পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৪০
সিলেবাস
Exam 13: Topic: (Part II) g. The foundation of Mughal Empire and its corresponding power, Zhairuddin Muhammad Babur-his struggle for power and the foundation of Mughal dynasty in India-character and achievements; Nasiruddin Humayun- his struggle with Sher Shah, exile and restoration of power; Jalauddin Muhammad Akbar-his approchement with the Rajputs, The religious policy and the promulgation of Din-i-Elahi. Source: Class – 10, relevant books
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪০ প্রশ্ন

.
গুজরাট জয় করার পর আকবর কোন শহরে “বুলন্দ দরওজা” নির্মাণ করেন?
  1. ফতেপুর সিক্রিতে
  2. আগ্রাতে
  3. দিল্লিতে
  4. লাহোরে
ব্যাখ্যা

⇒গুজরাটের শাসক তৃতীয় মুজাফফর শাহেব দুর্বলতার সুযোগে আকবর  ১৫৭৩ সালে সুরাট দখল করেন।
-গুজরাট জয় করার পর  তিনি  ফতেপুর সিক্রিতে “বুলন্দ দরওজা” নির্মাণ করেন?
- এর  মধ্য দিয়েই মুঘলদের স্থাপত্যের সূচনা হয়।

.
বাবর কোন সালে ভারতে প্রথম আক্রমণ করেন?
  1. ১৫১৯
  2. ১৫২৬
  3. ১৫২৭
  4. ১৫৩০
ব্যাখ্যা

⇒১৫১৯ খ্রি. বাবর এক বিশাল সৈন্যবাহিনী নিয়ে ভারত অভিযানের উদ্দেশ্যে বাজাউর ও সোয়াতের দিকে অগ্রসর হন এবং ঝিলাম নদীর পশ্চিম তীরে ভিরা নগরীতে উপস্থিত হন। 
-এই সময়ে বাবর দিল্লির সুলতান ইব্রাহিম লোদির নিকট এক দূত পাঠিয়ে তৈমুরের উত্তরাধিকারী হিসাবে তৈমুরের বিজিত অঞ্চলগুলো দাবি করেন। 
-কিন্তু বাবরের দূতকে পাঞ্জাবের শাসনকর্তা দৌলত খান লোদি আটক করেন।
-পাঁচ মাস পর তাকে শূন্য হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

.
কোন যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পর  হুমায়ুন চূড়ান্তভাবে সিংহাসন হারান?
  1. চৌসার
  2. ঘাঘরা
  3. কানৌজ
  4. পানিপথ
ব্যাখ্যা

⇒হৃত গৌরব পুনরুদ্ধার গোলন্দাজ বাহিনীসহ এক বিশাল সেনাবাহিনী সহকারে শেরশাহের বিরুদ্ধে ১৫৪০ খ্রিস্টাব্দের ১৭ মে কনৌজের নিকটবর্তী বিলগ্রামে মুঘল ও আফগান সৈন্যবাহিনীর মধ্যে এক তুমুল যুদ্ধ সংঘটিত হয়।  
-দুর্ভাগ্যবশত সম্রাট হুমায়ুন এই যুদ্ধেও আফগানদের হাতে পরাজিত হয়ে চূড়ান্তভাবে সিংহাসন হারান।

.
চৌসারের প্রান্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. পলাশীর অদূরে
  2. পানিপথের নিকটবর্তী 
  3. আগ্রার কাছে
  4. বক্সারের কাছেই
ব্যাখ্যা

⇒শেরখানের শক্তিবৃদ্ধিতে শঙ্কিত হয়ে সম্রাট হুমায়ুন ১৫৩১ খ্রিস্টাব্দে চুনার দুর্গ অবরোধ করেন।
-কিন্তু কূটকৌশলী এবং রাজনীতিতে দূরদর্শী শেরখান মৌখিক আনুগত্যের ফলে ফিরে আসে।
-পরে বক্সারের নিকটবর্তী চৌসা নামক স্থানে শেরখান ও সম্রাট হুমায়ুনের মধ্যে ১৫৩৯ খিস্ট্রাব্দের ২৬ জুন উভয়পক্ষের মধ্যে এক তীব্র যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

.
হুমায়ুনের মৃত্যু কীভাবে হয়?
  1. সিঁড়ি থেকে পড়ে
  2. যুদ্ধে নিহত
  3. বিষ প্রয়োগ
  4. অসুখে মারা যান
ব্যাখ্যা

