পরীক্ষা আর্কাইভ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

পরীক্ষাভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৪: টপিক সমূহ: রিভিশন (পরীক্ষা ১, ২ ও ৩) [Live Class – 1 & 6]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. নিরক্ষরেখা
  2. মকরক্রান্তি রেখা
  3. দ্রাঘিমাংশ
  4. অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা
অক্ষাংশ:
- নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলা হয়।
- ভূ-পৃষ্ঠে কোনো একটি স্থানের প্রকৃত দূরত্ব জানতে হলে এর অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা প্রয়োজন।
- অক্ষাংশ নির্ণয় করতে হলে, পৃথিবীর অভ্যন্তরে ঠিক মধ্যবিন্দু অর্থাৎ কেন্দ্র থেকে উক্ত স্থানটির কৌণিক দূরত্ব পরিমাপ করতে হবে।
- এক্ষেত্রে কেন্দ্র থেকে নিরক্ষরেখা বরাবর একটি রেখা কল্পনা করা হয়, যেটি নিরক্ষীয় তল সৃষ্টি করে।
- নিরক্ষীয় তল থেকে উত্তর মেরু বিন্দুর কৌণিক দূরত্ব ৯০০। অতএব, উত্তর মেরুর অক্ষাংশের মান হলো ৯০° উত্তর অক্ষাংশ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আফ্রিকা মহাদেশে কতটি দেশ রয়েছে?
  1. ৪৪টি
  2. ৪৮টি
  3. ৫৪টি
  4. ৫৬টি
ব্যাখ্যা
আফ্রিকা মহাদেশ:
- আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ হল আফ্রিকা মহাদেশ।
- আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করেছে।
- এর আয়তন ১১,৭২৪,০০০ বর্গ মাইল (৩০,৩৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- এ মহাদেশের উত্তরে ভূ-মধ্যসাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেশ রয়েছে।
- এই মহাদেশে মোট ৫৪টি দেশ অবস্থিত।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ আলজেরিয়া।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে ছোট দেশ সিচেলিস।

বিভিন্ন মহাদেশে দেশের সংখ্যা:
• আফ্রিকা - ৫৪টি।
• এশিয়া - ৪৮টি।
• ইউরোপ - ৪৪টি।
• উত্তর আমেরিকা - ২৩টি।
• অস্ট্রেলিয়া/ওশেনিয়া - ১৪টি।
• দক্ষিণ আমেরিকা - ১২টি।

তথ্যসূত্র - worldatlas.com
.
মঙ্গলের উপগ্রহ কোনটি?
  1. ইউরোপা
  2. ক্যালিস্টো
  3. হাইপেরিয়ন
  4. ফোবোস
ব্যাখ্যা
মঙ্গল (Mars):
- সূর্য থেকে মঙ্গলের গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস ৬,৭৮৭ কিলোমিটার।
- সূর্যের চতুদিকে একবার প্রদক্ষিণ করতে মঙ্গলের সময় লাগে প্রায় ৬৮৭ দিন।
- ডিমোস এবং ফোবোস নামক মঙ্গলের দুটি উপগ্রহ রয়েছে।
- বৃত্তাকার কক্ষপথে ডিমোস প্রতি ৩০ ঘণ্টা ১৭ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড এবং ফোবস ৭ ঘণ্টা ৩৯ মিনিট ১৪ সেকেন্ডে মঙ্গলকে একবার আবর্তন করে।
- মঙ্গলে রয়েছে সৌরজগতের বৃহত্তম আগ্নেয়গিরি নিকস অলিম্পিকা।
- মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাই অক্সাইড, আর্গন প্রভৃতি গ্যাস রয়েছে। মঙ্গলের আকাশ নীল, মাটি লাল ও শুষ্ক । মঙ্গলের তাপমাত্রা ২০" সেলসিয়াস এর অধিক হয় না। তাপমাত্রা রাতে হিমাছের বহু নিচে নেমে যায়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
দক্ষিণ গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন -
  1. ২১ মার্চ
  2. ২১ জুন
  3. ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
⇒ ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত বিরাজ করে।
- একই দিন উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম রাত ও ছোট দিন।

