পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন২৮
সিলেবাস
Exam - 13 The Penal Code-1860: Test-2 Topic: Section 141-294B • Offences against the public tranquility • Offences by or relating to public servants • Offences relating to elections • Contempts of the lawful authority of public servants • False evidence and offences against public justice • Offences relating to coin and government stamps • Offences relating to weights and measures • Offences affecting the public health, safety, convenience, decency and morals
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন

.
দণ্ডবিধির ১৭১ক ধারা অনুযায়ী, 'নির্বাচনী অধিকার' বলতে কী বোঝায়?
  1. ভোট দেওয়ার অধিকার
  2. প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানো বা না দাঁড়ানোর অধিকার
  3. ভোট দেওয়া বা ভোটদান থেকে বিরত থাকার অধিকার
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৭১ক ধারার (খ) উপধারা অনুযায়ী, "নির্বাচনী অধিকার" বলতে বোঝানো হয়েছে—
- প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানোর অধিকার
- প্রার্থী না হওয়ার অধিকার
- প্রার্থী হওয়ার পর মনোনয়ন প্রত্যাহারের অধিকার
- ভোট দেওয়ার অধিকার
- ভোটদান থেকে বিরত থাকার অধিকার
→ অতএব, উল্লিখিত প্রশ্নে 'উপরের সবগুলো ' সঠিক।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭১ক ধারার বিধান 'নির্বাচন প্রার্থী' 'নির্বাচনী অধিকার' কথা দুইটির সংজ্ঞা :- এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যসমূহের পরিপ্রেক্ষিতে- (ক) 'নির্বাচন প্রার্থী' বলতে কোন নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত ব্যক্তিকে বুঝাবে এবং যে ব্যক্তি কোন নির্বাচনের জল্পনা-কল্পনা চলাকালে উহাতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নিজেকে প্রতিভাত করেন সে ব্যক্তিকেও বুঝাবে। তবে সে ব্যক্তিকে পরে অনুরূপ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হতে হবে;
(খ) নির্বাচনী অধিকার' বলতে কোন ব্যক্তির কোন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াবার অথবা না দাঁড়াবার অথবা প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে নাম প্রত্যাহার করার অথবা ভোট দেওয়ার অথবা ভোটদান হতে বিরত থাকার অধিকার বুঝায়।
------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-171A- “Candidate”, “Electoral right” defined:
- For the purposes of this Chapter -
- (a) "candidate" means a person who has been nominated as a candidate at any election and includes a person who, when an election is in contemplation, holds himself out as a prospective candidate thereat; provided that he is subsequently nominated as a candidate at such election;
- (b) "electoral right" means the right of a person to stand, or not to stand as, or to withdraw from being, a candidate or to vote or refrain from voting at an election.
.
দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান অনুযায়ী, মিথ্যা সাক্ষ্যের কারণে যদি কোনো নির্দোষ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়, তবে সাক্ষ্য প্রদানকারীর সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. শুধু অর্থদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা উদ্ভাবন করে এবং তার ফলে একজন নির্দোষ ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়, তবে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারীর শাস্তি অত্যন্ত কঠোর হবে।
- মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে নির্দোষ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে, সাক্ষ্য প্রদানকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হতে পারে এবং সর্বনিম্ন শাস্তি ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে। 

দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার মূল বিধান:
যদি কেউ মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা তৈরি করে এবং তা দ্বারা অন্য কেউ মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে জেনেও তা করে, তবে তার শাস্তি হবে—যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
কিন্তু যদি মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে নির্দোষ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়, তাহলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী ব্যক্তিকে— মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-
(i) কোন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদণ্ড না হলে বা আসামি খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒The Penal Code, 1860-Section 194: Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed:
- Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine;
and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.
.
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান অনুযায়ী, "বেআইনি সমাবেশ" শব্দের মধ্যে কোন উদ্দেশ্য অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. নাশকতা বা দখল করা
  2. শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করা
  3. কোনো আইন বাস্তবায়নে প্রতিরোধ করা
  4. সরকারি কর্মকর্তা বা সংসদ সদস্যকে বাধা দেওয়া
সঠিক উত্তর:
শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার অনুযায়ী, "বেআইনি সমাবেশ" এমন একটি সমাবেশ যেখানে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রিত হয়ে কিছু অবৈধ উদ্দেশ্য অর্জনের চেষ্টা করে। এর মধ্যে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ আইনগতভাবে অনুমোদিত। তবে নাশকতা, আইন বাস্তবায়নে প্রতিরোধ, সরকারি কর্মকর্তা বা সংসদ সদস্যকে বাধা দেওয়া এগুলি "বেআইনি সমাবেশ" এর উদ্দেশ্য হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is 
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or 
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or 
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or 
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
.
দণ্ডবিধির ১৭১চ ধারার অধীনে নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয়দান বা অবৈধ প্রভাব বিস্তারের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭১চ (Section 171F) ধারার অধীনে, যদি কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয়দান বা অবৈধ প্রভাব বিস্তার করে, তাহলে তার সর্বোচ্চ ১ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

