পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
"পরীক্ষা - ৩৭: বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - আধুনিক বিজ্ঞান ও অন্যান্য ১. মানবদেহ ও এর শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া, রোগের কারণ ও প্রতিকার, সংক্রামক রোগ, রোগ জীবাণুর জীবনধারণ, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, মাইক্রোবায়োলজি, ইম্যুনাইজেশন এবং ভ্যাকসিনেশন, এইচআইভি, এইডস, টিবি, পোলিও, আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি - এপিকালচার, সেরিকালচার, পিসিকালচার, হর্টিকালচার ইত্যাদি। ২. ইলেকট্রনিক্স, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা, শক্তির উৎস ও প্রয়োগ, শক্তির রূপান্তর, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, পারমাণবিক শক্তি, খনিজ উৎস ও জীবাশ্ম ইত্যাদি। এবং বিষয় - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ টপিক - বাক্য প্রকরণ [প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগ; বানান ও বাক্যশুদ্ধি; যতিচিহ্ন ও এর ব্যবহার; পরিভাষা; বাগ্‌ধারা; সমার্থক শব্দ/প্রতিশব্দ; বিপরীতার্থক শব্দ; শব্দজোড় ও প্রায় সমোচ্চারিত শব্দ; এক কথায় প্রকাশ/বাক্য সংক্ষেপ বিবিধ।]"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
একমুখীকরণের কাজটি যে যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয় তাকে বলে- 
  1. ট্রানজিস্টর
  2. রেকটিফায়ার
  3. অ্যামপ্লিফায়ার
  4. ট্রান্সফরমার
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা
রেকটিফিকেশন: 
- যে প্রক্রিয়ায় পরিবর্তী প্রবাহ (Alternating current) বা ভোল্টেজকে একমুখী প্রবাহ (Direct current- ডিসি) বা ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয় তাকে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণ বলে। 
- একমুখীকরণের কাজটি যে যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয় তাকে রেকটিফায়ার বলে। 
- ডায়োড যখন সম্মুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় এবং যখন এটি বিমুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় না। 
- জাংশন ডায়োডের এ বিশেষ ধর্মকে কাজে লাগিয়ে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণের কাজটি সম্পন্ন করা হয়। 

উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি উভমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা নয়? 
  1. ফ্যাক্স
  2. রেডিও
  3. মোবাইল
  4. টেলিফোন
সঠিক উত্তর:
রেডিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও
ব্যাখ্যা
রেডিও (Radio): 
- রেডিও এমন একটি যন্ত্র যার সাহায্যে শব্দকে তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গে রূপান্তরিত করে একস্থান হতে অন্য স্থানে পাঠানো হয়। 
- রেডিও আবিষ্কারে করেছেন ইতালির মার্কনী ও বাংলাদেশের জগদীশ চন্দ্ৰ বসু। 
- রেডিও এর সাহায্যে আমরা দূর-দূরান্ত হতে সম্প্রচারিত বিভিন্ন ধরনের খবর, বিতর্ক অনুষ্ঠান, গান, নাটক, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি শুনতে পাই। 
- রেডিও হচ্ছে একমুখী গ্রাহক যন্ত্র। 
- রেডিওতে শুধু শোনা যায় কিন্তু শোনার পরে কোন মন্তব্য বলে পাঠানো সম্ভব নয়। 
- অপরপক্ষে যদিও মোবাইল বা টেলিফোনে রেডিও যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করা হয়, তারপরও মোবাইল বা টেলিফোন উভয়মুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মানবদেহে হিমোগ্লোবিনের অভাবজনিত রোগ কোনটি? 
  1. মেরাসমাস
  2. রক্তশূন্যতা
  3. বেরিবেরি
  4. স্কার্ভি
সঠিক উত্তর:
রক্তশূন্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তশূন্যতা
ব্যাখ্যা
খনিজ পদার্থ: 
- জীবদেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও পুষ্টির জন্য ভিটামিনের মতো খনিজ পদার্থ বা খনিজ লবণও খুবই প্রয়োজনীয় উপাদান। 
- খনিজ পদার্থ প্রধানত কোষ গঠনে সাহায্য করে। 
- প্রাণীরা প্রধানত উদ্ভিজ্জ খাদ্য থেকে খনিজ পদার্থ পায়। 
- লৌহ (Fe) রক্তের একটি উপাদান যা খনিজ পদার্থ হিসেবে রক্তে থাকে। 
- প্রতি ১০০ ml রক্তে লৌহের পরিমাণ প্রায় ৫০ mg। 
- যকৃৎ, অস্থিমজ্জা, প্লীহা এবং লোহিত রক্তকণিকায় এটি সঞ্চিত থাকে। 
- লৌহের উদ্ভিজ্জ উৎস হচ্ছে ফুলকপির পাতা, নটেশাক, নিম পাতা, ডুমুর, কাঁচা কলা, ভুট্টা, গম, বাদাম, বজরা ইত্যাদি। আর প্রাণিজ উৎস হচ্ছে মাছ, মাংস, ডিম, যকৃৎ ইত্যাদি। 
- লৌহের প্রধান কাজ হিমোগ্লোবিন গঠনে সাহায্য করা। 
- আর হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেলে দেহে রক্তশূন্যতা রোগ দেখা দেয়। 

