পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়28 minutes৪৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৪৯
সিলেবাস
পার্ট-১) বাংলা ব্যাকরণ: টপিকসমূহ শব্দপ্রকরণ (লিঙ্গ/পুরুষবাচক-স্ত্রীবাচক শব্দ; সংখ্যাবাচক শব্দ; দ্বিরুক্ত বাচক শব্দ/শব্দ দ্বিত্ব; বচন; পদাশ্রিত নির্দেশক, শব্দের শ্রেণিবিভাগ; শব্দের উৎসমূল; ধাতু, প্রকৃতি - প্রত্যয়; ক্রিয়ার কাল ও এর প্রয়োগ) পার্ট-২) ১) কম্পিউটার পেরিফেরালস: কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর ইত্যাদি। ২) কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন: সিপিইউ, হার্ড ডিস্ক, এএলইউ ইত্যাদি। ৩) কম্পিউটারের পারঙ্গমতা। ৪) দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি। ৫) কম্পিউটারের নম্বর ব্যবস্থা। পার্ট–১ সোর্স: উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।) পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৯ প্রশ্ন

.
সাধারণ নারীবাচক শব্দ কোন দুই ধরণের?
  1. ক) স্বামীবাচক ও স্ত্রীবাচক
  2. খ) স্ত্রীবাচক ও ভগ্নীবাচক
  3. গ) পত্নীবাচক ও অপত্নীবাচক
  4. ঘ) পতীবাচক ও পত্নীবাচক
ব্যাখ্যা
 লিঙ্গ প্রধানত ৪ প্রকার যথা-
-স্ত্রীলিঙ্গ
-পুংলিঙ্গ
-উভয়লিঙ্গ ও
-ক্লীবলিঙ্গ

সাধারণ নারীবাচক শব্দ কোন দুই ধরণের। 
যথা: পত্নীবাচক ও অপত্নীবাচক 
- স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক বোঝালে পত্নীবাচক হয়। যেমন: পিতা-মাতা, চাচা-চাচি, দাদা-দাদি ইত্যাদি। 
- অন্যদিকে, স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক না বোঝালে অপত্নীবাচক হয়। যেমন: খোকা-খুকি, ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ইত্যাদি। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
নিম্নের কোনটি পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ এর অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) ভগ্নাংশবাচক
  2. খ) তারিখবাচক
  3. গ) সাধারণবাচক
  4. ঘ) ক্রমবাচক
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি হওয়া উচিত ছিল নিম্নের কোনটি পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ এর অন্তর্ভুক্ত নয়? 
শেষের নয় অংশটি ভুলক্রমে বাদ পড়ে যাওয়ায় প্রশ্নের উত্তর তুলে দেওয়া হয়েছে। ধন্যবাদ। 

সংখ্যাবাচক শব্দ দুই প্রকার।
যথা :
১. ক্রমবাচক
২. পূরণবাচক
পূরণবাচক আবার ৩ প্রকার।
যথা :
ক. সাধারণ পূরণবাচক
খ. তারিখ পূরণবাচক
গ. ভগ্নাংশ পূরণবাচক

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
বাংলা ব্যাকরণে নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক লগ্নক-
  1. ক) বলক
  2. খ) বচন
  3. গ) নির্দেশক
  4. ঘ) প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
যেসব লগ্নক শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বোঝায়, সেগুলোকে নির্দেশক বলে।
- যেমন, -টা, -টি, -খানা, -খানি,-জন, -টুকু।

বিশেষ্য, সর্বনাম ও বিশেষণের সঙ্গে -টা ,-টি নির্দেশক যুক্ত হয়।
বিশেষ্য ও বিশেষণ শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয় -খানা, -খানি নির্দেশক।
শুধু মানুষের ক্ষেত্রে -জন নির্দেশক ব্যবহৃত হয়।
কোনো কিছুর সামান্য অংশ বা অল্প পরিমান বোঝায় সেক্ষেত্রে -টুকু নির্দেশক যুক্ত হয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
গঠন বিবেচনায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ-
  1. ক) মৌলিক এবং সাধিত
  2. খ) মৌলিক এবং যৌগিক
  3. গ) নিজস্ব ও আগন্তুক
  4. ঘ) স্বচ্ছ এবং অস্বচ্ছ
ব্যাখ্যা
• গঠন বিবেচনায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ
গঠন বিবেচনায় বাংলা শব্দকে মৌলিক এবং সাধিত – এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়।

- মৌলিক শব্দ: যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করলে অর্থপূর্ণ কোনাে অংশ থাকে না, সেগুলােকে মৌলিক শব্দ বলে। যেমন – গাছ, পাখি, ফুল, হাত, গােলাপ ইত্যাদি।
- সাধিত শব্দ: যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সেগুলােকে সাধিত শব্দ বলে। উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগ করে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়। যেমন – পরিচালক, গরমিল, সম্পাদকীয়, সংসদ সদস্য, নীলাকাশ ইত্যাদি। শব্দের দ্বিত্ব করেও সাধিত শব্দ হয়ে থাকে। যেমন – ফিসফিস, ধুমাধুম ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত শব্দ শ্রেণি কোনটি?
  1. ক) তৎসম শব্দ
  2. খ) তদ্ভব শব্দ
  3. গ) দেশি শব্দ
  4. ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
উৎস বিবেচনায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ
উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভান্ডারকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়: তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি। এর মধ্যে তৎসম ও তদ্ভব শ্রেণিকে নিজস্ব উৎসের এবং দেশি ও বিদেশি শ্রেণিকে আগন্তুক উৎসের শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়।

