পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১২: সাধারণ বিজ্ঞান - সম্পূর্ণ সিলেবাস [৭০ নম্বর] উৎস: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
পানি কত ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় ফুটতে শুরু করে?
  1. ক) ০°C
  2. খ) ৪°C
  3. গ) ৫০°C
  4. ঘ) ১০০°C
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০০°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০০°C
ব্যাখ্যা
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীর আর বর্ণহীন।
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপরে নির্ভর করে। 
- পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ৪° সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায়।  আর সেটি হচ্ছে ১ গ্রাম/ সি.সি বা ১০০০ কেজি/মিটার কিউব।
- যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাংক।
- বরফের গলনাংক ০° সেলসিয়াস।
- অন্যদিকে বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে স্ফুটনাংক বলে।
- পানির স্ফুটনাংক হলো ১০০° সেলসিয়াস। এই তাপমাত্রায় পানি ফুটতে শুরু করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিম্নের কোনটি পানিতে দ্রবীভূত হয়?
  1. ক) CaCO3
  2. খ) Ag2SO4
  3. গ) AgCl
  4. ঘ) NaCl
সঠিক উত্তর:
ঘ) NaCl
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) NaCl
ব্যাখ্যা
- যে লবণ খাদ্যের স্বাদ বাড়িয়ে খাওয়ার উপযোগী করে তোলে তা হলো- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), সোডিয়াম গ্লুটামেট (C₅H₈NO₄Na) লবণ।
- মাটির এসিডিটি নিষ্ক্রিয় করার জন্য চুনাপাথর (CaCO₃) ব্যবহার করা হয় যা একটি লবণ।
- আবার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য যে সার ব্যবহার করা হয় তার বেশির ভাগই লবণ। যেমন: অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH₄NO₃), অ্যামোনিয়াম ফসফেট (NH₄)3PO₄), পটাসিয়াম নাইট্রেট (KNO₃) ইত্যাদি।
- তুঁতে বা কপার সালফেট (CuSO₄) কৃষিজমিতে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে বহুল ব্যবহৃত একটি লবণ, যা শৈবালের উৎপাদন বন্ধে খুবই কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
- প্রায় সব লবণই পানিতে দ্রবণীয় তবে কিছু কিছু লবণ আছে যা পানিতে দ্রবীভূত হয় না। যেমন: ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO3), সিলভার সালফেট (Ag2SO4), সিলভার ক্লোরাইড (AgCl) ইত্যাদি।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
রাবার নিম্নের কোনটিতে অদ্রবণীয়?
  1. ক) ইথার
  2. খ) মিথানল
  3. গ) টারপিন
  4. ঘ) পেট্রোল
সঠিক উত্তর:
খ) মিথানল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মিথানল
ব্যাখ্যা
রাবার:
- বর্তমান দুনিয়ায় রাবার একটি অতি প্রয়োজনীয় ও অপরিহার্য দ্রব্য। পেন্সিলের লেখা মোছার ইরেজার থেকে শুরু করে সাইকেল, রিক্সা বা অন্যান্য গাড়ির টায়ার, টিউব, জন্মদিনে ব্যবহৃত বেলুন এসবই রাবার।
- এছাড়াও রাসায়নিক, বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক শিল্পে, পানির পাইপ, সার্জিকেল মোজা, কনভেয়ার বেল্ট, রাবার ব্যান্ড, বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর নিপল ইত্যাদি প্রস্তুতিতে বিপুল পরিমাণ রাবার ব্যবহৃত হয়। 
- প্রাকৃতিক রাবার একটি অদানাদার, পানিতে অদ্রবণীয় কঠিন কিন্তু প্লাস্টিকের চেয়ে নরম পদার্থ। 
- রাবার জৈব দ্রাবক এসিটোন, মিথানল ইত্যাদিতে অদ্রবণীয় হলেও ইথার, টারপিন, পেট্রোল ইত্যাদিতে দ্রবণীয়
- রাবার সাধারণত সাদা বা হালকা বাদামি রঙের হয়। 
- রাবার একটি তাপ সংবেদনশীল ও স্থিতিস্থাপক পদার্থ। বিশুদ্ধ রাবার বিদ্যুৎ ও তাপ কুপরিবাহী। তবে বিশেষভাবে তৈরি রাবার বিদ্যুৎ পরিবহণ করতে পারে।
- অন্যান্য পদার্থে তাপ দিলে আয়তন বাড়ে কিন্তু রাবারে তাপ দিলে আয়তন কমে। 
- রাবার পানি, এসিড, দুর্বল ক্ষার ইত্যাদির সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না। তাই প্রলেপ দেয়ার কাজে রাবারকে ব্যবহার করা হয়। 
- রাবার এসিড, ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া না করলেও বাতাসের অক্সিজেন দ্বারা আক্রান্ত হয়। অনুরূপভাবে প্রাকৃতিক রাবার ওজোনের (O₃) সাথে বিক্রিয়া করে, ফলে রাবার ক্ষয়প্রাপ্ত হয় ও একসময় নষ্ট হয়ে যায়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
গামা রশ্মির ছেদন ক্ষমতা আলফা কণার চেয়ে কত গুণ বেশি?
  1. ক) ১০ গুণ
  2. খ) ১০০ গুণ
  3. গ) ১০০০ গুণ
  4. ঘ) ১০,০০০ গুণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০,০০০ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০,০০০ গুণ
ব্যাখ্যা
- একটি সরু ছিদ্রযুক্ত লেড বা সীসার পাত্রে রেডিয়াম রেখে দিলে তা থেকে নির্গত তেজস্ক্রিয় রশ্মি ছিদ্র দিয়ে সরলরেখায় বের হয়। এ রশ্মিকে চৌম্বক বা বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র দ্বারা প্রভাবিত করলে তা তিন ভাগে ভাগ হয়ে যায়। এদেরকে যথাক্রমে আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি বলা হয়।
- এদের মধ্যে আলফা রশ্মি ধনাত্মক চার্জযুক্ত, বিটা রশ্মি ঋনাত্মক চার্জযুক্ত এবং গামা রশ্মি হচ্ছে চার্জবিহীন বা চার্জনিরপেক্ষ। 