রক্তশূন্যতা রোগের কিছু লক্ষণ হলো: 
- চোখ ফ্যাকাসে হওয়া, 
- হাত-পা ফোলা, 
- দুর্বলতা, 
- মাথা ঘোরা, 
- বুক ধরফড় করা ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
GPS এর পূর্ণরূপ কোনটি? 
  1. Global Positioning System
  2. Global Pointing System
  3. Global Publication System
  4. Great Positioning System
সঠিক উত্তর:
Global Positioning System
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Global Positioning System
ব্যাখ্যা
GPS: 
- GPS এর পূর্ণরূপ Global Positioning System
- GPS হলো এমন একটি স্যাটেলাইটনির্ভর যোগাযোগ ব্যবস্থা যার মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের যেকোনো স্থানের অবস্থান নিঁখুতভাবে নির্ণয় করা যায়। 
- সময়ের সাথ সাথে জিপিএস প্রযুক্তির ব্যাপক উন্নতি সাধনের কারণে এখন মোবাইলের মাধ্যমেই যেকোনো বস্তু বা ব্যক্তির অবস্থান যথাযথভাবে নির্ণয়, ট্র্যাকিং সহ আরও অনেক সুবিধা ভোগ করা যায়। 
- জিপিএস বা গ্লোবাল পজিশনিং হলো একটি নেভিগেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম। 
- এটি ব্যবহারকারীদের অবস্থান, নেভিগেশন এবং সময় সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করে। 
- এর সাহায্যে আমরা পৃথিবীর যেকোনো স্থানে বসে আমাদের বর্তমান লোকেশন সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে পারি। 
- আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় এই প্রযুক্তি দ্বারা যেকোনো বস্তুর অবস্থান নির্ণয় করা সম্ভব। 

উৎস: Britannica.com
.
জীবাশ্ম সমন্ধীয় বিজ্ঞান কোনটি?
  1. ফাইটোজেনি
  2. ফসিওলজি
  3. মরফোলজি
  4. প্যালেন্টোলজি
সঠিক উত্তর:
প্যালেন্টোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যালেন্টোলজি
ব্যাখ্যা
জীবাশ্ম: 
- জীবাশ্ম বা ফসিল (Fossil), ল্যাটিন Fossilis শব্দ থেকে ইংরেজি Fossil শব্দের উৎপত্তি। 
- Fossilis শব্দের অর্থ হলো dug out বা খুড়ে তোলা। 
- পূর্বে মাটি খুড়ে যা কিছু তোলা হতো তাকেই জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হতো। 
- বর্তমানে, পৃথিবীর ভূত্বকে (crust) প্রাকৃতিক উপায়ে সংরক্ষিত প্রাগৈতিহাসিক জীবের দেহ, দেহাবশেষ বা দেহের কোন অংশের চিহ্ন বা সাক্ষ্যকে জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হয়। 
- গমন পথ, ট্রেইল এবং জীবজনিত গর্তকে ট্রেস ফসিল (trace fossil) বা ইকনোফসিল (ichnofossil ) বা জার্মান ভাষায় লেবেনস্পুরেন (lebenspuren) নামে আখ্যায়িত করা হয়। 
- জীবাশ্মগত বিদ্যাকে জীবাশ্মবিদ্যা বা প্যালেন্টোলজি (palaeontology) বলা হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সমার্থক অর্থে ব্যবহৃত বাগ্‌ধারা নয় কোনটি?
  1. অকাল কুষ্মাণ্ড
  2. কচু বনের কালাচাঁদ
  3. গোবর গণেশ
  4. ধামাধরা
সঠিক উত্তর:
ধামাধরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধামাধরা
ব্যাখ্যা
• ‘ধামাধরা’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - তোষামোদকারী।

সমার্থক অর্থে ব্যবহৃত বাগ্‌ধারাগুলো হলো:
• ‘কচু বনের কালাচাঁদ’ অর্থ - অপদার্থ।
• ‘গোবর গণেশ’ অর্থ - অপদার্থ।
• ‘অকালকুষ্মাণ্ড’ অর্থ - অপদার্থ।
• ‘নদের চাঁদ’ অর্থ - সুন্দর ব্যক্তি অথচ অপদার্থ।
• ‘আমড়া কাঠের ঢেঁকি’ অর্থ - অপদার্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'চাঁদ' এর সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
  1. বিধু
  2. নিধি
  3. শশী
  4. সুধাকর
সঠিক উত্তর:
নিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিধি
ব্যাখ্যা
• 'চাঁদ' এর সমার্থক শব্দ নয় ‘নিধি’।
- 'নিধি' হচ্ছে 'ধন' এর সমার্থক শব্দ।

