পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৪৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৭৫ বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিক - আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান i) আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা ও জোট [EU, Commonwealth, NAM, OIC, African Union, APEC, Arab League, ASEAN, BENELUX, BIMSTEC, BRICS, CIRDAP, G-7, D-8, G-20, G-77, GCC, OPEC, SAARC, ECO, OECD, ADB, AIIB, NDB, IDB, RCEP, WEF, ICC, AFTA, EFTA, NAFTA, APTA, COMESA, MERCOSUR] ii) আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা [Red Cross, Rotary International, অক্সফাম, Amnesty Int., অরবিস, TI, হিম্যান রাইটস্‌ ওয়াচ, Boy Scouts, CARE, স্মাইল ট্রেন, সেইভ দ্যা চিলড্রেন, Lions Club - সহ বিখ্যাত এন.জি.ও এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।] এবং বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - আধুনিক বিজ্ঞান ১. পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস, মহাকর্ষ-অভিকর্ষ, কসমিক রে, ব্লাক হোল, হিগের কণা, ডায়োড, ট্রানজিস্টর, আইসি, আপেক্ষিক তত্ত্ব, ফোটন কণা, বিভিন্ন রশ্মি ও তার ব্যবহার, ইলেক্ট্রনিক্স, আধুনিক বিজ্ঞান সম্পর্কিত সমসাময়িক ইস্যু, মহাকাশ ও জ্যাতির্বিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থ বিজ্ঞান ইত্যাদি। ২. বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল, টাইড, টেকটোনিক প্লেট, সাইক্লোন, সুনামি, বিবর্তন, সামুদ্রিক জীবন, জোয়ার-ভাটা, জীব-বৈচিত্র, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর উপাদান ও এর ব্যবহার, আধুনিক ভূগোল সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়। ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৪ প্রশ্ন

.
Organisation of African Unity-এর উত্তরসূরি হিসেবে African Union (AU) আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে কোন সালে?
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০২ সালে
ব্যাখ্যা

• আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU):  
- আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU) হলো একটি মহাদেশীয় সংস্থা,
- যা আফ্রিকার ৫৫টি স্বাধীন দেশের সমন্বয়ে গঠিত।
- এটি ২০০২ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- এর পূর্ববর্তী সংস্থা বাঁ পূর্বনাম -  (OAU) Organisation of African Unity.

• OAU প্রতিষ্ঠা:
- তারিখ: ২৫ মে, ১৯৬৩ সালে।
- স্থান: আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া।
- সদস্য সংখ্যা: ৩২টি স্বাধীন আফ্রিকান রাষ্ট্র। 
- দর্শন: জাতিগত সীমা ছাড়িয়ে আফ্রিকার ঐক্য, স্বাধীনতা, ন্যায় ও ভ্রাতৃত্বের উপর গুরুত্বারোপ।

উল্লেখ্য, 
• OAU→ AU রূপান্তর:
- তারিখ: ৯ সেপ্টেম্বর ১৯৯৯ (Sirte Declaration)
- ২০০২ সালে ডারবান সম্মেলনে Organisation of African Unity-এর উত্তরসূরি হিসেবে African Union (AU) আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। 
- লক্ষ্য: নতুন সংগঠনের মাধ্যমে আফ্রিকার অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক একত্রীকরণ ত্বরান্বিত করা।

তথ্যসূত্র: African Union ওয়েবসাইট।

.
CIRDAP কোন সংস্থার উদ্যোগে গঠিত হয়?
  1. World Bank
  2. UNDP
  3. FAO
  4. ADB
সঠিক উত্তর:
FAO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
FAO
ব্যাখ্যা

- CIRDAP গঠিত হয় জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর উদ্যোগে।

• CIRDAP:
- CIRDAP এর পূর্ণরূপ Centre on Integrated Rural Development for Asia and the Pacific.
- CIRDAP একটি আঞ্চলিক, আন্তঃসরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত একটি সংস্থা।
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) উদ্যোগে (CIRDAP) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ৬ জুলাই, ১৯৭৯ সালে CIRDAP গঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত।
- CIRDAP এর সদস্য সংখ্যা ১৫টি।
- সদস্য দেশগুলো হলো আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ফিজি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, লাওস, মালয়েশিয়া, মায়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনাম।

তথ্যসূত্র: CIRDAP ওয়েবসাইট।

.
OIC (Organization of Islamic Cooperation) কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল? 
  1. জর্ডান 
  2. প্যালেস্টাইন
  3. মিশর
  4. মরক্কো
সঠিক উত্তর:
মরক্কো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরক্কো
ব্যাখ্যা

• OIC:
- OIC-এর পূর্ণরূপ: The Organisation of Islamic Cooperation.
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ সালে রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
- ১৯৭২ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে ওআইসি।

⇒ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- এর অফিসিয়াল ভাষা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।

⇒ ১৯৬৯ সালের ২১ আগস্ট জেরুজালেমের পবিত্র মসজিদুল আকসায় অগ্নিসংযোগ করে ইসরায়েল।
- সমগ্র মুসলিম বিশ্বে প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে এ সময় ১৪টি আরব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মিসরের রাজধানী কায়রোতে এক বৈঠকে মিলিত হন। 
- ওই বছরের ২২-২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাবাতে ২৫টি মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনে সব রাষ্ট্রের প্রতিনিধির সিদ্ধান্তে ২৫ সেপ্টেম্বর ওআইসি গঠন করা হয়।
- মূলত আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলের অগ্নিকান্ডের প্রেক্ষিতে ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ওআইসি গঠন করা হয়।
- ২০১১ সালের ২৮ জুন ইসলামী সম্মেলন সংস্থার নাম পরিবর্তন করে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (Organization of Islamic Co-operation) রাখা হয়।

তথ্যসূত্র: i) OIC ওয়েবসাইট।
ii) Anadolu Ajansı.

.
ইউরো মুদ্রা কবে থেকে প্রবর্তিত হয়? 
  1. ১ জানুয়ারি ১৯৯৯
  2. ১ জানুয়ারি ১৯৯৮
  3. ১ নভেম্বর ১৯৯৩
  4. ১ জানুয়ারি ১৯৯৫
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি ১৯৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি ১৯৯৯
ব্যাখ্যা

• ইউরো:
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রার নাম ইউরো।
- ইউরো মুদ্রার জনক হলেন রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ সালে EU অঞ্চলে একক মুদ্রা 'ইউরো' চালু করে।
- ইউরো মুদ্রা € প্রতীক দ্বারা উপস্থাপিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৯ সালে ইউরোপের ১৪টি দেশ (অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, জার্মানি, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবুর্গ, মোনাকো, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, স্পেন, সান মারিনো এবং ভ্যাটিকান সিটি) ইউরো প্রথম ব্যবহার করে।
- পরে ইউরোপের অন্যান্য দেশ ইউরো গ্রহণ করে।
- বর্তমানে ইউরো মুদ্রা গ্রহণকারী সর্বশেষ দেশ বুলগেরিয়া। 
- প্রায় দেড় শতাব্দী পর নিজস্ব মুদ্রা লেভকে বিদায় জানিয়ে ইউরো মুদ্রা অঞ্চলের ২১তম সদস্য হিসাবে ইউরো চালু করেছে বুলগেরিয়া।
 - ১ জানুয়ারি, ২০২৬ থেকে দেশটিতে লেভের পরিবর্তে ইউরো মুদ্রা চালু করেছে।

⇒ এখন পর্যন্ত ২১টি দেশ একক মুদ্রা হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করেছে।
- দেশগুলো হল: অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, আয়ারল্যান্ড, মাল্টা, সাইপ্রাস, লিথুনিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, স্লোভেনিয়া, স্লোভাকিয়া, ইতালি,  ফিনল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও বুলগেরিয়া। 

তথ্যসূত্র: EU ওয়েবসাইট ও ইউরোপীয় কমিশন

.
বিশ্বের প্রথম সম্পূর্ণ মুক্ত আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার কোনটি?
  1. EU
  2. BENELUX
  3. MERCOSUR
  4. NAFTA
সঠিক উত্তর:
BENELUX
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BENELUX
ব্যাখ্যা

