পরীক্ষা আর্কাইভ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

পরীক্ষা৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes৫৭ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৫৮
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 15” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- পরীক্ষা - ১০ পার্ট-১) বাংলা ব্যাকরণ: টপিকসমূহ ১. বাংলা ভাষা (ভাষা ও বাংলা ভাষা রীতি; বাংলা ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়) ২. ধ্বনিতত্ত্ব (ধ্বনি ও বর্ণ-প্রকরণ; ধ্বনির উচ্চারণ বিধি; ধ্বনি পরিবর্তন, ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান; সন্ধি) পার্ট-২) জাতিসংঘ - History, মূল সংস্থা, জড়িত ব্যক্তি, জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ, জাতিসংঘ ও নোবেল, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম (গুরুত্বপূর্ণ), জাতিসংঘ মিশন সমূহ, World Bank, IMF, WTO, UNCTAD. ------------------ পার্ট–১ সোর্স: উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।) পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই। তবে, সংস্থাগুলোর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটগুলো সম্ভব হলে একটু দেখে নিবেন। গাইডে অনেক সময় ভুল থাকে ও আপডেটেড তথ্য দেওয়া থাকে না।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৫৮ প্রশ্ন

.
ভারতীয় আর্য ভাষাগোষ্ঠীর কোন অংশ থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি?
  1. প্রাচীন ভারতীয় আর্য 
  2. নব্য ভারতীয় আর্য
  3. অন্ত্য-মধ্য ভারতীয় আর্য 
  4.  মধ্য-মধ্য ভারতীয় আর্য
সঠিক উত্তর:
নব্য ভারতীয় আর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নব্য ভারতীয় আর্য
ব্যাখ্যা

• নব্য ভারতীয় আর্য থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি। 

• ইন্দো-ইউরোপীয় থেকে বাংলা ভাষার বিবর্তনের কালক্রম নিম্নরূপ:

- ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর উৎপত্তি আনুমানিক ৩৫০০ খ্রিস্টপূর্বে। ইন্দো-ইরানীয় ভাষাগোষ্ঠীর উৎপত্তি আনুমানিক ১৮০০ খ্রিস্টপূর্ব।
- প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষাগোষ্ঠীর উৎপত্তি ও বিকাশ ঘটে আনুমানিক ১৫০০-৬০০ খ্রিস্টপূর্বে। ভাষাগোষ্ঠীর এই অংশ থেকে (বৈদিক, সংস্কৃত প্রভৃতি) ভাষা উৎপত্তি লাভ করে।

মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষাগোষ্ঠীর উৎপত্তি ও বিকাশ আনুমানিক ৬০০ খ্রিস্টপূর্ব থেকে ১০০০ খ্রিস্টাব্দ।
ক. আদি-মধ্য ভারতীয় আর্য ৬০০-২০০ খ্রিস্টপূর্ব (অশোক-প্রাকৃত ও পালি)।
খ. মধ্য-মধ্য ভারতীয় আর্য ২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ৬০০ খ্রিস্টাব্দ (আদি শিলালিপিসমূহের প্রাকৃত নাটকীয় প্রাকৃত, শৌরসেনি, মহারাষ্ট্রি, মাগধি, জৈন, অর্ধমাগধি)।
গ. অন্ত্য-মধ্য ভারতীয় আর্য ৬০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১০০০ খ্রিস্টাব্দ (অপভ্রংশ-পশ্চিমা এবং শৌরসেনি অপভ্রংশ)।

নব্য ভারতীয় আর্যের উৎপত্তি ১০০০ খ্রিস্টাব্দে। ভাষাগোষ্ঠীর এই অংশ থেকে (কাশ্মীরি, জিপসি, সিন্ধি, লাহন্দি, পাঞ্জাবি, মালদ্বীপি, সিংহলি, গুজরাটি, হিন্দি-উর্দু, আওধি, ভোজপুরি, মৈথিলি, ওড়িয়া, বাংলা, অসমিয়া, মারাঠি।) ভাষা উৎপত্তি লাভ করে।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ।

.
কোন ভাষারীতি মন্থর ও কৃত্রিম?
  1. চলিত 
  2. উপভাষা 
  3. আঞ্চলিক 
  4. সাধু 
সঠিক উত্তর:
সাধু 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধু 
ব্যাখ্যা

সাধু ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য:
১. সাধু ভাষারীতি সর্বজনগ্রাহ্য লেখার ভাষা।
২. সাধু ভাষারীতি সব সময় ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে।
৩. সাধু ভাষায় পদবিন্যাস রীতি সুনির্দিষ্ট।
৪. সাধু ভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি।
৫. সাধু ভাষা বক্তৃতা, ভাষণ ও নাটকের সংলাপের উপযোগী নয়।
৬. সাধু ভাষায় সর্বনাম, ক্রিয়া ও অব্যয় পদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়।
৭. সাধু ভাষা গুরুগম্ভীর, দুর্বোধ্য ও মন্থর।
৮. সাধু ভাষারীতি অপরিবর্তনীয়, তাই কৃত্রিম।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

.
দন্ত্য ব্যঞ্জন নয় কোনটি?
  1.  ধ
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

• দন্ত্য ব্যঞ্জন নয়- স। 
-  স- দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন। 

--------------------
• দন্ত্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে দন্ত্য ব্যঞ্জন বলে।
- তাল, থালা, দাদা, ধান প্রভৃতি শব্দের ত, থ, দ, ধ দন্ত্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে,
• দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতের গোড়ার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন বলে।
নানা, রাত, লাল, সালাম প্রভৃতি শব্দের ন, র, ল, স দন্ত্যমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

.
ম-এর উচ্চারণ [অঁ]-এর মতো হয়েছে নিচের কোন শব্দে?
  1. স্মরণ
  2. যুগ্ম
  3.  জন্ম 
  4. গুল্ম
সঠিক উত্তর:
স্মরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মরণ
ব্যাখ্যা

• 'ম' বর্ণের উচ্চারণ:
- 'ম' বর্ণের সাধারণ উচ্চারণ [ম]।
- শব্দের প্রথম বর্ণে ম-ফলা থাকলে সেই বর্ণ উচ্চারণের সময়ে ম-এর উচ্চারণ [অঁ]-এর মতো হয়। যেমন- শ্মশান [শঁশান], স্মরণ [শঁরোন]
- শব্দের মধ্যে ম-ফলা থাকলে সেই বর্ণ উচ্চারণে দ্বিত্ব হয় এবং সামান্য অনুনাসিক হয়। যেমন- আত্মীয় [আত্‌তিঁয়ো], পদ্ম [পদ্‌দোঁ]।
- কিছু ক্ষেত্রে ম-ফলায় ম্-এর উচ্চারণ বজায় থাকে। যেমন-  যুগ্ম [জুগ্‌মো], জন্ম [জন্‌মো], গুল্ম [গুল্‌মো]।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

.
'ক্রিয়ার কাল' ব্যাকরণের কোন তত্ত্বের আলোচ্য বিষয়?
  1. ধ্বনিতত্ত্ব 
  2. রূপতত্ত্ব
  3. বাক্যতত্ত্ব 
  4. অর্থতত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
রূপতত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপতত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• রূপতত্ত্ব:
- এক বা একাধিক ধ্বনির অর্থবোধক সম্মিলনে শব্দ তৈরি হয়, শব্দের ক্ষুদ্রাংশকে বলা হয় রূপ। রূপ গঠন করে শব্দ। সেই জন্য শব্দতত্ত্বকে রূপতত্ত্ব বলা হয়। রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- এই আলোচনায় শব্দ, দ্বিরুক্ত শব্দ, বচন, সমাস, প্রত্যয়, উপসর্গ, অনুসর্গ, পদ- প্রকরণ, অনুজ্ঞা, ক্রিয়ার কাল, পুরষ, লিঙ্গ, বচন, ধাতু ইত্যাদি স্থান পায়। বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দগঠন প্রক্রিয়া।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।

.
'আটমেসে > আটাসে' কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. ব্যঞ্জন বিকৃতি
  2. অভিশ্রুতি
  3. ব্যঞ্জনচ্যুতি
  4. সম্প্রকর্ষ
সঠিক উত্তর:
সম্প্রকর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্প্রকর্ষ
ব্যাখ্যা

• সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ:
দ্রুত উচ্চারণের জন্য শব্দের আদি, অন্ত্য বা মধ্যবর্তী কোনো স্বরধ্বনির লোপকে বলা হয় সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ।
যেমন:
- আটমেসে > আটাসে,
- কুটুম্ব > কুটুম,
- জানালা > জান্‌লা ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
• ব্যঞ্জন বিকৃতি:
শব্দ-মধ্যে কোনো কোনো সময় কোনো ব্যঞ্জন পরিবর্তিত হয়ে নতুন ব্যঞ্জনধ্বনি ব্যবহৃত হয়। একে বলে ব্যঞ্জন বিকৃতি। যেমন- কবাট > কপাট, ধোবা > ধোপা, ধাইমা > দাইমা ইত্যাদি।

