পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

পরীক্ষাDPEতারিখ৮ নভেম্বর, ২০২০সময়40 minutes৭৯ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৮০
সিলেবাস
প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা- হোয়াংহো- ০৮.১১.২০১৩ (গ্রেড-১৩)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

DPE · ৮ নভেম্বর, ২০২০ · ৮০ প্রশ্ন

.
“ইউসুফ জোলেখা” কাব্য লেখেন কে?
  1. ক) যশোরাজ খান
  2. খ) শাহ মুহম্মদ সগীর
  3. গ) মীর মোশাররফ হোসেন
  4. ঘ) বিজয় গুপ্ত
ব্যাখ্যা
শাহ মুহম্মদ সগীরের হাতে রচিত হয় রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কাব্য ‘ইউসুফ-জুলেখা’।
এবং, এ কারণে  শাহ মুহম্মদ সগীরকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি হিসেবে অভিহত করা হয়।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার
.
'কোথায় স্বর্গ? কোথায় নরক? কে বলে তা বহুদূর? মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক মানুষেতে সুরাসুর' -
  1. ক) শেখ ফজলুল করিম
  2. খ) মোজাম্মেল হক
  3. গ) মোহিত লাল মজুমদার
  4. ঘ) জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা

বাঙালি মুসলমানের ভাষা নিয়ে সঙ্কটের সময় ''বাসনা'' পত্রিকা বাংলা ভাষার স্বপক্ষে দাঁড়িয়েছিল। হিন্দু-মুসলমান মিলনাকাঙ্ক্ষা ছিল এ পত্রিকার প্রধান লক্ষ্য।
হিন্দু-মুসলমান সঙ্কটের সময় শেখ ফজলল করিম রচনা করেন:
কোথায় স্বর্গ কোথায় নরক, কে বলে তা বহু দূর,
মানুষের মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরা-সুর।
রিপুর তাড়নে যখনই মোদের বিবেক পায় গো লয়,
আত্মগ্লানির নরক অনলে তখনি পুড়িতে হয়।
প্রীতি-প্রেমের পুণ্য বাঁধনে যবে মিলি পরস্পরে,
স্বর্গ আসিয়া দাঁড়ায় তখন আমাদেরই কুঁড়ে ঘরে।
Source: Banglapedia

.
কোন নাটকটি সেলিম আল দীনের?
  1. ক) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
  2. খ) কবর
  3. গ) সুবচন নির্বাসনে
  4. ঘ) মুনতাসীর ফ্যান্টাসী
ব্যাখ্যা
সেলিম আল দীন রচিত নাটকগুলো হলোঃ সর্প বিষয়ক গল্প ও অন্যান্য, জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন, কীর্তন খোলা, হাতহদাই, বাসন, শকুন্তলা, মুনতাসীর ফ্যান্টাসি, কেরামতমঙ্গল, চাকা, হরগজ, নিমজ্জন, একটি মারমা রূপকথা ইত্যাদি।
অন্যদিকে আমলার মামলা হলো শওকত ওসমান রচিত নাটক।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর
.
“প্রভাত সূর্যের” সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) রবি
  2. খ) দিনমণি
  3. গ) অরুণ
  4. ঘ) ভানু
ব্যাখ্যা

অরুণ - সূর্য।
২ - তরুণ সূর্য; বালার্ক; নবোদিত সূর্য।
৩ - উষা বা সন্ধ্যাকালীন সূর্যের দীপ্তি।
উল্লেখ্য যে, দিনমণি, রবি, ভানু এরা সূর্যের সমার্থক শব্দ। তবে অরুণ দ্বারা নতুন সূর্য বা ভোরের সূর্যকেই বুঝায়।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান

.
“হরণ” শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) পূরণ
  2. খ) গ্রহণ
  3. গ) মুক্ত
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
হরণ - লুন্ঠন; চুরি; মোচন; অপনোদন; দূরীকরণ।
পূরণ - পরিপূর্ণ করা বা পূর্ণ হওয়া (ইচ্ছাপূরণ); সমাধান; নিরসন (সমস্যাপূরণ); বৃদ্ধি
হরণের বিপরীত শব্দ - পূরণ।
.
বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সাথে কোন পদের সম্পর্ককে কারক বলে?
  1. ক) বিশেষণ পদের
  2. খ) অব্যয় পদের
  3. গ) নাম পদের
  4. ঘ) ক্রিয়া বিশেষণ পদের
ব্যাখ্যা
কারক শব্দটির অর্থ - যা ক্রিয়া সম্পাদন করে।
বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে নামপদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি
.
অধিকরণ কারকের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) তিলে তৈল আছে
  2. খ) দুধ থেকে ঘি হয়
  3. গ) তিল থেকে তেল হয়
  4. ঘ) মেঘ থেকে বৃষ্টি হয়
ব্যাখ্যা
ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে।
অধিকরণ কারকের উদাহরণঃ
তিলে তৈল আছে
নদীতে মাছ আছে
বনে বাঘ আছে
আকাশে চাঁদ উঠেছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি
.
“তিনি ব্যাকরণে পন্ডিত”- বাক্যে “ব্যাকরণে” শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. ক) কর্মে সপ্তমী
  2. খ) করণে সপ্তমী
  3. গ) অপাদানে সপ্তমী
  4. ঘ) অধিকরণে সপ্তমী
ব্যাখ্যা
কোনো বিশেষ গুণে কারও দক্ষতা বা ক্ষমতা থাকলে সেখানে বৈষয়িক অধিকরণ হয়।
যেমনঃ রাকিব অঙ্কে কাচা কিন্তু ব্যাকরণে ভালো।
তেমনিভাবে, তিনি ব্যাকরণে পণ্ডিত।
এবং, অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি অর্থাৎ 'এ' 'য়' 'তে' ইত্যাদি যুক্ত হয়।
সুতরাং, 'ব্যাকরণে' শব্দটি অধিকরণে সপ্তমী৷
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি
.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) উন্মিলন
  2. খ) উন্মিলণ
  3. গ) উন্মীলণ
  4. ঘ) উন্মীলন
ব্যাখ্যা
উন্মীলন (বিশেষ্য) -
১. চোখ মেলে চাওয়া; চোখ খোলা।
২. বিকাশ।
৩. উদ্‌ঘাটন; উন্মোচন।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান
১০.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) রূপায়ন
  2. খ) রূপায়ণ
  3. গ) রুপায়ন
  4. ঘ) রুপায়ণ
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি বাংলা বানান অভিধান অনুসারে, ‘রূপায়ণ’ বানানটি শুদ্ধ।
রূপায়ণ শব্দটির অর্থ -
১. মূর্তি বা আকার দান, রূপদান।
২. বাস্তবে পরিণতকরণ।
১১.
“যিনি অধিক কথা বলেন না”- এক কথায় কী হবে?
  1. ক) অল্পভাষী
  2. খ) সংযম
  3. গ) মিতভাষী
  4. ঘ) সন্ন্যাসী
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
অল্পভাষী, মিতভাষী - অল্প কথা বলে এমন; মিতবাক।
অপশনে দুটি একই রকম শব্দ থাকায় বাতিল করা হয়েছে।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান
১২.
“সাপের খোলস” বাক্য সংকোচন কী হবে?
  1. ক) নির্মোক
  2. খ) উরগ
  3. গ) কৃত্তি
  4. ঘ) প্লাবক
ব্যাখ্যা
নির্মোক (বিশেষ্য) - সাপের খোলস।
উরগ, উরঙ্গ, উরঙ্গম - (বিশেষ্য) বুকে ভর দিয়ে চলে যে; সর্প যা সাপের সমার্থক শব্দ।
কৃত্তি - পশুর চামড়া বা ত্বক এবং প্লাবক - প্লাবী
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান
১৩.
“সৌভাগ্যের বিষয়” কোন বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করা হবে?
  1. ক) পোয়াবারো
  2. খ) একাদশে বৃহস্পতি
  3. গ) গোঁফ-খেজুরে
  4. ঘ) সৌভাগ্যবান
ব্যাখ্যা
একাদশে বৃহস্পতি বাগধারাটির অর্থ - সৌভাগ্যের বিষয়,
অদৃষ্টের পরিহাস বাগধারাটির অর্থ - ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা।
'গোঁফ-খেজুরে' বাগধারাটির অর্থ নিতান্তই অলস।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি
১৪.
“নীলাকাশ” কোন সমাস?
  1. ক) কর্মধারয়
  2. খ) তৎপুরুষ
  3. গ) বহুব্রীহি
  4. ঘ) অব্যয়ীভাব
ব্যাখ্যা
যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন - নীল যে আকাশ = নীলাকাশ।
নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম।
রক্ত যে কমল = রক্তকমল।
কাঁচা অথচ মিঠা = কাঁচামিঠা।
যিনি জজ তিনিই সাহেব = জজ সাহেব।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
১৫.
“বিষবৃক্ষ” কোন সমাস?
  1. ক) তৎপুরুষ
  2. খ) কর্মধারয়
  3. গ) বহুব্রীহি
  4. ঘ) অব্যয়ীভাব
ব্যাখ্যা

বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে বা বিশেষ্য ও বিশেষণ ভাবাপন্ন পদে যে সমাস হয় এবং যেখানে পরপদের প্রাধান্য পায় তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন - নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম। এখানে নীল রংটিকে প্রাধান্য না দিয়ে পদ্মটিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
বিষবৃক্ষ = বিষ রূপ বৃক্ষ; এটি রূপক কর্মধারয় সমাস।
বিষবৃক্ষ বলতে বিশেষ ধরণের বৃক্ষকে বোঝায় যার ফল বিষময়। এখানে, বিষবৃক্ষ দ্বারা প্রথম অংশ 'বিষ'কে বোঝানো হচ্ছে না, পরের অংশ 'বৃক্ষ'কে বোঝাচ্ছে। অর্থ্যাৎ, পরপদের প্রাধান্য পাচ্ছে।
এরূপ -
জ্ঞান রূপ বৃক্ষ = জ্ঞানবৃক্ষ; প্রান রূপ বায়ু = প্রাণবায়ু; কাল রূপ রাত্রি = কালরাত্রি; মন রূপ মাঝি = মনমাঝি ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা তথ্য উৎসঃ ড. হায়াৎ মামুদ রচিত ভাষা শিক্ষা বই ও বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৬.
“শতাব্দী” কোন সমাস?
  1. ক) বহুব্রীহি
  2. খ) তৎপুরুষ
  3. গ) অব্যয়ীভাব
  4. ঘ) দ্বিগু
ব্যাখ্যা
শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী।
শতাব্দী দ্বিগু সমাসের উদাহরণ।
অনুরূপভাবে, ত্রিপদী, ত্রিফলা, পঞ্চবটী, পঞ্চভূত, তেমাথা এগুলোও দ্বিগু সমাসের উদাহরণ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
১৭.
“স্বাগত” শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) স্বা + আগত
  2. খ) স্বা + গত
  3. গ) সু + আগত
  4. ঘ) সা + আগত
ব্যাখ্যা
স্বাগত - সু + আগত। স্বাগত - শুভাগত; অভ্যর্থিত অতিথি।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান
১৮.
“বিচ্ছেদ” শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) বিঃ + ছেদ
  2. খ) বি + ছেদ
  3. গ) বিৎ + ছেদ
  4. ঘ) বিচ্‌ + ছেদ
ব্যাখ্যা
“বিচ্ছেদ” শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ হচ্ছে - বি + ছেদ। এরূপ, পরিচ্ছেদ - পরি + ছেদ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
১৯.
“উন্নত” শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) উৎ + নত
  2. খ) উন্নী + ত
  3. গ) উৎ + নীত
  4. ঘ) উৎ + নিত
ব্যাখ্যা
উৎ + নত = উন্নত
উৎ + নীত = উন্নীত
উৎ + নয়ন = উন্নয়ন
উৎ + যোগ = উদ্যোগ
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ
২০.
“বৃষ্টি” শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) বিষ + তি
  2. খ) বৃ + ষ্টি
  3. গ) বৃষ + টি
  4. ঘ) বৃষ্‌ + তি
ব্যাখ্যা
ষ্‌ এর পরে ত্‌ বা থ্‌ থাকলে ত্‌ ও থ্‌ স্থানে যথাক্রমে ট ও ঠ হয়। যেমন-
বৃষ্টি - বৃষ্‌ + তি
কৃষ্টি - কৃষ্‌ + তি
ষষ্ঠ - ষষ্‌ + থ
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ
২১.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) MISIONARY
  2. খ) MISSIONARY
  3. গ) MISIONERY
  4. ঘ) MISSIONERY
ব্যাখ্যা
Missionary - a person sent on a religious mission, especially one sent to promote Christianity in a foreign country.
Source: Oxford
২২.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) CATASTROPHE
  2. খ) CETASTROPHE
  3. গ) CATASTROPHEE
  4. ঘ) CATASTROFEE
ব্যাখ্যা
Catastrophe - an event causing great and usually sudden damage or suffering; a disaster.
Source: Oxford
২৩.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) HETROGENUS
  2. খ) HETROGENEOUS
  3. গ) HETEROGENUS
  4. ঘ) HETEROGENEOUS
ব্যাখ্যা
Heterogeneous - diverse in character or content.
Source: Oxford
২৪.
Still waters run deep. এখানে ''Still'' শব্দটি-
  1. ক) Noun
  2. খ) Pronoun
  3. গ) Adjective
  4. ঘ) Adverb
ব্যাখ্যা
Still শব্দটি water noun কে modify করেছে। তাই এখানে still শব্দটি adjective.
২৫.
He kept the fast for a week. এখানে ''fast'' শব্দটি-
  1. ক) Noun
  2. খ) Pronoun
  3. গ) Adjective
  4. ঘ) Adverb
ব্যাখ্যা
Article এবং Preposition এর মাঝখানে একটি মাত্র word থাকলে সেটি noun হবে। তাই এখানে fast শব্দটি noun.
উল্লেখ্য যে, fast - রোজা রাখা অর্থে verb হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
২৬.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. ক) He will avail the opportunity.
  2. খ) I should take leave of you.
  3. গ) I have seen two deers.
  4. ঘ) Television is a wonderful discovery.
ব্যাখ্যা
অপশন খ সঠিক। কারণ, বিদায় নেওয়া অর্থে take leave of ব্যবহৃত হয়।
এছাড়া অপশন ক-তে avail of, গ-তে deer এবং ঘ-তে invention হলে বাক্যগুলো শুদ্ধ হতো।
২৭.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. ক) Good night, how are you?
  2. খ) Ali took admission into that college.
  3. গ) He asked me where did I go.
  4. ঘ) He always speaks the truth.
ব্যাখ্যা
Good night বিদায় সম্বোধক, তাই অপশন ক অশুদ্ধ বাক্য।
কলেজে ভর্তি হওয়া বুঝাতে got admission হবে, তাই অপশন খ অশুদ্ধ।
‘where did I’ এর পরিবর্তে ‘where I’ হলে অপশন গ এর বাক্যটি সঠিক হতো।
ব্যাকরণের নিয়মানুসারে অপশন ঘ সঠিক।
২৮.
Glass is made _____ bottles. বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
  1. ক) in
  2. খ) of
  3. গ) with
  4. ঘ) by
ব্যাখ্যা

Made from
We often use made from when we talk about how something is manufactured:

Plastic is made from oil.

Made of
We use made of when we talk about the basic material or qualities of something. It has a meaning similar to ‘composed of’:

She wore a beautiful necklace made of silver. Glass is made of bottles. 

Made out of
We usually use made out of when we talk about something that has been changed or transformed from one thing into another:

They were living in tents made out of old plastic sheets.

Made with
We use made with most often to talk about the ingredients of food and drink:

This dish is made with beef, red peppers, and herbs.
Source: Cambridge Dictionary

২৯.
Students should be attentive ____ their lessons. বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
  1. ক) in
  2. খ) with
  3. গ) to
  4. ঘ) of
ব্যাখ্যা
কিছুর প্রতি মনযোগী হওয়া বুঝাতে attentive to ব্যবহার করতে হয়।
If someone is attentive, they are very helpful and take care of you: He was very attentive to her when she was ill.
Source: Cambridge Dictionary
৩০.
His words conform ____ his work বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
  1. ক) with
  2. খ) by
  3. গ) in
  4. ঘ) to
ব্যাখ্যা

Conform with something — কোনো কিছুর সাথে মিল থাকা, যেমন: His words conform with his work.
অর্থ: তাঁর কথা ও কাজের মধ্যে মিল আছে।

অন্যদিকে, Conform to something — কোনো নিয়ম, মান, বা চাহিদা অনুযায়ী হওয়া, যেমন: All products must conform to safety standards.