• BENELUX:
- বেনেলাক্স অর্থনৈতিক সংঘ হলো বেলজিয়াম, লাক্সেমবার্গ এবং নেদারল্যান্ডসের মধ্যে গঠিত একটি সহযোগীতা। 
- এটি পশ্চিম ইউরোপের তিনটি দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতামূলক সংগঠন।
- এর পূর্ণনাম ‘Benelux Economic Union’। 
- ১৯২১ সালে বেলজিয়াম ও লাক্সেমবার্গের মধ্যে শুরু হলেও ১৯৪৮ সালে নেদারল্যান্ডস যোগ হওয়ার পর তিন দেশের মধ্যে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য শুল্কমুক্ত হয়।
- ১৯৪৪ সালে এটি একটি কাস্টমস ইউনিয়ন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং ১৯৪৮ সালের ১ জানুয়ারি বাস্তবায়ন করা হয়।  

- ১৯৫৮ সালে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৬০ সালে কার্যকর হয়।
- এটি প্রথম সম্পূর্ণ মুক্ত আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার হিসেবে পরিচিত হয়, যেখানে পুঁজির এবং সেবার চলাচলও মুক্ত ছিল, ডাক ও পরিবহন খরচ মানসম্মত করা হয় এবং কল্যাণ নীতি সমন্বয় করা হয়।
- ১৯৭০ সালে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণও বাতিল করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- BENELUX গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন বেলজিয়ামের সাবেক শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রনায়ক Paul-Henri Spaak. 
- এর সদরদপ্তর ব্রাসেলস, বেলজিয়াম-এ অবস্থিত। 
- বর্তমানে, BENELUX-এর সদস্য দেশগুলো হলো বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, এবং লুক্সেমবুর্গ।

তথ্যসূত্র: BENELUX ওয়েবসাইট।

.
কমনওয়েলথের সদস্য হলেও ব্রিটিশ উপনিবেশ নয় এমন দেশ কোনটি?  
  1. রুয়ান্ডা
  2. সিঙ্গাপুর
  3. কানাডা
  4. জ্যামাইকা
সঠিক উত্তর:
রুয়ান্ডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুয়ান্ডা
ব্যাখ্যা

• কমনওয়েলথ:
- কমনওয়েলথ গঠনের ধারণা নেওয়া হয় ১৯২৬ সালে। 
- আধুনিক কমনওয়েলথ ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- সদর দপ্তর: লন্ডন।  
- কমনওয়েলথে দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজী। 
- ব্রিটিশ উপনিবেশে না কিন্তু কমনওয়েলথ সদস্য দেশসমূহ যথা- মোজাম্বিক, রুয়ান্ডা, গ্যাবন ও টোগো।
- পাকিস্তান ১৯৭২ সালে ত্যাগ করে আবার ১৯৮৯ সালে যোগ দেয়। 
- দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯৬১ সালে ত্যাগ করে ১৯৯৪ সালে যোগ দেয়।
- বর্তমানে কমনওয়েলথের সদস্য -৫৬টি। 
- কমনওয়েলথ এর ৫৫ তম দেশ: গ্যাবন।
- কমনওয়েলথ এর ৫৬ তম দেশ: টোগো।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথের সদস্য হয়।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য। 

উল্লেখ্য, 
- ২০২২ সালে, আফ্রিকার দুটি দেশ গ্যাবন ও টোগো Commonwealth-এ নতুন সদস্য হিসেবে যোগ দেয়।
- এই দেশ দুটির সদস্যপদ দেওয়া হয় রুয়ান্ডা সম্মেলনে, ২০২২ সালে।

তথ্যসূত্র: Commonwealth ওয়েবসাইট।

.
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (NAM) প্রথম সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. কায়রো
  2. বেলগ্রেড
  3. ইসলামাবাদ
  4. বান্দুং 
সঠিক উত্তর:
বেলগ্রেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলগ্রেড
ব্যাখ্যা

• Non-Aligned Movement (NAM):
- NAM-এর পূর্ণরূপ: Non-Aligned Movement বা জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন যা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য গঠিত হয়। 
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন পুঁজিবাদী দেশসমূহের জোট ন্যাটো এবং সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহের জোট ওয়ারশ থেকে নিরপেক্ষ হিসাবে আন্দোলনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।

- Non-Aligned Movement এর সূচনা হয় ১৮-২৪ এপ্রিল, ১৯৫৫ সালে বান্দুং সম্মেলনে (ইন্দোনেশিয়ার বান্দুং শহরে)।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১।
- বর্তমান সদস্য: ১২১টি।
- সর্বশেষ দক্ষিণ সুদান।
- NAM-এর নিজস্ব চার্টার, চুক্তি বা স্থায়ী সদর দপ্তর নেই।
- ১-৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১ সালে যুগোস্লাভিয়ার বেলগ্রেডে প্রথম NAM সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: ন্যাম ওয়েবসাইট।

.
নিচের কোন দেশটি MERCOSUR জোটের অন্তর্ভুক্ত সদস্য নয়? 
  1. আর্জেন্টিনা
  2. ব্রাজিল
  3. প্যারাগুয়ে
  4. চিলি
সঠিক উত্তর:
চিলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিলি
ব্যাখ্যা

• MERCOSUR:
- 'MERCOSUR' হচ্ছে দক্ষিণ আমেরিকার একটি বাণিজ্য গোষ্ঠী।
- প্রতিষ্ঠা: ২৬ মার্চ, ১৯৯১ সালে।
- সদর দপ্তর: মন্টিভিডিও, উরুগুয়ে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তি: ‘Treaty of Asuncion’
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারাগুয়ের রাজধানী আসুনসিয়ন
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে এবং উরুগুয়ে।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৫টি (আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে, উরুগুয়ে ও বলভিয়া)। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]
- বর্তমানে ভেনেজুয়েলার সদস্যপদ স্থগিত রয়েছে।
- বলিভারিয়ান রিপাবলিক অব ভেনেজুয়েলা উশুয়ায়ার প্রোটোকলের ৫ অনুচ্ছেদের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদের বিধান অনুসারে, MERCOSUR এর রাষ্ট্রীয় পক্ষ (State Parties) হিসাবে তার অধিকার এবং বাধ্যবাধকতা স্থগিত করা হয়েছে।
- সহযোগী সদস্য: ৭টি। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

.
আরব লীগের বর্তমান মহাসচিব কে? [জানুয়ারি, ২০২৬]  
  1. তানজিম আল-মাহদি
  2. মুহাম্মদ আলি আব্দুল
  3. আহমেদ আবুল ঘেইত
  4. ফাহদ আল-সালাহ
সঠিক উত্তর:
আহমেদ আবুল ঘেইত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহমেদ আবুল ঘেইত
ব্যাখ্যা

 • আরব লীগ: 
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর আঞ্চলিক সংগঠন।
- উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডের সমন্বয় ও বন্ধন শক্তিশালী করা।
- স্বাক্ষরিত হয়: ৭ অক্টোবর ১৯৪৪ সালে ।
- ১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ আরব লীগ গঠিত হয়।
- আলেকজান্দ্রিয়া প্রটোকল- আরব লীগের ভিত্তি।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: সাতটি দেশ, মিশর, ইরাক, জর্ডান, লেবানন, সৌদি আরব, সিরিয়া এবং উত্তর ইয়েমেন।
- সদর দপ্তর: কায়রো, মিশর।
- সদস্য দেশ: মোট ২২টি রাষ্ট্র।
- আরব লীগের বর্তমান মহাসচিব: আহমেদ আবুল ঘেইত [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]

উল্লেখ্য,
- আরব লীগ বহির্ভূত মধ্যপ্রাচ্যের দেশ: ইরান।
- অফিসিয়াল ভাষা: আরবি।

তথ্যসূত্র: Arab League ওয়েবসাইট।

১০.
আসিয়ান জোটের নবীনতম সদস্য কোনটি? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. ইন্দোনেশিয়া 
  2. ভিয়েতনাম
  3. পূর্ব তিমূর
  4. থাইল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
পূর্ব তিমূর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব তিমূর
ব্যাখ্যা

• ASEAN (Association of Southeast Asian Nations):
- আসিয়ান এর পূর্ণরূপ অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান ন্যাশনস।
- আসিয়ান হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১ দেশের একটি অর্থনৈতিক আঞ্চলিক জোট।
- এর সদস্য দেশগুলো হলো- ব্রুনেই, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, মিয়ানমার, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম এবং সদ্য যুক্ত হওয়া পূর্ব তিমুর।
- ১৯৬৭ সালে স্নায়ুযুদ্ধের সময় আসিয়ান গঠিত হয়।
- ASEAN এর সদরদপ্তর হলো জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
- আসিয়ানের ৪৭তম সম্মেলনে একাদশ সদস্য হিসেবে পূর্ব তিমুরকে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- পূর্ব তিমুর ২০০২ সালে ইন্দোনেশিয়ার কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে এবং বর্তমানে এর জনসংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]

