উত্তর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:
সমাধান:
৪৯তম বিসিএস ⎯ ভূগোল [৩১১] · তারিখ অনির্ধারিত · ৯৬ প্রশ্ন
প্রশ্ন:
সমাধান:
প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
সমাধান:
(২য় কলাম × ৩য় কলাম) - ১ম কলাম = ৪র্থ কলাম
(6 × 10) - 2 = 60 - 2 = 58
(7 × 11) - 3 = 77 - 3 = 74
(8 × 12) - 4 = 96 - 4 = 92
সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে 92 সংখ্যাটি বসবে।
অতিরিক্ত জনসংখ্যা চাপ ও নগরায়নের ফলে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বড় শহরে বস্তি, যানজট, দূষণ ও অপরিকল্পিত উন্নয়ন ভয়াবহ সমস্যা হয়ে উঠেছে।
বাংলাদেশে নগরায়ন মূলত শিল্প, বাণিজ্য ও সেবা খাতের প্রসারের কারণে দ্রুত বাড়ছে। নগরগুলো অর্থনৈতিক উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে, যদিও এর সাথে অনেক সামাজিক-পরিবেশগত সমস্যা যুক্ত।
বাংলাদেশ মূলত চীন থেকে যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল, রাসায়নিক, বস্ত্র কাঁচামাল আমদানি করে। ভারতের সাথেও আমদানি–রপ্তানি গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের ইউরোপে সর্বাধিক রপ্তানি যায় জার্মানিতে (বিশেষত পোশাক)। তারপর UK, Spain, France, Italy।
বাংলাদেশ SAARC, BIMSTEC, WTO–র সদস্য। আঞ্চলিক বাণিজ্য বাড়াতে SAFTA ও BIMSTEC ফ্রেমওয়ার্ক গুরুত্বপূর্ণ।
তবে আঞ্চলিক সংস্থা হিসেবে সার্ক উত্তর হবে।
বাংলাদেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের মূল চালিকাশক্তি হলো পোশাক ও বস্ত্র খাত। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আইটি আউটসোর্সিং ও জাহাজ নির্মাণ নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে।
বেনাপোল স্থলবন্দর (যশোর) হলো বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর, প্রধানত ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যের জন্য ব্যবহৃত হয়।
মোংলা বন্দর খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান সমুদ্রবন্দর এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর। সুন্দরবনের কাছাকাছি হওয়ায় এর ভৌগোলিক গুরুত্ব অনেক বেশি।
বাংলাদেশকে সাধারণত ৩টি প্রধান ভূ-প্রাকৃতিক ভাগে ভাগ করা হয়:
১. Tertiary Hills (তৃতীয় যুগের পাহাড়) – চট্টগ্রাম ও সিলেটের পাহাড়ি অঞ্চল।
২. Pleistocene Uplands (প্লাইস্টোসিন উঁচুভূমি) – বরিন্দ, মধুপুর গড়, ভাওয়াল গড়।
৩. Recent Floodplains (সাম্প্রতিক প্লাবনভূমি) – পদ্মা, যমুনা, মেঘনা নদীর অববাহিকা।
Peat soil হলো আংশিকভাবে পচা উদ্ভিদজাত জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ মাটি। বাংলাদেশে এটি প্রধানত সিলেটের হাওর এলাকায় ও গোপালগঞ্জ–ফরিদপুর- খুলনা অঞ্চলে পাওয়া যায়।
এছাড়াও , লাদেশের বিভিন্ন এলাকায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পিট মজুতের সন্ধান পাওয়া গেছে। এগুলোর মধ্যে মাদারীপুরের বাঘিয়া ও চান্দা বিল, খুলনা জেলার কোলা মৌজা, মৌলভীবাজার জেলার মৌলভীবাজার ও চাতাল বিল এবং সুনামগঞ্জ জেলার পাগলা ও চোরকাই-এর নাম উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশে পিট ক্ষেত্রগুলো ভূ-পৃষ্ঠে বা এর খুব কাছে বিদ্যমান।
