পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১২৩
সিলেবাস
Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১২৩ প্রশ্ন

.
'ধাম' শব্দের অর্থ কী?
  1. আজ্ঞা
  2. আলয়
  3. অনল
  4. কড়ি
ব্যাখ্যা
'ধাম' শব্দের অর্থ:
- বাসগৃহ, আলয়, আগার, বাসস্থান।

অন্যদিকে,
• 'আজ্ঞা' শব্দের অর্থ - আদেশ, অনুজ্ঞা, হুকুম, নির্দেশ।
• 'অনল' শব্দের অর্থ - আগুন, শিখা, হুতাশন।
• 'কড়ি' শব্দের অর্থ - কপর্দক, অর্থ, ধন।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
কোন শব্দটির শেষে ব্যঞ্জনবর্ণের পূর্ণরূপ বসেছে?
  1. পূর্বাহ্ণ
  2. পদ্মা
  3. বিশ্ব
  4. শীতল
ব্যাখ্যা
• বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণেরও দুটি লিখিত রূপ রয়েছে:
১. পূর্ণরূপ ও
২. সংক্ষিপ্ত রূপ।

ব্যঞ্জনবর্ণের পূর্ণরূপ:
- ব্যঞ্জনবর্ণের পূর্ণরূপ শব্দের প্রথমে, মধ্যে বা শেষে স্বাধীনভাবে বসে।
→ শব্দের প্রথমে কবিতা, পড়াশোনা, টগর।
→ শব্দের মধ্যে: কাকলি, খুলনা, ফুটবল। শব্দের শেষে: আম, শীতল, সিলেট।

ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ:
- অনেক সময় ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার জন্য ব্যঞ্জনবর্ণের আকার সংক্ষিপ্ত হয়ে যায়।
- ব্যঞ্জনবর্ণের এই সংক্ষিপ্ত রূপকে 'ফলা' বলে।
- ব্যঞ্জনবর্ণের 'ফলা'-চিহ্ন ৬টি।
যথা:
- ন/ণ-ফলা (ন/ণ) চিহ্ন, বিভিন্ন, যত্ন; / পূর্বাহ্ণ, অপরাহ্ণ।
- ব-ফলা (ব) পত্ত্ব, বিশ্ব, ধ্বনি। ম-ফলা (ম) পদ্মা, মুহম্মদ, তন্ময়।
- য-ফলা (্য) খ্যাতি, ট্যারা, ব্যাংক।
- র-ফলা (এ) ক্রয়, গ্রহ।
- রেফ (') কর্ক, বর্ণ। ল-ফলা (ল) ক্লান্ত, গ্লাস, অম্লান।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
সন্ধিতে ধ্বনির কয় ধরনের মিলন হয়?
ব্যাখ্যা
• সন্ধিতে ধ্বনির ৪ ধরনের মিলন হয়।

সন্ধি:

- মানুষ কথা বলার সময় কথার গতি বৃদ্ধি পায়। দ্রুত কথা বলার সময় কখনো কখনো দুটো শব্দের কাছাকাছি থাকা দুটো ধ্বনির উচ্চারণ একত্রিত হয়ে যায়। ব্যাকরণে একে সন্ধি বলা হয়।
যেমন:
- 'আমি বিদ্যা আলয়ে যাব।' বাক্যটি বলার সময় 'আমি বিদ্যালয়ে যাব' হয়ে যায়। এখানে 'বিদ্যা'-এর 'আ'-ধ্বনি এবং 'আলয়'-এর 'আ'-ধ্বনি মিলে গেছে।

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ লিখেছেন:
- দুটি বর্ণ অত্যন্ত নিকটবর্তী হলে উচ্চারণের সুবিধার জন্য উভয়ের মিলন হয়ে এক বর্ণ বা একের রূপান্তর বা একের লোপ বা উভয়ের রূপান্তর হলে- এরূপ মিলনকে সন্ধি বলে।

- সন্ধির ফলে নতুন নতুন শব্দের সৃষ্টি হয়।
- কথা বলার সময় শব্দের উচ্চারণ সহজ হয়। ভাষা সংক্ষিপ্ত হয় এবং শুনতে ভালো লাগে।

• সন্ধিতে ধ্বনির চার ধরনের মিলন হয়:
১. উভয় ধ্বনি মিলে একটি ধ্বনি হয়।
২. একটি ধ্বনি বদলে যায়।
৩. একটি ধ্বনি লোপ পায়।
৪. উভয় ধ্বনির বদলে নতুন ধ্বনির সৃষ্টি হয়।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
বুদ্ধি বা ভাব ব্যাপক পরিসরে প্রকাশ করা যায় কীসের সাহায্যে?
  1. চিত্রাঙ্কণের মাধ্যমে
  2. অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে
  3. ইশারায় মাধ্যমে
  4. মুখের ধ্বনির সাহায্যে
ব্যাখ্যা
ভাষা:
- মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। তার মনের মধ্যে সব সময়ই নানা বুদ্ধি বা ভাবের আনাগোনা চলে।
- সেই বুদ্ধি বা ভাব ইশারায়, নানা অঙ্গভঙ্গি করে, ছবি ও নাচের মাধ্যমে প্রকাশিত হতে পারে। কিন্তু মুখের ধ্বনির সাহায্যে ব্যাপক পরিসরে তা প্রকাশ করা যায়।
- যেভাবেই মনের ভাব প্রকাশ করা হোক না কেন, এর সবই ভাষা। তবে অন্যান্য মাধ্যমের তুলনায় মানুষের মুখের ধ্বনি অনেক বেশি অর্থপূর্ণ হয় ও অন্যে বুঝতে পারে।
- সুতরাং সাধারণ কথায় 'ভাষা' বলতে বোঝায়, মানুষের মুখ থেকে বেরিয়ে আসা অর্থপূর্ণ কতকগুলো আওয়াজ বা ধ্বনির সমষ্টি।
- এই অর্থপূর্ণ ধ্বনিই হলো ভাষার প্রাণ।

• ভাষার সংজ্ঞা দিতে গিয়ে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় লিখেছেন:
"মনের ভাব-প্রকাশের জন্য, বাগ্-যন্ত্রের সাহায্যে উচ্চারিত ধ্বনি দ্বারা নিষ্পন্ন, কোনও বিশেষ জন-সমাজে ব্যবহৃত, স্বতন্ত্রভাবে অবস্থিত, তথা বাক্যে প্রযুক্ত, শব্দসমষ্টিকে ভাষা বলে।"

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
কোন বাক্যে প্রযোজক ক্রিয়ার উদাহরণ আছে?
  1. মণি চিঠি লিখছে।
  2. সে পাস করে গেল।
  3. সাইরেন বেজে উঠল।
  4. সাপুড়ে সাপ খেলায়।
ব্যাখ্যা
প্রযোজক ক্রিয়া:
- যে ক্রিয়া অন্যের দ্বারা চালিত হয়, তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- মা খোকাকে চাঁদ দেখাচ্ছেন।
- সাপুড়ে সাপ খেলায়

অন্যদিকে,
যৌগিক ক্রিয়া:
- একটি সমাপিকা ক্রিয়া ও একটি অসমাপিকা ক্রিয়া মিলিত হয়ে যে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়, তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- সে পাস করে গেল।
- সাইরেন বেজে উঠল।

সকর্মক ক্রিয়া:
- যে ক্রিয়ার কোনো কর্ম থাকে, তাকে সকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- মণি চিঠি লিখছে।
- কাঞ্চন বই পড়ছে।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
'ছাত্রদের কর্তব্য লেখাপড়া করা।' - বাক্যে 'কর্তব্য' শব্দটি কোন ধাতুযোগে গঠিত?
  1. সংস্কৃত ধাতু
  2. বাংলা ধাতু
  3. বিদেশাগত ধাতু
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
সংস্কৃত ধাতু:
- তৎসম ক্রিয়াপদের ধাতুকে সংস্কৃত ধাতু বলে।
যেমন:
→ অক্ + অন = অঙ্কন: ছোটদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিথু প্রথম হয়েছে।
→ দৃশ্ + য = দৃশ্য: দুর্ঘটনার মর্মান্তিক দৃশ্য বর্ণনা করা যায় না।
→ কৃ + তব্য = কর্তব্য: ছাত্রদের কর্তব্য লেখাপড়া করা।
→ হস্ + য = হাস্য: অকারণ হাস্য-পরিহাস ত্যাগ কর।

অন্যদিকে,
বাংলা ধাতু:
- যেসব ধাতু সংস্কৃত থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় ব্যবহৃত হয়, তাকে বাংলা ধাতু বা খাঁটি বাংলা ধাতু বলে।
যেমন:
→ আঁক্ + আ = আঁকা: কী সব আঁকাআঁকি করছ?
→ দেখ্ + আ = দেখা: জাদুঘর আমার কয়েকবার দেখা।
→ কর্ + অ = কর : তুমি কী কর?
→ হাস্ + ই = হাসি : তোমার হাসিটি খুব সুন্দর।

বিদেশাগত ধাতু:
- বিদেশি ভাষা থেকে আগত যেসব ধাতু বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়, তাকে বিদেশাগত ধাতু বা বিদেশি ধাতু বলে।
যেমন :
→ খাট্ + বে = খাটবে : যত বেশি খাটবে ততই সুফল পাবে।
→ বিগডু + আনো: তোমার বিগড়ানো ছেলেকে ভালো করার সাধ্য আমার নেই।
→ টান্ + আ: আমাকে নিয়ে টানাটানি করো না, আমি যাব না।
→ জম্ + আট = জমাট: অন্ধকার বেশ জমাট বেঁধেছে।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
চর্যাপদের কবি আর্যবেদ পা কার শিষ্য ছিলেন?
  1. লুইপা
  2. জালন্ধরী
  3. গোরক্ষনাথ
  4. নাগার্জুন
ব্যাখ্যা
আর্যদেব পা:
- শহীদুল্লাহর মতে তিনি কম্বলাম্বরপার সমকালীন অর্থাৎ খ্রিষ্টীয় অষ্টম শতকের প্রথম দিকের কবি ছিলেন।
- তারানাথের মতে তিনি ছিলেন মেবারের রাজা এবং গোরক্ষনাথের শিষ্য। 
- শহীদুল্লাহ্ উল্লেখ করেছেন: 'তাঁহার ভাষা অনেকটা বাঙ্গালা বটে; কিন্তু উড়িয়া ভাষা বলাই সঙ্গত।'

অন্যদিকে,
- জালন্ধরীপার শিষ্য ছিলেন - বিরুপা।
- কবি শবরপা - তিনি ছিলেন নাগার্জুনের শিষ্য।

চর্যাপদ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক নিদর্শন চর্যাপদ।
- চর্যাপদের প্রায় সমসাময়িক কালে বাংলাদেশে যে সব সংস্কৃত-প্রাকৃত-অপভ্রংশ সাহিত্য সৃষ্টি হয়েছিল সেগুলো প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের প্রত্যক্ষ উপকরণ নয়।
- বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের রচিত চর্যাপদগুলো সম্পর্কে ১৯০৭ সালের আগে কোন তথ্যই জানা ছিল না।
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী তৃতীয় বার নেপাল সফর কালে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে ১৯০৭ সালে সে সাহিত্যের কতকগুলো পদ আবিষ্কার করেন।
- তাঁর সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে সে সব পদ ১৯১৬ সালে (১৩২৩ সনে) চর্যাচর্যবিনিশ্চয়, সরহপাদ ও কৃষ্ণপাদের দোহা এবং ডাকার্ণব-এ চারটি পুঁথি একত্রে 'হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ 'আ‌মি বিজয় দে‌খে‌ছি' এর রচয়িতা কে?
  1. মেজর রফিকুল ইসলাম
  2. এম আর আখতার মুকুল
  3. আব্দুল গাফফার চৌধুরী
  4. জাহানারা ইমাম
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ 'আ‌মি বিজয় দে‌খে‌ছি' এর রচয়িতা - এম আর আখতার মুকুল

এম আর আখতার মুকুল:

- তিনি সাংবাদিক, লেখক, সম্পাদক এবং মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত সাড়া জাগানো অনুষ্ঠান ‘চরমপত্র’-এর কথক।
- জন্ম ১৯২৯ সালের ৯ আগস্ট বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ের অন্তর্গত চিংগাসপুর গ্রামে।
- পিতা বিশিষ্ট সাহিত্যিক সা’দত আলি আখন্দ, মাতা রাবেয়া খাতুন।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় রণাঙ্গন পরিদর্শন শেষে তাঁর রচিত এবং স্বকণ্ঠে প্রচারিত ‘চরমপত্র’ অনুষ্ঠানটি ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।

উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- পল্লী এক্সপ্রেস,
- রূপালী বাতাস,
- মুজিবের রক্তলাল,
- ভাসানী মুজিবের রাজনীতি,
- পঞ্চাশ দশকে আমরা ও ভাষা আন্দোলন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. বয়োজ্যেষ্ঠ
  2. স্বরণিকা
  3. স্নেহাশিস
  4. মূর্ছনা
ব্যাখ্যা

• অশুদ্ধ বানান - 'স্বরণিকা'
- 'স্বরণিকা' এর শুদ্ধ বানান - 'স্মরণিকা'
- এটি একটি বিশেষণ পদ।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
এর অর্থ:
- স্মৃতি রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত।

অন্যদিকে,
- 'মূর্ছনা, স্নেহাশিস, বয়োজ্যেষ্ঠ' - শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১০.
'নীহারিকা' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. মোহিতলাল মজুমদার
  2. যতীন্দ্রমোহন বাগচী
  3. মাহমুদুল হক
  4. প্রবোধচন্দ্র বাগচী
ব্যাখ্যা
• 'নীহারিকা' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা - যতীন্দ্রমোহন বাগচী।

যতীন্দ্রমোহন বাগচী:

- নদীয়া জেলার জমশেরপুর গ্রামে ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দের ২৭ নভেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- যতীন্দ্রমোহন অল্প বয়স থেকেই কাব্যচর্চা শুরু করেন। তাঁর কবিমানসের প্রধান বৈশিষ্ট্য পল্লিপ্রীতি। 
- ভারতী, সাহিত্য প্রভৃতি বিখ্যাত পত্রিকায় তাঁর কবিতা প্রকাশিত হলে তিনি কবি হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করেন। যতীন্দ্রমোহন ছিলেন রবীন্দ্রোত্তর যুগের শক্তিমান কবিদের অন্যতম।

তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- লেখ,
- রেখা,
- অপরাজিতা,
- নাগকেশর,
- জাগরণী,
- নীহারিকা,
- মহাভারতী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১১.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
  1. প্রবাসী
  2. মোসলেম ভারত
  3. সবুজপত্র
  4. কল্লোল
ব্যাখ্যা
'বাঁধন-হারা' উপন্যাস:
- এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম উপন্যাস।
- ১৯২৭ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হলেও ১৯২১ সালেই 'মোসলেম ভারতে' ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস।
- নুরুর সঙ্গে মাহবুবার প্রণয় এবং পরে বিয়ের উদ্দ্যোগ অনেক দুর এগিয়ে গেলেও নুরু হঠাৎ পালিয়ে গিয়ে সৈনিক জীবন শুরু করেন। এভাবেই এই উপন্যাসের কাহিনি গড়ে উঠে।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র গুলো হচ্ছে: নুরু, মাহবুবা, রাবেয়া, সাহসিকা।

কাজী নজরুল ইসলাম:
- বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- নজরুল ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ এবং আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।
- ভারত সরকারের অনুমতিক্রমে ১৯৭২ সালের ২৪ মে কবিকে সপরিবারে স্বাধীন বাংলাদেশে আনা হয়।
- ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে নজরুলকে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ‘একুশে পদকে’ ভূষিত করে।
- ২৯ আগস্ট ১৯৭৬ (১২ ভাদ্র ১৩৮৩) ঢাকার পিজি হাসপাতালে কবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তাঁর রচিত অন্য দুটি উপন্যাস:
- মৃত্যুক্ষুধা,
- কুহেলিকা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১২.
নিচের কোনটি আরবি শব্দ?
  1. আস্তাবল
  2. কাবু
  3. দরবার
  4. কদর
ব্যাখ্যা
• 'কদর'
- শব্দটি আরবি ভাষা হতে আগত
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
এর অর্থ:
- মর্যাদা,
- সমাদর।

অন্যদিকে,
- 'আস্তাবল' - ইংরেজি ভাষার শব্দ।
- 'কাবু' - তুর্কি ভাষার শব্দ।
- 'দরবার' - ফারসি ভাষার শব্দ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৩.
‘মহামায়া’ ছোটগল্পের রচয়িতা কে?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
‘মহামায়া’ ছোটগল্প:
• গল্পটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এক অপূর্ব সৃষ্টি। একটি ব্যাতিক্রমী সৃষ্টিও বটে। কবি গুরু এই গল্পটি ভূতপূর্ব সমাজের পেক্ষাপটে লেখা, যখন সহমরণ অর্থাৎ সতীদাহ প্রথা চালু ছিল। সতীদাহ প্রথা তৎকালীন হিন্দু সমাজের সর্বোচ্চ ভয়ংকর একটি প্রথা ছিল। যেখানে স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রীদেরও জীবন্ত দাহ করা হতো। ব্রাক্ষ্মন সমাজে এই সহমরণ প্রথার প্রচলন ছিলো সবচেয়ে বেশি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:

- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- রবীন্দ্রনাথের (১৮৬১-১৯৪১) বিপুল প্রতিভার যাদুস্পর্শে বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা স্বল্প সময়ে সুসমৃদ্ধ হয়ে ওঠে।
- রবীন্দ্রনাথই বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক ছোটগল্পকার। বাংলা ছোটগল্পের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত।
- তাঁর প্রথম গল্প 'ভিখারিণী' ভারতী পত্রিকায় ১৮৭৪ সালে প্রকাশিত হয়।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ছোটগল্প:
- ক্ষুধিত পাষাণ,
- নিশীতে,
- মণিহারা,
- কঙ্কাল,
- রবিবার,
- শেষকথা,
- ল্যাবরেটরি,
- দেনাপাওনা,
- রামকানাইয়ের নির্বুদ্ধিতা,
- যজ্ঞেশ্বরের যজ্ঞ,
- অনধিকার প্রবেশ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪.
'লঙ্কা পায়রা' বাগ্‌ধারার অর্থ কী?
  1. সুযোগ সন্ধানী
  2. নিতান্ত অলস
  3. কপটচারী
  4. ফুলবাবু
ব্যাখ্যা
'লঙ্কা পায়রা' বাগ্‌ধারার অর্থ - ফুলবাবু

অন্যদিকে,
- ‘ভিজে বিড়াল’ বাগ্‌ধারার অর্থ - ভণ্ড বা কপটচারী।
- 'গোঁফ খেজুরে' বাগ্‌ধারার অর্থ - নিতান্ত অলস।
- 'তীর্থের কাক' বাগ্‌ধারার অর্থ - সুযোগ সন্ধানী।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৫.
'ইছামতী' উপন্যাসের মূল উপজীব্য কী?
  1. শিক্ষার প্রসার
  2. শহুরে জীবনের টানাপোড়েন
  3. জমিদারি প্রথা
  4. নদী তীরবর্তী গ্রামের মানুষের জীবনকথা
ব্যাখ্যা
'ইছামতী' উপন্যাস:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত উপন্যাস 'ইছামতী' প্রকাশিত হয় ১৯৫০ সালে। এটি রবীন্দ্র পুরস্কার লাভ করে।
- ইছামতী নদীর তীরবর্তী গ্রামের মানুষের জীবনকথা এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ভবানী বাঁড়ুয্যে কিংবা তার পুত্রত্রয় তিলু, বিলু, নীলু লেখকের নিজের অভিজ্ঞতায় দেখা মানুষ।
- একান্ত অন্তরঙ্গ ভাবমূর্তিতে এদেরকে তিনি গড়ে তুলেছেন। গয়া মেম অন্যতম উল্লেখযোগ্য চরিত্র। রাজারাম দেওয়ান পরম সাত্ত্বিক ব্রাহ্মণ, কিন্তু ইংরেজের চাকরিতে প্রতিষ্ঠিত হতে ছলচাতুরি ও জোচ্চুরি করেছে।
- ইংরেজ শাসকদের প্রভাবে কৃষিনির্ভর বাঙালির মনে যে বাণিজ্য-চেতনা জাগে নালুপাল যেন তারই প্রতীক।
- প্রচলিত সংস্কার ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে নারী জাগরণের প্রতিনিধি নিস্তা রিনী। নীলকরদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আছে এ উপন্যাসে।
- একটি ঐতিহাসিক পটভূমিকায় নদীতীরবর্তী সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে উপন্যাসটি চিহ্নিত।

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দের ১২ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁচরাপাড়ার নিকটবর্তী ঘোষপাড়া-মুরারিপুর গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম।
- ১৩২৮ বঙ্গাব্দের (১৯২১) মাঘ প্রবাসীতে প্রথম গল্প ‘উপেক্ষিতা’ প্রকাশের মধ্য দিয়ে বিভূতিভূষণের সাহিত্যিক জীবন শুরু হয়।
- বাংলা কথাসাহিত্যে শরৎচন্দ্রের পরে বিভূতিভূষণই সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় সাহিত্যিকের মর্যাদা পেয়েছেন।
- হেমন্তকুমার গুপ্তের সঙ্গে যৌথভাবে তিনি দীপক (১৯৩২) পত্রিকা সম্পাদনা করেন।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- পথের পাঁচালী,
- অপরাজিত,
- অশনি সংকেত,
- আরণ্যক,
- আদর্শ হিন্দু হোটেল,
- দেবযান,
- ইছামতী,
- দৃষ্টি প্রদীপ,
- বিপিনের সংসার,
- চাঁদের পাহাড়,
- দম্পতি ইত্যাদি।