গামা রশ্মি (γ-রশ্মি):
প্রকৃতি: গামা রশ্মি সাধারণ অর্থে কোন কণিকা নয়, এটি সাধারণ আলোকের ন্যায় তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ। α-কণা বা β-কণা বিচ্ছুরণের পর নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে শক্তির পূর্ণবিন্যাসের ফলে γ-রশ্মির উদ্ভব ঘটে। এদের তরঙ্গ-দৈর্ঘ্য খুবই কম, এমনকি রঞ্জন রশ্মি অপেক্ষাও কম হয়।
বেগ: তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ বলে এদের গতিবেগ সেকেন্ডে 186000 মাইল বা 3 × 108 km। 
বায়ুর আয়নীকরণ: এরা প্রধানত পরোক্ষভাবে পদার্থকে আয়নিত করে। বহু দীর্ঘ পথে ঐ আয়নীকরণ সংঘটিত হয় বলে গামা রশ্মির আপেক্ষিক আয়নীকরণ ক্ষমতা খুব কম।
ছেদন ক্ষমতা: গামা রশ্মির ছেদন ক্ষমতা α-কণার চেয়ে 10,000 গুণ বেশি। রঞ্জন রশ্মির ন্যায় তা বিভিন্ন পদার্থের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে পারে।
জীবকোষের উপর ক্রিয়া: জীবন্ত কোষের ক্ষতিসাধন করে। 
- গামা রশ্মি (γ-রশ্মি) বিকিরণের ফলে মৌলের নিউক্লিয়াসের কোন পরিবর্তন ঘটে না। কারণ গামা রশ্মি (γ-রশ্মি) হলো বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ।
- গামা রশ্মির (γ-রশ্মি) কোন ভর বা চার্জ নেই। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।
.
উদ্ভিদ তার দেহ থেকে পানিকে বের করে অতিরিক্ত পানির চাপ থেকে মুক্ত করে কোন প্রক্রিয়ায়?
  1. ক) অভিস্রবণ
  2. খ) ব্যাপন
  3. গ) ইমবাইবিশন
  4. ঘ) প্রস্বেদন
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রস্বেদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রস্বেদন
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদদেহ থেকে যে প্রক্রিয়ায় পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়, তাকে প্রস্বদন বলা হয়। 
- প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদদেহ থেকে প্রচুর পানি বাষ্পাকারে বেরিয়ে যায়। এতে উদ্ভিদের মৃত্যুও হতে পারে। তাই আপাতদৃষ্টিতে উদ্ভিদের জীবনে প্রস্বেদনকে ক্ষতিকর প্রক্রিয়া বলেই মনে হয়। 
- এজন্য প্রস্বেদনকে বলা হয় উদ্ভিদের জন্য এটি একটি 'Necessary evil'।  
- উদ্ভিদ জীবনে প্রস্বেদন একটি অনিবার্য প্রক্রিয়া। কারণ প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদ তার দেহ থেকে পানিকে বের করে অতিরিক্ত পানির চাপ থেকে মুক্ত করে
- প্রস্বেদনের ফলে কোষরসের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। 
.
বৈদ্যুতিক মিটারে এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ বলতে বুঝায়-
  1. ক) এক কিলোওয়াট-ঘন্টা
  2. খ) এক ওয়াট-ঘন্টা
  3. গ) এক ওয়াট
  4. ঘ) এক মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
ক) এক কিলোওয়াট-ঘন্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এক কিলোওয়াট-ঘন্টা
ব্যাখ্যা
- এক ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো তড়িৎ যন্ত্রের মধ্য দিয়ে এক ঘণ্টা ধরে তড়িৎ প্রবাহিত হলে যে পরিমাণ তড়িৎ শক্তি অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয়, সেটি হচ্ছে এক ওয়াট-ঘন্টা।
১ ওয়াট-ঘণ্টা = ১ ওয়াট Χ ১ঘণ্টা
- অনেক সময় ওয়াট-ঘণ্টার পরিবর্তে কিলোওয়াট ঘণ্টাও ব্যবহার করা হয়।
১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা = ১০০০ ওয়াট Χ ৩৬০০ সেকেন্ড
