উত্তর
ব্যাখ্যা
হিন্দি কবি মালিক জায়সীর রচিত পদুমাবৎ কাব্যের অনুবাদরূপে বাঙালি কবি আলাওল রচিত পদ্মাবতী। এর চরিত্র - রত্নসেন, গন্ধর্ব সেন, চম্পাবতী, নাগমতী, হিরামন পাখি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ১১২ প্রশ্ন
হিন্দি কবি মালিক জায়সীর রচিত পদুমাবৎ কাব্যের অনুবাদরূপে বাঙালি কবি আলাওল রচিত পদ্মাবতী। এর চরিত্র - রত্নসেন, গন্ধর্ব সেন, চম্পাবতী, নাগমতী, হিরামন পাখি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
গৌণ শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ হলো মূখ্য।
তেমনিভাবে মৃদু'র বিপরীত অর্থ প্রবল।
লঘু'র বিপরীত অর্থ গুরু।
দূর এর বিপরীত অর্থ নিকট।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
তমসা শব্দটির সমার্থক শব্দ হলো তিমির, আঁধার, অন্ধকার ইত্যাদি।
পাবক, অনল, হুতাশন হলো আগুন - এর সমার্থক শব্দ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
কতগুলো মিশ্র শব্দ হলো-
খ্রিস্টাব্দ (ইংরেজি + তৎসম),
ডাক্তার-খানা (ইংরেজি + ফারসি),
রাজা-বাদশা (তৎসম + ফারসি),
হাট-বাজার (বাংলা + ফারসি),
হেড-মৌলভি (ইংরেজি + ফারসি),
হেড-পণ্ডিত (ইংরেজি + তৎসম),
পকেটমার (ইংরেজি + বাংলা),
চৌহদ্দি (ফারসি + আরবি) ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
শব্দের অ-ধ্বনির দুই রকম উচ্চারণ পাওয়া যায়৷
১. বিবৃত বা স্বাভাবিক উচ্চারণ৷
যেমনঃ অমল, অমানিশা, অনেক, কত ইত্যাদি৷
২. সংবৃত বা ও-ধ্বনির উচ্চারণ৷
যেমনঃ অতি, করুণ, প্রভাত, প্রত্যয় ইত্যাদি৷
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণি৷
হিন্দি ‘ওয়ালা > আলা’ তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ বাড়িওয়ালা।
ফারসি তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ কারিগর (গর > কর), সওদাগর (গর > কর), পাহারাদার(দার)।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি
সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে কোন বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে, তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমন- পঙ্কজ, আদিত্য, রাজপুত, মহাযাত্রা, জলধি, তুরঙ্গম, জলদ, দশানন, পরিবার, বহুব্রীহি, গোঁফখেজুরে, অসুখ ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
বাংলা ভাষায় মৌলিক ধাতুগুলোকে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়।
যথা - সংস্কৃত, বাংলা ও বিদেশি ধাতু৷
সংস্কৃত ধাতু - কৃ, গম্, ধৃ, গঠ্, স্থা ইত্যাদি।
বাংলা ধাতু - কাট্, আঁক্, কাঁদ্, নাচ্, কর্ ইত্যাদি৷
বিদেশি ধাতু - ঢাক্, টান্, ঝুল্, খাট্ ইত্যাদি৷
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও নবম-দশম শ্রেণীর বাংলা ব্যাকরণ বই।
বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলা হয়। একে নামপদ বা নাম-প্রকৃতিও বলা হয়৷
অন্যদিকে ক্রিয়ার মূল অংশকে ধাতু বলা হয়। একে ক্রিয়া-প্রকৃতিও বলা হয়৷
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
যথা+উচিত = যথোচিত। সম্ + তাপ = সন্তাপ।
যা সন্ধির নিয়মে গঠিত।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
√দুহ্ + ত (ক্ত) = দুগ্ধ হলো সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ৷
এরূপ- √কৃ + ত = কৃত, √জন + ত = জাত, √সৃজ্ + ত = সৃষ্ট, √বচ্ + ত = উক্ত৷
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ
Audacious (adjective):
Synonyms: Bold (সাহসী; দুর্দান্ত; দুর্দমনীয়), Fearless (নির্ভীক; শঙ্কাহীন), Reckless (অগ্রাহ্য করে এমন; বেপরোয়া).