তথ্যসূত্র:  ASEAN ওয়েবসাইট।

১১.
২০২৬ সালের G‑20 শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. রিও ডি জেনেইরো
  2. টোকিও
  3. লন্ডন
  4. মায়ামি
সঠিক উত্তর:
মায়ামি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মায়ামি
ব্যাখ্যা

• জি-২০:
- G-20 আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রধান ফোরাম।
- বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৯ সালে গঠিত হয়েছিল।
- এটি শিল্পোন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, নীতি সমন্বয় এবং বিশ্ব অর্থনীতির বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।
- বিশ্বের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৮৫ শতাংশই এই জোটের দখলে।
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৭৫ শতাংশের সঙ্গে জড়িত জি-২০ দেশগুলো।

⇒ জি-২০’র সদস্য: ২১টি।
- দেশ ১৯টি এবং জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আফ্রিকান ইউনিয়ন।
- সদস্য দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, চীন, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক।
- স্পেন স্থায়ী অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন ২২-২৩ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত হয়।
- ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো আফ্রিকান দেশে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এবারের মূল প্রতিপাদ্য ছিল 'সংহতি, সমতা ও স্থায়িত্ব'।

অন্যদিকে,
- জি-২০ জোটের সম্মেলন ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামির ‘ট্রাম্প ন্যাশনাল ডোরাল গলফ রিসোর্টে’ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যা ট্রাম্প পরিবারের মালিকানাধীন।

তথ্যসূত্র: i) Department of Foreign Affairs and Trade ওয়েবসাইট।
ii) BBC ও বাসস

১২.
RCEP সদস্য দেশগুলো সাধারণত কোন লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে? 
  1. সামরিক সহযোগিতা
  2. শুল্ক কমানো ও বাণিজ্য সহজ করা
  3. আন্তর্জাতিক শিক্ষা বিনিময়
  4. জলবায়ু পরিবর্তন রোধ
সঠিক উত্তর:
শুল্ক কমানো ও বাণিজ্য সহজ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুল্ক কমানো ও বাণিজ্য সহজ করা
ব্যাখ্যা

• RCEP:
- এর পূর্ণরূপ: Regional Comprehensive Economic Partnership.
- RCEP হলো Association of Southeast Asian Nations (ASEAN) এর সদস্য রাষ্ট্র।
- ১৫ নভেম্বর, ২০২০ স্বাক্ষরিত হয়।
- ১ জানুয়ারি, ২০২২ কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৫টি।
- ASEAN সদস্য দেশ সমূহ ১০ টি যথা:-
- ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ব্রুনাই, সিঙ্গাপুর, কম্বোডিয়া, লাওস ও মিয়ানমার।
- ASEAN সদস্য বহির্ভূত স্বাক্ষরকারী দেশ :চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড।   
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- RCEP জোটের মূল লক্ষ্য: শুল্ক কমানো ও বাণিজ্য সহজ করা। 


তথ্যসূত্র: ASEAN ওয়েবসাইট। (Link) 

১৩.
'অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা' (ECO) মূলত কোন তিনটি দেশের উদ্যোগে গঠিত হয়েছিল?
  1. ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত
  2. তুরস্ক, ইরান, পাকিস্তান
  3. ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ
  4. সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক, ইরান, পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক, ইরান, পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

• ECO:
- ECO এর পূর্ণরুপ- Economic Cooperation Organization.
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে। 
- এর সদর দপ্তর তেহরান, ইরান।
- ECO এর পূর্ব নাম Regional Co-operation for Development (RCD)
- এই সংস্থার মৌলিক লক্ষ্য হল সদস্য রাষ্ট্রগুলির যৌথ কল্যাণ।
- ECO এর অন্যতম লক্ষ্য টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের অব্যাহত প্রচারের জন্য উপযুক্ত এবং অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করা। 
- প্রতিষ্ঠাকাল সদস্য দেশ: তিনটি সদস্য দেশ যথা, ইরান, পাকিস্তান এবং তুরস্ক।
- সদরদপ্তর: তেহরান, ইরান।
- ECO এর সদস্য দেশ ১০টি। যথা- 
- ইরান, 
- পাকিস্তান, 
- তুরস্ক, 
- আফগানিস্তান, 
- কিরঘিজস্তান, 
- তুর্কেমেনিস্তান, 
- উজবেকিস্তান, 
- কাজাখস্তান, 
- আজারবাইজান এবং
- তাজিকিস্তান। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]।

তথ্যসূত্র: ECO ওয়েবসাইট। 

১৪.
OPEC–এর প্রারম্ভিক সদর দপ্তর কোথায় ছিল?
  1. ভিয়েনা
  2. জেনেভা
  3. রিয়াদ
  4. তেহরান
সঠিক উত্তর:
জেনেভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেভা
ব্যাখ্যা

• OPEC:
- OPEC এর পূর্ণরূপ: Organization of the Petroleum Exporting Countries.
- এটি পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলির সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: বাগদাদ, ইরাক।
- ১৯৬০ সালে OPEC গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫টি (ইরাক, ইরান, কুয়েত, সৌদি আরব ও ভেনিজুয়েলা)।
- বর্তমান সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- ১৯৬৫ সালের পূর্বে এর সদর দপ্তর ছিল সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।
- সদস্য দেশগুলো হলো: আলজেরিয়া, কঙ্গো, নিরক্ষীয় গিনি, গ্যাবন, ইরান, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া, নাইজেরিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভেনিজুয়েলা।

উল্লেখ্য,
- ১ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী অ্যাঙ্গোলা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে মত বিরোধের পর OPEC থেকে বেরিয়ে এসেছে।

তথ্যসূত্র: OPEC এর ওয়েবসাইট।

১৫.
শিল্পোন্নত দেশ হওয়া সত্ত্বেও কোন দেশটি G-7 এর সদস্য নয়?  
  1. চীন 
  2. জাপান
  3. জার্মানি
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
চীন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন 
ব্যাখ্যা

- শিল্পোন্নত দেশ হলেও কোন দেশটি G-7 এর সদস্য নয় চীন। 

• জি-৭:
- জি-৭ (গ্রুপ অব সেভেন) হলো বিশ্বের সাতটি প্রধান উন্নত অর্থনীতির দেশ নিয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংঘ।
- এই সদস্য দেশগুলো হলো: জাপান, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, যুক্তরাজ্য, এবং যুক্তরাষ্ট্র।
- জি-৭ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭৫ সালে, এবং এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল মাত্র ৬টি দেশ।
- বর্তমানে জি-৭ এর সদস্য সংখ্যা ৭টি, এবং এর মধ্যে জাপান একমাত্র এশীয় দেশ।
- ২০২৫ সালের  ৫১তম জি-৭ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় আলবার্টা, কানাডা।
- ৫২ তম জি-৭ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ফ্রান্সে, ২০২৬ সালে।

তথ্যসূত্র : জি- ৭ -এর ওয়েবসাইট।

১৬.
কোন দিনটি 'বিশ্ব রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস' হিসেবে পালিত হয়?
  1. ১ জানুয়ারি
  2. ৮ মে
  3. ১৫ জুন
  4. ২৬ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
৮ মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ মে
ব্যাখ্যা

• Red Cross:
- ICRM-এর পূর্ণরূপ: The International Red Cross and Red Crescent Movement সংক্ষেপে রেডক্রস নামে পরিচিত।
- এটি একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৮৬৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- প্রতিষ্ঠাতা: হেনরি ডুনান্ট।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বিশ্বব্যাপী দুস্থ মানুষের সেবা তথা যুদ্ধে আহত ও যুদ্ধবন্দি, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য ও দুঃখ লাঘবই রেড ক্রস/রেড ক্রিসেন্ট’র মূল লক্ষ্য।

উল্লেখ্য,
- হেনরি ডুনান্ট ১৮৬৩ সালে Red Cross প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি সোলফেরিনোর যুদ্ধের ভয়াবহতা প্রত্যক্ষ করে মানবিক সহায়তার জন্য এই সংগঠন গঠনের উদ্যোগ নেন।
- ১৮৫৯ সালে ইতালির সোলফেরিনোর যুদ্ধে আহত সৈন্যদের দুর্দশা দেখে হেনরি ডুনান্ট Red Cross গঠনের প্রেরণা পান।
- ১৮২৮ সালের ৮ মে রেডক্রস এর প্রতিষ্ঠাতা জীন হেনরী ডুনান্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে জন্ম গ্রহণ করেন।
- মহান এই ব্যক্তিকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করতে প্রতিবছর তাঁর জন্মদিন  ৮ মে 'বিশ্ব রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস' পালিত হয়। 

