পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) জব সল্যুশন

পরীক্ষাNTRCAতারিখ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪সময়55 minutes৯৯ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন (বিশেষ) পরীক্ষা -২০১০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) জব সল্যুশন

NTRCA · ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ · ১০০ প্রশ্ন

.
সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য কোন কোন পদে বেশি?
  1. ক) ক্রিয়া ও বিশেষণ পদে
  2. খ) বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে
  3. গ) সর্বনাম ও ক্রিয়া পদে
  4. ঘ) বিশেষ্য ও অব্যয় পদে
ব্যাখ্যা
• সাধু রীতির সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
- সাধু রীতিতে ক্রিয়ারূপ দীর্ঘতর, যেমন: ‘করা ক্রিয়ার রূপ: করিতেছে, করিয়াছে, করিল, করিলে, করিলাম, করিত, করিতেছিল, করিয়াছিল, করিব, করিবে, করিতে, করিয়া, করিলে, করিবার।

- সাধু রীতির বহু সর্বনামে হ’-বর্ণ যুক্ত থাকে, যেমন – তাহারা, ইহাদের, যাহা, তাহা, উহা, কেহ ইত্যাদি।

• প্রমিত/চলিত রীতির সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
- প্রমিত রীতিতে ক্রিয়া, সর্বনাম ও অনুসর্গ হ্রস্বতর। ক্রিয়ার ক্ষেত্রে যেমন: করা ক্রিয়ার রূপ- করছে, করেছে, করল, করলে, করলাম, করত, করছিল, করেছিল, করব, করবে, করতে, করে, করলে, করার। সর্বনামের ক্ষেত্রে যেমন: তারা, এদের, যা, তা, ও, কেউ ইত্যাদি। অনুসর্গের ক্ষেত্রে যেমন – থেকে, হতে, সঙ্গে ইত্যাদি।

- প্রমিত রীতিতে শব্দ ব্যবহার আলােচ্য বিষয়ের উপরে নির্ভরশীল। প্রয়ােজন অনুযায়ী সব ধরনের শব্দ ব্যবহার করা যায়। যেমন তৎসম ‘বসর’-ও লেখা যায় আবার তদ্ভব বছর’-ও লেখা যায়। একইভাবে চন্দ্র’-ও লেখা যায়, চাদ’-ও লেখা যায়।

- প্রমিত রীতিতে কথ্য রীতির বহু শব্দ বর্জনীয়, যেমন: ‘ধুলাে, তুলাে, মুলাে, পুজো, সবচে ইত্যাদি না লিখে ‘ধুলা, তুলা, মুলা, পূজা, সবচেয়ে’ ইত্যাদি।

সুতরাং, সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরে কোন চিহ্ন বসে?
  1. ক) কমা
  2. খ) হাইফেন
  3. গ) লোপ
  4. ঘ) দাঁড়ি
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষায় কতগুলো যতি বা চিহ্ন আছে। এরমধ্যে 'কমা বা পদচ্ছেদ' একটি।
- বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরে সাধারণত এই যতি চিহ্নটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- কমা ব্যবহারের ফলে সাধারণত ১(এক) বলতে যে সময় লাগে সেই পরিমাণ সময় বিরতির প্রয়োজন হয়।

• এছাড়াও যেসব ক্ষেত্রে 'কমা' চিহ্ন ব্যবহার করা যায়-

- বাক্য পাঠকালে সুস্পষ্টতা বা অর্থবিভাগ দেখানোর জন্য যেখানে স্বল্প বিরতির প্রয়োজন, সেখানে কমা ব্যবহৃত হয়। যেমন: সুখ চাও, সুখ পাবে পরিশ্রমে।
- পরস্পর সম্বন্ধযুক্ত একাধিক বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ একসঙ্গে বসলে শেষ পথটি ছাড়া বাকি সবগুলোর পরেই কমা বসবে। যেমন সুখ, আশা, নৈরাশ্য।
- সম্বন্ধনের পরে কমা বসাতে হবে । যেমন: রশিদ, এদিকে এসো।
- জটিল বাক্যের অন্তর্গত প্রত্যেক খণ্ডবাক্যের পরে কমা বসবে। যেমন: কাল যে লোকটি এসেছিল, সে আমার পূর্বপরিচিত।
- উদ্ধরণ চিহ্নের পূর্বে (খণ্ডবাক্যের শেষে) কমা বসাতে হবে। যেমন: সাহেব বললেন, “ছুটি পাবেন না।
- মাসের তারিখ লিখতে বার ও মাসের পর ‘কমা’ বসবে। যেমন: ১৬ই পৌষ, বুধবার, ১৩৯৯ সন।
- বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরে কমা বসবে। যেমন: ৬৮, নবাবপুর রোড, ঢাকা-১০০০।
- নামের পরে ডিগ্রিসূচক পরিচয় সংযোজিত হলে সেগুলোর প্রত্যেকটির পরে কমা বসবে। যেমন: ডক্টর মুহম্মদ এনামুল হক, এম.এ. পি-এইচ.ডি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম - দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
"ইঁদুর কপালে”- এর বিপরীত বাগধারা কোনটি?
  1. ক) নিরেট বোকা
  2. খ) একাদশে বৃহস্পতি
  3. গ) সোনায় সোহাগা
  4. ঘ) অহংকারী
ব্যাখ্যা
• ‘ইঁদুর কপালে‘- এর বিপরীতার্থক বাগধারা - একাদশে বৃহস্পতি।

অন্যদিকে, 
হস্তিমূর্খ বাগধারাটির অর্থ - নিরেট বোকা।
সোনায় সোহাগা বাগধারাটির অর্থ - সুন্দর মিল।

গুরত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারাসমূহ:

• ইঁদুর কপালে বাগধারাটির অর্থ- মন্দভাগ্য,
• একাদশে বৃহস্পতি বাগধারাটির অর্থ- সৌভাগ্যের বিষয়,
• অদৃষ্টের পরিহাস বাগধারাটির অর্থ- ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা,
• কেউকাটা বাগধারাটির অর্থ- সামান্য।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) শুশ্রৃষা
  2. খ) শুশ্রুষা
  3. গ) শ্বশ্রুষু
  4. ঘ) শুশুষা
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

লাইভ পরীক্ষার প্রশ্নে ক) অপশনে 'শুশ্রূষা' বানান ভুল ছিল। তাই উত্তর তুলে দেয়া হয়েছে।

বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,

শুশ্রূষা (বিশেষ্য):
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি- প্রত্যয়: √শ্রূ + স (সন্‌) + অ + আ (টাপ্‌)
অর্থ:
- পরিচর্যা,
- সেবা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক কে?
  1. ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. খ) প্যারীচাঁদ মিত্র
  3. গ) প্রমথ চৌধুরী
  4. ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
• প্রমথ চৌধুরী 
- বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল বীরবল।
- 'বীরবলের হালখাতা' তাঁর প্রথম চলিত রীতিতে লিখিত গ্রন্থ।
- এটি ১৯০২ সালে প্রথম 'ভারতী' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত সবুজপত্র পত্রিকা (১৯১৪) চলিত রীতি প্রবর্তনে মূল ভূমিকা পালন করে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
সারাংশ বা সারমর্ম সাধারণত কয়টি অনুচ্ছেদে লিখতে হয়?
  1. ক) একটি
  2. খ) দুটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) চারটি
ব্যাখ্যা
• গদ্যরচনার অন্তর্নিহিত বক্তব্যকে সংক্ষেপে লেখার নাম সারাংশ, আর কাব্যভাষায় লেখা কোনো রচনার মূলভাবকে সংক্ষেপে লেখার নাম সারমর্ম।

সারাংশ ও সারমর্ম লেখার কিছু নিয়ম হলো:

- প্রদত্ত রচনার বিবরণ ও ভাবকে অনুসরণ করে সারাংশ ও সারমর্ম লিখতে হয়।
- অনধিক চার বাক্য বা চল্লিশ শব্দের মধ্যে সারাংশ ও সারমর্ম সীমিত রাখা দরকার।
- প্রদত্ত রচনার মূল কথা যাতে সারাংশ ও সারমর্মে বাদ না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হয়।
 -সারমর্ম বা সারাংশ লেখার সময়ে উদাহরণ, উদ্ধৃতি, পরিসংখ্যান, তথ্য-উপাত্ত ইত্যাদি পুরোপুরি বাদ দিতে হয়।
- সারাংশ ও সারমর্মের ভাষায় কোনো ধরনের কাব্যধর্মিতা রাখা যায় না। ভাষা হতে হয় দ্ব্যর্থহীন ও আবেগবর্জিত।
- সারাংশ ও সারমর্মে পুনরাবৃত্তি পুরোপুরি বর্জনীয়।
- সারাংশ বা সারমর্ম লেখার সময়ে নিজস্ব বক্তব্য, মন্তব্য বা মত প্রকাশের কোনো সুযোগ নেই।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
সুলিখিত পত্র অনেক সময় কিসের মর্যাদা লাভ করে?
  1. ক) ঐতিহাসিক
  2. খ) সামাজিক
  3. গ) সাংস্কৃতিক
  4. ঘ) সাহিত্যিক
ব্যাখ্যা
• যোগাযোগ এবং ভাব বিনিময়ের জন্য একসময় চিঠি ছিল অপরিহার্য মাধ্যম।
- কাগজ আবিষ্কারের আগে মানুষ গাছের পাতায়, ছালে, চামড়ায় এবং ধাতব পাতে লিখত।
- পাতায় লিখত বলেই এর নাম পত্র। সুন্দর, শুদ্ধ চিঠির মাধ্যমে মানুষের শিক্ষা, বুদ্ধিমত্তা, রুচি ও ব্যক্তিত্ব এর প্রকাশ ঘটে।
- সুলিখিত পত্র অনেক সময় সাহিত্যিক মর্যাদা লাভ করে। যেমন : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছিন্নপত্র।
.
"যৌবন সূর্য” কোন সমাস ?
  1. ক) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস
  2. খ) দ্বন্দ্ব সমাস
  3. গ) ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস
  4. ঘ) রূপক কর্মধারয় সমাস
ব্যাখ্যা
• রূপক কর্মধারয় সমাস:
- উপমান ও উপমেয় পদের মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হলে, তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।
- এটির ব্যাসবাক্যে উপমেয় ও উপমান পদের মাঝে 'রূপ' শব্দটি অথবা 'ই' শব্দাংশটি ব্যবহৃত হয়।
যেমন: 'মন রূপ মাঝি - মনমাঝি'।

এখানে 'মন' উপমেয় ও 'মাঝি' উপমান।
কিন্তু এখানে তাদের কোন নির্দিষ্ট গুণের তুলনা করা হয়নি। মনকেই মাঝি হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে।

যৌবনসূর্য = যৌবন রূপ সূর্য।
ঋতুচক্র = ঋতু রূপ চক্র।
কালসাপ = কাল(মৃত্যু) রূপ সাপ।
পরানপাখি = পরান রূপ পাখি।

উৎস: ভাষা - শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
দেশি ও তৎসম শব্দের মিশ্রণকে কি বলে?
  1. ক) বাহুল্য দোষ
  2. খ) গুরুচণ্ডালী দোষ
  3. গ) দুর্বোধ্যতা
  4. ঘ) উপমার ভুল প্রয়োগ
ব্যাখ্যা
• সাধু ও চলিত ভাষারীতির মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে।
- অর্থাৎ তৎসম শব্দের সাথে দেশীয় শব্দ কখনো কখনো গুরুচণ্ডালী দোষ সৃষ্টি করে।
- এ দোষে দুষ্ট শব্দ তার যোগ্যতা হারায়। যেমন-
• অশুদ্ধ- গরুর শকট (দেশি + তৎসম),
• শুদ্ধ- গরুর গাড়ি (দেশি + দেশি),
• অশুদ্ধ- মড়াদাহ (দেশি + তৎসম),
• শুদ্ধ- শবদাহ (তৎসম + তৎসম),
• শুদ্ধ- মড়াপোড়া (দেশি + দেশি)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০১৯)।
১০.
চাকরির জন্য যে পত্র লিখতে হয় তার নাম কি?
  1. ক) ব্যক্তিগতপত্র
  2. খ) আবেদনপত্র
  3. গ) নিমন্ত্রণপত্ৰ
  4. ঘ) অভিযোগ সংক্রান্ত পত্ৰ
ব্যাখ্যা
• আবেদনপত্র:
- স্কুল-কলেজে কিংবা বিভিন্ন অফিসে বা সংস্থায় প্রতিষ্ঠান প্রধান বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে অনুরোধ জানিয়ে পত্র লেখার প্রয়োজন হয়।
- এ ধরনের পত্রকে দরখাস্ত বা আবেদনপত্র বলে। আবেদনপত্রের আকার সাধারণত সংক্ষিপ্ত হয়। সেখানে মূল প্রসঙ্গটি যথাযথভাবে উপস্থাপন করাটাই লক্ষ্য।
- এ ধরনের পত্রে অনেক সময়ে প্ৰমাণ স্বরূপ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের অনুলিপি সংযুক্ত করা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম - দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২২)।
১১.
"সারাংশ লিখন” শিক্ষার উদ্দেশ্য কী?
  1. ক) বক্তব্য বিশ্লেষণ
  2. খ) বক্তব্য সংযোজন
  3. গ) বক্তব্য সংক্ষেপণ
  4. ঘ) বক্তব্য সংমিশ্রণ
ব্যাখ্যা
• সারাংশ বা সারমর্ম:
- কোনো গদ্য বা পদ্য রচনার অন্তর্নিহিত মূল ভাবকে সহজ- সরল ভাষায় সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সারাংশ বা সারমর্ম বলে। 
- কোনো কবিতা পদ্য রচনার মূল ভাব বা বক্তব্যকে অল্প কথায় প্রকাশ করার নাম সারমর্ম বা সারাংশ।
- সারমর্ম এবং সারাংশ যথাসম্ভব সহজ ভাষায় এবং সরল বাক্যে লিখতে হবে। 
- বক্তব্যের বর্ণনায় মূল কথার বাইরে কোনো কথা লিখা যাবে না, বক্তব্যে কোনো প্রকার ছন্দ, অলঙ্কার, উপমা, রূপক, উদ্ধৃতির ব্যবহার করা যাবে না।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ।
১২.
ভাষার কোন রীতি নাটকের সংলাপে ও বক্তৃতার উপযোগী?
  1. ক) আঞ্চলিক রীতি
  2. খ) সাধু রীতি
  3. গ) চলিত রীতি
  4. ঘ) লেখ্য রীতি
ব্যাখ্যা
• নাটকের সংলাপের উপযোগী ভাষার রীতি- 'চলিত ভাষা' 

