পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
বাংলাদেশ বিষয়াবলি: টপিকসমূহ: বাংলাদেশের সংবিধান: সংবিধান প্রণয়ন ইতিহাস, প্রস্তাবনা, অধ্যায় ও অনুচ্ছেদ, সংশোধনীসমূহ এবং তফসিলসমূহ। উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
“শাসনতন্ত্র হল এমন কতগুলো আইন বা প্রথার সমষ্টি যার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় জীবন পরিচালিত হয়”- সংবিধানের এই সংজ্ঞাটি কে দিয়েছেন?
  1. ক) এ্যারিস্টটল
  2. খ) কে সি হোয়ার
  3. গ) লর্ড ব্রাইস
  4. ঘ) কাল মার্কস
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড ব্রাইস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড ব্রাইস
ব্যাখ্যা
- মানবকল্যাণের নিমিত্ত প্রতিষ্ঠিত সর্বোত্তম ব্যবস্থা হল রাষ্ট্র।
- সাধারণত সরকার বলতে শাসন বিভাগ, আইন বিভাগ ও বিচার বিভাগকে বোঝায়।
- সংবিধানের মাধ্যমে রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক এ্যারিস্টটল বলেন, সংবিধান হল এমন এক জীবন পদ্ধতি, যা রাষ্ট্র স্বয়ং বেছে নিয়েছে।
- সংবিধানকে রাষ্ট্রের চালিকা শক্তি বলা হয়।
- লর্ড ব্রাইস বলেন, “শাসনতন্ত্র হল এমন কতগুলো আইন বা প্রথার সমষ্টি যার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় জীবন পরিচালিত হয়
- কে. সি. হোয়ার বলেন, “কোন দেশের শাসন ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণকারী সমস্ত লিখিত ও অলিখিত নিয়ম-কানুনকে বোঝাবার জন্য সংবিধান শব্দটি ব্যবহৃত হয়।”
- সংবিধান অনুযায়ী সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা করে। তাই সংবিধানকে এড়িয়ে কোন কাজ করার ক্ষমতা সরকারের থাকে না।
- তাই সংবিধানকে রাষ্ট্রের চালিকা শক্তি বলা হয়। 

উৎস:- পৌরনীতি ও নাগরিকতা এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের সংবিধানের ২১নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. ক) নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ
  2. খ) অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
  3. গ) অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর
  4. ঘ) নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীনতার পর খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি একটি খসড়া সংবিধান তৈরি করতে সক্ষম হয়।
- গণপরিষদ ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর এটি গ্রহণ করে এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান।
- সংবিধান তৈরির জন্য ১৯৭২ সালে ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।
- এ খসড়া কমিটির প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল। 
- এ কমিটি অক্লান্ত পরিশ্রম করে বাংলাদেশের খসড়া সংবিধান তৈরি করে এবং তা গণপরিষদে উত্থাপিত হয়। 
- ১৯ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত গণপরিষদে সংবিধানের খসড়া পাঠ করা হয়।
- গণপরিষদে সদস্যগণ পক্ষে-বিপক্ষে মত দেন অবশেষে পরিমার্জিত হয়ে উক্ত সংবিধান ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে তা কার্যকর হয়- 
বাংলাদেশের সংবিধানের ২১নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য' উল্লেখ করা হয়।
অনুচ্ছেদ ১৭ - অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
অনুচ্ছেদ ২০ - অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর।
অনুচ্ছেদ ২২ - নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান। 
.
বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের আলোচ্য বিষয় কী?
  1. ক) শপথ ও ঘোষণা
  2. খ) ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবালী
  3. গ) অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন
  4. ঘ) রাষ্টপতি নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবালী
ব্যাখ্যা
- ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে নতুন করে ৩টি তফসিল যুক্ত করা হয়।
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭ টি তফসিল রয়েছে :-
» প্রথম তফসিল - অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
» দ্বিতীয় তফসিল - রাষ্টপতি নির্বাচন।
» তৃতীয় তফসিল - শপথ ও ঘোষণা।
» চতুর্থ তফসিল – ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবালী
» পঞ্চম তফসিল - ১৯৭১সালের ৭মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
» ষষ্ঠ তফসিল - ১৯৭১সালের ২৫মার্চ মধ্যরাত শেষে অর্থাৎ ২৬মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা।
» সপ্তম তফসিল- ১০এপ্রিল ১৯৭১ এর মুজিবনগর সরকারের জারিকৃ্ত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫৩তম অনুচ্ছেদে ৭টি তফসিল উল্লেখ করা হয়।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন?
  1. ক) ৯৩
  2. খ) ৬৫
  3. গ) ৫৯
  4. ঘ) ৫৭
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৩
ব্যাখ্যা
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।
৯৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ ভেঙ্গে যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রয়েছে বলে সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলে মনে করবেন, সেরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করতে পারবেন এবং জারী হওয়ার সময় হতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হবে।
অন্যদিকে,
 অনুচ্ছেদ ৬৫ - জাতীয় সংসদ প্রতিষ্ঠা। 
অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন। 
অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান। 
.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে মহা হিসাব নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) অনুচ্ছেদ ১২৭
  2. খ) অনুচ্ছেদ ১১২
  3. গ) অনুচ্ছেদ ১২৮
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ ১০৫
সঠিক উত্তর:
ক) অনুচ্ছেদ ১২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অনুচ্ছেদ ১২৭
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২৭ অনুযায়ী মহা হিসাব নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠার কথা বর্ণিত আছে।
মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা
অনুচ্ছেদ ১২৭ (১) বাংলাদেশের একজন মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (অতঃপর "মহা হিসাব-নিরীক্ষক" নামে অভিহিত) থাকবেন এবং তাঁকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করবেন। 
 অনুচ্ছেদ ১২৭ (২) এই সংবিধান ও সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে মহা হিসাব-নিরীক্ষকের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করবেন, সেইরূপ হবে।

