পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৯১
সিলেবাস
Exam - 18 Full Model Test - 08 Topic: Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৯১ প্রশ্ন

.
'X' একটি মুরগী হত্যা ও চুরি করার উদ্দেশ্যে মুরগিটির প্রতি গুলি ছোঁড়ে, কিন্তু ঝোপের অপর পাশে থাকা ‘Y' গুলি বর্ষণের ফলে মারা যায়, যা 'X' জানত না। 'X' এর অপরাধটি হলো?
  1. নিন্দনীয় নরহত্যা
  2. হত্যা
  3. খুন
  4. উপরোক্ত কোনটি নয়।
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত কোনটি নয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত কোনটি নয়।
ব্যাখ্যা
♦এক্ষেত্রে 'X' এর কাজটি একটি বেআইনী কাজ হলেও, 'X' নিন্দনীয়/দন্ডনীয় নরহত্যার অপরাধে দায়ী হবে না, কারণ সে 'Y' কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে গুলি ছোড়েনি বা এমন কোন কাজ মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় করেনি, যা মৃত্যু ঘটাতে পারে মর্মে তার জানা ছিল। কেননা দন্ডবিধির ২৯৯ ধারায় উল্লেখিত “মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায়ে বা মৃত্যু ঘটায়” শব্দগুলো দ্বারা বুঝা যায় নিন্দনীয় নরহত্যা হওয়ার জন্য হত্যা করার ইচ্ছা থাকা জরুরী। কিন্তু X এর ইচ্ছা ছিল না এবং সে জানতোও না যে Y ঝোপের আড়ালে আছে। দন্ডবিধির ২৯৯ ধারার উদাহরণ গ  অনুসারে X এই কাজটি  নিন্দনীয়/দন্ডনীয় নরহত্যার অপরাধ নয় এবং হত্যা আর খুনও হয়নি।
.
‘X’ কোন অজুহাত ছাড়াই জনতার উপর একটি গোলাভর্তি কামান থেকে গোলাবর্ষণ করে এবং তাদের মধ্যে একজনকে নিহত করে। 'X'এর অপরাধ কি?
  1. নিন্দনীয় নরহত্যা
  2. হত্যা
  3. খুন
  4. কোনটি নয়।
সঠিক উত্তর:
খুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুন
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩০০ ধারায় বলা হয়ছেঃ খুনের যে সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা
দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা
তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।
♦ ‘X’ খুনের অপরাধে দোষী। যদিও কোন বিশেষ ব্যক্তিকে হত্যা করার জন্য তার পূর্বকল্পিত অভিসন্ধি ছিল না। কিন্তু সে জানতো তার এই কাজের ফলে যেকারো মৃত্যু ঘটতে পারে।
.
X একজন সরকারী কর্মচারী X এর স্ত্রী Y একজন মক্কেলকে অবৈধ সুবিধা প্রদানের বিষয়ে তার স্বামীকে পরামর্শ দিবে এই উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেলের নিকট হতে একটি উপহার গ্রহণ করে। সরকারী কর্মচারী X কাজটি সম্পন্ন করে তার স্ত্রী Y-কে সহায়তা করে। পেনাল কোডের অধীন Y এরুপ অপরাধে সহায়তার কারণে সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে_____।
  1. ১ বৎসর বিনাশ্রম কারাদন্ড
  2. ১ বৎসর বিনাশ্রম বা সশ্রম কারাদন্ড
  3. ২ বৎসর বিনাশ্রম কারাদন্ড
  4. ৩ বৎসর বিনাশ্রম বা সশ্রম কারাদন্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর বিনাশ্রম বা সশ্রম কারাদন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর বিনাশ্রম বা সশ্রম কারাদন্ড
ব্যাখ্যা
♦এক্ষেত্রে X ১৬৪ ধারায় অপরাধ করেছে। ১৬৪ ধারায় সরকারী কর্মচারী কর্তৃক ১৬২ বা ১৬৩ ধারায় বর্ণিত অপরাধসমূহে সহায়তা করার জন্য যে কোন বর্ণনার সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে যার মেয়াদ ৩ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থে দণ্ডে বা উভয়।
.
'ক' ও 'খ' পৃথকভাবে এবং বিভিন্ন সময়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মাত্রায় বিষ প্রয়োগ করে 'গ' কে খুন করার জন্য একমত হয়। 'ক' ও 'খ', 'গ' কে খুন করার লক্ষ্যে চুক্তি অনুযায়ী বিষ প্রয়োগ করে। 'গ' এর প্রতি অনুরূপভাবে প্রযুক্ত কতিপয় মাত্রায় বিষ প্রয়োগের কারণে তার মৃত্যু হয়। উক্ত খুনের দায়ে দায়ী হবে____।
  1. ক ও খ
  2. ক অথবা খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩৭ ধারা মতে যদি কতিপয় ব্যক্তি একাধিক কাজের মাধ্যমে কোন অপরাধ করে, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি উক্ত অপরাধ সংঘটনের সকল বা যে কোন একটি কাজের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনে সহায়তা করে, সে সহায়তাকারী ব্যক্তি অন্য অপরাধীদের সাথে সমানভাবে দায়ী হবে।

♦ এক্ষেত্রে “ক' ও 'খ' ইচ্ছাপূর্বকভাবে খুন সংঘটনে সহযোগিতা করে এবং তাদের প্রত্যেকেই এ ধরণের একটি কাজ সম্পাদন করে যাদ্বারা মৃত্যু সংঘটিত হয়। যদিও তাদের কাজসমূহ স্বাতন্ত্র্য তবুও উভয়েই উক্ত অপরাধের জন্য দোষী হবে।
.
'খ' একজন বৃটিশ নাগরিক। সে রংপুরে একটি খুনের অপরাধ সংঘটিত করে। উক্ত খুনের দায়ে "খ" এর বিচার কোন আইন অনুযায়ী হবে?
  1. জাতিসংঘের আইন অনুযায়ী।
  2. বাংলাদেশের দণ্ডবিধি অনুযায়ী।
  3. শুধু ব্রিটেনের আইন অনুযায়ী।
  4. খ এর বিচার বাংলাদেশে হবে না।
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের দণ্ডবিধি অনুযায়ী।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের দণ্ডবিধি অনুযায়ী।
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই পেনাল কোডের অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশী নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা পেনাল কোডে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশী কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
♦দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i)  বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
.
The Penal Code, 1860 এর 44 ধারা অনুযায়ী ‘Injury’ বলতে যে কোন ব্যক্তির __________ কিংবা সম্পত্তির প্রতি বেআইনি আঘাত দেওয়াকে বোঝায়।
  1. দেহ
  2. মন
  3. সুনাম
  4. দেহ, মন, সুনাম
সঠিক উত্তর:
দেহ, মন, সুনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেহ, মন, সুনাম
ব্যাখ্যা
♦ The Penal Code, 1860 এর 44 ধারা অনুযায়ী Injury’ বলতে যে কোন ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম কিংবা সম্পত্তির প্রতি বেআইনি যেকোন আঘাত দেওয়াকে বোঝায়।
.
X, Y কে Z এর ঘর পোড়ানোর জন্য প্ররোচিত করে। Y, Z এর ঘরে আগুন দেয় এবং চুরি করে। X______________দায়ী হবে।
  1. চুরি এবং ঘর পোড়াতে প্ররোচনার জন্য
  2. চুরিতে প্ররোচনার জন্য
  3. ঘর পোড়াতে প্ররোচনার জন্য
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘর পোড়াতে প্ররোচনার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘর পোড়াতে প্ররোচনার জন্য
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ১১১ ধারা মতে যখন একটি কাজের জন্য সহায়তা করা হয়েছে কিন্তু সে কাজটি ভিন্ন অপর একটি কাজ সম্পাদিত হয়েছে, তখন যে কাজটি সম্পাদিত হয়েছে তার জন্য প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা করা হলে যে অপরাধ হত সে অপরাধের জন্য যেভাবে এবং যতটুক পর্যন্ত দণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সহায়তাকারী সেভাবে এবং ততটুকু পর্যন্ত দণ্ডে দণ্ডিত হবে,
♦তবে শর্ত থাকে যে, যে কাজটি সম্পাদিত হয়েছে সে কাজটি সহায়তার একটি সম্ভাব্য পরিণতি হতে হবে, এবং যে প্ররোচনা, সাহায্য বা ষড়যন্ত্র দ্বারা সহায়তা করা হয়েছে কাজটি সে প্ররোচনা, সাহায্য বা ষড়যন্ত্রের প্রভাবেই সম্পাদিত হতে হবে।

♦আলোচ্য প্রশ্নে X, Y কে Z এর ঘর পোড়ানোর জন্য প্ররোচিত করে। Y, Z এর ঘরে আগুন দেয় এবং চুরি করে। এখানে প্ররোচনা করা হয়েছিল ঘরে আগুন দেওয়ার কিন্তু Y চুরিও করে। এখানে চুরি হলো আগুন দেওয়া হতে ভিন্ন অপরাধ। যেহেতু ঘরে আগুন দেওয়ার সম্ভাব্য ফলাফল চুরি না, সেহেতু শুধুমাত্র ঘরে আগুন দেওয়ার প্ররোচনার জন্য X দায়ী হবে কিন্তু চুরি করতে প্ররোচনার জন্য দায়ী হবেনা। তবে Y ঘরে আগুন দেওয়া ও চুরি উভয় অপরাধের জন্য দায়ী হবে। 
.
‘Y’, ‘Z’ কে খুন করেছে জ্ঞাত থেকে 'X', 'Y' কে শাস্তি থেকে বাঁচানোর উদ্দেশ্যে মৃত দেহটি গোপন করার জন্য 'Y' কে সাহায্য করে। 'X' এর শাস্তি হতে পারে ___________।
  1. ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ড
  2. অনধিক ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড
  3. ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড
  4. যেকোনো বর্ণনার অনধিক ৫ বছরের কারাদন্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা ২০১ অনুযায়ী- যেহেতু সংঘটিত অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ এবং Y কে শাস্তি থেকে বাঁচানোর জন্য X মৃত দেহটি গোপন করতে Y কে সহায়তা করেছে, তাই X, ২০১ ধারায় সাক্ষ্য অদৃশ্য করে ফেলার জন্য ৭ বছর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

♦ অর্থাৎ X যে কোন বর্ণনার সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড যার মেয়াদ সাত বৎসর পর্যন্ত হতে পারে এবং  অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
.
A টাকাসহ একটি টাকার থলে খুঁজে পায় কিন্তু জানে না টাকার থলেটা কার। পরবর্তীতে সে জানতে পারে যে, টাকার থলেটা Z-এর। এটা জেনেও A এই টাকা নিজ খরচ করে ফেলে। A এর অপরাধটি দণ্ডবিধির-
  1. ধারা ৪০৩
  2. ধারা ৪০৪
  3. ধারা 800
  4. ধারা ৪০৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০৩
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ: কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা তা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি ১ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাত্ত এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নেই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি তার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে তা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না;
কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও তা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে তা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে। অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে তার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে তার মালিক তা জানার আবশ্যকতা নেই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় সেটা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

♦  যেহেতু টাকার মালিক কে এটা জানার পর A টাকা নিজ ব্যবহারে পরিণত করেছে, তাই সে অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে। তাই সে ৪০৩ ধারায় দণ্ডিত হবে।
১০.
অভ্যাসগতভাবে চোরাই মালের ব্যবসা করার সর্বোচ্চ শাস্তি_______।
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. দশ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. শুধু অর্থদণ্ড
  4. তিন বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code এর ৪১৩ ধারার বিধান অভ্যাসগতভাবে চোরাই সম্পত্তির বেচাকেনা করা :- কোন ব্যক্তি যদি যে সম্পত্তি চোরাই বলে সে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, অভ্যাসগতভাবে বরাবর সে সম্পত্তির বেচাকেনা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
♦ অর্থাৎ অভ্যাসগতভাবে চোরাইমাল বেচাকেনার শাস্তি (Habitually dealing in stolen property)- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বৎসর কারাদন্ড এবং অর্থদন্ড। সর্বোচ্চ শাস্তি_যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
১১.
X নিজেকে মৃত Y হিসাবে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে। X এর সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে _____________।
  1. ৩ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. যাবজ্জীবন
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৪১৬ ধারায় অপরের রূপ ধারন পূর্বক প্রতারণা বা ছদ্মবেশী প্রতারণার (cheating by personation) বিধান রয়েছে। প্রতারণার উদ্দেশ্যে অন্যের পরিচয়ে নিজেকে উপস্থিত করলে তাকে ছদ্মবেশী প্রতারণা বা Cheating by personation বলে।
যে ব্যক্তির রূপ ধারন করা হয় সে ব্যক্তি প্রকৃত বা কল্পিত যাই হোক না কেন তা ছদ্মবেশে প্রতারণা হবে । যেমন- করিম নিজেকে আলতাফ হোসেনের ৩ নম্বর পুত্র বলে রহিমের নিকট উপস্থাপন করে কিন্তু বাস্তবে আলতাফ সাহেবের ১ জন পুত্র রয়েছে। এক্ষেত্রে করিম ছদ্মবেশী প্রতারণার জন্য দায়ী হবে ।
৪১৯ ধারায় cheating by personation এর শাস্তি বর্ণিত আছে যা অনধিক ৩ বৎসর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড।
১২.
'ক' অবৈধভাবে 'গ' এর অবৈধ ক্ষতি সাধন করার ইচ্ছায় স্বেচ্ছাকৃতভাবে 'গ' এর মালিকানাধীন একটি মূল্যবান জামানত পুড়িয়ে ফেলে। 'ক' এর অপরাধ-
  1. বিশ্বাসভঙ্গ
  2. অনিষ্টসাধন
  3. অবৈধভাবে ক্ষতি করা
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
অনিষ্টসাধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিষ্টসাধন
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ৪২৫ ধারা অনুযায়ী অন্যের অন্যায় ক্ষতি বা লোকসানের (Wrongful loss or damage) উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট অথবা সম্পত্তির মূল্য/উপযোগীতা হ্রাস বা ক্ষতিগ্রস্ত করাকে অনিষ্টসাধন বা ক্ষতি (mischief) বলে।
♦ Penal Code, 1860-এর ধারা ৪২৫ তে অনিষ্টসাধন এর সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। ক ইচ্ছাকৃতভাবে খ এর ক্ষতিসাধনের জন্য তার  জামানত পুড়িয়ে ফেলে যা ৪২৫ ধারার অপরাধ।
♦ দণ্ডবিধি ৪২৬ ধারা অনুযায়ী অনিষ্টসাধনের শাস্তি  রয়ছে।
১৩.
অভ্যাসগতভাবে ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে ডাকাত দলভুক্ত হওয়ার সর্বোচ্চ শান্তি-
  1. সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. দশ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. অর্থদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code এর ৪০০ ধারার বিধান ডাকাত দলভুক্ত হইবার শাস্তিঃ কোন ব্যক্তি যদি এই আইন পাসের পরবর্তী যে কোন সময়ে কোন ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে যারা পরস্পর সংঘবদ্ধ আছে, এইরূপ কোন দলে থাকে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
♦অর্থাৎ অভ্যাসগতভাবে ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে ডাকাত দলভুক্ত হওয়ার শাস্তি (Punishment for belonging to gang of dacoits)- যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা অনধিক ১০ বৎসর সশ্রম কারাদন্ড এবং অর্থদন্ড।
১৪.
বন্ধুত্বের সম্পর্কের ভিত্তিতে A, Z এর লাইব্রেরীতে যায়। উক্ত সময় Z লাইব্রেরীতে ছিলনা। Z এর অনুপস্থিতিতে এবং Z এর কোন বাক্ত সম্মতি ছাড়া শুধুমাত্র পড়ার উদ্দেশ্যে এবং ফেরত প্রদানের অভিপ্রায়ে A একটি বই নিয়ে আসে। A এর অপরাধ হলে-
  1. চুরি
  2. বলপূর্বক গ্রহণ
  3. সম্মতি ছাড়া গ্রহণ
  4. কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