চলিত রীতি:
• চলিত রীতি পরিবর্তনশীল। একশ বছর আগে যে চলিত রীতি সে যুগের শিষ্ট ও ভদ্রজনের কথিত ভাষা বা মুখের বুলি হিসেবে প্রচলিত ছিল, কালের প্রবাহে বর্তমানে তা অনেকটা পরিবর্তিত রূপ লাভ করেছে।
• এ রীতি তদ্ভব শব্দবহুল।
• চলিত রীতি সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য এবং বক্তৃতা, আলাপ-আলোচনা ও নাট্যসংলাপের জন্য বেশি উপযোগী।
• সাধু রীতিতে ব্যবহৃত সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ চলিত রীতিতে পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে। বহু বিশেষ্য ও বিশেষণের ক্ষেত্রেও এমনটি ঘটে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী (২০১৯ সংস্করণ)।
১৩.
কোনটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ?
  1. ক) আপাদমস্তক
  2. খ) কথাসর্বস্ব
  3. গ) হতশ্রী
  4. ঘ) অল্পবয়সী
ব্যাখ্যা
• অব্যয়ীভাব সমাস:
- পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে ।
অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়। যেমন : জানু পর্যন্ত লম্বিত (পর্যন্ত শব্দের অব্যয় ‘আ’) = আজানুলম্বিত (বাহু), মরণ পর্যন্ত = আমরণ।

- সামীপ্য (নৈকট্য), বিপ্‌সা (পৌনঃপুনিকতা), পর্যন্ত, অভাব, অনতিক্রম্যতা, সাদৃশ্য, যোগ্যতা প্রভৃতি নানা অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়।
কণ্ঠের সমীপে = উপকণ্ঠ, কূলের সমীপে = উপকূল।

• নিম্নে কিছু অব্যয়ীভাব সমাসের কিছু উদাহরণ দেওয়া হলো:
দিন দিন = প্রতি দিন,
ক্ষণে ক্ষণে = প্রতিক্ষণে,
আমিষের অভাব = নিরামিষ,
সমুদ্র থেকে হিমাচল পর্যন্ত = আসমুদ্রহিমাচল,
পা থেকে মাথা পর্যন্ত = আপাদমস্তক,
শহরের সদৃশ = উপশহর,
গ্রহের তুল্য = উপগ্রহ,
বনের সদৃশ উপবন,
রীতিকে অতিক্রম না করে = যথারীতি,
বেলাকে অতিক্রান্ত = উদ্বেল।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৪.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. ক) দারিদ্র
  2. খ) দরিদ্র্য
  3. গ) দারিদ্র্যতা
  4. ঘ) দরিদ্রতা
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
দরিদ্রতা (বিশেষ্য)
- সংস্কৃত শব্দ।
- দরিদ্র + তা
অর্থ: দারিদ্র্য।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৫.
ইঙ্গিতময়, অর্থপূর্ণ, ভাবঘন বাক্যকে সম্প্রসারিত করার নাম কী?
  1. ক) সারাংশ
  2. খ) সারমর্ম
  3. গ) রচনা
  4. ঘ) ভাব-সম্প্রসারণ
ব্যাখ্যা
ভাব-সম্প্রসারণ:
কোনো কবিতা বা গদ্যরচনার অংশকে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করাকে ভাব-সম্প্রসারণ বলে। কবিতার বেলায় সেইসব পঙ্ক্তির ভাব-সম্প্রসারণ দরকার হয়, যেগুলোর মধ্যে সুনির্দিষ্ট কোনো বক্তব্য বা তত্ত্ব থাকে । অন্যদিকে গদ্যরচনার সেইসব বাক্য ভাব-সম্প্রসারণের জন্য ঠিক করা হয়, সাধারণত যা প্রবাদ বা প্রবচনের মর্যাদায় উন্নীত।

• ভাব-সম্প্রসারণ করার সময়ে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো মনে রাখা যেতে পারে:

- ভাব-সম্প্রসারণকে প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত করা যায়: প্রথম অংশে ভাবের অর্থ, দ্বিতীয় অংশে ভাবের ব্যাখ্যা এবং তৃতীয় অংশে ভাবের তাৎপর্য।
- ভাব-সম্প্রসারণের এই অংশগুলোকে আলাদা তিনটি অনুচ্ছেদে উপস্থাপন করা যায়।
- ভাবের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে যুক্তি দেখাতে হয়, উদাহরণ দিতে হয়, তুলনা করতে হয়।
 -ভাব-সম্প্রসারণের বাক্যগুলো যাতে পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখা দরকার ।
 -প্রয়োজনে সংক্ষিপ্ত উদ্ধৃতি ব্যবহার করা যেতে পারে ।
- ভাব-সম্প্রসারণে আলাদা কোনো শিরোনামের দরকার হয় না ।
- মূল ভাবটি রূপক বা প্রতীকের আড়ালে থাকলে তাকে স্পষ্ট করতে হয়।
- ভাব-সম্প্রসারণ করার সময়ে প্রদত্ত অংশের রচয়িতার নাম উল্লেখ করতে হয় না।
- কমবেশি ২০০ শব্দ অথবা অনধিক ২০টি বাক্যের মধ্যে ভাব-সম্প্রসারণ সীমিত থাকা উচিত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম - দশম শ্রেণি, ২০২২ সংস্করণ।
১৬.
ব্যাসবাক্যের অন্তর্গত প্রত্যেকটি পদকে কি বলে?
  1. ক) পূর্বপদ
  2. খ) পরপদ
  3. গ) সমস্ত পদ
  4. ঘ) সমস্যমান পদ
ব্যাখ্যা
সমাসের জন্য প্রয়োজনীয় কয়েকটি সংজ্ঞা:

• ব্যাসবাক্য: যে বাক্যাংশ থেকে সমাসের মাধ্যমে নতুন শব্দ তৈরি হয়, তাকে বলা হয় ব্যাসবাক্য। একে সমাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্যও বলা হয়।

• সমস্ত পদ: ব্যাসবাক্য থেকে সমাসের মাধ্যমে যে নতুন শব্দ তৈরি হয়, তাকে বলা হয় সমস্ত পদ।

• সমস্যমান পদ: ব্যাসবাক্যের যে সব শব্দ সমস্ত পদে অন্তর্গত থাকে, সমস্ত পদের সেই সব শব্দকে সমস্যমান পদ বলে। অর্থাৎ যে যে পদে সমাস হয় তাদের প্রত্যেকটির নাম সমস্যমান পদ।

• পূর্বপদ: সমস্ত পদের প্রথম অংশ/ শব্দকে পূর্বপদ বলে। অর্থাৎ, সমস্ত পদের প্রথম সমস্যমান পদই পূর্বপদ।

• পরপদ/ উত্তরপদ: সমস্ত পদের শেষ অংশ/ শব্দকে পরপদ/ উত্তরপদ বলে। অর্থাৎ, সমস্ত পদের শেষ সমস্যমান পদই পরপদ।
যেমন, সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন।
এখানে ব্যাসবাক্য হলো- ‘সিংহ চিহ্নিত আসন’।
আর সমস্ত পদ হলো ‘সিংহাসন’। সমস্যমান পদ হলো ‘সিংহ’ আর ‘আসন’। এদের মধ্যে ‘সিংহ’ পূর্বপদ, আর ‘আসন’ পরপদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি ২০১৯ সংস্করণ।
১৭.
''যার কোনো মূল্য নেই” –একে বাগধারায় বলে-
  1. ক) তামার বিষ
  2. খ) অরণ্যে রোদন
  3. গ) ঢাকের বাঁয়া
  4. ঘ) কাঠের পুতুল
ব্যাখ্যা
• যার কোন মূল্য নেই- ঢাকের বাঁয়া।

এছাড়া,
অরণ্যে রোদন বাগধারাটির অর্থ - নিষ্ফল আবেদন।
'কাঠের পুতুল' বাগধারাটির অর্থ- নির্জীব, অসার।
'তামার বিষ' বাগ্‌ধারাটির অর্থ- অর্থের কুপ্রভাব।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৮.
ভাব-সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে দোষের বিষয় কোনটি?
  1. ক) একই কথার পুনরাবৃত্তি
  2. খ) প্রাসঙ্গিক আলোচনা
  3. গ) যুক্তিতর্কপূর্ণ বিষয়
  4. ঘ) বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
ভাব-সম্প্রসারণ:
কোনো কবিতা বা গদ্যরচনার অংশকে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করাকে ভাব-সম্প্রসারণ বলে। কবিতার বেলায় সেইসব পঙ্ক্তির ভাব-সম্প্রসারণ দরকার হয়, যেগুলোর মধ্যে সুনির্দিষ্ট কোনো বক্তব্য বা তত্ত্ব থাকে । অন্যদিকে গদ্যরচনার সেইসব বাক্য ভাব-সম্প্রসারণের জন্য ঠিক করা হয়, সাধারণত যা প্রবাদ বা প্রবচনের মর্যাদায় উন্নীত।

• ভাব-সম্প্রসারণ করার সময়ে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো মনে রাখা যেতে পারে:

- ভাব-সম্প্রসারণকে প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত করা যায়: প্রথম অংশে ভাবের অর্থ, দ্বিতীয় অংশে ভাবের ব্যাখ্যা এবং তৃতীয় অংশে ভাবের তাৎপর্য।
- ভাব-সম্প্রসারণের এই অংশগুলোকে আলাদা তিনটি অনুচ্ছেদে উপস্থাপন করা যায়।
- ভাবের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে যুক্তি দেখাতে হয়, উদাহরণ দিতে হয়, তুলনা করতে হয়।
 -ভাব-সম্প্রসারণের বাক্যগুলো যাতে পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখা দরকার ।
 -প্রয়োজনে সংক্ষিপ্ত উদ্ধৃতি ব্যবহার করা যেতে পারে ।
- ভাব-সম্প্রসারণে আলাদা কোনো শিরোনামের দরকার হয় না ।
- মূল ভাবটি রূপক বা প্রতীকের আড়ালে থাকলে তাকে স্পষ্ট করতে হয়।
- ভাব-সম্প্রসারণ করার সময়ে প্রদত্ত অংশের রচয়িতার নাম উল্লেখ করতে হয় না।
- কমবেশি ২০০ শব্দ অথবা অনধিক ২০টি বাক্যের মধ্যে ভাব-সম্প্রসারণ সীমিত থাকা উচিত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম - দশম শ্রেণি, ২০২২ সংস্করণ।
১৯.
কোন ছেদ চিহ্নে থামার প্রয়োজন নেই?
  1. ক) ইলেক
  2. খ) কমা চিহ্ন
  3. গ) বিস্ময় চিহ্ন
  4. ঘ) উদ্ধরণ চিহ্ন
ব্যাখ্যা
বিরাম চিহ্ন:
 মুখের কথাকে লিখিত রূপ দেওয়ার সময়ে কম-বেশি থামা বোঝাতে যেসব চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে বিরামচিহ্ন বলে। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও কিছু চিহ্ন ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতিচিহ্নও বলা হয়।

যতি বা ছেদ চিহ্নের বিরতি কাল:
• কমা - ১ (এক) বলতে যে সময় প্রয়োজন।
• সেমিকোলন - ১ বলার দ্বিগুণ সময়।
• দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ - এক সেকেন্ড।
• প্রশ্নবোধক চিহ্ন - এক সেকেন্ড।
• বিস্ময় ও সম্বোধন চিহ্ন - এক সেকেন্ড।
• কোলন - এক সেকেন্ড।
• ড্যাস - এক সেকেন্ড।
• কোলন ড্যাস - এক সেকেন্ড।
• হাইফেন - থামার প্রয়োজন নেই।
• ইলেক বা লোপ চিহ্ন - থামার প্রয়োজন নেই।
• একক উদ্ধৃতি চিহ্ন - 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে।
• যুগল উদ্ধৃতি চিহ্ন - 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে।
• ব্র্যাকেট (বন্ধনি চিহ্ন) - থামার প্রয়োজন নেই।
• ধাতু দ্যোতক চিহ্ন - থামার প্রয়োজন নেই।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২০.
“সারাংশ লিখনে” ভাষার বাহুল্য, উপমা, অলংকার এসকল-
  1. ক) বর্জনীয়
  2. খ) গ্রহণীয়
  3. গ) প্রাসঙ্গিক
  4. ঘ) যৌক্তিক
ব্যাখ্যা
সারাংশ বা সারমর্ম:
- কোনো গদ্য বা পদ্য রচনার অন্তর্নিহিত মূল ভাবকে সহজ- সরল ভাষায় সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সারাংশ বা সারমর্ম বলে। 
- কোনো কবিতা পদ্য রচনার মূল ভাব বা বক্তব্যকে অল্প কথায় প্রকাশ করার নাম সারমর্ম বা সারাংশ।
- সারমর্ম এবং সারাংশ যথাসম্ভব সহজ ভাষায় এবং সরল বাক্যে লিখতে হবে। 
- বক্তব্যের বর্ণনায় মূল কথার বাইরে কোনো কথা লিখা যাবে না, বক্তব্যে কোনো প্রকার ছন্দ, অলঙ্কার, উপমা, রূপক, উদ্ধৃতির ব্যবহার করা যাবে না।

