পরীক্ষা আর্কাইভ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

পরীক্ষা৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন৩২
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১০ পার্ট – ১: বাংলা ব্যাকরণ টপিকসমূহ: শব্দ প্রকরণ (শব্দের শ্রেণিবিভাগ; শব্দের উৎসমূল; ধাতু, প্রকৃতি - প্রত্যয়; ক্রিয়ার কাল ও এর প্রয়োগ) পার্ট – ২: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি: [গুরুত্বপূর্ণ মহাদেশ, দেশ (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়ার, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার, দক্ষিণ আফ্রিকা, জাপান প্রভৃতি) ইত্যাদি সম্পর্কিত সাধারণ তথ্য] ২. আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক: নিরাপত্তা ও কূটনীতি সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিসমূহ [অর্থনৈতিক ও পরিবেশ সংক্রান্ত চুক্তি বাদে] পার্ট-৩: সাধারণ বিজ্ঞান টপিকসমূহ: জীববিজ্ঞান: ১. পদার্থের জীববিজ্ঞান-বিষয়ক ধর্ম, উদ্ভিদ টিস্যু, এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্লান্ট ডাইভারসিটি, অর্গান এবং অর্গান সিস্টেম, সালোক সংশ্লেষণ, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, উদ্ভিদ, ফুল, ফল, প্লান্ট নিউট্রেশন, উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি ও পরাগায়ন ইত্যাদি। ২. প্রাণিজগৎ ও প্রাণিবিজ্ঞান, জেনেটিক্স, জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববৈচিত্র্য ও প্রজনন, প্রাণী টিস্যু, প্রাণী অর্গান ও অর্গান সিস্টেম, মানব হৃদ্পিণ্ড ও হৃদরোগ, স্নায়ু ও স্নায়ুরোগ, রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন, রক্তচাপ, খাদ্য ও পুষ্টি, ভিটামিন।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩২ প্রশ্ন

.
কোনটি সাধিত শব্দ?
  1. মা
  2. দরদি
  3. লাল
  4. ভাত
সঠিক উত্তর:
দরদি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দরদি
ব্যাখ্যা
• সাধিত শব্দ - দরদি

সাধিত শব্দ:
- যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করা হলে আলাদা অর্থবোধক শব্দ পাওয়া যায়, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে।
- সাধারণত একাধিক শব্দের সমাস হয়ে কিংবা প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগ হয়ে সাধিত শব্দ গঠিত হয়ে থাকে।
যথা:
→ চাঁদমুখ (চাঁদের মতো মুখ),
→ নীলাকাশ (নীল যে আকাশ),
→ ডুবুরি (ডুব্‌ + উরি),
→ চলন্ত (চল্ + অন্ত),
→ প্রশাসন (প্র + শাসন),
→ গরমিল (গর + মিল), 
দরদি (দরদ + ই) ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
বাকিগুলো মৌলিক শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ); ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
উৎসমূল অনুযায়ী ‘খোঁজ’ শব্দটি কোন ভাষার শব্দ?
  1. তুর্কি
  2. ফারসি
  3. হিন্দি
  4. বাংলা
সঠিক উত্তর:
বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা
ব্যাখ্যা
• উৎসমূল অনুযায়ী ‘খোঁজ’ শব্দটি বাংলা ভাষার শব্দ।

কিছু বাংলা শব্দ:
- এলোকেশ,
- খোঁজা,
- গল্পসল্প,
- ডালি,
- ভাপা,
- ভাড়াটিয়া,
- ভাড়াবাড়ি,
- মুচি, 
- মুন্ডি,
- মুড়ি,
- লেজ,
- লাবড়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
'১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।' - বাক্যটি কোন কালের উদাহরণ?
  1. সাধারণ বা নিত্যবৃত্ত বর্তমান
  2. সাধারণ অতীত
  3. অনুজ্ঞা বর্তমান
  4. নিত্যবৃত্ত অতীত
সঠিক উত্তর:
সাধারণ বা নিত্যবৃত্ত বর্তমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ বা নিত্যবৃত্ত বর্তমান
ব্যাখ্যা
সাধারণ বর্তমান কাল:
যে ক্রিয়া বর্তমানে সাধারণভাবে ঘটে, তার কালকে সাধারণ বর্তমান কাল বলে।
যেমন -
- সে ভাত খায়।
- আমি বাড়ি যাই।

নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল:
স্বাভাবিক বা অভ্যস্ততা বোঝালে সাধারণ বর্তমান কালের ক্রিয়াকে নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল বলে।
যথা -
- সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যায়। (স্বাভাবিকতা)
- আমি রোজ সকালে বেড়াতে যাই। (অভ্যস্ততা)

নিত্যবৃত্ত বর্তমান কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ:
ঐতিহাসিক বর্তমান:
অতীতের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনায় যদি নিত্যবৃত্ত বর্তমান কালের প্রয়োগ হয়, তাহলে তাকে ঐতিহাসিক বর্তমান কাল বলে।
যেমন -
- বাবরের মৃত্যুর পর হুমায়ুন দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ); ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
তদ্ভব শব্দ কোনটি?
  1. মা
  2. মস্তক
  3. কুড়ি
  4. আকাশ
সঠিক উত্তর:
মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মা
ব্যাখ্যা
• তদ্ভব শব্দ - মা

বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার:
- উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভাণ্ডারকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। যথা:
১. তৎসম,
২. তদ্ভব,
৩. দেশি ও
৪. বিদেশি।
- এর মধ্যে তৎসম ও তদ্ভব শ্রেণিকে নিজস্ব উৎসের এবং দেশি ও বিদেশি শ্রেণিকে আগন্তুক উৎসের শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়।