• 'চাঁদ' এর সমার্থক শব্দ:
চন্দ্র, শশী, শশাঙ্ক, সুধাকর, ইন্দু, সোম, শশধর, বিধু, নিশাকর, সুধাংশু, সিতাংশু, হিমাংশু, মৃগাঙ্ক।

অন্যদিকে,
• 'ধন' এর সমার্থক শব্দ:
বিত্ত, অর্থ, সম্পদ, বিভব, বৈভব, বিভূতি, নিধি, ঐশ্বর্য, বিত্ত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
অভ্যন্তর যতিচিহ্ন কোনটি?
  1. দাঁড়ি
  2. কমা
  3. বিস্ময়চিহ্ন
  4. প্রশ্নচিহ্ন
সঠিক উত্তর:
কমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমা
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ অনুসারে, বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত যতিচিহ্ন হলো:

• অন্ত্যযতি:
১. দাঁড়ি (।)
২. প্রশ্নচিহ্ন (?)
৩. বিস্ময়চিহ্ন (!)
৪. দুই দাঁড়ি (।।)

• অভ্যন্তর যতি:
৫. কমা (,)
৬. সেমিকোলন (;)
৭. হাইফেন (-)
৮. ড্যাশ (-)
৯. কোলন (:)
১০. কোলন-ড্যাশ (:-)
১১. বিন্দু (.)

• অন্যান্য যতি:
১২. ঊর্ধ্বকমা (')
১৩. ত্রিবিন্দু (...)
১৪. উদ্ধৃতিচিহ্ন ('...'/”...”)
১৫. বন্ধনীচিহ্ন (({{-]}))
১৬. বিকল্পচিহ্ন (/)।
.
‘চুর’ ও ‘চূর’ শব্দজোড়টি কী অর্থ প্রকাশ করে?
  1. চূর্ণ - ছিন্নবস্ত্র
  2. দীর্ঘ - নেশাগ্রন্ত
  3. নেশাগ্রন্ত - চূর্ণ
  4. দীর্ঘ - ছিন্নবস্ত্র
সঠিক উত্তর:
নেশাগ্রন্ত - চূর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেশাগ্রন্ত - চূর্ণ
ব্যাখ্যা
শব্দজোড়:
বাংলা ভাষায় এমন কিছু শব্দ আছে যেগুলোর উচ্চারণ এক অথবা প্রায় এক, কিন্তু অর্থ ভিন্ন; এমন যুগল শব্দকে শব্দজোড় বলে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এদের বানান ভিন্ন হয়, তবে উচ্চারণ এক হওয়ায় কানে শুনে এদর পার্থক্য করা যায় না।
যেমন:
• ‘চির’ শব্দের অর্থ - দীর্ঘ।
• ‘চীর’ শব্দের অর্থ - ছিন্নবস্ত্র।

• ‘চুর’ শব্দের অর্থ - নেশাগ্রন্ত।
• ‘চূর’ শব্দের অর্থ - চূর্ণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১০.
‘ক্ষণদা’ শব্দের অর্থ কী?
  1. অন্ধকার
  2. লগ্ন
  3. রাত্রি
  4. দিন
সঠিক উত্তর:
রাত্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাত্রি
ব্যাখ্যা
• ‘রাত্রি’ শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো:
নিশি, নিশা, নিশীথ, রাত্তির, রাত, রাতি, রজনী, যমিনী, ক্ষণদা, যামবতী, যামী, যামিকা, নিশীতিনী, নিশুতি, ত্রিযামা, নক্ত, ক্ষপা, তামসী, তারকিণী, অন্ধিকা, শর্বরী, বিভবরী।

অন্যদিকে,
• ‘লগ্ন’ শব্দের সমার্থক শব্দ: তিথি, ক্ষণ, দণ্ড, সময়, কাল।

• ‘দিন’ এর সমার্থক শব্দ: দিবা, দিবস, অযামিনী, তমসতাড়িনী, অহন, অহ্ন, ইত্যদি।

• ‘অন্ধকার’ শব্দের সমার্থক শব্দ: তিমির, তম, নাভাক, আঁধারি, তম্রিস, তমস, তমসা, তমিস্রা, শর্বর, আলোকহীনতা ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
‘পেঁচার ডাক’ এক কথায় বলে-
  1. শকুনিবাদ
  2. ঘূৎকার
  3. বুক্কন
  4. ক্রেঙ্কার
সঠিক উত্তর:
ঘূৎকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘূৎকার
ব্যাখ্যা
• ‘পেঁচার ডাক’ এক কথায় বলে - ঘূৎকার।