♦ দন্ডবিধির ৩৭৮ ধারার উদাহরণ-(ড): গ-এর সাথে ক-এর হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক। এই সম্পর্কের সুবাদে ক গ-এর অনুপস্থিতিতে গ-এর গ্রন্থাগারে গিয়ে গ-এর প্রকাশ্য অনুমতি ব্যতীত কেবল পড়ার উদ্দেশ্যে এবং পড়ে ফেরত দেওয়ার অভিপ্রায়ে একখানি বই নিয়ে যায়। এখানে ইহা সম্ভব যে, ক মনে করেছে যে, গ-এর এই ব্যবহার করার জন্য তার প্রতি গ-এর অব্যক্ত সম্মতি আছে। যদি ইহাই ক-এর ধারণা হয়ে থাকে, তবে ক চুরি করেছে বলে পরিগণিত হবে না।

♦ অর্থাৎ A এর যদি এমন ধারণা থাকে যে, উক্ত বই ব্যবহারে Z এর পরোক্ষ সম্মতি ছিল, তাহলে A কোন অপরাধ করেনি।
১৫.
নিম্নের কোন কার্যটি চুরি হিসাবে গণ্য হবে না ?
  1. চলাচলের রাস্তায় পড়ে থাকা মূল্যবান আংটি কুড়িয়ে নেয়া।
  2. অপরের জমিতে দন্ডায়মান গাছ কেটে ফেলা।
  3. টোপ দিয়ে অন্যের পোষা প্রাণী নিয়ে যাওয়া।
  4. অপরের জমিতে দন্ডায়মান গাছ কেটে নিয়ে যাওয়া।
সঠিক উত্তর:
চলাচলের রাস্তায় পড়ে থাকা মূল্যবান আংটি কুড়িয়ে নেয়া।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চলাচলের রাস্তায় পড়ে থাকা মূল্যবান আংটি কুড়িয়ে নেয়া।
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।
♦ যেহেতু রাস্তায় পড়ে থাকা আংটির মালিক কে বা প্রকৃত দখলদার কে তা যে ব্যক্তি আংটি কুড়িয়ে নিয়েছে, সে জানে না, তাই সে আংটি টি মালিকের বা প্রকৃত দখলদারের অসম্মতিতে নিয়েছে তা বলা যাবে না। সুতরাং চলাচলের রাস্তায় পড়ে থাকা মূল্যবান আংটি কুড়িয়ে নেয়া চুরি বলে গণ্য হবে না বরং এটা অপরাধমূলক সম্মত্তি আত্মসাৎকরণ বলে গণ্য হবে।
১৬.
Rape এর শাস্তি কোন ধারায়?
  1. ৩৭৫
  2. ৩৭৬
  3. ৩৭৭
  4. ৩০২
সঠিক উত্তর:
৩৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭৬
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩৭৬ ধারায় ধর্ষণের শাস্তি রয়েছে। ৩৭৬ ধারার বিধান অনুযায়ী ধর্ষণকারী যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা অনধিক ১০ বৎসর কারাদন্ড এবং অর্থদন্ডে দন্ডিত হবে।
♦ তবে ধর্ষিতা নারী যদি ধর্ষকের স্ত্রী হয় এবং স্ত্রীর বয়স ১২ বছরের কম না হয় তাহলে ধর্ষক অনধিক ২ বৎসর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ডে দন্ডিত হবে।
১৭.
দণ্ডবিধির অধীন মানহানির [defamation] শাস্তি কি?
  1. যে কোন বর্ণনার ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  2. যে কোন বর্ণনার ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  3. যে কোন বর্ণনার ১২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. যে কোন বর্ণনার ৬ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
সঠিক উত্তর:
যে কোন বর্ণনার ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন বর্ণনার ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ৪৯৯ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন কুৎসা রটনা করা হয় যা উক্ত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করে (harm reputation) তাকে মানহানি বা Defamation বলে। অর্থাৎ কুৎসাজনক কথা বা চিহ্ন দ্বারা বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তি প্রকাশের মাধ্যমে মানহানি করা হয়।
♦দণ্ডবিধির ৫০০ ধারার অধীন মানহানির [defamation] শাস্তি হল যে কোন বর্ণনার ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
১৮.
A, B-কে একটি দেওয়ানী মামলা পরিচালনা হতে বিরত করার উদ্দেশ্যে B-এর ঘর পুড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখায়। A এর অপরাধ কি?
  1. ঘরে আগুন দেওয়া
  2. অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
  3. অনিষ্ট সাধন উত্তর
  4. ভয় দেখানো
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৫০৩ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তিকে আতঙ্কিত করার জন্য উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি বা সুনাম বা দেহের ক্ষতি (injury to property, reputation or person) করার ভয় বা হুমকি (threat) দেখানো হলে, তাকে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন বা Criminal Intimidation বলে।
♦ যেমন- ক, খ-কে একটি দেওয়ানি মামলা পরিচালনা করা থেকে বিরত রাখার জন্য খ-এর বাড়ি পুড়িয়ে ফেলার হুমকি প্রদান করে। এখানে ক অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে ।
♦ ভীতি প্রদর্শিত লোকের স্বার্থ নিহিত রয়েছে এমন কোন মৃত লোকের সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শনও ৫০৩ ধারার অপরাধ বলে গণ্য হবে। যেমন- কামাল, রফিককে একটি কাজ করা থেকে বিরত রাখার জন্য রফিকের মৃত বাবার নামে কুৎসা রটানের হুমকি প্রদান করে। এখানে কামাল অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে ।
১৯.
বেসরকারি ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন, যদি অপর ব্যক্তিটি-
  1. জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ করেন
  2. কোনো অপরাধ করেছেন মর্মে সন্দেহ হয়
  3. আমলযোগ্য ও অ-আমলযোগ্য যেকোনো অপরাধ করেন
  4. জামিন যোগ্য ও অ-আমলযোগ্য অপরাধ করেন
সঠিক উত্তর:
জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ করেন
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী যেকোনো বেসরকারি ব্যক্তি ২ ধরনের ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে
ক. জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ [Non bailable & Cognizable Offence] সংঘটনকারী ব্যক্তিকে।
খ. অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে [Proclaimed Offender]
♦ ৫৯ ধারা তে বলা আছে (১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।ত
(২) এরূপ ব্যক্তিকে ৫৪ ধারার বিধানের আওতাভুক্ত বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় গ্রেফতার করবেন।
(৩) সে আমলঅযোগ্য অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকার করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার কারণ ঘটে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধানানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার মত যথেষ্ট কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
২০.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৯৯খ ধারা অনুযায়ী বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য কত দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে হয়?
  1. ৬০ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৯৯খ ধারার বিধান বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিল করতে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন (Application to High Court Division to set aside order of forfeiture): বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিল করার জন্য স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত বাজেয়াপ্তির আদেশের তারিখ থেকে ২ মাসের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগের নিকট আবেদন করতে পারবেন।
♦ উল্লেখ যে সরকার ফৌজদারী কার্যবিধির ৯৯ক ধারা মতে কোন সংবাদপত্র বা পুস্তক বা কোন দলিল বা কোন প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা এবং তার জন্য তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
২১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৩৩ ধারার ক্ষমতা কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়?
  1. গণ-উপদ্রব অপসারণ
  2. রাজনৈতিক সন্তোষ
  3. জমির দখলজনিত বিরোধ
  4. ভূমি বিরোধ জনিত শান্তি ভংগের আশঙ্কা
সঠিক উত্তর:
গণ-উপদ্রব অপসারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণ-উপদ্রব অপসারণ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩৩ ধারার বিধান অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ রিপোর্ট বা অন্য কোন ভাবে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গণউপদ্রব অপসারনের জন্য নিম্নলিখিত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন-
i) জনসাধারনের আইনসঙ্গত ব্যবহৃত পথ, নদী, খাল, প্রকাশ্য স্থান (public place) থেকে বেআইনী বাধা বা উৎপাত অপসারণ।
ii) জনসাধারনের স্বাস্থ্য বা শারীরিক আরামের জন্য ক্ষতিকর ব্যবসা, পেশা বা পণ্যদ্রব্যকে নিষিদ্ধ, নিয়ন্ত্রন বা অপসারণ।
iii) অগ্নিকান্ড বা বিস্ফোরণের আশংকাযুক্ত দ্রব্যের নিরাপদ সংরক্ষণের আদেশ।
iv) যে কোন সময় পড়ে যেতে পারে এরকম ঘর, তাবু বা গাছ প্রভৃতির অপসারণ বা ঠেস দেয়ার নির্দেশ। v) সর্বসাধারণের স্থানে (public place) পুকুর, কূপ বা গর্তের চারদিকে বেড়া দেয়ার নির্দেশ।
vi) বিপজ্জনক পশু বা প্রাণীকে আটক বা ধ্বংসের নির্দেশ।
২২.
একটি Complaint Case এ ম্যাজিস্ট্রেট যদি দেখেন যে তার অপরাধটি আমলে নেওয়ার এখতিয়ার নেই তখন The Code of Criminal Procedure, 1898 এর নিম্নের ধারা অনুযায়ী মামলাটি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য ফেরত পাঠাবেন?
  1. ২০০
  2. ২০১
  3. ২০২
  4. ২০৩
সঠিক উত্তর:
২০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০১ ধারায় অভিযোগ বা নালিশ ফেরতের (return of complaint) বিধান রয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ২০১ ধারামতে নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের অপরাধটি আমলে নেয়ার ক্ষমতা না থাকলে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য নালিশটি (complaint) ফেরত পাঠাবেন। তবে উক্ত অভিযোগ যদি লিখিতভাবে করা না হয়, তাহলে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদিকে উপযুক্ত আদালতে যেতে নির্দেশ প্রদান করবেন।

♦অর্থাৎ একটি Complaint Case বা সি আর মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট যদি দেখেন যে তার কগনিজেন্স নেওয়ার এখতিয়ার নেই তখন The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২০১ ধারা অনুযায়ী মামলাটি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য ফেরত পাঠাবেন।
২৩.
মহানগর এলাকার বে-আইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগের আদেশ দিতে পারেন কে?
  1. Police Commissioner
  2. Executive Magistrate
  3. Chief Judicial Magistrate
  4. Chief Metropolitan Magistrate
সঠিক উত্তর:
Police Commissioner
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Police Commissioner
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১২৯ ধারায় সামরিক শক্তি প্রয়োগের বিধান আছে। ১২৯ ধারা মতে অন্য কোনভাবে বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করা না গেলে মেট্রোপলিটন এলাকায় পুলিশ কমিশনার এবং মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সামরিক শক্তি প্রয়োগ করার নির্দেশ দিতে পারেন।
♦ তবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে পরিস্থিতি সাপেক্ষে সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত অফিসার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং প্রয়োজনে গ্রেফতার ও আটক করতেপারেন।
♦বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে আসা প্রতিরক্ষা বাহিনীর কমিশন প্রাপ্ত বা নন কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কমিশনারের নির্দেশ অনুসারে কাজ করবেন।
২৪.
বিচারক বা সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে কার পূর্ব অনুমতি নিতে হবে?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. দায়রা জজ
  3. প্রতিষ্ঠানের প্রধান
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১৯৭ মতে যখন কোন সরকারী কর্মচারী তার কর্তব্য পালনকালে অপরাধ সংঘঠন করেছেন বলে অভিযুক্ত হয়ে থাকেন, তখন সরকারের পূর্ব অনুমতি ব্যতিত কোন আদালত সেরূপ অপরাধ আমলে নিবেন না। উক্ত অভিযোগ কার দ্বারা বা কীভাবে কার হবে বা কোন আদালতে বিচার হবে তা সরকার নির্ধারণ করবেন।
২৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর নিম্নের কোন ধারায় ‘Investigation’ শব্দের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ৪(ছ)
  2. ৪(ঠ)
  3. ৪(ত)
  4. ৪(প)
সঠিক উত্তর:
৪(ঠ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪(ঠ)
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা ৪(ঠ) তে বলা আছে- Investigation (তদন্ত) অর্থ হলো সাক্ষ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত পুলিশ অফিসার বা অন্য কোন ব্যক্তি যিনি ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত তার কর্তৃক পরিচালিত কোন কার্যক্রম।
২৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২৪৭ ধারা অনুযায়ী নালিশকারীর অনুপস্থিতিতে অভিযুক্ত ব্যক্তি _______পাবে।
  1. অব্যহতি
  2. খালাস
  3. মুক্তি
  4. জামিন
সঠিক উত্তর:
খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৭ ধারায় শুনানির দিন অভিযোগকারীর অনুপস্থিতির ফলাফল আলোচনা করা হয়েছে। যথাযথভাবে সমন জারি হওয়ার পরও অভিযোগকারী শুনানির দিন অনুপস্থিত থাকলে ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে আসামিকে খালাস দিতে পারেন; অথবা পরবর্তী কোন তারিখ পর্যন্ত মামলার শুনানী মুলতবী রাখতে পারেন।
♦অভিযোগকারী সরকারী কমকর্তা হলে এবং তার ব্যক্তিগত হাজিরা প্রয়োজন না হলে, ম্যাজিষ্ট্রেট তাকে হাজিরা হতে অব্যাহতি দিয়ে মামলায় অগ্রসর হতে পারবেন।
♦ তবে ২৪৭ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত অভিযোগকারীর অনুপস্থিতির কারণে অভিযুক্তকে খালাস দিলে তাকে পুনরায় বিচার করা যাবে, কেননা এক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার ছাড়াই শুধুমাত্র অনুপস্থিতির কারণে তাকে খালাস প্রদান করা হয়েছে।
২৭.
খুনের অপরাধের জন্য ‘A’ -এর বিচার করা হলো এবং খালাস দেয়া হলো তার বিরুদ্ধে দস্যুতার কোন অভিযোগ নাই কিন্তু ঘটনা হতে প্রতীয়মান হয় যে, খুনের সময় ‘A’ দস্যুতা করে ছিল;। এক্ষেত্রে ‘A’ কে দস্যুতার জন্য____________।
  1. পুনঃবিচার করা যাবে
  2. পুনঃবিচার করা যাবেনা
  3. দোবারা সাজার নীতি প্রযোজ্য হওয়ায় পুনঃবিচার করা যাবেনা
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডিত করা যাবে
সঠিক উত্তর:
পুনঃবিচার করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনঃবিচার করা যাবে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারামতে এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কোন ব্যক্তিকে একবার দণ্ডিত বা খালাস প্রদান করলে, ঐ একই অপরাধের জন্য উক্ত ব্যক্তির পুনরায় বিচার করা যাবেনা । এই নীতিকে Double Jeopardy নীতি বলা হয়।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারাতে বলা আছেঃ কোন উপযুক্ত এখতিয়ারবান আদালতে কোন অপরাধের জন্য যে ব্যক্তির একবার বিচার করা হয়েছে এবং তাকে উক্ত অপরাধের জন্য দণ্ড দান করা বা অপরাধ হতে খালাস দেয়া হয়েছে, তখন উক্ত খালাস বা দণ্ড বলবৎ থাকার সময় তাকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বিচার করা যাবে না অথবা একই ঘটনা হতে উদ্ভুত অন্য কোন অপরাধের জন্যও পুনরায় তার বিচার করা যাবে না, যে অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে ২৩৬ অনুসারে একটি পৃথক অভিযোগ আণয়ন করা যেত বা যার জন্য তাকে ২৩৭ ধারা অনুসারে দণ্ডিত করা যেত।
(২) কোন অপরাধে দণ্ডিত বা খালাস প্ৰাপ্ত কোন ব্যক্তিকে পরে এমন একটি পৃথক অপরাধের জন্য বিচার করা যাবে, যে অপরাধের জন্য পূর্ববর্তী বিচারে ২৩৫ ধারার (১) উপধারার অধীন তার বিরুদ্ধে একটি পৃথক অভিযোগ আণয়ন করা যেত।
♦(৩) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন কার্য কর্তৃক সৃষ্ট কোন অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং উক্ত কার্য ও উহার প্রতিক্রিয়া সমন্বয়ে তার চেয়ে আলাদা প্রকৃতির একটি অপরাধ সৃষ্টি হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রতিক্রিয়া না ঘটে থাকে বা ঘটেছে বলে আদালত অবহিত না থাকলে তাকে এরূপ শেষোক্ত অপরাধে পরবর্তীতে বিচার করা যাবে।
(৪) কোন ব্যক্তি কোন কার্যধারা সৃষ্ট অপরাধ হতে খালাস বা উহার জন্য দণিত হলে এই খালাস বা দণ্ড একই কার্য দ্বারা সৃষ্ট অন্য কোন অপরাধের জন্য তাকে অভিযুক্ত ও বিচার করা যাবে, যদিও যে আদালতে তার অথবা বিচার হয়েছিল সেই আদালত পরবর্তী অপরাধের বিচার করার জন্য উপযুক্ত নহেন।
(৫) এই ধারার কোন কিছুই জেনারেল ক্লজেজ এ্যক্ট এর ২৬ ধারা বা এই বিধির ১৮৮ ধারার কোন বিধানকে প্রভাবিত করবে না। 