Antonyms: Timid (ভীরু; লাজুক; মুখচোরা), Polite (সুশীল; মার্জিত; বিনয়বান).
must এর past form হিসেবে had to ব্যবহৃত হয়।
- The word "must" is a modal verb, and it doesn't have a traditional past tense form like regular verbs do. However, when you want to express the idea of "must" in the past, you usually use a different construction:
- Instead of "must" in the past, use:
- "had to"
Examples:
Present: I must finish this today.
Past: I had to finish it yesterday.
ভারতীয় সংবিধানের ৩১৫-৩২৩ ধারায় কর্মকমিশন সম্পর্কে বলা হয়েছে। সংবিধানের ৩১৫ ধারা অনুযায়ী ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মকমিশনের নাম Union Public Service Commission.
এর সদস্যদের নিয়োগ দিয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি। কেন্দ্রীয় কর্মকমিশন ব্যতীত ভারতের রাজ্য সমূহের জন্যে পৃথক পাবলিক সার্ভিস কমিশন এবং একাধিক রাজ্যের জন্যে জয়েন্ট স্টেট পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বিধান রয়েছে।
(সূত্র: Union Public Service Commission ওয়েবসাইট)
প্রাচীন মিশরীয় সম্রাট বা রাজাদের উপাধি ছিলো ফারাও। ফারাও শব্দের অর্থ বড়বাড়ি। বিশাল প্রাসাদে বসবাসকারী ফারাওদের মনে করা হতো ঈশ্বরের সন্তান। ফারাওরা একইসাথে ছিলেন নরপতি ও পুরোহিত। ফারাও পদটি ছিলো বংশানুক্রমিক।
নারমার বা মেনেস ছিলেন মিশরের প্রথম ফারাও। তিনি খ্রিস্টপূর্ব ৩২০০ অব্দে মিশরে প্রথম রাজবংশ গড়ে তোলেন। অন্যদিকে রোমান সম্রাটদের উপাধি ছিলো সিজার এবং রুশ সম্রাটগণ জার নামে পরিচিত ছিলো।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস : প্রথমপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
দক্ষিণ এশিয়ায় বসবাসকারী আদিতম মানবগোষ্ঠীসমূহের মধ্যে একটি বাঙালি জাতি।
সমগ্র বাঙালি জনগোষ্ঠীকে দুভাগে ভাগ করা যায়- অনার্য বা প্রাক আর্য নরগোষ্ঠী এবং আর্য নরগোষ্ঠী।
আর্যদের আগমনের পূর্বে বসবাস ছিল অনার্যদের। নেগ্রিটো, অস্ট্রিক, দ্রাবিড় ও ভোটচীনীয় - এই চার ভাগে মূলত আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠী বিভক্ত।
বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে অস্ট্রিক বা অস্ট্রো এশিয়াটিক গোষ্ঠী থেকে। এদের ‘নিষাদ জাতি’ বলা হয়।
ইন্দোচীন থেকে বাংলায় প্রবেশ করে নেগ্রিটোদের উৎখাত করে অস্ট্রিক জাতি।
[সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য (ড.সৌমিত্র শেখর)]
গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ ১৫৩৩ খ্রিস্টাব্দে আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহকে হত্যা করে গৌড়ের সিংহাসনে বসেন। তাঁর পাঁচ বছরের রাজত্বকালে উল্লেখযোগ্য ঘটনা আফগান নেতা শেরশাহ শূরের সাথে সংঘর্ষ।
অবশেষে ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে শেরশাহ গৌড় দখল করে বাংলায় আফগানি শাসনের সূত্রপাত করেন।
১৩৩৮ সালে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ সোনারগাঁওয়ে যে স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেছিলেন ১৫৩৮ সালে গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বাংলায় দুইশ বছরের স্বাধীন সুলতানি যুগের অবসান ঘটে।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি]
১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর লর্ড কার্জনের সময়ে বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করা হয় যা বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
