পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়29 minutes
মোট প্রশ্ন২৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২ ---------------- পার্ট – ১: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বৈশ্বিক ইতিহাস: [প্রাচীন সভ্যতা ও সাম্রাজ্যসমূহ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী (যুদ্ধ ও বিপ্লব ইত্যাদি), ধর্মসমূহের ইতিহাস এবং ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ [শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো পড়ুন। এই টপিক সারাজীবন পড়েও শেষ হবে না।] ২. আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি: [পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক চুক্তিসমূহ] উৎস: ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সম্পর্কিত বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, হিস্টরি.কম, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] পার্ট – ২: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিকসমূহ: ১. কম্পিউটার পেরিফেরালস: ইনপুট, আউটপুট ও স্টোরেজ ডিভাইসসমূহ - কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর (OCR) ইত্যাদি। ২. কম্পিউটারের অঙ্গ-সংগঠন: সিপিইউ, হার্ড ডিস্ক, ALU, BIOS, পাওয়ার সিস্টেম ইত্যাদি। ৩. কম্পিউটারের পারঙ্গমতা ও দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটারের ব্যবহার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি। ৪. কম্পিউটারের সংখ্যা পদ্ধতি ও কোড, ডিজিটাল লজিক ইত্যাদি। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২৩ প্রশ্ন

.
‘Earth Summit’ প্রথম কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. রিও ডি জেনিরো, ব্রাজিল
  3. কিয়োটো, জাপান
  4. মন্ট্রিল, কানাডা
ব্যাখ্যা
Earth Summit:
- ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে ১৯৯২ সালের ৩ - ১৪ জুন প্রথম পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 
- এটি রিও সামিট, রিও-কনফারেন্স বা ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) নামে পরিচিত।
- এই সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন (Climate Change Convention) বিষয়ক চুক্তি হয় যা পরবর্তীতে কিয়েটো প্রোটকল (Kyoto-Protocol) নামে পরিচিত হয়।
- এর উল্লেখযোগ্য একটি নীতি হচ্ছে Polluter pays principle.
- ধরিত্রী সম্মেলনের ফলাফল: পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক রিও ঘোষণা ও এজেন্ডা ২১। 

উল্লেখ্য,
- এই বিশ্বব্যাপী সম্মেলনে ১৭৯টি দেশের রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক, বিজ্ঞানী, মিডিয়ার প্রতিনিধি এবং বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) একত্রিত হয়েছিল।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
.
‘গ্রিন হাউস ইফেক্ট' শব্দটি প্রথম কোন বিজ্ঞানী ব্যবহার করেন?
  1. সোভানটে আরহেনিয়াস
  2. অ্যালফ্রেড বিনেট
  3. ফ্রেডরিখ উইলার
  4. ক্যারোলাস লিনিয়াস
ব্যাখ্যা
গ্রিন হাউস:
- গ্রিন হাউস হচ্ছে এক ধরনের কাচের ঘর। 
- নির্দিষ্ট মাত্রায় তাপ ধরে রেখে বা সৃষ্টি করে বিভিন্ন উদ্ভিদ ও শাকসবজি জন্মাবার জন্যেই এটা তৈরি করা হয়। 
- প্রধানত শীতপ্রধান দেশে এবং ইদানিং মরুময় তেল প্রধান দেশে এ ধরনের ঘর তৈরি করা হয়।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ শীতপ্রধান দেশের গ্রীন হাউস ঘরের ন্যায় সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাধা সৃষ্টি করে বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো: কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরো ফ্লরো কার্বন। 
- ‘গ্রিন হাউস ইফেক্ট' কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন সুইডিস রসায়নবিদ সোভানটে আরহেনিয়াস।