অন্যদিকে,
• রাজহাঁসের কর্কশ ডাক - ক্রেঙ্কার।
• মোরগের ডাক - শকুনিবাদ।
• কুকুরের ডাক - বুক্কন।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ হলো:
• সিংহের নাদ (ডাক) - হুঙ্কার।
• ময়ূরের ডাক - কেকা।
• কোকিলের ডাক - কুহু।
• অশ্বের ডাক - হ্রেষা।
• হাতির ডাক - বৃংহিত বা বৃংহণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১২.
‘অর্ধরাত্রি’ শব্দে কোন ধরনের অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. প্রত্যয় সাধিত
  2. সন্ধি জনিত
  3. সমাস সাধিত
  4. বহুবচন জনিত
সঠিক উত্তর:
সমাস সাধিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাস সাধিত
ব্যাখ্যা
• সমাস সাধিত অশুদ্ধি ঘটেছে ‘অর্ধরাত্রি’ শব্দে।
- শুদ্ধ প্রয়োগ: অর্ধরাত্র।

• কিছু সমাস সাধিত অশুদ্ধ শব্দের সম্পর্কে সতর্কতা:
সংস্কৃত ইন্‌- প্রত্যয়ান্ত শব্দের প্রথমবার একবচনের রূপ হিসেবে বাংলায় ধনী, গুণী, মানী, পাপী ইত্যাদি হয়। কিন্তু নিঃ উপসর্গযোগে সমাসবদ্ধ হলে শব্দের শেষে ঈ- কার হয় না। সেখানে ধন, গুণ, মান, পাপ ইত্যাদি শব্দের সমান হয়। যেমন- নেই ধন যার= নির্ধন, নেই গুণ যার= নির্গুণ, নেই পাপ যার= নিষ্পাপ। নির্ধনী, নির্গুণী, নিষ্পাপী ইত্যাদি অশুদ্ধ।

• কিছু সমাস সাধিত অশুদ্ধ শব্দের শুদ্ধ প্রয়োগ:
অশুদ্ধ শব্দ ⇒ শুদ্ধ শব্দ:
- নিরপরাধী - নিরপরাধ;
- অহর্নিশি - অহর্নিশ;
- নিরহঙ্কারী - নিরহঙ্কার;
- নির্দোষী - নির্দোষ;
- পিতাহারা - পিতৃহারা;
- অর্ধরাত্রি - অর্ধরাত্র;
- নিরভিমানী - নিরভিমান;
- দিবারাত্রি - দিবারাত্র;
- নীরোগী - নীরোগ ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৩.
‘ভাষ-ভাস’ শব্দজোড়ের অর্থ যথাক্রমে-
  1. শাশুড়ি - কথা
  2. কথা - আচ্ছাদনী
  3. আচ্ছাদনী - দীপ্তি
  4. কথা - দীপ্তি
সঠিক উত্তর:
কথা - দীপ্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কথা - দীপ্তি
ব্যাখ্যা
• শব্দজোড়:
বাংলা ভাষায় এমন কিছু শব্দ আছে, যেগুলোর উচ্চারণ এক অথবা প্রায় এক, কিন্তু অর্থ ভিন্ন, এমন যুগল শব্দকে শব্দজোড় বলে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এদের বানান ভিন্ন হয়, তবে উচ্চারণ এক হওয়ায় কানে শুনে এদের পার্থক্য করা যায় না। বাক্যে ব্যবহৃত হলে প্রসঙ্গ বিবেচনায় এসব শব্দের পার্থক্য বোঝা যায়। উল্লিখিত শব্দজোড় উচ্চারণে এক হলেও বানান ও অর্থে বৈসাদৃশ্য রয়েছে।

• উল্লেখযোগ্য আরো কয়েকটি শব্দজোড়:
- শ্বশ্রূ শব্দের অর্থ – শাশুড়ি।
- শ্মশ্রু শব্দের অর্থ – দাড়ি।

- ভাষ – কথা।
- ভাস – দীপ্তি।

- মোড়ক – আচ্ছাদনী।
- মড়ক – মহামারী।

- যুগ – কাল।
- যোগ – মিলন।

- লক্ষ – শত সহস্র।
- লক্ষ্য – উদ্দেশ্য।

- লন্ঠন – বাতি।
- লুণ্ঠন – লুটতরাজ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১)।
১৪.
‘চোখের বালি’ বাগ্‌ধারাটি কী অর্থ প্রকাশ করে?
  1. চক্ষুলজ্জা
  2. চক্ষুশূল
  3. প্রতিবন্ধক
  4. শুভাশুভের লক্ষণ
সঠিক উত্তর:
চক্ষুশূল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চক্ষুশূল
ব্যাখ্যা
• ‘চোখের বালি’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - চক্ষুশূল।
• চক্ষুশূল অর্থ- দেখলে বিরক্তিবোধ হয় এমন ব্যক্তি।

অন্যদিকে,
• ‘চোখের চামড়া/পর্দা’ অর্থ - চক্ষুলজ্জা।
• ‘চোখ নাচা’ অর্থ - শুভাশুভের লক্ষণ।
• ‘পথের কাঁটা’ অর্থ - প্রতিবন্ধক।

