পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]

পরীক্ষাব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়06 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
Exam - 46 General Knowledge: Topic: Resources of Bangladesh, Economic Issues of Bangladesh. i) বাংলাদেশের পরিবেশ: প্রকৃতি ও সম্পদ, প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ ii) শস্য উৎপাদন এবং এর বহুমুখীকরণ, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা, কৃষির উপর বিভিন্ন সমীক্ষা এবং কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ iii) শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। iv) উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী, জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি। v) অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
Which is the largest mangrove forest in the world?
  1. Amazon Rainforest
  2. Sundarbans
  3. Congo Rainforest
  4. Pantanal Wetlands
ব্যাখ্যা
ম্যানগ্রোভ:
- ম্যানগ্রোভ (Mangrove) বলতে সাধারণভাবে জোয়ারভাটায় প্লাবিত বিস্তির্ণ জলাভূমিকে বোঝায়।
- এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- ম্যানগ্রোভ বন হলো উপকূলীয় বন।
- বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনভূমি সুন্দরবন।
-  বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে সুন্দরবন অবস্থিত।
- সুন্দরবনের ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার এলাকা বাংলাদেশে এবং বাকি অংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত।
- এ বনের গাছপালা লোনা পানি সহনশীল এবং বৃক্ষসমূহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম।
- এ বনের মাটিতে অতিরিক্ত লবণ ও পচা জৈব পদার্থ থাকায় অক্সিজেনের অভাব ঘটে বলে গাছপালা শ্বাসমূল তৈরী করে। বৃক্ষসমূহ চিরহরিৎ।
- ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান প্রধান বৃক্ষ হলো: সুন্দরী, ধুন্দুল, গরান, বাইন, কেওড়া, পশুর, গোলপাতা, হেন্তাল ইত্যাদি।
- বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।
 
সূত্র: UNESCO ওয়েবসাইট ও বনবিভাগ ওয়েবসাইট
.
Which of the following are the main mineral resources of Bangladesh?
  1. Coal
  2. Natural gas
  3. Mineral oil
  4. Silica sand
ব্যাখ্যা
প্রধান খনিজ সম্পদ:
- বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ১৯৫৫ সালে বার্মা ওয়েল কোম্পানি এদেশে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাসের উৎপাদন শুরু হয়।
- বর্তমানে দেশে মোট ২৯টি গ্যাস ক্ষেত্র রয়েছে। ভোলার ইলিশা-১ কূপটি দেশের নতুন গ্যাসক্ষেত্র (২৯তম)।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, গন্ধক, খনিজতেল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণি এবং পেট্রোবাংলা।
.
In which district is the Barapukuria coal mine located?
  1. Joypurhat
  2. Rangpur
  3. Dinajpur
  4. Naogaon
ব্যাখ্যা
বড়পুকুরিয়া কয়লার খনি: 
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার অন্তর্গত ৯নং হামিদপুর ইউনিয়নে ভবানীপুর বাজার হইতে দক্ষিনে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিটি অবস্থিত। 
- এখানে সবচেয়ে দামী বিটুমিনাস কয়লা উত্তোলন করা হয়। 
- এই কয়লা খনি থেকে বার্ষিক ১০ লক্ষ মেট্রিক টন বিটুমিনাস কয়লা উৎপাদন করা হয়। 
- উত্তোলিত কয়লা দেশের বিভিন্ন জায়গায় রপ্তানী করার পর স্থানীয় বিভিন্ন শিল্প কারখানায় বিক্রয় করা হয়। 
- বড়পুকুরিয়া খয়লাখনির কয়লা দ্বারা খনি সংলগ্ন স্থানে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নামে একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়। 
- বড় পুকুরিয়া কয়লা খনিটি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার একটি প্রসিদ্ধ স্থান।
 