- দণ্ডবিধির ১৭১চ ধারার বিধান নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের সাজা :- কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 171F. Punishment for undue influence or personation at an election:- Whoever commits the offence of undue influence of personation at an election shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
.
দণ্ডবিধির ১৪৫ ধারা অনুসারে, বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ পাওয়া সত্ত্বেও তাতে অংশগ্রহণ করলে সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৫ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি বেআইনি সমাবেশে যোগ দেয় বা তাতে অবস্থান করে এবং আইনসম্মতভাবে সমাবেশটি ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়, তবে সেই ব্যক্তি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে।
এই অপরাধের জন্য শাস্তি হিসেবে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড প্রদান করা যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৫ ধারা: বেআইনি সমাবেশকে ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জানা সত্ত্বেও উহাতে যোগদান করা অথবা উহাতে থেকে যাওয়া:
কোন বেআইনি সমাবেশকে আইন-নির্দেশিত পদ্ধতিতে ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি উক্ত বেআইনি সমাবেশে যোগদান করলে বা উক্ত বেআইনি সমাবেশে থাকলে, তাকে দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
---------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 145- Joining or continuing in unlawful assembly, knowing it has been commanded to disperse:
Whoever joins or continues in an unlawful assembly, knowing that such unlawful assembly has been commanded in the manner prescribed by law to disperse, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
.
দণ্ডবিধির ১৫৫ ধারার বিধান কী?
  1. দাঙ্গা সংঘটনের জন্য কারাদণ্ড।
  2. বেআইনি সমাবেশে অস্ত্রসহ যোগদান।
  3. স্বার্থে দাঙ্গা হলে প্রতিরোধে ব্যর্থ ব্যক্তির অর্থদণ্ড।
  4. দাঙ্গার সময় পুলিশকে সহায়তার আইনি সুরক্ষা।
সঠিক উত্তর:
স্বার্থে দাঙ্গা হলে প্রতিরোধে ব্যর্থ ব্যক্তির অর্থদণ্ড।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বার্থে দাঙ্গা হলে প্রতিরোধে ব্যর্থ ব্যক্তির অর্থদণ্ড।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৫ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো দাঙ্গা (riot) এমন কোনো ব্যক্তির স্বার্থে সংঘটিত হয়, যিনি সংশ্লিষ্ট ভূমির মালিক, দখলদার, স্বত্বের দাবিদার বা ওই দাঙ্গা থেকে উপকৃত হয়েছেন, তবে তার কিছু দায়িত্ব থাকে।
যদি তিনি, তার প্রতিনিধি বা ম্যানেজার জানতেন বা বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল যে, দাঙ্গা সংঘটিত হতে পারে বা বেআইনি সমাবেশ গঠিত হতে পারে, তাহলে তাদের অবশ্যই সেটি প্রতিরোধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।
যদি তারা আইনসম্মত সব উপায় অবলম্বন না করেন এবং দাঙ্গা প্রতিরোধ বা দমন করতে ব্যর্থ হন, তবে তারা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
অর্থাৎ, এই ধারার মাধ্যমে ভূমির মালিক বা স্বত্বের দাবিদারের দায়বদ্ধতা নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে তারা দাঙ্গা প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৫ ধারা- যে ব্যক্তির স্বার্থে দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হয় তার দায়দায়িত্ব:
যে ভূমি সম্পর্কে দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হয়েছে, দাঙ্গাটি যদি ভূমির মালিক বা দখলদারের অথবা উক্ত স্বার্থ বা স্বত্বের দাবিদার কোন ব্যক্তির অথবা যে বিরোধীয় বিষয়টি নিয়ে দাঙ্গার সূত্রপাত হয়েছে উহাতে কোন স্বার্থ বা স্বত্বের দাবিদার কোন ব্যক্তির স্বার্থে বা স্বপক্ষে অথবা যে ব্যক্তি উহা হতে কোনভাবে উপকৃত হয়েছে তার স্বার্থে বা স্বপক্ষে অনুষ্ঠিত হয়, তবে অনুরূপ ব্যক্তি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে-যদি উক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি বা তার ম্যানেজার অনুরূপ দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হতে পারে অথবা যে বেআইনি সমাবেশ দ্বারা অনুরূপ দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হবে তা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে তার বা তাদের বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও অনুরূপ দাঙ্গা বা সমাবেশ নিরোধ করার এবং উহা দমন ও ছত্রভঙ্গ করার জন্য যথাক্রমে তার বা তাদের আয়ত্তাধীন সকল আইনসম্মত উপায় অবলম্বন না করে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 155- Liability of person for whose benefit riot is committed:
Whenever a riot is committed for the benefit or on behalf of any person who is the owner or occupier of any land respecting which such riot takes place or who claims any interest in such land, or in the subject of any dispute which gave rise to the riot, or who has accepted or derived any benefit therefrom, such person shall be punishable with fine, if he or his agent or manager, having reason to believe that such riot was likely to be committed or that the unlawful assembly by which such riot was committed was likely to be held, shall not respectively use all lawful means in his or their power to prevent such assembly or riot from taking place, and for suppressing and dispersing the same.
.
দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারায় কী ধরনের অপরাধের শাস্তি রয়েছে?
  1. মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান
  2. জাল নথি তৈরি করা
  3. মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু বা স্বাক্ষর
  4. সরকারি সম্পত্তি চুরি করা
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু বা স্বাক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু বা স্বাক্ষর
ব্যাখ্যা

→ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারায় মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু বা স্বাক্ষর করার শাস্তি রয়েছে। যদি কেউ জানে বা বিশ্বাস করে যে, তার ইস্যু করা সার্টিফিকেট মিথ্যা, তবে তাকে মিথ্যা সাক্ষ্যদান এর মতো শাস্তি দেওয়া হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:
- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 197: Issuing or signing false certificate:
- Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.

.
দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারার অধীনে কোন অপরাধের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. জাল দলিল প্রস্তুত
  2. নকল মুদ্রা ব্যবহার
  3. মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান
  4. সরকারি স্ট্যাম্প জালকরণ
সঠিক উত্তর:
সরকারি স্ট্যাম্প জালকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি স্ট্যাম্প জালকরণ
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারা অনুযায়ী, সরকারি স্ট্যাম্প জালকরণ একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। যদি কেউ সরকার কর্তৃক রাজস্ব সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ইস্যু করা স্ট্যাম্প জাল করে বা knowingly (জ্ঞাতসারে) জাল করার প্রক্রিয়ার কোনো ধাপে অংশগ্রহণ করে, তবে তাকে কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়।

এই অপরাধের শাস্তি হিসেবে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, অথবা ১০ বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড নির্ধারিত রয়েছে।