⇒দীর্ঘ ১৫ বছর পর শিয়া মতবাদ গ্রহন ও কান্দাহার দেয়ার বিনিময়ে১৫৫৫ খ্রিস্টাব্দে হুমায়ুন পারস্যের শাসকের সহায়তায় মুঘল সিংহাসন পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হন। 
-কিন্তু দুর্ভাগ্য বশত তিনি ১৫৫৬ খ‌্রিস্টাব্দের ২৬ জানুয়ারি গ্রন্থাগারের সিঁড়ি থেকে পরে আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন। 

.
বাবর কাদের উত্তরাধিকারী ছিলেন?
  1. খিলজিদের
  2. তৈমুর ও চেঙ্গিস খানের
  3. বালবান ও কুতুবুদ্দিনের
  4.  লোধিদের
ব্যাখ্যা

⇒১৫২৬ খ্রি. জহিরউদ্দিন মুহম্মদ বাবর কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়। মুঘল শব্দটি এসেছে ‘মোঙ্গ’ বা ‘মোঙ্গল’ শব্দ হতে। 
-এই বংশের প্রতিষ্ঠাতা বাবর ছিলেন পিতার দিক থেকে তৈমুর লঙ এবং মাতার দিক হতে চেঙ্গিস খানের বংশধর।

.
বাবরের মুদ্রায় কোন লিপি ব্যবহার হতো?
  1. আরবি
  2. ফারসি
  3. সংস্কৃত
  4. তুর্কি
ব্যাখ্যা

⇒বাবর খলিফার ক্ষমতাকে অস্বীকার করে স্বয়ং ‘বাদশাহ’ উপাধি গ্রহণ করেন। 
-সে সময় ওয়ালী (প্রাদেশিক গভর্ণর), দিওয়ান (রাজস্ব কমর্কর্তা), সিকদার (সমর কর্মকর্তা) ও কোতয়াল (নগর কর্মকর্তা) প্রমুখ কর্মকর্তাদের দ্বারা প্রশাসন পরিচালিত হতো। 
-বাবরের মুদ্রায় আরবি লিপি ব্যবহার হতো।

.
'বাবর'শব্দের অর্থ কি?
  1. চিতা
  2. সিংহ
  3. বাঘ
  4. পরাক্রমশালী 
ব্যাখ্যা

⇒বাবর ১৪৮৩ খিস্ট্রাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার মধ্য এশিয়ার তুর্কিস্থানের এক ক্ষুদ্র রাজ্য ফারগানায় জন্মগ্রহন করেন।
-বাবরের পিতা উমর শেখ মির্জা ছিলেন দুধর্ষ সমর নেতা তৈমুেরর বংশধর এবং ফারগানা রাজ্যের অধিপতি।
-তাঁর মাতা কুতলুঘ নিগার খানম ছিলেন মোঙ্গল নেতা চেঙ্গিস খানের অধস্তন বংশধর ইউনুস খানের কন্যা। 
-'বাবর'শব্দের অর্থ সিংহ।

.
আকবর ইবাদতখানা স্থাপন করেন কোথায়?
  1. আগ্রায়
  2. ফতেহপুর সিক্রিতে
  3. দিল্লিতে
  4. লাহোর
ব্যাখ্যা

⇒আকবর শেখ মুবারক এবং তাঁর দুই পুত্র আবুল ফজল ও ফৈজীর সুফি মতবাদের প্রভাবে এবং উদারনৈতিক চিন্তায় প্রভাবিত হয়ে ‘আত্মা অবিনশ্বর এবং পরমাত্মার অংশ বিশেষ' এই ধারণার বশবর্তী হয়ে সত্যান্বেষণে অগ্রসর হন।
-এই উদ্দেশ্যে ১৫৭৫ খ্রি. সকল ধর্মের সার আহরণের জন্য ফতেপুর সিক্রীতে ‘ইবাদত খানা' নির্মাণ করেন।
-সেখানে ধর্ম ও দর্শনের মূল বিষয় সম্পর্কে আলোচনার ব্যবস্থা করেন। 

১০.
'সড়ক ই আজম ' অন্য কোন নামে পরিচিত ছিল?
  1. এক্সপ্রেসওয়ে 
  2. মহাসড়ক
  3. গ্রান্ড ট্রাক রোড
  4. হাইওয়ে
ব্যাখ্যা