অন্যদিকে, 
অনুচ্ছেদ ১২৮ - মহা হিসাব নিরীক্ষকের দায়িত্ব।
অনুচ্ছেদ ১১২ - সুপ্রিম কোর্টের সহায়তা ।
অনুচ্ছেদ ১০৫ - আপীল বিভাগ ক্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি কে ছিলেন?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) আব্দুস সামাদ আজাদ
  3. গ) ড. কামাল হোসেন
  4. ঘ) ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার
সঠিক উত্তর:
গ) ড. কামাল হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ড. কামাল হোসেন
ব্যাখ্যা
- সংবিধান রচনার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ ‘বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন।
- এই আদেশ অনুসারে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে নির্বাচিত প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদের সদস্যরা গণপরিষদের সদস্য হবেন।
- সংবিধান প্রণয়নই ছিল গণপরিষদের একমাত্র লক্ষ্য।
- আদেশটি ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকর করা হয়।
- এই আদেশ জারির মধ্য দিয়ে সংবিধান প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়।
- আওয়ামী লীগ পার্লামেন্টারি পার্টি বঙ্গবন্ধুকে গণপরিষদের দলীয় নেতা নির্বাচন করে।
- ৪৩০ সদস্য বিশিষ্ট গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট ‘একটা খসড়া সংবিধান প্রণয়ন
কমিটি’ গঠিত হয়।
- এ কমিটিতে সংসদে নারী আসন থেকে বেগম রাজিয়া বানু ছিলেন একমাত্র মহিলা সদস্য।
- কমিটি মোট ৭৪টি বৈঠক মিলিত হয়।
- কমিটি ১৯৭২ সালের ১০ জুন অনুষ্ঠিত সভায় সংবিধানের প্রাথমিক খসড়া অনুমোদন করে।
- খসড়া সংবিধান নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা শেষে ১১ অক্টোবর কমিটির শেষ সভায় সংবিধানের পূর্ণাঙ্গ খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।
- ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে খসড়া সংবিধান বিল আকারে পেশ করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর হয়।

