পরীক্ষা আর্কাইভ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

পরীক্ষাগুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভারতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১০ বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ------------------- টপিক: i) জনশুমারি, অর্থনৈতিক সমীক্ষা, জাতীয় বাজেট, পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ও কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, শিল্প উৎপাদন ও আমদানি-রপ্তানি সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও উন্নত ফসলের জাত। [নম্বর কাভার - ৩]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
FBCCI কী?
  1. উত্তর আমেরিকান পোশাক ক্রেতাদের জোট
  2. বাংলাদেশের উন্নয়নে নিয়জিত দেশ ও প্রতিষ্ঠানের জোট
  3. বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি ব্যবসায়ীদের জোট
  4. বাংলাদেশে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন
ব্যাখ্যা
এফবিসিসিআই:
- FBCCI এর পূর্ণরূপ: The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry (FBCCI).
- এটি বাংলাদেশে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন।
- এ সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন ও চেম্বারসমূহকে একত্রিত করে সামগ্রিক ব্যবসা উন্নয়নে কাজ করা।
- দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ১৯৭৩ সালে ট্রেড অর্গানাইজেশন অর্ডিন্যান্স অ্যান্ড কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯১৩- এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে
• এলায়েন্স (Alliance) হলো উত্তর আমেরিকান পোশাক ক্রেতাদের জোট।
• বিডিএফ (BDF) হলো বাংলাদেশের উন্নয়নে নিয়োজিত দেশ ও প্রতিষ্ঠানের জোট।
• এফআইসিসিআই (FICCI) হলো বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি ব্যবসায়ীদের জোট।

উৎস: প্রথম আলো।
.
বস্তিতে বসবাসকারী সবচেয়ে কম জনসংখ্যা কোন বিভাগে?
  1. সিলেট বিভাগে
  2. রাজশাহী বিভাগে
  3. ময়মনসিংহ বিভাগে
  4. ঢাকা বিভাগে
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ বিভাগে
ব্যাখ্যা
বস্তিতে বসবাসকারী জনসংখ্যা:
• বস্তিতে বসবাসকারী মোট জনসংখ্যা ১৭,৩৬,৩০২ জন।
- পুরুষ ৮,৯৭,৪০৩ জন
- নারী ৮,৩৮৪৪৩ জন
- হিজরা ৪৫৬ জন
• বস্তিতে বসবাসকারী জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৮,৬৮,৫৩৭জন)।
বস্তিতে বসবাসকারী জনসংখ্যা সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৩১,৯১৪জন)।


উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২, চুড়ান্ত রিপোর্ট।
.
বর্তমানে দেশে পৌরসভা সংখ্যা কয়টি?
  1. ৩২৭ টি
  2. ৩২৮ টি
  3. ৩২৯ টি
  4. ৩৩০ টি
সঠিক উত্তর:
৩৩০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩০ টি
ব্যাখ্যা
পৌরসভা 
• দেশে মোট পৌরসভা ৩৩০ টি। সর্বশেষ পৌরসভা সাতক্ষীরার শ্যামনগর।

 শ্যামনগর পৌরসভা
- রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে ২৯ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে ৪৬.০০,০০০০,৬৪.৩১.২২৮.১৮-৭৮ নং স্মারকের এক পত্রে শ্যামনগরকে পৌরসভা ঘোষণা করে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আক্তার হোসেনকে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে।
- এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে এসংক্রান্ত চুড়ান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।
- এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) আইন, ২০২২’ এর ৯ ধারা (১) উপ-ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার জনাব মোঃ আক্তার হোসেন (আইডি নং-১৭৮৩২), উপজেলা নির্বাহী অফিসার, শ্যামনগর, সাতক্ষীরাকে শ্যামনগর পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করল।
স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ ও সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধান অনুযায়ী প্রশাসক শ্যামনগর পৌরসভার সার্বিক কর্মকান্ড পরিচালনা করবেন। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

