পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৪ ক্লাউড কম্পিউটিং, সাইবার অপরাধ ও নিরাপত্তা [ক্লাস ১৯ ও ২০]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
EC2 কোন কোম্পানির ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস?
  1. Amazon
  2. Google
  3. Microsoft
  4. Apple
ব্যাখ্যা
• EC2:
- অ্যামাজন এর ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস হলো Amazon Elastic Compute Cloud (EC2).
- EC2 এর প্রতিটি সার্ভারে ১ থেকে ৮ টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলােই ভাড়া নিয়ে থাকেন।
- ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতাে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. AVG
  2. Avira
  3. Bitdefender
  4. Code Red
ব্যাখ্যা
• অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হলো অ্যান্টিভাইরাস।
- সাধারণত একটি ভাল মানের অ্যান্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- যেমন: AVG, Avira, Norton, Avast, Bitdefender ইত্যাদি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার। 

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয় তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হল 'Vital Information Resources Under Seize' যার অর্থ হলো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
- ভাইরাস কম্পিউটার এর ডেটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।
- যেমন: Melissa, Trojan horse, Code Red, Worm ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধা কোনটি?
  1. সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য
  2. ইন্টারনেট সংযোগ লাগে না
  3. অ্যাপ্লিকেশনের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা যায়
  4. অধিকাংশ স্টোরেজের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা থাকে
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধা:
১. অপারেটিং খরচ কমানো:
- ক্লাউড ব্যবহার করে অপারেটিং খরচ (Operating cost) যথেষ্ট পরিমাণ কমানো সম্ভব।

২. সীমাহীন স্টোরেজ সুবিধা:
- ক্লাউডে স্টোরেজ নিয়ে কোনো চিন্তা নেই। যখন যত দরকার, সুলভ মূল্যে কখন তত স্টোরেজ সুবিধা পাওয়া যাবে। 

৩. সহজে তথ্য প্রবেশাধিকার:
- ক্লাউডে রেজিস্ট্রিকৃত গ্রাহকরা তার ডেটাবেজে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে কোনো অবস্থান থেকে যে কোনো সময় ডেটা একসেস করতে পারে।

৪. সফটওয়্যার খরচ কম:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর গ্রাহক সফটওয়্যার সার্ভিসসহ সার্ভিস নিলে প্রয়োজন অনুযায়ী সফটওয়্যারও সুলভে ব্যবহার করতে পারবে। 

৫. নিরাপত্তা: 
- ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কারিগরি দক্ষতা, ব্যাকআপ ক্যাপাসিটি অনেক বেশি। তাই কোনো ছোট প্রতিষ্ঠানের স্থাপিত নিজস্ব সেটআপের চেয়ে এগুলো বেশি নিরাপদ।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর অসুবিধা:
১. নিরাপত্তা:
- সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে থাকে না বিধায় তথ্যের নিরাপত্তা তুলনামূলকভাবে কম। 

২. ফি প্রদান:
- নির্ধারিত সময় অন্তর নির্ধারিত ফি দিতে হয়, না দিলে এ সার্ভিস বন্ধ করে দিলে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। 

৩. ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণ:
- প্রোগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশনের ওপর ব্যবহারকারীদের নিয়ন্ত্রণ কম থাকে বা থাকে না। 

৪. ইন্টারনেটের ওপর নির্ভরশীলতা:
- যেহেতু এ পদ্ধতি সম্পূর্ণ ইন্টারনেটভিত্তিক, তাই ইন্টারনেট কানেকশনে কোনো সমস্যা হলে অথবা গতি স্লো হলে অনেক সমস্যা দেখা দেয়।

৫. স্টোরেজ লিমিট:
- অধিকাংশ ক্ষেত্রেই স্টোরেজের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করে কোন ধরনের হ্যাকার?
  1. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  2. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
  3. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  4. গ্রিন হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা
• হ্যাকিং (Hacking):
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়। 
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়।
যথা:

ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার (White hat hacker):
- একজন white hat hacker একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহতি করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।
- সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।

খ. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার (Black hat hacker):
- একজন Black hat hacker যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটি কে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়। 
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার (Grey hat hacker):
- একজন Grey hat hacker যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মত কাজ করে। 
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
SSL এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Secure System Layer
  2. Secure Sockets Layer
  3. Standard Sockets Layer
  4. Standard Secure Layer
ব্যাখ্যা
• SSL Certificate:
- SSL এর পূর্ণরূপ Secure Sockets Layer.
- SSL Certificate হলো একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট যা একটি ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- SSL একটি নিরাপত্তা প্রোটোকল যা একটি ওয়েব সার্ভার এবং একটি ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে একটি এনক্রিপ্ট করা লিংক তৈরি করে।
- এটি অনলাইন লেনদেন সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে এবং গ্রাহকের তথ্য গোপন ও সুরক্ষিত রাখতে কোম্পানি এবং সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত হয়।  

