পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫

পরীক্ষাপ্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন৩৫
সিলেবাস
পরীক্ষা – ২৫ বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) টপিক: রাষ্ট্র, নাগরিকতা, সরকার ও রাজনীতি, সরকারি ও বেসরকারি লক্ষ্য, নীতি, পরিকল্পনা (অর্থনৈতিক, সামাজিক, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা), কর্মসূচি, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও পররাষ্ট্র নীতি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫ · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৫ প্রশ্ন

.
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এর পূর্ব নাম ছিল -
  1. প্রশাসন মন্ত্রণালয়
  2. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
  3. সংস্থাপন মন্ত্রণালয়
  4. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
সংস্থাপন মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্থাপন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

→ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এর পূর্ব নাম ছিল সংস্থাপন মন্ত্রণালয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়:

- ১৯৮২ সালে Martial Law Committee on Reorganizational Set-up সকল সরকারি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর/পরিদপ্তরসহ সকল স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার পুনর্গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
- রূপকল্প:- দক্ষ ও কার্যকর জনপ্রশাসন।
- অভিলক্ষ্য:- প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি দক্ষ, সেবামুখী, কল্যাণধর্মী ও দায়বদ্ধ জনপ্রশাসন গড়ে তোলা।

তথ্যসূত্র - জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি কে? (মার্চ, ২০২৬)
  1. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  2. ওবায়দুল হাসান
  3. হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী
  4. জুবায়ের রহমান চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
জুবায়ের রহমান চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুবায়ের রহমান চৌধুরী
ব্যাখ্যা

→ বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী (২৬তম)।

প্রধান বিচারপতি:
- সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়ান মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করেই অন্যান্য বিচারপতি দের নিয়োগ দেয়া হয়।

⇒ বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের জন্যে ন্যূনতম দশ বছর সুপ্রিমকোর্টে অ্যাডভোকেট বা দেশের বিচার বিভাগীয় পদে দশ বছর নিযুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয়।
- সংবিধানের প্রণয়নকালে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬২ বছর।
- ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৯৬ ধারা পুন:স্থাপন করে বিচারপতিদের বয়স করা হয় ৬৭ বছর।
- বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।

⇒ বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মো. সায়েম।
- তিনি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে ৫ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত প্রধান বিচারপতি ছিলেন।

তথ্যসূত্র - সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।

.
'ছায়া মন্ত্রিসভা' গঠন করে -
  1. ক্ষমতাসীন দল
  2. সংরক্ষিত নারী সাংসদবৃন্দ
  3. বিরোধী দল
  4. সুশীল সমাজ
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
ব্যাখ্যা

বিকল্প সরকার:
- প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রে 'বিকল্প সরকার' বলা হয় বিরোধী দলকে।
- উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিরোধী দলও সরকারি দলের ন্যায় গঠন করে- ছায়া মন্ত্রিসভা।
- সরকার যেন স্বৈরাচারি ও দুর্নীতিপরায়ণ না হয় সেজন্যে বিরোধী দল ছায়া সরকার বা বিকল্প সরকারের ভূমিকা পালনের মাধ্যমে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে থাকে।
- বর্তমান সময়ে গণতন্ত্রের অপর নাম হল দলীয় শাসন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

.
গভর্নমেন্ট হাউজের বর্তমান নাম কী?
  1. জাতীয় সংসদ ভবন
  2. বঙ্গভবন
  3. যমুনা
  4. গণভবন
সঠিক উত্তর:
বঙ্গভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গভবন
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর মহামান্য রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও বাসভবন - বঙ্গভবন।
- ঐতিহাসিক এই ভবনের যাত্রা শুরু হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯০৫ সাল।
- বঙ্গভবন এর পূর্ব নাম ছিল গভর্নমেন্ট হাউজ।
- ১৯৭১ সালের ২৩ ডিসেম্বর এই ভবনের নাম পরিবর্তন করে 'বঙ্গভবন' রাখা হয়।
- বঙ্গভবন বা রাষ্ট্রপতির কার্যালয় এর ২টি বিভাগ রয়েছে। যথা -
• জন বিভাগ (Public Division),
• আপন বিভাগ (Personal Division)।