তৎসম শব্দ: প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলােকে তৎসম শব্দ বলে। যথা: পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ। সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দকেও তৎসম শব্দ বলা হয়। যথা: অধ্যাদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।

তদ্ভব শব্দ: প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় একেবারেই স্বতন্ত্র , সেগুলােকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়। উদাহরণ: হাত, পা, কান, নাক, জিভ, দাঁত; হাতি, ঘােড়া, সাপ, পাখি, কুমির ইত্যাদি। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময়কে বলে-
  1. ক) ক্রিয়া মূল
  2. খ) ক্রিয়া বিভক্তি
  3. গ) ক্রিয়ার কাল
  4. ঘ) ক্রিয়ার স্থান
ব্যাখ্যা
• ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময়কে ক্রিয়ার কাল বলে।
- ক্রিয়ার কাল তিন প্রকার।
যথা-
- বর্তমান কাল,
- অতীত কাল ও
- ভবিষ্যৎ কাল।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'গায়ক-গায়িকা' কোন প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ?
  1. ক) -আ
  2. খ) -কা
  3. গ) -য়িকা
  4. ঘ) -ইকা
ব্যাখ্যা
প্রত্যয় যােগে নরবাচক শব্দ থেকে নারীবাচক শব্দগঠন।

- নরবাচক শব্দকে নারীবাচক শব্দে পরিবর্তন করতে সাধারণত কিছু প্রত্যয় যােগ করতে হয়।
• ‘-অক' প্রত্যয় দিয়ে গঠিত নরবাচক শব্দকে নারীবাচক করার সময়ে অক’-এর জায়গায় ‘ইকা হয়।
যেমন -
পাঠক-পাঠিকা,
লেখক-লেখিকা,
গায়ক-গায়িকা।

অন্যদিকে, 
• আ প্রত্যয় দিয়ে গঠিত নারীবাচক শব্দ:
- বৃদ্ধ-বৃদ্ধা,
- প্রিয়-প্রিয়া,
- কনিষ্ঠ-কনিষ্ঠা।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
নিম্নের কোনটি ভগ্নাংশ পূরণবাচক শব্দ?
  1. ক) এক, দুই
  2. খ) প্রথম, দ্বিতীয়
  3. গ) দেড়, আড়াই
  4. ঘ) পহেলা, দোসরা
ব্যাখ্যা
• সংখ্যাবাচক শব্দ মূলত দুই প্রকার।
যথা - 
- ক্রমবাচক - এক, দুই, তিন, চার...আট ইত্যাদি।
- পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয় তৃতীয় ইত্যাদি।
পূরণবাচক শব্দ আবার ৩ প্রকার।
যথা -
- সাধারণ পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ... নবম ইত্যাদি।
- তারিখ পূরণবাচক - পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক - আধ, সাড়ে, পোয়া, দেড়, আড়াই

• ভগ্নাংশ পূরণবাচক: 
কোনো পূর্ণসংখ্যা থেকে খানিকিটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়। 
যেমন: আধ, সাড়ে, সোয়া, পোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)
.
শব্দের অর্থমূলক শ্রেণীবিভাগ কয় প্রকার
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে শব্দের শ্রেণীবিভাগ সম্ভব। যেমন : শব্দগুলাে কোন উৎস থেকে এসেছে অথবা কোন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়েছে, কিংবা কোন অর্থ প্রকাশ করছে। শব্দের শ্রেণীবিভাগের প্রক্রিয়া তিনটি।
যেমন :
১. উৎসমূলক শ্রেণীবিভাগ :
(ক) তদ্ভব, (খ) তৎসম, (গ) দেশি ও (ঘ বিদেশি।

২. গঠনমূলক শ্রেণীবিভাগ :
(ক) মৌলিক ও (খ) সাধিত।

৩. অর্থমূলক শ্রেণীবিভাগ :
(ক) যৌগিক, (খ) রূঢ় বা রূঢ়ি এবং (গ) যােগরূঢ়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১০.
তৎসম শব্দ নয় কোনটি?
  1. ক) গৃহ
  2. খ) বৃদ্ধ
  3. গ) সাম্পান
  4. ঘ) সচিবালয়
ব্যাখ্যা
তৎসম শব্দ: প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলােকে তৎসম শব্দ বলে। যথা: পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ।
সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দকেও তৎসম শব্দ বলা হয়। যথা: অধ্যাদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।

গৃহ, বৃদ্ধ, সচিবালয় = তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ
অন্যদিকে, 
সাম্পান = চীনা শব্দ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ) এবং আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১১.
'-আ' প্রত্যয়যোগে গঠিত কৃদন্ত শব্দ কোনটি?
  1. ক) পড়া
  2. খ) বাঘা
  3. গ) বিবিয়ানা
  4. ঘ) শয়ান
ব্যাখ্যা
পড়া = পড়্‌+আ
- '-আ' প্রত্যয়যোগে গঠিত কৃদন্ত শব্দ
অন্যদিকে, 
বাঘা = বাঘ+আ; '-আ' প্রত্যয়যোগে গঠিত তদ্ধিতান্ত শব্দ 
বিবিয়ানা = বিবি+আনা; '-আনা' প্রত্যয় যোগে তদ্ধিতান্ত শব্দ
শয়ান = শী+আন; '-আন' প্রত্যয়যোগে গঠিত কৃদন্ত শব্দ 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১২.
‘তুই তাহলে আমাদের সঙ্গে আয়' এখানে ক্রিয়ার কোন কাল ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) নিত্যবৃত্ত বর্তমান
  2. খ) ভবিষ্যৎ অনুজ্ঞা
  3. গ) বর্তমান অনুজ্ঞা
  4. ঘ) পুরাঘটিত বর্তমান
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষার আছে ভবিষ্যৎ অনুজ্ঞা, যেখানে বলা হয় কাজটি এই মুহূর্তে না করলেও চলবে, অনির্দিষ্ট ভবিষ্যতে সম্পাদন করতে হবে। 
- এ ভবিষ্যৎ কেবল স্রোতাপক্ষে ব্যবহৃত হয়, তারই ক্রিয়ার বিশেষ রূপের জন্য নির্দিষ্ট আছে। যেমন:

