পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি [বাংলাদেশের ইতিহাস, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি সম্পর্কিত] i) ভাষা আন্দোলন, ii) যুক্তফ্রন্ট গঠন ও নির্বাচন, iii) ৫৬ - এর শাসনতন্ত্র আন্দোলন iv) পাকিস্তানে সামরিক শাসন ও শাসন বিরোধী আন্দোলন v) ৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন vi) ছয়দফা ------------- নির্দেশনা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা ইশতেহার প্রণয়নের প্রধান ভূমিকা পালন করেন কে?
  1. আতাহার আলীর
  2. আবুল ফজলুল হক
  3. আবুল মনসুর আহমদ
  4. আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
সঠিক উত্তর:
আবুল মনসুর আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল মনসুর আহমদ
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্টের গঠন ও ১৯৫৪ সালের নির্বাচন:
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কাউন্সিল সম্মেলনে যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
- পরবর্তীতে মাওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম এবং হাজী মোহাম্মদ দানেশের গণতন্ত্রী দল যুক্তফ্রন্টে যোগ দেয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- উক্ত নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়ন করা হয়।
- এই ইশতেহার প্রণয়নে আবুল মনসুর আহমেদ মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মোট আসন ছিল ৩০৯টি।
- যুক্তফ্রন্ট মোট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- নির্বাচনে বিজয়ের পর শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র:- স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের ছাত্রসভায় সভাপতিত্ব করেন কে?
  1. শামসুল হক
  2. গাজীউল হক
  3. আব্দুল মতিন
  4. কাজী গোলাম মাহবুব
সঠিক উত্তর:
গাজীউল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীউল হক
ব্যাখ্যা
একুশে ফেব্রুয়ারির ঘটনাবলি:
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল বৃহষ্পতিবার, ৮ ফাল্গুন ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ।
- পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররা জমায়েত হতে থাকে।
- সরকার ১৪৪ ধারা জারি করায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্ররা দুজন দুজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে থাকে।
- বেলা ১১ টায় ছাত্রসভা শুরু হয়। সভায় ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- এই বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক। 
- বক্তব্য রাখেন শামসুল হক, মোহাম্মদ তোয়াহা, কাজী গোলাম মাহবুব, খালেক নেওয়াজ ও আবদুল মতিন।
-  সভাপতি ১০ জন করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের নির্দেশ দেন।
- পুলিশ মিছিলকারীদের উপর বেপরোয়া লাঠিচার্জ করে এবং কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে। কিন্তু সব বাধা উপেক্ষা করে ছাত্ররা মেডিকেল হোস্টেলের প্রধান ফটকের কাছে জমায়েত হন।
- মেডিকেল হোস্টেলের নিকটেই ছিল জগন্নাথ হলের অডিটোরিয়াম যেখানে পূর্ব বাংলা আইন পরিষদের সভা বসত।
- আন্দোলনকারী ছাত্রদের উদ্দেশ্য ছিল পূর্ববাংলা আইন পরিষদে যোগদানকারী সদস্যদের কাছে বাংলা ভাষার দাবির কথা পৌঁছে দেয়া যেন তাঁরা অধিবেশনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিষয়ে সুপারিশ গ্রহণ করেন।
- ছাত্ররা দলবদ্ধ হয়ে শ্লোগান দিতে থাকলে পুলিশ বাহিনী এসে তাদের তাড়া করে এবং ছাত্রদের উপর কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে। প্রতিবাদে ছাত্ররা ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে।
- এক পর্যায়ে পুলিশ ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। ঘটনাস্থলেই আব্দুল জব্বার ও রফিকউদ্দিন আহমদ শহীদ হন। ১৭ জনের মত গুরুতর আহত হয়। তাদের মধ্যে রাত আটটায় আবুল বরকত শহীদ হন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও দৈনিক ইত্তেফাক, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
.
'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' কবে গঠন করা হয়?
  1. ১৯৪৭ সাল
  2. ১৯৪৮ সাল
  3. ১৯৫১ সাল
  4. ১৯৫২ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সাল
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ কামরুদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়।
- সংগ্রাম পরিষদ রাষ্ট্রভাষার ক্ষেত্রে সরকারের ষড়যন্ত্র রোধ করার জন্য ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ থেকে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেয়। ঐদিন ঢাকায় বহু ছাত্র আহত এবং বঙ্গবন্ধুসহ অনেকে গ্রেফতার হন।
- ১৯৪৮-৫২ সালে ১১ মার্চ ভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হতো।

অন্যদিকে,
সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় -৩১ জানুয়ারি ১৯৫২ সালে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও অসমাপ্ত আত্মজীবনী।
.
কোন সংগঠন পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের 'নিউক্লিয়াস' হিসেবে পরিচিতি পায়?
  1. তমদ্দুন মজলিশ
  2. স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ
  3. বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার পরিষদ
  4. সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
সঠিক উত্তর:
স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ
ব্যাখ্যা
⇒ 'স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ' পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের 'নিউক্লিয়াস' হিসেবে পরিচিতি পায়।

