পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সিলেবাস: i) বাংলাদেশের সংবিধান, ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও সরকার ব্যবস্থা উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির পৌরনীতি ও সুশাসন বোর্ড বই, বাংলাপিডিয়া, সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট ও যেকোনো গাইড বই। --------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ৭০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
বান্দরবানে কয়টি সংসদীয় আসন রয়েছে? 
  1. ১টি 
  2. ২টি 
  3. ৩টি 
  4. ৪টি 
ব্যাখ্যা
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- জাতীয় সংসদের ৩০০নং আসন হলো বান্দরবান।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।
- ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।

সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
.
বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসনিক কাঠামো কয়টি স্তরে বিভক্ত?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. উপরের কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের "স্থানীয় প্রশাসন" একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থা যা সরকারের বেতনভুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী দ্বারা পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসনিক কাঠামো ৩টি স্তরে বিভক্ত।

যথা:-
১। বিভাগীয় প্রশাসন, 
২। জেলা প্রশাসন এবং
৩। উপজেলা প্রশাসন। 

এছাড়াও,
→ স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তর - ইউনিয়ন পরিষদ।
→ স্থানীয় প্রশাসনের সর্বনিম্ন স্তর হলো উপজেলা প্রশাসন ৷ 

সূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনার কয়টি ভাগ রয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং তা কার্যকর হয় একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর। সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করা হয়।

- এই কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় ১৭ এপ্রিল। পরবর্তীতে দীর্ঘ আলোচনা ও পর্যালোচনার পর ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর সংবিধানটি গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা এতে স্বাক্ষর করেন। তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।

- বাংলাদেশের সংবিধান রচনা ও গৃহীত হওয়ার সময় রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী। সেই সময় গণপরিষদের প্রথম স্পিকার ছিলেন শাহ আবদুল হামিদ এবং ডেপুটি স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ উল্লাহ।

সংবিধানের প্রস্তাবনা: 
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।

এগুলো হলো: 

→ ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
→ ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)।
→ ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)।
→ ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)।
→ ৫ম- গনপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা। 

সূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।

.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে, রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার বা অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়?
  1. সপ্তম সংশোধনী
  2. অষ্টম সংশোধনী
  3. নবম সংশোধনী
  4. দশম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

অষ্টম সংশোধনী: 
- অষ্টম সংশোধনী আইন ১৯৮৮ সালের ৭ জুন এই সংশোধনী আইন পাস হয়। এর দ্বারা সংবিধানের ২, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।

এই সংশোধনী আইনবলে - 
(১) ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়;
(২) ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়;
(৩) সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে ইবহমধষর শব্দটি পরিবর্তন করে ইধহমষধ করা হয় এবং উধপপধ পরিবর্তন করে উযধশধ করা হয়;
(৪) সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার বা অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

উল্লেখ করা যেতে পারে যে, পরবর্তী সময়ে সুপ্রীম কোর্ট সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদের সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে, কারণ তার দ্বারা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তিত হয়েছে।

অন্যদিকে: 
- সপ্তম সংশোধনী আইন ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর এই আইন পাস হয়। এই আইন দ্বারা সংবিধানের ৮৬ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়; এর দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের সংশোধন করা হয়। 

- নবম সংশোধনী আইন সংবিধান আইন, ১৯৮৯ (নবম সংশোধনী) পাস হয় ১৯৮৯ সালের জুলাই মাসে। এই সংশোধনী দ্বারা রাষ্ট্রের উপ-রাষ্ট্রপতি পদে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের বিধান করা হয়; রাষ্ট্রপতির পদে একই ব্যক্তির দায়িত্ব পালন পর পর দুই মেয়াদের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হয় (প্রতি মেয়াদকাল ৫ বছর)।  