= ৩,৬০,০০০০ ওয়াট-সেকেন্ড
= ৩,৬০,০০০০ জুল
অর্থাৎ শক্তির এককে এটি ৩.৬ মেগা জুল।
- আন্তর্জাতিকভাবে, তড়িৎ সরবরাহকে কিলোওয়াট-ঘন্টা এককে পরিমাপ করা হয়।
- এই একককে বোর্ড অব ট্রেড (BOT) ইউনিট সংক্ষেপে ইউনিট বলে।
- বৈদ্যুতিক মিটারে এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ বলতে বুঝায় এক কিলোওয়াট-ঘন্টা। 
- আমরা যে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করি তা কিলোওয়াট-ঘন্টা এককে হিসেব করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
স্থির তড়িৎ ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) ক্যামেরায়
  2. খ) ফটোকপি মেশিনে
  3. গ) স্প্রের সাহায্যে কোনো বস্তু রঙ করতে
  4. ঘ) সবগুলোতে
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোতে
ব্যাখ্যা
স্থির তড়িৎ
- আধান যখন চলাচল করে না, বরং কন বস্তুতে আবদ্ধ থাকে, তখন তাকে স্থির তড়িৎ (Static Electricity) বলে। যেমন: বজ্রপাত। 
- কল-কারখানা থেকে নির্গত কালো ধোয়ার কারণে বায়ুদূষণ মুক্ত করা, ছোট বা অসম আকৃতির বস্তুকে স্প্রের সাহায্যে রঙ করা, উচ্চ বিভব সৃষ্টি করা ইত্যাদির জন্য স্থির তড়িৎ ব্যবহার করা হয়। 
- বর্তমানে যেসব মুভি ক্যামেরা এবং স্থির ক্যামেরা ব্যবহার করা হয় সেগুলোতেও স্থির তড়িৎ ব্যবহার করা হয়। 
- ফটোকপি মেশিন, লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টারে স্থির তড়িৎ ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
কিডনিতে পাথরের অস্তিত্ব নির্ণয় করা যায় কোনটির মাধ্যমে?
  1. ক) এমআরআই
  2. খ) সিটিস্ক্যান
  3. গ) এক্স-রে
  4. ঘ) এনজিওগ্রাফ
সঠিক উত্তর:
গ) এক্স-রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এক্স-রে
ব্যাখ্যা
- ১৮৯৫ সালে উইলহেম রন্টজেন এক্স-রে আবিষ্কার করেন।
- এক্স-রে এর একক হলো রন্টজেন যা আবিষ্কারকের নামাণুসারে করা হয়। 
- এক্স-রে -এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10-8m থেকে 10-13m এর কাছাকাছি। 
- এক্স-রে গ্যাসীয় মাধ্যমকে আয়নিত করে। 
এক্স-রের ব্যবহার
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙ্গে যাওয়া হাড় ইত্যাদি খুব সহজে শনাক্ত করা যায়।
- পেটের এক্স-রে করে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত করা যায়।
- এক্স-রে করে পিত্তথলি ও কিডনিতে পাথরের অস্তিত্ব নির্ণয় করা যায়। 
- রেডিওথেরাপিতে এক্স-রে চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়। 
- দাঁতের ক্যাভিটি ও অন্যান্য ক্ষয় বের করার জন্য এক্স-রে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ নয়?
  1. ক) অয়ন বায়ু
  2. খ) আরব মালভূমির সাইমুম
  3. গ) মিসরের খামসিন
  4. ঘ) রকি পর্বতের চিনুক
সঠিক উত্তর:
ক) অয়ন বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অয়ন বায়ু
ব্যাখ্যা
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়।
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। যথা: নিয়ত বায়ু, সাময়িক বায়ু, স্থানীয় বায়ু এবং অনিয়মিত বায়ু।
স্থানীয় বায়ু: 
- স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে যে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ। 
