পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
Bangla - 07: বাংলা সাহিত্য সম্পূর্ণ (গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক ও তাদের সাহিত্যকর্ম)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যের অন্তর্গত কবিতা নয় কোনটি?
  1. রক্তাম্বর-ধারিণী মা
  2. ধূমকেতু
  3. রণভেরী
  4. কুলি-মজুর
ব্যাখ্যা
- কুলি-মজুর কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যের অন্তর্গত কবিতা নয়। 
- এটি সাম্যবাদী কাব্যের অন্তর্গত কবিতা। 

• 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থ: 

- 'অগ্নিবীণা' কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। 
- এই কাব্যের জনপ্রিয় কবিতা 'বিদ্রোহী'। 
- 'বিদ্রোহী' কবিতার জন্যই মূলত তিনি 'বিদ্রোহী  কবি' হিসাবে পরিচিত হন।
- কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা- প্রলয়োল্লাস।
- 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করেন।

• অগ্নিবীণা কাব্যে মোট ১২টি কবিতা রয়েছে। কবিতাগুলো হলো:
- প্রলয়োল্লাস, 
- বিদ্রোহী, 
- রক্তাম্বর-ধারিণী মা
- আগমণী, 
- ধূমকেতু
- কামাল পাশা, 
- আনোয়ার, 
- রণভেরী
- শাত-ইল-আরব, 
- খেয়াপারের তরণী, 
- কোরবানী, 
- মহররম। 
 --------------------------------
• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম ১১ই জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ সালে ভারতের আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ছেলেবেলায় তিনি লেটো গানের দলে যোগ দেন।
- পরে বর্ধমান ও ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানার দরিরামপুর হাই স্কুলে লেখাপড়া করেন।
- ১৯১৭ সালে তিনি সেনাবাহিনীর বাঙালি পল্টনে যোগ দিয়ে করাচি যান। 
- তাঁকে ‘বিদ্রোহী কবি' বলা হয়।
- মাত্র চল্লিশ বছর বয়সে কবি দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন।
- বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর অসুস্থ কবিকে ঢাকায় আনা হয় এবং পরে তাঁকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়।
- তাঁকে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় কবির মর্যাদায় ভূষিত করা হয়।

• তাঁর রচিত কাব্যগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- অগ্নিবীণা,
- বিষের বাঁশি,
- ছায়ানট,
- প্রলয়শিখা,
- চক্রবাক,
- সিন্ধুহিন্দোল।

• কাজী নজরুল ইসলাম এর উপন্যাস-
- বাধন-হারা,
- মৃত্যুক্ষুধা, 
- কুহেলিকা, 
 
• তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ:
- যুগবাণী,
- দুর্দিনের যাত্রী ও
- রাজবন্দীর জবানবন্দী।

- ২৯শে আগস্ট ১৯৭৬ সালে কবি ঢাকার পি.জি. হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মসজিদ-সংলগ্ন প্রাঙ্গণে তাঁকে পরিপূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়। 

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম, বাংলা সাহিত্য - ৯ম-১০ম শ্রেণি।
.
'রামারঞ্জিকা' সাহিত্যকর্মের রচয়িতা কে?
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. প্যারীচাঁদ মিত্র
  3. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  4. বিজন ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা
• প্যারীচাঁদ মিত্র:
- প্যারীচাঁদ মিত্র লেখক, সাংবাদিক, সংস্কৃতিসেবী, ব্যবসায়ী।
- ১৮১৪ সালের ২২ জুলাই কলকাতায় তাঁর জন্ম। 
- আলালের ঘরের দুলাল প্যারীচাঁদ মিত্রের প্রথম গ্রন্থ।

- তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে:
→ আলালের ঘরের দুলাল (১৮৫৭),
→ মদ খাওয়া বড় দায় জাত থাকার কি উপায় (১৮৫৯),
রামারঞ্জিকা (১৮৬০),
→ কৃষিপাঠ (১৮৬১),
→ ডেভিড হেয়ারের জীবনচরিত (১৮৭৮)
→ এবং বামাতোষিণী (১৮৮১)।

- আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসটি ১৮৫৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায়।
- আলালের ঘরের উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র মতিলাল। 
• অন্যান্য চরিত্র-
- বাবুরাম,
- ঠকচাচা। 

উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
কাকে অভিনব জয়দেব বলা হয়?
  1. চণ্ডীদাস
  2. শ্রীচৈতন্য
  3. বিদ্যাপতি
  4. আলাওল
ব্যাখ্যা
• বিদ্যাপতি: 
- মিথিলার কবি বিদ্যাপতি বাঙালি না হয়েও অথবা বাংলায় কবিতা রচনা না করেও “বাঙালি বৈষ্ণবের গুরুস্থানীয়, রসিক বাঙালির শ্রদ্ধেয় কবি, বৈষ্ণব সহজিয়া সাধকদের নবরসিকের অন্যতম।'
- ‘মৈথিল কোকিল' ও 'অভিনব জয়দেব' নামে খ্যাত এই বিস্ময়কর প্রতিভাশালী কবি একাধারে কবি, শিক্ষক, কাহিনিকার, ঐতিহাসিক, ভূবৃত্তান্ত- লেখক ও স্মার্ট নিবন্ধকার হিসেবে ধর্মকর্মের ব্যবস্থাদাতা ও আইনের প্রামাণ্য গ্রন্থের লেখক ছিলেন।
- তাঁর অন্যান্য উপাধি ছিল: নব কবিশেখর, কবিরঞ্জন, কবিকণ্ঠহার, পণ্ডিত ঠাকুর, সদুপাধ্যায়, রাজপণ্ডিত ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম।
.
'রক্তরাগ' কাব্যটি রচনা করেন কে?
  1. ফররুখ আহমেদ
  2. গোলাম মোস্তফা
  3. কায়কোবাদ
  4. আসকার ইবনে শাইখ
ব্যাখ্যা
• গোলাম মোস্তফা:
- গোলাম মোস্তফা কবি ও লেখক।
- যশোর (বর্তমান ঝিনাইদহ) জেলার শৈলকুপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা গোলাম রববানী এবং পিতামহ কাজী গোলাম সরোয়ার দুজনেই ছিলেন লোককবি।
- গোলাম মোস্তফা পাকিস্তানি আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় উর্দুর প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেন।
- ১৯৪৯ সালে গঠিত পূর্ববঙ্গ সরকারের ভাষা সংস্কার কমিটির সচিব হিসেবে তিনি কাজ করেন।
- তিনি গদ্য ও পদ্য রচনায় সমান দক্ষ ছিলেন, তবে কবি হিসেবেই তাঁর মুখ্য পরিচয় ছিল।

• তাঁর কাব্য:  
- রক্তরাগ,  
- খোশরোজ, 
- কাব্য-কাহিনী, 
- সাহারা,  
- হাসনেহেনা, 
- বুলবুলিস্তান,  
- তারানা-ই-পাকিস্তান, 
- বনিআদম,  
- গীতিসঞ্চালন ইত্যাদি ।

• তাঁর গদ্যরচনার মধ্যে  রয়েছে:
- বিশ্বনবী (১৯৪২),
- ইসলাম ও কমিউনিজম (১৯৪৬),
- ইসলাম ও জেহাদ (১৯৪৭),
- আমার চিন্তাধারা (১৯৫২),
- পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা ইত্যাদি।

- তাঁর বিশ্বনবী গ্রন্থখানি বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল।
- এতে তিনি হযরত মুহাম্মদ (স.)-কে ঐতিহাসিক মহামানব হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন।
- গোলাম মোস্তফার কাব্যের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো সহজ ও শিল্পসম্মত প্রকাশভঙ্গি এবং ছন্দোলালিত্য।
- সাহিত্য-সংস্কৃতিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি যশোর সংঘ কর্তৃক ‘কাব্য সুধাকর’ (১৯৫২) এবং পাকিস্তান সরকার কর্তৃক ‘সিতারা-ই-ইমতিয়াজ’ (১৯৬০) উপাধি লাভ করেন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
.
ড. আনিসুজ্জামানের রচিত গ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. স্বরূপের সন্ধানে
  2. আঠারো শতকের বাংলা চিঠি
  3. বাঙালী মুসলমানের মন
  4. বাঙালি নারী: সাহিত্য ও সমাজে
ব্যাখ্যা
- 'বাঙালী মুসলমানের মন' প্রবন্ধগ্রন্থটি রচনা করেন আহমদ ছফা। 

• আনিসুজ্জামান:

- লেখক আনিসুজ্জামান এর প্রকৃত নাম এ.টি.এম. আনিসুজ্জামান।
- ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'ইংরেজি আমলের বাংলা সাহিত্যে বাঙালি মুসলমানের চিন্তাধারা' শিরোনামে ডক্টরেট লাভ করেন। এই গবেষণাপত্রকে তিনি ‘মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য (১৯৬৪) নামে গ্রন্থরূপ দেন।
- তিনি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০৫ সালে সম্মানিক ডি.লিট. পদক লাভ করেন।
- এছাড়াও ভারত সরকারের পদ্মভূষণ লাভ করে ২০১৪ সালে।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের নাম:
-স্বরূপের সন্ধানে, 
- আঠারো শতকের বাংলা চিঠি, 
- বাঙালি নারী: সাহিত্য ও সমাজে, 
- কাল নিরবধি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'বাবরের প্রার্থনা' কাব্যগ্রন্থের লেখক কে?
  1. শঙ্খ ঘােষ
  2. গোলাম মোস্তফা
  3. রফিক আজাদ
  4. দাউদ হায়দার
ব্যাখ্যা
• শঙ্খ ঘোষ
- শঙ্খ ঘোষ পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্যের একজন খ্যাতিমান কবি।
- সাহিত্য সমালোচক হিসেবেও তিনি বিশেষ গুরুত্বের অধিকারী।
- একজন রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ হিসেবে তাঁর কৃতিত্ব রয়েছে।
- তাঁর প্রকৃত নাম চিত্তপ্রিয় ঘোষ, কিন্তু শঙ্খ ঘোষ নামেই তিনি পরিচিত। 

