ব্যাখ্যা
- চর্যাপদে বাঙলা ভাষার জন্মের পরিচয় পাওয়া যায়।
- মধ্যযুগের রচনায় পাওয়া যায় বাঙলা ভাষার বিকাশের পরিচয়।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, ড.হুমায়ুন আজাদ।
৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬২ প্রশ্ন
- চর্যাপদে বাঙলা ভাষার জন্মের পরিচয় পাওয়া যায়।
- মধ্যযুগের রচনায় পাওয়া যায় বাঙলা ভাষার বিকাশের পরিচয়।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, ড.হুমায়ুন আজাদ।
‘একা ঘড়া অবশেষে দেখি মহাবীর, নিতে নারে দেড়ি ভার হইল অস্থির’ - কবিতাংশটি মধ্যযুগের চণ্ডীমঙ্গল গ্রন্থের অন্তর্ভূক্ত গল্প 'কালকেতু ফুল্লরার'।
অভাবিত ধন পেয়ে কালকেতু বোকার মতো ব্যবহার করেছে, তার চমৎকার বিবরণ দিয়েছেন কবি মুকুন্দরাম।
কিছু অংশঃ
"একা ঘড়া অবশেষে দেখি মহাবীর।
নিতে নারে দেড়ি ভার হইল অস্থির ।।
মহাবীর বলে মাতা করি নিবেদন।
চাহিয়া চিন্তিয়া দেহ এক ঘড়া ধন।।"
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, ড.হুমায়ুন আজাদ।
রামরাম বসু রচিত গ্রন্থ 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র' (১৮০১)।
- এই গ্রন্থটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকে প্রকাশিত প্রথম কোন গ্রন্থ।
- তার রচিত আরেকটি গ্রন্থ হচ্ছে - লিপিমালা।
- তাকে 'কেরী সাহেবের মুনশী' বলা হয়।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিতঃ
উপন্যাস -
- লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা, কাঁদো নদী কাঁদো, দি আগলি এশিয়ান ইত্যাদি।
গল্পগ্রন্থঃ
- নয়নচারা, দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।
নাটকঃ
- বহিপীর, সুড়ঙ্গ, তরঙ্গভঙ্গ, উজানে মৃত্যু ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক রচনাঃ
- প্রভাবতী সম্ভাষণ,
- স্বরচিত জীবনচরিত,
- ব্রজবিলাস,
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল ইত্যাদি।
আরঅনুবাদ গ্রন্থঃ
- জীবনচরিত (ইংরেজি বই অবলম্বনে)
- বেতালপঞ্চবিংশতি (হিন্দী থেকে)
- বাঙ্গলার ইতিহাস (মার্শম্যানের বই অনুসারে)
- শকুন্তলা (কালিদাসের অভিজ্ঞান শকুন্তলাম অনুসারে),
- সীতার বনবাস (রামায়ণ অনুসারে)
- ভ্রান্তিবিলাস (শেক্সপিয়রের কমেডি অব এররস অনুসারে) ইত্যাদি।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলী, হুমায়ুন আজাদ।
বাঙলা ভাষায় প্রথম পত্রিকা প্রকাশ করেন শ্রীরামপুরের মিশনারীরা।
প্রকাশকাল - ১৮১৮ খ্রিস্টাব্দে।
পত্রিকার নাম - দিকদর্শন ও সমাচার দর্পণ।
- এর মধ্যে সমাচার দর্পন ছিল সাপ্তাহিক পত্রিকা।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, ড.হুমায়ুন আজাদ।
হুমায়ুন আজাদ রচিত বিখ্যাত কয়েকটি প্রবন্ধঃ
- শামসুর রাহমান : নিঃসঙ্গ শেরপা,
- নারী,
- আমার অবিশ্বাস,
- দ্বিতীয় লিঙ্গ ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সাহিত্যজগতে প্রবেশ করেছিলেন ছোটগল্প নিয়ে।
- তার প্রথম গল্প 'মন্দির' সেকালের একটি গল্প-প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার পেয়েছিলো।
- পুরস্কারের নাম 'কুন্তলীন-পুরস্কার'।
- মন্দির গল্পটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯০৩ সালে।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক (আধুনিক) নাটক - শর্মিষ্ঠা। এটি প্রকাশিত হয় - ১৮৫৯ সালে।
এর রচয়িতা ছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তিনি শর্মিষ্ঠা নাটকের শুরুতে সেকালের নাটকের গ্রাম্যতায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেছেন -
''অলীক কূনাট্য রঙ্গে
মজে লোকে রাঢ়ে ও বঙ্গে
নিরখিয়া প্রাণে নাহি সয়।''
শর্মিষ্ঠা নাটকের কাহিনী 'মহাভারত' থেকে সংগৃহীত।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, ড. হুমায়ুন আজাদ।
১৯২৯ সালের জানুয়ারি মাসে নজরুল চট্টগ্রাম সফরে আসেন এবং হাবীবুল্লাহ বাহার ও শামসুন্নাহার ভাইবোনের আতিথ্য গ্রহণ করেন; বন্ধু কমরেড মুজফ্ফর আহমদের জন্মস্থান সনদ্বীপও ভ্রমণ করেন।
১৯২৮-২৯ সালে নজরুলের প্রকাশিত কবিতা ও গানের সংকলনের মধ্যে ছিল:
- সিন্ধু-হিন্দোল (১৯২৮),
- সঞ্চিতা (১৯২৮);
- বুলবুল (১৯২৮),
- জিঞ্জীর (১৯২৮) ও
- চক্রবাক (১৯২৯)।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম গল্প সংকলন আবদুল গাফফার চৌধুরীর বাংলাদেশ কথা কয় (১৯৭১) প্রকাশিত হয় কলকাতা থেকে।
- সংকলনে অন্তর্ভুক্ত গল্পগুলির মধ্যে ধরা পড়েছে মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা।
পরে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়,
- বশীর আল হেলালের - প্রথম কৃষ্ণচূড়া (১৯৭২),
- আবুল হাসনাত সম্পাদিত - মুক্তিযুদ্ধের গল্প (১৯৭৩) এবং
- হারুন হাবীব সম্পাদিত - মুক্তিযুদ্ধের নির্বাচিত গল্প (১৯৮৫)।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
নবান্ন (১৯৪৪) পঞ্চাশের মন্বন্তরের পটভূমিকায় কৃষক জীবনের দুঃখ দুর্দশা ও জীবন সংগ্রামের কাহিনি অবলম্বনে রচিত নাটক।
নবনাট্য আন্দোলনের পথিকৃৎ বিজন ভট্টাচার্য এই নাটকের মাধ্যমে বাংলা নাট্যধারায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, কারো কারো মতে আধুনিক কবিদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ।
আবেগ ও মননশীলতার এক অসমান্য মিশ্রণ তার কবিতা।
কাব্যগ্রন্থঃ
- তন্বী
- অর্কেস্ট্রা
- ক্রন্দসী
- উত্তরফাল্গুনী
- সংবর্ত
অন্যদিকে 'উর্বশী ও আর্টেমিস' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা বিষ্ণু দে।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, ড.হুমায়ুন আজাদ।
মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে শোকবিহবল মহরম মাসেই জারিগানের ব্যবস্থা হতো-এতে মানসিকভাবেও শ্রোতা-দর্শক-দল প্রস্তুত থাকত।
- আবদুর রহমান বয়াতি জারিগানের উল্লেখযোগ্য শিল্পী।
তার পরিবেশিত একটি জারি গানঃ
"সে কথাটি শুনে নবি রাস্তা দিয়ে যায়,
কত ঢিল পাথরে দয়াল নবি খায়
যারা পাথর মারে নবির গায়
নবী হস্ত তুইলা বলে সাঁই
তাদের জন্য আল্লারে আমি মরতে চাই..."