• আরো কিছু বাগ্‌ধারা হলো:
- ‘চোখ পাকানো’ অর্থ - ক্রোধ দেখানো।
- ‘চোখে আঙুল দিয়ে দেখানো’ অর্থ - বিশেষ‍ভাবে ইঙ্গিত করা।
- ‘চোখে চোখে রাখা’ অর্থ - সতর্ক নজরদারি।
- ‘চোখে ধুলো দেওয়া’ অর্থ - ফাঁকি দেওয়া।
- ‘চোখে পড়া’ অর্থ - সুনজরে পড়া।
- ‘চোখে সরষে ফুল দেখা’ অর্থ - হতবুদ্ধি হওয়া।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯) ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫.
উদ্ধারচিহ্ন কয় রকম?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
দুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই
ব্যাখ্যা
• উদ্ধারচিহ্ন ('-'), ("-"):
- কোনো কিছু উদ্ধৃত করার কাজে উদ্ধারচিহ্নের ব্যবহার হয়।
- উদ্ধারচিহ্ন দুই রকম: একক ও দ্বৈত।
যেমন:
- 'সিরাজউদ্দৌলা' একটি ঐতিহাসিক নাটক।
- আমাদের কণ্ঠ শুনে প্রিয়ন্তি ঘর থেকে বেরিয়ে এল, "ও আপনারা এসে গেছেন! বাসা চিনতে কোনো কষ্ট হয়নি তো?"

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৬.
‘হাতের কনুই থেকে কব্জি পর্যন্ত অংশ’ এক কথায় কী বলে?
  1. করতল
  2. মণিবন্ধ
  3. প্রকোষ্ঠ
  4. অঙ্গুষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
প্রকোষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকোষ্ঠ
ব্যাখ্যা
• ‘হাতের কনুই থেকে কব্জি পর্যন্ত অংশ’ এক কথায় বলে - প্রকোষ্ঠ।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ হলো:
• হাতের প্রথম আঙুল (বুড়ো আঙুল) - অঙ্গুষ্ঠ।
• হাতের তালু - করতল।
• হাতের কব্জি - মণিবন্ধ।
• হাতের কব্জি থেকে আঙুলের ডগা পর্যন্ত - পাণি।
• হাতের পঞ্চম আঙুল - কনিষ্ঠা।
• হাতের চতুর্থ আঙুল - অনামিকা।
• হাতের তৃতীয় আঙুল - মধ্যমা।
• হাতের দ্বিতীয় আঙুল - তর্জনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৭.
‘Quarterly’ এর পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
  1. সাময়িকী
  2. ত্রৈমাসিক
  3. ষাণ্মাসিক
  4. বার্ষিক
সঠিক উত্তর:
ত্রৈমাসিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রৈমাসিক
ব্যাখ্যা
• ‘Quarterly’ এর পারিভাষিক শব্দ - ত্রৈমাসিক।

অন্যদিকে, 
• ‘Daily’ এর পারিভাষিক শব্দ - দৈনিক পত্র।
• ‘Periodical’ এর পারিভাষিক শব্দ - সাময়িকী।
• ‘Half-yearly’ এর পারিভাষিক শব্দ - ষাণ্মাসিক।
• ‘Annuity’  এর পারিভাষিক শব্দ - বার্ষিক।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।
১৮.
প্রান্তিক যতিচিহ্ন কোনটি?
  1. সেমিকোলন
  2. ড্যাশ
  3. বিস্ময়চিহ্ন
  4. কমা
সঠিক উত্তর:
বিস্ময়চিহ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিস্ময়চিহ্ন
ব্যাখ্যা
• যতিচিহ্ন:
মুখের কথাকে লিখিত রূপ দেওয়ার সময়ে কম-বেশি থামা বোঝাতে যেসব চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে যতিচিহ্ন বলে।
- বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও কিছু চিহ্ন ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতিচিহ্নও বলা হয়।

• যতিচিহ্নকে দুভাগে ফেলা যায়। যথা:
১. প্রান্তিক অর্থাৎ বাক্য যেখানে শেষ হয়। যেমন: দাঁড়ি, প্রশ্নচিহ্ন, বিস্ময়চিহ্ন।

২. বাক্যান্তর্গত অর্থাৎ যেখানে বাক্য শেষ হয় না। যেমন: কমা, সেমিকোলন, ড্যাশ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৯.
‘বিগ্রহ’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. আসক্তি
  2. কহল
  3. আগ্রহ
  4. সন্ধি
সঠিক উত্তর:
সন্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্ধি
ব্যাখ্যা
• বিগ্রহ  শব্দের অর্থ: কহল, যুদ্ধ।
• সন্ধি শব্দের অর্থ: বিবাদমান পক্ষসমূহের মধ্যে চুক্তি সম্পাদনা, সংযোগ, মিলনস্থান।