• ব্যঞ্জনচ্যুতি:
পাশাপাশি সমউচ্চারণের দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি থাকলে তার একটি লোপ পায়। এরূপ লোপকে বলা হয় ধ্বনিচ্যুতি বা ব্যঞ্জনচ্যুতি। যেমন- বউদিদি > বউদি, বড়দাদা > বড়দা ইত্যাদি।

• অভিশ্রুতি:
 বিপর্যস্ত স্বরধ্বনি পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সাথে মিলে গেলে এবং তদনুসারে পরবর্তী স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটলে তাকে বলে অভিশ্রুতি। যেমন- করিয়া থেকে অপিনিহিতির ফলে 'কইরিয়া' কিংবা বিপর্যয়ের ফলে 'কইরা' থেকে অভিশ্রুতিজাত 'করে'। এরূপ- হাটুয়া > হাউটা > হেটো, মাছুয়া > মেছো, শুনিয়া > শুনে, বলিয়া > বলে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
'মনস্তাপ' শব্দের শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. মনসঃ + তাপ
  2. মনঃ + তাপ
  3. মনস্‌ + তাপ
  4. মনোঃ + তাপ
সঠিক উত্তর:
মনঃ + তাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনঃ + তাপ
ব্যাখ্যা

• বিসর্গ সন্ধি:
পূর্বপদের শেষে বিসর্গ (০ঃ) থাকলে এবং পরপদের প্রথমে চ্ বাছ থাকলে বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে শ্, ট্ বা ঠ থাকলে ; ত থাকলে স্ হয় এবং পরবর্তী ব্যঞ্জনে তা যুক্ত হয়।
যেমন:
- চতুঃ + টয় = চতুষ্টয়,
- ধনুঃ + টঙ্কার = ধনুষ্টঙ্কার,
- নিঃ + ঠুর = নিষ্ঠুর,
- ইতঃ + তত = ইতস্তত,
- মনঃ + তাপ = মনস্তাপ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
ভাষা-পরিবার নয় কোনটি?
  1. অস্ট্রো-এশীয় 
  2. চীনা-তিব্বতীয়
  3. অস্ট্রো-হেমীয়
  4. দ্রাবিড়ীয়
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রো-হেমীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রো-হেমীয়
ব্যাখ্যা

•  ভাষা-পরিবার নয়- অস্ট্রো-হেমীয়। 

• বাংলা ভাষা:

- বাঙালি জনগোষ্ঠী যে ভাষা দিয়ে তাদের মনের ভাব প্রকাশ করে তার নাম বাংলা ভাষা। পৃথিবীর ভাষাগুলোকে ইন্দো-ইউরোপীয়, চীনা-তিব্বতীয়, আফ্রিকীয়, সেমীয়-হেমীয়, দ্রাবিড়ীয়, অস্ট্রো-এশীয় প্রভৃতি ভাষা-পরিবারে ভাগ করা হয়ে থাকে।

- বাংলা ভাষা 'ইন্দো-ইউরোপীয়' ভাষা-পরিবারের সদস্য। বাংলা ভাষার নিকটতম আত্মীয় 'অহমিয়া' ও 'ওড়িয়া'। ধ্রুপদি ভাষা 'সংস্কৃত' এবং 'পালির' সঙ্গে বাংলা ভাষার রয়েছে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।

- ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা-পরিবারের আদি ভাষা বহু বিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষায় পরিণত হয়েছে। এইবিবর্তনে যেসব গুরুত্বপূর্ণ স্তর  বাংলা ভাষাকে অতিক্রম করতে হয়েছে, সেগুলো হলো: ইন্দো-ইউরোপীয় - ইন্দো-ইরানীয় - ভারতীয় আর্য - প্রাকৃত - বাংলা। আনুমানিক এক হাজার বছর আগে পূর্ব ভারতীয় প্রাকৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে। বাংলা ভাষার লিখিত রূপের প্রাচীনতম নিদর্শন 'চর্যাপদ'।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০২১)।

.
অভিশ্রুতি ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. মানিয়া > মেনে
  2. সত্য > সইত্য
  3. করিয়া > করে
  4. মাছুয়া > মেছো
সঠিক উত্তর:
সত্য > সইত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্য > সইত্য
ব্যাখ্যা

• অভিশ্রুতি ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ নয়- সত্য > সইত্য। 

• অভিশ্রুতি:

অপিনিহিতির প্রভাবজাত ই কিংবা উ-ধ্বনি পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সঙ্গে মিলে শব্দের পরিবর্তন ঘটালে তাকে অভিশ্রুতি বলে।
বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষায় যেমন অপিনিহিতির প্রাচুর্য, পশ্চিমবঙ্গের আঞ্চলিক কথ্যভাষা ও মান্যচলিত ভাষায় তেমনি অনেক অভিশ্রুতি শব্দ লক্ষ করা যায়।
যেমন:
করিয়া থেকে অপিনিহিতির ফলে 'কইরিয়া' কিংবা বিপর্যয়ের ফলে 'কইরা' থেকে অভিশ্রুতিজাত 'করে'।

এরূপ-
- মানিয়া > মাইন্যা > মেনে;
- করিয়া > কইর‍্যা > করে;
- বাছিয়া > বাইছ্যা > বেছে;
- হাটুয়া > হাউটা > হেটো;
- মাছুয়া > মাউছ্যা > মেছো;
- আজি > আইজ > আজ ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
--------------------
•  অপিনিহিতি:
পরের ই-কার আগে উচ্চারিত হলে কিংবা যুক্ত ব্যঞ্জধব্বনির আগে ই-কার বা উ-কার উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে।
যেমন:
- চারি > চাইর,
- আজি > আইজ,
- সত্য > সইত্য,
- সাধু > সাউধ,
- রাখিয়া > রাইখ্যা,
- বাক্য > বাইক্য ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১০.
'বিদ্যালয়' শব্দের শুদ্ধ উচ্চারণ কোনটি?
  1. বিদ্‌দ্যলয়্‌
  2. বিদ্‌দ্যালয়্‌
  3. বিদ্‌দাআলয়্‌
  4. বিদ্‌দালয়্‌
সঠিক উত্তর:
বিদ্‌দালয়্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্‌দালয়্‌
ব্যাখ্যা

• বিদ্যালয় (বিশেষ্য পদ)
- শুদ্ধ উচ্চারণ- বিদ্‌দালয়্‌। 
- শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ- বিদ্যা + আলয়। 
অর্থ:
- যে গৃহে আনুষ্ঠানিক শিক্ষা প্রদান করা হয়,
- বিদ্যাশিক্ষার কেন্দ্র, শিক্ষালয়, শিক্ষাকেন্দ্র, সকুল।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

১১.
প্রথম বাংলা ব্যাকরণ কোন লিপিতে মুদ্রিত হয়?
  1. রোমান লিপিতে 
  2. ইংরেজি লিপিতে 
  3. তুর্কি লিপিতে 
  4. বাংলা লিপিতে 
সঠিক উত্তর:
রোমান লিপিতে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোমান লিপিতে 
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষার ব্যাকরণের ইতিবৃত্ত:
• প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন (পর্তুগিজ ভাষায়) মনোএল দা আসুসাম্পসাঁউ (ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা বেনগল্লা ই পোরতুগিজ)।পর্তুগিজ পাদ্রি মনোএল দা আসসুম্পসডি রচিত ও 'ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা বেনগল্পা ই পোরতুগিজ' গ্রন্থের ব্যাকরণ অংশই বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ, কিন্তু প্রথম ব্যাকরণগ্রন্থ নয়। এটি ১৭৩৪ খ্রিষ্টাব্দে রচিত, ১৭৪৩ খ্রিষ্টাব্দে পর্তুগালের রাজধানী লিসবন শহর থেকে রোমান লিপিতে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয়।

• প্রথম বাংলা ব্যাকরণগ্রন্থ রচনা করেন (মূলত ইংরেজী ভাষায়) নাথিনিয়েল ব্রাশি হ্যালহেড (এ গ্রামার অফ দি বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ)। এই গ্রন্থটি ১৭৭৬ খ্রিষ্টাব্দে প্রধানত ইংরেজি, অংশত বাংলায় রচিত এবং ১৭৭৮ খ্রিষ্টাব্দে হুগলি থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয়।

