পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২২
সিলেবাস
[বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারী পরিচালক নিয়োগ প্রস্তুতি - ২০২৩] বিষয়: বাংলা টপিক: সন্ধি, সমাস, পদ-প্রকরণ, উপসর্গ, অনুসর্গ, বাক্যের শেণি বিভাগ, বাক্য রূপান্তর, প্রকৃতি-প্রত্যয়, বাচ্য ও উক্তি, যতিচহ্ন।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ২২ প্রশ্ন

.
'সন্তাপ' কোন নিয়মে ব্যঞ্জনসন্ধি?
  1. ক) স্বর + স্বর
  2. খ) ব্যঞ্জন + ব্যঞ্জন
  3. গ) ব্যঞ্জন + স্বর
  4. ঘ) স্বর + ব্যঞ্জন
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যঞ্জন + ব্যঞ্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যঞ্জন + ব্যঞ্জন
ব্যাখ্যা
• ব্যঞ্জনসন্ধি:
স্বরে-ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে-স্বরে ও ব্যঞ্জনে-ব্যঞ্জনে যে সন্ধি হয়, তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে।

• ব্যঞ্জন + ব্যঞ্জন:
ব্যঞ্জনসন্ধিতে একটি ধ্বনির প্রভাবে পার্শ্ববর্তী ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে যায়।

যেমন:
চলৎ + চিত্র = চলচ্চিত্র (এখানে চ-এর প্রভাবে ত হয়েছে চ)।
বিপদ্ + জনক = বিপজ্জনক (এখানে জ-এর প্রভাবে দ হয়েছে জ)।
উৎ + লাস = উল্লাস (এখানে ল-এর প্রভাবে ত হয়েছে ল)।
বাক্ + দান = বাগ্দান (এখানে ঘোষধ্বনি দ-এর প্রভাবে ক হয়েছে গ)।
তৎ + মধ্যে = তন্মধ্যে (এখানে নাসিক্য ধ্বনি ম-এর প্রভাবে ত হয়েছে ন)।
শম্ + কা = শঙ্কা (এখানে কণ্ঠ্যধ্বনি ক-এর প্রভাবে ম হয়েছে ঙ)।
সম্ + চয় = সঞ্চয় (এখানে তালব্যধ্বনি চ-এর প্রভাবে ম হয়েছে ঞ)।
সম্ + তাপ = সন্তাপ (এখানে দন্ত্যধ্বনি ত-এর প্রভাবে ম হয়েছে ন)।
সম্ + মান = সম্মান (এখানে ওষ্ঠ্যধ্বনি ম-এর প্রভাবে ম অপরিবর্তিত রয়েছে)।
ষষ্ + থ = ষষ্ঠ (এখানে মূর্ধন্যধ্বনি ষ-এর প্রভাবে থ হয়েছে ঠ)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (২০২২ সংস্করণ)।
.
'তার হাতের কাজ খুব নিখুঁত'- এখানে 'খুব' কী পদ?
  1. ক) বিশেষ্য
  2. খ) বিশেষণ
  3. গ) সর্বনাম
  4. ঘ) অব্যয়
সঠিক উত্তর:
খ) বিশেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিশেষণ
ব্যাখ্যা
• যে পদ বাক্যের অন্য কোন পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ পদ বলে।
- অর্থাৎ, বিশেষণ পদ অন্য কোন পদ সম্পর্কে তথ্য বা ধারণা প্রকাশ করে, বা অন্য পদকে বিশেষায়িত করে।
-  বিশেষণ অনেক ধরণের হতে পারে; বিশেষণের বিশেষণ নামেও এক ধরণের বিশেষণ আছে।
- কোন বিশেষণ যদি অন্য একটি বিশেষণকেও বিশেষায়িত করে, তাকে বিশেষণের বিশেষণ বলে।