ব্যাখ্যাঃ নালিশ খারিজ, ২৪৯ ধারায় অধীন প্রক্রিয়া বদ্ধকরণ অথবা আসামীকে অব্যাহতি দেয়াকে এই ধারার উদ্দেশ্যে খালাস বলে গণ্য করা যাবে না।

♦ উদাহরণঃ
ক) চাকর হিসাবে চুরির অভিযোগে ক-এর বিচার করা হলো এবং খালাস দেয়া হলো। পরে এই খালাস বলবৎ থাকাকালে তাকে চাকুর হিসাবে চুরি বা একই ঘটনার ভিত্তিতে কেবল মাত্র চুরি বা অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গের অভিযুক্ত করা যাবে না।

খ) খুনের অপরাধের জন্য ক-এর বিচার করা হলো এবং খালাস দেয়া হলো তার বিরুদ্ধে দস্যুতার কোন অভিযোগ নাই কিন্তু ঘটনা হতে প্রতীয়মান হয় যে, খুনের সময় ক দস্যুতা করে ছিল; পরে তার দস্যুতার জন্য অভিযুক্ত ও বিচার করা যাবে।

♦অর্থাৎ A’ কে দস্যুতার জন্য পুনঃবিচার করা যাবে।
২৮.
অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত ক্ষয়জাত দ্রব্য ফৌজদারী আদালতের নির্দেশে বিক্রি করার বিধান আছে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ________।
  1. ৫২২ ধারায়
  2. ৫২৩ ধারায়
  3. ৫২৪ ধারায়
  4. ৫২৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫২৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
♦ অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।
২৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর Section 403 প্রযোজ্য হবে না___________এর ক্ষেত্রে।
  1. Section 26 of the General Clauses Act, 1897
  2. Section 188 of the Code of Criminal Procedure, 1898
  3. Section 249 of the Code of Criminal Procedure, 1898
  4. উপরোক্ত সব ধারায়
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সব ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সব ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারামতে এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কোন ব্যক্তিকে একবার দণ্ডিত বা খালাস প্রদান করলে, ঐ একই অপরাধের জন্য উক্ত ব্যক্তির পুনরায় বিচার করা যাবেনা । এই নীতিকে Double Jeopardy নীতি বলা হয়।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারাতে বলা আছেঃ কোন উপযুক্ত এখতিয়ারবান আদালতে কোন অপরাধের জন্য যে ব্যক্তির একবার বিচার করা হয়েছে এবং তাকে উক্ত অপরাধের জন্য দণ্ড দান করা বা অপরাধ হতে খালাস দেয়া হয়েছে, তখন উক্ত খালাস বা দণ্ড বলবৎ থাকার সময় তাকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বিচার করা যাবে না অথবা একই ঘটনা হতে উদ্ভুত অন্য কোন অপরাধের জন্যও পুনরায় তার বিচার করা যাবে না, যে অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে ২৩৬ অনুসারে একটি পৃথক অভিযোগ আণয়ন করা যেত বা যার জন্য তাকে ২৩৭ ধারা অনুসারে দণ্ডিত করা যেত।
(২) কোন অপরাধে দণ্ডিত বা খালাস প্ৰাপ্ত কোন ব্যক্তিকে পরে এমন একটি পৃথক অপরাধের জন্য বিচার করা যাবে, যে অপরাধের জন্য পূর্ববর্তী বিচারে ২৩৫ ধারার (১) উপধারার অধীন তার বিরুদ্ধে একটি পৃথক অভিযোগ আণয়ন করা যেত।
♦(৩) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন কার্য কর্তৃক সৃষ্ট কোন অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং উক্ত কার্য ও উহার প্রতিক্রিয়া সমন্বয়ে তার চেয়ে আলাদা প্রকৃতির একটি অপরাধ সৃষ্টি হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রতিক্রিয়া না ঘটে থাকে বা ঘটেছে বলে আদালত অবহিত না থাকলে তাকে এরূপ শেষোক্ত অপরাধে পরবর্তীতে বিচার করা যাবে।
(৪) কোন ব্যক্তি কোন কার্যধারা সৃষ্ট অপরাধ হতে খালাস বা উহার জন্য দণিত হলে এই খালাস বা দণ্ড একই কার্য দ্বারা সৃষ্ট অন্য কোন অপরাধের জন্য তাকে অভিযুক্ত ও বিচার করা যাবে, যদিও যে আদালতে তার অথবা বিচার হয়েছিল সেই আদালত পরবর্তী অপরাধের বিচার করার জন্য উপযুক্ত নহেন।
(৫) এই ধারার কোন কিছুই জেনারেল ক্লজেজ এ্যক্ট এর ২৬ ধারা বা এই বিধির ১৮৮ ধারার কোন বিধানকে প্রভাবিত করবে না। 

ব্যাখ্যাঃ নালিশ খারিজ, ২৪৯ ধারায় অধীন প্রক্রিয়া বদ্ধকরণ অথবা আসামীকে অব্যাহতি দেয়াকে এই ধারার উদ্দেশ্যে খালাস বলে গণ্য করা যাবে না।

♦ অর্থাৎ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর Section 403 প্রযোজ্য হবে না Section 26 of the General Clauses Act, 1897, Section 188 of the   Code of Criminal Procedure, 1898, Section 249 of the   Code of Criminal Procedure, 1898  এর ক্ষেত্রে।
৩০.
বিচারকারী আদালত রায় দেওয়ার সময় জরিমানায় টাকা থেকে ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারেন নিম্নোক্ত কোন ক্ষেত্রে ___________।
  1. মামলা পরিচালনায় ব্যয়িত খরচ বহনে
  2. অপরাধের শিকার ব্যক্তির দেওয়ানি আদালতে আদায়যোগ্য ক্ষতিপূরণ
  3. চুরি, অপরাধজনক আত্মসাৎ, অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ ইত্যাদিতে অপরাধে সংশ্লিষ্ট পণ্য সরল বিশ্বাসে ক্রয়কারীকে
  4. উপরের সবক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরের সবক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898, এর ৫৪৫ ধারার বিধান জরিমানার টাকা হতে ব্যয় কিংবা ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিষয়ে আদালতের ক্ষমতাঃ
(১) যেক্ষেত্রে কোন ফৌজদারী আদালত বর্তমানে কার্যকর কোন আইনের অধীন জরিমানা করেন কিংবা আপীলে, রিভিশনে বা অন্য কোনভাবে কোন জরিমানা কিংবা যে শাস্তি জরিমানার অংশ হয় তা অনুমোদন করেন, সেক্ষেত্রে আদালত রায় দিবার সময় আদায়কৃত জরিমানা পুরোপুরি বা আংশিকভাবে নিম্নে বর্ণিত কর্মে ব্যয় করার আদেশ দিতে পারবেন-

(ক) সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনায় যে ব্যয় হয়েছে তা নির্বাহ,

(খ) আদালত যদি মনে করেন যে, কোন ব্যক্তি দেওয়ানী আদালতের মাধ্যমে যুক্তিসংগত ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারে, তাহলে সংশিষ্ট অপরাধে তাহার যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তজ্জন্য তাকে ক্ষতিপূরণ দান,

(গ) কোন ব্যক্তি চুরি, অপরাধজনক আত্মসাৎ, অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা কিংবা চোরাই জানিয়া বা চোরাই মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও চোরাইমাল অসৎভাবে গ্রহণ বা রাখা বা স্বেচ্ছায় উহা হস্তান্তর, সহায়তা ইত্যাদি কোন অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত হলে এবং উক্ত পণ্য মালিককে প্রত্যর্পণ করা হলে যে ব্যক্তি তা সরল বিশ্বাসে ক্রয় করেছিল তাকে ক্ষতিপূরণ দান ।

(২) যে মোকদ্দমায় জরিমানা করা হল তা আপীলযোগ্য হলে আপীল দায়ের করার জন্য প্রদত্ত সময় অতিক্রান্ত না হলে কিংবা আপীল দায়ের করা হলে তা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উক্তরূপে অর্থ প্রদান করা হবে না।
৩১.
কোন জব্দকৃত সম্পত্তির দাবীদার __________ এর মধ্যে তা দাবী না করলে সেটি সরকারের হেফাজতে চলে যাবে।
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. মামলা নিষ্পত্তি হওয়া পুর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898, এর ৫২৪ ধারার বিধান ছয় মাসের ভিতরে দাবীদার হাজির না হলে তখনকার পদ্ধতিঃ (১) উক্ত সময়ের মধ্যে যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তিতে তার দাবী প্রতিষ্ঠা না করে এবং যে ব্যক্তির দখলে তা পাওয়া গিয়েছিল সে যদি তা আইনসংগতভাবে সংগ্রহ করেছে মর্মে দেখাতে না পারে, সেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি সরকারের হেফাজতে চলে যাবে এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক এতদদ্দশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশক্রমে তা বিক্রয় হতে পারে
(২) এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশের ক্ষেত্রে সে আদালতে আপীল করা যাবে যে আদালতে উক্ত আদেশ দানকারী আদালতের দণ্ডাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
৩২.
যে সকল মোকদ্দমায় জজ কিংবা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকে, সে উক্ত মামলার বিচার করতে পারবে না। ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৫৫১
  2. ধারা ৫৫৬
  3. ধারা ৫৫২
  4. ধারা ৫৫৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫৬
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৫৬ ধারার বিধান যেসব মামলায় জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকেঃ কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট, তার নিজের আদালতের ঊর্ধ্বতন আপীল আদালতের অনুমতি না নিয়ে যেসব মামলায় তিনি নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগতভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সে মামলার বিচার করবেন না এবং কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল শ্রবণ করবেন না।
৩৩.
কোন বেআইনি উদ্দেশ্যে কোন মহিলা অপহৃত হয়েছে বা আটক রয়েছে এমন নালিশের ভিত্তিতে উক্ত মহিলাকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন __________।
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ অফিসার
  4. ক এবং খ উভই
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভই
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898, এর ৫৫২ ধারার বিধান অপহৃতা নারী প্রত্যার্পণে বাধ্য করার ক্ষমতাঃ কোন বে-আইনী উদ্দেশ্যে কোন স্ত্রীলোককে কিংবা ষোল বৎসরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে অপহরণ করা হয়েছে বা বে-আইনীভাবে আটক রাখা হয়েছে মর্মে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর শপথ পূর্বক নালিশ করা হলে তিনি সে স্ত্রীলোককে অবিলম্বে মুক্তি দিবার বা উক্ত বালিকাকে অবিলম্বে তার স্বামী, মাতা পিতা, অভিভাবক বা তার আইন সংগত হেফাজতের অধিকারী অন্য কোন ব্যক্তির নিকট প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় শক্তি প্রয়োগ করে এই আদেশ পালনে বাধ্য করতে পারবেন।
৩৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় Anticipatory Bail এর আবেদন করা যায়?
  1. Section 496
  2. Section 497
  3. Section 498
  4. Section 499
সঠিক উত্তর:
Section 498
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 498
ব্যাখ্যা
♦কোনো অপরাধের জন্য গ্রেফতারের আশঙ্কায় কোন ব্যক্তিকে জামিন দেওয়া হলে তাকে আগাম জামিন বলে। 
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান অনুসারে আগাম জামিন বা Anticipatory Bail এর দরখাস্ত বিবেচনা করা যায়। এই ধারায় in any case শব্দমালাকে ব্যাখ্যা করে আগাম জামিন দেওয়া হয়।
♦জামিনঅযোগ্য অপরাধে আটক বা গ্রেফতারের আশংকা আছে এমন ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালতে আগাম জামিনের (Anticipatory Bail) আবেদন করতে পারেন। ৪৯৮ ধারা অনুযায়ী আদালত জামানতের পরিমাণ হ্রাস করতে পারে।
♦ অর্থাৎ ৪৯৮ ধারায় আগাম জামিনের আবেদন করা যায়। এ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে হাইকোর্ট বিভাগ ও দায়রা জজ।
৩৫.
'X', The Penal Code, 1860 এর ৩২৩ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 'X' কে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। 'X' উক্ত রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে আপীল দায়েরের শর্তে জামিনের আবেদন করেন। 'X' এর দরখাস্তটি The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কত ধারায় আনীত হয়েছে?
  1. ৪২৬
  2. ৪২৮
  3. ৪৩৫
  4. ৪৩৯
সঠিক উত্তর:
৪২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৬
ব্যাখ্যা
♦ আপীল চলমান থাকাবস্থায় দণ্ড স্থগিতপূর্বক জামিনের জন্য ৪২৬ ধারায় আবেদন করা যায়। ৪২৬ ধারায় বিচারিক আদালত, আপীল আদালত এবং হাইকোর্ট বিভাগ কে আপীল চলাকালীন দণ্ড স্থগিত এবং আসামীকে জামিন দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ ধারার বিধান আপিল পেন্ডিং থাকলে দণ্ড স্থগিতঃ দণ্ডিত ব্যক্তির আপিল সাপেক্ষে আপিল আদালত আপিলকৃত দণ্ড বা আদেশ কার্যকর স্থগিত রাখবে এবং আসামি আটক থাকলে মুক্তি দিবে। [৪২৬(১)]
♦ এই ধারায় প্রদত্ত আপিল আদালতের ক্ষমতা হাইকোর্টও প্রয়োগ করতে পারবেন। [৪২৬(২)]
♦ কোন ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১ বছর মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে এবং উক্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকলে, আপিল পেশ ও আপিল আদালতের আদেশ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে পর্যাপ্ত সময়ের জন্য আদালত তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে যতদিন সে জামিনে মুক্ত থাকবে ততদিন পর্যন্ত কারাদণ্ড স্থগিত রয়েছে বলে গণ্য হবে। [ ৪২৬(২)]
♦ আপীলকারী যখন শেষ পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তখন যে সময়ের জন্য সে মুক্ত ছিল দণ্ডের মেয়াদ হিসাবের সময় তা বাদ দিতে হবে। [৪২৬(৩)]
♦ অর্থাৎ দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করলে আপিল আদালত দণ্ডিত ব্যক্তির দন্ড কার্যকর করার উপর স্থগিতাদেশ দিতে পারেন এবং তাঁকে জেল হতে জামিনের মাধ্যমে মুক্তি দিতে পারেন।
৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় হাইকোর্ট বিভাগকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছেো?
  1. ৪৩৫
  2. ৪৩৯
  3. ৪৩৬
  4. ৪৩৯ক
সঠিক উত্তর:
৪৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩৯
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ কর্তৃক নিম্ন আদালতের নথি তলব বা পরীক্ষার বিধান রয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জর্জ নিম্ন আদালতের নথি তলব বা মামলার কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারেন নিম্নবর্ণিত কারণে-
i) নিম্ন আদালত প্রদত্ত কোন শাস্তি বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে (for the purpose of satisfying itself or himself as to the correctness, legality or propriety of any finding, sentence or order recorded or passed); এবং
ii) নিম্ন আদালতের কার্যক্রমের নিয়মানুগত্য বা পদ্ধতিগত অনিয়ম সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে (and for the purpose of satisfying itself or himself as to the regularity of any proceedings of such inferior Court)
♦৪৩৫ ধারার ক্ষমতাবলে নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ তার অধঃস্তন কোন চীফ জুডিসিয়াল বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের ২০৩ বা ২০৪(৩) ধারার আওতায় খারিজকৃত নালিশ বা কোন ব্যক্তির অব্যাহতির বিষয়ে আরও অনুসন্ধানের আদেশ দিতে পারে।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। 