• এরপর উইলিয়ম কেরি ১৮০১ সালে, গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য ১৮১৬ সালে, কিথ সাহেব ১৮২০ সালে বাংলা ব্যাকরণ রচনার প্রয়াস পান। কিন্তু এই সবগুলোই ইংরেজি ভাষায় লেখা।

• বাঙালি রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ (বাংলায়) গৌড়ীয় ব্যাকরণ (রামমোহন রায়)। ১৮২৬ সালে রাজা রামমোহন রায় ইংরেজিতে বাংলা ব্যাকরণ লেখেন। এরপর তিনি ১৮৩৩ সালে স্কুল বুক সোসাইটির জন্য ওই গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদ করে নাম দেন 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ'। সে-বিচারে এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম (২০২২ সংস্করণ), বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১২.
'কারক বিশ্লেষণ' ব্যাকরণের কোন তত্ত্বের আলোচ্য বিষয়?
  1. শব্দতত্ত্বের
  2. অর্থতত্ত্বের
  3. বাক্যতত্ত্বের 
  4. ধ্বনিতত্ত্বের 
সঠিক উত্তর:
বাক্যতত্ত্বের 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাক্যতত্ত্বের 
ব্যাখ্যা

• বাক্যতত্ত্ব:
- বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করে।বাক্যের নির্মান ও গঠন বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কীভাবে বিন্যস্ত থাকে, বাক্যতত্ত্বে তা বর্ণনা করে। তাছাড়া এক ধরনের বাক্যকে অন্য ধরনের বাক্যে রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন প্রভৃতিও বাক্যতত্ত্বে আলোচনা করা হয়।

উৎস: বাংলা ভষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

১৩.
চলিত ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি
  1. সর্বনাম, ক্রিয়া ও অব্যয়পদের সংক্ষিপ্তরূপ ব্যবহৃত হয়।
  2. তদ্ভব শব্দের ব্যবহার কম। 
  3. এই ভাষারীতি পরিবর্তনশীল। 
  4. এটি সর্বজনবোধ্য মুখের ও লেখার ভাষা।
সঠিক উত্তর:
তদ্ভব শব্দের ব্যবহার কম। 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদ্ভব শব্দের ব্যবহার কম। 
ব্যাখ্যা

• চলিত ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য নয় - তদ্ভব শব্দের ব্যবহার কম। 

চলিত ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য:

১. চলিত ভাষারীতি সর্বজনবোধ্য মুখের ও লেখার ভাষা।
২. চলিত ভাষা সবসময় ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে না।
৩. চলিত ভাষায় পদবিন্যাস রীতি অনেক সময় পরিবর্তিত হয়।
৪. চলিত ভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার কম।
৫. চলিত ভাষা বক্তৃতা, ভাষণ ও নাটকের সংলাপের উপযোগী।
৬. চলিত ভাষায় সর্বনাম, ক্রিয়া ও অব্যয়পদের সংক্ষিপ্তরূপ ব্যবহৃত হয়।
৭. চলিত ভাষা চটুল, সরল ও সাবলীল।
৮. চলিত ভাষারীতি পরিবর্তনশীল, তাই জীবন্ত।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

১৪.
স্বভাবতই মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়েছে নিচের কোন শব্দে?
  1.  ষড়ঋতু
  2. ঋষি
  3. কৃষক
  4. উৎকৃষ্ট
সঠিক উত্তর:
 ষড়ঋতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ষড়ঋতু
ব্যাখ্যা

• ষ-ত্ব বিধান:
বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য-ষ ধ্বনির ব্যবহার নেই। তাই দেশি, তডব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ব লেখার প্রয়োজন হয় না। কেবল কিছু তৎসম শব্দে ষ-এর প্রয়োগ রয়েছে। তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ এর ব্যবহারের নিয়মকে ষ-ত্ব বিধান বলে।

"ষ" ব্যবহারের নিয়ম:
১. 'ঋ' এবং 'ঋ-কার' এর পর 'ষ' হয়। যেমন- ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট ইত্যাদি। 
২. ট-বগীয় ধ্বনির সাথে 'ষ' যুক্ত হয়। যেমন- কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ট, ওষ্ঠ ইত্যাদি। 
৩. অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের “স' “ষ' হয়। যেমন- ভবিষ্যৎ, মুমূর্ষু, চক্ষুন্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি।
৪. ই-কারাস্ত এবং উ-কারাস্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে 'ষ” হয়। যেমন- অভিসেক > অভিষেক, সুসুপ্ত > সুষুপ্ত, অনুসঙ্গ > অনুষঙ্গ, সুসমা > সুষমা ইত্যাদি।
৫. তৎসম শব্দে 'র'-এর পর “ষ' হয়। যেমন: বর্ষা, ঘর্ষণ, বর্ষণ।
৬. কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' ব্যবহৃত হয়। যেমন- ষড়ঋতু, রোষ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, উষা, পৌষ ইত্যাদি

যে সব ক্ষেত্রে ষ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়:
- আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দে স হয় না। যেমন- জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট ইত্যাদি।
- সংস্কৃত 'সাৎ' প্রত্যয়যুক্ত পদেও “ষ' হয় না। যেমন- অগশ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ ইত্যাদি

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৫.
নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি কোনটি?
  1. প্রত্যূষ
  2. অত্যূর্ধ্ব
  3. স্বৈর
  4. দ্রাবক
সঠিক উত্তর:
স্বৈর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বৈর
ব্যাখ্যা

• নিপাতনে সিদ্ধ বা নিয়ম-বহির্ভূত স্বরসন্ধি: 
সন্ধির প্রচলিত নিয়ম না মেনে যে সন্ধি হয় তাকে 'নিপাতনে সিদ্ধ' সন্ধি বলে।
যেমন:
- গো + অক্ষ = গবাক্ষ,
- স্ব + ঈর = স্বৈর,
- মার্ত + অন্ড = মার্তন্ড,
- কুল + অটা = কুলটা,
- পর + পর = পরস্পর,
- প্র + এষণ = প্রেষণ, 
- সার + অঙ্গ = সারঙ্গ, 
- শুদ্ধ + ওদন (অন্ন) = শুদ্ধোদন,
- রক্ত + ওষ্ঠ = রক্তোষ্ঠ,
- বিম্ব + ওষ্ঠ = বিম্বোষ্ঠ ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, 
স্বরসন্ধির নিয়ম সাধিত উপায়ে সন্ধি বিচ্ছেদ হলো- 
- প্রতি + ঊষ = প্রত্যূষ,  
- অতি + ঊর্ধ্ব = অত্যূর্ধ্ব,
- দ্রৌ + অক = দ্রাবক ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৬.
ব্রাহ্মী লিপির কোন শাখা দশম শতক নাগাদ কুটিল লিপি নামে পরিচিতি লাভ করে?
  1. পশ্চিম-ভারতীয়
  2. উত্তর-ভারতীয় 
  3. দক্ষিণ-ভারতীয়
  4. পূর্ব-ভারতীয়
সঠিক উত্তর:
পূর্ব-ভারতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব-ভারতীয়
ব্যাখ্যা

• বাংলা ভাষা:
- বাঙালি জনগোষ্ঠী যে ভাষা দিয়ে তাদের মনের ভাব প্রকাশ করে তার নাম বাংলা ভাষা। পৃথিবীর ভাষাগুলোকে ইন্দো-ইউরোপীয়, চীনা-তিব্বতীয়, আফ্রিকীয়, সেমীয়-হেমীয়, দ্রাবিড়ীয়, অস্ট্রো-এশীয় প্রভৃতি ভাষা-পরিবারে ভাগ করা হয়ে থাকে।

- বাংলা ভাষা 'ইন্দো-ইউরোপীয়' ভাষা-পরিবারের সদস্য। বাংলা ভাষার নিকটতম আত্মীয় 'অহমিয়া' ও 'ওড়িয়া'। ধ্রুপদি ভাষা 'সংস্কৃত' এবং 'পালির' সঙ্গে বাংলা ভাষার রয়েছে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।

- ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা-পরিবারের আদি ভাষা বহু বিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষায় পরিণত হয়েছে। এইবিবর্তনে যেসব গুরুত্বপূর্ণ স্তর  বাংলা ভাষাকে অতিক্রম করতে হয়েছে, সেগুলো হলো: ইন্দো-ইউরোপীয় - ইন্দো-ইরানীয় - ভারতীয় আর্য - প্রাকৃত - বাংলা। আনুমানিক এক হাজার বছর আগে পূর্ব ভারতীয় প্রাকৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে। বাংলা ভাষার লিখিত রূপের প্রাচীনতম নিদর্শন 'চর্যাপদ'।

- বাংলা ভাষার নিজস্ব লিপি রয়েছে। এই লিপির নাম বাংলা লিপি । বাংলা লিপিতে মূল বর্ণের সংখ্যা ৫০টি -
স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।