অন্যদিকে
- সুইডিস বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার জনক।
- জার্মানীর বিজ্ঞানী ফ্রেডরিখ উইলার ইউরিয়ার আবিষ্কারক।
- ফ্রান্সের বিজ্ঞানী অ্যালফ্রেড বিনেট আই কিউ টেস্টের আবিষ্কারক।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি মিশরীয় সভ্যতার সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. প্যাপিরাস
  2. হায়ারোগ্লিফিক
  3. সৌর পঞ্জিকা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল নীল নদের তীরে।
- এই সভ্যতা ছিল কৃষিনির্ভর। 
- সে কারণে নীল নদের প্লাবন, নাব্যতা, পানি প্রবাহের মাপ জোয়ারভাটা ইত্যাদি ছাড়াও জমির মাপ তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।
- তারা অংক শাস্ত্রের দুটি শাখা জ্যামিতি এবং পাটিগণিতের প্রচলন করে। 
- খ্রিস্টপূর্ব ৪২০০ অব্দে তারা পৃথিবীতে প্রথম সৌর পঞ্জিকা আবিষ্কার করে। 
- ৩৬৫ দিনে বছর এ হিসাবের আবিষ্কারকও তারা। 
- প্রাচীন মিশরের অধিবাসীরা সময় নির্ধারণের জন্য সূর্য ঘড়ি, ছায়াঘড়ি, জলঘড়ি আবিষ্কার করে।
- তাদের চিত্রলিপিকে বলা হয় হায়ারোগ্লিফিক।
- চিকিৎসা শাস্ত্রে মিশরীয়রাই সর্বপ্রথম ‘মেটেরিয়া মেডিকা' বা ঔষুধের তালিকা প্রণয়নে সক্ষম হয়।
- প্যাপিরাস হলো পুরু কাগজের অনুরূপ একটি উপাদান যা প্রাচীন কালে লেখার পৃষ্ঠ হিসাবে ব্যবহৃত হত।
- প্রাচীন মিশরীয়রা প্যাপাইরাস গাছ থেকে প্যাপিরাস কাগজ তৈরি করেছিলেন। 

উৎস: i) Britannica.
         ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
গৌতম বুদ্ধের দিব্যজ্ঞান লাভের স্থান -
  1. কপিলাবস্তু
  2. বুদ্ধগয়া
  3. কুশিনারা
  4. তক্ষশীলা
ব্যাখ্যা
গৌতম বুদ্ধ:
- গৌতম বুদ্ধের ব্যক্তিগত নাম সিদ্ধার্থ।
- তাঁর জন্ম খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ-৪র্থ শতাব্দীতে নেপালের কপিলাবস্তুর কাছে লুম্বিনীতে। 
- তিনি বৌদ্ধ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা।
- বুদ্ধ উপাধিটির অর্থ হল একজন আলোকিত সত্তা, যিনি অজ্ঞতার ঘুম থেকে জেগে উঠেছেন এবং যন্ত্রণা থেকে মুক্তি লাভ করেন।
- বৌদ্ধধর্মের সব রূপই গৌতম বুদ্ধের জীবনের বিভিন্ন ঘটনা উদযাপন করে, যার মধ্যে রয়েছে তাঁর জন্ম, জ্ঞানার্জন এবং নির্বাণে উত্তরণ।
- তাঁর মৃত্যু কুশিনারা, মাল্লা প্রজাতন্ত্র, মগধ রাজ্যে।

অন্যদিকে -
- পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি জেলায় বৌদ্ধধর্মের স্মৃতিবিজড়িত স্থান তক্ষশীলা।
- গৌতম বুদ্ধের দিব্যজ্ঞান লাভের স্থান বুদ্ধগয়া।
- সারনাথ একটি উদ্যান যেখানে গৌতম বুদ্ধ সর্বপ্রথম ধর্ম নিয়ে ভেবেছিলেন। এই স্থানটি ভারতের উত্তর প্রদেশের বারানাশী শহর থেকে ১৩ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত।

উৎস: Britannica.
.
কত সালে চীনে ‘শতফুল ফুটতে দাও’ নীতি গৃহীত হয়?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৫৫ সালে
  4. ১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
মাও সেতুং:
- চীনা কমিউনিষ্ট আন্দোলনের অন্যতম নেতা মাও সেতুং।
- তিনি ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রধান স্থপতি। 
- ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর, এক বিপ্লবের মাধ্যমে কমিউনিস্ট বিপ্লবী মাও-সেতুং এর নেতৃত্বে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তাই মাও-সেতুং কে গণচীনের জনক বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৬ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা স্ট্যালিনের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শনের নীতি অনুসৃত হলে এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে মাও-সেতুং চীনে ‘শত ফুল ফুটতে দাও’ নীতির আওতায় বুদ্ধিজীবীদের কাছ থেকে আমলাতন্ত্র ও প্রশাসনের সমালোচনা আহবান করেন। 
- ১৯৫৮ সালে তিনি ‘বৃহৎ উল্লম্ফন কর্মসূচী’ নীতিমালার মাধ্যমে আমলাতান্ত্রিক রাষ্ট্রকে স্থানীয় স্বায়ত্বশাসিত কমিউনের মাধ্যমে প্রতিস্থাপিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