৩১.
He was convinced _____ my honesty বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
  1. ক) with
  2. খ) of
  3. গ) by
  4. ঘ) in
ব্যাখ্যা
Convinced of - নিশ্চিত, আশ্বস্ত। যেমন - He is convinced of my honesty.
৩২.
'The girl is expert _____ drawing'. বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
  1. ক) in
  2. খ) to
  3. গ) with
  4. ঘ) at
ব্যাখ্যা

ব্যক্তিগত দক্ষতা বোঝানোর জন্য Expert at ব্যবহৃত হয়।
যেমন - My mother is an expert at dress-making (she does it very well).
একই ভাবে, The girl is expert at drawing.
Source: Cambridge Dictionary.
আবার, expert in, expert on - এর ব্যবহারও বহুল প্রচলিত। তাই এই ব্যাপারগুলো ভালোভাবে বুঝে পড়ে নেওয়াটা ভালো হবে।

৩৩.
“Let him sing a song''. বাক্যটির সঠিক পরিবর্তিত voice হবে-
  1. ক) Let a song sing by him.
  2. খ) Let a song be sung by him.
  3. গ) Let a song be sang by him.
  4. ঘ) Let a song sung by him.
ব্যাখ্যা
Let যুক্ত imperative বাক্যের passive গঠন - Let + object + be + V3 (past participle) + by + let পরবর্তি ব্যাক্তিবাচক object।
সুতরাং, “Let him sing a song'' এর passive voice হবে Let a song be sung by him.
৩৪.
“Who will help you?'' - বাক্যটির সঠিক পরিবর্তিত voice হবে-
  1. ক) By whom will you be helped?
  2. খ) By whom you will be helped?
  3. গ) By whom would you be helped?
  4. ঘ) By whom you would be helped?
ব্যাখ্যা
Who দ্বারা শুরু হওয়া বাক্যের passive form এর শুরু হয় By whom দ্বারা এরপর will + obj + be + verb এর past participle + extension. সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক বাক্য হবে -
৩৫.
“Do you know him?''বাক্যটির সঠিক পরিবর্তিত voice হবে-
  1. ক) Is he known by you?
  2. খ) Is he known to you?
  3. গ) Is he knew by you?
  4. ঘ) Was he known by you?
ব্যাখ্যা

ধাপ-০১ঃ শুরুতে Auxiliary verb যুক্ত Interrogative sentence কে Passive voice এ রূপান্তর করতে প্রথমেই বাক্যটিকে Assertive sentence এ রূপান্তরিত করতে হবে। যেমন, Do you know him? এর Assertive sentence হচ্ছে You know him.
ধাপ-০২ঃ Assertive sentence এর Active voice কে Passive voice- এ রূপান্তরের নিয়ম: Active Voice এর object‌ টি Passive voice এর subject হয় + Tense অনুযায়ী Auxiliary verb + মূল verb এর past participle + Active voice এর subject টি Passive voice এর object হয় এবং তার পূর্বে Preposition (by, with, at, to,in) বসে। আর known এরপর preposition to ব্যবহৃত হয়। যেমন- You know him এর passive voice হচ্ছে He is known to you.
Passive voice এর Assertive sentence কে Interrogative sentence এ রূপান্তরিত করতে হবে। যেমন, He is known to you এর Interrogative sentence হচ্ছে Is he known to you?