অর্থাৎ, সারাংশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিক - প্রাঞ্জলতা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ।
২১.
“কূল কাঠের আগুন”- বাগধারাটির প্রকৃত অর্থ কী?
  1. ক) কাঠের পুতুল
  2. খ) তীব্র জ্বালা
  3. গ) কূপমণ্ডুক
  4. ঘ) কেতাদুরস্ত
ব্যাখ্যা
• কুল কাঠের আগুন - তীব্র জালা।

অন্যদিকে,
'কাঠের পুতুল' বাগধারাটির অর্থ - ব্যক্তিত্বহীন মানুষ।
'কূপমণ্ডূক' বাগধারাটির অর্থ - সীমাবদ্ধ জ্ঞান।
'কেতাদুরস্ত' বাগধারাটির অর্থ পরিপাটি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২২.
বাক্যে “কমা” অপেক্ষা বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে কী বসে?
  1. ক) কোলন
  2. খ) ড্যাশ
  3. গ) হাইফেন
  4. ঘ) সেমিকোলন
ব্যাখ্যা
• যতিচিহ্ন:
বাক্যের অর্থ সুস্পষ্টভাবে বোঝার জন্য বাক্যের মধ্যে বা বাক্যের সমাপ্তিতে কিংবা বাক্যে আবেগ (হর্ষ, বিষাদ), জিজ্ঞাসা ইত্যাদি প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে বাক্য-গঠনে যেভাবে বিরতি দিতে হয় এবং লেখার সময় বাক্যের মধ্যে তা দেখানোর জন্য যেসব সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তা -ই যতি বা ছেদচিহ্ন।

- সেমিকোলন (;) এর বিরতিকাল ১ (এক) বলার দিগ্বুন সময়।
- কমা অপেক্ষা বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে, সেমিকোলন বসে।
যথা- সংসারের মায়াজালে আবদ্ধ আমরা; এ মায়ার বাঁধন কি সত্যিই দুশ্ছেদ্য?

- সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলো বিচ্ছিন্ন করে দেখানোর জন্য হাইফেনের ব্যবহার হয়।
যেমন- এ আমাদের শ্রদ্ধা-অভিনন্দন, আমাদের প্রীতি-উপহার।

- একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারনা করতে হলে কোলন ব্যবহৃত হয়।
যেমন- সভায় সাব্যস্ত হলো: একমাস পরে নতুন সভাপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
২৩.
কোনটি শুদ্ধ?
  1. ক) নিঃশোষিত
  2. খ) নীরস
  3. গ) মাধুরিয়া
  4. ঘ) অধীনী
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,

নীরস ( বিশেষণ)

- সংস্কৃত শব্দ।
প্রকৃতি - প্রত্যয়: নির + রস্‌
অর্থ:
- রসহীন,
- বৈচিত্র্যহীন,
- অপ্রসন্ন,
- ম্লান,
- রসবোধশূণ্য,
- বেরসিক,
- রুক্ষ,
- কর্কশ।

অন্যান্য অশুদ্ধ বানানের শুদ্ধ রূপ:
নিঃশেষিত (বিশেষণ)

- সংস্কৃত শব্দ
অর্থ:
- সম্পূর্ণ ফুরিয়ে গেছে এমন,
- সমাপ্ত।

মাধুরী (বিশেষ্য)
- সংস্কৃত শব্দ।
প্রকৃতি - প্রত্যয়: মধুর+অ +ঈ।
অর্থ:
- কোমল ও মধুর ভাব,
- মধুরতা,
- মাধুর্য
- লাবন্য,
- শোভা।

অধীন (বিশেষণ)
- সংস্কৃত  শব্দ।
অর্থ:
- আয়ত্ত,
- বশীভূত,
- অন্তর্গত,
- অন্তর্ভুক্ত,
- অনুগত,
- অন্তর্ভুক্ত
- অনুগত,
- বাধ্য।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে।
২৪.
কোন বাগধারাটি স্বতন্ত্র অর্থ প্রকাশক?
  1. ক) সাতও না পাঁচও না
  2. খ) আদায় কাঁচকলায়
  3. গ) সাপে-নেউলে
  4. ঘ) দা-কুমড়া
ব্যাখ্যা
• সাতেও না পাঁচেও না' অর্থ = নির্লিপ্ত। 

অন্যদিকে,
আদায় কাঁচকলায় = ঘাের শত্রুতা।
দা-কুমড়া = শত্রুতা।
অহি নকুল (সাপে-নেউলে) = ভীষণ শত্রুতা।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর।
২৫.
সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বপদে বসে কোন সমাস হয়?
  1. ক) বহুব্রীহি সমাস
  2. খ) তৎপুরুষ সমাস
  3. গ) দ্বিগু সমাস
  4. ঘ) কর্মধারয় সমাস
ব্যাখ্যা
• দ্বিগু সমাস:
যে-সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বে বসে সমাহার বােঝায় তাকে ‘দ্বিগু সমাস' বলে।
- দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য হয়।
যেমন : সপ্ত অহের সমাহার = সপ্তাহ, নব রত্নের সমাহার = নবরত্ন ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 
২৬.
Choose the best answer (English to Bangla) (26-31)
The man is in great trouble.
  1. ক) লোকটা মহাসঙ্কটে পড়েছে
  2. খ) লোকটা বিপদে পড়েছে
  3. গ) লোকটা সমস্যায় পড়েছে
  4. ঘ) লোকটা খুবই অসহায়
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত প্রশ্ন লক্ষ্য করলে দেখা যায়:
- Great trouble: মহা সঙ্কট/ মহা বিপদ।
  
• The man is in great trouble' এই বাক্যটিতে Great শব্দটি লক্ষ্য করা যায় যার অর্থ মহা/মহান।
- উল্লেখিত প্রশ্নের অপশন (খ) ও (গ) এই দুটিতেই মহা/মহান এই শব্দটি নেই, তাই এই দুটি বাদ যাবে।
- অপশন (ঘ) এর অসহায় শব্দটির ইংরেজী অর্থ Helpless, তাই এটিও বায যাবে।  

সুতরাং এখানে 'The man is in great trouble' বাক্যটির সঠিক বঙ্গানুবাদ হবে, 'লোকটা মহাসঙ্কটে পড়েছে।'
২৭.
The rains have set in.
  1. ক) বৃষ্টি শুরু
  2. খ) বৃষ্টিপাত হয়েছিল
  3. গ) বর্ষাকাল এসেছে
  4. ঘ) বর্ষাকাল শুরু হয়েছে
ব্যাখ্যা
Set in:
English meaning: (of rain, bad weather, infection, etc.) to begin and seem likely to continue.
Bangla meaning: শুরু হওয়া, শুরু হয়ে যাওয়া।

The rains- Heavy rain that falls during a particular period in the year in tropical countries/ monsoon.
- অর্থাৎ, বর্ষাকাল বোঝাতে The rains ব্যবহৃত হয়।

সুতরাং, 'The rains have set in' বাক্যটির সঠিক বঙ্গানুবাদ হবে, বর্ষাকাল শুরু হয়েছে।

• উল্লেখিত প্রশ্নের বাকি কোন অপশনই সঠিক নয়।
২৮.
Suddenly he began to weeping.
  1. ক) হঠাৎ সে কাঁদছে
  2. খ) হঠাৎ সে কাঁদতে শুরু করল
  3. গ) হঠাৎ সে কাঁদতে শুরু করেছে
  4. ঘ) হঠাৎ সে কাঁদতে শুরু করে
ব্যাখ্যা
- উপরের Sentence টিতে weeping শব্দের অর্থ- কাঁদা; চোখের পানি ফেলা। 
- Suddenly he began to weeping এর বাংলায় অনুবাদ হবে- হঠাৎ সে কাঁদতে শুরু করল। 
২৯.
Were the birds chirping?
  1. ক) পাখিরা কি গান করছিল?
  2. খ) পাখিরা কি গান করেছে?
  3. গ) পাখিরা কি কিচিরমিচির করছিল?
  4. ঘ) পাখিরা কি কিচিরমিচির করছে?
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত প্রশ্নের বাক্যটি past tense এ আছে এবং এটি একটি Interrogative sentence.
 
- Structure in interrogative: was/were + Subject + (verb + ing) + object + question mark (?)

Chirping of birds - পাখিদের কিচিরমিচির

যেহেতু বাক্যটি past tense এ রয়েছে তাই এখানে "করছিল" বসবে।

- Chirping অর্থ কিচিরমিচির, তাই অপশন (ক) ও (খ) বাদ যাবে।
- যেহেতু বাক্যটি past tense এ এবং এখানে were রয়েছে তাই করছে হবে না,  তাই অপশন (ঘ) ও বাদ যাবে।

সুতরাং, 'Were the birds chirping?' বাক্যটির সঠিক বঙ্গানুবাদ হবে, 'পাখিরা কি কিচিরমিচির করছিল?'
৩০.
He used to come here every week.
  1. ক) তিনি প্রত্যেক সপ্তাহে এখানে আসেন
  2. খ) তিনি প্রত্যেক সপ্তাহে এখানে আসতেন
  3. গ) তিনি প্রত্যেক সপ্তাহে এখানে এসেছিলেন
  4. ঘ) তিনি প্রত্যেক সপ্তাহে এখানে এসে থাকবেন
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত প্রশ্নে,
Used to:
English meaning: done or experienced in the past, but no longer done or experienced.
Bangla meaning: যেটি পূর্বে করা হতো এখন করা হয় না। 

সেই হিসেবে অপশন গুলো লক্ষ্য করলে দেখা যায়,
- তিনি প্রত্যেক সপ্তাহে এখানে আসতেন: এই অপশনটি দেখলে বুঝা যায় তিনি আগে আসতেন কিন্তু এখন আসেন না, তাই এটিই হবে সঠিক উত্তর।

• তাই উল্লেখিত বাকি অপশন গুলো সঠিক নয়।
৩১.
He starts for London tonight.
  1. ক) সে আজ রাতে লন্ডন যায়
  2. খ) সে আজ রাতে লন্ডন শুরু করে
  3. গ) সে আজ রাতে লন্ডন যাত্রা করে
  4. ঘ) সে আজ রাতে লন্ডন রওয়ানা হবে
ব্যাখ্যা
• start for - To set off on a journey to some place.
Bangla Meaning; কোনো জায়গায় যাত্রা শুরু করা।

• সুতরাং, 
- He starts for London tonight এর বাংলায় অনুবাদ- সে আজ রাতে লন্ডন রওয়ানা হবে।
৩২.
Transform the sentences as directed in brackets (32-37):
He is an honest man, (Interrogative)
  1. ক) Does he an honest man?
  2. খ) Is he an honest man?
  3. গ) Isn't he an honest man?'
  4. ঘ) Doesn't he a dishonest man?
ব্যাখ্যা
• Assertive sentence কে Interrogative করতে হলে একে Negative Interrogative এ পরিণত করতে হয়।

• Assertive sentence কে Interrogative করার সময়,
- প্রথমে to be verb বসবে।
- not  বসবে।
- Subject বসবে।
- বাক্যের বাকি অংশ বসবে।
- প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসবে।

Structure: প্রথমে to be verb বসবে + n't বসবে + Subject বসবে + বাক্যের বাকি অংশ বসবে + প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসবে (?)

সেই অনুসারে সঠিক উত্তর হবে, Isn't he an honest man?
৩৩.
He has only a few books. (Negative)
  1. ক) He does not but a few books
  2. খ) He is nothing though a few books
  3. গ) He has nothing but a few books
  4. ঘ) He does not possess a few books
ব্যাখ্যা
♦ Affirmative sentence কে negative করার ক্ষেত্রে,
- বস্তুর ক্ষেত্রে only এর পরিবর্তে nothing but বসে।
Affirmative: He has only a few books.
Negative: He has nothing but a few books.

 • তবে বয়সের ক্ষেত্রে বা সংখ্যার ক্ষেত্রে only এর পরিবর্তে not more than বসে।
Affirmative: He is only four.
Negative: He is not more than four.

Affirmative: They have only two cars.
Negative: They have not more than two cars.

