• বাংলাদেশের সাংবিধানিক নামের ইংরেজি পাঠ- 'The People's Republic of Bangladesh.'
বাংলাদেশ সংবিধানের ১ অনুচ্ছেদে আছে, বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যাহা “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ” নামে পরিচিত হইবে৷
Article 1: The Republic- Bangladesh is a unitary, independent, sovereign Republic to be known as 'the People's Republic of Bangladesh.'
২.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদে কয় ধরণের আটকের বিধান আছে?
ক
৩ ধরণের
খ
২ ধরণের
গ
১ ধরণের
ঘ
৪ ধরণের
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদঃ ৩৩ গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ-
সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদে ২ ধরণের আটকের বিধান আছে-
১. কোন অপরাধ প্রকৃতপক্ষে সংঘটনের পর অথবা কোন অপরাধ সংঘটনের প্রচেষ্টার পর যদি উক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়, তাহলে সেটা হবে শাস্তিমূলক আটক [Punitive Detention];
২. অন্যদিকে, কোন ব্যাক্তি অপরাধ করতে পারে এমন সম্ভাবনা থাকলে, তাকে উক্ত অপরাধ সংঘটন হতে বিরত রাখার জন্য জন্য আটক করা হয় তাহলে সেটা হবে নিবর্তনমূলক আটক [Preventive Detention]।
⇒ শাস্তিমূলক আটক এর ক্ষেত্রে আটককৃত ব্যক্তির অধিকার:
সংবিধানের ৩৩ এর ১ ও ২ অনুচ্ছেদে শাস্তিমূলক আটক ও গ্রেফতারের ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে ৪ টি অধিকার দেওয়া হয়েছে। যথা: ১) যথাসম্ভব শীয় গ্রেপ্তারের কারণ জানার; ২) আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করে আত্মপক্ষ সমর্থন করার; ৩) ২৪ ঘন্টায় মধ্যে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করা; ৪) ২৪ ঘন্টার বেশি সময় আটক না রাখা।
উপরে উল্লেখিত অধিকার নিম্নলিখিত ২ শ্রেণীর ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। যথাঃ ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; খ) যাকে নিবর্তনমূলক আটক [Preventive Detention] আটকের বিধানসংবলিত কোন আইেনর অধীন গ্রেপ্তার করা হয়েছে বা আটক করা হয়েছে। যেমন বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর অধীন ক্ষতিকর কোন কাছের জন্য কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হলে সে উপরে উল্লেখিত অধিকারগুলো পাবে না।
⇒ নিবর্তনমূলক আটক এর ক্ষেত্রে আটককৃত ব্যক্তির অধিকার:
৩৩ (৪) অনুচ্ছেদে নিবর্তনমূলক আটকের ক্ষেত্রে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পর্ষদ গঠন করার বিধান আছে। নিবর্তনমূলক আটকের ক্ষেত্রে ৬ মাসের অধিককাল আটক রাখা যাবে না। কিন্তু উপদেষ্টা পর্যদের মতামত অনুযায়ী এই মেয়াদ বাড়তে পারে। সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রয়েছে বা ছিলো কিংবা সুপ্রীম কোট্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা আছে, এইরুপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সম্বনেয় উপদেষ্টা পর্ষদ গঠিত হবে।
৩.
কোন ধরনের রিটের আবেদন যেকোনো ব্যক্তি করতে পারে?
ক
নিষেধাজ্ঞামূলক রিট
খ
উৎপ্রেষণ রীট
গ
হুকুম জারী রিট
ঘ
কারণ দর্শাও রিট
ব্যাখ্যা
• রিট [Writ]
আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ। এমন আদেশের মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে। রিট এর উৎপত্তি হলো ব্রিটিশ আইন ব্যবস্থায়। প্রাথমিকভাবে রিট মূলত রাজকীয় অধিকার [prerogrative writ or royal writ] নামে পরিচিত ছিল কারণ একমাত্র রাজা বা রাণী রিট জারি করার অধিকারী ছিল।
রিটের প্রকারভেদ: বাংলাদেশ সংবিধান প্রণেতারা বিশেষভাবে রাজকীয় রিট (prerogrative writs) সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং বাংলাদেশের আদালতের মাধ্যমে এটা ব্যাপক এবং যথাযথভাবে বিকাশিত হয়েছে। সংবিধানে ৫ প্রকার রিট উল্লেখ করা হয়েছে-
১০২ এর ২(ক) তে ৩টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)- • ১০২(২) (ক) (অ) প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞামূলক রিট [Writ of Prohibition]; • ১০২(২) (ক) (অ) পরমাদেশ বা হুকুম জারী রিট [Writ of Mandamus]; • ১০২(২) (ক) (আ) উৎপ্রেষণ রীট [Writ of Certiorari]।
১০২ এর ২(খ) তে ২টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)- • ১০২(২) (খ) (অ) বন্দী হাজির রিট [Writ of Habeas Corpus] এবং • ১০২(২) (খ) (আ) কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]।
⇒ কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]
কোন ব্যক্তি কোন সরকারী পদ দাবী করতে পারে না যদি না উক্ত পদে তার কোন আইনগত দাবী থাকে। কোন ব্যক্তি কোন সরকারী পদে আসীন থাকলে বা আছে বলে মনে হলে, সেই ক্ষেত্রে কোন কর্তৃত্ববলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত পদ দাবী করছে তা জানের চেয়ে হাইকার্ট বিভাগ কারণ দর্শানোর রিট জারী করতে পারে।
অনুচ্ছেদ-১০২ (২): হাইেকার্ট বিভাগের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, আইনের দ্বারা অন্য কোন সমফলপ্রদ বিধান করা হয় নাই, তা হলে-
(খ) যে কোন ব্যক্তির আবেদনক্রমে-
(আ) কোন সরকারী পদে আসীন বা আসীন বলে বিবেচিত কোন ব্যক্তিকে তিনি কোন কর্তৃত্ববলে অনুরুপ পদমর্যাদায় অধিষ্ঠানের দাবী করছে, তা প্রদর্শনের নির্দেশ প্রদান করে উক্ত বিভাগ (হাইকার্ট বিভাগ) আদেশদান করতে পারবে।
এই রিটের মাধ্যমে উচ্চতর আদালত উক্ত পদের দাবীর বিষয়ে অনুসন্ধান করতে পারে এবং যদি উক্ত অনুসন্ধানে এটা প্রমাণিত হয় যে, উক্ত পদ গ্রহণে পদের দাবীদারের কোন বৈধ অধিকার নেই, তাহলে কারণ দর্শাও রিট তাকে উক্ত পদ থেকে পদচ্যুত করতে পারে।
৪.
কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদেরকে নিয়োগ করেন?
ক
৪৮ (৩)
খ
৫৬ (৩)
গ
৫৫ (৩)
ঘ
৫৬ (২)
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতির নির্বাহী ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- বাংলাদেশ সরকারের সকল নির্বাহী কার্যক্রম রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হবে। [অনুচ্ছেদ: ৫৫(৪)] - তিনি সরকারি কার্যাদি বণ্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ বা নিয়ম-কানুন প্রণয়ন করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৫৫(৬)] - রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদেরকে নিয়োগ করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৫৬ (২)] - রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন ব্যক্তিকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৫৬(৩)] - সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে তিনি সামরিক কর্মকর্তাদেরকে নিয়োগ করবেন এবং প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহ পরিচালনা করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৬১] - রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কের্টের প্রধান বিচারপতি, কর্ম-কমিশনের সভাপতি ও সদস্যবৃন্দ, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনার, বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল,মহা-হিসাবরক্ষক ও নিয়ন্ত্রক এবং বিদেশে রাষ্ট্রদূতদেরকে নিয়োগ করবেন।
• অনুচ্ছেদ ৫৬: মন্ত্রিগণ
(১) একজন প্রধানমন্ত্রী থাকিবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিবেন। (২) প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন: তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন। (৩) যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন। (৪) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া এবং সংসদ-সদস্যদের অব্যবহিত পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্যবর্তীকালে এই অনুচ্ছেদের (২) বা (৩) দফার অধীন নিয়োগ দানের প্রয়োজন দেখা দিলে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার অব্যবহিত পূর্বে যাঁহারা সংসদ-সদস্য ছিলেন, এই দফার উদ্দেশ্যসাধনকল্পে তাঁহারা সদস্যরূপে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।
Article 56: Ministers
(1) There shall be a Prime Minister, and such other Ministers, Ministers of State and Deputy Ministers as may be determined by the Prime Minister.
(2) The appointments of the Prime Minister and other Ministers and of the Ministers of State and Deputy Ministers, shall be made by the President: Provided that not less than nine-tenths of their number shall be appointed from among members of Parliament and not more than one tenth of their number may be chosen from among persons qualified for election as members of Parliament.
(3) The President shall appoint as Prime Minister the member of Parliament who appears to him to command the support of the majority of the members of Parliament.
(4) If occasion arises for making any appointment under clause (2) or clause (3) between a dissolution of Parliament and the next following general election of members of Parliament, the persons who were such members immediately before the dissolution shall be regarded for the purpose of this clause as continuing to be such members.
৫.
'আন্তর্জাতিক চুক্তি' সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ কোনটি?
ক
অনুচ্ছেদ ১৪৩
খ
অনুচ্ছেদ ১৪৫
গ
অনুচ্ছেদ ১৪৬
ঘ
অনুচ্ছেদ ১৪৫ক
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১৪৫ক : আন্তর্জাতিক চুক্তি
বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হবে, এবং রাষ্ট্রপতি তা সংসদে পেশ করার ব্যবস্থা করবেন। তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট অনুরুপ কোন চুক্তি কেবলমাত্র সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হবে।
অন্যদিকে, অনুচ্ছেদ ১৪৩ : প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি। অনুচ্ছেদ-১৪৫: চুক্তি ও দলিল। অনুচ্ছেদ ১৪৬ : বাংলাদেশের নামে মামলা।
পঞ্চদশ (১৫তম) সংশোধনী এর বিষয়বস্তু: ⇒ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল; ⇒ দলীয় সরকারের অধীন মেয়াদ শেষ হবার আগের ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান; ⇒ সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে ৫০ করা; ⇒ ৪৭ এর ৩ অনুচ্ছেদে যুদ্ধাপরাধ বা মানবতা বিরোধী অপরাধের জন্য "অন্য কোন ব্যক্তি, ব্যক্তিসমষ্টি বা সংগঠন" এর বিচার করার বিধান সংযুক্ত করা; ⇒ জরুরী অবস্থার মেয়াদ অনধিক ১২০ দিন করা হয়; ⇒ সংবিধানে নতুন তিনটি তফসিল যুক্ত করা হয়- যথা পঞ্চম, ষষ্ঠ, ও সপ্তম।
• সংবিধান ষোড়শ সংশোধন আইন ২০১৪ দ্বারা সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল বিলুপ্ত করা হয় এবং বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিতে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আনা হয়। এর বৈধতা নিয়ে করা রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ৫ মে হাইকোর্টের তিন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন। হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। একই বছরে সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সর্বসম্মতিতে আপিল খারিজ করে রায় দেন। ২০১৭ সালের ১ আগস্ট আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়।
বর্তমানে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা বহালের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে করা আবেদনের শুনানি কার্যক্রম চলছে।
৭.
Who has the authority to issue an ordinance in Bangladesh?