বর্তমান অনুজ্ঞা: এ বইটা তাড়াতাড়ি পোড়ো। 
ভবিষ্যৎ অনুজ্ঞা: এ বইটা তাড়াতাড়ি পড়ো। 
বর্তমান অনুজ্ঞা: তুমি কাল আমাদের বাড়ি যাও। 
ভবিষ্যৎ অনুজ্ঞা: তুমি কাল আমাদের বাড়ি যেও। 
বর্তমান অনুজ্ঞা: তুই তাহলে আমাদের সঙ্গে আয়। 
ভবিষ্যৎ অনুজ্ঞা: তুই তাহলে আমাদের সঙ্গে আসিস। 

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (প্রথম খন্ড), বাংলা একাডেমি।
১৩.
নিম্নের কোনটি নারীবাচক শব্দ নয়?
  1. ক) দুলহিন
  2. খ) মাদী ঘোড়া
  3. গ) অভিসারী
  4. ঘ) গোয়ালিনী
ব্যাখ্যা
পুরুষবাচক শব্দের শেষে 'ঈ' থাকলে স্ত্রীবাচক শব্দের শেষে '-নী' হয় এবং আগের '-ঈ' '-ই' হয়ে যায়। 
যেমন- 
ভিখারি - ভিখারিনী
অভিসারী - অভিসারিনী 

অন্যদিকে, 
গোয়ালা-গোয়ালিনী [-ইনী প্রত্যয় যোগে] 
দুলহা-দুলাইন/দুলহিন
মদ্দা ঘোড়া-মাদী ঘোড়া 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
১৪.
বিভক্তিহীন পুনরাবৃত্ত দ্বিত্বের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) সুরে সুরে
  2. খ) ঝাঁকে ঝাঁকে
  3. গ) হায় হায়
  4. ঘ) মজার মজার
ব্যাখ্যা
অভিন্ন বা সামান্য পরিবর্তিত চেহারায় কোনো শব্দ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হলে তাকে শব্দদ্বিত্ব বলে। শব্দদ্বিত্ব তিন ধরনের:
- অনুকার দ্বিত্ব,
- ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব ও
- পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব।

পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব: পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে। পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বিভক্তিহীন বা বিভক্তিযুক্ত হতে পারে। যেমন - জ্বর জ্বর, পর পর, কবি কবি, হাতে হাতে, কথায় কথায়, জোরে জোরে ইত্যাদি।

বিভক্তিহীন পুনরাবৃত্ত: ভালো ভালো (কথা), কত (লোক), হঠাৎ হঠাৎ (ব্যথা), ঘুম ঘুম (চোখ), উড় উড় (মন), গরম গরম (জিলাপি), হায় হায় (করা)।
বিভক্তিযুক্ত পুনরাবৃত্ত: কথায় কথায় (বাড়া), মজার মজার (কথা), ঝাঁকে ঝাঁকে (চলা), চোখে চোখে (রাখা), মনে মনে (হাসা), সুরে সুরে (বলা), পথে পথে (হাঁটা)।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১৫.
নিম্নের কোনটি দেশি শব্দ নয়?
  1. ক) টুপি
  2. খ) পেট
  3. গ) ঢেঁকি
  4. ঘ) ডাব
ব্যাখ্যা
দেশি শব্দ:
বাংলা অঞ্চলের আদিবাসী জনগােষ্ঠীর ভাষা থেকে কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, এগুলােকে দেশি শব্দ বলা হয়।

টুপি (বিশেষ্য) 
- দেশি শব্দ 
অর্থ: মাথায় ধারনের আস্তরণ বিশেষ; শিরস্ত্রান। 
পেট, ডাব = দেশি শব্দ 
কিন্তু 
মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ) অনুসারে ঢেঁকি দেশি শব্দ হলেও বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
ঢেঁকি = হিন্দি ঢেংকি শব্দ থেকে উদ্ভূত শব্দ।

এক্ষেত্রে বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান বেশি গ্রহণযোগ্য। 
১৬.
'দীপ্যমান' এর সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. ক) √দীপ্য্‌ + মান
  2. খ) √দিপ্‌ + মান
  3. গ) √দিপ্য্‌ +মান
  4. ঘ) √দীপ্‌ + মান
ব্যাখ্যা
'দীপ্যমান' এর সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় হচ্ছে - √দীপ্‌ + মান।
এটি সংস্কৃত কৃৎপ্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ।

দীপ্যমান (বিশেষণ)
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয় -√দীপ্‌ + মান 
অর্থ: উজ্জ্বল, জ্বলন্ত, ভাস্বর।
 
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১৭.
অতীতের অভ্যস্ততা অর্থে ব্যবহৃত হয় কোনটি?
  1. ক) সাধারন অতীত
  2. খ) ঘটমান অতীত
  3. গ) পুরাঘটিত অতীত
  4. ঘ) নিত্যবৃত্ত অতীত
ব্যাখ্যা
নিত্যবৃত্ত অতীত: অতীত কালে যে ক্রিয়া সাধারণ অভ্যস্ততা অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল বলে।
- আমরা তখন রোজ সকালে গ্রামের নদী তীরে বেড়াতাম।