• আবার, কোন Affirmative sentence এর শুরুতে Only/Alone  থাকে তখন Negative করার সময় Only/Alone উঠে গিয়ে বাক্যের শুরুতে None but বসে।
যেমন:
Affirmative: Only he can do the work.
Negative: None but he can do the work.
৩৪.
I had done the work and went home. (Simple)
  1. ক) Having done the work, I went home
  2. খ) Being done the work, I went home
  3. গ) Because of being done the work, I went home
  4. ঘ) As I had done the work, I went home
ব্যাখ্যা
• এই ধরনের sentence কে simple করার সময়,
- যে কাজটি আগে করা হয়েছে সেই verb টিকে non finite(ing যুক্ত) করতে হয়।
- এখানে 'had done' non-finite হয়ে having done হয়েছে।
- প্রথম বাক্যের মূল verb এর পরের অংশ বসে।
- and এর পরিবর্তে comma বসবে।
- প্রথম বাক্যের কর্তা বসবে।
- দ্বিতীয় বাক্যের বাকি অংশ বসবে।

সেই অনুসারে সঠিক বাক্যটি হলো, Having done the work, I went home.
৩৫.
He confessed his guilt. (Complex)
  1. ক) He confessed when he became guilty
  2. খ) He confessed that he was guilty
  3. গ) He confessed because he was guilty
  4. ঘ) He confessed though he was not guilty
ব্যাখ্যা
• Simple sentence কে complex করার সময়,
- প্রথমে Subject বসে।
- verb বসে।
- that বসে।
•  নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর - He confessed that he was guilty
৩৬.
Javed is a boy who is good. (Simple)
  1. ক) Javed is being a good boy
  2. খ) Javed is not an ugly boy
  3. গ) Javed has been a good boy
  4. ঘ) Javed is a good boy
ব্যাখ্যা
• Javed is a boy who is good- এই sentence টি একটি Complex Sentence. 
• Subject + Relative Pronoun + Adjective যুক্ত Complex sentence কে Simple sentence এ রূপান্তর করার নিয়ম: 
- প্রথমে Subject বসে +
-relative pronoun (who/which/that) উঠে যায় +
- tense অনুযায়ী Auxiliary verb বসে +
- adjective টি বসে +
- বাকি অংশ বসে। 
 
• তাই সঠিক উত্তরটি হবে: Javed is a good boy. 
 
Source: Advanced Learner's English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain.
৩৭.
I wish I were a king. (Exclamatory)
  1. ক) Would that I were a king!
  2. খ) Would that I was a king!
  3. গ) Would that I am a king!
  4. ঘ) If I could be a king!
ব্যাখ্যা
♦ Assertive sentence থেকে Exclamatory sentence করার ক্ষেত্রে,
-   Assertive sentence এ wish থাকলে Exclamatory করার সময় শুরুতে would that বসে।
- তারপর বাকি অংশ টুকু বসবে।
৩৮.
The accident took place long ago.
Here "ago" is a/an-
  1. ক) Adjective
  2. খ) Adverb
  3. গ) Noun
  4. ঘ) Pronoun
ব্যাখ্যা
♦ Adverb: 
- যেসব word noun বা pronoun ছাড়া অন্য যেকোন parts of speech, বিশেষ করে verb কে modify করে সেগুলোকে adverb বলে। 

• প্রশ্নে উল্লেখিত never হলো Adverb of time.
- এই ধরনের Adverb গুলো ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময় বুঝায়।
- এটি সাধারণত 'When' বা 'কখন' দিয়ে প্রশ্ন করলে উত্তর দেয়।
- একে কখন দ্বারা প্রশ্ন করলে 'ago' উত্তর পাওয়া যায়, যার অর্থ আগে।
- তাই সঠিক উত্তর হবে, Adverb.
৩৯.
Who is the man that came to you? Here 'that' is a/an-
  1. ক) Indefinite pronoun
  2. খ) Demonstrative pronoun
  3. গ) Interrogative pronoun
  4. ঘ) Relative pronoun
ব্যাখ্যা
♦ Relative pronoun:
- যে Pronoun কোন Noun-এর পরে বা পাশাপাশি বসে ঐ Noun-এর সাথে সম্পর্ক সৃষ্টি করে একটি বাকাংশের  (Clause) সূচনা করে, তাকে Relative Pronoun বলে। - যেমন: Who, Whom, Which, Whose এবং That.

- That-এর পূর্বে থাকা ব্যক্তি, বস্তু ইত্যাদির সাথে সম্পর্ক সৃষ্টি  করবে।
- উল্লেখিত বাক্যে that পূর্বে থাকা 'man' এর সাথে বাক্যের পরের অংশের সম্পর্ক স্থাপন করে।


That Demonstrative ও Relative দুই ধরনের Pronoun এর মতোই কাজ করে।

Demonstrative pronoun:
- যে Pronoun কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুর নির্দেশক হিসাবে Noun-এর পরিবর্তে বসে বা ব্যবহৃত হয়, তাকেই Demonstrative Pronoun বলে।
- বাক্যে  যে সকল শব্দ Demonstrative Pronoun হিসাবে ব্যবহৃত হয়, তারা হলো: This, These, That, Those. 
- That is his book. – সেগুলি তার বই।

তাই বলা যায়, that 'Demonstrative pronoun' হিসেবে ব্যবহার হলেও এই বাক্যে তা Relative pronoun হিসেবেই বসেছে।
৪০.
Which is the adjective form of the word "Heaven"?
  1. ক) Heavenness
  2. খ) Heavinity
  3. গ) Heavenly
  4. ঘ) Heavened
ব্যাখ্যা
• Heaven: 
English meaning: (in some religions) the place believed to be the home of God where good people go when they die, sometimes imagined to be in the sky.
Bangla meaning: স্বর্গ; স্বর্গলোক; জান্নাত; পরলোক; লোকান্তর

প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে,
- Heavenly:
Meaning: স্বর্গীয়।

উল্লেখিত প্রশ্নের অপশন গুলোর বাকি কোন শব্দই সঠিক নয়।

Source: Accessible & Merriam-Webster & Oxford Dictionary.
৪১.
Which is the noun form of the word "Pious"?
  1. ক) Piousness
  2. খ) Piousity
  3. গ) Piety
  4. ঘ) Pity
ব্যাখ্যা
Pious: [adjective]
English meaning: strongly believing in religion, and living in a way that shows this belief.
Bangla meaning: ধার্মিক; সাধু; সৎ।

প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে,

- Piousness: শব্দটি ভুল, এমন কোন শব্দ নেই।
- Piousity: শব্দটি ভুল, এমন কোন শব্দ নেই।
- Pity: করুণা, যার সাথে Pious শব্দটির কোন সম্পর্ক নেই।

- Piety: [noun]
- Meaning: ধার্মিকতা; ভক্তি; ধর্মানুরাগ।

তাই অপশন গুলো বিবেচনা করে দেখা যায় Pious এর noun form হবে Piety.

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
৪২.
Fire burns.
Here "burns" is a/an _______ verb.
  1. ক) Causative
  2. খ) Intransitive
  3. গ) Copulative
  4. ঘ) Transitive
ব্যাখ্যা
• Intransitive verb:
- যে verb এর কর্ম নেই তাকে বলে Intransitive verb.
- Intransitive verbs cannot have a direct object after them.
- এই verb কে 'কি' বা 'কাকে' দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় না।
- Direct object থাকেনা বলে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় না।

- "Fire burns." 
- এর অর্থ "আগুন জ্বালায়।
- একে 'কি জ্বালায়' বা 'কাকে জ্বালায়' দ্বারায় দিয়ে প্রশ্ন করলএ কোন উত্তর পাওয়া যাবে না, কারণ burns এর পর আর প্রয়োজনীয় কোন তথ্য দেয়া নেই।
- তাই এটি Intransitive verb.
৪৩.
Though he is rich, he is unhappy.
Here "Though" is a/an-.
  1. ক) Preposition
  2. খ) Noun
  3. গ) Conjunction
  4. ঘ) Adverb
ব্যাখ্যা
- Although and though both mean 'in spite of something'.
- They are subordinating conjunctions.
- This means that the clause which they introduce is a subordinate clause, which needs a main clause to make it complete.
Example:

Though he is rich, he is unhappy.
৪৪.
A paragraph deals with ______ theme/themes.
  1. ক) one
  2. খ) two
  3. গ) three
  4. ঘ) four
ব্যাখ্যা
♦ Paragraph:
- The topic sentence expresses the main idea or theme of a paragraph.
- A paragraph must have one single theme or idea.
- There are three parts in a paragraph.
- These are:
1. Topic sentence.
2. Body
3. Concluding remarks.
৪৫.
Choose the best answer (Bangla to English) (45-50):
এটা কি ধরনের ফুল ?
  1. ক) What kind of flower this is?
  2. খ) This is what kind of flower?
  3. গ) What kind of flower that is?
  4. ঘ) What kind of flower is it?
ব্যাখ্যা
- বাক্যটি একটি Interrogative sentence.
- যেহেতু এটি একটি Interrogative Sentence, তাই প্রশ্নের উত্তরের সর্বশেষ অংশে প্রথমে auxiliary verb এবং তারপর subject হিসেবে it (Pronoun) বসবে।
- একই কারণে (ক) অপশনটি বাদ যাবে, কারণ এখানে আগে this না হয়ে পরে হলে উত্তরটি নেয়া যেত।
- অপশন এর (খ) টি বাদ যাবে কারণ বাক্যটির গঠন ঠিক নেই।
- অপশন (গ) লক্ষ্য করলে দেখা যায়, এখানে that রয়েছে যা সঠিক নয়, কারণ 'এটা' শব্দটির ইংরেজী অনুবাদ it or this ব্যবহার করা যেতে পারে।
কিন্তু that দূরবর্তী ব্যক্তি বা বস্তু নির্দেশক যা this এর বিপরীত। তাই এটি গ্রহনযোগ্য নয়।

- সেই দিক থেকে অর্থ ও ভাষাগত কোন ভুল না থাকায় অপশন (ঘ) 'What kind of flower is it?' ই সঠিক উত্তর।
৪৬.
ইহা একটি অপূর্ব সুযোগ।
  1. ক) This is a unique opportunity
  2. খ) This is a nice opportunity
  3. গ) This is an unique opportunity
  4. ঘ) This is a real opportunity
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত প্রশ্ন লক্ষ্য করলে দেখা যায়:
- Unique: অনন্য
- Nice: সুন্দর
- Real: আসল

•অর্থ গুলো লক্ষ্য করলে দেখা যায় বাক্যটির ক্ষেত্রে unique হবে, যা বাক্যের অর্থের সাথে সামঞ্জস্য পূর্ণ।

• তাছাড়া শব্দের শুরুতে যদি vowel থাকে ও তা যদি ইউ (u) এর মতো উচ্চারিত হয় তার পূর্বে a বসে। 
- তাই উল্লেখিত প্রশ্নের (গ) অপশনটি বাদ যাবে
- তাই প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যটির সঠিক ইংরেজী রূপ হবে, This is a unique opportunity.
৪৭.
বাংলাদেশ দিনে দিনে উন্নতি করুক ।
  1. ক) Bangladesh is prospering day by day
  2. খ) Bangladesh is developing day by day
  3. গ) May Bangladesh succeed day by day
  4. ঘ) May Bangladesh prosper day by day
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত প্রশ্ন লক্ষ্য করলে দেখা যায় এটি একটি Optative sentence.

Optative sentence:
- ইচ্ছা বা প্রার্থনা বোঝালে তাকে Optative sentence বলে।
- বাক্য গঠনের নিয়ম: May + Assertive = Optative.
- Example: May you live long.

- • উল্লেখিত প্রশ্নে, 
- Developing: উন্নয়নশীল।
- Succeed: সফল।
- Prosper: উন্নতি করা।

• যেহেতু প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যটি থেকে বোঝা যাচ্ছে এটি একটি Optative sentence তাই অপশন (ক) ও (খ) বাদ যাবে।
- অপশন (গ) এর অর্থ পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় এটিও বাদ যাবে।
- তাই বাক্যটির সঠিক ইংরেজী রূপ হবে, May Bangladesh prosper day by day.
৪৮.
চরিত্র জীবনের মুকুট।
  1. ক) Character is the crown of life
  2. খ) Character is the goal of life
  3. গ) Character is the result of life
  4. ঘ) Behaviour is the motto of life
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত প্রশ্ন লক্ষ্য করলে দেখা যায়:
- Crown of life - জীবনের মুকুট।
- Goal of life - জীবনের লক্ষ্য।
- Motto of life - জীবনের মূলমন্ত্র।
- Result of life - জীবনের পরিণাম।

• অর্থ গুলো লক্ষ্য করলে দেখা যায় বাক্যটির সঠিক ইংরেজী রূপ হবে, Character is the crown of life.
৪৯.
দয়া একটি মহৎ গুণ ।
  1. ক) Kindness is a great virtue
  2. খ) Kindness is a real virtue
  3. গ) Kindness is an unique virtue
  4. ঘ) Kindness is a brave virtue
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত প্রশ্ন লক্ষ্য করলে দেখা যায়:
- Great: মহান।
- Real: আসল
- Unique: অনন্য
- Brave: সাহসী

• অর্থ গুলো লক্ষ্য করলে দেখা যায় বাক্যটির সঠিক ইংরেজী রূপ হবে, Kindness is a great virtue.

Source: Accessible Dictionary.
৫০.
বিপদ কখনো একা আসে না ।
  1. ক) Sorrow does not come alone.
  2. খ) Misfortune never comes alone.
  3. গ) Misfortune does not come alone.
  4. ঘ) Misfortune do not come alone.
ব্যাখ্যা
• Adverb 'never' সবসময় subject এর পরে বসে।
- Misfortunes, plural হওয়ায় verb ও হবে plural.
- অতএব, "বিপদ কখনো একা আসে না" বাক্যটির সঠিক ইংরেজী রূপ হলো - Misfortune never comes alone.
৫১.
৩০ এবং ৫০ এর মধ্যবর্তী মৌলিক সংখ্যাগুলোর গড় কত?
  1. ক) ৩৯
  2. খ) ৩৮.৭
  3. গ) ৩৭.৬
  4. ঘ) ৩৯.৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৩০ এবং ৫০ এর মধ্যবর্তী মৌলিক সংখ্যাগুলোর গড় কত?