ক
Prime Minister
খ
President
গ
Supreme Court
ঘ
Council of Advisors
ব্যাখ্যা
• সাধারণত যখন সংসদ অকার্যকর থাকে অথবা যখন সংসদের অধিবেশন বন্ধ থাকে তখন রাষ্ট্রের জরুরী প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি নিজের একক ক্ষমতাবলে যে আইন জারী করে তাকে অধ্যাদেশ/Ordinance বলে।
• সংবিধানের ৯৩(১) উপ - অনুচ্ছেদ অনুসারে 'রাষ্ট্রপতি' অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।
অনুচ্ছেদ ৯৩: অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা:
(১) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন এবং জারী হইবার সময় হইতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে: তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন কোন অধ্যাদেশে এমন কোন বিধান করা হইবে না,
(ক) যাহা এই সংবিধানের অধীন সংসদের আইন-দ্বারা আইনসঙ্গতভাবে করা যায় না; (খ) যাহাতে এই সংবিধানের কোন বিধান পরিবর্তিত বা রহিত হইয়া যায়; অথবা (গ) যাহার দ্বারা পূর্বে প্রণীত কোন অধ্যাদেশের যে কোন বিধানকে অব্যাহতভাবে বলবৎ করা যায়।
(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তাহা উপস্থাপিত হইবে এবং ইতঃপূর্বে বাতিল না হইয়া থাকিলে অধ্যাদেশটি অনুরূপভাবে উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইলে কিংবা অনুরূপ মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে তাহা অননুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হইলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাইবে।
(৩) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থার কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট ব্যবস্থা-গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি এমন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন, যাহাতে সংবিধান-দ্বারা সংযুক্ত তহবিলের উপর কোন ব্যয় দায়যুক্ত হউক বা না হউক, উক্ত তহবিল হইতে সেইরূপ ব্যয়নির্বাহের কর্তৃত্ব প্রদান করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার সময় হইতে তাহা সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে।
(৪) এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন জারীকৃত প্রত্যেক অধ্যাদেশ যথাশীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে এবং সংসদ পুনর্গঠিত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই সংবিধানের ৮৭, ৮৯ ও ৯০ অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী প্রয়োজনীয় উপযোগীকরণসহ পালিত হইবে।
Article 93: Ordinance making power
(1) At any time when Parliament stands dissolved or is not in session, if the President is satisfied that circumstances exist which render immediate action necessary, he may make and promulgate such Ordinances as the circumstances appear to him to require, and any Ordinance so made shall, as from its promulgation have the like force of law as an Act of Parliament: Provided that no Ordinance under this clause shall make any provision –
(i) which could not lawfully be made under this Constitution by Act of Parliament; (ii) for altering or repealing any provision of this Constitution; or iii) continuing in force any provision of an Ordinance previously made.
(2) An Ordinance made under clause (1) shall be laid before Parliament at its first meeting following the promulgation of the Ordinance and shall, unless it is earlier repealed, cease to have effect at the expiration of thirty days after it is so laid or, if a resolution disapproving of the Ordinance is passed by Parliament before such expiration, upon the passing of the resolution.
(3) At any time when Parliament stands dissolved, the President may, if he is satisfied that circumstances exist which render such action necessary, make and promulgate an Ordinance authorising expenditure from the Consolidated Fund, whether the expenditure is charged by the Constitution upon that fund or not, and any Ordinance so made shall, as from its promulgation, have the like force of law as an Act of Parliament.
(4) Every Ordinance promulgated under clause (3) shall be laid before Parliament as soon as may be, and the provisions of articles 87, 89 and 90 shall, with necessary adaptations, be complied with in respect thereof within thirty days of the reconstitution of Parliament.
৮.
The General Clauses Act,1897 এর কত ধারায় "Act of Parliament" কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
ক
৩(২ক) ধারায়
খ
৩(১ক) ধারায়
গ
৩(ক) ধারায়
ঘ
৩(৪) ধারায়
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩(১ক): সংসদের আইন "সংসদের আইন" অর্থে সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোন আইনকে বুঝাইবে এবং কোন আইন প্রণয়নকারী পরিষদ কর্তৃক অথবা বাংলাদেশে বা ইহার কোন অংশে বলবৎ কোন সাংবিধানিক দলিলের অধীন আইন প্রণয়নের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি কর্তৃক গৃহীত বা প্রণীত যে কোন আইনও ইহার অন্তর্ভূক্ত হইবে।
Section 3(1a) of The General Clauses Act,1897, "Act of Parliament" shall mean- an Act passed by Parliament and shall include any Act passed or made by any legislature or any person having authority to legislate under any Constitutional instrument and in force in Bangladesh or any portion thereof:
৯.
'Rule of Harmonious Construction' দ্বারা বোঝায় আইনের দুইটি ধারা পরস্পর সাংঘর্ষিক হলে-
ক
নতুন ভাবে ব্যাখ্যা করা করতে হবে যেন উভয় ধারা অকার্যকর হয়
খ
পূর্বের ধারাটি কার্যকর হবে,পরের ধারাটি বাতিল হবে
গ
পূর্বের ধারাটি বাতিল হবে, পরের ধারাটি কার্যকর হবে
ঘ
এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়
ব্যাখ্যা
• একই আইনের মধ্যে পরস্পর অসংগতিপূর্ণ বা সাংঘর্ষিক বিধান বিদ্যমান থাকলে তাকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ঐ আইনের সবগুলো বিধানকে একই সাথে কার্যকর করা যায় এবং এতে বিদ্যমান পরস্পর বৈরিতা প্রত্যাখ্যান করা সম্ভব হয়। আইন ব্যাখ্যার এই নীতিই 'Rule of Harmonious Construction' (আইন ব্যাখ্যার বৈরিতামুক্ত নীতি/সামঞ্জস্যমূলক নীতি) নামে পরিচিত।
ভারতীয় সুপ্রীমকোর্ট 'Rule of Harmonious Construction' নীতির নিম্নরূপ ব্যাখ্যা দিয়েছেন:
(১) কোনো আইনে দুটি ধারার প্রয়োগে যদি দেখা যায়, ধারা দু'টি একে অন্যের সাথে বিরোধপূর্ণ; তাহলে ধারা দু'টি এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ধারা দুটিকে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রয়োগ করা যায়। অর্থাৎ, এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়।
(২) একটি ধারার বিধানকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না, যাতে অন্য কোনো ধারার বিধান অকার্যকর বা সাংঘর্ষিক হয়।
১০.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর অধীন সর্বোচ্চ অর্থদণ্ডের পরিমান কত?
ক
৫০ লক্ষ টাকা
খ
১ কোটি টাকা
গ
৫ কোটি টাকা
ঘ
৩ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৩৯ নং আইন) দ্বারা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন,২০১৮ রহিত করা হয়েছে। ২০২৩ সালের ২৮ আগস্ট বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বেশ কয়েকটি ধারা সংশোধন করে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’ নামে নতুন একটি আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। পূর্বের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২টি ধারা বাতিল করে নতুন আইনে ৬০টি ধারা করা হয়। ২০২৩ সালের ৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত বৈঠকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ‘সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’ পাস হয়। উল্লেখ্য যে, এ আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি ১৪ বছরের কারাদণ্ড বা এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। ধারা ২৭ এবং ৩২ তে এই শাস্তির বিধান রয়েছে। --------------------------------------- ধারা ২৭: সাইবার সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের অপরাধ ও দণ্ড
(১) যদি কোনো ব্যক্তি-
(ক) রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করা এবং জনগণ বা উহার কোনো অংশের মধ্যে ভয়ভীতি সঞ্চার করিবার অভিপ্রায়ে কোনো কম্পিউটার বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট নেটওয়ার্কে বৈধ প্রবেশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন বা বে- আইনি প্রবেশ করেন বা করান;
(খ) কোনো ডিজিটাল ডিভাইসে এইরূপ দূষণ সৃষ্টি করেন বা ম্যালওয়্যার প্রবেশ করান যাহার ফলে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে বা গুরুতর জখমপ্রাপ্ত হন বা হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়; বা
(গ) জনসাধারণের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের সরবরাহ ও সেবা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংসসাধন করেন বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর উপর বিরূপ প্রভাব বিস্তার করেন; বা (ঘ) ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক, সংরক্ষিত কোনো তথ্য-উপাত্ত বা কম্পিউটার ডাটাবেইজে প্রবেশ বা অনুপ্রবেশ করেন বা এইরূপ কোনো সংরক্ষিত তথ্য-উপাত্ত বা কম্পিউটার ডাটাবেইজে প্রবেশ করেন যাহা বৈদেশিক কোনো রাষ্ট্রের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বা জনশৃঙ্খলা পরিপন্থি কোনো কাজে ব্যবহৃত হইতে পারে অথবা বৈদেশিক কোনো রাষ্ট্র বা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সুবিধার্থে ব্যবহার করা হইতে পারে,
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
ধারা ৩২: হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড যদি কোনো ব্যক্তি হ্যাকিং করেন, তাহা হইলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
ব্যাখ্যা-এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “হ্যাকিং” অর্থ- (ক) কম্পিউটার তথ্য ভাণ্ডারের কোনো তথ্য চুরি, বিনাশ, বাতিল, পরিবর্তন বা উহার মূল্য বা উপযোগিতা হ্রাসকরণ বা অন্য কোনোভাবে ক্ষতিসাধন; বা (খ) নিজ মালিকানা বা দখলবিহীন কোনো কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশের মাধ্যমে উহার ক্ষতিসাধন।
১১.
আইনগত সহায়তার কোন আবেদন জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি কর্তৃক অগ্রাহ্য হলে, তার বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে-
ক
সুপ্রীম কোর্ট কমিটির নিকট
খ
হাইকোর্ট বিভাগে
গ
জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের নিকট
ঘ
আপীল বিভাগে
ব্যাখ্যা
• আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০
ধারা ১৬ তে বলা আছে-
'আইনগত সহায়তার জন্য সকল আবেদন সুপ্রীম কোর্ট কমিটি, জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটির নিকট পেশ করতে হবে।'
উল্লেখ্য, কোন আবেদন জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি কর্তৃক অগ্রাহ্য হলে তা মঞ্জুরের জন্য সংক্ষুদ্ধ বিচারপ্রার্থী উক্তরুপ সিদ্ধান্তের তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের নিকট আপীল পেশ করবে এবং এই ব্যাপারে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।
১২.
শিশু আইনের অধীন শিশুকে নিরাপদ হেফাজতে রাখার মেয়াদ হবে-
ক
৭ দিনের জন্য
খ
৩০ দিনের জন্য
গ
১৫ দিনের জন্য
ঘ
যথাসম্ভব স্বল্পতম সময়ের জন্য
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৬: শিশুকে নিরাপদ হেফাজতে রাখা-
১. শিশুকে নিরাপদ হেফাজতে রাখার বিষয়টি সর্বশেষ পন্থা হিসাবে বিবেচনা করতে হবে, যার মেয়াদ হবে যথাসম্ভব স্বল্পতম সময়ের জন্য।
২. সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিরাপদ হেফাজতে রক্ষিত শিশুকে বিকল্পপন্থায় পরিচালনার জন্য প্রেরণ করতে হবে।
৩. শিশুকে নিরাপদ হেফাজতে রাখা একান্ত প্রয়োজন হলে শিশু-আদালত, সংশ্লিষ্ট শিশুকে উক্ত আদালত হতে যুক্তিসঙ্গত দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত কোন প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করার জন্য আদেশ প্রদান করবে: তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারার অধীন কোন শিশুকে প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করা হলে উক্ত প্রতিষ্ঠানে অবস্থানকারী অধিক বয়স্ক শিশুদের হতে প্রেরিত শিশুকে পৃথক করে রাখতে হবে।
১৩.
'চ' ও 'ছ' যথাক্রমে 'ক' কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং জেনারেল ম্যানেজার। 'চ' ও 'ছ' একটি চেক ইস্যু করলে, তা অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে ডিসঅনার হয়। এক্ষেত্রে কার বিরদ্ধে মামলা করা যাবে?