পুরাঘটিত অতীত: অতীতের যে ক্রিয়া বহু পূর্বেই ঘটে গেছে এবং পরে আরাে কিছু ঘটনা ঘটেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলে।
- ঘন্টা বাজার পর তারা বিদ্যালয়ে পৌঁছেছিল - পুরাঘটিত অতীত 

 ঘটমান অতীত: যে ক্রিয়া অতীত কালে চলছিল বুঝায়, তাকে ঘটমান অতীত বলে।
- বাচ্চারা মাঠে খেলছিলো - ঘটমান অতীত।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১৮.
প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে প্রকৃতি অংশের আদিস্বরের পরিবর্তনকে কী বলে?
  1. ক) প্রতিপাদিক
  2. খ) স্বরভক্তি
  3. গ) গুণ ও বৃদ্ধি
  4. ঘ) পদাশ্রিত নির্দেশক
ব্যাখ্যা
কখনও কখনও লক্ষ করা যায় যে, নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে প্রকৃতি অংশের আদিস্বরের পরিবর্তন ঘটে।
এই পরিবর্তন নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে। এই নিয়মদ্বয়কেই যথাক্রমে গুণ ও বৃদ্ধি নামে অভিহিত করা হয়।
নিচে গুণ ও বৃদ্ধি ঘটার সূত্র উল্লেখ করা হলাে :

গুণ
ই/ঈ-স্থলে এ - √চিন্+আ= চেনা, নী+আ= নেওয়া
উ/ঊ-স্থলে ও - √ধু+আ= ধােয়া
ঋ-স্থলে অর্‌ -  √কৃ+তা = কর্‌তা > কর্তা >ক্রেতা   

বৃদ্ধি
অ-স্থলে আ - √পচ্+ণক(অক) = পাচক 
ই/ঈ-স্থলে ঐ - √শিশু+ষ্ণ = শৈশব
উ/ঊ-স্থলে ঔ - √যুব্‌+অন= যৌবন
ঋ-স্থলে আর - √কৃ+ঘ্যণ(য-ফলা)= কার্য

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
আগ্রহ বোঝাতে কোন বাক্যে বিশেষ্য পদের দ্বিরুক্তি ঘটেছে?
  1. ক) ধামা ধামা ধান।
  2. খ) আমার জ্বর জ্বর লাগছে।
  3. গ) ও দাদা দাদা বলে ডাকছে।
  4. ঘ) তুমি দিন দিন রোগা হয়ে যাচ্ছ।
ব্যাখ্যা
বিশেষ্য পদের দ্বিরুক্তিঃ
১. আধিক্য বোঝাতে : রাশি রাশি ধন, ধামা ধামা ধান।
২. সামান্য বোঝাতে : আমার জ্বর জ্বর লাগছে। কবি কবি ভাব।
৩. পরস্পরতা বা ধারাবাহিকতা বোঝাতে : তুমি দিন দিন রোগা হয়ে যাচ্ছ।
৪. ক্রিয়া বিশেষণ : ধীরে ধীরে যায়, ফিরে ফিরে চায়।
৫. অনুরূপ কিছু বোঝাতে : তার সঙ্গী সাথী কেউ নেই।
৬. আগ্রহ বোঝাতে : ও দাদা দাদা বলে ডাকছে, শিশুটি মা মা বলে কাঁদছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
২০.
'বেগম' শব্দটি কোন ভাষা উৎস থেকে আগত?
  1. ক) তুর্কি
  2. খ) আরবি
  3. গ) উর্দু
  4. ঘ) ফারসি
ব্যাখ্যা
 বেগম
- উৎসগত দিক দিয়ে এটি তুর্কি শব্দ। 
- বিশেষ্য পদ। 
অর্থ 
- সম্ভ্রান্ত মুসলমান নারী
- মুসলমান শাসনকর্তার পত্নী, রানি। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২১.
Personal Computer-এর সবচেয়ে বড় অংশকে কী বলা হয়?
  1. ক) System Unit
  2. খ) Central Processing Unit
  3. গ) Memory Unit
  4. ঘ) Processing Unit
ব্যাখ্যা

সিস্টেম ইউনিট :
একটা Personal Computer-এর সবচেয়ে বড় অংশকে System Unit বলে।
এ Unit-এর ভিতরেই সি পি ইউ (Central Processing Unit), স্মৃতিকেন্দ্ৰ (Memory Unit), সমস্ত যন্ত্রাংশ, ফ্লপি, সিডি, ডিস্ক ড্রাইভ ও হার্ডডিস্ক অবস্থিত। |

এখানে রিসেট (Reset) বোতাম থাকে এবং সিস্টেম ইউনিটকে তালা চাবি লাগানোর ব্যবস্থাও থাকে ।
আমরা হার্ডডিস্ককে বাইরে থেকে দেখতে পারি না। মনিটরের নিচে অথবা পাশে দাঁড় করানো থাকে। এ বাক্সটির ভিতরেই কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশ সংযোজিত থাকে। এ সিষ্টেম ইউনিট এর ভিতরেই কম্পিউটারের মাদার বোর্ডসহ অন্যান্য অংশসমূহ বিদ্যমান।

উৎস : মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ – বি এড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২২.
'ই-পূর্জি ব্যবস্থাপনা' কোনটির সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) ভূমি রেকর্ড
  2. খ) ব্যাংকিং
  3. গ) আঁখ চাষ
  4. ঘ) মূলধন
ব্যাখ্যা
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে ২০০৯ সালের ১৭ নভেম্বর একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন।
- বাংলাদেশের চিনিকলের দীর্ঘ সময়ের ইতিহাসে এই প্রথম কোন আখ চাষী তার নামে পূর্জি ইস্যু হওয়ার সাথে সাথে তার মোবাইল এসএমএস এর মাধ্যমে জানতে পারেন।
- পূর্জি নিয়ে আখচাষীদের বিড়ম্বনার ইতিহাস দীর্ঘদিনের।
- চাষীদের এ দুর্ভোগ লাঘবের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন এবং ইউএনডিপি’র অর্থায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের যৌথ উদ্যোগে ২০০৯ সালে ফরিদপুর এবং মোবারকগঞ্জ চিনিকলে পাইলট ভিত্তিতে ই-পূর্জি ব্যবস্থাপনা চালু করা হয়। 