• তাঁর কাব্যগ্রন্থগুলো হল:
→ দিনগুলি রাতগুলি (১৯৫৬),
→ নিহিত পাতাল ছায়া (১৯৬৭),
→ এখন সময় নয় (১৯৬৭),
→ আদিম লতা গুন্যময় (১৯৭২),
→ মূর্খ বড়ো, সামাজিক নয় (১৯৭৫), 
→ মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে (১৯৮৪),
→ বন্ধুরা মাতি তরজায় (১৯৮৪),
→ বহুল দেবতা বহুল স্বর (১৯৮৬), 
→ বাবরের প্রার্থনা (১৯৭৬)
→ ধুম লেগেছে হৃদ কমলে (১৯৮৭) ইত্যাদি।

- তিনি 'বাবরের প্রার্থনা' নামক কাব্যগ্রন্থের জন্য ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন।

সূত্র: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস - মাহবুবুল আলম। 
.
'সরীসৃপ' মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি -
  1. ছোটগল্প
  2. নাটক
  3. উপন্যাস
  4. ভ্রমণ কাহিনী
ব্যাখ্যা
• মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়:
-  মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কথাসাহিত্যিক।
- ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দের ২৯ মে বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে। 
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার, ‘মানিক’ তাঁর ডাকনাম।
- স্নাতক শ্রেণিতে অধ্যয়নের সময় বিচিত্রা পত্রিকায় তাঁর প্রথম গল্প ‘অতসী মামী’ প্রকাশিত হয়। 
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় জীবনের প্রথম পর্বে মনোবিজ্ঞানী ফ্রয়েড, ইয়ুং, অ্যাডলার প্রমুখ দ্বারা প্রভাবিত হলেও পরবর্তী সময়ে তিনি মার্কসবাদে দীক্ষা নেন।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি উপন্যাস:
→ জননী,
→ দিবারাত্রির কাব্য,
→ পদ্মানদীর মাঝি,
→ পুতুলনাচের ইতিকথা,
→ শহরতলী,
→ চিহ্ন,
→ চতুষ্কোণ,
→ সার্বজনীন,
→ আরোগ্য প্রভৃতি;

• তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ছোটগল্প:
→ অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প,
→ প্রাগৈতিহাসিক,
সরীসৃপ,
→ সমুদ্রের স্বাদ,
→ হলুদ পোড়া,
→ আজ কাল পরশুর গল্প,
→ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ গল্প,
→ ফেরিওয়ালা ইত্যাদি।

• পদ্মানদীর মাঝি ও পুতুলনাচের ইতিকথা  উপন্যাস দুটি তাঁর বিখ্যাত রচনা।
• এ দুটির মাধ্যমেই তিনি সর্বাধিক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
• পদ্মানদীর মাঝি চলচ্চিত্রায়ণ হয়েছে।
• ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দের ৩ ডিসেম্বর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
‘প্রথম আলো' উপন্যাসের লেখক কে?
  1. মতিউর রহমান
  2. সৈয়দ শামসুল হক
  3. সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
  4. হুমায়ূন আহমেদ
ব্যাখ্যা
• সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়:
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় কবি ও উপন্যাসিক হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্যে একটি শ্রেষ্ঠত্বের আসন লাভ করেছিলেন।
- তবে কবি হিসেবে তাঁর পরিচিতির চেয়ে ঔপন্যাসিক হিসেবে বেশি খ্যাতিলাভ করেছিলেন।
- সমকালীন জীবনের চিত্র ফুটিয়ে তুলতে তিনি বিশেষ কৃতিত্বের পরিচয় দিয়ে গেছেন।
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম বর্তমান বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলায়। 
- কবিতা দিয়ে তাঁর সাহিত্য সাধনা শুরু।
- তাঁর প্রথম কবিতা 'একটি চিঠি' প্রকাশিত হয়েছিল 'দেশ' পত্রিকায় ১৯৫১ সালে।
- তাঁর রচিত ছোটগল্প 'খাঁচা' প্রথম প্রকাশিত হয় রমাপদ চৌধুরী সম্পাদিত 'ইন্দানীং' পত্রিকায়।
- তাঁর প্রথম উপন্যাস 'আত্মপ্রকাশ ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত হয়।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্য গ্রন্থগুলো হল:
- একা এবং কয়েকজন',
- 'হঠাৎ নীরার জন্য',
- 'ভোর বেলার উপহার',
- 'সাদা পৃষ্ঠা', 'তোমার সঙ্গে',
- 'সেই মুহূর্তে নীরা',
- 'কায়দাটা শিখে নেবে' ইত্যাদি ।

• সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের উপন্যাসগুলো হল:
- 'আত্মপ্রকাশ',
- 'ছায়া দর্শন',
- 'অন্য জীবনের স্বাদ',
- 'স্বপ্ন সম্ভব',
- 'সুনীলের সাতদিন',
- 'বাণী ও অবিনাশ',
- 'প্রথম আলো'।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক। 
.
কাজী নজরুল ইসলাম কোন চলচ্চিত্রের কাহিনিকার ছিলেন?
  1. বিদ্যাপতি
  2. চৌরঙ্গী
  3. পাতালপুরী
  4. গ্রহের ফের
ব্যাখ্যা
• বিদ্যাপতি চলচ্চিত্র:
- বিদ্যাপতি চলচ্চিত্রটি বাংলা ও হিন্দি ভাষায় নির্মিত হয় ।
- চলচ্চিত্রটি উভয় ভাষায় মুক্তি পায় ১৯৩৮ সালে।
- কাহিনিকার ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম।
- এই চলচ্চিত্রের সুরকার এবং গীতিকারও ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম।

• এছাড়া,
- পাতালপুরী, গ্রহের ফের, চৌরঙ্গী চলচ্চিত্রের সঙ্গীত পরিচালক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, দৈনিক যুগান্তর এবং বাংলাপিডিয়া।
১০.
কোনটি ব্যতিক্রম?
  1. আরণ্যক
  2. আদর্শ হিন্দু হোটেল
  3. অশনি সংকেত
  4. মেঘমল্লার
ব্যাখ্যা
- মেঘমল্লার হলো বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ছোটগল্প। 
- অপশনের বাকীগুলো তাঁর উপন্যাস। 

• বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়:

- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৪ সালে চব্বিশ পরগনায় মুরারিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা কথা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় শিল্পী।
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত শেষ উপন্যাস ‘ইছামতী’ প্রকাশিত হয় ১৯৫০ সালে।
- মানুষের জীবনের কথা এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
- ‘ইছামতী’ উপন্যাসের জন্য তিনি রবীন্দ্র পুরস্কার (১৯৪৯) লাভ করেন।
- ১৯৫০ সালের ১লা সেপ্টেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

⇒ তাঁর রচিত গ্রন্থ: 
• উপন্যাস:
- পথের পাঁচালী, 
- অপরাজিত, 
- অশনি সংকেত
- আরণ্যক
- আদর্শ হিন্দু হোটেল
- দেবযান, 
- ইছামতী, 
- দৃষ্টি প্রদীপ,  
- চাঁদের পাহাড়।  

• ছোটগল্প:
- মেঘমল্লার,  
- মৌরীফুল,  
- যাত্রাবদল,  
- কিন্নরদল ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১১.
উপক্রমণিকা, চিন্তায়সি ও বক্তব্য - এই তিনটি প্রবন্ধের লেখক কে?
  1. ধূর্জটিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়
  2. পরিমল গোস্বামী
  3. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. গোপাল হালদার
ব্যাখ্যা
• ধূর্জটিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়
- ধূর্জটিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বিশিষ্ট প্রবন্ধকার হিসেবে খ্যাতিমান ছিলেন।
- বহু বিষয়ে তিনি প্রবন্ধ রচনা করে বৈচিত্র্যপূর্ণ প্রতিভার পরিচয় দিয়ে গেছেন।
- তিনি বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় অনেক প্রবন্ধ গ্রন্থ রচনা করেছেন।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ গ্রন্থগুলো হল—
- 'আমরা ও তাঁহারা',
- 'চিন্তায়সি',
- 'বক্তব্য',
- ‘উপক্রমণিকা',
- 'কথা ও সুর',
- 'মনে এল' ইত্যাদি।

- 'আমরা ও তাঁহারা' তাঁর সমাজ ও সংস্কৃতি বিষয়ক গ্রন্থ।
- তিনি বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে সমাজ ও সংস্কৃতির ব্যাখ্যা করেছেন চিন্তায়সি প্রবন্ধ সংকলনে।

সূত্র: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস - মাহবুবুল আলম।