তাঁর রচিত ছোটগল্প:
- মেঘমল্লার,
- মৌরীফুল,
- যাত্রাবদল,
- কিন্নরদল ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়িা।
১৬.
কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'রূপক সাংকেতিক' নাটক?
  1. বৈকুণ্ঠের খাতা
  2. শাদোৎসব
  3. রক্তকরবী
  4. চিত্রাঙ্গদা
ব্যাখ্যা
'রক্তকরবী' নাটক:
- এটি রবীন্দ্রনাথের একটি সাংকেতিক নাটক। এটি বাংলা ১৩৩০ বঙ্গাব্দের আশ্বিন সংখ্যা 'প্রবাসী'তে প্রকাশিত হয়।
- এর বিষয়বস্তু হচ্ছে যন্ত্রের সঙ্গে কৃষির সংঘাত, পুঁজিবাদী ধনতান্ত্রিক সভ্যতার সঙ্গে শ্রমজীবী মানুষের সংঘাতে ঘোষিত হয়েছে প্রেম ও প্রাণের জয়। আকর্ষণজীবী ও কর্ষণজীবীর মধ্যে দ্বন্দ্ব ।
- রবীন্দ্রনাথ ভূমিকায় লিখেছেন, 'যক্ষপুরের পুরুষের প্রবল শক্তি মাটির তলা থেকে সোনার সম্পদ ছিন্ন করে আনছে।
- এই নাটকের চরিত্রগুলো হচ্ছে: নন্দিনী, রাজা, বিসু, সর্দার, অধ্যাপক, ফাগুলাল, চন্দ্রা, গোসাঁই।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যান্য রূপক-সাংকেতিক নাটক:
- শারদোৎসব,
- ডাকঘর,
- অচলায়তন,
- ফাল্গুনী,
- অরূপরতন,
- মুক্তধারা,
- রক্তকরবী,
- কালের যাত্রা,
- তাসের দেশ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও লাইভ এমসিকিউ।
১৭.
কোনটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?
  1. মুখভ্রষ্ট
  2. তপোবন
  3. রবাহূত
  4. তপস্বীকন্যা
ব্যাখ্যা
চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস:
- পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি (কে, জন্য, নিমিত্ত ইত্যাদি) লোপে যে সমাস হয়, তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে।
যথা-
- গুরুকে ভক্তি = গুরুভক্তি,
- আরামের জন্য কেদারা = আরামকেদারা,
- বসতের নিমিত্ত বাড়ি = বসতবাড়ি,
- বিয়ের জন্য পাগলা = বিয়েপাগলা, 
- তপের নিমিত্ত বন = তপোবন ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- 'তপস্বীর কন্যা = তপস্বীকন্যা' - ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।
- 'রব দ্বারা আহূত = রবাহূত' - তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।
- 'মুখ থেকে ভ্রষ্ট = মুখভ্রষ্ট' পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৮.
দৌলত উজির বাহরাম খানের প্রকৃত নাম কী?
  1. মহাস্থবির
  2. আসাউদ্দীন
  3. শাহ সুর
  4. জালালউদ্দিন
ব্যাখ্যা
দৌলত উজির বাহরাম খান:
- দৌলত উজির বাহরাম খান (আনুমানিক ১৬শ শতক) মধ্যযুগীয় বাংলা ভাষার কবি।
- তাঁর আত্মপরিচয় থেকে জানা যায় যে, তিনি চট্টগ্রামের ফতেয়াবাদ অথবা জাফরাবাদের অধিবাসী ছিলেন।
- তাঁর পিতা মোবারক খান ছিলেন চট্টলাধিপতির উজির এবং জনৈক পূর্বপুরুষ হামিদ খান ছিলেন গৌড় সুলতান হুসেন শাহের প্রধান অমাত্য।
- তাঁর প্রকৃত নাম - আসাউদ্দীন।
- তিনি অল্প বয়সে পিতৃহীন হলে চট্টগ্রামের অধিপতি নেজাম শাহ সুর তাঁকে পিতৃপদ (উজির) প্রদান করেন।
- দৌলত উজির বাহরাম খান দুটি আখ্যানকাব্য রচনা করেন: লায়লী-মজনু ও ইমাম-বিজয়। উভয় কাব্যের উৎস আরবি সাহিত্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৯.
গবেষণামূলক প্রবন্ধ 'বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সাধনা' রচনা করেন কে?
  1. মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন
  2. সৈয়দ মুর্তাজা আলী
  3. আবদুল কাদির
  4. মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যা
• মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন গবেষণামূলক প্রবন্ধ লিখে বাংলা সাহিত্যে মুসলমানদের অবদানের মূল্যায়ন করেছেন।
- এই প্রসঙ্গে 'বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সাধনা' তিন খণ্ড গ্রন্থে মুসলমান লেখকদের সম্পর্কে প্রচুর তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে।

মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন: 
- তিনি শিক্ষাবিদ, লোকসংস্কৃতি বিশেষজ্ঞ ছিলেন।
- ১৯০৪ সালের ৩১ জানুয়ারি পাবনা জেলার সুজানগর থানার মুরারিপুর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- ১৯২৮ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় এমএ পাস করেন।

মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন রচিত গ্রন্থ:ত
- শিরনী,
- ধানের মঞ্জরী,
- আগরবাতী,
- বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সাধনা,
- ইরানের কবি।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম ও বাংলাপিডিয়া।
২০.
সুরঞ্জনা,
ঐখানে যেয়ো না তুমি বোলো নাকো কথা
ওই যুবকের সাথে - চরণদ্বয়ের রচয়িতা কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. শামসুর রাহমান
  3. জীবনানন্দ দাশ
  4. অমিয় চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
সুরঞ্জনা,
ঐখানে যেয়ো না তুমি বোলো নাকো কথা
ওই যুবকের সাথে - চরণদ্বয়ের রচয়িতা জীবনানন্দ দাশের ‘সাতটি তারার তিমির’ কাব্যগ্রন্থের 'আকাশনীলা' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।

জীবনানন্দ দাশ: 
- তিনি একজম কবি, শিক্ষাবিদ ছিলেন। তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক। তিনি ব্রহ্মবাদী পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন কবি।
- জীবনানন্দের কাব্যচর্চার শুরু অল্পবয়স থেকেই। স্কুলে ছাত্রাবস্থায় তাঁর প্রথম কবিতা ‘বর্ষ-আবাহন’ ব্রহ্মবাদী পত্রিকায় (বৈশাখ ১৩২৬/এপ্রিল ১৯১৯) প্রকাশিত হয়।
- মূলত কবি হলেও তিনি অসংখ্য ছোটগল্প, কয়েকটি উপন্যাস ও প্রবন্ধগ্রন্থ রচনা করেন।
- তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ঝরাপালক প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।

জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরা পালক,,
- ধূসর পাণ্ডু লিপি,
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা,
- বেলা অবেলা কালবেলা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
২১.
What does the prefix "quasi-" mean in the phrase "quasi-legal system"?
  1. Almost
  2. Completely
  3. Different
  4. Very formal
ব্যাখ্যা
•The prefix "quasi-" means 'Almost' in the phrase "quasi-legal system."

• quasi-(prefix)
English Meaning: Used with adjectives and nouns to say that something is almost, but not completely, a particular type of thing.
Bangla Meaning: (noun বা 'adjective-সহ) কিছু মাত্রায়; দৃশ্যত, প্রায়, কিন্তু সম্পূর্ণ নয়।

• Almost (adverb)
English meaning: nearly but not quite
Bangla Meaning: ) প্রায় কিছুই; প্রায় কেউই।

Example: Mandatory arbitration is a private, quasi-legal system of resolving disputes.
Bangla Meaning: বাধ্যতামূলক সালিস বিরোধ নিষ্পত্তির একটি ব্যক্তিগত, আধা-আইনি ব্যবস্থা।

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে -
খ) Completely (adjective)
- সম্পূর্ণ: সমাপ্ত; যা শেষ করা হয়েছে: পুরোপুরি; সর্বতোভাবে।

গ) Different (adjective)
- ভিন্ন; অন্য রকম।

ঘ) Very formal (adjective) 
- অতি আনুষ্ঠানিক।

Source: 
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২২.
She is a teacher to look up to. The underlined part is a/an -
  1. Prepositional phrase
  2. Adjective phrase
  3. Adverb phrase
  4. Both ক + গ
ব্যাখ্যা
• She is a teacher to look up to. The underlined part is a/an - Adjective phrase.
- Bangla Meaning: তিনি এমন একজন শিক্ষক যাকে অনুসরণ করা যায়/যাকে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করা যায়।
- এখানে underlined phrase টি ‘Teacher’- Noun কে Modify করার কারণে এটি Adjective phrase.

• এখানে - To হচ্ছে infinitive marker, Preposition নয়। তাই, Underlined Phrase কে prepositional phrase বলা যাবে না।
- In English grammar, the "infinitive marker" is the word "to" that is used before a verb to form the infinitive form of that verb.

• Adjective phrase:
- সংক্ষেপে, Noun এর পর যদি কোন clause/Phrase বসে তাহলে সেটি Adjective clause/Phrase হবে।
- Adjective Clause এর অপর নাম Relative Clause.
- এখানে underlined phrased টি ‘man’- Noun কে Modify করার কারণে এটি Adjective phrase.
২৩.
Identify the correct sentence.
  1. The workers are to proceeding with the task without delay.
  2. The guidelines are to be adhering to without any exceptions.
  3. The students are not to be travel by subway without a friend.
  4. You are to do your homework without playing any video games.
ব্যাখ্যা
• সঠিক বাক্যটি হচ্ছে - You are to do your homework without playing any video games.

• Be verb এরপরে চারটি গঠনে শব্দ বসতে পারে।

1. Be + verb + ing (active voice)
- এই নিয়মানুযায়ী ক) বাক্যটির সঠিক রূপ হবে -
- The workers are proceeding with the task without delay.

2. Be + verb এর past participle form ( Passive voice)
- এই নিয়মানুযায়ী খ) বাক্যটির সঠিক রূপ হবে -
- The guidelines are adhered to without any exceptions.

3. Be + to + verb (Modal auxiliary) 
- এই নিয়মানুযায়ী ঘ) বাক্যটি সঠিক এবং গ) বাক্যটির সঠিক রূপ হবে -
ঘ)You are to do your homework without playing any video games.
গ) The students are not to travel by subway without a friend.

4. Be + adjective/noun (Principal verb)
- Virtue is knowledge.
২৪.
Which of the following has a similar meaning to 'Plethora'?
  1. Profusion
  2. Adjourned
  3. Resume
  4. Differing
ব্যাখ্যা

Plethora (noun)
English Meaning: A very large amount of something, especially a larger amount than you need, want, or can deal with.
Bangla Meaning: (আনুষ্ঠানিক) (১) অতিপ্রাচুর্য; আতিশয্য।
(২) (চিকিৎসাশাস্ত্র) রক্তে লালকণিকার আধিক্যজনিত রোগ; রক্তসিক্ত।

Synonyms: Excess (অতিরিক্ত), Surfeit (অতিরিক্ত পরিমাণে কিছু), Overabundance (অতিপ্রাচুর্য), Profusion (প্রাচুর্য), Richness (সমৃদ্ধি)।
Antonyms: Dearth (অভাব, অনটন, আকাল), Lack (অভাব ঘটা), Deficiency (ঘাটতি), Paucity (অনটন), Shortage (স্বল্পতা)।

Other Forms:
- Plethoric (adjective).

Example Sentence:
1. The plethora of regulations is both contradictory and confusing.
2. The Plethora of details about anything does not bring any good.

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে -
• Adjourned (মূলতবি, স্থগিত)।
• Differing (ভিন্ন)।
• Resume (আবার শুরু করা)

Source: Live MCQ Lecture.

২৫.
Thailand lies ________ Myanmar, Laos, Cambodia, and Malaysia, surrounded by pristine beaches and lush tropical forests.
  1. between
  2. over
  3. among
  4. through
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - between.
- Complete sentence: Thailand lies between Myanmar, Laos, Cambodia, and Malaysia, surrounded by pristine beaches and lush tropical forests.

• সাধারণত দুইয়ের অধিক proper noun  অথবা স্বতন্ত্র বা আলাদা ভাবে বুঝালে এবং এরা দুইয়ের অধিক হলেও এদের পূর্বে between ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: 
- There is a great difference between Dhaka, London and Delhi.
- Luxemburg lies between Belgium, Austria, and France.
২৬.
'Michael Henchard' is a character from Thomas Hardy's which novel?
  1. A Pair of Blue Eyes
  2. The Return of the Native
  3. The Mayor of Casterbridge
  4. Far from the Madding Crowd
ব্যাখ্যা
• Michael Henchard is the 'Mayor' in the novel 'The Mayor of Casterbridge' by Thomas Hardy.
- এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র Michael Henchard এর জীবনের উত্থান পতন এর কাহিনীই হচ্ছে এই উপন্যাসের মূল বিষয়।
- উপন্যাসের Casterbridge হচ্ছে একটি কাল্পনিক শহর।
- The fictional city of Casterbridge provides a picture of Dorchester in the 19th century.
- The novel tells of the rise and fall of Michael Henchard, who, starting from nothing after abandoning his wife and daughter, gains prosperity and respect and is reunited with his family only to lose everything through his own wrong-headedness, his vengeful nature, and a spate of bad luck.
- মাইকেল হেনচার্ড, মদ্যপ অবস্থায় নিজের স্ত্রী ও কন্যাকে নিলামে বিক্রি করে দেন। পরে তিনি তার ভুল বুঝতে পেরে মদ ত্যাগ করে ক্যাস্টারব্রিজ শহরের মেয়র হন। কিন্তু অতীতের ভুল তাকে তাড়া করতে থাকে, এবং ধীরে ধীরে তার জীবনে দুর্ভাগ্য নেমে আসে। উপন্যাসটি ক্ষমা, অনুশোচনা, এবং ভাগ্যের পরিবর্তনশীলতার একটি গভীর চিত্র তুলে ধরে।

• এই উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্র সমূহ হচ্ছে -
- Susan Henchard,
- Donald Farfrae,
- Elizabeth-Jane Newson,
- Lucetta Templeman, etc.

• Thomas Hardy is known as a Pessimistic Novelist.
- He was also a regional novelist and a poet কারণ একটি মাত্র নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করেই তার সকল সাহিত্যকর্ম রচিত হওয়ার কারণে তাকে এই উপাধি দেয়া হয়।
- তিনি Victorian age এর শ্রেষ্ঠ উপন্যাসিক এবং ছোট গল্পকার।

• Thomas Hardy-এর লেখা কয়েকটি উপন্যাস হল -
- Tess of the d'Urbervilles,
- Far from the Madding Crowd,
- The Return of the Native
- The Poor Man and the Lady,
- The Mayor of Casterbridge
- Jude the Obscure,
- Under the Greenwood Tree,
- A Pair of Blue Eyes.

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
২৭.
"The moon rose like a surfacing fish."- is an example of -
  1. Allusion
  2. Aphorism
  3. Metaphor
  4. Simile
ব্যাখ্যা
• The moon rose like a surfacing fish."- is an example of a Simile.
- উল্লিখিত লাইনটি Ernest Hemingway রচিত 'Old Man and the Sea' উপন্যাসের একটি লাইন।
- Hemingway compares the moon's appearance to a fish rising to the surface, giving a sense of movement and grace.

• Simile:
• An explicit comparison between two different things is called - Simile 
- Usually as and like are used in it. In simile the resemblance is explicitly indicated by the words.
- দুটি ভিন্নধর্মী জিনিসের মধ্যে As  ও Like দ্বারা তুলনা বোঝালে তাকে Simile বলে।
- উপমেয়ের সাথে উপমানের সাদৃশ্য কল্পনা করা।
- উদাহরণ - Love is like a battlefield.

• অন্যদিকে, 
• Metaphor:
- An implicit comparison between two different things.
- যখন কোনো বাক্যে দুটি ভিন্ন বা বিজাতীয় জিনিসের মাঝে পরোক্ষভাবে বা রূপকার্থে তুলনা করা হয় তাকে বলা হয় Metaphor.
- সাধারণত Metaphor দ্বারা এমন দুইটি জিনিসের মধ্যে তুলনা দেওয়া হয় যারা একই রকম বা সদৃশ নয় কিন্তু তাদের মধ্যে কিছু সাধারণ মিল থাকে।

• Metaphor এর উদাহরণ -
- It is the east, and Juliet is the sun.
- "She's all states, and all princes, I"

• Difference Between Metaphor and Simile: 
- কিছু কিছু ক্ষেত্রে Simile and Metaphor এর মধয়ে পার্থক্য নিরূপণ করা কষ্টসাধ্য হয়ে যায়।
- এই দুটি figure of speech ই মূলত তুলনা করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- অন্যভাবে বলা যেতে পারে - simile is a subset of metaphor. 
- মুলত এদেরকে দুটি শব্দ “like” and “as. এর মাধ্যমে আলাদা করে চিহ্নিত করা সম্ভব।
- Metaphors create direct comparisons without using either of these words.
- Similes feature either like or as in making a comparison.
- অর্থাৎ, Metaphor হবে “like” and “as ব্যাতীত বাক্য, আর simile হবে “like” and “as. যুক্ত বাক্য।
- Personification ও এক ধরণের Metaphor.

• Aphorism:
- A terse, memorable expression of a universal truth.
- 'To err is human, to forgive divine' হচ্ছে একটি universal truth যার অর্থ “মানুষ মাত্রেই ভুল” এবং “ক্ষমা করা স্বর্গীয়।
- সুতরাং, এই উক্তিটি Aphorism এর একটি উদাহরণ।
- উক্তিটি Alexander Pope এর An essay on criticism হতে উদ্ধৃত।

• Allusion:
- Allusion, in literature, an implied or indirect reference to a person, event, or thing or to a part of another text.
- কোনো বিখ্যাত ব্যক্তি বা ঐতিহাসিক ঘটনাকে পরোক্ষভাবে উপস্থাপন করা।
- এছাড়া বিষয়ভেদে একই বস্তুর বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের দর্শনে যে সৌন্দর্য সৃষ্টি হয় তাকে Allusion বলে।

• যেমন -
- Chocolate cake is my Achillies heel
- এখানে, বলা হচ্ছে Chocolate cake আমার Achilis Heel অর্থাৎ দুর্বলতা।
- এখানে দুর্বলতা বোঝাতে গ্রিকবীর একিলিসের নাম নেওয়া হয়েছে।
- অন্য কোন সাহিত্যকর্ম থেকে উদাহরণ দেওয়া হলে আমরা সেটিকে Allusion বলি।

Source:
1. An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman.
2. Live MCQ Lecture.
২৮.
What kind of poem is 'Adonais'?
  1. Limerick
  2. Pastoral elegy
  3. Sonnet
  4. Long narrative
ব্যাখ্যা
• Adonais:
- এটি Shelley রচিত একটি কবিতা।
- এই কবিতাটি হলো একটি pastoral elegy.
- এই ধরনের কবিতাগুলোর মূল বৈশিষ্ট্য হলো মৃত্যু এবং গ্রামীণ পরিবেশের বর্ণনা।
- Shelley তার বন্ধু John Keats এর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে এই কবিতাটি লিখেছিলেন।
- গ্রীক পূরাণ কাহিনী অনুযায়ী Adonais একজন তরুণ বীরের নাম।
- এই কবিতাকে John Milton এর Lycidas কবিতার সাথে তুলনা দেয়া হয়।
- কবিতায় দেখা যায়, John Keats এর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছে প্রকৃতি, দেবতাদের আহবান করা হচ্ছে যেন তারাও শোক প্রকাশ করে।

• P.B. Shelley:
- English Romantic poet whose passionate search for personal love and social justice was gradually channeled from overt actions into poems that rank with the greatest in the English language.
- তার পুরো নাম Percy Bysshe Shelley.
- তিনি রোমান্টিক যুগের অন্যতম একজন কবি।
- তার স্ত্রীর নাম Mary Shelley.

• Some notable work:
- Adonais,
- Mont Blanc,
- Ode to the West Wind,
- Ozymandias,
- Peter Bell the Third,
- Prometheus Unbound,
- Queen Mab,
- Rosalind and Helen,
- The Cenci,
- The Cloud,
- The Masque of Anarchy.

Source: Britannica
২৯.
Who is the author of "Mrs. Warren’s Profession"?
  1. G. B Shaw
  2. Charles Dickens
  3. Alexander Pope
  4. Jane Austen
ব্যাখ্যা
"Mrs. Warren’s Profession" is a play by G.B Shaw.
- এটি একটি 4-acts বিশিষ্ট নাটক।
- এটি ১৮৯৩ সালে লেখা এবং ১৮৯৮ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
- Due to government censorship it wasn't performed until 1902.
- The play’s subject matter is organized prostitution.

• Mrs. Warren's Profession Characters:
- Vivie Warren,
- Kitty Warren (Mrs. Warren),
- Frank Gardner,
- Praed,
- Sir George Crofts,
- Reverend Sam Gardner,
- Liz.

• G. B. Shaw (1856-1950):
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- তিনি 'Modern period' এর নাট্যকার।
- George Bernard Shaw একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।

• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession;(play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House (play)
- Caesar and Cleopatra; (play/tragedy),
- Man and Superman; (Comedy play),
- The Doctor's Dilemma; (satire drama/play, Epilogue),
- St. Joan of Arc etc.

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman; Encyclopedia Britannica and Live MCQ Lecture.
৩০.
During which era the 'Masque' became a particularly popular form of entertainment?
  1. Middle ages
  2. The Renaissance period
  3. The Neo-classical period
  4. The Victorian Era
ব্যাখ্যা

• During 'The Renaissance period' especially in the 'Jacobean Period' the 'Masque' became a particularly popular form of entertainment.