উৎস:- বাংলাদেশে ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'অবসর গ্রহণের পর বিচারগণের অক্ষমতা' বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়?
  1. ক) অনুচ্ছেদ ৯৯
  2. খ) অনুচ্ছেদ ১০০
  3. গ) অনুচ্ছেদ ১০২
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ ১০৩
সঠিক উত্তর:
ক) অনুচ্ছেদ ৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অনুচ্ছেদ ৯৯
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগ বিচারবিভাগ অংশে ১ম পরিচ্ছেদে অনুচ্ছেদ ৯৯ অনুযায়ী অবসর গ্রহণের পর বিচারগণের অক্ষমতার কথা বর্ণনা করা হয়েছে ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ (১) - কোন ব্যক্তি (এই সংবিধানের ৯৮ অনুচ্ছেদের বিধানাবলী-অনুসারে অতিরিক্ত বিচারকরুপে দায়িত্ব পালন ব্যতীত) বিচারকরুপে দায়িত্ব পালন করে থাকলে উক্ত পদ হতে অবসর গ্রহণের বা অপসারিত হওয়ার পর তিনি কোন আদালত বা কোন কর্তৃপক্ষের নিকট ওকালতি বা কার্য করবেন না এবং বিচার বিভাগীয় বা আধা-বিচার বিভাগীয় পদ ব্যতীত প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হবেন না। 
- অনুচ্ছেদ ৯৯ (২) - (১) দফায় যা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ব্যক্তি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক পদে বহাল থাকলে উক্ত পদ হতে অবসর গ্রহণের পর তিনি আপীল বিভাগে ওকালতি বা কার্য করতে পারবেন।

অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।
অনুচ্ছেদ ১০১ - হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার। 
অনুচ্ছেদ ১০২ - কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা। 

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
.
'সম্পত্তির অধিকার' বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখিত আছে?
  1. ক) অনুচ্ছেদ ৪১
  2. খ) অনুচ্ছেদ ৪২
  3. গ) অনুচ্ছেদ ৪৩
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ ৪৪
সঠিক উত্তর:
খ) অনুচ্ছেদ ৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অনুচ্ছেদ ৪২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের  ৪২নং অনুচ্ছেদে সম্পত্তির অধিকারের কথা বলা হয়েছে।
সম্পত্তির অধিকার:
অনুচ্ছেদ ৪২(১) - আইনের দ্বারা আরোপিত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের সম্পত্তি অর্জন, ধারণ, হস্তান্তর বা অন্যভাবে বিলি-ব্যবস্থা করার অধিকার থাকবে এবং আইনের কর্তৃত্ব ব্যতীত কোন সম্পত্তি বাধ্যতামূলকভাবে গ্রহণ, রাষ্ট্রায়ত্ত বা দখল করা যাবে না। 
 অনুচ্ছেদ ৪২ (২) - এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত আইনে ক্ষতিপূরণসহ বাধ্যতামূলকভাবে গ্রহণ, রাষ্ট্রায়ত্তকরণ বা দখলের বিধান করা হবে এবং ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ কিংবা ক্ষতিপূরণ নির্ণয় ও প্রদানের নীতি ও পদ্ধতি নির্দিষ্ট করা হবে; তবে অনুরূপ কোন আইনে ক্ষতিপূরণের বিধান অপর্যাপ্ত হয়েছে বলে সেই আইন সম্পর্কে কোন আদালতে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ ৪১ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৪৩ - গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।
 অনুচ্ছেদ ৪৪ - মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫০নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. ক) অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন
  2. খ) শপথ ও ঘোষণা
  3. গ) রাষ্টপতি নির্বাচন
  4. ঘ) ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
ব্যাখ্যা
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের একাদশ ভাগ বিবিধ অংশে ১৫০নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী সম্পর্কে বলা আছে।
- অনুচ্ছেদ ১৫০(১) অনুযায়ী এই সংবিধানের অন্য কোন বিধান সত্ত্বেও ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে এই সংবিধান প্রবর্তনকালে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে বর্ণিত বিধানাবলী ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী হিসাবে কার্যকর থাকবে। 
 - অনুচ্ছেদ ১৫০(২) অনুযায়ী ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তারিখ হতে ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে এই সংবিধান প্রবর্তন হবার অব্যবহিত পূর্ব পর্যন্ত সময়কালের মধ্যে সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে বর্ণিত ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ, ষষ্ঠ তফসিলে বর্ণিত ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ তারিখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার টেলিগ্রাম এবং সপ্তম তফসিলে বর্ণিত ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল তারিখে মুজিবনগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র হল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামের ঐতিহাসিক ভাষণ ও দলিল, যাহা উক্ত সময়কালের জন্য ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী বলে গণ্য হবে।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান। 
১০.
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) পারমাণবিক শক্তি কমিশন
  2. খ) বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ড
  3. গ) নির্বাচন কমিশন
  4. ঘ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
সঠিক উত্তর:
গ) নির্বাচন কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নির্বাচন কমিশন
ব্যাখ্যা
- সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহ বাংলাদেশ সরকারের আইনি প্রতিষ্ঠান হিসেবে সরকারের আইনি কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় বেশ কয়েকটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহ:-  
- জাতীয় সংসদ।
- সুপ্রিম কোর্ট। 
- নির্বাচন কমিশন।
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।
- এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়।
- কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল অব বাংলাদেশ।