♦ফৌজদারি কার্যবিধির  ৪৩৯ ধারার বিধান হাইকোর্ট ডিভিশনের রিভিশনের ক্ষমতাঃ (১) হাইকোর্ট ডিভিশন নিজে যে মামলার নথি তলব করেছেন, বা যা আদেশের জন্য পাঠানো হয়েছে, বা যা অন্য কোনভাবে হাইকোর্ট ডিভিশনের গোচরীভূত হয়েছে, সেই মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন ইহার বিচারিক ক্ষমতাবলে ধারা-৪২৩, ৪২৬, ৪২৭ ও ৪২৮ এ আপীল আদালতকে বা ধারা-৪৩৮ এ কোন আদালতকে প্রদত্ত ক্ষমতাদির মধ্যে যে কোনটি প্রয়োগ করতে পারবেন এবং দণ্ড বাড়াতে পারবেন এবং রিভিশনে এতিয়ার সম্পন্ন আদালতের জজগণ যখন তাঁদের অভিমতে সমানভাবে বিভক্ত হন, তখন মামলাটি ধারা-৪২৯ এ উল্লেখিত পদ্ধতিতে নিষ্পত্তি করতে হবে।
(২) আসামী আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজে বা এ্যাডভোকেট কর্তৃক তার বক্তব্য পেশের সুযোগ না পেলে এই ধারা অনুসারে তার বিরুদ্ধে কোন আদেশ দেয়া যাবে না ।
(৩) এই ধারায় সংশিষ্ট দণ্ড কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়ে থাকলে আসামী যে অপরাধ সংঘটন করেছে মর্মে আদালত মনে করেন, সেই অপরাধের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট যে দণ্ড দিতে পারতেন, আদালত তার চেয়ে বেশী দণ্ড দিবেন না।
(৪) খালাসের অভিমতকে দণ্ডের অভিমতের পরিবর্তন করার বা দায়রা জজ কর্তৃক ধারা- ৪৩৯ক এর অধীন প্রদত্ত আদেশ বিষয়ে রিভিশনে কোন কার্যক্রম গ্রজণ করার ক্ষমতা হাইকোর্ট ডিভিশনকে দেয়া হয়েছে মর্মে এই ধারায় কোন কিছু মনে করা যাবে না ।
(৫) যেক্ষেত্রে এই বিধির অধীন আপীল চলে কিন্তু আপীল দায়ের করা হয়নি, সেক্ষেত্রে যে পক্ষ আপীল দায়ের করতে পারত সেই পক্ষের প্রচেষ্টায় রিভিশনের আকারে কোন কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।
(৬) এই ধারায় যা-ই বর্ণিত থাকুক না কেন, কোন দণ্ডিত ব্যক্তিকে কেন তার দণ্ড বাড়ানো হবে না এমর্মে উপধারা-২ এর অধীন উহার কারণ দর্শাবার সুযোগ দেয়া হলে, উক্ত কারণ দর্শাবার সময় সে তার দণ্ডের বিরুদ্ধেও কারণ দর্শাতে অধিকারী হবে।
৩৭.
ফৌজদারী মামলায় আপীলে প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে পারেন কে?
  1. নালিশকারী
  2. এজাহার দায়েরকারী
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. নালিশকারী এবং পাবলিক প্রসিকিউটর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪১৭ ধারার বিধান খালাসের ক্ষেত্রে আপীলঃ (১) উপধারা ৪ এর বিধান সাপেক্ষে সরকার যেকোন ক্ষেত্রে আপীল দায়েরের জন্য পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ দিতে পারেন-
(ক) কোন আদালত কর্তৃক মূল মামলায় বা আপীলে প্রদত্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে;
(খ) মূল মামলায় বা আপীলে ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে ।
(২) ধারা-৪১৮ এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, উক্তরূপ খালাসের আদেশ যদি ফরিয়াদি কর্তৃক আনীত মামলায় প্রদত্ত হয়ে থাকে এবং আদেশে আইনের ভুল ব্যাখ্যার জন্য ন্যায় বিচারে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ফরিয়াদি উক্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে এরূপ যে কোন হেতুবাদে আপীল দায়ের করতে পারবে-
(ক) দায়রা আদালত কর্তৃক প্রদত্ত মূল খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে; (খ) যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত মূল খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে ।
(৩) খালাসের আদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর ফরিয়াদী খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপীল দায়ের করলে হাইকোর্ট ডিভিশনে তা গ্রাহ্য হবে না ।
(৪) যদি কোন ক্ষেত্রে খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল গৃহীত না হয়, সেক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর অধীন উক্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলবে না ।

♦খালাসের ক্ষেত্রে আপিলের বিধানসমূহ-

১. যেকোন ক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটর (P.P) মূল মামলা ও আপিলে দেওয়া খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে। অর্থাৎ (P.P) কর্তৃক খালাস আদেশের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় আপিল চলে ।
২. Complaint Registered Case এর ক্ষেত্রে শুধু মূল মামলায় দেওয়া খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে অভিযোগকারী (Complainant)। অর্থাৎ Complaint Registered Case হলে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় আপিল চলে না।

♦ যদি আইনের ভুল ব্যাখ্যার কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয় তবেই ফরিয়াদি খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে।
♦ খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদিকে খালাস আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়। [ধারা ৪১৭(3)]
♦খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ খালাস আদেশ প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে। [অনুচ্ছেদ ১৫৭, তামাদি আইন, ১৯০৮]

♦ সহজ ভাবে বলা যায় যে ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে খালাস দিলে সেই খালাস আদেশের বিরুদ্ধে পাবলিক প্রসিকিউটর ৪১৭(১) (খ) ধারায় দায়রা জজ কোর্টে আপীল দায়ের করতে পারে। উক্ত দায়রা জজ আপীল শুনানী করে যদি আসামীকে খালাস দেয়, তাহলে উক্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে পাবলিক প্রসিকিউটর হাইকোর্টে পুনরায় দ্বিতীয় আপীল দায়ের করতে পারবে। কারণ একমাত্র পাবলিক প্রসিকিউটর মূল মামলায় ও আপীলে উভয়ক্ষেত্রে প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে পারে।
৩৮.
কোনটি সঠিক নয়?
  1. দায়রা জজ আদালতের অনধিক ১ মাসের দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না।
  2. দায়রা জজ আদালতের অনধিক ৫০ টাকা অর্থদন্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলে না।
  3. কেবল অর্থদন্ডাদেশ দিলে উক্ত অর্থ অনাদায়ে দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না।
  4. সংক্ষিপ্ত পদ্ধতির বিচারে আদালত প্রদত্ত ১০০ টাকার অর্থদন্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলবে।
সঠিক উত্তর:
সংক্ষিপ্ত পদ্ধতির বিচারে আদালত প্রদত্ত ১০০ টাকার অর্থদন্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংক্ষিপ্ত পদ্ধতির বিচারে আদালত প্রদত্ত ১০০ টাকার অর্থদন্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলবে।
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপীল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যকোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
♦অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে আদালত দন্ড আরোপ করে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে আপীল করা যাবেনা।  
♦ধারা ৪১৪ অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল নেই। যেমনঃ ২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক দুইশত টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না।
৩৯.
গ্রাহকের ডিজিটাল স্বাক্ষর কোন ক্ষেত্রে প্রমাণ করতে হবে না-
  1. এটি ডিজিটাল রেকর্ডে সংযুক্ত করা হলে
  2. প্রিন্ট ডিজিটাল স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে
  3. নিরাপদ ডিজিটাল স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে
  4. জোরপূর্বক কারো মাধ্যমে স্বাক্ষর করা হলে
সঠিক উত্তর:
নিরাপদ ডিজিটাল স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরাপদ ডিজিটাল স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৬৭ক ধারায় - ডিজিটাল স্বাক্ষরের প্রমাণ এর বিধান একটি নিরাপদ  ডিজিটাল স্বাক্ষরের ক্ষেত্র ব্যতীত, যদি কোনো গ্রাহকের ডিজিটাল স্বাক্ষর একটি ডিজিটাল রেকর্ডে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে দৃঢ়ভাবে বলা হয় তখন এই ধরনের ডিজিটাল স্বাক্ষরটি যে গ্রাহকের ডিজিটাল স্বাক্ষর তা তাকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে।
♦ Proof as to digital signature (section 67A:)  Except in the case of a secure digital signature, if the digital signature of any subscriber is alleged to have been affixed to a digital record the fact that such digital signature is the digital signature of the subscriber must be proved. (Section 67A was inserted by section 13 of the Evidence (Amendment) Act, 2022).
৪০.
নিম্নের কোনটি পাবলিক দলিল?
  1. চিঠি
  2. সাব কবলা
  3. মামলার আরজি
  4. উইল
সঠিক উত্তর:
মামলার আরজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার আরজি
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারা মতে নিম্নলিখিত দলিল গুলি সরকারী দলিলঃ
(১) যে সমস্ত দলিল (ক) কোন সাবভৌম কর্তৃপক্ষের, (খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং (গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের কোন অংশের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যাক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

♦সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারায় সরকারি দলিলের কোনো তালিকা না দিয়ে এর বৈশিষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে। আদালতের আদেশ, আরজি তা যখন আদালতে দাখিল করা হয় এবং সমনের আসল এগুলো সবই আদালতের কার্যক্রমের অংশ। সুতরাং এগুলো সবই সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে। সাব কবলা দলিলের আসল সরকারি দলিল নয়, কারণ এটি সরকারি অফিস সংরক্ষণ করে না, রেজিস্ট্রেশনের পর গ্রহীতাকে হস্তান্তর করা হয়। চিঠি আর উইল ব্যক্তিগত সংরক্ষণে থাকে তাই এইগুলাও সরকারি দলিল নয়।
♦অর্থাৎ মামলার আরজি নথিভুক্ত হলে আদালতের বা বিচার বিভাগের কার্যের রেকর্ড হিসেবে গণ্য হয়। সেহেতু এটা একটি সরকারী দলিল।
৪১.
সরকারী দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণের জন্য জাবেদা নকল (certified copy) দাখিল করা যেতে পারে-
  1. ৬৪ ধারায়
  2. ৭৫ ধারায়
  3. ৬৬ ধারায়
  4. ৭৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৭৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের  ৭৭ ধারার বিধানঃ প্রত্যায়িত অনুলিপি উপস্থিত করে দলিল প্রমাণঃ অনুরূপ প্রত্যায়িত অনুলিপি যে সরকারী দলিলের অনুলিপি বা যে সরকারী দলিলের অংশবিশেষের অনুলিপি বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয়, সেই দলিলের বা তাহার অংশ বিশেষের বিষয় বস্তু প্রমানস্বরুপ ইহা দাখিল করা যাইতে পারে।

♦সাক্ষ্য আইনের  ৭৭ ধারা জাবেদার নকল উপস্থাপন করে দলিল প্রমাণ (Proof of documents by production of certified copies):
জোবেদা নকল যে সরকারী দলিলের অনুলিপি বলে বুঝানো হয়, সেই দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণে তা দাখিল করা যেতে পারে।
♦যেসব ব্যক্তিগত দলিল সরকারি দলিল হিসেবে বিবেচিত সেসব দলিলও জাবেদা নকলের মাধ্যমে প্রমাণ করা যায়।
৪২.
হত্যা করার অভিপ্রায়ে মুগুর (Club] দিয়ে আঘাত করে B কে হত্যা করার অপরাধে A অভিযুক্ত হয়। বিচারকালে নিম্নলিখিত কোন কোন ঘটনা বিচার্য বিষয় হতে পারে?
  1. A, B কে মুগুর [Club) দিয়ে আঘাত করেছে কিনা?
  2. এমন আঘাত দ্বারা A, B -এর মৃত্যু ঘটিয়েছে কিনা?
  3. B-এর মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় (Intention) A এর ছিল কিনা?
  4. উপরোক্ত সব ঘটনা
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সব ঘটনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সব ঘটনা
ব্যাখ্যা
♦বিচার্য বিষয় (Facts in Issue) - বিচার্য বিষয় হলো এমন কোন ঘটনা যাকে কোন মামলার মূল বিষয় হিসেবে গণ্য করা হয়। অন্যভাবে বলা যায়, যে বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে আদালত তার সিদ্ধান্ত প্রদান করে তাকে বিচার্য বিষয় বলে। কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় মামলার এক পক্ষ স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। যে কোন মামলার প্রকৃত বিষয় ও সত্যতা উদ্ঘাটনে বিচার্য বিষয়ের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।
♦প্রাসঙ্গিক বিষয় (Relevant Facts) - যে ঘটনাটি অন্য কোন ঘটনার অস্তিত্ব ও অস্তিত্বহীনতা প্রমাণ করে, তাই প্রাসঙ্গিক ঘটনা বা Relevant Fact। কোন বিষয়কে প্রাসঙ্গিক হতে হলে উক্ত ঘটনাকে কোন না কোন দিক হতে বিচার্য বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট হতে হবে। সাক্ষ্য আইনের ৫ থেকে ৫৫ ধারায় বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা (Relevance of Facts) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