তথ্যসূত্র:  Red Cross ওয়েবসাইট।

১৭.
Human Rights Watch এর বার্ষিক রিপোর্ট কোনটি?
  1. World Human Rights Report
  2. Human Rights Annual
  3. World Report
  4. World Human Rights Outlook
সঠিক উত্তর:
World Report
উত্তর
সঠিক উত্তর:
World Report
ব্যাখ্যা

• Human Rights Watch (HRW):
- এটি যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক একটি মানবাধিকার সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৭৮, প্রাথমিক নাম Helsinki Watch
- নাম পরিবর্তন: ১৯৮৮ সালে Human Rights Watch
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- মূল উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার লঙ্ঘনের তদন্ত, গবেষণা ও প্রতিবাদ করা। 
- প্রতিবেদন: প্রতি বছর বিশ্ব মানবাধিকার প্রতিবেদন (World Report) প্রকাশ করে। 

তথ্যসূত্র: Human Rights Watch ওয়েবসাইট।

১৮.
COMESA এর আওতায় Free Trade Area (FTA) কার্যকর হয় কবে? 
  1. ১৯৯৪ সালে 
  2. ১৯৯৮ সালে 
  3. ২০০০ সালে 
  4. ২০০৪ সালে 
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে 
ব্যাখ্যা

• COMESA:
- COMESA-এর পূর্ণরূপ: Common Market for Eastern and Southern Africa.
- একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- এটি পূর্ব ও দক্ষিণ আফ্রিকার কয়েকটি দেশের বাণিজ্যিক ব্লক। 
- COMESA- এর পূর্বসূরি ছিল Preferential Trade Area (PTA)।
- যা ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- COMESA প্রতিষ্ঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৯৪।
- সদস্য সংখ্যা: ২১টি। [ব্যাখ্যা আপডেট- জানুয়ারি, ২০২৬]
- সদরদপ্তর: লুসাকা, জাম্বিয়া।
- এর লক্ষ্য: পূর্ব ও দক্ষিণ আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সংহতি ও উন্নয়ন করা।

উল্লেখ্য,
- ৩১ অক্টোবর ২০০০ সালে COMESA–এর মুক্ত বাণিজ্য এলাকা (FTA- A Free Trade Area) কার্যকর হয়।
- এই দিনে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে জিবুতি, কেনিয়া, মাদাগাস্কার, মালাউই, মরিশাস, সুদান, জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ে – এই দেশগুলো একে অপরের কাছ থেকে আমদানি করা COMESA–ভুক্ত পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ বন্ধ করে দেয়। 
-  এই শুল্ক হ্রাস কার্যক্রমটি ১৯৯২ সালে গৃহীত শুল্ক হ্রাস সূচি অনুযায়ী বাস্তবায়িত হয়।

তথ্যসূত্র: COMESA ওয়েবসাইট।

১৯.
SAARC-এর প্রথম মহাসচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন কে?
  1. গোলাম সারওয়ার
  2. সুরজ কুমার
  3. জয়ন্তী সিংহ
  4. আবুল আহসান
সঠিক উত্তর:
আবুল আহসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল আহসান
ব্যাখ্যা

• SAARC:
- SAARC-এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সদরদপ্তর: কাঠমান্ডু, নেপাল।
- বর্তমান মহাসচিব গোলাম সারওয়ার।

⇒ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৭টি।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি।
- সদস্য দেশ: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা, ভুটান, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান।
- সর্বশেষ সদস্য আফগানিস্তান ২০০৭ সালের ৩ এপ্রিল সার্কে যোগ দেয়।

⇒ SAARC-এর প্রথম মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশের আবুল আহসান।
- তিনি ১৯৮৭ সালের ১৬ জানুয়ারি থেকে ১৯৮৯ সালের ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত সার্কের প্রথম মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন।
- এছাড়াও, Q. A. M. A. Rahim সার্কের ৭ম মহাসচিব ও বাংলাদেশ থেকে ২য় মহাসচিব।

⇒ প্রথম সার্ক সম্মেলন ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ ১৮তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন ২০১৪ সালে নেপালে অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: SAARC ওয়েবসাইট।

২০.
Amnesty International-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউ ইয়র্ক
  2. জেনেভা
  3. লন্ডন
  4. ব্রাসেলস
সঠিক উত্তর:
লন্ডন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লন্ডন
ব্যাখ্যা

• Amnesty International:
- Amnesty International যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৮ মে, ১৯৬১।
- প্রতিষ্ঠাতা: ব্রিটিশ আইনজীবী পিটার বেনেনসেন।
- সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- বর্তমান মহাসচিব: অ্যাগনেস ক্যালামার্ড।
- নীতিবাক্য: "Better to light a candle than to curse the darkness" (অন্ধকারকে গালি দেওয়ার চেয়ে মোমবাতি জ্বালানো ভালো)।
- সদস্য সংখ্যা: ১০ মিলিয়ন+ (বিশ্বব্যাপী)। 

উল্লেখ্য,
- Amnesty International ১৯৭৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।

তথ্যসূত্র: Amnesty International ওয়েবসাইট।

২১.
D-8-এর সদস্য দেশ নয় কোনটি? (জানুয়ারি, ২০২৫)
  1. বাংলাদেশ
  2. পাকিস্তান
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
আফগানিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা

- আফগানিস্তান D-8-এর সদস্য দেশ নয়। 
• D-8:
- D-8 (Developing Eight) হলো মুসলিম বিশ্বের ৯টি উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার উদ্দেশ্যে গঠিত একটি জোট।
- গঠিত হয় - ১৫ জুন, ১৯৯৭ সালে।
- সদর ইস্তাম্বুল, তুরস্ক।
- সদস্য দেশ: তুরস্ক, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইরান, মিশর, নাইজেরিয়া, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, আজারবাইজান।
- বর্তমান মহাসচিব: ইসিয়াকা আব্দুল কাদির ইমাম।
- D-8 শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় - দুই বছর পর পর।

তথ্যসূত্র: Developing Eight ওয়েবসাইট।

২২.
মানবাধিকার সংস্থা CARE-এর পূর্ণরূপ - 
  1. Co-operative for Assistance and Relief Everywhere
  2. Committee for Aid and Relief Everywhere
  3. Council for Assistance and Relief Everywhere
  4. Cooperation for Aid and Relief Everywhere
সঠিক উত্তর:
Co-operative for Assistance and Relief Everywhere
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Co-operative for Assistance and Relief Everywhere
ব্যাখ্যা

 • Co-operative for Assistance and Relief Everywhere (CARE) :
- "১৯৪৫ সালের শরৎকালে এক সন্ধ্যায় কলেজ পার্ক, এমডিতে লিংকন ক্লার্কের বাড়ির পারিবারিক কক্ষে CARE নামটি তৈরি করা হয়েছিল।
- CARE International যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম মানবকল্যাণধর্মী সাহায্য সংস্থা।
- ২৭ নভেম্বর, ১৯৪৫ সালে গঠন করা হয়।
- ১৯৫২ সালে, CARE মেক্সিকোতে তার প্রথম মিশন শুরু করে।
- CARE International এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত - জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

• CARE International মূলত কাজ করে-
- দারিদ্র্য দূরীকরণ,
- সংকট
- খাদ্য এবং জল,
- নারী শিক্ষা এবং দক্ষতা,

তথ্যসূত্র: CARE website.