তদ্ভব শব্দ: 
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়। 
যথা: মা; হাত, পা, কান, নাক, জিভ, দাঁত; হাতি, ঘোড়া, সাপ, পাখি, কুমির, মাছ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• তৎসম শব্দ - মস্তক, আকাশ।
• দেশি শব্দ - কুড়ি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ); ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
‘খোকা’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
  1. বাংলা
  2. উর্দু
  3. হিন্দি
  4. তুর্কি
সঠিক উত্তর:
তুর্কি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুর্কি
ব্যাখ্যা
• 'খোকা’ শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে এসেছে।

কিছু তুর্কি শব্দ:
- কলগি,
- খোকন,
- চাকু,
- তোপ,
- বাবা,
- বাবুর্চি,
- মুচলেকা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
কোনটি কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ?
  1. জমকালো
  2. ঢালু
  3. ঘরোয়া
  4. লাগোয়া
সঠিক উত্তর:
লাগোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাগোয়া
ব্যাখ্যা
• কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ - লাগোয়া (√লাগ্‌ + ওয়া)।

অন্যদিকে,
• তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ - জমকালো (জমক + আলো)।
• তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ - ঢালু (ঢাল + উ)।
• তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ - ঘরোয়া (ঘর + ওয়া)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'তুমি এসে গেছ! এতক্ষণ তোমার কথাই ভাবছিলাম।' - বাক্যটি কোন অতীত কালের উদাহরণ?
  1. সাধারণ অতীত
  2. ঘটমান অতীত
  3. নিত্যবৃত্ত অতীত
  4. পুরাঘটিত অতীত
সঠিক উত্তর:
ঘটমান অতীত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘটমান অতীত
ব্যাখ্যা
ঘটমান অতীত কাল:
অতীত কালে যে কাজ চলছিল এবং যে সময়ের কথা বলা হয়েছে, তখনও কাজটি সমাপ্ত হয়নি-ক্রিয়া সংঘটনের এরূপ ভাব বোঝালে ক্রিয়ার ঘটমান অতীত কাল হয়। যেমন -
- কাল সন্ধ্যায় বৃষ্টি পড়ছিল
- আমরা তখন বই পড়ছিলাম
- বাবা আমাদের পড়াশুনা দেখছিলেন

ঘটমান অতীত কালের বিশেষ ব্যবহার:
- ঘটমান অতীত কখনো কখনো বর্তমান সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়: তুমি এসে গেছ! এতক্ষণ তোমার কথাই ভাবছিলাম

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ); ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কোন দুটি যৌগিক শব্দ?
  1. গায়ক, চালক
  2. দৌহিত্র, সন্দেশ
  3. মধুর, বাঁশি
  4. মিতালি, রাজপুত
সঠিক উত্তর:
গায়ক, চালক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গায়ক, চালক
ব্যাখ্যা
• যৌগিক শব্দ - গায়ক, চালক

• অর্থগতভাবে শব্দসমূহ তিন ভাগে বিভক্ত। যথা -
ক. যৌগিক শব্দ,
খ. রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ,
গ. যোগরূঢ় শব্দ।

যৌগিক শব্দ:
যে সকল শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে। যেমন -
- গায়ক = গৈ + ণক (অক) অর্থ: গান করে যে।
- কর্তব্য = কৃ + তব্য - অর্থ: যা করা উচিত।
- বাবুয়ানা = বাবু + আনা - অর্থ: বাবুর ভাব।
- মধুর = মধু + র - অর্থ: মধুর মতো মিষ্টি গুণযুক্ত।
- দৌহিত্র = দুহিতা + ষ্ণ্য - অর্থ: কন্যার পুত্র, নাতি।
- চিকামারা = চিকা + মারা - অর্থ: দেওয়ালের লিখন।
- মিতালি = মিতা + আলি - অর্থ: মিতার ভাব, বন্ধুত্ব।
- চালক = চল্‌ + অক - অর্থ: যে চালায়।

অন্যদিকে,
• রূঢ়ি শব্দ - সন্দেশ, বাঁশি।
• যোগরূঢ় শব্দ - রাজপুত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ); ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
উৎসমূল অনুযায়ী ‘গহনা’ শব্দটি কোন ভাষার শব্দ?
  1. উর্দু
  2. তুর্কি
  3. বাংলা
  4. হিন্দি
সঠিক উত্তর:
হিন্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিন্দি
ব্যাখ্যা
• উৎসমূল অনুযায়ী ‘গহনা’ শব্দটি হিন্দি ভাষার শব্দ ।

কিছু হিন্দি শব্দ:
- কাচারি,
- দাপট,
- দুলকি,
- দিলরুবা,
- দাবা,
- দাঙ্গা,
- দহলা,
- দশেরা
- রোকড়,
- লড়াকু,
- লেনদেন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১০.
কোনটিতে সম্বন্ধ বোঝাতে 'ই' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে?
  1. উমেদারি
  2. জমিদারি
  3. মোক্তারি
  4. সরকারি
সঠিক উত্তর:
সরকারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি
ব্যাখ্যা
তদ্ধিত প্রত্যয়:
- শব্দের সঙ্গে (শেষে) যেসব প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাদের তদ্ধিত প্রত্যয় বলা হয়।
- বিভক্তিহীন নাম শব্দকে বলা হয়, প্রাতিপদিক। প্রাতিপদিক তদ্ধিত প্রত্যয়ের প্রকৃতি বলে প্রাতিপদিককে নাম প্রকৃতিও বলা হয়।
- প্রত্যয় যুক্ত হলে ধাতুকে বলা হয় ক্রিয়া প্রকৃতি এবং প্রাতিপদিককে বলা হয় নাম প্রকৃতি।
- বাংলা ভাষায় তদ্ধিত প্রত্যয় ৩ প্রকার। যথা:
ক. বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়।
খ. বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়।
গ. তৎসম বা সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়।

বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়:
- ই / ঈ - প্রত্যয়:
(ক) ভাব অর্থে: বাহাদুর + ই = বাহাদুরি, উমেদার - উমেদারি।
(খ) বৃত্তি বা ব্যবসায় অর্থে: ডাক্তার - ডাক্তারি, মোক্তার - মোক্তারি, পোদ্দার - পোদ্দারি, ব্যাপার - ব্যাপারি, চাষ - চাষি।
(গ) মালিক অর্থে: জমিদার - জমিদারি, দোকান - দোকানি।
(ঘ) জাত, আগত বা সম্বন্ধ বোঝাতে: ভাগলপুর - ভাগলপুরি, মাদ্রাজ - মাদ্রাজি, রেশম - রেশমি, সরকার - সরকারি (সম্বন্ধ বাচক)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১১.
সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের উদাহরণ কোনটি?
  1. আমাদের পরীক্ষা চলছে।
  2. আমাদের কাজ আমরা করতে থাকব।
  3. আসবেন বলে এলেন না কেন?
  4. ভালোভাবে পৌঁছে যেয়ো।
সঠিক উত্তর:
আসবেন বলে এলেন না কেন?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসবেন বলে এলেন না কেন?
ব্যাখ্যা
সাধারণ ভবিষ্যৎ:
ভবিষ্যৎ কালে যে কাজ সাধারণভাবে সম্পন্ন হবে বোঝায়, তাকে সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল বলে।
যেমন -
- আমরা রংপুরে যাব
- দু-এক দিনের মধ্যে সে আসবে

সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের বিশেষ প্রয়োগ:
- সাধারণ ভবিষ্যতের ক্রিয়ারূপ দিয়ে অতীতের ঘটনা বর্ণনায় বা জিজ্ঞাসায়: আসবেন বলে এলেন না কেন?

অন্যদিকে,
ঘটমান বর্তমান কাল - আমাদের পরীক্ষা চলছে।।
• ঘটমান ভবিষ্যৎ কাল - আমাদের কাজ আমরা করতে থাকব।
• অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ কাল - ভালোভাবে পৌঁছে যেয়ো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ); ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১২.
কোনটি তৎসম শব্দ?
  1. চাঁদ
  2. জল
  3. টোপর
  4. ডিঙা
সঠিক উত্তর:
জল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জল
ব্যাখ্যা
• তৎসম শব্দ - জল

বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার:
- উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভাণ্ডারকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। যথা:
১. তৎসম,
২. তদ্ভব,
৩. দেশি ও
৪. বিদেশি।
- এর মধ্যে তৎসম ও তদ্ভব শ্রেণিকে নিজস্ব উৎসের এবং দেশি ও বিদেশি শ্রেণিকে আগন্তুক উৎসের শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়।

তৎসম শব্দ:
- প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে।
যথা: পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ, চন্দ্র, সূর্য, জল, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য ইত্যাদি।
- সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দকেও তৎসম শব্দ বলা হয়।
যথা: অধ্যাদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• তদ্ভব শব্দ - চাঁদ।
• দেশি শব্দ - টোপর, ডিঙা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ); ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৩.
‘খোশবু’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
  1. আরবি
  2. তুর্কি
  3. ফারসি
  4. হিন্দি
সঠিক উত্তর:
ফারসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারসি
ব্যাখ্যা
• 'খোশবু’ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে এসেছে।

কিছু ফারসি শব্দ:
- আসমান,
- কশিদা,
- কয়েদি,
- কাগজ,
- কাজি, 
- কারিগর,
- খোয়াব,
- চশমা,
- চেহারা,
- দরদ,
- দরদি,
- দরবার,
- দারোগা,
- দারোয়ান,
- ফসলি,
- রোজ,
- রোজা,
- রোজগার,
- রোজনামা,
- রোজনামচা,
- লাল,
- লুঙ্গি, 
- সাদা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৪.
'সেও এসেছে আর তোমারও যাওয়া হয়েছে।' - বাক্যটি কোন বর্তমান কালের দৃষ্টান্ত?
  1. সাধারণ বর্তমান
  2. ঘটমান বর্তমান
  3. পুরাঘটিত বর্তমান
  4. অনুজ্ঞা বর্তমান
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত বর্তমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত বর্তমান
ব্যাখ্যা
পুরাঘটিত বর্তমান:
এইমাত্র সম্পন্ন ক্রিয়ার কালকে পুরাঘটিত বর্তমান কাল বলে।
যেমন -
- আমি অঙ্কটি করেছি
- তারা বাড়িতে ফিরেছে

পুরাঘটিত বর্তমান কালের বিশেষ প্রয়োগ:
- ভবিষ্যৎ সময় বোঝাতে: সেও এসেছে আর তোমারও যাওয়া হয়েছে

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ); ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৫.
'প্রবীণ' কোন শ্রেণির শব্দ?
  1. যৌগিক শব্দ
  2. রূঢ়ি শব্দ
  3. যোগরূঢ় শব্দ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
রূঢ়ি শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূঢ়ি শব্দ
ব্যাখ্যা
• প্রবীণ - রূঢ়ি শব্দ

রূঢ়ি শব্দ: 
যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন:
- হস্তী: হস্ত + ইন, অর্থ -হস্ত আছে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়।
- গবেষণা (গো+এষণা) অর্থ - গরু খোঁজা। বর্তমান অর্থ ব্যাপক অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা।
এ রকম -
- বাঁশি: বাঁশ দিয়ে তৈরি যে কোনো বস্তু নয়, শব্দটি সুরের বিশেষ বাদ্যযন্ত্র, বিশেষ অর্থে প্রযুক্ত হয়। 
- তৈল: শুধু তিলজাত স্নেহ পদার্থ নয়, শব্দটি যে কোনো উদ্ভিজ্জ পদার্থজাত স্নেহ পদার্থকে বোঝায়। 
যেমন - বাদাম তেল।
- প্রবীণ: শব্দটির অর্থ হওয়া উচিত ছিল প্রকৃষ্ট রূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি। কিন্তু শব্দটি ‘অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বয়স্ক ব্যক্তি' অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- সন্দেশ: শব্দ ও প্রত্যয়গত অর্থে ‘সংবাদ’। কিন্তু রূঢ়ি অর্থে ‘মিষ্টান্ন বিশেষ’।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৬.
তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ কোনটি?
  1. চতুর্থ
  2. বহতা
  3. মিশুক
  4. হামলা
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
ব্যাখ্যা
• তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ - চতুর্থ (চতুর্‌ + থ)।