উৎস : বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ওয়েবসাইট 
২৩.
কাগজে কালির ফোঁটার অবস্থান নির্ণয় করতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ওএমআর
  2. খ) এমআইসিওআর
  3. গ) ওসিআইআর
  4. ঘ) ওটিপি
ব্যাখ্যা
- পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে বর্তমানে অপটিক্যাল মার্ক রিডার (Optical Mark Reader) বা ওএমআর (OMR) যন্ত্র ব্যবহৃত হয়।
- ওএমআর বা পঠনযন্ত্র কে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে।
- ওএমআর এমন একটি যন্ত্র যা শুধু একটি কাগজে কালির ফোঁটার অবস্থান নির্ণয় করতে পারে।
- উত্তরপত্রে শিক্ষার্থী প্রদত্ত কালির ফোঁটার অবস্থান ও কম্পিউটারের স্মৃতিতে রক্ষিত সঠিক অবস্থান তুলনা করে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হয়।
- বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বহু নির্বাচনী প্রশ্নের উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য ওএমআর পদ্ধতি ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস : কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
নিচের কোনটি Octal number?
  1. ক) 91
  2. খ) 78
  3. গ) 1011
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
Octal number system এ আটটি অংক ব্যবহৃত হয়।
যথা- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ এবং ৭।
তাই, ১০১১ হলো  Octal number।
২৫.
নিচের কোনটি ডিজিটাল কনটেন্টের অন্তর্গত নয়?
  1. ক) অডিও
  2. খ) ভিডিও
  3. গ) ফ্ল্যাশকার্ড
  4. ঘ) ছবি
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল কনটেন্টের ধরণসমূহ নিম্নরূপ :
- ডকুমেন্ট
- অডিও
- ভিডিও
- ইমেজ
- প্রেজেন্টেশন
- ওয়েবভিত্তিক
- ইনফোগ্রাফ

উৎস : স্কুল অব এডুকেশন, এমএড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৬.
(15)10 = (?)16
  1. ক) F
  2. খ) 91
  3. গ) 2F
  4. ঘ) 223F
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির বেস - ১৬।
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা গুলো হচ্ছে - 0,1,2,3,4,5,6,7,8,9,A,B,C,D,E,F.
এখানে,
A = 10
B = 11
C = 12
D = 13
E = 14
F = 15
সংখ্যা ও অক্ষর উভয়ই থাকার কারনে এটিকে আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
২৭.
কম্পিউটার সিস্টেমে 'গার্বেজ ইন গার্বেজ আউট' কোনটিকে নির্দেশ করে?
  1. ক) জটিল বৈজ্ঞানিক সমস্যা সমাধান
  2. খ) কম্পিউটারে প্রাপ্ত ফলাফলের সুক্ষ্মতা যাচাই
  3. গ) ভুল ফলাফল দেয়া
  4. ঘ) কম্পিউটার ডেটা প্রক্রিয়াকরণ
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার নির্ভুলভাবে কাজ করে।
- উন্নত প্রযুক্তির কারণে কম্পিউটার সর্বদা নির্দিষ্ট প্রোগ্রামদিয়ে নির্দিষ্ট কাজ পুরোপুরি নির্ভুলভাবে করতে পারে।
- তবে এ ক্ষেত্রে প্রোগ্রাম ও ডেটাকে অবশ্যই ১০০% শুদ্ধ হতে হবে ।
- ভুল ফলাফল দেয়াকে গার্বেজ ইন গার্বেজ আউট (Garbage in garbage out) বলা হয়।
- আধুনিক কম্পিউটার প্রমাণ করছে যে মানুষ ভুল করে, কিন্তু কম্পিউটার ভুল করে না ।

উৎস : মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ – বি এড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৮.
১ এক্সাবাইট (EB) সমান -
  1. ক) ১০২৪ জেটাবাইট
  2. খ) ১০২৪ গিগাবাইট
  3. গ) ১০২৪ টেরাবাইট
  4. ঘ) ১০২৪ পেটাবাইট
ব্যাখ্যা
(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট = ইট্রাবাইট (YB) 


উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
২৯.
নিচের কোনটি অপটিক্যাল রিডার?
  1. ক) OMR
  2. খ) OCR
  3. গ) BCR
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল রিডার (Optical Reader) :
এই ধরনের যন্ত্র কোন পাঠ্য বিষয়কে আলোর সাহায্যে পড়ে থাকে।
বিশেষ ধরনের লিখিত চিঠিপত্র, ডকুমেন্টের উপর অপটিক্যাল রিডার ধরলে কম্পিউটার সেটা পড়ে মনিটরে ফলাফল প্রদর্শন করে। বিভিন্ন ধরনের অপটিক্যাল রিডার হচ্ছে :
- Optical Mark Reader (OMR), 
- Optical Character Recognotion (OCR),
- Bar Code Recognition (BCR)।


উৎস : কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০.
নিচের কোনটি বুলিয়ান উপপাদ্য অনুসারে সত্য নয়?
  1. ক) অ + ০ = ১
  2. খ) অ + ১ =  অ
  3. গ) অ + অ = ২অ
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার এবং যুক্তিবর্তনী (Logic circuit) নির্মাণের জন্য বুলিয়ান সমীকরণ ব্যবহার করা হয়।