⇒ দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারা সরকারি স্ট্যাম্প জাল করণ :- কোন ব্যক্তি যদি সরকার দ্বারা রাজস্বের উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত কোন স্ট্যাম্প জাল করে বা জ্ঞাতসারে অনুরূপ কোন স্ট্যাম্প জাল করার প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- এক মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পকে কোন ব্যক্তি যদি দেখতে অপর মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পের মত করে লয়, তবে সে ব্যক্তি এই অপরাধ অনুষ্ঠান করে বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 255. Counterfeiting Government stamp:- Whoever counterfeits, or knowingly performs any part of the process of counterfeiting, any stamp issued by Government for the purpose of revenue, shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

Explanation:- A person commits this offence who counterfeits by causing a genuine stamp of one denomination to appear like a genuine stamp of a different denomination.
.
দণ্ডবিধির ১৭০ ধারার অধীনে, যদি কেউ সরকারি কর্মচারী নয় জেনেও সরকারি কর্মচারীর ছদ্মবেশ ধারণ করে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭০ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি নিজেকে সরকারি কর্মচারী বলে পরিচয় দেয়, অথচ সে প্রকৃতপক্ষে সরকারি কর্মচারী নয়, এবং সেই ছদ্মবেশে কোনো কাজ করার চেষ্টা করে বা করে, তবে তাকে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭০ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারী বলে ছদ্মবেশ ধারণ:
- কোন ব্যক্তি যদি কোন পদে অধিষ্ঠিত নয় বলে জানা সত্ত্বেও সে পদে অধিষ্ঠিত রয়েছে বলে পরিচয় দেয় অথবা অন্য যে ব্যক্তি যে পদে অধিষ্ঠিত আছে নিজেকে সে পদে অধিষ্ঠিত সে ব্যক্তি বলে ছদ্মবেশ ধারণ করে এবং এইরূপ মিথ্যা ছদ্মবেশ ধারণ করে সে পদের অধিকার বলে কোন কাজ করে বা করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 170. Personating a public servant:
- Whoever pretends to hold any particular office as a public servant, knowing that he does not hold such office or falsely personates any other person holding such office, and in such assumed character does or attempts to do any act under colour of such office, shall be punished with imprisonment of either description, for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১০.
দণ্ডবিধির ২১১ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি মিথ্যা মামলা এমন অপরাধের জন্য করা হয় যার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, আজীবন কারাদণ্ড বা সাত বছর বা তার বেশি কারাদণ্ড, তাহলে দোষী ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. ২ বছর কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১১ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি কেউ মিথ্যা মামলা এমন অপরাধের জন্য দায়ের করেন, যার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, আজীবন কারাদণ্ড, বা সাত বছর বা তার বেশি কারাদণ্ড, তাহলে সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড এবং জরিমানার জন্য দায়ী হবেন।
অন্য সাধারণ ক্ষেত্রে, যেখানে এই ধরনের গুরুতর শাস্তির বিধান নেই, তখন সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয় দণ্ড প্রযোজ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ২১১ ধারা বিধান ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে অপরাধ বিষয়ক মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারি মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section- 211. False charge of offence made with intent to injure:
Whoever, with intent to cause injury to any person, institutes or causes to be instituted any criminal proceeding against that person, or falsely charges any person with having committed an offence, knowing that there is no just or lawful ground for such proceeding or charge against that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both; 
 
and if such criminal proceeding be instituted on a false charge of an offence punishable with death, 69[imprisonment] for life, or imprisonment for seven years or upwards, shall be punishable with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১১.
দণ্ডবিধির ১৭৩ ধারা অনুসারে, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো সমন, নোটিশ বা আদেশ জারি বা প্রকাশে বাধা সৃষ্টি করে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা
  2. ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা
  3. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা
  4. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা জরিমানা
সঠিক উত্তর:
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো সমন, নোটিশ বা আদেশ জারি করতে বাধা দেয় বা প্রচারে বাধা সৃষ্টি করে, তবে তার শাস্তি হবে ১ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড।

- তবে, যদি সমন, নোটিশ বা আদেশটি আদালতে হাজিরা বা দলিল পেশের জন্য হয়, এবং কেউ এতে বাধা দেয়, তবে তার শাস্তি হবে ৬ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৩ ধারার বিধান সমন বা নোটিশ জারি করিতে বা লটকাইয়া দিতে বাধা দেওয়া বা লটকানোর পর উহা অপসারণ করা বা কোন হুলিয়া জারি করিতে বাধা দেওয়া:
- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাপূর্বক তার বা অপর কোন ব্যক্তির উপর কোন সমন, নোটিশ বা আদেশ জারি করতে ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারি কর্মচারী কর্তৃক তার উপর বা অন্য কোন ব্যক্তির উপর অনুরূপ কোন সমন বা নোটিশ বা আদেশ জারি বন্ধ করে বা বাধার সৃষ্টি করে; অথবা ইচ্ছাপূর্বক অনুরূপ সমন, নোটিশ বা আদেশ কোন স্থানে আইনসম্মত ভাবে টানিয়ে বা লাগিয়ে দেওয়া বন্ধ করে বা বাধার সৃষ্টি করে, অথবা ইচ্ছাপূর্বক যে স্থানে অনুরূপ সমন, নোটিশ বা আদেশ আইনসম্মতভাবে টানিয়ে বা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে সে স্থান হতে উহা অপসারিত করে। অথবা ইচ্ছাপূর্বক আইনসম্মতভাবে কোন ঘোষণা প্রচার বা প্রকাশ করার নির্দেশদানের আইনানুগ ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারি কর্মচারীর অনুমতানুসারে অনুরূপ কোন ঘোষণার আইনসম্মত প্রচার বা প্রকাশ বন্ধ করে বা বাধার সৃষ্টি করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
- অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত উপস্থিত হওয়ার কিংবা কোন আদালতে কোন দলিল পেশের নির্দেশমূলক হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------
⇒The Penal Code, 1860-Section 173. Preventing service of summons or other proceeding or preventing publication thereof:
Whoever in any manner intentionally prevents the serving on himself, or on any other person, of any summons, notice or order proceeding from any public servant legally competent, as such public servant, to issue such summons, notice or order,
or intentionally prevents the lawful affixing to any place of any such summons, notice or order,
or intentionally removes any such summons, notice or order, from any place to which it is lawfully affixed,
or intentionally prevents the lawful making of any proclamation, under the authority of any public servant legally competent, as such public servant, to direct such proclamation to be made,
shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both;
or, if the summons, notice, order or proclamation is to attend in person or by agent, or to produce a document in a Court of Justice, with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১২.
'A' বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। উক্ত কাজের জন্য 'A' দণ্ডবিধির কোন ধারায় দণ্ডিত হবেন?
  1. ১৭৩ ধারায়
  2. ১৭৪ ধারায়
  3. ১৭৫ ধারায়
  4. ১৭৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৭৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া- কোন ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হিসেবে আইনত কোন সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণা জারি করার ক্ষমতাসম্পন্ন অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর নিকট থেকে উদ্ভূত অনুরূপ সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার আজ্ঞানুযায়ী স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত কোন নির্দিষ্ট স্থানে এবং সময়ে হাজির হওয়ার জন্য আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও,- ইচ্ছাকৃত সে স্থানে ও সময়ে উপস্থিত না হয় অথবা যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে যখন তার প্রস্থান করা আইনসম্মত হত তার আগেই প্রস্থান করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
- অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি, মারফত কোন আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
(খ) ক-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। ক এ সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু ক ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
------------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 174. Non-attendance in obedience to an order from public servant:
Whoever, being legally bound to attend in person or by an agent at a certain place and time in obedience to a summons, notice, order or proclamation proceeding from any public servant legally competent, as such public servant, to issue the same, intentionally omits to attend at that place or time, or departs from the place where he is bound to attend before the time at which it is lawful for him to depart,shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka or with both;
or, if the summons, notice, order or proclamation is to attend in person or by agent in a Court of Justice, with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

