পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়30 minutes৪১ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৪২
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৯: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি - সম্পূর্ণ সিলেবাস [৮০ নম্বর] উৎস: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪২ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে?
  1. ক) গ্রাফিক্স ট্যাবলেট
  2. খ) প্রজেক্টর
  3. গ) স্পিকার
  4. ঘ) ফ্লপিডিস্ক
ব্যাখ্যা
গ্রাফিক্স ট্যাবলেট কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। 

- অপরদিকে, স্পিকার এবং প্রজেক্টর কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। 
- ফ্লপিডিস্ক কম্পিউটারের স্টোরেজ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। 
- একটি ইনপুট একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা কম্পিউটার সিস্টেমের সাথে সংযুক্ত থাকে যা কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ করে এবং এটি সংকেত নিয়ন্ত্রণ করে। 

আরও কিছু কম্পিউটার ইনপুট ডিভাইসসমূহের নাম- 
Keyboard
Microphone
Modem
OMR
Mouse
Scanner
Graphics Tablet
OCR
Light Pen
Trackball
Touch screen
Trackpad

সূত্র: ৫৮ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 
.
ইমেজ সেটার একটি -
  1. ক) ইনপুট ডিভাইস
  2. খ) আউটপুট ডিভাইস
  3. গ) স্টোরেজ ডিভাইস
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ইমেজ সেটার কম্পিউটারে একটি আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। 

যে সকল ডিভাইসে ইনপুট ডেটা প্রসেসিং হওয়ার পর, আউটপুট প্রদান করে সেই সকল ডিভাইসকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
কম্পিউটারকে বিভিন্ন ইনপুট ডিভাইসের সাহায্যে যে সমস্ত ইনপুট গুলি দেওয়া হয় সেগুলি কম্পিউটার প্রসেসিং করে, আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ইউজারকে দেখায়।
আউটপুট ডিভাইস গুলোকে  মূলত চারটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- 
1. ভিজুয়াল আউটপুট ডিভাইস।
2. ডাটা আউটপুট ডিভাইস।
3. প্রিন্টার আউটপুট ডিভাইস।
4. সাউন্ড আউটপুট ডিভাইস।

কিছু আউটপুট ডিভাইসসমূহের নাম- 
১। Monitor (মনিটর)
২। Printer (প্রিন্টার)
৩। Plotter (প্লোটার)
৪। Projector (প্রজেক্টর)
৫। Earphone (ইয়ারফোন)
৬। Speaker (স্পিকার)
৭। GPS (জিপিএস)
৮। Sound Card (সাউন্ড কার্ড)
৯। Video Card (ভিডিও কার্ড)

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
.
কম্পিউটারে চলমান একাধিক অ্যাপসমূহের মধ্যে একটি থেকে আরেকটিতে যেতে কীবোর্ডের কোন ফাংশন কী ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Ctrl + C
  2. খ) Ctrl + X
  3. গ) Alt + Tab
  4. ঘ) Ctrl + V
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে চলমান একাধিক অ্যাপসমূহের মধ্যে একটি থেকে আরেকটিতে যেতে কীবোর্ডের Alt + Tab ফাংশন কী ব্যবহৃত হয়। 

কীবোর্ডের সবার উপরের দিকে এই Function Keys গুলোকে দেখা যায়।
তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।

ফাংশন কী ১২ টি। (F1 – F12) এগুলোর ব্যবহারসমূহ- 
F1: এটি সাহায্য বা হেল্প কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যেকোনো প্রোগ্রামের হেল্প মেনু দেখতে এটি ব্যবহার করা হয়।
F2: সাধারণত কোন ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
F3: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ সহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ সুবিধা চালু হয়। উইন্ডোজ কমান্ডে এটি চাপ দিলে আগের কমান্ডটির পুনরাবৃত্তি ঘটে।
F4: এই কী দিয়ে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর Last Action Preformed Repeat করা যায়। Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায় এবং Ctrl +F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা যায়।
F5: এটা চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Find, Replace, go to উইন্ডো খুলা হয়। তাছাড়া যেকোনো পেইজ রিফ্রেশ, পাওয়ার পয়েন্টে স্লাইড শো শুরু এবং বন্ধ করার জন্য এ বাটনটি ব্যবহার করা হয়।
F6: মাউসের কার্সরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে চায়লে এ কী ব্যবহার করা হয়।
F7: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে বানান ও ব্যাকরণ জনিত ভুল-ভ্রান্তির চেকিং চালু করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
F8: অপারেটিং সিস্টেম Safe Mood এ চালু করার জন্য ব্যবহৃত হয়। F8 দুবার চাপলে একটি ওয়ার্ড, তিনবার চাপলে একটি Sentence এবং চারবার চাপলে একটি Paragraph এবং পাঁচবার চাপলে পুরো Document সিলেক্ট হয়।
F9: কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।
F10: এটি চেপে ইন্টারনেট ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয়।
F11: যেকোন সক্রিয় উইন্ডো ফুলস্ক্রিন জুড়ে দেখতে এবং স্বাভাবিক অবস্থায় আনতে এটি ব্যবহার করা হয়।
F12: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো চালু করা হয়। কম্পিউটার শুধু F12 চেপে বাংলা থেকে ইংরেজি এবং ইংরেজি থেকে বাংলা মুডে যাওয়া যাবে। ল্যাপটপে fn+f12 চাপতে হবে।

সূত্র: Microsoft Website. [লিঙ্ক]
.
এমএস ওয়ার্ডে নিজের কোন লেখাকে 'BOLD' করবার জন্য কীবোর্ডের কোন কী ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Ctrl + B
  2. খ) Ctrl + C
  3. গ) Ctrl + A
  4. ঘ) Ctrl + D
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে নিজের কোন লেখাকে 'BOLD' করবার জন্য কীবোর্ডের Ctrl + B ব্যবহৃত হয়। 

- Ctrl + C কী দিয়ে কোন লেখাকে কপি করবার জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- Ctrl + A কী দিয়ে কোন লেখার সমস্ত লেখাকে কপি করবার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + D কী দিয়ে কোন ওয়েবপেজকে বুকমার্ক করবার জন্য ব্যবহৃত হয়।

- এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ- 
Shift + F10 Key: শর্টকাট মেনু পাওয়ার জন্য।
F4: এই বাটন ব্যবহার করে অবস্থায় ঘুরে যাওয়া যাবে। 
F5: ওয়ার্ড এ কাজ করার সময়, ডকুমেন্টের আলাদা আলাদা পেজে যাওয়ার জন্য। 
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl+B : টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C : সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যেখানে আনার জন্য (center alignment)।
Ctrl + F : যেকোনো শব্দ বা বাক্য খুজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL  web address) বা ওয়েবসাইটের এড্রেস যোগ করার জন্য।
 Ctrl + L : Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।
Ctrl + O : আগের থেকে বানানো word file খোলার জন্য।
Ctrl + S : বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট (paste) করার জন্য।
Ctrl + X : যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট (shortcut) ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।
Ctrl + Shift + C : Copy formats এর জন্য।
Ctrl + Shift + D : যেকোনো টেক্সটে Double underline ব্যবহার করার জন্য।
Ctrl + Shift + F : লেখনের ফন্ট স্টাইল (Font style) চেঞ্জ  বদলানোর জন্য।
Ctrl + Shift + H : কিছু লুকোনো (hidden) Text formatting এপলাই করার জন্য।
Ctrl + Shift + L  : লেখনে list style apply করার জন্য।
Ctrl + Shift + P : টেক্সটের (text) ফন্ট সাইজ (size) বদলানোর জন্য।
Ctrl + Shift + S :  একটি নতুন স্টাইল এপলাই করার জন্য। (Apply a style).
Ctrl + Home : ডকুমেন্টের একেবারে আরম্ভে (beginning) যাওয়ার জন্য।
Ctrl + Delete : লেখনের ডানদিকের একটি শব্দ ডিলিট (delete) করার জন্য।
Ctrl + Backspace : লেখনের বাঁদিক থেকে একটি শব্দ ডিলিট করার জন্য।
Ctrl + Alt + S : লেখনে Copyright symbol ব্যবহার করার জন্য।
Ctrl + Alt +R : MS Word ডকুমেন্টে Registered trademark symbol ব্যবহার করার জন্য।

সূত্র: Computer Hope [লিঙ্ক]
.
বিভিন্ন ধরণের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) স্ক্যানার
  2. খ) প্লটার
  3. গ) লাইটপেন
  4. ঘ) ওসিআর
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরণের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে OCR ব্যবহৃত হয়।

- OCR-এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Recognition.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে। এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- তবে এ ক্ষেত্রে হাতের লেখা অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং প্রয়োজনীয় গঠন অনুসারে লিখিত হওয়া দরকার।
- OCR এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ, চিঠির পিনকোড, ক্যাশ রেজিস্টার, ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: ১০৩ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
রেজিস্টার এবং ক্যাশ মেমোরি কোন ধরণের মেমোরির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) প্রধান মেমোরি
  2. খ) সহায়ক মেমোরি
  3. গ) ইন্টারনাল মেমোরি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ইন্টারনাল মেমোরি বলতে রেজিস্টার এবং ক্যাশ মেমোরিকে বোঝায়। 

রেজিস্টার (Register) : মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে। রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ ফ্লপের সাহায্যে। এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত। মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি। মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

ক্যাশ মেমরি (Cache Memory) : এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমরিব্যবস্থা। মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমরি বলা হয়। কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমরি ব্যবহৃত হয়। এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমরি। যেসব নির্দেশ ও ডেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদেরকে ক্যাশ মেমরিতে রাখা হয়। এর ধারণক্ষমতা ২৫৬ কিলোবাইট হতে কয়েক মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। এ ধরনের পদ্ধতিতে সিপিইউয়ের কোনো নির্দেশ প্রয়োজন হলে প্রথমে ক্যাশ মেমরি পরীক্ষা করে, সেখানে না পেলে পরে প্রধান মেমরিতে খোঁজ করে। সেখানেও না পেলে সহায়ক মেমরিতে খোঁজ করে। 

সূত্র: ১২৩ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
RAM এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Read Associate Memory
  2. খ) Random Associate Memory
  3. গ) Read Access Memory
  4. ঘ) Random Access Memory
ব্যাখ্যা
RAM এর পূর্ণরূপ Random Access Memory.

র‌্যাম হলো কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি , অর্থাৎ র‌্যামে কোনো তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় না। 

RAM এর বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. RAM উদ্বায়ী মেমরি।
২. এটি অন্যান্য মেমরির চেয়ে বেশি ব্যয়বহুল।
৩. সেকেন্ডারি মেমরির তুলনায় এর ক্ষমতা কম।
৪. গতি সম্পর্কে কথা বললে, এটি সেকেন্ডারি মেমরির চেয়ে অনেক দ্রুত।
৫. পাওয়ার বন্ধ হলে এই মেমরি খালি হয়ে যায়।
৬. সমস্ত প্রোগ্রাম, অ্যাপ্লিকেশন, নির্দেশাবলী শুধুমাত্র এই মেমরিতে চলে।
৭. এই মেমরি CPU দ্বারা ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: ১২৪ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
নিচের কোনটি ভোলাইটল মেমোরির উদাহরণ?
  1. RAM
  2. ROM
  3. Hard Disc
  4. DVD Disc
ব্যাখ্যা
RAM:
- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random-Access Memory.
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে তথ্য মুছে যায়।
- একে ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি বলা হয়।
- RAM কে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন: static RAM (SRAM) এবং dynamic RAM (DRAM)।
.
নিচের কোনটি কম্পিউটারে সেকেন্ডারি মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) RAM
  2. খ) ROM
  3. গ) Hard Disc
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক  কম্পিউটারে সেকেন্ডারি মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

- ১৯৮০ সালের দিকে হার্ডডিস্কের প্রচলন শুরু হয়।
- হার্ডডিস্ক হচ্ছে পাতলা-গোলাকার ধাতব পাতের সমন্বয়ে গঠিত সহায়ক স্মৃতি।
- গোলাকার পাতগুলোর উভয় পৃষ্ঠে চুম্বকীয় পদার্থ ফেরিক অক্সাইডের প্রলেপ থাকে এবং একটির ওপরে একটি স্তূপ আকারে বসানো থাকে।
- পাতগুলোর মাঝখানে থাকে একটি দণ্ড, উক্ত দণ্ডের সাহায্যেই পাতগুলো একটির ওপরে একটি করে বসানো থাকে।
- কাজের সময় পাতগুলো প্রতি মিনিটে ৭২০০ বা আরো বেশিবার আবর্তিত হয়।
- হার্ডডিস্ক সাধারণত মটর, স্পিন্ডল, রিড-রাইট হেড, অ্যাকিউটর, ফ্রেম, এয়ার ফিল্টার, গ্লাস অথবা সিরামিক এবং ইলেকট্রনিক্সের সমন্বয়ে গঠিত, যা চুম্বকীয় মাধ্যম দ্বারা আবৃত্ত থাকে।
- একেবারে ওপরের ডিস্কের ওপরের পৃষ্ঠ এবং নিচের ভিক্ষের নিচের পৃষ্ঠ ছাড়া অন্য ডিস্কগুলোর উভয় পৃষ্ঠ এবং ওপরের ও নিচের ডিস্কের ভেতরের দিকের পৃষ্ঠে উপাত্ত, তথ্য প্রোগ্রাম ইত্যাদি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।

সূত্র: ১২৯ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে -
  1. ক) হার্ডডিস্কের পাতের উপর।
  2. খ) ব্যবহৃত ডিস্কের সংখ্যার উপর।
  3. গ) মাইক্রোপ্রসেসরের উপর।
  4. ঘ) হার্ডডিস্ক নির্মিত প্রতিষ্ঠানের উপর।
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে হার্ডডিস্কে ব্যবহৃত ডিস্কের সংখ্যার উপর

- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস ।
- হার্ড ডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয় হার্ডডিস্ক নষ্ট হওয়া বা মোছনীয় কোনো কমা ব্যতীত এখানকার তথ্যসমূহ নষ্ট হয় না।
- হার্ডডিস্ক হচ্ছে কম্পিউটারের স্টোরেজ মিডিয়াগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্টোরেজ মিডিয়া।
- হার্ডডিস্ক কতগুলো ট্র্যাক এবং ট্রাকগুলোর কয়েকটি সেক্টরের সমন্বয়ে গঠিত।
- অন্যান্য সহায়ক মেমোরির তুলনায় হার্ডডিস্কের বৃহত্তর ধারণক্ষমতার কারণে এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে ।
হার্ডডিস্ক ভিন্ন ভিন্ন ক্যাপাসিটির হয়ে থাকে যেমন – ২০০ গিগাবাইট, ৫০০ গিগাবাইট, ১ টেরাবাইট ইত্যাদি ।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
১১.
মাইক্রোকম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণের অংশ হিসেবে কাজ করে -
  1. ক) হার্ডডিস্ক
  2. খ) মাইক্রোপ্রসেসর
  3. গ) ROM
  4. ঘ) RAM
ব্যাখ্যা
মাইক্রোকম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণের অংশ হিসেবে কাজ করে মাইক্রোপ্রসেসর। 

- মাইক্রোপ্রসেসর (Microprocessor) হল একক ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিলিকন চিপ।
- এটি মাইক্রোকম্পিউটারের সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ।
- মাইক্রোপ্রসেসর একক চিপ বা আইসি আকারে মাইক্রোকম্পিউটারের ভেতরে সন্নিবিষ্ট থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে মাইক্রোকম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজ সমাধান করা হয়।
- এর প্রকৃতি ও ক্ষমতার উপর নির্ভর করে মাইক্রোকম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কার্যক্ষমতা।

মাইক্রোপ্রসেসরের কাজ- 
১. কম্পিউটারের সকল অংশের নিয়ন্ত্রণ ও সময় নির্ধারণ সংকেত প্রদান করে থাকে।
২. এটি মেমোরি থেকে ডাটা ও নির্দেশ নিয়ে থাকে।
৩. মেমোরি ও ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদান করে।
৪. এটি নির্দেশ ডিকোড করে থাকে।
৫. এটি গাণিতিক ও যুক্তিমূলক কাজ করে থাকে।
৬. এটি কম্পিউটারের মেমোরিতে সংরক্ষিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করে থাকে।

সূত্র: ৭ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১২.
মাইক্রোপ্রসেসরের উদ্ভাবক -
  1. ক) Microsoft
  2. খ) IBM
  3. গ) Intel
  4. ঘ) ASUS
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানী ইন্টেল  ১৯৭১ সালে মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কার করেন।

- মাইক্রোপ্রসেসরকে, মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়। 
- ১৯৭১ সালে আমেরিকার ইন্টেল নামক কোম্পানি সর্বপ্রথম ইন্টেল ৪০৪০ নামের মাইক্রোপ্রসেসর (Microprocessor) তৈরি করে।
- মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি কম্পিউটারকেই আধুনিক মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটার বলা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর (Microprocessor) হল একক ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিলিকন চিপ।

সূত্র: ৯১ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমোরি কী হিসেবে কাজ করে?
  1. ক) Register Set
  2. খ) Arithmetic Logic Unit
  3. গ) Control Unit
  4. ঘ) উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।

- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ভেদে রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা ভিন ভিন্ন হতে পারে। যেমন ৪-বিট রেজিস্টার 16-বিট রেজিস্টার, 32 বিট রেজিস্টার, 64-বিট রেজিস্টার ইত্যাদি।
- ইলেকট্রনিক সার্কিট দিয়ে তৈরি বলে রেজিস্টারগুলোর কাজ করার ক্ষমতা খুব দ্রুত হয়। 

সূত্র: ৯৫ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৪.
মেমোরি বাফার রেজিস্টার নামে পরিচিত -
  1. ক) Memory Address Register
  2. খ) Instruction Register
  3. গ) Flag Register
  4. ঘ) Memory Data Register
ব্যাখ্যা
মেমোরি ডাটা রেজিস্টারকে মেমোরি বাফার রেজিস্টারও বলা হয়। 

- মেমোরি ডাটা রেজিস্টারে মূল ডেটা এ ধরনের রেজিস্টারে জমা থাকে।
- এ ধরনের রেজিস্টার ডেটা বাসের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে।
- স্মৃতিতে উপাত্ত লেখনের কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এ রেজিস্টারে জমা থাকে।
- এ ধরনের রেজিস্টার সিপিইউ ও প্রধান মেমরির মধ্যে মধ্যবর্তী স্মৃতি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে। 


মেমরি অ্যাড্রেস রেজিস্টার (Memory Address Register):  প্রধান মেমরির কোন ঠিকানায় উপাত্ত বা নির্দেশ পাওয়া যাবে বা লিখতে হবে তার ঠিকানা মেমরি অ্যাড্রেস রেজিস্টারে থাকে। অর্থাৎ মাইক্রোপ্রসেসর মেমরি অ্যাড্রেস রেজিস্টারের সাহায্যে মেমরি হতে ডেটা বা নির্দেশসমূহ পড়া ও লেখার কাজ সম্পন্ন করে।

ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার (Instruction Register): Instruction বা নির্দেশ সংরক্ষণের জন্য ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। নির্বাহের প্রয়োজনে প্রসেসর কোনো ইনস্ট্রাকশন যখন মেমরি থেকে তুলে আহরণ করে তখন তাৎক্ষণিকভাবে তা ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টারে রাখা হয়।

ফ্ল্যাগ রেজিস্টার (Flag Register/ Status Register):  ফ্ল্যাগ রেজিস্টারকে কন্ডিশন কোড বা স্ট্যাটাস রেজিস্টারও বলা হয়। মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের সময় বিভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত রেজিস্টারকে ফ্ল্যাগ রেজিস্টার বলা হয়। এ ধরনের রেজিস্টারে অনেক কয়টি Flag রেজিস্টার থাকে। যেমন- শূন্য Flag গাণিতিক বা যুক্তিমূলক অংশের কোনো অপারেশনের ফলাফল শূন্য হলে শূন্য Flag-এ 'এক' হয়। আর তা না হলে '০' হয়। অন্যান্য Flag bit গুলো হলো Carry Flag, Parity Flag, Sign Flag. Overflow Flag ইত্যাদি ।

সূত্র:  ৯৬ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
অ্যাবাকাস গণনা যন্ত্রটিকে চীনে কী নামে ডাকা হতো?
  1. ক) সরোবান
  2. খ) স্কেটিয়া
  3. গ) সুয়ানপান
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
অ্যাবাকাস গণনা যন্ত্রটিকে চীনে সুয়ানপান  নামে ডাকা হতো। 

