ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক।
- ভূ-অভ্যন্তরের অন্যান্য স্তরের তুলনায় ভূত্বকের পুরুত্ব খুবই কম; যা গড়ে ২০ কিলোমিটার।
- ভূত্বকের প্রধান উপাদান অক্সিজেন।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৫ প্রশ্ন
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক।
- ভূ-অভ্যন্তরের অন্যান্য স্তরের তুলনায় ভূত্বকের পুরুত্ব খুবই কম; যা গড়ে ২০ কিলোমিটার।
- ভূত্বকের প্রধান উপাদান অক্সিজেন।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
- বাংলাদেশের সাথে ২টি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে।
- একটি ভারত এবং অপরটি মিয়ানমার।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙামাটি।
উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ওয়েবসাইট।
- বৈশ্বিক উষ্ণতার নেতিবাচক দিক নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে গঠিত হয় Climate Vulnerable Forum।
- মালদ্বীপের উদ্যোগে ২০০৯ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর বর্তমান সদস্য ৫৫টি।
- Climate Vulnerable Forum এর বর্তমান সভাপতি বাংলাদেশ (২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত)।
- বাংলাদেশের পূর্বে সভাপতি ছিল মার্শাল আইল্যান্ড।
- বাংলাদেশে বর্ষাকালে বৃষ্টিপাত হয় ৮০%।
- জুন থেকে অক্টোবর মাসে সাধারণত বৃষ্টিপাত হয় ৭০ থেকে ৮০%
- সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় সিলেটের লালাখালে।
- সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয় নাটোরের লালপুরে।
- বাংলাদেশের গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার বা ২০৩০ মিলিমিটার।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির মামলার রায় হয় ২০১২ সালের ১৪ মার্চ।
- জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত সমুদ্র আইনবিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS) এ সমুদ্রসীমা বিষয়ক এই মামলাটি নিষ্পত্তি হয়।
- এই রায়ের ফলে বাংলাদেশ লাভ করে ১,১১,৬৩১ বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমা।
- ঋতু পরিবর্তনের সাথে যে বায়ুর দিক পরিবর্তন হয় তাকে বলা হয় মৌসুমী বায়ু।
- তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে ভূ-পৃষ্ঠের বিভিন্ন স্থানে উৎপত্তি হয় স্থানীয় বায়ুর।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
• তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে ভূ-পৃষ্ঠের বিভিন্ন স্থানে উৎপত্তি হয় স্থানীয় বায়ুর।
• কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ:
- আরব মরুভূমিতে সাইমুম।
- ভারতীয় উপমহাদেশের লু।
- উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরক্কো।
- মিশরের খামসিন।
- আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা ইত্যাদি।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
• পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠন করে তা পাললিক শিলা। এ শিলায় পলি সাধারণত স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে একে স্তরীভূত শিলাও বলে। পাললিক শিলা নরম ও হালকা যা সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। এর মধ্যে জীবাশ্ম দেখা যায়। পাললিক শিলায় ছিদ্র দেখা যায়।
• পাললিক শিলার উদাহরণ:
- চুনাপাথর,
- কয়লা,
- নুড়িপাথর,
- বেলেপাথর,
- পলিপাথর,
- কর্দমপাথর,
- চক,
- কোকিনা,
- লবণ,
- জিপসাম,
- ডায়াটম,
- ডোলোমাইট ইত্যাদি।
• কিছু রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
- গ্রাফাইট (কয়লার রূপান্তরিত রূপ),
- মার্বেল (চুনাপাথরের রূপান্তরিত রূপ),
- নিস (গ্রানাইটের রূপান্তরিত রূপ) ইত্যাদি।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
- বাংলাদেশের দুটি খনিজ তৈল ক্ষেত্র রয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম খনিজ তেলক্ষেত্রটি হরিপুর তেলক্ষেত্র।
- এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৮৭ সালে তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরু হয়।
