিতে কোনো সফটওয়্যার আংশিক পরিবর্তন করা
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
সফটওয়্যার পাইরেসি (Software Piracy): 
- সফটওয়্যার পাইরেসি বলতে প্রস্তুতকারীর বিনা অনুমতিতে কোনো সফটওয়্যার কপি করা, বিতরণ করা, আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া ইত্যাদি কার্যক্রমকে বুঝায়। 
- অন্যের জিনিস চুরি করার মতো সফটওয়্যার পাইরেসি করাও একটি অপরাধ। 
- সফটওয়্যার পাইরেসির কারণে সফটওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
.
একটি সক্রিয় মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য আদর্শ রুম তাপমাত্রা কোনটি? 
  1. ৪০-৬০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
  2. ২০-৩০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
  3. ৫০-৭০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
  4. ৬০-৯০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
সঠিক উত্তর:
৬০-৯০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০-৯০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
ব্যাখ্যা
- একটি কম্পিউটার সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বা নিয়ামকগুলোর প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে- 
(১) তাপমাত্রা (Temperature), 
(২) কম্পিউটার চালু ও বন্ধ করা (Turning the Computer On/Off), 
(৩) বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা (Plugging in the System) এবং 
(৪) ময়লা ও দূষণ (Dust and Pollutants) ইত্যাদি। 

তাপমাত্রা (Temperature): 
- কম্পিউটার সিস্টেমকে অবশ্যই সার্বক্ষণিক একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার মধ্যে রাখার চেষ্টা করতে হয়। 
- শীতপ্রধান অঞ্চলে যেখানে অফিসে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে দিনের বেলা উষ্ণ রাখা হয় এবং রাতের বেলা অনেক ঠাণ্ডা হয়ে যায়। 
- মাইক্রোকম্পিউটার সে পরিবেশে বেশি সিস্টেম নষ্টের সম্মুখীন হয়। 
- সক্রিয় একটি মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য আদর্শ রুম তাপমাত্রা হল ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রী ফারেনহাইট এবং বন্ধ থাকা অবস্থায় ৫০ থেকে ১১০ ডিগ্রী ফারেনহাইট। 
- মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য অতিমাত্রায় তাপমাত্রার ওঠা নামা অত্যন্ত বিপদজনক। 
- এই কারণে কম্পিউটার কখনও কোন উত্তপ্ত বা অধিক ঠান্ডা স্থানে রাখা উচিত নয় বা সরাসরি সূর্যালোকেও রাখা উচিত নয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সার্চ ইঞ্জিনের কোন সফটওয়্যারটি ওয়েবে ভেসে বেড়ায় ও নতুন নতুন ওয়েব পেইজের সন্ধান করে? 
  1. স্পাইডার সফটওয়্যার
  2. কুয়েরি সফটওয়্যার
  3. ডাটাবেজ সফটওয়্যার
  4. ইনডেক্স সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
স্পাইডার সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পাইডার সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
সার্চ ইঞ্জিন: 
- সার্চ ইঞ্জিন একটি সফটওয়্যার টুল যা ওয়াল্ড ওয়াইড ওয়েব থেকে ইনফরমেশন খুঁজে বের করে। 
যেমন- Google, সার্চ Yahoo, Bing, MSN, পিপীলিকা ইত্যাদি। 
- মূলত ৩ টি প্রধান সফটওয়্যারের মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনসমূহ তাদের কর্মকান্ড সম্পন্ন করে থাকে। 
যেমন- 
১। ওয়েব ক্রোলার (Web Crawler) বা স্পাইডার সফটওয়্যার (Spider Software), 
২। ইনডেক্স সফটওয়্যার (Index Software) এবং 
৩। কুয়েরি সফটওয়্যার (Query Software)। 