- রকি পর্বতের চিনুক, ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল, আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু, আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরাক্কা, আরব মালভূমির সাইমুম, মিসরের খামসিন ও ভারতীয় উপমহাদেশের লু কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
কোন রোগের সুনির্দিষ্ট কোনো লক্ষণ নেই?
  1. ক) ক্যান্সার
  2. খ) যক্ষ্মা
  3. গ) এইডস
  4. ঘ) নিউমোনিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) এইডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এইডস
ব্যাখ্যা
এইডস:
- সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টিকারী রোগ হচ্ছে ‘এইডস’ (AIDS)। এটি একটি সংক্রামক রোগ।
- ১৯৯৮১ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম আমেরিকায় AIDS চিহ্নিত হয় এবং তখন থেকে সারা বিশ্বে AIDS মরণব্যাধি হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।
- আফ্রিকার দেশগুলোতে এর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি।
- প্রাকৃতিক নিয়মে সব মানুষের দেহেই রোগ-জীবাণুর আক্রমণ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা থাকে, একে ইমিউনিটি বলা হয়।
- রক্তের লিম্ফোসাইট অ্যান্টিবডি প্রস্তুতের মাধ্যমে জীবাণুর আক্রমণ প্রতিহত করতে পারে যা AIDS আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে ধীরে ধীরে এই ক্ষমতা কমতে থাকে।
- এই কারণে এ রোগটির নাম দেওয়া হয়েছে- ‘অ্যাকুয়ার্ড ইম্যুন ডেফিসিয়েন্সি সিনড্রম’ যা সংক্ষেপে AIDS ( Acquired Immune Deficiency Syndrome)।
- এটি এক ধরনের ভাইরাস, যার নাম Human Immuno Deficiency Virus (HIV), এটি AIDS রোগের সংক্রমণ করে থাকে।
- HIV দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। দেহের রক্তস্রোতে প্রবেশ করার পর HIV রক্তের শ্বেত কণিকার T- লিম্ফোসাইটকে আক্রমণ করে, যার ফলে দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।
- HIV ভাইরাস সংক্রমণের পর প্রথম ৫ বছর পর্যন্ত মানুষের দেহে কোনো রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় না। এসব মানুষ তখন এই রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে এবং তখন তারা অন্যকে সংক্রমিত করতে পারে।
- এইডস রোগের সুনির্দিষ্ট কোনো লক্ষণ নেই। এটি ধীরে ধীরে মানুষের শরীরে কাজ করে। 
- প্রধাণত যৌন ক্রিয়ার মাধ্যমেই আক্রান্ত ব্যক্তির দেহ থেকে HIV সুস্থ ব্যক্তির দেহে সংক্রমিত হয়, মায়ের বুকের দুধের মাধ্যমে সদ্যোজাত শিশুর দেহে এ রোগ সংক্রমিত হতে পারে।
- এছাড়াও রক্ত সঞ্চালন কিংবা ড্রাগ ব্যবহারকারীদের সিরিঞ্জের মাধ্যমে এ রোগ সঞ্চারিত হতে পারে।
- AIDS প্রতরোধ করার সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ বিষয় হলো, HIV সংক্রমণ কীভাবে ঘটে সে সম্পর্কে সবাইকে শিক্ষা দেওয়া।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
১১.
শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে যাওয়াকে বলে-
  1. ক) অ্যানিমিয়া
  2. খ) লিউকেমিয়া
  3. গ) থ্যালাসেমিয়া
  4. ঘ) পলিসাইথিমিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) লিউকেমিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লিউকেমিয়া
ব্যাখ্যা
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু।
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের।
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। যেমন:

পলিসাইথিমিয়া: লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়।

অ্যানিমিয়া: লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া।

লিউকেমিয়া: নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়।
- কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে

লিউকোসাইটোসিস: শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ২০,০০০-৩০,০০০ হয়, তাকে লিউকোসাইটোসিস বলে। নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এ অবস্থা হয়।

থ্রম্বোসাইটোসিস: এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। রক্তনালীর অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াকে থ্রম্বোসিস বলে। হৃৎপিন্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে।

পারপুরা: ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে এ অবস্থা হতে পারে। এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়।

থ্যালাসেমিয়া: থ্যালাসেমিয়া একধরনের বংশগত রক্তের রোগ। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে রক্তশূন্যতা সৃষ্টি হয়। হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতার কারণে লোহিত রক্ত কণিকা ভেঙ্গে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।

- সাধারণত শিশু অবস্থায় এ থ্যালাসেমিয়া রোগটি শনাক্ত হয়। এ রোগের জন্য রোগিকে প্রতি ৩ মাস অন্তর রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়। তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে রক্তশূন্যতার হার কমে যায়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
১২.
পদ্মা কোন জাতীয় ফসল?
  1. ক) তরমুজ
  2. খ) আম
  3. গ) কলা
  4. ঘ) পেয়ারা
সঠিক উত্তর:
ক) তরমুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তরমুজ
ব্যাখ্যা
- তরমুজ: পদ্মা, মধুবালা (হলদে জাতের তরমুজ)।
- আম: মোহনভোগ, কিষানভোগ, ফজলি, ল্যাংড়া। 
- কলা: অগ্নিশ্বর, কাঁনাইবাশি, মোহনবাশী, মেহেরসাগর, অমৃতসাগর।
- পেয়ারা- কাঞ্চন নগর, স্বরূপকাঠি, মুকুন্দপুরী। 

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৩.
নিচের কোনটিকে পৃথিবীর তৃতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে?
  1. ক) বন্যা
  2. খ) খরা
  3. গ) সুনামি
  4. ঘ) ঘূর্ণিঝড়
সঠিক উত্তর:
গ) সুনামি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুনামি
ব্যাখ্যা
সুনামি:
- Tsunami একটি জাপানি শব্দ। যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ। অর্থাৎ সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- সমুদ্রতলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা সুনামি সৃষ্টি করতে পারে।
- সুনামিকে পৃথিবীর তৃতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে
- সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়।
- সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে একটা ভূমিকম্প হলে সুনামি তৈরি হয়।
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্বরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে।
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প।
- ইউরেশিয়ান প্লেট ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেটের সংঘর্ষে  সৃষ্টি হওয়া এই মারাত্মক ভূমিকম্পটি ছিল রিখটার স্কেলে নয় মাত্রার। এই জলোচ্ছাসে তিন লাখের মতো মানুষ নিহত হয় যার মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রার আচেহ প্রদেশেই নিহত হয়েছে এক লাখ মানুষ। তবে এ সময় বাংলাদেশের কোনো ধরনের ক্ষতি হয়নি।
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায়।
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে।
- ১৭৬২ সালের ২ এপ্রিল বঙ্গোপসাগরের আরাকান অঞ্চলে সংঘটিত একটি ভূমিকম্প থেকে সৃষ্ট সুনামি বাংলাদেশে আঘাত এনেছিল। তখন কক্সবাজার এবং পার্শ্ববর্তী দ্বীপসমূহে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
১৪.
ব্যাকটেরিয়া কোষে কোনটি অনুপস্থিত?
  1. ক) মাইটোকন্ড্রিয়া
  2. খ) এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম
  3. গ) গলগি বডি
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়া জড় কোষ প্রাচীরবিশিষ্ট এককোষী আদিকেন্দ্রিক অণুজীব। 
- এদের কোষে রাইবোসোম ছাড়া অন্য কোন ঝিল্লীবদ্ধ অঙ্গাণু (যেমন নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, ক্লোরোপ্লাস্ট, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম, গলগি বডি, লাইসোসোম এবং সাইটোস্কেলেটন ইত্যাদি) থাকে না।
- এরা পরজীবী ও রোগ উৎপাদনকারী, অধিকাংশই মৃতজীবি এবং কিছু স্বনির্ভর। এরা সাধারণত দ্বিভাজন বা বাইনারি ফিশন প্রক্রিয়ায় সংখ্যাবৃদ্ধি করে।