- ১৯৯৪ সাল থেকে তেল উৎপাদনে স্থগিত হয়ে যায়।
উৎস: সিলেট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
- মন্ট্রিল প্রটোকল ১৯৮৭ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- এই প্রটোকল কার্যকর হয় ১৯৮৯ সালে।
- এই প্রটোকলের বিষয়বস্তু ছিল বায়মণ্ডলের ওজোন স্তরকে রক্ষা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর পুরো নাম: Montreal Protocol on Substance that Deplete the Ozone Layer।
- বাংলাদেশ এটি অনুমােদন করে ১৯৯০ সালে।
- সৃষ্টির সময় পৃথিবী ছিল একটি উত্তপ্ত গ্যাসপিণ্ড।
- এই গ্যাসপিণ্ড ক্রমে ক্রমে শীতল হয়ে ঘনীভূত হয়।
- এই সময় পৃথিবীর বাইরের ভারী উপাদানগুলো এর কেন্দ্রের দিকে জমা হয়। আর হালকা উপাদান গুলো ভরের তারতম্য অনুসারে নিচের থেকে উপরে স্তরে স্তরে জমা হয়। পৃথিবীর এই বিভিন্ন স্তরকে মণ্ডল বলে।
- ভূ-গর্ভে ৩টি মণ্ডল রয়েছে।
যথা:
১. অশ্মমণ্ডল,
২. গুরুমণ্ডল ও
৩. কেন্দ্রমণ্ডল।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল,
- বেলেপাথর রুপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টাজাইট,
- কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট,
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হলে নিস এবং
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
- বর্তমানে বাংলাদেশে আবহাওয়া স্টেশন ৩৫টি।
- সাইক্লোন শেল্টার ১৮৪১টি।
- কৃষি আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্র ১২টি।
- আবহাওয়া কেন্দ্র ৪টি।
- রাডার স্টেশন ৫টি।
উৎস: আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।
- রাশিয়া ও তুরস্ক দেশ দুটি এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশে পড়েছে।
- রাশিয়ার ওরেনবার্গ নগরটি উভয় মহাদেশে পড়েছে।
- তুরস্কের ইস্তাম্বুল ও কানাককালে নগর দুটিও উভয় মহাদেশে পড়েছে।
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
- বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে।
- বাংলাদেশের সর্বমোট ৫১৩৮ কিলোমিটার সীমারেখা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সর্বমোট স্থলসীমা ৪৪২৭ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের সীমানা ২৭১ কিলোমিটার (২৮০ কিলোমিটার মাধ্যমিক ভূগোল)।
- বাংলাদেশের উপকূলের দৈর্ঘ্য ৭১১ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশ ও ভারতের সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৪১৫৬ কিলোমিটার।
উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।
- ১৯৭২ সালে সুইডেনের স্টকহোমে প্রথম পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন হয়।
- এটির নাম UN Conference on the Human Environment.
- ১৯৭২ সালে এই সম্মেলন থেকে UNEP (United Nations Environment Program) গঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত।
- এই সম্মেলন থেকে ৫ই জুন কে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ঘোষণা করা হয়।
উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
২০১৬ সালে ৪টি আঞ্চলিক সংস্থার সমন্বয়ে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র পুণঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
৪টি সংস্থা হচ্ছে -
১) সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (নয়া দিল্লী),
২) সার্ক আবহাওয়া কেন্দ্র (ঢাকা),
৩) সার্ক বন কেন্দ্র (থিম্পু) ও
৪) সার্ক উপকূলীয় অঞ্চল ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (মালে)।
সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র-এর বর্তমানে এর সদরদপ্তর - গান্ধীনগর, গুজরাট, ভারত।
উল্লেখ্য, উপরে উল্লিখিত এই চারটি সংস্থা ২০১৬ সাল থেকে স্থায়ীভাবে বিলুপ্ত।
(সূত্র: সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র ওয়েবসাইট)
- সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণ বায়ুপ্রবাহ।
- বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রের উপরিভাগের পানির সঙ্গে ঘর্ষণ তৈরি করে এবং ঘর্ষণের জন্য পানিতে ঘূর্ণন তৈরি করে।
- সমুদ্রের পানি একটি নির্দিষ্ট গতিপথ অনুসরণ করে চলাচল করে।