উৎস: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
.
অর্থনৈতিক সমীক্ষায় দেশে মোট শিল্পনগরীর সংখ্যা কয়টি?
  1. ৪০টি
  2. ৬০টি
  3. ৮০টি
  4. ১০০টি
সঠিক উত্তর:
৮০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০টি
ব্যাখ্যা
বিসিক শিল্পনগরী নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
• মোট শিল্পনগরীর সংখ্যা: ৮০টি।
- উৎপাদনরত মোট শিল্প ইউনিট: ৪৭৬৯টি (ফেব্রুয়ারী, ২০২৩ পর্যন্ত)।
- ৮০টি শিল্পনগরীতে জুন ২০২২ পর্যন্ত স্থাপিত শিল্প- কারখানাসমূহে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৪৩,২৫৯.৭৭ কোটি টাকা।
- ২০২০-২১ অর্থবছরে শিল্প কারখানাগুলোতে মোট ৭৬,৪১০.১৬ কোটি টাকার পণ্য উৎপাদিত হয়েছে, যার মধ্যে ৪৬,২২৯.৩৭ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে।
- বিদেশে রপ্তানিকৃত এসব পণ্য সামগ্রীর মধ্যে বেশির ভাগই হচ্ছে হোসিয়ারি ও নীটওয়্যার শিল্প খাত থেকে।

দেশের জিডিপিতে শিল্পখাত:
- শিল্প খাত (বৃহৎ): ৩৭.৫৬%,
• খনিজ ও খনন: ১.৭৫%,
• ম্যানুফ্যাকচারিং: ২৪.৯৫%,
• বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা: ১.২১%,
• পানি সরবরাহ: ০.১০%,
• নির্মাণ: ৯.৫৫%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
.
কোন জেলায় বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. রংপুর
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড:
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড রাজশাহী জেলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড ১৯৭৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ রেশম বোর্ড নামে যাত্রা শুরু করে।
- ২০১৩ সালে রেশম বোর্ড, রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এবং সিল্ক ফাউন্ডেশন কে একীভূত করে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড গঠন করা হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।
.
আওয়ামী লীগ সরকারের সর্বশেষ বাজেট কে উত্থাপন করেন?
  1. আবুল হাসান মাহমুদ আলী
  2. শেখ হাসিনা
  3. আ হ ম মুস্তফা কামাল
  4. আবুল মাল আব্দুল মোহিত
সঠিক উত্তর:
আ হ ম মুস্তফা কামাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আ হ ম মুস্তফা কামাল
ব্যাখ্যা
• ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট  
- এটি দেশের ৫২তম, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ২৪তম ও আ হ ম মুস্তফা কামালের পঞ্চম বাজেট।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার এর আগের অর্থবছরের চেয়ে ১২ দশমিক ৩৪ শতাংশ বড়।
- বাজেটটি ৫০ লাখ ৬ হাজার ৬৭২ কোটি টাকার প্রাক্কলিত জিডিপির ১৫ দশমিক ২১ শতাংশ।
-  বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা, যা মোট জিডিপির ৫ দশমিক ২ শতাংশ।
- ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক উৎস থেকে ১ লাখ ২ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা সংগ্রহের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।
- রাজস্ব হিসেবে ৫ লাখ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
- লক্ষ্যমাত্রা অনুসারে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সংগ্রহ করবে ৪ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যন্য উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে আরও ৭০ হাজার কোটি টাকা।
- প্রস্তাবির বাজেটে ব্যয়ের খাতগুলোর মধ্যে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৭৫ হাজার ২৮১ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন ব্যয় ২ লাখ ৭৭ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা।

• খাতভিত্তিক বরাদ্দ
- বাজেটে ১৩টি খাতে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে।
- খাতভিত্তিক বরাদ্দ হলো
• জনসেবা খাতে ২ লাখ ৭০ হাজার ২৭০ কোটি টাকা,
• স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন খাতে ৪৯ হাজার ৩৪২ কোটি টাকা,
• প্রতিরক্ষা খাতে ৪২ হাজার ১৪২ কোটি টাকা,
• জন নিরাপত্তা খাতে ৩২ হাজার ২৬৫ কোটি টাকা,
• শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে ১ লাখ ৪ হাজার ১৩৯ কোটি টাকা, স্বাস্থ্য খাতে ৩৮ হাজার ৫০ কোটি টাকা,
• সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ খাতে ৪০ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা,
• আবাসন খাতে ৭ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা,
• বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৩৪ হাজার ৮১৯ কোটি টাকা,
• শিল্প ও অর্থনৈতিক সেবা খাতে ৫ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা,
• পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে ৮৭ হাজার ৬২৫ কোটি টাকা,
• কৃষি খাতে ৪৩ হাজার ৭০৩ কোটি টাকা
• এবং বিনোদন, সংস্কৃতি ও ধর্ম খাতে ব্যয় ৫ হাজার ৫৬২ কোটি টাকা।

