পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিক - আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক i) নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তি; ii) বিভিন্ন গোয়েন্দা, গেরিলা ও জঙ্গী সংস্থা, বিদ্রোহী জোট [FBI, CIA, FSB, RAW, Fairfax, মোসাদ, আমান, M16, হামাস, হিজবুল্লাহ, আল শাবাব, আইরিস রিপানলিকান আর্মি, টুপাক আমারু, ফার্ক, আবু শায়াফ, শাইনিং পাথ, M-23, উলফা, খেমারুজ, পিকেকে, ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর, গডস আর্মি, ইসলামিক স্ট্যাট, হুথি বিদ্রোহী, লস্কর - ই তৈইব্যা, জইশ মোহাম্মদ, হিজবুত তাহরীর, JKLF, নকশাল, তানজিম আল জিহাদ, M19] উৎস: বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, হিস্টরি.কম, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
'সায়রেট মেটাকল' কী?
  1. RAW এর কমান্ডো বাহিনী
  2. Mossad এর কমান্ডো বাহিনী
  3. FBI এর কমান্ডো বাহিনী
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
•মোসাদ:
- মোসাদ ইসরায়েলের একটি গোয়েন্দা সংস্থা।
- ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে মোসাদ গঠিত হয়।
- তৎকালীন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী ডেভিড বেনগুরিয়ন এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- এর সদর দপ্তর তেলআবিবে অবস্থিত।
- মোসাদকে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা বিবেচনা করা হয়। এটি বহির্বিশ্বে জুয়িশ কমিউনিটির স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে।
- 'সায়রেট মেটাকল' Mossad এর কমান্ডো বাহিনী। 
- মোসাদ ব্যতীত ইসরাইলের অপর দুটি গোয়েন্দা সংস্থা হলো আমান এবং শিনবেত।

তথ্যসূত্র - মোসাদ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। 
.
MI6 সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. এডিনবরা
  2. কার্ডিফ
  3. লন্ডন
  4. বেলফাস্ট
ব্যাখ্যা
• MI6:
- MI6 যুক্তরাজ্যের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস বা এমআই৬ বিদেশী গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং যথাযথ প্রচারের জন্য ব্রিটিশ সরকারী সংস্থা।
- সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস-এর ছয়টি সেকশনের জন্যে - এটি MI6 নামে পরিচিত।
- এটি ১৯০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্যে।
- জার্মানিতে অ্যাডলফ হিটলারের ক্ষমতায় উত্থানের পর, MI6 ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা এবং এশিয়ার বেশিরভাগ অংশে গুপ্তচরবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- MI6 ব্রিটিশ ভূখণ্ডের বাইরে গুপ্তচরবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনার জন্যও অভিযুক্ত।

উৎস: SIS ওয়েবসাইট। 
.
হেনরি কিসিঞ্জার কিসের জন্য শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ক্যাম্প ডেভিট চুক্তি
  2. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  3. ডেটন চুক্তি
  4. ভার্সাই শান্তি চুক্তি
ব্যাখ্যা
• প্যারিস শান্তি চুক্তি:
- প্যারিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান:প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: ভিয়েতনাম-যুক্তরাষ্ট্র।
- এই চুক্তির ফলে ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান হয়।
- এই শান্তি চুক্তির কারণে হেনরি কিসিঞ্জার ও লি ডাক থো ১৯৭৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন।