- তাই সংক্ষিপ্ত পথে চলতে হলে জাহাজের চালককে সমুদ্রস্রোত অনুসরণ করতে হবে।
উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ বোর্ড বই।
- পানীয় জলের জন্য বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ নির্ভর করে অগভীর নলকূপের পানির উপর।
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ১৯৯৩ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি আবিষ্কৃত হয়।
- পানি থেকে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক দূর করার কাজে সোনো আর্সেনিক ফিল্টার ব্যবহার করা হয়। ২০০৬ সালে বাংলাদেশী বিজ্ঞানী অধ্যাপক আবুল হুসসাম দেশজ উপাদান ব্যবহার করে সোনো ফিল্টার আবিষ্কার করেন।
- এই আবিষ্কারের জন্য তিনি 'আউটস্ট্যান্ডিং আমেরিকান বাই চয়েস' পুরস্কার লাভ করেন।
- প্রশান্ত মহাসাগরে গভীর সমুদ্র খাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- সর্বাপেক্ষা গভীরতম সমুদ্র খাত মারিয়ানা খাত। এটি গুয়াম দ্বীপের ৩২২ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
- ভারত মহাসাগরের গভীরতম খাত 'সুন্দা খাত'।
- আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম খাত পোর্টেরিকো খাত।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
- গোল্ডেন মিন (সুবর্ণ মধ্যক) ধারণাটির প্রবর্তক এরিস্টটল।
- তিনি সুবর্ণ মধ্যক ধারণাটি ব্যবহার করেন দুটি চরমপন্থার বা মতবাদের মধ্যবর্তী অবস্থান বুঝাতে।
- অর্থাৎ সুবর্ণ মধ্যক হলো দুটি চরমপন্থার মধ্যবর্তী অবস্থা। যেমন- একদিকে সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্য দিকে খুবই অভাব, এ দুটি অবস্থার মাঝামাঝি অবস্থাই হলো সুবর্ণ মধ্যক।
- এটি নীতিবিদ্যার সাথে জড়িত।
- জেরেমি বেন্থাম উপযোগবাদের জনক।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।
- ৭(১) দফায় বলা হয়েছে প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে।
- ৬(২) নং দফায় বলা হয়েছে বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে বাঙালি এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন।
- ২ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা,
- ২ক অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রধর্ম,
- ৪ নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কে বলা হয়েছে।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
- যে সকল অধিকার নাগরিকের সভ্য জীবনযাপনের জন্য অপরিহার্য তাকেই সামাজিক অধিকার বলে। সভ্য জীবনযাপনের জন্য সামাজিক অধিকার অপরিহার্য। কেননা সামাজিক অধিকার সমাজজীবনকে বিকশিত করে।
• সামাজিক অধিকারসমূহ হলো:
১. জীবনের অধিকার
২. ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার
৩. চিন্তা ও মতপ্রকাশের অধিকার
৪. সভা-সমিতির অধিকার
৫. চলাফেরার অধিকার
৬. সংবাদপত্রের স্বাধীনতা
৭. চুক্তি সম্পাদনের অধিকার
৮. আইনের চোখে সমানাধিকার
৯. সম্পত্তির অধিকার
১০. ধর্মের অধিকার
১১. পরিবার গঠনের অধিকার
১২. খ্যাতি বা সম্মান লাভের অধিকার
১৩. শিক্ষার অধিকার
১৪. নিজস্ব সংস্কৃতি ও ভাষার অধিকার ও
১৫. অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুবিচার লাভের অধিকার।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
- বাল্যবিবাহ নিরোধে ও শিশু সুরক্ষার মোবাইল হেল্প লাইন হচ্ছে ১০৯ বা ১০৯৮।
- বাল্য বিবাহ একটি সামাজিক ব্যাধি।
- বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী, ২১ বছরের নিচের ছেলে এবং ১৮ বছরের নিচে মেয়ের বিয়ে হলে তা বাল্যবিবাহ বলে গণ্য হবে।
- মানুষের সামগ্রিক সামাজিক জীবনাচারের অপরিহার্য অংশ মূল্যবোধ।
- সমাজ কাঠামোর অবিচ্ছেদ্য উপাদান হলো মূল্যবোধ।
- মূল্যবোধ মানব আচরণের অলিখিত দলিল।
- মূল্যবোধের ধারনা সহজাত নয় বরং অর্জিত।
- মূল্যবোধ মানবসত্তার ভারসাম্যপূর্ণ বিকাশ ঘটায়।
- উপযোগবাদ তত্ত্বের জনক বা প্রতিষ্ঠাতা ইংরেজ দার্শনিক জেরেমি বেন্থাম।
- তিনি ছিলেন একজন আইনতত্ত্ববিদ ও সমাজ সংস্কারক।
- তিনি যুক্তরাজ্যের অধিবাসী ছিলেন।
- তাঁর লেখা বিখ্যাত গ্রন্থ 'An Introduction to the Principles of Morals and Legislation'.