অন্যদিকে,
• কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ - বহতা (√বহ্‌ + তা)।
• কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ - মিশুক (√মিশ্‌ + উক)।
• কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ - হামলা (হাম্‌ + লা)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৭.
কোন বাক্যে ঘটনা অতীতের, কিন্তু ক্রিয়ার কাল বর্তমান?
  1. আগামী মাসে আমরা সিলেট যাচ্ছি।
  2. আমি গত বছর পরীক্ষা দিয়েছিলাম।
  3. কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
  4. তোমরা হয়ত ছয় দফার কথা শুনে থাকবে।
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
ব্যাখ্যা
ক্রিয়ার কাল:
- ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময়কে ক্রিয়ার কাল বলে।
- ক্রিয়ার কাল তিন প্রকার: বর্তমান কাল, অতীত কাল ও ভবিষ্যৎ কাল।

ক্রিয়ার কালের বিশিষ্ট প্রয়ােগ: 
 অনেক সময়ে ক্রিয়াবিভক্তি যে কালের হয়, ঘটনা সেই কালের হয় না। এগুলাে ক্রিয়ার কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ। 

সাধারণ বর্তমান কালের ক্রিয়ার বিশিষ্ট প্রয়োগ:
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন। (ঘটনা অতীতের; কিন্তু ক্রিয়ার কাল বর্তমান)
- সবাই যেন সভায় হাজির থাকে। (ঘটনা ভবিষ্যতের; কিন্তু ক্রিয়ার কাল বর্তমান)

অন্যদিকে,
- আগামী মাসে আমরা সিলেট যাচ্ছি। (ঘটনা ভবিষ্যতের; কিন্তু ক্রিয়ার কাল বর্তমান)
- আমি গত বছর পরীক্ষা দিয়েছিলাম। (ঘটনা অতীতের; কিন্তু ক্রিয়ার কাল অতীত)
- তোমরা হয়ত ছয় দফার কথা শুনে থাকবে। (ঘটনা অতীতের; কিন্তু ক্রিয়ার কাল ভবিষ্যৎ)

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি নবম -দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৮.
RNA -এর অন্তর্গত নয় কোনটি? 
  1. সাইটোসিন
  2. থায়ামিন
  3. ইউরাসিল
  4. অ্যাডেনিন
সঠিক উত্তর:
থায়ামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থায়ামিন
ব্যাখ্যা
আরএনএ (RNA): 
- RNA এর পুরো নাম Ribo Nucleic Acid. 
- এটি ক্রোমোসোমের স্থায়ী উপাদান নয়। 
- ক্রোমোসোমে এর পরিমাণ হচ্ছে ০.২-১.৪%। 
- প্রতিটি RNA অণু একসূত্রকবিশিষ্ট। 
- এটিও পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ শর্করা (RNA এর রাইবোজ স্যুগারের ২নং কার্বনে অক্সিজেন অণু বিদ্যমান), অজৈব ফসফেট এবং নাইট্রোজেনঘটিত ক্ষারক (অ্যাডিনিন, গুয়ানিন, ইউরাসিল, সাইটোসিন) দিয়ে গঠিত। 
- RNA তে নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ ক্ষারক থায়ামিনের পরিবর্তে ইউরাসিল উপস্থিত থাকে। 
- এটি ১০% ক্রোমোসোমে থাকে। ভাইরাস ক্রোমোসোমে স্থায়ী উপাদান হিসেবে RNA থাকে। 