♦উপরোক্ত ঘটনার বিচার্য বিষয় হলঃ
A, B কে মুগুর [Club) দিয়ে আঘাত করেছে কিনা? 
এমন আঘাত দ্বারা A, B -এর মৃত্যু ঘটিয়েছে কিনা?
B-এর মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় (Intention) A এর ছিল কিনা?
♦অর্থাৎ সব গুলাই।
৪৩.
যে সকল ঘটনা বা বিষয় একই কার্যের অংশ সেগুলো __________ নামে পরিচিত।
  1. অন্যত্র থাকার দাবী (Plea of Alibil)
  2. মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying Declaration)
  3. স্বীকৃতি (Admission)
  4. সংঘটিত ব্যাপার (Res Gestae)
সঠিক উত্তর:
সংঘটিত ব্যাপার (Res Gestae)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংঘটিত ব্যাপার (Res Gestae)
ব্যাখ্যা
♦Res Gestae বা 'একই কার্যের অংশ - Res Gestae (রেস গেস্টাই) অর্থ হলো একই কাজের অংশ বিশেষ বা একই Transaction এ সংগঠিত অনেকগুলো ঘটনা। অর্থাৎ কোন একটি কাজ করতে গিয়ে উক্ত কাজের ধারাবাহিকতায় অন্য যেসব কাজ করা হয় বা পারিপার্শ্বিক অবস্থা তা ঐ একই কাজের ধারাবাহিক অংশ হিসেবে Res Gestae বলে পরিচিত।
♦সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায় Res gestae নীতিটি কি সেটা উল্লেখ করা হয়েছে এবং ৭, ৮, ৯ এবং ১৪ ধারায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সংঘটিত ব্যাপার বা Res gestae সেই সকল বিষয়কে বোঝায় যেগুলো একই কার্যের (Same Transaction) অংশ গঠন করে।
৪৪.
একটি সশস্ত্র অভ্যুত্থানে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার জন্য A অভিযুক্ত। উক্ত অভ্যুত্থানের সময় X নামক স্থানে জনগণের সম্পত্তি বিনষ্ট করা হয়, Y নামক স্থানে নিরাপত্তা রক্ষীদের এবং অন্যান্য সেনাবাহিনীকে আক্রমণ করা হয় এবং Z নামক স্থানে সংশোধনাগার ভেঙ্গে অনেক বন্দীকে মুক্ত করার চেষ্টা করা হয়। A শুধুমাত্র X স্থানে উপস্থিত ছিল কিন্তু Y এবং Z নামক স্থানে উপস্থিত ছিলনা। A এর বিচারের ক্ষেত্রে A এর বিরুদ্ধে
  1. Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবেনা
  2. X নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে কিন্তু Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবেনা
  3. X, Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবেনা কারণ A সকল স্থানে উপস্থিত ছিলনা
  4. X, Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে যদিও A সকল স্থানে উপস্থিত ছিলনা।
সঠিক উত্তর:
X, Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে যদিও A সকল স্থানে উপস্থিত ছিলনা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
X, Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে যদিও A সকল স্থানে উপস্থিত ছিলনা।
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায় এর বিধান আছে। যেহেতু সশস্ত্র অভ্যুত্থানের অংশ হিসাবে X,Y এবং Z নামক স্থানে বিভিন্ন ঘটনা ঘটানো হয়েছে, তাই A এর বিচারের ক্ষেত্রে A এর বিরুদ্ধে উক্ত সকল ঘটনা একই কার্যের অংশ হিসাবে বা Resgestae নীতি অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক হবে। উক্ত সকল ঘটনার ক্ষেত্রে A উপস্থিত ছিল কিনা বা সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছিল কিনা তা বিবেচ্য বিষয় না বা উক্ত ঘটনাসমূহ একই স্থানে এবং একই সময়ে সংঘটিত হয়েছে কিনা তা বিবেচ্য বিষয় না।
♦Res Gestae বা 'একই কার্যের অংশ - Res Gestae (রেস গেস্টাই) অর্থ হলো একই কাজের অংশ বিশেষ বা একই Transaction এ সংগঠিত অনেকগুলো ঘটনা। অর্থাৎ কোন একটি কাজ করতে গিয়ে উক্ত কাজের ধারাবাহিকতায় অন্য যেসব কাজ করা হয় বা পারিপার্শ্বিক অবস্থা তা ঐ একই কাজের ধারাবাহিক অংশ হিসেবে Res Gestae বলে পরিচিত।
♦সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায় Res gestae নীতিটি কি সেটা উল্লেখ করা হয়েছে এবং ৭, ৮, ৯ এবং ১৪ ধারায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সংঘটিত ব্যাপার বা Res gestae সেই সকল বিষয়কে বোঝায় যেগুলো একই কার্যের (Same Transaction) অংশ গঠন করে।
৪৫.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারা অনুযায়ী অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়?
  1. ১২
  2. ১৩
  3. ১০২
  4. ১০৩
সঠিক উত্তর:
১০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৩
ব্যাখ্যা
♦যেসব ঘটনা অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলোও ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে যদি সেগুলো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয় অথবা কোনোভাবে বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে অর্থাৎ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তুলে। নিম্নোক্ত পাঁচ প্রকারের ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে। যথা-
i) অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থলে আসামীর অনুপস্থিতি (Plea of Alibi) অর্থাৎ যদি দেখা যায় আসামী অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থল হতে বহু দূরে ছিল তাহলে তা প্রাসঙ্গিক হবে;
ii) সন্তান জারজ কি-না এই প্রশ্নে স্ত্রীর নিকট হতে স্বামীর দূরে থাকার ঘটনা;
iii) কথিত মৃত ব্যক্তি জীবিত আছে এমন ঘটনা;
iv) অভিযুক্ত ব্যক্তি খুন করেছে এই প্রশ্নে, অন্য ব্যক্তি খুন করেছে-এরূপ ঘটনা; অথবা
v) অভিযুক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে এ প্রশ্নে, আহত ব্যক্তি নিজে আঘাত (Self-harming) করেছে-এরূপ ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
Plea of Alibi- সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় Plea of Alibi-কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। Alibi অর্থ হলো অন্যত্র (Elsewhere), আর Plea of Alibi এর আক্ষরিক অর্থ হল অন্যত্র অবস্থানের অজুহাত। এই শব্দটি ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে।
ফৌজদারি মামলায় আসামী এই মর্মে আত্মপক্ষ সমর্থন করে যে, অপরাধ সংঘটনকালে সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না বা যে ঘটনার জন্য কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, ঘটনার সময় সে অন্যত্র ছিল। ফলে সে ঐ অপরাধের জন্য দায়ী নয় ।

♦সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারামতে অপরাধ সংঘটনকালে আসামী অন্যত্র অবস্থানের দাবি করলে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ তাকেই উপস্থাপন করতে হয়। অর্থাৎ অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
৪৬.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর বিধান আছে?
  1. ৩২
  2. ১০৫
  3. ১৫০
  4. ১১৫
সঠিক উত্তর:
১১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৫
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের  ১১৫ ধারার বিধান প্রতিবন্ধকঃ যখন এক ব্যক্তি তাহার ঘোষণা, কার্য বা কাৰ্য বিরতির দ্বারা স্বেচ্ছায় অন্য ব্যক্তিকে কিছু সত্য বলিয়া বিশ্বাস করাইয়াছেন বা বিশ্বাস করিতে দিয়াছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাজ করিতে দিয়াছেন, তখন উহাদের মধ্যে অথবা উহাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তাহার প্রতিনিধি উক্ত বিষয়ের সত্যতা অস্বীকার করিতে পারিবে না ।
♦স্বকার্যজনিত বাধা বা প্রতিবন্ধক (Estoppel)- সাক্ষ্য আইনে estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত। মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি।
৪৭.
The Evidence Act, 1872 এর ৯০ ধারা প্রযোজ্য হবে যদি
  1. ৩ বৎসরের পুরাতন হয়
  2. ৩০ বৎসরের পুরাতন হয়
  3. উপযুক্ত ব্যক্তির হেফাজতে থেকে কে উপস্থাপিত হয়
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয় বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করতে পারে আবার নাও করতে পারে। ৯০ ধারায় বলা হয়েছে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করবে যদি দলিলটি সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে।
৪৮.
A তার স্ত্রী B-কে হত্যার জন্য অভিযুক্ত। B কিভাবে স্বামীর বাড়ীতে মৃত্যুবরণ করেছে তা প্রমাণের বাধ্যবাধকতা কার?
  1. অভিযোগকারী পক্ষের
  2. রাষ্ট্রপক্ষের
  3. A এর উপর
  4. যে ব্যক্তি হত্যাকাণ্ড দেখেছে তার উপর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
ব্যাখ্যা
♦The Evidence Act, 1872 এর ১০৬ ধারার বিধান যে ঘটনা বিশেষভাবে কারও অবগতির মধ্যে থাকে তা প্রমাণের দায়িত্ব: কোন ঘটনা যখন বিশেষভাবে কোন ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপর ন্যাস্ত।
কোন ব্যক্তি যখন এমন ইচ্ছা প্রণোদিত হয়ে একটি কাজ করে, যা উক্ত কাজের প্রকৃতি ও পরিস্থিতি হতে অনুমিত ইচ্ছা অপেক্ষা ভিন্ন, তখন ঐ ইচ্ছা প্রমাণের দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যাস্ত।
♦কোন বিষয় বিশেষভাবে কারো অবগতিতে বা জ্ঞানে থাকলে তা প্রমাণের দায়িত্ব সেই ব্যক্তির।
♦যেমন: স্ত্রী খুন মামলায় (Wife killing Case) স্ত্রী স্বামীর কাছে থাকাকালীন কিভাবে মারা গেল বা স্বামী স্ত্রীকে মারেনি তা প্রমাণের দায়িত্ব স্বামীর উপর। অনুরূপ স্বামী খুন মামলায় (Husband killing Case) স্ত্রী ও তার পরিবারের উপর প্রমাণের দায়িত্ব বর্তায়।
♦যেহেতু স্ত্রী হত্যা মামলা, সেহেতু স্বামী A কে ব্যাখ্যা করতে হবে কিভাবে তার স্ত্রী B এর মৃত্যু হলো।
৪৯.
“The Court may presume that a man who is in possession of stolen goods after the he can account for his possession”. বিধানটি The Evidence Act, 1872 এর কোন Section এ উল্লেখ আছে?
  1. 114 (a)
  2. 114 (b)
  3. 114 (c)
  4. 114 (e)
সঠিক উত্তর:
114 (a)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
114 (a)
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১১৪ ধারার বিধান আদালত কিছু ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারেন: (Court may presume existence of certain facts): একটি বিশেষ মামলার ঘটনা বিবেচনা করে যা ঘটে থাকা সম্ভব বলে মনে করেন, সেই ঘটনার অস্তিত্ব আদালত অনুমান করে নিতে পারেন।
আদালত অনুমান করতে পারেন যে (May Presume)
114 (a) চুরির পর পরই চোরাইমাল যে ব্যক্তির দখলে থাকে সে যদি তার দখলের কারণ দর্শাতে না পারে তবে সেই ব্যক্তি চোর অথবা চোরাইমাল বলে জানা সত্ত্বেও সে তা গ্রহণ করেছে।
____________________________________________________________________________________
Court may presume existence of certain facts
114. The court may presume the existence of any fact which it thinks likely to have happened, regard being had to the common course of natural events, human conduct and public and private business, in their relation to the facts of the particular case. 
Illustrations 
The Court may presume – 
(a) that a man who is in possession of stolen goods soon after the theft, is either the thief or has received the goods knowing them to be stolen, unless he can account for his possession; 
(b) that an accomplice is unworthy of credit, unless he is corroborated in material particulars; 
(c) that a bill of exchange, accepted or endorsed, was accepted or endorsed for good consideration; 
(d) that a thing or state of things which has been shown to be in existence within a period shorter than that within which such things or states of things usually cease to exist, is still in existence; 
(e) that judicial and official acts have been regularly performed; 
(f) that the common course of business has been followed in particular cases; 
(g) that evidence which could be and is not produced would, if produced, be unfavourable to the person who withholds it; 
(h) that, if a man refuses to answer a question which he is not compelled to answer by law, the answer, if given, would be unfavourable to him; 
(i) that when a document creating an obligation is in the hands of the obligor, the obligation has been discharged. 
But the Court shall also have regard to such facts as the following, in considering whether such maxims do or do not apply to the particular case before it.
৫০.
সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় নিম্নলিখিত কোন বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়েছে?
  1. উপলক্ষ ও অকারণ
  2. অভিপ্রায় ও কার্য
  3. উপলক্ষ, কারণ ও পরিণতি
  4. অভিপ্রায়, প্রস্তুতি ও কার্য
সঠিক উত্তর:
অভিপ্রায়, প্রস্তুতি ও কার্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিপ্রায়, প্রস্তুতি ও কার্য
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারা মতে যে কোনো বিষয় যা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের জন্য অভিপ্রায় বা প্রস্তুতি দেখায় বা গঠন করে তা প্রাসঙ্গিক। সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় তিনটি বিষয়কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। যথা:-