- এই গ্রন্থে তিনি উপযোগবাদ তত্ত্বটি প্রথম ব্যাখ্যা করেন।
- এই মতবাদ অনুযায়ী, 'যা কিছু আনন্দদায়ক তাই ভালো।'
• গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় যে উপাদানগুলো মূল্যবোধের ভিত্তি বা উপাদান বলে স্বীকার করা হয় তা হলো:
- নীতি ও ঔচিত্যবোধ,
- সামাজিক ন্যায়বিচার,
- শৃঙ্খলাবোধ,
- সহনশীলতা,
- সহমর্মিতা,
- শ্রমের মর্যাদা,
- আইনের শাসন,
- নাগরিক সচেতনতা ও কর্তব্যবোধ,
- সরকার ও রাষ্ট্রের জনকল্যাণমুখিতা,
- সরকার ও রাষ্ট্রের দায়দায়িত্ব ও
- জবাবদিহিতা ইত্যাদি।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
- সর্বপ্রথম আমলাতন্ত্রকে একটি আইনগত ও যুক্তিসঙ্গত মডেল হিসেবে উপস্থাপন করেন ম্যাক্সওয়েবার।
- আমলাতন্ত্র আধুনিক রাজনৈতিক ব্যবস্থায় অপরিহার্য অঙ্গ।
- রাষ্ট্রীয় নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন মন্ত্রী বা রাজনৈতিক প্রশাসকরা এবং বাস্তবায়ন করেন আমলারা।
- জনগণের সাথে আমলাদের সম্পর্ক আনুষ্ঠানিক ও দাপ্তরিক।
- রিচার্ড ক্রসম্যানের মত, অনিয়ন্ত্রিত আমলাতন্ত্র গণতন্ত্রের জন্য হুমকি স্বরূপ।
- আমলাতন্ত্রে লালফিতার দৌরাত্ম্য খুব বেশি।
- পার্লামেন্ট কর্তৃক নিযুক্ত কমিশনার বা কর্মকর্তাকে ন্যায়পাল বলে।
- তিনি সরকার, মন্ত্রণালয়, সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের তদন্ত করেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ৭৭ (১) অনুযায়ী সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করিতে পারিবেন।
- ৭৫ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি।
- ৭৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সংসদের স্থায়ী কমিটি সমূহ।
- ৭৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
- রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।
- রাষ্ট্র অবশ্যই একটি সার্বভৌম ভূখণ্ড।
- রাষ্ট্রের মূখ্য উপাদান চারটি। যথা:
১. স্থায়ী জনসমষ্টি,
২. নির্দিষ্ট ভূখণ্ড,
৩. সরকার ও
৪. সার্বভৌমত্ব।
- রাষ্ট্রের গৌণ উপাদান:
১. স্থায়িত্ব,
২. জাতীয়তাবাদ,
৩. অধিকার ও সাম্য,
৪. সম্পর্ক স্থাপনের স্বাধীনতা,
৫. আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ইত্যাদি।
• মূল্যবোধ নিয়ে বিখ্যাত কিছু বইয়ের নাম হলো:
- 'Social Change' গ্রন্থের রচয়িতা উইলিয়াম এফ অগবার্ন। তাঁর মতে, সংস্কৃতির ধরন দুটি। যথা- বস্তুগত সংস্কৃতি এবং অবস্তুগত সংস্কৃতি।
- 'A Christmas Carol' গ্রন্থের রচয়িতা চার্লস ডিকেন্স,
- 'Stoicism and the Art of Happiness' গ্রন্থের রচয়িতা ডোনাল্ড জে রবার্টসন,
- 'Nazism and War' গ্রন্থের রচয়িতা রিচার্ড ভেসেল।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের,
- অনুচ্ছেদ ১৯(৩) জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন।
- অনুচ্ছেদ ২৮(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।
- অনুচ্ছেদ ২৮(৪) নারী ও শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান প্রণয়ণ হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।
- অনুচ্ছেদ ২৯(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকিবে।
- আইন হচ্ছে ব্যক্তির বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত নিয়মের সমষ্টি যা সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত।
- ওপেনহাইমের মতে আইনের উৎস ৭টি।
১. প্রথা,
২. ধর্ম
৩. বিচারকের রায়
৪. ন্যায়বিচার
৫. বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা
৬. আইনসভা
৭. জনমত
- অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে আইনের উৎস ৬টি।
- জন অস্টিনের মতে আইনের উৎস ১টি।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।