প্রশ্নোক্ত বাক্যের 'খুব' শব্দটি 'ভাল' শব্দকে বিশেষিত করেছে।
তাই 'খুব' শব্দটি বিশেষণের বিশেষণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'আমজনতা'- শব্দে 'আম' উপসর্গটি কোন ভাষার?
  1. ক) ইংরেজি
  2. খ) আরবি
  3. গ) ফারসি
  4. ঘ) হিন্দি
সঠিক উত্তর:
খ) আরবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আরবি
ব্যাখ্যা
• 'বকলম' শব্দে 'ব' উপসর্গটি - ফারসি উপসর্গ।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি শব্দের সঙ্গে যেসব উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাদেরকে বিদেশী উপসর্গ বলা হয়।
• এসব বিদেশি উপসর্গের মধ্যে আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি ইত্যাদি ভাষার উপসর্গ বহুলভাবে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। দীর্ঘদিন যাবৎ এসব উপসর্গ ব্যবহারের ফলে বাংলা ভাষার সঙ্গে বেমালুম মিশে গেছে।

• আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, বাজে, গর।
• ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বড়, ব, কম।
• ইংরেজি উপসর্গ: ফুল, হাফ, হেড, সাব।
• হিন্দি: হর, হরেক।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
অনুসর্গের ক্ষেত্রে কোনটি মিথ্যা?
  1. ক) অনুসর্গ শব্দের পরে বসে।
  2. খ) অনুসর্গ কারকের ধারণা দেয়।
  3. গ) অনুসর্গের স্বতন্ত্র ব্যবহার নেই।
  4. ঘ) অনুসর্গ শব্দের সঙ্গে জুড়ে বসে না।
সঠিক উত্তর:
গ) অনুসর্গের স্বতন্ত্র ব্যবহার নেই।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অনুসর্গের স্বতন্ত্র ব্যবহার নেই।
ব্যাখ্যা
অনুসর্গ:
বাংলা ভাষায় এক ধরনের সহায়ক শব্দ বাক্যে অন্য কনো পদের পরে বসে পদটিকে বাক্যের সবগে সম্পর্কিত করে কিংবা বিভক্তির মতো কাজ করে। এগুলো অনুসর্গ নামে পরিচিত।

অনুসর্গের বৈশিষ্ট্য:
- অনুসর্গ শব্দের পরে বসে।
- অনুসর্গ কারকের ধারণা দেয়।
- অনুসর্গের স্বতন্ত্র ব্যবহার আছে।
- অনুসর্গ শব্দের সঙ্গে জুড়ে বসে না। পৃথক শব্দ হিসেবে থাকে।
- অনুসর্গ সাধারণভাবে অব্যয় হলেও বিশেষ্য, বিশেষণ বা ক্রিয়া থেকেও সৃষ্টি হতে পারে।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
'তাণ্ডব'- শব্দের সঠিক প্রকৃতি - প্রত্যয় কোনটি?
  1. ক) তান্ড + অব
  2. খ) তন্ডু + অ
  3. গ) তণ্ডু + অ
  4. ঘ) তান্ড + অ
সঠিক উত্তর:
গ) তণ্ডু + অ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তণ্ডু + অ
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
তাণ্ডব (বিশেষ্য):

শব্দের উৎস: সংস্কৃত ভাষা।
প্রকৃতি - প্রত্যয়: তণ্ডু + অ।

অর্থ:
- তণ্ডুমুনি-উদ্ভাবিত নৃত্য,
- উদ্যাম নৃত্য,
- শিবের নৃত্য।
আলংকারিক অর্থ: প্রলয়ংকর ব্যাপার।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
নিচের কোনটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি নয়?
  1. ক) ষোড়শ
  2. খ) উদ্ধার
  3. গ) একাদশ
  4. ঘ) আশ্চর্য
সঠিক উত্তর:
খ) উদ্ধার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উদ্ধার
ব্যাখ্যা
'উদ্ধার'- শব্দটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি নয়।
- একাদশ, ষোড়শ, আশ্চর্য নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি। 

নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি:
কতগুলো সন্ধি কোন নিয়ম অনুসারে হয় না, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। 