সমাধান:
৩০ থেকে ৫০ এর মধ্যবর্তী মৌলিক সংখ্যা গুলো হলো = ৩১, ৩৭, ৪১, ৪৩, ৪৭

গড় = (৩১ + ৩৭ + ৪১ + ৪৩ +৪৭)/৫
=১৯৯/৫
= ৩৯. ৮
৫২.
৯ এবং ১৬ এর মধ্যসমানুপাতী কত?
  1. ক) ৬
  2. খ) ৯
  3. গ) ১২
  4. ঘ) ১৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৯ এবং ১৬ এর মধ্যসমানুপাতী কত?

সমাধান:
 ৯ এবং ১৬ এর মধ্যসমানুপাতী = √(৯ × ১৬)
= ৩ × ৪
= ১২
৫৩.
৪, (১৬/৫), (৩২/৩৫) ভগ্নাংশ তিনটির গ.সা.গু নিচের কোনটি?
  1. ক) ৪/৫
  2. খ) ৪/৩৫
  3. গ) ৩২/১৭৫
  4. ঘ) ৩২/৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৪, (১৬/৫), (৩২/৩৫) ভগ্নাংশ তিনটির গ. সা. গু নিচের কোনটি?

সমাধান:
প্রদত্ত ভগ্নাংশগুলো= ৪, ১৬/৫, ৩২/৩৫

৪,১৬,৩২ এর গ.সা.গু = ৪
৫,৩৫ এর ল.সা.গু = ৩৫ 

নির্ণেয় গ. সা. গু = ৪/৩৫
৫৪.
একটি ভেড়া ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। বিক্রয়মূল্য ৪৫ টাকা বেশি হলে ৫% লাভ হতো। ভেড়াটির ক্রয়মূল্য কত?
  1. ক) ৪০০ টাকা
  2. খ) ৯০০ টাকা
  3. গ) ২০০ টাকা
  4. ঘ) ৩০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ভেড়া ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। বিক্রয়মূল্য ৪৫ টাকা বেশি হলে ৫% লাভ হতো। ভেড়াটির ক্রয়মূল্য কত?

সমাধান:
মনে করি,
ভেড়ার ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা।

১০% ক্ষতিতে, বিক্রয়মূল্য = (১০০ - ১০) টাকা = ৯০ টাকা।
এবং ৫% লাভে, বিক্রয়মূল্য = (১০০ + ৫) টাকা = ১০৫ টাকা।

সুতরাং বিক্রয়মূল্য বেশি = (১০৫ - ৯০) = ১৫ টাকা।

বিক্রয়মূল্য ১৫ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ১ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য ১০০/১৫ টাকা
বিক্রয়মূল্য ৪৫ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য (১০০ × ৪৫)/১৫ টাকা
= ৩০০ টাকা।
৫৫.
কিছু টাকা ৩০ বছরে সরল সুদে তিনগুণ হলো, সুদের হার কত?
  1. ক) (২০/৩)%
  2. খ) (১৯/৩)%
  3. গ) ১০%
  4. ঘ) ৯%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কিছু টাকা ৩০ বছরে সরল সুদে তিনগুণ হলো, সুদের হার কত?

সমাধান: 
আসল ১০০ টাকা
১০০ টাকায় সুদ আসল ৩গুন = (১০০ × ৩) = ৩০০ টাকা।

সুদ = (৩০০ - ১০০) = ২০০ টাকা।
১০০ টাকার ৩০ বছরের সুদ ২০০ টাকা
১০০ টাকার ১ বছরের সুদ ২০০/৩০ = ২০/৩ টাকা
∴ সুদের হার (২০/৩)%
৫৬.
a + b = 9p, ab = 18p2 হলে, (a - b) = কত?
  1. ক) 4p
  2. খ) 6p
  3. গ) 3p
  4. ঘ) 5p
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a + b = 9p, ab = 18p2 হলে, (a - b) = কত?

সমাধান:
a + b = 9p
ab = 18p2

আমরা জানি
(a - b)2 = (a + b)2 - 4ab
(a - b)2 = (9p)2 - 4 × 18p2
(a - b)2 = 81p2 - 72p2
(a - b)2 = 9p2
(a - b)2 = (3p)2
a - b = 3p
৫৭.
f(x) = x3 + 2x2 - 3 হলে, f(- 3) এর মান কত?
  1. ক) - 12
  2. খ) - 48
  3. গ) 42
  4. ঘ) 12
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: f(x) = x3 + 2x2 - 3 হলে, f(- 3) এর মান কত?

সমাধান:
f(x) = x3 + 2x2 - 3 
f(- 3) = (-3)3 + 2(- 3)2 - 3
       = - 27 + 2(9) - 3
       = - 27 + 18 - 3
       = - 12
৫৮.
x3 - x এর উৎপাদকে বিশ্লেষণ কোনটি?
  1. ক) (x - 1) (x2 + x + 1)
  2. খ) (x + 1) (x2 - x + 1)
  3. গ) x (x - 1) (x - 1)
  4. ঘ) x (x + 1) (x - 1)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x3 - x এর উৎপাদকে বিশ্লেষণ কোনটি?

সমাধান:
x3 - x = x(x2 - 1)
= x (x - 1)(x + 1)
৫৯.
x + y = 3 এবং xy = 1 হলে, x3 + y3 + 3xy এর মান কত?
  1. ক) 21
  2. খ) 27
  3. গ) 39
  4. ঘ) 33
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x + y = 3 এবং xy = 1 হলে, x3 + y3 + 3xy এর মান কত?

সমাধান:
x + y = 3 
xy = 1

x3 + y3 + 3xy 
= (x + y)3 - 3xy(x + y) + 3xy
= 33 - 3 × 1 × 3 + 3 × 1
= 27 - 9 + 3
= 30 - 9
= 21 
৬০.
loga1 এর মান কত?
  1. ক) 1
  2. খ) a
  3. গ) loga1
  4. ঘ) 0
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: loga1 এর মান কত?

সমাধান:
loga1
logaa0
= 0logaa
= 0 × 1
= 0

৬১.
120° কোণের সম্পূরক কোণ কত?
  1. ক) 30°
  2. খ) 60°
  3. গ) 40°
  4. ঘ) 0°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 120° কোণের সম্পূরক কোণ কত?

সমাধান: 
দুইটি কোণের সমষ্টি 180° হলো, কোন দুইটির একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলে।
120° কোণের সম্পূরক কোণ = (180 - 120)° = 60°
৬২.
বহিঃস্থ কোনো বিন্দু হতে একটি বৃত্তে-
  1. ক) দুইটি স্পর্শক আঁকা যায়
  2. খ) একটি স্পর্শক আঁকা যায়
  3. গ) চারটি স্পর্শক আঁকা যায়
  4. ঘ) কোনো স্পর্শক আঁকা যায় না
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বহিঃস্থ কোনো বিন্দু হতে একটি বৃত্তে-

সমাধান: 
বৃত্ত সম্পর্কিত উপপাদ্য ও অনুসিদ্ধান্ত:
- বৃত্তের ভিতরে অবস্থিত কোনো বিন্দু থেকে বৃত্তের স্পর্শক আঁকা যায় না।
- বিন্দুটি যদি বৃত্তের ওপর থাকে তাহলে উক্ত বিন্দুতে বৃত্তের একটিমাত্র স্পর্শক অঙ্কন করা যায়।
- স্পর্শকটি বর্ণিত বিন্দুতে অঙ্কিত ব্যাসার্ধের উপর লম্ব হয়।
- বিন্দুটি বৃত্তের বাইরে অবস্থিত হলে তা থেকে বৃত্তে দুইটি স্পর্শক আঁকা যাবে।
- বৃত্তের বহিঃস্থ কোনো বিন্দু থেকে ঐ বৃত্তে দুইটি ও কেবল দুইটি স্পর্শক আঁকা যায়।
- একটি ত্রিভুজে তিনটি বহির্বৃত্ত আঁকা যায়।
৬৩.
BP ও CQ, Δ ABC-এর দুটি মধ্যমা, BC = 12 সে.মি. হলে QP এর মান কত?
  1. ক) 24 সে. মি.
  2. খ) ৪ সে. মি.
  3. গ) 6 সে. মি.
  4. ঘ) 12 সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: BP ও CQ, Δ ABC-এর দুটি মধ্যমা, BC = 12 সে.মি. হলে QP এর মান কত?

সমাধান:
ত্রিভুজের যেকোনাে দুই বাহুর মধ্যবিন্দুর সংযােজক রেখাংশ তৃতীয় বাহুর সমান্তরাল এবং দৈর্ঘ্যে তার অর্ধেক।

BP ও CQ, Δ ABC-এর দুটি মধ্যমা হলে 

AB এর মধ্যবিন্দু Q এবং AC এর মধ্যবিন্দু P 
QP = (1/2)BC
= (1/2) × 12
= 6 সে.মি.

৬৪.
ABCD রম্বসের AC ও BD দুটি কর্ণ O বিন্দুতে ছেদ করেছে। ∠ACD = 60° হলে, ∠ODC = কত?
  1. ক) 60°
  2. খ) 30°
  3. গ) 90°
  4. ঘ) 45°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ABCD রম্বসের AC ও BD দুটি কর্ণ O বিন্দুতে ছেদ করেছে। ∠ACD = 60° হলে, ∠ODC = কত?

সমাধান:

রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখন্ডিত করে।
∴ ∠COD = ∠AOD = ∠AOB = ∠BOC = 90°
∴ ∠ACD = 60°
∴ ∠ODC = 180° - (60° + 90°)
= 30°
∴ ∠ODC= 30°
৬৫.
একটি সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয় 4 সে. মি. ও 3 সে. মি. । অতিভুজের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত?
  1. ক) 2.5 সে. মি.
  2. খ) 49 বর্গ সে.মি.
  3. গ) (2 + √3) বর্গ সে. মি. 
  4. ঘ) 25 বর্গ সে. মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয় 4 সে. মি. ও 3 সে. মি. । অতিভুজের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ সংলগ্ন বাহু দুটির দৈর্ঘ্য 4 সে. মি.  ও 3 সে. মি. 
ধরি 
ভূমি = 4 সে. মি.
লম্ব = 3 সে. মি. 

পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে 
(অতিভুজ)2 = ভূমি2 + লম্ব2
বা,(অতিভুজ)2 = 42 + 32
বা,(অতিভুজ)2 = 16 + 9 
বা,(অতিভুজ)2 = 25
বা,(অতিভুজ)2 = 52
(অতিভুজ) = 5

 অতিভুজের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = 52 = 25 বর্গ সে. মি.
৬৬.
(sinθ + cosθ)/(sinθ - cosθ) = 7 হলে, tanθ এর মান কত?
  1. ক) 3/4
  2. খ) 4/3
  3. গ) 7/8
  4. ঘ) 8/7
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (sinθ + cosθ)/(sinθ - cosθ) = 7 হলে, tanθ এর মান কত?

সমাধান:
7(sinθ - cosθ) = sinθ + cosθ
বা, 7sinθ - 7cosθ = sinθ + cosθ
বা,7sinθ - sinθ = cosθ + 7cosθ
বা, 6sinθ = 8cosθ
বা,sinθ/cosθ = 8/6
 tanθ = 4/3
৬৭.
যদি θ সূক্ষ্মকোণ এবং sin (θ + 18°) = 1/2 হয়, তবে θ এর মান কত?
  1. ক) 30°
  2. খ) 18°
  3. গ) 24°
  4. ঘ) 12°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি θ সূক্ষ্মকোণ এবং sin (θ + 18°) = 1/2 হয়, তবে θ এর মান কত?

সমধান:
sin(θ + 18°) = 1/2
বা, sin(θ + 18°) = sin 30°
বা, θ + 18° = 30°
বা, θ = 30° - 18°
θ = 12°

θ এর মান 12° হবে।
৬৮.
নিচের কোন বাক্যটি সত্য?
  1. ক) sin 30° = cos 30°
  2. খ) tan 45° = cot 45°
  3. গ) sec 60° = cosec 60°
  4. ঘ) tan 30° = √3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন বাক্যটি সত্য?

সমাধান:
অপশন ক) sin 30° = 1/2 , cos 30° = √3/2
অপশন খ) tan 45° = cot 45° = 1
অপশন গ) sec 60° = 2 , cosec 60° = 2/√3
অপশন ঘ) tan 30° = 1/√3

৬৯.
{1/(1 + tan2A)} + {1/(1 + cot2A)} = কত?
  1. ক) 1/sinA
  2. খ) 1/cosA
  3. গ) 1
  4. ঘ) 1/tanA
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: {1/(1 + tan2A)} + {1/(1 + cot2A)} = কত?

সমাধান:
{1/(1 + tan2A)} + {1/(1 + cot2A)}
= {1/(1 + tan2A)} + [1/{1 + (1/tan2A)}]
= {1/(1 + tan2A)} + {tan2A/(1 + tan2A)}
= (1 + tan2A)/(1 + tan2A)
= 1
৭০.
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত কয়টি?
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ২টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ত্রিকোণমিতিক অনুপাত কয়টি?

