পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগ, মধ্যযুগ এবং পত্রিকা ও সাময়িকী।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
চন্ডীমঙ্গল ধারার প্রধান কবির নাম কি?
  1. ক) কবি মানিক দত্ত
  2. খ) কবি দ্বিজমাধব
  3. গ) কবি মুকুন্দরাম চক্রবতী
  4. ঘ) কবি কানা হরি দত্ত
সঠিক উত্তর:
গ) কবি মুকুন্দরাম চক্রবতী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কবি মুকুন্দরাম চক্রবতী
ব্যাখ্যা
- 'চণ্ডীমঙ্গল’ চণ্ডী নামক লৌকিক-পৌরাণিক দেবীর পূজা প্রচারের কাহিনি অবলম্বনে লিখিত কাব্য।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি মানিক দত্ত। 
- চন্ডীমঙ্গল ধারার প্রধান কবির নাম মুকুন্দরাম চক্রবতী৷ 
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্রগুলাে হলো:
- কালকেতু, ফুল্লরা, ধনপতি, ভাঁড়ুদত্ত, মুরারি শীল প্রমুখ।
- চন্ডীমঙ্গল কাব্যের কবি দ্বিজমাধবকে 'স্বভাব কবি' বলা হয়

- মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি কানা হরি দত্ত 

[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর]
 
.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন পত্রিকাটিতে অভিনন্দন বাণী দিয়েছিলেন?
  1. ক) সবুজপত্র
  2. খ) ধুমকেতু
  3. গ) কল্লোল
  4. ঘ) সওগাত
সঠিক উত্তর:
খ) ধুমকেতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ধুমকেতু
ব্যাখ্যা
'ধুমকেতু' কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা।
- 'বিপ্লবীদের মুখপত্র এ পত্রিকাটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দের ২৬ শ্রাবণ (১১ আগস্ট ১৯২২) আত্মপ্রকাশ করে। 
- এর প্রথম সংখ্যায় নজরুলের অনলবর্ষী দীর্ঘ কবিতা ‘ধুমকেতু’ প্রকাশিত হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একটি বাণী দিয়ে ধুমকেতুকে অভিনন্দন জানান, যা প্রতি সংখ্যায় পত্রিকার শিরোনামের নিচে ছাপা হতো।
- পত্রিকাটির 'দেওয়ালী সংখ্যায়' ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর তুরস্কনীতি ও রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক নমনীয়তার কঠোর সমালোচনা করা হয়।


[উৎসঃ বাংলাপিডিয়া]
.
মনসামঙ্গলকাব্যের কবি নন কে?
  1. ক) বিজয় গুপ্ত,
  2. খ) নারায়ণ দেব
  3. গ) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  4. ঘ) হরি দত্ত
সঠিক উত্তর:
গ) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
মনসা দেবীর পুজো প্রচারের জন্য যে কাব্য রচিত, তার নাম মনসামঙ্গল। 
- মনসামঙ্গলকাব্যের  আদি কবি কানাহরি দত্ত।
- মনসামঙ্গলকাব্য লিখেছেন হরি দত্ত, নারায়ণ দেব, বিজয় গুপ্ত, বিপ্রদাস এবং আরো অনেকে।
- মনসামঙ্গলের প্রধান চরিত্র গুলো হলো- সাপের দেবী মনসা, চাঁদ সওদাগর, বেহুলা, লখিন্দর, সনকা।

- চন্ডীমঙ্গল কাব্য রচনা করেছেন মাণিক দত্ত, দ্বিজ মাধব, মুকুন্দরাম চক্রবর্তী, দ্বিজ রামদেব, ভারতচন্দ্র রায় প্রমুখ।
- ধর্মমঙ্গলকাব্য লিখেছেন ময়ূরভট্ট, মাণিকরাম, রূপরাম, সীতারাম, ঘনরাম, এবং আরো বহু কবি।


[উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ]

