ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত লিখিত অভিযোগ গঠন করে তা আসামিকে পড়ে শুনাবেন এবং জিজ্ঞেস করবেন যে, আসামী তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা দোষ স্বীকার করে কি না? আসামী দোষ স্বীকার করলে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৩ এবং ২৬৫ঙ ধারা অনুসারে আদালত অভিযোগের সত্যতা স্বীকারের ভিত্তিতে আসামীকে দন্ড দিতে পারেন।
- ২৪৩ ধারা অনুসারে আসামী যদি স্বীকার করে যে, যে অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে, সে তা করেছে, তাহলে যথাসম্ভব আসামীর ব্যবহৃত শব্দে তার স্বীকৃতি লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং কেন সে দন্ডিত হবে না, সে সম্পর্কে আসামী যদি পর্যাপ্ত কারণ না দর্শায় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে দন্ডিত করতে পারবেন।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ঙ ধারায় দায়রা আদালতে দোষ স্বীকার করায় দন্ডাদেশ সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, আসামী যদি দোষ স্বীকার করে তবে আদালত তা লিপিবদ্ধ করবেন এবং আদালত সুবিবেচনা মতে দন্ডাদেশ প্রদান করতে পারবেন।
সুতরাং, আসামী দোষ স্বীকার করলে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৩ ধারামতে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং ২৬৫ঙ ধারামতে দায়রা আদালত উক্ত স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দন্ড দিতে পারেন।
২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারার ক্ষমতাবলে ম্যাজিস্ট্রেট নিজে কোনো ব্যক্তিকে আটক করতে পারে?
ক
৬৩
খ
৬৬
গ
৫৪
ঘ
৬৫
সঠিক উত্তর: ঘ
৬৫
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
৬৫
ঘ
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৬৫ ধারার বিধান: কোন ম্যাজিষ্টেট তার উপস্থিতিতে ও তাহর এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে যে কোন সময়ে এরূপ যে কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে অথবা গ্রেফতারের নির্দেশ দিতে পারবেন, যাকে গ্রেফতারের জন্য তিনি উক্ত সময়ে ক্ষমতাবান, এবং পরিস্থিতি অনুসারে পরোয়ানা জারী করতে পারবেন।
৩.
আদালত কর্তৃক গঠিত অভিযোগ ________ ভাষায় লিখিত হবে।
ক
আসামীর
খ
স্থানীয়
গ
বাংলা
ঘ
আদালতের
সঠিক উত্তর: ঘ
আদালতের
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
আদালতের
ঘ
ব্যাখ্যা
চার্জের বিষয়বস্তু (Contents of Charge)
চার্জে কোন বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে তা ফৌজদারি কার্যবিধির ২২১ থেকে ২২৩ ধারায় বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ-
i) ধারা-২২১: অপরাধের পরিচিতি (Charge to state offence)- ফৌজদারি কার্যবিধির ২২১ ধারামতে চার্জে অপরাধের নাম, তবে নাম না থাকলে অপরাধের সংজ্ঞা সুস্পষ্টভাবে প্রদান করতে হবে। এছাড়া অপরাধটি কোন আইনের কত ধারার অন্তর্গত তা চার্জে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। চার্জ ইংরেজীতে বা আদালতের ভাষায় লিখতে হয়।
ফৌজদারি কার্যবিধির ২২১ ধারামতে চার্জে অপরাধের বিবরণ থাকতে হবে: (১) এই কার্যবিধি অনুসারে প্রত্যেক চার্জে আসামী যে অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে, তার বিবরণ থাকবে ।
(২) অপরাধের সুনির্দিষ্ট নামই যথেষ্ট বিবরণঃ যে আইন কর্তৃক অপরাধটির উদ্ভব হয়েছে, সেখানে উহার কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে চার্জে শুধুমাত্র সে নামেই উহার বিবরণ প্রদান করা যাবে।
(৩) অপরাধের সুনির্দিষ্ট নাম না থাকলে কিভাবে উল্লেখ করতে হবেঃ যে আইন কর্তৃক অপরাধটির উদ্ভব হয়েছে, সেখানে উহার কোন নির্দিষ্ট নাম না থাকলে উহার সংজ্ঞা এরূপভাবে বর্ণিত হতে হবে যেন আসামী তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ স্পষ্টভাবে বুঝতে পারে ।
(৪) যে আইন এবং যে ধারার বিধানমতে অপরাধ সংঘটিত করা হয়েছে মর্মে বর্ণিত হয়েছে, চার্জে তার উল্লেখ করতে হবে।
(৫) চার্জ দ্বারা কি বুঝায়ঃ কোন ক্ষেত্রে চার্জ প্রণীত হলে তা এমর্মে বিবৃত প্রদানের শামিল হয় যে, উক্ত বিশেষ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অপরাধটি সংঘটনের জন্য আইনগত যেসব শর্ত বিদ্যমান, তা পূরণ করা হয়েছে ।
(৬) চার্জের ভাষা: চার্জ ইংরেজীতে অথবা আদালতের ভাষায় লিখতে হবে।
(৭) পূর্ববর্তী দণ্ডের বিষয় যেক্ষেত্রে উল্লেখ করতে হবেঃ আসামী পূর্বে কোন অপরাধের দায়ে দণ্ডিত হবার জন্য পরবর্তী অপরাধের ক্ষেত্রে বর্ধিত দণ্ড বা ভিন্ন প্রকৃতির দণ্ডে দণ্ডনীয় হলে এবং পরবর্তী অপরাধের দণ্ড বৃদ্ধি বা প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য পূর্ববর্তী দণ্ড প্রমাণ করার দরকার হলে, চার্জে পূর্ববর্তী দণ্ডের ঘটনা, তারিখ ও স্থান বর্ণনা করতে হবে। এধরণের বর্ণনা না করা হয়ে থাকলে আদালত দণ্ড দানের পূর্বে যে কোন সময়ে তা যোগ করতে পারেন।
৪.
প্রত্যেকটি দায়রা বিভাগে কত শ্রেণির জজ থাকবে?
ক
২
খ
৪
গ
৩
ঘ
৫
সঠিক উত্তর: গ
৩
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৩
গ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারায় দায়রা আদালতের বিধান রয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৭ ধারার বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে কতিপয় দায়রা বিভাগ থাকবে, এবং ৯ ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার প্রত্যেকটি দায়রা বিভাগের জন্য একটি করে দায়রা আদালত স্থাপন করবে। মেট্রোপলিটন এলাকার দায়রা আদালতকে মেট্রোপলিটন দায়রা আদালত (Metropolitan Court of Sessions) বলা হবে।
গ্রেফতারি পরোয়ানার মাধ্যমে পুলিশ কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করলে তারে আদালতে ________ হাজির করতে হবে।
ক
অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া
খ
২৪ ঘণ্টার মধ্যে
গ
অতি সত্ত্বর
ঘ
৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
সঠিক উত্তর: ক
অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া
ক
ব্যাখ্যা
♦বিনা গ্রেফতারী পরোয়ানা (Arrest Without Warrant)আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এবং গ্রেফতারী পরোয়ানা অনুযায়ী আটককৃত ব্যক্তিকে অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া আদালতে হাজির করতে হবে। ♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারামতে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের স্থান থেকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যাওয়ার সময় বাদ দিয়ে পুলিশ হেফাজতে ২৪ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না। ♦তদন্তকার্য ২৪ ঘন্টার মধ্যে সম্পন্ন করা না গেলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারা অনুযায়ী গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে নিকটস্থ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট অগ্রবর্তী বা প্রেরণ করতে হবে।
৬.
সরকার বিশেষ ক্ষমতা অর্পণ করলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত মেয়াদের কারাদণ্ড দিতে পারে?
ক
৭ বছর
খ
যে-কোনো
গ
১০ বছর
ঘ
১৪ বছর
সঠিক উত্তর: ক
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
৭ বছর
ক
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণ ক্ষমতাবলে সর্বোচ্চ ৫ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে। তবে ২৯গ ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে ৩৩ক ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৭ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে।
♦অর্থাৎ ৩৩ক ধারা অনুযায়ী ২৯ গ ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে কোনো প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কোন অপরাধের বিচার করলে অনধিক ৭ বৎসরের কারাদণ্ড হতে পারে।
♦ ৩৩ক ধারায় বলা হয়েছে যে ২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
৭.
ফৌজদারী আপিলে কোনটি আপিল আদালতের ক্ষমতা নয়?
ক
বৈচারিক অনুসন্ধান
খ
সাক্ষ্য গ্রহণ
গ
আপিল নিষ্পত্তিকরণ
ঘ
দণ্ড বৃদ্ধিকরণ
সঠিক উত্তর: ক
বৈচারিক অনুসন্ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
বৈচারিক অনুসন্ধান
ক
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী আপিল আদালতের ক্ষমতা সাধারণত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করে:
১. বৈচারিক অনুসন্ধান (ক): আপিল আদালত সাধারণত নিম্ন আদালতের রায়ের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেয় এবং নিজস্ব বৈচারিক অনুসন্ধান চালায় না। ২. সাক্ষ্য গ্রহণ (খ): আপিল আদালত নতুন করে সাক্ষ্য গ্রহণ করে না; এর বদলে, এটি নিম্ন আদালতের সাক্ষ্য এবং রেকর্ড পর্যালোচনা করে। ৩. আপিল নিষ্পত্তিকরণ (গ): এটি আপিল আদালতের প্রধান কাজ। তারা আপিল করা মামলার উপর পুনর্বিবেচনা করে এবং একটি রায় দেয়। ৪. দণ্ড বৃদ্ধিকরণ (ঘ): আপিল আদালতের ক্ষমতা আছে দণ্ড বৃদ্ধি করার জন্য, যদি তারা মনে করে যে নিম্ন আদালতের দেওয়া দণ্ড যথেষ্ট নয়।
এই বিবেচনায়, উল্লেখিত বিকল্পগুলির মধ্যে, ক) বৈচারিক অনুসন্ধান হলো এমন একটি কাজ যা আপিল আদালত সাধারণত পরিচালনা করে না।
৮.
পরোয়ানায় লিখিত নির্দেশে কোন বিষয়টির উল্লেখ থাকবে না?
ক
অপরাধের শাস্তির পরিমাণ
খ
আদালতে হাজির হওয়ার তারিখ
গ
জামিনদারের সংখ্যা
ঘ
জামিনদারের আর্থিক দায়
সঠিক উত্তর: ক
অপরাধের শাস্তির পরিমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
অপরাধের শাস্তির পরিমাণ
ক
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৭৬ ধারার বিধান আদালত জামানত গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন: (১) কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে পরোয়ানা প্রদানকালে কোন আদালত উহার বিবেচনামূলক ক্ষমতায় পরোয়ানার উপর লিখিতভাবে এমর্মে নির্দেশ দিতে পারবেন যে, উক্ত ব্যক্তি আদালত হতে অন্যরূপ নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত একটি নির্দিষ্ট সময়ে ও তৎপরে আদালতে হাজির হবে বলে যদি পর্যাপ্ত জামিনদারসহ একটি মুচলেকা সম্পাদন করতে পারে, সেক্ষেত্রে পরোয়ানা প্রয়োগকারী কর্মকর্তা উক্ত জামিন গ্রহণ করবেন এবং উক্ত ব্যক্তিকে হেফাজত হতে মুক্তি দিবেন। (২) পরোয়ানায় নিম্নে বর্ণিত বিষয়সমূহ উল্লেখ থাকতে হবে, - (ক) জামিনদারের সংখ্যা; (খ) যে পরিমাণ অর্থের জন্য জামিনদারগণ এবং যে গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা দেয়া হয়েছে সেই ব্যক্তি যথাক্রমে দায়ী থাকবে; এবং (গ) যে সময় তাকে আদালতে হাজির হতে হবে।
(৩) মুচলেকা প্রেরণ করতে হবেঃ এই ধারার বিধান অনুসারে যেক্ষেত্রে জামানত গ্রহণ করা হবে, সেক্ষেত্রে যে অফিসার বরাবর পরোয়ানা প্রয়োগকারী অফিসার মুচলেকাটি আদালতে প্রেরণ করবেন।
অর্থাৎ, পরোয়ানায় লিখিত নির্দেশে অপরাধের শাস্তির পরিমাণ উল্লেখ থাকবে না।
৯.
কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে যদি সে ________ কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়।
ক
যে-কোনো
খ
যাবজ্জীবন
গ
৭ বছর
ঘ
১০ বছর
সঠিক উত্তর: খ
যাবজ্জীবন
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
যাবজ্জীবন
খ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারা অনুযায়ী সাধারনত কোন ব্যক্তির দেহ স্পর্শ, অবরোধ বা বন্দী করে গ্রেফতার করা যায়।
♦ গ্রেফতারে বাধা প্রদান করলে গ্রেফতারের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা যে কোন ধরনের পন্থা অবলম্বন করতে পারবে। তবে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত না হলে, গ্রেফতার করতে গিয়ে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না।
♦ অর্থাৎ কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে যদি সে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়।
১০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুসারে 'Local Inquiry' করতে পারেন কে?
ক
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
খ
জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
গ
এ্যাডভোকেট কমিশনার
ঘ
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর: ক
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ক
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা: ১৪৮ অনুসারে -
(১) এই অধ্যায়ের স্থানীয় অনুসন্ধান প্রয়োজন হলে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে প্রেরণ করতে পারবেন এবং তার উপদেশের মধ্যে লিখিত নির্দেশ দিতে পারবেন এবং এরূপ অনুসন্ধানের প্রয়োজনীয় ব্যয় সম্পূৰ্ণ বা আংশিক কে বহন করবে তা ঘোষণা করতে পারবেন।
(২) এরূপে প্রেরিত ব্যক্তির রিপোর্ট কেসের সাক্ষ্য হিসাবে বুঝতে হবে।
(৩) এই অধ্যায়ের অধীন পরিচালিত প্রসিডিং-এর কোন পক্ষ যদি কোন খরচ বহন করে থাকেন, তাহলে ১৪৫ ধারা, ১৪৬ ধারা বা ১৪৭ ধারার অধীন সিদ্ধান্ত প্রদানকারী ম্যাজিষ্ট্রেট নির্দেশ দিবেন যে, কে উক্ত খরচ প্রদান করবে, উক্ত পক্ষ কিংবা প্রসিডিং-এর অন্য কোনপক্ষ, এবং সম্পূর্ণ বা আংশিক বা আনুপাতিক হারে প্রদান করবেন। আদালত যেরূপ যুক্তিসংগত বিবেচনা করেন সেরূপ সাক্ষীদের এবং কৌসুলীদের ফি এই খরচার অন্তর্ভুক্ত হবে।
১১.
আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর কী করা হয় না?
ক
অভিযোগ পাঠ করে শোনানো
খ
সে বিচার প্রার্থনা করে কিনা জিজ্ঞাসা করা
গ
তাকে সাফাই সাক্ষ্য বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা
ঘ
অভিযোগ ব্যাখ্যা করা
সঠিক উত্তর: গ
তাকে সাফাই সাক্ষ্য বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
তাকে সাফাই সাক্ষ্য বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা
গ
ব্যাখ্যা
২৬৫ডি ধারার বিধান অভিযোগ গঠনঃ (১) যদি, উপরিউক্তরূপ বিবেচনা ও শুনানী অন্তে, আদালত মনে করেন যে, আসামী এরূপ অপরাধ করেছে মর্মে মনে করার কারণ আছে, সেক্ষেত্রে আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তির (আসামীর) বিরুদ্ধে একটা লিখিত অভিযোগ গঠন করবেন। (২) যেক্ষেত্রে আদালত উপধারা (১) এর বিধানমতে কোন অভিযোগ গঠন করেন, সেইক্ষেত্রে উক্ত অভিযোগ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে (আসামীকে) পড়ে শুনাতে হবে ও ব্যাখ্যা করে দিতে হবে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করতে হবে যে অভিযোগ তার বিরুদ্ধে আনীত হয়েছে সে অভিযোগে তিনি নিজেকে দোষী কহিতে চাহেন কিনা অথবা তার সম্পর্কে বিচারকার্যের পরিচালনা দাবি করেন কিনা।
অর্থাৎ তাকে সাফাই সাক্ষ্য বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হবে না। ---------------------------
265D. Framing charge: (1) If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Court is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, it shall frame in writing a charge against the accused. (2) Where the Court frames a charge under sub-section (1), the charge shall be read and explained to the accused shall be asked whether he pleads guilty of the offence charged or claims to be tried.
১২.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারার অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যাবে না?
ক
৪২৬
খ
৪০৬
গ
৩২৩
ঘ
৩২৬
সঠিক উত্তর: ঘ
৩২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
৩২৬
ঘ
ব্যাখ্যা
• কোন অপরাধগুলোর সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যায়: নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যায়। যথা- i) মৃত্যুদন্ড, যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা ২ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদন্ড যোগ্য অপরাধ ব্যতীত অন্যান্য অপরাধ অর্থাৎ ২ বছর বা এর কম মেয়াদের কারাদন্ড যোগ্য অপরাধের বিচার। ii) দন্ডবিধির ২৬৪, ২৬৫, ২৬৬ ধারামতে ওজন ও পরিমান সম্পর্কিত অপরাধ, ৩২৩ ধারামতে আঘাত, ১০ হাজার টাকার কম মূল্যের চুরি, ১০ হাজার টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি অসৎভাবে আত্মসাৎ, ১০ হাজার টাকার কম মূল্যের চোরাইমাল গ্রহণ, গোপন ও হস্তান্তর; iii) দন্ডবিধির ২৭৭,২৭৯, ২৮৫, ২৮৯, ২৯০-২৯৪,৩৩৪, ৩৩৬,৩৪১,৩৫২ ধারার অপরাধ । iv) ক্ষতি (Mischief), দন্ডবিধির ৪৪৭ ধারামতে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ, ৪৪১, ৪৫৩, ৪৫৪, ৪৫৬ ও ৪৫৭ ধারামতে কৃত অপরাধ, অপরাধজনক ভীতি প্রদর্শন, ৫০৯ ও ৫১০ ধারামতে ইভটিজিং বা মাতলামি; v) পূর্বে বর্ণিত অপরাধ সমূহে সহায়তা ও অপরাধসমূহ করার চেষ্টা (abetment and attempt to commit any of the foregoing offences); এবং vi) ১৮৭১ সালের গবাদি পশুর অনধিকার প্রবেশ আইনের ২০ ধারার অধীন অপরাধের সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যায়।
• দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারা মতে অনিষ্টের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি ক্ষতি সাধন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিনমাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে। দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারা মতে অপরাধমূল বিশ্বাসভঙ্গের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
• দণ্ডবিধির ৩২৩ ধারা মতে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দানের শাস্তি: যদি কেউ ৩৩৪ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়াই অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
• দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারামতে স্বেচ্ছাকৃতভাবে মারাত্মক অস্ত্ৰ বা মাধ্যমের সাহায্যে গুরুতর আঘাত দান করা: কোন ব্যক্তি যদি ৩৩৫ ধারায় বর্ণিত ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে কোন গুলিবর্ষণের, ছুরিকাঘাতের বা কাটার যন্ত্র বা হাতিয়ার দ্বারা গুরুতর আঘাত করে, অথবা যে হাতিয়ার দিয়ে একটি অপরাধ সংঘটনের জন্য এই হাতিয়ারটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে, সে হাতিয়ার দ্বারা গুরুতর আঘাত করে, অথবা কোন বিষ বা ক্ষয়কারী দ্রব্য কর্তৃক গুরুতর আঘাত করে, অথবা কোন বিস্ফোরক দ্রব্য দ্বারা গুরুতরভাবে আহত করে, অথবা যে দ্রব্য শ্বাস কর্তৃক গ্রহণ করলে, উদরস্থ করলে বা রক্তে গ্রহণ করলে তা মানবদেহের পক্ষে ক্ষতিকর হয়, সে দ্রব্য দ্বারা গুরুতর আহত করে অথবা কোন পশু দ্বারা গুরুতর আঘাত করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
• অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩২৬ অনুযায়ী স্বেচ্ছাকৃতভাবে মারাত্মক অস্ত্ৰ বা মাধ্যমের সাহায্যে গুরুতর আঘাত দান করার মামলা সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যাবে না।
১৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৪৫ ধারানুসারে কার্যধারার প্রতিপক্ষ মারা গেলে
ক
কার্যধারাটি স্থগিত হয়
খ
কার্যধারাটি এ্যাবেট হয়
গ
মৃতের প্রতিনিধিরা পক্ষ হতে পারে
ঘ
কার্যধারাটি নথিজাত হয়
সঠিক উত্তর: গ
মৃতের প্রতিনিধিরা পক্ষ হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
মৃতের প্রতিনিধিরা পক্ষ হতে পারে
গ
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৪৫(৭) ধারানুসারে কোন পক্ষ যখন মারা যায় তখন ম্যাজিষ্ট্রেট মৃত পক্ষের বৈধ এজেন্টকে প্রসিডিংস এর পক্ষ করাতে পারবেন এবং অতঃপর তিনি ইনকোয়ারী চালিয়ে যাবেন এবং এরূপ প্রসিডিংস এর প্রয়োজনে মৃত পক্ষের বৈধ এজেন্ট কে সেই সম্পর্কে যদি কোনরূপ প্রশ্ন তোলা হয়, সেক্ষেত্রে মৃত পক্ষের এজেন্ট মর্মে দাবীকারী সকল ব্যক্তিকে পক্ষ করতে হবে।
১৪.
একজন দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকার অর্থদণ্ড দিতে পারে?
ক
১০০০০
খ
২০০০
গ
৭০০০
ঘ
৫০০০
সঠিক উত্তর: ঘ
৫০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
৫০০০
ঘ
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধানঃ (১) ম্যাজিষ্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথাঃ
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।
২) যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
♦ ৩৩ক ধারায় বলা হয়েছে যে ২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
১৫.
কোনো মামলা আপোষ-মিমাংসার মাধ্যমে নিষ্পন্ন হলে তা আসামীর _________ বলে গণ্য হবে।
ক
খালাস
খ
নিষ্কৃতি
গ
মুক্তি
ঘ
অব্যাহতি
সঠিক উত্তর: ক
খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
খালাস
ক
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৪৫(৫) ধারানুসারে কোন মামলার আপস হলে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি খালাস (acquittal) পেয়েছে বলে গণ্য হবে।
১৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় আমল অযোগ্য মামলার কথা উল্লেখ আছে?
ক
১৫৫
খ
১৫৪
গ
১৫৬
ঘ
১৫১
সঠিক উত্তর: ক
১৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
১৫৫
ক
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৫৫ ধারায় আমল অযোগ্য মামলার সংবাদ: (১) যখন কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঐরূপ থানার সীমার মধ্যে কোন আমল অযোগ্য অপরাধের সম্পাদনের বিষয়ে সংবাদ প্রদান করা হয়, তখন তিনি, এ ব্যাপারে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট নিদর্শে ঐরূপ অফিসার কর্তৃক রক্ষিত বহিতে উক্ত সংবাদের সারাংশ লিখে রাখবেন বা রাখাবেন এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর যাওয়ার নির্দেশ দিবেন।
(২) আমল অযোগ্য মামলার তদন্তঃ আমল অযোগ্য অপরাধের বিচার করার বা উহা বিচারার্থ প্রেরণ ক্ষমতা আছে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত কোন পুলিশ অফিসার কোন আমল অযোগ্য ঘটনা তদন্ত করবেন না।
(৩) এরূপ আদেশপ্রাপ্ত যে কোন পুলিশ অফিসার ঐ তদন্তের ব্যাপারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া), কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য ঘটনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন সেই একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
১৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৪৪ ধারার ক্ষমতাবলে আদেশ প্রদান করতে পারেন ________।
ক
জাস্টিস অফ দ্য পিস
খ
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
গ
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ঘ
প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর: খ
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
খ
ব্যাখ্যা
♦ আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-
i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা; ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংক; iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা; iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা; এবং v) আগু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে।
♦১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।
♦১৪৪ (৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন।
♦১৪৪ ধারা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবেনা। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।
♦ ১৪৪ ধারার আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যাবে।
১৮.
ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদত্ত নিম্নের কোনটি 'নালিশ' এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
ক
নারাজি দরখাস্ত
খ
লিখিত অভিযোগ
গ
পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট
ঘ
মৌখিক অভিযোগ
সঠিক উত্তর: গ
পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট
গ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(১)(জ) ধারায় নালিশ বা অভিযোগের সংজ্ঞা রয়েছে। আমলযোগ্য বা আমল অযোগ্য কোন অপরাধের বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ করাকে নালিশ বা অভিযোগ বা Complaint বলে ।
নালিশে পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট অন্তর্ভূক্ত হবে না, তবে ম্যাজিস্ট্রেট নারাজি পিটিশনকে নালিশ (complaint) হিসেবে গণ্য করতে পারেন।
১৯.
দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় করতে হবে?
ক
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
খ
দায়রা জজ
গ
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ঘ
হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর: ক
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ক
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৭ মতে- দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর কোনো ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডাদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে। কিন্তু দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল ধরণের ম্যাজিস্ট্রেটের খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে দায়রা জজের নিকট।
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৭ ধারার বিধান দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলঃ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিচারে শাস্তিপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর আপীল দায়ের করতে পারবেন, যিনি স্বয়ং উক্ত আপীলের শুনানী গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারেন বা কোন অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর আপীলটি নিষ্পত্তির জন্য পাঠাতে পারেন, এবং ঐভাবে প্রেরিত আপীল প্রত্যাহার করে নিতে পারেন।
২০.
অভিযোগ গঠনের পর পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতিতে কোনো মামলা প্রত্যাহার করলে আসামীকে ________ দিতে হবে।
ক
মুক্তি
খ
খালাস
গ
অব্যাহতি
ঘ
নিষ্কৃতি
সঠিক উত্তর: খ
খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খালাস
খ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারামতে পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি নিয়ে রায় ঘোষনার পূর্বে মামলা প্রত্যাহার করতে পারে।
♦ অভিযোগ বা চার্জ গঠনের পূর্বে পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহার করলে আসামি অব্যাহতি পাবে, তবে অভিযোগ বা চার্জ গঠনের পর পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহার করলে আসামি খালাস পাবে।
২১.
X, Y এর নিকট ১টি গরু বিক্রয়ের চুক্তি করেন যা পালনে X অস্বীকার করলে Y মামলা করেন। Y এর উপযুক্ত প্রতিকার _________।
ক
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন
খ
ঘোষণা
গ
আংশিক কার্যসম্পাদন
ঘ
ক্ষতিপূরণ
সঠিক উত্তর: ঘ
ক্ষতিপূরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ক্ষতিপূরণ
ঘ
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ১৯ ধারায় আদালত কতিপয় ক্ষেত্রে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের প্রতিকার দিতে পারে। চুক্তিভঙ্গের জন্য সাধারণত ২ ধরনের প্রতিকার পাওয়া যায়। যথা- ক) ক্ষতিপূরণ এবং খ) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন।
♦ তবে উভয় ধরনের প্রতিকার থাকলেও চুক্তিভঙ্গের জন্য সাধারণত ক্ষতিপূরণের প্রতিকার প্রদান করা হয়। কিন্তু যেক্ষেত্রে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায় না অথবা যেক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হয় না, সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের প্রতিকার প্রদান করে থাকে । আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯, ৩৮ এবং ৪১ ধারায় ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করতে পারে।
♦ চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদী কিছু ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারে অথবা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারামতে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মোকদ্দমা দায়েরের সময় চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের পাশাপাশি অতিরিক্ত বা বিকল্প হিসেবে ক্ষতিপূরণ দাবী করতে পারে।
♦ অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারামতে বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলায় ক) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ও ক্ষতিপূরণ উভয়, অথবা খ) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের পরিবর্তে কেবল ক্ষতিপূরণ দাবী করতে পারবে। এক্ষেত্রে আদালত ২ ধরণের প্রতিকার দিতে পারে-
i) ন্যায়বিচার স্বার্থে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ও ক্ষতিপূরণ উভয় ধরনের প্রতিকার প্রদান করতে পারে। ii) বাদী ও বিবাদীর মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য বিবাদী দায়ী হলে, এবং আদালত চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন যথাযথ নয় বলে বিবেচনা করলে আদালত বাদীকে কেবল ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে বিবাদীকে বাধ্য করতে পারবে।
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা- ১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে; ২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে; ৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে; ৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে; ৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে; ৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি; ৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে অথবা; ৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।
♦ যেহেতু প্রশ্নে উল্লেখিত চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট সেহেতু সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারা ও ২১ ধারা অনুযায়ী Y এর উপযুক্ত প্রতিকার হবে ক্ষতিপূরণ।
২২.