• "মাস্ক" বা Masque হলো একটি নাট্য বিনোদন যা প্রধানত ১৬শ এবং ১৭শ শতকের রাজকীয় সভায় অনুষ্ঠিত হতো। এই শৈলীটির বিশেষত্ব ছিল এর অভিনয়, সঙ্গীত, নৃত্য এবং জাঁকজমকপূর্ণ সেট ডিজাইন।
- এলিজাবেথান যুগের শেষের দিকে "Masque" এর উদ্ভব হলেও, এটি বিশেষভাবে প্রসার লাভ করে ১৭শ শতকের শুরুর দিকে, রাজা প্রথম জেমসের শাসনামলে অর্থাৎ Jacobean Period এ। এই সময়ে রাজকীয় সভায় অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ এবং চমকপ্রদ উপস্থাপনার মাধ্যমে মাস্কের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে পৌঁছায়।

• এই ধরনের নাটকে যারা অভিনয় করতো তারা মূলত ছদ্মবেশে এক ধরণের মুখোশ পরে দলগত নৃত্য বা কোরাস পরিবেশন করতো।
- মাস্কের মাধ্যমে সাহিত্যিক এবং নাট্য শিল্পের এক নতুন মাত্রা যোগ হয়, যেখানে বিভিন্ন ঐতিহাসিক, পৌরাণিক এবং সামাজিক বিষয়বস্তু তুলে ধরা হতো। এটি পরে আধুনিক নাটকের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

• The masque reached its peak during the Stuart period, largely due to Ben Jonson’s contributions as the court poet. In 1605 Jonson and the scene designer Inigo Jones produced the first of many excellent masques, which they continued to collaborate on until 1634.

• Ben Jonson এই বিনোদন ধারাটিকে সাহিত্যিক ও সামাজিক গুরুত্ব প্রদান করেন। যদিও Jonson-এর অবসরের পর "masques" ধীরে ধীরে তাদের সাহিত্যিক সমৃদ্ধি হারাতে শুরু করে এবং ভিজ্যুয়াল স্পেকটেকলের দিকে মনোনিবেশ করে। ইংরেজ গৃহযুদ্ধের শুরুতে এর  প্রাধান্য পুরোপুরি কমে যায়। পরবর্তী পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা কখনও মূল "masques"-এর সাংস্কৃতিক এবং শিল্পগত প্রভাবের সাথে তুলনায় পৌঁছাতে পারেনি। "Masque" এর এই যাত্রা নাটকের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় রচনা করেছে, যেখানে সাহিত্য, সঙ্গীত এবং দৃশ্যকলার সমন্বয় ঘটেছে।

Source: Britannica and Live MCQ lecture.

৩১.
'Song of Innocence' and 'Song of Experience' are written by
  1. Ezra Pound and T. S Eliot
  2. Rudyard Kipling
  3. William Blake
  4. Emily Bronte and Charlotte Bronte
ব্যাখ্যা
• 'Song of Innocence' and 'Song of Experience' are written by William Blake.
- ইংরেজি সাহিত্যে এই দুইটি সাহিত্য রচনাকে masterpieces of English lyric poetry হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- Songs of Innocence, ১৭৮৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং Song of Experience প্রকাশিত হয় ১৭৯৪ সালে
- এবং এটিকে Blake এর প্রথম first great demonstration of “illuminated printing বলা হয় - his unique technique of publishing both text and hand-coloured illustration together.
- William Blake এর দুটো কাব্যগ্রন্থ তার সবচেয়ে বড় অবদান হিসেবে গণ্য করা হয়।

• Songs of Innocence এ আছে ১৯টি কবিতা ।
- শিশুদের মনের যে অকৃত্রিম প্রেম এবং করুণা থাকে তাই ব্যক্ত হয়েছে এই কবিতাগুলোতে।
- নিষ্পাপ শিশুর প্রতীক হিসেবে তিনি মেষ শাবককে নির্বাচন করেছেন। মেষ শাবক একাধারে নম্রতা, করুণা এবং যীশু খ্রীষ্টের প্রতীক।

• Songs of Experience এ আছে ২৬টি কবিতা।
- এই কবিতা Songs of Innocence কবিতার প্রত্যুত্তর।

• William Blake:
- তিনি ২৮ নভেম্বর ১৭৫৭ সালে London, England এ জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি একাধারে একজন engraver, artist, poet, author.

• Best Works of William Blake:
- Songs of Innocence,
- Songs of Experience,
- The Marriage of Heaven and Hell,
- Milton a Poem,
- The Divine image,
- A Vision of the Last Judgment,
- Jerusalem,
- Auguries of Innocence,
- London,
- The Tyger,
- The Lamb,
- The Everlasting Gospel,
- The First Book of Urizen,
- Vala or The Four Zoas,
- Visions of the daughters of Albion,
- The School Boy, etc.

Source: Britannica.
৩২.
'Catastrophe' is considered as a part of -
  1. Poetry
  2. Essays
  3. Tragedy
  4. Comedy
ব্যাখ্যা
• Catastrophe: (আকস্মিক দূর্যোগ বা মহা দূর্ঘটনা):
- It is the final scene of a tragedy in which the action ends with the death of the hero.
- অন্যভাবে বলতে গেলে, The dreadful consequence of the story of a tragedy is called Catastrophe.
- সাধারণত এটি tragedy তেই ঘটে থাকে।
- It is synonymous with the term 'denouement’.
- প্রধান চরিত্রের করা কিছু ভুলের কারণে নাটকের শেষে তার উপর মহাদূর্যোগ আপতিত হবে। 

- For example,
- Catastrophe occurs in the last scene of 'Doctor Faustus' in which Faustus begs for God's forgiveness but Lucifer drags him to hell.
- এর মাধ্যমেই নাটকটির সমাপ্তি ঘটেছিল আর এতে প্রকাশ পেয়েছে 'Doctor Faustus' সারাজীবনের কৃতকর্মের শাস্তির চিত্র।

Source: An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman and Live MCQ Lecture.
৩৩.
'Catherine Barkley' is the female protagonist of -
  1. Mansfield PArk
  2. Wuthering Heights
  3. A Farewell to Arms
  4. Arms and the Man
ব্যাখ্যা
• 'Catherine Barkley' is the female protagonist of - 'A Farewell to Arms' by Ernest Hemingway.

• 'A Farewell to Arms':
- এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত লেখকের তৃতীয় novel.
- উপন্যাসটি আত্মজীবনীমূলক উপাদান এবং ঘটনার জন্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- এই novel এ arms বলতে একই সাথে অস্ত্র এবং প্রেমিকার হাত বোঝানো হয়েছে।
- The plot is set during the Italian campaign of World War I. First published in 1929, it is a first-person account of an American, Frederic Henry, serving as a lieutenant in the ambulance corps of the Italian Army.
- The title is taken from a poem by the 16th-century English dramatist George Peele.

• Summary:
- উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র দুজন: আমেরিকান লেফটেন্যান্ট Frederic Henry এবং ইংরেজ নার্স Catherine Barkley.
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ঘটনাপ্রবাহ তাদের দুজনকে একত্রিত করে ইটালিতে; যদিও Catherine ছিলেন সদ্য বিধবা; তাদের মধ্যে প্রেমের এবং সহানূভুতির সম্পর্ক গড়ে উঠে।
- Frederic গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হলে সেবা শুশ্রুষা করে তাকে সারিয়ে তুলতে আপ্রাণ চেষ্টা করে Catherine.
- দুজন দুজনার আরো কাছাকাছি হয় এসময় এবং একপর্যায়ে Catherine গর্ভবতী হয়ে পড়ে।
- এমন সময় Frederic কে যুদ্ধক্ষেত্রে চলে যেতে হয়; যুদ্ধে বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়ে ফিরে আসে Frederic, এসে দেখে Catherine অন্য শহরে বদলী হয়ে গেছে।
- তাকে খুঁজে বের করে Frederic এবং দুজনে পালিয়ে সুইজারল্যান্ডে চলে যায় এবং সেখানে বাচ্চার জন্ম দিতে মারা যায় Catherine Barkley.

• A Farewell to Arms এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র সমূহ -
- Lieutenant Frederic Henry (Protagonist),
- Catherine Barkley,
- Helen Ferguson,
- Lieutenant Rinaldi, etc.

• Famous quotes from A Farewell to Arms:
- All thinking men are atheists.
- The coward dies a thousand deaths, the brave but one?
- If people bring so much courage to this world the world has to kill them to break them, so of course it kills them.
- But life isn’t hard to manage when you’ve nothing to lose.
- When you love you wish to do things for. You wish to sacrifice for. You wish to serve
- The world breaks every one and afterward many are strong at the broken places.
- The night can be a dreadful time for lonely people once their loneliness has started.
- My life used to be full of everything. Now if you aren’t with me I haven’t a thing in the world.

• Ernest Hemingway, in full Ernest Miller Hemingway is an American novelist and short-story writer.
- He was noted both for the intense masculinity of his writing and for his adventurous and widely publicized life.
- তাঁর সংক্ষিপ্ত এবং সুস্পষ্ট গদ্যশৈলী ২0 শতকে American and British কথাসাহিত্যে একটি শক্তিশালী প্রভাব ফেলেছিল।

• তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস সমূহ -
- The Sun Also Rises,
- The Old Man and The Sea,
- A Farewell to Arms,
- Green Hills of Africa ইত্যাদি

Source: Britannica, Live MCQ Lecture and Poetry Foundation.
৩৪.
Change the voice: The basket contains freshly picked apples.
  1. Freshly picked apples are contained by the basket.
  2. Freshly picked apples are contained to the basket.
  3. Freshly picked apples are contained in the basket.
  4. Freshly picked apples are contained with the basket.
ব্যাখ্যা
• Active: The basket contains freshly picked apples.
- Passive: Freshly picked apples are contained in the basket.

• কিছ কিছু Active voice কে Passive voice এ রুপান্তর করার ক্ষেত্রে এদের পূর্বে 'by' বসেনা।
- এ জাতীয় কিছু verb হচ্ছে - annoyed with, marvelled at, surprised at, seized with, contained in etc..

• The basket contains freshly picked apples.
- উল্লিখত বাক্যের object -freshly picked apples  বসেছে passive voice এ subject হিসেবে।
- যেহেতু বাক্যটি present indefinite tense এ গঠিত তাই মূল verb হিসেবে are বসেছে ।
- তারপর verb এর past participle form.
- এরপর in + Subject এর objective form.

• এ জাতীয় আরোও একটি উদাহরণ হচ্ছে -
- Active: Panic seized the writer.
- Passive: The writer was seized with panic.

• Active: The parcel contained important materials.
- Passive: Important materials were contained in the parcel

Source: Advanced Learners Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain
৩৫.
He bought a laptop which he believes will boost his productivity. The underlined part is an example of -
  1. Noun clause
  2. Adjective clause
  3. Adverb clause
  4. Principal clause
ব্যাখ্যা
• He bought a laptop which he believes will boost his productivity. The underlined part is an example of - Adverb clause.

• সাধারণত, - relative pronoun (that, who, whose, whom, which, why, when) ইত্যাদি দ্বারা শুরু হওয়া clause গুলোকে Adjective clause বিবেচনা করা হয়, যদি এরা অন্য clause or noun clause সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দেয়।
- অন্যভাবে বলতে গেলে, Noun এরপর which দ্বারা শুরু হওয়া clause টি যদি সেই noun কে modify করে তবে তা adjective clause হয়। 
- কিন্তু, who এবং which দ্বারা গঠিত clause টি যদি cause or purpose বোঝায় তবে সেটি Adverbial Clause হিসেবে বিবেচিত হবে।

• প্রদত্ত বাক্যে Which = in order that এই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।- সে laptop কিনেছে, কিন্তু কেন?
- এই ধরনের প্রশ্ন করলে উত্তরে উদ্দেশ্য প্রকাশ পায় যে যেনো তার productivity আরো ভালোভাবে boost হতে পারে সে উদ্দেশ্য।
- তাই এটি adverb clause হয়েছে।

• Adverbial clause:
- যে dependent clause টি adverb-এর মত কাজ করে অর্থাৎ verb এর স্থান, কাল, কারণ, উদ্দেশ্য, ধরণ, ফলাফল ইত্যাদি প্রকাশ করে তাকে adverbial clause বলে।
- Principal Clause এর verb কে How, Where, When, Why ইত্যাদি দ্বারা প্রশ্ন করলে adverbial clause পাওয়া যায়৷
- clause টি মূলত - Adverb clause of purpose এর উদাহরণ।
৩৬.
Although the project was challenging, ___________
  1. even yet they completed it on time.
  2. yet they completed it on time.
  3. despite they completed it on time.
  4. they completed it on time.
ব্যাখ্যা
•  Although - যদিও, যদ্যপি।
- Although থাকলে দুইটি clause সাধারণত একই tense-এ থাকে এবং দুইি বিপরীতধর্মী ধারণা প্রকাশ করে।
- Although দ্বারা দুটি clause যুক্ত হয় আর although বাক্যের শুরুতে ব্যবহৃত হলে দুটি clause এর মাঝে শুধু  comma ব্যবহৃত হয়।
- অন্য কোনো conjunction বসে না।
- Although যুক্ত বাক্য Complex Sentence হয়।

• সুতরাং, নিয়মানুযায়ী, সঠিক উত্তর - they completed it on time.
- Complete sentence: Although the project was challenging, they completed it on time.
- Bangla Meaning: যদিও প্রকল্পটি চ্যালেঞ্জিং ছিল, তবে তারা সময়মতো তা সম্পন্ন করেছে।

More Example Sentence:
1. Although she is tired, she continues to work diligently.
2. Although the restaurant is crowded, the service is efficient.
৩৭.
What is the antonym of the word 'Enormous'?
  1. Diligent
  2. Prolix
  3. Brazen
  4. Tiny
ব্যাখ্যা
• Enormous (adjective)
English Meaning: Extremely large
Bangla Meaning: প্রচুর; বিরাট।

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ -
ক) Diligent
English Meaning: Wishing to do one's work or duty well and thoroughly.
Bangla Meaning: বিবেকবান; বিবেকবুদ্ধিসম্পন্ন।

খ) Prolix (adjective) 
English Meaning: (of speech or writing) using or containing too many words; tediously lengthy.
Bangla Meaning: (আনুষ্ঠানিক) (বক্তা, লেখক, বক্তৃতা ইত্যাদি সম্বন্ধে) অতিবিস্তার হেতু বিরক্তিকর; ক্লান্তিকর; অতিবিস্তৃত।

গ) Brazen (Adjective)
English Meaning: Open and without shame, usually about something that shocks people.
Bangla Meaning: নির্লজ্জ; উদ্ধত।

ঘ) Tiny (adjective)
English Meaning:  Extremely small.
Bangla Meaning:  অতি ক্ষুদ্র; পুঁচকে।

•  শব্দগুলোর অর্থ বিবেচনা করে বোঝা যাচ্ছে যে, উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে - Tiny শব্দটি Enormous এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy
2. Cambridge Dictionary.
৩৮.
The word 'Chicanery' is a/an -
  1. Noun
  2. Verb
  3. Adjective
  4. Adverb
ব্যাখ্যা
Chicanery (noun)
English Meaning: Dishonest but attractive talk or behavior that is used to deceive people.
Bangla Meaning: [uncountable noun] প্রতারণা; বৈধ চাতুরী; এর ব্যবহার; [countable noun] চোরা যুক্তি।

Synonyms: Trickery (চালাকি; প্রতারণা), Deception (প্রতারণা; চাতুরী;), Fraud (ছলনা; প্রবঞ্চনা), Guile(ছলনা), Deceit (শঠতা)।
Antonyms: Candor (সারল্য), Directness (সরাসরিতা), Openness (অকপটতা), Receptiveness (গ্রহন করার মানসিকতা), Frankness (স্পষ্টতা)।

Example Sentence:
1. The investigation has revealed political chicanery and corruption at the highest levels.
2. The two schemers fall for each other but there's a lot of revenge-fueled chicanery before love wins through.

Source: Live MCQ Lecture.
৩৯.
A paragraph should not have -
  1. Cohesion
  2. Consistency
  3. Diverse themes
  4. Conformity
ব্যাখ্যা
• Paragraph শব্দের অর্থ হলো অনুচ্ছেদ। ‌
- যে কোনো Paragraph এর মধ্যে দুটি উপাদান বর্তমান থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন।
- এগুলো হলো- Cohesion এবং coherence.
- Coherence হচ্ছে paragraph এর বিভিন্ন অংশের সমন্বয়।

• একটি Paragraph এর মধ্যে একটাই Theme থাকে এবং এর মধ্যে consistency (সামঞ্জস্যতা) এবং conformity (একইরূপতা বা অনুক্রম) থাকে।
- Paragraph এর মধ্যে (diverse themes) বৈচিত্রপূর্ণ বিষয়বস্তু থাকা যাবে না।
৪০.
What is the plural of the word 'Graffito'?
  1. Graffitoes
  2. Graffiti
  3. Graffitoess
  4. Both ক + খ
ব্যাখ্যা
• Graffito (Noun)
English Meaning: writing or drawings scribbled, scratched, or sprayed illicitly on a wall or other surface in a public place.
Bangla Meaning: দেওয়ালচিত্র; দেওয়াল লিখন।
• এর plural form হচ্ছে - Graffiti. 

Source: Oxford Learner's Dictionary and Accessible Dictionary by Bangla ACademy.
৪১.
Choose the correct sentence.
  1. The students each has received a book as a reward for their hard work.
  2. The students each was to received a book as a reward for their hard work.
  3. The student each has to received a book as a reward for their hard work.
  4. The students each have received a book as a reward for their hard work.
ব্যাখ্যা
•  সঠিক উত্তর হবে
- The students each have received a book as a reward for their hard work.

• Each singular and plural উভয় হিসাবেই ব্যবহৃত হতে পারে।
- Singular এর সাথে বসলে singular এবং plural এর সাথে বসলে plural.
- যদি Plural Noun এর পরে Each আসে, তবে Verb টা Plural হবে।
- এরপরে যেহেতু, received আছে তাই have হবে।

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে - 
ক) অপশনে has এর স্থলে have বসালে বাক্যটি সঠিক হবে।
খ) অপশনে was এর স্থলে have বসালে বাক্যটি সঠিক হবে।
গ) The students এর স্থলে the students এবং has এর স্থলে have বসলে বাক্যটি সঠিক হতো।
৪২.
Very few books are as thought-provoking as 1984. (Make it superlative)
  1. 1984 is the most thought-provoking books.
  2. 1984 is one of the most thought-provoking books.
  3. 1984 is the most thought-provoking book.
  4. 1984 is one of the most thought-provoking book.
ব্যাখ্যা
• Positive: Very few books are as thought-provoking as 1984.
• Superlative: 1984 is one of the most thought-provoking books.

• Positive to superlative: নিয়মানুযায়ী, (Very few থাকলে)
- প্রথমে positive এর Object টি Superlative বাক্যের Subject এ পরিণত হয়।
- তারপর Indicator পরিবর্তন ঘটে, 'Very few' ও 'as-as' উঠে তার পরিবর্তে one of the বসে। 
- Positive degree এর superlative form বসে। 
- তারপর Subject টি Object হিসেবে শেষে বসে।

More Example:
Positive: Very few cars are as luxurious as Rolls-Royce.
Superlative: Rolls-Royce is one of the most luxurious cars..

• অন্যদিকে, 
• Positive degree তে no other থাকলে Superlative degree তে the + superlative হয়। 
Example: 
Positive: No other books are as thought-provoking as1984
Superlative: 1984 is the most thought-provoking book.
৪৩.
Which of the following is the correct adjective form of 'Discuss'?
  1. Discussable
  2. Discussive
  3. Discussible
  4. All of these
ব্যাখ্যা
Discuss (verb transitive)
- আলোচনা করা; কোনো বিষয় গভীরভাবে বিচার ও সে-সম্পর্কে যুক্তি উত্থাপন করা।

• Other forms:
- Discussable/ Discussible (adjective)
- আলোচনাযোগ্য।

Discussive (adjective)
- বিতর্ক বা আলোচনা সম্পর্কিত

• Discusser (noun)
- আলোচনাকারী বা আলোচনায় অংশগ্রহণকারী।

Source:
1. Merriam-Webster Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৪৪.
You _________ while I'm talking!
  1. dare not interrupting the conversation
  2. dare to not interrupt the conversation
  3. dare not to interrupting the conversation
  4. dare not interrupt the conversation
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - dare not interrupt the conversation
- Complete sentenec: You dare not interrupt the conversation while I'm talking!
- Bangla Meaning: আমি কথা বলার সময় আপনি কথোপকথনে বাধা দেওয়ার সাহস করবেন না!

• Dare মূল verb হিসেবে ব্যবহৃত হয় আবার modal হিসেবেও ব্যবহৃত হয় তাই এর সাধারণ নাম semi-modal.
- তবে বাক্যে প্রয়োগের ক্ষেত্রে এটি main verb অথবা modal verb হিসেবে পরিচিত।

• You dare not interrupt the conversation while I'm talking!
- এখানে বাক্যে dare মূল verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি; modal verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- Interupt এখানে মূল verb.
- আর modal auxiliary এরপর verb এর base form বসে।

Negative sentence এ ‘dare’ modal auxiliary হিসেবে ব্যবহৃত হলে dare এর পরে not বসে এবং এর পরে to বসাতে হয়না।
- অর্থাৎ, dare not এর সাথে infinitive to এর ব্যবহার উহ্য থাকে।
- এক্ষেত্রে dare এর সাথে কখনো s/es যুক্ত হয় না।

Example:
- I dare not go there. - Modal verb.
- Dare you go there? - Modal verb.
- He dares to go there. (Principal Verb)
৪৫.
In which of the following sentences is 'over' used as an adverb particle?
  1. When the milk boiled, it spilled over.
  2. She spread a cloth over the table.
  3. How long will you be over it?
  4. We watched a helicopter flying low over the harbour.
ব্যাখ্যা
• When the milk boiled, it spilled over.
- Here 'over' is used as - Adverb particles.