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
সুকুমার রায় একজন শিশুসাহিত্যিক।
- ১৮৮৭ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতায় তাঁর জন্ম। তাঁদের আদি নিবাস ছিল ময়মনসিংহ জেলার মসুয়ায়।
- সুকুমার রায়ের প্রধান অবদান শিশু-কিশোর উপযোগী বিচিত্র সাহিত্যকর্ম। কবিতা, নাটক, গল্প, ছবি সবকিছুতেই তিনি সূক্ষ্ম ব্যঙ্গ ও কৌতুকরস সঞ্চার করতে পারতেন।
- তাঁর কাব্যে হাস্যরসের সঙ্গে সমাজচেতনাও প্রতিফলিত হয়েছে।
তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রচনা হলো:
- আবোল-তাবোল (১৯২৩),
- হ-য-ব-র-ল (১৯২৪),
- পাগলা দাশু (১৯৪০),
- বহুরূপী (১৯৪৪),
- খাইখাই (১৯৫০),
- অবাক জলপান,
- শব্দকল্পদ্রুম,
- ঝালাপালা ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
- নির্গত, নিঃসরণ, নির্বাসন শব্দগুলোতে 'নির' উপসর্গ বাহির/বহির্মুখিতা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- নির্ধারণ শব্দে “নির” উপসর্গটি ধারনের নিশ্চয়তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
- নির্ণয়,নির্ভর শব্দগুলো ও একই নিয়ম মেনে চলে।
- নিরব, নির্জীব, নিরাশ্রয় ইত্যাদি শব্দ গুলোতে 'নির' উপসর্গ অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণী।
Bloc শব্দের সঠিক পারিভাষিক শব্দ হচ্ছে শক্তিজোট।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু পারিভাষিক শব্দঃ
Inventory - ফর্দ।
Cordon - বেষ্টনী।
Blockade - অবরোধ।
Breach - ভং/লঙ্ঘন।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ।
কুবেরের ভাণ্ডার বাগধারাটির অর্থ হচ্ছে অফুরন্ত বস্তু।
বাক্যসহ উদাহরণঃ ঘরে কি কুবেরের ভাণ্ডার রয়েছে , যে সারাজীবন বসে খাবো।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারাঃ
কাক-ভূষণ্ডি = সম্পূর্ণ।
কেউ কাটা = সামান্য
কুমড়ো কাটা বটঠাকুর = অকর্মণ্য লোক ইত্যাদি
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
অশ্ব-রথ-হস্তী-পদাতিক সৈন্যের সমাহার কে এক কথায় বলে চতুরঙ্গ।
গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশঃ
নিতান্ত দগ্ধ হয় যে সময়ে = নিদাঘ।
সৈনিকদের বিশ্রাম শিবির = স্কন্দাবার।
তৃনাচ্ছাদিত ভূমি = শাদ্বল।
মাসের শেষ দিন = সংক্রান্তি।
চৈত্র মাসের উৎপন্ন ফসল = চৈতালি ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
‘কুলি’ শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে এসেছে।
কুলি তুর্কিতে ছিল 'কুলী'।
তখন তার অর্থ ছিল ক্রীতদাস।
কুলি ছাড়াও আরো কিছু তুর্কি শব্দ হছে -
কোর্মা - তুর্কিতে ছিল কওউর্মা।
তোপ - তুর্কিতে ছিল খতুন।
বেগম - তুর্কিতে ছিল বেগম।
লাশ - তুর্কিতে ছিল লাস।
খাতুন - তুর্কিতে ছিল লাস।
উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
স্বরভক্তি ধ্বনির পরিবর্তনের অপর নাম বিপ্রকর্ষ বা মধ্য স্বরাগম।
সময় সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে। একে বলা হয় মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি।
যেমন : অ : রত্ন>রতন, ধর্ম>ধরম, স্বপ্ন>স্বপন, হর্ষ>হরষ ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণী।
খাঁটি বাংলা শব্দে র সন্ধি দুই রকমের
স্বরসন্ধি
ব্যঞ্জন সন্ধি।
তৎসম শব্দের সন্ধি তিন প্রকার।
স্বরসন্ধি
ব্যঞ্জন সন্ধি
বিসর্গ সন্ধি
নিপাতনে সিদ্ধ হচ্ছে সন্ধির সাধারণ নিয়ম না মেনে যে সব সন্ধি হয় তাকে নিপাতনে সিদ্ধ বা নিয়ম বহির্ভূত সন্ধি বলে।
যেমনঃ
গো + + পদ = গোষ্পদ।
নিয়ম অনুযায়ী ষ আসতে পারে না কিন্তু এখানে এসেছে।তাই এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণী।, ভাষা - শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ,।
গোবেচারা = গো-র ন্যায় বেচারা।
উপমান কর্মধারয়ঃ সাধারণ গুণবাচক পদের সাথে উপমানবাচক পদের যে সমাস হয় তাকে উপমান কর্মধারায় সমাস বলে।
এই সমাসে একটি বিশেষণ পদ থাকে।
যেমনঃ
মিশির মত কালো = মিশকালো।
অরুণরাঙ্গা = অরুণের ন্যায় রাঙা।
রক্তলাল = রক্তের ন্যায় লাল ইত্যাদি।
উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণী।
√স্নিহ্ + ত = স্নিগ্ধ। এটি একটি সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয়ের উদাহরণ।
প্রশ্নের অন্যান্য অপশন গুলোর সঠিক উত্তর -
ঢোল + ক = ঢোলক
√লভ্ + ত (ক্ত) = লব্ধ
√বদ্ + ইন্ = বাদী
উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ ও বাংলা একাডেমী অভিধান।
উপসর্গঃ শব্দ বা ধাতুর পূর্বে কতিপয় সুনির্দিষ্ট অব্যয় জাতীয় শব্দাংশ যুক্ত হয়ে সাধিত শব্দের অর্থের পরিবর্তন,সম্প্রসারণ বা সংকোচন ঘটিয়ে থাকে। এগুলোকে বলা হয় উপসর্গ।
উপসর্গ ৩ প্রকার।
- সংস্কৃত
- বাংলা
- বিদেশী
সংস্কৃত উপসর্গঃ প্র, প্রা, অপ, সম্, নি, অতি, উপ, প্রতি এ রূপ বিশটি (২০) টি উপসর্গ রয়েছে।
বাংলা উপসর্গ বাংলা শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে।
উপ
অর্থদ্যোতকতা - বিশেষ।
উদাহরণ - উপনয়ন(পৈতা), উপভোগ।
উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
মকর শব্দের অর্থ কুমিরের মতো জলজন্তু; হিন্দু বিশ্বাসে গঙ্গা দেবীর বাহন; ঘড়িয়াল।
সমার্থক শব্দঃ কুম্ভীর, পিঙচক্ষু, শঙ্খমুখ, নক্র, মকর, ঘরিয়াল ইত্যাদি।
অপরদিকে
পাখি - বিহগ, বিহঙ্গ, বিহঙ্গম, শকুন্ত, খগ ইত্যাদি।
কবুতর - কউতর, রেবতক, নোটন, লোটন, প্রাসাদকুক্কুট, পারাবত ইত্যাদি।
রাগ - রাগ, ক্রোধ, রোষ, অসন্তোষ, উষ্মা ইত্যাদি।
উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা একাডেমি অভিধান।
ঊন শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হচ্ছে ভর্তি/পূর্ণ।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীতার্থক শব্দ হচ্ছে -
সিত - কৃষ্ণ
প্রত্যাদেশ - আদেশ
উত্থান - পতন ইত্যাদি।
উৎসঃ উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
সংযোগমূলক ধাতুঃ
বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাতক অব্যয়ের সাথে কর্, দে, পা, খা, ছাড় ইত্যাদি মৌলিক ধাতু সংযুক্ত হয়ে যে নতুন ধাতু গঠিত হয় তাই সংযোগমূলোক ধাতু।
যোগ (বিশেষ্য) + কর্ (ধাতু) = 'যোগ কর' (সংযোগমূলোক ধাতু।
বাক্যঃ তিনের সঙ্গে পাঁচ যোগ করো।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণী।
"My heart leaps up when I behold
A rainbow in the sky:
So was it when my life began;
So is it now I am a man;
So be it when I shall grow old,
Or let me die!
The Child is father of the Man;
And I could wish my days to be
Bound each to each by natural piety."
My Heart Leaps Up
By William Wordsworth.
Elegy:
A lyric poem mourning for the death of an individual or lamenting over a tragic event.
Epic:
A long narrative poem that tells in grand style the history and aspirations of a national hero.
Dramatic Monologue:
A kind of lyric poem in which a single speaker expresses his thoughts and feelings to a silent listener.
Hymn:
A lyric poem or song in praise of God or a deity or a hero.
Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman
William Shakespeare (1564-1616):
The greatest English dramatist, famous for the objective presentation of his deep knowledge about human psychology.
He is often called the bard of Avon. He wrote 37 plays and 154 sonnets.
Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman
The Romantic Period (1798 - 1832):
- The age began in 1798 with the first edition of Wordsworth's Lyrical Ballads and ended with the first Reformation Act in 1832.
- However, it is worth noting that the signs of Romantic literature came into view around 1785 when William Blake started writing his Songs of Innocence.
- This period is also called the Revival of Romanticism because the romantic ideals of the Elizabethan Period revived during these years.
Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman
Lord Byron, in full George Gordon Byron, 6th Baron Byron, (born January 22, 1788, London, England—died April 19, 1824, Missolonghi, Greece), British Romantic poet and satirist whose poetry and personality captured the imagination of Europe.
Renowned as the “gloomy egoist” of his autobiographical poem Childe Harold’s Pilgrimage (1812–18) in the 19th century, he is now more generally esteemed for the satiric realism of Don Juan (1819–24).
Source: britannica
''Life is a tale told by an idiot, full of sound and fury signifying nothing.''
''Life's but a walking shadow.''
- William Shakespeare, Macbeth
A Farewell to Arms, third novel by Ernest Hemingway, published in 1929.
Character List-
-Frederick Henry
-Catherine Barkley
-Lieutenant Rinaldi.
Source: SparksNotes and britannica
Metaphor:
An implicit comparison between two different things. It is a compressed form of simile. ''Liza is a rose'' is an example of metaphor as there is an implied comparison between the colour, softness, fragrance, beauty, etc. of the rose and those of Liza.
It becomes a simile if the comparison is made explicit: Liza is like a rose.
In ''Sonnet XVIII”, the phrase, “eternal summer,'' in the line, ''But thy eternal summer shall not fade” is a metaphor that suggests ''never-ending youthfulness''.
Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman
William Butler Yeats (1865-1939):
He was a poet, dramatist and critic, famous for his use of symbolism and mysticism.
-The Resurrection (1913)
-The Wild Swans at Coole (1919)
-The Cat and the Moon (1926)
-The Tower (1928)
-The Winding Stair and Other Poems (1933)
Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman
ব্যাখ্যা: MAGNANIMOUS’ (adj)
Bengali Meaning: মহৎ, মহানুভব
Synonym: generous, great, charitable, benevolent, bountiful
Antonym: selfish, mean-spirited
Source: Samsad Dictionary and Oxford Languages
ব্যাখ্যা: esoteric (adjective)
Meaning: intended for or likely to be understood by only a small number of people with a specialized knowledge or interest
Synonym: arcane, recondite, abstruse, recherche, rarefied
Antonym: familiar, common, obvious, familiar, known, public, obvious
Source: Oxford Languages and thesaurus.com
ব্যাখ্যা: gregarious (adj)
Bengali meaning: মিশুক
Meaning: (of a person) likes being with other people
Synonym: sociable, social, outgoing, affable, amiable
Antonym: unsociable, reserved,
Source: Oxford Languages
ব্যাখ্যা: বাক্যটির অর্থ: ডিকশনারিতে শব্দটি খোঁজ।
Look up (phrasal verb)
Bengali Meaning: সন্ধান করা
Source: Samsad Dictionary
rather শব্দটি দ্বারা hot-এর পরিমাণ প্রকাশ পেয়েছে।
rather (adverb)
Meaning: quite; to a slight degree
Source: Cambridge Dictionary
x = -1 হলে,
- x = 1
x2= (-1)2 = 1
2x = -2
x = -2 হলে,
-x = 2
x2 = 4
2x = -4
শুধুমাত্র -1 এর ক্ষেত্রে - x = x2
x2 কে এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বলা যাচ্ছে না।
যখন x কে চলক হিসেবে নেয়া হয়েছে তখনই x এর মান যেকোনো ঋণাত্নক পূর্ণসংখ্যা হবে।
এখন যদি প্রশ্ন করা হয় যে, -১ হলে সর্বোচ্চ কোনটা?