⇒ ২১ জুন উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও সবচেয়ে ছোট রাত।
- এদিন দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও সবচেয়ে বড় রাত।

⇒ ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান থাকে।

তথ্যসূত্র - মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রের অবস্থান থেকে পৃথিবীর দূরত্ব কত?
  1. ২৬,০০০ আলোকবর্ষ
  2. ৩১,০০০ আলোকবর্ষ
  3. ৩৯,০০০ আলোকবর্ষ
  4. ৪৩,০০০ আলোকবর্ষ
ব্যাখ্যা
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি:
- পৃথিবী যে গ্যালাক্সির অন্তর্ভুক্ত তার নাম হলো মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি বা আকাশগঙ্গা ছায়াপথ।
- এটি মাত্র এক লক্ষ আলোকবর্ষ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি একটি স্পাইরাল বা সর্পিল গ্যালাক্সি।
- আমাদের সৌরজগৎ মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিকে একবার প্রদক্ষিণ করতে সময় নেয় প্রায় ২৪০ মিলিয়ন বছর।
- মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রটি আমাদের পৃথিবী থেকে প্রায় ২৬,০০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।
- অর্থাৎ মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্র থেকে পৃথিবীতে আলো এসে পৌঁছাতে সময় লাগে ২৬ হাজার বছর।
- গ্যালাক্সির কেন্দ্রটি অত্যন্ত উজ্জ্বল। এর বেশির ভাগ অংশই ঢাকা পড়ে আছে হাইড্রোজেন গ্যাসে।