• Adverb Particle:
- An adverb particle is a small, typically short word (often a preposition) that combines with a verb to form a phrasal verb, changing or adding to the verb's meaning: A particle is a word, normally an adverb, added to a verb to form a phrasal verb.
- অর্থ প্রকাশের জন্য এদের কোনো object এর প্রয়োজন হয় না এবং এরা সাধারণত বাক্যের শেষে বসলেই adverb particle হিসেবে বিবেচিত হয়।
- Words such as in, over, and with সাধারণত preposition হিসেবে ব্যবহৃত, তবে বাক্যে অবস্থান ও ব্যবহার ভেদে এটি অন্য parts of speech হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে।
- Prepositions are most commonly followed by a noun phrase, a pronoun or the -ing form of a verb.
- A particle is a word, normally an adverb, added to a verb to form a phrasal verb:

• যেমন:
- It spilled over." ("Up" is an adverb particle; no object is needed.)
- The water spilled over the table. ("Over" is a preposition because it is followed by the object "the table.

• অন্যদিকে, 
-  Over বিভিন্ন Parts of Speech হিসেবে Over এর ব্যবহার:

• Over (adverb) 
- from a higher to a lower position; down:
- উঁচু থেকে নিচের দিকে পড়া বোঝাতে over adverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন - The little boy fell over and started to cry.

• Over (Preposition)
• in, to, on, or at a position above or higher than something else, sometimes so that one thing covers the other; above
- উপরিভাগে ন্যস্ত থেকে এবং আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে আবৃত করে
- She spread a cloth over the table.

• above or higher than something, without touching it under.
- উঁচুতে বা উপরে অবস্থান বোঝাতে over preposition হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- We watched a helicopter flying low over the harbour.

• কোনোকিছুর সূত্রে; কোনোকিছুতে ব্যাপৃত থাকাকালে; কোনোকিছু নিয়ে:
- I went to sleep over my books, পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম;
- How long will you be over it? এটা করতে কতদিন লাগবে?
- We talked about the future of our children over (a cup of) tea; (চা খেতে খেতে/চা পানকালে);
- They quarreled over the ownership of the house. বাড়ির মালিকানা নিয়ে।

• Over (noun)
- (ক্রিকেট) প্রতি দফায় একজন বোলার যে কয়বার বল ছুড়তে পারে (সাধারণত ৬ বার)।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৪৬.
Which of the following could best be described as an 'Opus'?
  1. A kind of order or law
  2. A method of operation
  3. A significant artistic work
  4. A formal legal document
ব্যাখ্যা
• Opus (noun)
English Meaning: a piece of music written by a particular musician and given a number relating to the order in which it was published: You can refer to an artistic work such as a piece of music or writing or a painting as an opus.
Bangla Meaning: স্বতন্ত্র সাংগীতিক রচনা।
Plural form: opuses or opera.

Example : He was proud to share his latest opus, a detailed and compelling novel that explored the depths of human emotion.
Bangla Meaning: তিনি তাঁর সর্বশেষ শিল্পকর্মটি নিয়ে গর্বিত ছিলেন, একটি বিস্তারিত এবং আকর্ষণীয় উপন্যাস যা মানব অনুভূতির গভীরতাগুলো অন্বেষণ করেছে।

Source: 
1. Collins Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৪৭.
সুনামির ফলে কোন দুর্যোগটি হতে পারে?
  1. মৃত্তিকা ক্ষয়
  2. ভূমিকম্প
  3. জলোচ্ছ্বাস
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ (Disaster):
- দুর্যোগ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ Disaster.
- এটি গ্রিক শব্দ Dis এবং Aster এর সমন্বয়ে গঠিত। Dis অর্থ মন্দ বা খারাপ এবং Aster অর্থ তারা।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদগণ মনে করতেন, আকাশে কোনো তারা খারাপ অবস্থানে থাকলে খারাপ ঘটনা ঘটবে। সুতরাং উৎপত্তিগতভাবে দুর্যোগ বলতে এমন একটি অবস্থা বুঝায় যা মানুষকে মন্দ বা অকল্যাণকর পরিস্থিতির সম্মুখীন করে।
- দুর্যোগ বলতে এমন একটি বিপর্যয়কে বুঝায় যা কোনো নির্দিষ্ট এলাকার জনগণের বেশিরভাগ মানুষকে বিপদাপন্ন করে তোলে এবং উক্ত জনগোষ্ঠির তা মোকাবেলা করার ক্ষমতা সাধ্যের বাইরে চলে যায় । এসব দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে মানুষকে অনেক মূল্য দিতে হয়।
- দুর্যোগ কখনো হঠাৎ সংঘটিত হয় আবার কখনোবা এক বা একাধিক ঘটনা ধীরে ধীরে দুর্যোগ সৃষ্টি করতে পারে।
- অনেক সময় একটি দুর্যোগ একাধিক দুর্যোগের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। যেমন- ভূমিকম্প থেকে সুনামি হতে পারে। আবার সুনামি থেকে জলোচ্ছ্বাস এবং জলোচ্ছ্বাস থেকে উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা হতে পারে।

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮.
কোনটি বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর?
  1. গ্রেট ফ্লোরিডা রিফ
  2. মেক্সিকো রিফ
  3. গ্রেট বেরিয়ার রিফ
  4. মেসো আমেরিকান ব্যারিয়ার রিফ
ব্যাখ্যা
গ্রেট বেরিয়ার রিফ:
- গ্রেট বেরিয়ার রিফ হলো বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর।
- এটি ২৯০০ এর বেশি একক রিফের সমন্বয়ে গঠিত।
- অস্ট্রেলিয়ার উপকূলীয় শহর কুইন্সল্যান্ডের কোরাল সাগরে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ প্রবাল প্রাচীর গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অবস্থিত।
- অস্ট্রেলিয়ায় কুইন্সল্যান্ডের সমুদ্রতটে গড়ে ওঠা এই প্রবাল প্রাচীরটি প্রায় ৩৪,৪৪,০০০ বর্গ কিলোমিটার স্থান জুড়ে অবস্থিত।
- অর্থাৎ 'গ্রেট বেরিয়ার রিফ' নামের প্রবাল প্রাচীরটি অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের তীর ঘেঁষে উত্থিত হয়েছে।
- UNESCO এটিকে ১৯৮১ সালে বিশ্ব হেরিটেজ সাইটেও অন্তর্ভুক্ত করে।

সূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
৪৯.
স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ কোনটি?
  1. ভিয়েতনামের ঘূর্ণিবাত বায়ু
  2. মিসরের খামসিন
  3. বাংলাদেশের মৌসুমি বায়ু
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• স্থানীয় বায়ু:
- স্থানীয় বায়ু: স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে যে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ।

• স্থানীয় বায়ুর ‍উদাহরণ:
- রকি পবর্তের চিনুক, ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল, আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু, আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরাক্কা, আরব মালভূমির সাইমুম, মিসরের খামসিন ও ভারতীয় উপমহাদেশের লু কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহারণ।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০.
"সংগঠন করার স্বাধীনতা" কোন ধরনের সাম্য?
  1. আইনগত সাম্য
  2. অর্থনৈতিক সাম্য
  3. রাজনৈতিক সাম্য
  4. সামাজিক সাম্য
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক সাম্য:
- রাজনৈতিক সাম্য প্রত্যেক নাগরিক রাষ্ট্র কর্তৃক নির্ধারিত কিছু সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকে।
- জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এই সব সুযোগ-সুবিধা লাভ করাই রাজনৈতিক সাম্য।
- সংগঠন করার স্বাধীনতা, নির্বাচনে অংশগ্রহণ এর সুবিধা ইত্যাদি রাজনৈতিক সাম্যের পর্যায়ে পড়ে।
- রাজনৈতিক সাম্য না থাকলে রাষ্ট্রে নেতৃত্বের সংকট তৈরি হবার সম্ভাবনা থাকে।
- প্রাপ্ত বয়স্ক সকল নাগরিকের রাজনৈতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছ।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১.
কোনটি অনুসরণ করলে উচ্চ মূল্যবোধের সৃষ্টি হয়?
  1. কর্তব্যপরায়ণতা
  2. সৌজন্যবোধ
  3. শৃঙ্খলা
  4. মানবিকতা
ব্যাখ্যা
• মূল্যবোধ:
- মূল্যবোধ একটি অর্জিত বিষয়, যা কোন সমাজে দীর্ঘ সময় বসবাসের মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তির মাঝে গড়ে ওঠে।
- শৃঙ্খলা মূল্যবোধের অপরিহার্য উপাদান।
- শৃঙ্খলা অনুসরণ করলে উচ্চ মূল্যবোধের সৃষ্টি হয়।

এছাড়াও মূল্যবোধের কিছু উপাদান -
• সহমর্মিতা: মূল্যবোধ ও সহমর্মিতা নিবিড়ভাবে জড়িত। সহমর্মিতা না থাকলে কেউ সামাজিক মূল্যবোধ সম্পন্ন হতে পারে না।

• সৌজন্যবোধ: ব্যক্তির আচার-আচরণের মধ্য দিয়েই তার মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। সৌজন্যবোধ তার একটি অংশ। আচার-ব্যবহার সৌজন্য, শালীনতা মূল্যবোধ থেকে সৃষ্টি হয়।

• মানবিকতা: মানবিকতা মানুষের শ্রেষ্ঠ গুণ। মানবিকতা না থাকলে তাকে মানুষ বলা যায় না; মূল্যবোধসম্পন্ন বলার তো প্রশ্নই আসে না। অর্থাৎ মূল্যবোধসম্পন্ন ব্যক্তি অবশ্যই মানবিক গুনাবলির অধিকারী হবে।

• শ্রমের মর্যাদা: শ্রমের মর্যাদা দেওয়া প্রত্যেকের কর্তব্য। এটি অনুশীলনের মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তির দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আসে। এর মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তি অন্য একজন ব্যক্তিকে সম্মান করতে শিখে।

সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (SSC Programme), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২.
কোনটি নাগরিকের প্রধান কর্তব্য?
  1. সেবামূলক কাজে অংশগ্রহণ করা
  2. রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা
  3. কর প্রদান করা
  4. রাজনীতি করা
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করা সকল নাগরিকের প্রধান কর্তব্য।
- রাষ্টের আদেশ ও নির্দেশ মেনে চলতে হবে।
- রাষ্টের অস্তিত্বের ওপর নাগরিকের অধিকার নির্ভরশীল।
- এজন্য রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা রক্ষার জন্য প্রত্যেক নাগরিককে চরম ত্যাগের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
- রাষ্টের বৃহত্তর স্বার্থের জন্য ব্যক্তির ক্ষুদ্র স্বার্থ বিসর্জন দিতে হবে।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
৫৩.
রনি পরীক্ষায় ৪০০ নাম্বারের মধ্যে ৩৪৪ নাম্বার পেয়েছে। রনির বড় ভাই মনি ৬০০ নাম্বারের মধ্যে ৫৮২ নাম্বার পেয়েছে। কে শতকরা বেশি নাম্বার পেয়েছে?
  1. রনি
  2. মনি
  3. দুইজনের শতকরা নাম্বার সমান
  4. নির্ণয় করা সম্ভব নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: রনি পরীক্ষায় ৪০০ নাম্বারের মধ্যে ৩৪৪ নাম্বার পেয়েছে। রনির বড় ভাই মনি ৬০০ নাম্বারের মধ্যে ৫৮২ নাম্বার পেয়েছে। কে শতকরা বেশি নাম্বার পেয়েছে?

সমাধান:
রনির শতকরা নাম্বার = (৩৪৪/৪০০) × ১০০ %
= (৩৪৪০০/৪০০)%
= (৩৪৪/৪)%
= ৮৬%

মনির শতকরা নাম্বার = (৫৮২/৬০০) × ১০০%
= (৫৮২০০/৬০০)%
= (৫৮২/৬)%
= ৯৭%

∴ মনির শতকরা নাম্বার বেশি।
৫৪.
x3 - 1/x3 = 4 হলে, x - 1/x এর মান কত?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x3 - 1/x3 = 4 হলে, x - 1/x এর মান কত?

সমাধান:
x3 - 1/x3 = 4
⇒ (x - 1/x)3 + 3.x.(1/x) (x - 1/x) = 4
⇒ a3 + 3a = 4     [ধরি, x - 1/x = a]
⇒ a3 + 3a - 4 = 0
⇒ a3 - a2 + a2 - a + 4a - 4 = 0
⇒ a2(a - 1) + a(a - 1) + 4(a - 1) = 0
⇒ (a - 1)(a2 + a + 4) = 0
হয়, a - 1 = 0 অথবা a2 + a + 4 = 0

a - 1 = 0 হতে পাই a = 1

a2 + a + 4 = 0 হতে পাই,
৫৫.
যদি ∠XYZ = এক সমকোণ হয়, তাহলে x =?
  1. 155°
  2. 145°
  3. 135°
  4. 125°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি ∠XYZ = এক সমকোণ হয়, তাহলে x =?

সমাধান:
55° + (180° - x) = 90°
⇒ 180° - x = 35°
⇒ x = 180° - 35°
∴ x = 145°
৫৬.
একটি সমান্তর ধারার ৮ম পদ ও ১২ তম যথাক্রমে 39 এবং 59 হলে, ধারাটির প্রথম পদ কত?
  1. 5
  2. 6
  3. 4
  4. 3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমান্তর ধারার ৮ম পদ ও ১২ তম যথাক্রমে 39 এবং 59 হলে, ধারাটির প্রথম পদ কত?

সমাধান:
৮ম পদ = a + 7d = 39 ........... (i)
১২ তম পদ = a + 11d = 59 ........... (ii)

(i) - (ii) হতে পাই,
a + 7d - a - 11d = 39 - 59
বা, 4d = 20
∴ d = 5

∴ a + 7 × 5 = 39
⇒ a = 39 - 35 = 4

∴ ধারাটির প্রথম পদ 4.
৫৭.
১ থেকে ৩০ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যা থেকে একটি সংখ্যা তোলা হলে তা ৩ অথবা ৭ এর গুণিতক হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. ১/২
  2. ২/৫
  3. ৭/১৫
  4. ১৩/৩০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যা থেকে একটি সংখ্যা তোলা হলে তা ৩ অথবা ৭ এর গুণিতক হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
১ থেকে ৩০ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার মাঝে ৩ এর গুণিতক = {৩, ৬, ৯, ১২, ১৫, ১৮, ২১, ২৪, ২৭, ৩০}
১ থেকে ৩০ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার মাঝে ৭ এর গুণিতক = {৭, ১৪, ২১, ২৮}

১ থেকে ৩০ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার মাঝে ৩ অথবা ৭ এর গুণিতক = {৩, ৬, ৭, ৯, ১২, ১৪, ১৫, ১৮, ২১, ২৪, ২৭, ২৮, ৩০} মোট ১৩টি
১ থেকে ৩০ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যা মোট ৩০টি

∴ ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যা থেকে একটি সংখ্যা তোলা হলে তা ৩ অথবা ৭ এর গুণিতক হওয়ার সম্ভাবনা ১৩/৩০
৫৮.
বার্ষিক শতকরা ৮ টাকা মুনাফায় কোন আসলের ৩ বছরের সরল মুনাফা, বার্ষিক শতকরা ১০ টাকা মুনাফায় ৪০০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মুনাফার অর্ধেকের সমান। সরল মুনাফায় বিনিয়োগকৃত আসলের পরিমাণ কত?
  1. ১৫৫০ টাকা
  2. ১৬৫০ টাকা
  3. ১৭৫০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বার্ষিক শতকরা ৮ টাকা মুনাফায় কোন আসলের ৩ বছরের সরল মুনাফা, বার্ষিক শতকরা ১০ টাকা মুনাফায় ৪০০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মুনাফার অর্ধেকের সমান। সরল মুনাফায় বিনিয়োগকৃত আসলের পরিমাণ কত?

সমাধান:
বার্ষিক শতকরা ১০ টাকা মুনাফায় ৪০০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মূলধন = ৪০০০(১ + ১০/১০) টাকা
= ৪০০০ × ১.১ × ১.১ টাকা
= ৪৮৪০ টাকা

∴ চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = ৪৮৪০ - ৪০০০ টাকা = ৮৪০ টাকা

ধরি,
সরল মুনাফায় বিনিয়োগকৃত আসলের পরিমাণ P টাকা
মুনাফা, I = ৮৪০/২ টাকা = ৪২০ টাকা
সময় n = ৩ বছর
হার, r = ৮% = ৮/১০০

∴ P = I/(nr)
= (৪২০ × ১০০)/(৩ × ৮)
= ১৭৫০ টাকা
৫৯.
2x2 + 5x + 3 এর উৎপাদকে বিশ্লেষণ নিচের কোনটি?
  1. (2x + 3)(x + 1)
  2. (2x - 3)(x + 1)
  3. (x + 3)(2x + 1)
  4. (2x + 1)(x - 3)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 2x2 + 5x + 3 এর উৎপাদকে বিশ্লেষণ নিচের কোনটি?

সমাধান:
2x2 + 5x + 3
= 2x2 + 2x + 3x + 3
= 2x(x + 1) + 3(x + 1)
= (x + 1)(2x + 3)
৬০.
একটি আয়তাকার মাঠের দৈর্ঘ্য ৫০ মিটার ও প্রস্থ ৪০ মিটার। মাঠের ভিতরে চারপাশে ৭.৫ মিটার চওড়া একটি গ্যালারি আছে। গ্যালারির প্রতি ১.৫ বর্গমিটার জায়গায় একটি চেয়ার বসানো গেলে, উক্ত গ্যালারিতে কয়টি চেয়ার বসানো যাবে?
  1. ৭০০টি
  2. ৭৫০টি
  3. ৮০০টি
  4. ৮৫০টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তাকার মাঠের দৈর্ঘ্য ৫০ মিটার ও প্রস্থ ৪০ মিটার। মাঠের ভিতরে চারপাশে ৭.৫ মিটার চওড়া একটি গ্যালারি আছে। গ্যালারির প্রতি ১.৫ বর্গমিটার জায়গায় একটি চেয়ার বসানো গেলে, উক্ত গ্যালারিতে কয়টি চেয়ার বসানো যাবে? 

সমাধান:
মাঠের ক্ষেত্রফল = (৫০ × ৪০) = ২০০০ বর্গমিটার
গ্যালারি বাদে মাঠের দৈর্ঘ্য = ৫০ - (২ × ৭.৫) = ৩৫ মিটার
গ্যালারি বাদে মাঠের প্রস্থ = ৪০ - (২ × ৭.৫) = ২৫ মিটার

গ্যালারি বাদে মাঠের ক্ষেত্রফল = (৩৫ × ২৫) = ৮৭৫ বর্গমিটার
গ্যালারির ক্ষেত্রফল =(২০০০ - ৮৭৫) = ১১২৫ বর্গমিটার

∴ মোট চেয়ার বসানো যাবে = ১১২৫/১.৫ টি
= ৭৫০টি
৬১.
  1. 0
  2. 1
  3. xa - b - c
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:

সমাধান:
৬২.
যদি A = {x : x হলো স্বাভাবিক সংখ্যা এবং 18 এর গুণনীয়ক} এবং B = {x : x হলো 6 অপেক্ষা ছোট স্বাভাবিক সংখ্যা} হয়, তাহলে A ∩ B নিচের কোনটি?
  1. { }
  2. {1, 2, 3}
  3. {1, 2, 3, 4, 5} 
  4. {1, 2, 3, 4, 5, 6, 9, 18} 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি A = {x : x হলো স্বাভাবিক সংখ্যা এবং 18 এর গুণনীয়ক} এবং B = {x : x হলো 6 অপেক্ষা ছোট স্বাভাবিক সংখ্যা} হয়, তাহলে A ∩ B নিচের কোনটি?
 
সমাধান:
এখানে,
A = {1, 2, 3, 6, 9, 18} 
B = {1, 2, 3, 4, 5} 

তাহলে,
A ∩ B = {1, 2, 3, 6, 9, 18} ∩ {1, 2, 3, 4, 5}
= {1, 2, 3}
৬৩.
একজন লোক তার ভ্রমণের মোট রাস্তার ৫০% যায় ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে এবং ভ্রমণের বাকি রাস্তা যায় ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার বেগে। সম্পূর্ণ ভ্রমণে লোকটির গড় গতিবেগ কত ছিল?
  1. ৪২ কিলোমিটার/ঘণ্টা
  2. ৪৪ কিলোমিটার/ঘণ্টা
  3. ৪৬ কিলোমিটার/ঘণ্টা
  4. ৪৮ কিলোমিটার/ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন লোক তার ভ্রমণের মোট রাস্তার ৫০% যায় ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে এবং ভ্রমণের বাকি রাস্তা যায় ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার বেগে। সম্পূর্ণ ভ্রমণে লোকটির গড় গতিবেগ কত ছিল?

সমাধান:
ধরি,
রাস্তার মোট দূরত্ব ১০০ক কিলোমিটার
মোট রাস্তার ৫০% ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে যেতে সময় = ৫০ক/৬০ = ৫ক/৬ ঘণ্টা
বাকি ৫০% রাস্তা ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার বেগে যেতে সময় = ৫০ক/৪০ = ৫ক/৪ ঘণ্টা

গড় গতিবেগ = মোট দূরত্ব/ মোট সময়
= ১০০ক/(৫ক/৬ + ৫ক/৪)
= ১০০ক/{(১০ক + ১৫ক)/১২}
= (১০০ক × ১২)/(২৫ক)
= (১২০০ক)/(২৫ক)
= ১২০০/২৫
= ৪৮ কিলোমিটার/ঘণ্টা
৬৪.
যদি y = 5x2 - 2x এবং x = 3 হয়, তাহলে y =?
  1. 24
  2. 27
  3. 39
  4. 51
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি y = 5x2 - 2x এবং x = 3 হয়, তাহলে y =?