২৩.
GCC (Gulf Cooperation Council) কোন অঞ্চলের দেশগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে?
  1. লোহিত সাগরের তীরবর্তী
  2. পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী
  3. ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী
  4. ক্যাস্পিয়ান সাগরের তীরবর্তী
সঠিক উত্তর:
পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী
ব্যাখ্যা

 • জিসিসি (GCC): 
- গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল। 
- GCC (Gulf Cooperation Council) হলো পারস্য উপসাগর তীরবর্তী আরব উপদ্বীপের দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক ও অর্থনেতিক জোট।
- সদস্য দেশসমূহ: মোট ৬টি রাষ্ট্র।  [ব্যাখ্যা আপডেট- জানুয়ারি, ২০২৬]
- সৌদি আরব, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, ওমান। 
- প্রতিষ্ঠা: মে ১৯৮১, রিয়াদ, সৌদি আরব। 
- সভাপতিত্ব: প্রতিবছর Rotation Basis রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করে।
- সদস্যদের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার ও নাগরিকদের সহযোগিতা বাড়ানোই জোটের প্রধান লক্ষ্য। 
- Supreme Council: রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে গঠিত। 
- প্রতিবছর বৈঠক হয়
- পররাষ্ট্র মন্ত্রী বা সরকার প্রতিনিধি: তিন মাসে একবার বৈঠক।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ।

২৪.
‘সেইভ দ্যা চিলড্রেন’ দাতব্য সংস্থাটি মূলত কোন দেশভিত্তিক? 
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাজ্য
  4. সুইডেন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

• Save the Children:
- যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা।
- কার্যক্ষেত্র: শিশুরা যেন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যুদ্ধ ও সংঘাতের শিকার না হয় তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে কাজ করছে।
- প্রতিষ্ঠাতা: Eglantyne Jebb. 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কারণে ইউরোপের বহু দেশের শিশুদের দুর্দশা দেখে ব্রিটিশ নারী নাগরিক Eglantyne Jebb এই সংগঠন গড়ে তোলেন।
- প্রতিষ্ঠা: ১৫ এপ্রিল, ১৯১৯।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।

তথ্যসূত্র: সেইভ দ্যা চিলড্রেন ওয়েবসাইট।

২৫.
'Big Bang' তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন কে?
  1. আইজ্যাক নিউটন
  2. স্টিফেন হকিং
  3. রিচার্ড ফেইম্যান
  4. নীলস বোর
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
ব্যাখ্যা

• 'Big Bang' তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন – স্টিফেন হকিং।

- মহাবিশ্ব একটি বিন্দুতে ছিল, হঠাৎ এক মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এটি বিগ ব্যাং থিওরি নামে পরিচিত।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)। জি ল্যামেটার বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী।

• স্টিফেন হকিং:
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন – স্টিফেন হকিং।
- স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন প্রথিতযশা পদার্থবিজ্ঞানী।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সংম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই – A Brief History of Time।
- তাই বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার এবং বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।

• তাঁর রচিত বইসমূহ:
- The Universe in a Nutshell,
- The Grand Design.

উৎস: ব্রিটানিকা

২৬.
গ্রীনিচ মান সময় থেকে বাংলাদেশ কত ঘন্টা এগিয়ে?
  1. ৬ ঘণ্টা
  2. ৫ ঘণ্টা ৩০ মিনিট
  3. ১০ ঘণ্টা
  4. ৮ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা

• গ্রীনিচ মান সময়: 
- লন্ডনের গ্রীনিচ মানমন্দিরের উপর দিয়ে অতিক্রান্ত ০° দ্রাঘিমারেখা (মূল মধ্যরেখা) অনুযায়ী নির্ধারিত সময়কে গ্রীনিচ মান সময় (GMT) বলা হয়।
- গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ৬ ঘণ্টা আগে। 
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। 
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রীনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রীনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ × ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা। 
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে। 
- গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৭.
বিবর্তন সম্পর্কিত বিদ্যাকে কী বলা হয়? 
  1. Cytology
  2. Evolution
  3. Embryology
  4. Entomology
সঠিক উত্তর:
Evolution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Evolution
ব্যাখ্যা

• বিবর্তন: 
- চার্লস ডারউইনকে বিবর্তনবাদের জনক বলা হয়।
- ল্যাটিন শব্দ 'Evolveri' থেকে বিবর্তন শব্দটি এসেছে।
- ইংরেজ দার্শনিক ও শিক্ষাবিদ হার্বার্ট স্পেনসার প্রথম ইভোলিউশন বা বিবর্তন কথাটি ব্যবহার করেন।
- বিবর্তন সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয়- Evolution. 

উল্লেখ্য, 
- কোষ সম্পর্কিত বিদ্যা বা কোষের গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনাকে বলা হয় Cytology,
- কীটপতঙ্গ সম্পর্কিত বিজ্ঞান বা পতঙ্গতত্ত্বকে বলা হয় Entomology,
- ভ্রুণ সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয় Embryology, 
- অণুজীব বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় Microbiology, 
- ছত্রাক সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয় Mycology. 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২৮.
পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে সমানভাবে বিভক্তকারী রেখাটির নাম কী?
  1. বিষুবরেখা
  2. কর্কটক্রান্তি রেখা
  3. দ্রাঘিমাংশ
  4. মকরক্রান্তি রেখা
সঠিক উত্তর:
বিষুবরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষুবরেখা
ব্যাখ্যা

• পৃথিবীকে উত্তর-দক্ষিণে বিভক্তকারী বৃত্তাকার রেখাটিকে নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে।

- ভূ-পৃষ্ঠের যেকোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে এবং যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে।
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা বলা হয়।
- দক্ষণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা বলা হয়।
- ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে সুমেরু বৃত্ত বলা হয়।
- ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরু বৃত্ত বলা হয়।
- পৃথিবী নিজ অক্ষে ২৩.৫° কোণে হেলে আছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯.
ট্রানজিস্টরে অর্ধপরিবাহী হিসেবে ব্যবহৃত হয় কোনটি?
  1. লোহা
  2. জার্মেনিয়াম
  3. ম্যাঙ্গানিজ
  4. কার্বন
সঠিক উত্তর:
জার্মেনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মেনিয়াম
ব্যাখ্যা

• ট্রানজিস্টরে অর্ধপরিবাহী হিসেবে জার্মেনিয়াম, সিলিকন ব্যবহৃত হয়।

• ট্রানজিস্টর:
- ১৯৪৮ সালে জে. বার্ডিন ও ডব্লিউ. এইচ. ব্রাটেইন ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন।
- তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যন্ত্রে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- ইলেকট্রিক সার্কিট বা বর্তনীতে ট্রানজিস্টর বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- যে যন্ত্র এর অন্তর্গামীতে প্রদত্ত সংকেত বহির্গামীতে বিবর্ধিত করে তাকে অ্যামপ্লিফায়ার বলে।
- ট্রানজিস্টর দুই ধরনের। যথা- n-p-n এবং p-n-p ।  

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
২. পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০.
নিচের কোনটি মৌলিক বল নয়?
  1. মহাকর্ষ বল
  2. স্থিতিস্থাপক বল
  3. সবল নিউক্লিয় বল
  4. তড়িৎ চৌম্বকীয় বল
সঠিক উত্তর:
স্থিতিস্থাপক বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থিতিস্থাপক বল
ব্যাখ্যা

• স্থিতিস্থাপক বল কোনো মৌলিক বল নয়। এটি মূলত পদার্থের অভ্যন্তরে অণু-পরমাণুর মধ্যকার তড়িৎ চৌম্বকীয় বলের একটি সামষ্টিক রূপ যা বস্তুর বিকৃতিকে বাধা দেয়।

• মৌলিক বল:
- যা কোন স্থির বস্তুতে প্রয়োগ করলে তা গতিশীল হয় বা কোন গতিশীল বস্তুর উপর প্রয়োগ করলে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায় তাকে বল বলে।
- প্রকৃতিতে ৪টি বল আছে যাদের অন্য কোন বলে বিশ্লেষণ করা যায় না তাদেরকে মৌলিক বল বলে। যথা-

১. মহাকর্ষ বল,
২. তড়িৎ চৌম্বকীয় বল,
৩. সবল নিউক্লিয় বল এবং
৪. দূর্বল নিউক্লিয় বল।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।

৩১.
সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সামুদ্রিক ঢেউকে কী বলে?
  1. সুনামি
  2. হারিকেন
  3. টর্নেডো
  4. জলোচ্ছ্বাস
সঠিক উত্তর:
সুনামি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামি
ব্যাখ্যা

• সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সামুদ্রিক ঢেউকে সুনামি বলে।