- অ্যাবাকাস সবচেয়ে প্রচীন গণনাযন্ত্র, যার মধ্যে গুটি (Beads) ব্যবহৃত হয়।
- গুটিগুলাে একটি ফ্রেমের উপর বসানাে তারের মধ্যে লাগানাে থাকে।
- এখনও পৃথিবীর অনেক জায়গায় অ্যাবাকাস ব্যবহার করা হয়।
- আনুমানিক খ্রীষ্টপূর্ব পাঁচশত অব্দে চিনে অ্যাবাকাসের প্রচলন ছিল বলে অনেকে মনে করেন, প্রাচীন গ্রীসেও এই যন্ত্রের ব্যবহার ছিল।
- যদিও চিনে অ্যাবাকাসের প্রথম প্রচলন ছিল বলে মনে করাে হয়, তবুও ত্রয়ােদশ শতাব্দির আগে এটা চিন দেশে খুব ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়নি।
- পঞ্চদশ শতাব্দিতে এটা জাপানে প্রবর্তিত হয় এবং তার একটি পরিমার্জিত সংস্করণ উনবিংশ শতাব্দিতেও ব্যবহৃত হত।
- চীনে অ্যাবাকাসকে বলা হয় সুয়ান পান (Suan-pan), জাপানে একে বলা হয় সরােবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া (Sketia)।

সূত্র:  ৩ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৬.
কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহৃত হতো কোন প্রজন্মের কম্পিউটারে?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহৃত হতো।

প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. আকার ও আয়তনের দিক থেকে বিশাল ও তাই সহজে বহনযোগ্য ছিল না।
২. তুলনামূলকভাবে ধীর গতিসম্পন্ন প্রসেসিং।
৩. মেমোরি হিসেবে ইলেকট্রনিক বর্তনীর চুম্বকীয় ড্রামের ব্যবহার।
৪. ভ্যাকুয়াম টিউবের ব্যবহার।
৫. ইনপুট ও আউটপুটের জন্য পাঞ্চ কার্ড ও ম্যাগনেটিক টেপের ব্যবহার।
৬. সীমিত তথ্য ধারণক্ষমতা।
৭. মেশিন ভাষার মাধ্যমে প্রোগামিং কোডের ব্যবহার।
৮. অতিরিক্ত রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়, উত্তাপ সমস্যা।

উদাহরণঃ ENIAC, EDSAC, BINAC, UNIVAC-1, MARK, IBM-650 ইত্যাদি।

সূত্র: ১২ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
Pentium Series পিসি কোন প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
Pentium Series পিসি চতুর্থ  প্রজন্মের কম্পিউটারের  উদাহরণ। 

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. আকারে ছোট বিধায় সহজে বহনযোগ্য।
২. বিদ্যুৎশক্তি কম খরচ হয়।
৩. এটি ব্যাটারি দিয়েও চালানো যায়।
৪. উন্নত ধরনের স্মৃতি ব্যবস্থার উদ্ভব।
৫. বৃহৎ ও অতি বৃহৎ মানের আইসির (LSI, VLSI) ব্যবহার।
৬. ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি।
৭. মাইক্রোপ্রসেসরের প্রচলন।
৮. উন্নত ধরনের High Level প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের উদ্ভব। 

উদাহরণ- IBM 4341, TRS-40, Pentium Series ইত্যাদি।

সূত্র: ১৫ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৮.
Apple Macintoch - কোন ধরণের কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. ক) মাইক্রোকম্পিউটার
  2. খ) মিনি কম্পিউটার
  3. গ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. ঘ) হাইব্রিড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
Apple Macintoch এক ধরণের মাইক্রোকম্পিউটার। 

- ছোট আকারের কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার (Microcomputer) বলে।
- আমরা দৈনন্দিন জীবনে যে কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকি তাকেই মাইক্রো কম্পিউটার বলে।
- একে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা বিজনেস কম্পিউটারও বলা হয়।
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার।
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র, তাই ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটার সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর, প্রধান মেমরি, সহায়ক মেমরি এবং ইনপুট আউটপুট যন্ত্রপাতি নিয়ে গঠিত।
- একজন ব্যবহারকারী একাই একটি মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন বলে এ ধরনের কম্পিউটারকে ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল কম্পিউটারও বলা হয়।
- এ ধরনের কম্পিউটার দামে সস্তা, আকারে ছোট, সহজে বহনযোগ্য এবং রক্ষণাবেক্ষণ সহজ বিধায় কম্পিউটার ব্যবহারকারীর কাছে খুবই জনপ্রিয় ।
- অফিসের কাজ ও বাণিজ্যিক প্রয়োজন ছাড়াও শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি নিয়ন্ত্রণে, স্বয়ংক্রিয় অফিস ব্যবস্থাপনায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গৃহস্থালির কাজে, খেলাধুলায়, চিত্র-বিনোদন, এমনকি ব্যক্তিগত কাজেও আজকাল জনপ্রিয়তার সাথে মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহৃত হচ্ছে।
- IBM PC, Apple Macintoch, TRS80, HP 85, IBM Pentium, Power PC, ইত্যাদি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ।

সূত্র: ২২ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৯.
'পকেট কম্পিউটার' নামে পরিচিত -
  1. ক) ল্যাপটপ কম্পিউটার
  2. খ) নোটবুক কম্পিউটার
  3. গ) ডেস্কটপ কম্পিউটার
  4. ঘ) পামটপ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
পামটপ কম্পিউটার পকেট কম্পিউটার  নামেও পরিচিত। 

- PDA-এর পুরোনাম হলো Personal Digital Assistants. ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক ভার্সন ছিল অ্যাপলের 'নিউটন'।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, যা হাতের তালুর মধ্যে রেখে ব্যবহার করা যায়, এমনকি পকেটে রেখে সহজে বহন করা যায়।
- এটি হেন্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কোনো প্রকার ডিস্ক ড্রাইভ থাকে না। সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো মূলত ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

সূত্র: ২৩ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 


২০.
বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন কোনটি?
  1. ক) World Wide Web
  2. খ) Yahoo
  3. গ) Archie
  4. ঘ) Nexus
ব্যাখ্যা
বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন হলো Archie.
Archie ১৯৯০ সালের ১০ সেপ্টেম্বর চালু করা হয়। 
কানাডা McGill University এর তিনজন তরুণ Alan Emtage, Bill Heelan and Peter Deutsch এই সার্চ ইন্জিন তৈরি করে। 
এই প্রথম সার্চ ইঞ্জিনের সাথে আমাদের পরিচিত ইন্টারেক্টিভ ইন্টারফেস ভিত্তিক সার্চ ইঞ্জিনের কোন সম্পর্ক ছিল না। 
 
অপরদিকে,
টিম বার্নাস লি - সর্বপ্রথম ১৯৯০ সালে ওয়েব ব্রাউজার উদ্ভাবন করেন।
- তাঁর উদ্ভাবিত প্রথম ব্রাউজারের নাম - WorldWideWeb. এটি ১৯৯৪ সালে এই নামে চালু থাকে।
- পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে WorldWideWeb এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় - Nexus.