Glenn Trewartha (1953) জনসংখ্যা ভূগোলকে পৃথক শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি জনসংখ্যার বণ্টন, ঘনত্ব ও গতি নিয়ে গবেষণার কাঠামো দেন।
Crude Birth Rate (CBR) প্রতি ১০০০ জনে বছরে জন্ম সংখ্যা নির্দেশ করে। এটি প্রজননের সাধারণ সূচক, তবে Total Fertility Rate (TFR) আরও সুনির্দিষ্ট।
E.G. Ravenstein (1885) অভিবাসনের নিয়ম প্রণয়ন করেন। তিনি বলেন, অভিবাসন সাধারণত স্বল্প দূরত্বে হয় এবং অর্থনৈতিক কারণে ঘটে।
ম্যালথাস বলেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি Geometric (2, 4, 8, 16...) হারে হয়, আর খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি Arithmetic (2, 4, 6, 8...) হারে হয়।
কার্ল মার্কস জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে সমস্যা হিসেবে দেখেননি। তিনি বলেন, দারিদ্র্য হলো অর্থনৈতিক শোষণ ও অসাম্যের ফল।
John Graunt (1662) লন্ডনের মৃত্যুর নথির ভিত্তিতে প্রথম Life Table তৈরি করেন। এজন্য তাঁকে আধুনিক জনসংখ্যাতত্ত্বের জনক বলা হয়।
China’s One Child Policy (1979–2015) হলো একটি বিখ্যাত anti-natalist নীতি, যা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে চালু হয়েছিল।
Settlement Geography হলো মানব বসতির স্থানিক বণ্টন, আকার-প্রকৃতি, গঠন, কার্যাবলি ও সংগঠন বিষয়ক অধ্যয়ন।
Settlement Geography অধ্যয়নের প্রধান পদ্ধতি হলো Morphological, Functional, Historical এবং Ecological approaches। জীববিজ্ঞানের জেনেটিক পদ্ধতি এখানে প্রযোজ্য নয়।
Linear settlement সাধারণত নদী, সড়ক বা রেলপথের ধার ঘেঁষে গড়ে ওঠে।
বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকায় বিশেষ করে নদীর প্লাবনভূমিতে Nucleated settlement বেশি দেখা যায়, যেখানে অনেক ঘর একত্রে গুচ্ছাকারে গড়ে ওঠে।
গ্রামীণ বসতির বৈশিষ্ট্য হলো কম জনঘনত্ব, কৃষিনির্ভর জীবনযাত্রা ও পারস্পরিক সামাজিক সম্পর্ক। উচ্চ জনঘনত্ব শহুরে বসতির বৈশিষ্ট্য।
বাংলাদেশে শহরের বিকাশ মূলত শিল্পায়ন, পোশাক রপ্তানি ও বাণিজ্য কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে।
গ্রামীণ বসতির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো কৃষি ও প্রাথমিক কর্মকাণ্ড, আর শহুরে বসতির বৈশিষ্ট্য হলো শিল্প, বাণিজ্য ও সেবা খাতের প্রাধান্য।
Tertiary activities হলো service-based কার্যক্রম, যেখানে পণ্য উৎপাদন নয় বরং সেবা প্রদান করা হয়। যেমন—Banking, Insurance, Trade, Tourism, Transport, Communication ইত্যাদি। এর বিপরীতে Primary sector প্রকৃতিসংক্রান্ত (কৃষি, মৎস্য, খনি) আর Secondary sector শিল্পভিত্তিক (উৎপাদন)।
Internal বা Domestic trade হলো একটি দেশের সীমার ভেতরে পণ্য ও সেবার লেনদেন। এটি দুটি ভাগে বিভক্ত—Wholesale trade (পাইকারি) ও Retail trade (খুচরা)। Internal trade জাতীয় অর্থনীতির ভেতরে ভোগ ও উৎপাদনকে সরাসরি প্রভাবিত করে।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য (International trade) হলো দেশগুলোর মধ্যে পণ্য ও সেবা আদান–প্রদান। এটি comparative advantage-এর ভিত্তিতে হয়—যেমন Middle East তেল রপ্তানি করে, South Asia গার্মেন্টস, East Asia electronics। বিশ্ব বাণিজ্যকে প্রভাবিত করে demand–supply, tariff–quota, transport cost, WTO rules, exchange rate।