৩৬.
He said to me, ''May you have wealth.'' - বাক্যটির indirect speech হবে-
  1. ক) He wished me that I might have wealth.
  2. খ) He wished me that I might had wealth.
  3. গ) He wished me that I should have wealth.
  4. ঘ) He said to me that I might have wealth.
ব্যাখ্যা
Optative sentence হলে indirect speech করার সময় said এর পরিবর্তে wished / prayed হবে। এবং reporting verb অনুসারে tense এর পরিবর্তন হয়। এখানে তাই সঠিক indirect speech হবে - He wished me that I might have wealth.
৩৭.
You said to me, ''You do not do your duty.'' বাক্যটির indirect speech হবে-
  1. ক) You told me that I do not do my duty.
  2. খ) You said to me that I did not do my duty.
  3. গ) You said to me that I do not do my duty.
  4. ঘ) You told me that I did not do my duty.
ব্যাখ্যা
Said to থাকলে indirect speech এ told হবে এবং reporting verb এর tense কে অনুসরণ করে indirect speech এ পরিবর্তন আসবে।
এখানে তাই সঠিক indirect speech হবে - You told me that I did not do my duty.
৩৮.
Brief -এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) Profuse
  2. খ) Eloquent
  3. গ) Short
  4. ঘ) Copious
ব্যাখ্যা
Brief (adjective) - of short duration; not lasting for long; short.
Source: Oxford
৩৯.
Latent -এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) Concealed
  2. খ) Evident
  3. গ) Visible
  4. ঘ) Conspicuous
ব্যাখ্যা
Latent - dormant, quiescent, hidden, unrevealed, unexpressed, concealed.
Source: Oxford
৪০.
1+2+3+4+-----+20= কত?
  1. ক) 210
  2. খ) 212
  3. গ) 214
  4. ঘ) 220
ব্যাখ্যা
আমরা জানি,
সমষ্টি S = {n(n-1)/2}
= {20(20-1)/2}
= 210
৪১.
তিন সন্তানের বয়সের গড় ৬ বৎসর ও পিতাসহ তাদের বয়সের গড় ১৩ বৎসর হলে পিতার বয়স কত?
  1. ক) ৩২ বৎসর
  2. খ) ৩৩ বৎসর
  3. গ) ৩৪ বৎসর
  4. ঘ) ৩৬ বৎসর
ব্যাখ্যা
পিতার বয়স = (৪×১৩ - ৩×৬) = ৩৪
৪২.
একজন বোলার গড়ে ২০ রান দিয়ে ১২ উইকেট পান। পরবর্তী খেলায় গড়ে ৪ রান দিয়ে ৪টি উইকেট পান। তিনি গড়ে উইকেট প্রতি কত রান দিয়েছেন?
  1. ক) ১৪
  2. খ) ১৬
  3. গ) ১৮
  4. ঘ) ১৯
ব্যাখ্যা
একজন বোলার ১২ উইকেট পান = ১২×২০ = ২৪০ রানের বিনিময়ে
পরবর্তী খেলায় ৪ উইকেট পান = ৪×৪ = ১৬ রানের বিনিময়ে।
সুতরাং, তিনি গড়ে উইকেট প্রতি = (২৪০+১৬)/১৬ = ১৬ রান দিয়েছেন
৪৩.
পিতা ও মাতার বয়সের গড় ২৫ বৎসর। পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ১৮ বৎসর হলে পুত্রের বয়স কত?
  1. ক) ২ বৎসর
  2. খ) ৪ বৎসর
  3. গ) ৫ বৎসর
  4. ঘ) ৬ বৎসর
ব্যাখ্যা
পুত্রের বয়স = (১৮×৩ - ২×২৫) = ৪ বছর।
৪৪.
একজন দোকানদার প্রতি হালি ডিম ২৫ টাকা দরে ক্রয় করে প্রতি ২ হালি ৫৬ টাকা দরে বিক্রয় করলে তার শতকরা কত লাভ হবে?
  1. ক) লাভ ১২%
  2. খ) লাভ ১৪%