উৎস:- জাতীয় বাজেট ২০২৩।
.
২০২৩ - ২৪ অর্থবছরে সাধারণ করমুক্ত আয়সীমা গত অর্থবছর থেকে কত টাকা বেড়েছে?
  1. ২৫ হাজার টাকা
  2. ৫০ হাজার টাকা
  3. ৭৫ হাজার টাকা
  4. ১ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০ হাজার টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
করমুক্ত আয়সীমা 
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।
- পরবর্তী ১ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের ওপর ৫ শতাংশ, পরবর্তী ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের ওপর ১০ শতাংশ, পরবর্তী ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের ওপর ১৫ শতাংশ, পরবর্তী ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের ওপর ২০ শতাংশ এবং এর চেয়ে বেশি আয়ের ওপর ২৫ শতাংশ হারে কর আরোপ করা হয়েছে।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতাদের আয়সীমা ৪ লাখ টাকা । 
- প্রতিবন্ধীদের ব্যক্তি করদাতা  ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করা।
-  গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লাখ টাকা ।
- এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গ করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা  ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।
- এবং কোনো প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিভাবকের ক্ষেত্রে এমন প্রত্যেক সন্তানের জন্য ৫০ হাজার টাকা বেশি করমুক্ত আয়সীমা রাখার প্রস্তাব করছি।  

                         
উৎস:- জাতীয় বাজেট ২০২৩।
.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকীর স্লোগান কোনটি?
  1. Smart service in building Sheikh Mujib's Bangladesh.
  2. Promoting Prosperity and Fostering Inclusiveness.
  3. Promoting Fostering and Prosperity Inclusiveness.
  4. Bangladesh will move forward with Sheikh Hasina's development.
সঠিক উত্তর:
Promoting Prosperity and Fostering Inclusiveness.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Promoting Prosperity and Fostering Inclusiveness.
ব্যাখ্যা
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী
- “ সকলের সাথে সমৃদ্ধির পথে “ ইংরেজিতে “ Promoting Prosperity and Fostering Inclusiveness “ 
স্লোগানকে সামনে রেখে ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সূচকে পিছিয়ে পড়া অঞ্চল ও জনগোষ্ঠীকে চিহ্নিত করে লক্ষ্যভিত্তিক কার্যক্রম গ্রহন করা হয়েছে।

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়া হবে:-
-  কর্মসংস্থান তৈরিতে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা।
- জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করা।
- সবার সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সাম্য ও সমতা নিশ্চিত করা।

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা "ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০" বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় আগামী ৫ বছরে সর্বমোট ১১.৩৩ মিলিয়ন বা ১ কোটি ১৩ লক্ষ ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তার মধ্যে -
- জাতীয় পর্যায়ে মোট কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে ৮.০৮ মিলিয়ন বা ৮০ লক্ষ ৮০ হাজার।
- প্রবাসী বা বৈদেশিক কর্মসংস্থান হবে - ৩.২৫ মিলিয়ন বা ৩২ লক্ষ ৫০ হাজার।

তথ্য:- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী রিপোর্ট।
.
কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয়?
  1. ময়মনসিংহ
  2. গাজীপুর
  3. কুষ্টিয়া
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
কাঁঠাল উৎপাদন:  
• মোট উৎপাদন: ১০,৪৯,৮৯০ মেট্রিক টন। 
• আবাদযোগ্য জায়গা: ৬৯,১৬১ একর। 

• বিভাগ হিসেবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় 
- প্রথম ঢাকা বিভাগ (২,৭০,২৪৯ মেট্রিক টন) ও আবাদযোগ্য জায়গা: ১৫,০২৬ একর। 
- দ্বিতীয় চট্রগ্রাম বিভাগ (১,৯০,৪৫১ মেট্রিক টন) ।

