ব্যাখ্যা
rich in:
Bangla meaning: সমৃদ্ধ।
Complete sentence: Bangladesh is rich in natural gas.
Bangla: বাংলাদেশ প্রাকৃতিক গ্যাসে সমৃদ্ধ।
Source: Accessible Dictionary.
জব সল্যুশন [১৪তম - ২০তম গ্রেড] · ১২ মার্চ, ২০২৬ · ৫০ প্রশ্ন
rich in:
Bangla meaning: সমৃদ্ধ।
Complete sentence: Bangladesh is rich in natural gas.
Bangla: বাংলাদেশ প্রাকৃতিক গ্যাসে সমৃদ্ধ।
Source: Accessible Dictionary.
সঠিক উত্তর হলো: ঘ) exclamatory.
How charming the sight is! → বিস্ময় ও আনন্দ প্রকাশ করছে → exclamatory.
• Exclamatory Sentence:
- যে sentence-এ বক্তার মনের আকস্মিক আবেগ-দুঃখ, রাগ, বিস্ময়, সুখ ইত্যাদি- সক্রিয়ভাবে প্রকাশ পায় তাকে Exclamatory Sentence বলে।
- An exclamatory sentence is a sentence which expresses a sudden emotion or strong feeling of human mind.
• Exclamatory Sentence এ,
- মানব মনের আকস্মিক আবেগ প্রকাশ করে।
- Verb এর আগে subject বসে।
- বাক্যটির শেষে একটি note of exclamation বা বিস্ময়বোধক চিহ্ন (!) ব্যবহৃত হয় ।
- বাক্যটি What এবং How দিয়ে শুরু হয়।
- What দিয়ে Exclamatory Sentence শুরু হলে What এর পর 'a' বা 'an' বসে।
More Examples of Exclamatory Sentences:
- How fine the picture is!
- What a big ant it is!
- What a talented musician he is!
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে -the.
- Complete sentence: Man is the architect of his own fate.
- Bangla Meaning: মানুষ তার নিজ জীবনের স্থপতি।
- এটি একটি ইংরেজী প্রবাদ বাক্য।
Complete sentence: Which is the cheaper of the two?
ইংরেজি ব্যাকরণে যখন মাত্র দুটি জিনিসের মধ্যে তুলনা করা হয়, তখন adjective-এর comparative degree ব্যবহার করতে হয়।
- দুটি জিনিসের মধ্যে তুলনা করা হয়, তখন Comparative degree ব্যবহার করতে হয় → the + adjective + er.
অন্য অপশনগুলো ভুল:
ক) cheep → ভুল স্পেলিং (এটা পাখির ডাকের শব্দ, সস্তার সাথে সম্পর্ক নেই)।
গ) the cheapest → superlative degree, দুটির জন্য নয়।
ঘ) the cheap → ভুল (the + positive degree এভাবে ব্যবহার হয় না)।
Complete sentence: He said nothing for a long time.
• For এর ব্যবহার:
- Period of time এর পূর্বে for বসে।
- Period of time হচ্ছে সেই সময়কাল যাকে সময় গণনার একক (সেকেন্ড, মিনিট, ঘন্টা, সপ্তাহ, মাস, বছর ইত্যাদি) দ্বারা গণনা করা হয়। যেমন- এক সেকেন্ড, এক মিনিট, এক ঘন্টা, এক সপ্তাহ, এক মাস, এক বছর, দুই বছর, ইত্যাদি।
- ব্যতিক্রম (for) a long time (অনেক/দীর্ঘ সময়/ক্ষণ/দিন।)।
যেমন:
- He said nothing for a long time.
- We have been reading in this school for four years.
- Sumi has been working here for six months.
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - wins.
- Complete Sentence: Slow and steady wins the race.
• সমজাতীয় একাধিক noun যেমন- bread and butter, slow and steady ইত্যাদি দ্বারা যদি একই জিনিসকে বুঝায় তাহলে সেটি singular হয়।
- তাই verb ও singular.
- এছাড়া, "Slow and steady wins the race."
- এটি একটি প্রবাদ।
- সে হিসেবেও শূন্যস্থানে wins বসানোই যৌক্তিক।
Complete sentence: We need as many people as possible.
এখানে people একটি countable noun.
Countable noun-এর সঙ্গে as … as possible এর ক্ষেত্রে many ব্যবহার করতে হয়।
• Countable Noun:
- যেসব Noun গণনা করা যায় সেগুলিকে Countable Noun বলে।
- Countable Noun এর পূর্বে 'many' বসে।
অন্য অপশনগুলো ভুল:
ক) enough - "as enough people as possible" বলা যায় না। enough-এর সঙ্গে as … as possible এভাবে ব্যবহার হয় না।
খ) much - much শুধু uncountable noun এর সঙ্গে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: as much water / as much time / as much money কিন্তু people-এর সঙ্গে much বসে না।
ঘ) most - "as most people as possible" বলা যায় না। most সাধারণত superlative-এ ব্যবহৃত হয় (the most people).
Source: Advanced Learner's English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain.
He runs fast. Here 'fast' is - an adverb.
এখানে “fast” শব্দটি “runs” (verb) কে modify করছে।
অর্থাৎ, সে কীভাবে দৌড়ায় - দ্রুত (fast).