ওয়েব ক্রোলার (Web Crawler) বা স্পাইডার সফটওয়্যার (Spider Software): 
- ওয়েব ক্রোলার বা স্পাইডার সফটওয়্যার এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইন্টারনেট ব্রাউজ করে এবং নতুন নতুন তথ্য তার ডেটাবেজে সংরক্ষণ করে এবং সাজিয়ে (Indexing) রাখে। 
- গুগলের ক্রোলার (Crawler) সফটওয়্যারটি “Google Bot” নামে পরিচিত। 
- Google Bot নির্বিচ্ছিন্ন ভাবে ইন্টারনেটে বিচরণ করে বেড়ায় এবং যখনই নতুন কোন ওয়বেসাইট বা নতুন তথ্যের সন্ধান পায়, এটি গুগলের সার্ভারে সংরক্ষণ করে রাখে। 
- ওয়েব ক্রোলার বা স্পাইডার সফটওয়্যারকে অনেকে “সার্চ বট” বা “ইন্টারনেট বট”ও বলে থাকে। 
- স্পাইডার সফটওয়্যার ওয়েবে ভেসে বেড়ায় এবং নতুন নতুন ওয়েব পেইজের সন্ধান করে এবং তা তার নির্দিষ্ট ডেটাবেজে সংরক্ষণ করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
.
ট্রানজিস্টর আবিষ্কৃত হয় কত সালে?
  1. ১৯৪৮ সালে
  2. ১৯৬৫ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর:
-  ট্রানজিস্টর একটি অর্ধপরিবাহী যন্ত্র, যা সাধারণত অ্যামপ্লিফায়ার এবং বৈদ্যুতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যন্ত্রে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- ট্রানজিস্টরকে বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ট আবিষ্কার বলা হয়। 
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক জে. বার্ডিন, ডব্লিউ ব্রাটেন ও ডব্লিউ সক্লে  ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের করেন।
- ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের কারণে জে. বার্ডিন, ডব্লিউ ব্রাটেন ও ডব্লিউ সক্লেকে ১৯৫৬ সালে নোবেল পুরষ্কার দেয়া হয়। 
- ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। 
- ট্রানজিস্টরের প্রধান অংশ তিনটি। যথা - এমিটার, কালেক্টর এবং বেস।  
- ট্রানজিস্টর আকারে অনেক ছোট হওয়ায় বিদ্যুৎ খরচ কম হয়,কম্পিউটার গরম কম হয় এবং ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের ফলে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে। 

 উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়? 
  1. XML
  2. PROLOG
  3. HTML
  4. COBOL
সঠিক উত্তর:
PROLOG
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PROLOG
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: 
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানত Java, MATLAB, Python, SHRDLU, PROLOG LISP, CLISP, R ইত্যাদি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়। 
- কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে ডেভেলপারগণ তাঁদের পছন্দসই প্রোগ্রাম ব্যবহার করে থাকেন। 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সবচেয়ে সফল ক্ষেত্র হিসেবে মেশিন লার্নিং-এর কথা বলা যায়। 
- মেশিন লার্নিং-কে মোটা দাগে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যেমন- 
১। সুপারভাইজড (Supervised) লার্নিং, 
২। আনসুপারভাইজড (unsupervised) লার্নিং এবং 
৩। রিইনফোর্সমেন্ট (reinforcement) লার্নিং। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
.
উন্নত যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর রিকোনির যন্ত্র (Rechoning Machine) উদ্ভাবন করেন কে?
  1. গটফ্রাইড ভন লিবনিজ
  2. ব্লেইজ প্যাসকেল
  3. হারম্যান হলিরিথ
  4. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন
সঠিক উত্তর:
গটফ্রাইড ভন লিবনিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গটফ্রাইড ভন লিবনিজ
ব্যাখ্যা
- ১৬৪২ সালে ১৯ বছর বয়সে ফরাসি গণিতবিদ ব্লেইজ প্যাসকেল (Blaise Pascal) গিয়ার ও চাকতি ব্যবহার করে সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর বা যান্ত্রিক গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন যার নাম প্যাসকেলেন (Pascalene)।
- প্যাসকেলের যন্ত্রের সাহায্যে যোগ ও বিয়োগ করা যেত। তিনি পুনঃপুনঃ যোগ ও বিয়োগের মাধ্যমে যথাক্রমে গুণ এবং ভাগ করার পদ্ধতিও আবিষ্কার করেন।

রিকোনির যন্ত্র (Rechoning Machine):