ক
'ক'
খ
'চ', 'ছ'
গ
'ক' এবং 'চ', 'ছ'
ঘ
'ক' এবং 'চ'
ব্যাখ্যা
• কোনো কোম্পানি Cheque Dishonour মামলায় দোষী হলে, কোম্পানিসহ পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ দায়ী (liable) হবেন।
⇒ The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ১৪০ ধারার বিধান কোম্পানীর অপরাধসমূহ (Offences of Companies) ধারা ১৩৮ এর আওতায় অপরাধকারী কোম্পানী হলে বর্ণিত কোম্পানীসহ উক্ত অপরাধ সংঘটনের সময় কোম্পানীর ব্যবসায় পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং আইনত দায়ী প্রত্যেক ব্যক্তি ঐ অপরাধের জন্য দোষী বলে গণ্য হবেন এবং এর জন্য তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে এবং সেই অনুযায়ী দণ্ডিত হবেন।
- যদি দায়ী ব্যক্তি প্রমাণ করতে পারেন যে উক্ত অপরাধ তার জ্ঞাতসারে সংঘটিত হয়নি অথবা উক্ত অপরাধ সংঘটন প্রতিরোধের জন্য তিনি সম্ভাব্য সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন, তাহলে তিনি দোষী সাব্যস্ত হবেন না।
- এই আইনের আওতায় কোম্পানী কর্তৃক কোন অপরাধ সংঘটিত হলে এবং উক্ত কোম্পানির কোন পরিচালক, ব্যবস্থাপক, সচিব বা অন্য কর্মকর্তার সম্মতিতে বা পরোক্ষ সমর্থনে বা কোন অবহেলার কারণে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হয়েছে মর্মে প্রমাণিত হলে, কোম্পানির উক্ত পরিচালক, ব্যবস্থাপক, সচিব বা অন্য কর্মকর্তা ঐ অপরাধের জন্য দোষী বলে গণ্য হবেন এবং এটির জন্য তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে এবং সেই অনুযায়ী দণ্ডিত হবেন।
Section 140: Offences of Companies: (1) If the person committing an offence under section 138 is a company, every person who, at the time the offence was committed, was in charge of, and was responsible to, the company for the conduct of the business of the company, as well as the company, shall be deemed to be guilty of the offence and shall be liable to be proceeded against and punished accordingly:
Provided that nothing contained in this sub-section shall render any person liable to punishment if he proves that the offence was committed without his knowledge, or that he had exercised all due diligence to prevent the commission of such offence.
(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), where any offence under this Act has been committed by a company and it is proved that the offence has been committed with the consent or connivance of, or is attributable to, any neglect on the part of any director, manager, secretary or other officer of the company, such director, manager, secretary or other officer shall also be deemed to be guilty of that offence and shall be liable to be proceeded against and punished accordingly.
Explanation. - For the purposes of this section- (a) “company” means any body corporate and includes a firm or other association of individuals; and (b) “director” in relation to a firm, means a partner in the firm.
১৪.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের কত ধারায় “অপহরণ” এর সংজ্ঞা রয়েছে?
ক
২(ঘ)
খ
২(খ)
গ
২(চ)
ঘ
২(ছ)
ব্যাখ্যা
• নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২(খ) এর বিধান-
“অপহরণ” অর্থ বলপ্রয়োগ বা প্রলুব্ধ করিয়া বা ফুসলাইয়া বা ভুল বুঝাইয়া বা ভীতি প্রদর্শন করিয়া কোন স্থান হইতে কোন ব্যক্তিকে অন্যত্র যাইতে বাধ্য করা।
• দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২৬- সহায় সম্পত্তির ঘোষণা:
কমিশন কোন তথ্যের ভিত্তিতে এবং উহার বিবেচনায় প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান পরিচালনার পর যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, কোন ব্যক্তি বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তি, বৈধ উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পত্তির দখলে রয়েছে বা মালিকানা অর্জন করেছে, তাহলে কমিশন, লিখিত আদেশ দ্বারা, উক্ত ব্যক্তিকে কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে দায়-দায়িত্বের বিবরণ দাখিলসহ উক্ত আদেশে নির্ধারিত অন্য যে কোন তথ্য দাখিলের নির্দেশ দিতে পারবে।
যদি দাখিলকৃত বিবৃতি কমিশন মিথ্যা বা ভিত্তিহীন মনে করে, তাহলে উক্ত ব্যক্তিকে ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডনীয় হবে।
১৬.
কোন নবজাতক শিশুকে পিতা-মাতার হেফাজত হতে অপহরণ করার অপরাধের জন্য মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এ প্রদত্ত সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
ক
মৃত্যুদণ্ড
খ
যাবজ্জীবন কারাবাস
গ
১২ বৎসর কারাবাস
ঘ
৭ বৎসর কারাবাস
ব্যাখ্যা
• ধারা ১০: মানব পাচার অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে অপহরণ, চুরি এবং আটক করার দণ্ড:
১. কোন ব্যক্তি মানব পাচারের অপরাধ সংঘটনের অভিপ্রায়ে বা যৌন শোষণ বা নিপীড়নসহ এই আইনের ধারা ২(১৫) এ বর্ণিত অন্য কোন শোষণের উদ্দেশ্যে অন্য কোন ব্যক্তিকে অপহরণ, গোপন অথবা আটক করে রাখলে তিনি অপরাধ করেছে বলে গণ্য হবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ১০ বৎসর এবং অন্যূন ৫ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
২. মানব পাচারের অপরাধ সংঘটনের অভিপ্রায়ে কোন ব্যক্তি কোন নবজাত শিশুকে কোন হাসপাতাল, সেবা- সদন, মাতৃ-সদন, শিশু-সদন, বা উক্ত নবজাত শিশুর পিতা-মাতার হেফাজত হতে চুরি করলে বা অপহরণ করলে তিনি অপরাধ করেছে বলে গণ্য হবে এবং উত্তরুপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
১৭.
'ক' এক ফৌজদারি মামলায় দণ্ডবিধির অধীন ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়। এক্ষেত্রে কত সময়ের মধ্যে উক্ত অর্থদণ্ড আদায় করা যাবে?
ক
৩ বছরের মধ্যে
খ
৬ বছরের মধ্যে
গ
৭ বছরের মধ্যে
ঘ
১০ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে।
(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়; (ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে; (iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে। অর্থাৎ আসামির মৃত্যু হলেও অর্থদণ্ড/জরিমানা মওকুফ হবে না।
⇒ প্রশ্নে উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'ক' ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, এক্ষেত্রে কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে অর্থাৎ ১০ বছরের মধ্যে আদায় করা যাবে।
দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদণ্ড ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
Section 70. Fine leviable within six years, or during imprisonment Death not to discharge property from liability: The fine, or any part thereof which remains unpaid, may be levied at any time within six years after the passing of the sentence, and if, under the sentence, the offender be liable to imprisonment for a longer period than six years, then at any time previous to the expiration of that period; and the death of the offender does not discharge from the liability of any property which would, after his death, be legally liable for his debts.
১৮.
মানহানির ব্যতিক্রম হিসেবে গণ্য হবে না কোনটি?
ক
আদালতে সিদ্ধান্তকৃত মামলার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আচরণ সম্পর্কে অভিমত দেয়া
খ
জনগণের কল্যাণে কারও প্রতি সত্য দোষারোপ করা
গ
সুনাম নষ্ট হতে পারে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও নিন্দাবাদ প্রকাশ করা
ঘ
সরকারি বিষয়-সংশ্লিষ্ট প্রশ্নে কোনো ব্যক্তির আচরণ নিয়ে মতপ্রকাশ করা
ব্যাখ্যা
• মানহানির সংজ্ঞা- ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারামতে, কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কোনো ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য কথা বা চিহ্ন বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সেই ব্যক্তি-সম্পর্কিত কোনো নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করেন, তবে সেটি মানহানি হয়েছে বলে পরিগণিত হবে। উদ্দিষ্ট ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে জেনে বা সুনাম নষ্ট হতে পারে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, যদিও কেউ নিন্দাবাদ প্রণয়ন ও প্রকাশ করেন তাহলেও সেটি মানহানি বলে গণ্য হবে।
মানহানির শাস্তি- দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির মানহানি করে, তবে ওই ব্যক্তি দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদে বিনা শ্রম কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।’
তাছাড়া ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’-এর ২৯ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় বর্ণিত মানহানিকর তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করেন, তাহলে ওই ব্যক্তির এমন কর্মকাণ্ড হবে একটি অপরাধ। এর জন্য তিনি অনধিক ২৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এ আইনে মানহানির মামলায় কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়নি।
• দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় কোন কাজগুলো মানহানি হবে সে সম্পর্কে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। পাশাপাশি এই ধারায় ১০টি ব্যতিক্রমের কথাও বলা হয়েছে। অর্থাৎ এই ব্যতিক্রমগুলো আইন অনুযায়ী মানহানি বলে গণ্য হবে না:
১. জনগণের কল্যাণে কারও প্রতি সত্য দোষারোপ করলে; ২. সরকারি কর্মচারীর সরকারি আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করলে; ৩. সরকারি বিষয়-সংশ্লিষ্ট প্রশ্নে কোনো ব্যক্তির আচরণ নিয়ে মতপ্রকাশ করলে; ৪. আদালতের কার্যবিবরণী প্রতিবেদন প্রকাশ করা মানহানির অন্তর্ভুক্ত হবে না; ৫. যেকোনো জনসমস্যা সম্পর্কে ও কোনো ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা;
৬. আদালতে সিদ্ধান্তকৃত মামলার দোষ, গুণ বা সাক্ষীদের সম্পর্কে বা অন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আচরণ সম্পর্কে অভিমত দেওয়া; ৭. গণ-অনুষ্ঠানের অনুষ্ঠানাদি সম্পর্কে কোনো মতামত দেওয়া; ৮. কর্তৃত্বসম্পন্ন ব্যক্তির কাছে সৎ বিশ্বাসে কারও সম্পর্কে অভিযোগ করা হলে সেটিও মানহানি হবে না। যেমন: পুলিশের কাছে কারও ব্যাপারে সৎ বিশ্বাসে অভিযোগ দেওয়া; ৯. কোনো ব্যক্তি কর্তৃক তার বা অন্য কারও স্বার্থ রক্ষার্থে দোষারোপ করা; ১০. জনকল্যাণের স্বার্থে সতর্ক করার উদ্দেশ্যে কারও সম্পর্কে কিছু বলা হলে।
১৯.
'A', 'B' এর একটি ঘড়ি চুরি করলো। এখানে চুরির ফলে 'B' এর ______ হলো এবং 'A' ________ করলো।
ক
অবৈধ লাভ, অবৈধ ক্ষতি
খ
অসাধু লাভ, অবৈধ ক্ষতি
গ
অবৈধ ক্ষতি, অবৈধ লাভ
ঘ
অবৈধ ক্ষতি, বৈধ লাভ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ২৩ যারায় অবৈধ লাভ এবং অবৈধ ক্ষতি সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
অবৈধ লাভ [Wrongful Gain]: অবৈধ লাভ অর্থ হলো বেআইনীভাবে এরুপ সম্পত্তি লাভ করা, যে সম্পত্তিতে লাভকারী ব্যক্তির কোন আইনানুগ অধিকার নেই। যেমন 'ক' একটি ঘড়ি চুরি করলো। উক্ত ঘড়িতে চোর, ক-এর কোন আইনানুগ অধিকার নেই। সুতরাং ক সম্পত্তিটি অবৈধ লাভ করেছে বলে গণ্য হবে।
অবৈধ ক্ষতি [Wrongful Loss]: অবৈধ ক্ষতি হলো বেআইনীভাবে এমন সম্পত্তির ক্ষতি, যাতে ক্ষতিগ্রস্থ লোকের আইনানুগ অধিকার আছে। A, B এর একটি ঘড়ি চুরি করলো। এখানে B হলো ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি এবং উক্ত ঘড়িতে B এর আইনানুগ অধিকার ছিল। সুতরাং চুরির ফলে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি, B এর অবৈধ ক্ষতি হলো এবং চোর, A অবৈধ লাভ করলো।
২০.
বেআইনী সমাবেশ সংঘটিত হতে হলে সর্বনিম্ন কতজন সদস্য থাকতে হবে?
ক
৫ জন সদস্য
খ
৩ জন সদস্য
গ
১০ জন সদস্য
ঘ
এ সংক্রান্ত বিধান নেই
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৪১- বেআইনী সমাবেশ অর্থ:
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনী সমাবেশকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। পাঁচ (৫) বা পাঁচের অধিক ব্যক্তির সমাবেশ বেআইনী সমাবেশ নামে পরিচিত যদি তাদের মধ্যে ১৪১ ধারায় উল্লেখিত কোন সাধারণ উদ্দেশ্য Common Objects| থাকে।
বেআইনী সমাবেশ সংঘটিত হতে হলে নিম্নলিখিত শর্তসমূহ পূরণ করতে হবে: ১. সর্বনিম্ন ৫ বা ৫ এর অধিক সদস্য থাকতে হবে; ২. সমাবেশের উদ্দেশ্য অবশ্যই ১৪১ ধারায় উল্লেখিত সাধারণ উদ্দেশ্যসমূহের common objects) যেকোন একটি হতে হবে।
সাধারণ উদ্দেশ্যসমূহ [Common Objects] দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় যে সকল উদ্দেশ্য উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো সাধারণ উদ্দেশ্য বলে গণ্য হবে। ১৪১ ধারায় ধরণের সাধারণ উদ্দেশ্য উল্লেখ করা হয়েছে। যদি বেআইনী সমাবেশটি হয়-
১. বলপ্রয়োগ করে সরকার বা সরকারী কর্মকর্তাকে ভীত করতে [To overawe government or legislature or public servant by criminal force];
২. আইন বা আইনী প্রক্রিয়া বলবৎকরণে বাধা দেওয়া [to resist execution of law or legal process];
৩. ক্ষতি, অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ বা অন্যান্য অপরাধ সংঘটন [to commit mischef, trespass or other offences];
৪. সম্পত্তির বলপূর্বক দখল গ্রহণ করতে [to obtain possession of property by criminal force];
৫. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে কোন ব্যক্তি যে কাজ করতে বাধ্য না তা করতে বা যে কাজ করতে অধিকারী তা করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করা [to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do]
২১.
সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় কোন বিষয় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
ক
পূর্ববর্তী মামলার সাক্ষ্য
খ
পূর্ববর্তী মামলার অভিযোগপত্র
গ
পূর্ববর্তী মামলার রায়
ঘ
পূর্ববর্তী মামলার এজহার
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪০- দ্বিতীয় মোকদ্দমার বিচার নিষিদ্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী মামলার রায় (Previous Judgment) যখন প্রাসঙ্গিক:
সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় দেওয়ানী কার্যবিধির দোবারা দোষ [Res judicata) এবং ফৌজদারী কার্যবিধির দোবারা সাজা (double jeopardy) নীতির প্রতিফলন হয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১ ধারার দোবারা দোষ [Res judicata) অনুযায়ী চূড়ান্তভাবে সমাপ্ত মামলা পুনরায় একই বিষয়ে এবং একই পক্ষদ্বয়ের মধ্যে আদালতে শুরু করা যাবে না। যদি কোন ব্যক্তি এমন মামলা দায়ের করে তাহলে আদালত মামলাটি খারিজ করে দিবে। আবার ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারার দোবারা সাজা বা double jeopardy নীতি অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য দুইবার বিচারের সম্মুখীন করা যাবে না।
আপনি যদি দেওয়ানী কার্যবিধির দোবারা দোষ [Res judicata] এবং ফৌজদারী কার্যবিধির দোবারা সাজা [double jeopardy] নীতি অনুযায়ী কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারী মামলা খারিজ করাতে চান তাহলে আদালতকে দেখতে হবে উক্ত মামলার উপর পূর্ববর্তী কোন রায় আছে কিনা। অর্থাৎ একই বিষয়ের উপর দ্বিতীয় মোকদ্দমা খারিজ করতে পূর্ববর্তী মোকাদ্দমার রায় কে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে আদালতে দাখিল করতে হবে এবং এই কারণে ৪০ ধারায় পূর্ববর্তী মামলার রায়কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা দেওয়ানী এবং ফৌজদারী উভয় মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
২২.
The credit of a witness may be impeached in the ways mentioned in _________ of The Evidence Act, 1872.
ক
Section 156
খ
Section 155
গ
Section 153
ঘ
Section 158
ব্যাখ্যা
• Section 155: Impeaching credit of witness:
The credit of a witness may be impeached in the following ways by the adverse party, or, with the consent of the Court, by the party who calls him:- (1) by the evidence of persons who testify that they, from their knowledge of the witness, believe him to be unworthy of credit; (2) by proof that the witness has been bribed, or has accepted the offer of a bribe, or has received any other corrupt inducement to give his evidence; (3) by proof of former statements inconsistent with any part of his evidence which is liable to be contradicted;
Explanation.– A witness declaring another witness to be unworthy of credit may not, upon his examination-in-chief, give reasons for his belief, but he may be asked his reasons in cross-examination, and the answers which he gives cannot be contradicted, though, if they are false, he may afterwards be charged with giving false evidence.
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারার সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্টের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ ধারায় নিম্নবর্ণিত ৩ টি উপায়ে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা যায়। ১. সাক্ষী বিশ্বাসের অযোগ্য মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করে; ২. সাক্ষীকে ঘুষ প্রদান করা হয়েছে বা এরূপ দুর্নীতিমূলক প্রলোভনে সম্মত হয়েছেন মর্মে প্রমাণ করে; ৩. সাক্ষীর পূর্ববর্তী বক্তব্যের সাথে বর্তমান বক্তব্য অমিল তা প্রমাণ করে বিরুদ্ধ পক্ষ সরাসরি এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন এবং আদালতের অনুমতি নিয়ে সাক্ষী হাজিরকারী পক্ষ এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন।
২৩.
প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় সর্বোচ্চ ফৌজদারি আদালত কোনটি?
ক
দায়রা আদালত
খ
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
গ
মহানগর দায়রা আদালত
ঘ
চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• প্রতিটি জেলায় সর্বোচ্চ ফৌজদারী আদালত হলো দায়রা আদালত এবং দায়রা আদালতের বিচারক হলো দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ। অন্যদিকে, মহানগর এলাকায় মহানগর দায়রা আদালত হলো সর্বোচ্চ ফৌজদারী আদালত এবং মহানগর দায়রা জজ হলো বিচারক।
• ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধানঃ নির্বাহী, জুডিশিয়াল এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের অধীনস্থকরণঃ
(১) ১০ ধারায় ও ১২(১) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ হবেন; এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই কোডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়ে বিশেষ আদেশ কর্তৃক তাঁর অধীন ম্যাজিস্ট্রেটগণের মধ্যে কাজকর্ম বন্টন করতে পারবেন ।
(২) ১১ ধারা ও ১২(৩) ধারা অনুযায়ী, নিযুক্ত সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৫ ধারা অনুসারে গঠিত সমস্ত বেঞ্চ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর অধীন হবেন; তাঁদের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুসারে প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন।
(৩) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১২(৫) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৯ ধারা অনুসারে গঠিত বেঞ্চসমূহ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন; অনুরূপ ম্যাজিস্ট্রেটগণের ও বেঞ্চসমূহের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুযায়ী প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন ।
(৪) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-সহ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ দায়রা জজ-এর অধীন হবেন এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ মহানগর দায়রা জজ-এর অধীন হবেন।
২৪.
যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে যে, জরিমানা পরিশোধ করা না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হবেন এবং অনাদায়ের কারণে কারাদণ্ড ভোগ করেন, তাহলে আদালত-
দেওয়ানি পদ্ধতি মোতাবেক জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা দিবে
গ
স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে দেওয়ানি পদ্ধতি মোতাবেক পরোয়ানা জারি করবে
ঘ
উপরের কোনো আদেশ দিতে পারে না
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৬ ধারামতে,
(১) যে ক্ষেত্রে কোনো আসামিকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়, তখন শাস্তি দানকারী আদালত দুটি বা উভয় উপায় মোতাবেক জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন—
(ক) অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করে জরিমানা আদায়ের জন্য পরোয়ানা দিতে পারবেন, অথবা
(খ) খেলাপকারীর স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে দেওয়ানি পদ্ধতি মোতাবেক পরোয়ানা বলবৎ করে জরিমানার টাকা আদায়ের ক্ষমতা দিয়ে জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা দিতে পারবেন।
তবে শর্ত থাকে, যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে যে, জরিমানা পরিশোধ করা না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হবেন এবং যদি অনাদায়ের কারণে কারাদণ্ড ভোগ করেন, তাহলে কোনো আদালত (ক) ও (খ)-এ উল্লেখিত পরোয়ানা দেবেন না। তবে বিশেষ কোনো কারণবশত আবশ্যক মনে করলে আদালত ওই কারণ লিপিবদ্ধ করে পরোয়ানা দেবেন।
(২) সরকার (১) উপধারার (ক) অনুচ্ছেদ পরোয়ানা কার্যকরীকরণের পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ ছাড়া ওই পরোয়ানা কার্যকরীকরণ প্রসঙ্গে ক্রোককৃত সম্পত্তিতে অপরাধী ছাড়া অপর কোনো ব্যক্তির কোনো দাবি থাকলে সেটি নির্ধারণের ব্যবস্থা করার জন্য বিধি প্রণয়ন করতে পারবে সরকার।
(৩) আদালত যখন (১) উপধারার (খ) অনুচ্ছেদ মোতাবেক কালেক্টরকে পরোয়ানা দেন তখন ১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, ওই পরোয়ানাকে ডিক্রি এবং কালেক্টরকে ডিক্রিদার বলে গণ্য করতে হবে। নিকটতম যে দেওয়ানি আদালত অনুরূপ পরিমাণ অর্থের ডিক্রি জারি করতে পারেন, ওই কার্যবিধির উদ্দেশ্যে সেই আদালতকে ওই ডিক্রিদাতা আদালত বলে গণ্য করতে হবে। ডিক্রি জারির ব্যাপারে কার্যবিধির বিধানগুলোও একই ভাবে প্রযোজ্য হবে।
তবে শর্ত থাকে যে, অপরাধীকে গ্রেপ্তার বা কারাগারে আটক রেখে এমন কোনো পরোয়ানা বলবৎ করা যাবে না।
২৫.
কয়টি ক্ষেত্রে স্ত্রীকে ইদ্দত পালন করতে হয়?
ক
৪ টি
খ
২ টি
গ
৩ টি
ঘ
৫ টি
ব্যাখ্যা
• ইদ্দত (Iddat):
ইদ্দত শব্দের অর্থ হলো- অপেক্ষা করা। যেকোনো নারীর বিবাহ সমাপ্ত হলে, তাকে পুনরায় বিয়ে করার জন্য যে সময়কাল অবশ্যই অপেক্ষা করতে হয় তাকে ইদ্দত বলে। একজন নারীকে বিবাহ বিচ্ছেদের পর অবশ্যই ইদ্দত পালন করতে হবে। ইদ্দত পালনকালীন সময় কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারে না।
দুটি ক্ষেত্রে একজন নারীর ইদ্দত পালন করতে হয়- ⇒ প্রথমত স্বামী মৃত্যুবরণ করলে, ⇒ দ্বিতীয়ত তালাকপ্রাপ্ত হলে।
সময়কাল: ক) তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী গর্ভবতী হলে, সন্তান জন্মদান পর্যন্ত। গর্ভবতী না হলে ৩ মাস/ ৩টি মাসিক সময়কাল পর্যন্ত। খ) স্বামী মারা গেলে মৃত্যুর পর ৪ মাস ১০ দিন (গর্ভবতী না হলে), গর্ভবতী হলে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়া পর্যন্ত বা ৪ মাস ১০ দিন, যেটা পরে ঘটে।
২৬.
কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায়, সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত পুনরায় কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে অনধিক কত বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
ক
১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে
খ
৩ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
গ
১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
ঘ
২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে
ব্যাখ্যা
• The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৬ ধারা: বহুবিবাহ:
১) কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না বা ঐরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ অনুষ্ঠিত হলে তা The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হবে না।
২) অনুমতির দরখাস্ত নির্ধারিত ফি সহ চেয়ারম্যানের নিকট দাখিল করতে হবে ও তাতে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণসমূহ এবং এই বিবাহের ব্যাপারে বর্তমানে স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের সম্মতি নেয়া হয়েছে কিনা তার উল্লেখ থাকতে হবে।
৩) দরখাস্ত গ্রহণ করার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারীকে ও বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের প্রত্যেককে একজন করে প্রতিনিধি মনোনীত করতে বলবেন। উক্তরূপে গঠিত সালিশি কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করলে সেক্ষেত্রে প্রার্থিত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবেন।
৪) উক্ত দরখাস্তে বিবেচনা করার সময় সালিশি কাউন্সিল নিষ্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে কোন পক্ষ নির্দিষ্ট ফি প্রদানক্রমে সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার (Revision) জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে; তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে ও কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
৫) কোন লোক যদি সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তবে সে-
ক) বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রী গণের তলবী ও স্থগিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করতে হবে। উক্ত টাকা উক্তরুপে পরিশোধ না করা হলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরূপে আদায়যোগ্য হবে: এবং খ) অভিযোগে অপরাধী সাব্যস্ত হলে এর শান্তি- অনধিক ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
Section 6- Polygamy: (1) No man, during the subsistence of an existing marriage, shall, except with the previous permission in writing of the Arbitration Council, contract another marriage, nor shall any such marriage contracted without such permission be registered under the Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 (LII of 1974).