নিচে কয়েকটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ হল:
- বন + পতি = বনস্পতি,
- আ + চর্য = আশ্চর্য,
- গো + পদ = গোষ্পদ,
- পর + পর = পরস্পর,
- ষট্ + দশ = ষোড়শ,
- এক+ দশ = একাদশ,
- পতৎ + অঞ্জলি = পতঞ্জলি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
নঞ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) বদরাগী
  2. খ) নাজানা
  3. গ) মাথায় পাগড়ি
  4. ঘ) নীলপদ্ম
সঠিক উত্তর:
খ) নাজানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নাজানা
ব্যাখ্যা
• নঞ বহুব্রীহি সমাস:
- বিশেষ্য পূর্বপদের আগে নঞ (না অর্থবােধক) অব্যয়যােগে বহুব্রীহি সমাস করা হলে তাকে নঞ বহুব্রীহি সমাস বলে।
- নঞ বহুব্রীহি সমাসে সাধিত পদটি বিশেষণ হয়।
যেমন-
- বে (নাই) ঈমান যার = বেঈমান,
- ন (নাই) জ্ঞান যার = অজ্ঞান,
- না (নাই) চারা (উপায়) = নাচার,
- নি (নাই) ভুল যার = নির্ভুল,
- না (নয়) জানা যা = নাজানা,
- অ (নাই) আদি যার = অনাদি ইত্যাদি। 

- নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম - কর্মধারয় সমাস
- বদ রাগ যার = বদরাগী - সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস
- মাথায় পাগড়ি যার = মাথায় পাগড়ি - অলুক বহুব্রীহি সমাস

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'বিবর্ণ' শব্দে 'বি' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) আতিশয্য
  2. খ) অভাব
  3. গ) সহজ
  4. ঘ) গতি
সঠিক উত্তর:
খ) অভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অভাব
ব্যাখ্যা
• 'বিবর্ণ' শব্দে 'বি' উপসর্গটি 'অভাব' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- এখানে 'বি' একটি সংস্কৃত শব্দ। 

সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০ টি। যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।
[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গতৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।] 

• বাংলা ও সংস্কৃত উপসর্গের মধ্যে পার্থক্য এই যে, যে শব্দটির সঙ্গে উপসর্গ যুক্ত হয় সেই শব্দটি বাংলা হলে উপসর্গটি বাংলা আর সেই শব্দটি তৎসম হলে উপসর্গটিও তৎসম হয়।
বি + জ্ঞান = বিজ্ঞান ('বি' উপসর্গটি 'বিশেষ' অর্থে ব্যবহৃত)।
বি + বর্ণ = বিবর্ণ ('বি' উপসর্গটি 'অভাব' অর্থে ব্যবহৃত)।
বি + চরণ = বিচরণ ('বি' উপসর্গটি 'গতি' অর্থে ব্যবহৃত)।
বি + কার = বিকার ('বি' উপসর্গটি 'অপ্রকৃতস্থ' অর্থে ব্যবহৃত)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
নিম্নের কোনটি 'বিবর্তিত' অনুসর্গের উদাহরণ?
  1. ক) তুমি ছাড়া আমার কে আছে, বলো।
  2. খ) আর কত অপেক্ষা করতে হবে?
  3. গ) তোমার জন্য সব হয়েছে।
  4. ঘ) আজ বাংলাদেশ বনাম ভারতের খেলা।
সঠিক উত্তর:
ক) তুমি ছাড়া আমার কে আছে, বলো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তুমি ছাড়া আমার কে আছে, বলো।
ব্যাখ্যা

• অনুসর্গ প্রধানত দুই প্রকার।
- নাম বা বিশেষ্য অনুসর্গ,
- ক্রিয়া অনুসর্গ।

• নাম বা বিশেষ্য অনুসর্গকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে:
- সংস্কৃত অনুসর্গ: অপেক্ষা, অভিমুখ, উপরে, কর্তৃক, জন্য, দিকে ইত্যাদি।
- বিবর্তিত অনুসর্গ: আগে, কাছে, ছাড়া, তরে, পানে, পাশে, বই, ভেতর, মাঝে, সাথে, সামনে ইত্যাদি।
- ফারসি অনুসর্গ: দরুন, বদলে, বনাম, বাদে, বাবদ, বরাবর ইত্যাদি।

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, বাংলা একাডেমি।

১০.
মূল বাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য বা বাক্যাংশ দিয়ে তৈরি হয় -
  1. ক) সরল বাক্য
  2. খ) জটিল বাক্য
  3. গ) যৌগিক বাক্য
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) জটিল বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জটিল বাক্য
ব্যাখ্যা
• গঠনগত দিক থেকে বাক্যকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যেমন,
- সরল বাক্য,
- জটিল বাক্য,
- যৌগিক বাক্য।