- ১৬৭১ সালে জার্মান দার্শনিক ও গণিতবিদ গটফ্রাইড ভন লিবনিজ (Gottfried Von Leibniz) প্যাসকেলের যন্ত্রের ভিত্তিতে চাকা ও দণ্ড ব্যবহার করে আরো উন্নত যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন। তিনি যন্ত্রটির নাম দেন রিকোনির যন্ত্র (Rechoning Machine)।
- এটির সাহায্যে গুণ, ভাগসহ হিসাবের অন্যান্য বিষয় আরো সহজ হয়ে যায়।
- মূলত রিকোনির যন্ত্রটিই ছিল বাণিজ্যিক ক্যালকুলেটর।
- তবে পরে ১৮২০ সালে টমাস ডি কোমার (Thomas De Colmar) রিকোনিং যন্ত্রের যান্ত্রিক অসুবিধা দূর করে লিবনিজের যন্ত্রকে জনপ্রিয় করে তোলেন।

ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন - প্রথম ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার Mark-I উদ্ভাবন করেন।
ব্লেইজ প্যাসকেল - সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর (Pascalene) উদ্ভাবন করেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বিশ্বের প্রথম ল্যাপটপের নকশা করেন-
  1. অ্যাডা লাভলেস
  2. স্টিভ জবস
  3. বিল গেটস
  4. বিল মোগরিজ
সঠিক উত্তর:
বিল মোগরিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিল মোগরিজ
ব্যাখ্যা
বিশ্বের প্রথম ল্যাপটপের নকশা করেন - বিল মোগরিজ

From Britannica -
Bill Moggridge, (William Grant Moggridge), British industrial designer (born June 25, 1943, London, Eng.—died Sept. 8, 2012, San Francisco, Calif.), created the first laptop computer, the GriD Compass. The prototype, which Moggridge designed for GRiD Systems (later acquired by Tandy Corp.) and unveiled in 1981, included a hinged clamshell-like case in which a flat electroluminescent screen folded down over a low-profile keyboard; it served as a model for most later laptop computers.

- অ্যাডা লাভলেস পৃথিবীর প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে স্বীকৃত।
- “অ্যাপল কম্পিউটার” কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস।
- বিল গেটস এবং তার বন্ধু পল অ্যালেন মিলে মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করেন।
১০.
অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজ কোন প্রজন্মের ভাষা? 
  1. দ্বিতীয়
  2. তৃতীয়
  3. চতুর্থ
  4. পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের ভাষা: 
১) প্রথম প্রজন্মের ভাষা(১৯৪৫ - ১৯৫০): Machine Language বা যান্ত্রিক ভাষা। 
২) দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা(১৯৫০ - ১৯৬০): Assembly language বা অ্যাসেম্বলি ভাষা। 
৩) তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা(১৯৬০ - ১৯৭০): High level language বা উচ্চস্তরের ভাষা। C++, BASIC, PASCAL, FORTRAN, Java, C, Ruby, Perl. 
৪) চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা(১৯৭০ - ১৯৮০): Very high level language বা অতি উচ্চস্তরের ভাষা। SQL, NOMAD, FOCUS. 
৫) পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০ - বর্তমান): Natural language বা স্বাভাবিক ভাষা। Prolog, OPSS, Mercury. 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১১.
'Source Code'কে অনুবাদ করার পর যে প্রোগ্রাম হয় তাকে কী বলে? 
  1. Main Code
  2. Object Code
  3. Machine Code
  4. Processed Code
সঠিক উত্তর:
Object Code
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Object Code
ব্যাখ্যা
আনুবাদক প্রোগ্রাম: 
- অনুবাদক প্রোগ্রামের কাজ হলো উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করা। 
- তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। 
যেমন- 
১) কম্পাইলার: সম্পূর্ন প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে সব ভুল এক সাথে দেখায় ডিবাগিং করার জন্য। 
২) ইন্টারপ্রেটার: লাইন ধরে ধরে অনুবাদ করে এবং কোথাও বাগ খুঁজে পেলে সাথে সাথে অনুবাদ বন্ধ হয়ে যায় ৷ ডিবাগ করে তারপর পরবর্তী লাইন থেকে অনুবাদ শুর হয়। 
৩) অ্যাসেম্বলার: শুধু মাত্র অ্যাসেম্বলি ভাষার জন্য প্রযোজ্য। 