Water transport—বিশেষত সমুদ্রপথ—bulk cargo (coal, petroleum, iron ore, grain) বহনের জন্য সবচেয়ে কম খরচসাপেক্ষ। Containerization shipping efficiency আরও বাড়িয়েছে। তবে এটি সময়সাপেক্ষ। এর বিপরীতে Air transport দ্রুত হলেও ব্যয়বহুল।
Air transport দ্রুততম, তাই ফুল, ফল, ঔষধ, ওষুধের উপাদান, এবং জরুরি যাত্রী পরিবহনে সবচেয়ে উপযুক্ত। তবে এটি ব্যয়বহুল এবং সীমিত পরিমাণ পণ্য বহন করতে পারে। Land–water transport bulk ও সস্তা হলেও সময় বেশি নেয়।
Commerce ও Finance sector অর্থনীতির “circulatory system” হিসেবে কাজ করে। Bank সঞ্চয়কে বিনিয়োগে রূপান্তর করে, Insurance ঝুঁকি কমায়, Stock & Capital market পুঁজি জোগান দেয়। এগুলো ছাড়া modern economy চলতে পারে না।
শিল্প কোথায় গড়ে উঠবে তা নির্ভর করে raw material availability, power, labour, market, transport, capital, government policy-এর উপর। জ্যোতিষের কোনো ভূমিকা নেই। যেমন—লোহা–ইস্পাত শিল্প কাঁচামাল ও কয়লার কাছে তৈরি হয়, আর IT industry skilled labour ও infrastructure-এর কাছে তৈরি হয়।
Blast furnace steel industry-তে প্রচুর coal (fuel) এবং iron ore (raw material) লাগে। তাই প্রাথমিকভাবে শিল্পগুলো resource-based ছিল। উদাহরণ: Pittsburgh (USA), Ruhr (Germany), Jamshedpur (India)। তবে আধুনিক কালে অনেক শিল্প port-based হয়েছে, কারণ কাঁচামাল আমদানি করা হয়।
China বিশ্বের মোট crude steel উৎপাদনের প্রায় ৫০% এর বেশি উৎপাদন করে। এর কারণ হলো বিশাল domestic demand (construction, industry), abundant labour, এবং state-supported heavy industry policy। India, Japan, USA, Russia–ও প্রধান উৎপাদক।
এই অঞ্চলে প্রচুর iron ore, coal, limestone পাওয়া যায়। এজন্য এখানে Jamshedpur, Bokaro, Durgapur, Rourkela-র মতো স্টিল প্ল্যান্ট গড়ে উঠেছে। এজন্য একে “India’s Ruhr” বলা হয়, কারণ Germany-র Ruhr-ও heavy industry zone।
China বিশ্ব টেক্সটাইল উৎপাদনে প্রথম। তবে Bangladesh ও Vietnam মূলত RMG (Ready-Made Garments) রপ্তানিতে শীর্ষস্থানে। Bangladesh বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম RMG রপ্তানিকারক। ভারতের টেক্সটাইলও বহুমুখী, বিশেষত কটন ভিত্তিক।
Bangladesh টেক্সটাইল শিল্পে সাফল্য অর্জন করেছে কারণ এখানে শ্রম ব্যয় তুলনামূলক কম, Female labour force অংশগ্রহণ বেশি, এবং international market (EU, USA)-এ preferential trade সুবিধা পাওয়া যায়। যদিও কাঁচামাল (cotton) আমদানি করতে হয়, তবুও labour-intensive RMG Bangladesh-এর comparative advantage দিয়েছে।
Urban Geography শহর ও নগরকেন্দ্রিক কার্যক্রম, তাদের গঠন, অবস্থান, বৃদ্ধি, সমস্যাবলী এবং শহর–গ্রাম সম্পর্ক বিশ্লেষণ করে। এটি Human Geography-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা।
Urban Geography শহরের land use, population density, migration, transport network, industrial location, services, planning ইত্যাদি বিষয় নিয়ে কাজ করে।