তথ্যসূত্র - রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ওয়েবসাইট।

.
রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য কোনটি?
  1. বিরোধী দলকে দমন করা
  2. সুশাসন নিশ্চিত করা
  3. সরকার গঠন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সরকার গঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার গঠন
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ ও সরকার গঠন:
- প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য হল রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ এবং সরকার গঠন।
- ক্ষমতায় এসে নিজের কর্মসূচি ও মতাদর্শকে বাস্তবায়িত করার জন্য প্রতিটি দলই উদ্যোগ গ্রহণ করে।
- আধুনিক গণতান্ত্রিক দেশে একাধিক রাজনৈতিক দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করে।
- শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত দলের লক্ষ্য হল ক্ষমতায় টিকে থাকা।
- আর বিরোধী দলসমূহ দলীয় আদর্শের ভিত্তিতে শাসক দলকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে নাগরিকের কর্তব্য কোনটি?
  1. আইন মান্য করা
  2. নাগরিক দ্বায়িত্ব পালন করা
  3. শৃঙ্খলা রক্ষা করা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

নাগরিকের কর্তব্য:
- বাংলাদেশের নাগরিকত্ব মূলত ও প্রধাণত জন্মসূত্রে নির্ধারিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৬নং অনুচ্ছেদ অনুসারে বাংলাদেশি নাগরিকত্ব নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- ২১ নং অনুচ্ছেদে নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ২১ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে নাগরিকের কর্তব্য ৪টি। যথা -
• আইন মান্য করা।
• নাগরিক দ্বায়িত্ব পালন করা। 
• শৃঙ্খলা রক্ষা করা।
• জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা।

→ উল্লেখ্য:
- সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে সকল লাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।

.
সারাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা

প্রাথমিক শিক্ষা আইন:
- বাংলাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয় ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৯২ সালে ১ জানুয়ারি থেকে সারা দেশের ৬৮টি থানায় বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন করা হয়।
- ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সারাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং আইন মন্ত্রণালয়।

.
রূপকল্প-২০৪১ এ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৬.৮%
  2. ৭.১%
  3. ৮.৩%
  4. ৯.৯%
সঠিক উত্তর:
৯.৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯.৯%
ব্যাখ্যা

রূপকল্প-২০৪১:
- ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত দেশের কাতারে সামিল করার লক্ষ্য সামনে রেখে রূপকল্প ২০৪১।
- রূপকল্প ২০৪১ এর খসড়া জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদিত হয়।
- ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের পর্যায় পেরিয়ে এক শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ, সুখী এবং উন্নত জনপদ।
- সুশাসন, জনগণের সক্ষমতা ও ক্ষমতায়ন হবে এই অগ্রযাত্রার মূলমন্ত্র।

উদ্দেশ্য:
- সম্ভাব্য জনসংখ্যা ২১ কোটি ৩ লাখ।
- মাথাপিছু আয়: ১২,৫০০ ডলার (২০৪১ সালের মূল্যমানে ১৬,০০০ ডলারের বেশি)। 
- দারিদ্র্য দূরীকরণ।
- ২০৪১ সালের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৯.৯%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু ৮০ বছর।
- ২০৪১ সালের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের সাক্ষরতার হার ১০০% এ বৃদ্ধি করা।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি ১% এরও নিচে নামিয়ে আনা।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা বিভাগ ওয়েবসাইট।

.
নিচের কোনটি নাগরিকের সামাজিক অধিকার?
  1. সংগঠন করার অধিকার
  2. শিক্ষা লাভের অধিকার
  3. পরিবার গঠনের অধিকার
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

নাগরিকের অধিকার:
- নাগরিকের অধিকার প্রধানত ২ প্রকার। যথা:
• নৈতিক।
• আইনগত অধিকার।

- নৈতিক অধিকারের কোন আইনগত ভিত্তি নেই।
- আইনগত অধিকার এর মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকার।
- সংগঠন করার অধিকার, মত প্রকাশের অধিকার, শিক্ষা লাভের অধিকার, পরিবার গঠনের অধিকার ইত্যাদি সামাজিক অধিকার।
- নাগরিকের প্রধান অধিকার রাজনৈতিক অধিকার ।
- ভোটাধিকার, নির্বাচন করার অধিকার ও রাজনৈতিক দল গঠনের অধিকার ইত্যাদি রাজনৈতিক অধিকার ।
- জীবিকার অধিকার, চাকরি লাভের অধিকার, ব্যাবসা করার অধিকার ইত্যাদি অর্থনৈতিক অধিকার।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম দশম শ্রেণি।