উৎস: i) Britannica.
         ii) History.com
.
আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সূচনা করেন কে?
  1. কোপার্নিকাস
  2. গ্যালিলিও
  3. নিউটন
  4. আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা
গ্যালিলিও:
- বিজ্ঞানী গ্যালিলিও একজন ইতালিয়ান পদার্থবিজ্ঞানী,জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং দার্শনিক।
- বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গাণিতিক সূত্র দেওয়ার পর পরীক্ষা করে সেই সূত্রটি প্রমাণ করার বৈজ্ঞানিক ধারার সূচনা করেন।
- গ্যালিলিওকে আধুনিক বিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
- তিনি আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সূচনা করেন
- ১৬০৯ সালে বিজ্ঞানী গ্যালিলিও একটি উন্নত ধরণের দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
- গ্যালিলিও মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর জন্য তিনটি সূত্র প্রদান করেন।
- সূত্রগুলো স্থির অবস্থান থেকে মুক্তভাবে পড়ন্ত যেকোনো বস্তুর পরিমাপের বেলায় ব্যবহার করা যায়।

অন্যদিকে -
- ১৫৪৩ সালে কোপার্নিকাস সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের ব্যাখ্যা দেন।
- নিউটন বলবিদ্যা ও গতিবিদ্যার ভিত্তি স্থাপন করেন।
- আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার সূত্র প্রদান করেন।

উৎস: i) পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।  
          ii) Britannica.
.
‘High Seas Treaty’ কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. নিউইয়র্ক
  2. প্যারিস
  3. রোম
  4. দুবাই
ব্যাখ্যা
High Seas Treaty:
- High Seas Treaty বা UN Treaty on the High Seas হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা পৃথিবীর সমুদ্রের ৬০% অংশকে সুরক্ষা দেয় এবং সেখানে জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য নতুন নীতি ও কৌশল প্রবর্তন করে।
- ‘High Seas Treaty’ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২০ জুন, ২০২৩, জাতিসংঘের সদরদপ্তর নিউইয়র্কে।
- চুক্তিটির লক্ষ্য হলো বিশ্বব্যাপী "হাই সিজ" (High Seas) বা আন্তর্জাতিক জলসীমায় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সেখানে মানুষের কার্যক্রমের প্রভাব কমানো।

⇒ ২০১৭ সালের ২৪ ডিসেম্বর, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে রেজোলিউশন ৭২/২৪৯ গৃহীত হয়, যা একটি সম্মেলন আহ্বান করে সমুদ্রের বাইরের অঞ্চলে (High Seas) জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক চুক্তি (ILBI) তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করে। এই চুক্তি সমুদ্রের বাইরের অঞ্চলে পরিবেশগত প্রভাব নিয়ন্ত্রণ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিশ্চিত করবে। রেজোলিউশনটি ১৪১টি দেশ সমর্থন করে, যা পৃথিবীর সমুদ্রের এই অবহেলিত অর্ধেকের সুরক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেছে।


উল্লেখ্য,
- ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে বাংলাদেশ জাতিসংঘের ‘High Seas Treaty’তে স্বাক্ষর করেছে।
- জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘বায়োলজিক্যাল ডাইভারসিটি অব এরিয়াস বিয়ন্ড ন্যাশনাল জুরিসডিকশন’ (বিবিএনজে) শীর্ষক এ সন্ধিপত্রে সই করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- স্বাক্ষরকারী ৬০টি দেশ অনুমোদন করলে ১২০ দিন পর চুক্তিটি কার্যকর হবে। 
- চুক্তিতে অতিরিক্ত মৎস্য আহরণ প্রতিরোধ এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষার বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

উৎস: i) High Seas Alliance.
         ii) ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
.
'ডার্টি ডজন' হলো -
  1. গ্রিনহাউজ গ্যাস
  2. দূষিত শহর
  3. বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্য
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ডার্টি ডজন:
- ডার্টি ডজন (Dirty Dozen) হলো পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী ১২টি মারাত্মক বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্য। 
- এর মধ্যে কীটনাশক ৮টি: অলড্রিন, ডায়েলড্রিন, ক্লোরডেন, এনড্রেন, হেপ্টাক্লোর, ডিডিটি, মিরেক্স এবং টক্সাফিন।
- শিল্পজাত রাসায়নিক দ্রব্য ২টি: পিসিবি এবং হেক্সাক্লোরোবেনজিন। 
- কল-কারখানায় উৎপন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত উপজাত ২টি: ডাইওক্সিন ও ফিউরান।