সূত্র: Britannica.  
.
ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. মিশর
  2. তুরস্ক
  3. ইরান
  4. সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
• ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস (IRGC) 
 - ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর শাখা, ইরানের নিয়মিত সেনাবাহিনী থেকে স্বাধীন ।
- ইরানের নেতা রুহুল্লাহ খোমেনি ১৯৭৯ সালের এপ্রিলে ডিক্রির মাধ্যমে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) প্রতিষ্ঠা করেন।
- এবং ইরানের বিপ্লবের (১৯৭৮-৭৯) পরে গঠিত ইসলামী প্রজাতন্ত্রকে রক্ষা করার দায়িত্ব দেন।
- ইরান-ইরাক যুদ্ধে IRGC-এর অংশগ্রহণ (১৯৮০-৮৮) এর ভূমিকা এবং শক্তি উভয়েরই বিস্তৃতি ঘটায়।
- এটিকে ইরানের প্রভাবশালী সামরিক বাহিনীতে পরিণত করে, যার নিজস্ব সেনাবাহিনী , নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনী এবং পরবর্তীতে তার নিজস্ব গোয়েন্দা শাখা।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
.
SAFTA চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ কয়টি?
  1. ১০টি
  2. ৮টি
  3. ৭টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
•SAFTA:
- চুক্তির পূর্ণনাম: South Asian Free Trade Area (SAFTA)
- স্বাক্ষরিত হয় SAPTA চুক্তির সীমাবদ্ধতাগুলোকে মিটিয়ে ৬ জানুয়ারি ২০০৪ সালে পাকিস্তানের সম্মেলনে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
- কার্যকর হয় ১ জানুয়ারি, ২০০৬।
- স্বাক্ষরকারী দেশ ৮টি।

• SAPTA:

- এর পূর্ণরূপ: SAARC Preferential Trading Arrangement (SAPTA)।
- সার্কের সদস্য দেশসমূহের মধ্যে বাণিজ্যিক সমতা ও সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য এই চুক্তিটি করা হয়।
- ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে কলম্বোতে অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিওনাল কো-অপারেশন (সার্ক)-এর ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে সার্ক দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য উদারীকরণের ধারণাটি প্রথম উত্থাপিত হয়েছিল।
- ১৯৯৩ সালের এপ্রিলে এটি ঢাকায় স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ ৭টি।

তথ্যসূত্র - সার্ক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। 
.
INF চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট অনুমোদন করে কত সালে?
  1. ১৯৮৭ সালে
  2. ১৯৮৮ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
- INF চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে।
-  Intermediate Range Nuclear Forces Treaty ছিল পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের ব্যাপারে বড় অগ্রগতি।
- ১৯৮৭ সালের ৮ ডিসেম্বর এটি ওয়াশিংটনে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- স্বাক্ষর করেছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান ও সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ।
- যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট এটি অনুমোদন করে ১৯৮৮ সালের ২৭ মে।
- ১ জুন, ১৯৮৮ রিগান ও গর্বাচেভ এটি অনুমোদন করেন।
- চুক্তিবলে ভূমিতে স্থাপিত ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ক্রুজ মিসাইল (যার ব্যাপী ৫০০-১০০০ কিলোমিটার ও ১০০০- ৫৫০০ কি.মি.) নিষিদ্ধ করা হয়।
- সমুদ্রে ও আকাশে ব্যবহৃত মিসাইল এই চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
- ১৯৯১ সালের মে মাসের মধ্যে দেশ দুটি প্রায় ২৬৯২টি মিসাইল ধ্বংস করে।
- কিন্তু এই চুক্তিটি অকার্যকর হয়ে যায় যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর এই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন।
- ২০১৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সরকারিভাবে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিটি স্থগিত করে।
- রাশিয়াও পরদিন এই চুক্তিটি স্থগিত করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
ভূমি মাইন চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. লন্ডন
  2. নিউইয়র্ক
  3. রোম
  4. অটোয়া
ব্যাখ্যা
• অটোয়া চুক্তি
- স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ১৯৯৭ সালে স্থান- কানাডার অটোয়ায়।
- অপর নাম- অটোয়া চুক্তি।
- স্বাক্ষরকারী প্রথম দেশ- কানাডা।
- উদ্দেশ্য- স্থলমাইন মজুদ, উৎপাদন, হস্তান্তর ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা।
- স্বাক্ষর করেনি- চীন, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, ইরান, ইসরাইল।
- ১৯৯২ সালে, ছয়টি বেসরকারি সংস্থা বিশ্বব্যাপী ল্যান্ডমাইন নিষিদ্ধ করার লক্ষ্য নিয়ে একটি সচেতনতামূলক প্রচারণা শুরু করে।
- ১৯৯৬ সালের অক্টোবর, প্রথম অটোয়া সম্মেলনে, কানাডার পররাষ্ট্র মন্ত্রী লয়েড অ্যাক্সওয়ার্দি অটোয়া প্রক্রিয়া চালু করেন।
- পরবর্তীতে,
১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে, দ্বিতীয় অটোয়া সম্মেলনে ১২২টি দেশ স্থল মাইন নিষিদ্ধ চুক্তি অনুমোদন করে। ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে অটোয়া চুক্তি কার্যকর হয়।
- ২০২৩ সাল পর্যন্ত, ১৬৪টি দেশ (ফিলিস্তিন সহ) চুক্তিটি অনুমোদন করেছে এবং মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে কিন্তু এটি অনুমোদন করেনি। 