আপনি অবশ্যই বলবেন যে, ক ও গ উভয়ই।
আর, বাকী সব মানের জন্য x² বড় হবে।
কিন্তু, যখন আপনি উত্তর শুধু x² ধরবেন তখন x এর অন্তত একটা মানের জন্য সর্বোচ্চ ক) -x কে আপনি ইগনোর করছেন। অর্থাৎ, উত্তর অনেকটা শর্ত দিয়ে ধরছেন।
ম্যাথে বেস্ট এন্সার বলতে কিছু নেই। তাই, চলকের সকল মানের জন্য নির্দিষ্ট উত্তর না আসলে অনির্দিষ্ট বলতে হবে।
আপনি এটা বলতে পারবেন না যে এটা ধরলে এই ওটা ধরলে ঐ। যেটাকে এককভাবে সর্বোচ্চ বলা হবে সেটা চলকের সকল মানের জন্যই সর্বোচ্চ হতে হবে। x এর মান -১ ও হতে পারে আবার -১০০০ ও হতে পারে। আপনি
আগে থেকে বলতে পারবেন না।উত্তরঃ ঘ) নির্ণয় করা সম্ভব নয়
উল্লেখ্য, প্রশ্নে পূর্ণ সংখ্যা লেখা না থাকলে উত্তর কোন সন্দেহ ছাড়াই ঘ) নির্ণয় করা সম্ভব নয় হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে,
x = -০.৩ হলে,
- x = ০.৩
x² = (-০.৩)² = ০.০৯
2x = -০.৬
এখানে, - x > x²
অর্থাৎ, সেক্ষেত্রে বিভিন্ন মানের জন্য কোনটা সর্বোচ্চ হবে এটা নির্দিষ্ট করা সম্ভব নয়।
ধরি,
প্রথম ছাড় = ক টাকা
প্রথম ছাড়ের পর মূল্য = ১৫০ - ক
২য় ছাড়ের পর মূল্য = (১৫০ - ক) - {(১৫০ - ক) × (১২.৫/১০০)}
= (১৫০ - ক)(১ - ১২.৫/১০০)
শর্তমতে,
(১৫০ - ক)(১ - ১২.৫/১০০) = ১০৫
⇒ ক = ৩০
১৫০ টাকায় ছাড় ছিল ৩০ টাকা
১০০ টাকায় ছাড় ছিল = (৩০ × ১০০)/১৫০
= ২০ টাকা।
ধরি,
একটি সংখ্যা ক
অপর সংখ্যা = ক/২ + ৪
ক + ক/২ + ৪ = ৩৭
বা, ৩ক/২ = ৩৩
বা, ক = ২২
অপর সংখ্যা = ২২/২ + ৪
= ১৫
2x = (32)1/3
বা, 2x = (25)1/3
বা, 2x = 25/3
বা, x = 5/3
ট্রান্সফরমার পারস্পরিক আবেশকে ব্যবহার করে কোনো পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তরিত করে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
কোষবিদ্যা (Cytology): জীবদেহের কোষের গঠন, কার্যাবলি ও বিভাজন সম্পর্কে যাবতীয় আলোচনা এ শাখার বিষয়৷।
ভ্রূণবিদ্যা (Embryology): জনন কোষের উৎপত্তি, নিষিক্ত জাইগোট থেকে ভ্রূণের সৃষ্টি, গঠন, পরিস্ফুটন, বিকাশ প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা এ শাখার প্রধান বিষয়।
হিস্টোলজি (Histology): জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস এবং কার্যাবলি এ শাখায় আলোচনা করা হয়৷
বিবর্তনবিদ্যা (Evolution): পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ, জীবের বিবর্তন এবং ক্রমবিকাশের তথ্যসমূহের আলোচনা এ শাখার বিষয়।
এন্ডোক্রাইনোলজি (Endocrinology): এ শাখায় জীবদেহের হরমোনের কার্যকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
শরীরবিদ্যা (Physiology): জীবদেহের নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জৈব রাসায়নিক কার্যাদি, যেমন: শ্বসন, রেচন, সালোকসংশ্লেষণ ইত্যাদি বিষয় এ শাখায় আলোচিত হয়৷
Morphology (অঙ্গসংস্থান বিদ্যা) = জীবের সার্বিক অঙ্গসংস্থানিক বা দৈহিক গঠন বর্ণনা এই শাখার আলোচ্য বিষয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
- বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি ৭৮.০১%।
- বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ ২০.৭১%।
- বায়ুমণ্ডলে আর্গনের পরিমাণ ০.৮০%,
- বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ ০.৪১%,
- বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ ০.০৩%।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
পরমাণূর মূল কণিকা তিন ধরনের, যথা স্থায়ী মূল কণিকা, অস্থায়ী মূল কণিকা এবং কম্পোজিট কণিকা।
(১) স্থায়ী মূল কণিকা:
ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন এই তিনটি মূল কণিকা হাইড্রোজেন পরামাণু ছাড়া সব মৌলের পরমাণুতে থাকে বলে এগুলোকে স্থায়ী মূলকণিকা বলা হয়। (হাইড্রোজেন-১ পরমাণুতে শুধু ১টি ইলেকট্রন ও ১টি প্রোটন আছে) এতে কোন নিউট্রন নেই।
(২) অস্থায়ী মূল কণিকা:
কিছু কিছু মূল কণিকা কোন কোন মৌলের পরমাণুতে অস্থায়ীভাবে খুব স্বল্প সময়ের ন্য বিরাজ করে। এগুলোকে অস্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়। অস্থায়ী মূলকনিকার সংখ্যা প্রায় ১০০।
নিউট্রিনো, অ্যান্টি নিউট্রিনো, পজিট্রন, মেসন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য অস্থায়ী মূলকণিকা।
(৩) কম্পোজিট কণিকা:
স্থায়ী ও অস্থায়ী মূলকণিকা ছাড়াও আরও এক প্রকার কণিকা পরমাণুতে থাকে, যাদেরকে কম্পোজিট কণিকা বলা হয়।
আলফা কণিকা ও ডিউটেরন কণিকা ইত্যাদি কম্পোজিট কণিকার উদাহরণ।
সুত্রঃ পরমাণুর গঠন, রসায়ন, এইচএসসি।
সোডিয়ামের আকরিকঃ রকসল্ট, চিলি সল্টপিটার, ন্যাট্রোন, বোরাক্স ইত্যাদি।
ক্যালসিয়ামের আকরিকঃ চুনাপাথর, জিপসাম, ডলোমাইট ইত্যাদি।
আয়রনের আকরিকঃ ম্যাগনেটাইট, হেমাটাইট, আয়রন পাইরাইটস, লিমোনাইট ইত্যাদি।
অ্যালুমিনিয়ামের আকরিকঃ বক্সাইট, কোরান্ডাম, ক্রায়োলাইট ইত্যাদি।
উৎসঃ রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ভাইরাস একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ বিষ। আদিকালে রোগ সৃষ্টিকারী যে কোনো বিষাক্ত পদার্থকেই ভাইরাস বলা হত। এরা অকোষীয় এবং আকারে এতই ছোট যে খালি চোখেতো দূরের কথা, সাধারণ অণুবীক্ষণ যন্ত্রেও দেখা যায় না। এদেরকে ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখতে হয়।
ভাইরাস নিউক্লিক অ্যাসিড (যা কেন্দ্রে থাকে) ও প্রোটিন (যা আবরণ হিসেবে থাকে) দিয়ে গঠিত অতি-আণুবীক্ষণিক বস্তু যা জীবদেহের অভ্যন্তরে সক্রিয় হয় এবং দ্রুত বংশবৃদ্ধির মাধ্যমে তথায় রোগ সৃষ্টি করে কিন্তু জীবদেহের বাইরে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় অবস্থান করে।
উদ্ভিদ, প্রাণী, ব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, অ্যাকটিনোমাইসিটিস প্রভৃতি জীবদেহের সজীব কোষে ভাইরাস সক্রিয় অবস্থায় বিরাজ করে।
আবার বায়ু, মাটি, পানি ইত্যাদি জড় মাধ্যমে ভাইরাস নিষ্ক্রিয় অবস্থায় অবস্থান করে।
কাজেই ভাইরাস জীব এবং জড় উভয় অবস্থায় অবস্থান করে।
ভাইরাসে জীবের বৈশিষ্ট্য
১। এতে DNA বা RNA আছে।
২। জীব কোষের অভ্যন্তরে এরা বংশবৃদ্ধি করতে পারে।
৩। এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটতে দেখা যায়।
৪। এতে পরিব্যক্তি (mutation) ঘটতে দেখা যায়।
ভাইরাসে জড়ের বৈশিষ্ট্য
১। ভাইরাস কোন নির্দিষ্ট কোষ দিয়ে গঠিত নয়।
২। এদের কোন জৈবিক কার্যকলাপ অন্য সজীব কোষ ছাড়া ঘটতে পারে না।
৩। এদের সাইটোপ্লাজম, নিউক্লিয়াস, কোষীয় ক্ষুদ্রাঙ্গ এবং বিপাকীয় এনজাইম নেই।
৪। এদেরকে ক্রিস্ট্যালে বা স্ফটিক দানায় রূপান্তরিত করা যায় এবং উক্ত ক্রিস্ট্যাল দানা বহুদিন পর্যন্ত অপরিবর্তিত থাকে।
আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্যঃ
আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত। ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই দুটি স্বীকার্য প্রদান করেন।
প্রথম স্বীকার্যঃ- স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে।
দ্বিতীয় স্বীকার্যঃ- শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়।
আলু, পেঁয়াজ এবং আদা তিনটিই ভূ-নিম্নস্থ রূপান্তরিত কান্ডের উদাহরণ।
অন্যদিকে, কচু অর্ধবায়বীয় রুপান্তরিত কান্ড স্টোলনের উদাহরণ।
সূত্রঃ সপ্তম শ্রেণি, বিজ্ঞান।
ডেসিমেল সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তরঃ
পূর্ণ সংখ্যার ক্ষেত্রে-
ধাপ-১ঃ সংখ্যাটিকে টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।
ধাপ-২ঃ ধাপ-১ ভাগফলকে নিচে এবং ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।
ধাপ-৩ঃ ধাপ-১ এর ভাগফলকে পুনরায় টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।
ধাপ-৪ঃ ধাপ-৩ এর ভাগফলকে নিচে ও ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।
এই প্রক্রিয়া ততক্ষণ চলবে যতক্ষণ না ভাগফল শুন্য (0) হয়। অতঃপর ভাগশেষগুলোকে নিচ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখলে ডেসিমেল পূর্ণসংখ্যাটির সমতুল্য বাইনারি মান পাওয়া যাবে।
যেমন ৬১ এর ক্ষেত্রে,