উৎস:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১.
নিচের কোনটি সাংবিধানিক পদ নয়?
  1. ক) সংসদ সদস্য 
  2. খ) বিভাগীয় কমিশনার
  3. গ) মহা-হিসাব রক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  4. ঘ) প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
খ) বিভাগীয় কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিভাগীয় কমিশনার
ব্যাখ্যা
- সংবিধান হলো গ্ণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন। 
 - সাংবিধানিক উপায়ে যে সকল প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
- সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা, পদের মেয়াদ, পদমর্যাদা, পদত্যাগ ও অপসারণ পদ্ধতি এবং দায়িত্ব সংবিধানে সুনির্দিষ্ট ও সুষ্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে
সাংবিধানিক পদ:- 
• রাষ্ট্রপতি  
• স্পিকার
• প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীগণ 
• ডিপুটি স্পিকার 
• প্রধান বিচারপতি  
• সংসদ সদস্য 
• প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার 
• মহা-হিসাব রক্ষক ও নিয়ন্ত্রক 
• সরকারী কর্ম- কমিশনের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য ।

উৎস:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২.
বাংলাদেশ সংবিধানের ১১৮নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু -
  1. ক) নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা
  2. খ) মহা হিসাব নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা
  3. গ) সুপ্রিম কোর্টের সহায়তা
  4. ঘ) আপীল বিভাগ কর্তৃক রায়
সঠিক উত্তর:
ক) নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠার কথা বলা আছে। 
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করবেন।
অন্যদিকে, 
অনুচ্ছেদ ১২৭- মহা হিসাব নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা।
অনুচ্ছেদ ১১২ - সুপ্রিম কোর্টের সহায়তা ।
অনুচ্ছেদ ১০৫ - আপীল বিভাগ ক্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী গৃহীত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৭ সালে
  2. খ) ১৯৭৫ সালে
  3. গ) ১৯৭৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৮০ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
- সাংবিধানিক সংশোধনী-  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে এ পর্যন্ত সতেরটি সংশোধনী আনা হয়েছে।
কয়েকটি সংশোধনী নিম্নরূপ:-
- প্রথম সংশোধনী আইন  ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই সংবিধান (প্রথম সংশোধনী) আইন, ১৯৭৩ গৃহীত হয়। 
ভেম্বর। 
- চতুর্থ সংশোধনী আইন সংবিধান (চতুর্থ সংশোধনী) আইন ১৯৭৫ গৃহীত হয় ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি। 
- পঞ্চম সংশোধনী আইন  এই সংবিধান আইন জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল। 
- ষষ্ট সংশোধনী আইন ১৯৮১ সালের সংবিধানের ৫১ ও ৬৬ অনুচ্ছেদ সংশোধনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদ কর্তৃক এই আইন কার্যকর হয়।
- দ্বাদশ সংশোধনী আইন  বাংলাদেশের সাংবিধানিক বিকাশের ইতিহাসে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে খ্যাত এই সংশোধনী আইন পাস হয় ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট। 
- পঞ্চদশ সংশোধনী আইন  সংবিধান আইন ২০১১ (পঞ্চদশ সংশোধনী) পাস হয় ২০১১ সালের ২৫ জুন।
-সর্বশেষ, সপ্তদশ  সংশোধনী আইন  সংবিধান আইন  ২০১৮ (সপ্তদশ সংশোধনী) পাস হয় ২০১৮ সালের ৮ জুলাই।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৪.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ভাগ কয়টি?
  1. ক) ১৫৩টি
  2. খ) ৭টি
  3. গ) ১১টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১টি
ব্যাখ্যা
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং একই বছর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে বলবৎ হয়।
- সংবিধানে এগারোটি ভাগ ও চারটি সিডিউলে বিন্যস্ত মোট ১৫৩টি এবং সাতটি তফসিল রয়েছে।
-  চারটি মূলনীতি: জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
- ভাগগুলো হচ্ছে: প্রজাতন্ত্র, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি, মৌলিক অধিকার, নির্বাহী, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা, আইনসভা, আইন প্রণয়ন ও আর্থিক পদ্ধতি, অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা, বিচার বিভাগ, নির্বাচন, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, বাংলাদেশের কর্মবিভাগ, পাবলিক সার্ভিস কমিশন, জরুরি বিধানাবলি, সংবিধান সংশোধন এবং বিবিধ।