• সুনামি:
- Tsunami একটি জাপানি শব্দ। যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ। অর্থাৎ সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- সমুদ্রতলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা সুনামি সৃষ্টি করতে পারে।
- সুনামিকে পৃথিবীর তৃতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
- সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়।
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্বরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে।
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প।
- ইউরেশিয়ান প্লেট ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেটের সংঘর্ষে সৃষ্টি হওয়া এই মারাত্মক ভূমিকম্পটি ছিল রিখটার স্কেলে নয় মাত্রার।
- এই জলোচ্ছাসে তিন লাখের মতো মানুষ নিহত হয় যার মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রার আচেহ প্রদেশেই নিহত হয়েছে এক লাখ মানুষ।
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায়।
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে।
- ১৭৬২ সালের ২ এপ্রিল বঙ্গোপসাগরের আরাকান অঞ্চলে সংঘটিত একটি ভূমিকম্প থেকে সৃষ্ট সুনামি বাংলাদেশে আঘাত এনেছিল।

অন্যান্য অপশন:
- হারিকেন হলো মূলত গ্রীষ্মমন্ডলীয় শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় যা বায়ুমণ্ডলীয় চাপের পার্থক্যের কারণে সমুদ্রের উপরে তৈরি হয়।
- টর্নেডো হলো স্থলভাগের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক সংকীর্ণ ও ঘূর্ণায়মান বায়ুস্তম্ভ যা মেঘ থেকে মাটির দিকে বিস্তৃত হয়।
- জলোচ্ছ্বাস হলো ঘূর্ণিঝড় বা বায়ুমণ্ডলীয় নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্রের পানির অস্বাভাবিক স্ফীতি যা উপকূলে আছড়ে পড়ে কিন্তু এটি ভূমিকম্প সৃষ্ট নয়।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩২.
নিচের কোনটি সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র?
  1. Proxima Centauri
  2. Vega
  3. Sirius
  4. Mars
সঠিক উত্তর:
Proxima Centauri
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Proxima Centauri
ব্যাখ্যা

• সূর্যের সবচেয়ে নিকটতম নক্ষত্র হলো Proxima Centauri (প্রক্সিমা সেন্টারাই)।

• প্রক্সিমা সেন্টারাই:
- ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দে স্কটিশ জ্যোতির্বিদ ও দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের ইউনিয়ন অবজারভেটরির পরিচালক রবার্ট আইনেস এই নক্ষত্রটি পর্যবেক্ষণ করেন।
- তিনি নক্ষত্রটি "প্রক্সিমা সেন্টারাই" নামকরণের প্রস্তাব দেন (মূলত প্রক্সিমা সেন্টারাস)।
- পৃথিবী থেকে এটির দূরত্ব প্রায় ৪.২ আলোকবর্ষ।
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো রয়েছে তাদের নক্ষত্র বলা হয়। সূর্য এরূপ একটি নক্ষত্র।
- অর্থাৎ সূর্য ব্যতীত পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারাই।

• নক্ষত্র:
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজের আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে। মহাকাশে অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে।
- সূর্য এরূপ একটি নক্ষত্র।
- সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড।
- নক্ষত্রগুলো হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিণ্ড, এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- এই গ্যাস অতি উচ্চ (প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় জ্বলছে।
- সূর্যের প্রখর আলোর জন্য দিনের বেলায় অন্যান্য নক্ষত্র দেখা যায় না ।
- পৃথিবী থেকে দেখলে মনে হয় নক্ষত্রগুলো যেন একই সমতলে অবস্থান করছে।
- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়।
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে।
- এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে।

অন্যান্য অপশন:
- Vega বা অভিজিৎ নক্ষত্রটি পৃথিবী থেকে প্রায় ২৫ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।
- Sirius বা লুব্ধক আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র হলেও এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৮.৬ আলোকবর্ষ দূরে যা প্রক্সিমা সেন্টারাইয়ের দ্বিগুণ।
- Mars বা মঙ্গল কোনো নক্ষত্র নয় বরং এটি সৌরজগতের একটি গ্রহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৩.
বায়ুমণ্ডলে কোন উপাদানটির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. হিলিয়াম
  3. জলীয়বাষ্প
  4. নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

• বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি থাকে নাইট্রোজেন।

• বায়ুমণ্ডল:
- পৃথিবী পৃষ্টের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য আবরণ রয়েছে তাকে বায়ুমণ্ডল বলে।
- বায়ুমণ্ডল মধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তণ করে।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমন্ডল বিস্তৃত ।
- ভূ-পৃষ্ঠের প্রধান দুটি উপাদান নাইট্রোজেন আবং অক্সিজেন।

• বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহ:

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে 'ওজন স্তর' অবস্থিত?
  1. ট্রপোস্ফিয়ার
  2. আয়নোস্ফিয়ার
  3. মেসোস্ফিয়ার
  4. স্ট্রাটোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা

• বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরে 'ওজন স্তর' অবস্থিত।

• ওজন স্তর:
- বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার নামক স্তরে ওজোন নামক গ্যাসের একটি পাতলা স্তর রয়েছে, একে ওজোন স্তর বলে।
- ওজোন স্তর পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলকে সূর্যরশ্নির অতিবেগুনি রশ্নি থেকে রক্ষা করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ ওজোন স্তরের ক্ষতি করে, তবে সিএফসি গ্যাস প্রত্যক্ষভাবে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে।
- পারমাণবিক বিস্ফোরণ, মিথেন গ্যাস, বিমান চলাচল ইত্যাদি কারণে ওজোন স্তরের ক্ষতি হচ্ছে।
- ওজোন স্তরের ক্ষতির কারণে অতিবেগুনি রশ্নির প্রভাবে ত্বকের ক্যান্সার হতে পারে।
- ওজোন স্তরের ক্ষয়রোধে গ্রিন হাউস গ্যাসের ব্যবহার কমাতে হবে, নাইট্রোজেন সমৃদ্ব রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমাতে হবে এবং বনভূমি সংরক্ষণ ও বৃদ্বি করতে হবে।

অন্যান্য অপশন:
- ট্রপোস্ফিয়ার: বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন ও ঘনতম স্তর যেখানে মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা ও যাবতীয় আবহাওয়াগত পরিবর্তন সংঘটিত হয়।
- আয়নোস্ফিয়ার: বায়ুমণ্ডলের উপরের একটি স্তর যেখানে গ্যাসগুলো আয়নিত অবস্থায় থাকে এবং যা বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত করে।
- মেসোস্ফিয়ার: স্ট্রাটোস্ফিয়ারের উপরের স্তর যেখানে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে তাপমাত্রা হ্রাস পায় এবং মহাকাশ থেকে আসা উল্কাগুলো পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫.
এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে কোনটি?
  1. ইনডাক্টর
  2. রেকটিফায়ার
  3. ট্রান্সফরমার
  4. ইনভার্টার
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা

• রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।
অন্যদিকে,
- ইনডাক্টর হলো একটি ইলেকট্রনিক উপাদান যা চুম্বকীয় ক্ষেত্রে শক্তি সঞ্চয় করে এবং এসি প্রবাহের পরিবর্তনে বাধা দেয়।
- ট্রান্সফরমার কেবল এসি ভোল্টেজের মান কমায় বা বাড়ায় কিন্তু প্রবাহের প্রকৃতি এসি থেকে ডিসিতে পরিবর্তন করতে পারে না।
- ইনভার্টার রেকটিফায়ারের ঠিক বিপরীত কাজ করে অর্থাৎ এটি ডিসি বিদ্যুৎকে এসি বিদ্যুতে রূপান্তর করে।

• রেকটিফায়ার:
- যে পদ্ধতিতে পরিবর্তী প্রবাহকে (A.C) একমুখী (D.C) প্রবাহে পরিবর্তন করে তাকে একমুখীকরণ বা রেকটিফিকেশন (Rectification) বলে এবং যে বর্তনীর সাহায্যে এ ক্রিয়া সম্পাদন করা হয় তাকে বলা হয় একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (Rectifier)।
- একমুখীকারক দুই প্রকার। যথা-
(ক) অর্ধতরঙ্গ একমুখীকারক এবং
(খ) পূর্ণ তরঙ্গ একমুখীকারক।

• ডায়োড:
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না।
- সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode.
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়।
- এটি মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, শাহজাহান তপন।

৩৬.
সর্বপ্রথম 'কৃষ্ণগহ্বর (Black Hole)' শব্দটি ব্যবহার করেন কে?
  1. গ্যালিলিও
  2. স্টিফেন হকিং
  3. জোহানেস কেপলার
  4. জন হুইলার
সঠিক উত্তর:
জন হুইলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন হুইলার
ব্যাখ্যা

• বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম 'কৃষ্ণগহ্বর' শব্দটি ব্যবহার করেন।

• কৃষ্ণগহ্বর:
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল।
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম। ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
- একটি মিল্কীওয়েতে ১০০ মিলিয়নের বেশি ব্ল্যাকহোল থাকতে পারে।
- মহাকাশে কৃষ্ণগহব্বর থাকার কথা প্রথম ধারণা করেন - আলবার্ট আইনস্টাইন। ১৯১৬ সালে তিনি তাঁর general theory of relativity তে এই ধারণা তুলে ধরেন।
- আমেরিকান মহাকাশ বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম ১৯৬৭ সালে "black hole" শব্দটি ব্যবহার করেন। তিনিই মূলত কৃষ্ণগহবরের আবিষ্কারক।
- ২০১৯ সালে প্রথম ব্ল্যাক হোলের ছবি তুলতে সক্ষম হয় Event Horizon Telescope (EHT).