১০.
প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকাল কোনটি?
  1. ১৯৭২-১৯৭৭
  2. ১৯৭৩-১৯৭৮
  3. ১৯৭৪-১৯৭৯
  4. ১৯৭৫-১৯৮০
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩-১৯৭৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩-১৯৭৮
ব্যাখ্যা

পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা হলো একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট কৌশল, যা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সরকারের পরিকল্পনার ভিত্তিতে প্রণীত হয়।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে।
- ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা শুরু হয় ১৯৭৩ সালে।
- ২০২০ সাল পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়েছে।

→ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-১৯৭৮)।
- দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-১৯৮৫)।
- তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৫-১৯৯০)।
- চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-১৯৯৫)।
- পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২)।
- ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫)।
- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০)।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২০-২০২৫)। (বাতিল করা হয়েছে)

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

১১.
রাষ্ট্র গঠনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কোনটি?
  1. জনসমষ্টি
  2. ভূ-খন্ড
  3. সরকার
  4. সার্বভৌমত্ব
সঠিক উত্তর:
সার্বভৌমত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্বভৌমত্ব
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রের উপাদান:
রাষ্ট্রের চারটি উপাদান থাকে। যথা -
• জনসমষ্টি,
• ভূ-খন্ড,
• সরকার,
• সার্বভৌমত্ব।

→ জনসমষ্টি:
- রাষ্ট্র গঠনের প্রথম উপাদান জনসমষ্টি।
- জনসমষ্টি ব্যতীত রাষ্ট্র হতে পারে না।
- তবে একটি রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসংখ্যা কত হতে হবে তার কোন ধরা বাঁধা নিয়ম নেই।

→ ভূখন্ড:
- রাষ্ট্র গঠনের দ্বিতীয় উপাদান হল ভূখন্ড।
- জনসমষ্টিকে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য ভূখন্ড আবশ্যক।
- ভূখন্ড বলতে রাষ্ট্রের ভূমি, নদ-নদী, পাহাড়-পর্বত, সামুদ্রিক জলসীমা বোঝায়।

→ সরকার:
- রাষ্ট্রের তৃতীয় উপাদান সরকার।
- সরকারের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকার তিন ধরনের কাজ করে। যথা- আইন সংক্রান্ত, শাসন সংক্রান্ত ও বিচার সংক্রান্ত।
- এ তিন ধরনের কাজের জন্য সরকারের তিনটি বিভাগ রয়েছে। যথা- আইন, শাসন ও বিচার বিভাগ।
- তবে বিশ্বের প্রায় সব সরকার ৩টি বিভাগ নিয়ে গঠিত হলেও সরকারের রূপ ও প্রকৃতি এক নয়।
- যেমন- বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা, আবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।

→ সার্বভৌমত্ব:
- রাষ্ট্র গঠনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল সার্বভৌমত্ব৷
- এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা।
- সার্বভৌমত্ব ব্যতীত কোন দেশ রাষ্ট্র বলে পরিগণিত হতে পারে না।
- যেমন- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের পূর্বে বাংলাদেশের অন্যান্য উপাদান থাকা সত্ত্বেও সার্বভৌম ক্ষমতা না থাকায় বাংলাদেশ রাষ্ট্র বলে পরিগণিত হতে পারে নি।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি):
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে গঠিত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বৃহত্তম হল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
- তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বরে বিভিন্ন জাতীয়তাবাদী শরিক দল সমন্বয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন।
- ঢাকার রমনা গ্রীনে তিনি এ ঘোষণা দেন।
- বিএনপি'র দলীয় সংবিধান অনুযায়ী তাদের রাজনীতির মূলনীতি হল- সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস, জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র (অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার অর্থে)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
ইউনিয়ন পরিষদ মোট কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হয়?
  1. ১০ জন
  2. ১১ জন
  3. ১২ জন
  4. ১৩ জন
সঠিক উত্তর:
১৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ জন
ব্যাখ্যা