 সূত্র: এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি উদ্ভিদের কোন অংশে ঘটে?
  1. ক) কান্ডে
  2. খ) মূলে
  3. গ) পাতায়
  4. ঘ) সবুজ অংশে
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবুজ অংশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবুজ অংশে
ব্যাখ্যা
যে উদ্ভিদ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ সূর্যের আলোক শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং ঐ রাসায়নিক শক্তি দিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে বিজারিত করে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে তাকে সালোকসংশ্লেষণ বা ফটোসিনথেসিস বলে। 
- সবুজ উদ্ভিদ সালোক সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য যে কোন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে আলো ব্যবহার করতে পারে না, কেবলমাত্র ৩০০nm থেকে ৮১০nm পর্যন্ত তরঙ্গদৈর্ঘ্যরে আলো উদ্ভিদ ব্যবহার করতে পারে। 
- সালোকসংশ্লেষণে অপরিহার্য উপাদানগুলো হলো আলো, ক্লোরোফিল, পানি, কার্বন ডাই - অক্সাইড।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি উদ্ভিদের সবুজ আংশে ঘটে। 

সূত্র: এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
পাতার সাহায্যে বংশবৃদ্ধি করে নিচে কোন উদ্ভিদ?
  1. ক) ফনিমনসা
  2. খ) গোলাপ
  3. গ) পাথরকুচি
  4. ঘ) গোল আলু
সঠিক উত্তর:
গ) পাথরকুচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাথরকুচি
ব্যাখ্যা
কিছু উদ্ভিদের কান্ড রূপান্তরিত হয়ে পাতার কাজ করে। এসব কান্ডের অংশ থেকে নতুন গাছ জন্মে। যেমন- ফনিমনসা।
- পাতার সাহায্যে কিছু কিছু উদ্ভিদের পাতা মাটিতে ফেললে পাতার কিনার থেকে অস্থানিক মুকুল বের হয়ে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। যেমন- পাথর কুচি।
- শাখা কলম প্রক্রিয়ায় গাছের একটি শাখা কেটে নিয়ে রসালো মাটিতে রোপন করা হয়। শাখাটি স্বাভাবিকভাবে বড় হয়ে নতুন গাছে পরিণত হয়। যেমন- গোলাপ, পাতাবাহার, আঁখ ইত্যাদি।
- কন্দের চোখ বা মুকুল থেকে নতুন গাছ জন্মে। যেমন- গোল আলু।

সূত্র: এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৭.
উদ্ভিদদেহের শতকরা কত ভাগ পানি ?
  1. ক) ৬০-৭০
  2. খ) ৬০-৯০
  3. গ) ৭০-৮০
  4. ঘ) ৭০-৯০
সঠিক উত্তর:
খ) ৬০-৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬০-৯০
ব্যাখ্যা
সজীব উদ্ভিদদেহ বিশ্লেষণ করলে প্রধান যে উপাদান পাওয়া যায় তা হলো পানি।
 - দেহের প্রায় শতকরা ৬০-৯০ শতাংশ হলো পানি।
- বাকি যে অংশ অবশিষ্ট থাকে তাকে কঠিন বস্তু বলা হয়।
 - ১৬টি মৌলিক পদার্থ যেমন- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, সোডিয়াম, ক্লোরিন, ম্যাঙ্গানিজ, বোরন, সালফার, কপার ও জিঙ্ক মিলে সৃষ্টি করেছে অসংখ্য জৈব উপাদান। 
- জৈব রাসায়নিক উপাদানগুলোর মধ্যে কার্বোহাইড্রেট, লিপিড, অ্যামাইনো অ্যাসিড, প্রোটিন, নিউক্লিক অ্যাসিড, অন্যান্য জৈব অ্যাসিড, বিভিন্ন এনজাইম ইত্যাদি প্রধান।
- অজৈব উপাদানের মধ্যে পানি অন্যতম পদার্থ।