- দশম সংশোধনী আইন ১৯৯০ সালের ১২ জুন দশম সংশোধনী আইন কার্যকর হয়। এর দ্বারা, অন্যান্যের মধ্যে, সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে পরবর্তী ১০ বছরের জন্য জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য ৩০টি আসন সংরক্ষণের বিধান করা হয়, যেসব আসনে নারীরা নির্বাচিত হবেন সংসদ সদস্যদের ভোটে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

.
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) কী ধরনের সংস্থা? 
  1. সরকারি সংস্থা
  2. ধর্মীয় সংগঠন 
  3. রাজনৈতিক সংস্থা 
  4. মানবাধিকার সংস্থা
ব্যাখ্যা
আইন ও সালিশ কেন্দ্র:
- আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বাংলাদেশের একটি মানবাধিকার এবং আইন সহায়তাকারী বেসরকারি সংস্থা।
- ১৯৮৬ সালে ৯ জন প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের উদ্যোগে এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শুরুর দিকে আসক মূলত ঢাকা শহরের সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র নারী, কর্মজীবী শিশু এবং শ্রমিকদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা প্রদান করত। ধীরে ধীরে এর কার্যক্রম বিস্তৃত হয় এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মানবাধিকার সংগঠনে পরিণত হয়।
- সংস্থাটির মূল লক্ষ্য হলো সমানাধিকার, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার এবং লিঙ্গভিত্তিক সমতার ভিত্তিতে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা।

সূত্র: আইন ও সালিশ কেন্দ্র ওয়েবসাইট।
.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ ‘ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা’ সংক্রান্ত? 
  1. অনুচ্ছেদ - ১২৩
  2. অনুচ্ছেদ - ১১৮
  3. অনুচ্ছেদ - ১২২
  4. অনুচ্ছেদ - ১২১
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ১২২ অনুচ্ছেদ ‘ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা’ সংক্রান্ত। 

ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা: 

- সংবিধানের ১২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার যোগ্য হবেন, যদি তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন এবং তাঁর বয়স ১৮ বৎসরের কম না হয়। এছাড়াও, যোগ্য আদালত কর্তৃক তিনি অপ্রকৃতিস্থ হিসেবে ঘোষিত না হয়ে থাকেন এবং ঘোষণাটি বহাল না থাকে। সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী হিসেবে তার বসবাস থাকতে হবে বা আইনের দৃষ্টিতে তিনি ঐ এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হতে হবে। উপরন্তু, তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোনো অপরাধের জন্য দণ্ডিত হয়ে না থাকলে, তিনি ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত হবার অধিকারী হবেন।

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ - ১২১ : প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- অনুচ্ছেদ - ১১৮ : নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা। 
- অনুচ্ছেদ - ১২৩ : নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।

সূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'অর্থবিল' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৮০নং 
  2. ৮১নং
  3. ৮৭নং
  4. ৯৩নং 
ব্যাখ্যা

৮১। অর্থবিল: 
(১) এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, “অর্থবিল” বলতে সেই সব বিলকে বোঝায়, যেগুলোর মধ্যে কর আরোপ, রদবদল বা মওকুফ, সরকারি ঋণ গ্রহণ বা গ্যারান্টি দেওয়া, সংযুক্ত তহবিল থেকে অর্থ ব্যয় বা বরাদ্দ, তহবিলের হিসাব-নিকাশ ও সরকারের আর্থিক দায়দায়িত্বের বিষয় থাকে। এ ছাড়া এসব বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত যেকোনো বিষয় থাকলেও সেটি অর্থবিল হিসেবে গণ্য হবে।

(২) কোনো জরিমানা, ফি, উসুল বা স্থানীয় সরকারের কর সংক্রান্ত বিষয় থাকলেই কোনো বিলকে অর্থবিল বলা যাবে না—এই কারণে সেটা অর্থবিল হবে না।

(৩) অর্থবিল রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানোর সময় স্পীকারকে অবশ্যই একটি সনদ দিতে হবে যে, এটি একটি অর্থবিল। এই সনদ চূড়ান্ত হবে, এবং এ বিষয়ে আদালতে কোনো প্রশ্ন তোলা যাবে না।