⇒শেরশাহ নির্মিত সড়কগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল ‘গ্রান্ডট্রাঙ্ক রোড’।
-এই সড়কটি বতর্মান বাংলাদেশের সোনারগাঁও থেকে আগ্রা হয়ে দিল্লি এবং পাঞ্জাব হয়ে সিন্ধু পর্যন্ত প্রায় ১৫০০ মাইল বিস্তৃত ছিল। 
-সড়ক ই আজম ' এর অন্য নাম ছিল "গ্রান্ডট্রাঙ্ক রোড"।

১১.
শেরশাহ সূরের রাজধানী কোথায় ছিল?
  1. আগ্রা
  2. দিল্লি 
  3. কানৌজ
  4. লাহোর
ব্যাখ্যা

⇒১৫৩৯ খিস্ট্রাব্দের এ যুদ্ধ হুমায়ুন পরাজিত হন এবং তিনি অতি কষ্টে আগ্রা ফিরে যান।  
-শেরখান বাংলা, বিহার, জৌনপুরের একচ্ছত্র অধিপতি হন এবং ‘শেরশাহ’ উপাধি ধারণ করেন। 
-হুমায়ুন চৌসার যুেদ্ধর গ্লানি ও ব্যর্থতা সহ্য করতে না পেরে পুনরায় কনৌজের পথে অগস্রর হন। ১৫৪০ খিস্ট্রাব্দে কনৌজের অদূরে বিলগ্রামে উভয়ের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ সংঘটিত হয়। যুদ্ধ হুমায়ুন শোচনীয়ভাবে পরাজিত হন।
-শেরশাহ কনৌজ, দিল্লি ও আগ্রা অধিকার করেন। এভাবে মোগল সাম্রাজ্যের পতন ঘটিয়ে দিল্লির সিংহাসনে শেরশাহের অভ্যুত্থান ঘটে। 

১২.
রানা সাংগ্রাম সিংহের সঙ্গে বাবরের কোন যুদ্ধ হয়েছিল?
  1. পানিপথের ১ম যুদ্ধ
  2. খায়নুয়ার যুদ্ধ 
  3. চৌসার যুদ্ধ
  4. কানৌজ যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

⇒১৫২৭ খ্রিস্টাব্দে খানুয়ার যুদ্ধের ফলে ভারতে শক্তিশালী ঐক্যবদ্ধ রাজপুত শক্তির শোচনীয় পরাজয় ঘটে।
-ফলে রানা সংগ্রাম সিংহের হিন্দু রাজ্য প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বিনষ্ট হয়ে যায় এবং রাজপুত শক্তি ক্ষুণ্ন হয়।
-এর পর ক্ষমতার কেন্দ্র কাবুল থেকে হিন্দুস্থানে স্থানান্তর করে‘গাজী’ উপাধি ধারণ করেন।

১৩.
বাবর কত বছর বয়সে পিতৃ সিংহাসনে আরোহণ করেন ?
  1. মাত্র ৮ বছর বয়সে  
  2. মাত্র ৯ বছর বয়সে 
  3. মাত্র ১০ বছর বয়সে 
  4. মাত্র ১১ বছর বয়সে 
ব্যাখ্যা

-তিনি ১৪৮৩ খিস্ট্রাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার মধ্য এশিয়ার তুর্কিস্থানের এক ক্ষুদ্র রাজ্য ফারগানায় জন্মগ্রহণ করেন। 
-তার পিতা উমর শেখ মির্জা ১৪৯৪ খ্রিস্টাব্দে আকস্মিক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করে।
-মাত্র ১১ বছর বয়সে তিনি পিতৃ সিংহাসনে উপবেশন করেন। 

১৪.
হুমায়ুন কত সালে পুনরায় দিল্লি দখল করেন?
  1. ১৫৪০ সালে
  2. ১৫৪৫ সালে
  3. ১৫৫০ সালে
  4. ১৫৫৫ সালে
ব্যাখ্যা

⇒দীর্ঘ ১৫ বছর পর শিয়া মতবাদ গ্রহন ও কান্দাহার দেয়ার বিনিময়ে ১৫৫৫ খ্রিস্টাব্দে হুমায়ুন পারস্যের শাসকের সহায়তায় মুঘল সিংহাসন পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হন। 
-কিন্তু দুর্ভাগ্য বশত তিনি ১৫৫৬ খ‌্রিস্টাব্দের ২৬ জানুয়ারি গ্রন্থাগারের সিঁড়ি থেকে পরে আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন। 