• জটিল বাক্য: একটি মূল বাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য বা বাক্যাংশ থাকলে জটিল বাক্য তৈরি হয়।
যেমন-
যদি তোমার কিছু বলার থাকে, তবে এখনই বলে ফেলো।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১১.
‘বিচারটা অযৌক্তিক' কোন ধরনের বাক্য?
  1. ক) অস্তিবাচক
  2. খ) প্রশ্নবাচক
  3. গ) নেতিবাচক
  4. ঘ) অনুজ্ঞাবাচক
সঠিক উত্তর:
ক) অস্তিবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অস্তিবাচক
ব্যাখ্যা
• অস্তিবাচক বাক্য/ হাঁ বাচক বাক্য:
যে বাক্যে সমর্থনের মাধ্যমে কোন কিছু বর্ণনা করা হয়, তাকে অস্তিবাচক বাক্য বা হাঁ বাচক বলে।
যে বাক্যে হাঁ বাচক শব্দ থাকে, তাকে হাঁ বাচক বা অস্তিবাচক বাক্য বলে।
যেমন - তুমি কালকে আসবে।
প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্য 'বিচারটা অযৌক্তিক' - এটি অস্তিবাচক বাক্য।
এর নেতিবাচক রূপ - বিচারটা যৌক্তিক নয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
প্রত্যক্ষ উক্তির 'ইহা পরোক্ষ উক্তিতে কী হবে?
  1. ক) তাহা
  2. খ) ওটা
  3. গ) সেটা
  4. ঘ) ওহা
সঠিক উত্তর:
ক) তাহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তাহা
ব্যাখ্যা
• প্রত্যক্ষ উক্তির 'ইহা' পরোক্ষ উক্তিতে হবে - তাহা।

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু উক্তি পরিবর্তন:
প্রত্যক্ষ  -  পরোক্ষ
এই  -  সেই।
ইহা  -  তাহা/উহা।
এখানে - ওইখানে।
আগামীকাল - পরদিন।
গতকল্য - পূর্বদিন।
এটা - ওটা/সেটা।
এ - সে।
আজ - সেদিন।
গতকাল - আগেরদিন।
এখন - তখন।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
১৩.
নিচের কোনটিতে বিসর্গ 'র' হয়ে যায়?
  1. ক) দুষ্কর
  2. খ) আশীর্বাদ
  3. গ) নীরব
  4. ঘ) পুরস্কার
সঠিক উত্তর:
খ) আশীর্বাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আশীর্বাদ
ব্যাখ্যা
• বিসর্গসন্ধিতে বিসর্গের কয়েক ধরনের পরিবর্তন লক্ষ করা যায়:

• বিসর্গ বিদ্যমান থাকে: মনঃ+কষ্ট = মনঃকষ্ট, অধঃ+পতন = অধঃপতন, বয়ঃ+সন্ধি = বয়ঃসন্ধি।
• বিসর্গ ‘ও’ হয়ে যায়: মনঃ+যোগ = মনোযোগ, তিরঃ+ধান = তিরোধান, তপঃ+বন = তপোবন।
• বিসর্গ ‘র্’ হয়ে যায়: নিঃ+আকার = নিরাকার, পুনঃ+মিলন = পুনর্মিলন, আশীঃ+বাদ = আশীর্বাদ।
• বিসর্গ শ/ষ/স্ হয়: নিঃ+চয় = নিশ্চয়, দুঃ+কর = দুষ্কর, পুরঃ+কার = পুরস্কার।
• কিছু কিছু সন্ধিতে পূর্ববর্তী স্বর দীর্ঘ হয়: নিঃ+রব = নীরব, নিঃ+রস = নীরস, নিঃ+রোগ = নীরোগ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৪.
কোনটি অনির্দিষ্ট সর্বনাম?
  1. ক) পর
  2. খ) সমস্ত
  3. গ) কোথাও
  4. ঘ) সে
সঠিক উত্তর:
গ) কোথাও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কোথাও
ব্যাখ্যা
• বিশেষ্য পদের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয়, তাকেই সর্বনাম পদ বলে।
- সর্বনাম পদগুলোকে মূলত ৯ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
• ব্যক্তিবাচক বা পুরুষবাচক সর্বনামঃ আমি, আমরা, তুমি, তোমরা, সে, তারা, তাহারা, তিনি, তাঁরা, এ, এরা, ও, ওরা।
• আত্মবাচক সর্বনামঃ স্বয়ং, নিজ, খোদ, আপনি।
নির্দেশক সর্বনাম:
নিকট নির্দেশক - এ, এই, এরা, ইহারা, ইনি।
দূর নির্দেশক - ও, ওই, ওরা, উনি।
• অনির্দষ্ট সর্বনাম: কেউ, কোথাও, কিছু, একজন।
• প্রশ্নবাচক সর্বনাম: কে, কারা, কাকে, কার, কী ইত্যাদি।
• সাপেক্ষ সর্বনাম: যারা-তারা, যে-সে, যেমন-তেমন ইত্যাদি।
• পারস্পারিক সর্বনাম: পরস্পর, নিজেরা নিজেরা ইত্যাদি।
• সকল/সাকুল্যবাচক সর্বনাম: সব, সকল, সমুদয়, তাবৎ, সমস্ত ইত্যাদি।
• অন্যবাচক সর্বনাম: অন্য, অপর, পর, অমুক ইত্যাদি।

