পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা: রাজনৈতিক দলসমূহের গঠন, ভূমিকা ও কার্যক্রম, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের পারস্পরিক সম্পর্কাদি, সুশীল সমাজ ও চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীসমূহ এবং এদের ভূমিকা। ২. বাংলাদেশ ও উপমহাদেশের বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজ সংস্কারক।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. রাজনৈতিক ক্ষমতা গ্রহণ
  2. দলীয় সংগঠন নেই
  3. গোষ্ঠীর স্বার্থ বা দাবি আদায়
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক ক্ষমতা গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক ক্ষমতা গ্রহণ
ব্যাখ্যা
• রাজনৈতিক ক্ষমতা গ্রহণ চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য নয়।

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা তাদের স্বার্থগত ইস্যুগুলোতে একই রকম মনোভাব পোষণ করে।
- এই গোষ্ঠী নানাবিধ চাপ প্রয়োগ ও কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে তাদের দাবি-দাওয়া আদায় করে।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এদের কোন দলীয় সংগঠন নেই।
- এদের উদ্দেশ্য রাজনৈতিক ক্ষমতা গ্রহণ নয়।
- সরকারের উপরে চাপ প্রয়োগ করে নিজেদের স্বার্থ বা দাবি আদায় করা হচ্ছে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু কোন বাহিনীর দ্বায়িত্বে ছিলেন?
  1. মুক্তি ফৌজ
  2. গণবাহিনী
  3. রেড আর্মি
  4. আজাদ হিন্দ ফৌজ
সঠিক উত্তর:
আজাদ হিন্দ ফৌজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আজাদ হিন্দ ফৌজ
ব্যাখ্যা
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু:
- ১৮৯৭ সনের ২৩ জানুয়ারি ভারত উপমহাদেশের অন্যতম বীর সন্তান স্বাধীনতাকামী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু উড়িষ্যার কটক শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- পারিবারিক প্রভাবের কারণে হোক বা তৎকালীন ভারতে বিরাজমান উত্তপ্ত রাজনীতিক আবহাওয়ার কারণেই হোক, সুভাষ বসু কৈশোর থেকেই বিদ্রোহী ভাবাপন্ন ছিলেন।
- তিনি ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় চতুর্থ স্থান লাভ করার পরও দেশসেবার ও স্বদেশের মুক্তির আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে সরকারি চাকুরি গ্রহণ করেননি।
- ১৯৩৮ সালে মহাত্না গান্ধীর বিরোধীতার মধ্যেই সুভাষ বসু কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন, গান্ধীর সাথে মতদ্বৈততার কারণে কংগ্রেস ত্যাগ করে অল ইন্ডিয়া ফরোয়ার্ড ব্লক নামে দল গঠন করেন।
- ১৯৪৩ সালে তিনি 'আজাদ হিন্দ' ফৌজের দায়িত্ব নেন এবং আজাদ হিন্দ সরকার গঠন করেন।
- ১৯৪৪ এর মার্চ মাসে তাঁর বাহিনী বার্মা পৌঁছে যায়।
- সুভাষ বসুর লক্ষ্য ছিল সামারিক অভিযানের মাধ্যমে ভারত থেকে ব্রিটিশদের বিতাড়িত করা।
- সুভাষ চন্দ্র বসু ১৯৪৫ সনের ১৮ আগস্ট রহস্যজনক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন বলে সরকারিভাবে জানানো হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মাস্টারদা সূর্যসেন কত সালে চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন করেন?
  1. ১৯২১ সালে
  2. ১৯২৩ সালে
  3. ১৯৩০ সালে
  4. ১৯৩৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৩০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩০ সালে
ব্যাখ্যা
• ১৯৩০ সালের চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের প্রধান সংগঠক মাস্টারদা সূর্যসেন।

মাস্টারদা সূর্য সেন:

- মাস্টারদা সূর্যসেনের জন্ম ১৮৯৪ সালে চট্টগ্রামের রাউজান থানার নোয়াপাড়া গ্রামে।
- পুরো নাম সূর্যকুমার সেন।
- বিএ পড়ার সময় তিনি তাঁর এক শিক্ষক সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী কর্তৃক বৈপ্লবিক আদর্শে দীক্ষিত হন।
- অধ্যাপক সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী যুগান্তর নামে বিপ্লবী দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- সূর্য সেন ১৯১৮ সালে চট্টগ্রামে ফিরে বিপ্লবী যুগান্তর দলকে পুনরুজ্জীবিত করেন।
- শিক্ষকতা করার কারণে তিনি পরিচিত মহলে 'মাস্টারদা' আখ্যা পান।
- ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিলের সশস্ত্র বিদ্রোহ ছিল সূর্যসেনের নেতৃত্বে বিপ্লবীদের দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতি ও সুষ্ঠু পরিকল্পনার ফসল।
- ১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম কারাগারে তাঁর ফাঁসি কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশের রাজনীতিতে 'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' বলা হয় কোন রাজনীতিবিদকে?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  3. শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক
  4. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
• হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে 'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' বলা হয়।

হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী:
- তিনি ১৮৯২ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- সোহ্‌রাওয়ার্দী অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এস.সি (সম্মান) ও বি.সি.এল ডিগ্রি লাভ করেন এবং পরে লন্ডনের গ্রেইজ ইন থেকে ব্যরিস্টার-এট-ল সম্পন্ন করেন।
- ১৯২০ সালে ইংল্যান্ড থেকে ভারতে ফিরেই তিনি রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯২৪ সালে কলকাতা কর্পোরেশনের ডেপুটি মেয়র, ১৯৩৭ সালের নির্বাচনোত্তর ফজলুল হক কোয়ালিশন মন্ত্রিসভার শ্রম ও বাণিজ্য মন্ত্রী, ১৯৪৩-১৯৪৫ সালে খাজা নাজিমউদ্দীন মন্ত্রিসভায় বেসামরিক সরবরাহ মন্ত্রী, ১৯৪৬-৪৭ সালে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, পাকিস্তান আমলে ১৯৫৪-৫৫ সালে মোহাম্মদ আলীর মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী এবং ১৯৫৬-১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী।
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পাকিস্তানের প্রথম ও প্রধান বিরোধীদল আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও সোহ্‌রাওয়ার্দীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
- ১৯৫৫ সালের ২২শে সেপ্টেম্বর শহীদ সোহরাওয়ার্দী দলের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব করলে সর্ব সম্মতিক্রমে তা গৃহীত হয়।
- পাকিস্তানে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এন.ডি.এফ) গঠন করে তিনি ১৯৬২-৬৩ সালের আইয়ুব-বিরোধী সম্মিলিত জোটের আন্দোলনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- সোহ্‌রাওয়ার্দী ১৯৬৩ সালের ৫ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট।
.
বহুমুখী ও ব্যাপক সামাজিক বা জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে নিচের কোনটি সৃষ্টি হয়?
  1. রাজনৈতিক দল
  2. সামরিক বাহিনী
  3. আমলাগণ
  4. সুশীল সমাজ
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দল:
- সাধারণত বহুমুখী ও ব্যাপক সামাজিক বা জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি হয়।
- বহু ও বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দায়-দায়িত্ব রাজনৈতিক দলের কর্মসূচির অন্তর্ভূক্ত থাকে।
- রাজনৈতিক দলের প্রধান বিবেচ্য বিষয় হল বৃহত্তম জাতীয় ও সামাজিক স্বার্থ সাধন।
- রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম জাতীয় জীবনের সকল ক্ষেত্রেই সম্প্রসারিত।
- সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দল গড়ে উঠে।
- এই মতাদর্শের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় নীতি ও ব্যাপক কর্মসূচি রচিত হয় এবং তা বাস্তবে রূপায়িত করার চেষ্টা করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল এমন একটি গোষ্ঠী যার সদস্যগণ অংশীদারী মনোভাবের দ্বারা আবদ্ধ' - কার উক্তি?
  1. অ্যালান বল
  2. জন পিয়ার্স
  3. অ্যালেন পটার
  4. হ্যারি ট্রুম্যান
সঠিক উত্তর:
অ্যালান বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালান বল
ব্যাখ্যা
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সংজ্ঞা:
⇒ অ্যালেন পটার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর পরিবর্তে 'সংগঠিত গোষ্ঠী' (Organized group) শব্দ দু'টি ব্যবহারের পক্ষে। কারণ এ ধারণার মাধ্যমে গোষ্ঠীর সংগঠনের ব্যাপকতাকে আরো যথার্থভাবে অনুধাবন করা সম্ভব।