ইউনিয়ন পরিষদের গঠন:
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- চেয়ারম্যান ১ জন।
- নির্বাচিত সদস্য ৯ জন।
- সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৩ জন।
- ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়। 
- ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
রাষ্ট্রের অপরিহার্য কাজ নিচের কোনটি?
  1. রাষ্ট্র বাজেট প্রণয়ন
  2. মুদ্রাস্ফীতি রোধ
  3. সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রের অপরিহার্য বা মুখ্য কার্যাবলি:
- অপরিহার্য বা মুখ্য কার্যাবলি রাষ্ট্রের অস্তিত্ব, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এবং রাষ্ট্রে বসবাসরত জনগণের অধিকার সংরক্ষণের জন্য রাষ্ট্র যে সমস্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেগুলোকে অপরিহার্য বা মুখ্য কাজ বলা হয়।

→ রাষ্ট্রের অপরিহার্য কাজগুলো নিম্নরূপ:
- দেশ রক্ষার জন্য প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠন ও পরিচালনা।
- রাষ্ট্র আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশ ও অন্যান্য আধা-সামরিক বাহিনী গড়ে তোলা।
- জাতীয় নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা।
- বিদেশে অবস্থানরত দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সেবা প্রদান করা ইত্যাদি হচ্ছে রাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিষয়ক অপরিহার্য কাজ।
- আইন প্রণয়ন, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা রাষ্ট্রের মৌলিক কাজ।
- অর্থ ও সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় অর্থ সংগ্রহ ও বণ্টন ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
- রাষ্ট্র বাজেট প্রণয়ন।
- মুদ্রা প্রবর্তন ও মুদ্রা বিনিয়োগের ব্যবস্থা।
- গণনা ও পরিমাপের একক নির্ধারণ।
- মুদ্রাস্ফীতি রোধ।
- নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে।

→ রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কার্যাবলি:
- মহাসড়ক নির্মাণ,
- শিক্ষানীতি প্রণয়ন,
- রোগ প্রতিষেধক টিকা প্ৰদান৷

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি৷

১৫.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার ছিলেন কে?
  1. বিচারপতি এম. ইদ্রিস
  2. বিচারপতি এ. কে. এম. নুরুল ইসলাম
  3. বিচারপতি চৌধুরী এ. টি. এম. মাসুদ
  4. বিচারপতি চৌধুরী এ. টি. এম. সাদেক
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি এম. ইদ্রিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি এম. ইদ্রিস
ব্যাখ্যা

প্রথম জাতীয় নির্বাচন:
- ১৯৭৩ সালের ৭ই মার্চ সংসদ নির্বাচন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন।
- ১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি এম. ইদ্রিস।
- এ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পূর্বে মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত মুজিবনগর সরকার কর্তৃক রাষ্ট্র পরিচালিত হয়েছে।
- ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে প্রত্যাবর্তন করেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশ গঠনের কার্যক্রম গ্রহণ করেন।
- নয় মাসের প্রচেষ্টায় ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ৩১৫টি আসনের মধ্যে ৩০০টি সাধারন আসন ও ১৫টি সংরক্ষিত মহিলা আসন।
- ১৪টি রাজনৈতিক দল অংশ গ্রহণ করে।
- ৩১৫টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩০৮টি আসনে জয়লাভ করেন।

তথ্যসূত্র - নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট, পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১৬.
মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান -
  1. সচিব
  2. মন্ত্রী
  3. অতিরিক্ত সচিব
  4. উপসচিব
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রী
ব্যাখ্যা

মন্ত্রনালয়গুলোর প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশে মন্ত্রণালয়গুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলা হয়।
১. মন্ত্রী - মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান। প্রত্যেক মন্ত্রণালয় দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে
থাকে।
২. সচিব - মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। সচিব মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও মূখ্য হিসাব নিরীক্ষক।
৩. অতিরিক্ত সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৪. যুগ্ম-সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৫. উপসচিব - একাধিক শাখার প্রধান।
৬. সিনিয়র বা জেষ্ঠ সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।
৭. সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোজাম্মেল হক।