তথ্যসূত্র - Space.com & NASA (.gov).
.
বিশাল খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে চারিদিকে তাকালে দিগন্তরেখার আকৃতি কীরূপ দেখা যায়?
  1. বৃত্তাকার
  2. উপবৃত্তাকার
  3. চ্যাপ্টাকৃতির
  4. সরলরেখার ন্যায়
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর আকৃতি:
- দিগন্ত রেখার সাহায্যে বিশাল খোলা মাঠে বা সমুদ্রের তীরে দাঁড়িয়ে চারিদিকে তাকালে মনে হয় আকাশ ও ভূ-পৃষ্ঠ একটি বৃত্তাকার রেখায় মিশে গেছে।
- এ বৃত্ত রেখার নাম দিগন্তরেখা। পর্বতের উপরে বা প্লেনে যত উপরে উঠা যায়, ততই দিগন্ত রেখার পরিধি বৃদ্ধি পেলেও এর আকার বৃত্তাকার থাকে।
- পৃথিবী গোলাকৃতির না হলে এরূপ হতো না।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
হ্যালির ধূমকেতু কত বছর পরপর দেখা যায়?
  1. ৭০ বছর
  2. ৭৬ বছর
  3. ৮০ বছর
  4. ৮৬ বছর
ব্যাখ্যা
হ্যালির ধূমকেতু:
- পরবর্তী হ্যালির ধূমকেতু দেখা যাবে ২০৬২ সালে।
- জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত।
- হ্যালির ধূমকেতু ৭৬ বছর পরপর দেখা যায়।
- ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধুমকেতু সর্বশেষ দেখা গেছে। হ্যালির ধূমকেতু আবার দেখা যাবে ১৯৮৬+৭৬ = ২০৬২ সালে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
পৃথিবীর পরিধি প্রায় -
  1. ২৫,০০০ কি.মি.
  2. ৪০,০০০ কি.মি.
  3. ৪৮,০০০ কি.মি.
  4. ৫১,০০০ কি.মি.
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর আকৃতি:
- পৃথিবী একটি অভিগত গোলক।
- অর্থাৎ এর উত্তর ও দক্ষিণ অংশ কিছুটা চাপা ও মধ্যভাগ, অর্থাৎ নিরক্ষরেখা বরাবর অঞ্চলটি কিঞ্চিত স্ফীত।
- সৌরজগত পরিবারের মাঝারি আকারের গ্রহ পৃথিবীর পরিধি প্রায় ৪০,০০০ কি.মি.।
- পৃথিবীর গড় ব্যাস ১২,৭৩৪.৫ কি.মি. (প্রায়)।
- পৃথিবীর গোলাকৃতি আকার সম্পর্কে নানা প্রমাণ উপস্থাপন করা যায়।
- আধুনিক মহাকাশ চিত্রসমূহ থেকে পৃথিবীর আকার সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আহ্নিক গতির বেগ কোনো অক্ষাংশে সর্বাপেক্ষা বেশি?
  1. সুমেরু বিন্দুতে
  2. কর্কটক্রান্তি রেখায়
  3. নিরক্ষরেখায়
  4. মেরু প্রদেশে
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর আহ্নিক গতি:
- পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজ অক্ষে অনবরত পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে আবর্তন করছে।
- পৃথিবীর এই আবর্তনকে আহ্নিক গতি বা দৈনিক গতি বলা হয়।
- নিজ অক্ষে একবার ঘুরতে পৃথিবীর মোট ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা ২৪ ঘন্টা সময় প্রয়োজন। এই সময়কে সৌরদিন বলা হয়।
- নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর ব্যাস সর্বাপেক্ষা বেশি হওয়ায় এই অঞ্চলে পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগও সর্বাপেক্ষা বেশি।
- এই গতিবেগ মেরুদ্বয়ের দিকে ক্রমশ কমে আসতে থাকে এবং ৯০° উত্তর ও ৯০° দক্ষিণ মেরুবিন্দু দ্বয়ে প্রায় স্তিমিত হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
চাঁদের সবচেয়ে বড় গহ্বরটির নাম কী?
  1. গ্যানিমেড
  2. ফোবোস
  3. ক্লেভিউস
  4. ডিমোস
ব্যাখ্যা
চাঁদ:
- পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব ৩,৮১,৫০০ কিলোমিটার।
- চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে নিজ কক্ষপথে ২৯ দিনে একবার আবর্তন করে।
- এর ব্যাস ৩.৪৭৫ কিলোমিটার।
- ১৯৬৯ সালের ২১ শে জুলাই সর্বপ্রথম মানুষ চাঁদে অবতরণ করেন।
- চাঁদে পানি, বায়ু, উদ্ভিদ বা প্রাণী নেই। চাঁদে বহু সমতলভূমি, পাহাড় পর্বত ও বৃহদাকার গর্তের উপরিভাগ দেখা যায়।
- চাঁদের সবচেয়ে বড় গহ্বরটির নাম ক্লেভিউস।
- চাঁদের আকাশ দিনে-রাতে একই রকম কালো।
- চাঁদের নিজস্ব আলো নেই। সূর্যের আলোতে চাদ আলোকিত হয়।
- চাঁদের যে পৃষ্ঠে সূর্যালোক পড়ে সে পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ১০০" সেলসিয়াস এর ওপরে এবং অন্ধকার পৃষ্ঠের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ১৫০ সেলসিয়াসের নীচে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
'ত্রিকোণোকৃতির' মহাদেশ বলা হয় কোনটিকে?
  1. আফ্রিকা
  2. দক্ষিণ আমেরিকা
  3. ইউরোপ
  4. ওশেনিয়া
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আমেরিকা (South America):
- আয়তনে চতুর্থ বৃহত্তম মহাদেশ দক্ষিণ আমেরিকা।
- এ মহাদেশ দেখতে ত্রিকোণোকৃতির।
- এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান আকাঙ্কাগুয়া।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে ১২টি স্বাধীন দেশ রয়েছে।
- এর মধ্যে আয়তনে বৃহত্তম ব্রাজিল এবং ক্ষুদ্রতম সুরিনাম।
- ফকল্যান্ড দ্বীপ এ মহাদেশে অবস্থিত।
- দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম এবং পৃথিবীর প্রশস্ততম নদী আমাজান।
- এ মহাদেশের অন্তর্গত ইকুয়েডরকে 'চির বসন্তের দেশ বলা হয়।
- নিরক্ষরেখা মহাদেশটির উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com & Britannica.com
১২.
বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে কোন রেখাটি অতিক্রম করেছে?
  1. ট্রপিক অব ক্যাপ্রিকন
  2. বিষুবরেখা
  3. ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
  4. ট্রপিক অব ক্যানসার
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা:
- বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থিত।
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি।
- এছাড়াও বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।