Source: captechu.edu, Britannica, News report
২১.
নিচের কোন মডেলটি Cloud Computing সেবা প্রদানকারীগণ ব্যবহার করে না?
  1. ক) SaaS
  2. খ) WaaS
  3. গ) laaS
  4. ঘ) PaaS
ব্যাখ্যা
সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. Infrastructure-as-a Service (IaaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয় ।
যেমন - অ্যামাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) ।
২. Platform-as-a -Service (PaaS): এই পদ্ধতিতে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় প্ল্যাটফর্ম, যার উপর অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজাররা।
যেমন: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিনে ।
৩. Software-as-a Service (SaaS): সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন ।
যেমন: গুগল ডকস।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( মাহবুবুর রহমান) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

এখানে WaaS, Cloud Computing সেবার কোনো ধরণ নয়।
২২.
নিচের কোনটি ওয়েব সার্ভার?
  1. ক) Gmail ও Apache
  2. খ) Apache ও IIS
  3. গ) Chromium ও Apache
  4. ঘ) IIS ও Mozilla
ব্যাখ্যা
- Apache ও IIS উভয়ই হচ্ছে ওয়েব সার্ভার। 
- Apache হচ্ছে একটি ওপেন সোর্স ওয়েব সার্ভার। 
- IIS হচ্ছে মাইক্রোসফট কর্তৃক উদ্ভাবিত ওয়েব সার্ভার। 
 
উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট। 
২৩.
CAL - এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Computer-assisted learning.
  2. Computer Associated Learning.
  3. Computer Association Learning.
  4. Computer Aided Linkage.
ব্যাখ্যা
CAL - এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Computer-assisted learning. 

- প্রচলিত ক্লাসরুম শিক্ষা পদ্ধতিতে ছাত্র-শিক্ষক সরাসরি প্রশ্ন-উত্তর বিনিময়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- এক্ষেত্রে ক্যাল (CAL) বা কম্পিউটার এইডেড লার্নিং (Computer Aided Learning) বা 'কম্পিউটারের মাধ্যমে শিক্ষা পদ্ধতি শিক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে নবতর সংযোজন।
- এ পদ্ধতিতে কম্পিউটারের পর্দায় কোর্সের ইনস্ট্রাকশন বা নির্দেশ, প্রশ্ন, লেখচিত্র ইত্যাদি উপস্থাপনের মাধ্যমে কম্পিউটার শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের সহায়তা করতে পারে।

অপরদিকে, 
- বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণে এবং অসংখ্য উপাত্ত দ্রুত প্রক্রিয়াকরণে কম্পিউটার ব্যবহৃত হচ্ছে।
- আধুনিক স্থাপত্য কৌশল কম্পিউটার ছাড়া অচল। ক্যাড (CAD) বা কম্পিউটার এইডেড ডিজাইন' এর মাধ্যমে কম্পিউটারে যে কোন কাল্পনিক বাড়ির চিত্র এঁকে তার ডিজাইন সম্পর্কে ব্যাপক সিদ্ধান্ত নেয়া যায়।
- পূর্বে থেকে নির্মাণ ব্যয়, প্রয়োজনীয় উপাদানের হিসাব নির্ণয় ইত্যাদি সিদ্ধান্ত গ্রহণে ক্যাড ব্যাপক ভূমিকা পালন করে।

সূত্র: ১৪ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
অর মৌলিক গেইট কাজ করে -
  1. ক) যৌক্তিক যোগ পদ্ধতিতে
  2. খ) যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে
  3. গ) যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
অর মৌলিক গেইট কাজ করে যৌক্তিক যোগ পদ্ধতিতে। 

- যেসকল গেইট দ্বারা বুলিয়ান অ্যালজেবরার মৌলিক অপারেশনগুলো বাস্তবায়ন করা যায় তাদেরকে মৌলিক লজিক গেইট বলা হয়।
- মৌলিক লজিক গেইটের সাহায্যে সকল যৌগিক গেইট ও যেকোন সার্কিট তৈরি করা যায়। 
- কম্পিউটার ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে এই তিনটি গেইট রয়েছে। যথা- AND Gate, OR Gate, NOT Gate. 
- বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যৌক্তিক যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য যে গেইট ব্যবহার করা হয়, তাকে OR গেইট বলা হয়।
- OR গেইটে দুই বা ততোধিক ইনপুট লাইন থাকে এবং একটিমাত্র আউটপুট লাইন থাকে।
- যেহেতু OR গেইট যৌক্তিক যোগের গেইট তাই এটি যৌক্তিক যোগের নিয়ম মেনে চলে। অর্থাৎ এই গেইটের ক্ষেত্রে যেকোনো একটি ইনপুটের মান ১ হলে আউটপুট ১ হয়, অন্যথায় ০ হয়।

সূত্র: ১২৭ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৫.
বেজের উপর নির্ভর করে সংখ্যা পদ্ধতিকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) তিন ভাগে
  2. খ) চার ভাগে
  3. গ) পাঁচ ভাগে
  4. ঘ) ছয় ভাগে
ব্যাখ্যা
বেজের উপর নির্ভর করে সংখ্যা পদ্ধতিকে চার ভাগে  ভাগ করা যায়। 

- যে পদ্ধতিতে সংখ্যা গণনা করা হয় বা প্রকাশ করা হয়, তাকে সংখ্যা পদ্ধতি (Number System) বলে।
- এ সকল সংখ্যাকে বিভিন্ন গাণিতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় গণনার কাজ করা হয়।

- সংখ্যা পদ্ধতিকে সাধারণত চারভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যেমন–
১. ডেসিমাল বা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি
৪. হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি

সূত্র: ৮৪ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  

২৬.
(1011) কে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করুন-
  1. ক) 10
  2. খ) 11
  3. গ) 12
  4. ঘ) 13
ব্যাখ্যা
1011 = 1 × 2 + 0 × 2+ 1 × 21  + 1 × 2° 
         = 8 + 0 + 2 + 1 
         = 11

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: 
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি সংখ্যা পদ্ধতি যাতে সকল সংখ্যাকে কেবলমাত্র ০ এবং ১ দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি দুই।
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির লজিক গেটে এই সংখ্যাপদ্ধতির ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে।
তাছাড়া প্রায় সকল আধুনিক কম্পিউটারে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
বাইনারি পদ্ধতিতে প্রতিটি অঙ্ককে বিট বলা হয়।

ডেসিমাল বা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি : প্রাচীন ভারতে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন প্রথম শুরু হয় বলে একে হিন্দু সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।

সূত্র: ৯৬ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
(.1101)2 কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করুন -
  1. ক) (.3125)10
  2. খ) (.6125)10
  3. গ) (.8125)12
  4. ঘ) (.8125)10
ব্যাখ্যা
(.1101)2 = 1 × 2-1  + 1 × 2-2  + 0 × 2-3 + 1 × 2-4