The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারানুসারে স্থাবর সম্পত্তির অনিবন্ধিত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবতযোগ্য নয়?
ক
17
খ
12
গ
15
ঘ
21A
সঠিক উত্তর: ঘ
21A
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
21A
ঘ
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, এর ধারা ২১ক হচ্ছে অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য: এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিষ্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা উহার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
২৩.
X, Y এর নিকট একটি জমি বিক্রয় করল। উক্ত জমির উপর দিয়ে অন্যের চলাচলের অধিকার আছে জানা সত্ত্বেও X তা গোপন করে। Y চুক্তিটি কী করতে পারে?
ক
বাতিল
খ
স্থগিত
গ
রদ
ঘ
সংশোধন
সঠিক উত্তর: গ
রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
রদ
গ
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়: লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যে কোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যে কোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেনঃ
ক. যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
খ. যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ, এবং বাদীর চাইতে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি।
গ, যেখানে একটি বিক্রয় চুক্তি অথবা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা, ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে। যা আদালত তাকে পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। হিসেবে গৃহীত খাজনা এবং লাভ বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদান করার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন। একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায় আদেশের মাধ্যমে যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদানুযায়ী কাজ করা হয়নি , হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় অথবা সম্পূর্ণ চুক্তিই মামলায় ন্যায়বিচারের আবশ্যক অনুযায়ী রদ করে দিতে পারেন।
♦ অর্থাৎ ধারা ৩৫-এর বিধান মোতাবেক চুক্তি অবসানের মামলা করতে পারেন। ৩৫ ধারার উদাহরণ দ্রষ্টব্য।
২৪.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৯ ধারানুসারে আনীত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
ক
সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে না
খ
বাদী স্বত্ব প্রতিষ্ঠায় বারিত হবেন
গ
এটি স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত
ঘ
বাদী সম্পত্তি থেকে বেদখল হয়েছেন
সঠিক উত্তর: খ
বাদী স্বত্ব প্রতিষ্ঠায় বারিত হবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
বাদী স্বত্ব প্রতিষ্ঠায় বারিত হবেন
খ
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারায় বলা আছেঃ যথাযথ আইগত পন্থা ব্যতিরেকে যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে, যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
♦এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না ।
♦এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
♦এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপীল করা যাবে না, অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রী পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।
অর্থাৎ, The Specific Relief Act, 1877 এর ৯ ধারানুসারে আনীত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে "বাদী স্বত্ব প্রতিষ্ঠায় বারিত হবেন" কথাটি সঠিক নয়।
২৫.
.“বিবাদীর জন্য ‘Hardship' হলে চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবতযোগ্য নয়”-এই সংক্রান্ত ধারণা পাওয়া যায় The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারায়?
ক
২২
খ
১৫
গ
২১
ঘ
১৪
সঠিক উত্তর: ক
২২
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
২২
ক
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২২ অনুযায়ী, চুক্তি বলবৎকরণের মোকদ্দমায় যদি বিবাদী দেখাতে পারে যে, বিবাদীর প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ বিবাদীর প্রতি কষ্ট বা কঠোরতা [hardship] সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না, সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (solatium) মঞ্জুর করতে পারে।
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ২২ ধারার অধীন ২টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে আদালত ক্ষতিপূরণ |solatium] প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে যথা: (১) যেক্ষেত্রে বিবাদীর প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং (২) যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলববরণ বিবাদীর প্রতি কষ্ট সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না।
২৬.
The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারায় 'Preventive relief' এর সংজ্ঞা আছে?
ক
৬
খ
৫
গ
৫৬
ঘ
৫৫
সঠিক উত্তর: ক
৬
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
৬
ক
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বা Preventive Relief এর সংজ্ঞা রয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারার (গ) অনুচ্ছেদের অধীন যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় তাকে নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বলে। অর্থাৎ যা না করার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকার আদেশ প্রদানই হলো প্রতিরোধমূলক প্রতিকার ।
সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদান করা হলেও সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার নয়। যেমন- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হলেও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) হল আদেশাত্মক প্রতিকার। অর্থাৎ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হলো নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief).
♦ ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable )- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে ২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে ৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে ৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে ৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে ৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি ৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে অথবা ৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে ।
২৮.
X যে জমির বৈধ দখলদার ঐ জমির উপর দিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামের বাসিন্দাগণ যাতায়াতের অধিকার দাবী করে। X এর প্রতিকার কী?
ক
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
খ
ঘোষণা
গ
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
ঘ
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর: খ
ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
ঘোষণা
খ
ব্যাখ্যা
♦ আইনসংগত পরিচয়, পদ, অবস্থান বা সম্পত্তিতে স্বত্ত্বের অধিকা অন্য কেউ অস্বীকার করলে ৪২ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করে প্রতিকার পাওয়া যায়। ঠিক এ কারণেই ৪২ ধারা ঘোষণামূলক মোকদ্দমার ধারা নামে পরিচিত।
♦ ঘোষণামূলক মোকদ্দমা। 'কোনো ব্যক্তির আইনগত পদ/পরিচিতি [Legal Characterj বা সম্পত্তিতে স্বত্ত্বের অধিকার Right to Property) প্রার্থনা করে যে মোকদ্দমা দায়ের করা হয় তাকেই ঘোষণামূলক মোকদ্দমা (Declaratory Suit] বলে”।
♦ ঘোষণামূলক ডিক্রি: ঘোষণামূলক মোকদ্দমায় আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে যে ডিক্রি দেয় তাকেই ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree ] বলে।
বিষয়বস্তু/কারণ: ২টি; ১, আইনগত পরিচয় নির্ধারণ করা। ২. সম্পত্তিতে অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।
♦ মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন: ১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী। ২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী। ৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
♦ মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০২ অনুযায়ী রিট দায়ের করে প্রতিকার পাওয়া যায়।
♦ আনুষাঙ্গিক প্রতিকার মূল মোকদ্দমার সাথে চাইতে হয়, চাইলে পাবে, না চাইলে পাবে না। মনে রাখবেন, আনুষাঙ্গিক প্রতিকার দাবি করার থাকলে তা দাবি করা বাদীর জন্য বাধ্যতামূলক। ঘোষণামূলক ডিক্রি বলবৎ করার জন্য জারি মামলা করার প্রয়োজন নেই। ঘোষণামূলক ডিক্রি অবমাননার জন্য অবমাননার মামলা করার দরকার নেই।
২৯.
The Specific Relief Act, 1877 এর ১২ ধারানুসারে কতটি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন বলবতযোগ্য?
ক
৭
খ
৫
গ
২
ঘ
৪
সঠিক উত্তর: ঘ
৪
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
৪
ঘ
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়। যথা-
ক) চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে। খ) চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদন্ড না থাকলে। গ) চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে। ঘ) চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভবনা না থাকলে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।
৩০.
X, Y এর অধীনে ২ বছর শিক্ষানবিশ আইনজীবী হিসেবে কাজ করবেন মর্মে চুক্তিবদ্ধ হন। চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন _______।
ক
বলবতযোগ্য নয়
খ
শর্তসাপেক্ষে বলবতযোগ্য
গ
বলবতযোগ্য
ঘ
আংশিক বলবতযোগ্য
সঠিক উত্তর: ক
বলবতযোগ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
বলবতযোগ্য নয়
ক
ব্যাখ্যা
ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable )- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা- ১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে ২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে। ৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে ৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে ৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে ৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি ৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে অথবা ৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।
৩১.
ডিক্রিতে বাদীর জমির মোট পরিমাণ ভুল লেখা হলে The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারানুযায়ী প্রতিকার আছে?
ক
১৫২
খ
১৫১
গ
১৫৪
ঘ
১৫৩
সঠিক উত্তর: ক
১৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
১৫২
ক
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৫২ ধারা মতে রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক [Clerical] বা গাণিতিক (Arithmetical) ভুল অথবা কোন আকস্মিক ভ্রান্তি [Accidental slip] বা বিচ্যুতির [Omission] কারণে কোন ভুল হলে যে কোন সময় আদালত নিজ উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ বা সংশোধন করতে পারে।
৩২.
'Leave for revision' সংক্রান্ত বিধান The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
ক
১১২
খ
১১৪
গ
১১৩
ঘ
১১৫
সঠিক উত্তর: ঘ
১১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
১১৫
ঘ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫(৪) এ leave for revision এর বিধান আছে। এটাকে ২য় রিভিশনও বলা হয়। বিভিশন এখতিয়ার প্রয়োগকালে জেলা জজ অথবা অতিরিক্ত জেলা জজ যে আদেশ প্রদান করে তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন দায়ের করা যায় ।
(৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত দিলে গুরুত্বপূর্ণ আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশনের অনুমতি মঞ্জুর করে সেই ক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) অথবা (৩) এর অধীনে প্রদত্ত জেলা জজ অথবা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে দরখাস্ত করা যাবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ যেরূপ উপযুক্ত মনে করে মোকদ্দমা বা কার্য প্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে। ----------------- (4) An application to the High Court Division for revision of an order of the District Judge or, Additional District Judge, as the case may be, made under sub-section (2) or (3) shall lie, where the High Court Division grants leave for revision on an error of an important question of law resulting in erroneous decision occasioning failure of justice, and the High Court Division may make such order in the suit or proceeding as it thinks fit.
৩৩.
গণ-উৎপাত সংঘটনের ক্ষেত্রে মামলা করতে পারে কে?
ক
সরকারি কৌসুলী
খ
ভুক্তভোগী
গ
অ্যাটর্নি-জেনারেল
ঘ
যে-কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি
সঠিক উত্তর: গ
অ্যাটর্নি-জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
অ্যাটর্নি-জেনারেল
গ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা: ৯১ এর বিধান জনক্ষতিকর কাজ (Public nuisances): জনক্ষতিকর কাজের ক্ষেত্রে বিশেষ ক্ষতির কারণ না হলেও অ্যাটর্নি জেনারেল বা অ্যাটর্নি জেনারেলের লিখিত সম্মতিপ্রাপ্ত দুই বা ততোধিক ব্যক্তি ঘোষণা এবং নিষেধাজ্ঞা বা মোকদ্দমার পরিস্থিতির আলোকে অন্য কোন যথাযথ প্রতিকারে নিমিত্তে মোকদ্দমা রুজু করতে পারে।
৩৪.
ইস্যু গঠনের _______ দিনের মধ্যে 'প্রশ্নাবলির মাধ্যমে আবিষ্কার' এর দরখাস্ত প্রদান করতে হয়।
ক
৭
খ
১০
গ
১৫
ঘ
২১
সঠিক উত্তর: খ
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১০
খ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১ বিধি-১: প্রশ্নমালা দ্বারা আবিষ্কার (Discovery by interrogatories): কোন মোকদ্দমার বাদী বা বিবাদীপক্ষ অপর পক্ষগণকে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতি নিয়ে বিচার্য বিষয় গঠনের তারিখ হতে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে পারবে এবং এরূপ প্রশ্নমালা প্রদান করা হলে কোন প্রশ্নের উত্তর এরূপ ব্যক্তিদের কাকে প্রদান করতে হবে তা প্রশ্নমালার পাদটিকায় লেখা থাকবে। এখানে আদালতের অনুমতি দেয়া বিবেচনামূলক। আদালতের আদেশ ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে একটির বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করতে পারবে না।
৩৫.
দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা আমলে নেওয়ার বিধান The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারায় উল্লেখ রয়েছে?
ক
৭
খ
৬
গ
৯
ঘ
৫
সঠিক উত্তর: গ
৯
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৯
গ
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৯ এর বিধান বারিত না হলে আদালত সকল দেওয়ানী মামলার বিচার করবেন:
আদালতের (এখানে বর্ণিত বিধানাবলী সাপেক্ষে) সকল দেওয়ানী প্রকৃতির মামলা বিচার করার এখতিয়ার থাকবে, কেবল সে সকল মামলা ব্যতিত যেগুলির বিচারার্থে গ্রহণ (cognizance) প্ৰত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বারিত হয়েছে।
♦ ব্যাখ্যা: যে মামলায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, সে মামলা দেওয়ানী প্রকৃতির, যদিও অধিকার সম্পূর্ণরূপে ধর্মীয় আচার বা উৎসব সম্পর্কীত প্রশ্নের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করতে পারে।
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ ধারায় বলা হয়েছে, বারিত না হলে দেওয়ানী আদালত সকল প্রকার দেওয়ানী মামলার বিচার করবে। যে মোকদ্দমায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, তা দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা। এখানে দেওয়ানী আদালতের সাধারণ এখতিয়ার বলতে দেওয়ানী আদালতসমূহের দেওয়ানী মামলার বিচার করার এখতিয়ার কে বোঝানো হয়েছে।
৩৬.
কোনটি 'mesne profits' এর সাথে সম্পর্কিত নয়?
ক
বেআইনি দখলদার
খ
মামলার খরচ
গ
সুদসহ মুনাফা
ঘ
স্থাবর সম্পত্তি
সঠিক উত্তর: খ
মামলার খরচ
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
মামলার খরচ
খ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ২(১২) “অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা” (mesne profits): সম্পত্তির “অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা” বলতে বেআইনি দখলকার ব্যক্তি সম্পত্তি হতে প্রকৃতপক্ষে যে মুনাফা লাভ করেছে বা সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে মুনাফা লাভ করতে পারত সুদসহ সেই মুনাফা বুঝায়, কিন্তু বেআইনি দখলকার ব্যক্তি সম্পত্তির কোন উন্নতি সাধন করে থাকলে এর ফলে সৃষ্ট মুনাফা অন্তর্ভুক্ত হবে না
("mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession)
অর্থাৎ, মামলার খরচ 'mesne profits' এর সাথে সম্পর্কিত নয়।
৩৭.