উৎস: নবম - দশম শ্রেণীর বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (২০২১ সংস্করণ)।
১৫.
অধি, অভি, প্রতি - কোন ধরণের উপসর্গের উদাহরণ?
  1. ক) বাংলা উপসর্গ
  2. খ) সংস্কৃত উপসর্গ
  3. গ) ফারসি উপসর্গ
  4. ঘ) আরবি উপসর্গ
সঠিক উত্তর:
খ) সংস্কৃত উপসর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সংস্কৃত উপসর্গ
ব্যাখ্যা
• উৎ, অতি, অব, উপ  - সংস্কৃত উপসর্গ।

• উপসর্গ ৩ প্রকার। যথা-
- বাংলা উপসর্গ,
- সংস্কৃত বা  তৎসম উপসর্গ
- বিদেশি উপসর্গ।

সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০ টি। যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।
বাংলা উপসর্গ ২১ টি। যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা

- বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।
- বাংলা ও সংস্কৃত উপসর্গের মধ্যে পার্থক্য এই যে, যে শব্দটির সঙ্গে উপসর্গ যুক্ত হয় সেই শব্দটি বাংলা হলে উপসর্গটি বাংলা আর সেই শব্দটি তৎসম হলে উপসর্গটিও তৎসম হয়। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
১৬.
নিচের কোনটিতে ক্রিয়াজাত অনুসর্গের প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ক) হারানাে মোবাইলটার জন্য অনেক কেঁদেছি।
  2. খ) তার কাছে গেলে জানা যাবে?
  3. গ) ঢাকা থেকে বরিশাল যেতে পদ্মা নদী পার হতে হয়।
  4. ঘ) মাথার উপরে নীল আকাশ।
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা থেকে বরিশাল যেতে পদ্মা নদী পার হতে হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা থেকে বরিশাল যেতে পদ্মা নদী পার হতে হয়।
ব্যাখ্যা
• যেসব শব্দ কোনাে শব্দের পরে বসে শব্দটিকে বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত করে, সেসব শব্দকে অনুসর্গ বলে।

অনুসর্গকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
- সাধারণ অনুসর্গ।
- ক্রিয়াজাত অনুসর্গ।

• ক্রিয়াজাত অনুসর্গ:
যেসব অনুসর্গ ক্রিয়াপদ থেকে তৈরি হয়েছে, সেগুলােকে ক্রিয়াজাত অনুসর্গ বলে।
যেমন -
করে: ভালাে করে খেয়ে নাও।
থেকে: ঢাকা থেকে বরিশাল যেতে পদ্মা নদী পার হতে হয়।
দিয়ে মন দিয়ে লেখাপড়া করা দরকার।
ধরে: বহুদিন ধরে অপেক্ষা করে আছি।
বলে: সে সঙ্গে যাবে বলে তৈরি হয়ে এসেছে।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১৭.
কোনো কিছু দেখে বা শুনে অবাক বা বিস্মিত হলে কোন ধরনের বাক্য তৈরি হয়?
  1. ক) আবেগবাচক বাক্য
  2. খ) নেতিবাচক বাক্য
  3. গ) প্রশ্নবাচক বাক্য
  4. ঘ) অনুজ্ঞাবাচক বাক্য
সঠিক উত্তর:
ক) আবেগবাচক বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আবেগবাচক বাক্য
ব্যাখ্যা
আবেগবাচক বাক্য: কোনো কিছু দেখে বা শুনে অবাক হয়ে যে ধরনের বাক্য তৈরি হয়, তাকে আবেগবাচক বাক্য বলে।