৬১ / ২ = ৩০ ভাগশেষ - ১
৩০ / ২ = ১৫ ভাগশেষ - ০
১৫ / ২ = ৭ ভাগশেষ - ১
৭ / ২ = ৩ ভাগশেষ - ১
৩ / ২ = ১ ভাগশেষ - ১
১ / ২ = ০ ভাগশেষ - ১
অর্থাৎ, দশমিক সংখ্যা ৩১-এর বাইনারি রূপ = (১১১১০১)২
দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ২ দ্বারা (যেহেতু বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২) উপর্যুপরি ভাগ করতে হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল ০ (শূন্য) হয়।
অত:পর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের অংক (Most Significant Bit - MSB) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বের অংক (Least Significant Bit - LSB) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে সংখ্যাটির সমতুল্য বাইনারি মান নির্ণয় করা যায়।
সবক্ষেত্রেই Most Significant Bit - MSB থাকে সর্ববামে এবং Least Significant Bit - LSB থাকে সর্বডানে।
দশমিক র্পূণ সংখ্যার ক্ষেত্রে,
সর্বনিম্ন গুরুত্বের অংক Least Significant Bit - LSB হয় প্রথম ভাগশেষটি।
আর ভগ্নাংশের অংশের ক্ষেত্রে,
সর্বনিম্ন গুরুত্বের অংক Least Significant Bit - LSB হয় সর্বশেষ ভাগশেষটি। (উল্টে যায়)
উদাহরণঃ
প্রথমে ২ বিয়োগ হচ্ছে তারপর ৪ যোগ হচ্ছে।
36, 34, 38, 36, 40, 38, 42, 40, 44
ব্যক্তির ভাইয়ের বাবা = ব্যক্তির বাবা
মহিলার দাদার একমাত্র ছেলে = নিজের বাবা।
দুইজনের বাবা একই অর্থাৎ ভাই বা বোন হবেন।
৪৩৫, ৪৯৩ এবং ৫৫১ এর গ.সা.গু. = ২৯
৪৩৫/২৯ + ৪৯৩/২৯ + ৫৫১/২৯
= ৫১
ধরি,
ছেলের সংখ্যা ক
মেয়ের সংখ্যা = ২ক
প্রশ্নমতে,
ক + ২ক = ৬০
সুতরাং, ক = ২০
তাহলে,
ছেলের সংখ্যা ২০
মেয়ের সংখ্যা ৪০
তাপসের পরে আছে = (৬০ -১৭) = ৪৩ জন
তাপসের আগে ৯ জন ছাত্রী
তাপসের পড়ে থাকল (৪০ - ৯) = ৩১ জন ছাত্রী
অর্থাৎ, তাপসের পরে ছেলে আছে = (৪৩ - ৩১) = ১২ জন।
প্রশ্নমতে,
ক + খ = ৬০
ক = ২খ
তাহলে,
২খ + খ = ৬০
খ = ২০
সুতরাং, ক = ৪০
৫ বছর পরে যোগফল = ২৫ + ৪৫ = ৭০
A ও C বাদ যাবে কারণ এটার তিনকোণা আকৃতির নিচে একদম সাদা অংশ।
B বাদ যাবে কারণ এটার উপরের দিকের ধূসর অংশটার নিচেই আবার একটি ধূসর অংশ। মূল প্যাটার্নে (ডান দিকে) উপরের/ছাদের ধূসর অংশের নিচে সাদা অংশ।
5 X 3 = 15
15 + 3 = 18
18 X 2 = 36
প্রথম গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরছে। দ্বিতীয়টিও নরমাল বেল্টের যুক্ত তাই একই দিকে ঘুরছে।
তৃতীয়টি বিপরীতে ঘুরবে।
চতুর্থটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে।
পঞ্চম তথা B ক্রসবেল্ট দ্বারা যুক্ত তাই ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে ঘুরবে।
৭ মার্চ বর্তমানে ‘জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস’।
- ভাষণকালঃ ৭ মার্চ, ১৯৭১
- স্থানঃ রেসকোর্স ময়দান (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান)
- ভাষণ শুরুঃ বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে
- মোট সময়ঃ ১৮ মিনিট (মতান্তরে ১৯ মিনিট)
- ভিডিও রেকর্ডকারীঃ পাকিস্তান চলচ্চিত্র বিভাগের পরিচালক ও অভিনেতা আবুল খায়ের
- অডিও রেকর্ডকারীঃ এ এইচ খন্দকার
- প্রথম লাইনঃ ভাইয়েরা আমার, আজ দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি।
- শেষ লাইনঃ এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।
- শব্দ সংখ্যাঃ ১,১০৮টি
- ভাষণে দাবি ছিলঃ ৪টি
- সংবিধানের তফসিলে সংযুক্ত হয়ঃ ৩০ জুন ২০১১ জাতীয় সংসদে পাশ হওয়া সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে পঞ্চম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ভাষণটিকে UNESCO বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য ঘোষণা করেঃ ৩০ অক্টোবর ২০১৭
- ভাষণটি অনুদিত হয় (জুলাই ২০২০ পর্যন্ত): ১২টি ভাষায়।
উৎসঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার – আগস্ট ২০২০
বাংলায় আগমনকারী প্রথম চীনা পরিব্রাজক হলেন ফা হিয়েন।
- গুপ্ত শাসনামলে ৩৯৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি ভারতের উদ্দেশ্যে চীন থেকে যাত্রা শুরু করেন এবং ১৪ বছর পর চীনে ফিরে যান।
- ভারত ভ্রমণের শেষ পর্যায়ে তিনি সীমান্ত রাজ্য চম্পার মধ্যদিয়ে বাংলায় প্রবেশ করেন। তবে ফিা হিয়েনের বিবরণ থেকে বাংলা সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে,
- হিউয়েন সাঙ বাংলায় আসেন ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দের দিকে।
- ই-ৎসিঙ বাংলায় আগমন করেন ৬৭২ খ্রিস্টাব্দে।
মা হুয়ান বাংলায় আসেন পনের শতকের প্রথমার্ধে।
সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
উপমহাদেশের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল ও প্রথম ভাইসরয় বা রাজপ্রতিনিধি ছিলেন লর্ড ক্যানিং।
- তিনি উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা চালু করেন।
- ১৮৬১ সালের পুলিশ অ্যাক্টের মাধ্যমে লর্ড ক্যানিং এর সময়ে ভারতীয় উপমহাদেশে কাঠামোবদ্ধভাবে প্রথম পুলিশি ব্যবস্থা চালু হয়।
এছাড়া অবিভক্ত বাংলায় প্রথম আনুষ্ঠানিক আদমশুমারি হয় ১৮৭২ সালে লর্ড মেয়োর সময়।
সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
পাকিস্তান সৃষ্টির পর উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দিলে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্ররা তার প্রতিবাদ করে। এরই অংশ হিসেবে ১৯৫২ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারীর রক্তাক্ত ঘটনা ঘটে।
- ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত ভাষা আন্দোলন অব্যাহত ছিল।
- ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের গণপরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- আওয়ামী-লীগ দলীয় জাতীয় পরিষদ সদস্য ‘আদেলউদ্দিন আহমেদ’ জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করলে ১৬ ফেব্রুয়ারী ১৯৫৬ তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
- ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধানের ২১৪ নং অনুচ্ছেদে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
উৎসঃ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট, বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো আর্কাইভ।
বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভারে অবস্থিত। জাতীয় স্মৃতিসৌধ - এর অপর নাম "সম্মিলিত প্রয়াস"।
এই জাতীয় স্মৃতিসৌধের ফলক সাতটি। স্বাধীনতা আন্দোলনের সাতটি ঐতিহাসিক পর্যায়ের জন্য স্মৃতিসৌধে ফলক সংখ্যা ৭টি রাখা হয়েছে।
পর্যায় গুলো হলো-
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন;
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন;
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন; (অনেকেই, ১৯৫৮ সালের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনকেও বলে থাকেন।)
- ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন;
- ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন;
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং
- ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাপিডিয়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
মুক্তিযুদ্ধের স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্রঃ
- ইনোসেন্ট মিলিয়নস : বাবুল চৌধুরী
- স্টপ জেনোসাইট : জহির রায়হান
- মুক্তির গান : তারেক মাসুদ
- লিবারেশন ফাইটার্স : আলমগীর কবীর।
উৎসঃ Imdb ও প্রথম আলো আর্কাইভ।
বিভিন্ন একাডেমীর অবস্থানঃ
- বাংলাদেশের মিলিটারি একাডেমি - ভাটিয়ারী, চট্টগ্রাম;
- পুলিশ একাডেমী - সারদা, রাজশাহী;
- মেরিন একাডেমি - জলদিয়া, চট্টগ্রাম এবং
- আনসার একাডেমি - সফিপুর, গাজীপুর।
উৎসঃ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
জাতীয় কৃষি দিবস পালিত হয় পহেলা অগ্রহায়ণ।
- অগ্রহায়ণ মাসে দেশে আমন ধান ঘরে তোলা হয়। নতুন ফসল তোলাকে কেন্দ্র করে তখন গ্রাম বাংলায় 'নবান্ন উৎসব' পালিত হয়।