সূত্র: বড়পুকুরিয়া-কয়লা-খনি, ও দিনাজপুর জেলার ওয়েবসাইট।
.
Where is the first oil field in Bangladesh located?
  1. Haripur, Sylhet
  2. Shahbazpur, Bhola
  3. Sangu, Chattogram
  4. Titas, Brahmanbaria
ব্যাখ্যা
হরিপুর তেলক্ষেত্র: 
-  বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৮৭ সনে এই তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ তেলযুগে পদার্পন করে।
-  ১৯৯৪ সালের জুলাই মাস থেকে হরিপুর তেলক্ষেত্রে তেল উৎপাদন স্থগিত রয়েছে।
- হরিপুর তেলক্ষেত্রের তেল গাঢ় বাদামী রঙের প্যারাফিনিক শ্রেণীর মোমযুক্ত তেল।
- হরিপুর তেলের ঘনত্ব মধ্যম মাত্রার এবং এর (API Gravity) এপিআই গ্রাভিটি মান ২৮.২০।
- মহাদেশীয় ভূ-খন্ডের উদ্ভিদ জাতীয় জৈবিক পদার্থ হতে এর সৃষ্টি। হরিপুর তেলক্ষেত্রে উত্তোলনযোগ্য মজুতের পরিমাণ ধরা হয়েছিল প্রায় ৬ মিলিয়ন ব্যারেল।
- এ হিসেবে হরিপুর তেলক্ষেত্র ছোট তেলক্ষেত্র।
- ১৯৮৭ সনের জানুয়ারী মাস থেকে হরিপুর তেলক্ষেত্র তেল উৎপাদন শুরু করে। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
Which valuable mineral is found on the sea beach of Cox's Bazar?
  1. Gold
  2. Uranium
  3. Ilmenite
  4. Diamond
ব্যাখ্যা
বঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক সম্পদ:
- বাংলাদেশের প্রায় ৭১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলীয় অঞ্চলের বঙ্গোপসাগরে রয়েছে অনেক সামুদ্রিক সম্পদ।
- এর তলদেশে ৪৪২ প্রজাতির মৎস্য, ৩৩৬ প্রজাতির মলাঙ্কস (Mollusks), ১৯ প্রজাতির চিংড়ি, নানারকম কাঁকড়া এবং বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক জলজ উদ্ভিদ রয়েছে।
- কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায় পারমাণবিক খনিজ জিরকন, মোনাজাইট, ইলমেনাইট, ম্যাগনেটাইট, রিওটাইল ও লিউকক্সেন পাওয়া গেছে।
- এছাড়া সমুদ্র তলদেশে রয়েছে খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সম্পদ।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
.
In which year will Bangladesh exit from the LDC category?
  1. 2025
  2. 2028
  3. 2026
  4. 2030
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ এলডিসি থেকে ২০২৬ সালে বের হয়ে যাবে।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এলডিসিতে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ২০২৬ সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে পুরোপুরি বের হয়ে যাবে।
- জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট (সিডিপি) এই সুপারিশ করেছে। 
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
- সিডিপি একই সঙ্গে বাংলাদেশকে ২০২১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রস্তুতিকালীন সময় প্রদানের সুপারিশ করে।
 
এছাড়াও, 
→ বর্তমান নিয়মে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের বাজারে ২০২৬ সালের পর আরও ৩ বছর অর্থাৎ ২০২৯ সাল পর্যন্ত শুল্কমুক্ত কোটামুক্ত সুবিধা ভোগ করতে পারবে বাংলাদেশ। 
 
সূত্র: UN ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
.
What is a 'Demand Deposit'?
  1. A deposit with fixed maturity
  2. A deposit only for businesses
  3. A deposit that can be withdrawn at any time
  4. A deposit with penalty on withdrawal
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) A deposit that can be withdrawn at any time.

ডিমান্ড ডিপোজিট: 
- ডিমান্ড ডিপোজিট হলো এমন একটি ব্যাংক আমানত যেখান থেকে গ্রাহক যে কোনো সময় টাকা তুলতে পারেন।
- এতে কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদ বা সময়সীমা থাকে না, অর্থাৎ এটি অবিলম্বে উত্তোলনের সুবিধা দেয়।
- সাধারণত সেভিংস অ্যাকাউন্ট বা কারেন্ট অ্যাকাউন্ট এই ধরনের ডিমান্ড ডিপোজিট হয়।
- এর ফলে গ্রাহক তার প্রয়োজন অনুসারে অর্থ ব্যবহার করতে পারে।
- ডিমান্ড ডিপোজিটে সুদের হার সাধারণত মেয়াদী আমানতের তুলনায় কম হয় কারণ এতে ব্যাংকের জন্য অর্থের স্থায়িত্ব কম থাকে।

সূত্র: HDFC BANK এর ওয়েবসাইট।
.
Who was the first Governor of Bangladesh Bank?
  1. AKN Ahmed
  2. A. N. M. Hamidullah
  3. Khorshed Alam
  4. Atiur Rahman
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে।
- বাংলাদেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরিচালিত হয় বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর আ ন ম হামিদুল্লাহ। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদকাল ৪ বছর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: ড. আহসান এইচ মনসুর।  
 
সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
.
What is the validity period of a valid cheque in Bangladesh?
  1. One month
  2. Two months
  3. Three months
  4. Six months
ব্যাখ্যা
চেক বুক:
- চেক বা Cheque হলো বিশেষভাবে মুদ্রিত এক ধরনের কাগজ যা Bank কর্তৃক গ্রাহকের হিসাবের বিপরীতে ইস্যু করা হয়ে থাকে।
- চেক একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল।
- ব্যাংক সাধারণত গ্রাহক বরাবর চেক প্রদান করে।
- ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক প্রয়োজনে গ্রাহক সেই চেক ইস্যু করতে পারেন।
- একটি চেক ইস্যুর তারিখ থেকে ছয় মাস মেয়াদে কার্যকর থাকে।
- ওই মেয়াদের মধ্যে তিনবার চেকে উল্লেখিত টাকা পরিশোধের জন্য ব্যাংকের কাছে প্রদান করা যায়।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো।
১০.
What is the per capita national income of Bangladesh according to the Economic Survey 2024?
  1. 2,784 US dollars
  2. 2,500 US dollars
  3. 2,600 US dollars
  4. 2,675 US dollars
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪.১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি (GDP): ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৮২%।
- চলতি মূল্যে মোট জাতীয় আয় (GNI): ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা।

সূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১১.
Beginning from which financial year does the maternity allowance program start?
  1. 2005-2006
  2. 2007-2008
  3. 2004-2005
  4. 2006-2007
ব্যাখ্যা
মাতৃত্বকালীন ভাতা কর্মসূচি:
- মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনির আওতায় দরিদ্র মা,র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচি ও মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির তথ্যমহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর অপর গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিটি পুষ্টি সমৃদ্ধ আগামী প্রজন্ম তৈরির লক্ষ্যে গ্রামীন এলাকার সাত লক্ষ সত্তর হাজার দরিদ্র গর্ভবতী মায়েদের জন্য ভাতা প্রদান করছে।
- মাতৃগর্ভ অর্থাৎ শূন্য থেকে ৪ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুর পুষ্টির চাহিদা, মনো-সামাজিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের উপর গুরুত্ব দিয়ে এই ভাতা প্রদান কর্মসূচির রুপরেখা প্রনয়ন করা হয়েছে। কর্মসূচিটি মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যু হ্রাস, শীর্ণকায় ও খর্বাকার শিশুর সংখ্যা কমিয়ে আনা এবং শিশুর বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যত মানবসম্পদ তৈরিতে অবদানের উদ্দেশ্যে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
- ২০০৭-২০০৮ অর্থ বছর থেকে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মাধ্যমে দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচি শুরু করা হয়। 

সূত্র: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১২.
Under which ministry does the Trading Corporation of Bangladesh operate?
  1. Ministry of Planning
  2. Ministry of Commerce
  3. Ministry of Industry
  4. Ministry of Finance
ব্যাখ্যা
- TCB বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি রাষ্ট্রীয় সংস্থা যা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি ও বিতরণের মাধ্যমে বাজার স্থিতিশীল রাখে। 

TCB:
- TCB-এর পূর্ণরূপ: Trading Corporation of Bangladesh.
- ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান,
- এটি ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ৬৮ নম্বর আদেশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকেই টিসিবি বাংলাদেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের পথিকৃৎ হিসেবে ভূমিকা রেখে আসছে। 

উল্লেখ্য, 
- এটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য থেকে শুরু করে শিল্পের কাঁচামাল পর্যন্ত আমদানি করে এবং পাট, তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক বাণিজ্য পরিচালনা করে। টিসিবি দেশের বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সূত্র: ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ওয়েবসাইট।
 
১৩.
According to the Economic Survey 2024, what is the GDP growth rate at constant prices?
  1. 4.36%
  2. 4.91%
  3. 5.12%
  4. 5.82%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪.১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি (GDP): ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৮২%।
- চলতি মূল্যে মোট জাতীয় আয় (GNI): ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা।

সূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৪.
What is the full form of NBFI?
  1. Non-Bank Financial Institution
  2. New Banking Fund of Investment
  3. National Bank for Finance and Investment
  4. National Budget and Finance Institution
ব্যাখ্যা
NBFI: 
- NBFI এর পূর্ণরূপ হল Non-Bank Financial Institution
- এর বাংলা অর্থ ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- এটি এমন এক ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠান যারা সম্পূর্ণ ব্যাংকিং লাইসেন্স পায় না বা কোনও জাতীয় বা আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রক সংস্থা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না।
- এই প্রতিষ্ঠানসমূহ মেয়াদী আমানত সংগ্রহ করে এবং বিভিন্ন মেয়াদে ঋণ বা বিনিয়োগ সেবা প্রদান করে থাকে।
- এই প্রতিষ্ঠানসমূহ সাধারণত ব্যাংকের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে এবং অর্থনীতির উদ্বৃত্ত একক থেকে আমানত সংগ্রহ করে ঘাটতি এককের কাছে ঋণ বা বিনিয়োগ করে। 

সূত্র: বিশ্ব ব্যাকং ওয়েবসাইট ও পত্রিকা রিপোর্ট।
১৫.
How many government EPZs are currently in Bangladesh?
  1. 7
  2. 8
  3. 9
  4. 10
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সরকারি ইপিজেড ৮টি রয়েছে। 

ইপিজেড:
→ বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি।
→ সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
→ বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
→ ১৯৮৩ সালে এটি যাত্রা শুরু করে।

এছাড়াও, 
→ বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
→ বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
→ মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
→ আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
→ কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

বিঃদ্রঃ বাজারের অনেক গাইড বইয়ে বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ১০টি দেওয়া আছে যা প্রকৃতপক্ষে সঠিক নয়। বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি। 
 
সূত্র: বেপজা ওয়েবসাইট।