১৫.
আবুল ফজল কোন গ্রন্থ রচনা করেন?
  1. আকবরনামা
  2. বাবরনামা
  3. শাহজাহাননামা
  4. জাহাঙ্গিরনামা
ব্যাখ্যা

⇒সম্রাট আকবর শুধুমাত্র ভারতের ইতিহাসে নয় সমগ্র ্বিশ্বের ইতিহাসে ছিলেন একজন স্মরণীর শাসক।
-তিনি একাধারে ছিলেন শ্রেষ্ঠ রাজনীতিবিদ ও সংগঠক।
-শাসনসংস্কার ও সাম্রাজ্য পরিচালনায় তিনি ছিলেন যুগশ্রেষ্ঠ শাসক। 
তার সভাকবি আবুল ফজল আকবরনামা রচনা করেন।

১৬.
আকবরের শৈশবের অভিভাবক কে ছিলেন?
  1. বৈরাম খান 
  2. আবুল ফজল
  3. আ. রহিম খান ই খানান
  4. কামরান
ব্যাখ্যা

⇒১৫৫৫ খ্রি. হুমায়ুন আগ্রার লাইব্রেরির সিড়ি থেকে গড়িয়ে পড়ে মৃত্যুবরণ করেন। 
-হুমায়ুনের মৃত্যুর প্রাক্কালে আকবর পাঞ্জাবে বৈরামখানের তত্ত্বাবধানে অবস্থান করছিলেন।
-বৈরাম খান এখানেই আকবরকে পরবর্তী মুঘল সম্রাট হিসেবে ঘোষণা করেন এবং তার রাজ্য অভিষেকের ব্যবস্থা করেন। 

১৭.
চুনার দুর্গ কোন নদীর তীর অবস্থিত?
  1. যমুনা
  2. গঙ্গা
  3. ভাগীরথী 
  4. বুড়িগঙ্গা 
ব্যাখ্যা

⇒আফগান বাহিনীর একটি বিরাট অংশ আফগান নেতা শের খানের নেতৃত্বে বারানসীর দক্ষিণ-পশ্চিমে গঙ্গার তীরে অবস্থিত চুনার দুর্গে আশ্রয় গ্রহণ করেন।
-সম্রাট হুমায়ুন চুনার দুর্গের উদ্দেশ্যে যাত্রা  করেন।
-হুমায়ুন দীর্ঘ ৪ মাস ধরে চুনার দুর্গ  অবরোধ করে রাখেন। 
-সম্রাট হুমায়ুন শেরখানের মৌখিক আনুগত্যে বিশ্বাস স্থাপন করে বিহার ও চুনার দুর্গ রক্ষনাবেক্ষণের দায়িত্ব অপর্ণ করে আগ্রায় প্রত্যাবর্তন করেন। 

১৮.
নির্বাসনে হুমায়ুন কোথায় আশ্রয় নেন?
  1. ইরান
  2. আফগানিস্তান
  3. তুরস্ক
  4. মিশর
ব্যাখ্যা

⇒কনৌজের যুদ্ধের মর্মান্তিক পরাজয়ের পর সম্রাট হুমায়ুন আশ্রয়ের সন্ধানে দেশ থেকে দেশান্তরে ঘুরে বেড়ান। 
-অবশেষে পারস্যের শাসক শাহ তাহমাসপের রাজ দরবারে আশ্রয় লাভ করেন ।
-১৫৪০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৫৫৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সেখানেই ছিলেন।

১৯.
সম্রাট বাবরের তুর্কি কবিতার সংকলনের নাম কি?
  1. দিওয়ান
  2. মুবাইয়ান
  3. তুযুক ই বাবরী
  4. সায়ের ই বাবর
ব্যাখ্যা

-জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবর রচিত তুর্কি কবিতার সংকলন ‘দিওয়ান’ নামে পরিচিত। 
-তিনি ফার্সি ভাষায় এক প্রকার নতুন ছন্দ আবিষ্কার করেন যা সাধারণত ‘নুবাইয়ান’ নামে সুপরিচিত। 
-তাঁর সাহিত্যানুরাগের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন তুর্কি ভাষায় রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ’‘তুযুক-ই-বাবরী’।