সমাধান:
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত মোট 6 টি। তারা হল:
1. সাইন (sin)
2. কোসাইন (cos)
3..ট্যানজেন্ট (tan)
4. কোট্যানজেন্ট(cot)
5. সেক্যান্ট (sec)
6. কোসেক্যান্ট (cosec)
৭১.
বর্গের এক বাহুর দৈর্ঘ্য √3 সে.মি. হলে, বর্গটির কর্ণের দৈর্ঘ্য কত ?
  1. ক) 2√3 সে.মি.
  2. খ) √6 সে. মি.
  3. গ) 4√3 সে. মি.
  4. ঘ) 2√2 সে.মি..
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বর্গের এক বাহুর দৈর্ঘ্য √3 সে.মি. হলে, বর্গটির কর্ণের দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান: 
বর্গের এক বাহুর দৈর্ঘ্য a = √3 
বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য = √2a = √2 ×  √3  = √6 সে.মি.
৭২.
একটি রম্বসের কর্ণদ্বয় যথাক্রমে 40 সে.মি. এবং 60 সে.মি.। রম্বসের ক্ষেত্রফল কত?
  1. ক) 600 বর্গ সে.মি.
  2. খ) 2400 বর্গ সে.মি.
  3. গ) 4800 বর্গ সে.মি.
  4. ঘ) 1200 বর্গ সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি রম্বসের কর্ণদ্বয় যথাক্রমে 40 সেমি এবং 60 সেমি । রম্বসের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান: 
আমরা জানি,
রম্বসের ক্ষেত্রফল = (1/2) × কর্ণদ্বয়ের গুণফল
= (1/2) × 40 × 60
= 1200 বর্গ সে.মি.
৭৩.
কোনো ঘনকের ধার 10 সে. মি. হলে, তার সমগ্রতলের ক্ষেত্রফল কত?
  1. ক) 75 বর্গ সে. মি.
  2. খ) 100 বর্গ সে. মি.
  3. গ) 300 বর্গ সে. মি.
  4. ঘ) 600 বর্গ সে. মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো ঘনকের ধার 10 সে. মি. হলে, তার সমগ্রতলের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
একটি ঘনকের ধার a = 10 সে. মি. 
ঘনকের সমগ্রতল হলে = 6a2
= 6 × 102
= 6 × 100
= 600 বর্গ সে. মি. 
৭৪.
10 সে. মি. উচ্চতাবিশিষ্ট একটি বেলনের ভূমির ব্যাস ৪ সে.মি. বেলনের আয়তন কত?
  1. ক) 640π ঘন সে. মি.
  2. খ) 320π ঘন সে. মি.
  3. গ) 160π ঘন সে. মি.
  4. ঘ) 80π ঘন সে. মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 10 সে. মি. উচ্চতাবিশিষ্ট একটি বেলনের ভূমির ব্যাস ৪ সে.মি. বেলনের আয়তন কত?

সমাধান:
বেলনের উচ্চতা  h = 10 মিটার
বেলনের ভূমির ব্যাস ৪ সে.মি
বেলনের ভূমির ব্যাসার্ধ r = 4 সে.মি

বেলনের আয়তন = πr2h
= π × 42 × 10
= 160π ঘন সে. মি.
৭৫.
কোণকের ভূমির ব্যাসার্ধ r, উচ্চতা h ও হেলান উন্নতি l হলে, নিম্নের কোন সম্পর্কটি সঠিক ?
  1. ক) I2 = √(h2 + r2)
  2. খ) I = √(h2 + r2)
  3. গ) I = + √(h2 + r2)
  4. ঘ) I = (h2 + r2)/2πr
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোণকের ভূমির ব্যাসার্ধ r, উচ্চতা h ও হেলান উন্নতি l হলে, নিম্নের কোন সম্পর্কটি সঠিক ?

সমাধান:
1. কোণকের ভূমির ব্যাসার্ধ r, উচ্চতা h ও হেলান উন্নতি l হলে l = √(h2 + r2)
2. কোণকের আয়তন = (1/3)πr2h
3. কোণকের বক্রতলের ক্ষেত্রফল = πrl
৭৬.
বাংলা সনের প্রবর্তক কে?
  1. ক) লক্ষ্মণ সেন
  2. খ) সম্রাট আকবর
  3. গ) আবুল ফজল
  4. ঘ) বখতিয়ার খলজি
ব্যাখ্যা
পহেলা বৈশাখ
- পহেলা বৈশাখ  বাংলা সনের প্রথম দিন।
- এ দিনটি বাংলাদেশে নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়। 
- অতীতের ভুলত্রুটি ও ব্যর্থতার গ্লানি ভুলে নতুন করে সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় উদ্যাপিত হয় নববর্ষ।
- এদিন সরকারি বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে।
- এক সময় নববর্ষ পালিত হতো আর্তব উৎসব বা ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে।
- তখন এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল কৃষির, কারণ কৃষিকাজ ছিল ঋতুনির্ভর।
- এই কৃষিকাজের সুবিধার্থেই মুঘল সম্রাট  আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০/১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- তা কার্যকর হয় তাঁর সিংহাসন আরোহণের সময় থেকে (৫ নভেম্বর ১৫৫৬)।
- হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়।
- নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা  বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭৭.
সম্প্রতি এভারেস্ট বিজয়ী প্রথম বাংলাদেশী “মুসা ইব্রাহিম” কোন জেলার অধিবাসী?
  1. ক) রংপুর
  2. খ) নীলফামারী
  3. গ) কুড়িগ্রাম
  4. ঘ) লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
মুসা ইব্রাহিম
-
মুসা ইব্রাহীম একজন বাংলাদেশী পর্বতারোহী।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তিনি ২৩ মে ২০১০ তারিখে বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টা ৫ মিনিটে এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- এভারেস্ট জয়ী মুসা ইব্রাহিমের গ্রামের বাড়ি লালমনিরহাটের দুর্গাপুর উপজেলা।
- মুসা ইব্রাহীম চায়না-তিব্বতের দিক দিয়ে এভারেস্ট জয় করেছিলেন।
- ২০১০ সালের ২৩ মে এভারেস্টের চূড়ায় বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা উড়িয়ে বাংলাদেশকে ৬৭তম এভারেস্টজয়ী দেশ হিসেবে পরিণত করে মুসা ইব্রাহীম।

উল্লেখ্য,
- তেনজিং নোরগে একজন নেপালী শেরপা পর্বতারোহী ছিলেন।
- তিনি এবং এডমন্ড হিলারি ১৯৫৩ সালের ২৯ শে মে যৌথভাবে বিশ্বে সর্বপ্রথম পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্ট পর্বত জয় করেন।

উৎস: i) প্রথম আলো, ১০ মার্চ, ২০১৮।
        ii) thedailystar.net, May 26, 2010.
৭৮.
ঢাকা বিভাগে কয়টি জেলা আছে?
  1. ক) ১৫টি
  2. খ) ১৩টি
  3. গ) ১৪টি
  4. ঘ) ১২টি
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিভাগ
- ১৮২৯ সালে ঢাকা বিভাগ গঠিত হয়।
- ১৮৬৪ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটি গঠিত হয়।
- ১৯৬০ সালে এটিকে টাউন কমিটিতে রূপান্তর করা হয়।
- ১৯৭২ সালে টাউন কমিটি বিলুপ্ত করে পৌরসভায় রূপান্তর করা হয়।
- ১৯৮৩ সালে একে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে উন্নীত করা হয়।
- ১৯৯০ সালে ঢাকা শহরকে সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর করা হয়।
- রংপুর বিভাগ ব্যতিত অন্যান্য সকল বিভাগের সাথে ঢাকা বিভাগের সীমানা রয়েছে।
- এর উত্তরে রয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগ, দক্ষিণে বরিশাল বিভাগ, পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে চট্টগ্রাম বিভাগ, উত্তর-পূর্বে সিলেট বিভাগ, পশ্চিমে রাজশাহী বিভাগ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে খুলনা বিভাগ।
- জেলার সংখ্যা ১৩টি।
- উপজেলার সংখ্যা ৮৯টি।
- উন্নয়ন সার্কেল ০১টি (তেজগাঁও উন্নয়ন সার্কেল)।
- সংসদীয় আসন ৭০টি।
- সিটি কর্পোরেশন ০৪টি।

উৎস: এক নজরে ঢাকা বিভাগ, dhakadiv.gov.bd.
৭৯.
গ্রীণহাউজ প্রভাব সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন গ্রীণ হাউজ গ্যাসগুলোর মধ্যে কোনটি অন্যতম?
  1. ক) নাইট্রাস অক্সাইড
  2. খ) সি. এফ. সি
  3. গ) মিথেন
  4. ঘ) কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
গ্রীন হাউজ প্রভাব
- কৃত্রিমভাবে সৌরতাপকে আটকে রেখে কাঁচের তৈরি ঘরে বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ জন্মাবার ব্যবস্থা করা হয়।
- কাঁচের তৈরি এ ঘরকে গ্রীন হাউজ বলে।
-  গ্রীন হাউজের ভিতরের তাপ কাঁচ ভেদ করে বের হতে পারে না বলে ঘর গরম থাকে।
- তেমনিভাবে পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড অতিক্রম করে মহাশূন্যে যেতে পারে না, ফলে পৃথিবী উত্তপ্ত হয়। 
- বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে গেলে পৃথিবীর স্বাভাবিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটে।
- পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে তাপ বিকিরিত হবার কালে বায়ুমন্ডলে অবস্থিত কার্বন ডাই-অক্সাইড সে তাপ শোষণ করে।
- এর ফলে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বেড়ে যায়, একইভাবে পৃথিবীপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বেড়ে যায়।
- গ্রীন হাউজ গ্যাসগুলির মধ্যে কার্বন ডাই-অক্সাইড অন্যতম, এছাড়া মিথেন, সি এফ সি, নাইট্রাস অক্সাইড গ্যাসও এর অন্তর্ভুক্ত।
- গ্রীন হাউজ গ্যাসের ফলে বিশ্বব্যাপী বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিচ্ছে।
- বাংলাদেশে মরুকরণ, জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততা বৃদ্ধি এর ফলে ঘটছে বলে মনে করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- ‘গ্রীন হাউজ প্রভাব' কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন সুইডিস রসায়নবিদ সোভানটে আরহেনিয়াস।
- শিল্প বিপ্লবের যুগে হাজার হাজার টন কয়লা পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড বাতাসে মিশছে তার কুফল সম্পর্কে তিনি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে, বায়ুমন্ডলের কার্বন ডাই-অক্সাইড যদি দ্বিগুণ হয় তবে পৃথিবীর তাপমাত্রা ৫০ সেলসিয়াস বৃদ্ধি পাবে।

উৎস: জনসংখ্যা ও পরিবেশ, সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম।
৮০.
‘হিমছড়ি' কোন শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত?
  1. ক) কক্সবাজার
  2. খ) খাগড়াছড়ি
  3. গ) রাঙ্গামাটি
  4. ঘ) কাপ্তাই
ব্যাখ্যা
হিমছড়ি
- হিমছড়ি কক্সবাজার জেলার উপকন্ঠে অবস্থিত।
- জেলা সদর হতে ৯ কিঃমিঃ দূরে হিমছড়ি অবস্থিত।
- পাহাড়, সমুদ্র ও ঝর্ণা সমন্বিত হিমছড়ি অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি এক পর্যটন স্পট।
- পর্যটন মৌসুমে এখানে পর্যটকদের আনাগোণা বেশি পরীলক্ষিত হয়।
- এখানে কয়েকটি প্রাকৃতিক ঝর্ণা (প্রসবণ) রয়েছে।
- কক্সবাজার জেলায় পিকনিক করতে আসলে হিমছড়ি ঝর্ণা পর্যটকদের একবার দেখা চায়।
- ২৯ এপ্রিল, ১৯৯১ সালে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে হিমছড়িসহ আশে পাশে অনেক পর্যটন স্পট দারুণভাবে ক্ষতিসাধন হয়।
- সিঁড়ি বেয়ে উঁচু পাহাড়ে উঠে সাগর, পাহাড় ও কক্সবাজারের নৈসর্গিক সৌর্ন্দয অতিসহজে উপভোগ করা যায়।