অন্যদিকে:
- অনুচ্ছেদ ৮০: আইন প্রণয়ন পদ্ধতি।
- অনুচ্ছেদ ৮৭: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৯৩: অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

.
জরুরি অবস্থার সময় সংবিধানের কোন কোন অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিত থাকবে?
  1. ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪২
  2. ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪২, ৪৩ ও ৪৩
  3. ৩৯, ৪১, ৪২, ৪৩, ৪৪ ও ৪৫
  4. ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪৫ ও ৪৬
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়। এই সংবিধান কার্যকর করা হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবসে। সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া, এটি ১১টি ভাগ বা অধ্যায়ে বিভক্ত। সংবিধানের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতার উৎস, মৌলিক অধিকার, রাষ্ট্রের মূলনীতি ও নাগরিকের দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১খ - অনুযায়ী,

- এই সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অন্তর্ভুক্ত বিধানসমূহের ফলে যে আইন প্রণয়ন ও নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণে রাষ্ট্র অক্ষম হয়ে পড়ে, জরুরি অবস্থার কার্যকালে এই সংবিধানের ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪২ অনুচ্ছেদ সমূহের কোনও বিষয় উক্তরূপ আইন প্রণয়ন ও নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণে রাষ্ট্রের ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করবে না; তবে এভাবে প্রণীত কোনও আইনের আওতায় যা করা হয়েছে বা না করা হয়েছে সেটা ব্যতীত উক্তরূপ আইন যতটুকু কর্তৃত্বহীন, জরুরি অবস্থার ঘোষণা অকার্যকর হওয়ার পর ঠিক ততটুকু কার্যকর থাকবে না।

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
.
সুপ্রিম কোর্টে বিচারক হতে হলে অ্যাডভোকেট হিসেবে ন্যূনতম কত বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হয়?
  1. ৬ বছর
  2. ৯ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
• সুপ্রীম কোর্টের গঠন:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নাম হলো সুপ্রীম কোর্ট।
- এই আদালতের প্রধান হলেন প্রধান বিচারপতি।
- সুপ্রীম কোর্টে দুটি বিভাগ রয়েছে—হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।
- প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- এরপর প্রধান বিচারপতির পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগ প্রদান করেন।
- কোনো বাংলাদেশি নাগরিক যদি ১০ বছর এডভোকেট হিসেবে কাজ করেন অথবা বিচার বিভাগীয় কোনো পদে ১০ বছর চাকরি করেন, তবে তিনি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হন।

সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
বাংলাদেশের সংবিধানে কয়টি তফসিল সংযোজন করা হয়েছে? 
  1. ৫টি 
  2. ৬টি 
  3. ৭টি 
  4. ৯টি 
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের তফসিল:
- বাংলাদেশ সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল সংযোজন করা হয়েছে।

৭টি তফসিল:
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী।
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 
১১.
Center for Policy Dialogue এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. রেহমান সোবহান
  2. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
  3. বদিউল আলম মজুমদার
  4. তারেক শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যা
সিপিডি:
- সিপিডি (CPD)-এর পূর্ণরূপ: Center for Policy Dialogue.
- এটি বাংলাদেশের একটি বেসরকারি গবেষণা সংস্থা,
- এটি সরকারি বিভিন্ন বাণিজ্যিক ও নীতিগত পদক্ষেপের বিষয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- CPD সংস্থাটি ১৯৯৩ সালে প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে এর সদর দপ্তর ঢাকার ধানমন্ডিতে অবস্থিত।
- সিপিডির প্রধান লক্ষ্য হলো—বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য একটি চাহিদা-চালিত ও জবাবদিহিমূলক উন্নয়ন প্রক্রিয়া গড়ে তোলা।
- এছাড়াও, এই সংস্থা তথ্যবহুল বিতর্ক উদ্দীপিত করা, জ্ঞান তৈরি করা এবং গবেষণা, সংলাপ, প্রচার ও সমর্থনের মাধ্যমে নীতিনির্ধারণকে প্রভাবিত করার জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করে।