সুতরাং,
• ‘বিগ্রহ’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - সন্ধি।

অন্যদিকে,
• ‘আসক্তি’ অর্থ: গভীর অনুরাগ, লীপ্সা।
• ‘আগ্রহ’ অর্থ: প্রবণতা ঝোঁক, আসক্তি।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিপরীতার্থক শব্দ হলো:
• ক্ষীয়মান - বর্ধমান।
• বর্ধিষ্ণু - ক্ষয়িষ্ণু।
• বৃহৎ - ক্ষুদ্র।
• বৃদ্ধিপ্রাপ্ত - ক্ষয়প্রাপ্ত।
• চাপল্য - গাম্ভীর্য।
• ঔদার্য - কার্পণ্য।
• ঔদ্ধত্য - বিনয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২০.
‘রাত্রির মধ্যভাগ’ এক কথায় কী বলে?
  1. পররাত্র
  2. ত্রিযামা
  3. মহানিশা
  4. সৌপ্তিক
সঠিক উত্তর:
মহানিশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহানিশা
ব্যাখ্যা
• ‘রাত্রির মধ্যভাগ’ এক কথায় বলে - মহানিশা।

এরূপ গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ হলো:
• রাত্রির পূর্বভাগ - পূর্বরাত্র।
• রাত্রির শেষভাগ - পররাত্র।
• রাত্রির তিনভাগ একসাথে - ত্রিযামা।
• রাত্রিকালীন যুদ্ধ - সৌপ্তিক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২১.
‘শম্পা’ শব্দের অর্থ কী?
  1. পুষ্প
  2. বিদ্যুৎ
  3. কিরণ
  4. পদ্ম
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ
ব্যাখ্যা
• 'বিদ্যুৎ' এর সমার্থক শব্দ:
তড়িৎ, চপলা, চঞ্চলা, ক্ষণপ্রভা, অনুপ্রভা, সৌদামিনী, অনুভা,  অশনি,  দামিনী, বিজলী, শম্পা। 

অন্যদিকে,
• 'পুষ্প' এর সমার্থক শব্দ: কুসুম, ফুল, সুমন, মণীবক।

• ‘কিরণ’ শব্দের সমার্থক শব্দ: ময়ূখ, কর, প্রভা, দীপ্তি, জ্যোতি, অংশু, রশ্মি, আলো, আলোক, বিভা প্রভৃতি।

• ‘পদ্ম’ এর সমার্থক শব্দ: কমল, উৎপল, পঙ্কজ, কুমুদ, কুবলয়, শতদল, অরবিন্দ, রাজীব, নলিনী, সরোজ।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২২.
অশুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. আকাশচুম্বী
  2. অভীলাষী
  3. আকর্ষণীয়
  4. অভিনন্দিত
সঠিক উত্তর:
অভীলাষী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভীলাষী
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বানান: অভীলাষী।

• শুদ্ধ বানান: অভিলাষী (বিশেষণ পদ),
- সংস্কৃত শব্দভ
অর্থ:
- ইচ্ছুক,
- আকাঙ্ক্ষী,
- লোভী।

----------------------
অন্যদিকে,
• শুদ্ধ: আকাশচুম্বী (বিশেষণ পদ),
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- গগনস্পর্শী,
- অত্যন্ত উঁচু।

• শুদ্ধ: আকর্ষণীয় (বিশেষণ পদ),
- এটি সংস্কৃত শব্দ। 
অর্থ:
- আকর্ষন করার যোগ্য,
- প্রীতিকর,
- মনোহর।

• শুদ্ধ: অভিনন্দিত (বিশেষণ পদ),
- এটি সংস্কৃত শব্দ। 
অর্থ:
- প্রশংসার দ্বারা সংবর্ধিত।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২৩.
‘নাড়াবুনে’ বাগ্‌ধারাটি কী অর্থ প্রকাশ করে?
  1. গম্ভীর
  2. মূর্খ
  3. ক্ষীণজীবী
  4. কপটচারী
সঠিক উত্তর:
মূর্খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূর্খ
ব্যাখ্যা
• ‘নাড়াবুনে’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - মূর্খ।
বাক্য: নাড়াবুনেদের স্বর্গে ধর্মের কথার মূল্য নেই।

অন্যদিকে,
• ‘তোলা হাঁড়ি’ অর্থ - গম্ভীর।
• ‘তাল পাতার সেপাই’ অর্থ - ক্ষীণজীবী।
• ‘ভিজে বিড়াল’ অর্থ - কপটচারী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৪.
‘লঘু’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. মৃদু
  2. বৃদ্ধি
  3. গুরু
  4. পূর্ণ
সঠিক উত্তর:
গুরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুরু
ব্যাখ্যা
• ‘লঘু’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - গুরু।