উৎস: নাসা এবং ব্রিটানিকা।

৩৭.
নিম্নের কোনটি লবণাক্ত পানির উৎস? 
  1. উপসাগর
  2. বৃষ্টি
  3. ভূগর্ভস্থ পানি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপসাগর
ব্যাখ্যা

• উপসাগর হলো সমুদ্র বা মহাসাগরের একটি অংশ যা স্থলভাগের দিকে প্রসারিত থাকে। সাগর বা উপসাগরের পানিতে সোডিয়াম ক্লোরাইড, ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইডসহ বিভিন্ন লবণের উপস্থিতির কারণে এটি লবণাক্ত হয়।

• বারিমণ্ডল: 
- 'Hydrosphere'-এর বাংলা প্রতিশব্দ বারিমণ্ডল। 
- 'Hydro' শব্দের অর্থ পানি এবং 'Sphere' শব্দের অর্থ মণ্ডল। 
- পৃথিবীর সর্বত্র রয়েছে পানি, এ বিশাল জলরাশি পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থায় থাকে যেমন- কঠিন (বরফ), গ্যাসীয় (জলীয়বাষ্প) এবং তরল। বায়ুমণ্ডলে পানি রয়েছে জলীয়বাষ্প হিসেবে, ভূপৃষ্ঠে রয়েছে তরল ও কঠিন অবস্থায় এবং ভূপৃষ্ঠের তলদেশে রয়েছে ভূগর্ভস্থ তরল পানি। 
- বারিমণ্ডল বলতে বোঝায় পৃথিবীর সকল জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ। 
- পৃথিবীর সকল জলরাশির শতকরা ৯৭ ভাগ পানি রয়েছে সমুদ্রে (মহাসাগর, সাগর ও উপসাগর) এবং মাত্র ৩ ভাগ পানি রয়েছে নদী, হিমবাহ, ভূগর্ভস্থ, হ্রদ, মৃত্তিকা, বায়ুমণ্ডল ও জীবমণ্ডলে। 
- পৃথিবীর সমস্ত পানিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- লবণাক্ত ও মিঠা পানি। 
- পৃথিবীর সকল মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের জলরাশি লবণাক্ত এবং নদী, বৃষ্টির পানি, হ্রদ ও ভূগর্ভস্থ পানি মিঠা পানির উৎস। 

- জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ ও শতকরা হার হচ্ছে- 
• সমুদ্র = ৯৭.২৫, 
• হিমবাহ = ২.০৫, 
• ভূগর্ভস্থ পানি = ০.৬৮, 
• হ্রদ = ০.০১, 
• মাটির আর্দ্রতা = ০.০০৫, 
• বায়ুমণ্ডল = ০.০০১, 
• নদী = ০.০০০১ এবং 
• জীবমণ্ডল = ০.০০০০৪ ইত্যাদি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৮.
ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণ সাধারণত কোথায় ঘটে? 
  1. ভূপৃষ্ঠের কেন্দ্রস্থলে
  2. টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে
  3. সমুদ্রপৃষ্ঠের ঠিক নিচে
  4. মহাদেশীয় সমভূমির মধ্যভাগে
সঠিক উত্তর:
টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে
ব্যাখ্যা

• পৃথিবীর ভূত্বক কতগুলো বড় বড় শিলাখণ্ড বা প্লেট (Tectonic Plates) দ্বারা গঠিত। এই প্লেটগুলোর সীমানায় যখন সংঘর্ষ হয় বা একটি অন্যটি থেকে দূরে সরে যায়, তখন সেই অস্থিরতার কারণে ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে।

• প্লেট টেকটোনিক তত্ত্ব: 

- এই তত্ত্বের মূল ধারণা হলো, ভূ-পৃষ্ঠের নিচে পৃথিবীর শিলামণ্ডল কতগুলো অংশে বা খণ্ডে বিভক্ত, এগুলোকে প্লেট বলা হয়। 
- এই প্লেটগুলো গুরুমণ্ডলের আংশিক তরল অংশের উপরে ভাসমান অবস্থায় আছে। 
- এই প্লেটগুলো প্রতিবছরে কয়েক সেন্টিমিটার কোনো একদিকে সরে যায়। 
- প্লেটগুলো কখনও একটি থেকে আরেকটি দূরে সরে যায়। আবার কখনও কখনও একে অন্যের দিকে আসে। 
- কখনও কখনও প্লেটগুলো বছরে কয়েক মিলিমিটার উপরে ওঠে বা নিচে নামে। 

- প্লেট টেকটোনিক তত্ত্ব দ্বারা ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণ ব্যাখ্যা করা যায়। 
- দুইটি টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা ঘটে। 
- প্লেটগুলোর সংযোগস্থলে উঁচু পর্বত থাকলে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা আরও বাড়ে। 
- ধারণা করা হয়, প্লেটগুলো একটি আরেকটির সাথে ঘষা বা ধাক্কা খেলে সেখানে প্রচুর তাপ সৃষ্টি হয়। - তাপে ভূ-অভ্যন্তরের পদার্থ গলে যায়। এ গলিত পদার্থ চাপের ফলে নিচ থেকে ভূ-পৃষ্ঠ ভেদ করে বেরিয়ে আসে। একেই আগ্নেয়গিরির উদগীরণ বলে। 
- বেরিয়ে আসা গলিত তরল পদার্থ ম্যাগমা নামে পরিচিত। 
- একইভাবে প্লেটগুলো একটি অন্যটির সাথে ধাক্কা খেলে পৃথিবী কেঁপে ওঠে। একেই ভূমিকম্প বলে। - আজকাল বাংলাদেশেও ভূমিকম্প সংঘটিত হচ্ছে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৩৯.
ফোটন কণা কোন ধরনের বল বহন করে? 
  1. মহাকর্ষ বল
  2. তড়িৎচৌম্বক
  3. সবল নিউক্লীয় বল
  4. দুর্বল নিউক্লীয় বল
সঠিক উত্তর:
তড়িৎচৌম্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎচৌম্বক
ব্যাখ্যা

• ফোটন: 
- ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। 
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)। 
- প্রতিটি কোয়ান্টা আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল। 
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলো, তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ তরঙ্গধর্মী নয়, বরং এক ধরণের কণার স্রোত, এই কণার নাম ফোটন (Photon)। 
- প্রতিটি ফোটন কণাই তড়িৎ নিরপেক্ষ। 
- নিউটনীয় বলবিদ্যায় ফোটনের ভর ব্যাখ্যা করা যায় না। ফোটনের যে ভর আছে এই ধারণা বর্জনীয়। সহজে বলা যায়, ফোটনের স্থির ভর শূন্য। 

উল্লেখ্য:
- ভরের আকর্ষণ বা মহাকর্ষ বলের বাহক কণা হলো গ্র্যাভিটন।
- নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রনকে আবদ্ধকারী সবল নিউক্লীয় বলের বাহক হলো গ্লুয়ন।
- তেজস্ক্রিয় ক্ষয়ের জন্য দায়ী দুর্বল নিউক্লীয় বলের বাহক হলো W ও Z বোসন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪০.
দুর্যোগ প্রশমন বলতে কী বোঝায়? 
  1. দুর্যোগ পরবর্তী উদ্ধার অভিযান
  2. আবহাওয়ার পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ
  3. দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস
  4. দুর্যোগ পরবর্তী ত্রাণ বিতরণ
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ প্রশমন (Mitigation): 
- দীর্ঘ সময়ব্যাপী নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস করা এবং দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহন করাকে দুর্যোগ প্রশমন বলে। 
- মজবুত পাকা ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, ভূমি ব্যবহারে বিপর্যয় হ্রাসের কৌশল অবলম্বন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় লোক স্থানান্তর ইত্যাদি কার্যক্রম দুর্যোগ প্রশমনের আওতাভুক্ত।
- দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ প্রশমন ব্যয়বহুল হলেও সরকার সীমিত সম্পদের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদী খনন, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, বনায়ন ইত্যাদি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪১.
'গর্জনশীল চল্লিশ (Roaring Forties)' অঞ্চলটি কোন অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত?
  1. ৪৫° থেকে ৫৭° উত্তর
  2. ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ
  3. ৩০° থেকে ৩৫° দক্ষিণ
  4. ৫০° থেকে ৬০° উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ
ব্যাখ্যা