সূত্র: এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
নিচের কোনটি জীবাণু ভক্ষণ করে?
  1. ক) লাইসোজোম
  2. খ) কোষগহ্বর
  3. গ) এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম
  4. ঘ) রাইবোজোম
সঠিক উত্তর:
ক) লাইসোজোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) লাইসোজোম
ব্যাখ্যা
লাইসোজোম জীব কোষকে জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে।
-  এর উৎসেচক আগত জীবাণুগুলোকে হজম করে ফেলে।
- এর পরিপাক করা উৎসেচকগুলো একটি পর্দা দিয়ে আলাদা করা থাকে, তাই অন্যান্য অঙ্গাণু এর সংস্পর্শে এলেও হজম হয় না।
- সাইটোপ্লাজমে কোষের মধ্যে যে আপাত ফাঁকা স্থান দেখা যায়, সেগুলোই হচ্ছে কোষগহ্বর। 
- বৃহৎ কোষগহ্বর উদ্ভিদ কোষের বৈশিষ্ট্য। এর প্রধান কাজ কোষরস ধারণ করা। 
- প্রাণিকোষে কোষগহ্বর সাধারণত অনুপস্থিত থাকে, তবে যদি কখনো থাকে তবে সেগুলো আকারে ছোট হয়।
- এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম এর আবরণীর গায়ে প্রায়ই রাইবোজোম লেগে থাকে, তাই স্বাভাবিকভাবেই এইসব স্থানে প্রোটিন সংশ্লেষণের ঘটনা ঘটে। উদ্ভিদ এবং প্রাণী উভয় কোষেই এরা উপস্থিত থাকে।
- এন্ডোপ্লাজমিক মেমব্রেন এর উভয় দিকে অথবা নিউক্লিয়ার মেমব্রেন এর গায়ে, মাইটোকন্ড্রিয়ার অভ্যন্তরে অথবা সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত গোলাকার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দানার মত অঙ্গাণুকে রাইবোজোম বলে। 
- রাইবোজমের প্রধান কাজ প্রোটিন সংশ্লেষণ। স্নেহ জাতীয় পদার্থের বিপাক সাধন।

 সূত্র: উদ্ভিদবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৯.
চিকনগুনিয়া রোগ বহনকারী মশার নাম কী?
  1. ক) অ্যানোফিলিস
  2. খ) কিউলেক্স
  3. গ) এডিস
  4. ঘ) ম্যানসোনাইড
সঠিক উত্তর:
গ) এডিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এডিস
ব্যাখ্যা
- অ্যানোফিলিস মশার মাধ্যমে ম্যালেরিয়া রোগের বিস্তার লাভ করে।
- ফাইলেরিয়া রোগ ছড়ায় কিউলেক্স মশার মাধ্যমে।
- এডিস মশা দ্বারা ডেঙ্গু জ্বর, পীত জ্বর এবং চিকনগুনিয়া রোগ ছড়ায়।

 সূত্র : সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও WHO ওয়েবসাইট।
২০.
শুক্রাণু এক ধরনের -
  1. ক) দেহকোষ
  2. খ) স্নায়ুকোষ
  3. গ) ত্বককোষ
  4. ঘ) জননকোষ
সঠিক উত্তর:
ঘ) জননকোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জননকোষ
ব্যাখ্যা
-  শুক্রাণু ও ডিম্বাণু হচ্ছে জননকোষ।
- পুং জনন কোষকে শুক্রাণু ও স্ত্রী জনন কোষকে ডিম্বাণু বলা হয়।
- একটি পরিণত শুক্রাণুর তিনটি অংশ থাকে। যথা:  ১। মস্তক, ২। মধ্যখন্ড, ৩। লেজ ।
- স্ত্রী প্রজননতন্ত্র পাঁচটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:  ১। ডিম্বাশয় ২। ফেলোপিয়ান নালী ৩। জরায়ু ৪। যোনি ৫। বহিঃযৌনাঙ্গ।
- লোহিত রক্তকণিকা, ত্বককোষ, স্নায়ুকোষ ইত্যাদি দেহকোষ।