Illustrations:
(a) A, being legally bound to appear before the Supreme Court of Bangladesh in obedience to a subpoena issuing from that Court, intentionally omits to appear. A has committed the offence defined in this section.
(b) A, being legally bound to appear before a Zila Judge, as a witness, in obedience to a summons issued by that Zila Judge, intentionally omits to appear. A has committed the offence defined in this section.
১৩.
দণ্ডবিধির ২৩১ ধারা অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৩১ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি জাল মুদ্রা প্রস্তুত করে বা জাল মুদ্রা প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় কোনো ধাতব বস্তু বা উপকরণ তৈরি করে বা সংগ্রহ করে, তবে এটি একটি গুরুতর অপরাধ।
এ ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৩১ ধারার বিধান: মুদ্রা জাল করণ- কোন ব্যক্তি মুদ্রা জাল করলে অথবা জ্ঞাতসারে মুদ্রা জালকরণ প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করলে, সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
- ব্যাখ্যা:- কোন ব্যক্তি প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে, অথবা তার কাজের ফলে প্রতারণা সংঘটিত হবে জানা সত্ত্বেও, কোন খাঁটি মুদ্রাকে দেখতে অপর কোন মুদ্রার মতো করলে, সে অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 231- Counterfeiting coin:
Whoever counterfeits or knowingly performs any part of the process of counterfeiting coin, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
- Explanation.- A person commits this offence who intending to practice deception, or knowing it to be likely that deception will thereby be practiced, causes a genuine coin to appear like a different coin.
১৪.
দণ্ডবিধির ১৪৯ ধারা অনুযায়ী, বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তিরা অপরাধী হতে পারে যদি:
  1. তারা সরাসরি অপরাধ না করে
  2. তারা শান্তিপূর্ণভাবে অংশগ্রহণ করে
  3. তারা অপরাধের পরিকল্পনা না করে
  4. সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অপরাধ সংঘটিত হয়
সঠিক উত্তর:
সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অপরাধ সংঘটিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অপরাধ সংঘটিত হয়
ব্যাখ্যা
উত্তর: সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অপরাধ সংঘটিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৯ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণের জন্য কোনো অপরাধ সংঘটিত করতে থাকে বা জানত যে, অপরাধ সংঘটিত হতে পারে, তবে সে ব্যক্তি সেই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হবে, যদিও সে সরাসরি অপরাধটি করেনি।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৯ ধারা- সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত অপরাধের জন্য বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তিই অপরাধী সাব্যস্ত হবে:
যদি কোন বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি দ্বারা উক্ত বেআইনি সমাবেশে সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়, অথবা উক্ত সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে উক্ত বেআইনি সমাবেশের ব্যক্তিগণ জানত তা অনুষ্ঠিত হয়, তবে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়ে উক্ত বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তি উক্ত অপরাধে অপরাধী হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 149- Every member of unlawful assembly guilty of offence committed in prosecution of common object:
If an offence is committed by any member of an unlawful assembly in prosecution of the common object of that assembly, or such as the members of that assembly knew to be likely to be committed in prosecution of that object, every person who, at the time of the committing of that offence, is a member of the same assembly, is guilty of that offence.
১৫.
দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারা অনুসারে, যদি কেউ অবহেলামূলকভাবে মারাত্মক রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে এমন কাজ করে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা অর্থ দণ্ড অথবা উভয় দণ্ড
  2. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অর্থ দণ্ড অথবা উভয় দণ্ড
  3. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অর্থ দণ্ড অথবা উভয় দণ্ড
  4. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অর্থ দণ্ড অথবা উভয় দণ্ড
সঠিক উত্তর:
৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অর্থ দণ্ড অথবা উভয় দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অর্থ দণ্ড অথবা উভয় দণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ বেআইনিভাবে বা অবহেলামূলকভাবে এমন কোনো কাজ করে যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে, তবে তাকে ৬ মাস পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারার বিধান: জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ বিস্তার করতে পারে এবং অবহেলামূলক কার্য :- কোন ব্যক্তি যদি বেআইনিভাবে বা অবহেলামূলকভাবে এমন কোন কার্য করে যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক কোন রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে, তা জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে-সেই ব্যক্তি ছয়মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 269. Negligent act likely to spread infection of disease dangerous to life:- Whoever unlawfully or negligently does any act which is, and which he knows or has reason to believe to be, likely to spread the infection of any disease dangerous to life, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
১৬.
দণ্ডবিধির ২১২ ধারা অনুযায়ী, কে অপরাধীকে আশ্রয় দিলে শাস্তি পাবে না?
  1. বন্ধু
  2. ভাই-বোন
  3. স্বামী বা স্ত্রী
  4. পিতা-মাতা
সঠিক উত্তর:
স্বামী বা স্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বামী বা স্ত্রী
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান অনুযায়ী, স্বামী বা স্ত্রী যদি অপরাধীকে আশ্রয় দেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান প্রযোজ্য হবে না। এই ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, স্বামী বা স্ত্রীর ক্ষেত্রে আশ্রয়দান করার জন্য শাস্তি আরোপ করা হবে না।
অন্যদিকে, বন্ধু, ভাই-বোন বা পিতা-মাতা যদি অপরাধীকে আশ্রয় দেন, তবে তারা শাস্তির আওতায় আসবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়া, অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হইলে:
কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে-

-দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:-
যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
-দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:-
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সে অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
অত্র ধারার অপরাধ বলতে বাংলাদেশের মধ্যে যে কাজ অনুষ্ঠিত হলে তা ৩০২, ৩০৪, ৩৮২, ৩৯২, ৩৯৩, ৩৯৪, ৩৯৫, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৮, ৩৯৯, ৪০২, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫৭, ৪৫৮, ৪৫৯ এবং ৪৬০ ধারায় যে কোনটি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত, তা বাংলাদেশের বাইরে যেকোন স্থানে অনুষ্ঠিত হলে তাকেও বুঝাবে এবং অনুরূপ যেকোন কাজ যেন অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই সংঘটনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, এমনভাবেই দণ্ডনীয় বলে পরিগণিত হবে।

ব্যতিক্রম:- দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 212. Harbouring offender if a capital offence; if punishable with imprisonment for life, or with imprisonment
Whenever an offence has been committed, whoever harbours or conceals a person whom he knows or has reason to believe to be the offender, with the intention of screening him from legal punishment, 
shall, if the offence is punishable with death, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, and shall also be liable to fine; 
and if the offence is punishable with 70[imprisonment] for life or with imprisonment which may extend to ten years, shall be, punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine; 
and if the offence is punishable with imprisonment which may extend to one year, and not to ten years, shall be punished with imprisonment of the description provided for the offence for a term which may extend to one-fourth part of the longest term of imprisonment provided for the offence, or with fine, or with both. 
"Offence" in this section includes any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would be punishable under any of the following sections, namely, 302, 304, 382, 392, 393, 394, 395 396, 397, 398, 399, 402, 435, 436, 449, 450, 457, 458, 459 and 460; and every such act shall, for the purposes of this section, be deemed to be punishable as if the accused person had been guilty of it in Bangladesh. 
 
Exception: This provision shall not extend to any case in which the harbour or concealment is by the husband or wife of the offender. 
 
Illustration:
A, knowing that B has committed dacoity, knowingly conceals B in order to screen him from legal punishment. Here, as B is liable to 71[imprisonment] for life, A is liable to imprisonment of either description for a term not exceeding three years, and is also liable to fine.
১৭.
দণ্ডবিধির ১৭১ঘ ধারার অধীনে কোনটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. একাধিকবার ভোট প্রদান করা
  2. মৃত ব্যক্তির নামে ভোট প্রদান করা
  3. অন্য ব্যক্তির হয়ে ভোট দেওয়া
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭১ঘ (Section 171D) ধারার অধীনে নিম্নলিখিত কাজগুলো নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয়দান হিসেবে অপরাধ গণ্য হবে—
- একাধিকবার ভোট প্রদান করা (একই নির্বাচনে একাধিকবার নিজের নামে ভোট চাওয়া)
- মৃত ব্যক্তির নামে ভোট প্রদান করা
- অন্য ব্যক্তির হয়ে ভোট দেওয়া (জীবিত বা মৃত অন্য কারও নামে ভোট চাওয়া বা দেওয়া)
অতএব, সবগুলোই অপরাধের অন্তর্ভুক্ত, তাই "ঘ) উপরের সবগুলো" সঠিক উত্তর।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭১ঘ ধারার বিধান নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয় দান:- কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অপর কোন জীবিত বা মৃত ব্যক্তির নামে ভোটের কাগজের জন্য প্রার্থনা করে বা অপর কোন জীবিত বা মৃত ব্যক্তির নামে ভোটদান করে বা কোন কল্পিত নামে ভোটের কাগজ প্রার্থনা বা ভোটদান করে অথবা অনুরূপ নির্বাচনে একবার ভোটদানের পর পুনরায় একই নির্বাচনে নিজের নামে ভোটের কাগজ চায় এবং কোন ব্যক্তি যদি অনুরূপ কোন উপায়ে কোন ব্যক্তি দ্বারা ভোটদানে সহায়তা করে বা অনুরূপ কোন উপায়ে কোন ব্যক্তির ভোট সংগ্রহ করে বা সংগ্রহ করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয়দানের অপরাধে অপরাধী হবে।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860-  Section 171D. Personation at elections:-Whoever at an election applies for a voting paper or votes in the name of any other person, whether living or dead, or in a fictitious name, or who having voted once at such election applies at the same election for a voting paper in his own name, and whoever abets, procures or attempts to procure the voting by any person in any such way, commits the offence of personating at an election.
১৮.
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান অনুযায়ী, সর্বনিম্ন কতজন ব্যক্তির সমাবেশকে "বেআইনি সমাবেশ" বলা হয়?
  1. তিন জন
  2. পাঁচ জন
  3. সাত জন
  4. দশ জন
সঠিক উত্তর:
পাঁচ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ জন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৪১ অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রিত হলে এবং তাদের সাধারণ উদ্দেশ্য যদি ঐ সকল উদ্দেশ্য অনুযায়ী হয়, তবে তা "বেআইনি সমাবেশ" হিসেবে চিহ্নিত হয়। এই উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে সরকার বা আইনসভাকে অঘোষিতভাবে অধিকারহীন করা, আইনগত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা, বা অন্য কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটিত করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is 
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or 
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or 
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or 
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.