- এই উৎসবকে জাতীয়রূপ দিতে বাংলাদেশ সরকার ২০০৮ সালে পহেলা অগ্রহায়ণকে 'জাতীয় কৃষি দিবস' ঘোষণা করে।
সূত্রঃ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
বেগুন চাষঃ
মাটিঃ
- হালকা বেলে থেকে ভারী এটেল মাটি অর্থাৎ প্রায় সব ধরনের মাটিতেই বেগুনের চাষ করা হয়।
- হালকা বেলে মাটি আগাম জাতের বেগুন চাষের জন্য উপযোগী। এই ধরণের মাটিতে বেগুন চাষ করতে হলে প্রচুর পরিমাণ জৈবসারসহ অন্যান্য সার ঘন ঘন প্রয়োগ করতে হবে।
- এটেঁল দো-আঁশ ও পলি দো-আঁশ মাটি বেগুন চাষের জন্য উপযোগী এবং এই মাটিতে বেগুনের ফলন বেশী হয়।
- বেগুন চাষের জন্য নির্বাচিত মাটি গভীর, উর্বর ও সুনিষ্কাশিত হওয়া প্রয়োজন।
বেগুনের জাতঃ
বাংলাদেশে চাষ হয় এমন বেগুনের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য জাত হচ্ছে -
- ইসলামপুরী
- খটখটিয়া
- লাফফা
- ঈশ্বরদি-১
- উত্তরা
- নয়ন কাজল
- শিংনাথ
- ঝুমকো
- মুক্তকেশী
- শুকতারা
- তারাপুরী
- কাজলা
- নয়নতারা
- বিজয়
- ডিম বেগুন
- কেজি বেগুন
- তাল বেগুন বা তল্লা বেগুন
চাষের মৌসুমঃ
বাংলাদেশের জলবায়ুতে বছরের যে কোন সময়ই বেগুনের চাষ করা যেতে পারে। তবে রবি মৌসুমে বেগুন চাষ করলে ফলন খরিপ মৌসুমের চেয়ে পাওয়া যায়।
উৎসঃ বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়াবসাইট।
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় যা ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে।
- এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রী ছিলেন এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
- মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন - এম.এ.জি ওসমানী।
যেহেতু, সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন, সেহেতু তিনিই কার্যত মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
বাংলাদশ সরকার কর্তৃক প্রকাশিত গেজেট অনুসারে,
বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ৫০টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।
নৃগোষ্ঠীগুলো হচ্ছে -
- ওরাওঁ ------------ কোচ -------- কোল
- খাসিয়া/খাসি------- খিয়াং ------- খুমি
- গারো------------- চাক -------- চাকমা
- ডালু------------- তঞ্চঙ্গা ------- ত্রিপুরা
- পাংখোয়া/পাংখো --- বম ---------- বর্মণ
- মণিপুরী ---------- মারমা ------ পাহাড়ী/মালপাহাড়ী
- মুন্ডা ------------- ম্রো/মুরং ------- রাখাইন
- লুসাই ------------ সাঁওতাল --------- হাজং
- মাহাতো/কুর্মি মাহাতো/বেদিয়া মাহাতো
- কন্দ --------------- কড়া ---------- গঞ্জু
- গড়াইত ----------- গুর্খা ------------ তেলী
- তুরি -------------- পাত্র ------------- বাগদী
- বানাই ------- বড়াইক/বাড়াইক ------- বেদিয়া
- ভিল ------------ ভূমিজ ------------ ভূঁইমালী
- মালো/ঘাসিমালো -------------------- মাহালী
- মুসহর --------- রাজোয়াড় ---------- লোহার
- শবর -------------- হুদি ------------ হো
- খারিয়া/খাড়িয়া ------------ খারওয়ার/খেড়োয়ার।
কঠিন চীবর দান বৌদ্ধধর্মীয় অনুষ্ঠানবিশেষ। এদিন ভিক্ষুসংঘকে চীবর অর্থাৎ বস্ত্র দান করা হয়।
- বৌদ্ধদের বিশ্বাসমতে সমস্ত দানের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এ চীবর দান।
- চীবর দানের ফল সম্পর্কে শাস্ত্রে বলা হয়েছে যে, শতবর্ষের দান কিংবা পৃথিবীর সকল প্রকার দান একত্র করলে তার যে ফল তা একখানি চীবর দানের ফলের ষোলো ভাগের এক ভাগও নয়।
- সুতরাং ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বৌদ্ধদের জন্য চীবর দানের গুরুত্ব অপরিসীম। এ দান জন্মজন্মান্তরে সুফলপ্রদায়ী।
- আশ্বিনী পূর্ণিমার অপর নাম প্রবারণা পূর্ণিমা। প্রবারণা পূর্ণিমা দিবসে ভিক্ষুদের বিনয় কর্মের মাধ্যমে ত্রৈমাসিক বর্ষাবাসের পরিসমাপ্তি ঘটে।
- প্রবারণা শব্দের অর্থ হলো আশার তৃপ্তি, অভিলাষ পূরণ।
- প্রবারণা পূর্ণিমার পরের দিন থেকে শুরু হয় কঠিন চীবর দানোৎসব।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট।
জাতীয় বাজেট ২০২০-২০২১ঃ
করমুক্ত আয়সীমা -
- সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৩,০০,০০০ টাকা।
- মহিলা ও ৬৫ বছর উর্ধ্ব করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৩,৫০,০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের করমুক্ত আয়সীমা ৪,৫০,০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৪,৭৫,০০০ টাকা।
মৎস খাতের অবদানঃ
২০১৯-২০ অর্থবছরে,
- সার্বিক জিডিপিতে অবদান - ৩.৫২%
- কৃষিজ জিডিপিতে অবদান - ২৬.৩৭%
- রপ্তানি আয়ে অবদান - ১.৩৯%
এছাড়া,
- মোট মৎস্য উৎপাদনের ১২% আসে ইলিশ থেকে।
- ইলিশ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান - প্রথম (World Fish- এর তথ্যানুসারে, প্রায় ৮৬%)।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২০।
মোট ব্যাংক (ফেব্রুয়ারি ২০২০)- ৬০টি।
- রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক- ৬টি।
- বিশেষায়িত ব্যাংক- ৩টি।
- বেসরকারি ব্যাংক- ৪২টি
- বৈদেশিক ব্যাংক- ৯টি।
- ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান- ৩৪টি।
সর্বশেষ তফসিলি ব্যাংক বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড।
রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা তিনটি হচ্ছে -
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ ও বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) বাংলাদেশের সফটওয়্যার এবং তথ্যপ্রযুক্তি সেবা খাতের একটি বাণিজ্য সংগঠন।
- এটি জাতীয়ভাবে সফটওয়্যার এবং তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে।
- বেসিস ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বেসিসের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যসংখ্যা ছিল ১৭।
- বর্তমানে ১৬৪৯টি সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বেসিসের সদস্য।
উৎসঃ বেসিস ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো রিপোর্ট।
সচিবালয়ঃ
বাংলাদশের মন্ত্রণালয়গুলোকে যৌথভাবে 'সচিবালয়' বলা হয়।
- সচিবালয় বাংলাদেশের সামগ্রিক প্রশাসন ব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র।
- সচিবালয় সরকারের কর্মসূচি, নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়ন, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন করে থাকে।
প্রশাসনিক সংগঠনের পদসোপানে সচিবালয়ের স্থান সর্বোচ্চ। সচিবালয় হচ্ছে সকল ক্ষমতার আঁধার।
- সচিবালয়ের কর্মকর্তাগণ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের শুধু নীতি নির্ধারণি সাহায্য করে না, বরং মন্ত্রীদের সংসদীয় সমালোচনা ও নানা প্রশ্নের উত্তর প্রণয়ন ও তথ্যাদি সাহায্য করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সরকারের নীতি ও কর্মসূচি সচিবালয়েই জন্মলাভ করে।
- বাংলাদেশে প্রশাসনিক সকল সিদ্ধান্তই সচিবালয় প্রণয়ন করে থাকে।
- সুতরাং বাংলাদেশের প্রশাসন হলো কেন্দ্রীকৃত প্রশাসন এবং সচিবালয়ই হচ্ছে এর প্রাণকেন্দ্র।
উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন (২য়) পাঠ্য বই।
সংবিধানের অনুচ্ছেদ - ৭ : সংবিধানের প্রাধান্য
(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে৷
(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে৷
এছাড়া, ৫ নং অনুচ্ছেদ - রাজধানী
৮ নং অনুচ্ছেদে - প্রজাতন্ত্রের মূলনীতিসমূহ এবং
২৭ নং অনুচ্ছেদে - আইনের দৃষ্টিতে সমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে,
রাষ্ট্রপতি যাদের শপথ বাক্য পাঠ করান:
-প্রধানমন্ত্রী
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ
- স্পিকার
- ডেপুটি স্পিকার
- প্রধান বিচারপতি।
প্রধান বিচারপতি যাদের শপথ বাক্য করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ
- পিএসসির সদস্যবৃন্দ
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
- নির্বাচন কমিশনারবৃন্দ।