সমাধান:
x = 3

y = 5x2 - 2x
= 5 × 32 - 2 × 3
= 5 × 9 - 6
= 45 - 6
= 39
৬৫.
একটি বেলনের ভূমির ব্যাস 8 সে.মি., বেলনের আয়তন 160π ঘন সে. মি. হলে, বেলনের উচ্চতা কত?
  1. 10 সে.মি.
  2. 12 সে.মি.
  3. 14 সে.মি.
  4. 13 সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বেলনের ভূমির ব্যাস 8 সে.মি., বেলনের আয়তন 160π ঘন সে. মি. হলে, বেলনের উচ্চতা কত?

সমাধান:
বেলনের উচ্চতা = h সে.মি.
বেলনের ভূমির ব্যাস 8 সে.মি
বেলনের ভূমির ব্যাসার্ধ r = 4 সে.মি.

বেলনের আয়তন = πr2h
⇒ π × 42 × h = 160π
⇒ 16h = 160
∴ h = 10
৬৬.
  1. 0
  2. 1
  3. 2
  4. abc
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:

সমাধান:
৬৭.
১২, ৭, ৮, ১৪, ২১, ২৩, ২৭, ৭, ১১ সংখ্যাগুলোর প্রচূরক ও মধ্যক যথাক্রমে-
  1. ১৯, ৯
  2. ৭, ৯
  3. ৭, ১২
  4. ১১, ৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১২, ৭, ৮, ১৪, ২১, ২৩, ২৭, ৭, ১১ সংখ্যাগুলোর প্রচূরক ও মধ্যক যথাক্রমে-

সমাধান:
প্রচূরক = সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত উপাত্ত = ৭ যা দুইবার রয়েছে।

উপাত্তগুলোকে মানের উর্ধ্বক্রমে সাজিয়ে পাই: ৭, ৭, ৮, ১১, ১২, ১৪, ২১, ২৩, ২৭
এখানে উপাত্তের সংখ্যা n = ৯, যা একটি বিজোড় সংখ্যা
∴ মধ্যক হবে (৯ + ১)/২ = ৫ম পদ 
 
∴ ৫ম পদ হলো ১২
৬৮.
1. Abandon 2. Actuate 3. Accumulate 4. Acquit 5. Achieve
শব্দগুলোর মধ্যে ইংরেজি অভিধানে কোনটি ২য় অবস্থানে বসবে?
  1. Achieve
  2. Accumulate
  3. Actuate
  4. Acquit
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 1. Abandon 2. Actuate 3. Accumulate 4. Acquit 5. Achieve
শব্দগুলোর মধ্যে ইংরেজি অভিধানে কোনটি ২য় অবস্থানে বসবে?

সমাধান:
1. Abandon 2. Actuate 3. Accumulate 4. Acquit 5. Achieve
শব্দগুলোকে ইংরেজি অভিধান অনুসারে সাজিয়ে পাই,
Abandon
Accumulate
Achieve
Acquit
Actuate

∴ ২য় অবস্থানে Accumulate বসবে।
৬৯.
আয়নায় ৭ : ২৫ বাজতে দেখা গেলে তখন প্রকৃতপক্ষে সময় কত?
  1. ৭ : ২৫
  2. ৮ : ৪৫
  3. ৫ : ১৫
  4. ৪ : ৩৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আয়নায় ৭ : ২৫ বাজতে দেখা গেলে তখন প্রকৃতপক্ষে সময় কত?

সমাধান: 
প্রকৃতপক্ষে সময় = ১১ : ৬০ - আয়নায় দেখানো সময় 
= ১১ : ৬০ - ৭ : ২৫
= ৪ : ৩৫
৭০.
একটি খেলার মাঠের O বিন্দু থেকে শুরু করে একজন উত্তরদিকে ১০ গজ হেঁটে, তারপর ৬ গজ পূর্বে গিয়ে, এবং এরপর ২ গজ দক্ষিণে গিয়ে P বিন্দুতে পৌঁছায়। O থেকে P বিন্দু কত গজ দূরে অবস্থিত?
  1. ১০ গজ
  2. ১২ গজ
  3. ১৪ গজ
  4. ১৬ গজ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি খেলার মাঠের O বিন্দু থেকে শুরু করে একজন উত্তরদিকে ১০ গজ হেঁটে, তারপর ৬ গজ পূর্বে গিয়ে, এবং এরপর ২ গজ দক্ষিণে গিয়ে P বিন্দুতে পৌঁছায়। O থেকে P বিন্দু কত গজ দূরে অবস্থিত?

সমাধান:

OP = √(৮ + ৬) গজ
= √(৬৪ + ৩৬) গজ
= √১০০ গজ
= ১০ গজ
৭১.
0, 1, 4, 15, ?, 325, 1956
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?
  1. 60
  2. 64
  3. 75
  4. 80
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 0, 1, 4, 15, ?, 325, 1956
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?

সমাধান:
0
0 × 1 + 1 = 1
1 × 2 + 2 = 4
4 × 3 + 3 = 15
15 × 4 + 4 = 64
64 × 5 + 5 = 325
325 × 6 + 6 = 1956
৭২.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ নয়?
  1. accommodation
  2. alloted
  3. accuracy
  4. accessory
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ নয়?

সমাধান:
accommodation ⇒ বাসস্থান
alloted বানানটি ভুল। শুদ্ধ বানান হলোঃ allotted ⇒ বরাদ্দ
accuracy ⇒ নির্ভুলতা
accessory ⇒ আনুষঙ্গিক
৭৩.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?
  1. 14
  2. 21
  3. 28
  4. 7
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?

সমাধান:
১ম চিত্রে,
14/7 = 2
42/7 = 6
35/7 = 5
2 + 6 + 5 = 13

২য় চিত্রে,
21/7 = 3
49/7 = 7
84/7 = 12
3 + 7 + 12 = 22

৩য় চিত্রে,
56/7 = 8
63/7 = 9
28/7 = 4 
8 + 9 + 4 = 21
৭৪.
X শীটটিকে ভাঁজ করলে কোন বাক্সটি পাওয়া যাবে?
  1. 1
  2. 2
  3. 1 এবং 3
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: X শীটটিকে ভাঁজ করলে কোন বাক্সটি পাওয়া যাবে?

সমাধান:
F এর বিপরীত পাশে থাকবে B।
E এর বিপরীত পাশে থাকবে C।
A এর বিপরীত পাশে থাকবে D।

F এর বিপরীত পাশে থাকবে B। তাই 1 নং বাক্স তৈরি হবে না।
E এর বিপরীত পাশে থাকবে C। তাই 3 নং বাক্স তৈরি হবে না।
A এর বিপরীত পাশে থাকবে D। তাই 4 নং বাক্স তৈরি হবে না।

তাছাড়া F এর পাশাপাশি E, A, C, D থাকবে। তাই 2 নং বাক্স তৈরি হবে।
৭৫.
যদি '+' দ্বারা গুণ, '÷' দ্বারা বিয়োগ, '-' দ্বারা যোগ, '×' দ্বারা ভাগ বুঝায় তাহলে ৫৫ × ৫ + ২ - ৯ ÷ ৬ রাশিমালার মান কত?
  1. ২১
  2. ২৫
  3. ৪৫
  4. ৬০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি '+' দ্বারা গুণ, '÷' দ্বারা বিয়োগ, '-' দ্বারা যোগ, '×' দ্বারা ভাগ বুঝায় তাহলে ৫৫ × ৫ + ২ - ৯ ÷ ৬ রাশিমালার মান কত?

সমাধান: 
৫৫ × ৫ + ২ - ৯ ÷ ৬ কে লিখতে হবে,
৫৫ ÷ ৫ × ২ + ৯ - ৬ 
= ১১ × ২ + ৯ - ৬
= ২২ + ৯ - ৬
= ৩১ - ৬
= ২৫
৭৬.
UNIVERSITY শব্দটি মোট কত উপায়ে সাজানো যায়?
  1. 10!/2!
  2. 10!
  3. 10!/(2! × 2!)
  4. 100
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: UNIVERSITY শব্দটি মোট কত উপায়ে সাজানো যায়?

সমাধান:
UNIVERSITY শব্দটিতে মোট বর্ণ আছে 10টি
I বর্ণটি আছে 2 বার।

∴ মোট সাজানোর উপায় = 10!/2!
৭৭.
প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে কোনটি ব্যাখ্যা করা যায় না?
  1. ব্যতিচার
  2. অপবর্তন
  3. সমবর্তন
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব: 
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রস্তাবনা করেন। 
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোন উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেড়িয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেজ আকারে বের হয়। 
- প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রং এর আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে। 
- এই সর্ব নিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন। 
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা দেন। 
- এই তত্ত্বের সাহায্যে কৃষ্ণবস্তু বিকিরণ, ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করা যায়। 
- কিন্তু আলোর বিচ্ছুরণ, ব্যতিচার, অপবর্তন, সমবর্তন ব্যাখ্যা করা যায় না। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৮.
মশা ও আরশোলা নিধনে ব্যবহৃত অ্যারোসলের গন্ধ কোন প্রক্রিয়ায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে? 
  1. ব্যাপন
  2. পাতন
  3. অভিস্রবণ
  4. নিঃসরণ
ব্যাখ্যা
ব্যাপন: 
- অসম ঘনত্ব বিশিষ্ট একটি গ্যাস বা তরল অপর গ্যাস বা তরলের মধ্যে স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফুর্তভাবে অণু প্রবেশকে ব্যাপন বলে। 
- ঘরের মশা, আরশোলা, পিঁপড়া মারার ক্ষেত্রে যে অ্যারোসল ব্যবহার করা হয় তা ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। 
- প্রতিটি ক্ষেত্রে উচ্চ ঘনত্বের অঞ্চল থেকে নিম্ন ঘনত্বের অঞ্চলে উপাদানের পরিব্যাপ্তি ঘটেছে। 
- রাতের বেলা ঘরের কোনে হাসনাহেনা ফুল ফুটলে তার সুবাসও ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় যে গ্যাসের আণবিক ভর যত বেশি তার ব্যাপনের হার তত কম। আর যে গ্যাসের আণবিক ভর যত কম তার ব্যাপনের হার তত অধিক। 

নিঃসরণ: 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাহ্যিক চাপের প্রভাবে পাত্রের সূক্ষ্ম ছিদ্রপথ দিয়ে কোনো উপাদানের উচ্চ চাপ অঞ্চল থেকে নিম্ন চাপ অঞ্চলে একমুখী বের হওয়ার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলা হয়। 
যেমন: রিক্সার চাকা থেকে বাতাস বের হয়ে যাওয়া, গ্যাসের পাইপের ছিদ্র দিয়ে গ্যাস বের হয়ে যাওয়া ইত্যাদি হলো নিঃসরণ। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯.
প্রোটিয়ামের নিউট্রন সংখ্যা কত? 
  1. শূন্য
  2. এক
  3. দুই
  4. তিন
ব্যাখ্যা
- হাইড্রোজেনের আইসোটোপ প্রোটিয়ামের নিউট্রন সংখ্যা শূন্য। 

আইসোেটাপ (Isotope): 
- যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে। 
- নিচের টেবিলে দেখানো তিনটি পরমাণুরই প্রোটন সংখ্যা সমান। 
- কাজেই তারা একে অপরের আইসোটোপ। 
- হাইড্রোজেনের সাতটি আইসোটোপ (1H, 2H, 3H, 4H, 5H, 6H এবং 7H) আছে। 
- এর মধ্যে শুধু তিনটি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, অন্যগুলোকে ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা হয়। 


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৮০.
কোনো পরিবাহীর রোধ নির্ভর করে তার-
  1. উপাদানের উপর
  2. তাপমাত্রার উপর
  3. প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
রোধ: 
- পরিবাহীর যে ধর্মের কারণে এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হয় তাকে রোধ বলে। 
- বর্তনীতে দুই প্রকার রোধ ব্যবহার করা হয়। 
যথা- 
১. স্থির রোধ: 
- যে সকল রোধের মান নির্দিষ্ট অর্থাৎ মানের পরিবর্তন করা যায় না তাদেরকে স্থির রোধ বলে। 

২. পরিবর্তনশীল রোধ: 
- যে সকল রোধের মান প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন করা যায় তাদেরকে পরিবর্তনশীল রোধ বলে। 
- বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ পরিবর্তন এবং বিভব পরিবর্তনের জন্য পরিবর্তনশীল রোধের প্রয়োজন পড়ে। 

রোধের নির্ভরশীলতা: 
- কোনো পরিবাহীর রোধ এর তাপমাত্রা, উপাদান, দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে। 
- স্থির তাপমাত্রায় ও একই উপাদানে কোনো পরিবাহীর রোধ এর দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১.
URL এর কোন অংশটি ওয়েব ব্রাউজারকে নির্দিষ্ট HTML ফাইল প্রদর্শন করতে নির্দেশ করে?
  1. ওয়েব প্রোটোকল
  2. ওয়েব সার্ভারের নাম
  3. ডিরেক্টরি বা ফোল্ডারের নাম
  4. HTML ফাইলের নাম
ব্যাখ্যা
[একটি সাধারণ URL এর গঠন: http://www.example.com/folder/page.html
এখানে, http:// হলো ওয়েব প্রোটোকল, www.example.com হলো ওয়েব সার্ভারের নাম, folder হলো ডিরেক্টরি/ফোল্ডারের নাম, page.html হলো HTML ফাইলের নাম।
URL এর শেষ অংশে থাকা HTML ফাইলের নামটি (page.html) ওয়েব ব্রাউজারকে নির্দিষ্ট করে দেয় কোন ফাইলটি প্রদর্শন করতে হবে। অন্যান্য অংশগুলি শুধু ফাইলের অবস্থান নির্দেশ করে।]

• ইউআরএল (URL):

- কোনো ওয়েবপেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়। URL (Uniform/ Universal Resource Locator) হলো ওয়েবসাইটের একক ঠিকানা।

• প্রতিটি URL এ থাকে:
১. ওয়েব প্রোটোকল,
২. ওয়েব সার্ভারের নাম,
৩. সার্ভারের ডিরেক্টরি/ফোল্ডারের নাম/ পাথ,
৪. HTML ফাইলের নাম।

১. ওয়েব প্রোটোকল:
- HTTP (Hypertext Transfer Protocol) প্রটোকল হলো তথ্য বিনিময়ের যোগাযোগের নিয়ম যা ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েব সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করার অনুমতি দেয়।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।
২. ওয়েব সার্ভার:
- সুনির্দিষ্ট একটি কম্পিউটার যেটিতে এ ওয়েবসাইটটি আছে।
৩. সার্ভারের ডিরেক্টরি/ফোল্ডার নাম/ পাথ:
- সার্ভারের মধ্যে ওয়েবপেজগুলো যে ডিরেক্টরিতে আছে ওয়েব ব্রাউজার এ ডিরেক্টরি থেকে কাঙ্ক্ষিত ফাইল খোলে প্রদর্শন করে।
৪. HTML ফাইল নাম:
- html ফাইল হলো নির্দিষ্ট কোনো পেইজ।
- .html হলো ফাইলটির এক্সটেনশন।
- ব্রাউজারকে নির্দিষ্ট করে যে ফাইলটি তা হলো html.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮২.
নিচের কোনটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের একটি প্রধান শাখা?
  1. ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট
  2. মেশিন লার্নিং
  3. ওয়েব ডিজাইন
  4. সাইবার সিকিউরিটি
ব্যাখ্যা
• মেশিন লার্নিং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের একটি প্রধান শাখা।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence - AI):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
- ১৯৫৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের MIT এর John McCarthy সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন।
- তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জনক হিসেবে কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যালান টুরিং-কেও ধরে নেয়া হয়। কারন ১৯৫০ সালে তাঁর করা টুরিং টেস্ট আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভিত্তি স্থাপন করে।
- তবে অনন্য প্রতিভাবান অ্যালান টুরিং পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবেই বেশি সমাদৃত। আর কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন ম্যাকার্থীকেই অধিকাংশের মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে ধরে নেয়া হয়।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, আলিম শ্রেণি।
৮৩.
GNU সংস্থা কীভাবে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমকে একটি পূর্ণাঙ্গ অপারেটিং সিস্টেমে পরিণত করেছে?
  1. লিনাক্সে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষা যোগ করে
  2. বিভিন্ন শেল, উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট এবং ইউটিলিটি যোগ করে
  3. ইন্টারনেট সাপোর্ট সার্ভিস প্রদান করে
  4. বিভিন্ন গেম এবং মাল্টিমিডিয়া ফিচার যোগ করে
ব্যাখ্যা
• লিনাক্স (LINUX):
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম.
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের লিনাস টরভোল্ডাস (Linus Torvalds) লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- GNU নামের একটি সংস্থা এর সাথে বিভিন্ন শেল, উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট ও ইউটিলিটি যোগ করে একে পুরোপুরি একটি অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।

• লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের অন্যতম সুবিধাসমূহ হলো:
- লিনাক্স বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- লিনাক্স ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- ইন্টারনেট হতে সহজেই লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ডাউনলোড করা যায়।
- নেটওয়ার্ক সাপোর্ট সার্ভিস উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় অধিকতর শক্তিশালী।
- এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী ।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা যায় ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৪.
চুম্বকীয় কালি দিয়ে লেখা অক্ষর পড়ার প্রযুক্তি কোনটি?
  1. স্ক্যানার
  2. এমআইসিআর
  3. ওয়েবক্যাম
  4. প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
• MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।
- MICR হলো চুম্বকীয় কালি দিয়ে লেখা অক্ষর পড়ার প্রযুক্তি, MICR রিডার এই চুম্বকীয় কালি দিয়ে লেখা অক্ষর বা সংখ্যা পড়তে ব্যবহৃত হয়।

• অন্য যন্ত্রগুলির ব্যবহার:
- স্ক্যানার: কাগজের ডকুমেন্ট ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য।
- ওয়েবক্যাম: ভিডিও ক্যাপচার করার জন্য।
- প্রিন্টার: ডিজিটাল ডকুমেন্ট প্রিন্ট করার জন্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮৫.
নিচের কোনটি কম্পিউটার এন্টিভাইরাস নয়?
  1. অ্যাভাস্ট
  2. এভিজি
  3. কোবরা
  4. ভিবিএস
ব্যাখ্যা
• ভিবিএস হলো একটি কম্পিউটার ভাইরাস।

• এন্টিভাইরাস:
- এন্টিভাইরাস বলতে সাধারণভাবে কম্পিউটারের ভাইরাস রোধ করার জন্য ব্যবহৃত একধরনের প্রোগ্রামকে বোঝায় যা কম্পিউটারের সংরক্ষণ এলাকা বা হার্ডডিস্ক বা যে কোন রিমুভেবল ডিস্ক হতে ভাইরাস সনাক্তকরণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার করতে পারে।
- এন্টিভাইরাস হলো সেই সফটওয়্যার যা ম্যালওয়‍্যারের সাথে সম্পৃক্ত সফটওয়‍্যারকে কম্পিউটারে অনুপ্রবেশে বাধা প্রদান করে।
- এন্টিভাইরাস সফটওয়‍্যার ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের এবং সাথে সাথে মূল্যবান ডাটার দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষার ব্যবস্থা করে থাকে।
- একজন সতর্ক কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরও এন্টিভাইরাস প্রোগাম ব্যবহারের প্রয়োজন আছে।
- ব্রাউজারের দুর্বলতা, প্লাগইনস, বিভিন্ন প্রকার লেনদেনে এবং অপারেটিং সিস্টেম প্রভৃতির জন্য এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার থাকা প্রয়োজন।
- আবার ব্যবহারকারী যদি অনলাইনে লেনদেন করেন তাহলে তার পিসিতে এন্টিভাইরাস থাকা অবশ্যই প্রয়োজন, এখন অনেক এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার লেনদেনের সিকিউরিটি দিয়ে থাকে।

• কয়েকটি এন্টিভাইরাস প্রোগ্রামের নাম নিচে দেয়া হলো:
- কাসপারস্কি,
- ম্যাকফি,
- নরটন,
- পিসিসিলিন,
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- ই-সেট,
- ই-স্ক্যান,
- কোবরা ইত্যাদি।

উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
৮৬.
মাদারবোর্ড সম্পর্কে কোন বিবৃতিটি সঠিক?
  1. এটি সফটওয়্যার সংরক্ষণ করে
  2. এটি কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড হিসেবে কাজ করে
  3. এটি কম্পিউটারের ভলিউম নিয়ন্ত্রণ করে
  4. এটি ইন্টারনেট সংযোগ তৈরি করে
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হলো একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭.
অ্যাসকি কোড কত বিটের কোড?
  1. ৪ বিট
  2. ৭ বিট
  3. ৮ বিট
  4. ৩ বিট
ব্যাখ্যা
• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

• 'A' এর ASCII code = 65.
• 'B' এর ASCII code = 66.
• 'C' এর ASCII code = 67.
• 'a' এর ASCII code = 97.
• 'b' এর ASCII code = 98.
• 'c' এর ASCII code = 99.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮.
মোবাইল ফোন যে পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন করে-
  1. ফুল-ডুপ্লেক্স
  2. সিমপ্লেক্স
  3. হাফ-ডুপ্লেক্স
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডেটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় উৎস থেকে গন্তব্যে ডেটা পাঠানো হয়। উৎস থেকে গন্তব্যে ডেটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহের দিককে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex),
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)।

• ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex):
- ফুল-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
- যেকোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডেটা প্রেরণ করার সময় ডেটা গ্রহণ অথবা ডেটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে।
- উদাহরণ: টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮৯.
কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়?
  1. GPRS
  2. EDGE
  3. WAP
  4. All above
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ইন্টারনেট:
- GPRS, EDGE, WAP ইত্যাদি প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
- মোবাইল ফোনেই ই-মেইল আদান-প্রদান, ওয়েব ব্রাউজিং, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং, টিভি দেখাসহ বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি এক নিমিষেই পাওয়া সম্ভব।

• মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা:
- সাশ্রয়ী বিভিন্ন ইন্টারনেট সার্ভিস নিয়ে ইচ্ছে অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
- কভারেজের আওতাভুক্ত যেকোনো স্থান থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
- সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকা যায়।
- যেকোনো স্থান থেকে ই-মেইল চেক ও প্রেরণ করা যায়।
- দূরে অবস্থানরত বন্ধু-বান্ধবদের সাথে চ্যাটিং করা যায়।
- বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে মোবাইলে ভয়েস কল করা যায়।
- থ্রিজি প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও কল করা যায়।
- স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে টেলিভিশন দেখা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোন অঙ্গরাজ্যের ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. নিউ ইয়র্ক
  2. টেক্সাস
  3. ওয়াশিংটন ডিসি
  4. ক্যালিফোর্নিয়া
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

কংগ্রেস:

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আইন সভার নাম কংগ্রেস।
- আইন প্রণয়ন করাই এর প্রধান কাজ।
- কংগ্রেস একটি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইন সভা।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' (The House of Representative) এবং উচ্চকক্ষ 'সিনেট' (The Senate) নামে পরিচিত।

⇒ নিম্নকক্ষ:
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' নামে পরিচিত।
• আসন সংখ্যা - ৪৩৫টি।
• মেয়াদ - ২বছর।
• 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর হতে হবে।

⇒ উচ্চকক্ষ:
- কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ 'সিনেট' নামে পরিচিত।
• আসন সংখ্যা - ১০০টি।
• মেয়াদ - ৬ বছর।
• 'সিনেট' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ৩০ বছর হতে হবে।

'ইলেক্টোরাল কলেজ’ পদ্ধতি:
- ‘কলেজ’ শব্দটির অর্থ এখানে সেই ব্যক্তিদের বোঝানো হয়, যারা একটি অঙ্গরাজ্যের ভোট দেওয়ার অধিকারী। ইলেকটোরাল কলেজ হচ্ছে কর্মকর্তাদের একটি প্যানেল, যাদের ইলেকটরস বলা হয়। প্রতি চার বছর পর পর এটি গঠন করা হয়। তারাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্টকে বাছাই করেন। ইলেকটোরাল কলেজ পদ্ধতি অনুযায়ী যেসব রাজ্যে জনসংখ্যা বেশি, সেসব রাজ্যে ইলেকটোরাল ভোটও বেশি। এই প্রথা শুধু প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্যই ব্যবহৃত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের অন্য সব নির্বাচনে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয় সরাসরি মানুষের ভোটেই।

নির্বাচন পদ্ধতি:
- ‘ইলেক্টোরাল কলেজ’ পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই পদ্ধতিতে ভোটাররা সরাসরি প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অংশগ্রহণ করেন না।
- নির্বাচনের ফলাফল ভোটারদের দেওয়া ভোটে সরাসরি নির্ধারিত হয় না। জাতীয় স্তরের নির্বাচনি লড়াইয়ের বদলে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হবে একেকটি অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনি লড়াইয়ের মাধ্যমে।
- যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের একটিতে জয়ী হওয়ার অর্থ একজন প্রার্থী সেই অঙ্গরাজ্যের সবকটি ‘ইলেক্টোরাল কলেজ’ ভোট পেয়ে যাবেন।
- ইলেকটোরাল কলেজের মোট ভোটের সংখ্যা ৫৩৮টি।
- মাইন ও নেব্রাসকা এই দুটো অঙ্গরাজ্য বাদে বাকি সবগুলো রাজ্যের ইলেকটোরাল ভোট যোগ দিলে যে প্রার্থী ২৭০টি বা তারও বেশি ভোট পাবেন তিনিই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন।
- প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের বেশ কয়েকটি করে ইলেক্টোরাল ভোট থাকে, যা ওই অঙ্গরাজ্যের জনসংখ্যার মোটামুটিভাবে সমানুপাতিক হয়।
- ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে সর্বাধিক ৫৪টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- সংখ্যা গরিষ্ঠ ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট পেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তথ্যসূত্র - যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।
৯১.
'সাদা হাতির' দেশ কোনটি?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. থাইল্যান্ড
  3. মেক্সিকো
  4. দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
⇒ থাইল্যান্ডকে সাদা হাতির দেশ বলা হয়।
- দেশটিতে ব্যাপক সংখ্যায় সাদা হাতি রয়েছে। থাইল্যান্ডের বাইরে এ প্রজাতির হাতি খুব কমই দেখা যায়। তবে এ অঞ্চলে জনগোষ্ঠী সাদা হাতিকে ভাগ্যের প্রতীক বলে মনে করা হয়।

থাইল্যান্ড:
- ‘থাই’ শব্দের একটি অর্থ ‘মুক্ত’।
- 'থাইল্যান্ড' শব্দের অর্থ মুক্ত ভূমি।
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ।
- আয়তন: ১৯৮,১১৭ বর্গ মাইল।
- রাজধানী: ব্যাংকক।
- জনসংখ্যা প্রধানত থাই, উল্লেখযোগ্য চীনা, খেমার এবং মালয় সংখ্যালঘু।
- ভাষা: থাই (সরকারি)।
- ধর্ম: বৌদ্ধ ধর্ম; এছাড়াও ইসলাম।
- মুদ্রা: বাথ।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম:
- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৯২.
কোন দুইটি দেশের মধ্যে ‘শাত-ইল-আরব’ জলপথ নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে?
  1. যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. আর্জেন্টিনা ও চিলি
  3. কাজাকিস্তান ও রাশিয়া
  4. ইরাক ও ইরান
ব্যাখ্যা
শাত-ইল-আরব:
- ‘শাত-ইল-আরব’ জলপথের অবস্থান পারস্য উপসাগরে।
- এর মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে ইরাক ও ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইরাকের মধ্যে যুদ্ধ হলেছিল।
- তাঁর আগে, শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
৯৩.
পর্যটকদের সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক কোড চালু করেছে কোন সংস্থা?
  1. UNEP
  2. UNFCCC
  3. UNWTO
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
UNWTO:
- জাতিসংঘের পর্যটন সংস্থা UNWTO.
- UNWTO এর পূর্ণরূপ - United Nations World Tourism Organization.
- পর্যটকদের সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক কোড চালু করেছে UNWTO।
- বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হয়- ২৭ সেপ্টেম্বর।
- UNWTO আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৪৬ সালে।
- এর সদর দপ্তর মাদ্রিদ, স্পেন।
- জাতিসংঘের বিশেষ সংস্থার মর্যাদা লাভ করে- ২০০৩ সালে।
- বর্তমান সদস্য- ১৬০ টি। (নভেম্বর, ২০২৪)

উল্লেখ্য,
- UNEP - জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি।
- UNFCCC - জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন।

তথ্যসূত্র - UNWTO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯৪.
ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার অফিসিয়াল ভাষা নয় কোনটি?
  1. আরবি
  2. ইংরেজি
  3. জার্মান
  4. ফ্রেঞ্চ
ব্যাখ্যা
• জার্মান ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার অফিসিয়াল ভাষা নয়।

OIC:
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC.
- OIC (The Organisation of Islamic Cooperation) হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি। (নভেম্বর, ২০২৪)
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC সদস্য।
- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে।
- OIC এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- OIC এর বর্তমান মহাসচিব, হুসাইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)। (নভেম্বর, ২০২৪)
- মহাসচিবের মেয়াদ-৫ বছর।
- অফিসিয়াল ভাষা- তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ)।

তথ্যসূত্র - OIC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯৫.
সম্প্রতি শত্রু সেনাদের গোপন আশ্রয়স্থল পুড়িয়ে দিতে ‘ড্রাগন ড্রোন’ ব্যবহার করছে কোন দেশ? (নভেম্বর, ২০২৪)
  1. রাশিয়া
  2. ইরান
  3. ইউক্রেন
  4. ইসরায়েল
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ড্রাগন ড্রোন:

- ড্রোনের সঙ্গে থার্মাইট ব্যবহার করে ‘ড্রাগন ড্রোন’ তৈরি করা হয়েছে।
- এ ড্রোন তুলনামূলকভাবে কম উচ্চতায় উড়ে ও আগুনের বৃষ্টি ঝরায়।
- গলিত লোহা যখন ড্রোন থেকে পড়তে থাকে, তখন একে মনে হয় পৌরাণিক কাহিনীর ড্রাগনের মতো মুখ দিয়ে আগুন ঝরাচ্ছে। তাই এ ড্রোনের নাম দেয়া হয়েছে ড্রাগন।
- ড্রাগন ড্রোনে মূলত ব্যবহার করা হয় অ্যালুমিনিয়াম গুঁড়া ও আয়রন অক্সাইডের উত্তপ্ত মিশ্রণ, যা থার্মাইট নামে পরিচিত।
- এটি ৪ হাজার ডিগ্রি ফারেনহাইট (২ হাজার ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় পুড়তে থাকে।
- থার্মাইট যেকোনো জিনিস খুব সহজেই পোড়াতে পারে। যেকোনো ধাতব পদার্থও এটি পুড়িয়ে দেয়। এ থেকে সুরক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম।
- গাছ বা রুশ সেনাদের গোপন আশ্রয়স্থল পুড়িয়ে দিতে এ ড্রোন ব্যবহার করছে ইউক্রেন।
- ড্রাগন ড্রোন মূলত পুরোনো যুদ্ধাস্ত্রের নতুর রূপ।
- থার্মাইট প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলেছিল।

তথ্যসূত্র - আল জাজিরা রিপোর্ট।
৯৬.
'JTA' কোন দেশভিত্তিক সংবাদ সংস্থা?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. ইসরাইল
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
JTA:
- ইহুদি টেলিগ্রাফিক এজেন্সি ( জেটিএ ) যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা।
- JTA সারা বিশ্বে ইহুদিদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক উন্নয়ন সম্পর্কে প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- ১৯২১ সালে লন্ডন থেকে সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্থানান্তর করা হয়। 

 এছাড়াও বিভিন্ন দেশের সংবাদ সংস্থা:

- বাংলাদেশ: বাসস, এনা, আইএসপিআর, ইউএনবি, আবাস, পিআইবি।
- যুক্তরাষ্ট্র: এপি, ভয়েস অব আমেরিকা (VOA), CNN, JTA।
- যুক্তরাজ্য: রয়টার্স, বিবিসি।
- পাকিস্তান: এপিপি, পিপিআই, ইউপিপি।
- চীন: সিনহুয়া।
- ফ্রান্স: এএফপি।
- অষ্ট্রেলিয়া: অষ্ট্রেলিয়ান ব্রডকাষ্টিং কর্পোরেশন (এবিসি)।
- কানাডা: কানাডিয়া প্রেস (সিপি)।
- সিরিয়া: সানা।
- লিবিয়া: জানা।
- মালয়েশিয়া: বারনামা।
- মিশর: মেনা (মিডিল ইস্ট নিউজ এজেন্সি)।
- পর্তুগাল: লুসা।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]
৯৭.
জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে কোনটি?
  1. IOM
  2. FAO
  3. IMO
  4. ILO
ব্যাখ্যা
ILO:
- International Labour Organization ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- ILO এর সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৮৭টি। (নভেম্বর, ২০২৪)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

উল্লেখ্য,
• IOM - আন্তর্জাতিক অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা।
• FAO - বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা।
• IMO - সমুদ্র চলাচল বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা।

তথ্যসূত্র - ILO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯৮.
আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা বর্তমান প্রধান কে? (নভেম্বর, ২০২৪)
  1. গাই রাইডার
  2. আলভারো লারিও
  3. আহমেদ নাসের আল-রাইসি
  4. এম ভি কামাথ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

Interpol:

- International Criminal Police Organization হলো আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- Interpol ১৯২৩ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির বর্তমান সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিওঁ শহরে অবস্থিত।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিওঁ শহরে সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়।
- এটির বর্তমান সদস্য ১৯৬টি দেশ। (নভেম্বর, ২০২৪)
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালের ১৪ অক্টোবর ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে।
- এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট হলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের মেজর জেনারেল আহমেদ নাসের আল-রাইসি। (নভেম্বর, ২০২৪)
- ২০২১ সালের নভেম্বরে ইস্তাম্বুলে ৮৯ তম সাধারণ পরিষদে তিনি নির্বাচিত হন।
- ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - ইন্টারপোল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯৯.
'বাসেল কনভেনশন'-এর কার্যক্রম শুরু হয় কবে?
  1. ৪ মে, ১৯৯২
  2. ৫ মে, ১৯৯২
  3. ৬ মে, ১৯৯২
  4. ৭ মে, ১৯৯২
ব্যাখ্যা
বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- এটি গৃহীত হয় সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে।
- 'বাসেল কনভেনশন'-এর কার্যক্রম শুরু হয় ৫ মে, ১৯৯২ সালে।
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

তথ্যসূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।
১০০.
জাতিপুঞ্জ গঠনের প্রস্তাবক ছিলেন কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?
  1. উড্রো উইলসন
  2. ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
  3. ওয়ারেন জি. হার্ডিং
  4. ক্যালভিন কুলিজ
ব্যাখ্যা
League of Nations বা জাতিপুঞ্জ:
- জাতিসংঘের পূর্ববর্তী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান লীগ আব নেশনস।
- জাতিপুঞ্জের আত্নপ্রকাশ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জাতিপুঞ্জের (League of Nations) আত্মপ্রকাশ।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাই চুক্তির একটি অংশ হিসেবে স্বাক্ষরিত হয় জাতিপুঞ্জের চুক্তিপত্র।
- জাতিপুঞ্জ গঠিত হয়েছিল ২৮ জুন, ১৯১৯ সালে (কার্যকর হয় ১০ জানুয়ারি, ১৯২০)।
- জাতিপুঞ্জ গঠনের প্রস্তাবক ছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
- সদর দপ্তর জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- জাতিপুঞ্জ বিলুপ্ত হয় ২০ এপ্রিল, ১৯৪৬ সালে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১০১.
চন্দ্র রাজাদের মূল কেন্দ্র ছিল কোথায়?
  1. সোমপুর বিহার
  2. মহাস্থানগড়
  3. লালমাই পাহাড়
  4. বরেন্দ্রভূমি
ব্যাখ্যা
চন্দ্র রাজাদের মূল কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার লালমাই পাহাড়।

চন্দ্র রাজবংশ:

- পূর্ব ও দক্ষিণ বাংলায় সবচেয়ে শক্তিধর রাজবংশ হচ্ছে চন্দ্রবংশ।
- খ্রিস্টীয় দশম শতকের শুরুতেই চন্দ্রবংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রায় দেড়শ বছর এই বংশ শাসনকার্য পরিচালনা করে।
- চন্দ্র রাজাদের মূল কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার লালমাই পাহাড়।
- কুমিল্লার লালমাই পাহাড়কে সে যুগে বলা হতো রোহিতাগিরি।
- চন্দ্রবংশের রাজাদের ধর্মও ছিল বৌদ্ধ।

উল্লেখ্য,
⇒ এই বংশের প্রথম শক্তিধর রাজার নাম ত্রৈলোক্যচন্দ্র।
- তিনি মহারাজাধিরাজ উপাধি গ্রহণ করেছিলেন।
- শক্তিধর ত্রৈলোক্যচন্দ্র হরিকেল ও চন্দ্রদ্বীপ দখল করেছিলেন।
- একে একে তাঁর অধিকারে আসে বঙ্গ ও সমতট।
- ত্রৈলোক্যচন্দ্র প্রায় ত্রিশ বছর শাসন করেন।

⇒ পিতার মৃত্যুর পর রাজা হন শ্রীচন্দ্র।
- শ্রীচন্দ্র বংশের গৌরব আরও বৃদ্ধি করেন।
- তিনি বর্তমান মুন্সিগঞ্জ জেলার বিক্রমপুরে রাজধানী গড়ে তোলেন।
- তাঁর উপাধি ছিল 'পরমেশ্বর' 'পরম ভট্টারক' 'মহারাজাধিরাজ'।
- শ্রীচন্দ্র প্রায় পয়তাল্লিশ বছর রাজত্ব করেন।

⇒ এর পর সিংহাসনে বসেন শ্রীচন্দ্রের পুত্র কল্যাণচন্দ্র।
- কল্যাণচন্দ্রের পুত্র লড়হচন্দ্রের রাজত্বকালেও এই গৌরব ম্লান হয়নি।
- শেষ চন্দ্ররাজা ছিলেন গৌবিন্দচন্দ্র।
- তিনি লড়হচন্দ্রের পুত্র।
- তাঁর রাজত্বকালে বাইরের আক্রমণের আঘাত আসে।
- চোল সম্রাট রাজেন্দ্রচোল ও কলচুরিরাজ কর্ণ বঙ্গ আক্রমণ করলে চন্দ্রবংশের পতন হয়।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০২.
বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত কোন ব্যক্তি ইউটিউব প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. সালমান করিম
  2. জাওয়াদুল করিম
  3. জাবেদ করিম
  4. ফজলুর করিম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত জাবেদ করিম স্টিভ চেন ও চাড হারলির সাথে যৌথভাবে ইউটিউব প্রতিষ্ঠা করেন।

YouTube:
- ইউটিউব ভিডিও শেয়ার করার জন্য একটি ওয়েবসাইট।
- এটি ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০০৫ সালে নিবন্ধিত হয়েছিল।
- আমেরিকান ই-বাণিজ্য সংস্থা পেপালের তিন প্রাক্তন কর্মী - স্টিভ চেন, চ্যাড হারলি এবং জাবেদ করিম ইউটিউবের প্রতিষ্ঠাতা।
- সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান ব্রুনোতে অবস্থিত।
- CEO: নীল মোহন।

উল্লেখ্য,
- জাবেদ করিম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সফটওয়্যার প্রকৌশলী।
- জাভেদ করিমের ‘মি অ্যাট দ্য জু’ শিরোনামের ভিডিওটিই ইউটিউবে আপলোড করা প্রথম কনটেন্ট। 
- জাবেদ করিমের বাবা বাংলাদেশি।
- পেশায় সফটওয়্যার প্রকৌশলী জাভেদ স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
- তার বাবা নাইমুল করিম একজন গবেষক এবং মা ক্রিস্টিন মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন বিজ্ঞানী।
- ইউটিউব বিক্রি করে দেওয়ার পর জাভেদ করিম ইউনিভার্সিটি ভেঞ্চারস (ওয়াই ভেঞ্চারস) সহ-প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রতিষ্ঠানটি এয়ারবিএনবি এবং রেডিটের মতো স্টার্টআপগুলোর বিনিয়োগ ও পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করেছে। 

এছাড়াও,
⇒ গুগল ২০০৬ সালে ১৬৫ কোটি ডলারে তাদের কাছ থেকে ইউটিউব কিনে নেয়।

উৎস: i) YouTube ওয়েবসাইট।
ii) দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
১০৩.
‘জমির মালিকানা কৃষকের’-কে এই ঘোষণা দিয়েছেন?
  1. মজনু শাহ
  2. মীর নিসার আলী
  3. হাজী শরিয়ত উল্লাহ
  4. দুদু মিয়া
ব্যাখ্যা
‘জমির মালিকানা কৃষকের’-দুদু মিয়া এই ঘোষণা দিয়েছেন।

দুদু মিয়া:

- দুদু মিয়া হাজী শরীয়তউল্লাহর একমাত্র পুত্র।
- তাঁর আসল নাম মুহসীনউদ্দীন।
- ১৮৪০ সালে পিতার মৃত্যুর পর দুদু মিয়া ফরায়েজী আন্দোলন এর নেতৃত্ব লাভ করেন।
- শিক্ষাগ্রহণের জন্য তিনি প্রায় পাঁচ বছর মক্কায় অতিবাহিত করেন এবং পিতার অসুস্থতার কারণে ১৯ বছর বয়সে দেশে ফিরে আসেন।
- দুদু মিয়াকে ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিপ্লব এর পর সরকার বন্দি করে।
- ১৮৬১ সালে মুক্তির পূর্বপর্যন্ত কলকাতার নিকটবর্তী আলীপুর জেলে তাঁকে আটক রাখা হয়।
- ১৮৬২ সালে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য,
- দুদু মিয়ার নেতৃত্বেই ফরায়েজি আন্দোলন অনেক বেশি শক্তিশালী রাজনৈতিক-সামাজিক আন্দোলনের চরিত্র লাভ করে।
- তিনি সমাজের নৈতিক ও সামাজিক ব্যাধিসমূহ নির্মূল করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
- তিনি উপলব্ধি করেন যে, সমাজের সকল মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে এবং দরিদ্রদেরকে শোষণ ও নির্যাতনের কবল থেকে রক্ষা করতে হবে।
- দুদু মিয়া মনে করতেন, বিশ্বের মালিক ও প্রতিপালক একমাত্র আল্লাহ্।
- সুতরাং ভূসম্পত্তিসহ সকল প্রকার পার্থিব সম্পত্তি ও সম্পদের মালিকও আল্লাহ্।
- তাই কর বা খাজনা যদি দিতে হয়, তবে তা আল্লাহ্ পথে দিতে হবে, কোন ব্যক্তিকে নয়।
- তিনি ঘোষণা করেন ‘জমির মালিকানা কৃষকের’।

⇒ সে সময়কার জমিদারেরা রায়তদের ওপর যে সমস্ত খাজনা ও কর আরোপ করেছিল, দুদু মিয়া সেগুলোকে বেআইনি ও নীতি-বিরুদ্ধ বলে ঘোষণা দেন।
- নিপীড়িত রায়ত ও চাষীদেরকে জমিদার ও নীলকরদের অত্যাচার থেকে রক্ষা করার জন্য দুদু মিয়া বাংলার পুরনো ঐতিহ্যবাহী সংগঠন পঞ্চায়েত ব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত করেন।
- তিনি সাম্য ও ন্যায়-বিচারের ভিত্তিতে সব ধরনের ঝগড়া-বিবাদ ও মামলা-মোকাদ্দমা সালিশের মাধ্যমে নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করেন।
- তাঁর এ ঘোষণা নির্যাতিত কৃষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণের কৃষকরা ফরায়েজী আন্দোলনের সমর্থনে তাঁর চারপাশে ভিড় জমাতে থাকে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৪.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি তার পদ ত্যাগ করতে পারবেন?
  1. ৫০(১) নং অনুচ্ছেদ
  2. ৫০(২) নং অনুচ্ছেদ
  3. ৫০(৩) নং অনুচ্ছেদ
  4. ৫০(৪) নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
• সংবিধানের ৫০ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ;
⇒ ৫০(১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর মেয়াদে তাঁর পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন।
- তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তাঁর উত্তরাধিকারী-কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।

