পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]

পরীক্ষাব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়06 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
Exam - 46 GK: Topic: Geography (Important and Basics)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
Which two countries share the border region known as 'Maungdaw'?
  1. India and China
  2. Bangladesh and India
  3. India and Myanmar
  4. Bangladesh and Myanmar
ব্যাখ্যা
• মংডু:
- মংডু হলো বাংলাদেশের কক্সবাজার সীমান্তে মিয়ানমারের একটি জেলা শহর।
- নাফ নদের মাধ্যমে মংডু ও বাংলাদেশের টেকনাফ শহর আলাদা হয়ে আছে।
- টেকনাফ-মংডু বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার একটি সীমান্ত বাণিজ্যও বটে।
- মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের বাংলাদেশ ঘেঁষা শহর মংডু।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি।
- তার মধ্যে - ভারতের সাথে ৩০টি জেলার এবং
- মিয়ানমারের সাথে ৩টি (কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- রাঙ্গামাটি একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত ও মিয়ানমার ২টি দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে।

উৎস: live MCQ লেকচার, জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও কালের কন্ঠ।
.
Where is “Bangabandhu Island” located?
  1. East of Sundarbans
  2. South of Sundarbans
  3. At the confluence of Padma and Jamuna
  4. North of Sundarbans
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু দ্বীপ (যা পুটুনির দ্বীপ নামেও পরিচিত) বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার সুন্দরবনের অংশ 'দুবলার চর' থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ।
- ১৯৯২ সালে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে প্রথম নতুন জেগে ওঠা একটি চরের দেখা পান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একনিষ্ঠ ভক্ত, মালেক ফরাজী নামের এক মৎস শিকারী।
- এ সময় তিনি জনমানবহীন এ দ্বীপের নাম দেন ‘বঙ্গবন্ধু দ্বীপ’ এবং সেখানে একটি সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিয়ে আসেন।
- পরবর্তীতে ২০০৪ সালের পর থেকে দ্বীপটির আয়তন ক্রমেই বড় হচ্ছে এবং না ডুবে স্থিতিশীল অবস্থায় আসছে।

সূত্র: প্রথম আলো।
.
Which options represent the altered forms of igneous and sedimentary rocks?
  1. Stratified rocks
  2. Metamorphic rocks
  3. Bedrock
  4. Weathered rocks
ব্যাখ্যা
• রূপান্তরিত শিলা:
- অনেক সময় প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- পূর্বের রূপ ও অবস্থার পরিবর্তন হয় বলে একে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ।
- যেমন- চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট, গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে, কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।
- রূপান্তরিত শিলা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি আগ্নেয় শিলার সাথে একত্রে ভূ-ভাগের শতকরা প্রায় ৮৫ ভাগ গঠন করেছে।
- ভূ-ত্বাত্তিক সময় ব্যাপী মহাদেশের যে সঞ্চারণ এবং উত্থান-পতন হয়েছে এ শিলা থেকে তা জানা যায়।
- এ শিলা সূদুর অতীতকালের প্লেট সঞ্চারণের সাক্ষ্য বহন করে।
- রূপান্তরিত শিলা মার্বেল পাথর, শ্লেট, গার্নেট ইত্যাদির মত মূল্যবান খনিজ সম্পদ ধারণ করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এইস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
What is the length of India's border with Bangladesh in kilometers?
  1. 3715 km
  2. 3550 km
  3. 3781 km
  4. 3415 km
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সীমানা: 
- বাংলাদেশের ভূ-খন্ডগত বিস্তৃতি বা আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার।
- পূর্ব থেকে পশ্চিমে বাংলাদেশের বিস্তৃতি প্রায় ৪৪০ কিলোমিটার এবং উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কিলোমিটার।
- এদেশের মোট সীমারেখা ৪,৭১২ কিলোমিটার।
⇒ এর মধ্যে ভারতের সাথে ৩,৭১৫ কিলোমিটার এবং মিয়ানমারের সাথে ২৮১ কিলোমিটার এবং
- দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরের তটরেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার এবং
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার (১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার)।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, দশম শ্রেণি- বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

• বিজিবি এবং ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে:
- বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য : ৫,১৩৮ কিলোমিটার
- মোট স্থলসীমান্ত : ৪,৪২৭ কি.মি.
- ভারতের সাথে স্থলসীমান্ত : ৪,১৫৬ কি.মি.
- মিয়ানমারের সাথে স্থলসীমান্ত : ২৭১ কি.মি.
- সমুদ্রতট রেখার দৈর্ঘ্য : ৭১১ কিলোমিটার।