উৎস: Kaspersky website. 
.
নিচের কোনটি ক্লাউড সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নয়?
  1. VMware
  2. Redis
  3. Rackspace
  4. Digital Ocean
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি কম্পিউটিং প্রযুক্তি, যা ইন্টারনেট ও কেন্দ্রীয় রিমোট সার্ভার ব্যবহারের মাধ্যমে ডেটা ও অ্যাপ্লিকেশনসমূহ নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে সক্ষম।

• ক্লাউড সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ: 
- Amazon web services,
- Microsoft Azure,
- Google Cloud,
- IBM Cloud,
- Oracle,
- Digital Ocean,
- CloudFlare,
- Linode,
- Rackspace,
- VMware ইত্যাদি। 

* Redis হলো ওপেন সোর্স ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।  

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কম্পিউটারে ব্যবহারকারীর প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করে কোনটি?
  1. ম্যালওয়্যার
  2. ফার্মওয়্যার
  3. ফায়ারওয়াল
  4. বায়োস
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনো কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে কিনা তা নিচের কোন লক্ষণটি দ্বারা প্রকাশিত হবে?
  1. প্রোগ্রাম লোড হতে কম সময় লাগলে
  2. ফাইলের আকার অপরিবর্তিত থাকলে
  3. কম্পিউটারের কাজের গতি কমে গেলে
  4. কম্পিউটার চালু হতে স্বাভাবিকের চেয়ে কম সময় লাগলে
ব্যাখ্যা
• ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটারের লক্ষণ:
১. কম্পিউটার চালু হতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগে
২. কম্পিউটারের কাজের গতি কমে যায়
৩. প্রোগ্রাম লোড হতে বেশি সময় লাগে
৪. হার্ডডিস্কের পার্টিশন নষ্ট করে ফেলে ফলে সকল ডেটা হারিয়ে যায়।
৫. Disk-এর Volume-এর নাম পরিবর্তন হয়ে গেলে।
৬. ফাইলের আকার পরিবর্তন হয়ে গেলে
৭. তারিখ ও সময় অপ্রত্যাশিতভাবে পরিবর্তিত হয়ে গেলে।
৮. অপ্রত্যাশিত কিছু Message কাজের সময় প্রদর্শিত হলে।
৯. কাজের সময় অপ্রত্যাশিত শব্দ হলে।
১০. কম্পিউটারের Free memory-এর পরিমাণ কমে গেলে।
১১. অনেক সময় কম্পিউটারের বায়োসের ডাটা মুছে ফেলে কম্পিউটারকে অচল করে ফেলে ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি Strong Password?
  1. ABCD1234
  2. 1111ABCD
  3. 1@Axy&yz
  4. A1B2C3D4
ব্যাখ্যা
- বেশীর ভাগ মানুষ পাসওয়ার্ড হিসেবে সহজে মনে রাখা যায় এমন বর্ণ ব্যবহার করে।
যেমন- ১২৩৪৫৬ বা ৬৫৪৩২১ বা abcdef ইত্যাদি। ফলে পাসওয়ার্ড সহজে ধরে ফেলা যায়।
- সার্ভার, কম্পিউটার বা কোনো আইসিটি যন্ত্রে রক্ষিত তথ্য ও উপাত্তের নিরাপত্তা বিধানের জন্য পাসওয়ার্ড অবশ্যই মৌলিক বা unique হতে হবে।
কারণ, পাসওয়ার্ড অনন্য বা unique না হলে অনেক সমস্যা হতে পারে।
যেমন:
১. আইসিটি যন্ত্রগুলো ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে।
২. হ্যাকাররা সহজেই তথ্য চুরি করতে পারে।
৩. যন্ত্রপাতির রক্ষিত তথ্য নষ্ট করার সুযোগ তৈরি হয়।