কিন্তু কংগ্রেস ও বর্ণ হিন্দুদের তীব্র বিরোধিতা এবং সহিংস আন্দোলনের কারণে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।
গর্ভনর জেনারেল বা বড়লাট (ভাইসরয়) লর্ড হার্ডিঞ্জের সুপারিশে ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বরে ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী]
ইংরেজি ১৯৪৩ সালে বাংলায় সংঘটিত দুর্ভিক্ষ পঞ্চাশের মন্বন্তর নামে পরিচিত। বাংলা ১৩৫০ বঙ্গাব্দে এই দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হওয়ায় এটিকে ''পঞ্চাশের মন্বন্তর'' বলা হয়।
এ দুর্ভিক্ষে প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ মারা যায়। এ দুর্ভিক্ষের জন্যে কৃত্রিম সংকটকে দায়ী করা হয়। এ দুর্ভিক্ষকে কেন্দ্র করে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস – উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়]
১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার দাবি জানাতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলে শহীদ হন আবুল বরকত, রফিক উদ্দিন আহমদ, আবদুল জব্বার। আবদুস সালাম ঐদিন গুলিবিদ্ধ হয়ে ৭ই এপ্রিল শহীদ হন।
২২ ফেব্রুয়ারি পূর্বাহ্ণে ঢাকার নওয়াবপুর রোডে ছাত্র-জনতা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। আবারও বিক্ষোভ মিছিলের ওপর পুলিশ ও মিলিটারি লাঠি, গুলি ও বেয়োনেট ব্যবহার করে।
এতে শফিউর রহমানসহ আরও কয়েকজন শহীদ হন এবং অনেকে গ্রেফতার হন।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া]
ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের সময়ে লেখা আবদুল লতিফের সবেচেয়ে জনপ্রিয় ও বিখ্যাত গান - ‘ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়’। এ গানটিতে তিনি বাংলাদেশের লোকসঙ্গীতের আবহ ও সুরকে ফুটিয়ে তুলেছেন।
গানটি পূর্ব বাংলার ঐতিহ্য ও অধিকার প্রতিষ্ঠার এক প্রতীকী গানের বৈশিষ্ট্য অর্জন করে।
ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত তার আরেকটি জনপ্রিয় গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ এর প্রথম সুরকার তিনি।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া]
০.০০৩ × ০.০০১ × ০.১৫ এর মান কত?
০.০০৩ × ০.০০১ = ০.০০০০০৩
০.০০০০০৩ × ০.১৫ = ০.০০০০০০৪৫
বকুল ১ দিনে করে ১/২০ অংশ কাজ
মুকুল ১ দিনে করে ১/৩০ অংশ কাজ
উভয়ে একত্রে ১ দিনে করে (১/২০+১/৩০) = ১/১২ অংশ
১/১২ অংশ কাজ করে ১ দিনে
∴ ১ বা সম্পূর্ণ কাজ করে ১২ দিনে।
সেপ্টেম্বর মাস = ৩০ দিন
ধরি কাজ করেছিল = x দিন
শর্তমতে, 2x - 0.5(30 - x) = 40
⇒ 2x - 15 + 0.5x = 40
∴ x = 22
অনুপস্থিত ছিল = 30 - 22 = 8 দিন
x - {a - (x - b)}
= x - {a -x + b}
= x - a +x - b
= 2x - a - b
Explanation:
Kala-azar- Intermittent fever
Bronchopneumonia- Remittent fever
Rheumatic fever- Continued fever
Typhoid fever- Continued fever
Explanations:
Lymphocytopenia:
Decrease in lymphocyte count in
• AIDS
• Hodgkin’s disease (cancer of lymphatic system)
• Malnutrition
• Radiation therapy
• Steroid administration
Explanation:
At a normal heart rate the duration of systole and diastole are:
Atrial systole: 0.1 second
Atrial diastole: 0.7 second
Ventricular systole: 0.3 second
Ventricular diastole: 0.5 second