আদালত বিচার্য বিষয় সংশোধন করতে পারে _______।
ক
রায় ঘোষণার পূর্বে যে কোনো সময়
খ
সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে
গ
যুক্তিতর্ক শুনানীর পূর্বে
ঘ
ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোনো সময়
সঠিক উত্তর: ঘ
ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোনো সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোনো সময়
ঘ
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪ আদেশের ৫ বিধি অনুসারে- প্রথম শুনানী বা লিখিত জবাব দাখিলের ১৫ দিনের মধ্যে (যেটা আগে হয়)
বিচার্য বিষয় প্রণয়ন ও লিপিবদ্ধ করতে হয়। যে সকল বিষয় বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করা হয় না সে সকল বিষয়ে আদালতের উচিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করা। আদালত বিচার্য বিষয় সংশোধন বা পরিবর্তন করতে পারেন ডিক্রী প্রদানের পূর্বে যে কোন সময়। বিচার্য বিষয় নির্ধারনের ১২০ দিনের মধ্যে আদালত মামলার চূড়ান্ত শুনানীর দিন ধার্য করবেন।
♦ অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪ আদেশের ৫ বিধি মতে আদালাত পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়াবলী নির্ণয়ের জন্য ডিক্রী প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় বিচার্য বিষয় সংশোধন বা পরিবর্তন ,কর্তন করতে পারেন বা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় গঠন করতে পারেন।
৩৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 12 Rule 6 অনুযায়ী 'Judgment on admissions' কখন প্রদান করা যায়?
ক
মামলার যে-কোনো স্তরে
খ
উভয়পক্ষের সাক্ষ্য সমাপ্তির পর
গ
লিখিত বর্ণনা দাখিলের পূর্বে
ঘ
লিখিত বর্ণনা দাখিলের পর
সঠিক উত্তর: ক
মামলার যে-কোনো স্তরে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
মামলার যে-কোনো স্তরে
ক
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 12 Rule 6 অনুযায়ী - স্বীকারোক্তির উপর রায় (Judgment on Admission): আদালত স্বীকারোক্তির উপর ভিত্তি করে রায় ঘোষণা করতে পারে। আরজি জবাব বা অন্যকোনভাবে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে যেকোন পক্ষ আদালতে আবেদন করতে পারে যেন যতটুকু বিষয় স্বীকার করা হয়েছে তার উপর ভিত্তি করে রায় ঘোষণা করে। এটাই Judgement on Admission. এ বিধানটি সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক। এক্ষেত্রে সংক্ষুব্ধ পক্ষ আপিল করতে পারে।
৩৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর 89A ধারানুযায়ী মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ হওয়ার কত দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে?
ক
১০
খ
৬০
গ
৭
ঘ
৩০
সঠিক উত্তর: খ
৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৬০
খ
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure, 1908 এর 89A ধারানুযায়ী মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে, তবে আদালত নিজ উদ্যোগে বা পক্ষগণের যৌথ আবেদনের ভিত্তিতে আরো অনধিক ৩০ দিন পর্যন্ত সময় বৃদ্ধি করতে পারে।
সুতরাং মধ্যস্থতা নিষ্পত্তির সাধারণ সময়সীমা ৬০ দিন কিন্তু সর্বোচ্চ সময়সীমা ৯০ দিন।
অর্থাৎ The Code of Civil Procedure, 1908 এর 89A ধারানুযায়ী মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে। ------------------- The Code of Civil Procedure, 1908 Section 89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, [or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court], as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.
৪০.
'প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা' এর বিধান The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 1 এর কোন বিধিতে উল্লেখ আছে?
ক
৫
খ
৭
গ
৮
ঘ
৬
সঠিক উত্তর: গ
৮
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৮
গ
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি-৮ মতে একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মোকদ্দমা করতে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারে (One person may sue or defend on behalf of all in same interest)।
♦ যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় বহু সংখ্যক লোকের একই স্বার্থ থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে মোকদ্দমা দায়ের করতে বা মোকদ্দমায় বিবাদী হতে পারে।
♦ এক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচে স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকলকে ব্যক্তিগত জারির মাধ্যমে নোটিশ দিবেন। স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অধিক হলে এভাবে নোটিশ জারি যুক্তিসঙ্গত হবে না। তখন গণ বিজ্ঞপ্তি দেয়া যাবে।
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ আদেশ, বিধি ১(৫)-তে বলা হয়েছে: যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার উভয়পক্ষ মুলতবির দরখাস্ত দাখিল করে এবং আদালত খরচসহ মুলতবির দরখাস্ত মঞ্জুর করেন; সে ক্ষেত্রে আদালত উভয়পক্ষকে রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে মুলতবির খরচ প্রদান/জমা করার আদেশ দিবেন।
♦ খরচের টাকার অধিকারী হবে: i. বাদী মুলতবি চাইলে- বিবাদী পাবে। ii. বিবাদী মুলতবি চাইলে- বাদী পাবে। iii. উভয়পক্ষ মুলতবি চাইলে- রাষ্ট্র পাবে।
৪২.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী ইস্যু কত ধরনের?
ক
৩
খ
২
গ
৫
ঘ
৪
সঠিক উত্তর: খ
২
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
২
খ
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি-১ বিচার্য বিষয় প্রণয়ন:
(১) যখন কোন ঘটনার বা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একপক্ষ দুঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। (২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলতে আইনগত বা তথ্যসংক্রান্ত সেই সমস্ত বিষয় বুঝাবে, বাদী কর্তৃক তার মামলা করার অধিকার প্রতিপন্ন করার জন্য যে বিষয়ে অভিযোগ আনয়ন করতে হবে, অথবা বিবাদী কর্তৃক আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য যে বিষয়ের উপর নির্ভর করতে হবে। (৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করে। (৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকার : ক) তথ্যগত বা ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইনগত বিচার্য বিষয়। ----------------- 1. Framing of issues: (1) Issues arise when a material proposition of fact or law is affirmed by the one party and denied by the other. (2) Material propositions are those propositions of law or fact which a plaintiff must allege in order to show a right to sue or a defendant must allege in order to constitute his defence. (3) Each material proposition affirmed by one party and denied by the other shall form the subject of a distinct issue. (4) Issues are of two kinds: (a) issues of fact, (b) issues of law.
৪৩.
কোনো ব্যক্তি আদালতের সমনে নির্দেশ সত্ত্বেও দলিল দাখিল না করলে দেওয়ানী আদালত The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারার অধীনে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে?
ক
৩২
খ
৩০
গ
৩১
ঘ
২৯
সঠিক উত্তর: ক
৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
৩২
ক
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908, এর ৩২ ধারা অনুযায়ী, ৩০ ধারাঅনুযায়ী আদালতের আদেশে সমন জারি সত্ত্বেও কোনো ব্যক্তি দলিল উপস্থাপনে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত ব্যক্তির উপর গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রেরণ করতে পারে, তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারে, অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে কিংবা তার হাজির হওয়ার জন্য জামানত দেওয়ার আদেশ দিতে পারে।
ধারা ৩০। আবিস্কার ও অনুরূপ বিষয়ের আদেশ দানের ক্ষমতা: যেরূপ নির্ধারণ করা হয়, সেরূপ শর্ত এবং সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে কোন আদালত যে কোন সময় স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে অথবা কোন একপক্ষের আবেদনক্রমে - ক) প্রশ্নাবলী সরবরাহ ও জবাবদান, দলিল ও তথ্য গ্রহণ এবং সাক্ষ্য হিসেবে দাখিলযোগ্য দলিল বা অন্য কোন বস্তু আবিস্কার, পরিদর্শন, দাখিল, অন্তরীণ বা ফেরৎ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় বা সংগত আদেশ দিতে পারেন; খ) স্বাক্ষদান বা দলিল দাখিল বা উপরোক্ত অন্য কোন উদ্দেশ্যে যে ব্যক্তির হাজির হওয়া দরকার তার প্রতি সমন প্রদান করতে পারেন; গ) কোন তথ্য শপথনামা দ্বারা প্রমাণের আদেশ দিতে পারেন।
৪৪.
আরজি সংশোধনের দরখাস্ত নামঞ্জুরের আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
ক
রেফারেন্স
খ
আপিল
গ
রিভিশন
ঘ
রিভিউ
সঠিক উত্তর: গ
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
রিভিশন
গ
ব্যাখ্যা
যদি উক্ত সংশোধনী পক্ষগণের মধ্যে বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় হলে মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত যেকোন পক্ষকে প্রিডিংস সংশোধনের অনুমতি দিতে পারে। এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা
তবে বিচার শুরু হওয়ার পর প্লিডিংস সংশোধনের আবেদন করা হলে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে যে চেষ্টা করার পরও বিচার শুরুর পূর্বে বিষয়টি উত্থাপন করতে পারেনি।
যদি আদালত দেখে বিচার শুরুর পর বিচারকার্যকে বাধাগ্রস্থ বা বিলম্ব করতে এরূপ করা হয়েছে। তখন আদালত আবেদনকারীকে আদেশ দিবেন যেন আপত্তিকারীকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করে।
আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের বা কর্তনের দরখাস্ত মঞ্জুর বা নামঞ্জুরের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যায়।
৪৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 7 Rule 9(1A) অনুসরণ না করে মোকদ্দমা দায়ের করলে কোন বিধানানুসারে বিবাদীর প্রতিকার আছে?
ক
Order 7 Rule 11
খ
Order 47 Rule 1
গ
Order 7 Rule 10
ঘ
Order 39 Rule 1
সঠিক উত্তর: ক
Order 7 Rule 11
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
Order 7 Rule 11
ক
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ৯(১এ) নং বিধি অমান্য করলে অর্থাৎ আদালত বাদী পক্ষের উপর সমনের সাথে প্রয়োজনীয় আরজির কপি সরবরাহ করার আদেশ প্রদান করলে [ নির্দিষ্ট সময় বেধে দিলে এবং বাদী পক্ষ উহা পালনে ব্যর্থ হলে আদালত আরজি খারিজ করতে পারেন।] এবং বাদী পক্ষ আদালত কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উক্ত আদেশ পালনে ব্যর্থ হলে আরজিটি খারিজ হতে পারে।
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 7 Rule 9(1A) অনুসরে , আরজি গৃহীত হলে যতজন বিবাদী রয়েছে, সাদা কাগজে আরজির ততসংখ্যক নকল দাখিল করতে হবে। সুতরাং আরজির সাথে প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সমন ও আরজির কপি না দিলে, আদালত প্রয়োজনীয় সমন ও আরজির কপি সরবরাহ করার জন্য সময় (অনধিক ২১ দিন) নির্ধারণ করে দিবে। আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাদী প্রয়োজনীয় সমন ও আরজির কপি সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে, আদালত আরজি প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
♦ উপরে উল্লেখিত কারণে আদালত নিজ উদ্যোগে বা বিবাদী পক্ষ আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন করলে, আদালত আরজিটি প্রত্যাখ্যানের আদেশ দিতে পারে। বিবাদী কর্তৃক আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন নামঞ্জুর হলে-রিভিশন করা যাবে।
♦ অর্থাৎ The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 7 Rule 9(1A) অনুসরণ না করে মোকদ্দমা দায়ের করলে বিবাদী আদেশ ৭ বিধি ১১ অনুযায়ী আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন করতে পারবে।
৪৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী একজন কতবার সরাসরি একতরফা ডিক্রি বাতিলের প্রতিকার পেতে পারে?
ক
১
খ
২
গ
৩
ঘ
৪
সঠিক উত্তর: ক
১
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
১
ক
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ আদেশের ৬ বিধির ১(ক) অনুযায়ী শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বিবাদী হাজির না হলে আদালত বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি দিতে পারে। উক্ত একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের জন্য ৯ আদেশের ১৩ক বিধির অধীন ৩০ দিনের মধ্যে হলফনামাসহ আবেদন করতে হবে। আদালত বিলম্ব অবসান ও বিচার ত্বরান্বিত করানোর জন্য আদালতকে সন্তুষ্ট করার জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপনের নির্দেশ না দিয়ে, সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ দিতে পারে এবং একই সাথে বিবাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে।
৯ নং আদেশের ১৩ নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।
⇒ ঐ সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ একবারের বেশি হবে না।
৪৭.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় চূড়ান্ত শুনানীর পূর্বে কোনো পক্ষ সর্বোচ্চ কতবার সময় পেতে পারে?
ক
৩
খ
৬
গ
৭
ঘ
১২
সঠিক উত্তর: খ
৬
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৬
খ
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে দেওয়ানী মোকদ্দমায় মূলতবির আবেদন করতে হয়। আদালতে সময়ের প্রার্থনা (Time petition) করাই হলো মূলতবীর আবেদন । আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মূলতবি রাখতে পারে। চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মূলতবি মঞ্জুর করতে পারে।
♦ অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে ( At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মূলতবি মঞ্জুর করতে পারে; তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মূলতবি মঞ্জুর করেনা।
♦ মূলতবি খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে। মূলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
৪৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ২৪ ধারানুযায়ী জেলা জজ কর্তৃক মামলা বদলির ক্ষেত্রে ___________।
ক
শুনানী আবশ্যক কিন্তু নোটিশ নয়
খ
নোটিশ ও শুনানী আবশ্যক
গ
নোটিশ আবশ্যক কিছু শুনানী নয়
ঘ
নোটিশ ও শুনানী কোনোটিই আবশ্যক নয়
সঠিক উত্তর: ঘ
নোটিশ ও শুনানী কোনোটিই আবশ্যক নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
নোটিশ ও শুনানী কোনোটিই আবশ্যক নয়
ঘ
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪ স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা:
(১) মামলার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকলপক্ষকে নোটিশ দিয়া এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যে কোন স্তরে -
ক) তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং ইহা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা খ) তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং ১. ইহার বিচার বা নিস্পত্তি করতে পারেন, অথবা ২. ইহার বিচার বা নিম্পত্তি করার উপযুক্ত কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্যে স্থানান্তর করতে পারেন, অথবা ৩. যে আদালত হতে উহা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
৪৯.