⇒ অ্যালান বলের মতে, 'চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল এমন একটি গোষ্ঠী যার সদস্যগণ 'অংশীদারী মনোভাবের' দ্বারা আবদ্ধ'।

⇒ এইচ জিগলার এর মতে, চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হচ্ছে এমন একটি সংগঠিত ব্যক্তি সমষ্টি যার সদস্যগণ সরকারি ক্ষমতা প্রয়োগে অংশগ্রহণ করে না। বরং তাদের লক্ষ্য হল সরকারি সিদ্ধান্ত প্রভাবিত করা।

⇒ অ্যালমন্ড গ্যাব্রিয়েল ও জি পাওয়েল বলেন, 'স্বার্থগোষ্ঠী বলতে আমরা নির্দিষ্ট স্বার্থের বন্ধনে আবদ্ধ অথবা সুযোগ-সুবিধা দ্বারা সংযুক্ত এমন এক ব্যক্তিসমষ্টিকে বুঝি যারা এরূপ বন্ধন সম্পর্কে সচেতন'।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
তিতুমীর কোথায় বাঁশেরকেল্লা নির্মাণ করেন?
  1. ফিরোজাবাদ
  2. নারিকেলবাড়িয়া
  3. ব্যারাকপুর
  4. মুর্শিদাবাদ
সঠিক উত্তর:
নারিকেলবাড়িয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারিকেলবাড়িয়া
ব্যাখ্যা
তিতুমীর:
- তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন তাহরিক ই মুহম্মদীয়া।
- মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত মহকুমার চাঁদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- উত্তর ভারত ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে যখন ওয়াহাবি আন্দোলনের (তাহরিক ই মুহম্মদীয়া) জোয়ার চলছে, তখন পশ্চিম বঙ্গের বারাসাত অঞ্চলে তিতুমীরের নেতৃত্বে এই আন্দোলন প্রবল আকার ধারণ করে।
- ওয়াহাবি আন্দোলন ছিল উত্তর ভারতের সৈয়দ আহমদ শহীদের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত।
- তিতুমীর হজ করার জন্য মক্কা শরিফ যান এবং ১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে দেশে ফিরে আসেন।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে তিতুমীর তাঁর প্রধান ঘাটি স্থাপন করেন। নির্মাণ করেন ইতিহাস খ্যাত তাঁর বাঁশের কেল্লা।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে তিতুমীরের বিরুদ্ধে ইংরেজ সরকার এক বিশাল সুশিক্ষিত সেনা বাহিনী প্রেরণ করে। মেজর স্কটের নেতৃত্বে এই বাহিনী তিতুমীরের নারিকেলবাড়িয়ার বাঁশের কেল্লা আক্রমণ করে।এই যুদ্ধে তিনি নিহত হন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রাজা রামমোহন রায়ের প্রকাশিত পত্রিকা নয় কোনটি?
  1. ব্রাহ্মনিকাল ম্যাগাজিন
  2. সমাচার চন্দ্রিকা
  3. সম্বাদ কৌমুদী
  4. মিরাত-উল-আখবার
সঠিক উত্তর:
সমাচার চন্দ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাচার চন্দ্রিকা
ব্যাখ্যা
• 'সমাচার চন্দ্রিকা' রাজা রামমোহন রায়ের প্রকাশিত পত্রিকা নয়।