Urban Geography গবেষণায় field survey, census data, remote sensing, GIS mapping, spatial statistics, model building ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়।
Urbanization হলো শহরে জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রক্রিয়া। এর কারণ rural–urban migration, natural growth of cities, industrialization, services growth। উন্নয়নশীল দেশে Urbanization দ্রুত ঘটছে।
Burgess (1925) Chicago শহরকে ভিত্তি করে concentric zone model দেন। এতে CBD কেন্দ্র, তারপর transition zone, working-class, better residential, commuter zone থাকে।
Hoyt (1939) sector model দেন, যেখানে শহরের land use transport corridors বরাবর sector আকারে প্রসারিত হয়। যেমন—উচ্চ আয়ের আবাসন মূল রাস্তাগুলোর বরাবর থাকে।
Harris & Ullman (1945) Multiple nuclei model দেন। শহরের বিভিন্ন function (industry, commerce, residence, education) আলাদা কেন্দ্রের চারপাশে গড়ে ওঠে। আধুনিক মেগাসিটিগুলোতে এটাই বাস্তবচিত্র।
- Christaller (1933) Central Place Theory প্রস্তাব করেন। এতে বলা হয় শহরগুলো hierarchy অনুসারে সাজানো হয়—বড় শহর higher-order goods/services দেয়, ছোট শহর lower-order দেয়। Hexagonal market area-র ধারণা এখানে ব্যবহৃত হয়।
Growth Pole Theory (Perroux, 1950s) বলে কিছু শহর বা শিল্পকেন্দ্র প্রবৃদ্ধির কেন্দ্র হয়। সেখান থেকে growth spillover হয়ে আশপাশের অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। যেমন—ঢাকা, চট্টগ্রাম বাংলাদেশের growth poles।
শহরে যাতায়াত, পণ্য পরিবহন, অফিস–আদালত–শিল্পাঞ্চল–বাজারকে যুক্ত রাখতে সড়ক ও রেল পরিবহন প্রধান backbone। যদিও পানি ও বিমান পরিবহন গুরুত্বপূর্ণ, তবে সড়ক–রেল নেটওয়ার্ক নগর অর্থনীতির ভিত্তি।
শহরে দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি, গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি, narrow roads, inadequate public transport, poor traffic management → যানজট, দূষণ, সময় অপচয় বাড়ায়। Sustainable urban transport (MRT, BRT, bicycle lane, smart traffic system) সমাধান দিতে পারে।
Physical Geography হলো ভূগোলের শাখা যেখানে ভূ-আকৃতি (geomorphology), জলবায়ু (climatology), মৃত্তিকা (pedology), জলাশয় (hydrology), উদ্ভিদ–প্রাণী ইত্যাদি প্রাকৃতিক উপাদান ও প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়। এটি মানুষ ও পরিবেশের সম্পর্ক বোঝার ভিত্তি তৈরি করে।
System approach Physical Geography-কে holistic করে তোলে। উদাহরণ—Hydrological cycle: input (rainfall), process (infiltration, runoff), output (river discharge)। এই পদ্ধতিতে environment-কে interconnected system হিসেবে দেখা হয়।
James Hutton “Father of Modern Geology” নামে পরিচিত। তাঁর uniformitarianism তত্ত্বে বলা হয়—“Present is the key to the past”—আজ যে ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া চলছে, অতীতেও একইভাবে চলত। এটি Physical Geography ও Geomorphology-র ভিত্তি গড়ে দেয়।
1909 সালে ক্রোয়েশিয়ান ভূকম্পবিদ Andrija Mohorovičić ভূকম্প তরঙ্গের গতি বিশ্লেষণ করে Crust ও Mantle-এর মধ্যে একটি boundary চিহ্নিত করেন, যাকে আজ Moho discontinuity বলা হয়।