 উৎস: হিমছড়ি, coxsbazar.gov.bd.
৮১.
মেরাসমাস রোগের ফলে কী হয়?
  1. ক) পেশী ও মেদ ক্ষয় হয়
  2. খ) দেহের ওজন বৃদ্ধি পায়
  3. গ) দেহের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটে
  4. ঘ) রক্তনালী সরু হয়ে পড়ে
ব্যাখ্যা
ম্যারাসমাস
- ম্যারাসমাস  নবজাতক এবং কম বয়সী শিশুদের অপুষ্টি ও দুর্বলতাজনিত ব্যাধি।
- বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে দুই বছরের কম বয়সী দরিদ্র শিশুদের মধ্যে এটি একটি সাধারণ ব্যাধি।
- অপর্যাপ্ত খাদ্যগ্রহণ, পুষ্টিকর খাদ্যের অভাব ও ক্যালরি ঘাটতি এই অসুখের কারণ।
- ম্যারাসমাসের লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে অত্যধিক দুর্বলতা, দৈহিক ওজন বৃদ্ধিতে বাধা এবং ওজনহানি।
- এ ব্যাধিতে শরীরে পানি জমে না বা যকৃতের আকার বৃদ্ধি পায় না; তবে মস্তিষ্ক ও করোটির বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে, ফলে দেহ হয় দীর্ঘ ও চর্মসার, ওজনের আনুপাতিক হিসাবে মাথা হয় বড়।
- ত্বকের নিচে চর্বি জমে খুব কম, চোখ কোটরাগত ও ত্বক ঢিলে দেখায়।
- শিশু হয়নিষ্ক্রিয় স্বভাবের, মাংসপেশী হয় শিথিল ও নিস্তেজ, ব্যাপকভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত।
- শিশুর কান্নার শব্দ হয় ক্ষীণ ও কর্কশ।
- আক্রান্ত শিশুদের প্রায় ৪০ শতাংশ মারা যায়।
- ১৯৯৫ সালে বিশ্ব ব্যাংক ও ইউনিসেফের সহায়তায় সরকার বাংলাদেশ সমন্বিত পুষ্টি প্রকল্প শুরু করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮২.
বাংলাদেশ কোন সনে ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (OIC) এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৩ সালে
  3. গ) ১৯৭৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
ওআইসি
- ওআইসি'র (OIC) এর পূর্ণরূপ Organization of Islamic Conference বা ইসলামী সম্মেলন সংস্থা।
- সংস্থাটি ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ সালে মরক্কোর রাজধানী রাবাতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৬৯ সালের ২১ আগস্ট জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে সন্ত্রাসীরা অগ্নিসংযোগ করে।
- এ পরিস্তিতিতে ইসলামী বিশ্ব নেতৃবৃন্দরা ইসলামের সম্মান, মর্যাদা ও বিশ্বাস রক্ষা করার জন্য এক আলোচনা সভায় বসেন।
- সৌদি আরব, মরক্কো, ইরান, পাকিস্তান, সোমালিয়া, মালয়েশিয়া ও নাইজারকে নিয়ে একটি প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাজধানী রাবাতে প্রায় সকল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র সম্মেলনে উপস্থিত হয়।
- এ সম্মেলনের মাধ্যমে ওআইসি প্রতিষ্ঠা পায়।
- ২০১১ সালের ২৮ জুন ইসলামী সম্মেলন সংস্থার নাম পরিবর্তন করে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (Organization of Islamic Co-operation) রাখা হয়।
- প্রতিষ্ঠাকালীন ওআইসি'র সদস্য রাষ্ট্র ছিল ২৫টি।
- বর্তমানে এ সংস্থার মোট সদস্য সংখ্যা ৫৭।
- ওআইসি'র অফিসিয়াল ভাষা হচ্ছে আরবি, ইংরেজি ও ফরাসি।
- এর প্রশাসনিক দপ্তর জেদ্দা, সৌদি আরব।
- ওআইসি'র পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হচ্ছে পাঁচটি। 
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে ওআইসি'র সদস্য পদ লাভ করে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৩.
বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরে অবস্থিত স্থান কোনটি?
  1. ক) তেঁতুলিয়া
  2. খ) পঞ্চগড়
  3. গ) টেকনাফ
  4. ঘ) বাংলাবান্ধা
ব্যাখ্যা
বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট
- হিমালয়ের কোলঘেঁষে বাংলাদেশের সর্বোত্তরের উপজেলা তেঁতুলিয়া।
- এই উপজেলার ১নং বাংলাবান্ধা ইউনিয়নে অবস্থিত বাংলাদেশ মানচিত্রের সর্বোত্তরের স্থান বাংলাবান্ধা জিরো (০) পয়েন্ট ও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর।
- এই স্থানে মহানন্দা নদীর তীর ও ভারতের সীমান্ত সংলগ্ন প্রায় ১০ একর জমিতে ১৯৯৭ সালে নির্মিত হয় বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর।
- নেপালের সাথে বাংলাদেশের পণ্য বিনিময়ও সম্পাদিত হয় বাংলাবান্ধা জিরো (০) পয়েন্টে।
- সম্প্রতি এ বন্দরের মাধ্যমে ভারতের সাথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
- এ ছাড়া নেপাল ও ভুটানের সাথেও এ বন্দরের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় হচ্ছে।
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র স্থলবন্দর যার মাধ্যমে তিনটি দেশের সাথে সুদৃঢ় যোগাযোগ গড়ে উঠার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।
- এখানে খুব শীঘ্রই ভারতের সাথে ইমিগ্রেশন চালু হতে যাচ্ছে।
- এটি চালু হলে পঞ্চগড় জেলা পর্যটকদের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হবে।
 
উৎস: বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট - পঞ্চগড় জেলা, panchagarh.gov.bd।
৮৪.
কোন দেশের পার্লামেন্টের নাম কংগ্রেস?
  1. ক) ভারত
  2. খ) সুইডেন
  3. গ) ইউ.এস.এ
  4. ঘ) দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
কংগ্রেস
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আইন সভার নাম কংগ্রেস।
- কংগ্রেস একটি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইন সভা।
- আইন প্রণয়ন করাই এর প্রধান কাজ। 
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' (The House of Representative) এবং উচ্চকক্ষ 'সিনেট' (The Senate) নামে পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ঐতিহ্য অনুসারে 'নিম্নকক্ষ' বা 'প্রতিনিধি সভা হল মার্কিন জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ আর উচ্চকক্ষ বা ‘সিনেট' হল অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ।
- মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধি সভা ও সিনেটের সদস্যরা জনগণের দ্বারা প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত হন।
- বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্রেটিক পার্টি ও রিপাবলিকান পার্টি এ দু'টি দলের প্রাধান্য বিদ্যমান। 

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান : বৈদেশিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৫.
মিয়ানমারের মুদ্রার নাম কী?
  1. ক) কিপ
  2. খ) রুপিয়া
  3. গ) রিংগিট
  4. ঘ) কিয়াট
ব্যাখ্যা
মিয়ানমার
- মিয়ানমার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া মহাদেশের একটি দেশ।
- প্রাচীন নাম ব্রহ্মদেশ। 
- রাজধানীর নাম ইয়াঙ্গুন।
- আগে নাম ছিল রেঙ্গুন।
- এর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ উপকূল, পশ্চিমে বাংলাদেশ ও ভারত, উত্তরে চীন, পূর্বে চীন, লাওস ও থাইল্যান্ড।
- মিয়ানমারের সরকারী ভাষা বর্মী। 
- কিয়াট হল মিয়ানমারের মুদ্রা।

উৎস: Britannica.
৮৬.
কোন দেশের জাতীয় পতাকা কখনোই অর্ধনমিত হয় না?
  1. ক) কুয়েত
  2. খ) বাহরাইন
  3. গ) সৌদি আরব
  4. ঘ) ইরাক
ব্যাখ্যা
- সৌদি আরব তার পতাকা কখনই অর্ধনমিত করে না।
- নিজ দেশের বাদশাহের বা অন্য রাষ্ট্র প্রধানের মৃত্যুতে শোক পালন করার সময়ও না।
- সৌদি আরবের পতাকা অর্ধনমিত করা নিষিদ্ধ।
- এর ব্যত্যয় ঘটলে পেতে হয় শাস্তি।
- সৌদি আরবের আইনের ১৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাদশাহ ফয়সাল বিন আবদুল আজিজের সময়ে জারি করা সৌদি পতাকা আইন, 'রাজ্যের পতাকা বা আল শাহাদা বহনকারী বাদশাহের পতাকা নামানো বৈধ নয়'।
- কারণ, সৌদি আরবের জাতীয় পতাকা ১৯৭৩ সালের মার্চ ১৫ হতে ব্যবহার করা হচ্ছে।
- এটিতে সবুজ বর্ণের মধ্যে সাদা অক্ষরে আরবি ভাষায় কলেমা তাইয়্যেবাহ্‌, এবং একটি তরবারি প্রদর্শিত হয়েছে।
- পতাকার অক্ষর রীতি হল থুলুথ ধাঁচের।
- সৌদি আইন অনুসারে, সৌদি আরবের রাজত্বের পতাকা যা সৃষ্টিকর্তার নাম বহন করে এবং ইসলামিক সাক্ষ্য অনুযায়ী তা নামা যায় না।
- এই আইন ভঙ্গ করার শাস্তি এক বছরের জেল এবং তিন হাজার সৌদি রিয়ালের জরিমানার বিধান রয়েছে।

উৎস: ১৪ জানুয়ারি, ২০২০, somoynews.tv.
৮৭.
জনসংখ্যায় বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম দেশ কোনটি?
  1. ক) বাংলাদেশ
  2. খ) কাজাখস্তান
  3. গ) মিশর
  4. ঘ) ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
ইন্দোনেশিয়া
- জনসংখ্যায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ হল ইন্দোনেশিয়া।
- যেখানে আনুমানিক ২২৯ মিলিয়ন মুসলমান রয়েছে।
- ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরের মাঝে অবস্থিত এই দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশটির মোট জনসংখ্যা প্রায় ২৭ কোটি ৭৫ লক্ষ।
- এর মধ্যে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ২২ কোটি ৯০ লক্ষ যা দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮৭% যা বর্তমানে পৃথিবীর মোট মুসলিম জনসংখ্যার ১২.৭%।
- দেশটির রাজধানী ও সবচেয়ে জনবহুল শহর জাকার্তা।
- ১৩ শতকে সুফিবাদ ও বিভিন্ন আরব মুসলিম ব্যবসায়ীদের প্রভাবে ইন্দোনেশিয়ায় ধীরে ধীরে ইসলাম ধর্ম ছড়িয়ে পড়ে।
- এই মুসলিম জনগোষ্ঠীর ৯৮.৮% সুন্নি, ১% শিয়া এবং ০.২% আহমদী মুসলিম।
- তবে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ হলেও সাংবিধানিকভাবে ইন্দোনেশিয়া একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র যেখানে ১০.৭% খ্রিস্টান, ১.৭% হিন্দু, ০.৮% বৌদ্ধ ও ০.১% অন্যান্য ধর্মের মানুষ বসবাস করে।

অন্যদিকে -
- আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম দেশ কাজাখস্তান। 
- জনসংখ্যায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশের তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।
- জনসংখ্যায় বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম মুসলিম দেশ মিশর।

উৎস: Sep 16, 2019, kalerkantho.com.
৮৮.
ই-কমার্স কী?
  1. ক) নতুন বাজারজাতকরণ পদ্ধতি
  2. খ) পরিবহন ব্যবস্থা
  3. গ) প্রেষণাদানের নতুন পদ্ধতি
  4. ঘ) বাণিজ্যিক ব্যাংকিং
ব্যাখ্যা
ই-কমার্স
- ইলেকট্রনিক কমার্সকে সংক্ষেপে ই-কমার্স বলা হয়।
-  ই-বাণিজ্য একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেম এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় হয়ে থাকে।
- আধুনিক ইলেকট্রনিক কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বাণিজ্য কাজ পরিচালনা করে।
- ই-কমার্সের কল্যাণে ঘরে বসেই কম্পিউটারের সাহায্যে ক্রেতারা সারা বিশ্বের বাজারজাতকারীদের পণ্য ও সেবা সার্চ করতে পারে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অর্ডার দিতে পারে।
- অর্ডার প্রদান ও পণ্য ডেলিভারী গ্রহণে স্বল্পতম সময় ব্যয় হয়।
- বাজারজাতকারী এবং ক্রেতা ব্যাপকভাবে উপকৃত হচ্ছে।
- ইলেকট্রনিক কমার্স হচ্ছে ডিজিটাল ডাটা প্রসেসিং।
- এ ডাটা ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান তথ্যের আদানপ্রদান করছে।
- ট্রান্সমিশনের কাজটি সম্পাদিত হয় সবার ব্যবহার উপযোগী উন্মুক্ত নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে বই, কম্পিউটার ইত্যাদি দ্রব্য যা দৃশ্যমান তা বিক্রয়ের বিষয়টি সবার নজর কেড়েছে।

উৎস: ইলেকট্রনিক কমার্স, এমবিএ প্রোগ্রাম।
৮৯.
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ-
  1. ক) কম হয়
  2. খ) বেশি হয়
  3. গ) খুব কম হয়
  4. ঘ) একই হয়
ব্যাখ্যা
- বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ একই হয়। 
- ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফুল স্পিডে বা আস্তে যেভাবেই ঘুরান পাওয়ার একই খরচ হয়। কারন ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ইন্ডাকটর দ্বারা তৈরি।
- ফ্যান চলার সময় এই রেগুলেটর কমিয়ে দিলে ফ্যানের গতি কমে কিন্তু ইন্ডাক্টর উত্তপ্ত হয়। এই উত্তাপের কারনে বৈদ্যুতিক পাওয়ার খরচ হয়। 
- আবার ইলেকট্রনিক রেগুলেটরের বেলায় ভিন্ন। এটি একটি ভেরিয়েবল রেজিস্টর। এটি তৈরি হয় থাইরিস্টর ইলেকট্রনিক ডিভাইস দিয়ে। 
- এতে উত্তাপের পরিমাণ অত্যন্ত কম থাকার কারনে রেগুলেটর লসও খুবি নগন্য হয়। ফলে ফ্যানের গতি কমালে পাওয়ার কম খরচ হবে এবং ফ্যানের গতি বাড়ালে পাওয়ার খরচ বাড়বে। 
- তাই ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম হলে বিদ্যুৎ খরচ কম হয়। 