মৌলিক বা unique পাসওয়ার্ড তৈরির ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে:
- নিজের বা পরিবারের কারো নাম বা ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার না করা।
- ১২ থেকে ১৪ টি ক্যারেক্টার বা তার বেশি ব্যবহার করতে হবে।
- 1-8, ৮টি 1 এমন পাসওয়ার্ড দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। 
- বড় হাতের অক্ষর, ছোট হাতের অক্ষর, নম্বর, সংকেত ব্যবহার করতে হবে।
- পূর্বের পাসওয়ার্ডের সাথে যাতে না মিল থাকে।
- নিজের জন্য মনে রাখা সহজ কিন্তু অপরের জন্য ধারণা করা কঠিন হবে এমন হতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Microsoft website.
১০.
বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য কোন ক্লাউড সিস্টেম ব্যবহার করে?
  1. Public Cloud
  2. Private Cloud
  3. Hybrid Cloud
  4. Community Cloud
ব্যাখ্যা
• প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud): 
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভলোপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়। 

• পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
যেমন: আমাজনের EC2.

• কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud):
- সাধারণত কোনো বিশেষ কমিউনিটির জন্য যে ক্লাউড ডেভেলোপ করা হয় সেটি হলো কমিউনিটি ক্লাউড।
- কমিউনিটি ক্লাউডের সুবিধা হলো, কমিউনিটির মধ্যে ইউজার সীমাবদ্ধ থাকে বলে এখানে সিকিউরিটির কোনো সমস্যা নেই।

• হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১.
ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে যেসকল অপরাধ সংঘটিত হয় তাদেরকে কী বলে?
  1. নেটওয়ার্কিং ক্রাইম
  2. ওয়েব ক্রাইম
  3. ইন্টারনেট ক্রাইম
  4. সাইবার ক্রাইম
ব্যাখ্যা
• সাইবার ক্রাইম (Cyber Crime):
- কম্পিউটার এবং কমিউনিকেশন টেকনোলজির বিকাশের সাথে সাথে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আর ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের ক্রাইম সংগঠিত হচ্ছে। এসব ক্রাইমকে বলা হয় সাইবার ক্রাইম।
অর্থাৎ, কোনো সিস্টেমে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করে ফাইল, প্রোগ্রাম, হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার বিনষ্ট করার জন্য কিছু কম্পিউটার ব্যবহারকারী বা কম্পিউটার প্রোগ্রামার ইলেকট্রনিক উপায়ে বা টেলনেট ব্যবহার করে যে আক্রমণ চালায় তাকে বলা হয় সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১২.
অনুমতি ব্যতীত কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে কম্পিউটার ব্যবহার করাকে কী বলে?
  1. সফটওয়্যার পাইরেসি
  2. প্লেজিয়ারিজম
  3. ডিবাগিং
  4. হ্যাকিং
ব্যাখ্যা
• হ্যাকিং (Hacking): 
- হ্যাকিং হচ্ছে অনধিকার প্রবেশ এবং অনৈতিক কর্মকান্ড, যা অন্যের কম্পিউটারে বা ওয়েবসাইটে ঢুকে তথ্যের ক্ষতিসাধন করে।
অর্থাৎ অবৈধভাবে বা বিনা অনুমতিতে কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে কম্পিউটার ব্যবহার করা, তথ্য নষ্ট করা, তথ্য চুরি করা, তথ্যের বিকৃতি ঘটানো বা অন্যের কম্পিউটারকে বিশেষ পন্থায় সম্পন্ন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়াকে কম্পিউটার হ্যাকিং বলে
- যারা হ্যাকিং এর কাজ করে তাদেরকে হ্যাকার (Hacker) বলে। হ্যাকারদের যাবতীয় কর্মকান্ডকে হ্যাকিং বলে।
- হ্যাকিং বৈধ ও অবৈধ হতে পারে। অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে তাদেরকে ক্রেকার (Cracker) বলে।

• সফটওয়্যার পাইরেসি (Software Piracy):
- সফটওয়্যার পাইরেসি বলতে প্রস্তুতকারীর বিনা অনুমতিতে কোনো সফটওয়্যার কপি করা, বিতরণ করা, আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া ইত্যাদি কার্যক্রমকে বোঝায়।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):

- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে।
- কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম। 

• ডিবাগিং: 
- প্রোগ্রামের ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে বলে ডিবাগিং।
- 1945 সালে মার্ক 1 কম্পিউটারটির ভিতরে একটি মথপোকা ঢোকায় কম্পিউটারটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। এ থেকেই ডিবাগিং কথাটির উৎপত্তি।
- সব ভুলত্রুটি দূর না হওয়া পর্যন্ত কোন প্রোগ্রামই ব্যবহার করা যায় না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।