স্পিকার যাদের শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।
সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধান হিসাবরক্ষকের পদবী হল - Comptroller and Auditor General বা মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- সংবিধান অনুসারে, তিনি "মহা হিসাব-নিরীক্ষক" নামে অভিহিত হয়ে থাকেন।
- সংবিধানের ১২৭নং অনুচ্ছেদ অনুসারে এই পদের সৃষ্ঠি এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ লাভ করে থাকেন।
- দেশের বর্তমান মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক - মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী (১২তম)। তিনি গত ১৭ জুলাই ২০১৮ দেশের ১২তম সিএজি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান ও মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক কার্যালয় ওয়েবসাইট।
সংবিধানের ৮১ নং অনুচ্ছেদঃ অর্থবিল
(১) এই ভাগে ''অর্থবিল'' বলিতে কেবল নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝাইবে:
(ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ;
(খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টিদান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন;
(গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হইতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ;
(ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ;
(ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা;
(চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়।
(২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হইয়াছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলিয়া গণ্য হইবে না।
(৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁহার নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তাহা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হইবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
- সুশীল সমাজ বা সিভিল সোসাইটি আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার কাঠামোর অংশ নয়। এরা হলো বেসরকারি স্বেচ্ছামূলক সংগঠিত গোষ্ঠী।
- কিন্তু তা সত্ত্বেও এই গোষ্ঠী সরকারি সিদ্ধান্ত ও নীতি নির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করে থাকে। এদের মূল উদ্দেশ্যে হলো নিজেদের অনুকূলে সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা।
- অন্যদিকে, জাতীয় সংসদ, সুপ্রিম কোর্ট ও বাংলাদেশ ব্যাংক সরকার কাঠামোর অংশ।
- দুর্নীতি দমন কমিশন - বিধিবদ্ধ সরকারি প্রতিষ্ঠান।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : প্রথমপত্র : মো. মোজাম্মেল হক।
বাংলাদেশে উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় ১৯৮২ সালে।
- এর অধীনে ১৯৮২ সালের ৭ নভেম্বর প্রথম ৪৫টি থানাকে এবং পরবর্তীতে ৪৬০টি থানাকে উপজেলায় উন্নীত করা হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালে। বর্তমান পর্যন্ত মোট ৫টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
একুশে পদক - ২০২১ প্রাপ্ত বিশিষ্ট নাগরিকদের তালিকাঃ (মোট - ২১ জন)
- ভাষা আন্দোলনে: মোতাহার হোসেন তালুকদার (মরণোত্তর), শামছুল হক (মরণোত্তর) ও আফসার উদ্দীন আহমদ (মরণোত্তর)
- শিল্পকলায়: পাপিয়া সারোয়ার (সংগীত), রাইসুল ইসলাম আসাদ (অভিনয়), সালমা বেগম সুজাতা (অভিনয়), আহমেদ ইকবাল হায়দার (নাটক), সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী (চলচ্চিত্র), ড. ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায় (আবৃত্তি), পাভেল রহমান (আলোকচিত্র)
- মুক্তিযুদ্ধে: গোলাম হাসনায়েন, ফজলুর রহমান খান ফারুক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুমা সৈয়দা ইসাবেলা (মরণোত্তর)
- সাংবাদিকতায়: অজয় দাশগুপ্ত
- গবেষণায়: ড. সমীর কুমার সাহা
- শিক্ষায়: মাহফুজা খানম
- অর্থনীতিতে: ড. মির্জা আব্দুল জলিল
- সমাজসেবায়: প্রফেসর কাজী কামরুজ্জামান
- ভাষা ও সাহিত্যে: কবি কাজী রোজী, বুলবুল চৌধুরী ও গোলাম মুরশিদ।
উৎসঃ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিতে স্থাপিত ভাস্কর্য 'মোদের গরব' বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে অবস্থিত।
- ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করা হয়।
- ভাস্কর্যটির স্থপতি অখিল পাল। ভাস্কর্যটির উচ্চতা ১৮ ফুট এবং প্রস্থ ৯ ফুট।
সূত্রঃ বাংলা একাডেমি এবং দৈনিক যুগান্তর।
করোনা পরিস্থিতিঃ
- ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বিষয়ে চীনা সরকার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে প্রথম অবহিত করে।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ভাইরাসকে কোভিড-১৯ নামকরণ করে ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ভাইরাসকে মহামারি ঘোষণা করে ১১ মার্চ ২০২০ তারিখে।
করোনায় আক্রান্ত শীর্ষ ৫ দেশঃ (৭ মার্চ, ২০২১ পর্যন্ত)
১. যুক্তরাষ্ট্রঃ আক্রান্ত - ২৯,৬৯৬,২৫০ জন; মৃত্যু - ৫৩৭,৮৩৮ জন।
২. ভারতঃ আক্রান্ত - ১১,২২৯,৩৯৮ জন; মৃত্যু - ১৫৭,৮৯০ জন।
৩. ব্রাজিলঃ আক্রান্ত - ১১,০১৯,৩৪৪ জন; মৃত্যু - ২৬৫,৫০০ জন।
৪. রাশিয়াঃ আক্রান্ত - ৪,৩২২,৭৭৬ জন; মৃত্যু - ৮৯,০৯৪ জন।
৫. যুক্তরাজ্যঃ আক্রান্ত - ৪,২১৮,৫২০ জন; মৃত্যু - ১২৪,৫০১ জন।
বাংলাদেশে মোট আক্রান্ত - ৫৫০,৩৩০ ও মৃত্য - ৮,৪৩২ জন।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ডওমিটার ও সাম্প্রতিক সমাচার।
বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচকঃ
অস্ট্রেলিয়ার Institute for Economics & Peace (IEP) ২৫ নভেম্বর ২০২০ Global Terrorism Index (GTI) : Measuring the Impact of Terrorism শিরােনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদন অনুযায়ী সন্ত্রাসবাসকবলিত দিকে থেকে শীর্ষ ৫ দেশ-
১. আফগানিস্তান
২. ইরাক
৩. নাইজেরিয়া
৪. লিবিয়া ও
৫. সােমালিয়া।
বাংলাদেশের অবস্থানঃ ৩৩ তম।
বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা International Cricket Council (ICC)।
- আইসিসির বর্তমান চেয়ারম্যান - গ্রেগ বারক্লে (Greg Barclay)।
- তিনি নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং তিনি নভেম্বর, ২০২০ - এ আইসিসির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন। তিনি ভারতের শশাঙ্ক মনোহর - এর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।
উৎসঃ আইসিসি ওয়েবসাইট।
বর্তমানে ভারতে রাজ্য সংখ্যা ছিল ২৮ টি।
- ৫ আগস্ট, ২০১৯ সালে ভারত সরকার কাশ্মীর রাজ্যের প্রাদেশিক মর্যাদা তুলে নিয়ে কেন্দ্রশাসিত দুটি অঞ্চলে বিভক্ত করেছে।
- পূর্বে ভারতের রাজ্য সংখ্যা ছিল ২৯টি।
- ভারতের সর্বশেষ রাজ্য তেলেঙ্গানা।
- বর্তমানে ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ৮টি।
উৎসঃ ভারতের সরকারি ওয়েবসাইট ও বিবিসি নিউজ।
জিব্রাল্টার প্রণালীঃ
- সংযুক্ত করেছে - আটলান্টিক এবং ভূমধ্যসাগরকে এবং
- পৃথক করেছে - আফ্রিকা (মরক্কো) ও ইউরোপ (স্পেন) মহাদেশকে।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস।
- কিউনিফর্ম লিপিতে লিখিত বিখ্যাত মহাকাব্যের নাম গিলগামেশ।
- এটি প্রায় ২১০০ খ্রিস্টপূর্বে রচিত হয়েছে। একে সবচেয়ে প্রাচীন সাহিত্যকর্ম হিসেবে গণ্য করা হয়।
- সুমেরীয়দের আবিষ্কৃত লিখন পদ্ধতির নাম - “কিউনিফর্ম” (Cuneiform)। কিউনিফর্ম লিপি বাম থেকে ডানদিকে লেখাঁ হত এবং এর বর্ণের সংখ্যা ছিলো - ৩২টি।
উৎসঃ ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম।
From Encyclopedia Britannica -
- Zulu, a nation of Nguni-speaking people in KwaZulu-Natal province, South Africa.
- They are a branch of the southern Bantu and have close ethnic, linguistic, and cultural ties with the Swazi and Xhosa.
- The Zulu are the single largest ethnic group in South Africa and numbered about nine million in the late 20th century.