- যখন কোনো শব্দ verb-কে modify করে, তখন সেটি adverb হয়।
• Adverb:
- যে word একটি verb, adjective, অন্য adverb বা পুরো বাক্যকে modify করে তাকে adverb বলে।
• Fast: [adverb]
English meaning: quickly.
Bangla meaning: দ্রুত; তাড়াতাড়ি।
Example:
- Don't drive so fast!
- How fast were you going?
Source: Oxford Dictionary.
সঠিক উত্তর হলো: ক) is.
Complete sentence: All that glitters is not gold.
এটি একটি বিখ্যাত ইংরেজি প্রবাদ
এর অর্থ হলো: যা চকচক করে/ঝকঝকে দেখায় তা সবসময় সোনা/মূল্যবান জিনিস নয়। অর্থাৎ বাইরের চেহারা দেখে কোনো কিছুকে মূল্যবান মনে করা ঠিক নয়, ভেতরে অনেক সময় মূল্যহীন বা খারাপ হতে পারে।
এই প্রবাদটি শেক্সপিয়রের The Merchant of Venice নাটক থেকে এসেছে।
• The Merchant of Venice
- উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের একটি বিখ্যাত নাটক।
- এটি একটি five acts বিশিষ্ট tragy-comedy.
- ১৫৯৬-৯৭ সালের দিকে এটি লেখা হয়েছিল।
- এক ইহুদি সুদখোর বা A jew 'Shylock' -এর কাহিনি নিয়ে এটি রচিত।
- Shylock in Merchant of Venice was a Jewish moneylender.
- এই নাটকে প্রেম, বন্ধুত্ব, প্রতিশোধ এবং ন্যায়বিচারের সংঘাত দেখা যায়।
সঠিক উত্তর হলো: গ) a little
পূর্ণ বাক্য: The glass contains a little drinking water.
Water হলো একটা uncountable noun.
- Uncountable noun-এর সাথে a little ব্যবহার করা হয় যখন অল্প পরিমাণ বোঝাতে চাই (এবং সাধারণত positive অর্থে, অর্থাৎ কিছু আছে)।
- a little - অল্প কিছু (positive sense).
Example: There is a little water left. (কিছু পানি আছে।)
অন্য অপশনগুলো ভুল:
ক) several - এটা countable noun-এর জন্য ব্যবহার হয় (several books, several people)। পানির সাথে ব্যবহার হয় না।
খ) many - countable plural noun-এর জন্য (many glasses, many books)। Uncountable-এর সাথে much হয় (much water), কিন্তু many হয় না।
ঘ) a few - countable plural noun-এর জন্য (a few books, a few glasses)। পানির মতো uncountable-এর সাথে ব্যবহার হয় না।
• 'মেঘ' শব্দের বহুবচন মেঘমালা।
বচন:
- বচন ব্যাকরণের একটি পারিভাষিক শব্দ।
- এর অর্থ সংখ্যার ধারণা। ব্যাকরণে বিশেষ্য বা সর্বনামের সংখ্যাগত ধারণা প্রকাশের উপায়কে বলে বচন।
- কেবল বিশেষ্য ও সর্বনাম শব্দের বচনভেদ হয়।
• প্রাণী বা বস্তুর নামকে বহুবচন করতে ‘সব’, ‘সমূহ’, ‘আবলি’, ‘মালা' ইত্যাদি লগ্নক যোগ করতে হয়।
যেমন:
- সব - ভাইসব, পাখিসব।
- সমূহ - গ্রন্থসমূহ, বৃক্ষসমূহ।
- আবলি - নিয়মাবলি, রচনাবলি।
- মালা - মেঘমালা, পর্বতমালা।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
• 'যথার্থ' শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ - যথা+অর্থ।
• অ-কার কিংবা আকারের পর অ-কার কিংবা আ-কার থাকলে উভয়ে মিলে আ-কার হয়, আ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন
- অ + অ = আ নর+ অধম = নরাধম। এরূপ-হিমাচল, প্রাণাধিক, হস্তান্তর, হিতাহিত ইত্যাদি।
- অ + আ = আ হিম + আলয় = হিমালয়। এরূপ - দেবালয়, রত্নাকর, সিংহাসন ইত্যাদি।
- আ + অ = আ যথা + অর্থ = যথার্থ। এরূপ — আশাতীত, কথামৃত, মহার্ঘ ইত্যাদি।
- আ + আ = আ বিদ্যা+ আলয় = বিদ্যালয়। এরূপ- কারাগার, মহাশয়, সদানন্দ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম- দশম শ্রেণি, (২০১৯ সংস্করণ)।
• কুসুমকুমারী দাশের বিখ্যাত কবিতা আদর্শ ছেলে।
- তাঁর রচিত এই কবিতা পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করায় সর্বাধিক পরিচিত।
• কুসুমকুমারী দাশ:
- তিনি ১৮৮২ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর গদ্যগ্রন্থের নাম- পৌরাণিক আখ্যায়িকা।
- কুসুমকুমারী দাশ হলেন জীবনানন্দ দাশের মাতা।
- কুসুমকুমারী দাশ শিশুদের জন্য রচনা করেন 'কবিতা-মুকুল'।
- তাঁর কবিতা প্রকাশিত হত 'প্রবাসী, ব্রহ্মবাদী, মুকুল প্রভৃতি পত্রিকায়।
আদর্শ ছেলে
কুসুমকুমারী দাশ।
আমাদের দেশে সেই ছেলে কবে হবে
কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে?
