পরীক্ষা আর্কাইভ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

পরীক্ষাভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৩ টপিক: পৃথিবীর স্থলভাগ (মহাদেশ সমূহ) এবং পৃথিবীর জলভাগ (মহাসাগর ও প্রণালী) [Live Class – 5 & 6]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
ঢাকার দ্রাঘিমা ৯০° পূর্ব এবং রিয়াদের দ্রাঘিমা ৪৫° পূর্ব। ঢাকার স্থানীয় সময় দুপুর ২.২০ টা হলে সেই সময় রিয়াদের স্থানীয় সময় কত?
  1. সকাল ১০.৪০ টা
  2. বিকাল ৫.২০ টা
  3. সকাল ১১.২০ টা
  4. দুপুর ১২.২০ টা
সঠিক উত্তর:
সকাল ১১.২০ টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকাল ১১.২০ টা
ব্যাখ্যা
সমাধান:
আমরা জানি, প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট

ঢাকা ও রিয়াদের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৯০°- ৪৫° = ৪৫°
সময়ের পার্থক্য হবে ৪৫ × ৪ = ১৮০ মিনিট অর্থাৎ ৩ ঘণ্টা
প্রশ্নে উল্লিখিত ৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা দেখে আমরা বুঝতে পারি, রিয়াদ ঢাকার পশ্চিমে অবস্থিত। তাই ঢাকার স্থানীয় সময় থেকে এই ৩ ঘণ্টা বাদ যাবে।

প্রশ্নেমতে,
⇒ রিয়াদের স্থানীয় সময় হবে
= দুপুর ২.২০টা – ৩ ঘণ্টা। [এখানে দুপুর ২.২০টা বলতে ১৪.২০টা হবে।]
= ১৪.২০টা – ৩ ঘণ্টা
= ১১.২০টা

উত্তর: রিয়াদের স্থানীয় সময় হবে সকাল ১১.২০টা।

তথ্যসূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
.
অক্ষাংশ নির্ণয়ের পদ্ধতি নয় কোনটি?
  1. সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে
  2. গ্রিনিচের সময় দ্বারা
  3. ধ্রুবতারার সাহায্যে
  4. ক ও গ উভয়
সঠিক উত্তর:
গ্রিনিচের সময় দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিনিচের সময় দ্বারা
ব্যাখ্যা
অক্ষাংশ (Latitude) ও দ্রাঘিমাংশ (longitude) নির্ণয়ের পদ্ধতি:
অক্ষাংশ নির্ণয় করা হয়:-(উন্নতি কোণ ব্যবহার করে)
১। সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে [সূত্র: অক্ষাংশ = ৯০° – (মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি +/- বিষুবলম্ব)]
২। ধ্রুবতারার সাহায্যে [সূত্র: অক্ষাংশ = ধ্রুবতারার উন্নতি (নিরক্ষরেখায় ০° ও মেরুতে ৯০°)]

দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা হয়:-(সময়ের পার্থক্য ব্যবহার করে)
১। স্থানীয় সময়ের পার্থক্য দ্বারা
২। গ্রিনিচের সময় দ্বারা
সূত্র: প্রতি ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্য = ১° দ্রাঘিমার পার্থক্য। সময়ের হিসেবে গ্রিনিচের পূর্বদিকের দেশগুলো এগিয়ে থাকে এবং পশ্চিম দিকের দেশগুলো পিছিয়ে থাকে।
[বাংলাদেশ গ্রিনিচ থেকে ৯০° পূর্বে তাই বাংলাদেশে সময় ৬ ঘন্টা এগিয়ে]

তথ্যসূত্র: Live MCQ ক্লাস লেকচার এবং ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আয়তনে পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাদেশ কোনটি?
  1. অ্যান্টার্কটিকা
  2. ইউরোপ
  3. ওশেনিয়া
  4. এশিয়া
সঠিক উত্তর:
ওশেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওশেনিয়া
ব্যাখ্যা
ওশেনিয়া মহাদেশ:
-ওশেনিয়া মহাদেশ আয়তন: ৮৫,২৫,৯৮৯ বর্গ কিমি. [ পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাদেশ]
- জনসংখ্যাঃ ৪,৬০,০৪,৮৬৬
- দীর্ঘতম একক নদী: মারে
- অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীদের বলা হয়: অ্যাবরিজিন
- উচ্চতম স্থান ও পর্বত: পুঞ্চাক জায়া ও পুনাক জায়া
- নিম্নতম স্থান: আয়ার হ্রদ
⇒ মোট মহাদেশ ৭ টি। এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, ওশেনিয়া ও অ্যান্টার্কটিকা।