১৭.
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে?
  1. রাষ্ট্রপ্রতি
  2. মন্ত্রিপরিষদ সচিব
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

→ বাংলাদেশ সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী শাসন বিভাগের নির্বাহী প্রধান।
- প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার প্রধান।
- জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মনোনীত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- সংবিধানের ৫৫ ও ৫৬ নং ধারা মতে, প্রধানমন্ত্রী পদায়িত হবেন মন্ত্রিপরিষদের শীর্ষে।
- তিনি তাঁর মন্ত্রিপরিষদের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী নির্বাচন করেন।
- সংবিধান অনুসারে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রকৃত নির্বাহী।
- জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মনোনীত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধান পরিষদ অর্থাৎ মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করা কোন বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত?
  1. সমাজকর্ম
  2. ইতিহাস
  3. পৌরনীতি ও নাগরিকতা
  4. সমাজবিজ্ঞান
সঠিক উত্তর:
পৌরনীতি ও নাগরিকতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৌরনীতি ও নাগরিকতা
ব্যাখ্যা

পৌরনীতি ও নাগরিকতা বিষয়ের পরিসর বা বিষয়বস্তু:
- নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য।
- সামাজিক ও রাজনৈতিক প্ৰতিষ্ঠান।
- যেমন- পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র, নির্বাচন, রাজনৈতিক দল ইত্যাদি।
- নাগরিকতার স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয় নাগরিকতার অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৯.
বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. জেলা পরিষদ
  2. পৌরসভা
  3. পার্বত্য জেলা পরিষদ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন:
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বুঝায়।
- সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়।
- তিনিধিরা তাঁদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন।
- বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: 
• ইউনিয়ন পরিষদ,
• উপজেলা পরিষদ,
• জেলা পরিষদ, 
• পৌরসভা,
• সিটি কর্পোরেশন,
• পার্বত্য জেলা পরিষদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

২০.
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. অ্যাটর্নি জেনারেল
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. আইনমন্ত্ৰী
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা

অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের উল্লেখ রয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
• অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
• অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
• বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

২১.
মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তর কোনটি?
  1. জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. উপজেলা নির্বাহী
  3. বিভাগীয় কমিশনার
  4. জেলা প্রশাসক
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় কমিশনার
ব্যাখ্যা

→ বিভাগীয় প্রশাসন:
- মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তরের - বিভাগ।
- প্রতিটি বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান হলেন একজন বিভাগীয় কমিশনার।
- বিভাগীয় কমিশনার জেলা প্রশাসকদের কাজ তদারক করেন।

→ জেলা প্রশাসন:
- জেলা প্রশাসন মাঠ বা স্থানীয় প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর।
- এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন জেলা প্রশাসক।
- জেলা প্রশাসক জেলার মুখ্য বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটক।
- দেশের সব জেলায় একজন করে জেলা প্রশাসক আছেন।

→ উপজেলা প্রশাসন:
- মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বনিন্ম স্তরের হল - উপজেলা প্রশাসন।
- উপজেলার প্রধান প্রশাসক হলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
- তিনি উপজেলা উন্নয়ন কমিটির প্রধান।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি৷

২২.
রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কার্যাবলি কোনটি?
  1. সরকার বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন
  2. যৌতুক ও বর্ণ বা গোত্রপ্রথা দূরীকরণ
  3. খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

→ রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কার্যাবলি:
- সরকার বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন,
- নারী শিক্ষার ওপর গুরুত্বসহ বয়স্ক শিক্ষার ব্যবস্থা করা,
- হাসপাতাল,
- দাতব্য চিকিৎসালয়,
- শিশুসদন,
- মাতৃমঙ্গল কেন্দ্র স্থাপন,
- পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্ৰ স্থাপন,
- জনস্বাস্থ্য রক্ষায় বিশুদ্ধ পানীয়জলের সুব্যবস্থা,
- পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা,
- রোগ প্রতিরোধক,
- প্রতিষেধক টিকা প্ৰদান,
- যৌতুক ও বর্ণ বা গোত্রপ্রথা দূরীকরণ,
- বাল্যবিবাহ রোধ,
- জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে,
- উৎপাদন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ,
- কৃষিতে ভর্তুকি প্রদান,
- সার, বীজ, কীটনাশক সরবরাহ, সেচের ব্যবস্থা করা,
- খাদ্য গুদামজাতকরণ
- দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যথা: রাস্তাঘাট, সেতু, সড়ক, রেলপথ, নৌ-চলাচল, বিমান যোগাযোগ,
- গ্রামীণ উন্নয়ন, কালোবাজারি রোধ,
- খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ,
- নারী ও শিশু পাচার রোধ।