• জেলা হিসেবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় 
- প্রথম গাজীপুর জেলা (১.০১৭৫১ মেট্রিক টন) ও আবাদযোগ্য জায়গা: ৬,৬৮৪ একর।
- দ্বিতীয় কুষ্টিয়া  জেলা (৭৫,১৩৪ মেট্রিক টন)।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২। 
১০.
দেশে ও বিদেশে সোনালি আঁশের প্রসার ও গবেষণার সুযোগ তৈরি করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. জেডিপিসি
  2. বিজেএমসি
  3. বিটিএমসি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জেডিপিসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেডিপিসি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ জুট মিলস্ কর্পোরেশন (বিজেএমসি):
- পাটখাত পুনরুজ্জীবিত ও আধুনিকায়ন করার পাশাপাশি শ্রমিক ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত বকেয়া পরিশোধের লক্ষ্যে ১ জুলাই ২০২০ হতে রাষ্ট্রায়ত্ত ২৫টি পাটকলের শ্রমিক অবসানসহ উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
- সরকার অনুমোদিত মৌলনীতি ও কর্মপরিকল্পনার আওতায় ইজারা বা লিজ পদ্ধতিতে উৎপাদন বন্ধ ঘোষিত বিজেএমসি'র মিলসমূহ আধুনিকায়ন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পুনঃচালুর কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

• জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসি):
- বাংলাদেশের সোনালি আঁশ নামে খ্যাত পাটের বহুমুখীকরণের মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে এর ব্যাপক ব্যবহার, প্রসার ও গবেষণার সুযোগ তৈরির উদ্দেশ্য অর্জনই এ প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।

• বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশন (বিটিএমসি):
- বিটিএমসি নিয়ন্ত্রণাধীন মিলসমূহে সুতা উৎপাদন করা হয়।
- বর্তমানেও বিটিএমসির ভাড়াপদ্ধতিতে চালু মিলসমূহে উৎপাদিত সুতা স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণে স্বল্প পরিসরে হলেও ভূমিকা রাখছে।
- একসময় কাপড়ও উৎপাদন হতো। তবে ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে কম্পোজিট মিলসমূহের বুনন বিভাগ বন্ধ করার পর থেকে বিটিএমসিতে কাপড় উৎপাদন হয় না।

• বাংলাদেশের তাঁত শিল্প:
- তাঁত শিল্প বাংলাদেশের ঐতিহ্যের ধারক।
- এ শিল্পে সারাবছর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ১৫ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান হচ্ছে।
- তাঁতশুমারি, ২০১৮ অনুযায়ী দেশে মোট তাঁত সংখ্যা ২,৯০,২৮২টি।
- দেশের অভ্যন্তরীণ বস্ত্র চাহিদার প্রায় ২৮ শতাংশেরও বেশি তাঁত শিল্প যোগান দিয়ে আসছে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ অনুযায়ী দেশে ইলিশ উৎপাদনের পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ৮.৫৬%
  2. ১১.৯১%
  3. ২১.৩০%
  4. ৫.৪৯%
সঠিক উত্তর:
১১.৯১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১.৯১%
ব্যাখ্যা
মৎস্য উৎপাদন (২০২১ - ২২)
• মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৭,৫৮,৭৩১ মে.টন।
• মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪০,৫২,৭০১ মে.টন।
• লোনা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৭,০৬,০৩০ মে.টন।

বিভিন্ন প্রজাতির মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ ও শতকরা পরিমাণ:
• ইলিশ - ৫,৬৬,৫৯৩ মেট্রিক টন (১১.৯১%)
• চিংড়ি - ২,৬১,১৫৪ মেট্রিক টন (৫.৪৯%) 
• মেজর কার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ১০,১৩,৮১২ মেট্রিক টন (২১.৩০%) 
• এক্সটিক কার্প (সিলভার কার্প, গ্রাস কার্প, ইত্যাদি) -  ৫,২৮,৭৮৮ মেট্রিক টন (১১.১১%) 
• অন্যান্য কার্প (কালি বাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ১,৩৩,৪৬৫ মেট্রিক টন (২.৮০%) 
• তেলাপিয়া -  ৪,০৭,৩৫৯ মেট্রিক টন (৮.৫৬%) 
• পাঙ্গাস - ৪,০৬,১৮৫ (৮.৫৪%)। 