⇒ ৫০(২) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- একাদিক্রমে হোক বা না হোক-দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থাকবেন না।

⇒ ৫০(৩) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি তার পদ ত্যাগ করতে পারবেন।

⇒ ৫০(৪) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- রাষ্ট্রপতি তাঁর কার্যভারকালে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য হবেন না, এবং কোন সংসদ-সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে রাষ্ট্রপতিরূপে তাঁর কার্যভার গ্রহণের দিনে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০৫.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থার জনক কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. সফিউল কাদের
  3. লুৎফর রহমান
  4. এম এ বাকী খলীলী
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র ঋণ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থার জনক বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- বিশ্বে আধুনিক ক্ষুদ্রঋণের জনক তিনি।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

⇒ ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে মুহাম্মদ ইউনূসের সমসাময়িক কাজ করেন ব্র্যাকের স্যার ফজলে হাসান আবেদ ও আশার প্রতিষ্ঠাতা মো. সফিকুল হক চৌধুরী।
- তারপর অন্যরাও এগিয়ে আসেন।

⇒ দেশের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম দেখভালে বহু বছর কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা ছিল না।
- প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই ২০০৬ সালে গঠিত হয় মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)।
- এ সংস্থার সনদ ছাড়া বর্তমানে কেউ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম চালাতে পারেন না।

⇒ ব্র্যাক, আশা, বুরো বাংলাদেশ, টিএমএসএস, এসএসএস, সাজেদা ফাউন্ডেশন, উদ্দীপন, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন, পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন, শক্তি ফাউন্ডেশন—এ ১০টি দেশের শীর্ষ ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনের স্থপতি সফিউল কাদের।

উৎস: i) ২৫ আগস্ট ২০২৪, প্রথম আলো।
ii) ১ এপ্রিল ২০১২, বিবিসি বাংলা।
১০৬.
Leed সার্টিফিকেট কোন খাতের জন্য প্রদান করা হয়?
  1. ফাইন্যান্স
  2. শিপিং
  3. ব্যাংকিং
  4. তৈরি পোশাক
ব্যাখ্যা
Leed সার্টিফিকেট তৈরি পোশাক খাতের জন্য প্রদান করা হয়।

Leed:

- Leed-এর পূর্ণরূপ: Leadership in energy and Environmental Design.
- এটি হলো বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে আলোচিত ও গ্রহণযোগ্য Green Building Rating System।
- এটি কোন স্থাপনা বা ভবনের পরিবেশগত কার্যকারিতা মূল্যায়ন করতে ব্যবহৃত হয়। 
- পরিবেশবান্ধব তৈরি পোশাক সবুজ কারখানায় এ সনদ প্রদান করা হয়।

⇒ ১৯৯৩ সালে United States Green Building Council (USGBC) এই LEED Certification পদ্ধতিটি প্রবর্তন করে।
- শিল্পকারখানার ভবন নির্মাণ থেকে পণ্য উৎপাদন পর্যন্ত সব পর্যায়ে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি ভালোভাবে বিশ্লেষণ করে সর্বোচ্চ মানের কারখানাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ‘ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল’ (ইউএসজিবিসি) এ সনদ দেয়।
- এ সনদ পেতে প্রতিটি প্রকল্পকে ইউএসজিবিসির তত্ত্বাবধানে স্থাপনা নির্মাণের কাজ থেকে শুরু করে উৎপাদন পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে মান রক্ষা করতে হয়।

⇒ Green Building-এর নকশা, নির্মাণ এবং অপারেশনের মূল্যায়ক হিসেবে LEED Certification বিশ্বব্যাপী পরিচিত এবং স্বীকৃত একটি নাম।
- LEED এর মাধ্যমে ভবনটির মালিক বা অপারেটর তার ভবনটির কার্যকারিতার উপর বেশ গুরুত্বপূর্ণ ও পরিমাপযোগ্য পরিবর্তন রাখতে পারে।
- মূলত পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত পাঁচটি ক্ষেত্রে কোন ভবনের টেকসই কার্যকারিতার উপর ভিত্তি করে LEED Certification টি দেয়া হয়।
- এই পাঁচটি ক্ষেত্র হলো, টেকসই সাইট, পানি সাশ্রয়, সক্তি সাশ্রয়, নির্মাণ সামগ্রী নির্বাচন ও আভ্যন্তরীণ পরিবেশ।

⇒ LEED Certification চারটি মাত্রা রয়েছে: i) সার্টিফাইড, ii) সিলভার, iii) গোল্ড, iV) প্লাটিনাম।

উল্লেখ্য,
- ৩ নভেম্বর ২০২৪, তারিখে বাংলাদেশে লিড সনদপ্রাপ্ত তৈরি পোশাক কারখানার সংখ্যা দাঁড়ায় ২৩০টিতে।
- বিশ্বের ১০০টি শীর্ষ লিড সদনপ্রাপ্ত কারখানার ৬২টি এখন বাংলাদেশের।

উৎস: i) U.S. Green Building Council.
ii) প্রথম আলো।
১০৭.
বাকশাল গঠনের মাধ্যমে কোন শাসন ব্যবস্থা চালু হয়?
  1. বহুদলীয় শাসন ব্যবস্থা
  2. একদলীয় শাসন ব্যবস্থা
  3. সংসদীয় শাসিত ব্যবস্থা
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
বাকশাল:
- বাকশাল ব্যবস্থা ছিল রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা।
- বাকশাল গঠনের মাধ্যমে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু হয়।

⇒ ১৯৭৪ সালের জুন মাসে জাসদ 'বিপ্লবী গণবাহিনী' নামে একটি সশস্ত্র অঙ্গসংগঠন ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে 'বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা' নামে একটি সেল গঠন করে।
- এসকল কারণে ক্ষমতাসীন ও বিরোধীদল সমূহের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহ অবস্থান বিঘ্নিত হয়।
- ১৯৭৪ সালে সরকার দেশব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে।
- ১৯৭৫ সালে ২৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- ১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশের সকল রাজনৈতিক দল ভেঙে দিয়ে 'বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ' বা 'বাকশাল' গঠন করা হয়।
- এর সভাপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাকশাল কার্যকর হওয়ার কথা ছিলো।
- বাকশাল পদ্ধতি পূর্ণভাবে কার্যকর হওয়ার আগেই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর বাসভবনে সপরিবারে নির্মমভাবে নিহত হন।
- ১৯৭৯ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত বাকশাল পদ্ধতি যেমন কার্যকর হয় নি, তেমনি রহিত করাও হয় নি।
- এরপর বহুদলীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের মাধ্যমে সংবিধান থেকে বাকশাল পদ্ধতি অপসারণ করা হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৮.
বঙ্গভঙ্গ রদের পর, যখন বাংলা গভর্নর শাসিত প্রদেশে রূপান্তরিত হয়, তখন বাংলার প্রথম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন কে?
  1. লর্ড কারমাইকেল
  2. এন্ড্রু ফ্রেজার
  3. ফ্রেডারিক জেমস হ্যালিডে
  4. এডওয়ার্ড বেকার
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ রদের পর গভর্নর শাসিত প্রদেশ রূপান্তরিত হওয়ার পর বাংলার প্রথম গভর্নর হয়েছিলেন লর্ড কারমাইকেল।

লর্ড কারমাইকেল:

- লর্ড কারমাইকেল বঙ্গভঙ্গ রদের পর এবং গভর্নর শাসিত প্রদেশ হিসেবে রূপান্তরিত হওয়ার পর বাংলার প্রথম গভর্নর।
- তিনি জর্জ ট্রেভেলিয়ান ও লর্ড ডালহৌসীর একান্ত সচিব হিসেবে কাজ করেন।
- ১৮৯৫ থেকে ১৯০০ সাল পর্যন্ত তিনি ব্রিটিশ পার্লামেন্টে মিডলটনের প্রতিনিধিত্ব করেন।
- বাংলার গভর্নর হওয়ার আগে তিনি ভিক্টোরিয়া ও মাদ্রাজের গভর্নর ছিলেন।

⇒ গভর্নর শাসিত প্রদেশ হওয়ার সুবাদে বাংলার গভর্নর স্বশাসনের অধিকার নিয়ে সরাসরি ইন্ডিয়া কাউন্সিল দ্বারা নিযুক্ত হতেন।
- গভর্নরকে পরামর্শ দান ও নির্বাহি দায়িত্ব পালনের জন্য একটি নির্বাহি সভা (executive council) ছিল।

উল্লেখ্য,
⇒ লেফটেন্যান্ট গভর্নর:
- লেফটেন্যান্ট গভর্নর শাসনতান্ত্রিকভাবে সপরিষদ গভর্নর জেনারেলের প্রতিনিধি।
- বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির গভর্নর ছিলেন একই সঙ্গে ভারতের গভর্নর জেনারেল।
- তাঁর পক্ষে প্রদেশের শাসনকার্য পরিচালনা করতেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর।
- ১৮৩৫ সালে একজন লেফটেন্যান্ট গভর্নর নিয়োগ করা হয়। 
- ১৮৫৩ সালের সনদ আইনের আওতায় গভর্নর জেনারেলকে বাংলার গভর্নরের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং ঐ আইন অনুযায়ী তাঁকে বঙ্গ প্রদেশের জন্য স্বতন্ত্র সচিবালয় ও বিধান পরিষদসহ একজন লেফটেন্যান্ট গভর্নর নিয়োগ করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়।
- এভাবে ভারতের গভর্নর জেনারেল ১৮৫৪ সালের ১মে স্যার ফ্রেডারিক জেমস হ্যালিডেকে বাংলার প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর নিয়োগ করেন।
- বঙ্গভঙ্গ সাধিত হওয়ার পর (১৯০৫) সৃষ্ট দুটি নতুন প্রদেশ, যথা বেঙ্গল (এর মধ্যে বিহার ও উড়িষ্যা অন্তর্ভুক্ত ছিল) এবং পূর্ববাংলা ও আসাম প্রদেশের জন্য দুজন লেফটেন্যান্ট গভর্নর নিয়োগ করা হয়।
- ১৯১১ সালের ডিসেম্বর মাসে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হলে বাংলা পুনরায় একত্রে সংযুক্ত হয়।
- তাতে যে শাসনতান্ত্রিক পরিবর্তন ঘটে তা হলো সপরিষদ একজন গভর্নর মাদ্রাজ ও বোম্বে প্রেসিডেন্সিদ্বয়ের গভর্নরদের মতো একই ক্ষমতা ও কার্যকলাপ সহকারে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি প্রদেশটির শাসনকার্য পরিচালনা করবেন।
- লর্ড কারমাইকেল হলেন বাংলার প্রথম গভর্নর।
- তিনি ১৯১২ সালের ১ এপ্রিল দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০৯.
সংবিধানের উপ-রাষ্ট্রপতির পদ সংক্রান্ত সংশোধনী কোনটি?
  1. প্রথম ও চতুর্থ সংশোধনী
  2. তৃতীয় ও দ্বাদশ সংশোধনী
  3. তৃতীয় ও চতুর্থ সংশোধনী
  4. চতুর্থ ও দ্বাদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
সংবিধানের উপ-রাষ্ট্রপতির পদ সংক্রান্ত সংশোধনী হলো চতুর্থ ও দ্বাদশ সংশোধনী।

• সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী:

- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি এ সংশোধনীর মাধ্যমেই বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটানো হয়।

⇒ ৪র্থ সংশোধনীর মাধ্যমে -
- সংসদীয় পদ্ধতি পরিবর্তন করে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু করা হয়;
- একদলীয় শাসন ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হয়;
- রাষ্ট্রপতি ও সংসদের মেয়াদ বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রপতি অপসারণ পদ্ধতি জটিল করা;
- সংসদকে একটি ক্ষমতাহীন বিভাগে পরিণত করা;
- মৌলিক অধিকার বলবৎ করার অধিকার বাতিল করা;
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে খর্ব করা ও উপ-রাষ্ট্রপতির পদ সৃষ্টি করা হয়।
- ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাতিল হয়ে যায়।

• সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী:

- এই সংশোধনী আইন পাস হয় ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট।
- এর দ্বারা সংবিধানের ৪৮, ৫৫, ৫৬, ৫৮, ৫৯, ৬০, ৭০, ৭২. ১০৯, ১১৯, ১২৪, ১৪১ক এবং ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।

⇒ এই সংশোধনীর মাধ্যমে -
- বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে;
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন;
- প্রধানমন্ত্রী হন রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী;
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়;
- উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ করা হয়,
- জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান করা হয়।

অন্যদিকে,
⇒ প্রথম সংশোধনী:
- সংবিধানের প্রথম সংশোধনী আনা হয় ১৯৭৩ সালের জুলাই মাসে।
- এ সংশোধনীর মাধ্যমে ৪৭ অনুচ্ছেদে দুটি নতুন উপধারা সংযোজন করা হয়।
- এ সংশোধনীর মূল কারণ ছিল গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ ও আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের জন্য আইন তৈরি এবং তা কার্যকর করা।

⇒ তৃতীয় সংশোধনী:
- মূলত ভারত ও বাংলাদেশের সীমানা নির্ধারণী একটি চুক্তি বাস্তবায়ন করার জন্য ১৯৭৪ সালের ২৩ নভেম্বর এ সংশোধনী আনা হয়।
- ভারতের কিছু অংশ বাংলাদেশে আসবে এবং বাংলাদেশের কিছু অংশ ভারতে আসবে- এ চুক্তি বাস্তবায়নের জন্যই তৃতীয় সংশোধনী আনা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১১০.
মুক্তিযুদ্ধে কতজন বিজিবি সদস্যকে সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ পদক প্রদান করা হয়?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. একজনও নয়
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে ২ জন বিজিবি সদস্যকে সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ পদক প্রদান করা হয়।

খেতাবপ্রাপ্ত বিজিবি:

- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের রক্তাক্ত প্রান্তরে এক অসামান্য অবদান ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছে বিজিবি (তৎকালীন ইপিআর)।
- একটি আধা সামরিক বাহিনী হয়েও সামান্য সংখ্যক সনাতন অস্ত্রকে সম্বল করে এই বাহিনীর বীর সৈনিকবৃন্দ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

⇒ ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকহানাদার বাহিনী ঢাকার পিলখানাস্থ তৎকালীন ইপিআর সদর আক্রমন করে।
- এ বাহিনীর সদর দপ্তর থেকে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার বার্তা ওয়ারলেস যোগে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দেয়া হয়।
- ফলে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে এদেশের সৈনিক ও জনতা।
- প্রথম দিকে ইপিআরের বাঙালি সদস্যগণ রণকৌশলগত কারণে বুড়িগঙ্গা নদীর অপর তীরে জিঞ্জিরায় প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
- পরবর্তীতে এ বাহিনীর ১২ হাজার বাঙালি সৈনিক, সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনী ও মুক্তিকামী মানুষের সাথে সংগঠিত হয়ে বাংলাদেশের ১১টি সেক্টরে ৯ মাস ব্যাপী সশস্ত্র যুদ্ধে নিয়োজিত থাকে।
- এ বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধাগণ পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধ, গেরিলা যুদ্ধ ও শত্রুঘাটি নিশ্চিহ্ন করতে আত্মঘাতি আক্রমণসহ অসংখ দুর্ধর্ষ অপারেশন পরিচালনা করে।
- মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর সর্বমোট ৮১৭ জন সৈনিক শহীদ হন।
- এদের মধ্যে অপরিসীম বীরত্বের জন্য শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ এবং শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ কে সর্ব্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ পদক প্রদান করা হয়।
- এছাড়া ৮ জন ‘বীর উত্তম’, ৩২ জন ‘বীর বিক্রম’ ও ৭৮ জন ‘বীর প্রতীক’ খেতাবে ভূষিত হন।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।
১১১.
ওঁরাওদের প্রধান উৎসব কোনটি?
  1. বিষু
  2. বৈসুক
  3. জলকেলি
  4. কারাম
ব্যাখ্যা
ওঁরাওদের প্রধান উৎসব কারাম।

ওঁরাও:

- ওঁরাও দক্ষিণ এশিয়ার একটি বড় নৃগোষ্ঠী।
- ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্য, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গে এদের বাস।
- বাংলাদেশে বর্তমানে গাজীপুর, নওগাঁ, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া ও রাজশাহী জেলা ওঁরাওদের প্রধান বসতিস্থল।

⇒ ওঁরাওদের ভাষার নাম কুরুখ ও সাদ্রি।
- এই ভাষার কোনো বর্ণমালা নেই।
- ওঁরাও আদিবাসীরা নৃতাত্ত্বিক বিচারে আদি অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রেলীয়) জনগোষ্ঠীর উত্তরপুরুষ।
- ওঁরাও সমাজব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক।

⇒ এদের গ্রামপ্রধানকে বলা হয় মাহাতো।
- এদের নিজস্ব আঞ্চলিক পরিষদ আছে, যা পাহতো নামে পরিচিত।
- এই পরিষদে কয়েকটি গ্রামের প্রতিনিধিরা থাকে।
- অন্যান্য আদিবাসী জাতির মতো ওঁরাও সমাজও সর্বপ্রাণবাদী প্রকৃতি উপাসক, তবে এদের ধর্মবিশ্বাসে সৃষ্টিকর্তা হিসেবে সর্বশক্তিমান ‘ধরমী’ বা ‘ধার্মেশ’ বা ‘ধরমেশ’ স্বীকৃত।

⇒ এদের প্রধান উৎসবের নাম কারাম।
- ওঁরাও সমাজে অতিথি আপ্যায়ন ও উৎসব-অনুষ্ঠানে নেশাদ্রব্য পান করা একটি ঐতিহ্যবাহী অভ্যাস।
- এদের সমাজে নৃত্য ও সংগীত একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।

অন্যদিকে,
- রাখাইনদের প্রধান উৎসব জলকেলি।
- বৈসুক হলো ত্রিপুরাদের উৎসব।
- বিষু তঞ্চঙ্গ্যাদের প্রধান উৎসব।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১২.
বাংলাদেশের সংবিধানে 'বাজেট' শব্দটির পরিবর্তে কোন শব্দটি ব্যবহার করা হয়?
  1. বার্ষিক আর্থিক বিবরণী
  2. বার্ষিক হিসাব তালিকা
  3. বার্ষিক আয়-ব্যয় বিবরণী
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানে 'বাজেট' শব্দটির পরিবর্তে বার্ষিক আর্থিক বিবরণী শব্দটি ব্যবহার করা হয়।

বাজেট:

- বাজেট একটি নির্দিষ্ট সময়কালের জন্য সরকারের ব্যয় ও রাজস্বসমূহের একটি পূর্বাভাষ।
- বাংলাদেশ সরকারের একটি বাজেটের সময়কাল হচ্ছে একটি অর্থবছর, যা একটি বছরের ১ জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বিস্তৃত।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানে ‘বাজেট’ শব্দটিই নেই।
- সংবিধানের ৮৭(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে ‘বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি’।
- সংবিধানে বলা হয়েছে, ‘প্রত্যেক অর্থবছর সম্পর্কে উক্ত অর্থবছরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি সংসদে উপস্থাপিত হবে’ এই বিবৃতিই আসলে বাজেট।

⇒ সংবিধানে না থাকলেও বাজেট আছে সংসদের কার্যপ্রণালি বিধিতে।
- বিধির ১১১(১)-এ বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিকে ‘বাজেট’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
- কার্যপ্রণালি বিধিতে সংসদে বাজেট উপস্থাপনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অর্থমন্ত্রীকে।
- বিধির ১১১(২)-এ বলা হয়েছে, ‘সংবিধানের বিধান সাপেক্ষে অর্থমন্ত্রী যেরূপ উপযোগী মনে করবেন, সেই আকারে বাজেট সংসদে পেশ করবেন।’

⇒ আমাদের দেশের সরকারি বাজেটের দুটি অংশ: রাজস্ব ও উন্নয়ন।
- প্রথমটি চলতি রাজস্ব ও ব্যয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট, অর্থাৎ স্বাভাবিক অগ্রাধিকার সংরক্ষণ ও আবশ্যকীয় সেবা প্রদান।
- আর পরবর্তীটি করা হয় উন্নয়নমূলক কাজের জন্য।

⇒ রাজস্ব বাজেটের প্রাপ্তিসমূহ হলো:
- দেশজ প্রাপ্তিসমূহ (কর ও কর-বহির্ভূত); বৈদেশিক অনুদান; মূলধনজাতীয় প্রাপ্তিসমূহ (বৈদেশিক ঋণ); দেশজ মূলধন (সরকারি হিসাবসমূহের নীট চলতি প্রাপ্তি ও ব্যয়সমূহ); বাজেট-বহির্ভূত সম্পদসমূহ (স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাসমূহের ঋণপত্র, তাদের স্ব-অর্থায়ন ও পুঞ্জীভূত উদ্বৃত্ত, এবং মজুত পণ্যসমূহ); এবং দেশজ ঋণ ও অগ্রিমসমূহ (নীট)।

⇒ উন্নয়ন বাজেটের প্রাপ্তিসমূহকে সরকারি ও বেসরকারি প্রাপ্তিসমূহে ভাগ করা হয়।
- সরকারি প্রাপ্তিসমূহের মধ্যে রয়েছে রাজস্ব উদ্বৃত্ত (রাজস্ব ব্যয়ের অতিরিক্ত রাজস্ব আয়), নতুন কোন উপায় অবলম্বনের মাধ্যমে আয় (যেমন নতুন করারোপের মাধ্যমে), নীট দেশজ মূলধন এবং বাজেট বহির্ভূত সম্পদসমূহ।
- রাজস্ব বাজেট প্রস্ত্তত করে অর্থ বিভাগ এবং উন্নয়ন বাজেট প্রস্ত্ততকারী সংস্থা হলো পরিকল্পনা কমিশন।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১১৩.
বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩ চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুসারে, প্রতি হাজারে জনসংখ্যার স্থূল জন্মহার কত?
  1. ১৭.৬
  2. ১৮.৫
  3. ১৯.৪
  4. ২০.১
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩ চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুসারে, প্রতি হাজারে জনসংখ্যার স্থূল জন্মহার ১৯.৪।

বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩:

- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: আগস্ট, ২০২৪।
- সংস্থা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

উল্লেখ্য,
- মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কি.মি.-এ: ১,১৭১ জন।

⇒ প্রতি হাজার জনসংখ্যায় স্থূল জন্মহার ১৯.৪।
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় স্থূল মৃত্যুহার ৬.১।
- বর্তমানে মাতৃমৃত্যুহার প্রতি ১০০০ জনে ১.৩৬।
- পুরুষদের প্রথম বিবাহের গড় বয়স ২৪.২ বছর এবং নারীদের ১৮.৪ বছর।
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় অভ্যন্তরীণ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে পল্লিতে আগমনের হার ২০.৪ এবং শহরে আগমনের হার ৪৩.৪।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১১৪.
বর্তমানে দেশে কয়টি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স সংস্থা রয়েছে? [নভেম্বর, ২০২৪]
  1. ৩৬টি
  2. ৩৮টি
  3. ৪১টি
  4. ৪৬টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বর্তমানে দেশে ৪৬টি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স সংস্থা রয়েছে।

বীমা প্রতিষ্ঠান:

- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জীবন বীমার সুফল দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতির ৯৫নং আদেশ বলে বাংলাদেশের বীমা শিল্প জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এগুলো হলো:
i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- দুটি প্ৰতিষ্ঠান ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সরকারি বা বেসরকারি সব ধরণের বীমা প্রতিষ্ঠান এর তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্যে বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেন।
- এই আইনের অধীনে ২০১১ সালে Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রেগুলেটরি অথরিটি (IDRA)-এর সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, দেশে ৮২টি বীমা কোম্পানি রয়েছে, যার মধ্যে ৩৬টি জীবন বীমা সংস্থা এবং ৪৬টি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স সংস্থা রয়েছে।

উৎস: i) IDRA ওয়েবসাইট।
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
iii) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন।
১১৫.
BACPS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Automated Check Processing System
  2. Bangladesh Automated Clearance Processing System
  3. Bangladesh Automated Character Processing System
  4. Bangladesh Automated Cheque Processing System
ব্যাখ্যা
BACPS:
- BACPS-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Automated Cheque Processing System.