পৃথিবীকে কেবল oblate spheroid বললে যথেষ্ট নয়। বাস্তবে পৃথিবীর আকৃতি Geoid—যেখানে সমুদ্রস্তরের গড় উচ্চতা ধরে একটি কাল্পনিক পৃষ্ঠ তৈরি করা হয়, যা gravity variations এর কারণে পুরোপুরি সমান নয়।
Sidereal day (২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট) নক্ষত্রের সাথে মাপা হয়, আর Solar day (২৪ ঘন্টা) সূর্যের অবস্থান দিয়ে। পৃথিবী revolution করতে থাকায় সূর্যের সাথে alignment হতে আরও ~৪ মিনিট সময় লাগে। এজন্য Solar day দীর্ঘতর।
পৃথিবীর অক্ষ ধীরে ধীরে দুলতে থাকে (≈২৬,০০০ বছরে একবার), ফলে equinox points পরিবর্তিত হয়। একে axial precession বলে। এর ফলে long-term climate variation (Milankovitch cycles) ঘটে।
পৃথিবীর কক্ষপথ উপবৃত্তাকার। Perihelion হলো সেই বিন্দু যেখানে পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে (~১৪৭ মিলিয়ন কিমি)। এটি জানুয়ারি মাসে ঘটে। অপরদিকে Aphelion জুলাই মাসে (~১৫২ মিলিয়ন কিমি দূরে)।
July 4 (৪ জুলাই) Aphelion-এ পৃথিবী সূর্য থেকে প্রায় ৫ মিলিয়ন কিমি বেশি দূরে থাকে (১৫২ মিলিয়ন কিমি)। তবে axial tilt-এর কারণে ঋতু তৈরি হয়, distance নয়। তাই জুলাইতে Aphelion হলেও উত্তর গোলার্ধে তখন গ্রীষ্ম থাকে।
Solstice বছরে দুইবার ঘটে—
June 21: Northern Hemisphere-এ সবচেয়ে বড় দিন (Summer solstice)।
December 22: সবচেয়ে ছোট দিন (Winter solstice)।
Equinox বছরে ২ বার হয়—March 21 & September 23। এসময় পৃথিবীর সব জায়গায় দিন–রাত সমান হয় (১২ ঘণ্টা করে)।
1909 সালে Andrija Mohorovičić ভূকম্প তরঙ্গের গতি পরিবর্তন দেখে এই boundary আবিষ্কার করেন। এর নিচে ঘন শিলা (peridotite) থাকে।
Outer Core (~২,৯০০–৫,১৫০ কিমি গভীরতায়) গলিত লোহা–নিকেল দিয়ে গঠিত। এখানকার তরল ধাতু সঞ্চালনের মাধ্যমে Earth’s magnetic field তৈরি হয়।
পৃথিবীতে প্রতিটি ১৫° দ্রাঘিমাংশ = ১ ঘণ্টা সময় পার্থক্য। তাই প্রতিটি দেশের একটি central meridian বেছে নিয়ে national standard time নির্ধারণ করা হয়।
0° দ্রাঘিমাংশ দিয়ে Prime Meridian নির্ধারণ করা হয়, যা লন্ডনের Greenwich দিয়ে গেছে। এটিই GMT বা Universal Time-এর ভিত্তি।
Mesozoic era (২৫২–৬৬ মিলিয়ন বছর আগে) হলো “Age of Reptiles”। এসময় ডাইনোসররা পৃথিবীতে আধিপত্য করেছিল। এই যুগ তিনটি পর্বে বিভক্ত—Triassic, Jurassic, Cretaceous।
Precambrian যুগ পৃথিবীর বয়সের প্রায় ৮৭% জুড়ে (~৪.৬ বিলিয়ন থেকে ৫৪১ মিলিয়ন বছর আগে)। এসময় প্রথম জীবনের আবির্ভাব ঘটে (prokaryotes, algae)।
Lithosphere হলো পৃথিবীর শক্ত বাইরের স্তর, যা crust এবং upper rigid mantle নিয়ে গঠিত। এটি tectonic plates আকারে বিভক্ত, যেগুলো নিচের asthenosphere এর উপর ভাসমান অবস্থায় নড়ে-চড়ে।
ভূত্বকের প্রায় ৭৫% অংশ silicon (Si) ও oxygen (O) দ্বারা গঠিত। এ দুটো মিলে silicate minerals তৈরি করে যেমন quartz, feldspar, mica। পৃথিবীর crust = “SiAl” (continental) ও “SiMa” (oceanic)।
Igneous rocks: magma/লাভা ঠাণ্ডা হয়ে গঠিত (basalt, granite)।
Sedimentary rocks: আবসাদ জমে তৈরি (sandstone, limestone)।