ডিএনএ (DNA): 
- Deoxyribo Nucleic Acid (DNA) হলো ক্রোমোসোমের প্রধান এবং স্থায়ী উপাদান। 
- ক্রোমোসোমের বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে ডিএনএ এর পরিমাণ হচ্ছে ৪৫%। এটি ৯০% ক্রোমোসোমে থাকে। 
- DNA একটি পলিমার। এর একককে নিউক্লিয়োটাইড বলে। 
- নিউক্লিয়োটাইডের তিনটি উপাদান থাকে। যথা- পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ স্যুগার, নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ ক্ষারক (অ্যাডিনিন, গুয়ানিন, থায়ামিন, সাইটোসিন) এবং ফসফরিক অ্যাসিড। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
জলাশয়ে পানির নিচে মাটিতে আবদ্ধ শৈবালকে বলা হয় - 
  1. বেনথিক শৈবাল
  2. এপিফাইটিক শৈবাল
  3. লিথোফাইটিক শৈবাল
  4. এন্ডোফাইটিক শৈবাল
সঠিক উত্তর:
বেনথিক শৈবাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেনথিক শৈবাল
ব্যাখ্যা
শৈবাল: 
- শৈবাল সমাঙ্গদেহী বিভাগের অন্তর্গত ক্লোরোফিল সমন্বিত এক প্রকার প্রাচীনতম নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদ। 
- শৈবালের দেহ থ্যালাসের ন্যায় কিন্তু দেহকোষে ক্লোরোফিল থাকাতে এরা স্বভোজী। 
- অর্থাৎ আলোকের উপস্থিতিতে এবং পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের সহায়তায় এরা নিজেরা নিজেদের দেহকোষে খাদ্য (শর্করা) প্রস্তুত করতে সক্ষম। 
- শৈবালের দেহকোষে প্রধান রঞ্জক পদার্থ সবুজ বর্ণের ক্লোরোফিল উপস্থিত থাকলেও অনেক সময় নানা রকম ভিন্ন রঞ্জক পদার্থ দিয়ে এরা আবৃত থাকে। 
- শৈবালের দেহকোষে সুগঠিত ও স্বতন্ত্র নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া এবং অন্যান্য কোষ অঙ্গাণু থাকে। 
- শৈবাল কখনও এককভাবে, কখনও দলবদ্ধভাবে নালা নর্দমা, পুকুর, হ্রদ, নদী, সাগর, এক কথায় পৃথিবীর সমস্ত জলাশয়ে ছড়িয়ে রয়েছে এদের প্রায় ত্রিশ হাজার প্রজাতি। 
- জলাশয়ে পানির নিচে মাটিতে আবদ্ধ শৈবালকে ‘বেনথিক শৈবাল’ বলা হয়। 
- পাথরের গায়ে জন্মানো শৈবালকে ‘লিথোফাইটিক শৈবাল' বলা হয়। 
- উচ্চশ্রেণির জীবের টিস্যুর অভ্যন্তরে জন্মানো শৈবালকে ‘এন্ডোফাইটিক শৈবাল' বলা হয়। 
- যে সমস্ত শৈবাল অন্যান্য উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদ অথবা অন্য শৈবালের গায়ে জন্মায় তাদের ‘এপিফাইটিক শৈবাল' বলা হয়। 
- সম্পূর্ণ ভাসমান এককোষী শৈবালদেরকে ফাইটোপ্লাঙ্কটন বলা হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
করোটিতে মোট কতটি অস্থি থাকে? 
  1. ৮টি
  2. ৩৩টি
  3. ২৪টি
  4. ২৯টি
সঠিক উত্তর:
২৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯টি
ব্যাখ্যা
অক্ষীয় কঙ্কাল: 
- কঙ্কালতন্ত্রের যে অস্থিগুলো দেহের অক্ষ রেখা বরাবর অবস্থান করে কোমল, নমনীয় অঙ্গগুলোকে ধারণ করে ও রক্ষা করে এবং দেহ কাণ্ডের গঠনগুলো সংযুক্ত করে অবলম্বন দান করে তাদের একত্রে অক্ষীয় কঙ্কাল বলে। 
- অক্ষীয় কঙ্কাল প্রধানত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। 
যথা-  
(ক) করোটি, 
(খ) মেরুদণ্ড ও 
(গ) বক্ষপিঞ্জর। 

করোটি: 
- মুখমণ্ডলীয় ও করোটিকার অস্থি সমন্বয়ে গঠিত মাথার কঙ্কালিক গঠনকে করোটি বলে। 
- করোটিতে মোট ২৯টি অস্থি থাকে। 

করোটিকা: 
- করোটির যে অংশ মস্তিষ্ক আবৃত করে রাখে তাকে করোটিকা বলে। 
- করোটিকা ছয় প্রকারের মোট ৮টি অস্থিপাত নিয়ে গঠিত। 

মেরুদণ্ড: 
- অ্যাটলাস অস্থি থেকে কক্কিক্স অস্থি পর্যন্ত বিস্তৃত দণ্ডাকৃতির যে গঠন মানবদেহের কেন্দ্রীয় অক্ষ গঠন করে তাকে মেরুদণ্ড বা শিরদাঁড়া বলে। 
- ৩৩টি অসম আকৃতির সীমিত সঞ্চালনক্ষম অস্থিখণ্ডক সমন্বয়ে মেরুদণ্ড গঠিত। 
- এ সকল অস্থিখণ্ডককে কশেরুকা ( vertebra) বলে। 
- কশেরুকাগুলো কোমলাস্থি নির্মিত চাকতি দ্বারা পরস্পর যুক্ত থাকে। 
- এদের সিমফাইসিস স্থির অবস্থায় বা চলমান অবস্থায় এটি দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে। 

বক্ষপিঞ্জর: 
- বক্ষদেশীয় ১২টি কশেরুকার সঙ্গে ১২ জোড়া পশুকা যুক্ত হয়ে যে খাঁচার মত আকৃতি গঠন করে তাকে বক্ষপিঞ্জর বলে। 
- এই খাঁচার ভেতরের গহ্বরকে বক্ষগহ্বর বলে। 
- এই গহ্বরে হৃদপিণ্ড ও ফুসফুস অবস্থান করে। 
- দু'পাশের পর্শকাগুলো স্টার্নাম নামক অস্থির সাথে যুক্ত থাকে। 
- বুকের কেন্দ্রীয় সম্মুখ অংশে অবস্থিত চাপা অস্থিটির নাম স্টার্নাম। 
- এটি ৩টি অংশে বিভক্ত। 
যথা- উপরের ত্রিকোণাকার ম্যানুব্রিয়াম, মাঝের লম্বা দেহ এবং নিচের ক্ষুদ্র জিফয়েড প্রসেস। 
- স্টার্নাম বুকের খাঁচার সামনের অংশ গঠন করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
শর্করা কোন উপাদানগুলোর সমন্বয়ে তৈরি হয়? 
  1. কার্বন ও নাইট্রোজেন
  2. কার্বন ও অক্সিজেন
  3. অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন
  4. কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
শর্করা: 
- শর্করা হচ্ছে মানুষের প্রধান খাদ্য। 
- কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের সমন্বয়ে শর্করা তৈরি হয়। 
- শর্করা বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং অল্প মিষ্টি স্বাদযুক্ত। 
- শর্করা আমাদের শরীরে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করে এবং তাপশক্তি উৎপাদন করে। 
- কয়েক ধরনের শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট রয়েছে এবং এদের উৎসও ভিন্ন। 
যেমন- 