  3. গ) লাভ ১৬%
  4. ঘ) লাভ ১৭%
ব্যাখ্যা
১ হালি ডিমের ক্রয়মূল্য ২৫ টাকা হলে ২ হালি ডিমের ক্রয়মূল্য ৫০ টাকা
২ হালি ডিমের বিক্রয়মূল্য ৫৬ টাকা
অর্থাৎ, ৫০ টাকায় লাভ হয় ৬ টাকা
∴ ১০০ টাকায় লাভ হয় = ১০০×৬ / ৫০ = ১২ টাকা
৪৫.
একটি ছাগল ৮% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। ছাগলটি আরও ৮০০ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রয় করলে ৮% লাভ হতো। ছাগলটির ক্রয়মূল্য কত?
  1. ক) ৪৫০০ টাকা
  2. খ) ৫০০০ টাকা
  3. গ) ৫৫০০ টাকা
  4. ঘ) ৬০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্নমতে, ৮% + ৮% = ৮০০ টাকা
১৬% = ৮০০ টাকা
∴ ১০০% = ৮০০×১০০% / ১৬% = ৫০০০ টাকা
৪৬.
একজন দোকানদার ১ ডজন বলপেন ৬০ টাকায় ক্রয় করে ৭২ টাকায় বিক্রয় করলে তার শতকরা কত লাভ হবে?
  1. ক) ১৬%
  2. খ) ১৮%
  3. গ) ২০%
  4. ঘ) ২২%
ব্যাখ্যা
৬০ টাকায় লাভ হয় (৭২ - ৬০) = ১২ টাকা
সুতরাং, ১০০ টাকায় লাভ হয় = ১০০×১২ / ৬০ = ২০ টাকা
৪৭.
ক ও খ একত্রে একটি কাজ ১০ দিনে শেষ করতে পারে। খ একা কাজটি ১৪ দিনে শেষ করতে পারলে ক একা কত দিনে কাজটি শেষ করতে পারবে?
  1. ক) ২৭ দিনে
  2. খ) ৩০ দিনে
  3. গ) ৩২ দিনে
  4. ঘ) ৩৫ দিনে
ব্যাখ্যা
খ ১ দিনে করে কাজটির ১/১৪ অংশ
∴ খ ১০〃  〃    〃      ১০/১৪ 〃
                            = ৫/৭ অংশ
∴ ক ১০ দিনে করে কাজটির (১ - ৫/৭) বা ২/৭ অংশ
   ক ২/৭ অংশ কাজ করে ১০ দিনে
∴ ১ বা সম্পূর্ণ 〃 〃 ১০ × ৭/২ বা ৩৫ দিনে।
৪৮.
৫৬ জন শ্রমিক একটি কাজ ২১ দিনে শেষ করতে পারে। ১৪ দিনে কাজটি শেষ করতে হলে নতুন কত জন শ্রমিক লাগবে?
  1. ক) ২৮ জন
  2. খ) ২৪ জন
  3. গ) ২৬ জন
  4. ঘ) ৩০ জন
ব্যাখ্যা
২১ দিনে শেষ করতে পারে ৫৬ জন শ্রমিক
১৪ দিনে শেষ করতে পারে ৫৬×২১ / ১৪ = ৮৪ জন
∴ নতুন শ্রমিক লাগবে ৮৪ - ৫৬ = ২৮ জন
৪৯.
একটি রাস্তা মেরামত করতে ৩৫ জন শ্রমিকের ১২ দিন লাগলে ১৪ জন শ্রমিকের কত দিন লাগবে?
  1. ক) ২৪ দিন
  2. খ) ২৮ দিন
  3. গ) ৩০ দিন
  4. ঘ) ৩২ দিন
ব্যাখ্যা
৩৫ জন শ্রমিকের লাগে ১২ দিন
∴ ১৪ জন শ্রমিকের লাগে ৩৫×১২ / ১৪ = ৩০ দিন।
৫০.
দুইটি রাশির অনুপাত ৫ : ১১। উত্তর রাশি ৯৯ হলে পূর্বরাশি কত?
  1. ক) ৪২
  2. খ) ৪৫
  3. গ) ৪৮
  4. ঘ) ৫৬
ব্যাখ্যা
পূর্ব রাশি : উত্তর রাশি = ৫ : ১১
পূর্ব রাশি : ৯৯ = ৫ : ১১
∴ পূর্বরাশি = ৫ × ৯৯ / ১১ = ৪৫
৫১.
২৪ কে ৭ঃ৬ অনুপাতে বৃদ্ধি করলে নতুন সংখ্যা হবে -
  1. ক) ২৮
  2. খ) ৩২
  3. গ) ৩৫
  4. ঘ) ৩৮
ব্যাখ্যা
ধরি, নতুন সংখ্যাটি x
∴ x : ২৪ = ৭ : ৬
বা, x = ২৪×৭ / ৬ = ২৮
৫২.
সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ ১২০ ডিগ্রী হলে বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা হবে -
  1. ক) ৫
  2. খ) ৬
  3. গ) ৮
  4. ঘ) ১০
ব্যাখ্যা
{(n-2)/n} × 180 = 120 (n = বাহুর সংখ্যা)
3n - 6 = 2n
∴ n = 6
৫৩.
নিম্নলিখিত ভগ্নাংশগুলোর মধ্যে কোনটি বৃহত্তম?
  1. ক) ২/৩
  2. খ) ৩/৪
  3. গ) ৫/৯
  4. ঘ) ৭/১২
ব্যাখ্যা