- প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে উপমহাদেশে ব্রাহ্মী লিপির জন্ম হয়৷ ব্রাহ্মী লিপির পূর্ব-ভারতীয় শাখা দশম শতক নাগাদ কুটিল লিপি নামে পরিচিতি লাভ করে। বাংলা লিপি এই কুটিল লিপির বিবর্তিত রূপ। অহমিয়া, বোড়ো, মণিপুরি প্রভৃতি ভাষাও বাংলা লিপিতে লেখা হয়। সংস্কৃত এবং মৈথিলি ভাষা লিখতে এক সময়ে অন্য লিপির পাশাপাশি বাংলা লিপিও ব্যবহৃত হতো। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০২১)।

১৭.
নিচের কোনটি সাধু ভাষার শব্দ?
  1. জুতো
  2. তুলো
  3. বন্য
  4. শুকনো
সঠিক উত্তর:
বন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্য
ব্যাখ্যা

সাধু ও চলিত রীতির কিছু শব্দের পার্থক্য নিচে দেখানো হলো-
সাধু - চলিত:
অগ্নি- আগুন,
মস্তক - মাথা,
জুতা - জুতো,
তুলা - তুলো,
শুষ্ক/শুকনা - শুকনো,
বন্য - বুনো,
কর্ণ - কান,
চন্দ্র - চাঁদ,
দন্ত - দাঁত,
পক্ষী - পাখি,
ব্যাঘ্র - বাঘ,
মৎস্য - মাছ,
হস্তী - হাতি, 
তাঁহারা/উঁহারা - তাঁরা/ওঁরা,
তাহাকে/উহাকে - তাকে/ওকে,
তাহার/তাঁহার - তার/তাঁর,
করিবার - করবার/করার,
পাইয়াছিলেন - পেয়েছিলেন। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

১৮.
নিচের কোনটি চলিত ভাষার শব্দ?
  1. তথাপি
  2. নইলে
  3. অদ্যাপি
  4. নতুবা
সঠিক উত্তর:
নইলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নইলে
ব্যাখ্যা

• চলিত ভাষার শব্দ- নইলে। 

• সাধু ও চলিত রীতির কিছু শব্দের পার্থক্য নিচে দেখানো হলো-
সাধু - চলিত:
অদ্য - আজ,
অদ্যাপি - আজও,
কদাচ - কখনো,
তথাপি - তবুও,
নচেৎ - নইলে,
নতুবা - নইলে,
যদ্যপি - যদিও। 

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

১৯.
'সর্বংসহা' শব্দের শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. সর্বঙ্গ + সহা
  2. সর্ব + সহা
  3. সর্বম্ + সহা
  4. সর্বং + সহা
সঠিক উত্তর:
সর্বম্ + সহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বম্ + সহা
ব্যাখ্যা

ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম: 
আগে ম্ এবং পরে অন্তঃস্থ ব্যঞ্জন (য/র/ল/ব) বা উষ্মধ্বনি (শ/স/হ) থাকলে সন্ধিতে ম্ স্থানে অনুষার ( ং) হয়।
যেমন:
- সম্ + যত = সংযত,
- সম্ + যুক্ত = সংযুক্ত, 
- সম্ + রাগ = সংরাগ,
- সম্‌ + রক্ষণ = সংরক্ষণ, 
- সর্বম্ + সহা = সর্বংসহা, 
- সম্ + লাপ = সংলাপ,
- সম্ + শোধন = সংশোধন
- সম্ + লগ্ন = সংলগ্ন।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২০.
'চক্র > চক্ক' কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. প্রগত সমীভবন
  2. ব্যঞ্জনদ্বিত্ব
  3. পরাগত সমীভবন
  4. বিষমীভবন
সঠিক উত্তর:
প্রগত সমীভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রগত সমীভবন
ব্যাখ্যা

• সমীভবন (Assimilation):
শব্দমধ্যস্থ দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে অল্প-বিস্তর সমতা লাভ করে। এ ব্যাপারকে বলা হয় সমীভবন। যেমন- জন্ম জন্ম, কাঁদনা কান্না ইত্যাদি।

প্রগত সমীভবন:
পূর্ব ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী ধ্বনির পরিবর্তন ঘটে। অর্থাৎ পরবর্তী ধ্বনি পূর্ববর্তী ধ্বনির মতো হয়, একে বলে প্রগত সমীভবন।
যেমন:
চক্র > চক্ক,
পক্ব > পক্ক,
পদ্ম > পদ্দ,
লগ্ন > লগ্গ ইত্যাদি।

পরাগত সমীভবন:
পরবর্তী ধ্বনির প্রভাবে পূর্ববর্তী ধ্বনির পরিবর্তন হয়, একে বলে পরাগত সমীভবন।
যেমন:
তৎ + জন্য = তজ্জন্য,
তৎ + হিত = তদ্ধিত,
উৎ + মুখ = উন্মুখ ইত্যাদি।

অন্যোন্য সমীভবন:
যখন পরস্পরের প্রভাবে দুটো ধ্বনিই পরিবর্তিত হয় তখন তাকে বলে অন্যোন্য সমীভবন।
যেমন:
- সত্য > সচ্চ,
- বিদ্যা > বিজ্জা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

২১.
যুক্তবর্ণের কোন গঠনটি অশুদ্ধ?
  1. ঞ্‌ + চ = ঞ্চ
  2. ঞ্‌ + ষ = ষ্ণ
  3. ঞ্‌ + জ = ঞ্জ
  4. ঞ্  + ছ = ঞ্ছ
সঠিক উত্তর:
ঞ্‌ + ষ = ষ্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঞ্‌ + ষ = ষ্ণ
ব্যাখ্যা

• যুক্তবর্ণের অশুদ্ধ গঠন-  ঞ্‌ + ষ = ষ্ণ। 
- শুদ্ধ গঠন- ষ্‌ + ণ = ষ্ণ। 

গুরুত্বপূর্ণ কিছু যুক্তবর্ণ:
- ক্ + ট = ক্ট, 
- জ্ + জ = জ্জ,
- ঞ্‌ + চ = ঞ্চ,
- ষ্‌ + ণ = ষ্ণ,
- হ্ + ন = হ্ন,
- ঞ + জ = ঞ্জ, 
- জ + ঞ = জ্ঞ। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২২.
নিচের কোনটি পশ্চাৎ স্বরধ্বনি? 
  1. অ্যা
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

সম্মুখ স্বরধ্বনি:
• সম্মুখ স্বরধ্বনির উচ্চারণের সময় জিভ সামনের দিকে উঁচু বা নিচু হয়।
যেমন:
- [ই], [এ], [অ্যা] সম্মুখ স্বরধ্বনির উদাহরণ।

• মধ্য স্বরধ্বনি: মধ্য স্বরধ্বনি হচ্ছে [আ]।

• পশ্চাৎ স্বরধ্বনি:
- পশ্চাৎ স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিভ পিছনের দিকে উঁচু বা নিচু হয়।
- [অ], [ও], [উ] ইত্যাদি পশ্চাৎ স্বরধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

২৩.
"ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত" উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে 'ষ” হয়' এই নিয়ম অনুসারে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1.  মুমূর্ষু
  2. চক্ষুন্মান
  3. ধূলিসাৎ
  4.  অনুষঙ্গ
সঠিক উত্তর:
 অনুষঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 অনুষঙ্গ
ব্যাখ্যা

• ষ-ত্ব বিধান:
বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য-ষ ধ্বনির ব্যবহার নেই। তাই দেশি, তডব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ব লেখার প্রয়োজন হয় না। কেবল কিছু তৎসম শব্দে ষ-এর প্রয়োগ রয়েছে। তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ এর ব্যবহারের নিয়মকে ষ-ত্ব বিধান বলে।

"ষ" ব্যবহারের নিয়ম:
১. 'ঋ' এবং 'ঋ-কার' এর পর 'ষ' হয়। যেমন- ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট ইত্যাদি। 
২. ট-বগীয় ধ্বনির সাথে 'ষ' যুক্ত হয়। যেমন- কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ট, ওষ্ঠ ইত্যাদি। 
৩. অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের “স' “ষ' হয়। যেমন- ভবিষ্যৎ, মুমূর্ষু, চক্ষুন্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি।
৪. ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে 'ষ” হয়। যেমন- অভিসেক > অভিষেক, সুসুপ্ত > সুষুপ্ত, অনুসঙ্গ > অনুষঙ্গ, সুসমা > সুষমা ইত্যাদি।
৫. তৎসম শব্দে 'র'-এর পর “ষ' হয়। যেমন: বর্ষা, ঘর্ষণ, বর্ষণ।
৬. কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' ব্যবহৃত হয়। যেমন- ষড়ঋতু, রোষ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, উষা, পৌষ ইত্যাদি