(2) An application for permission under sub-section (1) shall be submitted to the Chairman in the prescribed manner, together with the prescribed fee, and shall state the reasons for the proposed marriage, and whether the consent of the existing wife or wives has been obtained thereto.
(3) On receipt of the application under sub-section (2), the Chairman shall ask the applicant and his existing wife or wives each to nominate a representative, and the Arbitration Council so constituted may, if satisfied that the proposed marriage is necessary and just, grant, subject to such conditions, if any, as may be deemed fit, the permission applied for.
(4) In deciding the application the Arbitration Council shall record its reasons for the decision, and any party may, in the prescribed manner, within the prescribed period, and on payment of the prescribed fee, prefer an application for revision to the Assistant Judge concerned and his decision shall be final and shall not be called in question in any Court.
(5) Any man who contracts another marriage without the permission of the Arbitration Council shall- (a) pay immediately the entire amount of the dower, whether prompt or deferred, due to the existing wife or wives, which amount, if not so paid, shall be recoverable as arrears of land revenue; and (b) on conviction upon complaint be punishable with simple imprisonment which may extend to one year, or with fine which may extend to ten thousand taka, or with both.
২৭.
'মুশাহ' হলো কোনো সম্পত্তির ________ অংশ।
ক
বিভক্ত
খ
অবিভাজ্য
গ
অর্ধেক
ঘ
গুরত্বপূর্ণ
ব্যাখ্যা
• 'মুশাহ' বা 'Musha' হলো কোনো সম্পত্তির অবিভাজ্য বা অবিভক্ত অংশ। হানাফি আইন অনুসারে অবিভক্ত যৌথ সম্পত্তি যা বিভক্ত করা যায় এমন সম্পত্তি দান করলে দানটি বৈধ হবে না। কিন্তু পরবর্তীতে এটি বিভক্ত করা হলে দানটি বৈধ হয়ে যাবে।
কিন্তু চারটি বিশেষ ক্ষেত্র আছে যেসব ক্ষেত্রে দানের বিষয়বস্তু বিভক্ত করা না হলেও দানটি বৈধ হবে।
⇒ যদি সম্পত্তিটি অবিভাজ্য হয় অথবা যদি সম্পত্তিটি এমন হয় যে, অবিভক্ত অবস্থায় সম্পত্তিটি ব্যবহারের জন্য বেশি উপযোগী; ⇒ যদি দুই বা ততোধিক অংশীদারদের যেকোনো একজন তার অংশটি অপর কোনো অংশীদারকে দান করে; ⇒ কোনো অবিভক্ত ভূমির ভাড়ার কোনো নির্দিষ্ট অংশ আলাদাভাবে গ্রহণ এবং উত্তোলন করার অধিকার থাকলে সেটিকে অবিভক্ত জমি ধরা হবে না এবং এটি দান করলে দানটি অবৈধ হবে না; ⇒ দানকারী যদি কোনো হোল্ডিংয়ে দান গ্রহীতাকে যৌথ মালকানার স্বীকৃতি দেয় এবং সেরকম দখলের 'স্বীকৃতি দিলে সেটি বৈধ দান হবে।
২৮.
'ওয়াকফ আলাল আওলাদ' বলতে কী বোঝায়?
ক
জনগণের কল্যাণে করা ওয়াকফ
খ
বংশধরদের ভরণপোষণ বা উপকারার্থে করা ওয়াকফ
গ
সমাজের কল্যাণে করা ওয়াকফ
ঘ
ক এবং গ
ব্যাখ্যা
• ওয়াকফ আলাল আওলাদ:
ওয়াকফ আলাল আওলাদ ইচ্ছে ইসলাম ধর্ম কর্তৃক স্বীকৃত বিশেষ ধরনের ওয়াকফ। এ ধরনের ওয়াকফের ক্ষেত্রে ওয়াফকারী সম্পত্তিটি তার বংশধরদের কল্যাণের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করতে পারে। তবে বংশধরদের উপকার শেষান্তে সম্পত্তিটি অবশ্যই ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে ব্যয় বা ব্যবহার হবে। এটি ওয়াকফ আলাল আওলাদ বলে। অর্থাৎ ওয়াকিফের নিজের জন্য বা তার পরিবার বর্গের জন্য কোন ওয়াকফ করা হলে তাকে ওয়াকফ-আলাল- আউলাদ বলে।
Abul Fata Mahomed Ishak Vs Russomoy Dhur Chowdry (1894) নামক বিখ্যাত মামলায় পারিবারিক ওয়াকফ বা ওয়াকফ আল-আউলাদকে অবৈধ ঘোষনা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ১৯১৩ সালে The Mussalman Wakf validating Act, 1913 পাশের মাধ্যমে ওয়াকফ-আলাল আউলাদকে বৈধতা দেওয়া হয়। তবে শর্ত হলো এরকম ওয়াকফের চূড়ান্ত উপকার গরীব অথবা দাতব্য/ ধর্মীয় উদ্দেশ্যে হতে হবে।
সুতরাং বলা যায়, ওয়াকফকারী তার বংশধরদের কল্যাণে ওয়াফের উদ্দেশ্যের স্থগিত অবস্থার কারণে ওয়াকফটি অবৈধ হবে না। তবে সেরকম সংরক্ষণ বংশের পর বংশ চলতে থাকতে পারে না। সেরকম সংরক্ষণ অবশ্যই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য হবে।
২৯.
অগ্রক্রয়ের আরবি পরিভাষা কী?
ক
শেফা
খ
হেবা
গ
শুফা
ঘ
নাফাকা
ব্যাখ্যা
• Pre-emption হলো জমির ক্রয় সংক্রান্ত একটি অধিকার। আরবি ভাষায় এটি 'শুফা' (Shufaa)। নামে পরিচিত। অগ্রক্রয় বলতে অন্য কোনো ব্যক্তির ক্রয়কৃত স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়ের মাধ্যমে মালিকানা লাভের অধিকারকে বুঝায়, যা কোনো ব্যক্তির পক্ষে ঐ সম্পত্তিতে শরিক কিংবা প্রতিবেশী হওয়ার কারণে সৃষ্টি হয়।
উদাহরণ:- A এবং B একটি জমির যৌথ মালিক। ৪ তার অংশটি অপর অপরিচিত ব্যক্তি C কে বিক্রয় করে দেয়। এই ক্ষেত্রে B কর্তৃক বিক্রিত সম্পত্তিটি ক্রয়ের প্রথম অধিকার A এর। এ ক্ষেত্রে এ সম্পত্তিটি তার নিকট বিক্রি করার জন্য B কে বাধ্য করতে পারে। সম্পত্তিটি অপরিচিত ব্যক্তি C এর পূর্বে A এর ক্রয় করার অধিকার অগ্রক্রয়ের অধিকার নামে পরিচিত।
• অগ্রক্রয়ের অধিকার শুধু স্থাবর সম্পত্তির সাথে সম্পর্কীত। অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অগ্রক্রয় অধিকার প্রযোজ্য নয়। অগ্রক্রয়ের অধিকার মূলত প্রতিস্থাপনের অধিকার। এটি সম্পত্তিটি পুনরায় ক্রয়ের অধিকার নয়।।
৩ শ্রেণির ব্যক্তি আছে যারা অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে। এই ৩ শ্রেণির ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে না, তারা হলো- ক. Shafi sharik বা সহ অংশীদার। খ. Shafi Khalit বা সম্পত্তিতে সংলগ্ন সুবিধাদিতে শরিক, যেমন: Easement সুবিধা। গ. Shafi Jar বা সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক।
৩০.
'বিবাহিতা মুসলমান নারী ধর্মান্তরের ফলাফল' সংক্রান্ত বিধান নিম্নের কোন আইনে দেয়া আছে?
ক
পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩
খ
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961
গ
The Dissolution of Muslim Marriages Act,1939
ঘ
মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
• ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন ধারা ৪ এ বিবাহিতা মুসলমান নারী ধর্মান্তরের ফল দেয়া হয়েছে।
বলা হয়েছে- কোন বিবাহিতা মুসলমান নারী ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করলে অথবা ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্মে দীক্ষা গ্রহন করলে উক্ত কারনে তার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটবে না। তবে, অবশ্য এই জাতীয় ধর্ম ত্যাগ বা অন্য ধর্ম গ্রহণের পর সেই নারী ২ ধারায় বর্ণিত অন্য কোন কারনে তার বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য ডিক্রি গ্রহণের অধিকারিণী হইবেন। তাছাড়া, অত্র ধারার ব্যবস্থাবলী ঐ নারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, যে কোন ধর্ম হইতে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছিল এবং বর্তমানে স্বীয় পুরাতন ধর্মে পুনরায় দীক্ষা গ্রহণ করেছে।
Section 4: Effect of conversion to another faith The renunciation of Islam by a married Muslim woman or her conversion to a faith other than Islam shall not by itself operate to dissolve her marriage: Provided that after such renunciation, or conversion, the woman shall be entitled to obtain a decree for the dissolution of her marriage on any of the grounds mentioned in section 2: Provided further that the provisions of this section shall not apply to a woman converted to Islam from some other faith who re-embraces her former faith.
৩১.
কোন ক্ষেত্রে বিবাহিতা হিন্দু নারী স্বামী হতে পৃথক থেকেও, স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণের অধিকার পেতে পারে?
ক
স্বামী ধর্মান্তর হলে
খ
স্বামী পুনরায় বিবাহ করলে
গ
স্ত্রীর প্রতি নিষঠুর আচরণ করলে
ঘ
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• বিবাহিতা হিন্দু নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ আইনটি ১৯৪৬ সালের। এই আইনে বিবাহিতা হিন্দু নারী বিচ্ছেদ ছাড়াও, স্বামী হতে পৃথক থাকতে পারে। উক্ত আইনে উল্লেখিত ক্ষেত্রসমূহে স্ত্রী স্বামী হতে পৃথক থেকেও স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণের অধিকার পেতে পারে। ক্ষেত্রগুলো হলো-
⇒ স্বামী যদি দুরারোগ্য কুষ্ঠ, সিফলিস ইত্যাদি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় এবং এই সমস্ত ব্যাধি যদি স্ত্রীর নিকট হতে সংক্রামিত না হয়; if he (husband) is suffering from any loathsome disease not contracted from her;
⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি নিষঠুর আচরণ করে এবং নিষ্ঠুরতা যদি এই প্রকারের হয় যে স্বামীগৃহে তার জীবনাশংকা থাকে; if he is gulity of such cruelty towards her as renders it unsafe or undesirable for her to live with him;
⇒ স্বামী যদি গৃহে কোন উপ-পত্নী রেখে তার সাথে বসবাস করতে থাকে; if he keeps a concubine in the house or habitually resides with a concubine;
⇒ স্বামী যদি ধর্মান্তর হয়; if he ceases to be a Hindu by conversion to another religion;
⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিরেকে তাকে পরিত্যাগ করে; if he is guilty of desertion, that is to say, of abandoning her without her consent or against her wish;
⇒ স্বামী যদি পুনরায় বিবাহ করে; if he marries again; এবং
⇒ অন্য কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে। for any other justifiable cause
৩২.
বন্ধক চলাকালীন বন্ধকী সম্পত্তির রক্ষার জন্য বন্ধকগ্রহীতা প্রয়োজনীয় ব্যয় করে থাকলে এবং সুদের হার নির্ধারিত না থাকলে, বন্ধকদাতা বার্ষিক কত % হারে বন্ধকগ্রহীতাকে সুদ প্রদান করবে?