যেমন- 
- দারুণ! আমরা জিতে গিয়েছি।
- অত উঁচু পাহাড়ে উঠে আমি তো ভয়েই মরি!

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)
১৮.
'সত্য কথা না বলে বিপদে পড়লাম' - বাক্যের যৌগিক বাক্যতে রূপান্তর কী হবে?
  1. ক) সত্য কথা বলিনি, তাই বিপদে পড়লাম।
  2. খ) যেহেতু সত্য কথা বলিনি, তাই বিপদে পড়লাম।
  3. গ) সত্য কথা না বললে বিপদে পড়তে হয়।
  4. ঘ) সত্য কথা বলেছি এবং বিপদে পড়লাম।
সঠিক উত্তর:
ক) সত্য কথা বলিনি, তাই বিপদে পড়লাম।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সত্য কথা বলিনি, তাই বিপদে পড়লাম।
ব্যাখ্যা
• যৌগিক বাক্য: দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যখন যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি বাক্যে পরিণত হয়, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
এবং,  ও, আর, অথবা, বা, কিংবা, কিন্তু,অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি যোজক যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
কমা(, ), সেমিকোলন(ঃ), কোলন( ; ), ড্যাশ( -) ইত্যাদি যতিচিহ্নও যোজকের কাজ করে।

সরল বাক্যকে যৌগিক বাক্যে পরিণত করতে: 
- যৌগিক বাক্যে একাধিক সমাপিকা ক্রিয়ার প্রয়োজন হয়।
- এজন্য সরলবাক্যকে যৌগিক বাক্য করতে হলে সরল বাক্যের মাঝখানের অসমাপিকা ক্রিয়াকে সমাপিকা ক্রিয়া রূপান্তর করতে হয়। সরল বাক্যে একটি মাত্র ক্রিয়া থাকলে যৌগিক বাক্য গঠনের সময়ে আরেকটি ক্রিয়া তৈরি করে নিতে হয়।
- সরল বাক্যকে যৌগিক বাক্যে পরিণত করতে হলে সরল বাক্যের কোন অংশকে নিরপেক্ষ বাক্যে রূপান্তর করতে হয়। 
- এবং যথাসম্ভব সংযোজক বা বিয়োজক অব্যয়ের প্রয়োগ করতে হয়।
- বাক্যটির যৌগিক রূপ হবে - সত্য কথা বলিনি, তাই বিপদে পড়লাম। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- নবম ও দশম শ্রেণি (সংস্করণ -২০১৯)।
১৯.
'সাম্য বিষয়ক বাদ = সাম্যবাদ' কোন প্রকার সমাসের উদাহরণ?
  1. ক) কর্মধারয় সমাস
  2. খ) বহুব্রীহি সমাস
  3. গ) দ্বিগু সমাস
  4. ঘ) তৎপুরুষ সমাস
সঠিক উত্তর:
ক) কর্মধারয় সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কর্মধারয় সমাস
ব্যাখ্যা
• কর্মধারয় সমাস সংজ্ঞা:
কর্মধারয় শব্দটির ব্যুৎপত্তি হলাে- কর্ম + ধৃ+ ণিচ + আ = কর্মধারয়। এতে সমান বিভক্তিযুক্ত বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের মিলন হয় এবং পরপদে বিশেষ্যের অর্থ প্রধান থাকে। অর্থাৎ যে সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণ ভাবাপন্ন পদের সাথে। বিশেষ্য বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় তাকে বলা হয় কর্মধারয় সমাস।
যেমন- নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম, যে শান্ত সেই শিষ্ট = শান্তশিষ্ট, যা কাঁচা তাই পাকা= কাঁচাপাকা ইত্যাদি।