উল্লেখ্য,
- এই বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্যগুলো খাদ্যচক্রে প্রবেশ করে সব ধরনের জীবজন্তুর ওপর তীব্র প্রতিক্রিয়া ঘটায়।
- ডিসেম্বর, ২০০০-এ জোহানেসবার্গে বাংলাদেশসহ ১২২টি দেশের প্রতিনিধিদের পরিবেশ সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনার জন্য এক সম্মেলন হয়। 
- এ সম্মেলনে 'ডার্টি ডজন’-এর ব্যবহার সীমিত করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- পেস্টিসাইড অ্যাকশান নেটওয়ার্ক নামে একটি বেসরকারি সংস্থা এ তালিকাটি করে।
- তবে ডার্টি ডজন নামে অভিহিত হলেও ১৮টির কাছাকাছি রাসায়নিক এ তালিকায় রয়েছে।

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট। 
         ii) বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের কোনটি ই-৮ ভুক্ত দেশ নয়?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
ই - ৮:
- ই - ৮ হচ্ছে ৮টি পরিবেশ দুষণকারী দেশ।
- ই - ৮ ভুক্ত দেশসমূহ পরিবেশ দূষণকারী দেশগুলোর জন্য বিভিন্ন আইন-কানুন জারি করে। 
- ই - ৮ ভুক্ত দেশসমূহ হলো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চীন, রাশিয়া, জাপান, ভারত, ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকার নেতাদের দ্বারা গঠিত একটি সংস্থা।

উৎস: Britannica.
১০.
UNEP কোন সাল থেকে 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' পুরস্কার প্রদান করে থেকে?
  1. ২০০৫ সাল
  2. ২০০৮ সাল
  3. ২০১০ সাল
  4. ২০১৩ সাল
ব্যাখ্যা
চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ:
- চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ জাতিসংঘের পরিবেশ-বিষয়ক সর্বোচ্চ বার্ষিক সম্মাননা।
- পরিবেশ বিষয়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়ে থাকে।
- জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি ২০০৫ সাল থেকে পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ে ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ পুরস্কার প্রদান করে আসছে।
- বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সরকারি বেসরকারি পর্যায় থেকে এ পুরস্কার দেওয়া হয় ৷

উল্লেখ্য,
- ২০১৫ সালে পলিসি লিডারশীপ ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।
১১.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন কোন মার্কিন প্রেসিডেন্টের নির্দেশে জাপানে পারমাণবিক বোমা হামলা করা হয়েছিল?
  1. জিমি কার্টার
  2. হ্যারি এস ট্রুম্যান
  3. ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
  4. রিচার্ড নিক্সন
ব্যাখ্যা
জাপানের পারমাণবিক বোমা হামলা:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন প্রায় শেষের পথে, তখন আগস্টে জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকি শহরে পরমাণু বোমা ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- বিশ্বের ইতিহাসে সেটিই ছিল প্রথম যুদ্ধ যেখানে ব্যবহৃত হয়েছিল গণবিধ্বংসী মারণাস্ত্র।
- মারা গিয়েছিল হাজার হাজার মানুষ।
- জাপানের হিরোশিমা শহরে ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে বোমা বর্ষণ করে।
- নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো লিটলবয়।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা বর্ষণ করে।
- নাগাসাকিতে নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো ফ্যাটম্যান।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

উৎস: History.com.
১২.
আসমানী কিতাবের সর্বমোট সংখ্যা -
  1. ১০৪
  2. ৪৭
  3. ১৯
ব্যাখ্যা
আসমানী কিতাব:
- আসমানী কিতাব হচ্ছে ঐ কিতাব যা যুগে যুগে মানবতার হিদায়াতের জন্য আল্লাহ তাঁর বাছাইকৃত নবী- রাসূলগণের ওপর নাযিল করেছেন। 
- আসমানী কিতাবই হচ্ছে একমাত্র নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ, যা বিভ্রান্ত মানবতাকে সত্য, সুন্দর ও সৎ পথের সন্ধান দিয়ে থাকে।
- আসমানী কিতাবের সর্বমোট সংখ্যা ১০৪ খানা। 