যে সব ক্ষেত্রে ষ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়:
- আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দে স হয় না। যেমন- জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট ইত্যাদি।
- সংস্কৃত 'সাৎ' প্রত্যয়যুক্ত পদেও “ষ' হয় না। যেমন- অগশ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ ইত্যাদি

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২৪.
অর্থতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. যতিচিহ্ন
  2. উক্তি
  3. শব্দজোড়
  4.  বাচ্য
সঠিক উত্তর:
শব্দজোড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দজোড়
ব্যাখ্যা

বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়কে ৪টি ভাগে ভাগ করা হয়:
- ধ্বনিতত্ত্ব,
- রূপতত্ত্ব,
- বাক্যতত্ত্ব,
- অর্থতত্ত্ব।

• ধ্বনিতত্ত্ব: 
ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় ধ্বনি। লিখিত ভাষায় ধ্বনি যেহেতু বর্ণ দিয়ে প্রকাশ করা হয় তাই বর্ণমালা সংক্রান্ত আলোচনা এর অন্তর্ভুক্ত।
ধ্বনিতত্ত্বের মূল আলোচ্য বাগ্যন্ত্র, বাগ্যন্ত্রের উচ্চারণ-প্রক্রিয়া, ধ্বনির বিন্যাস, স্বর ও ব্যঞ্জনধ্বনির বৈশিষ্ট্য, ধ্বনিদল প্রভৃতি।

• রূপতত্ত্ব:
শব্দ ও পদনির্মানের বিভিন্ন দিক ব্যাকরণের এই অংশে আলোচিত হয়।
যেমন- বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, ক্রিয়া, ক্রিয়া বিশেষণ ইত্যাদি।

• বাক্যতত্ত্ব:
বাক্যের নির্মান ও গঠন এই অংশের আলোচ্য বিষয়। বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কীভাবে বিন্যস্ত থাকে, বাক্যতত্ত্ব তা বর্ণনা করে।
তাছাড়া এক ধরনের বাক্যকে অন্য ধরনের বাক্যে রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি বাতক্যত্বের আকোচ্য বিষয়। কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন প্রভৃতি বাক্যতত্ত্বে আলোচনা করা হয়।

• অর্থতত্ত্ব:
ব্যকরণের এই অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়। একে বাগর্থও বলে। বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, শব্দজোড়, বাগধারা প্রভৃতি এর আলোচ্য বিষয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

২৫.
'চক্ষুরোগ' কোন ধরনের সন্ধি সাধিত শব্দ?
  1. ব্যঞ্জন সন্ধি
  2. বিসর্গ সন্ধি
  3. স্বরসন্ধি
  4. নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি
সঠিক উত্তর:
বিসর্গ সন্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিসর্গ সন্ধি
ব্যাখ্যা

• বিসর্গ সন্ধির নিয়ম:
পূর্বপদের শেষে বিসর্গযুক্ত ই/উ-ধ্বনি থাকলে এবং পরপদের প্রথমে র থাকলে সন্ধিতে বিসর্গ লোপ পায় এবং ই বা উ-ধ্বনি দীর্ঘতা পেয়ে দীর্ঘ-ঈ বা দীর্ঘ-উ-তে রূপান্তরিত হয়।
যেমন:
- নিঃ + রব = নীরব,
- নিঃ + রস = নীরস,
- নিঃ + রোগ = নীরোগ,
- নিঃ + রন্দ্র = নীরন্দ্র, 
- চক্ষুঃ + রোগ = চক্ষুরোগ ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৬.
নিচের কোনটি তালব্য ব্যঞ্জন?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

• তালব্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভে ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য ব্যঞ্জন বলে।
- চাচা, ছাগল, জাল, ঝড়, শসা প্রভৃতি শব্দের চ, ছ, জ, ঝ, শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে:
- 'ম' ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন।
- 'ন' দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন।
- 'দ' দন্ত্য ব্যঞ্জন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

২৭.
স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ হয়েছে নিচের কোন শব্দে? 
  1. ব্রাহ্মণ
  2. বাণিজ্য
  3. লক্ষণ
  4. কৃপণ
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য
ব্যাখ্যা

• 'ণ' ব্যবহারের নিয়ম:
১. ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে সব সময় মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়। যেমন- ঘণ্টা, লুণ্ঠন, কাণ্ড ইত্যাদি।
২. ঋ, র, ষ এর পরে মূর্ধন্য 'ণ' হয়। যেমন- ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ব্যাকরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি।
৩. ঋ, র, ষ-এর পরে স্বরধ্বনি, য য় বহং এবং ক-বর্গীয় ও প-বর্গীয় ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী ন মূর্ধন্য 'ণ' হয়। যেমন- কৃপণ (ঋ-কারের পরে প্, তার পরে ণ), হরিণ (র-এর পরে ই, তার পরে ণ, অর্পণ (র্ + প + অ+), লক্ষণ (ক্+অ+ ণ)। এরূপ রুক্মিণী, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি।

৪. কতকগুলো শব্দে স্বভাবতই ণ হয়। যথা: চাণক্য, মাণিক্য, গণ, বাণিজ্য, লবণ, মণ, বেণু, বীণা, কঙ্কণ, কণিকা, কল্যাণ,  শোণিত,  মণি, স্থাণু, গুণ, পুণ্য, বেণী। 

যেসকল ক্ষেত্রে ণ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়:
১. সমাসবদ্ধ শব্দে সাধারণত ণ-ত্ব বিধান খাটে না। এরূপ ক্ষেত্রে 'ন' হয়। যেমন- ত্রিনয়ন, সর্বনাম, দুর্নীতি, দুর্নাম, দুর্নিবার, পরনিন্দা, অগ্রনায়ক ইত্যাদি।
২. ত-বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে যুক্ত 'ন' কখনো (ণ) হয় না। যেমন- অন্ত, গ্রন্থ ইত্যাদি।
৩. বাংলা (দেশি), তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে 'ণ' লেখার প্রয়োজন হয় না। যেমন: হিন্দি শব্দ- ঠান্ডা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২৮.
'ব্যাকরণ কৌমুদী' ব্যাকরণ গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
  2. রামমোহন রায়
  3. ড. মুহম্মদ এনামুল হক
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 
ব্যাখ্যা

• ব্যাকরণ কৌমুদী:
- 'ব্যাকরণ কৌমুদী' ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থ।
- তিনি মোট চারটি খণ্ডে গ্রন্থটি রচনা করেন।
- প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৮৫৩ সালে, তৃতীয় খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৮৫৪ সালে এবং চতুর্থ খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৮৬২ সালে।
- 'ব্যাকরণ কৌমুদী' গ্রন্থটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিখ্যাত বৈয়াকরণিক পাণিনির অষ্টাধ্যায়ী নামক সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে অনুবাদ করেন।

আরো উল্লেখযোগ্য কিছু ব্যাকরণ গ্রন্থ রচয়িতা:
• 'ব্যাকরণ মঞ্জুরী' এর লেখক ড. মুহম্মদ এনামুল হক।
• বাঙালি রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ (বাংলায়) 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' এর লেখক রামমোহন রায়। 
• 'বাঙ্গালা ব্যাকরণ' এর রচয়িতা-ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
• "ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ" গ্রন্থের রচয়িতা ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।
• ১৯০০ সালে হৃষিকেশ শাস্ত্রী রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থ: 'বাঙ্গালা ব্যাকরণ'।
• ড. সুকুমার সেন 'ভাষার ইতিবৃত্ত' (১৯৩৯)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২৯.
কোন দুইজন জাতিসংঘ মহাসচিব নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন?
  1. বান কি-মুন ও ট্রিগভে লি
  2. আন্তোনিও গুতেরেস ও জাভিয়ের পেরেজ
  3. কফি আনান ও দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
  4. বান কি-মুন ও কফি আনান
সঠিক উত্তর:
কফি আনান ও দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কফি আনান ও দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ ও নোবেল পুরস্কার:
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর থেকে জাতিসংঘ ও এর সাথে সম্পর্কিত ব্যাক্তিবর্গ মোট ১২ বার নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- জাতিসংঘের ২ জন মহাসচিব কফি আনান ও দ্যাগ হ্যামারশোল্ড নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
- জাতিসংঘ মহাসচিব থাকাকালীন কঙ্গো সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও জাতিসংঘকে একটি কার্যকরী বৈশ্বিক লাভ করে।
- ১৯৬১ সালে দ্যাগ হ্যামারশোল্ড (মরণোত্তর) নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা ও উন্নত শান্তিপূর্ণ বিশ্ব নিশ্চিৎকরণে অবদান রাখার জন্য জাতিসংঘ ও কফি আনান ২০০১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩০.
জাতিসংঘ দিবস পালিত হয় -
  1. ১২ অক্টোবর
  2. ১৭ অক্টোবর
  3. ২৪ অক্টোবর
  4. ২৮ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
২৪ অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ অক্টোবর
ব্যাখ্যা