অন্যদিকে,
• ‘হ্রাস’ এর বিপরীতার্থক শব্দ - বৃদ্ধি।
• ‘রিক্ত’ এর বিপরীতার্থক শব্দ - পূর্ণ।
• ‘মৃদু’ এর বিপরীতার্থক শব্দ - প্রবল।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিপরীতার্থক শব্দ হলো:
- পারত্রিক - ঐহিক।
- গঞ্জনা - প্রশংসা।
- ক্ষুণ্ণ - প্রসন্ন।
- আবশ্যিক - ঐচ্ছিক।
- বিগ্রহ - সন্ধি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০২২-সংস্করণ)।
২৫.
'এক সেকেন্ড' বিরতি কাল নয় কোন যতিচিহ্নের?
  1. কোলন ড্যাস চিহ্ন
  2. বিস্ময় চিহ্ন
  3. ব্র্যাকেট চিহ্ন
  4. ড্যাস চিহ্ন
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাকেট চিহ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাকেট চিহ্ন
ব্যাখ্যা
• যতিচিহ্ন:
মুখের কথাকে লিখিত রূপ দেওয়ার সময়ে কম-বেশি থামা বোঝাতে যেসব চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে যতিচিহ্ন বলে। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও কিছু চিহ্ন ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতিচিহ্নও বলা হয়।

• নিম্নের উল্লেখিত যতিচিহ্নের বিরতি কালের পরিমাণ 'এক সেকেন্ড'-
- দাড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ,
- প্রশ্নবোধক চিহ্ন,
- বিস্ময় চিহ্ন,
- কোলন,
- কোলন ড্যাস,
- ড্যাস।

• থামার প্রয়োজন নেই-
- হাইফেন,
- ইলেক বা লোপ চিহ্ন,
- ব্র্যাকেট।

উৎস: বাংলা ভষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৬.
সমার্থক শব্দগুচ্ছ নয় কোনটি?
  1. সারঙ্গ, হিরণ্য, করেণু
  2. অর্ণব, পারাবার, রত্নাকর
  3. সমীর, অনিল, পবমান
  4. মন্দাকিনী, সরিৎ, শৈবালিনী
সঠিক উত্তর:
সারঙ্গ, হিরণ্য, করেণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সারঙ্গ, হিরণ্য, করেণু
ব্যাখ্যা
• সমার্থক শব্দগুচ্ছ নয়- সারঙ্গ, হিরণ্য, করেণু।

• 'হরিণ' এর সমার্থক শব্দ: মৃগ, কুরঙ্গ, সারঙ্গ, সুনয়ন।
• 'হাতি' এর সমার্থক শব্দ: গজ, করেণু, কুনকি।
• কনক শব্দের সমার্থক শব্দ: সোনা, স্বর্ণ, কাঞ্চন, হিরণ্য, সুবর্ণ, হেম, হিরণ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• সমুদ্র শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো:
অর্ণব, জলধি, উদধি, পয়োধি, পয়োনিধি, তোয়ধি, পারাবার, সাগর, সিন্ধু, বারিধি, বারীশ, রত্নাকর, সায়র, অকূল, রত্নাকর ইত্যাদি।

• 'নদী' শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো:
নদ, নদনদী, তটিনী, প্রবাহিণী, তরঙ্গিনী, শৈবালিনী, স্রোতস্বিনী, স্রোতস্বতী, নির্ঝরণী, গাঙ, সরিৎ, সমুদ্রকান্তা, সমুদ্রদয়িতা, স্রোতবহা, মন্দাকিনী, স্রোতোবহ, কল্লোলিনী।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৭.
নিচের কোন বাক্যে বানানের অশুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. তাহাকে দেখে অপরিসীম আনন্দ হইল।
  2. মুমূর্ষু রোগীকে শুশ্রূষা করো।
  3. তাহাকে পুরষ্কৃত করা হইল।
  4. সে ক্রোধান্ধ হইয়াছে।
সঠিক উত্তর:
তাহাকে পুরষ্কৃত করা হইল।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাহাকে পুরষ্কৃত করা হইল।
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বাক্য: তাহাকে পুরষ্কৃত করা হইল।
• শুদ্ধ বাক্য: তাহাকে পুরস্কৃত করা হইল।

• বানানের নিয়ম:
বিসর্গযুক্ত অ-ধ্বনির সঙ্গে সন্ধি হলে বর্ণে সাধারণত 'স' যুক্ত হয় (পুরঃ + কার = পুরস্কার) এবং বিসর্গযুক্ত ই-ধ্বনির সঙ্গে সন্ধি হলে সাধারণত 'ষ' যুক্ত হয় (বহিঃ + কার = বহিষ্কার)।