এই সমীকরণ যত ছোট ও সরল হয় যুক্তিবর্তনীর আকৃতি ও নির্মান খরচ তত কম হয়। 
এই সমীকরণ সরলীকরণের জন্য যে উপপাদ্য ব্যবহার করা হয় তাকে বুলিয়ান-উপপাদ্য বলা হয়। 

উৎস : কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩১.
অল্প খরচে কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর উপায় কোনটি?
  1. ক) উইন্ডোজ রিইনস্টল করা
  2. খ) বাড়তি Ram লাগানো
  3. গ) অ্যান্টিভাইরাস আপডেট করা
  4. ঘ) ভিজুয়াল এফেক্ট চালু করা
ব্যাখ্যা
অল্প খরচে কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর একটি উপায় হলো বাড়তি Ram যোগ করা।
এতে প্রায় সব কম্পিউটারের গতিই বেড়ে যায় ।

উৎস : স্কুল অব এডুকেশন, এমএড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩২.
'হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry)' কোন প্রযুক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) Machine learning
  2. খ) Biometrics
  3. গ) Virtual Reality
  4. ঘ) Data mining
ব্যাখ্যা
গ্রিক শব্দ 'metron' অর্থ পরিমাপ এবং 'bio' অর্থ জীবন, এ দু’টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।

দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। 

যথাঃ
ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint)
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry)
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan)
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition)
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA Test)

খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition)
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification)
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৩.
মাউস ক্লিক কয় প্রকার?
  1. ক) দুই
  2. খ) চার
  3. গ) পাঁচ
  4. ঘ) তিন
ব্যাখ্যা

মাউস ক্লিক তিন প্রকারের। যথা : লেফট, রাইট ও , ডাবল ক্লিক ।

লেফট ক্লিক :
কোন আইটেমের উপর মাউস পয়েন্টার রেখে মাউসের বাম বোতামে একবার চাপ দেয়াকে লেফট ক্লিক বলা হয়। মাউস ক্লিক বলতে সাধারণত লেফট ক্লিকই বুঝায়। একে সিঙ্গেল ক্লিক ও বলা হয়।


রাইট ক্লিক :
কোন আইটেমের উপর মাউস পয়েন্টার রেখে মাউসের ডান বোতামে একবার চাপ দেয়াকে রাইট ক্লিক বলা হয়। মাউসের দ্বারা করণীয় অনেক কাজ সংক্ষিপ্তভাবে সম্পাদনের জন্য রাইট ক্লিক করা হয় ।

ডাবল ক্লিক :
কোন ফাইল বা ডিরেক্টরী আইটেমের উপর মাউস পয়েন্টার রেখে ঘনঘন দুবার চাপ দেয়াকে ডাবল-ক্লিক্ বলে। সাধারণত কোন নির্দেশনা প্রয়োগ কিংবা প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য ডাবল-ক্লিক্ করা হয় ।

উৎস : মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ – বি এড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩৪.
নিচের কোনটি ৮ বিট বিশিষ্ট কোড?
  1. ক) ASCII
  2. খ) Unicode
  3. গ) Extended ASCII
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
• 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
• ASCII বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন ক্যারেক্টার বা চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
• ASCII কোড শুধু ইংরেজি ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
Extended ASCII হলো ৮ বিট বিশিষ্ট কোড, যার সাহায্যে 256টি বিভিন্ন ক্যারেক্টার বা চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
• Extended ASCII ইউরোপীয় ভাষার জন্য উপযোগী।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং বিবিসি।
৩৫.
শিক্ষাক্ষেত্রে ল্যাপটপ এবং ট্যাবস ব্যবহারের উপকারিতা কোনটি?
  1. ক) আপ-টু-ডেট
  2. খ) বিনোদন
  3. গ) কম খরচ
  4. ঘ) বহুমুখীতা
ব্যাখ্যা

শিক্ষাক্ষেত্রে ল্যাপটপ এবং ট্যাবস ব্যবহারের উপকারিতা বহুমুখী। 

শিখন-শিক্ষণ প্রক্রিয়ায় ল্যাপটপ এবং ট্যাবস ব্যবহারের ফলে শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক উভয়ই উপকৃত হে শিক্ষণ প্রক্রিয়ায় ল্যাপটপ এবং ট্যাবস ব্যবহারের কারণে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায় তা নিম্নে হলো : 
■ শিখন-শিক্ষণ প্রক্রিয়ায় ল্যাপটপ এবং ট্যাবস ব্যবহার শিক্ষার্থীদেরকে স্বাধীনভাবে এবং স্ব-উদ্যোগে হয়ে শিখনে সহায়তা করে থাকে।
এগুলো শিখন-শিক্ষণ প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহন বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।

■ শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করে থাকে । শিক্ষকদেরকে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর স্ব স্ব চাহিদা অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে সাহায্য করে এই ল্যা ট্যাবস ।
■ শিক্ষার্থীদের শিখনফল অর্জন অনেকটা সহজ করে।

■ ল্যাপটপ এবং ট্যাবস শ্রেণিকক্ষের বাইরেও শিক্ষার্থীদের শিখনকে উৎসাহিত করে থাকে। ল্যাপটপ এবং ট্যাবস স্কুল এবং বাড়ির মধ্যকার সংযোগের বৃদ্ধি ঘটায় ।

■ ল্যাপটপ এবং ট্যাবসের পোর্টএবিলিটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আন্তঃসহযোগিতা বাড়ায়।