⇒ জাতিসংঘ দিবস পালিত হয় ২৪ অক্টোবর।

জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা:
- ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত ক্যালিফোর্নিয়ার সান ফ্রান্সিসকোতে ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা একত্রিত হন।
- এই সম্মেলনে জাতিসংঘ সনদের খসড়া তৈরি করা হয় যা একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা, জাতিসংঘ তৈরি করে।
- আশা করা হয়েছিল যে, জাতিসংঘ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো আরেকটি বিশ্বযুদ্ধ প্রতিরোধ করবে।
- জাতিসংঘ সনদ ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘ সনদ ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর কার্যকর হয়।
- জাতিসংঘ দিবস ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ সনদের কার্যকর হওয়ার বার্ষিকী উপলক্ষে ২৪ অক্টোবর পালিত হয়।
- ২৬ জুন ২০২৫ জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরের ৮০তম বার্ষিকী।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৩১.
জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা নয় কোনটি?
  1. চীনা
  2. রুশ
  3. স্প্যানিশ
  4. আরবি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

⇒ অপশনে উল্লিখিত সবগুলোই জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা।
প্রশ্ন অনুসারে অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে। 


জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- দাপ্তরিক ভাষা: ৬টি।
- এগুলো হচ্ছে ইংরেজি, চীনা, স্প্যানিশ, ফরাসি, রুশ ও আরবি।
- বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- তিনি পর্তুগালের নাগরিক।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি। (ডিসেম্বর, ২০২৫)

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৩২.
বিশ্ব ব্যাংক কোন সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়?
  1. জেনেভা সম্মেলন
  2. পটসডাম সম্মেলন
  3. ব্রেটনউডস সম্মেলন
  4. ইয়াল্টা সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
ব্রেটনউডস সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রেটনউডস সম্মেলন
ব্যাখ্যা

বিশ্ব ব্যাংক:
- বিশ্বের বৃহত্তম উন্নয়ন ব্যাংক হলো বিশ্ব ব্যাংক।
- এটি ১৯৪৪ সালে অনুষ্ঠিত ব্রেটনউডস সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- কার্যক্রম শুরু করে: ১৯৪৬ সাল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৯টি। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে এর সদস্য পদ লাভ করে।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: আজয় বাঙ্গা। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে বিশ্ব ব্যাংক।
- বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপ ৫টি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত। এগুলো হলো:
• IBRD.
• IDA.
• IFC.
• ICSID.
• MIGA.

তথ্যসূত্র - বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।

৩৩.
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা কয়টি?
  1. ০৫টি
  2. ১০টি
  3. ১১টি
  4. ২০টি
সঠিক উত্তর:
০৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০৫টি
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ:
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- এর বর্তমান সদস্য ১৯৩টি। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।
- ২০১১ সালের ১৪ জুলাই, ১৯৩তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ০৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৩৪.
জাতিসংঘ সনদের প্রধান রচয়িতা কে ছিলেন?
  1. উড্রো উইলসন
  2. ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট
  3. আর্চিবাল্ড ম্যাকলিশ
  4. হেনরি কিসিঞ্জার
সঠিক উত্তর:
আর্চিবাল্ড ম্যাকলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্চিবাল্ড ম্যাকলিশ
ব্যাখ্যা

⇒ সনদটির মূল রচয়িতা ছিলেন আর্চিবাল্ড ম্যাকলিশ

জাতিসংঘ সনদ:
- জাতিসংঘ সনদ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা, মানবাধিকার রক্ষা এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক সহযোগিতা উন্নীত করার জন্য প্রণীত একটি মৌলিক দলিল।
- এতে মোট ১১১টি অনুচ্ছেদ রয়েছে,
- জাতিসংঘ সনদের ১০৮ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সনদ সংশোধন করা যেতে পারে।
- প্রথমে সাধারণ পরিষদে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে সংশোধনী গৃহীত হতে হবে,
- এরপর নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যসহ জাতিসংঘের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য রাষ্ট্র সংশোধনী অনুমোদন করলে তা কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৩৫.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম অধিবেশনে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ২৯ তম
  2. ৩২ তম
  3. ৩৬ তম
  4. ৪১ তম
সঠিক উত্তর:
২৯ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ তম
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩৬.
বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ওয়াশিংটন ডি. সি
  2. নিউ ইয়র্ক
  3. প্যারিস
  4. ভিয়েনা
সঠিক উত্তর:
ওয়াশিংটন ডি. সি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াশিংটন ডি. সি
ব্যাখ্যা

বিশ্বব্যাংক:
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৪৪ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে জুন, ১৯৪৬ সালে।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- এর উদ্দেশ্য মধ্য আয়ের দেশ গুলোকে ঋণ প্রদান ও উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করে।
- বিশ্বব্যাংক World Development Report (বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন) প্রকাশ করে।
- বিশ্বব্যাংক প্রতি বছর মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে বিশ্বের প্রতিটি দেশের একটি তুলনামূলক প্রতিবেদনসহ বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- এটি ১৯৭৮ সাল থেকে বার্ষিক প্রকাশিত হয়।

তথ্যসূত্র - World Bank ওয়েবসাইট।

৩৭.
বাংলাদেশের প্রথম অংশগ্রহণ করা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের নাম কী?
  1. UNAMID
  2. UNIFIL
  3. MONUSCO
  4. UNIIMOG
সঠিক উত্তর:
UNIIMOG
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNIIMOG
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ও বাংলাদেশ:
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে প্রথম অংশ নেয়। 
- প্রথম অংশগ্রহণ করা মিশনটির নাম ছিলো - UNIIMOG.
- ১৯৮৮ সালের ইউএন ইরান ও ইরাক মিলিটারি অবজারভেশন গ্রুপ (ইউনিমগ) মিশনে মাত্র ১৫ জন সেনা পর্যবেক্ষক প্রেরণের মাধ্যমে এ অগ্রযাত্রার সূচনা হয়।
- পরবর্তী বছর অর্থ্যাৎ ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ পুলিশ শান্তি রক্ষা মিশনে অংশ নেয়। বাংলাদেশ বর্তমানে শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসাবে ৯টি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করছে। 
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের ভূমিকাকে সম্মান দেখিয়ে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সিয়েরা লিওন বাংলাকে একটি সরকারী ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ আর্মড ফোর্স ডিভিশন ওয়েবসাইট ও UN Peacekeeping এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩৮.
অজয় বাঙ্গা বিশ্ব ব্যাংকের কততম প্রেসিডেন্ট?
  1. ১১ তম
  2. ১২ তম
  3. ১৩ তম
  4. ১৪ তম
সঠিক উত্তর:
১৪ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ তম
ব্যাখ্যা

বিশ্ব ব্যাংক:
- ঐতিহ্যগতভাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়।
- বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্টের মেয়াদ: ৫ বছর।
- প্রথম প্রেসিডেন্ট: ইউজিন মেয়ার।
- বর্তমানে প্রেসিডেন্ট: অজয় বাঙ্গা। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- তিনি বিশ্বব্যাংকের ১৪ তম প্রেসিডেন্ট।
- ২০২৩ সালের ২ জুন তিনি বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

তথ্যসূত্র - বিশ্ব ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৩৯.
জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা কয়টি?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৯টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা:
- জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি। এগুলো হলো:
• সাধারণ পরিষদ
• নিরাপত্তা পরিষদ
• অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন
• আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত
• অছি পরিষদ ও
• জাতিসংঘ সচিবালয়।

- এদের মধ্যে নিরাপত্তা পরিষদকে সবচেয়ে প্রভাবশালী অঙ্গসংস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার দায়িত্ব এই পরিষদের উপর ন্যস্ত।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫টি। এর মধ্যে পাঁচটি হলো স্থায়ী সদস্য এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য।
- পাঁচটি স্থায়ী সদস্যের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। ভেটো অর্থ আমি ইহা মানি না।
- ভেটো ক্ষমতার জন্যে নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত যেকোন প্রস্তাব পাশের জন্যে এই পাঁচটি দেশের প্রত্যেকটির সম্মতির প্রয়োজন হয়।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে সর্বাধিক ভেটো প্রদানকারী দেশ রাশিয়া।
- নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যগুলো দুই বছরের জন্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নির্বাচিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৪০.
ব্রেটন উডস কনফারেন্সে কতটি দেশের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন?
  1. ৩৯টি
  2. ৪১টি
  3. ৪৪টি
  4. ৪৭টি
সঠিক উত্তর:
৪৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪টি
ব্যাখ্যা