উৎস প্রোগ্রাম (Source Code): 
- হিউম্যান লেঙ্গুয়েজে রচিত প্রোগ্রামকে সাধারণত উৎস প্রোগ্রাম বলা হয়। 
- কম্পিউটার এইসব উৎস প্রোগ্রাম বুঝে না। 

বস্তু প্রোগ্রাম (Object Code): 
- উৎস প্রোগ্রাম (Source Code) কে অনুবাদক প্রোগ্রামের সাহায্যে কম্পিউটার এর গ্রহণ উপযোগী প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করা হয়, এই প্রোগ্রামকেই বস্তু প্রোগ্রাম (Object Code) বলা হয়। 
- বস্তু প্রোগ্রামে রূপান্তরিত না করলে কম্পিউটারকে নির্দেশনা দেয়া যায় না। 
- কম্পিউটার শুধুই বস্তু প্রোগ্রাম বুঝে। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের ICT বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২.
কোন সালে প্রথম ই-মেইল পাঠানো শুরু হয়?
  1. ১৯৬৯ সালে
  2. ১৯৭০ সালে
  3. ১৯৭১ সালে
  4. ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
ই-মেইল (E-mail):
- ইলেকট্রনিক মেইল (Electronic mail)-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে ই-মেইল (E-mail)। 
- ই-মেইল বলতে বুঝায় কম্পিউটার, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন ইত্যাদি ডিজিটাল ডিভাইস দিয়ে নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে একজন বা অনেক জনের সাথে ডিজিটাল তথ্য বিনিময় করা। 
- ১৯৭১ সালে প্রথম ই-মেইল পাঠানো শুরু হয় এবং মাত্র ২৫ বছরের ভেতরে পোস্ট অফিস ব্যবহার করে পাঠানো চিঠি থেকে ই-মেইলের সংখ্যা বেশি হয়ে গিয়েছিল। 
- ই-মেইল পাঠানোর জন্য প্রথমেই যিনি পাঠাবেন এবং যিনি পাবেন দুজনেরই ই-মেইলের ঠিকানার দরকার হয়। 
- ই-মেইল ঠিকানাটি @ বর্ণটি দিয়ে ভাগ করা হয়েছে। 
- যদি abc@def.com একটি ই-মেইল ঠিকানা হয়ে থাকে তাহলে @ এর পরের অংশটুকু হচ্ছে ডোমেইন নেইম, যেটি দিয়ে বুঝানো হয় ব্যবহারকারী কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত। 
- প্রথম অংশটুকু হচ্ছে ব্যবহারকারীর কোনো ধরনের পরিচয়। 

- বর্তমানে ই-মেইল বিনিময় করার অনেক জনপ্রিয় উপায় হচ্ছে ইন্টারনেটের দেওয়া ই-মেইল সার্ভিস। 
যেমন- Gmail, Yahoo, Hotmail ইত্যাদি ই-মেইলের সেবা শুধু যে বিনামূল্যে দেওয়া হয় তা নয়, ব্যবহারকারীর ই-মেইল সংরক্ষণ করার দায়িত্বও গ্রহণ করে থাকে। 
- একটি ই-মেইল একাধিক গ্রাহকের কাছে পাঠানো যায়, প্রয়োজনে ই-মেইলকে অন্য একজনকে ‘কার্বন কপি’ (CC) হিসেবে পাঠানো যায়। 
- ই-মেইলের শুরুতে বিষয় হিসেবে ই-মেইলের বক্তব্যটি একটি শিরোনাম লিখা যায়। 
- শুধু তা-ই নয় ই-মেইলের বিষয়বস্তু লেখার পাশাপাশি তার সাথে অন্য কোনো ডকুমেন্ট, ছবি সংযুক্ত করে পাঠিয়ে দেওয়া যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
১৩.
DOEL ল্যাপটপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. বিসিসি
  2. বিটিআরসি
  3. আইবিএম
  4. টেশিস
সঠিক উত্তর:
টেশিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেশিস
ব্যাখ্যা
• দোয়েল (DOEL):
- বাংলাদেশে তৈরি প্রথম ল্যাপটপের নাম দোয়েল (DOEL)।
- ২০১১ সালের ১১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ল্যাপটপের উদ্বোধন করেন। 
- দোয়েল ল্যাপটপের প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হলো ‘টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস) লিমিটেড।
- বাংলাদেশের জাতীয় পাখির নামে তৈরি দোয়েলের চারটি মডেলের নাম দেয়া হয়েছে জাতীয় জীবনের চারটি ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে।
- ল্যাপটপের মাদার বোর্ডসহ শতকরা ৬০ ভাগ যন্ত্রাংশ বাংলাদেশেই তৈরি করা হয়েছে।