রাজা রামমোহন রায়:
- বাংলার নবজাগরণের স্রষ্টা, ভারতের প্রথম আধুনিক পুরুষ ছিলেন রাজা রামমোহন রায়।
- ১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহন করেন।
- অসাধারণ পাণ্ডিত্যের অধিকারী রামমোহন, বিশেষ করে আরবি, ফারসি, উর্দু, ল্যাটিন ও গ্রিক ভাষায় অসামান্য দক্ষতা অর্জন করেন।
- তিনি 'সম্বাদ কৌমুদী', ‘মিরাত-উল-আখবার' ও 'ব্রাহ্মনিকাল ম্যাগাজিন' নামে তিনটি পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন।
- তিনি হিন্দু সমাজের সতীদাহ, বাল্যবিবাহ, কৌলিন্য প্রথা, মূর্তিপূজা ও অন্যান্য কুসংস্কার দূর করে আদি একেশ্বরবাদের ভিত্তিতে হিন্দুধর্ম পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হন।
- রাজা রামমোহন ১৮২২ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ‘এ্যাংলো হিন্দু কলেজ' প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দে এই মহাপুরুষ, ভারতীয় নবজাগরণের স্রষ্টা, রাজা রামমোহন রায়ের মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রাজনৈতিক দল নিয়ে যে শাস্ত্রে আলোচনা করে তাকে কী বলা হয়?
  1. Sociology
  2. Stasiology
  3. Geology
  4. Astrology
সঠিক উত্তর:
Stasiology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Stasiology
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দল:
- রাজনৈতিক দল সম্পর্কে বিজ্ঞানসম্মতভাবে আলোচনা মূলত শুরু হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে।
- রাজনৈতিক দল নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তা 'Stasiology' নামে পরিচিত।
- ‘Stasis’ শব্দের অর্থ বিরোধীতার মনোভাব।
- এই শব্দটি গ্রিক থেকে ইংরেজি ভাষায় এসেছে। বিভিন্ন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক দলের সংজ্ঞা দিয়েছেন।
- এসব সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করে বলা যায়, বেশ কিছু সংখ্যক ব্যক্তি যদি রাষ্ট্রের সামাজিক, রাজনৈতিক প্রভৃতি বিশেষ সমস্যা সংক্রান্ত কতকগুলো মূল বিষয়ে সম-মতাবলম্বী হয় এবং মতাদর্শের মূলগত ঐক্যের ভিত্তিতে দেশের উন্নতি বিধানের জন্য শাসন পরিচালনার সুযোগ লাভের উদ্দেশ্যে সংঘবদ্ধভাবে প্রচারকার্য চালিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা করে তবে সেই সংঘবদ্ধ ব্যক্তিদের সংগঠনটিকে রাজনেতিক দল বলে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
ভারতের অহিংস আন্দোলনের প্রবক্তা কে?
  1. ইন্দিরা গান্ধী
  2. রামনাথ সিং
  3. মহাত্মা গান্ধী
  4. জওহরলাল নেহেরু
সঠিক উত্তর:
মহাত্মা গান্ধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাত্মা গান্ধী
ব্যাখ্যা
মহাত্মা গান্ধী:
- তাঁর পুরো নাম মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী।
- তিনি ২ অক্টোবর ১৮৬৯ সালে ভারতে জন্মগ্রহন করেন।
- তিনি ধর্মীয় সহনশীলতা এবং অহিংসার মতবাদ গ্রহণ করেছিলেন।
- ভারতের অহিংস আন্দোলনের প্রবক্তা ও ভারত রাষ্ট্রের জনক মহাত্মা গান্ধী।
- তিনি ১৮৮৮ থেকে ১৮৯১ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডে আইন অধ্যয়ন করেন।
- তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসকে ভারতীয় জাতীয়তাবাদের একটি কার্যকর রাজনৈতিক হাতিয়ারে রূপান্তরিত করেন।
- অসহযোগ আন্দোলন মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বাধীনে প্রবর্তিত ভারতের একটি শক্তিশালী জাতীয়তাবাদী আন্দোলন।
- ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি অনশনের মাধ্যমে কলকাতায় (কলকাতা) দাঙ্গার অবসান ঘটান।
- ১৯৪৮ সালের জানুয়ারী মাসে তিনি একজন তরুণ হিন্দু ধর্মান্ধ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাপিডিয়া।
১১.
মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত কে?
  1. আয়েশা রহমান
  2. বেগম সুফিয়া কামাল
  3. জাহানারা ইমাম
  4. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
সঠিক উত্তর:
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
ব্যাখ্যা
• রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত।