উদ্ভিজ্জ উৎস: 
১। শ্বেতসার বা স্টার্চ: ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য শস্য দানা স্টার্চের প্রধান উৎস। এছাড়া আলু, রাঙা আলু এবং কচুতেও শ্বেতসার বা স্টার্চ পাওয়া যায়। 
২। সেলুলোজ: বেল, আম, কলা, তরমুজ, বাদাম, শুকনো ফল এবং সব ধরনের শাক-সবজিতে সেলুলোজ থাকে। 
৩। সুক্রোজ: আখের রস, চিনি, গুড় এবং মিছরি এর উৎস। 
৪। ফ্রোক্টোজ: আম, পেঁপে, কলা, কমলালেবু প্রভৃতি মিষ্টি ফলে এবং ফুলের মধুতে ফ্রোক্টোজ থাকে। একে ফল শর্করাও বলা হয়ে থাকে। 
৫। গ্লুকোজ: এটি চিনির তুলনায় মিষ্টি কম। এই শর্করাটি আঙুর, আপেল, গাজর,খেজুর ইত্যাদিতে পাওয়া যায়। 

প্রাণিজ উৎস: 
১। ল্যাকটোজ বা দুধ শর্করা: গরু, ছাগল এবং অন্যান্য প্রাণীর দুধে এই শর্করা থাকে। 
২। গ্লাইকোজেন: পশু ও পাখিজাতীয় (যেমন: মুরগি, কবুতর প্রভৃতি ইত্যাদি) প্রাণীর যকৃৎ এবং মাংসে (পেশি) গ্লাইকোজেন শর্করাটি থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২২.
নিচের কোনটি টেরিডোফাইটা উদ্ভিদ? 
  1. Spirogyra
  2. Pteris
  3. Chara
  4. Agaricus
সঠিক উত্তর:
Pteris
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pteris
ব্যাখ্যা
টেরিডোফাইটা: 
- গ্রিক শব্দ Pteron (পক্ষল বা ডানা) এবং Phyton (উদ্ভিদ) হতে Pteridophyta শব্দের উৎপত্তি। 
- এরা হলো ডানাবিশিষ্ট উদ্ভিদ। 
- মূল, কান্ড ও পাতা দ্বারা গঠিত এবং পরিবহন টিস্যুবিশিষ্ট অপুষ্পক স্বভোজী উদ্ভিদগুলো টেরিডোফাইটা নামে পরিচিত। 
- পৃথিবীতে প্রায় দশ হাজার প্রজাতির টেরিডোফাইট উদ্ভিদ রয়েছে। 
- বাংলাদেশ থেকে ৪১ গোত্রের ১৯৫ প্রজাতির টেরিডোফাইট নথিভুক্ত করা হয়েছে। 
- টেরিডোফাইটা উদ্ভিদের মধ্যে অন্যতম কয়েকটি হলো- 
Pteris
• Psilotum, 
• Lycopodium, 
• Equisetum ইত্যাদি। 

টেরিডোফাইটা উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য: 
১। এদের প্রধান দেহটি স্পোরোফাইটিক এবং অপুষ্পক। 
২। এরা অবীজী উদ্ভিদ। 
৩। দেহ মূল, কান্ড ও পাতার ন্যায় অংশে বিভক্ত। 
৪। এদের দেহে পরিবহন টিস্যু থাকে। 
৫। জননাঙ্গ বহুকোষী এবং চতুর্দিকে বন্ধ্যা কোষের আবরণ থাকে। 
৬। গ্যামিটোফাইট থ্যালাস প্রকৃতির এবং মোটামুটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র। এ পর্যায়কে প্রোথ্যালাস বলে। 
৭। পুংগ্যামিটোফাইট সচল এবং অ্যান্থেরিডিয়ামে উৎপন্ন হয়। 
৮। স্ত্রীগ্যামিটোফাইট নিশ্চল এবং আর্কিগোনিয়ামে উৎপন্ন হয়। 
৯। ভ্রূণ সৃষ্টি হয়। 
১০। অধিকাংশ সদস্যে কান্ড রাইজোমে পরিণত হয়। 
১১। এদের অস্থানিক মূল বিদ্যমান। 
১২। জীবনচক্রে সুস্পষ্ট হেটারোমরফিক জনুক্রম বিদ্যমান। 
১৩। অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্পোরোফিল ঘন সন্নিবেশিত হয়ে স্ট্রোবিলাস গঠন করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় - 
  1. অ্যামাইটোসিস
  2. ক্লোরোসিস
  3. ফ্লোরোসিস
  4. মিয়োসিস
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোসিস
ব্যাখ্যা
- ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হালকা হতে হতে একসময় হলুদ হয়ে যায়। 
- পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার এ প্রক্রিয়াকে ক্লোরোসিস (Chlorosis) বলে। 
- লৌহ, ম্যাঙ্গানিজ বা দস্তার অভাবেও ক্লোরোসিস হতে পারে কেননা এগুলো ক্লোরোফিল উৎপাদনের সাথে কোনো না কোনোভাবে জড়িত। 
- ক্লোরোসিসে কোষের বৃদ্ধি এবং বিভাজন হ্রাস পায়, তাই উদ্ভিদের বৃদ্ধি কমে যায়। 

উৎস: জীব বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৪.
লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত এনজাইম কোনটি? 
  1. ট্রিপসিন
  2. লাইপেজ
  3. টায়ালিন
  4. পেপসিন
সঠিক উত্তর:
টায়ালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টায়ালিন
ব্যাখ্যা
মুখবিবর: 
- মুখ পরবর্তী অংশটি মুখবিবর। 
- মুখ বিবরের ঊর্ধ্ব প্রাচীর তালুর অস্থি ও পেশি দিয়ে, সামনের প্রাচীর ঠোঁটের পেশি দিয়ে এবং পার্শ্ব প্রাচীর গালের পেশি দিয়ে গঠিত। 
- তালুর অগ্রভাগ অস্থিনির্মিত এবং শক্ত, পেছনের অংশ মাংসল ও নরম। 
- তালুর পেছনের অংশের মধ্যভাগ থেকে একটি অপেক্ষাকৃত সরু আলজিহবা মুখবিবরে ঝুলে থাকে। 
- মানুষের ঊর্ধ্ব ও নিম্ন চোয়াল দাঁতযুক্ত। 
- এছাড়া মুখবিবরে তিন জোড়া লালাগ্রন্থি থাকে। 
- নিম্নে চোয়ালের অস্থির সাথে জিহ্বাযুক্ত থাকে। 
- পৃষ্ঠতলের উপর থাকে স্বাদকোরক এগুলো বিভিন্ন রাসায়নিক বস্তুর প্রতি সংবেদনশীল। 
- জিহ্বার অগ্রভাগ মিষ্টি, দুই পার্শ্ব নোনা, পশ্চাৎ ভাগের দুই পার্শ্ব টক এবং পেছনের দিক তিক্ত স্বাদ গ্রহণ করে। 