অন্যদিকে-
- প্রধান আসমানী কিতাব ৪টি।
- মদীনা সনদে মোট শর্ত ছিল ৪৭টি।
- ‘বিসমিল্লাহির রাহমানীর রাহিম’ এতে বর্ণ আছে ১৯টি।

উৎস: আসমানী কিতাব ও মালাইকা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
নিচের কোনটি একটি ইনপুট ডিভাইস নয়?
  1. Digital Camera
  2. Light Pen
  3. Keyboard
  4. Speaker
ব্যাখ্যা
♦ ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Light pen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• Speaker একটি আউটপুট ডিভাইস।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
জুম-এর ফ্রি-ভার্সন ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে কত মিনিট ভিডিও চালু রাখা যায়?
  1. ৪০ মিনিট
  2. ১ ঘণ্টা
  3. ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট
  4. কোন লিমিটেশন নেই
ব্যাখ্যা
• জুম (Zoom):
- ভিডিও কমিউনিকেশন সফটওয়্যার 'জুম' (Zoom) ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা: এরিক ইউয়ান (চীনা বংশোদ্ভূত আমেরিকান প্রযুক্তি উদ্যোক্তা)
- সদরদপ্তর: ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
- পেমেন্ট ছাড়া সর্বোচ্চ ১০০ জন ভিডিও কানফারেন্সিং-এ জয়েন করতে পারে।
- পেমেন্ট ছাড়া সর্বোচ্চ ৪০ মিনিট ভিডিও কানফারেন্সিং চালু রাখা যায়।

উৎস: britannica.com
১৫.
ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার হয় কোনটিতে?
  1. রেজিস্টার তৈরিতে
  2. ডিজিটাল ঘড়িতে
  3. মোবাইল ফোনে
  4. উপরের সবগুলোতেই
ব্যাখ্যা
• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
১৬.
কে সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন?
  1. ডেনিস রিচি
  2. টিম বার্নাস লি.
  3. জর্জ ডেভল
  4. রে এলিংটন
ব্যাখ্যা
• ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।
- মাইনাস ৪১ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ক্রায়োসার্জারি সেলগুলোকে ধ্বংস করার কাজ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
নিচের কোনটি ১০২৪ গিগাবাইট এর সমতুল্য?
  1. ১ টেরাবাইট
  2. ১ পেটাবাইট
  3. ১ এক্সাবাইট
  4. ১ ইয়োট্ট্রাবাইট
ব্যাখ্যা
৮ বিট = ১ বাইট
১০২৪ বাইট = ১ কিলোবাইট
১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট
১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট
১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট
১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট
১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
১৮.
ক্রায়োজনিক নয় কোনটি?
  1. তরল নাইট্রোজেন
  2. তরল সোডিয়াম ক্লোরাইড
  3. তরল আর্গন গ্যাস
  4. ইথাইল ক্লোরাইড
ব্যাখ্যা
- ক্রায়োসার্জারি হলো এক ধরণের চিকিৎসা পদ্ধতি যাতে অত্যধিক শীতল তাপমাত্রা প্রয়োগ করে শরীরের অস্বাভাবিক বা রোগাক্রান্ত কোষগুলোকে ধ্বংস করা হয়।
- এই পদ্ধতিতে রোগাক্রান্ত অংশ হিমায়িত করার জন্য কিছু রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ক্রায়োজনিক এজেন্ট বলে।
- কিছু ক্রায়োজনিক এজেন্ট নিচে উল্লেখ করা হলো:
• তরল নাইট্রোজেন
• তরল আর্গন গ্যাস
• তরল নাইট্রাস অক্সাইড
• ইথাইল ক্লোরাইড
• ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন
• তরল কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাস
• ডাই মিথাইল ইথাইল প্রোপ্রেন ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৯.
কোন 'ফাংশন কী' এর সাহায্যে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি রিফ্রেশ করা হয়?
  1. F12
  2. F5
  3. F9
  4. F7
ব্যাখ্যা
• কীবোর্ডের ১২টি ফাংশন কী এর কাজসমূহ- 
-F1 : সাহায্যকারী কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। F1 চাপলে প্রতিটি প্রোগ্রামের ‘হেল্প’ চলে আসবে।
-F2 : সাধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডারের নাম বদলের (রিনেম) জন্য ব্যবহূত হয়।
-F3: এটি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ সুবিধা চালু হয়।
-F4 : Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। 
-F5 : মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি রিফ্রেশ করা হয় F5 চেপে। 
-F6 : এটা দিয়ে মাউস কার্সারকে ওয়েব ব্রাউজারের ঠিকানা লেখার জায়গায় (অ্যাড্রেসবার) নিয়ে যাওয়া যায়।
-F7 : ওয়ার্ডে লেখার বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয় এ কি চেপে।
-F8 : অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার সময় কাজে লাগে এই কী। 
-F9 : কোয়ার্ক এক্সপ্রেস ৫.০-এর মেজারমেন্ট টুলবার খোলা যায় এই কী দিয়ে।
-F10 : ওয়েব ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয় এ কী চেপে।
-F11: ওয়েব ব্রাউজার পর্দাজুড়ে দেখা যায় ।
-F12 : ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো খোলা হয় এ কী চেপে।