জাতিসংঘ সনদের প্রথম সংশোধনঃ
- ১৯৬৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সনদের ২৩, ২৭ ও ৬১ নং অনুচ্ছেদগুলো (যথাক্রমে - নিরাপত্তা পরিষদ গঠন, নিরাপত্তা পরিষদের ভোটিং পদ্ধতি ও ECOSOC - এর গঠন) সংশোধন করা হয়।
- এই সংশোধন কার্যকর করা হয় - ৩১ আগস্ট, ১৯৬৫ সাল থেকে।
সংশোধন সমূহ নিচে দেওয়া হল -
⤇ নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১১ থেকে বাড়িয়ে ১৫ করা হয় যার মধ্যে ৫টি স্থায়ী ও ১০টি ২ বছর মেয়াদে নির্বাচিত সদস্য।
⤇ নিরাপত্তা পরিষদের ভোটিং পদ্ধতি সংশোধিত করে, কোন প্রস্তাব পাসের জন্য প্রয়োজনীয় ভোট সাত থেকে বাড়িয়ে নয় ভোট করা হয়।
⤇ ECOSOC - এর সদস্য সংখ্যা ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২৭ করা হয়।
উৎসঃ Live MCQ content (upcoming) ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
- 'কমিউনিস্ট পার্টি অব পেরু' এর সশস্ত্র সংগঠন হিসেবে ১৯৭০ সালে শাইনিং পাথ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এর প্রতিষ্ঠাতা আবিমায়েল গুজম্যান বা কমরেড গঞ্জালো।
- মাও সেতুং এর আদর্শে উজ্জীবীত হয়ে এরা প্রায় তিন দশক ধরে পেরুতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে।
- ১৯৯২ সালে প্রধান নেতা কমরেড গঞ্জালো গ্রেফতার হলে শাইনিং পাথের কর্মকাণ্ড সংকোচিত হয়ে যায়।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
পূর্ব তিমুর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
- আয়তন - ১৪,৮৭৪ বর্গকিলোমিটার।
- রাজধানী - দিলি।
ইতিহাসঃ
- ১৫২০ সালে সর্বপ্রথম পর্তুগীজরা এই দ্বীপ বসতি স্থাপন করে। পরে ১৬১৩ সালে ডাচরা দ্বীপের পশ্চিমাংশ দখল করে।
- এই দুই উপনিবেশিক শক্তি দ্বীপের দখল বা নিজেদের আধিপত্যের জন্য বিবাদে জড়ায়। ১৮১২-১৫ সাল পর্যন্ত দ্বীপটি ব্রিটিশরা শাসন করে।
- ১৮৬০ ও ১৮৯৩ সালে বিবাদমান উপনিবেশিক শক্তিগুলোর মধ্যে চুক্তির মাধ্যমে পূর্ব তিমুর শাসনের অধিকার লাভ করে পর্তুগীজরা। চুক্তি ১৯১৪ সালে কার্যকর হয়।
- ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত পূর্ব তিমুর পর্তুগালের উপনিবেশ ছিল।
- ১৯৭৫ সালে Revolutionary Front for an Independent East Timor গঠিত হয় এবং এর বেশিরভাগ অঞ্চল তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- ১৯৭৬ সালে ইন্দোনেশিয়া পূর্ব তিমুর আক্রমন করে দখল করে এবং এটি নিজেদের অঞ্চল বলে ঘোষণা করে।
- ১৯৯৯ সালের ৩০ আগস্ট পূর্ব তিমুরে স্বাধীনতার স্বপক্ষে গণভোট অনুষ্ঠিত হয় এবং জনসাধারণ স্বাধীনতার পক্ষে ভোট দেয়। পশ্চিম তিমুর ইন্দোনেশিয়ার সাথে থেকে যায়।
- তারপর থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত পূর্ব তিমুর জাতিসংঘের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ২০০২ সালের এপ্রিলে Xanana Gusmão প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয় এবং জাতিসংঘ তার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে এবং পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা লাভ করে।
উৎসঃ ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড এটলাস।
লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চিঃ
লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি ছিলেন ইতালীয় চিত্রশিল্পী, ভাস্কর, বহুশাস্ত্রজ্ঞ ও ইউরোপের রেনেসার সূত্রপাতকারীদের একজন।
তার আঁকা বিখ্যাত কয়েকটি চিত্রকর্ম হচ্ছে -
- “Mona Lisa”,
- “Last Supper”,
- “Leda”,
- “Treatise on Painting”,
- “Battle of Anghiari”,
- “Virgin and Child with St. Anne”,
- “The Benois Madonna”,
- “Vitruvian Man”,
- “The Virgin of the Rocks” ইত্যাদি।
- "The Creation of Adam" চিত্রকর্মটি মাইকেল অ্যাঞ্জেলোর সৃষ্টি।
উৎসঃ ব্রিটানিকা.কম
মন্ট্রিল প্রটোকল ১৯৮৭ সালে স্বাক্ষরিত হয়। জাতিসংঘ কর্তৃক চুক্তিটি অনুমোদিত হয় - ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সাল।
- চুক্তি কার্যকর হয় - ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯ সাল।
- চুক্তিটি - ১৯৭টি দেশ ও অঞ্চল কর্তৃক অনুমোদিত।
- এই প্রটোকলের বিষয়বস্তু ছিল বায়মণ্ডলের ওজোন স্তরের জন্য ক্ষতিকর পদার্থ উৎপাদন সীমিত করে ওজন্সতরকে রক্ষা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর পুরো নাম- Montreal Protocol on Substance that Deplete the Ozone Layer। আর বাংলাদেশ এটি অনুমােদন করে- ১৯৯০ সালে।
উৎসঃ UNenvironment - ওয়েবসাইট।
Intermediate-Range Nuclear Forces (INF) Treaty - তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
স্বাক্ষরকাল - ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৭ সাল।
স্বাক্ষরকারী - রোনাল্ড রিগ্যান ও মিখাইল গর্ভাচেভ
কার্যকর - ১ জুন, ১৯৮৮ সাল
- এই চুক্তির ফলে দুই দেশ মাঝারি পাল্লার ক্ষেপনাস্ত্র তৈরি ও উৎক্ষেপন বন্ধ ছিল।
চুক্তির মেয়াদ উত্তীর্ণ - ২ আগস্ট, ২০১৯ সাল।
উৎসঃ armscontrol.org
- পটুয়াখালী জেলাকে বলা হয় সাগরকন্যা।
- বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এ জেলারই ঐতিহ্য বহনকারী বেলাভূমি।
- অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকটা।
- একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করার মনোমুগ্ধকর পর্যটন স্পট।
উৎসঃ পটুয়াখালী জেলার ওয়েবসাইট।
শব্দদূষণ (Sound Pollution)
মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ক্ষমতার উর্ধ্বে সৃষ্ট যে কোনো শব্দ যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ব্যাঘাত ঘটায় তাই হলো শব্দ দূষণ। শব্দের তীব্রতা পরিমাপক একক হচ্ছে - ডেসিবল (dB)। শব্দের মাত্রা ৪৫ ডেসিবল (dB) হলেই সাধারণত মানুষ ঘুমাতে পারে না। ৮৫ ডেসিবল (dB) শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে এবং মাত্রা ১২০ডেসিবল (dB) হলে কানে ব্যথা শুরু হয়।
⤇ শব্দ দূষণের কারণ হলো - বাস, ট্রাক, ট্রেন ও লঞ্চের হর্ণ, রেডিও, ক্যাসেট, টেলিভিশন ও মাইক উচ্চ শব্দে বাজানো। এছাড়া সাইরেন ও যুদ্ধসামগ্রীর শব্দ, বোমার বিস্ফোরণ, মেঘের গর্জন প্রভৃতি শব্দ দূষণের উৎস।
⤇ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) - এর মতে সাধারণত ৬০ ডেসিবেল (dB) শব্দ একজন মানুষকে সাময়িকভাবে এবং ১০০ ডেসিবেল (dB) শব্দ পুরোপুরি বধির করে ফেলে। সুতরাং, ৬০ ডেসিবলের চেয়ে বেশি মাত্রার শব্দ শব্দদূষণ ঘটায়।
শব্দদূষণের ফলাফলঃ
বাংলাদেশের পরিবেশ অধিদপ্তরের জরিপ অনুসারে দেখা যায়,
- উচ্চ শব্দ জনসাধারণের মানসিক ও শারীরিক অসুস্থতার কারণ। এটি উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ হূদস্পন্দন, মাথ্যাব্যথা, বদহজম ও পেপটিক আলসার সৃষ্টির কারণ, এমনকি গভীর ঘুমকেও ব্যাহত করছে।
- যেকোন ব্যক্তি যেকোন স্থানে আধঘণ্টা বা তার অধিক সময় ধরে ঘটা ১০০ ডিবি বা তার অধিক শব্দ দূষণের ফলে চিরতরে বধির হয়ে যেতে পারে।
- উচ্চমাত্রার শব্দের কর্ম পরিবেশে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করলে যেকোন ব্যক্তির সম্পূর্ণ বধিরতা দেখা দিতে পারে।
- যেকোন ধরনের শব্দ দূষণ গর্ভবতী মায়ের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। দেখা গেছে বড় বিমান বন্দরের সন্নিকটে বসবাসকারী গর্ভবতী মায়েরা অন্যান্য স্থানে অবস্থানকারী মায়েদের তুলনায় অধিক সংখ্যক পঙ্গু, বিকৃত এবং অপরিণত শিশু জন্ম দিয়ে থাকেন।
উৎসঃ Live MCQ content (Upcoming)
পশ্চিমা বায়ুঃ
- কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে অয়ন বায়ু ব্যতীত আরও দুটি বায়ুপ্রবাহ মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়।
- উত্তর গোলার্ধে এটি দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়। এ বায়ুপ্রবাহকে পশ্চিমা বায়ু বলে।
- উত্তর গোলার্ধে স্থলভাগের পরিমাণ অধিক বলে স্থানীয় কারণে পশ্চিমা বায়ুর সাময়িক বিরতি ঘটে।
- কিন্তু দক্ষিণ গোলার্ধে জলভাগের পরিমান বেশি বলে পশ্চিমা বায়ু প্রবলবেগে এ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়। এজন্য এই বায়ুপ্রবাহকে প্রবল পশ্চিমা বায়ু বলে।
- ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সর্বাপেক্ষা বেশি। এ অঞ্চলকে গর্জনশীল চল্লিশা বলে।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
আগ্নেয় ও পাললিক শিলা অত্যধিক চাপ, তাপ ও রাসায়নিক ক্রিয়ায় পরিবর্তিত হয়ে যে নতুন রূপ ধারণ করে তাকে ‘রূপান্তরিত শিলা’ বলে।
রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইট
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল
- বেলপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস।
অন্যদিকে,
- ল্যাকোলিথ ও গ্রানাইট : অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা
- কয়লা : পাললিক শিলা।
সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি : পৃষ্ঠা: ৫০-৫১
- পানি প্রবাহ ও প্রশস্ততায় আমাজন নদী পৃথিবীর বৃহত্তম নদী। দৈর্ঘ্যে বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
- নদীটির উৎপত্তি আন্দিজ পর্বতমালার পেরু অংশে।
- এটি প্রায় ৬,৪০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে ব্রাজিলের উত্তর-পূর্ব উপকূল বরাবর আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত হয়েছে।