মুখে হাসি বুকে বল, তেজে ভরা মন
'মানুষ হইতে হবে'- এই তার পণ।
বিপদ আসিলে কাছে হও আগুয়ান
নাই কি শরীরে তব রক্ত, মাংস, প্রাণ?
হাত পা সবারই আছে, মিছে কেন ভয়?
চেতনা রয়েছে যার, সে কি পড়ে রয়?
সে ছেলে কে চাই বল, কথায় কথায়
আসে যার চোখে জল, মাথা ঘুরে যায়?
মনে প্রাণে খাট সবে, শক্তি কর দান,
তোমরা 'মানুষ' হলে দেশের কল্যাণ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও আমার বাংলা বই তৃতীয়-শ্রেণি।
• তুমি, তোমরা সর্বনামগুলো দিয়ে শ্রোতাপক্ষ পক্ষ বোঝায়।
• পুরুষ তিন প্রকার।
যেমন:
- উত্তম পুরুষ,
- মধ্যম পুরুষ,
- নাম পুরুষ।
• উত্তম পুরুষ:
ক্রিয়ার কর্তা নিজেকে বুঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহার করে, তাকে উত্তম পুরুষ বলে।
যেমন: আমি, আমরা ইত্যাদি।
• মধ্যম পুরুষ:
বক্তা যার সাথে কথা বলে তাকে বুঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহার করে, তাকে মধ্যম পুরুষ বলে।
যেমন: তুমি, তােমরা, আপনি ইত্যাদি।
• নাম পুরুষ:
বক্তা যার সম্পর্কে কিছু বলে তাকে বুঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহার করে, তাকে নাম পুরুষ বলে।
যেমন: সে, তারা, ওরা, করিম, এটা ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• 'বচন':
- বচন ব্যাকরণের একটি পারিভাষিক শব্দ।
- এর অর্থ সংখ্যার ধারণা। ব্যাকরণে বিশেষ্য বা সর্বনামের সংখ্যাগত ধারণা প্রকাশের উপায়কে বলে বচন।
- কেবল বিশেষ্য ও সর্বনাম শব্দের বচনভেদ হয়।
বাংলা ভাষায় বচন দুই প্রকার:
» একবচন। যেমন - একটি বই, একজন খেলোয়াড়।
» বহুবচন। যেমন- মেয়েরা স্কুলে যাচ্ছ, আমাকে দুটি কলম দিন, তিনজন লোক একসঙ্গে গান গাইছে ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
- 'কাঁচা' এর বিপরীতার্থক শব্দ - পাকা।
অন্যদিকে,
- গুণ শব্দের বিপরীতর্থক শব্দ - দোষ।
- অপরিপক্ক শব্দের বিপরীতর্থক শব্দ - পরিপক্ক।
- পুণ্য শব্দের বিপরীতর্থক শব্দ - পাপ।
• আরো কিছু বিপরীতার্থক শব্দ:
- 'আকুঞ্চন' শব্দের বিপরীতর্থক শব্দ = প্রসারণ।
- সওয়াল (প্রশ্ন) এর বিপরীতার্থক শব্দ - জবাব।
- শুচি (পবিত্র) এর বিপরীতার্থক শব্দ - অশুচি।
- বিচিত্র এর বিপরীতার্থক শব্দ - একবর্ণা।
- 'সংহত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ = বিভক্ত।
- 'প্রসারিত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ = সংকুচিত।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে সাধু ভাষার জনক বলা হয়।
• সাধু ভাষা বাংলা লেখ্য গদ্যের অপেক্ষাকৃত প্রাচীন রূপ; এর নবীন ও বর্তমানে বহুল প্রচলিত রূপটি হলো চলিত। বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণদান করেছেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- এর আগে তা ছিলো প্রস্তরবৎ।
- বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিন্যাস ও যতিসন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্প গুণান্বিত করে তোলেন। বাংলা গদ্যের অন্তর্নিহিত ধ্বনিঝংকার ও সুরবিন্যাস তিনিই প্রথম উপলব্ধি করেন এবং বাংলা গদ্যকে শ্বাসপর্ব ও অর্থপর্ব অনুসারে ভাগ করে সেখানে যতিচিহ্ন স্থাপন করেন।
- বিদ্যাসাগরের পরিকল্পিত সাধুভাষা তাই পরবর্তীকালে আদর্শ সাধুভাষা রূপে গৃহীত হয়।
- তাই ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে সাধু ভাষার জনক বলা হয়।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• অক্ষর (Syllable):
- অক্ষর (Syllable) বলতে বোঝায় কথার টুকরো অংশ।
- কথা বলার সময় আমরা এ-অংশই উচ্চারণ করি। একে উচ্চারণের একক (unit) ধরা হয়।
একে দল-ও বলে।
- অক্ষর অনুযায়ী যেসব ভাষা লেখার ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে তাকে বলে অক্ষরভিত্তিক লিখনরীতি।
যেমন- জাপানি ভাষা।
উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ষষ্ঠ শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)
• 'ধূমকেতু' কাজী নজরুল ইসলামের ছদ্মনাম।
• এছাড়াও,
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অনেকগুলো ছদ্মনাম রয়েছে।
যেমন:
- ধূমকেতু,
- নুরু,
- ব্যাঙাচি,
- নজর আলী ইতাদি।
• কাজী নজরুল ইসলাম:
কাজী নজরুল ইসলাম,(১৮৯৯-১৯৭৬) বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- নজরুল ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ এবং আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।
- তিনি ধূমকেতু ছদ্মনামে লিখতেন।
- করাচি সেনানিবাসে বসে রচিত এবং কলকাতার বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত নজরুলের রচনাবলির মধ্যে রয়েছে ‘বাউন্ডুলের আত্মকাহিনী’ (সওগাত, মে ১৯১৯) নামক প্রথম গদ্য রচনা।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা ‘মুক্তি’ (বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা, জুলাই ১৯১৯)।
- ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে কুমিল্লা থেকে কলকাতা ফেরার পর নজরুলের দুটি ঐতিহাসিক ও বৈপ্লবিক সৃষ্টিকর্ম হচ্ছে ‘বিদ্রোহী’ কবিতা ও ‘ভাঙার গান’ সঙ্গীত। এ দুটি রচনা বাংলা কবিতা ও গানের ধারাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছিল; ‘বিদ্রোহী’ কবিতার জন্য নজরুল বিপুল খ্যাতি ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• গাছের সমার্থক শব্দ নয় অদ্রি।
'অদ্রি' শব্দের অর্থ :
- পর্বত।
- বৃক্ষ।
- সূর্য।
• ‘গাছ’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- বৃক্ষ, তরু, দ্রুম, শাখী, পাদপ, মহীরুহ, উদ্ভিদ্, অটবি, বিটপি, পর্ণী, গাছপালা, পল্লবী।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
প্রশ্নে সঠিক অপশন না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হল।
*****************************************************
প্রশ্ন: একটি সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণসংলগ্ন বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৬ সে.মি এবং ৪ সে.মি হলে, ক্ষেত্রফল কত হবে?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণসংলগ্ন বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৬ সে.মি এবং ৪ সে.মি।
আমারা জানি,
সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১/২) × ভূমি × উচ্চতা
এখানে যেহেতু সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণসংলগ্ন বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য উল্লেখ আছে, তাহলে ভূমি হবে ৬ সে.মি অথবা ৪ সে.মি এবং উচ্চতা হবে ৬ সে.মি অথবা ৪ সে.মি।
∴ সমকোণী ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল = (১/২) × ৬ × ৪ বর্গ সে.মি.
= ২৪/২ বর্গ সে.মি.
= ১২ বর্গ সে.মি.
প্রশ্ন: ৫% ভ্যাটে ৪০৮০ টাকার বিল ভ্যাটের পরিমাণ কত টাকা?
সমাধান:
দেওয়া আছে
মূল বিল = ৪০৮০ টাকা
ভ্যাট = ৫%
∴ ভ্যাটের পরিমাণ = ৪০৮০ টাকার ৫%
= ৪০৮০ × (৫/১০০)
= ৪০৮/২
= ২০৪ টাকা
প্রশ্ন: x এর ১০% যদি y এর ২০% এর সমান হয় তবে x : y = কত?
সমাধান:
প্রশ্নমতে,
x এর ১০% = y এর ২০%
⇒ ১০x/১০০ = ২০y/১০০
⇒ x/১০ = y/৫
⇒ x/y = ১০/৫
⇒ x/y = ২/১
∴ x : y = ২ : ১
প্রশ্ন: ১ মিটার = কত ইঞ্চি (প্রায়)?
সমাধান:
আমরা জানি,
• ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সে. মি. (প্রায়)।
• ১ গজ = ০.৯১৪৪ মি. (প্রায়)।
• ১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি (প্রায়)।
• ১ কি. মি. = ০.৬২ মাইল (প্রায়)।
• ১ মাইল = ১.৬১ কি. মি. (প্রায়)।
প্রশ্ন: একজন ব্যবসায়ী প্রতিদিন ২০ কে.জি ৪০০ গ্রাম ডাল বিক্রয় করলে, মাসে কী পরিমাণ ডাল বিক্রয় করতে পারেন?