বেগম রোকেয়া:
- ১৮৮০ খ্রিস্টাব্দে রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ গ্রামে বেগম রোকেয়া জন্মগ্রহন করেন।
- তাঁর পিতার নাম জহিরুদ্দীন মোহাম্মদ আবু আলী সাবের ও মায়ের নাম মোসাম্মৎ বাহাতননেসা সাবেরা চৌধুরী।
- বেগম রোকেয়া তাঁর বড় ভাই ইবরাহিম সাবের এবং বড় বোন করিমুন্নেসার কাছে শিক্ষা লাভ করেন।
- বিবাহিত জীবনে তিনি তাঁর স্বামীর কাছ থেকে জ্ঞান চর্চায় উৎসাহ লাভ করেছিলেন।
- স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি তাঁর জীবনের বাকি সময় নারী শিক্ষা আর সমাজসেবায় ব্যয় করেন।
- তিনি স্বামীর নামে ভাগলপুরে একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন।
- ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে তিনি কোলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল উর্দু প্রাইমারি স্কুল স্থাপন করেন।
- ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দে এটি উচ্চ ইংরেজি গার্লস স্কুলে উন্নিত হয়।
- মুসলমান নারী মুক্তি আন্দোলনের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার মনে নারীর প্রতি সমাজের নানা অত্যাচার ও অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে ছিল তীব্র বিদ্রোহের সুর।
- তিনি তাঁর কর্মের মধ্যে তার প্রকাশ ঘটিয়েছেন।
- ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে এই মহীয়সী নারী কোলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
নিচের কোনটি ছাড়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না?
  1. বিরোধী দল
  2. সচিবালয়
  3. সামরিক বাহিনী
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
ব্যাখ্যা
বিরোধী দল:
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য বিরোধী দল অতি আবশ্যক।
- কোন রাষ্ট্রে যদি শক্তিশালী বিরোধী দল না থাকে তাহলে সে রাষ্ট্র স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে পরিণত হবার আশঙ্কা থাকে।
- সরকারকে সর্বদা বিরোধী দলের দাবির প্রতি সহনশীল হতে হবে।
- আবার বিরোধী দল অহেতুক রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি না করার ব্যাপারে সতর্ক থাকবে।
- বস্তুতঃ বিরোধী দল ছাড়া রাজনৈতিক ব্যবস্থাই অচল হয়ে পড়ে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
কার প্রস্তাবনায় ‘All India Muslim League’ গঠিত হয়?
  1. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. নবাব সলিমুল্লাহ
  3. খাজা আব্দুল গণি
  4. হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
নবাব সলিমুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবাব সলিমুল্লাহ
ব্যাখ্যা
নবাব সলিমুল্লাহ:
- ঢাকার আহসান মঞ্জিলে ১৮৭১ সালের ৭ জুন নবাব সলিমুল্লাহ জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা এবং পিতামহের নাম যথাক্রমে নওয়াব স্যার খাজা আহসানুল্লাহ ও নওয়াব স্যার খাজা আব্দুল গণি।
- ১৮৯৩ সালে তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের চাকরি নেন।
- ১৯০১ সালে পিতার মৃত্যুর পর জীবিত জ্যেষ্ঠ পুত্র হিসেবে তিনি ঢাকা নওয়াব এস্টেট এর কর্তৃত্ব লাভ করেন।
- ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর নওয়াব সলিমুল্লাহর প্রস্তাবনায় ‘All India Muslim League’ গঠিত হয়।
- তিনি এর সহ-সভাপতি এবং গঠনতন্ত্র তৈরি কমিটির সদস্য মনোনীত হন।
- লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকা সফরে এলে নওয়াব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে মুসলিম নেতৃবৃন্দ ১৯১২ সালের ৩১ জানুয়ারি তাঁর কাছে বিভিন্ন দাবি পেশ করেন।
- সেদিনই ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং মুসলিমদের জন্য একজন শিক্ষা অফিসার নিয়োগের প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়।
- নওয়াব সলিমুল্লাহ ছিলেন একজন দানশীল ব্যক্তি। আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে তিনি অকাতরে দান করতেন।
- ১৯১৫ সালের ১৬ জানুয়ারি কলকাতার চৌরঙ্গীর বাসভবনে নওয়াব সলিমুল্লাহর মৃত্যু হয়।

তথসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৪.
'স্বার্থ একত্রীকরণকারী' বলা হয় কাকে?
  1. চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
  2. সরকার
  3. জনগণ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
ব্যাখ্যা
• 'স্বার্থ একত্রীকরণকারী' বলা হয় চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে।

চাপসৃষ্টিকারী দল:
- চাপসৃষ্টিকারী দল কোন রাজনৈতিক সংগঠন নয়।
- আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় চাপসৃষ্টিকারী দলের ভূমিকা অপরিহার্য।
- প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সরকারি সিদ্ধান্তকে নিজেদের অনুকূলে প্রভাবিত করাই হল চাপ সৃষ্টিকারী দলের প্রধান কাজ।
- গোষ্ঠী স্বার্থ আদায়ে কাজ করলেও, কোন কোন চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে কখনো কখনো বৃহত্তর জনকল্যাণমূলক বা জাতীয় স্বার্থে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেখা যায়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
'রাজনৈতিক দল হলো এমন একটি সংগঠন যা নির্বাচনে কর্মসূচি স্থির করে এবং প্রার্থী দাঁড় করায়' কার প্রদত্ত সংজ্ঞা?
  1. হ্যারল্ড লাসওয়েল
  2. আর এম ম্যাকাইভার
  3. এলান বল
  4. এডমন্ড বার্ক
সঠিক উত্তর:
হ্যারল্ড লাসওয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যারল্ড লাসওয়েল
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দল সম্পর্কিত সংজ্ঞা:
⇒ হ্যারল্ড লাসওয়েল এর মতানুসারে- 'রাজনৈতিক দল হলো এমন একটি সংগঠন যা নির্বাচনে কর্মসূচি স্থির করে এবং প্রার্থী দাঁড় করায়'।

⇒ অধ্যাপক আর এম ম্যাকাইভার তাঁর ‘দ্য মডার্ণ স্টেট’ গ্রন্থে রাজনৈতিক দল সম্পর্কে বলেন, 'যারা কতগুলো সুনির্দিষ্ট নীতির ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয় এবং সাংবিধানিক উপায়ে সরকার গঠন করতে তৎপর হয়, তাদেরকে রাজনৈতিক দল বলা হয়'।

⇒ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও রাজনীতিবিদ এডমন্ড বার্ক রাজনৈতিক দলের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন, 'রাজনৈতিক দল হল নির্দিষ্ট ও স্বীকৃত নীতির ভিত্তিতে এবং সমবেত প্রচেষ্টার মাধ্যমে জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য একত্রিত এক জনসমষ্টি'।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
তাজউদ্দিন আহমদ কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. মানিকগঞ্জ
  2. গাজীপুর
  3. মুন্সিগঞ্জ
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
তাজউদ্দিন আহমদ:
- গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া থানার দরদরিয়া গ্রামে ১৯২৫ সালের ২৩ জুলাই তাজউদ্দিন আহমদ জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম মৌলবী মুহাম্মদ ইয়াসিন খান এবং মাতা মেহেরুন্নেসা খানম।
- তাজউদ্দিন আহমদ ১৯৪৪ সালে ঢাকার সেন্ট গ্রেগরীজ হাইস্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন, ১৯৪৮ সালে আই.এ এবং ১৯৫৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি লাভ করেন।
- ১৯৬৪ সালে তিনি আইনশাস্ত্রে ডিগ্রি লাভ করেন এবং ঢাকায় আইনব্যবসা শুরু করেন।
- ছাত্রজীবন থেকেই তাজউদ্দিন আহমদ সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িত হন।
- তিনি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ববাংলা ছাত্রলীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
- তাজউদ্দিন আহমদ ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট প্রার্থী হিসেবে কাপাসিয়া থেকে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।
- ১৯৬৪ সালে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।
- ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে তিনি জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হলে তিনি এ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হন এবং মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত করেন।
- মুক্তিযুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয়ের পর ১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর তিনি স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন এবং সদ্য স্বাধীন দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৭৩ সালে তিনি ঢাকা-২২ আসন থেকে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং বঙ্গবন্ধুর ক্যাবিনেটে মন্ত্রীত্ব লাভ করেন।
- কারাগারে বন্দি অবস্থায় ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর অপর তিন জাতীয় নেতার সঙ্গে তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।