                 = 1/2 + 1/4 + 0 + 1/16
                  = .5 + .25 + 0.0625
                  = .8125 

(.1101) = (.8125)10
২৮.
বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের সময় প্রত্যেক অঙ্ককে কত দ্বারা ভাগ দিতে হয়?
  1. ক) ১ দ্বারা
  2. খ) ২ দ্বারা
  3. গ) ৪ দ্বারা
  4. ঘ) ৮ দ্বারা
ব্যাখ্যা
বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের সময় প্রত্যেক অঙ্ককে দুই দ্বারা ভাগ দিতে হবে। 

- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত -১ হতে শুরু করে ডান দিকে বাড়াতে হবে।
যেমন- প্রথম অংকটিকে ২ দ্বারা, দ্বিতীয় অংকটিকে ২` দ্বারা, তৃতীয় অংকটিকে ২° দ্বারা গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।

সূত্র:  ৯৬ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
২৯.
(212) কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করুন - 
  1. ক) (183)10
  2. খ) (143)10
  3. গ) (138)10
  4. ঘ) (153)10
ব্যাখ্যা
(212) = 2 × 82 + 1 × 8× 2 × 8°
            = 2 × 64 + 1 × 8 + 2 × 1
            = 128 + 8 + 2
            = 138

(212)8   = (138)10

৩০.
অক্টাল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রত্যেক অংককে কত দ্বারা গুণ দিতে হয়?
  1. ক) ৮
  2. খ) ১৬
  3. গ) ৩২
  4. ঘ) ৬৪
ব্যাখ্যা
অক্টাল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রত্যেক অংককে আট দ্বারা  গুণ দিতে হয়। 

- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮টি (০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭) প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অকটাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। যেমন- (১২০)
- অকটাল সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট ৮ টি প্রতিক বা চিহ্ন নিয়ে যাবতীয় গাণিতিক কর্মকান্ড সম্পাদন করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হলো ৮।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিকে তিন বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়। কারণ অকটাল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট ৮ টি প্রতিক বা চিহ্নকে তিন বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভূল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: ৯৮ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
৩১.
 (234)16 কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করুন।
  1. ক) (630)10
  2. খ) (530)10
  3. গ) (730)10
  4. ঘ) (430)10
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
(234)₁₆ = (2 × 16²) + (3 × 16¹) + (4 × 16⁰) = (564)₁₀
 
সঠিক উত্তর অপশনে না থাকায় উত্তর তুলে দেয়া হয়েছে। 
 
 
৩২.
বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় পার্টিশন সেক্টর হচ্ছে -
  1. ক) FAT 16
  2. খ) FAT 32
  3. গ) NTFS
  4. ঘ) HPFS
ব্যাখ্যা
বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় পার্টিশন সেক্টর হচ্ছে - FAT 32. 

- FAT 32 : FAT 32-এর পূর্ণ অর্থ হলো File Allocation Table-32.
- এটি বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় পার্টিশন সেক্টর, কারণ এ ধরনের পার্টিশন এরিয়ায় সবচেয়ে বেশি ডেটা সংরক্ষণ করা যায়।
- FAT 32 পার্টিশন এরিয়ার সর্বোচ্চ ক্ষমতা 2TB বা 2048GB ৷
- অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমের সাথে মাল্টি বুট করার জন্য FAT 32 ব্যবহার করা হয়।
- হার্ডডিস্কে FAT 32 এর আওতায় Windows 95, Windows ME, Windows 200, Windows XP ইত্যাদি অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনা করা যায়।
- Windows 2000 অপারেটিং সিস্টেমকে NTFS পার্টিশনেও পরিচালনা করা সম্ভব।

সূত্র: ১৬১ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৩.
নিচের কোনটি কম্পিউটার এন্টিভাইরাস নয় -
  1. ক) Sircam
  2. খ) Stuxnet
  3. গ) Nimda
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
Sircam, Stuxnet, Nimda - হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাসের  উদাহরণ। 

- VIRUS এর পূর্ণরূপ হল-Vital Information and Resources Under Siege.  
- ১৯৮৩ সালে ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের সফটওয়্যার যা তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমন করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- কম্পিউটার ভাইরাস এমন এক ধরনের ফাইল বা প্রোগ্রাম যেগুলো কম্পিউটারের স্বাভাবিক ফাইল বা প্রোগ্রামকে নষ্ট করে দিতে পারে।
- ইহা ব্যবহারকারীর অনুমতি ব্যতীত নিজেরা নিজেদের কপি তৈরি করতে পারে।
- সাধারণত সিডি, পেনড্রাইভ ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভাইরাস এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ছড়িয়ে পড়ে।

নিম্নে অন্যান্য কম্পিউটার ভাইরাসের নামসমূহ- 
Alive.3400 virus
Apstrojan.qa trojan
Badtrans trojan virus
Blaster worm
Cap virus
CIH virus
E-Morph virus
Excel/Laroux virus
Flor virus
KAK virus
Live Stages virus
Lonely hearts trojan virus
Love letter virus
Melissa virus
Mutation virus engine
Nakedwife virus
Nimda virus
NYB virus
OVER 1644 virusResume worm
Satan Bug Natas virus
Sircam virus
Stoned Empire Monkey virus
Stuxnet
Sulfnbk virus
VBS/Gnutella worm
VBS/SST@MM script virus

সূত্র: Computer Hope Website [লিঙ্ক]



৩৪.
নিচের কোনটি systern software নয়?
  1. ক) Linux
  2. খ) Android
  3. গ) Firefox
  4. ঘ) Mac OS
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফট্ওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম:
সিস্টেম সফট্ওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম হল কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক। 
এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে। 
সিস্টেম সফট্ওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না। 
কম্পিউটারের আভ্যন্তরীন কাজগুলো পরিচালনা করে সিস্টেম সফট্ওয়্যার। 
 
বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম হলো DOS, WINDOWS, UNIX, LINUX, Mac OS,Apple iOS, Android  ইত্যাদি। 
অপারেটিং সিস্টেম মূলত ফাইল তৈরি, অ্যাকসেস, কপি, ডিলিট ইত্যাদি কাজ করে থাকে। অপারেটিং সিস্টেমের একটি অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান স্মৃতিতে ফাইল ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম নিয়ে আসা এবং কাজ করানোর ব্যবস্থা করা এবং ফাইল ও নথির ব্যবস্থাপনা করা। 
 
অন্যদিকে Mozilla Firefox হলো ওয়েব ব্রাউজার।  
 
উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫.
নিচের কোনটি ই-কমার্সের ওয়েবসাইট?
  1. ক) Glassdoor
  2. খ) Ebay
  3. গ) edX
  4. ঘ) Udemy
ব্যাখ্যা
Ebay একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট। 