→ রাষ্ট্রের অপরিহার্য বা মুখ্য কার্যাবলি:
- সেনাবাহিনী গঠন,
- বাজেট প্রণয়ন,
- মুদ্রাস্ফীতি রোধ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

২৩.
রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. হাইকোর্ট
  3. জাতীয় সংসদ
  4. সুপ্রীম কোর্ট
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা

→ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে জাতীয় সংসদ।

জাতীয় আইনসভার ক্ষমতা ও কার্যবলী:
- বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নামে একটি আইনসভা থাকবে এবং এর ওপর প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা ন্যস্ত হবে।
- সংবিধান অনুযায়ী সংসদ যে কোনো নতুন আইন প্রণয়ন ও প্রচলিত আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করতে পারে।
- সংসদ আইনের মাধ্যমে যে কোনো সংস্থা বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ প্রদান, বিধি, উপবিধি ও প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে পারে।
- সংসদের আস্থাভাজন ব্যক্তিই প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন এবং তিনি মন্ত্রিসভা গঠন করেন।
- প্রধানমন্ত্রী সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন হয়।
- সংবিধান লঙ্ঘন, গুরুতর অপরাধ, দৈহিক ও মানসিক অসুস্থতা ও অক্ষমতার জন্য সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন বা অপসারণ করতে পারে।
- জাতীয় সংসদ নির্বাচন, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, ন্যায়পাল ইত্যাদি পদের নির্বাচনি ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত। 
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি

২৪.
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি:
-  ১৯৭৪ সালে দেশে প্রাথমিক শিক্ষা আইন জারি হয়।
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৮ সালে 'মৌলিক শিক্ষা একাডেমি' নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এটির নামকরণ করা হয় 'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি'।
- এখানে প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে থাকে।
- ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয়।
- এই আইনের অধীনে ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি দেশের ৬৮টি উপজেলায় এবং ১ জানুয়ারি ১৯৯৩ সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ওয়েবসাইট, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও দৈনিক প্রথম আলো, ০১ নভেম্বর ২০১৪।

২৫.
PRSP এর পূর্ণরূপ নিচের কোনটি?
  1. Poverty Reduction Study Project
  2. Poverty Reduction Strategy Paper
  3. Poverty Reduction Strategic Programme
  4. Poverty Reduce Strategy Partnership
সঠিক উত্তর:
Poverty Reduction Strategy Paper
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Poverty Reduction Strategy Paper
ব্যাখ্যা

দারিদ্র বিমোচন কৌশল পত্র( PRSP):
- PRSP এর পূর্ণরূপ Poverty Reduction Strategy Paper.
- দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বিশ্বে নিম্ন আয়ের দেশগুলির অভ্যন্তরীণভাবে গৃহীত নীতি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রণীত দলিল বা রূপরেখা।
- ২০০৩ সালে বাংলাদেশ অন্তবর্তীকালীন পিআরএসপি (আইপিআরএসপি) প্রথম প্রণয়ন করে।
- বাংলাদেশ ২০০৫ সালে প্রথম PRSP প্রণয়ন করে।
- ২০০৮ সালের অক্টোবরে ২০০৫ সালে প্রণীত দলিলটিকে হালনাগাদ করা হয়।
- এ দলিল প্রণয়নের মাধ্যমে সহস্রাব্দ উন্নয়নের লক্ষ্য (এমডিজি) এবং দক্ষিণ এশীয় উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার প্রকাশ করা হয়েছে।
- দ্রুততর দারিদ্র্য বিমোচনের কৌশল-২ (অর্থবছর ২০০৯-১১) পথে অগ্রযাত্রা’।