ক
৮% হারে
খ
৯% হারে
গ
৬% হারে
ঘ
৫% হারে
ব্যাখ্যা
• The Transfer of Property Act, 1882 এর ধারা ৬৩ক- বন্ধকী সম্পত্তিতে উন্নয়ন:
যেক্ষেত্রে বন্ধকী সম্পত্তি বন্ধকগ্রহীতার দখলে থাকাকালীন এবং বন্ধক চলমান সময়ে যদি বন্ধকগ্রহীতা উক্ত সম্পত্তিতে কোন উন্নয়ন করে, তাহলে বন্ধকী সম্পত্তি উদ্ধার করার পর বন্ধকদাতা উক্ত উন্নয়নের অধিকারী হবে এবং কোন ব্যয় দিতে বাধ্য থাকবে না। কিন্তু যদি এমন উন্নয়ন বন্ধকী সম্পত্তি রক্ষা বা সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় হয় এবং বন্ধকগ্রহীতা যদি উন্নয়নের জন্য ব্যয় করে থাকে, তাহলে বন্ধকদাতা উপযুক্ত ব্যয় দিতে বাধ্য থাকবে এবং বন্ধকী সম্পত্তি উন্নয়নের জন্য যে ব্যয় করা হয়েছে তার জন্য বন্ধকদাতা বার্ষিক ৯% হারে বন্ধকগ্রহীতাকে সুদ প্রদান করবে, যদি না সুদের হার নির্ধারিত হয়।
৩৩.
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো চুক্তি কার্যকর করার ক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও চুক্তিতে আবদ্ধ হয় এবং পরবর্তীকালে যদি এ চুক্তি কার্যকর করার ক্ষমতা অর্জন করে, তাহলে সে ঐ চুক্তি কার্যকর করতে বাধ্য থাকবে- কোন নীতির মূল কথা?
ক
Doctrine of priority
খ
Doctrine of estoppel
গ
Doctrine of Accumulation
ঘ
Doctrine of Marshalling
ব্যাখ্যা
• Feeding the grant by estoppel নীতিটি হলো, যদি কোনো ব্যক্তি কোনো চুক্তি কার্যকর করার ক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও চুক্তিতে আবদ্ধ হয় এবং পরবর্তীকালে যদি এ চুক্তি কার্যকর করার ক্ষমতা অর্জন করে, তাহলে সে ঐ চুক্তি কার্যকর করতে বাধ্য থাকবে। সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার মত Feeding the grant by estoppel নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত।
৪৩ ধারা অনুসারে, যেখানে কোনো ব্যক্তি প্রতারণামূলকভাবে বা ভুলক্রমে প্রকাশ করে যে, সে কোনো নির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য ক্ষমতাবান এবং মূল্যের বিনিময়ে তা হস্তান্তরের ঘোষণা করে, সেখানে পরবর্তীকালে এই চুক্তি বহাল থাকার সময় সে যদি ঐ সম্পত্তিতে কোনো স্বত্ব অর্জন করে, তাহলে হস্তান্তর গ্রহীতার ইচ্ছা অনুসারে এই হস্তান্তর তার এই পরবর্তীকালে অর্জিত স্বত্বের উপর বলবৎ হবে।
Section 43: Transfer by unauthorised person who subsequently acquires interest in property transferred- Where a person fraudulently or erroneously represents that he is authorised to transfer certain immoveable property and professes to transfer such property for consideration, such transfer shall, at the option of the transferee, operate on any interest which the transferor may acquire in such property at any time during which the contract of transfer subsists.
Nothing in this section shall impair the right of transferees in good faith for consideration without notice of the existence of the said option.
Illustration A, a Hindu, who has separated from his father B, sales to C three fields, X, Y and Z, representing that A is authorised to transfer the same. Of these fields Z does not belong to A, it having been retained by B on the partition; but on B's dying A as heir obtains Z. C, not having rescinded the contract of sale, may require A to deliver Z to him.
৩৪.
কোন অকৃষি জমি লিখিত ইজারার অধীন কমপক্ষে কত বছর দখলে থাকলে, ইজারাটি চিরস্থায়ীভাবে নবায়ন করার অধিকারী হবে?
ক
৮ বছর
খ
১০ বছর
গ
১২ বছর
ঘ
২০ বছর
ব্যাখ্যা
• অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনের ৮ ধারা মতে- কোন অকৃষি জমি লিখিত ইজারার অধীন কমপক্ষে ১২ বছর দখলে থাকে এবং লিখিত ইজারার উক্ত মেয়াদ শেষ হওয়ার পর রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ এর ১৪ অধ্যায়ের অধীন ন্যায় ও যুক্তিসঙ্গত খাজনা নির্ধারণ করে ইজারাটি চিরস্থায়ীভাবে নবায়ন করার অধিকারী হবে।
Section 8- Renewals of lease of tenancies held for not less than twelve years and succession to, and transfer of, such tenancies: (1) Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force or in any contract, where any non-agricultural land is held under a lease in writing for a term of not less than twelve years specified in such lease, the tenant holding such land shall, on the expiration of the period so specified, be entitled to the renewal of such lease for perpetuity on such fair and reasonable rent as may be determined under Chapter XIV of the 7 State Acquisition and Tenancy Act, 1950:
Provided that no premium or salami shall be payable in respect of such renewal.
৩৫.
Land Survey Tribunal এর কোন রায় বা ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কত দিনের মধ্যে Land Survey Appellate Tribunal এ আপীল করা যায়?
ক
২ মাসের মধ্যে
খ
৩ মাসের মধ্যে
গ
৬ মাসের মধ্যে
ঘ
১ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহন এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ১৪৫খ ধারা অনুসারে, সরকার ল্যান্ড সার্ভে আপীলেট ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করতে পারে। ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপীল শুনানীর জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সংখ্যক ল্যান্ড সার্ভে আপীলেট ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে। বিচারক নিয়োগ (ধারা ১৪৫খ (৩): সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে বিচারকগণের মধ্যে হতে কোন ব্যক্তিকে সরকার ল্যান্ড সার্ভে আপীলেট বিচারক নিযুক্ত করবর।
আপীল এখতিয়ার (ধারা ১৪৫খ (৪)]: শুধুমাত্র ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে ল্যান্ড সার্ভে আপীলো ট্রাইব্যুনালে আপীল দায়ের করা যাবে। ইহা ব্যতীত অন্যকোন আপীল দায়ের করা যাবে না।
আপীল দায়েরের সময়সীমা (ধারা ১৪৫খ (৫)): Land Survey Tribunal এর কোন রায় বা ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে ৩ মাসের মধ্যে Land Survey Appellate Tribunal এ আপীল করা যায়। ১৪৫খ ধারার (৫) উপ-ধারায় উল্লেখিত ৩ মাস অতিবাহিত হওয়ার পরবর্তী ৩ মাসের মধ্যে আপীল গ্রহণ করা যেতে পারে, যদি আপীল প্রথম ৩ মাসের মধ্যে দায়ের করতে না পারার যথেষ্ট কারণ আপীলকারী দেখাতে পারে।
৩৬.
An agreement made without consideration is ________.
ক
voidable
খ
void
গ
valid
ঘ
not void
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৫- প্রতিদানবিহীন সম্মতি বাতিলঃ
An agreement made without consideration is void.
চুক্তি আইনের ২৫ ধারা অনুসারে, প্রতিদান ব্যতীত সম্মতি বাতিল।
৩৭.
চুক্তি আইনের কত ধারায় সাব-এজেন্ট এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
ক
১৯৩ ধারায়
খ
১৯১ ধারায়
গ
১৯০ ধারায়
ঘ
১৯২ ধারায়
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১৯১ ধারায় সাব-এজেন্ট এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ১৯১ ধারায় বলা হয়েছে, সাব এজেন্ট হলো এমন ব্যক্তি যে প্রতিনিধিত্বের ব্যবসায় মূল এজেন্ট কর্তৃক নিযুক্ত হয় এবং তার নিয়ন্ত্রণাধীনে কাজ করে।
A 'sub- agent' is a person employed by, and acting under the control of, the original agent in the business of the agency
→ সাব-এজেন্টের কার্যের জন্য এজেন্ট মালিকের নিকট দায়ী [ধারা ১৯২]। → সাব-এজেন্ট তার কার্যের জন্য এজেন্টের নিকট দায়ী কিন্তু প্রতারণা বা স্বেচ্ছামূলক ভুল ব্যতিত মালিকের নিকট দায়ী নয় (ধারা ১৯২)।
৩৮.
চুক্তি আইনের ১১ ধারায় চুক্তি সম্পাদনের কয়টি যোগ্যতার কথা উল্লেখ আছে?
ক
৩টি
খ
৪টি
গ
২টি
ঘ
৫টি
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১১ ধারায় চুক্তি সম্পাদনে যোগ্যতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ ধারায় বলা হয়েছে যে, প্রত্যেক ব্যক্তিই চুক্তি করার যোগ্য যদি- ⇒ সে নিজ আইনে সাবালক, ⇒ সুস্থ মনের অধিকারী, এবং ⇒ নিজ আইনে চুক্তি করার জন্য অযোগ্য না হন।
[Every person is competent to contract who is age of majority according to the law to which he is subject, and sound mind and is not disqualified from contracting by any law to which he is subject.]
অতএব বলা যায় চুক্তি সম্পাদনে সে ব্যক্তি যোগ্য, যিনি সাবালক ও সুস্থ মনের অধিকারী এবং যাকে কোনো আইনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়নি।
এখানে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। প্রাকৃতিক ব্যক্তি বলতে মানুষকে বলা হয়েছে আর কৃত্রিম ব্যক্তি বলতে কোম্পানি, কর্পোরেশন, সংঘ যারা আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত।
৩৯.
'ক', 'খ'-এর নিকট ২০ শতক জমি বিক্রির দলিল সম্পাদন করে। উক্ত ২০ শতকের মধ্যে ১০ শতক লালমাই, ৫ শতক লাকসাম এবং ৫ শতক বড়ুরা উপজেলায় অবস্থিত। উক্ত দলিলটি রেজিস্ট্রির জন্য কোথায় উপস্থাপন করতে হবে?
ক
বড়ুরা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে
খ
লালমাই সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে
গ
লাকসাম সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে
ঘ
উল্লিখিত যেকোনোটিতে
ব্যাখ্যা
• রেজিস্ট্রেশন আইন: ১৯০৮ এর ২৮ ধারায় বলা হয়েছে,
যে জমি হস্তান্তর করার জন্য দলিল রেজিস্ট্রি করা হবে, সেই জমির সম্পূর্ণ বা বেশি অংশ যে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের অধীন অবস্থিত সেই সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে দলিলটি রেজিস্ট্রির জন্য উপস্থাপন করতে হবে।
উক্ত সম্পত্তির বৃহত্তর অংশ একই উপজেলায় অবস্থিত না হলে, যে সাব-রেজিস্ট্রারের এলাকায় এইরুপ সম্পত্তির কোন অংশ বিশেষ অবস্থিত সেই সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা যাবে।
'ক', 'খ'-এর নিকট ১০ শতক ভূমি বিক্রির দলিল সম্পাদন করে। উক্ত ১০ শতকের মধ্যে বেশি অংশ (৭ শতক) সাভারে অবস্থিত হওয়ায়, দলিলটি রেজিস্ট্রির জন্য সাভার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে উপস্থাপন করতে হবে।
৪০.
The Registration Act,1908 এর কত ধারায় রেজিস্ট্রার কর্তৃক দলিল নিবন্ধনের জন্য অগ্রাহ্যে আদেশের ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতে মামলা করার অধিকার দেয়া হয়েছে?
ক
৬৭ ধারায়
খ
৭৭ ধারায়
গ
৭৫ ধারায়
ঘ
৭৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• The Registration Act, 1908 এর ৭৭ ধারা: রেজিস্ট্রার কর্তৃক অগ্রাহ্যের আদেশের ক্ষেত্রে মামলা:
(১) যেক্ষেত্রে রেজিস্ট্রার ধারা ৭২ বা ধারা ৭৬ এর অধীন দলিল নিবন্ধনের জন্য আদেশ প্রদানে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেন, সেইক্ষেত্রে উক্ত দলিলের কোন গ্রহীতা, তাহার প্রতিনিধি, মনোনীত ব্যক্তি বা এজেন্ট উক্ত অগ্রাহ্যের আদেশ প্রদানের পর ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে যে দেওয়ানি আদালতের আদি এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে অবস্থিত কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা হইয়াছিল, সেই কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধিত হওয়ার নির্দেশ-সংবলিত ডিক্রি লাভের উদ্দেশ্যে উক্ত আদালতে মামলা দায়ের করিতে পারিবেন, যদি এইরূপ ডিক্রি প্রদানের পর ত্রিশ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দলিলটি যথাযথরূপে দাখিল করা হয়।
তবে শর্ত থাকে যে, মামলা দায়ের করিতে ব্যর্থতা বা এই ধারার অধীন দায়েরকৃত মামলার খারিজ হইয়া যাওয়া, পক্ষকে অন্য কোন প্রতিকার পাওয়ার অধিকার হইতে বঞ্চিত করিবে না, যাহা তিনি অনিবন্ধিত দলিলের ভিত্তিতে পাইতে পারিতেন।
(২) প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ ধারা ৭৫ এর উপ-ধারা (২) ও (৩) এ বর্ণিত বিধানাবলি এইরূপ কোন ডিক্রি অনুসারে নিবন্ধনের জন্য দাখিলকৃত সকল দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে, এবং, এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, দলিলটি উক্তরূপ মামলায় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে।
Section 77- Suit in case of order of refusal by Registrar: (1) Where the Registrar refuses to order the document to be registered, under section 72 or section 76, any person claiming under such document, or his representative, assign or agent, may, within thirty days after the making of the order of refusal, institute in the Civil Court, within the local limits of whose original jurisdiction is situate the office in which the document is sought to be registered, a suit far a decree directing the document to be registered in such office if it be duly presented for registration within thirty days after the passing of such decree: Provided that failure to file a suit or the dismissal of a suit filed under this section shall not disentitle a party to any other remedy to which he may be entitled, on the basis of the unregistered document.