   (i) অভিপ্রায়     (ii) প্রস্তুতি এবং        (iii) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য
৫১.
“Facts admitted need not be proved” বিধানটি the Evidence Act, 1872 এর কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৫৬
  2. ধারা ৫৭
  3. ধারা ৫৮
  4. ধারা ৫৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৮
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
♦৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
♦সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।
৫২.
নিম্নের কোন বিষয়টি 'Shall Presume' এর অন্তর্ভুক্ত?
  1. Genuineness of Certified Copies
  2. foreign judicial record
  3. telegraphic message
  4. 30 years old document
সঠিক উত্তর:
Genuineness of Certified Copies
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Genuineness of Certified Copies
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের  ৭৯ ধারার বিধান প্রত্যায়িত অনুলিপির শুদ্ধতা সম্পর্কে অনুমানঃ যে দলিলকে কোন সার্টিফিকেট বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় অথবা কোন দলিল প্রত্যায়িত অনুলিপি বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয়, যাহা কোন বিশেষ ঘটনার সাক্ষ্য হিসাবে আইনতঃ গ্রহণযোগ্য বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে এবং যাহা সরকারের সীলমোহরকৃত আদালত সেই দলিলকে যথার্থ বলিয়া অনুমান করিবেন।
♦ তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত দলিল সংশ্লিষ্ট আইনে যেইরূপ নির্দেশিত আছে মোটামুটিভাবে সেই আকারে প্রণীত এবং সেই পদ্ধতিতে সম্পাদিত বলিয়া বুঝিতে দিতে হইবে।
♦ আদালত ইহাও সিদ্ধান্ত করিবেন যে, যে অফিসার উক্ত দলিলে স্বাক্ষর বা প্রত্যায়ন করিয়াছেন বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হইয়াছে, সেই অফিসার তাহার সহিকৃত কাগজে যে পদাধিকার দাবি করিয়াছেন, তৎকালে তিনি সেই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
♦The Evidence Act, 1872, Section 79 Presumption as to genuineness of certified copies: The Court shall presume every document purporting to be a certificate, certified copy or other document, which is by law declared to be admissible as evidence of any particular fact and which purports to be duly certified by any officer of the Government to be genuine: Provided that such document is substantially in the form and purports to be executed in the manner directed by law in that behalf.  
♦ The Court shall also presume that any officer by whom any such document purports to be signed or certified, held, when he signed it, the official character which he claims in such paper.
৫৩.
ফৌজদারী মামলায় আত্মরক্ষামূলক পরিস্থিতির দাবী উঠলে তা প্রমাণের দায়িত্ব কার?
  1. অভিযোগকারীর
  2. রাষ্ট্রের
  3. উক্ত দাবী উপস্থাপনকারীর
  4. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির
সঠিক উত্তর:
উক্ত দাবী উপস্থাপনকারীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত দাবী উপস্থাপনকারীর
ব্যাখ্যা
♦ The Evidence Act 1872 এর ১০১ ধারা অনুযায়ী  প্রমাণের দায়ভার বলতে বুঝায় যদি কোন ব্যক্তি তার দাবি অনুযায়ী অন্যের বিরুদ্ধে রায় কামনা করে তাহলে উক্ত দাবীকৃত বিষয়ের অস্তিত্ব তাকেই প্রমাণ করতে হয়। এই ধারা অনুযায়ী এই প্রমাণের ভার কখনও পরিবর্তন হয় না।
♦ সাধারণ অর্থে প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো প্রমাণ দাখিলের দায় বা দায়িত্ব। প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো মোকদ্দমার কোনো পক্ষ কর্তৃক আদালতের বিচার্য বিষয় সংশ্লিষ্ট তথ্য বা তথ্যাবলি প্রমাণ করার দায়িত্ব।
♦সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা থেকে ১১৪ ধারা পর্যন্ত প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
♦কোন ব্যক্তি যখন কোন বিষয়ের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে বাধ্য থাকেন, তখন বলা হয় যে, বিষয়টি প্রমাণ করার দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যস্ত। তবে এর ব্যতিক্রম আছে, যেমন- যে বিষয় বিরূদ্ধ পক্ষের ভাল জানা আছে তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই ।
♦অর্থাৎ ফৌজদারি মামলায় আত্মরক্ষামূলক পরিস্থিতির দাবী উঠলে তা প্রমানের দায়িত্ব উক্ত দাবী উত্থাপনকারীর।
♦সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুযায়ী ব্যতিক্রম প্রমাণের ভার সর্বদা দাবীকারী আসামীর উপর বর্তাবে। দণ্ডবিধির ৩০০ ধারায় ৫টি ব্যতিক্রম উল্লেখ আছে যেক্ষেত্রে নিন্দনীয় নরহত্যা খুন বলে গণ্য হবেনা। যদি খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত কোন আসামী দাবী করে যে, তার কার্যটি ৩০০ ধারায় উল্লেখিত কোনো একটি বিশেষ ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে, তাহলে তাকেই তা প্রমাণ করতে হবে।
♦ The Penal Code, 1860 এর ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার অধীন সাধারণ [General Exceptions] প্রমাণের ভার সর্বদা দাবী উপস্থাপনকারীর।
৫৪.
একজন অ্যাডভোকেটকে আইন পেশা থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় কার নিকট?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. আপিল বিভাগ
  3. আইনমন্ত্রী
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
♦ অনুচ্ছেদ-৩৬: অনুচ্ছেদ ৩৪ এর অধীন কোন আদেশ দেয়া হলে উক্ত আদেশের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের আদেশ চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
♦ অর্থাৎ একজন এ্যাডভোকেটকে আইন পেশা থেকে বহিস্কার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়  ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে।
৫৫.
অ্যাডভোকেট ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি যদি আইন ব্যবসা করেন, তাহলে তাকে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে-
  1. ৬ মাস পর্যন্ত
  2. ৪ মাস পর্যন্ত
  3. ৩ মাস পর্যন্ত
  4. ২ মাস পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
৬ মাস পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
♦একজন ব্যক্তি আইনজীবী না হয়ে আইন চর্চা/প্র্যাকটিস করতে পারবে না । যদি আইনজীবী না হয়ে আইন পেশা প্র্যাকটিস করে তার শাস্তি: ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড। আইনজীবী না হয়ে আইন চর্চা করে তারা 'টাউট' নামে অধিক পরিচিত।
৫৬.
কোনো অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের সদস্য পদে থাকিবে না পরপর -
  1. ৫ বারের বেশি
  2. ৪ বারের বেশি
  3. ৩ বারের বেশি
  4. ২ বারের বেশি
সঠিক উত্তর:
২ বারের বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বারের বেশি
ব্যাখ্যা
♦The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ- ৫ক: কোন অ্যাডভোকেট পরপর বা ধারাবাহিকভাবে ২ বারের বেশি সদস্য পদে থাকবেন না।
৫৭.
নিম্ন বর্ণিত কোন বিষয়টি নির্ধারণের জন্য আরজিতে দেওয়ানী মামলার মূল্যমান দেখানো হয়?
  1. আদালতের এখতিয়ার
  2. প্রসেস ফি
  3. কোর্ট ফী
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
ক ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ
ব্যাখ্যা
♦ আরজিতে কোন কোন বিষয় উল্লেখ করতে হবে তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং অর্ডারের ১ নং বিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে। দেওয়ানী আদালতের এখতিয়ার নির্ধারন করার জন্য আরজিতে দেওয়ানী মামলার মূল্যমান দেখানো হয়। যেমন, যদি আরজিতে উল্লেখ করা হয়, মোকদ্দমার মূল্যমান ৫লক্ষ টাকা, তাহলে  সহকারী জজের নিকট মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। তাছাড়া কোর্ট ফী নির্ধারণের জন্যও আরজিতে দেওয়ানী মামলার মূল্যমান দেখানো হয়। 
৫৮.
'X', 'Y' এর বিরুদ্ধে একটি জমি বিক্রয়ের বায়নাপত্র সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য ঢাকা যুগ্ম জেলা জজের নিকট মোকদ্দমা দায়ের করে। মোকদ্দমাটি ঢাকার অন্য যুগ্ম জেলা জজের নিকট ও দায়ের করা যায়। 'Y' যদি মোকদ্দমাটি স্থানান্তর করতে চায়, তাহলে 'Y’ এর উকিল হিসেবে, আপনি কোথায় মোকদ্দমা দায়ের করবেন?
  1. ঢাকা জেলা জজের নিকট
  2. ঢাকা যুগ্ম জেলা জজের নিকট
  3. হাইকোর্ট ডিভিশনে
  4. যুগ্ম জেলা জজের নিকট
সঠিক উত্তর:
ঢাকা জেলা জজের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা জেলা জজের নিকট
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী মামলা বা আপিল স্থানান্তর ও প্রত্যাহার- যে কোন সময় হাইকোর্ট বিভাগ বা জেলা জজ আদালত অধঃস্তন আদালতের কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অপর কোন কার্যক্রম স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করতে পারেন। দেওয়ানী কার্যবিধির ২২, ২৩ ও ২৪ ধারা এবং The Civil Courts Act, 1887 এর ২২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমা ও আপিল স্থানান্তরের বিধান রয়েছে।
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ও ২৪ ধারা অনুযায়ী মামলা স্থানান্তরের আবেদন করা যায়। দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ধারা অনুযায়ী শুধুমাত্র বিবাদী মামলা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যখন কোন মোকদ্দমা দুই বা ততোধিক আদালতে দায়েরযোগ্য বা বিচারযোগ্য। কিন্তু ২৪ ধারার আওতায় মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা আদালত স্বতঃ প্রবৃত্ত হয়ে নিজে (own motion) কোন মামলা বা আপিল স্থানান্তর করতে পারে।
♦সুতরাং বিবাদী হলে ২২ ধারা, অন্যদিকে মামলার যে কোন পক্ষ অথবা আদালত নিজে হলে ২৪ ধারা প্রযোজ্য হবে।

♦যেহেতু ঢাকার মধ্যে একাই জেলার এক আদালত থেকে অন্য আদালতে মামলা স্থানান্তর করতে হবে। সেহেতু আমাকে ঢাকা জেলা জজের নিকট মামলা স্থানান্তরের আবেদন করতে হবে।
৫৯.
বিধি প্রণয়ন কমিটিতে সুপ্রীম কোর্টের কত জন বিচারক থাকবে?
  1. ৩ জন
  2. ২ জন
  3. ১ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১২৩ ধারা অনুযায়ী বিধি প্রণয়ন কমিটির সদস্য  সর্বমোট ৬ জন। সদস্যগণ হলো

ক. সুপ্রীম কোর্টের তিন (৩) জন বিচারক নিয়ে যাদের মধ্যে একজন সর্বনিম্ন ৩ বছর জেলা জজ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছে।

খ. উক্ত আদালতে অ্যাডভোকেট হিসাবে প্রাক্টিস করছে এমন ২ জন অ্যাডভোকেট

গ. হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ দেওয়ানী আদালতের একজন বিচারক। এই কমিটির সদস্যরা প্রধান বিচারপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হবে এবং তিনি উক্ত কমিটির সভাপতি মনোনীত করবেন এবং সাধারণ সম্পাদক নিয়োগ দিবে্ন।
৬০.
বারিত না হলে দেওয়ানী আদালত সকল প্রকারের দেওয়ানী মোকদ্দমার বিচার করতে পারবে। The Code of Civil Procedure, 1908 এর কত ধারায় বলা হয়েছে।
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১০
  4. ধারা ১১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৯ এর বিধান  বারিত না হলে আদালত সকল দেওয়ানী মামলার বিচার করবেনঃ
আদালতের (এখানে বর্ণিত বিধানাবলী সাপেক্ষে) সকল দেওয়ানী প্রকৃতির মামলা বিচার করার এখতিয়ার থাকবে, কেবল সে সকল মামলা ব্যতিত যেগুলির বিচারার্থে গ্রহণ (cognizance) প্ৰত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বারিত হয়েছে।
♦ব্যাখ্যাঃ যে মামলায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, সে মামলা দেওয়ানী প্রকৃতির, যদিও অধিকার সম্পূর্ণরূপে ধর্মীয় আচার বা উৎসব সম্পর্কীত প্রশ্নের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করতে পারে।
৬১.
বাদীর আরজি সংশোধনীর দরখাস্ত নামঞ্জুরের আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপীল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. রেফারেন্স
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦বাদীর আরজি সংশোধনীর দরখাস্ত নামঞ্জুরের আদেশ আপীলযোগ্য আদেশ নয় তাই ১১৫ ধারার অধীন রিভিশন করা যাবে।
♦অর্থাৎ
প্লিডিংস সংশোধনের বা কর্তনের দরখাস্ত মঞ্জুর বা নামঞ্জুরের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যায়।
৬২.
কোন ক্ষেত্রে বাদীপক্ষকে ত্রুটি সংশোধনের সুযোগ না দিয়ে Order-VII, rule-11 এ আরজি প্রত্যাখ্যান করা যায়?
  1. প্রার্থিত প্রতিকারের মূল্যায়ন কম করা হলে
  2. আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে
  3. মামলার আরজি কার্টিজ পেপারে উপস্থাপন না করলে
  4. আরজির সাথে প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সমন ও আরজির কপি না দিলে
সঠিক উত্তর:
আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে
ব্যাখ্যা
♦আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে, আদালত আরজি সংশোধনের সুযোগ না দিয়ে সরাসরি আরজি প্রত্যাখ্যান করতে পারে। আরজিতে প্রার্থিত প্রতিকারের মূল্যমান কম করা হলে বা প্রয়োজনের তুলনায় কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হলে বা আরজির সাথে প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সমন ও আরজির কপি না দিলে, আদালত উক্ত ক্ষেত্রে সরাসরি আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ দিবে না বরং প্রার্থিত প্রতিকারের মূল্যমান সংশোধন করতে, আরজি প্রয়োজনীয় কার্টিজ পেপারে উপস্থাপন করার জন্য এবং প্রয়োজনীয় সমন ও আরজির কপি সরবরাহ করার জন্য ২১ দিন সময় দিবে। যদি উক্ত ২১ দিনের মধ্যে বাদী এমন আদেশ পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত আরজি প্রত্যাখ্যান করবে।

♦আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ ডিক্রি হিসেবে গণ্য হবে। [ধারা-২(২)] ~ আরজি নাকচ / প্রত্যাখ্যানের কারণ ৪টি:

১) মোকদ্দমার কারণ উল্লেখ না করলে (Cause of action)

২) দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম দেয়া হলে (undervalued)

৩) অপর্যাপ্ত স্ট্যাম্প পেপারে লিখা হলে (insufficiency stamped)

৪) মোকদ্দমাটি আইন/তামাদিতে বারিত হলে (Barred by law)

দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম দেখালে বা অপর্যাপ্ত স্ট্যাম্পের ক্ষেত্রে আদালত তা সংশোধনের জন্য অনধিক ২১ দিন সময় দিতে পারে।
৬৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির 89A ধারায় মধ্যস্থতার বিধান প্রযোজ্য হবে না______এর ক্ষেত্রে।
  1. সালিসি আইন, ২০০১
  2. অর্থবণ আদালত আইন, ২০০৩
  3. The Negotiable Instrument Act, 1881
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
অর্থবণ আদালত আইন, ২০০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থবণ আদালত আইন, ২০০৩
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ ধারার ১নং ব্যাখ্যায় মধ্যস্থতার সংজ্ঞা রয়েছে। ৮৯ ধারার ১নং ব্যাখ্যায় [Explanation No. (1) ] মধ্যস্থতা বলতে প্রসারিত অনানুষ্ঠানিক, অবাধ্যতামূলক, গোপনীয়, অপ্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক এবং সমঝোতামূলক বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতিকে বোঝায়, যার মাধ্যমে মধ্যস্থতাকারী মীমাংসার কোন শর্তে নির্দেশ না করে কিংবা তৎসম্পর্কে কোন আদেশ না দিয়ে পক্ষগণের মধ্যকার বিরোধগুলো নিষ্পত্তির সুযোগ করে দেন।