উৎস: ব্রিটানিকা।  
.
'অকাস' কী ধরনের চুক্তি?
  1. নিরাপত্তা চুক্তি
  2. মুক্ত বানিজ্য
  3. অবাধ সমুদ্র চলাচল
  4. অর্থনৈতিক চুক্তি
ব্যাখ্যা
অকাস (Aukus) চুক্তি:
- অকাস চুক্তি হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি।
- গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ এই চুক্তি স্বাক্ষরের ঘোষণা প্রদান করা হয়।
- অকাস চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের উত্থান ও তৎপরতাকে ব্যাহত করা। এই চুক্তির অধীনে যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়াকে পরমাণু শক্তি চালিত সাবমেরিন নির্মাণে প্রযুক্তিগত সহায়তা করবে।
- এই চুক্তির ফলে ফ্রান্সের সাথে অস্ট্রেলিয়ার করা ১২টি সাবমেরিন তৈরির চুক্তি অকার্যকর হয়ে যাওয়ায় ফ্রান্স অকাস চুক্তির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে।
- অকাস চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের সমন্বয়ে গঠিত কোয়াডের গুরুত্বও কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড ও গার্ডিয়ান প্রতিবেদন।
.
THAAD (থাড) কী?
  1. গোয়েন্দা সংস্থা
  2. সন্ত্রাসী সংস্থা
  3. পরিবেশ সংস্থা
  4. মিসাইল প্রতিরক্ষা সংস্থা
ব্যাখ্যা
• THAAD (থাড) :
- থাড বা Terminal High Altitude Area Defense (THAAD) হচ্ছে এক ধরনের মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
- মার্কিন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনকারী সংস্থা লকহিড মার্টিন থাড মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করে।
- শত্রু কোনো দেশ থেকে যদি কোনো মিসাইল নিক্ষেপিত হয়, থাড প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তা মহাশূন্যেই ধ্বংস করে দিতে সক্ষম।
- যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী এটি ব্যবহার করে এবং ইতোমধ্যে আরব আমিরাত, তুরষ্ক ও দক্ষিণ কোরিয়াতে তা মোতায়েন করা হয়েছে।
- থাড মিসাইল-এর ব্যাপ্তি ১২৫ মাইল।
- থাড মিসাইল ব্যাটারী এক সাথে ৬টি মিসাইল নিক্ষেপ করতে পারে এবং শত্রু মিসাইল টার্গেটে আঘাত হানার আগেই ধ্বংস করতে সক্ষম।
- প্রতিটি থাড মিসাইল ব্যাটারীর মূল্য ৮০০ মিলিয়ন ডলার।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ - তারেক শামসুর রেহমান।
১০.
OPCW এর অফিসিয়াল ভাষা কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
•OPCW (Organization for the Prohibition of Chemical Weapons)
- প্রতিষ্ঠা ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- লক্ষ্য : রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ করা।
- উদ্দেশ্য :  রাসায়নিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক সনদ Chemical Weapons Convention (CWC) বাস্তবায়নের জন্য OPCW প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদরদপ্তর : হেগ, নেদারল্যান্ডস।
-  স্বাক্ষরকারী : ১৯৩টি দেশ এ কনভেনশনে সমর্থন দিয়েছে। দক্ষিণ সুদান, মিশর ও উত্তর কোরিয়া স্বাক্ষর করেনি। ইসরাইল স্বাক্ষর করলেও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি।
- বাংলাদেশ এর অবস্থান :  ১৪ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে এবং ২৫ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে অনুমোদন করে।
- ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে কার্যকর করে।
- সদস্য : ১৯৩টি (সর্বশেষ সদস্য- ফিলিস্তিন)।
- মহাপরিচালক : ফার্নান্দো আরিয়াজ গঞ্জালেজ (স্পেন)।
- ভাষা : ৬টি (আরবি, চাইনিজ, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, রাশিয়ান ও স্পেনিশ)।
- পুরস্কার:  ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ।