(2) The provisions contained in sub-sections (2) and (3) of section 75 shall, mutatis mutandis, apply to all documents presented for registration in accordance with any such decree, and, notwithstanding anything contained in this Act, the document shall be receivable in evidence in such suit.
৪১.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩০ অনুসারে, অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে বিকল্প প্রতিকার হিসেবে নিম্নের কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না?
ক
দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক
খ
দায়িকের সম্পত্তি ক্রোক করা
গ
দায়িকের সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা
ঘ
দায়িককে জরিমানা করা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩০ এর বিধান:
অর্থ পরিশোধের ডিক্রি: বিকল্প প্রতিকার হিসেবে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে অথবা তার সম্পত্তি ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয় করে অথবা উভয় প্রকারেই জারি করা যাবে।
Order-21 Rule-30- Decree for payment of money: Every decree for the payment of money, including a decree for the payment of money as the alternative to some other relief, may be executed by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment and sale of his property, or by both.
৪২.
রায় একবার স্বাক্ষরযুক্ত হয়ে গেলে, তা দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা ব্যতীত সংশোধন করা যাবে না?
ক
১৫৩ ধারা
খ
১৫২ ধারা
গ
১৫৭ ধারা
ঘ
১৫১ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-
রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে। এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
> করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes), > আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।
• উল্লেখ্য যে, দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায় আদালতের দেওয়ানি মামলার কার্য ধারার ত্রুটি সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫৩ ধারামতে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার কোন প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের জন্য মামলার কার্য ধারার ত্রুটি (any defect or error in any proceeding in a suit) সংশোধন করতে পারেন।
৪৩.
Every suit shall be instituted in the court of the _______ grade competent to try it.
ক
highest
খ
lowest
গ
civil
ঘ
same
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, তা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়- ১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং ২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানি আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়। ধারা-১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-
"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it."
অর্থাৎ প্রত্যেকটি দেওয়ানি মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে। কোনটি সর্বনিম্ন আদালত সেটা নির্ধারিত হবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী।
৪৪.
আদেশ-৩৮ বিধি-৯ অনুসারে আদালত রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারে-
ক
বিবাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে
খ
মোকদ্দমা খারিজ হলে
গ
মোকদ্দমা স্থগিত হলে
ঘ
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• আদালত ২টি কারণে রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারেন যথা- ক) বিবাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে; এবং খ) মোকদ্দমা খারিজ হলে।
আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ: যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।
Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed: Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
৪৫.
'ক' ৫০ কেজি চাল 'খ' এর নিকট বিক্রয় করার চুক্তি করে। কোন কারণ ব্যতিরেকেই উক্ত চাল 'খ'-কে সরবরাহ করা হয় নাই। 'খ'-এর প্রতিকার কী?
ক
শুধুমাত্র সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবে
খ
ক্ষতিপূরণ লাভ করতে পারবে
গ
শুধুমাত্র চুক্তির ক্রয়মূল্য ফেরত পাবে
ঘ
কোনো ক্ষতিপূরণ পাবে না
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন,১৮৭৭ ধারা ১৯: কতিপয় বিশেষ ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা
এই ধারা অনুযায়ী বাদী ২ রকম প্রতিকার চাইতে পারে: ১. চুক্তি সম্পাদনের পাশাপাশি অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ; ২. চুক্তি সম্পাদনের পরিবর্তে ক্ষতিপূরণ।
প্রশ্নের বর্ণনা অনুযায়ী, চুক্তির বিষয়বস্তু অস্থাবর সম্পত্তি এবং বৈধ চুক্তি। যেহেতু একটি বৈধ চুক্তি কোনো কারণ ছাড়াই 'ক' ভঙ্গ করে 'খ'-এর ক্ষতি করেছে, সেহেতু সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনই এর জন্য উপযুক্ত প্রতিকার নয়। বরং পাশাপাশি অতিরিক্ত হিসেবে ক্ষতিপূরণও পাবে। সুতরাং 'খ' ক্ষতিপূরণ লাভ করবে।
৪৬.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৬ ধারায় নিষেধাজ্ঞার প্রতিকার নামঞ্জুর করার ক্ষেত্র কয়টি?
ক
৯ টি
খ
৭ টি
গ
১০ টি
ঘ
১১ টি
ব্যাখ্যা
• কোন কোন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায় না তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। ৫৬ ধারা অনুসারে ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা- i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত; ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত; iii) আইন প্রনয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা; iv) সরকারী দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ; v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত; vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য; viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে; ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে; x) বাদীর আচরন আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোন স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
৪৭.
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর কত ধারায় জারীর পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান আছে?
ক
৩৯ ধারায়
খ
৪১ ধারায়
গ
৩৮ ধারায়
ঘ
৪৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
• অর্থ ঋণ আদালত,২০০৩ আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে অর্থ ঋণ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ২টি পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে। যথা ১. মধ্যস্থতার মাধ্যমে; ২. আপোষ নিষ্পত্তির মাধ্যমে।
• ধারা ২২ থেকে ২৫ এবং ৩৮, এবং ৪৪ক ধারায় মধ্যস্থতা সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে। অন্যদিকে আপোষ নিষ্পত্তির বিষয়টি ৪৫ ধারায় উল্লেখ আছে। অর্থ ঋণ মামলার ক্ষেত্রে ২২ ধারা অনুসারে লিখিত জবাব দাখিলের পর মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা যায়। এই পর্যায়ে মধ্যস্থতা ব্যর্থ হলে ২৩ ধারার অধীন রায় বা আদেশ প্রদানের পূর্বে পুনরায় বিকল্প পদ্ধতিতে মামলা নিষ্পত্তি করতে পারে।
আবার, ৩৮ ধারা অনুসারে জারীর পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে জারী মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায়। অন্যদিকে ৪৪ক ধারায় আপীল বা রিভিশনের পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আপীল বা রিভিশন মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায়।
৪৮.
The Civil Courts Act, 1887 এর ৯ অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের কোন ধরণের নিয়ন্ত্রণ থাকবে?
ক
বিচারিক
খ
প্রশাসনিক
গ
দাপ্তরিক
ঘ
স্বেচ্ছামূলক
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন থাকবে।
ধারা ৯- আদালতের প্রশাসনিক ক্ষমতা (Administrative control of Courts): হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে জেলা জজের তার স্থানীয় সীমানায় অবস্থিত সকল দেওয়ানি আদালতের উপর তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ থাকবে।
Section 9: Administrative control of Courts- Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.
• দেওয়ানী কার্যবিধির অধীনে আপিল তামাদি আইনের ১৫২ এবং ১৫৬ অনুচ্ছেদের তামাদির বিধান অনুযায়ী করতে হয়।
অনুচ্ছেদ- ১৫২ ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে জেলা জজের আদালতে আপিল- তামাদি- ৩০ দিন, সময় গণনা শুরু- যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তার তারিখ হতে।
অনুচ্ছেদ- ১৫৬ দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন, ১৫১ ও ১৫৩ অনুচ্ছেদে যে সকল মোকদ্দমা সম্পর্কে বিধান আছে সেগুলি ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল- তামাদি- ৯০ দিন, সময় গণনা শুরু- যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হচ্ছে।
৫০.
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস প্রথম বছর কতটি দেশ পালন করে?
ক
১৮৭টি
খ
১৮৮টি
গ
১৮৯টি
ঘ
১৯০টি
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো বাংলাদেশের বাঙালি জনগোষ্ঠীর ভাষার জন্য আত্মত্যাগকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষনা করে। - প্রতিবছর ২১ শে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়। - ২০০০ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি এ বিশেষ দিবসটিকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশে প্রথমবারের মতো ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করে। - ইউনেস্কোর পর জাতিসংঘও ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। - ৫ ডিসেম্বর ২০০৮ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে এ স্বীকৃতি দেয়া হয়।
তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব।
৫১.
'তবকাত-ই-নাসিরী' গ্রন্থের লেখক -
ক
আবুল ফজল
খ
মিনহাজ-ই-সিরাজ
গ
আব্দুল মালিক ইসামী
ঘ
সুলতান নাসির-উদ-দীন
ব্যাখ্যা
তবকাত-ই-নাসিরী: - তবকাত-ই-নাসিরী মিনহাজ-ই-সিরাজ জুর্জানি রচিত মধ্যযুগের সাধারণ ইতিহাস গ্রন্থ। - এ গ্রন্থে ইসলামের বিভিন্ন নবী-রসুলের ইতিহাস থেকে শুরু করে মিনহাজ তাঁর নিজের সময় পর্যন্ত ঘটনাবলি বর্ণনা করেছেন। - বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার ইতিহাস পুনর্গঠনের জন্য এটি অতি গুরুত্বপূর্ণ আকর গ্রন্থ। - বাংলা মুলুকে মুসলিম শাসনের প্রথম ৫০ বছরের ইতিহাস একমাত্র এ গ্রন্থেই পাওয়া যায়। - বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয় থেকে ১২৫৯ সাল পর্যন্ত বাংলার ইতিহাসের একমাত্র নির্ভরযোগ্য উৎস হলো তবকাত-ই-নাসিরী।
উল্লেখ্য, - মিনহাজ-ই-সিরাজ ছিলেন দিল্লির কাজি। - কর্মসূত্রে সুলতানি আমলের বাংলায় এসে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করার পর দিল্লি ফিরে রচনা করেন এই বই। - দিল্লির সুলতানের বিরুদ্ধে খলজিদের বিদ্রোহ, বখতিয়ার খলজির নেতৃত্বে বাংলায় তুর্কি অধিকার, ব্যর্থ তিব্বত অভিযান ও তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত বাংলার ৫৪ বছরের একমাত্র ইতিহাস এই বই। - মূল্যবান ও বিশদ ভূমিকাসহ বইটির সংশ্লিষ্ট তিনটি অংশ মূল ফারসি থেকে বাংলায় অনুবাদ করেছেন নিষ্ঠাবান ইতিহাস-গবেষক আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া।
অন্যদিকে - - তুর্কি-আফগান যুগে একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক রচনা হলো, আব্দুল মালিক ইসামী রচিত "ফুতুহ-উস-সালাতিন" নামক গ্রন্থ। - আকবরনামা আবুল ফজল আল্লামী বিরচিত ঐতিহাসিক ঘটনাপঞ্জি সম্বলিত ফার্সি গ্রন্থ।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫২.
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে ছিলেন?
ক
মঈনুল হোসেন
খ
তানভীর করিম
গ
মোস্তফা আলী কুদ্দুস
ঘ
সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
ব্যাখ্যা
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ: - বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সময় অগণিত বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়। - পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে মানবতাবিরোধী এই বর্বর কাজে সহায়তা করেছে রাজাকার ও আলবদর বাহিনী। - পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর চূড়ান্ত পরাজয়ের দুই দিন পূর্বে ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে। - তাঁদের স্মৃতি অমর করে রাখার জন্য ঢাকার মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়। - শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি ছিলেন মোস্তফা আলী কুদ্দুস। - ১৯৭২ সালে এই স্মৃতিসৌধের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৩.