উৎস: বিবিসি বাংলা।
১৪.
কোন ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রামের প্রয়োজন হয় না?
  1. Natural Language
  2. Assembly Language
  3. Machine Language
  4. High Level Language
সঠিক উত্তর:
Machine Language
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Machine Language
ব্যাখ্যা
• মেশিন ভাষা (Machine Language):
- কম্পিউটারে সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা।
- কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষাকে মেশিন ভাষা বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়। 
- কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা হলো এই নিম্নস্তরের ভাষা। 
- এ ভাষায় বাইনারি সংখ্যা (1 এবং 0) অথবা হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়।
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে। 
- মেশিন ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রামের প্রয়োজন হয় না। 
- অন্য কোনো ভাষায় প্রোগ্রাম রচনা করা হলে কম্পিউটার কার্যনির্বাহের আগে উপযুক্ত অনুবাদকের সাহায্যে তাকে মেশিনের ভাষায় পরিণত করে নেয়া হয়। 

• অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language):
- অ্যাসেম্বলি ভাষা হচ্ছে মেশিন ভাষার পরবর্তী প্রোগ্রামের ভাষা।
- মেশিন ভাষার সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য পঞ্চাশের দশকে অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রচলন শুরু হয়।
- এই ভাষা দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো যা মেশিনের ভাষা থেকে উন্নত, সংক্ষিপ্ত এবং ব্যবহারকারীর জন্য সহজবোধ্য।

• উচ্চ স্তরের ভাষা (High Level Language):
- হাই-লেভেল বা উচ্চ স্তরের ভাষা কোনো সংকেত বা সাংকেতিক কোড নির্ভর নয়। এটি ইংরেজি ভাষার মতই। 
- মেশিন ভাষার অসুবিধা দুর করার জন্য উচ্চস্তরের ভাষার উদ্ভব হয়। 
- উচ্চস্তরের ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাষা হচ্ছে: BASIC, COBOL, FORTRAN, PASCAL, C++, JAVA, PROLOG ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
কম্পিউটারে safe mode চালু করতে কোন key ব্যবহার করা হয়?
  1. F6
  2. F7
  3. F8
  4. F9
সঠিক উত্তর:
F8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
F8
ব্যাখ্যা
- F8 ফাংশন কী টি সাধারণত Windows Safe Mode চালু করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8: অপারেটিং সিস্টেম Safe Mood এ চালু করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F8 দুবার চাপলে একটি ওয়ার্ড, তিনবার চাপলে একটি Sentence এবং চারবার চাপলে একটি Paragraph এবং পাঁচবার চাপলে পুরো Document সিলেক্ট হয়।

ফাংশন কী :
কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত কীসমূহ ফাংশন কী নামে পরিচিত।
তথ্য সংযোজন বা ইনসার্ট করা, অপ্রয়োজনীয় তথ্য মুছে ফেলা এবং বিশেষ ধরনের নির্ধারিত নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহৃত হয়।