উৎস : স্কুল অব এডুকেশন, এমএড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩৬.
VRM কী ধরণের ডিভাইস?
  1. ক) ইনপুট-আউটপুট
  2. খ) ইনপুট
  3. গ) আউটপুট
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- আউটপুট ইউনিট কম্পিউটারে তথ্য প্রদানের পর কম্পিউটার সেই তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর যে ফল প্রদান করে তাহলো আউটপুট।
- প্রক্রিয়াকরণের পর যে সব যন্ত্রের মাধ্যমে ফলাফল প্রদর্শিত হয় তাদেরকে বলা হয় আউটপুট ডিভাইস (Output Device)।
- মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, ভয়েস রিকগনিশন মেশিন (VRM), টেপ, ডিস্ক ইত্যাদি বহুল ব্যবহৃত আউটপুট ডিভাইস। নিম্নে কিছু আউটপুট ডিভাইসের বর্ণনা করা হল ।

উৎস : কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭.
নিচের কোন গেইটে দুটি ইনপুট একই হলে আউটপুট 1 হবে?
  1. ক) NAND
  2. খ) XNOR
  3. গ) XOR
  4. ঘ) AND
ব্যাখ্যা
XNOR গেইটে সবগুলো ইনপুট একই হলে আউটপুট পাওয়া যায়।

৩৮.
ভিএলএসআই (VLSI) চিপ নিম্নের কোনটিকে নির্দেশ করে?
  1. ক) মাইক্রোকন্ট্রোলার
  2. খ) মাদারবোর্ড
  3. গ) মাইক্রোপ্রসেসর
  4. ঘ) ক্যাশ মেমোরি
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর মাইক্রোকম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়। 

উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৯.
নিচের কোনটি ১০০১০০ এর ১ কমপ্লিমেন্ট?
  1. ক) ১০০০১১
  2. খ) ০১১০১১
  3. গ) ০০১০০১
  4. ঘ) ০১১১১০
ব্যাখ্যা
বাইনারি সংখ্যায় ০ এর স্থানে ১ এবং ১ এর স্থানে ০ বসিয়ে অর্থাৎ সংখ্যার বিটগুলােকে উল্টিয়ে, সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক (1's complement form) গঠন পাওয়া যায়।
অতএব, ১০০১০০ সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক হলো ০১১০১১
৪০.
সাধারণ একটি যোগ করতে কম্পিউটারের সময় লাগে -
  1. ক) ৫০ মিলিসেকেন্ড
  2. খ) ৫০ ন্যানোসেকেন্ড
  3. গ) ৫০ পিকোসেকেন্ড
  4. ঘ) ৫০ মাইক্রোসেকেন্ড
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- কম্পিউটার প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি গণনাও করতে পারে।
- কম্পিউটারের এ দ্রুতগতি সম্পন্ন গণনার কাজকে মিলিসেকেন্ড, মাইক্রোসেকেন্ড, ন্যানোসেকেন্ড, পিকোসেকেন্ড ইত্যাদি সময়ের একক হিসেবে ভাগ করা হয়।
- উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে যে, সাধারণ একটি যোগ করতে কম্পিউটারের সময় লাগে ৫০ ন্যানোসেকেন্ড তাহলে কম্পিউটার একসেকেন্ডে এরকম দু'কোটি যোগ করতে পারবে।
- একজন মানুষের ১০০ বৎসরের কাজ একটি সাধারণ কম্পিউটার ১ ঘন্টায় করতে সক্ষম।


উৎস : মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ – বি এড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪১.
কম্পিউটার এবং প্রিন্টারের-এর মধ্যে কোন পদ্ধতিতে data transmission হয়?
  1. ক) Simplex
  2. খ) Duplex
  3. গ) Half duplex
  4. ঘ) Triplex
ব্যাখ্যা
ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex)
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)

সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স: হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না। যেমন- ওয়াকি টকি।

ফুল-ডুপ্লেক্স: ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে। যেমনঃ টেলিফোন।

উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
৪২.
র‍্যাম (RAM) কী ধরণের স্মৃতি?
  1. ক) চুম্বকীয় কোর
  2. খ) অর্ধপরিবাহী
  3. গ) চার্জ কাপল
  4. ঘ) পাতলা পর্দা
ব্যাখ্যা
-  বর্তমানে মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারে অর্ধপরিবাহী স্মৃতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- চুম্বকীয় কোরের তুলনায় অর্ধপরিবাহী স্মৃতি অনেক ছোট ও সস্তা।
- অর্ধপরিবাহী পদার্থ দিয়ে তৈরি বলেই একে অর্ধপরিবাহী স্মৃতি বলে।
- বহুল ব্যবহৃত দুই ধরনের অর্ধপরিবাহী স্মৃতির একটি হল অস্থায়ী স্মৃতি বা র‍্যাম (RAM - Random Access Memory) এবং অপরটি হল স্থায়ী স্মৃতি বা রম (ROM - Read Only Memory)।