সমাধান:
আমারা জানি,
১০০০ গ্রাম = ১ কে.জি
∴ ১ গ্রাম = (১/১০০০) কে.জি
∴ ৪০০ গ্রাম = (৪০০/১০০০) কে.জি = ২/৫ কে.জি
এখন,
একজন ব্যবসায়ী প্রতিদিন ডাল বিক্রয় করেন = ২০ কে.জি ৪০০ গ্রাম
= {২০ + (২/৫)} কে.জি
= ১০২/৫ কে.জি
আবার, ১ মাস = ৩০ দিন
∴ মাসে ডাল বিক্রির পরিমাণ = {(১০২/৫) × ৩০} কে.জি
= (১০২ × ৬) কে.জি
= ৬১২ কে.জি
→ প্রথম কারা বর্ণমালা উদ্ভাবন করে ফিনিশীয়রা।
ফিনিশীয় সভ্যতা:
- ভূমধ্যসাগর এবং লেবানন পর্বতের মাঝে একখণ্ড সরু উপকূল অঞ্চলে ফিনিশীয় নামের ক্ষুদ্র রাষ্ট্রটি গড়ে উঠেছিল।
- ফিনিশীয়দের সামনে ছিল সাগর আর পিছনে ছিল পাহাড়।
- প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাসে ফিনিশীয়দের পরিচয় শ্রেষ্ঠতম নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে।
- মূলত ফিনিশীয়রাই প্রথম পৃথিবীর ইতিহাসে সমৃদ্ধ বাণিজ্যিক সভ্যতা গড়ে তোলে৷
- ফিনিশীয় নাবিকরা রাতে তারা দেখে জাহাজ চালাত৷
- এ কারণে ধ্রুবতারাকে অনেকে ফিনিশীয় তারা বলে থাকে।
- তারা ২২টি ব্যঞ্জনবর্ণের উদ্ভাবন করে।
তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
→ বাংলাদেশে ফরায়েজী আন্দোলনের উদ্যোক্তা ছিলেন হাজী শরীয়তুল্লাহ।
ফরায়েজি আন্দোলন:
- ফরায়েজি আন্দোলন ছিল একটি ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন।
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তুল্লাহ ফরায়েজী আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- তিনি বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলায় ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- ফরায়েজি শব্দটি আরবি ‘ফরজ’ (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে। যাঁরা ফরজ পালন করে তারাই ফরায়েজি।
- হাজী শরীয়তুল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয় (ফরজ) মৌলনীতি।
- তিনি ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব' অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন।
- জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে হাজী শরীয়তুল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
- ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে তার উপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
- ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পরে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর যোগ্যপুত্র মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ ওরফে দুদু মিয়া।
- তিনি ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দে জন্ম গ্রহণ করেন।
- দুদু মিয়া ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপদান করেন।
- ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে দুদু মিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়ে।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
Transparency International:
- TI এর পূর্ণরূপ Transparency International.
- এটি জার্মান ভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৯৩ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: পিটার ইজেন।
- সদর দপ্তর: বার্লিন, জার্মানি।
- এটি ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি ধারণা সূচক (CPI) প্রকাশ করে আসছে।
তথ্যসূত্র - Transparency International ওয়েবসাইট।
বাংলায় মুসলিম শাসন:
- বখতিয়ার খলজি আফগানিস্তানের গরমশীরের (দস্ত-ই-মার্গ) অধিবাসী ছিলেন।
- রাজধানী নদীয়া আক্রমন করে বখতিয়ার খলজি বাংলা দখল করেন।
- বখতিয়ার খলজি লক্ষন সেনকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন।
- বখতিয়ার খলজির বাংলা দখলের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা পায়।
- বখতিয়ার খলজি ১২০৪-০৫ সালে শীতকালীন সময়ে নদীয়া আক্রমণ করেছিলেন।
- নদীয়া দখলের পর বখতিয়ার খলজি গৌড় বা লক্ষ্মণাবতীর দিকে যাত্রা করেন। তিনি লক্ষ্মণাবতী অধিকার করে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন।
- এটি মুসলমান আমলে লখনৌতি নামে পরিচিত হয়।
- বাংলাদেশে বখতিয়ার খলজি রাজ্য পূর্বে তিস্তা ও করতোয়া নদী, দক্ষিণে পদ্মা নদী ও উত্তরে দিনাজপুর জেলার দেবকোট হয়ে রংপুর শহর অবধি ছিল।
- অতি সাধারণ অবস্থা থেকেই তিনি অল্প সময়ের মধ্যে নিজ প্রতিভাবলে লখনৌতিতে মুসলিম রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
- এ মুসলিম রাজ্যের প্রতিষ্ঠাই ছিল তাঁর জীবনের বড় কৃতিত্ব।
- বখতিয়ার খলজি বিজিত এলাকায় খুতবা পাঠ ও মুদ্রা প্রচলনের ব্যবস্থা করেন এবং সমগ্র এলাকাকে তাঁর সহকর্মী তুর্কি খলজি আমীরদের মধ্যে ভাগ করে দেন ।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ASEAN:
- ASEAN এর পূর্ণরূপ Association of Southeast Asian Nations.