F1: এটি সাহায্য বা হেল্প কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যেকোনো প্রোগ্রামের হেল্প মেনু দেখতে এটি ব্যবহার করা হয়।
F2: সাধারণত কোন ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
F3: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ সহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ সুবিধা চালু হয়। উইন্ডোজ কমান্ডে এটি চাপ দিলে আগের কমান্ডটির পুনরাবৃত্তি ঘটে।
F4: এই কী দিয়ে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর Last Action Preformed Repeat করা যায়। Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায় এবং Ctrl +F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা যায়।
F5: এটা চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Find, Replace, go to উইন্ডো খুলা হয়। তাছাড়া যেকোনো পেইজ রিফ্রেশ, পাওয়ার পয়েন্টে স্লাইড শো শুরু এবং বন্ধ করার জন্য এ বাটনটি ব্যবহার করা হয়।
F6: মাউসের কার্সরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে চায়লে এ কী ব্যবহার করা হয়।
F7: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে বানান ও ব্যাকরণ জনিত ভুল-ভ্রান্তির চেকিং চালু করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
F8: অপারেটিং সিস্টেম Safe Mood এ চালু করার জন্য ব্যবহৃত হয়। F8 দুবার চাপলে একটি ওয়ার্ড, তিনবার চাপলে একটি Sentence এবং চারবার চাপলে একটি Paragraph এবং পাঁচবার চাপলে পুরো Document সিলেক্ট হয়।
F9: কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।
F10: এটি চেপে ইন্টারনেট ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয়।
F11: যেকোন সক্রিয় উইন্ডো ফুলস্ক্রিন জুড়ে দেখতে এবং স্বাভাবিক অবস্থায় আনতে এটি ব্যবহার করা হয়।
F12: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো চালু করা হয়। কম্পিউটার শুধু F12 চেপে বাংলা থেকে ইংরেজি এবং ইংরেজি থেকে বাংলা মুডে যাওয়া যাবে। ল্যাপটপে fn+f12 চাপতে হবে।

সূত্র: Microsoft Website
১৬.
বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার বিষয়ক পত্রিকা - 
  1. কম্পিউটার নিউজ
  2. আইটি ভূবন
  3. কম্পিউটার জগৎ
  4. কম্পিউটার বিচিত্রা
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার জগৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার জগৎ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে কম্পিউটারের ইতিহাস: 
- ১৯৬৪ সালে প্রথম IBM-1620 মডেলের মেইনফ্রেম কম্পিউটার স্থাপন করা হয় পরমানু শক্তি কেন্দ্রে। 
- ১৯৯১ সালে বাংলা ভাষায় প্রথম কম্পিউটার বিষয়ক মাসিক পত্রিকা কম্পিউটার জগৎ প্রকাশিত হয়। 
- ১৯৯৬ সালে প্রথম ইন্টারনেট চালু হয়। 
- বাংলাদেশ এ একমাত্র সুপার কম্পিউটার আছে কম্পিউটার কাউন্সিল ল্যাবে। যার মডেল IBM RS/6000 SP. 
- বাংলাদেশে ইন্তারনেট ভিত্তিক প্রথম নিউজ এজেন্সি - বিডি নিউজ। 

উৎস: কম্পিউটার জগৎ বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।
১৭.
Stack নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত নয়?
  1. Push
  2. LIFO
  3. Pop
  4. FIFO
সঠিক উত্তর:
FIFO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
FIFO
ব্যাখ্যা
- Stack কে বলা হয় LIFO (Last In First Out) ডেটা স্ট্রাকচার।
- এ যে ডেটা শেষে প্রবেশ করবে সেই ডেটাটি প্রথমে বের হবে, একে বলা হয় LIFO।
- প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে, স্ট্যাকের (Stack) দুটি অপারেশন বা প্রক্রিয়া রয়েছে। যথা Push এবং Pop.
- স্ট্যাকের উপরে একটি আইটেম রাখাকে পুশ (Push) বলা হয়।
- স্ট্যাকের উপর থেকে একটি আইটেম অপসারণ করাকে পপ (Pop) বলা হয়।

- Queue এ যে ডেটা প্রথমে প্রবেশ করবে সেই ডেটাটি প্রথমে বের হবে, একে বলা হয় FIFO (First In First Out)।
- FIFO- Queue এর সাথে সম্পর্কিত।