অপরদিকে,
Glassdoor একটি জনপ্রিয় অনলাইন জব সার্চভিত্তিক ওয়েবসাইট।
edX & Udemy হচ্ছে অনলাইন কোর্স ওয়েবসাইট। 

যদি ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ভোক্তার হাতে পৌঁছানো হয় তবে তাকে ই-কমার্স বলা হবে।
সাধারণ অর্থে, ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম সম্পাদন করাকে ই-কমার্স বলা হবে। 

ই-কমাসের পদ্ধতিসমূহ- 
প্রতিটি ব্যবসায়ের নিজস্ব ধরন ও প্রকৃতি রয়েছে, আর তার ওপর নির্ভর করে উক্ত ব্যবসায়ের বিনিয়োগ, লাভের পরিমাণ ইত্যাদি। ই-কমার্স চার ভাবে সংগঠিত হতে পারে।
১. ব্যবসায় হতে ব্যবসায়: ই-কমার্সের ব্যবসায় হতে ব্যবসায় বা Business to Business or B2B (বিটুবি) মডেল বলতে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও ক্রয়-বিক্রয় করাকে বোঝায়। বিটুবি ব্যবসায়ের মাধ্যমে পণ্য লেনদেন ব্যয় কমে যায়, মধ্যস্থকারীর দরকার হয় না এবং পণ্য মূল্যের ব্যাপারে স্বচ্ছ থাকা যায়। বিশ্বের প্রায় ৮০% ব্যবসায় বিটুবি ব্যবসায়ের আওতাভুক্ত। যেমন: alibaba.com
২. ব্যবসায় হতে ক্রেতা : ই-কমার্সের ব্যবসায় হতে ক্রেতা বা Business to Consumer or B2C (বিটুসি) মডেল হচ্ছে খুচরা ব্যবসায়ের মতো যেখানে ব্যবসায়ীরা সরাসরি ভোক্তার নিকট পণ্য বা তথ্যাদি বিক্রয় করেন। যে কোনো ব্যক্তি বা ক্রেতা ব্যবসায়ীর বা সরবরাহকারীর ওয়েবসাইট ব্যবহার করে কোনো মধ্যস্থকারবারী ছাড়াই সরাসরি পণ্য বা সেবা ক্রয় করতে পারে। যেমন: amazon.com
৩. ক্রেতা হতে ক্রেতা: ক্রেতা হতে ক্রেতা বা Consumer to Consumer or C2C (সিটুসি) মডেলের ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে একজন ভোক্তাকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরাসরি অন্য ভোক্তার নিকট পণ্য বিক্রয় করতে দেখা যায়। এক্ষেত্রে লেনদেনের জন্য অন্য কোনো পক্ষের প্রয়োজন হয় না। যেমন: e-bay.com
৪. ক্রেতা হতে ব্যবসায়: যেখানে একজন ব্যক্তি তার পণ্য ও সেবার বিবরণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রেরণ করে এবং বিভিন্ন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান উক্ত পণ্য বা সেবা পছন্দ অনুযায়ী ক্রয় করে তাকে ক্রেতা হতে ব্যবসায় বা Consumer to Business or C2B (সিটুবি) মডেল বলে পরিচিত। যেমন: monster.com 

সূত্র: ২২৮ পৃষ্ঠা, ব্যবসা সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৬.
GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব -
  1. ক) প্রথম প্রজন্মের মোবাইল
  2. খ) দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল
  3. গ) তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল
  4. ঘ) চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল
ব্যাখ্যা
GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট্য।

দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. রেডিও সিগন্যাল হিসেবে ডিজিটাল সিস্টেমের ব্যবহার।
২. GSM (Global System for Mobile Communication) ও CDMA (Code Division Multiple Access) প্রযুক্তির ব্যবহার।
৩. সীমিত আকারে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা।
৪. GSM পদ্ধতিতে ডেটা ও ভয়েস প্রেরণ করা সম্ভব হয়। 
৫. GSM স্ট্যান্ডার্ডে Handset Interoperability বা সিম কার্ড ব্যবহারের সুবিধা। CDMA স্ট্যান্ডার্ডে এই সুবিধা নেই।
৬. মোবাইল ডেটা স্থানান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচ নেটওয়ার্ক এবং ভয়েস কল স্থানান্তরের জন্য কোর সুইচ নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। 
৭. এ প্রজন্ম থেকেই প্রিপেইড সিস্টেম চালু হয়।
৮. SMS, MMS এবং ভয়েস মেইল ব্যবহারের সুবিধা।
৯. মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন।
১০. কথা বলার সময় অবস্থান পরিবর্তন হলে ট্রান্সমিশন অবিচ্ছিন্ন থাকে। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
৩৭.
DNS Server এর কাজ কোনটি?
  1. ক) MAC Addres-কে IP Address-এ অনুবাদ করা।
  2. খ) Hostname-কে IP Address-এ অনুবাদ করা।
  3. গ) Email-কে IP Address-এ অনুবাদ করা।
  4. ঘ) Hostname-কে MAC Addres-এ অনুবাদ করা।
ব্যাখ্যা
DNS এর পূর্ণরূপ Domain Name System। 
ডোমেন নেইম হচ্ছে ইন্টারনেটে এক বা একাধিক আইপি অ্যাড্রেসকে সনাক্তকরণের জন্য একটি অদ্বিতীয়/ইউনিক আলফানিউমেরিক (ক্যারাক্টর বা নাম্বার সম্বলিত) ঠিকানা। 

Hostname হল একটি Host কম্পিউটারের জন্য বরাদ্দকৃত ডোমেন নেম। এর দ্বারা একটি কম্পিউটারকে অদ্বিতীয়ভাবে সনাক্ত করা যায়। 
DNS Server মূলত Hostname-কে IP Address-এ অনুবাদ করে দেয়। 
একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়। 
ইহা Hostname এর পরিবর্তে IP Address-এ রূপান্তর করে দেয়। 
তখনই কেবল ব্যবহারকারী ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারে। 
৩৮.
মডুলেটরের কাজ কী?
  1. ক) ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রুপান্তরিত করা।
  2. খ) অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরিত করা।
  3. গ) ডিজিটাল সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরিত করা।
  4. ঘ) অ্যানালগ সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রুপান্তরিত করা।
ব্যাখ্যা
মডুলেটরের কাজ হচ্ছে ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রুপান্তরিত করা। 

- মডেম একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস।
কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে মডেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মডেম এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে।
মডেমের দুটি অংশ। যথা- 
১। মডুলেটর (Modulator) ও
২। ডি-মডুলেটর (De-modulator)

- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ (Analog) সংকেতে রূপান্তর করে, এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন।
- ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে, এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন ।
- বাজারে বিভিন্ন গতি সম্পন্ন মডেম পাওয়া যায়। যেমন- 600 kbps 1200 kbps, 2400 kbps ইত্যাদি।