এছাড়াও,
- সুজনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।

সূত্র: সিপিডি ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
১২.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান আইন কর্মকর্তা কে? [এপ্রিল - ২০২৫]  
  1. এ এম আমিন উদ্দিন
  2. মো. আসাদুজ্জামান
  3. শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ
  4. কোনটি নয় 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন মো. আসাদুজ্জামান। 

অ্যাটর্নি জেনারেল: 
- অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- তিনি বাংলাদেশ সরকারের মুখ্য আইন পরামর্শক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
- তার পদাধিকারবলে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- অ্যাটর্নি জেনারেলকে সহায়তা করার জন্য কিছু সংখ্যক যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ-অ্যাটর্নি জেনারেল এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিযুক্ত থাকেন।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের সংবিধান মোতাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল একটি সংবিধিবদ্ধ পদ।
- সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোনো ব্যক্তিকে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- বর্তমানে দেশের অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন মো. আসাদুজ্জামান।
- তিনি দেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট রাষ্ট্রপতির দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

সূত্র: অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের ওয়েবসাইট।

১৩.
"ধর্মীয় স্বাধীনতা" বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের অন্তর্ভুক্ত? 
  1. অনুচ্ছেদ - ৩৬ 
  2. অনুচ্ছেদ - ৩৭ 
  3. অনুচ্ছেদ - ৪১
  4. অনুচ্ছেদ - ৩৯ 
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা
(১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে। 
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে ।
(খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রয়েছে।
(২) কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম-সংক্রান্ত না হলে তাঁকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করতে হবে না। 
- জরুরি অবস্থার সময়ও এই বিধানটি রহিত করা যায় না। 

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ ৩৬- চলাফেরার স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৯- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৭- সমাবেশের স্বাধীনতা।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

১৪.
মুসলিম লীগ কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. লাহোর
  2. ঢাকা
  3. কলকাতা
  4. আলীগড়
ব্যাখ্যা
মুসলিম লীগ:
- মুসলিম লীগ উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন রাজনৈতিক দল,
- এর প্রতিষ্ঠা হয় বাংলাদেশের ঢাকায়।
- ১৯০৬ সালের ডিসেম্বর মাসে ঢাকায় আয়োজিত মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনের অধিবেশনে এ দলের সূচনা ঘটে।
- শুরুতে আগা খানের নেতৃত্বে এবং পরবর্তীতে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর নেতৃত্বে পরিচালিত মুসলিম লীগ মুসলিম জাতীয়তাবাদের পক্ষে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এই দলটি ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টিতে মূল নেতৃত্ব দেয়।
- ১৯৩৭ সালের নির্বাচনে বাংলায় মুসলিম লীগ সাফল্য অর্জন করে।
- একই বছরে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ.কে. ফজলুল হক মুসলিম লীগে যোগদান করলে তার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা কার্যত মুসলিম লীগ মন্ত্রিসভায় রূপান্তরিত হয়।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৫.
চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি? 
  1. দলীয় সংগঠনবিহীন
  2. দলীয় কর্মসূচিবিহীন
  3. সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত 
  4. বেসরকারি সংগঠন
ব্যাখ্যা
অ্যালান বলের মতে, “চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল এমন একটি গোষ্ঠী যার সদস্যগণ ‘অংশীদারী মনোভাবের’ দ্বারা আবদ্ধ।

চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য:
- দলীয় সংগঠনবিহীন,
- দলীয় কর্মসূচিবিহীন,
- বেসরকারি সংগঠন, 
- নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া,
- সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা,
- সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়,
- সমজাতীয় মনোভাব। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।