একতরফা আদেশ সরাসরি রদ-রহিতের ক্ষেত্রে আদালত সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ প্রদানের জন্য আদেশ দিতে পারে?
ক
৩০০০
খ
৪০০০
গ
১০০০
ঘ
২০০০
সঠিক উত্তর: ক
৩০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
৩০০০
ক
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ আদেশের ৬ বিধির ১(ক) অনুযায়ী শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বিবাদী হাজির না হলে আদালত বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি দিতে পারে। উক্ত একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের জন্য ৯ আদেশের ১৩ক বিধির অধীন ৩০ দিনের মধ্যে হলফনামাসহ আবেদন করতে হবে। আদালত বিলম্ব অবসান ও বিচার ত্বরান্বিত করানোর জন্য আদালতকে সন্তুষ্ট করার জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপনের নির্দেশ না দিয়ে, সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ দিতে পারে এবং একই সাথে বিবাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে।
৯ নং আদেশের ১৩ নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।
⇒ ঐ সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ একবারের বেশি হবে না।
৫০.
দেওয়ানী আদালত কোন ক্ষেত্রে অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
ক
ন্যায়বিচার নিশ্চিতের ক্ষেত্রে
খ
আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধের ক্ষেত্রে
গ
স্থিতিবস্থা বজায় রাখতে
ঘ
তামাদির বাধা অতিক্রম করতে
সঠিক উত্তর: ঘ
তামাদির বাধা অতিক্রম করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
তামাদির বাধা অতিক্রম করতে
ঘ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী আদালত তামাদির বাধা অতিক্রম করাতে অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতা রক্ষণের বিধান রয়েছে। ১৫১ ধারামতে দেওয়ানী আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা- i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।
♦ ন্যায়বিচারের জন্য অথবা আদালতের পরোয়ানার অবমাননা প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দানের ব্যাপারে আদালতের যে অনন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, এই বিধির কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না।
♦ ১৫১ ধারার ক্ষমতা বলে দেওয়ানী আদালত অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা inherent power প্রয়োগ করতে পারেন।
♦ এই ধারা আদালতকে একটি বিপুল ক্ষমতা দিয়েছে। ন্যায়বিচার করার জন্য বা আদালতের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করার জন্য আদালত তার সহজাত ক্ষমতাবলে যেকোন আদেশ দেওয়ার অধিকার রাখেন। আইন সমস্ত পরিস্থিতির মোকবেলা করার পূর্ণ বিধান দিতে পারে না। আইন যে সময় প্রণীত হয় সেই সময়ের পরিস্থিতি আইন প্রয়োগ হওয়ার সময় বদলে যেতে পারে; আইন প্রয়োগ হওয়ার পরে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, যা আইনপ্রণেতাগণ আইন প্রণয়নের সময় ভাবতেও পারেন নাই; এই সমস্ত কারণে এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় সবিচারের জন্য যেকোন আদেশ দিতে পারেন।
৫১.
'Plea of alibi' প্রমাণের দায়িত্ব-
ক
আসামীর
খ
সাক্ষী
গ
পুলিশের
ঘ
ফরিয়াদীর
সঠিক উত্তর: ক
আসামীর
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
আসামীর
ক
ব্যাখ্যা
♦যেসব ঘটনা অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলোও ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে যদি সেগুলো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয় অথবা কোনোভাবে বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে অর্থাৎ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তুলে। নিম্নোক্ত পাঁচ প্রকারের ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে। যথা- i) অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থলে আসামীর অনুপস্থিতি (Plea of Alibi) অর্থাৎ যদি দেখা যায় আসামী অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থল হতে বহু দূরে ছিল তাহলে তা প্রাসঙ্গিক হবে; ii) সন্তান জারজ কি-না এই প্রশ্নে স্ত্রীর নিকট হতে স্বামীর দূরে থাকার ঘটনা; iii) কথিত মৃত ব্যক্তি জীবিত আছে এমন ঘটনা; iv) অভিযুক্ত ব্যক্তি খুন করেছে এই প্রশ্নে, অন্য ব্যক্তি খুন করেছে-এরূপ ঘটনা; অথবা v) অভিযুক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে এ প্রশ্নে, আহত ব্যক্তি নিজে আঘাত (Self-harming) করেছে-এরূপ ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে। Plea of Alibi- সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় Plea of Alibi-কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। Alibi অর্থ হলো অন্যত্র (Elsewhere), আর Plea of Alibi এর আক্ষরিক অর্থ হল অন্যত্র অবস্থানের অজুহাত। এই শব্দটি ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে। ফৌজদারি মামলায় আসামী এই মর্মে আত্মপক্ষ সমর্থন করে যে, অপরাধ সংঘটনকালে সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না বা যে ঘটনার জন্য কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, ঘটনার সময় সে অন্যত্র ছিল। ফলে সে ঐ অপরাধের জন্য দায়ী নয় ।
♦সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারামতে অপরাধ সংঘটনকালে আসামী অন্যত্র অবস্থানের দাবি করলে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ তাকেই উপস্থাপন করতে হয়। অর্থাৎ অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
- বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ কিন্তু আলোচ্য ঘটনার অস্তিত্ব বা অস্তিত্বহীনতাকে সম্ভব বা অসম্মান করে তোলে এমন ঘটনা প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।
ত সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় উদাহরণের মাধ্যমে অপরাধের সময় অন্য কোথাও বা অন্যত্র থাকার অজুহাতকে প্রাসঙ্গিক বলা হয়েছে।
যখন কোন ব্যক্তি কোন ঘটনা সংঘটনের জন্য অভিযুক্ত হয় এবং সে যদি আদালতে উপস্থাপন করে যে সে অপরাধ সংঘটনের সময় অন্য কোথাও বা অন্যত্র ছিল তখন সে অজুহাতকে Plea of Alibi (Elsewhere) বলে।
Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
৫২.
নিজ সাক্ষীকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যাবে না এই নীতি ব্যতিক্রম The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
ক
১৫৪
খ
১৫৬
গ
১৫২
ঘ
১৫১
সঠিক উত্তর: ক
১৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
১৫৪
ক
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারায় সুস্পষ্টভাবে বৈরী সাক্ষী বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। বৈরী সাক্ষী হলো এমন একজন সাক্ষী যে, সে যে উপায়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে বোঝা যায় যে, সে আদালতের নিকট সত্য বলতে ইচ্ছা প্রকাশ করছে না। বৈরী সাক্ষী বলতে মিথ্যুক সাক্ষী বোঝায় না। সাক্ষী যে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে সাক্ষীর বৈরীতা বুঝতে হবে। বিষয়টি হলো যখন যে পক্ষ কোন সাক্ষীকে আহ্বান করে বা ডাকে, সেই পক্ষ উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করবে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ যখন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে, তখন সাক্ষীর নিকট যে প্রশ্ন করা হয় তখন সে উক্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করতে পারে বা বৈরী হতে পারে। সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এমন ধরণের সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী হিসাবে ঘোষণা করতে পারে।
- ১৫৪ ধারার বক্তব্য অনুযায়ী- বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় যেসব প্রশ্ন করতে পারে, সেসব প্রশ্ন যদি কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীকে করার অনুমতি চায়, আদালত তা করার অনুমতি দিতে পারে। এরূপ সাক্ষীকে বৈরী/প্রতিকূল সাক্ষী (Hostile witness) বলে ।
অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন নিজ সাক্ষীকে জেরা করা যায়।
এরূপ ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নেয়া বাধ্যতামূলক। আর আদালত অনুমতি দিবে কিনা তা আদালতের বিবেচনামূলক।
৫৩.
'Feeding the grant by estoppel' নীতিটি the Evidence Act, 1872 এর কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
ক
১১৪
খ
১১৫
গ
১১৮
ঘ
১১৭
সঠিক উত্তর: খ
১১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১১৫
খ
ব্যাখ্যা
♦ ধারা-১১৫: স্বকার্যজনিত বাধা বা প্রতিবন্ধক (Estoppel) - সাক্ষ্য আইনে estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত। মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি। অর্থাৎ Principle of Estoppel দ্ব্যর্থবোধক হতে পারে না।
♦ সাক্ষ্য আইনের ১১৫, ১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টপেল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারায় এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারায় Estoppel সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না”।
♦আইনের পরিস্থিতি প্রতিবন্ধক হতে পারে কিনা- প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর নিয়মটি ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য হয়, আইন বিষয়ে নয়। অর্থাৎ আইন বলে কেউ যদি কোন অধিকার লাভ করে সেক্ষেত্রে Estoppel নীতি প্রয়োজ্য হবেনা।
♦ কোন আইনের বিধান বা আইন বলে পাওয়া অধিকারকে Estoppel নীতি প্রভাবিত করে না।
এছাড়া সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারার এ নীতিটি Transfer of Property Act এর ৪৩ ধারায় Feeding the grant by estoppel হিসেবে রয়েছে।
৫৪.
The Evidence Act, 1872 অনুযায়ী কোনটি সরকারি দলিল নয়?
ক
বিভাগীয় অনুসন্ধানে ম্যাজিট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি
খ
সার্ভে এন্ড সেটেলমেন্ট রিপোর্ট
গ
জন্ম সনদ
ঘ
আরজি
সঠিক উত্তর: ক
বিভাগীয় অনুসন্ধানে ম্যাজিট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
বিভাগীয় অনুসন্ধানে ম্যাজিট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি
ক
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা- ১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং ২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document).
♦ ধারা-৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।
♦ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারা মতে নিম্নলিখিত দলিল গুলি সরকারী দলিলঃ (১) যে সমস্ত দলিল (ক) কোন সাবভৌম কর্তৃপক্ষের, (খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং (গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের কোন অংশের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ। (২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যাক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
♦ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারায় সরকারি দলিলের কোনো তালিকা না দিয়ে এর বৈশিষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে। আদালতের ডিক্রি, আদেশ, আরজি তা যখন আদালতে দাখিল করা হয় এবং সমনের আসল এগুলো সবই আদালতের কার্যক্রমের অংশ। সুতরাং এগুলো সবই সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে।
♦ ধারা-৭৫: বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল । কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.
৫৫.
The Evidence Act, 1872 অনুসারে কোনটি ইলেকট্রনিক রেকর্ড নয়?
ক
ডিএনএ ডাটা
খ
ড্রোন ডাটা
গ
সিসিটিভি ফুটেজ
ঘ
সফট ডাটা
সঠিক উত্তর: ক
ডিএনএ ডাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ডিএনএ ডাটা
ক
ব্যাখ্যা
The Evidence Act (Amendment ), 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-
• ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম, অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উদ্ভূত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য; ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি); সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়্যার বা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।
• রক্ত, বীর্য, চুল, শরীরের সমস্ত উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ, ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড (ডিএনএ), আঙ্গুলের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ এবং পায়ের ছাপ সম্পর্কিত সকল উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ বা অনুরূপ প্রকৃতির অন্যকোন উপাদান বা বস্তু, শরীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য মর্মে গণ্য হবে যদি এমন উপাদান বা বস্তুসমূহ-
• প্রতিষ্ঠা করে যে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা অপরাধ ও অপরাধীর মধ্যকার কোন সংযোগ বা সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে এবং কোন ঘটনা প্রমাণিত বা মিথ্যা প্রমাণিত করতে পারে।
৫৬.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারামতে বিচারক নিজ গোচরে আসা কোনো বিষয়ে ঊর্ধ্বতন আদালতের আদেশ ব্যতীত উত্তর দিতে বাধ্য নয়?
ক
১২৭
খ
১২১
গ
১৩৩
ঘ
১১৯
সঠিক উত্তর: খ
১২১
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১২১
খ
ব্যাখ্যা
ধারা-১২১: জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের সাক্ষ্য- বিচারকগন বিচারিক কার্যক্রম বা বিচারক হিসেবে তাঁদের জানার মধ্যে যা আসে তার জন্য উর্দ্ধতন আদালতের বিশেষ আদেশ ছাড়া সাক্ষ্য দিতে বাধ্য নন ।
তবে বিচারক হিসেবে নয় বরং অন্য যোগ্যতায় তার জানার মধ্যে থাকলে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য। এছাড়া বিচারকের সামনে কিছু ঘটলে তার জন্য তিনি সাক্ষী হতে পারেন ।
৫৭.
'No new trial for improper admission or rejection of evidence' -The Evidence Act, 1872 এর এই বিধান প্রযোজ্য ________।
ক
কেবল দেওয়ানী কার্যধারায়
খ
প্রশাসনিক কার্যধারায়
গ
কেবল ফৌজদারী কার্যধারায়
ঘ
সকল বৈচারিক কার্যধারায়
সঠিক উত্তর: ঘ
সকল বৈচারিক কার্যধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
সকল বৈচারিক কার্যধারায়
ঘ
ব্যাখ্যা
ধারা-১৬৭: অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের কারণে নতুন করে বিচার হবে না (No new trial for improper admission or rejection of evidence)- সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারায় আদালত কর্তৃক অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য ।
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩৭ ধারা ও দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৯ ধারায় এরূপ বিধান আছে।
৫৮.
সাক্ষীকে বিরক্তি উদ্রেগকারী প্রশ্ন করা হতে কে নিষেধ করতে পারে?