উৎস: Computerhope Website.
১৮.
কম্পিউটার এর জনক চার্লস ব্যাবেজ পেশায় কি ছিলেন? 
  1. জ্যোতির্বিদ
  2. রসায়নবিদ
  3. পদার্থবিদ
  4. গণিতবিদ
সঠিক উত্তর:
গণিতবিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণিতবিদ
ব্যাখ্যা
চার্লস ব্যাবেজ: 
- ১৭৯১ সালের ২৬ ডিসেম্বর লন্ডনে জন্মগ্রহন করেন। 
- তিনি পেশায় ছিলেন গণিতবিদ। 
- চার্লস ব্যাবেজ ১৮৩৩ সালে অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ ও নকশা তৈরি করেন। 
- তার এই অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের পরিকল্পনায় আধুনিক কম্পিউটারের ধারণা নিহিত থাকায় চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়। 
- ১৮২২ সালে চার্লস ব্যাবেজ ডিফারেন্স ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন। 

উৎস: মাধ্যমিক এর ICT বই, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
১৯.
অ্যানালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে গঠিত হয়-
  1. হাইব্রিড কম্পিউটার
  2. সংকর কম্পিউটার
  3. কোয়ান্টাম কম্পিউটার
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
♦ হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলে।
- হাইব্রিড কম্পিউটারকে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। যেমন - মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
প্রথম তৈরি পারসোনাল কম্পিউটার কোনটি? 
  1. Altair-8800
  2. Apple Lisa
  3. Osborne 1
  4. IBM-PC
সঠিক উত্তর:
Altair-8800
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Altair-8800
ব্যাখ্যা
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে পার্সোনাল কম্পিউটারের পথ সুগম হয়। 
- ১৯৭৫ সালে এডওয়ার্ড রবার্টস ‘Altair-8800’ কম্পিউটার উপস্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন পার্সোনাল কম্পিউটার। 
- এডওয়ার্ড রবার্টস ছিলেন Micro Instrumentation and Telemetry Systems (MITS) এর প্রতিষ্ঠাতা। 
- তার এই প্রতিষ্ঠান মূলত বিশ্বের প্রথম পার্সোনার কম্পিউটার ‘Altair-8800’ নির্মাণ করে। 
- এতে Intel-8080 মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়। 
- A small firm named MITS made the first personal computer, the Altair. 
- This computer, which used Intel Corporation’s 8080 microprocessor, was developed in 1974. 
- Though the Altair was popular among computer hobbyists, its commercial appeal was limited. 
 
উৎস: ব্রিটানিকা।
২১.
নিচের কোনটি ইউটিলিটি প্রোগ্রামের উদাহরণ?
  1. Database Management System
  2. Word Processing Software
  3. Disk Defragmenter
  4. Operating System
সঠিক উত্তর:
Disk Defragmenter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Disk Defragmenter
ব্যাখ্যা
• Disk Defragmenter ইউটিলিটি প্রোগ্রামের উদাহরণ।

• ইউটিলিটি প্রোগ্রাম (Utility Program):
- সাধারণত সার্বিকভাবে কম্পিউটারকে দেখাশোনা করা, কম্পিউটারের স্পিড যাতে না কমে যায় সেজন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম কাজ করে থাকে।
- ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম এর কাজ হচ্ছে ফাইল তৈরি করা, সংরক্ষণ করা, কোনো কিছু মোছা, ডিস্ক ফরমেট ও অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা ইত্যাদি।
- Disk Defragmenter, ScanDisk, Drive Converter, Compression, System Monitor ইত্যাদি System Tools-এর ইউটিলিটি প্রোগ্রামের অন্তর্ভুক্ত।
- এ সমস্ত সফটওয়্যারকে মেইনটেন্যান্স টুলসও বলা হয়। 