উৎস:- বাংলাদেশ সংবিধান।
১৫.
ঐতিহাসিক ২৬মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা বাংলাদেশের সংবিধানের কোন তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ক) চতুর্থ তফসিল
  2. খ) পঞ্চম  তফসিল
  3. গ) সপ্তম তফসিল
  4. ঘ) ষষ্ঠ তফসিল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ষষ্ঠ তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ষষ্ঠ তফসিল
ব্যাখ্যা
- ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে নতুন করে ৩টি তফসিল যুক্ত করা হয়।
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭ টি তফসিল রয়েছে :-
• প্রথম তফসিল - অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফসিল - রাষ্টপতি নির্বাচন।
• তৃতীয় তফসিল- শপথ ও ঘোষণা।
• চতুর্থ তফসিল - ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবালী
• পঞ্চম তফসিল - ১৯৭১সালের ৭মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফসিল -১৯৭১সালের ২৫মার্চ মধ্যরাত শেষে অর্থাৎ ২৬মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা।
• সপ্তম তফসিল- ১০এপ্রিল ১৯৭১ এর মুজিবনগর সরকারের জারিকৃ্ত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ।

উৎস:-  বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি নয় কোনটি?
  1. ক) সমাজতন্ত্র
  2. খ) ধর্মনিরপেক্ষতা
  3. গ) একনায়কতন্ত্র
  4. ঘ) গণতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
গ) একনায়কতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) একনায়কতন্ত্র
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং একই বছর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে বলবৎ হয়।
- সংবিধানে এগারোটি ভাগ ও চারটি মূলনীতি মূলনীতি বিন্যস্ত মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি চারটি - জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।  
- ভাগগুলো হচ্ছে: প্রজাতন্ত্র, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি, মৌলিক অধিকার, নির্বাহী, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা, আইনসভা, আইন প্রণয়ন ও আর্থিক পদ্ধতি, অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা, বিচার বিভাগ, নির্বাচন, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, বাংলাদেশের কর্মবিভাগ, পাবলিক সার্ভিস কমিশন, জরুরি বিধানাবলি, সংবিধান সংশোধন এবং বিবিধ।
- ১৯৭২ সালের পর থেকে সংবিধানে বেশ কিছু সংশোধন ও পরিবর্তন করা হয়েছে।
- সেগুলোর মধ্যে কিছু হয়েছে সাংবিধানিক সংশোধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, কিছু হয়েছে সামরিক আইনের আওতায় ঘোষণা ও আদেশের দ্বারা।
- বেশ কয়েকবার সরকার পদ্ধতিরও পরিবর্তন করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের সাংবিধানিক যাত্রার সূচনা হয়েছিল ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের আওতায় জারিকৃত একটি অস্থায়ী সংবিধানের মাধ্যমে।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১৭.
১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া গৃহীত হয়-
  1. ক) সুপ্রীম কোর্টে
  2. খ) জাতীয় সংসদে
  3. গ) জাতীয় পরিষদে
  4. ঘ) গণপরিষদে
সঠিক উত্তর:
ঘ) গণপরিষদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গণপরিষদে
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর রাষ্ট্র পরিচালনার
জন্য একটি সংবিধান প্রয়োজন হয়।
- সংবিধান তৈরির জন্য ১৯৭২ সালে ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।
- এ খসড়া কমিটির প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল।
- এ কমিটি অক্লান্ত পরিশ্রম করে বাংলাদেশের খসড়া সংবিধান তৈরি করে এবং তা গণপরিষদে উত্থাপিত হয়।
- ১৯ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত গণপরিষদে সংবিধানের খসড়া পাঠ করা হয়।
- গণপরিষদে সদস্যগণ পক্ষে-বিপক্ষে মত দেন অবশেষে পরিমার্জিত হয়ে উক্ত সংবিধান ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে তা কার্যকর হয়।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ দ্রুততম সময়ে একটি আর্দশ সংবিধান প্রণয়ন করে।

উৎস:- পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।