[বর্তমান সরকারের গৃহীত পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনায় ইলিশের আহরণ বেড়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫ দশমিক ৭১ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে।]

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
১২.
'কাজলা' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. গম
  2. বেগুন
  3. ধান
  4. কলা
সঠিক উত্তর:
বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুন
ব্যাখ্যা
• বেগুনের জাত:
- বাংলাদেশে বেগুনের বহু জাত রয়েছে। এক জাত থেকে অন্যজাতে গাছের প্রকৃতি, ফলের রং, আকার, আকৃতি প্রভৃতি বিষয়ে বেশ পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানতঃ লম্বা ফল, গোলাকর ফল ও গোলাকার এই তিন ধরণের বেগুনের চাষ বেশী হয়ে থাকে।

• কিছু বেগুনের উন্নত জাত হলো:
- খটখটিয়া, ইসলামপুরী, নয়ন কাজল, কেজি বেগুন, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, শুকতারা, তারাপুরী (বারি বেগুন ২)
- কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১, লাফাফা।  

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস। 
১৩.
কোনটি উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত?
  1. গৌরব
  2. অনুপম
  3. কৈলাসনগর
  4. চমক
সঠিক উত্তর:
কৈলাসনগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৈলাসনগর
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন। 
১৪.
উন্নয়ন বাজেটের তৃতীয় বরাদ্দ খাত কোনটি?
  1. পরিবহন ও যোগাযোগ
  2. শিক্ষা ও প্রযুক্তি
  3. স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন
  4. জনপ্রশাসন
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দ (খাত অনুসারে):
উন্নয়ন বাজেটের আকার ২,৭৭,৫৮২ কোটি টাকা। উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া কয়েকটি খাত হলো -
• প্রথম খাত 
পরিবহন ও যোগাযোগ; বরাদ্দ- ৭৫,৮১৬ কোটি টাকা। (২৭.৩%)
• দ্বিতীয় খাত 
শিক্ষা ও প্রযুক্তি; বরাদ্দ- ৪৬,৭৪৫ কোটি টাকা (১৬.৮%) 
 • তৃতীয় খাত 
স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন ; বরাদ্দ-  ৪২,০১৮ টাকা (১৫.২%)

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: 
• এছাড়াও বাজেটে মোট পরিচালন ব্যয় (সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও বিভিন্ন বিভাগের খরচ, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক দেনা পরিশোধ ব্যতীত) ধরা হয়েছে ৪,৮৪,২০৩ কোটি টাকা।
• বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ২,৭৭,৫৮২ কোটি।
• উল্লেখ্য, উন্নয়ন ব্যয়, পরিচালন ব্যয় মিলে মোট বাজেটের আকার পাওয়া যায় (২,৭৭,৫৮২ + ৪,৮৪,২০৩ = ৭,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা)।
• পরিচালন ব্যয় থেকে সবচেয়ে বেশি ২০.৫% খরচ হয় ভুর্তুকি ও প্রণোদনা (মোট – ৯৯,২২৭ কোটি টাকা)। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯.৫% খরচ হয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুদ প্রদানের মাধ্যমে (৯৪,৩৭৬ কোটি টাকা)।
• কৃষি খাতে ভর্তুকির পরিমাণ- ১৭,৫৩৩ কোটি টাকা।
• জনপ্রশাসন খাতে ভর্তুকি ও প্রণোদনা ৬০,০৮৭ কোটি টাকা।
• বাজেটে উন্নয়ন ব্যয়ের তুলনায় পরিচালন খরচ বেশি হলে এই ধরণের বাজেটকে 'অনুন্নয়ন বাজেট' নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩।
১৫.
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক আহরিত করসমূহের দ্বিতীয় উৎস কোনটি?
  1. আয়,মুনাফা ও মূলধনের উপর কর
  2. মূল্য সংযোজন কর
  3. আবগারি শুল্ক
  4. রপ্তানি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
আয়,মুনাফা ও মূলধনের উপর কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়,মুনাফা ও মূলধনের উপর কর
ব্যাখ্যা
• জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক আহরিত করের লক্ষ্যমাত্রা ৪,৩০,০০০ কোটি টাকা যা মোট রাজস্বের ৫৬.৪%।
রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক আহরিত করসমূহের উৎস:

• প্রথম
মূল্য সংযোজন কর - ১,৬৩,৮৩৭ কোটি টাকা (৩৮.১%)
• দ্বিতীয়
আয়, মুনাফা ও মূলধনের উপর কর - ১,৫৩,২৬০ কোটি টাকা (৩৫.৬%) 
• তৃতীয়
সম্পূরক শুল্ক - ৬০,৭০৩ কোটি টাকা (১৪.১%) 
• চতুর্থ
আমদানি শুল্ক - ৪৬,০১৫ কোটি টাকা (১০.৭%) 
• পঞ্চম
আবগারি শুল্ক -  ৪,৫৭৯ কোটি টাকা
• ষষ্ঠ
রপ্তানি শুল্ক - ৬৬ কোটি টাকা
• সপ্তম
অন্যান্য -  ১,৫৪০ কোটি টাকা  (১.৪%)
• উল্লেখ্য, দেশে বর্তমানে কর প্রদানকারীর সংখ্যা ৮৮ লক্ষ প্রায়।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩। 
১৬.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় কয়টি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা

- 'সকলের সাথে সমৃদ্ধির পথে' ইংরেজিতে 'Promoting Prosperity and Fostering Inclusiveness'
স্লোগানকে সামনে রেখে ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সূচকে পিছিয়ে পড়া অঞ্চল ও জনগোষ্ঠীকে চিহ্নিত করে লক্ষ্যভিত্তিক কার্যক্রম গ্রহন করা হয়েছে।
- গত ৩০জুন ২০২০ সপ্তম পঞ্চম বার্ষিকী পরিকল্পনা শেষ হয়েছে।
- এর পর থেকে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা শুরু হয়েছে; যার মেয়াদকাল : জুলাই ২০২০ থেকে জুন ২০২৫।
- কোভিট- ১৯ মহামারীর প্রভাব মূল্যায়নে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন একটি স্টাডি সম্পূর্ণ করেছে; ওই স্টাডির ফলগুলো ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় প্রতিফলিত হবে।
- সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের 'আমার গ্রাম, আমার শহর' অঙ্গিকার অনুযায়ী ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে গ্রামীণ রূপান্তর। 

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয় : - 
১। কর্মসংস্থান তৈরিতে প্রবৃদ্ধি বা জিডিপি গ্রোথ।
২। সবার সমান সুবিধা নিশ্চিত করতে সাম্য ও সমতা।
৩। জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করা।

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যসমূহ: 
১. নতুন করে ১ কোটি ১৩লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি।(৮০ লাখ ৫০ হাজার দেশে, ৩২ লাখ ৫০ হাজার বিদেশে)
২. দেশের অগ্রগতি সাধনে ৬৪.৯৫ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ। 
৩. ডেল্টা ২১০০ প্ল্যানের কার্যক্রম শুরু। 
৪. ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮.৫১% অর্জন।
৫. বিনিয়োগের লক্ষ্য মোট জিডিপির ৩৭.৪%
৬. কর-জিডিপি অনুপার হবে ১২.৩০% 
৭. মূল্যস্ফীতি হবে ৪.৮%
৮. দারিদ্রতার হার ১৫.৬% এ নামিয়ে আনা, চরম দারিদ্র্যের হার ৭.৪% এ নামিয়ে আনা। 
৯. বিদ্যুৎ উতপাদন ৩০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীতকরন। 
১০.প্রত্যাশিত গড় আয়ু হবে ৭৪ বছর। 
 
- ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়নে ৫টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার প্রথমটি হচ্ছে ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশ ইতেমধ্যে নিম্ম মধ্যম আয়ের মর্যাদা অর্জন করেছে।
- ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মাধ্যমে ২০২৪ সালের মধ্যে এলডিসি থেকে উত্তরন ও এসডিজি বাস্তবায়নের জন্য সহায়ক হবে।
- বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকি পরিকল্পনা জুলাই ১৯৭৩ থেকে জুন ১৯৭৮, গ্রহন করা হয়েছিল ১৯৭৩ সালে।