ক
সাক্ষী নিজেই
খ
আইনজীবী
গ
আদালত
ঘ
উপরের সকলেই
সঠিক উত্তর: গ
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
আদালত
গ
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৪৯ ধারামতে যুক্তি সংগত কারন ছাড়া (Without reasonable Grounds) সাক্ষীকে কোন প্রকার প্রশ্ন করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারামতে আদালত সাধারণত অশালীন ও মানহানিকর (indecent and scandalous question) প্রশ্ন করতে বাধা দিতে পারেন।
• তবে বিচার্য বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক হলে অশালীন ও মানহানিকর প্রশ্নও করা যায়। সাক্ষ্য আইনের ১৫২ ধারামতে সাক্ষীকে কোনভাবেই অপমানজনক বা বিরক্তিকর প্রশ্ন করা যাবেনা।
আদালত অপমানজনক বা বিরক্তিকর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারে।
৫৯.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ১৪৫ অনুসারে একজন সাক্ষীকে পূর্ববর্তী লিখিত বিবৃতি সম্পর্কে জেরার উদ্দেশ্য হলো এর _______।
ক
বৈপরীত্য প্রমাণ
খ
সমর্থন
গ
গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করা
ঘ
সত্যতা প্রমাণ
সঠিক উত্তর: ক
বৈপরীত্য প্রমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
বৈপরীত্য প্রমাণ
ক
ব্যাখ্যা
ধারা: ১৪৫ মতে পূর্ববর্তী লিখিত বিবৃতি সম্পর্কে জেরা: : কোন সাক্ষী কর্তৃক পূর্বে প্রদত্ত লিখিত বিবৃতি অথবা তার করা পূর্বে প্রদত্ত বিবৃতি লিপিবদ্ধ হয়ে থাকলে, তা যদি বিচার্য বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক হয়, তবে উক্ত লেখা তাকে না দেখিয়ে অথবা তা প্রমাণ না করেও সেই সম্পর্কে সেই সাক্ষীকে জেরা করা যেতে পারে।
তবে যদি এরকম ইচ্ছা করা হয় যে, ঐ লেখা দ্বারা সাক্ষীর কথার বৈপরীত্য প্রদর্শিত হবে তাহলে ঐ লেখা প্রমাণের পূর্বে সাক্ষীর কথার যে অংশ বৈপরীত্য প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হবে, সেই অংশের প্রতি সাক্ষীর দৃষ্টি অবশ্যই আকর্ষণ করতে হবে।
৬০.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৫৯ অনুযায়ী _________ ব্যতীত সকল বিষয় মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।
ক
দলিলের বিষয়বস্তু
খ
দলিল
গ
প্রচলিত রীতি সম্পর্কে অভিমত
ঘ
এক ব্যক্তির সাথে অপর ব্যক্তির সম্পর্ক
সঠিক উত্তর: ক
দলিলের বিষয়বস্তু
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
দলিলের বিষয়বস্তু
ক
ব্যাখ্যা
ধারা: ৫৯ মতে মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা ঘটনা প্রমাণঃ দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সকল ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে ।
• দলিলের বিষয়বস্তু দলিল দ্বারাই প্রমাণ করতে হবে, মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা নয়। দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সমস্ত বিষয় বা ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।
৬১.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৬৩ অনুযায়ী কোনটি 'secondary evidence' নয়?
ক
সহিমোহর নকল
খ
মূল দলিল এর প্রত্যয়িত ফটোকপি
গ
মূল দলিলের কার্বন কপি
ঘ
দলিলের প্রত্যক্ষদর্শীর মৌখিক বিবরণ
সঠিক উত্তর: গ
মূল দলিলের কার্বন কপি
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
মূল দলিলের কার্বন কপি
গ
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারার বিধান প্রাথমিক/মূখ্য সাক্ষ্য: প্রাথমিক সাক্ষ্য অর্থ সংশ্লিষ্ট দলিলটি আদালতে পরিদর্শনের জন্য দাখিল করা।
ব্যাখ্যা-১: কোন দলিল কতিপয় খণ্ডে সম্পাদিত হলে প্রত্যেক খণ্ডই উক্ত দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য কোন দলিল যখন প্রতিলিপি (counterpart) সহকারে সম্পাদিত হয়; এবং প্রত্যেকটি প্রতিলিপি পক্ষগণের মধ্যে একজন বা কয়েকজন কর্তৃক সম্পাদিত হয়, তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি তার সম্পাদনকারী পক্ষের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।
ব্যাখ্যা-২: যে ক্ষেত্রে একাধিক দলিল একই পদ্ধতিতে (uniform process) প্রস্তুত হয়; যথাঃ মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে হয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রে তার প্রত্যেকটিই অন্যগুলির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য (each is primary evidence of the contents of the rest), কিন্তু যে ক্ষেত্রে সেগুলি সবই একটি মূল দলিলের নকল (copies of a common original), সেক্ষেত্রে ঐগুলি দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য নয়।
অর্থাৎ, ৬২ ধারার ব্যাখ্যা ২ অনুযায়ী একই পদ্ধতি বা একই সমকালে প্রস্তুত মুদ্রন, লিথোগ্রাফি, ফটোগ্রাফি ইত্যাদি প্রথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়। যেহেতু মূল দলিলের কার্বন কপি মূল দলিলের সাথে একই সময় একসাথে তৈরি করা হয়। সেক্ষেত্রে মূল দলিলের কার্বন কপি প্রথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।
সব কিছু বিবেচনার পরে উত্তর গ (মূল দলিলের কার্বন কপি) অধিকতর গ্রহণযোগ্য হওয়ায়। উত্তর গ গ্রহণ করা হলো। --------------------------
♦ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করাকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।
♦ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান মাধ্যমিক সাক্ষ্যঃ- মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তাহার অন্তর্ভুক্ত হয়: (১) বর্ণিত বিধানবলী অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল; (২) মূল দলিল হইতে এইরুপ যান্ত্রিক উপায়ে প্ৰস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এইরুপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল; (৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল; (৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে; (৫) যে ব্যক্তি নিজের কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া উক্ত দলিলের বিষয় বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ।
উদাহরণ: (ক) একটি মূল দলিলের সহিত উহার ফটোগ্রাফ মিলাইয়া দেখা না হইয়া থাকিলেও যদি প্রমাণ করা হয় যে, ফটোগ্রাফটি যে দলিলের ফটোগ্রাফ, তাহাই মূল দলিল; তবে উক্ত ফটোগ্রাফ উক্ত মূল দলিলের মাধ্যমিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।
৬২.
The Evidence Act, 1872 অনুযায়ী মোক্তারনামার সম্পাদন বিষয়ে আদালত ___________।
ক
অবশ্যই অনুমান করবে
খ
চূড়ান্ত প্রমাণিত বিবেচনা করবে
গ
কোনো অনুমান করবে না
ঘ
অনুমান করতে পারে
সঠিক উত্তর: ক
অবশ্যই অনুমান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
অবশ্যই অনুমান করবে
ক
ব্যাখ্যা
ধারা: ৮৫ মোক্তারনামা সম্পর্কে অনুমান
মোক্তরনামা বলিয়া যাহা বুঝিতে দেওয়া হয় এবং যাহা কোন নোটারী পাবলিক বা কোন আদালত, জজ, ম্যাজিষ্ট্রেট, কন্সাল বা ভাইস-কন্সাল অথবা সরকারের কোন প্রতিনিধির সম্মুখে সম্পাদিত হইয়াচ্ছে এবং তৎকর্তৃক দৃঢ়ীকৃত হইয়াছে বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয়, তাহা অনুরূপভাবে সম্পাদিত ও দৃঢ়ীকৃত হইয়াছে বলিয়া আদালত অবশ্যই ধরিয়া লইবেন।
৬৩.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ২৮ অনুযায়ী প্রতিশ্রুতি, ভীতি ও প্রলোভনজনিত ধারণা অপসারণের পর প্রদত্ত স্বীকারোক্তি _________।
ক
অপ্রাসঙ্গিক
খ
বেআইনী
গ
অগ্রহণযোগ্য
ঘ
প্রাসঙ্গিক
সঠিক উত্তর: ঘ
প্রাসঙ্গিক
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
প্রাসঙ্গিক
ঘ
ব্যাখ্যা
ধারা: ২৮ মতে প্রলোভন ভীতি প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতিজনিত ধারণা অপসারণের পর প্রদত্ত স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক।
যেরূপ দোষ স্বীকারের বিষয় ২৪ ধারায় উল্লেখ করা হইয়াছে তদ্রুপ দোষস্বীকার যদি প্রলোভন, ভীতি প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতিদানের ফলে সৃষ্ট ধারণা আদালতের মতে পূর্ণভাবে অপসারিত হইবার পর করা হয়, তবে তাহা প্রাসঙ্গিক।
৬৪.
The Evidence Act, 1872 অনুসারে স্বীকৃতি হলো স্বীকৃত বিষয় সম্পর্কে ________।
ক
চূড়ান্ত প্রমাণ নয়
খ
চূড়ান্ত প্রমাণ
গ
প্রামাণ্য প্রমাণ নয়
ঘ
সাধারণ প্রমাণ
সঠিক উত্তর: ক
চূড়ান্ত প্রমাণ নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
চূড়ান্ত প্রমাণ নয়
ক
ব্যাখ্যা
ধারা: ৩১ মতে স্বীকৃতি চুড়ান্ত প্রমাণ নহে; তবে প্রমাণে প্রতিবন্ধ সৃষ্টি করিতে পারে।
স্বীকৃতি স্বীকৃত বিষয় সম্পর্কে চূড়ান- প্রমাণ নহে। তবে তাহা এই আইনের বর্ণিত বিধান সমূহ অনুসারে প্রতিবন্ধ হিসাবে কার্যকারী হইতে পারে।
৬৫.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় সাক্ষীর যোগ্যতা সম্পর্কে বলা হয়েছে?
ক
১০৭
খ
১২০
গ
৯১
ঘ
১০১
সঠিক উত্তর: খ
১২০
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১২০
খ
ব্যাখ্যা
• ধারা: ১২০ মতে দেওয়ানি মোকদ্দমার পক্ষগণ এবং তাদের স্ত্রীগণ বা স্বামীগণ ফৌজদারি মামলার বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী।
• সকল দেওয়ানি কার্যধারার পক্ষগণ এবং কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষী হবে। কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যধারায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবেন ।
• ফৌজদারি মামলায় স্বামী ও স্ত্রী একে অপরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারে তবে পক্ষে নয়। অন্যদিকে দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বামী ও স্ত্রী একে অপরের পক্ষে বা বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারে।
৬৬.
মিথ্যা দলিল প্রস্তুতকরণের কয়টি উপায়ের কথা The Penal Code, 1860 এ বলা হয়েছে?
ক
৪
খ
৩
গ
২
ঘ
৫
সঠিক উত্তর: খ
৩
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৩
খ
ব্যাখ্যা
জালিয়াতি অথবা জালিয়াতি করে অপরকে ঠকানোর লক্ষ্যে মিথ্যা ও জাল দলিল সৃষ্টি মূলত একই ধরনের অপরাধ; তবে শুধুমাত্র দলিলটি লিখলে বা মুদ্রণ করলেই হবে না, দলিলটি অবশ্যই সই, স্বাক্ষরিত ও সম্পাদিত হতে হবে। দন্ডবিধির ৪৬৪ ধারামতে নিম্নলিখিত ৩টি উপায়ে মিথ্যা বা জাল দলিল প্রস্তুত করা যায়। যথা-
• প্রথমত: সঠিক সময়ে সঠিক ব্যক্তি কর্তৃক স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত কিংবা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মানোর উদ্দেশ্যে অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে উক্ত দলিল বা দলিলের অংশবিশেষ প্রণয়ন, স্বাক্ষর, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদন করে অথবা দলিলটি সম্পাদিত হয়েছে বলে বোঝানোর জন্য কোন চিহ্ন বা প্রতীক স্থাপন করে জাল দলিল প্রস্তুত করা যায়; অথবা
• দ্বিতীয়ত: কোন দলিল সঠিকভাবে সম্পাদিত হওয়ার পরে উক্ত দলিল অসাধুভাবে অথবা প্রতারণামূলকভাবে বাতিলকরণের মাধ্যমে বা অন্য কোন উপায়ে দলিলের কোন গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিবর্তন করে জাল দলিল প্রস্তুত করা যায়; অথবা
• তৃতীয়ত: যদি কোন লোক অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এমন কোন ব্যক্তিকে দিয়ে কোন দলিল স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত, সম্পাদিত কিংবা পরিবর্তিত করায় যে লোক মানসিক অপ্রকৃতিস্থতার কারণে অথবা তাকে যেভাবে প্রতারণা করা হয়েছে তার ফলে উক্ত দলিলটির বিষয়বস্তু বা পরিবর্তনের প্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত নয় বলে সে জানে; এভাবে মিথ্যা বা জাল দলিল প্রস্তুত করা যায়।
৬৭.
কোন অপরাধের কারাদণ্ড বিনাশ্রম হবে?
ক
খুন
খ
ডাকাতি
গ
অবৈধ বাধা দান
ঘ
মনুষ্যহরণ
সঠিক উত্তর: গ
অবৈধ বাধা দান
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
অবৈধ বাধা দান
গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪১ মতে অবৈধ বাধাদানের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি কোন ব্যক্তিকে অবৈধভাবে নিয়ন্ত্রণ করে, তবে সে ব্যক্তি একমাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৩০২ ধারা মতে খুনের শাস্তি, ৩৯৫ ধারা মতে ডাকাতির শাস্তি এবং ৩৬৩ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণের শাস্তি সশ্রম কারাদণ্ড।
৬৮.
The Penal Code, 1860 অনুসারে কোনো পণ্য কোনো বিশেষ ব্যক্তির উৎপাদিত বলে বুঝাবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্ন _______ বলে অভিহিত।
ক
trade mark
খ
patents and property mark
গ
property mark
ঘ
patents
সঠিক উত্তর: ক
trade mark
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
trade mark
ক
ব্যাখ্যা
ধারা-৪৭৮; পণ্য-প্রতীক (Trade mark): কোন পণ্যদ্রব্য, কোন বিশেষ ব্যক্তির প্রস্তুত পণ্যদ্রব্য বা ব্যবসায়ের পণ্য বলে নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত চিহ্ন বা মার্কাকে পণ্য-প্রতীক বলে। অর্থাৎ কোন পণ্যদ্রব্যের মালিকানা নির্দেশক চিহ্ন বা মার্কাকে পণ্য- প্রতীক বা Trade mark বলে।
পণ্য-প্রতীক কথাটির দ্বারা ১৮৮৩ সালের পেটেন্টস, ডিজাইনস ও ট্রেড মার্কস আইন অনুযায়ী রক্ষিত পণ্য-প্রতীক রেজিষ্টারে রেজিষ্ট্রিকৃত যে কোন পণ্য-প্রতীককে বুঝাবে ।
ধারা-৪৭৯: সম্পত্তি চিহ্ন (Property mark)- কোন অস্থাবর সম্পত্তি কোন বিশেষ ব্যক্তির স্বত্বাধীন বলে বুঝানোর জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে সম্পত্তি চিহ্ন বলে। অর্থাৎ কোন অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা নির্দেশক চিহ্নকে সম্পত্তি চিহ্ন বা Property mark বলে।
৬৯.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় বেআইনী সমাবেশ এর সংজ্ঞা রয়েছে?