তথ্যসূত্র -  বাংলাপিডিয়া।

২৬.
'কাবিখা' কী?
  1. নারীদের উন্নয়ন কর্মসূচি
  2. অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের একটি কর্মসূচি
  3. পিছিয়ে পড়া মানুষদের কর্মসূচি
  4. খাদ্য সহায়তার একটি কর্মসূচি
সঠিক উত্তর:
খাদ্য সহায়তার একটি কর্মসূচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাদ্য সহায়তার একটি কর্মসূচি
ব্যাখ্যা

কাবিখা:
- 'কাবিখা' বা 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

⇒ কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ/পুননির্মাণ।
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন।
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি।
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।

তথ্যসূত্র - সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৭.
পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী 
  2. অর্থসচিব
  3. পরিকল্পনামন্ত্রী
  4. অর্থমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী 
ব্যাখ্যা

পরিকল্পনা কমিশন:
- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা সহ সরকারের বিভিন্ন মেয়াদী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
- পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী এবং ভাইস চেয়ারম্যান পরিকল্পনা মন্ত্রী।
- পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনাসহ সরকারের যাবতীয় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।

২৮.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা
  2. সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা
  3. আন্তর্জাতিক স্বার্থ রক্ষা করা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- যে কোন দেশ বহির্বিশ্বের কাছ থেকে তার উদ্দেশ্যাবলি অর্জনের জন্য তার পররাষ্ট্র নীতি প্রণয়ন করে থাকে ।
- বাংলাদেশও এই প্রচলিত রাষ্ট্রীয় নিয়মের বাইরে নয়।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যাবলিকে আমরা বর্ণনা করতে পারি:
• আত্বরক্ষা,
• অর্থনৈতিক অগ্রগতি,
• অন্য রাষ্ট্রের তুলনায় নিজের জাতীয় শক্তিকে রক্ষা ও প্রয়োজনবোধে বৃদ্ধি করা,
• নিজস্ব মতবাদে দৃঢ় থাকা,
• জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা।

তথ্যসূত্র - সিভিক এডুকেশন-২, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির মূল আদর্শ কোনটি?
  1. সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়
  2. সামরিক জোটে অংশগ্রহণ
  3. বাণিজ্যিক সম্পর্ক
  4. কূটনৈতিক দূরত্ব
সঠিক উত্তর:
সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি:
- বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি "সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়" নীতির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।
- সংবিধানের ২৫ নং অনুযায়ী,
- বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতিসমূহ নিম্নে উপস্থাপন করা হল-
- জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা।
- আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা- এই সকল নীতি হবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি।
- রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবে।
- প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবে।
- সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণ বৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে রাষ্ট্র সমর্থন করবে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০.
আইসিডিডিআর,বি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬৩ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬০ সালে
ব্যাখ্যা

ICDDR,B:
- ICDDR,B- International Center for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh.

- আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ।
-  এটি বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত একটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- আইসিডিডিআর,বি ১৯৬০ সালে ঢাকায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া চুক্তি সংস্থা (সিটো) কলেরা গবেষণাগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরে ১৯৭৮ সালে, CRL থেকে icddr,b (আন্তর্জাতিক উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ) এ নতুন নামে রুপান্তর হয়।
- icddr,b ’খাবার স্যালাইন’ ও ’বেবি জিঙ্ক ট্যাবলেট’ উদ্ভাবন করে।
- ১৯৬২ সালে, সিআরএল, গুরুতর ডায়রিয়াজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের, বিশেষ করে ছোট শিশুদের চিকিৎসার জরুরি প্রয়োজন মেটাতে, আইসিডিডিআর,বি দ্বারা পরিচালিত ঢাকা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে। 

⇒ এ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বড় অবদান ওরস্যালাইন (Oral Rehydration Solution/ORS) উদ্ভাবন। লবণ ও গুড় অথবা চিনির সংমিশ্রণে তৈরী এ দ্রবণ তীব্র উদরাময় রোগে আক্রান্ত রোগীর দেহ থেকে দ্রুত বের হয়ে যাওয়া দেহ রসের পুনঃযোগান দেয়। দেহের শুষ্কতারোধে ORS গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং আজ পর্যন্ত বহু রোগীর জীবন বাঁচাতে সহায়ক হয়েছে। আইসিডিডিআর,বি-এর গবেষণা কার্যক্রম পরবর্তীতে আরও সম্প্রসারিত হয়েছে, এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে শ্বাসরোগ, যৌনরোগ, এইডস, হেপাটাইটিস, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, টিকার কার্যকারিতা পরীক্ষা এবং বিভিন্ন অন্যান্য সংক্রামক রোগ।