কাজ: 
- দাঁত খাদ্য দ্রব্যকে কাটা, ছেঁড়া ও পেষণে সাহায্য করে। 
- জিহ্বা খাদ্য দ্রব্যের স্বাদ গ্রহণ করে এবং পেষণের সময় লালারস মিশ্রিত করে খাদ্য দ্রব্যকে পিচ্ছিল করে পেছনে ঠেলে দেয়। 
- লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত “মিউসিন” খাদ্যকে পিচ্ছিল করে আর লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত 'টায়ালিন ও মল্টেজ' এনজাইম খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
খাদ্যের উপাদান মোট কতটি? 
  1. তিনটি
  2. চারটি
  3. ছয়টি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
ছয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয়টি
ব্যাখ্যা
খাদ্য উপাদান: 
- পুষ্টিবিজ্ঞান অনুসারে তাদেরকেই খাদ্য বলে যেগুলো জীবদেহের বৃদ্ধি, শক্তি উৎপাদন, রোগ প্রতিরোধ এবং ক্ষয়পূরণ করে অর্থাৎ এক কথায় দেহের পুষ্টি সাধন করে। 
- খাদ্যের যেসব জৈব অথবা অজৈব উপাদান জীবের জীবনীশক্তির যোগান দেয়, তাদেরকে একসঙ্গে পরিশোষক বা নিউট্রিয়েন্টস ( Nutrients) বলে। 
যেমন - গ্লুকোজ, খনিজ লবণ, ভিটামিন ইত্যাদি হচ্ছে নিউট্রিয়েন্টস। 
- খাদ্যের কাজ প্রধানত তিনটি। 
যথা - 
১। খাদ্য দেহের গঠন, বৃদ্ধিসাধন, ক্ষয়পূরণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করে।  
২। খাদ্য দেহে তাপ উৎপাদন করে, কর্মশক্তি প্রদান করে। 
৩। খাদ্য রোগ প্রতিরোধ করে, দেহকে সুস্থ, সবল এবং কর্মক্ষম রাখে। 

- খাদ্যের উপাদান মোট ছয়টি (৬) টি। যথা- 
• শর্করা, 
• আমিষ, 
• স্নেহ, 
• ভিটামিন, 
• খনিজ লবণ এবং 
• পানি। 
- এগুলোর মধ্যে শর্করা, আমিষ ও স্নেহ পদার্থ (ফ্যাট) দেহ পরিপোষক খাদ্য। 
- খাদ্যের শর্করা ও স্নেহকে বলা হয় শক্তি উৎপাদক খাদ্য এবং আমিষযুক্ত খাদ্যকে বলা হয় দেহ গঠনের খাদ্য। 
- ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি দেহ সংরক্ষক খাদ্য উপাদান, যেগুলো দেহের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৬.
অপুষ্পক উদ্ভিদ কোনটি? 
  1. ধান
  2. নারিকেল
  3. ছত্রাক
  4. সাইকাস
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক
ব্যাখ্যা
অপুষ্পক উদ্ভিদ: 
- যে সকল উদ্ভিদে কখনো ফুল হয় না, তাকে অপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। 
যেমন - ছত্রাক (মাশরুম), নস্টক, ক্লোরেলা ইত্যাদি সবই অপুষ্পক উদ্ভিদ। 

সপুষ্পক উদ্ভিদ: 
- যে সকল উদ্ভিদে কখনো ফুল হয়, তাকে সপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। 
যেমন - ধান, নারকেল, সাইকাস এদের সবারই ফুল হয়। 
- সাইকাসের ফুলে গর্ভাশয় উপস্থিত থাকে না। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
২৭.
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে উচ্চগতির বুলেট ট্রেন চালু করে কোন দেশ?
  1. বাংলাদেশ
  2. সিঙ্গাপুর
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. মালয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে উচ্চগতির বুলেট ট্রেন চালু করে - ইন্দোনেশিয়া। 
- চীনের সহায়তায় ইন্দোনেশিয়া এই প্রকল্পটি গ্রহণ করে। 
- ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো 'ইন্দোনেশিয়ার পরিবহণ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের প্রতীক' হিসেবে অভিহিত করেছেন।
- বুলেট ট্রেন 'হুশ' (Whoosh) এর সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৩৫০ কিলোমিটার (২২০ মাইল)।
- এই ট্রেনে রাজধানী জাকার্তা থেকে বানদুং শহর যেতে সময় লাগবে মাত্র ৪৫ মিনিট যার দূরত্ব ১৪০ কিলোমিটার। 
- এটি বেইজিংয়ের 'বেল্ট অ্যান্ড রোড' উদ্যোগের অংশ। 