তবে স্ক / স্ক সংক্রান্ত সমস্যার সহজ সমাধানকল্পে বলা যায় : অ-যুক্ত বা মুক্ত বর্ণের পরে সাধারণত 'স' হবে। যেমন: নমস্কার, পুরস্কার, বনস্পতি, তিরস্কার, বাচস্পতি ইত্যাদি। অন্যদিকে ই-যুক্ত বর্ণের পর সাধারণত 'ষ' হবে। যেমন: আবিষ্কার, নিষ্কলঙ্ক, পরিষ্কার, নিষ্ফল, নিষ্প্রভ, নিষ্পাপ, নিষ্পন্ন, নিষ্কর, জ্যোতিষ্ক ইত্যাদি। (স্প / স্ত / স্থ থাকলে 'ষ' হয় না। যেমন: নিস্পন্দ / নিস্তব্ধ / দুস্থ ইত্যাদি)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৮.
‘অনিষ্ট’ ও ‘অনিষ্ঠ’ শব্দজোড়টি কী অর্থ প্রকাশ করে?
  1. নীচ বংশ ও ক্ষতি
  2. নিষ্ঠাহীন ও বিপদ
  3. ফাঁদ ও শ্রদ্ধাহীন
  4. ক্ষতি ও নিষ্ঠাহীন
সঠিক উত্তর:
ক্ষতি ও নিষ্ঠাহীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতি ও নিষ্ঠাহীন
ব্যাখ্যা
• শব্দজোড়: 
বাংলা ভাষায় এমন কিছু শব্দ আছে, যেগুলোর উচ্চারণ এক অথবা প্রায় এক, কিন্তু অর্থ ভিন্ন, এমন যুগল শব্দকে শব্দজোড় বলে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এদের বানান ভিন্ন হয়, তবে উচ্চারণ এক হওয়ায় কানে শুনে এদের পার্থক্য করা যায় না। বাক্যে ব্যবহৃত হলে প্রসঙ্গ বিবেচনায় এসব শব্দের পার্থক্য বোঝা যায়।
যেমন:
• ‘দারা’ শব্দের অর্থ - স্ত্রী।
• ‘দ্বারা’ শব্দের অর্থ - দিয়ে।

নিচে কিছু শব্দজোড়ের উদাহরণ:
• ‘করী’ শব্দের অর্থ - হাতি।
• ‘কড়ি’ শব্দের অর্থ - অর্থ।

• ‘গোড়া’ শব্দের অর্থ - মূল অংশ।
• ‘গোঁড়া’ শব্দের অর্থ - রক্ষণশীল।

• ‘জাল’ শব্দের অর্থ - ফাঁদ।
• ‘জ্বাল’ শব্দের অর্থ - অগ্নিশিখা।

• ‘অকুল’ শব্দের অর্থ - নীচ বংশ। 
• ‘অকূল’ শব্দের অর্থ - তীরহীন। 

• ‘অণু’ শব্দের অর্থ - ক্ষুদ্রতম অংশ। 
• ‘অনু’ শব্দের অর্থ - পশ্চাৎ। 

• ‘অনিষ্ট’ শব্দের অর্থ - ক্ষতি।
• ‘অনিষ্ঠ’ শব্দের অর্থ - নিষ্ঠাহীন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।
২৯.
‘নিষ্ঠুর ব্যক্তি’ অর্থে কোন বাগ্‌ধারাটি ব্যবহৃত হয়?
  1. লোহার কার্তিক
  2. রাবণের গোষ্ঠী
  3. যশুরে কই
  4. যমের দোসর
সঠিক উত্তর:
যমের দোসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যমের দোসর
ব্যাখ্যা
• ‘যমের দোসর’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - নিষ্ঠুর ব্যক্তি।

অন্যদিকে,
• 'লোহার কার্তিক' অর্থ - কালো সুদর্শন।
• ‘রাবণের গোষ্ঠী’ অর্থ - বড় পরিবার।
• ‘যশুরে কই’ অর্থ - বেঢপ/স্ফীত মস্তক শীর্ণ দেহী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩০.
শুদ্ধ বিপরীতার্থক শব্দ নয় কোনটি?
  1. ক্ষুণ্ণ - প্রসন্ন
  2. কৃতঘ্ন - অকৃতজ্ঞ
  3. গরিষ্ঠ - লঘিষ্ঠ
  4. ওস্তাদ - সাগরেদ
সঠিক উত্তর:
কৃতঘ্ন - অকৃতজ্ঞ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃতঘ্ন - অকৃতজ্ঞ
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বিপরীতার্থক শব্দ নয়:  কৃতঘ্ন - অকৃতজ্ঞ।

• ‘
কৃতঘ্ন’ অর্থ: উপকারীর অপকার করে এমন।
• ‘অকৃতজ্ঞ’ অর্থ: উপকারীর উপকার স্বীকার করে না এমন; কৃতঘ্ন।

• শুদ্ধ শব্দজোড়: কৃতঘ্ন - কৃতজ্ঞ/প্রত্যুপকারী।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিপরীতার্থক শব্দ:
• কৃতজ্ঞ - অকৃতজ্ঞ।
• কৃতঘ্ন - কৃতজ্ঞ/প্রত্যুপকারী।
• গরিষ্ঠ - লঘিষ্ঠ।
• ওস্তাদ - সাগরেদ।
• ঘাতক - পলাতক।
• ক্ষুণ্ণ - প্রসন্ন/অক্ষুণ্ণ।
• ঊর্ধ্ব - আধঃ।
• উত্থান - পতন।
• উত্তর - দক্ষিণ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।