• ডিস্ক ডিফ্রেগমেন্টার (Disk Defragmenter):
- ডিস্ক ডিফ্রেগমেন্টার শুধুমাত্র হার্ডডিস্কের ডেটাসমূহ বা তথ্যসমূহ সাজিয়ে রাখে। ফলে প্রক্রিয়াকরণের সময় কম্পিউটার তাড়াতাড়ি প্রয়োজনীয় ডেটাসমূহ খুঁজে পায়।
- এতে প্রোগ্রাম লোড হতে কম সময় লাগে এবং প্রোগ্রাম দ্রুত রান হয় বিধায় কম্পিউটারের স্পিড ঠিক থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
RAM কোথায় থাকে?
  1. হার্ডডিস্ক
  2. সিপিউ
  3. মাদারবোর্ড
  4. এক্সপানসন বোর্ড
সঠিক উত্তর:
মাদারবোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদারবোর্ড
ব্যাখ্যা
♦ মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগস্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের প্রসেসর এবং র‍্যাম মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্কড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। 
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
কোনটি প্যাকেজ প্রোগ্রামের উদাহরণ? 
  1. উৎপন্ন দ্রব্যের অনুসূচীর প্রোগ্রাম
  2. তথ্যসহ পরীক্ষার ফলাফল তৈরির প্রোগ্রাম
  3. ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম
  4. রেলওয়ে বা বিমানের আসন সংরক্ষণের প্রোগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
- বিভিন্ন কাজ যেমন- চিঠিপত্র টাইপ করা, বিল তৈরি করা, একাউন্টিং-এর হিসেব রাখা, গ্রাফিক্স ডিজাইন করা, অডিও-ভিডিও শোনা ইত্যাদি কাজের জন্য আলাদা আলাদা সফটওয়্যার আছে, যার সবগুলোই অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার। 
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার দুই ভাগে বিভক্ত। 
যথা- 
১। ইউজার বা ব্যবহারকারী লিখিত প্রোগ্রাম এবং 
২। প্যাকেজ প্রোগ্রাম। 
- কম্পউটার দিয়ে যে কোনো জটিল সমস্যার সমাধান সম্ভব। 
- কম্পিউটার ব্যবহারকারী তার চাহিদা অনুযায়ী যে কোনো জতিল সমস্যা সমাধানের জন্য নিজের মতো করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম  রচনা করতে পারেন। 
যেমন- তথ্যসহ পরীক্ষার ফলাফল তৈরির প্রোগ্রাম, রেলওয়ে বা বিমানের আসন সংরক্ষণের প্রোগ্রাম, উৎপন্ন দ্রব্যের অনুসূচীর প্রোগ্রাম ইত্যাদি ব্যবহারকারী লিখিত প্রোগ্রামের উদাহরণ। 

প্যাকেজ প্রোগ্রাম: 
- বাবহারিক সমস্যা সমাধানের জন্য বেশ কিছু প্রোগ্রাম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পাওয়া যায়। 
- এ ধরনের প্রোগ্রাম দিয়ে নির্দিষ্ট ধরনের কাজ করা যায়, এসব প্রোগ্রামকে প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলে। 
যেমন- 
১। ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার
২। স্প্রেডশিট সফটওয়্যার, 
৩। ডেস্কটপ পাবলিশিং সফটওয়্যার, 
৪। ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার, 
৫। গ্রাফিক্স, মাল্টিমিডিয়া, প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার, 
৬।ইউটিলিটিস সফটওয়্যার এবং 
৭। কমিউনিকেশন সফটওয়্যার ইত্যাদি। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
২৪.
কম্পিউটারের সকল অংশের সংযোগ স্থলকে কী বলা হয়?
  1. Hard Disk
  2. Processor
  3. System Board
  4. Monitor
সঠিক উত্তর:
System Board
উত্তর
সঠিক উত্তর:
System Board
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়া যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে কোনটি ব্যবহার করতে হবে? 
  1. স্টোন ভাইরাস
  2. ম্যাক্রো ভাইরাস
  3. মিউটেটিং ভাইরাস
  4. ইউটিলিটি এন্টিভাইরাস
সঠিক উত্তর:
ইউটিলিটি এন্টিভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউটিলিটি এন্টিভাইরাস
ব্যাখ্যা
ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে। 
- ১৯৮০ সালে ভাইরাসের এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন। 
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে। 
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো “Vital Information Resources Under Seize”. 
- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে। 
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়। 
যেমন- 
১। বুট সেক্টর ভাইরাস, 
২। ট্রোজান হর্স ভাইরাস, 
৩। ফাইল সংক্রামক ভাইরাস, 
৪। ম্যাক্রো ভাইরাস, 
৫। ওভার রাইটিং ভাইরাস, 
৬। মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস, 
৭। মিউটেটিং ভাইরাস এবং 
৮। স্টোন ভাইরাস ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।