উৎস: Computerhope.com
২০.
নিচের কোনটি ভিডিও মনিটরের সবচেয়ে ছোট ভিজ্যুয়াল উপাদান?
  1. Resolution
  2. Pixel
  3. Bit
  4. Byte
ব্যাখ্যা
♦ পিক্সেল:
- Pixel শব্দটি ইংরেজি Picture Element এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- পিক্সেল হচ্ছে ডেটা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত মাধ্যমের (মনিটরের পর্দা) ক্ষুদ্রতম এলাকা, যার বর্ণ ও উজ্জ্বলতা স্বতন্ত্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

♦ রেজুল্যশন:
- ডিসপ্লে স্ক্রিনে প্রদর্শিত ছবির সূক্ষ্ণতাকে রেজুল্যশন বলে।
- একটি মনিটরের রেজুল্যশন যত বেশি হবে, মনিটরটি তত বেশি ভাল হবে। 
- একটি CRT তে যতগুলো পিক্সেল কলাম ও সারি থাকে, তার গুণিতক মান হলো উক্ত CRTটির রেজুল্যশন । 
- যেমন একটি CRT তে ৬৪০টি কলাম এবং ৪৮০টি পিক্সেল সারি আছে, তাহলে CRT এর রেজুল্যশন হবে ৬৪০ × ৪৮০।
 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২১.
কোন কোডটি সাধারণত IBM এবং IBM সমকক্ষ কম্পিউটারেই শুধু ব্যবহৃত হয়?
  1. BCD
  2. EBCDIC
  3. UNICODE
  4. ASCII
ব্যাখ্যা
♦ ইবিসিডিক কোড (EBCDIC):
- ৮-বিট বিসিডি কোড Extended Binary Coded Decimal Information Code বা ইবিসিডিক কোড নামে পরিচিত।
- ইবিসিডিক (EBCDIC) কোডে ০ থেকে ৯ সংখ্যার জন্য ১১১১, A থেকে Z বর্ণের জন্য ১১০০, ১১০১ ও ১১১০ এবং বিশেষ চিহ্নের জন্য ০১০০, ০১০১, ০১১০ ও ০১১১ জোন বিট হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- ২৫৬টি বর্ণ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নকে এ পদ্ধতিতে কোড করে কম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী করা আছে।
- এ কোডটি সাধারণত IBM এবং IBM সমকক্ষ কম্পিউটারেই শুধু ব্যবহৃত হয়।
- যেমন IBM মেইনফ্রেম ও মিনি কম্পিউটারে EBCDIC কোড ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
২২.
কোনটির ক্ষেত্রে এম্বেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না?
  1. ATM
  2. LED Light
  3. Cell Phone
  4. DVD
ব্যাখ্যা
• LED লাইটে এম্বেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

♦ এম্বেডেড কম্পিউটার:

- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি শুধুমাত্র সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কাজই করে।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।

উৎস: computerhope.com
২৩.
মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে কোনটি?
  1. অ্যাডার
  2. রেজিস্টার
  3. ডিকোডার
  4. এনকোডার
ব্যাখ্যা
• এনকোডার:
- এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে

• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

• অ্যাডার:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বলে।
- অ্যাডার দুই ধরনের। যথা- হাফ-অ্যাডার ও ফুল-অ্যাডার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।