১৯.
দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারার অধীনে, যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা যন্ত্র ব্যবহার করে, তাহলে তার শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড অথবা ২০০০ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড অথবা ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড অথবা ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়।

→ দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি জানে যে সে যে যন্ত্রটি ব্যবহার করছে তা মিথ্যা, এবং সে এই যন্ত্রটি প্রতারণামূলকভাবে ব্যবহার করে, তবে তাকে ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় শাস্তি দেওয়া হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা- ওজনের জন্য প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা যন্ত্র ব্যবহার করা:
কোন ব্যক্তি যদি প্রতারণামূলকভাবে ওজনের জন্য এমন কোন যন্ত্র ব্যবহার করে, যা মিথ্যা বলে সে জানে, তবে-সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 264- Fraudulent use of false instrument for weighing:
Whoever fraudulently uses any instrument for weighing which he knows to be false, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
২০.
যদি কেউ বেআইনি সমাবেশে যোগদানের জন্য অন্য কাউকে নিয়োগ বা সহায়তা করে, দণ্ডবিধির কত ধারা অনুসারে তার শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ১৫০ ধারা
  2. ১৫১ ধারা
  3. ১৫২ ধারা
  4. ১৫৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫০ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ বেআইনি সমাবেশে যোগদানের জন্য অন্য কাউকে নিয়োগ, নিযুক্ত, উৎসাহিত বা সহায়তা করে, তবে তাকে সেই বেআইনি সমাবেশের সদস্যদের মতোই শাস্তি প্রদান করা হবে। অর্থাৎ, সে নিজে সমাবেশে সরাসরি অংশগ্রহণ না করলেও অপরাধ সংঘটনের দায়ে দণ্ডনীয় হবে।

⇒ দণ্ডবিধি ১৫০ ধারা: বেআইনি সমাবেশে যোগদানের জন্য ব্যক্তিকে নিয়োগ বা সহায়তা করা: 
যে কেউ যদি কাউকে বেআইনি সমাবেশে যোগদান বা সদস্য হওয়ার জন্য নিয়োগ করে, নিয়োজিত করে, কাজে লাগায়, উৎসাহিত করে বা এ ধরনের নিয়োগ, নিয়োগপ্রক্রিয়া বা নিয়োজিত করার কাজে সহযোগিতা করে, তবে সে ব্যক্তি ঐ বেআইনি সমাবেশের সদস্য হিসেবে শাস্তিযোগ্য হবে।
এছাড়া, সে ব্যক্তি যে কোনো অপরাধ সংঘটিত করলে বা ঐ বেআইনি সমাবেশের সদস্য হিসেবে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে, তখন এই ধারা অনুসারে নিয়োগকারী বা সহযোগিতা প্রদানকারী ব্যক্তি ঐ অপরাধের জন্য সমানভাবে দোষী বলে গণ্য হবে এবং সেই অনুযায়ী শাস্তি পাবে, যেন সে নিজেই ঐ বেআইনি সমাবেশের সদস্য ছিল বা নিজেই অপরাধটি সংঘটিত করেছিল।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 150. Hiring, or conniving at hiring, of persons to join unlawful assembly:
Whoever hires or engages, or employs, or promotes, or connives at the hiring, engagement or employment of any person to join or become a member of any unlawful assembly, shall be punishable as a member of such unlawful assembly, and for any offence which may be committed by any such person as a member of such unlawful assembly in pursuance of such hiring, engagement or employment, in the same manner as if he had been a member of such unlawful assembly, or himself had committed such offence.
২১.
দণ্ডবিধির ২৮০ ধারার অধীনে বেপরোয়া নৌযান চালানোর জন্য শাস্তি হিসেবে সর্বোচ্চ অর্থদণ্ডের পরিমাণ কী?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ১৫০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ২৮০ ধারা অনুযায়ী, বেপরোয়া বা অবহেলায় নৌযান চালানোর জন্য সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড হিসেবে ১০০০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

- দণ্ডবিধির ২৮০ ধারা বেপরোয়াভাবে নৌযান চালনা:- কোন ব্যক্তি যদি এমন বেপরোয়াভাবে বা অবহেলার সাথে কোন নৌযান চালনা করে, যার কারণে কোন মানুষের জীবন বিপদাপন্ন হয় অথবা অপর কোন ব্যক্তির আঘাত লাগার বা জখম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণের অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 280. Rash navigation of vessel:- Whoever navigates any vessel in a manner so rash or negligent as to endanger human life, or to be likely to cause hurt or injury to any other person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
২২.
দণ্ডবিধির ২৩০ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো মুদ্রা এখন আর প্রচলিত না থাকে, তবে সেটি কীভাবে গণ্য হবে?
  1. এটি অবৈধ বস্তু হিসেবে গণ্য হবে
  2. এটি সরকারি সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হবে
  3. সেটি এখনো "বাংলাদেশি মুদ্রা" বলে গণ্য হবে
  4. এটি কেবলমাত্র ধাতব বস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে
সঠিক উত্তর:
সেটি এখনো "বাংলাদেশি মুদ্রা" বলে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেটি এখনো "বাংলাদেশি মুদ্রা" বলে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো মুদ্রা এখন আর প্রচলিত না থাকে, তবে সেটি এখনো "বাংলাদেশি মুদ্রা" বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত এবং স্ট্যাম্পযুক্ত ধাতব বস্তু যা একসময় অর্থ হিসেবে ব্যবহৃত হতো, তা অর্থ হিসেবে ব্যবহারের বৈধতা হারালেও "বাংলাদেশি মুদ্রা" হিসেবে গণ্য হবে। অর্থাৎ, যদি কোনো মুদ্রা প্রচলন হারায়, তবুও এটি দণ্ডবিধির অধীনে মুদ্রার সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে।