উৎস: ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা রিপোর্ট।
১৭.
কোন পঞ্চবার্ষিকীর সাথে 'ভিশন - ২০৪১' সম্পর্কিত?
  1. ষষ্ট পঞ্চবার্ষিকী
  2. পঞ্চম পঞ্চবার্ষিকী
  3. সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী
  4. অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী
সঠিক উত্তর:
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী
ব্যাখ্যা
পঞ্চবার্ষিকী 
• সাম্প্রতিক করোনা পরিস্থিতির জন্য সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ আগেই শেষ হলেও অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা কার্যকর হতে দেরি হয়। ২০২০ সালের ২৩ ডিসেম্বর এটি জাতীয় অর্থনীতিক কাউন্সিলের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) - এর সভায় উত্থাপন করা হয়। ২৯ ডিসেম্বর একনেক তা অনুমোদন করে। পরিকল্পনাটি ২০২০ সালের জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে।

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়া হবে:-
-  কর্মসংস্থান তৈরিতে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা।
- জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করা।
- সবার সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সাম্য ও সমতা নিশ্চিত করা।

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা "ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০" বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

ভিশন - ২০৪১ বাস্তবায়নে ৫টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার প্রথমটি হচ্ছে ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা। বাংলাদেশ ইতেমধ্যে নিম্ন মধ্যম আয়ের মর্যাদা অর্জন করেছে। ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মাধ্যমে ২০২৪ সালের মধ্যে এলডিসি থেকে উত্তরন ও এসডিসি বাস্তবায়নের জন্য সহায়ক হবে।

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় আগামী ৫ বছরে সর্বমোট ১১.৩৩ মিলিয়ন বা ১ কোটি ১৩ লক্ষ ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তার মধ্যে -
- জাতীয় পর্যায়ে মোট কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে ৮.০৮ মিলিয়ন বা ৮০ লক্ষ ৮০ হাজার।
- প্রবাসী বা বৈদেশিক কর্মসংস্থান হবে - ৩.২৫ মিলিয়ন বা ৩২ লক্ষ ৫০ হাজার।

তথ্য:- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী রিপোর্ট।
১৮.
দেশের একমাত্র জাতীয় মান সংস্থা কোনটি?
  1. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন
  2. বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট
  3. বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন
  4. বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন
ব্যাখ্যা
১. বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন-বিএসটিআই (Bangladesh Standards and Testing Institution-BSTI):
- দেশের একমাত্র জাতীয় মান সংস্থা।

২. বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট - বিআইএম (Bangladesh Institute of Management - BIM):
- বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম) ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন শাখায় স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণ, এক বছর মেয়াদি স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা এবং ছয় মাস মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্সসহ অন্যান্য বিশেষায়িত কোর্সের আয়োজন ও পরামর্শসেবা প্রদান করে থাকে।

৩. বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র - বিটাক (Bangladesh Industrial and Technical Assistance Center - BITAC):
দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীকে কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালনা করে আসছে বিটাক। এর ফলে শিল্প ক্ষেত্রে দক্ষ জনবল তৈরিসহ গবেষণার মাধ্যমে আমদানি বিকল্প যন্ত্রাংশ তৈরি করার মাধ্যমে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করে আসছে বিটাক।

৪. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন - এনপিও (National Productivity Organization - NPO):
এনপিও জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে সরকারি কৃষি খাতসহ জাতীয় অর্থনীতির সকল কর্মকান্ডে অব্যাহতভাবে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শিল্প কারখানা ও প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রুপান্তর এবং বেসরকারি উদ্যোগে শিল্পায়নকে উৎসাহিত করার মানসে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতি বছর ০২ অক্টোবর দেশব্যাপী 'জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস' পালন করা হয়।

ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও), শিল্প মন্ত্রণালয় এবং এশিয়ান প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এপিও), জাপান-এর যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরের উৎপাদনশীলতা, গুণগতমান, প্রতিযোগিতা এবং উদ্ভাবনী দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে 'Bangladesh National Productivity Master Plan 2021-2030' প্রণয়ন করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।