ব্রেটন উডস কনফারেন্স:
- এটি United Nations Monetary and Financial Conference নামে পরিচিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ১৯৪৪ সালে জার্মানি ও জাপানের প্রত্যাশিত পরাজয়ের পর যুদ্ধোত্তর সময়ে যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশ সমূহের পুনর্গঠন ও আর্থিক সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক বানিজ্যের রূপরেখা নির্ধারণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বের ৪৪টি দেশের নেতারা এক সম্মেলনে অংশ নেন।
- এই সম্মেলনকে ব্রেটন উডস কনফারেন্স (Bretton Woods Conference) বলা হয়।
- এই সম্মেলনের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তা হ্যারি ডেক্সটার হোয়াইট (Harry Dexter White) এবং ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ জন মেনার্ড কেইনস (John Maynard Keynes)।
- ব্রেটন উডস সম্মেলনেই বিশ্বব্যাংক (IBRD) ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) গঠিত হয়।
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বাধা দূরীকরণ, নীতি নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি সংগঠন গড়ে তোলার সুপারিশ করা হয়।

তথ্যসূত্র - World Bank Group ও যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের ওয়েবসাইট।

৪১.
জাতিপুঞ্জ গঠনের প্রস্তাবক কে ছিলেন?
  1. উইনস্টন চার্চিল
  2. ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট
  3. উড্রো উইলসন
  4. জোসেফ স্টালিন
সঠিক উত্তর:
উড্রো উইলসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উড্রো উইলসন
ব্যাখ্যা

জাতিপুঞ্জ:
- জাতিপুঞ্জের আত্মপ্রকাশ-প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জাতিপুঞ্জের (League of Nations) আত্মপ্রকাশ।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাই চুক্তির একটি অংশ হিসেবে স্বাক্ষরিত হয় জাতিপুঞ্জের চুক্তিপত্র।
- জাতিপুঞ্জ ১৯২০ সালে আত্মপ্রকাশ করে।
- জাতিপুঞ্জ গঠনের প্রস্তাবক ছিলেন- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য- ৪১টি।
- সদর দপ্তর- জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- জাতিপুঞ্জ বিলুপ্ত হয় ২০ এপ্রিল, ১৯৪৬।

তথ্যসূত্র - United Nations ওয়েবসাইট।

৪২.
IBRD-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. International Bank for Reconstruction and Development
  2. International Bank for Recovery and Development
  3. International Bureau for Reconstruction and Development
  4. International Bank for Research and Development
সঠিক উত্তর:
International Bank for Reconstruction and Development
উত্তর
সঠিক উত্তর:
International Bank for Reconstruction and Development
ব্যাখ্যা

IBRD:
- IBRD এর পূর্ণরূপ International Bank for Reconstruction and Development.
- এটি হল একটি বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন সমবায় যা ১৮৯টি সদস্য দেশের মালিকানাধীন।
- বিশ্বের বৃহত্তম উন্নয়ন ব্যাংক হিসাবে, এটি মধ্য-আয়ের এবং ঋণযোগ্য নিম্ন-আয়ের দেশগুলিকে ঋণ, গ্যারান্টি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা পণ্য এবং উপদেষ্টা পরিষেবা প্রদান করে।
- আঞ্চলিক এবং বিশ্বব্যাপী প্রতিক্রিয়া সমন্বয় করে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের লক্ষ্যকে সমর্থন করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে ইউরোপকে পুনর্গঠনে সহায়তা করার জন্য ১৯৪৪ সালে তৈরি, IBRD বিশ্বব্যাংক গঠনের জন্য সবচেয়ে দরিদ্র দেশগুলির জন্য আমাদের তহবিল IDA-এর সাথে যোগ দেয়।
- সংস্থাটি উন্নয়নশীল দেশগুলির সরকারী ও বেসরকারী খাতের সাথে দারিদ্র্য হ্রাস এবং ভাগ করা সমৃদ্ধি গড়ে তোলার জন্য ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে।

তথ্যসূত্র - বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।

৪৩.
জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর না করেও প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে অর্ন্তভুক্ত হয় কোন দেশ?
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. সুইডেন
  3. স্পেন
  4. পোল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
পোল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ:
- জাতিসংঘ নামকরণ করেন রুজভেল্ট।
- জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয় ২৬ জুন, ১৯৪৫ সালে (সানফ্রানসিস্কো শহরে)।
- জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয় ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৫১টি।
- জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর না করেও প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে অর্ন্তভুক্ত হয় পোল্যান্ড (৫১ তম দেশ)।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।

৪৪.
IDA এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত? (ডিসেম্বর, ২০২৫)
  1. ১৭৩টি
  2. ১৭৫টি
  3. ১৭৯টি
  4. ১৮২টি
সঠিক উত্তর:
১৭৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৫টি
ব্যাখ্যা

IDA:
- IDA এর পূর্ণরূপ International Development Association.
- তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোকে সহজ শর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করে থাকে।
- যার কারণে IDA কে 'Soft Loan Window' বলা হয়।
- যেসব দেশ IBRD থেকে ঋণ পায় না, সেসব দেশকে IDA ঋণ প্রদান করে থাকে।
- IDA বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৬০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৫টি। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IDA এর সদস্যপদ লাভ করে।

তথ্যসূত্র - IDA অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪৫.
জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ECOSOC) এর অধীন কয়টি আঞ্চলিক কমিশন রয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ:
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ECOSOC) এর অধীন ৫টি আঞ্চলিক কমিশন রয়েছে।

⇒ এগুলো হলো:
- এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ESCAP),
- পশ্চিম এশীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ESCWA),
- ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অর্থনৈতিক কমিশন (ECLAC),
- ইউরোপিয়ান অর্থনৈতিক কমিশন (ECE),
- আফ্রিকান অর্থনৈতিক কমিশন (ECA).

তথ্যসূত্র - UN ওয়েবসাইট।

৪৬.
IFC-এর বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে? (ডিসেম্বর, ২০২৫)
  1. ডেভিড মালপাস
  2. ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা
  3. ফিলিপে লে হুলু
  4. মাখতার ডিওপ
সঠিক উত্তর:
মাখতার ডিওপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাখতার ডিওপ
ব্যাখ্যা

IFC:
- IFC বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- IFC এর পূর্ণরূপ International Finance Corporation.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৫৬ সালে।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৬টি। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- প্রধান কার্যালয়: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাখতার ডিওপ। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- এটি প্রধানত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বেসরকারি বা ব্যক্তিমালিকানা খাতের উন্নয়নে কাজ করে।

তথ্যসূত্র - IFC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪৭.
ESCAP এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Economic and Social Committee for Asia and Pacific
  2. Economic and Social Council for Asia and Pacific
  3. Economic and Social Cooperation for Asia and Pacific
  4. Economic and Social Commission for Asia and the Pacific
সঠিক উত্তর:
Economic and Social Commission for Asia and the Pacific
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Economic and Social Commission for Asia and the Pacific
ব্যাখ্যা

ESCAP:
- জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করতে স্বাক্ষরিত হয়।
- কাগজবিহীন বাণিজ্য সহজীকরণ কাঠামো চুক্তি।
- ESCAP এর পূর্ণরূপ- Economic and Social Commission for Asia and the Pacific.
- এশিয়া প্যাসিফিক আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ESCAP) সহায়তায় ২০১৬ সালে এই চুক্তি গ্রহণ করা হয়।
- সদর দপ্তর: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- ESCAP-ভুক্ত ৫৩টি সদস্য দেশ এ চুক্তিতে অংশ নিতে পারবে।

তথ্যসূত্র - ESCAP অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪৮.
বৈদেশিক বিনিয়োগে মধ্যস্থতা এবং গ্যারান্টি প্রদানের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা করে -
  1. IDA
  2. IFC
  3. ICSID
  4. MIGA
সঠিক উত্তর:
MIGA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MIGA
ব্যাখ্যা

MIGA:
- MIGA (Multilateral Investment Guarantee Agency) বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৮৮ সালের ১২ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ MIGA এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।
- এটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৮২টি। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- MIGA বৈদেশিক বিনিয়োগে মধ্যস্থতা এবং গ্যারান্টি প্রদানের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা করে থাকে।

তথ্যসূত্র - বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ওয়েবসাইট।

৪৯.
ESCWA কোন অঞ্চলের দেশগুলির জন্য কাজ করে?
  1. পশ্চিম এশিয়া
  2. ইউরোপ
  3. লাতিন আমেরিকা
  4. উত্তর আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম এশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম এশিয়া
ব্যাখ্যা