⇒ উদাহরণ: পুরাতন "ফতেহাবাদ" টাকা, যা একসময় সরকার অনুমোদিত মুদ্রা ছিল, কিন্তু বর্তমানে প্রচলিত নয়—তবুও এটি "বাংলাদেশি মুদ্রা" হিসেবে বিবেচিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:- বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।
- বাংলাদেশি মুদ্রা:- বাংলাদেশি মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে; এবং অর্থরূপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বাংলাদেশি মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) কড়ি (কাউরি) মুদ্রা নয়।
(খ) স্ট্যাম্পবিহীন তামার টুকরো, যদিও তা অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়, মুদ্রা নয়।
(গ) মেডেল মুদ্রা নয়, কারণ সেগুলো অর্থরূপে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয় না।
(ঘ) কোম্পানির টাকা নামে পরিচিত মুদ্রা রানির মুদ্রা।
(ঙ) "ফরুখাবাদ" টাকা, যা পূর্বে ভারত সরকারের কর্তৃত্বে অর্থরূপে ব্যবহৃত হতো, তা বাংলাদেশি মুদ্রা হিসেবেই গণ্য হবে, যদিও তা এখন আর ব্যবহৃত হয় না।
---------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 230. “Coin” defined Bangladesh coin:
- Coin is metal used for the time being as money, and stamped and issued by the authority of some State or Sovereign Power in order to be so used.
- Bangladesh coin is metal stamped and issued by the authority of the Government in order to be used as money; and metal which has been so stamped and issued shall continue to be Bangladesh coin for the purposes of this Chapter, notwithstanding that it may have ceased to be used as money.

Illustrations:
(a) Cowries are not coin.
(b) Lumps of unstamped copper, though used as money, are not coin.
(c) Medals are not coin, inasmuch as they are not intended to be used as money.
(d) The coin denominated as the Company's taka is the Queen's coin.
(e) The "Farukhabad" taka, which was formerly used as money under the authority of the Government of India, is Bangladesh coin although it is no longer so used.
২৩.
দণ্ডবিধির ২১৫ ধারা অনুসারে, যদি কেউ চোরাই সম্পত্তি উদ্ধারের নামে পারিতোষিক গ্রহণ করে তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ চোরাই সম্পত্তি উদ্ধারের নামে পারিতোষিক গ্রহণ করে এবং অপরাধীকে গ্রেফতার ও দণ্ডিত করানোর জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, তবে তাকে ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২১৫ ধারার বিধান: চোরাই সম্পত্তি ইত্যাদি উদ্ধারে সহায়তা করার জন্য উপহার গ্রহণ করা:
-কোন ব্যক্তি এই বিধি বলে দণ্ডনীয় কোন অপরাধহেতু যে সম্পত্তি হতে বঞ্চিত হয়েছে তাকে সে সম্পত্তি উদ্ধারে সহায়তার ভান করে বা সহায়তা করার জন্য যদি কেউ কোন পারিতোষিক গ্রহণ করে কিংবা গ্রহণ করতে স্বীকৃত বা সম্মত হয়, তবে সে যদি না অপরাধীকে গ্রেফতার ও অপরাধের জন্য দণ্ডিত করানোর জন্য তার সাধ্যায়ও সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 215. Taking gift to help to recover stolen property, etc:
- Whoever takes or agrees or consents to take any gratification under pretence or on account of helping any person to recover any moveable property of which he shall have been deprived by any offence punishable under this Code, shall, unless he uses all means in his power to cause the offender to be apprehended and convicted of the offence, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
২৪.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী যদি কোনো ব্যক্তি সরকারি রাজস্ব সংগ্রহের উদ্দেশ্যে প্রচলিত স্ট্যাম্প জাল করে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি সরকারি রাজস্ব সংগ্রহের উদ্দেশ্যে প্রচলিত স্ট্যাম্প জাল করে, তবে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়া হতে পারে।
এই ধারার অধীনে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বোচ্চ শাস্তির হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারা সরকারি স্ট্যাম্প জাল করণ :- কোন ব্যক্তি যদি সরকার দ্বারা রাজস্বের উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত কোন স্ট্যাম্প জাল করে বা জ্ঞাতসারে অনুরূপ কোন স্ট্যাম্প জাল করার প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- এক মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পকে কোন ব্যক্তি যদি দেখতে অপর মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পের মত করে লয়, তবে সে ব্যক্তি এই অপরাধ অনুষ্ঠান করে বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 255. Counterfeiting Government stamp:- Whoever counterfeits, or knowingly performs any part of the process of counterfeiting, any stamp issued by Government for the purpose of revenue, shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

Explanation:- A person commits this offence who counterfeits by causing a genuine stamp of one denomination to appear like a genuine stamp of a different denomination.
২৫.
দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারা অনুযায়ী, মারামারি সংঘটিত হয় যখন:
  1. শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ হয়
  2. ব্যক্তিগত স্থানে লড়াই হয়
  3. একা ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে শান্তিভঙ্গ করে
  4. দুই বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে লড়াই করে
সঠিক উত্তর:
দুই বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে লড়াই করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে লড়াই করে
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করে এবং শান্তি ভঙ্গ করে, তবে তাদেরকে "মারামারি" হিসেবে গণ্য করা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-159: Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒The Penal Code, 1860-Section-160: Punishment for committing affray:
Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
২৬.
একজন ব্যক্তি আদালতের তদন্ত কর্মকর্তা কর্তৃক পরিচালিত জমির সীমানা নির্ধারণের তদন্তে মিথ্যা শপথ নেয়। এটি দণ্ডবিধির বিধান অনুযায়ী কী অপরাধ?
  1. প্রতারণা
  2. অন্যায় প্ররোচনা
  3. আদালত অবমাননা
  4. মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৯৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত তদন্ত কর্মকর্তার সামনে মিথ্যা শপথ গ্রহণ করেন, তাহলে এটি "মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান" (False Evidence) হিসেবে গণ্য হবে। কারণ, এই তদন্ত বিচারিক কার্যধারার একটি পর্যায় এবং এর অংশ হিসেবে দেওয়া মিথ্যা সাক্ষ্য আদালতে উপস্থাপনযোগ্য হতে পারে।