২/৩ = ০.৬৭
৩/৪ = ০.৭৫
৫/৯ = ০.৫৬
৭/১২ = ০.৫৮
সুতরাং, বৃহত্তম ভগ্নাংশ = ৩/৪

৫৪.
কিসের তারতম্য থেকে আবহাওয়ার অবস্থা জানা যায়?
  1. ক) জলবায়ু
  2. খ) আর্দ্রতা
  3. গ) বৃষ্টিপাত
  4. ঘ) বায়ুচাপ
ব্যাখ্যা
বায়ু তার ওজনের কারণে ভূপৃষ্ঠের ওপর যে চাপ প্রয়োগ করে তাকে বায়ুচাপ বলে। বায়ুচাপের তারতম্য থেকে আবহাওয়ার অবস্থা জানা যায়।
৫৫.
ইউনেসকো (UNESCO) প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৪৫ সালে
  2. খ) ১৯৪৬ সালে
  3. গ) ১৯৪৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা
The United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization (UNESCO) প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৫ সালের ১৬ নভেম্বর লন্ডনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা ১৯৪৬ সালের ৪ নভেম্বর কার্যকর হয়। একই বছরের ১৯ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর প্যারিসে এর প্রথম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ইউনেস্কোর সদরদপ্তর ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত।
বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২৭ অক্টোবর ইউনেস্কোতে যোগ দেয়।
উৎসঃ ইউনেস্কো ওয়েবসাইট
৫৬.
জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব কে ছিলেন?
  1. ক) কফি আনান
  2. খ) হ্যামারশোল্ড
  3. গ) ট্রিগভেলি
  4. ঘ) বান কি মুন
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের প্রথম নির্বাচিত মহাসচিব ছিলেন - ট্রিগভেলি (১৯৪৬ - ১৯৫২)।
তার আগে ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ থেকে ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৬ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ নাগরিক - গ্লাডউইন জেব জাতিসংঘের ভারপ্রাপ্ত মহা সচিব হিসাবে দ্বায়িত্ব পালন করেন।
Source: UN
৫৭.
বাংলাদেশ কত সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ক) ১৯৭৪
  2. খ) ১৯৭৫
  3. গ) ১৯৭৬
  4. ঘ) ১৯৭৭
ব্যাখ্যা
১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে ১৩৬ তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট
৫৮.
“অপরাজেয় বাংলা” কী?
  1. ক) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চিত্রকর্ম
  2. খ) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য
  3. গ) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ম্যুরালচিত্র
  4. ঘ) একটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক স্থাপনা
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য অপরাজেয় বাংলা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সম্মুখ প্রাঙ্গনে অবস্থিত। এটির স্থপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ।
১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর এটি উদ্বোধন করা হয়।
অপরাজেয় বাংলা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী
৫৯.
বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন ব্যবস্থা চালু হয় কবে?
  1. ক) ১৯৯০ সালে
  2. খ) ১৯৯১ সালে
  3. গ) ১৯৯২ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন ব্যবস্থা চালূ হয় ৪ জানুয়ারী, ১৯৯০।
বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার চালু হয় ১৯৯৩ সালে।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
৬০.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৮টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ১১টি
  4. ঘ) ১২টি
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয়।
এ সরকার প্রথমে ১০ এপ্রিল সমগ্র দেশকে ৪ টি সেক্টরে ভাগ করে। ১১ এপ্রিল তা পুর্নগঠন করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন এবং ১১টি সেক্টরকে ৬৪টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না। এটি ছিলো নৌ সেক্টর।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী
৬১.
সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ কোনটি?
  1. ক) বুধ
  2. খ) বৃহস্পতি
  3. গ) মঙ্গল
  4. ঘ) শুক্র
ব্যাখ্যা
বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ এবং একে গ্রহরাজ বলা হয়।
বুধ বা মার্কারি হলো সূর্যের নিকটতম এবং ক্ষুদ্রতম গ্রহ।
পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ হলো ভেনাস বা শুক্র।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি
৬২.
ভারত-শ্রীলংকাকে পৃথক করেছে কোন প্রণালী?
  1. ক) ডোভার প্রণালী
  2. খ) বেরিং প্রণালী
  3. গ) মালাক্কা প্রণালী
  4. ঘ) পক প্রণালী
ব্যাখ্যা
ভারতকে শ্রীলংকা হতে পৃথক করেছে পক প্রণালী।
বেরিং প্রণালী আর্কটিক মহাসাগরকে বেরিং সাগরের সাথে সংযুক্ত করে এবং এশিয়া থেকে উত্তর আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
Source: Worldatlas & Britannica
৬৩.
কোনটি মৌলিক পদার্থ?
  1. ক) চিনি
  2. খ) নিয়ন
  3. গ) লবণ
  4. ঘ) পানি
ব্যাখ্যা
যে সব পদার্থকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত করলে ওই পদার্থ ছাড়া অন্য কোন পদার্থ পাওয়া যায়না তাদেরকে মৌল বা মৌলিক পদার্থ বলা হয়। এ পর্যন্ত মোট ১১৮টি মৌল চিহ্নিত হয়েছে যার মধ্যে ৯৪টি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, বাকী ২৪টি কৃত্রিম উপায়ে তৈরী করা হয়।
যেমন- হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন।
চিনি, পানি, লবণ এসব যৌগিক পদার্থ। কারণ এদেরকে বিশ্লেষণ করলে একাধিক মৌলিক পদার্থ পাওয়া যাবে।
উৎসঃ বিভিন্ন শ্রেনির বিজ্ঞান বোর্ড বই
৬৪.
কোন রঙের বস্তু তাপ শোষণ কম করে?
  1. ক) সাদা
  2. খ) কালো
  3. গ) বেগুনি
  4. ঘ) হলুদ
ব্যাখ্যা
সাদা রঙের জামার তাপ শোষণ ক্ষমতা কম। এজন্যই গ্রীষ্মকালে সাদা রঙের জামা অধিক আরামদায়ক। অন্যদিকে, কালো রঙের জামার তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি, সেজন্য তা গ্রীষ্মকালে ততটা আরামদায়ক হয় না।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৬৫.
কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) শূন্যতায়
  2. খ) কঠিন পদার্থে
  3. গ) তরল পদার্থে
  4. ঘ) বায়বীয় পদার্থ
ব্যাখ্যা
শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি কঠিন মাধ্যমে এবং সবচেয়ে কম বায়বীয় মাধ্যমে।
উল্লেখ্য, শব্দ মাধ্যম ছাড়া পরিবাহিত হতে পারে না। তাই শূণ্যতায় শব্দের কোন অস্তিত্বই নেই, গতি কম বা বেশি হওয়ার তো প্রশ্নই আসে না।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বই
৬৬.
ভূপৃষ্ঠে কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি আছে?
  1. ক) তামা
  2. খ) দস্তা
  3. গ) অ্যালুমিনিয়াম
  4. ঘ) সীসা
ব্যাখ্যা
ভূপৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু (৮.১%)। লোহার পরিমাণ ৫%, ক্যালসিয়াম ৩.৬%।
Source: space.com
৬৭.
নিচের কোন যৌগটি “ভিটামিন সি”?
  1. ক) অ্যাসকরবিক এসিড
  2. খ) সাইট্রিক এসিড
  3. গ) অ্যাসিটিক এসিড
  4. ঘ) অক্সালিক এসিড
ব্যাখ্যা
ভিটামিন সি (অ্যাসকরবিক এসিড) - টাটকা শাক সবজি এবং টাটকা ফলে এই ভিটামিন পাওয়া যায়৷ লেটুস, কাচামরিচ, ফুলকপি করলা, টম্যাটো, আনারস, পেয়ারা ইত্যাদিতে এই ভিটামিন পাওয়া যাত।
শুকনা ফল ও বীজে এবং টিনজাত খাবারে এই ভিটামিন পাওয়া যায় না৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী
৬৮.
কোনটি সাবানকে শক্ত করে?
  1. ক) সোডিয়াম কার্বনেট
  2. খ) সোডিয়াম সালফেট
  3. গ) সোডিয়াম ক্লোরাইড
  4. ঘ) সোডিয়াম সিলিকেট
ব্যাখ্যা