ক
১৪৬
খ
১৪১
গ
১৪৭
ঘ
৪৪৭
সঠিক উত্তর: খ
১৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১৪১
খ
ব্যাখ্যা
দন্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনী সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনী সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।
♦ দন্ডবিধির ১৪১ ধারামতে ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সৃষ্ট সমাবেশে নিম্নলিখিত ৫টি সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object থাকলে তা বেআইনী সমাবেশ বলে গণ্য হবে। সাধারণ উদ্দেশ্যগুলো (common object) নিম্নরূপ যথা- ১) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান; ২) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা । ৩) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন । ৪) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত; অথবা ৫) কোন ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।
♦ সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object বলতে তদ্রূপ উদ্দেশ্যকে বোঝায় যা পূরণকল্পে সমাবেশের সকল সদস্য সমবেত হয়েছিল এবং সেই উদ্দেশ্য হাসিল করবে বলে তারা সকলে জানত; অর্থাৎ বেআইনী সমাবেশ করার জন্য যে সকল উদ্দেশ্য থাকে সেই সকল উদ্দেশ্য সমূহ হলো সাধারণ উদ্দেশ্য।
৭০.
কোনো ব্যক্তি প্রতারণায় ব্যবহৃত হবে জেনে দলিল জাল করলে তার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড _______ বছর।
ক
১৪
খ
৭
গ
১০
ঘ
৫
সঠিক উত্তর: খ
৭
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৭
খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৬৮ মতে কোনো ব্যক্তি প্রতারণায় ব্যবহৃত হবে জেনে দলিল জাল করলে তার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
৭১.
মারাত্মক অস্ত্র দ্বারা স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত প্রদানের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড _________।
ক
৩ বছর
খ
৭ বছর
গ
১০ বছর
ঘ
৫ বছর
সঠিক উত্তর: গ
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
১০ বছর
গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩২৬ মতে স্বেচ্ছাকৃতভাবে মারাত্মক অস্ত্ৰ বা মাধ্যমের সাহায্যে গুরুতর আঘাত দান করা:
কোন ব্যক্তি যদি ৩৩৫ ধারায় বর্ণিত ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে কোন গুলিবর্ষণের, ছুরিকাঘাতের বা কাটার যন্ত্র বা হাতিয়ার দ্বারা গুরুতর আঘাত করে, অথবা যে হাতিয়ার দিয়ে একটি অপরাধ সংঘটনের জন্য এই হাতিয়ারটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে, সে হাতিয়ার দ্বারা গুরুতর আঘাত করে, অথবা কোন বিষ বা ক্ষয়কারী দ্রব্য কর্তৃক গুরুতর আঘাত করে, অথবা কোন বিস্ফোরক দ্রব্য দ্বারা গুরুতরভাবে আহত করে, অথবা যে দ্রব্য শ্বাস কর্তৃক গ্রহণ করলে, উদরস্থ করলে বা রক্তে গ্রহণ করলে তা মানবদেহের পক্ষে ক্ষতিকর হয়, সে দ্রব্য দ্বারা গুরুতর আহত করে অথবা কোন পশু দ্বারা গুরুতর আঘাত করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
৭২.
বৈচারিক কার্যক্রমে মিথ্যা সাক্ষ্য দানের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড _______।
ক
৩ মাস
খ
৬ মাস
গ
১০ বছর
ঘ
৭ বছর
সঠিক উত্তর: ঘ
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
৭ বছর
ঘ
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডে্র ১৯৩ ধারায় মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি (Punishment for false evidence ) দেওয়া আছে : মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করার শাস্তি:
১) অন্য কোন ক্ষেত্রে হলে-৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড। ২) বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম হলে- ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
ব্যাখ্যা ১:- সামরিক আদালত সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
ব্যাখ্যা ২:- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগী কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
৭৩.
The Penal Code, 1860 অনুসারে কোন অপরাধে অর্থদণ্ডের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ নাই?
ক
অবৈধ বাধাদান
খ
স্বেচ্ছাকৃত আঘাত দান
গ
মারামারি
ঘ
দাঙ্গা
সঠিক উত্তর: ঘ
দাঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
দাঙ্গা
ঘ
ব্যাখ্যা
• ধারা: ৩৪১ - অবৈধ বাধাদানের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি কোন ব্যক্তিকে অবৈধভাবে নিয়ন্ত্রণ করে, তবে সে ব্যক্তি একমাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
• ধারা: ৩২৩ - স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দানের শাস্তি: যদি কেউ ৩৩৪ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়াই অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
• ধারা: ১৬০- মারামারির শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
ধারা: ১৪৭ - দাঙ্গার শাস্তি: কোন ব্যক্তি দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হলে, তাকে দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
সুতরাং, The Penal Code, 1860 অনুসারে দাঙ্গার অপরাধে অর্থদণ্ডের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ নাই।
৭৪.
সরকারি কর্মচারী কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে The Penal Code, 1860 অনুযায়ী কারাদণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ কী?
ক
১০ বছর
খ
৭ বছর
গ
যাবজ্জীবন
ঘ
১৪ বছর
সঠিক উত্তর: গ
যাবজ্জীবন
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
যাবজ্জীবন
গ
ব্যাখ্যা
ধারাঃ ৪০৯ সরকারী কর্মচারী বা ব্যাংকার, বণিক বা প্রতিভূ কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গকরণ:
কোন ব্যক্তি যদি সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার পদমর্যাদা বলে অথবা ব্যাংকার, ব্যবসায়, ফ্যাক্টর, দালাল, এটর্নী বা প্রতিনিধি হিসেবে ব্যবসায় সূত্রে কোনভাবে কোন সম্পত্তির জিম্মাদার হয়ে বা উক্ত সম্পত্তির পরিচালনের ভারপ্রাপ্ত হয়ে সে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
৭৫.
The Penal Code, 1860 অনুসারে চুরি _________ সম্পত্তির সাথে সম্পৃক্ত।
ক
শুধু অস্থাবর
খ
শুধু স্থাবর
গ
স্থাবর ও অস্থাবর
ঘ
বুদ্ধিবৃত্তিক
সঠিক উত্তর: ক
শুধু অস্থাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
শুধু অস্থাবর
ক
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।
♦ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। চুরির অপরাধ অস্থাবর সম্পত্তি যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদির সাথে সম্পর্কিত। যখন কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দখলে থাকা কোন অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে গ্রহণ করার অভিপ্রায়ে বা অনুরুপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে, সেই ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। চুরির উপাদান বা শর্তসমূহ: (i) অন্যকোনো ব্যক্তির দখল হতে অসাধুভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করা (ii) সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর সম্পত্তি হবেl যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি। (iii) উক্ত সম্পত্তি অন্য ব্যক্তির দখল থেকে নিতে হবে। (iv) সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া নিবে। (v) চুরি সম্পন্ন হবে যদি সম্পত্তিটি সামান্য হলেও প্রকৃতপক্ষে স্থানান্তর করা হয়।
৭৬.
দেওয়ানী মামলায় মিথ্যাভাবে অন্য কারও নাম ব্যবহারে কোনো স্বীকারোক্তি দিলে তার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড ________ বছর।
ক
2
খ
1
গ
3
ঘ
5
সঠিক উত্তর: গ
3
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
3
গ
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণাঃ কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation):- যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।
♦ উদাহরণসমূহঃ (ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে। (খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে, খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
♦ অর্থাৎ প্রতারণার উদ্দেশ্যে অন্যের পরিচয়ে নিজেকে উপস্থিত করলে তাকে ছদ্মবেশী প্রতারণা বা Cheating by personation বলে।
♦ ৪১৯ ধারায় cheating by personation এর শাস্তি বর্ণিত আছে যা অনধিক ৩ বৎসর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড।
৭৭.
কোন অপরাধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের পরিমাণ বেশি?
ক
স্বেচ্ছাকৃত আঘাত
খ
অনিষ্ট
গ
অবৈধ বাধাদান
ঘ
বেআইনী সমাবেশ
সঠিক উত্তর: ক
স্বেচ্ছাকৃত আঘাত
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
স্বেচ্ছাকৃত আঘাত
ক
ব্যাখ্যা
ধারা ৩২৩ - স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দানের শাস্তি: যদি কেউ ৩৩৪ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়াই অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে। ধারা ৩৪১ - অবৈধ বাধাদানের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি কোন ব্যক্তিকে অবৈধভাবে নিয়ন্ত্রণ করে, তবে সে ব্যক্তি একমাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
ধারা ১৪৩ - বেআইনী সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি বেআইনী সমাবেশে যোগদান করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
ধারা ৪২৬ - অনিষ্টের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি ক্ষতি সাধন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিনমাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৭৮.
The Penal Code, 1860 অনুসারে কয়টি উপায়ে 'House-breaking' এর অপরাধ সংঘটিত হতে পারে?
ক
3
খ
4
গ
5
ঘ
6
সঠিক উত্তর: ঘ
6
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
6
ঘ
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-
i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for ); ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him); iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
৭৯.
The Penal Code, 1860 অনুসারে কোনো ব্যক্তিকে কোনো স্থান থেকে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করলে তাকে ________ বলে।
ক
মনুষ্যহরণ
খ
অপহরণ
গ
অবৈধ বাধাদান
ঘ
বলপ্রয়োগ
সঠিক উত্তর: খ
অপহরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
অপহরণ
খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬২ - অপহরণ: যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।
ধারা ৩৬৩ - মনুষ্য হরণের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
৮০.
নিম্নের কোনটি দণ্ডনীয় নরহত্যা নয়?
ক
দৈহিক জখমের ফলে মৃত্যু
খ
মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায়ে কৃত কাজ
গ
মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে জেনেও কৃত কাজ
ঘ
মাতৃগর্ভস্থ শিশুর মৃত্যু
সঠিক উত্তর: ঘ
মাতৃগর্ভস্থ শিশুর মৃত্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
মাতৃগর্ভস্থ শিশুর মৃত্যু
ঘ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার ব্যাখ্যা ৩ অনুযায়ী- মাতৃগর্ভস্থ শিশুর মৃত্যু (death of a child in the mother's womb)- মাতৃগর্ভস্থ কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো খুন বা নিন্দনীয় নরহত্যা কোনটাই হবে না।
তবে মাতৃগর্ভস্থ শিশুটি সম্পূর্ণরূপে জন্মগ্রহণ না করেও শিশুটির দেহের কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর (if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born) জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হলে তা নিন্দনীয় নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে।
৮১.
The Penal Code, 1860 অনুসারে রাষ্ট্রদ্রোহ হলো _________।
ক
রাষ্ট্রপতির প্রতি অবজ্ঞা
খ
সরকারের প্রতি বিদ্বেষ
গ
রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
ঘ
রাষ্ট্রের প্রতি অবজ্ঞা
সঠিক উত্তর: খ
সরকারের প্রতি বিদ্বেষ
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
সরকারের প্রতি বিদ্বেষ
খ
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৪ক রাষ্ট্রদ্রোহিতা: কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
ব্যাখ্যা ১: ‘বৈরিতা' বলতে রাজানুগত্যহীনতা এবং সর্বপ্রকার শত্রুতার ভাব বুঝায়।
ব্যাখ্যা ২: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই আইনসম্মত উপায়ে পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
ব্যাখ্যা ৩: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করার বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক বা অন্যরূপ কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
৮২.
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় রয়েছে?
ক
৪২৭
খ
৩২৬
গ
৩০৭
ঘ
৫০৬
সঠিক উত্তর: ঘ
৫০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
৫০৬
ঘ
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তিকে আতঙ্কিত করার জন্য উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি বা সুনাম বা দেহের ক্ষতি ( injury to property, reputation or person) করার ভয় বা হুমকি (threat) দেখানো হলে, তাকে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন বা Criminal Intimidation বলে।
♦ দণ্ডবিধির ৫০৬ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি রয়েছে যা অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৮৩.
The Penal Code, 1860 এর ৯৭ ধারানুসারে কোন অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তির সম্পত্তির প্রতিরক্ষার অধিকার থাকবে?
ক
প্রতারণা
খ
আত্মসাৎ
গ
চুরি
ঘ
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর: গ
চুরি
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
চুরি
গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৯৭ - দেহ ও সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার: ৯৯ ধারায় আরোপিত নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে প্রত্যেক ব্যক্তির-
• প্রথমত: মানবদেহ বিষয়ক কোন অপরাধের বিরুদ্ধে তার নিজের দেহ এবং অপর যে কোন ব্যক্তির দেহ রক্ষা করার ব্যক্তিগত অধিকার রয়েছে;
• দ্বিতীয়ত: এমন কোন অপরাধজনক কাজের বিরুদ্ধে তার নিজের বা অপর যে কোন ব্যক্তির স্থাবর অথবা অস্থাবর সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার রয়েছে, যে কাজটি চুরি, দস্যুতা, অনিষ্টকারিতা কিংবা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের সংজ্ঞানুসারে একটি অপরাধ, অথবা যে কাজটি চুরি, দস্যুতা, অনিষ্টকারিতা কিংবা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের প্রয়াসস্বরূপ।
৮৪.
সম্পদটি চোরাই জেনেও তা অসাধুভাবে দখলে রাখার অপরাধ বিষয়ে The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় বলা হয়েছে?
ক
৪১০
খ
৪১১
গ
৩৮০
ঘ
৩৭৯
সঠিক উত্তর: খ
৪১১
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৪১১
খ
ব্যাখ্যা
♦ The Penal Code, 1860 এর ৪১১ ধারার বিধান অসাধুভাবে চোরাইমাল গ্রহণ করা: কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি বলে জানা সত্ত্বেও, বা উহা চোরাই সম্পত্তি বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও অসাধুভাবে অনুরূপ চোরাই সম্পত্তি গ্রহণ করে বা রেখে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৮৫.
The Penal Code, 1860 অনুসারে মনুষ্যহরণ কত প্রকার?