সূত্র: ৭০ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৯.
সম্প্রতি কোন ইউনিভার্সিটির গবেষকরা পানির তলদেশের ছবি তোলার জন্য স্বয়ংক্রিয় ক্যামেরা তৈরি করেন?
  1. ক) ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খ) অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
  3. গ) মাস্যাচুসেট্স ইন্সটিটিউত অফ টেকনোলজি
  4. ঘ) ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটন
ব্যাখ্যা
সম্প্রতি মাস্যাচুসেট্স ইন্সটিটিউত অফ টেকনোলজির গবেষকরা পানির তলদেশের ছবি তোলার জন্য স্বয়ংক্রিয় ক্যামেরা তৈরি করেন। 

বিজ্ঞানীরা অনুমান করেছেন যে পৃথিবীর সমুদ্রের প্রায় ৯৫ শতাংশের বেশি কখনও পর্যবেক্ষণ করা হয়নি এবং  এখনো অজানা রয়ে গিয়েছে। এই সমস্যা সমাধানে মাস্যাচুসেট্স ইন্সটিটিউত অফ টেকনোলজির গবেষকেরা একটি স্বয়ংক্রিয় ব্যাটারিবিহীন ক্যামেরা তৈরি করেন, যা সমুদ্রের অন্ধকার তলদেশের ছবি পর্যন্ত তুলা  সম্ভব। এই স্বয়ংক্রিয় ক্যামেরাটি শব্দ দ্বারা চালিত হয় এবং শব্দ তরঙ্গ এর মাধ্যমে যান্ত্রিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রুপান্তরিত করে। 

সূত্র: Massachusetts Institute of Technology Website [লিঙ্ক]
৪০.
WWW মূলত কী?
  1. ক) একটি সার্চ ইঞ্জিন
  2. খ) একটি ওয়েব ব্রাউজার
  3. গ) কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ
  4. ঘ) হাইপারটেক্সটভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম
ব্যাখ্যা
WWW মূলত হাইপারটেক্সটভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম। 

- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। এ
- সব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোন ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- ইন্টারনেটের বিশাল সমুদ্র থেকে নির্দিষ্ট কোন তথ্য দেখা বা খোঁজাকে ব্রাউজ করা বলা হয়, একে ইন্টারনেট ব্রাউজিংও বলা হয়।
- কোন তথ্য দ্রুত সার্চিংয়ের জন্য বেশ কিছু সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে।
- ব্রাউজার উইন্ডোতে সার্চ ইঞ্জিনের ঠিকানা লিখে এন্টার কী চাপলে ঐ সার্চ ইঞ্জিনের ওয়েবপেজটি ওপেন হবে।
- সার্চ ইঞ্জিনের ফাইন্ড বক্সে ব্যবহারকারী যা লিখে এন্টার চাপলে সে সম্পর্কিত বিভিন্ন ওয়েবপেজের লিংকের তালিকা প্রদর্শিত হয় ।
বিভিন্ন প্রকার সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে। যেমন, Yahoo, Google, AltaVista, ইত্যাদি।

সূত্র: ৩১৫ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪১.
একটি ওয়েবসাইটের কাঠামোতে কয়টি অংশ থাকে?
  1. ক) দুইটি
  2. খ) তিনটি
  3. গ) চারটি
  4. ঘ) পাঁচটি
ব্যাখ্যা
একটি ওয়েবসাইটের কাঠামোতে তিনটি অংশ থাকে।

- একটি ওয়েবসাইট মূলত কতগুলো ওয়েব পেইজের সমষ্টি।
- ওয়েবসাইটের অন্তর্গত বিভিন্ন পেজগুলো কিভাবে সাজানো থাকে তাই হল ওয়েবসাইটের কাঠামো।
- অন্যভাবে বলা যায়, একটি ওয়েবসাইটের সকল বিষয়বস্তু ও উপস্থাপনার অবকাঠামো হচ্ছে ঐ ওয়েবসাইটের কাঠামো।
- সাধারণত একটি ওয়েবসাইটের কাঠামোতে তিনটি অংশ থাকে ।
যথা
১. হোম পেজ (Home Page )
২. প্রধান অংশ (Main Section) ও
৩. উপশাখা (Subsection)

হোম পেজ : হোম পেইজ হলো ওয়েবসাইটে প্রবেশের প্লাটফর্ম। এটি সুন্দর ও আকর্ষনীয় হওয়া উচিৎ। ওয়েব ব্রাউজার শুরুতে এই পেইজটি লোড করে। এখানে ওয়েবসাইটের অন্যান্য সকল পেইজের তথ্য সংক্ষিপ্ত আকারে দেওয়া থাকে। একটি ওয়েবসাইট কোন ধরনের তথ্য বহন করছে তা হোম পেইজ থেকেই জানা যায়। অন্যান্য পেইজ ব্রাউজ করার জন্য এই পেইজে লিংক দেওয়া থাকে ।

প্রধান অংশ : হোম পেইজের পরের ওয়েব পেজগুলোকে প্রধান অংশ বা মূল সেকশন বলে। ওয়েবসাইটের প্রধান অংশটি কয়েকটি ওয়েব পেজ নিয়ে গঠিত হতে পারে। সাধারণত হোম পেজের বিষয়গুলোর উপর বিস্তারিত তথ্য এখানে সন্নিবেশ করা থাকে ।

উপশাখা : প্রধান অংশে অন্তর্ভূক্ত পেইজ আবার এক বা একাধিক পেইজের সাথে যুক্ত থাকে যাদেরকে উপশাখা বা সাব সেকশন পেইজ বলে । এই পেইজগুলোতে বিস্তারিত তথ্য এবং লিংক যুক্ত করে তথ্যের সমন্বয় করা হয়। 

সূত্র: ১৫৪ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
৪২.
HTML ডকুমেন্টের উপাদান -
  1. ক) Table
  2. খ) List
  3. গ) Paragraph
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- ওয়েব পেইজই হচ্ছে HTML ডকুমেন্ট।
- HTML ডকুমেন্টকে ওয়েবপেইজের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।
- HTML ডকুমেন্টের মধ্যে HTML tags এবং plain text থাকে।
- বিভিন্ন ওয়েব ব্রাউজারের (যেমন – ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, ফায়ারফক্স প্রভৃতি) প্রধান কাজ হচ্ছে HTML ডকুমেন্টের বিষয়বস্তু পড়া এবং সেগুলোকে ওয়েবপেজের মাধ্যমে প্রদর্শন করা।
- ওয়েব ব্রাউজার HTML tags প্রদর্শন করতে পারে না কিন্তু ওয়েবপেজের বিষয়বস্তু অনুবাদ করার জন্য HTML tag ব্যবহার করা হয়।
- HEAD, BODY, Paragraph, lists, tables প্রভৃতি হচ্ছে HTML ডকুমেন্টের উপাদান।
- HTML ট্যাগের মধ্যে কিছু উপাদানের এ্যাট্রিবিউট থাকতে পারে, যা উপাদানের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে। যেমন— ফন্ট সাইজ, ফন্টের অবস্থান, ইমেজের উৎস প্রভৃতি।

সূত্র: ১৫৭ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।