স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ:

- ১৯৬২ সালে কয়েকজন ছাত্রনেতা গোপনে ছাত্রদের সংগঠিত করার উদ্যোগ নেন।
- তারা মনে করতেন পাকিস্তানের কাঠামোয় বাঙালির জাতিসত্তার বিকাশ সম্ভব নয়।
- এই সংগঠনটি ছিল 'স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ' নামে পরিচিত।
- সংগঠনের নেতৃত্ব দেন সিরাজুল আলম খান, আবদুর রাজ্জাক এবং কাজী আরেফ আহমেদ।

উল্লেখ্য,
-পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগে দুটি মতাদর্শ বিদ্যমান ছিল—
১. মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে নিজস্ব রাজনৈতিক ধারা।
২. মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের প্রতি ঝোঁক।
- সাম্রাজ্যবাদবিরোধী তিন ছাত্রনেতা ১৯৬২ সালে ছাত্রলীগের ভেতরে গোপন সংগঠন 'স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ' গঠন করেন।
- এই সংগঠন পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের 'নিউক্লিয়াস' হিসেবে পরিচিতি পায়।

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো নিউজ।
.
ছয় দফা আন্দোলনের তৃতীয় দফা কোন বিষয় সংক্রান্ত ছিল?
  1. প্রতিরক্ষা বিষয়ক
  2. মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক
  3. রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক
  4. বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য বিষয়ক
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক
ব্যাখ্যা

ছয় দফা:
⇒ প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি):
→ পাকিস্তানের শাসনতান্ত্রিক কাঠামো পরিবর্তন করে একটি ফেডারেল শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার দাবি। পূর্ব পাকিস্তানকে সমানভাবে ক্ষমতা দেওয়া হবে।
⇒ দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা):
→ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা সীমিত করার এবং প্রাদেশিক সরকারের হাতে অধিক ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব।
⇒ তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক):
→ পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নিজস্ব মুদ্রা, অর্থনৈতিক নীতি ও বাজেট ব্যবস্থা গঠনের দাবি।
⇒ চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক):
→ পূর্ব পাকিস্তানে রাজস্ব ও শুল্ক নীতি নির্ধারণের অধিকার প্রদান, যাতে স্থানীয় অর্থনীতি আরো শক্তিশালী হতে পারে।
⇒ পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য):
→ পূর্ব পাকিস্তানের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য নীতি স্বাধীনভাবে পরিচালনা করার দাবি।
⇒ ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক):
→ পূর্ব পাকিস্তানের জন্য পৃথক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গঠন ও দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীতে সমান অংশগ্রহণের দাবি।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।

.
পাকিস্তানের গণপরিষদে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কবে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়ার দাবি উত্থাপন কর?
  1. ১৯৪৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
  2. ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
  3. ১৯৪৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
  4. ১৯৫১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ও ধীরেন্দনাথ দত্ত:
- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের প্রথম গণপরিষদের অধিবেশনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার দাবিতে প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
- তবে মুসলিম লীগের সদস্যরা ভোটের মাধ্যমে তা প্রত্যাখ্যান করেন।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার রামরাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তবে তিনি কুমিল্লা শহরে বাস করতেন।
- ১৯৪৬ সালে তিনি কংগ্রেস থেকে বঙ্গীয় বিধানসভার সদস্য নির্বাচিত হন।
- ১৯৫৬ থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি আতাউর রহমান খানের মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ছিলেন।
- ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ পাকবাহিনী তাকে কুমিল্লার বাসা থেকে ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহিদ কে?
  1. আবদুস সালাম
  2. আবুল বরকত
  3. শফিউর রহমান
  4. রফিক উদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
রফিক উদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রফিক উদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের শহিদ:
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ ছিলেন রফিক উদ্দিন আহমেদ, তিনি বাদামতলী কমার্শিয়াল প্রেসের মালিকের ছেলে।
- একই দিনে নিহত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শহীদ বরকত ও জব্বার।
- আহতদের মধ্যে সেক্রেটারিয়েটের পিয়ন আবদুস সালাম পরে মারা যান।
- আট/নয় বছরের কিশোর অহিউল্লাহ্ও সেদিন নিহত হয়।
- ২২ ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে নিহত হন রিকশাচালক সালাম এবং হাইকোর্টের কর্মচারী শফিউর রহমান।
- ২০০০ সালে তাঁদের সবাইকে রাষ্ট্রীয় একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
১৯৫৬ সালের কোয়ালিশন সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. এ. কে. ফজলুল হক
  2. শেখ মুজিবুর রহমান
  3. মাওলানা ভাসানী
  4. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
⇒ কোয়ালিশন সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।