সূত্রঃ এনসাক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
ভূমিকম্প ভূ-পৃষ্ঠে সংঘটিত আকস্মিক ও অস্থায়ী কম্পন।
- ভূ-অভ্যন্তরস্থ শিলারাশিতে সঞ্চিত শক্তির আকস্মিক অবমুক্তির কারণে সৃষ্ট এই স্পন্দনের মাত্রা মৃদু কম্পন থেকে প্রচন্ড ঘূর্ণনের মধ্যে হতে পারে। তাই ভূমিকম্প পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সংঘটিত হয়।
ভূমিকম্পের প্রধান কারণগুলো হলোঃ
- পৃথিবীর উপরিভাগ কতগুলো ফলক/প্লেট দ্বারা গঠিত। এই প্লেটসমূহের সঞ্চালন প্রধানত ভূমিকম্প ঘটিয়ে থাকে।
- আবার অগ্নুৎপাতের ফলে প্লেটসমূহের উপর ভূকিম্পন সৃষ্টি হয়।
ভূমিকম্পের অপ্রধান কারণঃ
- শিলাচ্যুতি,
- তাপ বিকিরণ,
- ভূগর্ভস্থ বাষ্প,
- ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস,
- হিমবাহের প্রভাব ইত্যাদি।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি
পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্যে সবচেয়ে বেশি দায়ী কার্বন ডাই অক্সাইড।
- এছাড়া অন্যান্য গ্যাসসমূহের মধ্যে মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড এবং বিভিন্ন ফ্লোরোনেইটেড গ্যাস তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্যে দায়ী।
সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
গ্রিনহাউজ গ্যাসসমূহ পৃথিবী থেকে বিকিরিত তাপ আটকে রেখে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করছে। গ্রিনহাউজ গ্যাসসমূহের মধ্যে কার্বন ডাই অক্সাইড প্রধান।
বৈশ্বিক গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃরণের মধ্যে ৮১ শতাংশই কার্বন ডাই অক্সাইড।
এছাড়া মিথেন ১০ শতাংশ, নাইট্রাস অক্সাইড ৭ শতাংশ এবং ফ্লোরোনেইটেড গ্যাসসমূহ ৩ শতাংশ।
সূত্র: মার্কিন পরিবেশ রক্ষা এজেন্সি।
তবে,
ওজোন স্তরের জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর গ্যাস হচ্ছে - ক্লোরোফ্লোরো কার্বন।
ঘূর্ণিঝড়ের সময় সতর্কতা ও বিপদ বুঝানোর জন্য ১১টি সংকেত রয়েছে।
- তার মধ্যে প্রথম চারটি সতর্কতা ও স্থানীয় সংকেত। বাকিগুলো বিপদ সংকেত।
নিম্নে ১১টি সংকেতের অর্থ দেওয়া হলঃ
১ নং দূরবর্তী সতর্ক সংকেতঃ
জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার পর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সম্মুখীন হতে পারে। দূরবর্তী এলাকায় একটি ঝড়ো হাওয়ার অঞ্চল রয়েছে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬১ কিলোমিটার (কি.মি.)। ফলে সামুদ্রিক ঝড়ের সৃষ্টি হবে।
২ নং দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেতঃ
দূরে গভীর সাগরে একটি ঝড় সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিলোমিটার। বন্দর এখনই ঝড়ে কবলিত হবে না, তবে বন্দর ত্যাগকারী জাহাজ পথে বিপদে পড়তে পারে।
৩ নং স্থানীয় সতর্ক সংকেতঃ
বন্দর ও বন্দরে নোঙর করা জাহাজগুলোর দুর্যোগ কবলিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বন্দরে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং ঘূর্ণি বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০-৫০ কি.মি. হতে পারে।
৪ নং স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেতঃ
বন্দর ঘূর্ণিঝড় কবলিত। বাতাসের সম্ভাব্য গতিবেগ ঘণ্টায় ৫১-৬১ কি.মি.। তবে ঘূর্ণিঝড়ের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়ার মতো তেমন বিপজ্জনক সময় এখনও আসেনি।
৫ নং বিপদ সংকেতঃ
বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কি.মি.। ঝড়টি বন্দরকে বাম দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
৬ নং বিপদ সংকেত:
বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কি.মি.। ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
৭ নং বিপদ সংকেতঃ
বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কি.মি.। ঝড়টি বন্দরের উপর বা এর নিকট দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
৮ নং মহাবিপদ সংকেতঃ
বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়তে পারে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি. বা এর বেশি হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে বাম দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।
৯ নং মহাবিপদ সংকেতঃ
বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি. বা এর বেশি হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।
১০ নং মহাবিপদ সংকেতঃ
বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি.বা তার বেশি হতে পারে।
১১ নং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সংকেতঃ
আবহাওয়ার বিপদ সংকেত প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সকল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং স্থানীয় আবহাওয়া কর্মকর্তা পরিস্থিতি দুর্যোগপূর্ণ বলে মনে করেন।
মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী মানদণ্ড ও নীতি।
- শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলো মূল্যবোধ অর্জন।
- মানুষের শিক্ষাজীবনকে ব্যক্তিগত মূল্যবোধ অর্জনের শ্রেষ্ঠ সময় বলা হয়।
- মূল্যবোধ শিক্ষার প্রাথমিক উৎস হলো পরিবার। পরিবার থেকেই মূল্যবোধ শিক্ষার সূচনা হয়।
- মূল্যবোধ শিক্ষার প্রধান প্রাতিষ্ঠানিক উৎস হলো বিদ্যালয় (শিক্ষা প্রতিষ্ঠান)।
সুশাসন' শব্দটি সর্বপ্রথম বিশ্বব্যাংক সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করে।
- ১৯৮৯ সালে সুশাসন প্রত্যয়টি বিশ্বব্যাংক কর্তৃক উদ্ভাবিত আধুনিক শাসন ব্যবস্থার সংযোজিত রূপ।
- বিশ্বব্যাংকের মতে, ''সুশাসন হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়।''
উৎসঃ বিশ্বব্যাংকের ওয়েবসাইট।
আমাদের সামাজিক ও ধর্মীয় বিশ্বাস, আবেগ, রীতিনীতি, ভাষা, প্রথা, মূল্যবোধ প্রভৃতির সমষ্টি হলো সংস্কৃতি।
- সংস্কৃতি বলতে মানুষের যাবতীয় কর্মকাণ্ড তথা জীবন প্রণালিকে বুঝায়।
- মানুষের ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, পোশাক-পরিচ্ছদ থেকে শুরু করে চিন্তা-ভাবনা, ধ্যান ধারণা, বিশ্বাস, ধর্ম, নীতিবোধ প্রভৃতি সংস্কৃতির উপাদান হিসেবে চিহ্নিত।
- নীতি ও ঔচিত্যবোধ থেকে নৈতিক মূল্যবোধের উৎপত্তি।
- একটি জাতির সংস্কৃতি তার নৈতিক মূল্যবোধকে অপরের সামনে তুলে ধরে।
উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন (উন্মুক্ত)।
আইনঃ
আইনের সাধারণ অর্থ হলো নিয়ম-কানুন বা বিধি বিধান। ফার্সি শব্দ 'আইন' শব্দটির অর্থ 'সুনির্দিষ্ট নিয়ম বা নীতি'।
- আইনের ইংরেজি শব্দ Law; ইংরেজি Law শব্দটির আভিধানিক উৎপত্তি টিউটনিক মূল শব্দ 'Lag' থেকে।
- Law শব্দের অর্থ স্থির বা অপরিবর্তনীয় এবং সকলের ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য।
সুনির্দিষ্ট নিয়ম ছাড়া রাষ্ট্রের অস্তিত্ব কল্পনাও করা যায় না। সমাজের শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও সুস্থ রাষ্ট্রীয় জীবন যাপনের মানুষকে কিছু বিধি নিষেধ মেনে চলতে হয়।
- এসব বিধি নিষেধ বা নিয়ম-কানুনকে আইন বলে। সুতরাং, আইন হচ্ছে ব্যক্তির আচরণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত নিয়মের সমষ্টি যা সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত।
আইনের প্রামাণ্য সংজ্ঞাঃ
- অ্যারিস্টটল বলেন, ‘যুক্তিসিদ্ধ ইচ্ছার অভিব্যক্তিই হচ্ছে আইন’।
এছাড়াও তিনি বলেন, 'আইন হলো আবেগ বিবর্জিত যুক্তি'।
- টমাস হব্স বলেন, 'জনগণের ভবিষ্যৎ কার্যাবলি নির্দিষ্ট করে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ যে আদেশ প্রদান করে তাই আইন।'
- অধ্যাপক হল্যান্ড এর মতে, 'আইন হচ্ছে সেই সাধারণ নিয়ম যা মানুষের বাহ্যিক আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং সার্বভৌম রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ যা প্রয়োগ করেন।'
- জন অস্টিনের মতে, 'আইন হচ্ছে নিম্নতমের প্রতি উর্ধ্বতন রাজনৈতিক কর্তৃত্বের আদেশ।'
- অধ্যাপক স্যালমন্ড এর মতে, 'ন্যায় সংরক্ষণের তাগিদে রাষ্ট্র যেসব নীতি স্বীকার করে এবং প্রয়োগ করে তাই আইন'।
- আইনের সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য সংজ্ঞা প্রদান করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন। তিনি বলেন,.
'আইন হলো মানুষের স্থায়ী আচার-ব্যবহার ও চিন্তাধারার সেই অংশ যা রাষ্ট্রের দ্বারা স্বীকৃত বিধিতে পরিণত হয়েছে এবং যার পশ্চাতে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের সুস্পষ্ট সমর্থন রয়েছে।'
উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন (উন্মুক্ত)।
মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী মানদণ্ড ও নীতি।
- শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলো মূল্যবোধ অর্জন।
- মানুষের শিক্ষাজীবনকে ব্যক্তিগত মূল্যবোধ অর্জনের শ্রেষ্ঠ সময় বলা হয়।
অর্থ্যাৎ শিক্ষার মাধ্যমেই মূল্যবোধকে সুদৃঢ় করা যায়।
- সুশাসন শাসক এবং শাসিত উভয়ের মধ্যে অংশগ্রহণমূলক শাসন ব্যবস্থা।
- সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে শাসিত জনগণের সম্পর্ককে বুঝায়।
- সুশাসন হচ্ছে এমন এক শাসন ব্যবস্থা যা শাসক ও শাসিতের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলে।
- এই আস্থার সম্পর্ক যত শক্তিশালী হবে সুশাসন তত মজবুত হবে।