তথ্যসূত্র: Live MCQ ক্লাস লেকচার এবং ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'গ্রেট বেরিয়ার রিফ' নামের প্রবাল প্রাচীরটি কোন মহাদেশের তীর ঘেঁষে উত্থিত হয়েছে?
  1. এশিয়া
  2. আফ্রিকা
  3. ইউরোপ
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
গ্রেট বেরিয়ার রিফ:
- গ্রেট বেরিয়ার রিফ হলো বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর।
- এটি ২৯০০ এর বেশি একক রিফের সমন্বয়ে গঠিত।
- অস্ট্রেলিয়ার উপকূলীয় শহর কুইন্সল্যান্ডের কোরাল সাগরে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ প্রবাল প্রাচীর গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অবস্থিত।
- অস্ট্রেলিয়ায় কুইন্সল্যান্ডের সমুদ্রতটে গড়ে ওঠা এই প্রবাল প্রাচীরটি প্রায় ৩৪,৪৪,০০০ বর্গ কিলোমিটার স্থান জুড়ে অবস্থিত।
- অর্থাৎ 'গ্রেট বেরিয়ার রিফ' নামের প্রবাল প্রাচীরটি অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের তীর ঘেঁষে উত্থিত হয়েছে।
- UNESCO এটিকে ১৯৮১ সালে বিশ্ব হেরিটেজ সাইটেও অন্তর্ভুক্ত করে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। লিঙ্ক
.
সুন্দা প্রণালী কোন দুইটি মহাসাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর ও উত্তর মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
সুন্দা প্রণালী:
- সুন্দা প্রণালী ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর (জাভা সাগর) কে যুক্ত করেছে।
- এটি ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপ ও সুমাত্রা দ্বীপকে পৃথক করেছে।
- সুন্দা প্রণালী ব্যতীত মালাক্কা প্রণালীও ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।

অন্যদিকে,
- পক প্রণালী ভারত মহাসাগরের বঙ্গোপসাগর ও পক উপসাগরকে যুক্ত করেছে।
- ফরমোজা প্রণালী প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ চীন সাগর ও পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে।
- জিব্রাল্টার প্রণালী ভূম্যসাগরকে উত্তর আটলান্টিক সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।লিঙ্ক
.
বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর জলরাশিকে কয়টি মহাসাগরে ভাগ করেছেন?
  1. চারটি
  2. পাঁচটি
  3. ছয়টি
  4. সাতটি
সঠিক উত্তর:
পাঁচটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচটি
ব্যাখ্যা
মহাসাগর (Ocean):
-অতি প্রকাণ্ড ও লবণযুক্ত বিপুল জলরাশি যা পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে, তাকেই মহাসাগর বা মহাসমুদ্র বলে
-মহাসাগর পৃথিবীর মোট আয়তনের প্রায় ৭০.৯% স্থান দখল করে আছে। অর্থাৎ পৃথিবীর একভাগ স্থল ও তিনভাগ জল রয়েছে। এই একভাগ স্থলের মধ্যে ৭টি মহাদেশ রয়েছে। এবং বাকি অংশ জলে পরিপূর্ণ। এই জলের অংশকেই বিভিন্ন মহাসাগরে ভাগ করা হয়েছে এবং আলাদা আলাদা নাম দেওয়া হয়েছে।
-একটি উন্মুক্ত বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তীর্ণ জায়গায় জল জমা হয়ে থাকলেই তা মহাসাগর হয়ে যায়। মহাসাগরের অর্ধেকেরও বেশি জায়গার গড় গভীরতা ৩,০০০ মিটার বা ৯,৮০০ বর্গফুটেরও বেশি।
-বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর জলরাশিকে আলাদা আলাদা পাঁচটি ভাগে ভাগ করেছেন এবং আলাদা আলাদা নাম দিয়েছেন। এটিকেই পাঁচটি মহাসাগর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
-বিশ্বে মোট পাঁচটি মহাসাগর রয়েছে:
১। প্রশান্ত মহাসাগর (Pacific Ocean)
২। আটলান্টিক মহাসাগর (Atlantic Ocean)
৩। ভারত মহাসাগর (Indian Ocean)
৪। উত্তর বা সুমেরু মহাসাগর (Arctic Ocean)
৫। দক্ষিণ বা কুমেরু মহাসাগর (Southern Ocean)

তথ্যসূত্র: Live MCQ ক্লাস লেকচার এবং ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।