সাবান সাধারণত শক্ত এবং কোমল এই দুই শ্রেণীতে বিভক্ত।
শক্ত সাবান তৈরিতে কষ্টিক সোডা এবং কোমল সাবান তৈরিতে কস্টিক পটাসের ব্যবহার হয়ে থাকে।
সাধারণত তুলনামূলক শক্ত ধরনের সাবান তৈরীর জন্যে সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড (NaOH) এবং কোমল ধরনের সাবানের জন্যে পটাশিয়াম হাইড্রক্সাইড (KOH) ব্যবহার করা হয়।
এছাড়াও, সাবানকে শক্ত ও ভারী করার জন্য সোডিয়াম সিলিকেট (Na2SiO3) ব্যবহার করা হয়। তবে, এটা পরিমাণমত ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যাতে বেশি শক্ত হয়ে না যায়।

৬৯.
বিলিরুবিন তৈরি হয়-
  1. ক) কিডনীতে
  2. খ) যকৃতে
  3. গ) পিত্তথলিতে
  4. ঘ) প্লিহায়
ব্যাখ্যা
Bilirubin, a brownish yellow pigment of bile, secreted by the liver in vertebrates, which gives to solid waste products (feces) their characteristic colour. It is produced in bone marrow cells and in the liver as the end product of red-blood-cell (hemoglobin) breakdown.
Source: Britannica
৭০.
গাছের পাতা পীত বর্ণ ধারণ করে কিসের অভাবে?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) ম্যাগনেসিয়াম
  3. গ) আয়রন
  4. ঘ) পটাশিয়াম
ব্যাখ্যা
নাইট্রোজেনের অভাবে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে ব্যাঘাত ঘটে। তাই এর অভাবে পাতা হলুদ বা পীত বর্ণের হয়। এ প্রক্রিয়াকে ক্লোরোসিস বলে। কোষের বৃদ্ধি ও বিভাজন হ্রাস পায়। ফলে উদ্ভিদের বৃদ্ধি কমে যায়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি
৭১.
মানুষের ক্রোমোজোমের সংখ্যা কত?
  1. ক) ১৮ জোড়া
  2. খ) ২০ জোড়া
  3. গ) ২২ জোড়া
  4. ঘ) ২৩ জোড়া
ব্যাখ্যা
মানবদেহে ক্রোমোজোমের সংখ্যা হলো ২৩ জোড়া।এর মধ্যে এক জোড়া সেক্স ক্রোমোসোম এবং ২২ জোরা অটোসোম।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণী, জীববিজ্ঞান
৭২.
বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা প্রথম শুরু হয়-
  1. ক) ১৯৩০ সালে
  2. খ) ১৯৩১ সালে
  3. গ) ১৯৩২ সালে
  4. ঘ) ১৯৩৪ সালে
ব্যাখ্যা
বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা প্রথম শুরু হয় ১৯৩০ সালে। ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম আসরটি অনুষ্ঠিত হয় উরুগুয়েতে। প্রথম আসরে ১৩ টি দল অংশ নেয়। সেই আসরে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে উরুগুয়ে চ্যাম্পিয়ান হয়।
উৎসঃ ব্রিটানিকা
৭৩.
১৯৩০ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম বিশ্বকাপ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন দেশ-
  1. ক) ব্রাজিল
  2. খ) উরুগুয়ে
  3. গ) ফ্রান্স
  4. ঘ) ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা প্রথম শুরু হয় ১৯৩০ সালে। ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম আসরটি অনুষ্ঠিত হয় উরুগুয়েতে। প্রথম আসরে ১৩ টি দল অংশ নেয়। সেই আসরে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে উরুগুয়ে চ্যাম্পিয়ান হয়।
উৎসঃ ব্রিটানিকা
৭৪.
বায়ুর আর্দ্রতা পরিমাপ করার যন্ত্রের নাম কি?
  1. ক) এ্যাভোমিটার
  2. খ) ব্যারোমিটার
  3. গ) হাইগ্রোমিটার
  4. ঘ) অ্যামিটার
ব্যাখ্যা
গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ম্যানোমিটার,
বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ব্যারোমিটার,
আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র - হাইগ্রোমিটার এবং
উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র - পাইরোমিটার।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং মাধ্যমিক বিজ্ঞান
৭৫.
ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপনের সময় মোগল সুবেদার কে ছিলেন?
  1. ক) ইসলাম খাঁন
  2. খ) শায়েস্তা খাঁন
  3. গ) ইব্রাহীম খাঁন
  4. ঘ) মীর জুমলা
ব্যাখ্যা
মুঘল সুবাদার ইসলাম খান চিশতি বারোভূঁইয়াদের দমন করার সহজার্থে ১৬১০ সালে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন। তৎকালীন মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে তিনি ঢাকার নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর। ইসলাম খান চিশতি ১৬১১ সালে বারোভূঁইয়াদের চূড়ান্তভাবে পরাজিত করে সমগ্র বাংলা মুঘল শাসনের অধীনে আনেন।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী
৭৬.
ময়মনসিংহ জেলার পূর্ব নাম-
  1. ক) জালালাবাদ
  2. খ) ইসলামাবাদ
  3. গ) নাসিরাবাদ
  4. ঘ) সিংহগ্রাম
ব্যাখ্যা
মোগল আমলে মোমেনশাহ নামে একজন সাধক ছিলেন, তাঁর নামেই মধ্যযুগে অঞ্চলটির নাম হয় মোমেনশাহী। ষোড়শ শতাব্দীতে বাংলার স্বাধীন সুলতান সৈয়দ আলাউদ্দিন হোসেন শাহ তাঁর পুত্র সৈয়দ নাসির উদ্দিন নসরত শাহ'র জন্য এ অঞ্চলে একটি নতুন রাজ্য গঠন করেছিলেন, সেই থেকেই নসরতশাহী বা নাসিরাবাদ নামের সৃষ্টি। নাসিরাবাদ নাম পরিবর্তন হয়ে ময়মনসিংহ হয় একটি ভুলের কারণে। বিশ টিন কেরোসিন বুক করা হয়েছিল বর্জনলাল এন্ড কোম্পানীর পক্ষ থেকে নাসিরাবাদ রেল স্টেশনে। এই মাল চলে যায় রাজপুতনার নাসিরাবাদ রেল স্টেশনে। এ নিয়ে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়। পরবর্তীতে আরো কিছু বিভ্রান্তি ঘটায় রেলওয়ে স্টেশনের নাম পরিবর্তন করে ময়মনসিংহ রাখা হয়। সেই থেকে নাসিরাবাদের পরিবর্তে ময়মনসিংহ ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
উৎসঃ ময়মনসিংহ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট
৭৭.
তালিবাবাদ উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্রটি চালু হয়?
  1. ক) ১৯৮০ সালে
  2. খ) ১৯৮১ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ৪টি। বেতবুনিয়া (রাঙ্গামাটি), ১৯৭৫; তালিবাবাদ (গাজীপুর), ১৯৮২; মহাখালী (ঢাকা), ১৯৯৫ এবং সিলেট, ১৯৯৭।
উৎসঃ দৈনিক পত্রিকা এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন
৭৮.
তালিবাবাদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) নরসিংদী
  2. খ) খুলনা
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
তালিবাবাদ ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূ-উপগ্রহকেন্দ্র। তালিবাবাদ গাজিপুরের কালিয়াকৈরে অবস্থিত। ভূ উপগ্রহ কেন্দ্রের জন্য এই জায়গা প্রসিদ্ধ হয়ে আছে।
উৎসঃ দৈনিক পত্রিকা এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন
৭৯.
বাংলাদেশের জ্বালানি তৈল শোধনাগারটি অবস্থিত-
  1. ক) ঢাকায়
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) খুলনায়
  4. ঘ) সিলেটে
ব্যাখ্যা
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড বাংলাদেশের একমাত্র জ্বালানি তেল পরিশোধন স্থাপনা, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান এবং একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি। কোম্পানি আইন ১৯১৩ (সংশোধিত, ১৯৯৪) অনুযায়ী এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়। একদল পাকিস্তানি শিল্প-উদ্যোক্তা ১৯৬৩ সালে এ প্রকল্পটির উদ্যোগ নেয় এবং চট্টগ্রাম শহরের প্রান্তে কর্ণফুলি নদীর তীরে ১৫ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা প্রারম্ভিক ব্যয়ের মাধ্যমে এ পরিশোধনাগারটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৬৮ সাল থেকে পরিশোধন কেন্দ্রটিতে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়। ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড তাদের নিজস্ব পরিশোধন ইউনিটের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল শোধিত করে থাকে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৮০.
বাংলাদেশে একমাত্র অস্ত্র তৈরি কারখানাটি অবস্থিত-
  1. ক) গাজীপুরে
  2. খ) ঢাকা জেলায়
  3. গ) চট্টগ্রাম জেলায়
  4. ঘ) রাজশাহী জেলায়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা একটি প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠান। ১৯৭০ সালে এটি গাজীপুর জেলায় প্রতিষ্ঠিত হয়। অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে এই কারখানায় হালকা ও ছোট আকারের অস্ত্রশস্ত্র উৎপাদিত হয়। বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা পাঁচটি শাখা-কারখানায় বিভক্ত।
উৎসঃ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়