♦অন্যান্য আইনে ADR
Muslim Family Laws Ordinance 1961
The Family Courts Ordinance, 1985 (ধারা: ১০, ১৩)
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ (ধারা: ২২-২৫)
যেহেতু অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ (ধারা: ২২-২৫) তে মধ্যস্থতার বিধান আছে এই জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির 89A ধারায় মধ্যস্থতার বিধান প্রযোজ্য হবে না।
৬৪.
আদেশপত্র [Precept] এর অধীন কোন সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ_____মাসের বেশি থাকবে না?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৪ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন। যা  ডিক্রি জারির অনুরোধ (Precepts) নামে পরিচিতো।
♦ডিক্রিদানকারী আদালত ক্রোকের মেয়াদ বৃদ্ধি না করলে কোন ক্রোক ২ মাসের অধিক সময় বলবৎ থাকবে না।
৬৫.
সম্পত্তি বাটোয়ারা অথবা বিভাজন সম্পর্কত কোন ডিক্রি বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব কার?
  1. কালেক্টর
  2. কালেক্টরের অধীনস্থ গেজেটেড কর্মচারীর
  3. আদালত
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৫৪ ধারার বিধান সম্পত্তি বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ (Partition of estate or separation of share): সরকারি রাজস্ব প্রদানের প্রয়োজনে কোন অবিভক্ত সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য বা সম্পত্তির কোন অংশের পৃথক দখলের জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হলে, কালেক্টর বা মনোনীত কর্মকর্তা বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ সম্পন্ন করবেন।
৬৬.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে কোন মামলা এ্যাবেট হবার কারণ উদ্ভব হয়?
  1. প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের মৃত্যু
  2. প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের দেশান্তর
  3. বিবাদী দেওলিয়াত্ব
  4. মোকদ্দমার মহিলা পক্ষের বিবাহের কারণে
সঠিক উত্তর:
বিবাদী দেওলিয়াত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী দেওলিয়াত্ব
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ নং আদেশের, বিধি-৮ মতে যখন বাদীর দেউলিয়াত্ব/অস্বচ্ছলতা মোকদ্দমায় বাধা হয় (When plaintiff's insolvency bars suit):
কোন বাদীর অস্বচ্ছলতা মোকদ্দমা বাতিল করবে না, যদি বাদীর স্বত্বনিয়োগী (assignee) বা রিসিভার (receiver) তার পাওনাদারদের উপকারার্থে মোকদ্দমা চালাতে থাকে।
স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার মোকদ্দমা চালু রাখতে বা জামানত দিতে ব্যর্থ হলে, তখন বিবাদী বাদীর অস্বচ্ছলতার অজুহাতে মোকদ্দমা খারিজ করার জন্য আবেদন করতে পারে ।
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ নং আদেশের ৮ নং বিধিতে বলা হয়েছে বাদীর দেওলিয়াত্ব মামলাটি বাতিল হবে না এবং এই ক্ষেত্রে বাদীর স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার মামলাটি চালিয়ে নিতে পারে। কিন্তু এই নিয়মটি প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের (বিবাদীর) দেওলিয়াত্ত্বর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ বিবাদী যদি দেওলিয়া হয়ে যায়, তাহলে মামলা এ্যাবেট হতে পারে।
৬৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ___________ধারায় আদালত সরকারী কর্মকর্তাকে আটক এবং ব্যক্তিগত হাজিরা হতে অব্যাহতি দিতে পারে।
  1. ৮০ ধারায়
  2. ৮১ ধারায়
  3. ৮২ ধারায়
  4. ৮৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৮১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৮১ ধারা মতে গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যহতি (Exemption from arrest and personal appearance) পদাধিকার বলে কৃত কোন কাজের জন্য সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে-তাকে ডিক্রি জারি ব্যতীত গ্রেফতার করা বা তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না । আদালত তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিতে পারে।

♦ অর্থাৎ পদাধিকারবলে কৃত কোন কাজের জন্য কোন সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা হয়ে থাকলে, বিবাদীকে গ্রেফতার করা যাবে না এবং ডিক্রি জারী ব্যতীত অন্য কোন কারণে তার সম্পত্তি ক্রোক করা চলবে না এবং যেক্ষেত্রে আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, বিবাদী জনসেবার ক্ষতি না করে তার কর্তব্য হতে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না, সেই ক্ষেত্রে আদালত তাকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা হতে অব্যাহতি দিতে পারে।
৬৮.
নাবালকের অভিভাবক মোকদ্দমা পরিচালনার দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়ে নিম্নলিখিত কোন কাজটি করতে পারেনা?
  1. মামলা প্রত্যাহার করতে পারেনা।
  2. আদালতে হাজির হতে
  3. মোকদ্দমা নতুন করে দায়ের করতে
  4. আদালতের অনুমতি ছাড়া মোকদ্দমা আপোষ মীমাংসা
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি ছাড়া মোকদ্দমা আপোষ মীমাংসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি ছাড়া মোকদ্দমা আপোষ মীমাংসা
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XXXII, Rule 7 এর বিধান মামলার নেকষ্ট ফেণ্ড বা অভিভাবক কর্তৃক চুক্তি বা আপোষঃ (১) মামলার কোন নেকষ্ট ফ্ৰেণ্ড বা অভিভাবক, আদালতের কার্যক্রমে স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ অনুমতি ছাড়া যে মামলায় যে নেকষ্ট ফ্ৰেণ্ড বা অভিভাবক হিসাবে কাজ করে, সেই মামলা প্রসংগে নাবালকের পক্ষে কোন চুক্তি বা আপোষ পৌছতে পারবে না ।
(২) আদালতের উক্তরূপ লিপিবদ্ধ অনুমতি ছাড়া অনুরূপ কোন চুক্তি বা আপোষ পৌছানো হলে উক্ত নাবালক ব্যতিত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে উহা বাতিলযোগ্য হবে। 
৬৯.
নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতির জন্য দায়েরকৃত কোন আবেদন আদালত প্রত্যাখ্যান করবেন______।
  1. অভিযোগে কোন কারণ উল্লেখ না থাকলে
  2. আবেদন জমা দেওয়ার ঠিক পূর্বে ২ মাসের মধ্যে প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করলে
  3. আবেদনকারী নিঃস্ব ব্যক্তি না হলে
  4. পূর্বোক্ত সবকটি কারণে
সঠিক উত্তর:
পূর্বোক্ত সবকটি কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বোক্ত সবকটি কারণে
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XXXIII, Rule 5 এর বিধান আবেদন পত্র প্রত্যাখ্যানঃ
ক) যেক্ষেত্রে ২ এবং ৩ বিধিসমূহে নির্ধারিত বিধান অনুসারে ইহা গঠন ও দাখিল করা হয়নি, বা

খ) যেক্ষেত্রে আবেদনকারী নিঃসম্বল নহে, বা

গ) যেক্ষেত্রে সে আবেদন পত্র দাখিলে অব্যবহিত দুই মাসের মধ্যে প্রতারণামূলকভাবে নিঃসম্বল ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতি লাভের জন্য আবেদন করতে সমর্থ হবার জন্য কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করেছে বা

ঘ) যেক্ষেত্রে তার অভিযোগের কোন নালিশের কারণ দর্শায় না, বা

ঙ) যেক্ষেত্রে সে প্রস্তাবিত মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন চুক্তিতে পৌছিয়াছে যার ফলে উক্ত বিষয় বস্তুতে অন্য কোন ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট হয়েছে সেই সকল ক্ষেত্রে নিঃসম্বল ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতি লাভের প্রার্থনা আদালত প্রত্যাখ্যান করবেন।
৭০.
কোন রিভিউ দরখাস্ত মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. রেফারেন্স
সঠিক উত্তর:
আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XLIII, Rule 1(w) তে কোন রিভিউ দরখাস্ত মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে আপীল এর বিধান আছে।
৭১.
মোকদ্দমার শুনানীর সময় বাদী অনুপস্থিত থাকার কারণে সহকারী জজ মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ প্রদান করে। বাদী উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করে। জেলা জজ রিভিশনটি প্রত্যাখ্যান করে আদেশ প্রদান করে। এই ক্ষেত্রে প্রতিকার কী?
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন
  4. রেফারেন্স
সঠিক উত্তর:
অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১১৫(৪) ধারা মতে উপরোক্ত প্রেক্ষাপটে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে।
৭২.
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার, ক্রোক ও নিষেধাজ্ঞার আদেশ লাভ করলে খেসারত হিসেবে কত টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (compensatory cost) প্রদানের আদেশ দিতে পারে।
  1. সর্বনিম্ন ১০০০০ টাকা
  2. সর্বোচ্চ ১০০০০ টাকা
  3. ৫০০০ টাকা
  4. ৬০০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ১০০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ১০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৫ ধারা মতে অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার, ক্রোক ও নিষেধাজ্ঞার আদেশ লাভ করলে খেসারত (Compensation for obtaining arrest, attachment or injunction on insufficient grounds): কোন মোকদ্দমায় অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার বা ক্রোক কার্যকর বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়ে থাকলে বা বাদী মোকদ্দমায় হেরে যাওয়ার পর আদালত যদি দেখে যে উক্ত মোকদ্দমা দায়েরের জন্য বাদীর কোন সঙ্গত কারণ ছিলনা, তখন বিবাদী তার ব্যয় ও ক্ষতির জন্য বাদীর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ চাইলে আদালত বিবাদীকে অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য বাদীকে আদেশ দিতে পারবেন।
 ♦ উল্লেখ্য যে, আদালত তার আর্থিক এখতিয়ারের চেয়ে বেশি ক্ষতিপূরণের টাকা প্রদান করবেন না।
৭৩.
মোকদ্দমা দায়েরের মেয়াদ The Limitation Act, 1908 এ সুনির্দিষ্টভাবে বলা না থাকলে প্রযোজ্য হবে__________অনুচ্ছেদ।
  1. ১২০ অনুচ্ছেদ।
  2. ১২১ অনুচ্ছেদ।
  3. ১৮০ অনুচ্ছেদ।
  4. ১৮১ অনুচ্ছেদ।
সঠিক উত্তর:
১২০ অনুচ্ছেদ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ অনুচ্ছেদ।
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়।
৭৪.
'X' মামলার বাদী এবং 'Y' মামলার বিবাদী। 'X' 'Y' এর বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের মামলা করতে চায়। চুক্তিভঙ্গের তারিখ হতে বিবাদী 'Y' উন্মাদ হয়ে যায়। এই ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. মামলার তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে
  2. 'X' কে তামাদিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা করতে হবে
  3. মামলার তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
'X' কে তামাদিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'X' কে তামাদিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা করতে হবে
ব্যাখ্যা
♦ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা মতে যেহেতু 'Y' মামলায় বিবাদী তাই তামাদির আইনের ৬ ধারা 'Y' এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না এবং এই ক্ষেত্রে 'X'-কে অবশ্যই ১ বৎসরের মধ্যে মামলা করতে হবে। কারণ ৬ ধারায় শুধুমাত্র বাদী সুবিধা পেতে পারে বা বাদীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

♦ তামাদি আইনের ৬-৮ ধারা শুধুমাত্র বাদী ক্ষেত্রে প্রযোজ্য; বিবাদীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হবে - খ) 'X' কে তামাদিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা করতে হবে।
৭৫.
একটি মামলায় প্রতারণামূলক দলিল সৃজনের অভিযোগ করা হলে উক্ত মামলায় তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বাদীর_______।
  1. অধিকার সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে।
  2. প্রতারণা সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে।
  3. দলিল সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে।
  4. মামলা সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে।
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে।
ব্যাখ্যা
♦যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন থেকে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে সর্বপ্রথম যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দলিলটি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে উপস্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন থেকে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
৭৬.
নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দিয়ে যে সময়ে জন্য মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত থাকে তা বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে। তামাদি আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ১৩
  2. ধারা ১৪
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ১৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১৫ ধারার বিধান কার্যক্রম স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হইবেঃ
(১) যেই মামলা বা ডিক্রী জারির দরখাস্ত দায়ের বা জারি কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দ্বারা স্থগিত রাখা হইয়াছে, তাহার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনার সময়, যতদিন উহা নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ বলবৎ ছিল, যেইদিন উহা প্রদত্ত হইয়াছিল এবং যেইদিন উহা প্রত্যাহার করা হইয়াছিল, তাহা বাদ দিতে হইবে।
(২) যেই মামলার জন্য বর্তমানে বলবৎ অন্য কোনো আইনের বিধান অনুসারে নোটিশ দেওয়া হইয়াছে, তাহার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ গণনায় নোটিশের কাল বাদ দিতে হইবে।
৭৭.
The Limitation Act, 1908 এর কোন ধারা অনুযায়ী এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে দায়ের করা কার্যধারায় ব্যয়িত সময় গণনা থেকে বাদ দিতে হবে?
  1. ধারা ১২
  2. ধারা ১৩
  3. ধারা ১৪
  4. ধারা ১৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪
ব্যাখ্যা
♦ The Limitation Act, 1908 এর ১৪ ধারার বিধান এখতিয়ারবিহীন আদালতে সমুদ্দেশ্যমূলক কার্যধারায় যেই সময় গণনাহইতে বাদ দিতে হইবেঃ
(১) কোনো মামলা দায়েরের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, বাদী কোনো আদিম বা আপিল আদালতে বিবাদীর বিরুদ্ধে যদি অন্য একটা দেওয়ানী কার্যক্রম যথাবিহিত যত্ন সহকারে চালাইতে থাকে। তবে সেইক্ষেত্রে উক্ত মামলা ও কার্যক্রমের কারণ যদি একই হয় এবং এখতিয়ারগত ত্রুটি বা অনুরূপ অন্য কোনো কারণে যেই আদালত শেষোক্ত কার্যক্রমের বিচার করিবার ক্ষমতা সম্পন্ন নহে, সেই আদালতে যদি সদবিশ্বাসে উহা দায়ের করা হইয়া থাকে, তবে শেষোক্ত কার্যক্রমে যেই সময় ব্যয়িত হয়, প্রথমোক্ত মামলার মেয়াদ গণনা হইতে তাহা বাদ দিতে হইবে।
যথাযথ সতর্কতা ও সচেষ্ট প্রয়োগ সত্বেও একজন যুক্তিবান ও পরিণামদর্শী মানুষের পক্ষে যেইধরনের ভুল হওয়া স্বাভাবিক, শুধুমাত্র ঐ ধরনের ভুলের ব্যাপারে জড়িত মামলার ক্ষেত্রেই এইধারার বিধান অনুসারে সুবিধাদান করা যাইতে পারে। নিম্নতর আপিল আদালত যেইক্ষেত্রে যথাযথভাবে অত্র ধারার আওতায় উহার স্ববিচার ক্ষমতা প্রয়োগ করে, সেইক্ষেত্রে হাইকোর্ট উহাতে হস্তক্ষেপ করিয়া থাকে না।
আপিলের জন্য সময় গণনাকালে অত্র ধারাটি প্রয়োগ ঘটে না। তবে ইহার যুক্তিযুক্ত মূলনীতি এবং এই ধারায় ভাবিত পরিস্থিতি যথাসময়ে আপিল উপস্থাপন করিবার জন্য ৫ ধারার অর্থ অনুসারে পর্যাপ্ত কারণ হিসাবে সাধারণত গ্রাহ্য হইতে পারে।
৭৮.
মিথ্যা বা অন্যায় কারাভোগের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা করা যায়___________মাঝে।
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর Article 19 মতে মিথ্যা বা অন্যায় কারাভোগের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা করা যায় ১ বছরের মাঝে।
৭৯.
কোন দলিল রদ (Set aside) বা বাতিল (Cancel) করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্যকোন বিধান নেই, সেই ক্ষেত্রে মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ
  1. ২ বৎসর
  2. ১ বৎসর
  3. ৩ বৎসর
  4. ৬ বৎসর
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় দলিল বাতিল বা দলিল রদ এর মামলা দায়ের এবং ৪২ ধারায় দলিল জাল বলে ঘোষণার জন্য মামলা দায়েরের তামাদির তামাদির মেয়াদ ৩ বৎসর। এই তামাদির মেয়াদ ৯১ থেকে ৯৩ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত আলোচনা করা হয়েছে।
৮০.
অবিরাম চুক্তিভঙ্গের ফলাফল সম্পর্কে বলা আছে______।
  1. ২১ ধারায়
  2. ২২ ধারায়
  3. ২৩ ধারায়
  4. ৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় করাঃ
 ♦যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেইক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নূতন করিয়া তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইতে শুরু করে।
 ♦এমন অনেক চুক্তি রহিয়াছে, যাহা ভঙ্গ হইলে প্রতি মুহূর্তে নালিশের কারণ উদ্ভব হইতে পারে। চুক্তি বহির্ভূত এমন অনেক লোকসান রহিয়াছে, যাহা প্রতিমুহূর্তে নালিশের কারণের উদ্ভব ঘটায়। এইসব ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ প্রতি মুহূর্তে বৃদ্ধি পায়।
৮১.
'ক', 'খ'-এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয় যে, 'খ' ১০০০ টাকা প্রদান করলে সে 'খ' এর ছবি আঁকবে । পরে ছবি আঁকে দেয়নি, এই ক্ষেত্রে চুক্তিটি-
  1. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন
  2. ক্ষতিপূরণ
  3. বাদীকে চুক্তি পালনে বাধ্য করা যাবে
  4. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবেনা।
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবেনা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবেনা।
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act,1877 Section 21- Contracts not Specifically Enforceable - যে চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয়' শিরোনামে ২১ ধারায় বর্ণিত আছে যে, আদালতের মাধ্যমে চুক্তি বলবৎ করা যায় না- ৮টি ক্ষেত্রে। তার মধ্যে ১টি হলো ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল চুক্তি আদালতের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য নয়।