Metamorphic rocks: তাপ–চাপ–রাসায়নিক প্রভাবে পরিবর্তিত (marble, slate)।
Shield volcano খুব বিস্তৃত, ঢালু প্রান্তযুক্ত। এগুলো basaltic lava দিয়ে তৈরি, যা খুব তরল এবং সহজে প্রবাহিত হয়। উদাহরণ: Mauna Loa, Hawaii। এর বিপরীতে composite volcanoতে বিস্ফোরণ বেশি হয়।
Denudation হলো Earth’s surface-কে সময়ের সাথে সাথে সমতল করে ফেলার প্রক্রিয়া। এতে weathering (আবহাওয়ার প্রভাব), erosion (ক্ষয়), transportation (পরিবহন), deposition (সঞ্চয়) সব অন্তর্ভুক্ত। ফলে পাহাড় ভেঙে যায়, সমতলভূমি গড়ে ওঠে।
Mechanical weathering-এ শিলা ভাঙে কিন্তু রাসায়নিক composition অপরিবর্তিত থাকে। উদাহরণ:
Temperature change → exfoliation
Frost action → frost wedging
Pressure release → unloading
Chemical weathering-এ composition বদলায় (যেমন limestone → calcium bicarbonate)।
Limestone (CaCO₃) বৃষ্টির পানিতে দ্রবীভূত CO₂ মিশে তৈরি হওয়া carbonic acid দ্বারা ভেঙে যায়। ফলে গুহা, সিংকহোল, স্তম্ভ ইত্যাদি তৈরি হয়—যাকে Karst topography বলে। এটি chemical weathering-এর অন্যতম সেরা উদাহরণ।
- গাছের শিকড় শিলার ফাঁক চিরে প্রবেশ করে, প্রাণীর গর্ত খোঁড়া, বা অণুজীবের রাসায়নিক ক্রিয়া শিলা ভাঙন ঘটায়। একে Biological weathering বলা হয়। উদাহরণ: tree root wedging, lichen action, burrowing animals।
নদীর উঁচু অংশে গতি প্রবল থাকে এবং উল্লম্ব ক্ষয় বেশি হয়। এর ফলে নদী তলদেশ গভীর হয় এবং তীক্ষ্ণ V-shaped valley তৈরি হয়।
নদী সমুদ্রে বা হ্রদে পড়ার আগে বয়ে আনা পলি mouth-এ জমা করে। এর ফলে triangular or fan-shaped Delta তৈরি হয়। উদাহরণ: Ganges-Brahmaputra delta (বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডেল্টা)।
হিমবাহের ক্ষয়ে পাহাড়ে বাটির মতো depression তৈরি হয়, যাকে Cirque বলা হয়। Ice পরে গলে গেলে এখানে tarn lake তৈরি হয়।
হিমবাহ চলাচলের সময় শিলা–পলি জমা করে। এভাবে lateral, medial ও terminal moraine তৈরি হয়। এগুলো glacial deposition-এর প্রধান নিদর্শন।
মরুভূমিতে wind abrasion ও deflation-এর ফলে শিলা অসমভাবে ক্ষয় হয়। নিচের অংশ বেশি ক্ষয়ে মাশরুম আকৃতি নেয়। Inselberg হলো বিচ্ছিন্ন ক্ষয়-প্রতিরোধী পাহাড়।
সমুদ্রের শক্তিশালী তরঙ্গ উপকূলের পাথর ক্ষয় করে steep slope তৈরি করে। এর ফলে sea cliff এবং নিচে wave-cut platform তৈরি হয়।
Limestone ভূগর্ভস্থ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে গুহা তৈরি করে। পানির ফোঁটা থেকে ক্যালসিয়াম কার্বোনেট ঝুলে stalactite (ছাদ থেকে নেমে আসে) ও stalagmite (ভূমি থেকে উঠে আসে) গঠিত হয়।
William Morris Davis (১৮৯৯) Cycle of Erosion তত্ত্ব দেন। তিনি বলেন ভূ-ভাগ uplift হলে ক্ষয়ের ফলে sequentially landform পরিবর্তিত হয়।
Davis-এর মতে—
Youth stage: গভীর V-shaped valley
Mature stage: প্রশস্ত উপত্যকা, floodplain
Old stage: সমতল পেনিপ্লেন (Peneplain)।
Old stage-এ relief প্রায় সম্পূর্ণ ক্ষয়ে যায়, ছোট residual hill ছাড়া সমতল ভূমি তৈরি হয়। একে Peneplain বলে। এটি denudation-এর চূড়ান্ত ফল।