সূত্র: এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
নিচের কোনটি RNA এর নাইট্রোজেন বেস নয়?
  1. ক) অ্যাডেনিন
  2. খ) গুয়ানিন
  3. গ) সাইটোসিন
  4. ঘ) থায়ামিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) থায়ামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) থায়ামিন
ব্যাখ্যা
জীবের রাসায়নিক গঠন উপাদান DNA।
- DNA তে চার ধরনের নাইট্রোজেন বেস থাকে।
- অ্যাডেনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন ও থায়ামিন।
- RNA তে ও চার ধরনের নাইট্রোজেন বেস থাকে।
- অ্যাডেনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন ও ইউরাসিল। থায়ামিন এর পরিবর্তে এখানে ইউরাসিল থাকে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২২.
কোন কোষ বিভাজনে নিউক্লিয়াস পর পর দুইবার বিভক্ত হয়?
  1. ক) অ্যামাইটোসিস
  2. খ) মাইটোসিস
  3. গ) মিয়োসিস
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) মিয়োসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মিয়োসিস
ব্যাখ্যা
- যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি মাতৃকোষের নিউক্লিয়াস এবং সাইটোপ্লাজম উভয়েই সরাসরি বিভক্ত হয়ে দুটি অপত্য কোষের সৃষ্টি করে, তাকে অ্যামাইটোসিস বা প্রত্যক্ষ কোষ বিভাজন বলা হয়।
-  এক্ষেত্রে নিউক্লিয়াসটি সরাসরি দুটি অংশে বিভক্ত হয়।
- ব্যাকটেরিয়া, কতিপয় ঈষ্ট এবং অ্যামিবা প্রভৃতি এককোষী জীবে বিশেষ করে আদিকোষী জীবে এ প্রকার কোষ বিভাজন দেখা যায়।
- যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি প্রকৃতকোষের নিউক্লিয়াস এবং ক্রোমোসোম উভয়ই একবার করে বিভক্ত হয় তাকে মাইটোসিস কোষ বিভাজন বলা হয়।
- প্রাণী ও উদ্ভিদের বিভাজন ক্ষমতাসম্পন্ন দৈহিক কোষে মাইটোসিস কোষ বিভাজন ঘটে। 
- জনন মাতৃকোষে মাইটোসিস ঘটে না। 
- যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় ক্রোমোসোম মাত্র একবার এবং নিউক্লিয়াস পরপর দু’বার বিভক্ত হয়, ফলে সৃষ্ট চারটি কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক হয়, তাকে মিয়োসিস কোষ বিভাজন বলা হয়।
- মিয়োসিস সর্বদা জনন মাতৃকোষে ঘটে।
- দৈহিক কোষে মিয়োসিস কখনই ঘটে না। 

সূত্র: এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৩.
বায়ু পরাগী উদ্ভিদ কোনটি?
  1. ক) ধান
  2. খ) গম
  3. গ) ইক্ষু
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- অনেক উদ্ভিদের ফুলের পরাগায়ন বায়ুর সাহায্যে হয়ে থাকে।
- যে ফুলের পরাগায়ন বায়ুর সাহায্যে সম্পন্ন হয় তাকে বায়ু পরাগী ফুল বলে এবং এ প্রক্রিয়াকে বায়ু পরাগায়ন বলে।
- পাইনাস, ধান, গম, ইক্ষু, ঘাস জাতীয় উদ্ভিদে এ প্রক্রিয়ায় পরাগায়ন ঘটে।

 সূত্র: এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
"বীটজবা" কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ক) টমেটো
  2. খ) কলা
  3. গ) গম
  4. ঘ) তুলা
সঠিক উত্তর:
খ) কলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কলা
ব্যাখ্যা
টমেটোর উন্নত জাতগুলো হলো: বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা, শ্রাবণী ইত্যাদি।
কলার উন্নত জাতগুলো হলো: মোহনবাশী, কানাইভোগ, অগ্নিশ্বর, বীটজবা ইত্যাদি।
গমের উন্নত জাতগুলো হলো: বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ইত্যাদি।
তুলার উন্নত জাতগুলো হলো: রুপালী, ডেলফোজ ইত্যাদি।

 সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৫.
আদর্শ খাদ্য দুধে কোনটি অনুপস্থিত?
  1. ক) ল্যাকটিক এসিড
  2. খ) কেসিন
  3. গ) ল্যাকটোজ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- দুধ একটি আদর্শ খাবার।
- এতে সুষম খাদ্যের ৬টি উপাদানই থাকে।
- দুধে যে শর্করা থাকে তাকে ল্যাকটোজ বলে।
- এতে যে প্রোটিন থাকে তাকে কেসিন বলে।
- দুধকে জমাট বাঁধায় রেনিন।
- দুধে ল্যাকটিক এসিড থাকে।

 সূত্র: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।