♦২১ ধারা অনুযায়ী- ৮ ক্ষেত্রে চুক্তি কার্যকর/বলবৎ করা যায় না:
১). যে চুক্তি সম্পাদন না করলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয়।
২). যে চুক্তি সুক্ষ্ম ও জটিল শর্ত দ্বারা গঠিত বা ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল [যেমন: গল্প-উপন্যাস রচনা, অভিনয়, ব্যক্তিগত সেবা দেওয়া, বিবাহ করা সংক্রান্ত চুক্তি।]। 
৩). যে চুক্তির শর্ত আদালত যুক্তিসংগতভাবে নির্ণয় করতে পারে না।
৪). যে চুক্তি তার প্রকৃতির (Nature) কারণেই বাতিলযোগ্য [Revocable বা যে চুক্তি প্রকৃতিগতভাবেই প্রত্যহারযোগ্য]।
৫). জিম্মাদার/ট্রাস্টি কর্তৃক ক্ষমতা/চুক্তি বর্হিভূত চুক্তি। 
৬). কোম্পানির পক্ষে বা কর্মকর্তা কর্তৃক ক্ষমতা/চুক্তি বর্হিভূত চুক্তি। 
৭). যে চুক্তি পালনে শুরু করার তারিখ হতে ৩ বছরের বেশি সময় লাগে। 
৮) যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার আগেই বিষয়বস্তু বিলুপ্ত হয়েছে। মনে রাখুন, চুক্তিতে Arbitration Clause থাকলে চুক্তি কার্যকর করা যাবে না।

♦যেহেতু চুক্তি সম্পাদন ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভর করছে, তাই ২১ ধারা অনুযায়ী এটা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য না।
৮২.
ক', 'খ' এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করে। গ এর মাঠটির উপর দিয়ে চলাচলের অধিকার ছিল যা সম্পর্কে 'ক' এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল কিন্তু সে সেটা 'খ' এর নিকট হতে গোপন রেখেছিল। এই ক্ষেত্রে-
  1. 'ক' চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার অধিকারী
  2. 'খ' চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার অধিকারী
  3. 'খ' চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
'খ' চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়ঃ লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যে কোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যে কোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেনঃ
ক. যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
খ. যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ, এবং বাদীর চাইতে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি।
গ, যেখানে একটি বিক্রয় চুক্তি অথবা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা, ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে। যা আদালত তাকে পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। হিসেবে গৃহীত খাজনা এবং লাভ বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদান করার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন। একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায় আদেশের মাধ্যমে যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদানুযায়ী কাজ করা হয়নি , হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় অথবা সম্পূর্ণ চুক্তিই মামলায় ন্যায়বিচারের আবশ্যক অনুযায়ী রদ করে দিতে পারেন।
♦ অর্থাৎ ধারা ৩৫-এর বিধান মোতাবেক চুক্তি অবসানের মামলা করতে পারেন। ৩৫ ধারার উদাহরণ দ্রষ্টব্য। 
৮৩.
'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি সুনির্দিষ্ট শর্ত এবং ভাড়ায় ভাড়া দিতে চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' চুক্তির কাজ সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জানায়। 'ক' ইহার পর 'খ'-এর চুক্তি ভঙ্গের ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা করে এবং ক্ষতিপূরণ লাভ করে। এইক্ষেত্রে
  1. ‘ক’ সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবে।
  2. ক পুনরায় ক্ষতিপূরণ লাভ করতে পারবে।
  3. ক এবং খ উভয়
  4. ক সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবেনা
সঠিক উত্তর:
ক সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবেনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবেনা
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ২৪ মতে যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে, সেই ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার অধিকারী হবে না। যেহেতু 'ক' চুক্তিভঙ্গের জন্য একবার ক্ষতিপূরণ পেয়েছে, তাই সে পুনরায় চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করার অধিকারী হবে না।

♦ধারা ২৪ এর বিধান প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতাঃ
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
(ক) যে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কার্যসম্পাদন বাকী থাকে;
(গ) যে ইতিমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; অথবা
(ঘ) যে চুক্তির পূর্বেই অবগত ছিল যে, উহার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।
৮৪.
একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় না, যখন-
  1. চুক্তিটির সম্পাদন পক্ষগণের ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল।
  2. চুক্তিটির প্রকৃত ক্ষতি নিরুপনের কোন মাপকাঠি থাকে না।
  3. চুক্তিটির আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না।
  4. চুক্তিটির আর্থিক ক্ষতিপূরন পাওয়া যায় না।
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটির সম্পাদন পক্ষগণের ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটির সম্পাদন পক্ষগণের ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল।
ব্যাখ্যা
♦২১ ধারা অনুযায়ী- ৮ ক্ষেত্রে চুক্তি কার্যকর/বলবৎ করা যায় না:
১). যে চুক্তি সম্পাদন না করলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয়।
২). যে চুক্তি সুক্ষ্ম ও জটিল শর্ত দ্বারা গঠিত বা ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল [যেমন: গল্প-উপন্যাস রচনা, অভিনয়, ব্যক্তিগত সেবা দেওয়া, বিবাহ করা সংক্রান্ত চুক্তি।]। 
৩). যে চুক্তির শর্ত আদালত যুক্তিসংগতভাবে নির্ণয় করতে পারে না।
৪). যে চুক্তি তার প্রকৃতির (Nature) কারণেই বাতিলযোগ্য [Revocable বা যে চুক্তি প্রকৃতিগতভাবেই প্রত্যহারযোগ্য]।
৫). জিম্মাদার/ট্রাস্টি কর্তৃক ক্ষমতা/চুক্তি বর্হিভূত চুক্তি। 
৬). কোম্পানির পক্ষে বা কর্মকর্তা কর্তৃক ক্ষমতা/চুক্তি বর্হিভূত চুক্তি। 
৭). যে চুক্তি পালনে শুরু করার তারিখ হতে ৩ বছরের বেশি সময় লাগে। 
৮) যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার আগেই বিষয়বস্তু বিলুপ্ত হয়েছে। মনে রাখুন, চুক্তিতে Arbitration Clause থাকলে চুক্তি কার্যকর করা যাবে না।

♦যে চুক্তির সম্পাদন পক্ষগণের ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল, সেই চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় না।
৮৫.
Specific relief cannot be granted for the mere purpose of enforcing a ­­_____ law.
  1. Penal
  2. Civil
  3. Personal
  4. Tort law
সঠিক উত্তর:
Penal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Penal
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ৭ ধারায় বলা হয়েছে কোনো দন্ড বা Penal  কার্যকর করার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যাবে না।
৮৬.
নির্দিষ্ট বর্ণনার কিছু সংখ্যক রেলওয়ের শেয়ার A বিক্রয় করতে এবং B ক্রয় করতে চুক্তি করেছে। A বিক্রয় করতে অস্বীকার করে। এই ক্ষেত্রে B এর প্রতিকার হতে পারে-
  1. B শুধুমাত্র আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাবে।
  2. B, A-কে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নে বাধ্য করতে পারে
  3. চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবে না
  4. B, A-কে শেয়ার বিক্রয় করতে বাধ্য করতে পারেনা।
সঠিক উত্তর:
B, A-কে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নে বাধ্য করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B, A-কে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নে বাধ্য করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা-১২. ব্যাখ্যা গ  অনুযায়ী, এই চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে পালন করতে A কে বাধ্য করতে পারে। কারণ শেয়ারগুলোর সংখ্যা সীমিত এবং সর্বদা মার্কেটে পাওয়া যায় না এবং শেয়ারগুলোর দখল শেয়ারের মালিকানা নির্ধারণ করে যা অন্যকোনভাবে অর্জন করা সম্ভব না।

♦ সুতরাং যেহেতু শেয়ার দুষ্প্রাপ্য প্রকৃতি, তাই এই চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য, যদিও শেয়ার অস্থাবর সম্পত্তি এবং B, A-কে শেয়ার বিক্রয় করতে বাধ্য করতে পারে।
৮৭.
'ক' কতিপয় সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে। খ' দাবী করে যে সে উক্ত সম্পত্তির মালিক এবং এই কারণে 'ক' উক্ত সম্পত্তি 'খ'-কে অর্পণ করবে। এই ক্ষেত্রে ক এর জন্য নিম্নলিখিত কোন প্রতিকারটি সঠিক?
  1. ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
  2. দখল উদ্ধারের মামলা
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা
  4. চুক্তি বলবৎ এর মামলা
সঠিক উত্তর:
ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু 'খ' দাবী করছে যে সে উক্ত সম্পত্তির মালিক সেহেতু সে সম্পত্তিতে 'ক' এর মালিকানা অস্বীকার করছে। এই ক্ষেত্রে 'ক' যে উক্ত সম্পত্তির মালিক এমন ঘোষণা চেয়ে ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে। এই ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করলে হবে কারণ বাদী ক সম্পত্তির দখলে আছে।
৮৮.
রিসিভার নিয়োগ, তার অধিকার এবং কর্তব্য কোন আইনের বিধান অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হবে?
  1. The Specific Relief Act, 1877
  2. The Code of Civil Procedure, 1908
  3. The Code of Criminal Procedure, 1898
  4. Penal Code, 1860
সঠিক উত্তর:
The Code of Civil Procedure, 1908
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Code of Civil Procedure, 1908
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর 44 ধারা বিধান তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলকঃ—প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।

♦দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স—তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়-দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।
৮৯.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৪ ধারায় কোন ধরনের নিষেধাজ্ঞার প্রতিকার বিধান করা হয়েছে?
  1. অস্থায়ী
  2. চিরস্থায়ী
  3. বাধ্যতামূলক
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
চিরস্থায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিরস্থায়ী
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৪ ধারার বিধান চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়ঃ এই অধ্যায়ের অন্তর্ভূক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন। মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেনঃ

(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;

(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।

ব্যাখ্যাঃ এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।
৯০.
'ক' তার ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানের সুনাম ১০০০ টাকায় বিক্রয়ের জন্য 'খ'-এর সাথে চুক্তি করে এবং এই শর্তে রাজি হয় যে, 'ক' উক্ত ব্যবসা চিটাগং-এ পরিচালনা করবেনা। 'খ' ১০০০ টাকা 'ক'-কে পরিশোধ করে কিন্তু ক' চিটাগং-এ উক্ত ব্যবসা পরিচালনা করতে থাকে। এই ক্ষেত্রে 'খ'________ আদেশ পেতে পারে।
  1. ‘ক’-কে চট্টগ্রামে ব্যবসা পরিচালনা হতে বিরত রাখতে 'খ' নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে
  2. 'ক' কে তার কাস্টমারদের 'খ'-এর নিকট পাঠাতে বাধ্য করতে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে
  3. ‘ক’-এর নিকট হতে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পেতে পারে
  4. ‘ক’-এর ব্যবসার উপর চুক্তি বলবৎকরণের আদেশ পেতে পারে।
সঠিক উত্তর:
‘ক’-কে চট্টগ্রামে ব্যবসা পরিচালনা হতে বিরত রাখতে 'খ' নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
‘ক’-কে চট্টগ্রামে ব্যবসা পরিচালনা হতে বিরত রাখতে 'খ' নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৭ ধারার বিধান হল নেতিবাচক চুক্তি পালন করার জন্যে ইনজাংশনঃ ৫৬ ধারার (চ) অনুচ্ছেদ 'যে চুক্তির কার্য সম্পাদন সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যায় না, তেমন চুক্তি নিরোধের উদ্দেশ্যে'- বিধান থাকা সত্ত্বেও যেখানে একটি চুক্তি সুস্পষ্টভাবে বা ইঙ্গিতবোধকভাবে কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ করা এবং কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ না করার সম্মতির সমন্বয় যেখানে হ্যা সূচক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে বাধ্য করতে আদালত অসমর্থ হলেও সে পরিস্থিতি আদালতকে না সূচক কার্যসম্পাদনের ব্যাপারে ইনজাংশন মঞ্জুর করা থেকে নিবারণ করবে না। তবে শর্ত হচ্ছে বাদী দার উপর যতটুকু অবশ্য পালনীয়, চুক্তির ততটুকু পালন করতে ব্যর্থ হয়নি।
♦অর্থাৎ 'ক' কে চট্টগ্রামে ব্যবসা পরিচালনা হতে বিরত রাখতে 'খ' নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
৯১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারার বিধান হচ্ছে-
  1. দলিল বাতিল
  2. দলিল আংশিক বাতিল
  3. দলিল সংশোধন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
দলিল আংশিক বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল আংশিক বাতিল
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ৪০ ধারার বিধান যে সকল দলিল আংশিকভাবে বিলুপ্তযোগ্যঃ যেখানে দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার সাক্ষ্য হয়, সেখানে আদালত যথাযথ মামলায় আংশিকভাবে তা বিলুপ্তযোগ্য এবং অবশিষ্টাংশকে বহাল রাখতে পারেন।