- সংস্থাটি ১৯৬৭ সালের ৮ আগস্ট থাইল্যান্ডের ব্যাংককে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- সদর দপ্তর: জাকার্তা, ইন্দনেশিয়া।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ ৫ টি-
• ইন্দোনেশিয়া।
• মালয়েশিয়া।
• সিঙ্গাপুর।
• থাইল্যান্ড।
• ফিলিপাইন।
- সংস্থাটির বর্তমান সদস্য ১১টি দেশ।
- পরবর্তিতে সংযুক্ত হয়েছে- ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া, পূর্ব তিমুর।
তথ্যসূত্র - ASEAN এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
বাব এল-মান্দেব প্রণালী:
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী, আরবি বাব আল-মান্দব, আরব এবং আফ্রিকা (দক্ষিণ-পশ্চিম) মধ্যবর্তী প্রণালী।
- প্রণালীটির মোট দৈর্ঘ্য, পূর্ব-উত্তর-পূর্ব থেকে পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ১৪৮০ কিমি, এবং এর গড় প্রস্থ, উত্তর-উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ৪৮০ কিমি।
- এটি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্ত করে।
- প্রণালীটি এডেন উপসাগর, গভীর জলের অববাহিকা যা লোহিত সাগর এবং আরব সাগরের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সমুদ্র সংযোগ তৈরি করে।
- এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে বাব এল-মান্দেব প্রণালী।
- প্রণালীটি ৩২ কিমি প্রশস্ত এবং পেরিম দ্বীপ দ্বারা দুটি চ্যানেলে বিভক্ত।পশ্চিম চ্যানেলটি ২৬কিমি জুড়ে এবং পূর্ব দিকে ৩ কিমি প্রশস্ত।
- সুয়েজ খাল নির্মাণের সাথে, প্রণালীটি ভূমধ্যসাগর এবং পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগের একটি অংশ গঠন করে।
- প্রণালীটির আরবি নামের অর্থ ‘কান্নার দ্বার’।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
স্বাধীনতা পুরস্কার:
- স্বাধীনতা পুরস্কার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- জাতীয় জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশের নাগরিককে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এ পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রগুলি হলো স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে স্মরণীয় অবদান, ভাষা আন্দোলনে অবদান, শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা বিজ্ঞান, সাংবাদিকতা, জনসেবা, সামাজিক বিজ্ঞান, সঙ্গীত, ক্রীড়া, চারুকলা ও পল্লী উন্নয়নে অবদান।
- এ ছাড়া জাতীয় জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রে অসাধারণ কৃতিত্ব প্রদর্শনকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকেও এ পুরস্কারে ভূষিত করার বিধান রয়েছে।
- প্রতিটি পুরস্কারের মান একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র এবং নগদ অর্থ। পুরস্কারের নগদ অর্থের পরিমান সূচনালগ্নে ছিল বিশ হাজার টাকা।
- ২০০৪ সালে তা এক লক্ষ টাকায় উন্নীত হয়। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
→ ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের ফলে ভারতীয় উপমহাদেশের বস্ত্রশিল্প ধ্বংস হয়।
শিল্প বিপ্লব:
- শিল্প বিপ্লব সর্বপ্রথম ইংল্যান্ডে সংঘটিত হয়।
- ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হওয়ার নানা রকম কারণের মধ্যে একটি বড় কারণ ছিল পুঁজির জোগান।
- অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে প্রথমে ইংল্যান্ডে এবং পরে ইউরোপের অন্যান্য দেশে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি কাজে লাগিয়ে উৎপাদনব্যবস্থায় যে আমূল পরিবর্তন ঘটানো হয়, তা-ই শিল্প বিপ্লব নামে পরিচিত।
- ১৭৬০ সালে শুরু হওয়া শিল্প বিপ্লবের মাধ্যমে শিল্পায়নের সূত্রপাত।
- ১৭৮৪ সালে বাষ্পীয় ইঞ্জিন তৈরির মাধ্যমে যা ব্যাপক কলেবরে বৃদ্ধি পায়।
- ১৮৭০ সালে বিদ্যুৎ আবিষ্কারের মাধ্যমে মানুষ পেয়েছে আলোকিত বিশ্ব।
- ১৮৪৫ সালে আবার শিল্প বিপ্লব কথাটি ব্যবহার করেন জার্মান সমাজতন্ত্রী দার্শনিক ফ্রেডরিখ অ্যাঙ্গেলস।
- ১৮৮০ থেকে ৮১ সালে শিল্প বিপ্লব কথাটিকে জনপ্রিয় করেছিলেন বিশিষ্ট ব্রিটিশ ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি তাঁর লেখা 'Lectures on the Industrial Revolution in England' গ্রন্থে ব্যবহারের মাধ্যমে।
তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও যুক্তরাজ্যের ওয়েবসাইট।
নারীর ভোটাধিকার লাভ:
- বিশ্বে সর্বপ্রথম ১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
→ উল্লেখ্য:
- ১৯০২ সালে অস্ট্রেলিয়া নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯০৬ সালে ফিনল্যান্ড নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯১৫ সালে ডেনমার্কের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯১৮ সালে যুক্তরাজ্যের নারীরা নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯২০ যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
→ অন্যদিকে:
- মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ১৯১৮ সালে কিরগিজস্তানের নারীরা প্রথম ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯৩০ সালে তুর্কি নারীরা এবং ১৯৪৯ সালে আরববিশ্বে প্রথম সিরিয়ার নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে যথাক্রমে ১৯৪৭, ১৯৫০ এবং ১৯৭২ সালে।
তথ্যসূত্র - Ministry for Women New Zealand ওয়েবসাইট।
লাহোর প্রস্তাব:
- বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ কে ফজলুল হক ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব পেশ করেন।
- ১৯৪০ সালে লাহোর প্রস্তাব গৃহীত হয়।
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তি ছিল দ্বিজাতি তত্ত্ব।
- এ প্রস্তাবের কোথাও পাকিস্তান শব্দটি ছিল না।
- তথাপি এ প্রস্তাব ‘পাকিস্তান প্রস্তাব' হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
- এ প্রস্তাব ভারতীয় মুসলমানদের মধ্যে পৃথক আবাসভূমির স্বপ্ন বপন করে।
- কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ লাহোর প্রস্তাবের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে।
তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বেলফোর ঘোষণা:
- বেলফোর ঘোষণা হলো ব্রিটিশ ইহুদি সম্প্রদায়ের একজন নেতা ব্যারন রথচাইল্ডের কাছে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র সচিব আর্থার জেমস বেলফোরের লেখা একটি চিঠি।
- বেলফোর ঘোষণার সাথে ইহুদী রাষ্ট্র ইসরায়েল প্রতিষ্ঠা সরাসরিভাবে জড়িত।
- ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর তৎকালীন ব্রিটেনের পররাষ্ট্র সচিব এ জে বেলফো ব্রিটিশ জায়নিষ্ঠ ফেডারেশনের সভাপতি লর্ড রথচাইল্ডকে একটি চিঠি দেন।
- তিনি ফিলিস্তিনে একটি আলাদা রাষ্ট্র তৈরির প্রস্তাব দেন।
- ঐ চিঠির উদ্দেশ্য ছিল ইহুদীদের জন্য একটি আবাসভূমি প্রতিষ্ঠা।
- ইতিহাসে এটি বেলফোর ঘোষণা হিসেবে পরিচিত।
- ১৯২২ সালে জাতিপুঞ্জ (League of Nations) বেলফোর ঘোষণা অনুমোদন করে।
- ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ প্যালেস্টাইন অধ্যুষিত আরব এলাকা বিভক্তির মধ্যে দিয়ে ইসরায়েল রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিন ভূখন্ডে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠিত হয়।
তথ্যসুত্র - Britannica.com
→ জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত: ১০:৬ (৫:৩)।
প্রথম পতাকা উত্তোলন:
- ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- গৃহীত হয় ৬ মার্চ, ১৯৭১ সালে।
- ২৩ মার্চ ১৯৭১, বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিক উত্তোলন করেন এবং একই দিনে সারা বাংলাদেশে।
- বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম উত্তোলন: কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারে।
→ উল্লেখ্য:
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- মানচিত্র খচিত পতাকার নকশাকার: শিব নারায়ণ দাস।
তথ্যসূত্র - স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।
মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরসমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টর ও ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
• ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে। সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।
• ২ নং সেক্টর: ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে। আগরতলার মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।
• ৩ নং সেক্টর: উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং পরে মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।
• ৪নং সেক্টর: উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত। সিলেটের ইপিআর বাহিনীর সৈন্যদের সঙ্গে ছাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব। হেডকোয়ার্টার ছিল প্রথমে করিমগঞ্জ এবং পরে আসামের মাসিমপুরে।
• ৫ নং সেক্টর: সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী। হেড কোয়ার্টার ছিল বাঁশতলাতে।
• ৬ নং সেক্টর: সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।
• ৭ নং সেক্টর: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়। ইপিআর সৈন্যদের নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী ক্যাপ্টেন গিয়াস ও ক্যাপ্টেন রশিদের নেতৃত্বে রাজশাহীতে প্রাথমিক অভিযান পরিচালনা করে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।
• ৮ নং সেক্টর: এপ্রিল মাসে এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা। মে মাসের শেষে অপারেশন এলাকা সঙ্কুচিত করে কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা জেলা, সাতক্ষীরা মহকুমা এবং ফরিদপুরের উত্তরাংশ নিয়ে এই সেক্টর পুনর্গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।
• ৯ নং সেক্টর: বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। এই সেক্টরের হেড কোয়ার্টার ছিল বশিরহাটের নিকটবর্তী টাকিতে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।
• ১০ নং সেক্টর: নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি নৌ-কর্মকর্তা।
• ১১ নং সেক্টর: টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম. আবু তাহের। মেজর তাহের যুদ্ধে গুরুতর আহত হলে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহকে সেক্টরের দায়িত্ব দেয়া হয়। মহেন্দ্রগঞ্জ ছিল সেক্টরের হেডকোয়ার্টার।
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
এডামস পিক:
- এডামস পিক শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
- এর উচ্চতা ৭,৫৫৯ ফুট (২,৩০৪ মিটার)।
- এটি রত্নাপুরা শহর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত।
- এর শীর্ষে অবস্থিত শ্রী পাদা নামক পদচিহ্ন, যা বহু ধর্মাবলম্বীর কাছে পবিত্র।
- বৌদ্ধরা এটিকে বুদ্ধের, হিন্দুরা শিবের, মুসলমানরা আদমের এবং খ্রিস্টানরা সেন্ট থমাসের পদচিহ্ন মনে করেন।
- প্রতি বছর হাজারো তীর্থযাত্রী বিভিন্ন ধর্ম থেকে এসে এ শিখরে আরোহণ করেন।
- এর চারপাশে ঘন বৃষ্টি অরণ্য রয়েছে, যা ১৯৪০ সালে পিক উইল্ডারনেস স্যাংচুয়ারি হিসেবে সংরক্ষিত হয়।
- এই পর্বত থেকে কেলানি, কালু ও ওয়ালাভে—শ্রীলঙ্কার তিনটি প্রধান নদীর উৎস।
- পর্বতটি মূলত গ্নেইস পাথরে গঠিত এবং এতে রুবি, স্যাফায়ারসহ মূল্যবান রত্ন পাওয়া যায়।
- প্রাচীন রাজারা তীর্থযাত্রীদের সুবিধার্থে রাস্তা, বিশ্রামাগার ও লোহার শিকল নির্মাণ করেছিলেন।
- মার্কো পোলো, ইবনে বতুতা, মা হুয়ানসহ বহু ভ্রমণকারীর ভ্রমণবৃত্তান্তে এডামস পিকের উল্লেখ আছে।
তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
ভুটানের নিজস্ব কোনো নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী নেই। অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।
ভুটান:
- ভুটান ভারতীয় উপমহাদেশে হিমালয় পর্বতমালার পূর্বাংশে অবস্থিত।
- সাড়ে ৪৬ হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট দক্ষিণ এশিয়ার বৌদ্ধ রাজ্য হলো ভুটান।
- ভুটান একটি স্থলবেষ্টিত দেশ।
- ভুটানের অফিসিয়াল নাম- Kingdom of Bhutan.