ক
৩
খ
২
গ
৪
ঘ
৫
সঠিক উত্তর: খ
২
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
২
খ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার। যথা: (i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ (ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।
৮৬.
'কোনো আইনজীবী সরকারি পদে থাকাকালে কোনো কাজ করলে অবসর গ্রহণের পর একই বিষয়ে নিজেকে নিযুক্ত করতে পারেন না।' -এটি কার প্রতি একজন আইনজীবীর আচরণ হওয়া উচিত?
ক
আদালত
খ
অন্যান্য আইনজীবী
গ
মক্কেল
ঘ
জনগণ
সঠিক উত্তর: ঘ
জনগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
জনগণ
ঘ
ব্যাখ্যা
♦ পেশাগত সদাচারণ ও নিয়মানুবর্তিতা এর ৪র্থ অধ্যায় ৭ বিধি- একজন আইনজীবী এমন কোন মামলা পরিচালনার দায়িত্ব নিবে না, যে মামলা সংক্রান্ত কোন বিষয়ে ইতোপূর্বে বিচারকের পদমর্যাদায় কোন দায়িত্বপালন করেছে। সরকারী দায়িত্ব পালন কিংবা সরকারী চাকুরিতে থাকা অবস্থায় যে সব বিষয়ে তিনি তদন্ত কিংবা দেখভাল করেছে অবসরগ্রহনের পর তিনি উক্ত বিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোন মামলার আইনজীবী নিয়োজিত হতে পারবেনা।
৮৭.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর কোন অনুচ্ছেদটি 'লিঙ্গ বৈষম্য বিরোধী'?
ক
৩০
খ
৩২
গ
২৭
ঘ
২৮
সঠিক উত্তর: ঘ
২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
২৮
ঘ
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 Article 28. No woman shall be disqualified for admission to be an advocate for reason only of her sex.
৮৮.
‘Enrolment Committee' এর চেয়ারম্যানকে মনোনয়ন দেন কে?
ক
সরকার
খ
রাষ্ট্রপতি
গ
প্রধান বিচারপতি
ঘ
প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর: গ
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
প্রধান বিচারপতি
গ
ব্যাখ্যা
♦নিবন্ধন কমিটি গঠিত হবে ৫ জন সদস্য নিয়ে। নিবন্ধন কমিটির সদস্যরা হলো (i) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত আপীল বিভাগের ১ জন বিচারক যিনি নিবন্ধন কমিটির সভাপতি হবে। (ii) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত হাইকোর্ট বিভাগের ২ জন বিচারক। (iii) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল। (iv) বার কাউন্সিলের সদস্যেদের মধ্যে হতে নির্বাচিত ১ জন।
অর্থাৎ ‘Enrolment Committee' এর চেয়ারম্যানকে মনোনয়ন দেন প্রধান বিচারপতি।
৮৯.
একজন আইনজীবী কোন মামলায় তার মক্কেলের জন্য আনুষ্ঠানিক বিষয় ব্যতীত অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষী হলে তিনি মামলাটি(র) ___________।
ক
নিজের কাছে রাখলেও স্বাক্ষ্য দিবেন না
খ
ছেড়ে দিলেও সাক্ষ্য দিবেন
গ
নিজের কাছে রাখবেন ও সাক্ষা দিবেন
ঘ
বিচারকার্য অন্য আইনজীবীর নিকট ছেড়ে দিবেন
সঠিক উত্তর: ঘ
বিচারকার্য অন্য আইনজীবীর নিকট ছেড়ে দিবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
বিচারকার্য অন্য আইনজীবীর নিকট ছেড়ে দিবেন
ঘ
ব্যাখ্যা
♦পেশাগত সদাচারণ ও নিয়মানুবর্তিতা এর ২য় অধ্যায় (CHAPTER-II)-মক্কেলেদের প্রতি আচরণ (CONDUCT WITH REGARD TO CLIENTS)-বিধি-১৩ এর বিধান যদি কোন কারণে একজন আইনজীবীকে মক্কেলের দলিল দস্তাবেজ প্রত্যয়ন কিংবা উহার জিম্মাদারী সম্পর্কিত কোন আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব ব্যতিরেকে, সাক্ষী হতে হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত আইনজীবী উক্ত মামলাটি অন্য কোন আইনজীবীর নিকট হস্তান্তর করবে। ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রয়োজন না হলে তিনি তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করবেনা ।
♦অর্থাৎ কোন আইনজীবী মক্কেলের মামলায় সাক্ষী হলে, সেই মামলার দায়িত্ব অন্য আইনজীবীর উপর অর্পণ করতে হবে। তবে সাক্ষ্য যদি দলিল বা জিম্মাদার বিষয়ে হয় তাহলে, তিনি নিজেই মামলা চালাতে পারবেন।
৯০.
একজন পাবলিক প্রসিকিউর এর প্রাথমিক দায়িত্ব কী?
ক
আসামীপক্ষে যায় এমন ঘটনা গোপন করা
খ
সর্বদা রাষ্ট্রপক্ষের বিজয় নিশ্চিতকরণ
গ
ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ
ঘ
আসামীকে দোষী সাব্যস্তকরণ
সঠিক উত্তর: গ
ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ
গ
ব্যাখ্যা
♦ অচরণবিধির অধ্যায় ৩, বিধি ৫ঃ ফৌজদারি মামলায় সরকার পক্ষের আইনজীবীর প্রাথমিক দায়িত্ব সাজা দেয়া নয় বরং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং এজন্য তিনি কোন ঘটনা বা সাক্ষ্য কোনভাবে লুকাবেন না। (The primary duty of an Advocate engaged in public prosecution is not to convict, but to see that the justice is done. The suppression of facts or the concealing of witnesses capable of establishing the innocence of the accused is highly reprehensible.)
♦ পাবলিক প্রসিকিউটরের প্রাথমিক দায়িত্ব দায়িত্বই হচ্ছে- ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। শুধু আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা নয়। আসামিকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য ঘটনা গোপন রাখা বা সাক্ষীদের লুকিয়ে রাখা অত্যন্ত নিন্দনীয়।
৯১.
The Limitation Act, 1908 এর 'বৈধ অপারগতা' সংক্রান্ত বিধান কোন মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
ক
স্বত্ব প্রচার
খ
অগ্রক্রয়
গ
বাটোয়ারা
ঘ
দখল পুনরুদ্ধার
সঠিক উত্তর: খ
অগ্রক্রয়
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
অগ্রক্রয়
খ
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ৬-৭ ধারায় মামলা করার অধিকার সৃষ্টির সময় বাদী legal disability তে আক্রান্ত থাকলে তখন তামাদির মেয়াদ গণনা বন্ধ রাখার বিধান আছে। কিন্তু এই বিধান অগ্রক্রয়ের আবেদন বা মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ধারা ৮ এ এই বিষয়ে উল্লেখ আছে।
৯২.
দলিল বাতিলের মামলার তামাদি The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত?
ক
৫১
খ
১২০
গ
৯১
ঘ
১১৩
সঠিক উত্তর: গ
৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৯১
গ
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ-৯১ কোন দলিল রদ [Set aside] বা বাতিল [Cancel] করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্যকোন বিধান নেই সেক্ষেত্রে যে সকল ঘটনা বাদীকে উক্ত দলিল বাতিল বা রদ করার অধিকার দান করে সেগুলি যখন বাদী অবগত হয় তখন থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
৯৩.
The Limitation Act, 1908 এর কোন ধারায় দলিলে বর্ণিত সময়ের হিসাব করার বিধান রয়েছে?
ক
২৫
খ
২৪
গ
২৩
ঘ
২৬
সঠিক উত্তর: ক
২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
২৫
ক
ব্যাখ্যা
♦ দলিলে উল্লেখিত সময়ের গণনা (Computation of Time mentioned in instruments )- তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লেখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে। তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় দলিল গ্রেগরীয়ান বর্ষপঞ্জী (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচীত হবে।
৯৪.
১৪ বছর বয়সী X ২০১৪ সালে চুক্তি বলবতকরণের মামলা করার অধিকার লাভ করে। X এর মামলা করার তামাদি উত্তীর্ণ হবে __________ সালে।
ক
২০১৯
খ
২০১৭
গ
২০১৮
ঘ
২০১৫
সঠিক উত্তর: ক
২০১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
২০১৯
ক
ব্যাখ্যা
ধারা-৬(১): আইনগত অক্ষমতা চলমান থাকলে- তামাদি আইনের ৬(১) ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যতদিন পর্যন্ত আইনগত অক্ষমতায় ভোগে, ততদিন পর্যন্ত সেই ব্যক্তি আদালতে কোন মামলা বা দরখাস্ত করতে পারে না। তবে উক্ত ব্যক্তির আইনগত অক্ষমতার অবসান হয়ে গেলে অর্থাৎ সুস্থ হলে সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি আইনগত অক্ষমতায় না ভুগলে যে সময়ের মধ্যে মামলা বা দরখাস্ত করতে পারত, ঐরূপ একই সময়ের মধ্যে তিনি মামলা দায়ের বা দরখাস্ত করতে পারবেন।
যেমন- রহিম নাবালক থাকাকালে একটি নৌকার ভাড়া আদায়ের জন্য মামলা করার অধিকার অজর্ন করল। মামলা করার অধিকার অর্জনের ৪ বৎসর পর সে সাবালক হল। এক্ষেত্রে রহিম সাবালক হওয়ার তারিখ থেকে আইনে উল্লেখিত সময়ের (এই ক্ষেত্রে ৩ বছর) মধ্যে যে কোন সময় সে উক্ত মামলা দায়ের করতে পারবে।
♦ তামাদি আইনের ১১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট চুক্তি প্রবলের মোকাদ্দমার তামাদির মেয়াদ ১ বছর । চুক্তি সম্পাদনে অস্বীকৃতির বিষয় জানতে পারার দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে সুনির্দিষ্ট চুক্তি সম্পাদনের জন্য মামলা করতে হবে।
সুতরাং, X এর আইনগত অক্ষমতার অবসান হয় ২০১৮ সালে। এবং সুনির্দিষ্ট চুক্তি প্রবলের মোকাদ্দমার তামাদির মেয়াদ ১ বছর হওয়ার কারণে মামলা করার তামাদি উত্তীর্ণ হবে ২০১৯ সালে।
৯৫.
স্বত্ব ঘোষনা সংক্রান্ত মামলা দায়েরের নিমিত্ত তামাদির মেয়াদ কত?
ক
৩ বছর
খ
৬ বছর
গ
১ বছর
ঘ
১২ বছর
সঠিক উত্তর: খ
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৬ বছর
খ
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়।
♦ স্বত্ব ঘোষনা সংক্রান্ত মামলা দায়েরের নিমিত্ত তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের ১ম তফসিলে সরাসরি উল্লেখ নাই এজন্য এই ক্ষেত্রে ১২০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে। ♦ অর্থাৎ, স্বত্ব ঘোষনা সংক্রান্ত মামলা দায়েরের নিমিত্ত তামাদির মেয়াদ ৬ বছর।
৯৬.
Malicious prosecution এর কারণে ক্ষতিসাধনের মামলার তামাদি কত?
ক
৬ বছর
খ
১ বছর
গ
১২ বছর
ঘ
৩ বছর
সঠিক উত্তর: খ
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১ বছর
খ
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ২৩ এর বিধান বিদ্বেষমূলকভাবে ফৌজদারীতে সোপর্দকরণের জন্য ক্ষতিপূরণ [Compensation for malicious prosecution] এর মামলার তামাদি মেয়াদ ১ বছর। যখন বেকসুল খালাস হয় অথবা যখন মামলার অবসান ঘটে তখন থেকে।
৯৭.
না চলানো হেতু খারিজ হওয়া আপিল পুনরায় গ্রহণের নিমিত্ত দরখাস্ত আনয়নের তামাদির মেয়াদ কত?
ক
৩০ দিন
খ
৭ দিন
গ
৬০ দিন
ঘ
২০ দিন
সঠিক উত্তর: ক
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
৩০ দিন
ক
ব্যাখ্যা
♦ The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৬৮ এর বিধান না চলানো হেতু খারিজ হওয়া আপিল পুনরায় গ্রহণের নিমিত্ত দরখাস্ত আনয়নের তামাদির মেয়াদ ৩০ দিন।
৯৮.
প্রতারণামূলক ডিক্রি রদ-রহিতের জন্য আনীত মামলার তামাদি কত?
ক
১২ বছর
খ
৩ বছর
গ
১ বছর
ঘ
৬ বছর
সঠিক উত্তর: খ
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৩ বছর
খ
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৯৫ এর বিধান প্রতারণামূলক ডিক্রি রদ-রহিতের জন্য আনীত মামলার তামাদি মেয়াদ ৩ বছর।
৯৯.
কোনো মামলায় আইনজীবীর খরচা আদায় বাবদ মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
ক
৬ বছর
খ
১২ বছর
গ
৩ বছর
ঘ
১ বছর
সঠিক উত্তর: গ
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৩ বছর
গ
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ১ম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৮৪ অনুসারে, কোনো অ্যাডভোকেটের মামলা বা নির্দিষ্ট কাজের খরচা আদায়ের জন্য মামলার তামাদি ৩ বছরের। এই সময়কাল শুরু হয় মামলা বা কাজের সমাপ্তির তারিখ থেকে (বা অ্যাডভোকেট যদি সঠিকভাবে মামলা বা কাজ বন্ধ করে দেন, তাহলে সেই বন্ধের তারিখ থেকে)।
১০০.
ভুলের কারণে প্রতিকার লাভের মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
ক
১ বছর
খ
১২ বছর
গ
৬ বছর
ঘ
৩ বছর
সঠিক উত্তর: ঘ
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
৩ বছর
ঘ
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৯৬ এর বিধান ভুলের কারণে প্রতিকার লাভের মামলার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।
♦ প্রতারণা বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের কারণে লিখিত দলিল বা চুক্তি সত্যিকারভাবে পক্ষগণের উদ্দেশ (intention) প্রকাশ না করলে, প্রকৃত উদ্দেশ্য দলিলে সন্নিবেশ করার জন্য দলিল সংশোধন করা যায়।
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। ♦ দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা। (Discretionary Power) ♦ চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে। ♦ দলিল সংশোধনের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর (‘তামাদি আইন, ১৯০৮' অনুচ্ছেদ ৯৫ ও ৯৬)।