ধারা ১৯৩-এর ব্যাখ্যা অনুযায়ী
→ আদালতের নির্দেশে পরিচালিত কোনো তদন্ত বিচারিক কার্যধারার (Judicial Proceeding) অংশ হিসেবে গণ্য হবে, যদিও সেটি সরাসরি আদালতের সামনে না হয়।
→ যদি কেউ এই তদন্ত চলাকালীন মিথ্যা শপথ গ্রহণ করে, তবে তিনি ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের সম্মুখীন হতে পারেন।
→ এটি প্রতারণা (ধারা ৪১৫) বা আদালত অবমাননা (Contempt of Court) নয়, বরং এটি বিচারিক কার্যধারায় মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করার অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

উদাহরণ:
→ একজন ব্যক্তি আদালত-নিযুক্ত তদন্ত কর্মকর্তার সামনে জমির সীমানা সম্পর্কে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে, তিনি ১৯৩ ধারার অধীনে দোষী সাব্যস্ত হবেন এবং তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-193: Punishment for false evidence:
-Whoever intentionally gives false evidence in any stage of judicial proceeding, or fabricates false evidence for the purpose of being used in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and whoever intentionally gives or fabricates false evidence in any other case, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
Explanation-1.-A trial before a Court-martial is a judicial proceeding.
Explanation-2.-An investigation directed by law preliminary to a proceeding before a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
Explanation-3.-An investigation directed by a Court of Justice according to law, and conducted under the authority of a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.

Illustration:
A, in an enquiry before an officer deputed by a Court of Justice to ascertain on the spot the boundaries of land, makes on oath a statement which he knows to be false. As this enquiry is a stage of a judicial proceeding, A has given false evidence.
২৭.
দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি একটি অবৈধ সমাবেশ বা তার সদস্য কোন সহিংসতা বা বলপ্রয়োগ করে, তবে সেই সমাবেশের সদস্যদের কী অপরাধ হবে?
  1. ডাকাতি
  2. দাঙ্গা
  3. অপহরণ
  4. বলপ্রয়োগের অপরাধ
সঠিক উত্তর:
দাঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাঙ্গা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারার অনুযায়ী, যদি একটি অবৈধ সমাবেশ বা তার সদস্যরা ঐ সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য সাধনে সহিংসতা বা বলপ্রয়োগ করে, তবে সেই সমাবেশের প্রতিটি সদস্য দাঙ্গা (Rioting) এর অপরাধে দোষী হবে। "দাঙ্গা" হল এমন একটি অপরাধ যেখানে একটি অবৈধ সমাবেশ বা তার সদস্যরা অন্যদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বা বলপ্রয়োগ করে।
- এটি "ডাকাতি", "অপহরণ", বা "বলপ্রয়োগের অপরাধ" নয়, কারণ দাঙ্গা এক ধরনের গ্রুপ ভিত্তিক অপরাধ যেখানে বড় সংখ্যক ব্যক্তি আইন ভঙ্গ করতে সহিংসতার মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেন।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারার বিধান: দাঙ্গা:
যখন কোনো অবৈধ সমাবেশ বা তার কোনো সদস্য দ্বারা বলপ্রয়োগ বা সহিংসতা ব্যবহার করা হয়, এবং তা সেই সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য করা হয়, তখন সেই সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য দাঙ্গার অপরাধে দোষী বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৭ ধারার বিধান: দাঙ্গার শাস্তি:
যে কোনো ব্যক্তি দাঙ্গার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে, তাকে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে, বা জরিমানা করা যেতে পারে, বা উভয় শাস্তি একসাথে দেওয়া যেতে পারে।
-----
⇒ The Penal Code, 1860-Section- 146. Rioting:
Whenever force or violence is used by an unlawful assembly, or by any member thereof, in prosecution of the common object of such assembly, every member of such assembly is guilty of the offence of rioting.

⇒ The Penal Code, 1860-Section- 147. Punishment for rioting:
 Whoever is guilty of rioting, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
২৮.
দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারা অনুসারে, যদি কেউ সরকারি কর্মচারীকে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা
  2. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা জরিমানা
  3. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা জরিমানা
  4. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০০ টাকা জরিমানা
সঠিক উত্তর:
৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা জরিমানা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি আইনত বাধ্য থাকা সত্ত্বেও সরকারি কর্মচারীকে (তিনি সরকারি কর্মচারী বলেই) মিথ্যা তথ্য প্রদান করে, এবং সে তথ্য যে মিথ্যা তা যদি সে জানে বা বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ থাকে, তাহলে তাকে ৬ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

তবে, যদি মিথ্যা তথ্য প্রদান কোনো অপরাধ সংঘটনের বিষয় সম্পর্কিত হয়, অথবা অপরাধ প্রতিরোধ বা অপরাধীর গ্রেফতারের জন্য প্রয়োজনীয় হয়, তাহলে শাস্তির মাত্রা বৃদ্ধি পাবে। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়বিধ দণ্ড হতে পারে।

⇒ তাই, শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারীকে মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা জরিমানাই সর্বোচ্চ শাস্তি হবে, যা অপশন (খ)-এর সাথে মিলে যায়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারা- মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:
কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারি কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারি কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
অথবা, উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒The Penal Code, 1860- Section 177- Furnishing false information:
Whoever, being legally bound to furnish information on any subject to any public servant, as such, furnishes, as true, information on the subject which he knows or has reason to believe to be false, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both;
or, if the information which he is legally bound to give respects the commission of an offence, or is required for the purpose of preventing the commission of an offence, or in order to the apprehension of an offender, with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.