১.
সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য কোন কোন পদে বেশি?
ব্যাখ্যা
• সাধু রীতির সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
- সাধু রীতিতে ক্রিয়ারূপ দীর্ঘতর, যেমন: ‘করা ক্রিয়ার রূপ: করিতেছে, করিয়াছে, করিল, করিলে, করিলাম, করিত, করিতেছিল, করিয়াছিল, করিব, করিবে, করিতে, করিয়া, করিলে, করিবার।
- সাধু রীতির বহু সর্বনামে হ’-বর্ণ যুক্ত থাকে, যেমন – তাহারা, ইহাদের, যাহা, তাহা, উহা, কেহ ইত্যাদি।
• প্রমিত/চলিত রীতির সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
- প্রমিত রীতিতে ক্রিয়া, সর্বনাম ও অনুসর্গ হ্রস্বতর। ক্রিয়ার ক্ষেত্রে যেমন: করা ক্রিয়ার রূপ- করছে, করেছে, করল, করলে, করলাম, করত, করছিল, করেছিল, করব, করবে, করতে, করে, করলে, করার। সর্বনামের ক্ষেত্রে যেমন: তারা, এদের, যা, তা, ও, কেউ ইত্যাদি। অনুসর্গের ক্ষেত্রে যেমন – থেকে, হতে, সঙ্গে ইত্যাদি।
- প্রমিত রীতিতে শব্দ ব্যবহার আলােচ্য বিষয়ের উপরে নির্ভরশীল। প্রয়ােজন অনুযায়ী সব ধরনের শব্দ ব্যবহার করা যায়। যেমন তৎসম ‘বসর’-ও লেখা যায় আবার তদ্ভব বছর’-ও লেখা যায়। একইভাবে চন্দ্র’-ও লেখা যায়, চাদ’-ও লেখা যায়।
- প্রমিত রীতিতে কথ্য রীতির বহু শব্দ বর্জনীয়, যেমন: ‘ধুলাে, তুলাে, মুলাে, পুজো, সবচে ইত্যাদি না লিখে ‘ধুলা, তুলা, মুলা, পূজা, সবচেয়ে’ ইত্যাদি।
সুতরাং, সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
- সাধু রীতিতে ক্রিয়ারূপ দীর্ঘতর, যেমন: ‘করা ক্রিয়ার রূপ: করিতেছে, করিয়াছে, করিল, করিলে, করিলাম, করিত, করিতেছিল, করিয়াছিল, করিব, করিবে, করিতে, করিয়া, করিলে, করিবার।
- সাধু রীতির বহু সর্বনামে হ’-বর্ণ যুক্ত থাকে, যেমন – তাহারা, ইহাদের, যাহা, তাহা, উহা, কেহ ইত্যাদি।
• প্রমিত/চলিত রীতির সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
- প্রমিত রীতিতে ক্রিয়া, সর্বনাম ও অনুসর্গ হ্রস্বতর। ক্রিয়ার ক্ষেত্রে যেমন: করা ক্রিয়ার রূপ- করছে, করেছে, করল, করলে, করলাম, করত, করছিল, করেছিল, করব, করবে, করতে, করে, করলে, করার। সর্বনামের ক্ষেত্রে যেমন: তারা, এদের, যা, তা, ও, কেউ ইত্যাদি। অনুসর্গের ক্ষেত্রে যেমন – থেকে, হতে, সঙ্গে ইত্যাদি।
- প্রমিত রীতিতে শব্দ ব্যবহার আলােচ্য বিষয়ের উপরে নির্ভরশীল। প্রয়ােজন অনুযায়ী সব ধরনের শব্দ ব্যবহার করা যায়। যেমন তৎসম ‘বসর’-ও লেখা যায় আবার তদ্ভব বছর’-ও লেখা যায়। একইভাবে চন্দ্র’-ও লেখা যায়, চাদ’-ও লেখা যায়।
- প্রমিত রীতিতে কথ্য রীতির বহু শব্দ বর্জনীয়, যেমন: ‘ধুলাে, তুলাে, মুলাে, পুজো, সবচে ইত্যাদি না লিখে ‘ধুলা, তুলা, মুলা, পূজা, সবচেয়ে’ ইত্যাদি।
সুতরাং, সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।