পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

পরীক্ষাপ্রাইমারি ডেইলি কুইজতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়05 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৪: বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি) টপিক: নদ-নদী, সাগর-মহাসাগর, দ্বীপ, প্রণালী ইত্যাদি। উৎস: ব্রিটানিকা, ওয়ার্ল্ড এটলাস, বাংলাপিডিয়া, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
বিশ্বের গভীরতম স্থানের নাম কী?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
  3. টোঙ্গা ট্রেঞ্চ
  4. সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড
ব্যাখ্যা
মারিয়ানা ট্রেঞ্চ (Mariana Trench):
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চ বিশ্বের গভীরতম স্থান।
- এর অবস্থান হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ ও ফিলিপাইনের মধ্যবর্তী প্রশান্ত মহাসাগরে।
- এর নামকরণ করা হয় নিকটবর্তী মারিয়ানা দ্বীপ ও অস্ট্রিয়ার তৎকালীন রানী মারিয়ানার নামে।
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরতা মাপার উদ্যোগ নেয়া হয় ১৮৭৫ সালে।
- তৎকালীন ব্রিটিশ জরিপ পরিচালনাকারী জাহাজ HMS Challenger।
- তখন গভীরতা নির্ণয় করা হয় ২৬,৮৫০ ফুট।
- পরবর্তীতে আরো কয়েকদফা মাপার পর ২০১০ সালে এর সর্বোচ্চ গভীরতা মাপা হয় ৩৬,০৭০ ফুট।
- বর্তমানে এই গভীরতাই গ্রহণযোগ্য।
- এর গভীরতম অংশকে চ্যালেঞ্জার ডিপ বা Challenger Deep বলা হয়। 

অন্যদিকে,
i) টোঙ্গা ট্রেঞ্চ:- অবস্থান - প্রশান্ত মহাসাগর; গভীরতা - ৩৫,৭০২ ফুট।
- টোঙ্গা ট্রেঞ্চ পৃথিবীর দ্বিতীয় গভীরতম স্থান।
ii)সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। গঙ্গা খাত নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো। মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- 'বেঙ্গল ফ্যান' ভূমি রূপটি পাওয়া যায় বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস, ব্রিটানিকা ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফি ওয়েবসাইট।
.
ফ্রান্স ও ব্রিটেনকে পৃথককারী প্রণালী-
  1. পক প্রণালী
  2. ডোভার প্রণালী
  3. হরমুজ প্রণালী
  4. ডেভিস প্রণালী
ব্যাখ্যা
ডোভার প্রণালী:
- ডোভার প্রণালী গ্রেট ব্রিটেন দ্বীপকে ফ্রান্স থেকে পৃথক করেছে।
- এটি ইংলিশ চ্যানেল তথা আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে উত্তর সাগরকে যুক্ত করেছে। 
- ডোভার প্রণালীটি বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত সমুদ্রপ্রণালী।
- এখানে প্রতিদিন প্রায় ৪০০ বাণিজ্যিক জাহাজ যাতায়াত করে।

অন্যদিকে -
- ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করেছে পক প্রণালী।
- কানাডা ও গ্রিনল্যান্ডের পৃথক করেছে ডেভিস প্রণালী।
- আরব আমিরাত ও ইরানকে পৃথক করেছে হরমুজ প্রণালী।

উৎস: Britannica.
.
পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর কোনটি?
  1. গ্রেট ফ্লোরিডা রিফ
  2. গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ
  3. বেলিজ ব্যারিয়ার রিফ
  4. মেসো আমেরিকান ব্যারিয়ার রিফ
ব্যাখ্যা
গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ:
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ হচ্ছে পৃথিবীর দীর্ঘতম প্রবাল রিফ যা ২,৯০০ এর বেশি একক রিফের সমন্বয়ে গঠিত।
- রিফটি অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড রাজ্যের উপকূল ঘেঁষা কোরাল সাগরে অবস্থিত।
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ ৯০০টির মতো প্রবাল দ্বীপ নিয়ে গঠিত এক বিরাট কাঠামো।
- এটি প্রায় ২৬০০ কিমি লম্বা।
- মহাকাশ স্টেশন থেকে পৃথিবীর যে কয়েকটা প্রাণী সৃষ্ট কাঠামো খালি চোখে দেখা যায় তার মধ্যে একটা হলো এই রিফ।

অন্যদিকে -
- বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রবাল রিফ হলো মধ্য আমেরিকার উপকূলীয় সমুদ্রে অবস্থিত মেসো আমেরিকান ব্যারিয়ার রিফ।
- গ্রেট ফ্লোরিডা রিফ বিশ্বের ৩য় বৃহত্তম প্রবাল রিফ যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র বিস্তৃত রিফ সিস্টেম।
- বেলিজ ব্যারিয়ার রিফ আটলান্টিক-ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের সবচেয়ে বড় রিফ।

উৎস: Britannica.
.
‘ভলগা নদী’ কোন সাগরে পতিত হয়েছে?
  1. কৃষ্ণ সাগরে
  2. আরব সাগরে
  3. বাল্টিক সাগরে
  4. কাস্পিয়ান সাগরে
ব্যাখ্যা
ইউরোপের ভলগা নদী:
- ইউরোপের দীর্ঘতম নদী হলো ভলগা নদী।
- ভলগা নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ৩,৫৩০ কিলোমিটার।
- এটির রাশিয়ার ভলদাই পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে রাশিয়ার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কাস্পিয়ান সাগরে পতিত হয়েছে।
- দানিয়ুব ইউরোপের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী যা জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট থেকে উৎপন্ন হয়ে ইউরোপের ১০টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কৃষ্ণসাগরে পতিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।