সূত্র: ডেইলি স্টার বাংলা।
২৮.
বেনিতো মুসোলিনি কোন দেশের নেতা ছিলেন?
  1. ফ্রান্স
  2. ইতালি
  3. জার্মানি
  4. অস্ট্রিয়া
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা
• মুসোলিনি
- ইতালীয় ফ্যাসিবাদের প্রবক্তা ছিলেন বেনিতো মুসোলিনি।
- ১৮৮৩ সালে উত্তর ইতালিতে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯১৯ সালের মার্চ মাসে তিনি সামরিক বাহিনীর প্রাক্তন সদস্যদের নিয়ে ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণের জন্য একটি সভা করেন।
- তাদের সাথে নিয়ে তিনি গঠন করেন Fascio di Combattamento, যার বাংলা অর্থ হচ্ছে সংগ্রামী ঐক্য।
- তার উদ্দেশ্য ছিল রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও ধর্মীয় ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা।
- তিনি ছিলেন উগ্র জাতীয়তাবাদের সমর্থক।
- ১৯২১ সালের নভেম্বর মাসে তিনি তার আন্দোলনকে Fascist Party তে রূপান্তরিত করেন।
- তার দলের মতাদর্শ ছিল কমিউনিস্ট বিরোধী।
- এই দলটি ইতালি শাসন করেছে ১৯২২ সাল থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত।
- ১৯৪৩ সালে Grand Council of Fascism কর্তৃক মুসোলিনি অপসারিত হয়েছিলেন।
- ইতিহাস থেকে জানা যায় মুসোলিনি প্রথমে ১৯১৫ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে Revolutionary Fascist Party গঠন করেন (Partito Fascista Rivoluzionario-RER)।
- ১৯১৯ সালের নির্বাচনে RER খারাপ ফলাফল করলে ১৯২১ সালের নভেম্বর মাসে দলটি National Fascist Party নামে আত্মপ্রকাশ করে। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর - তারেক শামসুর রেহমান।
২৯.
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নে 'পেরেস্ত্রোইকা এর প্রবর্তক কে ছিলেন?
  1. ভি আই লেনিন
  2. জোসেফ স্ট্যালিন
  3. মিখাইল গর্বাচেভ
  4. নিকোলাই পদগর্নি
সঠিক উত্তর:
মিখাইল গর্বাচেভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিখাইল গর্বাচেভ
ব্যাখ্যা
• সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট ছিলেন মিখাইল গর্বাচেভ। 
- ১৯৮৫ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গ্লাসনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নামে দুটির সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেন।
- গ্লাস্তনস্ত ছিলো রাজনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি।
- পেরেস্ত্রইকা ছিলো অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি বিষয়ক নীতি।
- দুই জার্মানির পুনঃএকত্রীকরণের ক্ষেত্রেও তার সক্রিয় ভূমিকা জার্মানিতে ব্যাপক প্রশংসিত।
- ১৯৯১ সালের ২৫ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়নের আনুষ্ঠানিক বিলুপ্তির দিন তিনি পদত্যাগ করেন।

সূত্র: সময় নিউজ ও প্রথম আলো।
৩০.
স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. জওহরলাল নেহরু
  2. রাজেন্দ্র প্রসাদ
  3. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
  4. এ পি জে আব্দুল কালাম
সঠিক উত্তর:
জওহরলাল নেহরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জওহরলাল নেহরু
ব্যাখ্যা
• জওহরলাল নেহরু:
- জওহরলাল নেহরু ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রভাবশালী নেতা এবং মহাত্মা গান্ধীর রাজনৈতিক উত্তরাধিকারী।
- ১৯৪৭ সালে স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তিনি।
- ১৯৪৭ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত আমৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে গেছেন তিনি।
- নেহরু ছিলেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অন্যতম প্রধান নেতা।
- আন্দোলনের মূল ধারায় দেশের বুদ্ধিজীবী ও যুবকদের আকৃষ্ট করেছিলেন তিনি।
- এ ছাড়া ১৯৩০ ও ১৯৪০–এর দশকে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতার ভূমিকাও পালন করেছেন নেহরু।

সূত্র: প্রথম আলো। 
৩১.
‘মাজার–ই–শরিফ’ কোন দেশের বিখ্যাত শহর?
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. আফগানিস্তান
  4. ইরান
সঠিক উত্তর:
আফগানিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
• আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলের অন্যতম প্রধান শহর মাজার–ই–শরিফ। 
- মাজার–ই–শরিফ আফগানিস্তানের চতুর্থ বৃহত্তম শহর।
- দেশটির বালখ প্রদেশের রাজধানী এটি। 

- কান্দাহার দক্ষিণ-মধ্য আফগানিস্তানের শহর।
- এটি দক্ষিণ আফগানিস্তানের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং
- কাবুল , হেরাত এবং কোয়েটা (পাকিস্তান) থেকে মহাসড়কের সংযোগস্থলে অবস্থিত।
- কান্দাহারের একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে, যদিও এটি ঐতিহ্যগতভাবে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- আফগানিস্তানের আরও কয়েকটি বিখ্যাত শহর: কাবুল, হেরাত, গজনী।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৩২.
যুক্তরাজ্যের কোন সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজনীতিবিদ হয়েও সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. মার্গারেট থ্যাচার
  2. উইনস্টোন চার্চিল
  3. জেমস কালাহার
  4. জেমস ক্যামেরুন
সঠিক উত্তর:
উইনস্টোন চার্চিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইনস্টোন চার্চিল
ব্যাখ্যা
• যুক্তরাজ্য:
- সরকার ব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- সংবিধান: অলিখিত।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: ঋষি সুনাক (কনজারভেটিভ পার্টি)।
- প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী: মার্গারেট থ্যাচার।
- যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী উইনস্টোন চার্চিল রাজনীতিবিদ হয়েও সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন: ১০নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- রাষ্ট্র প্রধান: রানি বা রাজা।
- বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস।

উল্লেখ্য,
- ব্রিটিশ রাজপরিবারের বাসভবন: বাকিংহাম প্যালেস (লন্ডন)।
- ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রীর বাসভবন: ১১ নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব: ভিক্টোরিয়া ক্রস।
- যুক্তরাজ্যের পতাকাকে বলা হয়: ইউনিয়ন জ্যাক।
- ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল এবং ইংল্যান্ডের প্রথম শাসনতন্ত্র বলা হয় ম্যাগনাকার্টাকে।

উৎস: Britannica.