১৯৫৬ সালের কোয়ালিশন সরকার:
- আওয়ামী লীগ প্রধান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ৫ দফা কর্মসূচীর ভিত্তিতে একটি কোয়ালিশন সরকার গঠন করেন।
- এর ফলে ১৯৫৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর চৌধুরী মোহাম্মদ আলী পদত্যাগ করেন।
- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯৫৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের ৬ষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হন।
- ১৯৫৬ সালে কোয়ালিশন সরকারের মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিল্প, বাণিজ্য, শ্রম, দুর্নীতি দমন ও ভিলেজ এইড মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
- ইস্কান্দার মীর্জার গোপন ষড়যন্ত্রে রিপাবলিকান দলীয় কিছু সদস্য সমর্থন প্রত্যাহার করায় সোহরাওয়ার্দীর মন্ত্রিসভা দুর্বল হয়ে পড়ে।
- ফলে ১৯৫৭ সালের ১৮ অক্টোবর তিনি প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।

তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মূলত কয়টি দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট গঠন:
- ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কাউন্সিল সম্মেলনে ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
- পরবর্তীতে যুক্তফ্রন্টে যোগ দেয় মাওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম এবং হাজী মোহাম্মদ দানেশের গণতন্ত্রী দল।
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মূলত ৪টি দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল 'নৌকা'।
- নির্বাচনে মুসলিম লীগের নির্বাচনী প্রতীক ছিল 'হারিকেন'।
- উক্ত নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়ন করা হয়।
- এই ইশতেহার প্রণয়নে আবুল মনসুর আহমেদ মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- নির্বাচনে মোট আসন ছিল ৩০৯টি।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভা গঠিত হয়।
- নির্বাচনে বিজয়ের পর শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

[বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইতে সংশোধন আকারে বলা হয়েছে যুক্তফ্রন্ট প্রধানত ৫ টি দলের সমন্বয়ে গঠিত। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র ১ম ও ২য় খন্ডে চারটি বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত বলা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র অধিক গ্রহনযোগ্য হওয়ায় ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

তথ্যসূত্র:- স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
যুক্তফ্রন্টের সভাপতি ছিলেন কে?
  1. এ. কে. ফজলুল হক
  2. হাজী মোহাম্মদ দানেশ
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
⇒ যুক্তফ্রন্টের সভাপতি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।

যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে ‘যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। 
- যুক্তফ্রন্ট গঠন  - ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর।
- যুক্তফ্রন্টের প্রধান অফিস - সদরঘাটের ৫৬, সিমসন রােডে।
- যুক্তফ্রন্টে রাজনৈতিক দল ছিল ৪ টি। এগুলো হলো - 

১। আওয়ামী মুসলিম লীগ (মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী)
২। কৃষক-শ্রমিক পার্টি (এ. কে. ফজলুল হক) 
৩। নেজামে-ই-ইসলাম (মাওলানা আতাহার আলী) 
৪। গণতন্ত্রী দল (হাজী মোহাম্মদ দানেশ)

- যুক্তফ্রন্টের সভাপতি - হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- পার্লামেন্টারি বাের্ডের সদস্য - এ.কে. ফজলুল হক, হােসেন শহীদ সােহরাওয়ার্দী ও মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক - নৌকা।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
নিন্মলিখিত কে কাগমারী সম্মেলনের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন?
  1. শেরে বাংলা এ, কে, ফজলুল হক
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  4. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা
কাগমারী সম্মেলন:
- কাগমারী সম্মেলন ১৯৫৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে টাঙ্গাইলের সন্তোষে অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনের আহ্বায়ক ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- প্রধান অতিথি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- এটি পূর্ব বাংলার প্রথম আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সম্মেলনে পরিণত হয়।

উল্লেখ্য
- সম্মেলনের কিছুদিন পর মাওলানা ভাসানী আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন।
- তিনি ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) প্রতিষ্ঠা করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১২.
১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনের কয় দফা দাবি ছিল?
  1. ১৪ দফা
  2. ১৮ দফা
  3. ২১ দফা
  4. ২২ দফা
সঠিক উত্তর:
২২ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ দফা
ব্যাখ্যা
- ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে ২২টি দফা ছিল।

৬২-র শিক্ষা আন্দোলন:
- ১৯৬২ সালের আগস্ট মাসে শরীফ কমিশন শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে একটি বৈষম্যমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- এই কমিশন পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানের বৈষম্যমূলক আচরণ বাড়িয়ে দেয়।
- ১৯৬১ সালের শেষ দিকে পূর্ব পাকিস্তানে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়।
- গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন দমাতে আইয়ুব সরকার দমন-পীড়ন ও গ্রেপ্তার শুরু করে।
- এর ফলে ছাত্র আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে।
- ১০ আগস্ট পূর্ব পাকিস্তান সরকার ১৪৪ ধারা জারি করলে ছাত্ররা ১৭ সেপ্টেম্বর হরতালের ডাক দেয়।
- ১৭ সেপ্টেম্বর হরতাল চলাকালে পুলিশের গুলিতে কয়েকজন ছাত্র নিহত এবং শতাধিক আহত হয়।
- এই ঘটনার স্মরণে ১৭ সেপ্টেম্বর 'শিক্ষা দিবস' হিসেবে পালিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।