নিচের কোনটি একটি ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র?
ক
ইংল্যান্ড
খ
ইতালি
গ
অস্ট্রিয়া
ঘ
উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা
ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র: - একটি স্বাধীন দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে যদি অন্য কোন স্বাধীন দেশ অবস্থান করে তবে তাকে ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র বলে। - পৃথিবীতে ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র ২টি। - এগুলো হলো ইতালি ও দক্ষিণ আফ্রিকা। - স্যানমেরিনো এবং ভ্যাটিকান সিটি নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র ইতালির অধিভুক্ত। - দক্ষিণ আফ্রিকার অভ্যন্তরে ‘লেসোথ’ নামের আরেকটি স্বাধীন রাষ্ট্র অবস্থিত।
অন্যদিকে, ইতালির অভ্যন্তরে ‘ভ্যাটিকান সিটি’ ও ‘সানম্যারিনো’ রাষ্ট্রদ্বয় অবস্থিত।
উৎস: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস, ব্রিটানিকা।
৫৪.
Fill in the blanks with the correct phrasal verbs given below. We need to ___________ the meeting because of a scheduling conflict.
ক
carry off
খ
take off
গ
put off
ঘ
call on
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - put off. - Complete sentence: We need to put off the meeting because of a scheduling conflict.
• Put off (phrasal verb) English Meaning: to cancel a meeting or an arrangement that you have made with somebody Bangla Meaning: স্থগিত করা.
• অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - • Call on English Meaning: to ask or demand that somebody do something Bangla Meaning: ডাকা /আহ্বান করা
• Take off English Meaning: leave the ground and begin to fly Bangla meaning: ভূমি ত্যাগ করা; উড্ডয়ন করা; ওড়া
• Carry off English Meaning: to win something Bangla meaning: জয় লাভ করা।
Source: Bangla Academy dictionary and Oxford Learner's Dictionary.
৫৫.
Select the correct comparative form of the sentence. "A burst of fireworks was not as dazzling as her smile."
ক
Her smile was the most dazzling than a burst of fireworks.
খ
Her smile was more dazzling than a burst of fireworks.
গ
A burst of fireworks was more dazzling than her smile.
ঘ
A burst of fireworks were very dazzling than her smile.
ব্যাখ্যা
• Positive: A burst of fireworks was not as dazzling as her smile. Comparative: Her smile was more dazzling than a burst of fireworks.
যখন not- যুক্ত কোন Positive degree-এর বাক্যে দুটি ব্যক্তি/বস্তুর মধ্যে বৈশিষ্ট্যের তারতম্য বোঝায়, তখন নিচের নিয়মে সেটিকে Comparative করতে হয়: - Positive Sentence- এর ২য় noun/noun phrase, Comparative- এর প্রথমে বসে + - be verb 'Tense' অনুযায়ী বসে + - adjective (comparative form) বসে + - than বসে + - Positive Sentence- এর ১ম noun/noun phrase Comprative- এ শেষে বসে।
More Examples: Positive: The luxury of a five-star hotel was not as opulent as a royal palace. Comparative: A royal palace was more opulent than the luxury of a five-star hotel.
Positive: The wisdom of a book is not as enlightening as a conversation with a scholar. Comparative: A conversation with a scholar is more enlightening than the wisdom of a book.
Source: A Passage to the English Language by S. M. Zakir Hussain.
Choose the correct form of the verb: The artist wanted his masterpiece to be _______ in the center of the gallery.
ক
hung
খ
hang
গ
hanged
ঘ
hunged
ব্যাখ্যা
• Right form of verb এর নিয়ম অনুযায়ী, - to be এবং having এর মূল verb এর Past participle হয়। যেমন: - He ran away having taken the money. - She asked for the framed family portrait to be hung above the fireplace.
উল্লেখ্য, - Hang (ঝুলানো; ঝুলিয়ে রাখা) এর Past participle হচ্ছে 'Hung.' - অন্যদিকে, Hang (ফাঁসি দেওয়া) এর Past participle হচ্ছে 'Hanged.'
তাই, Complete Sentence - The artist wanted his masterpiece to be hung in the center of the gallery.
৫৮.
'The Good Earth' is a novel written by-
ক
Arundhati Roy
খ
George Eliot
গ
Tahmima Anam
ঘ
Pearl S. Buck
ব্যাখ্যা
• The Good Earth: - এটি Pearl S. Buck লিখিত একটি novel. The writer got the Nobel prize for her novel The Good Earth. - এটি 1931 সালে প্রকাশিত হয়। - The novel is about peasant life in China in the 1920s. - It follows the life of Wang Lung from his beginnings as an impoverished peasant to his eventual position as a prosperous landowner.
• Pearl S. Buck: - তিনি একজন American author. - She is noted for her novels about life in China. - তিনি 1938 সালে সাহিত্যে nobel prize পান।
• Notable works: - Dragon Seed - East Wind, West Wind - The Eternal Wonder - The Good Earth
Source: Britannica.
৫৯.
'Banquo' is a famous character from Shakespeare's which play?
ক
Macbeth
খ
Richard II
গ
Hamlet
ঘ
Troilus and Cressida
ব্যাখ্যা
• 'Banquo' is a famous character from Shakespeare's play - Macbeth. - Macbeth হচ্ছে William Shakespeare এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ tragedy এবং Macbeth হল এর মূল চরিত্র/ tragic hero. - Macbeth ছিলেন স্কটল্যান্ডের রাজা Duncan এর একজন বিশ্বস্ত General. - Banquo is a thane in Duncan's army, and at first a friend to Macbeth - নাটকে দেখা যায় তিনজন ডাইনী সেনাপতি Macbeth এর সাথে দেখা করে এবং সে ভবিষ্যতে Scotland এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের রাজা হবে। - ভবিষ্যৎবাণীতে আরো বলা ছিলো যে পরবর্বতীতে রাজত্ব পাবে অপর সেনাপতি Banquo. - Macbeth kills the king and Banquo, becomes the new king, and kills more people out of paranoia. - Civil war erupts to overthrow Macbeth, resulting in more death.
• এই tragedy টি ১৬০৭-০৭ সালের দিকে লেখা এবং ১৬২৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। -Shakespeare রচিত Tragedy গুলোর মধ্যে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত এটি। - এই নাটকটি Shakespeare এর ‘Scottish Play’ নামেও পরিচিত।
• Its important characters are - - Macbeth - Lady Macbeth - Duncan - Banquo - Three Witches
Source: Britannica.
৬০.
a = 7 এবং b ও c এর মানের গড় 13 হলে a, b এবং c এর গড় মান কত হবে?
ক
11
খ
12
গ
13
ঘ
14
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a = 7 এবং b ও c এর মানের গড় 13 হলে a, b এবং c এর গড় মান কত হবে?
সমাধান: দেওয়া আছে, a = 6 b ও c এর মানের গড় = 13 b ও c এর মানের সমষ্টি = (13 × 2) = 26
∴ a, b এবং c এর মানের গড় = (26 + 7)/3 = 33/3 = 11
৬১.
‘আম আঁটির ভেঁপু' গল্পটি কোন লেখকের উপন্যাস থেকে সংকলিত হয়েছে?
ক
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
খ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
ঘ
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
‘আম আঁটির ভেঁপু' গল্প: - ‘আম আঁটির ভেঁপু' শীর্ষক গল্পটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পথের পাঁচালী' উপন্যাস থেকে সংকলন করা হয়েছে। - গ্রামীণ জীবনে প্রকৃতিঘনিষ্ঠ দুই ভাই-বোনের আনন্দিত জীবনের আখ্যান নিয়ে গল্পটি রচিত হয়েছে। - গল্পের চরিত্রগুলো হলো: অপু, দুর্গা, সর্বজয়া।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়: - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দের ১২ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁচরাপাড়ার নিকটবর্তী ঘোষপাড়া-মুরারিপুর গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম। - ১৩২৮ বঙ্গাব্দের (১৯২১) মাঘ প্রবাসীতে প্রথম গল্প ‘উপেক্ষিতা’ প্রকাশের মধ্য দিয়ে বিভূতিভূষণের সাহিত্যিক জীবন শুরু হয়। - বাংলা কথাসাহিত্যে শরৎচন্দ্রের পরে বিভূতিভূষণই সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় সাহিত্যিকের মর্যাদা পেয়েছেন। - হেমন্তকুমার গুপ্তের সঙ্গে যৌথভাবে তিনি দীপক (১৯৩২) পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
- তাঁর সাহিত্যকর্ম: উপন্যাস: - পথের পাঁচালী, - অপরাজিত, - অশনি সংকেত, - আরণ্যক, - আদর্শ হিন্দু হোটেল, - দেবযান, - ইছামতী, - দৃষ্টি প্রদীপ ইত্যাদি।
ছোটগল্প: - মেঘমল্লার, - মৌরীফুল, - যাত্রাবদল, - কিন্নরদল ইত্যাদি।
উৎস: ১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। ২) বাংলাপিডিয়া।
৬২.
অধিকরণ কারকে সাধারণত কোন বিভক্তি যুক্ত হয়?
ক
দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক
খ
এ, য়, তে
গ
হতে, থেকে, চেয়ে
ঘ
কে, রে
ব্যাখ্যা
অধিকরণ কারক: - ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে। - অধিকরণ কারকে সপ্তমী অর্থাৎ ‘এ’, 'য়', ‘তে’ ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়। যথা - → আধার (স্থান): আমরা রোজ স্কুলে যাই। → কাল (সময়): প্রভাতে সূর্য ওঠে। - অধিকরণ কারক তিন প্রকার। যথা: ১. আধারাধিকরণ, ২. কালাধিকরণ এবং ৩. ভাবাধিকরণ।
• আধারাধিকরণ তিন ভাগে বিভক্ত। যথা: ১. ঐকদেশিক, ২. অভিব্যাপক এবং ৩. বৈষয়িক।
• ঐকদেশিক আধারাধিকরণ: - বিশাল স্থানের যে কোনো অংশে ক্রিয়া সংঘটিত হলে তাকে ঐকদেশিক আধারাধিকরণ বলে। যেমন - → পুকুরে মাছ আছে। (পুকুরের যে কোনো একস্থানে) → বনে বাঘ আছে। (বনের যে কোনো এক অংশে) → আকাশে চাঁদ উঠেছে। (আকাশের কোনো এক অংশে) - সামীপ্য অর্থেও ঐকদেশিক অধিকরণ হয়। যেমন - → ঘাটে নৌকা বাঁধা আছে (ঘাটের কাছে)। → দুয়ারে দাঁড়ায়ে প্রার্থী, ভিক্ষা দেহ তারে (দুয়ারের কাছে)।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৬৩.
'বাল্মীকি রামায়ণ রচনা করেছেন।' - কোন বাচ্যের উদাহরণ?
ক
কর্মবাচ্য
খ
কর্তাবাচ্য
গ
ভাববাচ্য
ঘ
কর্মকর্তৃবাচ্য
ব্যাখ্যা
কর্তাবাচ্য: - যে বাক্যের ক্রিয়া কর্তাকে অনুসরণ করে, তাকে কর্তাবাচ্য বলে। এক্ষেত্রে ক্রিয়ার রূপটি কর্তার পক্ষ অনুযায়ী হয়। - যেমন: • তারা বাড়িটি তৈরি করেছে। • প্রধান শিক্ষক জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন। • আমরা কঠোর পরিশ্রম করি। • একটু বাইরে বেড়িয়ে আসি। • বাল্মীকি রামায়ণ রচনা করেছেন।
অন্যদিকে, ভাববাচ্য: - যে বাক্যের ক্রিয়া-বিশেষ্য বাক্যের ক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে ভাববাচ্য বলে। - যেমন: • আমার যাওয়া হল না। • কোথা থেকে আসা হলো। • এবার বাঁশিটি বাজানো হোক।
কর্মবাচ্য: - যে বাক্যের ক্রিয়া কর্মকে অনুসরণ করে, তাকে কর্মবাচ্য বলে। - যেমন: • পুলিশ কর্তৃক ডাকাত ধৃত হয়েছে। • চিঠিটা পড়া হয়েছে । • তাদের দ্বারা বাড়িটি তৈরি হয়েছে। • আসামিকে জরিমানা করা হয়েছে। • আমাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হয়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।