উৎস: OPCW ওয়েবসাইট।  
১১.
হিজবুল্লাহর টেলিভিশন চ্যানেল কোনটি?
  1. আল বাহার
  2. আল মানার
  3. আল নাসের
  4. আল ফিদা
ব্যাখ্যা
• হিজবুল্লাহ 
- লেবাননভিত্তিক গেরিলা সংগঠন। 
- প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৮৫ সালে।
- সদর দপ্তর: বৈরুত,লেবানন। 
- প্রধান: শেখ হাসান নাসরুল্লাহ। 
- হিজবুল্লাহ অর্থ আল্লাহর দল।
- হিজবুল্লাহ ইরান ও সিরিয়া থেকে আর্থিক ও রাজনৈতিক সমর্থন গ্রহণ করে। 
-হিজবুল্লাহর টেলিভিশন চ্যানেল হলো : আল মানার। 
- লেবাননে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বাহিনীর ওপর বিভিন্ন সময়ে প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ।
- ২০০০ সালে লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেয় ইসরায়েল। এর কৃতিত্ব নেয় হিজবুল্লাহ।
- ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের ধারণা,
হিজবুল্লাহর কাছে ১ লাখ ৩০ হাজার রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১২.
ওসামা বিন লাদেন কোন শহরে নিহত হন?
  1. শাহীয়াল
  2. লন্ডি কোটাল
  3. আলিজাই
  4. অ্যাবোটাবাদ
ব্যাখ্যা
• ওসামা বিন লাদেন
- জন্ম ১৯৫৭ সালে, রিয়াদ , সৌদি আরব
- জঙ্গি ইসলামি সংগঠন আল-কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা।
- ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ব বাণিজ্যকেন্দ্র ও টুইন টাওয়ারে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা, যাতে স্তম্ভিত হয়ে যায় পুরো বিশ্ব।
হামলায় প্রাণ হারায় তিন হাজারের বেশি মানুষ।
- নজিরবিহীন ওই হামলার পর আল–কায়েদার নেতা ওসামা বিন লাদেন আমেরিকানদের চোখে বিশ্বের শীর্ষ সন্ত্রাসী হয়ে ওঠেন। 
- তাঁকে ধরতে পরের মাসেই আফগানিস্তানে অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র।
- এর এক দশক পর পাকিস্তানের একটি বাড়িতে মার্কিন কমান্ডোদের অভিযানে নিহত হন ওসামা বিন লাদেন।
-২ মে, ২০১১ সালে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামবাদের ১২০ কি.মি. উত্তরে অবস্থিত অ্যাবোটাবাদ শহরে মার্কিন কমান্ডো হামলায় ওসামা বিন লাদেন নিহত হন। 

উৎস: ব্রিটানিকা।