উল্লেখ্য,
- BACH হচ্ছে বাংলাদেশ অটোমেটেড ক্লিয়ারিং হাউস, যেখানে দু'ধরণের আন্তঃব্যাংক লেনদেন নিষ্পত্তি করা হয়।
- একটি হচ্ছে বাংলাদেশ অটোমেটেড চেক প্রসেসিং সিস্টেম (BACPS), যার মাধ্যমে ব্যাংকসমূহের ক্লিয়ারিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- অপরটি হচ্ছে বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ডস্ ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (BEFTN) যার মাধ্যমে আন্তঃব্যাংক ইলেকট্রনিক ডেবিট ও ক্রেডিট লেনদেনসমূহ পরিচালিত হয়।

⇒ চেক ক্লিয়ারিং:
- চেক ক্লিয়ারিং এর জন্য চেকের প্রাপককে নিম্নোক্ত হারে চার্জ পরিশোধ করতে হয়:
• ৫০,০০০ টাকার নিচে চেক ক্লিয়ারিং এর জন্য কোন চার্জ দিতে হয় না;
• ৫০,০০০ টাকা বা এর বেশি কিন্তু ৫ লক্ষ টাকার নিচে চেক এর জন্য ভ্যাটসহ মোট ১০ টাকা;
• ৫ লক্ষ টাকা বা এর বেশি অংকের চেক Regular Value ক্লিয়ারিং এর জন্য উপস্থাপিত হলে ভ্যাটসহ ২৫ টাকা; ৫ লক্ষ টাকা বা এর বেশি অংকের চেক High Value ক্লিয়ারিংএর জন্য উপস্থাপিত হলে ভ্যাটসহ মোট ৬০ টাকা; • সকল ধরণের G2P অর্থাৎ কোন ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে দেয়া সরকারি চেক, সরকারি পাওনার বিপরীতে কিংবা সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভার বিভিন্ন পাওনার বিপরীতে অথবা ইউটিলিটি বিলের বিপরীতে প্রদত্ত চেক ক্লিয়ারিং এর জন্য কোন চার্জ পরিশোধ করতে হয় না।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১১৬.
নিচের কোনটি কৃষির উপখাত নয়?
  1. খনিজ সম্পদ
  2. মৎস সম্পদ
  3. বনজ সম্পদ
  4. শস্য ও শাকসবজি
ব্যাখ্যা
খনিজ সম্পদ কৃষির উপখাত নয়।

কৃষির উপখাত:

- বাংলাদেশের কৃষির ৪টি উপখাত রয়েছে। যথা:
• শস্য ও শাকসবজি,
• প্রাণি সম্পদ,
• বনজ সম্পদ,
• মৎস সম্পদ।

⇒ শস্য ও শাক-সবজি (Crops and vegetables):
- এটি বাংলাদেশের কৃষির সর্ববৃহৎ উপখাত।
- এ খাতে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য শস্য যেমন ধান, গম, ভুট্টা, ডাল, তৈলবীজ, বাদাম, পিয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ এবং বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি যেমন লাল শাক, পালং শাক, পটল, ঢেরস, করলা, লাউ, বেগুন, শসা, টমেটো, কপি ইত্যাদি উৎপাদিত হয়।
- তাছাড়া এ উপখাতে বিভিন্ন ধরনেরর অর্থকারী ফসল যেমন পাট, চা, আখ, তামাক, রেশম, তুলা, রবার ইত্যাদি উৎপাদিত হয়।

⇒ প্রাণিসম্পদ (Livestock):
- গৃহে পালিত নানাজাতীয় পশু-পাখি নিয়েই বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ উপখাত গঠিত।
- গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, ঘোড়া, হাঁস-মুরগি, কবুতর প্রভৃতি এদেশের প্রাণিসম্পদের অন্তর্ভূক্ত।
- প্রাণি সম্পদ থেকে প্রাপ্ত মাংস, দুধ, ডিম, ইত্যাদি মানব দেহের অত্যাবশ্যকীয় প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ করে।
- তাছাড়া চাষাবাদ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, চামড়া ও চমড়া জাতীয় দ্রব্যদি উৎপাদন ও রপ্তানিতে এ উপখাতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ বনজ সম্পদ (Forest Resources):
- এটি আমাদের কৃষির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপখাত।
- বাংলাদেশের মোট ভূখন্ডের শতকরা প্রায় ১৭ ভাগ জুড়ে বন রয়েছে।
- বনে সুন্দরি, গড়ান, গেওয়া, কেওড়া, শাল, গর্জন, গামাড়ি, গোলপাতা প্রভৃতি গাছ জন্মে।
- এগুলো থেকে দেশের কাঠের চাহিদার সিংহভাগ পূরণ হয় এবং কয়েকটি শিল্পের কাঁচামালের যোগান আসে।
- জ্বালানি কাঠ, বাঁশ, বেত, মোম, মধু, বিভিন্ন ধরনের ফলমূল, ইত্যাদি এ উপখাত থেকে পাওয়া যায়।

⇒ মৎস্য সম্পদ (Fisheries):
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মৎস্য সম্পদের বিপুল সম্ভাবনা থাকায় বাংলাদেশ সরকার একে একটি পৃথক খাত হিসেবে গণ্য করেছে।
- তবে সার্বিক বিবেচনায় এ খাতও কৃষিখাতের অন্তর্ভূক্ত।
- বাংলাদেশের অসংখ্য নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়।
- এছাড়াও দেশের সামুদ্রিক মৎস্য ক্ষেত্রগুলো থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাছ আহরিত হয়।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৭.
'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'-এ নিম্নের কোন শিল্পী অংশগ্রহণ করেনি?
  1. বব ডিলান
  2. জর্জ হ্যারিসন
  3. এরিক ক্ল্যাপটন
  4. জন লেনন
ব্যাখ্যা
'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'-এ জন লেনন অংশগ্রহণ করেনি। 

কনসার্ট ফর বাংলাদেশ
:
- মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
- ৪০ হাজারের বেশি মানুষ নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে এমন একটি আয়োজনে যোগ দিয়েছিলেন, যে ধরণের আয়োজন এর আগে বিশ্বের মানুষ কখনও দেখেনি।

⇒ কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'-এর প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পী জর্জ হ্যারিসন।
- জর্জ হ্যারিসন 'কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ' থেকে প্রাপ্ত অর্থ মুজিবনগর সরকারের কাছে তুলে দেন।
- ভারতের খ্যাতিমান শিল্পী রবি শঙ্কর মুক্তিযুদ্ধে মানুষকে উজ্জীবিত করেন।
- তিনি বাংলাদেশ কনসার্টের আয়োজকদের মধ্যে অন্যতম।
- ১৯৭১ সালের ১লা অগাস্টের সেই আয়োজনে অংশ নিয়েছিলেন পপ সঙ্গীতের তৎকালীন সুপারস্টার বব ডিলান, জর্জ হ্যারিসন এবং এরিক ক্ল্যাপটনের মত তারকারা।
- জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলানের মতো তারকাদের মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ অন্যরকম এক পরিচিতি পায় যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের সাধারণ মানুষের কাছে। 

উল্লেখ্য,
- জন লেনন, রিঙ্গো স্টার, বব ডিলান, এরিক ক্ল্যাপটন এবং বিখ্যাত সব পপ শিল্পী এই আয়োজনে অংশ নেওয়ার কথা ছিল।
- তবে জন লেনন শেষ পর্যন্ত কনসার্ট ফর বাংলাদেশে অংশ নেননি।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
ii) ১ অগাস্ট ২০২১, BBC।
১১৮.
বাংলাদেশ কমনওয়েলথে যোগদান করায় কোন দেশ কমনওয়েলথের সদস্য পদ ত্যাগ করে?
  1. জিম্বাবুয়ে
  2. শ্রীলঙ্কা
  3. ভারত
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কমনওয়েলথে যোগদান করায় কমনওয়েলথের সদস্য পদ ত্যাগ করে পাকিস্তান।

বাংলাদেশ ও কমনওয়েলথ:

- কমনওয়েলথের মূল রাষ্ট্র যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ।
- বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামে ১৯৭১ সালে গ্রেট ব্রিটেনের প্রচার মাধ্যমগুলো বিশেষত, বিবিসি, লন্ডন টাইমস, দ্য সান, গার্ডিয়ান, মিরর পত্রিকা স্বাধীনতাকামী বাঙ্গালি জনগণের উপর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর নির্মম নির্যাতন প্রচার করে বিশ্বজনমত সৃষ্টি করেছিল।
- ব্রিটেনসহ কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো ভারতে আশ্রয় নেয়া শরণার্থীদের জন্য ব্যাপক সাহায্য দিয়েছিল।
- স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশের বিধ্বস্ত অর্থনীতি পুনর্গঠনে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো অকাতরে সাহায্য সহযোগিতা দিয়েছে।

⇒ স্বাধীন দেশ হিসাবে কমনওয়েলথ ভুক্ত দেশগুলো বাংলাদেশকে ১৯৭২ সালেই দ্রুত স্বীকৃতি দেয়।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য।
- বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালের অটোয়ায় অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগদান করেন।
- বাংলাদেশের অস্থিতিশীল রাজনীতি ও সরকার- বিরাধীদলের দাঙ্গাপূর্ণ সম্পর্ক অবসানে বিভিন্ন সময় কমনওয়েলথ মহাসচিব মধ্যস্থতার চেষ্টা করেছেন।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে।
- এজন্য ক্ষিপ্ত হয়ে পাকিস্তান কমনওয়েলথ ত্যাগ করে ১৯৭২ সালে

এছাড়াও,
- কমনওয়েলথ ত্যাগকারী দেশ আয়ার‍্যান্ড (১৯৪৬ সালে) ও জিম্বাবুয়ে (৭ ডিসেম্বর ২০০৩)।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৯.
প্রথম বাংলাদেশি ‘আয়রন লেডি’ কে?
  1. শারমিন আক্তার লিজা
  2. নাজমুন আরা সুলতানা
  3. মারিয়া ফেরদৌসী আক্তার
  4. তাসনিম দোজা
ব্যাখ্যা
প্রথম বাংলাদেশি ‘আয়রন লেডি’:
- প্রথম বাংলাদেশি ‘আয়রন লেডি’ মারিয়া ফেরদৌসী আক্তার।

⇒ আয়রনম্যান প্রতিযোগিতার বৈশ্বিক আয়োজক ওয়ার্ল্ড ট্রায়াথলন করপোরেশন (ডব্লিউটিসি)। 
- ১২ অক্টোবর, ২০২৪ তারিখে মালয়েশিয়ার লাংকাউইতে অনুষ্ঠিত কঠিনতম এ ট্রায়াথলন সাঁতার, সাইক্লিং ও দৌড়ের সমন্বয়ের খেলা।
- মূলত আয়রনম্যানের দুই ফরম্যাটের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি নারী হিসেবে অংশ নিয়েছেন মারিয়া ফেরদৌসী আক্তার।
- আয়রনম্যান প্রতিযোগিতায় ১৭ ঘণ্টায় প্রতিযোগীদের ৩.৮ কিলোমিটার সাঁতার, ১৮০ কিলোমিটার সাইক্লিং এবং ৪২ দশমিক ২ কিলোমিটার দূরত্বের দৌড় সম্পন্ন করতে হয়।
- আয়রনম্যান ৭০.৩ হলো অর্ধদূরত্বের প্রতিযোগিতা।
- এতে সাড়ে ৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিযোগীদের ১.৯ কিলোমিটার সাঁতার, ৯০ কিলোমিটার সাইক্লিং ও ২১.১ কিলোমিটার দৌড় সম্পন্ন করতে হয়।
- আয়রনম্যান মালয়েশিয়ায় এবার ৪৭৯ জন প্রতিযোগী অংশ নিয়েছেন।
- রংপুরের মেয়ে ফেরদৌসী আক্তার মারিয়া প্রথম বাংলাদেশি মেয়ে হিসেবে আয়রনম্যানের কোনো প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সফল হয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- আয়রনম্যান ৭০.৩ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রথমবারের চেষ্টাতেই এই নারী ট্রায়াথলেট ৮ ঘণ্টা ১৮ মিনিট ২৬ সেকেন্ড সময় নিয়ে সম্পন্ন করেছেন ১.৯ কিলোমিটার সাঁতার, ৯০ কিলোমিটার সাইক্লিং ও ২১.১ কিলোমিটার দৌড়।
- এখন তিনি আয়রনম্যান ৭০.৩ ফিনিশার।
- মারিয়া আয়রনম্যান এই গ্রুপে তিনি দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন।

এছাড়াও,
- এই প্রতিযোগিতা সফলভাবে সম্পন্ন করায় আগামী বছর স্পেনে অনুষ্ঠেয় আয়রনম্যান ৭০.৩ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করেছেন মারিয়া।

উৎস: প্রথম আলো।
১২০.
নিম্নের কোন অপরাধটির বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের অধীনে হবে?
  1. খুন
  2. ধর্ষণ
  3. মাদকদ্রব্য
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
খুন, ধর্ষণ, মাদকদ্রব্য অর্থাৎ বর্ণিত সবগুলো অপরাধের বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের অধীনে হবে।

দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল:

⇒ দ্রুতবিচার আদালত সংক্রান্ত আইন প্রাথমিকভাবে অধ্যাদেশ আকারে ২০০২ সালে প্রণীত হয়।
- ঐ বছরের ১০ এপ্রিল এটি সংসদ কর্তৃক আইনে পরিণত হয় (২০০২ সালের ১১ নং আইন)।
- ২০০২ সালের ১ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদের এ সংক্রান্ত অপর একটি আইন (২০০২ সালের ২৮ নং আইন) বাংলাদেশ গেজেটে (অসাধারণ) প্রকাশিত হয়।
- এ আইনের মাধ্যমে দ্রুতবিচার আদালত গঠিত হয়।
- এ আইনের ভূমিকায় কয়েকটি অপরাধের দ্রুতবিচার সম্পন্ন করার বিষয়কে গুরুত্ব দেয়া হয়।
- আইনটি সরকারকে কয়েকটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা প্রদান করে।
- এর মধ্যে রয়েছে এক বা একাধিক আদালত গঠন, জনস্বার্থে অন্যান্য অসম্পন্ন বিচার দ্রুতবিচার আদালতে প্রেরণসহ শেষোক্ত আদালতের ভৌগোলিক অধিক্ষেত্র নির্ধারণ।

⇒ অসম্পন্ন বিচারকার্য দ্রুতবিচার আদালতে প্রেরণের জন্য যে অপরাধসমূহকে চিহ্নিত করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে: খুন, ধর্ষণ, বেআইনি অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ।
- এতে দেখা যায় যে, মূল আইনের নির্ধারিত অপরাধের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

⇒ এ আইনের ভূমিকায় আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কয়েকটি অপরাধের দ্রুত বিচারের প্রয়োজনীয়তার স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- মূল আইনে অনধিক ছয় বছর পর্যন্ত আইনটি বলবৎ রাখার বিধান ছিল।
- ২০০৮ সালে এক সংশোধনীর মাধ্যমে নির্ধারিত সময়সীমা আট বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।

⇒ এ আইনটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো অন্যান্য আইনের উপর প্রাধান্য।
- অর্থাৎ অন্যান্য আইনে ভিন্নতর বিধান থাকা সত্বেও এ আইনের বিধানই বাধ্যতামূলক হবে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১২১.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি করে কোন দেশে?
  1. মালয়েশিয়া
  2. ভারত
  3. পাকিস্তান
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট-এর তথ্য অনুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

চা:

- চা বাংলাদেশের ২য় অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বাংলাদেশের মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে সবচেয়ে বেশি চা উৎপন্ন হয়।
- বাংলাদেশের চায়ের বিশেষ সুনাম থাকায় বিদেশে এর চাহিদা রয়েছে।
- চা রপ্তানি করে বাংলাদেশ অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

উল্লেখ্য,
⇒ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

এছাড়াও,
⇒ বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে।
- চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে প্রথম চা উৎপাদিত হয় ১৮৪৩ সালে।
- কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেখানে চা চাষ বিলম্বিত হয়।
- মালনীছড়া বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান।
- ২০২১ সাল থেকে ৪ জুন জাতীয় চা দিবস হিসেবে উদযাপন করা হচ্ছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট। [link]
ii) উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১২২.
সংবিধানের কোন তফসিল অনুসারে, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতির নিকট শপথ গ্রহণ করেন?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. চতুর্থ তফসিল
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতির নিকট শপথ গ্রহণ করেন।

বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল:

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানে তফসিল ৭টি। যথা:
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন,
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত),
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা,
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী,
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ,
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা,
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
• রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার।
• প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ, পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।
• স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি, সংসদ সদস্যবৃন্দ।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১২৩.
কোন সম্রাটগণ উপমহাদেশে প্রথম স্বর্ণমুদ্রা চালু করেন?
  1. গুপ্ত সম্রাট
  2. মৌর্য সম্রাট
  3. কুষাণ সম্রাট
  4. শুঙ্গ সম্রাট
ব্যাখ্যা
কুষাণ যুগ:
- উপমহাদেশে প্রথম স্বর্ণমুদ্রা চালু করেন কুষাণ সম্রাটগণ।
- কুষাণ সম্রাট বীম কদফিসেসই সম্ভবত সর্বপ্রথম স্বর্ণমুদ্রা প্রবর্তন করেন যেখানে মুদ্রার উপরিপৃষ্ঠে বেদিতে যজ্ঞরত রাজার প্রতিকৃতি উৎকীর্ণ রয়েছে।
- প্রত্নতাত্ত্বিকগণ মনে করেন, এই বিশেষ প্রতিকৃতি পার্থিয়ান রাজা গোটার্জেসের স্বর্ণমুদ্রার নকশা দ্বারা প্রভাবিত।
- তবে পরবর্তীকালের কুষাণ সম্রাট কনিষ্ক ও হুবিষ্ক তাদের স্বর্ণমুদ্রায় বিভিন্ন ধরনের নকশা ও প্রতীক ব্যবহার করেছেন।

উল্লেখ্য,
- কুষাণ স্বর্ণমুদ্রা ভারতের অন্যান্য স্থানে কুষাণ শাসনের সাথে সংশ্লিষ্ট মুদ্রা আর বাংলায় প্রাপ্ত কুষাণ মুদ্রার অবস্থানগত পার্থক্য রয়েছে।
- বিশেষত, বাংলা সরাসরি কুষাণ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
- তবুও বাংলা থেকে অগণিত কুষাণ-মুদ্রা আবিষ্কৃত হয়েছে।
- প্রত্নতাত্ত্বিকগণ বাংলার বিভিন্ন প্রত্নস্থান থেকে কুষাণ সম্রাট কনিষ্ক, হুবিষ্ক ছাড়াও মহানাদ কুষাণ, প্রথম বাসুদেব ও দ্বিতীয় বাসুদেবের স্বর্ণমুদ্রা আবিষ্কার করেছেন।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।