মানচিত্রে সমতাপরেখা বা Isotherms আঁকলে বোঝা যায় কোথায় গড় তাপমাত্রা কত। Horizontal distribution প্রভাবিত হয় latitude, altitude, ocean currents, continentality, winds ইত্যাদির দ্বারা।
বিষুবীয় অঞ্চলে তীব্র তাপের কারণে বায়ু উষ্ণ হয়ে উর্ধ্বমুখী হয়। ফলে এখানে স্থায়ী নিম্নচাপ থাকে, বাতাস দুর্বল ও দিকহীন—এজন্য একে “Doldrums” বলা হয়। এটি নাবিকদের জন্য বিপজ্জনক ছিল, কারণ পালতোলা জাহাজ বাতাস না পেয়ে আটকে যেত।
Westerlies হলো মধ্য অক্ষাংশীয় পশ্চিমা বায়ু, যা উপক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে উপমেরু নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। দক্ষিণ গোলার্ধে এটি শক্তিশালী কারণ এখানে মহাদেশ কম, সমুদ্র বেশি।
পাহাড়ের বাতাসবাহিত দিক (windward side)-এ আর্দ্র বায়ু উঠে শীতল হয়, condensate হয়ে বৃষ্টি হয়। অপর পাশে (leeward side) শুষ্ক অবস্থা তৈরি হয়, যাকে Rain shadow area বলে।
বিষুবীয় অঞ্চলে দিনের বেলায় সূর্যের তাপে ভূ-পৃষ্ঠ অতিরিক্ত গরম হয়, ফলে উষ্ণ সিক্ত বায়ু দ্রুত উপরে উঠে যায় → ঠাণ্ডা হয়ে জলকণা হয় → বিকেলে প্রবল বজ্রসহ সংবহনজনিত বৃষ্টি হয়। একে “4 o’clock rain” বলা হয়।
এয়ার মাস হলো বৃহৎ বায়ুর ভর যা সমজাতীয় temperature ও humidity ধারণ করে। উৎস অঞ্চলের ভিত্তিতে ভাগ করা হয়:
cA: অত্যন্ত ঠাণ্ডা ও শুষ্ক (আর্কটিক অঞ্চল)।
cP: ঠাণ্ডা ও শুষ্ক (উচ্চ অক্ষাংশের মহাদেশ)।
mP: ঠাণ্ডা ও সিক্ত (উচ্চ অক্ষাংশের সমুদ্র)।
mT: উষ্ণ ও সিক্ত (উষ্ণ সমুদ্র অঞ্চল)।
cT: গরম ও শুষ্ক (মরুভূমি অঞ্চল)।
Tropical cyclone-এ কেন্দ্রীয় অংশকে Eye বলে, যেখানে বাতাস শান্ত ও আকাশ আংশিক পরিষ্কার। চারপাশে থাকে Eye wall—যেখানে সবচেয়ে প্রবল বাতাস ও বৃষ্টি হয়। উদাহরণ: ঘূর্ণিঝড় সিডর, আইলা, ফণী।
Thunderstorm তৈরি হয় যখন উষ্ণ সিক্ত বায়ু দ্রুত উপরে উঠে গিয়ে ঠাণ্ডা হয় ও ঘনীভূত হয় → cumulonimbus মেঘ তৈরি হয় → বজ্রপাত, বিদ্যুৎ, প্রবল বাতাস ও বৃষ্টি হয়।
Köppen climate classification-এ
Af = Tropical rainforest
Aw = Tropical savanna (wet summer, dry winter)
Bw = Desert
ET = Tundra
Aw জলবায়ুতে গ্রীষ্মে প্রচুর বৃষ্টি (monsoon influence), শীতে শুষ্ক অবস্থা দেখা যায়।
Pacific Ocean আয়তন ~১৬.৫ কোটি বর্গ কিমি, যা পৃথিবীর মোট মহাসাগরীয় এলাকার প্রায় ৪৬%। এটি এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যে বিস্তৃত। এতে Mariana Trench (বিশ্বের গভীরতম স্থান) অবস্থিত।
Ocean floor profile:
Continental shelf (উপকূলের ধীর ঢালযুক্ত অংশ, ২০০ মিটার গভীরতা পর্যন্ত)।
Continental slope (শেলফ থেকে হঠাৎ ঢালু হয়ে গভীর সমুদ্র অববাহিকার দিকে নেমে যায়, গভীরতা ~২০০–২০০০ মিটার)।
Abyssal plain, trenches, ridges ইত্যাদি গভীর সমুদ্রের বৈশিষ্ট্য।
ভারত মহাসাগরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো Monsoon Current। এটি মৌসুমি বায়ুর সাথে দিক পরিবর্তন করে—
গ্রীষ্মে (Southwest Monsoon): স্রোত পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।
শীতে (Northeast Monsoon): স্রোত পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়।
এটি বিশ্বের একমাত্র মহাসাগর যেখানে মৌসুমি বায়ুর কারণে স্রোতের দিক মৌসুমি ভিত্তিতে পরিবর্তিত হয়।