২০.
শের শাহ ভূমী ব্যবস্থাপনা সংস্কারে কোন সুলতানকে অনুসরণ করেন?
  1. কুতুবউদ্দিন আইবেক 
  2. ইলতুৎমিশ
  3. আলাউদ্দিন খিলজি 
  4. ফিরোজ শাহ তুঘলক
ব্যাখ্যা

⇒সুলতান আলাউদ্দিন খলজির অনুকরণে ‘দাগ’ বা চিহ্নিত করণ ও হুলিয়া’ পদ্ধতি চালু করেন। 
-দেওয়ানী ও ফৌজদারী বিচারের ভার কাজী ও মীর আদল উপাধিধারী কমর্চারীদের উপর অপর্ণ করা হয়েছিল।
-কাজী উল কুজ্জাত ছিল বিচার প্রধান। 

২১.
আকবরের ধর্মনীতির গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল কোনটি?
  1. শিয়া নীতি
  2. সুন্নি নীতি
  3. সুলহ-ই-কুল
  4. রাজপুত পুনর্বাসন 
ব্যাখ্যা

⇒সকল ধমের্র দ্বন্দ্বকে একপাশে রেখে ভাল দিকগুলো একত্রিত করে একটি নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন।
-এটিই দ্বীন-ই-ইলাহি নামে পরিচিত। 
-আকবর নিজে ‘ইমাম-ই-আদিল’ উপাধি গ্রহণ করেন।
-সম্রাটের ধর্মনীতির মূল কথাই ছিল পরধর্ম সহিঞ্চুতা বা “সুলহ-ই-কুল”। 

২২.
সম্রাট আকবর নিজ হাতে ক্ষমতা গ্রহণ করেন কত সালে?
  1. ১৫৫৫ সালে
  2. ১৫৫৬ সালে
  3. ১৫৬০ সালে
  4. ১৫৬৪ সালে
ব্যাখ্যা

⇒১৫৫৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জালালউদ্দিন মুহাম্মদ আকবর উপাধি নিয়ে মাত্র ১৩ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন। 
-বৈরাম খান আকবরের অভিভাবক  নিযুক্ত হন।
-১৫৬০ খ্রি. পর্যন্ত সম্রাট আকবর বৈরাম খানের তত্ত্বাবধানে রাজ্যশাসন করেন। 

২৩.
দিন-ই-ইলাহি প্রবর্তিত হয়েছিল কত সালে?
  1. ১৫৫৬
  2. ১৫৭৫
  3. ১৫৮০
  4. ১৫৮২
ব্যাখ্যা

⇒প্রথম পর্যায়ে (১৫৬০-১৫৭৫ খ্রি.)যথারীতি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তেন, রোজা রাখতেন এবং সুন্নী মতবাদের একনিষ্ঠ পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
-দ্বিতীয় পর্যায়ে (১৫৭৫-১৫৮০ খ্রি.) শেখ মুবারক এবং তাঁর দুই পুত্র আবুল ফজল ও ফৈজীর সুফি মতবাদের প্রভাবে ১৫৭৫ খ্রি. সকল ধর্মের সার আহরণের জন্য ফতেপুর সিক্রীতে ‘ইবাদত খানা' নির্মাণ করেন
-তৃতীয় পর্যায়ে ১৫৮২ খ্রি দ্বীন-ই-ইলাহী নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন। 

২৪.
সম্রাট আকবরের রাজপুত নীতির প্রকৃতি কেমন ছিল?
  1. মিত্রতার নীতি
  2. সহনশীল নীতি
  3. আত্মীয়তার সম্পর্ক নীতি
  4. উপরের সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা

⇒সাম্রাজ্যকে দৃঢ় ও শক্তিশালী করা ও ভারতের এই যোদ্ধা ও কূটনৈতিক শক্তিকে কাজে লাগানোর জন্য সম্রাট রাজপুতদের সহিত সহনশীল ও মিত্রতার নীতি গ‌্রহণ করেছিলেন। 
-এজন্য ১৫৬২ খ্রি. আকবর আম্বরের রাজা বিহারীমলের কন্যা যোধাবাঈকে বিবাহ করেন।
-১৫৭০ সালে বিকিনীর রাজ কন্যাকেও বিয়ে করেন।
-নিজ পুত্র সেলিমের সাথে ভগবান দাসের কন্যার বিবাহ সম্পন দেন। 