.
নিচের কোনটি চন্দ্রাবতীর রচনা?
  1. ক) রামায়ণ
  2. খ) ভাগবত
  3. গ) মহাভারত
  4. ঘ) মধুমালতী
সঠিক উত্তর:
ক) রামায়ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রামায়ণ
ব্যাখ্যা
- মধ্যযুগ তথা বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি চন্দ্রাবতী।
-  চন্দ্রাবতীর পিতার নাম মনসা মঙ্গল কাব্যের কবি দ্বিজ বংশীদাস 
- তিনি পিতার আদেশে ‘রামায়ণ' অনুবাদে হাত দেন। কিন্তু তা সমাপ্ত করার পূর্বেই তিনি মারা যান।
- চন্দ্রাবতী রচিত কাব্যগুলোর নাম: 
  - মলুয়া 
  - দস্যু কেনারামের পালা 
  - রামায়ণ

[উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ডঃ. সৌমিত্র শেখর।]
.
ধনপতি ও মুরারি শীল - এ চরিত্র দুটি কোথায় পাওয়া যায়?
  1. ক) অন্নদামঙ্গল
  2. খ) চণ্ডীমঙ্গল
  3. গ) মনসামঙ্গল
  4. ঘ) ধর্মমঙ্গল
সঠিক উত্তর:
খ) চণ্ডীমঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চণ্ডীমঙ্গল
ব্যাখ্যা
'চণ্ডীমঙ্গল’ চণ্ডী নামক লৌকিক-পৌরাণিক দেবীর পূজা প্রচারের কাহিনি অবলম্বনে লিখিত কাব্য।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি মানিক দত্ত। তিনি চতুর্দশ শতকের কবি।
- চন্ডীমঙ্গল ধারার প্রধান কবির নাম মুকুন্দরাম চক্রবতী৷ তিনি ষোল শতকের কবি।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্রগুলাে হলো:
- কালকেতু,
- ফুল্লরা,
- ধনপতি,
- ভাঁড়ুদত্ত,
- মুরারি শীল প্রমুখ।

[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর]
.
‘বাঙলা সাহিত্যে মধ্যযুগ অপাঠ্য’ কথাটি বলেছেন কে?
  1. ক) কালীপ্রসন্ন সিংহ
  2. খ) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  3. গ) ভারতচন্দ্র রায় গুনাকর
  4. ঘ) নবীনচন্দ্র সেন
সঠিক উত্তর:
খ) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
নানা রকমের মঙ্গলকাব্য রচিত হয়েছে বাঙলা ভাষায়, সকলের রূপ প্রায় একই রকম।
- একই বিষয়ে অসংখ্য কবি কাব্য লিখেছেন।
- মনসামঙ্গলকাব্য লিখেছেন হরি দত্ত, নারায়ণ দেব, বিজয় গুপ্ত, বিপ্রদাস এবং আরো অনেকে।
- চন্ডীমঙ্গল কাব্য রচনা করেছেন মাণিক দত্ত, দ্বিজ মাধব, মুকুন্দরাম চক্রবর্তী, দ্বিজ রামদেব, ভারতচন্দ্র রায় প্রমুখ।
- ধর্মমঙ্গলকাব্য লিখেছেন ময়ূরভট্ট, মাণিকরাম, রূপরাম, সীতারাম, ঘনরাম, এবং আরো বহু কবি
- মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ফিরে ফিরে পুনরুক্তি দেখে মধ্যযুগের ওপর ভীষণ বিরক্ত হয়ে উঠেছিলেন আধুনিক কালের একজন বড়ো কবি, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত। তিনি অনেকটা রেগেই বলেছেন, ‘বাঙলা সাহিত্যে মধ্যযুগ অপাঠ্য।’

[উৎস: লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ]
.
নিচের কোন পত্রিকার সাথে অক্ষয়কুমার দত্তের নামটি জড়িত?
  1. ক) চতুরঙ্গ
  2. খ) সম্বাদ কৌমুদী
  3. গ) প্রগতি
  4. ঘ) তত্ত্ববোধিনী
সঠিক উত্তর:
ঘ) তত্ত্ববোধিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তত্ত্ববোধিনী
ব্যাখ্যা
- তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা  ব্রাহ্মসমাজের তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র।
- ব্রাহ্মধর্মের প্রচার এবং তত্ত্ববোধিনী সভার সভ্যদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষার উদ্দেশ্যে ১৮৪৩ সালের ১৬ আগস্ট অক্ষয়কুমার দত্তের সম্পাদনায় তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর

[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া]