উৎস : কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪৩.
১০০১ বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমাল নাম্বার কোনটি?
  1. ক) ১১
  2. খ) ৮
  3. গ) ৯
  4. ঘ) ৭
ব্যাখ্যা
(1001)₂ = (1 × 2³) + (0 × 2²) + (0 × 2¹) + (1 × 2⁰) = (9)₁₀
৪৪.
কোনটি দ্বারা নিউমেরিক কীপ্যাড এর অধিকাংশ কী দ্বৈত কাজে ব্যবহার করা যায়?
  1. ক) Tab
  2. খ) Num Lock
  3. গ) ctrl + shift
  4. ঘ) Caps Lock
ব্যাখ্যা
- কীবোর্ডের ডান দিকে অবস্থিত ক্যালকুলেটরের মতো ১৭ থেকে ১৮ টি  কীসম্বলিত অংশকে নিউমেরিক কী প্যাড বলা হয়।
- পরিসংখ্যান ও গণিত বিষয়ক কাজের জন্য নিউমেরিক কী প্যাড ব্যবহার সুবিধাজনক।
- নিউমেরিক কী প্যাডের উপরের বাম পাশে অবস্থিত Num Lock লেখাযুক্ত কী-টি অফ ও অন করে নিউমেরিক কীপ্যাড অধিকাংশ কী দ্বৈত কাজে ব্যবহার করা যায়।
- অর্থাৎ Num Lock কী অন করে রাখলে গাণিতিক ফাংশনগুলো কাজ করে, আবার Num Lock কী বন্ধ থাকলে নিউমেরিক কীসমূহের নিচে যা লেখা রয়েছে সেগুলো কাজ করবে।
- যেমন, 7 লেখা কী-টির নিচে Home লেখা রয়েছে। Num Lock কী চালু থাকলে এটি চাপলে 7 লেখা হবে। আবার Num Lock কী বন্ধ থাকলে এটি চাপলে কার্সর লাইনের শেষে স্থানান্তরিত হবে।

উৎস : মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ – বি এড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪৫.
চিকিৎসা ক্ষেত্রে যে সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় তার নাম-
  1. ক) SPSS
  2. খ) Database
  3. গ) Mycin
  4. ঘ) Auto Cad
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে চিকিৎসা বিজ্ঞানে কম্পিউটার ব্যাপক ব্যবহৃত হচ্ছে। 
- বিভিন্ন রোগের লক্ষণ এবং রোগ ভেদে রক্ত, মল, মূত্র ইত্যাদি উপাদানের সম্বন্ধে তথ্য কম্পিউটারে সঞ্চিত থাকে।
- যখন একজন রোগীর লক্ষণ, রক্ত, মল, মূত্র ইত্যাদি পরীক্ষার ফলাফল কম্পিউটারে দেয়া হয় তখন কম্পিউটার সঞ্চিত তথ্যের সাথে ইনপুট করা তথ্যের তুলনা করে সঠিক রোগ নির্ণয় করে।
- এমনকি বর্তমানে রোগ নির্ণয় করে সঠিক ঔষধও নির্বাচন করে দিতে পারে কম্পিউটার।
- এই রোগ নির্ণয় এবং প্রেসক্রিপশন করার জন্য মাইসিন (Mycin) নামক একটি সফটওয়্যার আছে।
- এই সফটওয়্যারের সাহায্যে কম্পিউটার এসব কাজ করে থাকে।
- রোগ নির্ণয়ের মূল বিষয়, রক্ত, মল, মূত্র ইত্যাদির বিশ্লেষণও কম্পিউটার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে।


উৎস : কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪৬.
নিম্নের কোন ডিভাইস স্টোরেজ এবং I/O উভয় হিসাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) মাউস
  2. খ) মনিটর
  3. গ) হার্ডডিস্ক
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক একইসাথে স্টোরেজ ও ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়। 

কিছু ডিভাইস ইনপুট এবং আউটপুট উভয়ই হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
যেমন :  হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপিডিস্ক এবং একটি মডেম। 

উৎস : Diploma in Computer Science and Application Program, Open University
৪৭.
মাইক্রোকম্পিউটারের গতি কোনটির উপর নির্ভরশীল?
  1. ক) র‌্যামের ক্লক স্পিড
  2. খ) প্রসেসরের ক্লক স্পিড
  3. গ) ক্যাশ মেমোরির ক্লক স্পিড
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- মাইক্রোকম্পিউটার তার সিস্টেম ক্লকের মাধ্যমে মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে।
- সিস্টেম ক্লকের কাজের গতি বেশি হলে কম্পিউটারের কাজের গতিও বৃদ্ধি পায়।
- অন্যদিকে সিস্টেম ক্লকের গতি কম হলে কম্পিউটারের কাজের গতিও কম হয়।
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে। প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্ৰদান করতে পারবে। এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।


উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪৮.
নিচের কোন Octal সংখ্যাটি Decimal সংখ্যা 23-এর সমতুল্য?
  1. ক) 27
  2. খ) 45
  3. গ) 32
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
২৩ কে ৮ দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল ২ ও ভাগশেষ ৭ থাকে। 
২কে ৮ দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল ০ ও ভাগশেষ ২ থাকে। 

ভাগশেষকে নিচ থেকে উপরে সাজালে পাই, ২৭
সুতরাং, Decimal সংখ্যা ২৩-এর সমতুল্য  Octal সংখ্যা = ২৭
 
৪৯.
নিচের কোনটি RAM চিপ?
  1. ক) SRAID
  2. খ) DIMM
  3. গ) SRIM
  4. ঘ) rRAM
ব্যাখ্যা

DIMM এর পূর্ণরূপ Dual In-line Memory Module.
ইহা মাদারবোর্ড-এ অবস্থিত একটি RAM চিপ। 

একটি মাদারবোর্ড-এ সিপিউ, RAM চিপসমূহ (SIMM/DIMM), ROM চিপ (BIOS), DMA চিপ (Direct Memory Access), PIC চিপ (Programmable Intrupt Controller), PIT চিপ (Programmable Intrupt Timer), Expansion slotসমূহ ও DPI, কীবোর্ড সংযোগ পোর্ট, পাওয়ার সাপ্লাই পোর্ট, বিভিন্ন Jumper connection ও LED connection ইত্যাদি উপকরণসমূহ বিদ্যমান থাকে ।

 

উৎস : মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ – বি এড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।