২৫.
কোন যুদ্ধে ১ম কামানের ব্যবহার করা হয়?
  1. খানওয়া যুদ্ধ
  2. তরাইনের ২য় যুদ্ধ 
  3. পানিপথের প্রথম যুদ্ধ
  4. পানিপথের ২য় যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

-পানিপথ বর্তমান ভারতের রাজধানী দিল্লি থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার উত্তরে হরিয়ানা রাজ্যে অবস্থিত। 
-১৫২৬ খ্রিস্টাব্দের ২১ এপ্রিল লোদী বংশের সর্বশেষ সুলতান ইব্রাহিম লোদী ও জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবরের মধ্যে পানিপথের প্রথম যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। 
-ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবর সর্বপ্রথম এই যুদ্ধে কামানের ব্যবহার করেন।

২৬.
সম্রাট আকবরের'নবরত্ন' এর মধ্যে রাজপুত নন কে?
  1. বীরবল
  2. আবুল ফজল
  3. টোডরমল
  4. মানসিংহ
ব্যাখ্যা

⇒মুঘল বংশের শ্রেষ্ঠ শাসক ও প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সম্রাট আকবর।
-তাঁর রাজসভায় ‘নবরত্ম’ ছিলেন ইতিহাস বিখ্যাত গুণী তানসেন, বীরবল, টোডরমল,মানসিংহ,আবুল ফজল প্রমুখ। 
-তাঁর রাজসভায় ‘নবরত্মের বেশির ভাগই ছিল রাজপুতের। 

২৭.
রাজমহলের যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়? 
  1. ১৫৫৬ সালে
  2. ১৫৪০ সালে
  3. ১৫৭৬ সালে
  4. ১৬১০ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ দাউদকে পশ্চাৎধাবন করে মুনিম খাঁ ও টোডরমল ১৫৭৫ খ্রি. বালেশ্বরের নিকট তুকারয় নামক স্থানে তাঁকে পরাজিত করে বশ্যতা স্বীকারে বাধ্য করেন।
-কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যে দাউদ পুনরায় বিদ্রোহ ঘোষণা করলে মুঘল সেনাবাহিনী ১৫৭৬ খ্রি. রাজমহলের যুদ্ধে দাউদকে পরাজিত করে। যুদ্ধে তিনি নিহত হন।
-ফলে বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। 

২৮.
সম্রাট আকবর বৈরাম খানকে কি বলে সম্বোধন করতেন? 
  1. পিতাজী
  2. খান ই বাবা
  3. খান ই খানান
  4. গুরুজী
ব্যাখ্যা

⇒শৈশবে তাকে আকবরের আতালিক বা অভিভাবক নিযুক্ত করা হয়।
=সে জন্য আকবর তাকে ‘খান বাবা’ বলে ডাকতেন।
-১৫৫৬ সালের আকবর মাত্র ১৩ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন। 
-বৈরাম খান আকবরের অভিভাবক  নিযুক্ত হন এবং ১৫৬০ খ্রি. পর্যন্ত সম্রাট আকবর বৈরাম খানের তত্ত্বাবধানে রাজ্যশাসন করেন।

২৯.
হুমায়ুনের জীবনী কে রচনা করেন? 
  1. আবুল ফজল
  2. বাদাউনি
  3. মিনহাজ ই সিরাজ
  4. গুলবদন বেগম
ব্যাখ্যা

⇒বাবরের মৃত্যুর পর ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দের ৩০ শে ডিসেম্বর মাত্র ২৩ বছর বয়সে পিতৃ মনোনয়ন অনুসারে হুমায়ুন ‘নাসির উদ্দিন মুহম্মদ হুমায়ুন’ নাম ধারণ করে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন। 
-দুর্ভাগ্য বশত তিনি ১৫৫৬ খ‌্রিস্টাব্দের ২৬ জানুয়ারি গ্রন্থাগারের সিঁড়ি থেকে পরে আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন। 
-হুমায়ুনের জীবনী রচনা করেন তার বোন গুলবদন বেগম।

৩০.
সম্রাট আকবর বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেন কেন?
  1. খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য 
  2. নতুন পঞ্জিকাবর্ষের প্রবর্তন কারী হওয়ার জন্য
  3. বাংলার প্রতি ভালোবাসার জন্য
  4. বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ হয়ে 
ব্যাখ্যা