বি:দ্র: অপশনে ৪,১৫৬ কি.মি. না থাকায় 'ভূগোল ও পরিবেশ, দশম শ্রেণি- বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়' অনুসারে উত্তর হবে ৩,৭১৫ কিলোমিটার। 
.
Which of the following accurately represents the geographical location of Bangladesh?
  1. 22°30′ - 20°34′ South latitude
  2. 82°31′ - 41°90′ Longitude
  3. 38°25° - 34' North latitude
  4. 88°01′ - 92°41′ East longitude
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের অবস্থান:
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণাংশে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান।
- বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র।
- এ দেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮´ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমারেখার মধ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, দশম শ্রেণি।
.
Which of the following regions is not located on the border between Bangladesh and India?
  1. Panchagarh
  2. Cox's Bazar
  3. Feni
  4. Khagrachari
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাসমূহ:
- বাংলাদেশের ৮ টি বিভাগে মোট জেলার সংখ্যা হল ৬৪।
- এর মধ্যে সীমান্তবর্তী জেলা রয়েছে ৩২ টি।
- এই সীমান্তবর্তী জেলাগুলো ভারত ও মিয়ানমার এর সাথে।
- ভারতের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে ৩০ টি জেলার আর মিয়ানমারের সাথে রয়েছে ৩টি জেলার।
- এদের মধ্যে ১টি জেলার (রাঙ্গামাটি) আবার দুই দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে।
-  ঢাকা ও বরিশাল বিভাগ ব্যতীত সকল বিভাগের সীমান্তবর্তী জেলা রয়েছে।
- মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের ৩টি সীমান্তবর্তী জেলা হল কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান।
- অপরদিকে ভারতের সাথে যে ৩০ টি  সীমান্তবর্তী জেলা রয়েছে তার মধ্যে-

• চট্টগ্রাম বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো - চট্ট্রগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, ফেনী, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি।
• খুলনা বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো - সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়া।
• রাজশাহী বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো - রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও জয়পুরহাট।
• রংপুর বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো - পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম।
• ময়মনসিংহ বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো - জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা।
• সিলেট বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো - সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।

সূত্র: ডিএমপি নিউজ।
.
Which is the hottest place in Bangladesh?
  1. Haripur
  2. Jaintika
  3. Lalkhan
  4. Lalpur
ব্যাখ্যা
• লালপুর
- নাটোর জেলা গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ু এলাকায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের চরমভাবাপন্ন এলাকাগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- আয়তনের দিক থেকে নাটোর জেলার ৩য় বৃহত্তম উপজেলা হলো লালপুর যা ১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত।
- লালপুর বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান।
- গ্রীষ্মকালে মাঝে মাঝে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড ও শীতকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড রেকর্ড হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
What is the economic sea limit of Bangladesh in kilometers?
  1. 200 km
  2. 300.45 km
  3. 370.40 km
  4. 250 km
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ভূ-খন্ডগত বিস্তৃতি বা আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার।
- পূর্ব থেকে পশ্চিমে বাংলাদেশের বিস্তৃতি প্রায় ৪৪০ কিলোমিটার এবং উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কিলোমিটার।
- এদেশের মোট সীমারেখা ৪,৭১২ কিলোমিটার।
- এর মধ্যে ভারতের সাথে ৩,৭১৫ কিলোমিটার এবং মিয়ানমারের সাথে ২৮১ কিলোমিটার এবং
- দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরের তটরেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার এবং
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার (১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার)।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, দশম শ্রেণি- বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
In which district is 'Prantik Lake' located?
  1. Rangamati
  2. Cox's Bazar
  3. Bandarban
  4. Netrokona
ব্যাখ্যা
• প্রান্তিক হ্রদ:
- বান্দরবান জেলা সদর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে বান্দরবান কেরানীহাট সড়কের হলুদিয়ার সন্নিকটে প্রায় ২৫.২৯ একর এলাকা নিয়ে প্রান্তিক হ্রদ গঠিত।

• বান্দরবানে অবস্থিত আরো কয়েকটি হ্রদ:
- বগাকাইন হ্রদ বা বগা লেক, 
- কিয়াচলং হ্রদ ইত্যাদি।

উৎস: বান্দরবান জেলার ওয়েবসাইট।
১০.
Which of the following rivers originates from the Gangotri glacier in the Himalayas?
  1. Teesta
  2. Meghna
  3. Yamuna
  4. Padma
ব্যাখ্যা
• পদ্মা:
- হিমালয় পর্বতের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপত্তি লাভ করে ভারতের উপর দিয়ে গঙ্গা নামে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্তদিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- বাংলাদেশে প্রবেশ করার পর এর নাম হয়েছে পদ্মা।
- এর সর্বমোট দৈর্ঘ্য ২,৬০০ কি.মি.।
- পদ্মা চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী জেলার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তদিয়ে কুষ্টিয়া জেলার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তপর্যন্তপ্রায় ১৪৪ কি.মি. ভারত ও বাংলাদেশের সীমা নির্দেশ করছে।
- তারপর এটি দক্ষিণ- পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে রাজবাড়ি জেলায় গোয়ালন্দের কাছে যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- এ মিলিত স্রোত পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরের নিকট মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- পদ্মার শাখা নদীগুলো হলো- মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসাত, পশুর, বড়াল, গড়াই, ইছামতি, নবগঙ্গা, কালীগঙ্গা, চিত্রা, তেঁতুলিয়া, বিষখালী, কীর্তনখোলা, কাউখালী, আগুন মুকা।
- পদ্মার উপনদী মহানন্দা, টাঙ্গন, নাগর, পুনর্ভবা, কুলিক।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
In which region is Tajin Dong (Bijoy) mountain located?
  1. Northeast region
  2. South and South-East region
  3. Northern and North-Eastern regions
  4. Southeast region
ব্যাখ্যা
• ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।