মধ্যপদলােপী কর্মধারয় সমাস:
যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লােপ পায় তাকে বলা হয় মধ্যপদলােপী কর্মধারয় সমাস।
যেমন-
- পল (মাংস) মিশ্রিত অন্ন = পলান্ন,
- সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন,
- প্রীতিসূচক উপহার = প্রীতিউপহার,
- মৌ আশ্রিত মাছি = মৌমাছি,
- সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা,
- ঘরে আশ্রিত জামাই =ঘরজামাই,
- সাম্য বিষয়ক বাদ = সাম্যবাদ,
- স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ ইত্যাদি। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
নজরুল দেখ তো কে এসেছে - বাক্যের মাঝে কোন যতিচিহ্ন বসবে?
  1. ক) কমা
  2. খ) সেমিকোলন
  3. গ) কোলন
  4. ঘ) ড্যাশ
সঠিক উত্তর:
ক) কমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কমা
ব্যাখ্যা
• বাক্যের মাঝে কমা (,) যতিচিহ্ন বসবে।
- বাক্যটি হবে এরূপ - নজরুল, দেখ তো কে এসেছে।

• কমা এর ব্যবহার: 
- কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে।
- শব্দ, বর্গ, ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে কমার ব্যবহার হয়।
যেমন- 
নজরুল, দেখ তো কে এসেছে।
কাল তুমি যাকে দেখেছ, তিনি আমার বাবা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২১.
তিনি স্বয়ং তোমাকে দেখতে আসবেন।- বাক্যে ‘স্বয়ং’ কোন পদ?
  1. ক) বিশেষণ
  2. খ) সর্বনাম
  3. গ) বিশেষ্য
  4. ঘ) ক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) সর্বনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সর্বনাম
ব্যাখ্যা
• সর্বনাম: সর্বনাম বাক্যে বিশেষ্যের অনুরূপ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ্যের মতোই কারক ও বচন ভেদে তার রূপের পরিবর্তন হয়।
- কর্তা নিজেই কোনো কাজ করেছে- এ ভাব জোর দিয়ে বোঝানোর জন্য আত্মবাচক সর্মনাম ব্যবহৃত।
যেমন:
- আমি নিজে নিজে অঙ্কটি করেছি।
- তিনি স্বয়ং তোমাকে দেখতে আসবেন।
- যাত্রীরা স্ব স্ব আসনে গিয়ে বসলেন।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদও ড. মোহাম্মদ আমীন।
২২.
আমি জিজ্ঞেস করলুম ফালুদা বানাতে বরফ লাগে এখানে বরফ তৈরি করার কল আছে
- বাক্যটির যতিচিহ্ন সম্বলিত সঠিক রূপ কোনটি?
  1. ক) আমি জিজ্ঞেস করলুম, ‘ফালুদা বানাতে বরফ লাগে?’ ‘এখানে বরফ তৈরি করার কল আছে?’
  2. খ) আমি জিজ্ঞেস করলুম, ‘ফালুদা বানাতে বরফ লাগে। এখানে বরফ তৈরি করার কল আছে?’
  3. গ) আমি জিজ্ঞেস করলুম - ‘ফালুদা বানাতে বরফ লাগে, এখানে বরফ তৈরি করার কল আছে?’
  4. ঘ) আমি জিজ্ঞেস করলুম “ফালুদা বানাতে বরফ লাগে। এখানে বরফ তৈরি করার কল আছে।”
সঠিক উত্তর:
খ) আমি জিজ্ঞেস করলুম, ‘ফালুদা বানাতে বরফ লাগে। এখানে বরফ তৈরি করার কল আছে?’
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আমি জিজ্ঞেস করলুম, ‘ফালুদা বানাতে বরফ লাগে। এখানে বরফ তৈরি করার কল আছে?’
ব্যাখ্যা
আমি জিজ্ঞেস করলুম, ‘ফালুদা বানাতে বরফ লাগে। এখানে বরফ তৈরি করার কল আছে?’
- (প্রবাস বন্ধু - সৈয়দ মুজতবা আলী) থেকে নেওয়া।