ESCWA:
- পশ্চিম এশীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন ESCWA.
- ECWA এর পূর্ণরূপ United Nations Economic and Social Commission for Western Asia.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৩ সালে।
- এর উদ্দেশ্য ছিল সদস্য দেশগুলিতে অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপকে উত্সাহিত করা, তাদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করে উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা। 
- সদর দপ্তর: বৈরুত, লেবানন।

তথ্যসূত্র - ESCWA ওয়েবসাইট।

৫০.
ICSID-এর কাজ কোনটি?
  1. অবকাঠামো উন্নয়ন
  2. ঋণ বিতরণ
  3. বিনিয়োগ বিরোধ নিষ্পত্তি
  4. বৈদেশিক বাণিজ্য
সঠিক উত্তর:
বিনিয়োগ বিরোধ নিষ্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিনিয়োগ বিরোধ নিষ্পত্তি
ব্যাখ্যা

ICSID:
- এটি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- ICSID এর পূর্ণরূপ International Centre for Settlement of Investment Disputes.
- এটি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পুঁজি বিনিয়োগ জনিত বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ অক্টোবর, ১৯৬৬ সালে।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান সদস্য: ১৫৮টি দেশ। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ICSID এর সদস্য পদ লাভ করে ১৯৮০ সালে।

তথ্যসূত্র - বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।

৫১.
ECLAC-এর প্রধান সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. পোর্ট অব স্পেন, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো
  2. সান্তিয়াগো, চিলি
  3. বুয়েন্স আয়ার্স, আর্জেন্টিনা
  4. বোগোটা, কলম্বিয়া
সঠিক উত্তর:
সান্তিয়াগো, চিলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সান্তিয়াগো, চিলি
ব্যাখ্যা

ECLAC:
- ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অর্থনৈতিক কমিশন ECLAC.
- ল্যাটিন আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ানের জন্য অর্থনৈতিক কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৮ সালে।
- সদর দপ্তর: সান্তিয়াগো, চিলি।
- নির্বাহী সচিব: হোসে ম্যানুয়েল সালাজার-সিরিনাচস।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৫২.
IMF এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ কয়টি?
  1. ৪৪টি
  2. ৪৮টি
  3. ৫১টি
  4. ৫৪টি
সঠিক উত্তর:
৪৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪টি
ব্যাখ্যা

IMF:
- IMF এর পূর্ণরূপ The International Monetary Fund.
- এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৪ সাল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৪৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি।
- সর্বশেষ সদস্য: লিচেনস্টাইন।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - IMF অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৫৩.
ECOSOC-এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট কে? (ডিসেম্বর, ২০২৫)
  1. বব রে
  2. লোক বাহাদুর থাবা
  3. কলিন ভিক্সেন কেলাপিলে
  4. লাচেজারা স্তোয়েভা
সঠিক উত্তর:
লোক বাহাদুর থাবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোক বাহাদুর থাবা
ব্যাখ্যা

⇒ ECOSOC-এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট লোক বাহাদুর থাবা।

অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ECOSOC):
- এই সংস্থাটি জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাজকর্মের সমন্বয় করে থাকে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৫ সালে।
- পরিষদের সদস্য সংখ্যা ৫৪টি।
- প্রথম দিকে এই সদস্য সংখ্যা ছিল ১৮টি।
- সদস্যরা ৩ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়ে থাকে।
- প্রতিবছর ১৮টি সদস্য রাষ্ট্র তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হয় এবং যে ১৮টি রাষ্ট্রের তিন বছরের মেয়াদ শেষ হয়, তাদের স্থান পুরণ করে নতুন ১৮টি রাষ্ট্র।
- সংখ্যাগরিষ্ট ভোটে অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

তথ্যসূত্র - ECOSOC এর অফিশিয়াল সাইট।

৫৪.
WTO এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ভিয়েনা
  2. জেনেভা
  3. রোম
  4. প্যারিস
সঠিক উত্তর:
জেনেভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেভা
ব্যাখ্যা

WTO:
- WTO এর পূর্ণরূপ World Trade Organization.
- WTO বিশ্বের একমাত্র আন্তর্জাতিক সংস্থা যা দেশগুলির মধ্যে বাণিজ্যের নিয়মগুলি নিয়ে কাজ করে।
- যাত্রা শুরু করে: ১ জানুয়ারি ১৯৯৫ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৬৬টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: আফগানিস্তান।
- দেশটি ২০১৬ সালের ২৯ জুলাই সংস্থাটির সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ সংস্থাটির সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৯৫ সালে।

তথ্যসূত্র - WTO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৫৫.
জাতিসংঘের পতাকায় কোন দুটি রং রয়েছে?
  1. সাদা ও গোলাপী
  2. লাল ও নীল
  3. সাদা ও নীল
  4. নীল ও হলুদ
সঠিক উত্তর:
সাদা ও নীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাদা ও নীল
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের পতাকা:
- জাতিসংঘের প্রতীক এবং পতাকা বিশ্বজুড়ে মানুষের শান্তি ও ঐক্যের আশা ও স্বপ্নের কথা বলে।
- জাতিসংঘের পতাকায় দেখা যায় একজোড়া জলপাই গাছের ডাল এবং বিশ্বের একটি মানচিত্র।
- উক্ত পতাকার জলপাই গাছের পাতা আন্তর্জাতিক শান্তির আহবান জানায়।
- জাতিসংঘের পতাকায় দুইটি রং রয়েছে। এগুলো হলো:
• সাদা ও
• নীল।

তথ্যসূত্র - UN ওয়েবসাইট।

৫৬.
'UNCTAD' এর শীর্ষ সম্মেলন কত বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ৩ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
ব্যাখ্যা

UNCTAD:
- জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্মেলন সংস্থা UNCTAD.
- পূর্ণরূপ: United Nations Conference on Trade and Development (UNCTAD).
- প্রতিষ্ঠার তারিখ: ১৯৬৪ সালে।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ১৯৫টি।
- বর্তমান মহাসচিব: রেবেকা গ্রিনস্প্যান।
- তিনি কোস্টারিকার নাগরিক।
- বাংলাদেশের সদস্য হয়: ১৯৭২ সালে।
- শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠান প্রতি ৪ বছর পরপর হয়।
- প্রথম কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়: ১৯৬৪ সালের ২৩ মার্চ থেকে ১৬ জুন, জেনেভা।

তথ্যসূত্র - UNCTAD এর ওয়েবসাইট।

৫৭.
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো প্রদান ক্ষমতা নেই কোন দেশের?
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা

⇒ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো প্রদান ক্ষমতা নেই জার্মানি।

জাতিসংঘ:
- জাতিসংঘের ছয়টি মূল অঙ্গসংস্থার মধ্যে নিরাপত্তা পরিষদ অন্যতম ও সর্বাধিক প্রভাবশালী।
- এই পরিষদের প্রধান দায়িত্ব হলো বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করা।
- নিরাপত্তা পরিষদে মোট ১৫টি সদস্যরাষ্ট্র রয়েছে,
- এর মধ্যে পাঁচটি স্থায়ী ও দশটি অস্থায়ী সদস্য।
- পাঁচটি স্থায়ী সদস্য হলো: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া এবং চীন।
- ভেটো শব্দের অর্থ "আমি ইহা মানি না"- অর্থাৎ, এই ক্ষমতার মাধ্যমে একটি প্রস্তাব আটকে দেওয়া যায়।
- নিরাপত্তা পরিষদে কোনো প্রস্তাব গৃহীত হতে হলে পাঁচটি স্থায়ী সদস্যসহ মোট ৯টি সদস্যের সম্মতি প্রয়োজন হয়।
- কিন্তু যদি যেকোনো একটি স্থায়ী সদস্য ভেটো প্রয়োগ করে, তাহলে প্রস্তাবটি বাতিল হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।

৫৮.
জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা WMO কী নিয়ে কাজ করে?
  1. বৈশ্বিক আবহাওয়া
  2. খাদ্য ও কৃষি উন্নয়ন
  3. পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ
  4. আন্তর্জাতিক অভিবাসন
সঠিক উত্তর:
বৈশ্বিক আবহাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈশ্বিক আবহাওয়া
ব্যাখ্যা

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা:
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জাতিসংঘের বিশেষায়িত একটি সংস্থা WMO.
- WMO এর পূর্ণরূপ World Meteorological Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৫০ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি। 
• ১৮৭টি দেশ।
• ৬টি অঞ্চল।
- বর্তমান মহাসচিব: সেলেস্তে সাওলো।

তথ্যসূত্র - WMO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।