⇒তাকে ভারতীয় জাতীয়তাবাদের জনক বলা হয়।
-মুঘল বংশের শ্রেষ্ঠ শাসক ও প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সম্রাট আকবর। 
-তিনি বেশ কিছু সংস্কার সাধন করেন তার মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করা।
-বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেন খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য।

৩১.
দ্বীন ই ইলাহীর অনুসারীদের কয়টি জিনিস উৎসর্গ করতে হয়?
  1. ২টি
  2. ৩ টি
  3. ৪টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা

⇒সকল ধমের্র দ্বন্দ্বকে একপাশে রেখে ভাল দিকগুলো একত্রিত করে ১৫৮২ খ্রি. একটি নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন।
-এটিই দ্বীন-ই-ইলাহি নামে পরিচিত। 
-আকবর নিজে ‘ইমাম-ই-আদিল’ উপাধি গ্রহণ করেন। 
-প্রতি রবিবার নিজে এই ধর্মের দীক্ষা দিতেন। 
-এই ধর্মের অনুসারীদের চারটি জিনিস যথা ধন, জীবন, সম্মান এবং ধর্ম  উৎসর্গকরতে হত। 

৩২.
বাবর প্রথম পানিপথের যুদ্ধে কাকে পরাজিত করেন?
  1. সিকন্দর লোদী
  2. বাহলুল লোদী
  3. ইব্রাহিম লোদী
  4. রানা সাংগ্রাম
ব্যাখ্যা

⇒১৫২৬ খ্রিস্টাব্দের ২১ এপ্রিল লোদী বংশের সর্বশেষ সুলতান ইব্রাহিম লোদী ও জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবরের মধ্যে পানিপথের প্রথম যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। 
-ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবর সর্বপ্রথম এই যুদ্ধে কামানের ব্যবহার করেন।
-ইব্রাহিম লোদী পরাজিত হলে লোদী বংশের বিশেষ করে সুলতানি শাসনের অবসান ঘটে এবং মুঘল বংশের রাজত্ব শুরু হয়। 

৩৩.
কোন স্থানে সবচেয়ে বেশি যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে?
  1. চৌসারে
  2. তরাইনে
  3. পানিপথে
  4. বক্সারে
ব্যাখ্যা

⇒১৫২৬ খ্রিস্টাব্দের ২১ এপ্রিল লোদী বংশের সর্বশেষ সুলতান ইব্রাহিম লোদী ও জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবরের মধ্যে পানিপথের প্রথম যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
-বৈরাম খান মুঘল বাহিনীর নেতৃত্ব দেন এবং ১৫৫৬ সালের ৫ নভেম্বর পানিপথের ২য় যুদ্ধে হিমুকে পরাজিত করেন।
-১৭৬১ সালে পানি পথের প্রান্তরে মারাঠা ও আহমদ শাহ আবদালীর মধ্যে পানিপথের ২য় যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

৩৪.
দিন-ই-ইলাহির মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. সুফিবাদ প্রচার
  2. হিন্দুধর্ম বিস্তার
  3. ইসলাম প্রচার
  4. বিভিন্ন ধর্মের সমন্বয়
ব্যাখ্যা

⇒সকল ধর্মের সমন্বয়/দ্বন্দ্বকে একপাশে রেখে ভাল দিকগুলো একত্রিত করে ১৫৮২ খ্রি একটি নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন। 
-এটিই দ্বীন-ই-ইলাহি নামে পরিচিত। 
-আকবর নিজে ‘ইমাম-ই-আদিল’ উপাধি গ্রহণ করেন।
-সম্রাটের ধর্মনীতির মূল কথাই ছিল পরধর্ম সহিঞ্চুতা বা “সুলহ-ই-কুল”। 

৩৫.
সম্রাট হুমায়ুন রচিত'দিউয়ান ই হুমায়ুন' কোন ধরনের রচনা?
  1. আত্মজীবনী মূলক
  2. কাব্য গ্রন্থ 
  3. ঐতিহাসিক রচনা
  4. রাষ্ট্র চিন্তন রচনা
ব্যাখ্যা