• দক্ষিণ গোলার্ধে ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্য দিয়ে পশ্চিমা বায়ু কোনো বাধা ছাড়াই উন্মুক্ত সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রচণ্ড বেগে প্রবাহিত হয়। এই বায়ুর তীব্র আওয়াজের কারণেই একে 'গর্জনশীল চল্লিশ' বলা হয়।

• পশ্চিমা বায়ু: 
- উত্তর গোলার্ধের দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে পশ্চিম বায়ু প্রবাহিত হয়। 
- ৩০° অক্ষাংশে কিছু বায়ু পৃথিবীর গা-ঘেঁষে মেরুর দিকে ৬০° অক্ষাংশ পর্যন্ত পৌঁছালে মেরু এলাকা থেকে আগত শীতল ও ভারী বায়ু মুখোমুখি হয়। 
- এসময় অপেক্ষাকৃত উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরের দিকে উঠে গেলেও এর এক অংশ মেরুবৃত্তের নিম্নচাপে প্রবাহিত হয় বলেই একে পশ্চিমা বায়ু বলা হয়। 
- উত্তর গোলার্ধের বিশাল স্থলভাগের জন্য স্থানীয়ভাবে পশ্চিমা বায়ু পরিবর্তনশীল। 
- আবার দক্ষিণ গোলার্ধে জলাবিস্তৃতি ভূমিরূপের কারণেই পশ্চিমা বায়ু প্রবলভাবে প্রবাহিত হয় এবং এ কারণেই এই বায়ুপ্রবাহের ধরণকে তখন বলা হয় প্রবল পশ্চিমা বায়ু। 
- ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সব থেকে বেশি বলেই এই অঞ্চলের নামকরণ করা হয়েছে গর্জনশীল চল্লিশ (Roaring Forties)। 

- নিরক্ষীয় শান্ত বলয়ের মত ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়েও দুটি শান্ত বলয়ের সৃষ্টি হয়। 
- ৩০° থেকে ৫০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে দুটি ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়ের অবস্থান রয়েছে। 
- বায়ু নিম্নদিকে প্রবাহিত হয় বলেই এই অঞ্চলে আনুভূমিক বায়ু অনুভব করা যায় না। 
- প্রাচীনকালে আটলান্টিক মহাসাগরের উপর দিয়ে জাহাজ প্রবাহিত হবার সময় ইউরোপ থেকে আমেরিকায় অশ্ব ও অন্যান্য পশু রপ্তানি করে নিয়ে যেত। 
- কিন্তু এই অঞ্চলের বায়ু প্রবাহের জন্য বাতাসের গতি যখন মন্থর হয়ে যেতো নাবিকরা তখন খাদ্য ও পানীয় জলের অনেক অভাবে তাদের অশ্বগুলো সমুদ্রে ফেলে দিতো। এ জন্য আটলান্টিক মহাসাগরের ক্রান্তীয় শান্ত বলয়কে অশ্ব অক্ষাংশ (Horse Latitude) বলে। 
- উত্তর গোলার্ধে ৩০° থেকে ৩৫° উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত অঞ্চলটিতে শীতকালেও পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪২.
আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য কয়টি? 
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. ছয়টি
সঠিক উত্তর:
দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি
ব্যাখ্যা

• ১৯০৫ সালে আলবার্ট আইনস্টাইন তার 'বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব' (Special Theory of Relativity) প্রদানের সময় দুটি মূল প্রস্তাবনা বা স্বীকার্যের ওপর ভিত্তি করে এটি প্রতিষ্ঠিত করেন।

• বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব: 
- বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব মূলত স্থির জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে সমবেগে গতিশীল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর কোনো ঘটনা বা কোনো ভৌত রাশির পরিমাপ সংক্রান্ত আলোচনা। 
- ভর, সময়, দৈর্ঘ্য, বেগ ও শক্তির আপেক্ষিকতা ইত্যাদি বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত। 

বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য: 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত। 
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের এই দুইটি স্বীকার্য প্রদান করেন। 
যথা - 
১। প্রথম স্বীকার্য: 
- স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে। 

২। দ্বিতীয় স্বীকার্য: 
- শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৩.
ট্রানজিস্টর কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়? 
  1. একমুখীকরণে
  2. বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চয় করতে
  3. বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে
  4. উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে রূপান্তরে
সঠিক উত্তর:
বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে
ব্যাখ্যা

• ট্রানজিস্টর একটি অর্ধপরিবাহী যন্ত্র যা মূলত দুর্বল সংকেতকে শক্তিশালী করতে (বিবর্ধক বা Amplifier) এবং ইলেকট্রনিক সার্কিটে বিদ্যুৎ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে (সুইচ বা Switch) ব্যবহৃত হয়।

• ট্রানজিস্টর: 
- ট্রানজিস্টরে তিনটি টার্মিনাল থাকে। 
যথা: এমিটার, বেস এবং কালেক্টর। 
- ট্রানজিস্টর হলো তিন প্রান্ত (Terminal) বিশিষ্ট একটি ডিভাইস (Device)। 
- ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় বেল ল্যাবরেটরীতে প্রথম এর আবিষ্কার হয়। 
- আবিষ্কারের পর থেকেই ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক জগতে বিপ্লবের সৃষ্টি করেছে। 
- ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির এটি একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। 
- বিবর্ধক (Amplifier) হিসেবে এর ব্যবহার সর্বাধিক। 
- সাধারণ ট্রানজিস্টরে ইলেকট্রন এবং হোল উভয় ধরনের চার্জ বাহক থাকে বলে একে বাইপোলার ট্রানজিস্টর বলে।
- ইলেকট্রনিক বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়। 

অন্যান্য অপশন:
- একমুখীকরণে বা এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করতে মূলত ডায়োড ব্যবহৃত হয়।
- বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চয় করতে ধারক বা ক্যাপাসিটর ব্যবহৃত হয় যা বৈদ্যুতিক আধান ধরে রাখে।
- উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে রূপান্তরে ট্রান্সফর্মার (Step-down) ব্যবহার করা হয় যা মূলত এসি বিভব পরিবর্তন করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৪.
চন্দ্র, সূর্য এবং পৃথিবী সমকোণে অবস্থান করে কখন?
  1. মরা কটালের সময়
  2. তেজ কটালের সময়
  3. গৌণ জোয়ারের সময়
  4. মুখ্য জোয়ারের সময়
সঠিক উত্তর:
মরা কটালের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরা কটালের সময়
ব্যাখ্যা

• যখন চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সাথে পরস্পর সমকোণে বা ৯০° অবস্থানে থাকে, তখন চাঁদের আকর্ষণ বল এবং সূর্যের আকর্ষণ বল একে অপরের ওপর লম্বভাবে কাজ করে। এর ফলে জোয়ারের পানি খুব বেশি ফুলে ওঠে না, যাকে মরা কটাল বলা হয়।

• জোয়ার-ভাটা:
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- এর কারণ মূলত দুটি যা চন্দ্র-সূর্যের আকর্ষণ শক্তি (যা মূলত মহাকর্ষ শক্তি) এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তি।
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাঁটা সংঘটিত হয়
- জোয়ার ভাটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। যথা -

১. মুখ্য জোয়ার:
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়।
- এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরুপে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে।

২. গৌণ জোয়ার:
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়।
- এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে।

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল:
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে।

৪. মরা কটাল:
- সূর্যের আকর্ষণের কারণে চন্দ্রের দিকে পানি অধিক স্ফীত হতে পারে না, এই ধরনের জোয়ারকে মরা জোয়ার বা মরা কটাল বলে।
- অষ্টমী ও একবিংশ তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য সমান্তরাল না থেকে উভয়ই পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে।
- তখন চন্দ্রের আকর্ষণে যেখানে জোয়ার হয় সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাঁটা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।