তথ্যসূত্র - icddr,b., বাংলাপিডিয়া।

৩১.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কী?
  1. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
  2. শাহরিয়ার কবির শিক্ষা কমিশন
  3. আবদুল কাইয়ুম শিক্ষা কমিশন
  4. মজিদ খান শিক্ষা কমিশন
সঠিক উত্তর:
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা

→ বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।

কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন:

- বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন'।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে, এবং ঐসব মতামত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই বাছাই করে প্রণীত রিপোর্টে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ করে।
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৩২.
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়: ৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- এই কমিশন মূলত বিভিন্ন সরকারি পদ ও চাকরি নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা ৷
- ৮ এপ্রিল সিভিল সার্ভিস দিবস হিসাবে পালিত হয় ৷
- বর্তমানে মোট ২৬ টি ক্যাডার রয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি সাধারণ ও ১২টি পেশাগত/কারিগরি ক্যাডার।
- ১৯৭৭ সালের ২২ ডিসেম্বর এই কমিশনের নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।

৩৩.
বাংলাদেশের উচ্চতর বিচার বিভাগ কোনটি?
  1. জেলা জজের আদালত
  2. হাইকোর্ট
  3. সুপ্রিম কোর্ট
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা

সুপ্রিম কোর্ট:
- সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত।
- সুপ্রিম কোর্ট বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করে থাকে।
- প্রধান বিচারপতি ও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগকৃত নির্ধারিত সংখ্যক বিচারপতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট গঠিত।
- সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- সুপ্রিম কোর্ট প্রধান বিচারপতি ও প্রত্যেক বিভাগের বিচারপতিদের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- এসকল বিচারকবৃন্দ বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪.
নিচের কোনটি নাগরিকের আইনগত কর্তব্য?
  1. ভোট দান করা
  2. শিক্ষার প্রসার ঘটানো
  3. দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো
  4. মানুষের সেবা করা
সঠিক উত্তর:
ভোট দান করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোট দান করা
ব্যাখ্যা

নাগরিকত্ব ও কর্তব্য:
- বাংলাদেশের নাগরিকত্ব মূলত ও প্রধাণত জন্মসূত্রে নির্ধারিত হয়।
- নাগরিকের যেমন আছে রাষ্টপ্রদত্ত আধিকার, তেমনি আছে রাষ্ট্র নির্ধারিত কর্তব্য।
- রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের কর্তব্য দুই ধরণের। যথা -
১. নৈতিক,
২. আইনগত কর্তব্য।

→ আইনগত কর্তব্য:
• ভোট দান করা, 
• নিয়মিত কর প্রদান,
• আইন মেনে চলা,
• সরকারি সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ।

→ নৈতিক কর্তব্য:
• মানুষের সেবা করা,
• দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো,
• শিক্ষার প্রসার ঘটানো,
• পরিবেশ পরিষ্কার রাখা।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫.
রাষ্ট্র কী ধরনের প্রতিষ্ঠান?
  1. অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান
  2. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
  3. রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান
  4. সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্র:
- রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।
- বিশ্বের সকল মানুষ কোনো না কোনো রাষ্ট্রে বসবাস করে।
- অধ্যাপক গার্নার বলেন, 'সুনির্দিষ্ট ভুখণ্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী, সুসংগঠিত সরকারের প্রতি স্বভাবজাতভাবে আনুগত্যশীল, বহিঃশত্রুর নিয়ন্ত্রণ হতে মুক্ত স্বাধীন জনসমষ্টিকে রাষ্ট্র বলে।'

→ রাষ্ট্রের ৪টি উপাদান রয়েছে। যথা:
• জনসমষ্টি।
• নির্দিষ্ট ভূখণ্ড।
• সরকার।
• সার্বভৌমত্ব।
- এই চারটি উপাদান রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য। এর কোন একটি না থাকলে রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না ৷

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।