যথা-
১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ, 
২। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- এ পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কদম দ্বারা গঠিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়সমূহ টারশিয়ারি যুগের অন্তভুর্ক্ত।
- এ পাহাড়সমূহ আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।
  এগুলো হলো:
ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ,
খ) উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

• ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- তবে পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে পাহাড়গুলোর উচ্চতা ক্রমশ বেশি।
⇒ সাম্প্রতিককালে আবিস্কৃত তাজিন ডং (বিজয়) পর্বতশৃঙ্গটি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- এটি আবিস্কৃত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল কিওক্রাডং।
- এর উচ্চতা ১,২৩০ মিটার। এ অঞ্চলের পাহাড়সমূহ কৃষিকাজের জন্য উপযোগী নয়।
- তবে স্থানীয় অধিবাসীগণ সীমিত পরিসরে জুম পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে থাকেন।

খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।
- এ পার্বত্য অঞ্চলে অধিক বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাহাড়ের ঢালে প্রচুর চা উৎপন্ন হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
Garo Hill is located in which district of Bangladesh?
  1. Chittagong
  2. Comilla
  3. Khulna
  4. Mymensingh
ব্যাখ্যা
• গারো পাহাড়:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু এবং বৃহত্তম পাহাড় ময়মনসিংহের গারো পাহাড়।

- গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, পূর্ব-পশ্চিম বরাবর বিস্তৃত একটি পর্বতশ্রেণী।
- গারো পাহাড় মূলত পূর্ব গারো পাহাড়, পশ্চিম গারো পাহাড় এবং দক্ষিণ গারো পাহার এই তিনটি অঞ্চলে বিভক্ত।
- এর ভৌগোলিক অবস্থান ৮৯°৫০´ পূর্ব হতে ৯০°৫০´ পূর্ব অক্ষাংশ এবং ২৮°০৮´ উত্তর হতে ২৬°০১´ উত্তর  দ্রাঘিমাংশে এর আয়তন প্রায় ৮১৬৭ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলাসমূহ গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এবং এই অঞ্চলসমূহ এই পাহাড়ের পাদদেশীয় পালিজ সমৃদ্ধ।
- গারো পাহাড়ের উত্তর এবং উত্তর পশ্চিমে রয়েছে আসাম এবং পূর্বে মেঘালয়ে খাসি পাহাড়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩.
How many Indian states share a border with Bangladesh?
  1. 3
  2. 4
  3. 5
  4. 6
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- এদেশ প্রায় ২০°৩৪' উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতাপ্রাপ্ত বাংলাদেশের স্থলভাগ ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য ৫টি।
- এগুলো হলো: মেঘালয়, আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম।

- পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও কুচবিহার জেলা এবং আসাম ও মেঘালয়, পূর্বে আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং মিয়ানমার অবস্থিত।
- আর দক্ষিণে রয়েছে বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর।
- ভূ-রাজনৈতিক কারণে দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ- পূর্ব এশিয়া এবং দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের সাতটি রাজ্য - নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম, আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় ও অরুণাচল প্রদেশকে সেভেন সিস্টার বলা হয়।
- সেভেন সিস্টারের ৩ টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নাই। এগুলা হলো নাগাল্যান্ড, মণিপুর ও অরুণাচল প্রদেশ। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, দশম শ্রেণি- বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
Where is the 'Bengal Fan' landform located?
  1. In Madhupur region
  2. In the Bay of Bengal
  3. Tertiary hills
  4. In the Indian Ocean
ব্যাখ্যা
• গঙ্গা গিরিখাত (Ganga Trench):
- বঙ্গোপসাগরের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিরূপ হলো গঙ্গা অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of no Ground) নামে পরিচিত।
- এটি একটি অত্যন্তখাড়া তীর বিশিষ্ট সামুদ্রিক গিরিখাত, যা উত্তর-পূর্ব দিক থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রলম্বিত হয়ে বঙ্গোপসাগরের গভীর তলদেশের সাথে মিশেছে।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড জোয়ার- ভাটা, পললের গতিবিধি ও অবক্ষেপন, পানির গতি-প্রকৃতি প্রভৃতির উপর প্রভাব বিস্তার করে।
- গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র নদীবাহিত পলি সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের মধ্য দিয়ে টারবিডিটি স্রোতের মাধ্যমে প্রায় ৩,০০০ কিলোমিটার দক্ষিণে নিয়ে আসে।
- এ পলি মিশ্রিত স্রোত বঙ্গোপসাগরের তলদেশে অগভীর খাতের সৃষ্টি করে শিরা- উপশিরার ন্যায় বেষ্টনি তৈরি করেছে। যা ‘বেঙ্গল ফ্যান’ (Bengal Fan) বা ‘গাঙ্গেয় ফ্যান' (Ganges Fan) নামে পরিচিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।