- ভুটানের রাজধানী- থিম্পু।
- ভুটানের অফিসিয়াল ভাষা- দোজংখা৷
- ভুটানই একমাত্র দেশ যেখানে রাষ্ট্র ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীসভা রয়েছে যার নাম ‘মিনিস্ট্রি অব হ্যাপিনেস'।
- তারা জনগণের সামগ্রিক সুখের গড় হিসাব নির্ণয় করে।
তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘ সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি।
- এগুলো হচ্ছে ইংরেজি, চীনা, স্প্যানিশ, ফরাসি, রুশ ও আরবি।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
- তিনি পর্তুগালের নাগরিক।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- এর বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।
- ২০১১ সালের ১৪ জুলাই, ১৯৩তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ০৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি।
তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
→ 'উয়ারী বটেশ্বর' প্রাচীন জনপদ।
উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।
- উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগর কেন্দ্র।
- আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।
তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ছোট সোনা মসজিদ:
- ছোট সোনা মসজিদ সুলতানি আমলের একটি অনন্য স্থাপত্য নিদর্শন। এটি 'সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন' বলে আখ্যায়িত৷
- মধ্যযুগের সুলতানি আমলের গৌড়নগরীর এক ঐতিহাসিক স্থাপনা ছোট সোনা মসজিদ।
- মসজিদটিকে বলা হতো ‘গৌড়ের রত্ন'।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাচীন ঐতিহ্যের প্রধানতম নিদর্শন হচ্ছে ছোট সোনামসজিদ।
- মধ্যযুগে বাংলার স্বাধীন সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের রাজত্বকালে (১৪৯৩-১৫১৯) নির্মিত হয় সোনামসজিদ।
- প্রধান প্রবেশ পথের উপরিভাগে স্থাপিত একটি শিলালিপি অনুযায়ী জনৈক মজলিস-ই-মাজালিস মজলিস মনসুর ওয়ালী মুহম্মদ বিন আলী কর্তৃক মসজিদটি নির্মিত হয়।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
→ গ্রীনল্যান্ড দ্বীপের মালিক ডেনমার্ক।
গ্রীনল্যান্ড:
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দ্বীপের নাম - গ্রীনল্যান্ড।
- দ্বীপটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- সারা বছর তুষার আবৃত থাকে গ্রীনল্যান্ড।
- গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অধীনে স্বায়ত্বশাসিত দ্বীপরাষ্ট্র হিসাবে শাসন কাজ পরিচালনা করে।
- এর রাজধানী - নুক (Nuuk) এবং ২১ লক্ষ ৬৬ হাজার বর্গ কিলোমিটার প্রায়।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
- যুদ্ধপরাধকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে জেনেভা কনভেনশনকে মান্য করা হয়।
- মূলত এটি যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।
কনভেনশনসমূহ:
• ১ম জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।
• ২য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত, অসুস্থ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
• ৩য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত।
• ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে, যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।
তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার:
- 'কেন্দ্ৰীয় গো-প্ৰজনন ও দুগ্ধ খামার' বাংলাদেশে সাভার, ঢাকায় অবস্থিত৷
- এটি ১৯৫৯-৬০ সালে ২৬১৩ একর জমিতে প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে বর্তমানে এর আয়তন ৭৯২.৮৭ একর।
- ১৯৬৩-৬৪ সালে সিন্ধি, শাহীওয়ালসহ দেশীয় গবাদিপশু নিয়ে কার্যক্রম শুরু হয় এবং
- ১৯৭৩ সালে সরকারের উদ্যোগে অস্ট্রেলিয়া থেকে হোলস্টেইন ফ্রিজিয়ান ও জার্সি জাতের গরু আনা হয়। এটি বিশুদ্ধ ফ্রিজিয়ান, শাহীওয়াল, সংকর জাতের গরু পালন ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
তথ্যসূত্র - কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার ওয়েবসাইট।
সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।
সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।
সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনকষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।
তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
- তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৪তম গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ইরান:
- ঐতিহাসিকভাবে পারস্য নামে পরিচিত।
- অফিসিয়াল নাম: ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরান (Islamic Republic of Iran)।
- রাজধানী: তেহরান।
- মুদ্রা: রিয়াল।
- ভাষা: ফার্সি (অফিসিয়াল)। এছাড়া কুর্দি, আজারি এবং লুরি ভাষা প্রচলিত।
- ধর্ম: ইসলাম ৷ জনসংখ্যার ৯০% এর বেশি শিয়া মুসলিম; বাকিরা সুন্নি এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু ধর্মের।
- ইরান দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত।
- এর উত্তরে কাস্পিয়ান সাগর এবং দক্ষিণে পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগর।
- এটি তুরস্ক, ইরাক, আফগানিস্তান, পাকিস্তান এবং মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর সাথে সীমানা রয়েছে।
তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।