উৎস: সাধারন বিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০.
কম্পিউটারে কাজের গতি কী দ্বারা প্রকাশ করা হয়?
  1. ক) মিনিট
  2. খ) ন্যানো সেকেন্ড
  3. গ) সেকেন্ড
  4. ঘ) ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার
- কম্পিউটার হলো বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেক্ট্রনিকযন্ত্র।
- এটি যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ও নির্ভুলভাবে করতে পারে।
- কম্পিউটারের নিজস্ব কোন চিন্তা-চেতনা, শক্তি বা বুদ্ধি নেই।
- মানুষের দেয়া নির্দেশ অনুযায়ী এই যন্ত্র কাজ করে।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকেই কম্পিউটারের সাথে ভিডিও ডিসপ্লে ইউনিট (যেমন-মনিটর), উচ্চগতির লাইন প্রিন্টারসহ অন্যান্য পেরিফেরাস ডিভাইসের ব্যবহার শুরু হয়।
- তবে এ প্রজন্মে কম্পিউটারে একটি গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় ৫ ন্যানো সেকেন্ড সময় লাগত।
- IBM 360, 370, PDP 8, PDP II ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম।
৯১.
কারবালা (বর্তমানে) কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) জর্দান
  2. খ) সিরিয়া
  3. গ) বাহরাইন
  4. ঘ) ইরাক
ব্যাখ্যা
কারবালা
- কারবালা ইরাকের অন্তর্গত একটি শহর।
- এটি বাগদাদের ৬২ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
- শহরটি কারবালা প্রদেশের রাজধানী। 
- কারবালা মূলত ঐতিহাসিক কারবালার যুদ্ধের কারণে বেশি পরিচিত।
- মহানবীর দৌহিত্র ও আলীর পুত্র হোসাইন ইবনে আলী এই শহরে শাহাদাতবরণ করেন।
- মক্কা, মদিনা ও জেরুজালেমের পর শিয়া মুসলমানেরা কারবালাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান হিসেবে বিবেচনা করে থাকে।
- ‘কারবালা’ ফোরাত নদীর তীরে অবস্থিত একটি প্রান্তর, যেখানে বাষট্টি হিজরি সনের মহরম মাসের ১০ তারিখ শুক্রবার হজরত হোসাইন (রা.) অত্যন্ত করুণভাবে শাহাদাতবরণ করেছিলেন।
- কারবালার এ হৃদয়বিদারক ঘটনা মহিমাময় মহরম মাসের ঐতিহাসিক মহান আশুরার দিনে সংঘটিত হওয়ায় এতে ভিন্ন মাত্রা যোগ হয়েছে।
- ফোরাত নদী থেকে পানি সংগ্রহ করতে গেলে ফুলের মতো নিষ্পাপ দুগ্ধপোষ্য শিশু আলী আসগর এক ফোঁটা পানির জন্য সীমার বাহিনীর তিরের আঘাতে শহীদ হয়।
- সেদিন ফোরাতকূলে ‘পানি! পানি!’ বলে অবর্ণনীয় মাতম উঠেছিল।
- সত্য ও ন্যায়ের ওপর প্রতিষ্ঠিত কারবালার প্রান্তরে প্রতারিত নির্মম নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হোসাইনি কাফেলা চিরস্মরণীয় ও বরণীয়।

উৎস: i) প্রথম আলো, ২০ আগস্ট, ২০২১।
        ii) Britannica.
৯২.
সার্কের বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ক) ৫
  2. খ) ৬
  3. গ) ৭
  4. ঘ) ৮
ব্যাখ্যা
সার্ক
- সার্ক (SAARC)- এর পূর্ণাঙ্গ অর্থ হল (South Asian Association of Regional Co-operation) 'দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা।
- বাংলাদেশের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সর্বপ্রথম দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর রাষ্ট্র প্রধানদের সাথে অঞ্চলিক সহযোগিতার প্রশ্নে আনুষ্ঠানিকভাবে মত বিনিময় শুরু করেন।
- সার্ক গঠনের লক্ষে ১৯৮১ সালে কলম্বোতে সাতটি দেশের পররাষ্ট্র সচিবদের আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট লে: জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের উদ্যোগে ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে সার্কের যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮৫ সালের ৮ই ডিসেম্বর ঢাকায় সার্ক সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি উন্নয়নশীল দেশ বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপের রাষ্ট্রপ্রধানগণ উক্ত সনদে স্বাক্ষর করেন।
- এ স্বাক্ষরের মধ্য দিয়েই সার্কের জন্ম হয়।
- বর্তমানে আফগানিস্তানকে সার্কের সদস্যপদ প্রদান করা হয়েছে।
- বর্তমানে সার্কের সদস্য ৮টি দেশ ।
- - দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির লক্ষ্যে সহযোগিতার অঙ্গীকার করে আটটি লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য স্থির করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বহির্বিশ্ব, পৌরনীতি, এসএসসি।
৯৩.
চীনের দুঃখ নামে পরিচিত কোনটি?
  1. ক) মেকং নদী
  2. খ) হোয়াংহো নদী
  3. গ) মেনাম নদী
  4. ঘ) ইয়াংসিকিয়াং নদী
ব্যাখ্যা
হোয়াংহো নদী
- হোয়াংহো নদী এশিয়া ও চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
- এটি সিংহাই প্রদেশের বায়ান হার পর্বতের উত্তরাংশে উৎপত্তি হয়ে পীত সাগরে পতিত হয়েছে।
- এর অপর নাম পীত নদী।
- নদীটি চীনের দুঃখ নামে পরিচিত।
- প্রাচীন চীনে প্রায়ই এই নদীর পানি ছাপিয়ে উঠে আশপাশের সব কিছু ভাসিয়ে দিত বলে একে চীনের দুঃখ বলা হয়।
- এর সর্বমোট দৈর্ঘ্য ৫৪৬৪ কিলোমিটার।
- ইতিহাসে ২৬ বার এই নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে।
- এর ফলে প্রত্যেকবারই চীনের জনগণের জীবনে নেমে এসেছে অবর্ণনীয় দুঃখ-দুর্দশা।
- আধুনিক চীন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর চীন সরকার এই নদীর পাড়ের বেড়িবাঁধকে আরো মজবুত করে।
- এখানে চীনের প্রাচীনতম সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- লানজে, বাত্তথৌ, যেমষ্ঠে, জিনোন প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ শহর-বন্দর এ নদীর তীরে অবস্থিত।
- এই নদী ৯টি প্রদেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে শানতুং প্রদেশের দংইং শহরের বোহাই সাগরে গিয়ে মিশেছে।

উৎস: i) কালের কন্ঠ, ১২ জুলাই, ২০১৯।
        ii) Britannica.
৯৪.
সবচেয়ে বড় ঘাস কোনটি?
  1. ক) শিমগাছ
  2. খ) লাউগাছ
  3. গ) বটগাছ
  4. ঘ) বাঁশ
ব্যাখ্যা
বাঁশ
- সবচেয়ে বড় ঘাসের নাম বাঁশ।
- বাঁশ বহুল ব্যবহূত কয়েক প্রজাতির ফাঁপা কান্ড বিশিষ্ট ঘাসজাতীয় উদ্ভিদ।
- কাষ্ঠল বৃক্ষের ন্যায় বৈশিষ্ট্য থাকায় অনেক সময় এটিকে Bambusaceae গোত্রের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- বাঁশের পর্বের মধ্যভাগ সুস্পষ্ট ফাঁপা।
- রাইজোম থেকে বাঁশের নতুন কুঁড়ি গজায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমের শুরুতে। 
- পরিপুষ্ট বাঁশের রং ধূসর বা হলুদ।
- সাধারনত এই বাঁশ ড্রাগন বাম্বু, জায়েন্ট বাম্বু নামে পরিচিত।
- এর গড় উচ্চতা ৬৫ থেকে ৮২ফিট হয় (২০ থেকে ২৫ মিটার)।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
        ii) Britannica.
৯৫.
স্মরণশক্তি হ্রাস পায় কোন খনিজের অভাবে?
  1. ক) ম্যাগনেসিয়াম, সালফার
  2. খ) কপার, অ্যালুমিনিয়াম
  3. গ) আয়রন, জিংক
  4. ঘ) কার্বনেট, ম্যাঙ্গানিজ
ব্যাখ্যা
- আয়রন ও জিংক শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় এক খনিজ উপাদান।
- শারীরবৃত্তীয় অনেক কার্যক্রম পরিচালনায় আয়রন ও জিংকের বিশাল ভূমিকা রয়েছে।
- এগুলো রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা জোরদার করে।
- আয়রন ও জিংক এর অভাবে স্মরণশক্তি হ্রাস পায়।
- শিশুর শারীরিক বৃদ্ধিতেও রয়েছে জিংকের বিশেষ ভূমিকা।
- জিংককে বলা হয়ে থাকে শরীরের জন্য অন্যতম প্রয়োজনীয় উপাদান।
- শিশুদের ক্ষেত্রে মনোযোগে সমস্যা দেখা দেয়।
- বয়স্কদের মাঝেই অমনোযোগিতার প্রভাব দেখা দেয়।

এছাড়াও,
- শরীরে আয়রনের ঘাটতি হলে দুর্বল ও ক্লান্ত লাগার পাশাপাশি মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়।
- সাধারণত শিশু ও গর্ভবতী মহিলাদের আয়রনের ঘাটতি জনিত অ্যানেমিয়া হয়ে থাকে। 

উৎস: Association of Zinc Deficiency with Iron Deficiency- NCBI, National Institutes of Health (.gov).
৯৬.
উদ্ভিদের পাতা হলদে হয়ে যায় কিসের অভাবে?
  1. ক) নাইট্রোজেনের
  2. খ) ফসফরাসের
  3. গ) অক্সিজেনের
  4. ঘ) পটাশিয়ামের
ব্যাখ্যা
নাইট্রোজেন:
- নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে।
- ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হালকা হতে হতে একসময় হলুদ হয়ে যায়।
- পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে 'ক্লোরোসিস' বলে।

ফসফরাস:
- ফসফরাসের অভাব হলে পাতা বেগুনি হয়ে যায়।
- পাতায় মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয় এমনকি পাতা, ফুল ও ফল ঝরে যেতে পারে।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়।

পটাশিয়াম:
- পটাশিয়ামের অভাবে পাতার শীর্ষ এবং কিনারা হলুদ হয় এবং মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয়।
- পাতার কিনারায় পুড়ে যাওয়া সদৃশ বাদামি রং দেখা যায় এবং পাতা কুঁকড়ে আসে।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি কম হয় এবং শীর্ষ ও পার্শ্ব মুকুল মরে যায়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৯৭.
হেপাটাইটিস 'বি' ভাইরাস শরীরের কোথায় আক্রমণ করে?
  1. ক) ফুসফুস
  2. খ) হৃদপিণ্ড
  3. গ) যকৃত
  4. ঘ) অগ্ন্যাশয়
ব্যাখ্যা
হেপাটাইটিস 'বি' ভাইরাস
- হেপাটাইটিস বি একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ যা যকৃত বা লিভার কে আক্রমণ করে।
- হেপাটাইটিস বি ভাইরাস (HBV) এর আক্রমণে এ রোগ হয়। 
- রক্তের হেপাটাইটিস ভাইরাস (বি, সি) ছড়ায় যখন একজন আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত অথবা দেহজ তরল অন্য ব্যক্তির দেহে পৌঁছায়। 
- যাদের মধ্যে উপসর্গ দেখা যায়, তাদের ক্ষেত্রে সংক্রমণ এবং উপসর্গের মধ্যে দুই থেকে ছয় সপ্তাহের ব্যবধান থাকে।
- যখন উপসর্গগুলো দেখা যায়, তখন সেগুলো সাধারণত আট সপ্তাহ স্থায়ী হয় এবং তার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে: বমিভাব, বমি হওয়া, উদরাময়, হলুদ ত্বক, জ্বর এবং তলপেটে ব্যথা।

উৎস: Hepatitis B Virus: Advances in Prevention, Diagnosis and National Institutes of Health (.gov).
৯৮.
কত ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সর্বাধিক হয়?
  1. ক) ০°
  2. খ) ৪°
  3. গ) ১০°
  4. ঘ) ১০০°
ব্যাখ্যা
৪°সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। 
- ৪°সেলসিয়াস৪°সেলসিয়াসের চেয়ে কম ও বেশি তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব কমতে থাকে।
- ৪°সেলসিয়াস পানির ঘনত্ব ১ গ্রাম/কিউবিক সেন্টিমিটার বা ১০০০ কেজি/ঘনমিটার অর্থাৎ ১ সিসি পানির ভর ১ গ্রাম এবং ১ ঘন মিটার পানির ভর ১০০০ কেজি।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯.
পেনিসিলিয়াম আবিষ্কার করেন কে?
  1. ক) রবার্ট হুক
  2. খ) টমাস এডিসন
  3. গ) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
  4. ঘ) জেমস্ ওয়াট
ব্যাখ্যা
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং (১৯২৮) পেনিসিলিয়াম হতে পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন।
- এটা মানুষের ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়।
- এ অ্যান্টিবায়োটিকটি বর্তমানে ওষুধশিল্পে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত হচ্ছে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০০.
মহাশূন্য থেকে পৃথিবীতে আগত রশ্মির কণাকে কী বলে ?
  1. ক) আলফা রশ্মি
  2. খ) বিটা রশ্মি
  3. গ) কসমিক রশ্মি
  4. ঘ) গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা
কসমিক রশ্মি:
- মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চশক্তিসম্পন্ন যে কণাসমূহ প্রবেশ করে, তাদের সমষ্টিকে মহাজগতিক রশ্মি বা কসমিক রশ্মি বলে। 
- বিজ্ঞানী ভিক্টর হেস ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।