⇒সম্রাট হুমায়ুন সুন্দর কবিতা লিখতেন। ‘দিউয়ান-ই-হুমায়ুন’ তার কাব্য গ্রন্থ।
-পারস্য থেকে প্রত্যাবতর্নের সময় তিনি মীর সৈয়দ আলী এবং খাজা আব্দুস সামাদকে সঙ্গে এনে চিত্র কলার বিকাশ ঘটান।
-তিনি ‘দিনাপানাহ’ নগরী নির্মাণ করেন।

৩৬.
শেরশাহ 'ঘোড়ার ডাক' এর প্রবর্তন করেন কেন?
  1. অশ্বারোহী বাহিনীর উন্নতির জন্য 
  2. মানুষের সচেতনতার জন্য 
  3. সাম্রাজ্যের উন্নয়নের জন্য 
  4. দ্রুত সংবাদ আদান প্রদানের জন্য 
ব্যাখ্যা

⇒দ্রুত সংবাদ আদান-প্রদানের জন্য ‘ঘোড়ার ডাক’এর প্রচলন করেন। 
-সুলতান আলাউদ্দিন খলজির অনুকরণে ‘দাগ’ বা চিহ্নিত করণ ও হুলিয়া’ পদ্ধতি চালু করেন। 
-দেওয়ানী ও ফৌজদারী বিচারের ভার কাজী ও মীর আদল উপাধিধারী কমর্চারীদের উপর অপর্ণ করা হয়েছিল।
-কাজী উল কুজ্জাত ছিল বিচার প্রধান। 

৩৭.
শের শাহের রূপার তৈরি মুদ্রার নাম কি ছিল?
  1. রূপিয়া
  2. দাম
  3. দিরহাম
  4. তঙ্কা
ব্যাখ্যা

⇒তিনি সবর্পথ্রম ‘কবুলিয়ত ও পাট্টা’ ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
-তিনি স্বর্ণ মুদ্রা আশরাফী, রূপার তৈরি তঙ্কা’ এবং তামার তৈরি ‘দাম’ নামে এক নব মুদ্রার প্রচলন করেন।
-ব্যবসায়-বাণিজ্যে বিনিময় ব্যবস্থা সহজ করার জন্য আধুলি, সিকি, দু-আনি ও এক-আনি খুচরা মুদ্রার প্রচলন করেন।

৩৮.
শেরশাহের শাসন ব্যবস্থায় ক্ষুদ্রতম শাসন ইউনিট ছিল কোনটি?   
  1. সরকার  
  2. পরগণা
  3. গ্রাম  
  4. তালুক 
ব্যাখ্যা

⇒তিনি সাম্রাজ্যকে ৪৭ টি সরকারে বিভক্ত করেন।
-সরকারকে ১,১৩,০০০টি পরগণায় বিভক্ত করেন।
-পরগণা প্রধান ছিলেন আমীন।
-সর্বাপেক্ষা ক্ষুদ্রতম শাসন ইউনিট ছিল গ্রাম। 

৩৯.
বৈরাম খান কোন মতাবলম্বী ছিলেন?
  1. শিয়া
  2. সুন্নি 
  3. আশারিয়া 
  4. মুতাজিলা
ব্যাখ্যা

⇒বৈরাম খান তুর্কি বংশোদ্ভুত ও শিয়া মতাবলম্বী। বাদাখশানে জন্মগ্রহন করেন।
-বাবরের সেনাবাইনীতে সৈনিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।
-হুমায়ুনের সৎ বোন সলিমা বেগমকে বিয়ে করে আত্মীয় হন।

৪০.
সম্রাট আকবর কত সালে মনসবদারি প্রথা চালু করেন?
  1. ১৫৫৬ সালে
  2. ১৫৬০ সালে
  3. ১৫৭৭ সালে
  4. ১৫৮০ সালে
ব্যাখ্যা

⇒'মনসব’ শব্দের অর্থ পদ বা পদমর্যাদা।
-এই পদের অধিকারীকে মনসবদার বলা হত।
-১৫৭৭ খ্রিস্টাব্দে এ ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ পর্যায়ের মনসবদাররা দশ হাজারি পদ থেকে শুরু করে সবর্নিম্ন পর্যায়ে দশজন সৈন্য সংরক্ষণের বিধান ছিল।
-সাধারণত রাজপরিবারের সদস্য ও সম্ভ্রান্ত সভাসদগণ দশ হাজারি পদ পেতেন।