পরীক্ষা আর্কাইভ

নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন

পরীক্ষানৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৮ টপিক: রিভিশন [নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন সম্পূর্ণ সিলেবাস]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন

নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
আইনের মূল কথা কোনটি?
  1. ব্যক্তি স্বাধীনতার রক্ষক
  2. আইনের চোখে সবাই সমান
  3. বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে
  4. মানুষের বিবেক জাগ্রত করে
ব্যাখ্যা
আইনের সংজ্ঞা:
- আইনের ইংরেজি প্রতিশব্দ 'Law'। সাধারণভাবে আইন বলতে আমরা সুনির্দিষ্ট নীতি ও নিয়ম কানুনকে বুঝে থাকি যা সকলের ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য।
- বিশেষজ্ঞগণ বিভিন্নভাবে আইনের সংজ্ঞা দিয়েছেন।
- এরিস্টটল বলেন, "সমাজের যুক্তিসিদ্ধ ইচ্ছার অভিব্যক্তিই হচ্ছে আইন।"
- অধ্যাপক হল্যান্ড এর মতে, আইন হচ্ছে, "সেই সাধারণ নিয়ম যা মানুষের আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রয়োগ ও বলবৎ করা হয়।”
- আইনবিদ স্যামন্ড এর মতে, "আইন হলো ন্যায় প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত ও প্রয়োগকৃত নীতিমালা।”

সংক্ষেপে বলতে গেলে, আইন বলতে সমাজ স্বীকৃত এবং রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত নিয়ম-কানুনকে বোঝায় যা মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
- অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্ন অনুসারে আইনের মূল কথা হল আইন মানুষের "বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে"।
- আইন মানুষের মঙ্গলের জন্য প্রণয়ন করা হয়।
- আইনের দ্বারা ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির, ব্যক্তির সাথে রাষ্ট্রের এবং রাষ্ট্রের সাথে রাষ্ট্রের সম্পর্ক নির্ধারণ করা হয়।
- সাধারণভাবে দেশের আইনসভা কতৃক আইন প্রণীত হয় এবং নির্বাহী বিভাগ তা প্রয়োগ করে।
- আইন ভঙ্গ করলে শাস্তির বিধান আছে।

উল্লেখ্য, 
- আইনের শাসনের মূল কথা 'আইনের চোখে সবাই সমান' কিন্তু আইনের মূল কথা আইন মানুষের "বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে"।
- বিষয়টা খেয়াল করুন আইন আর আইনের শাসন এক নয়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি রাজনৈতিক সাম্যের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সংগঠন করার স্বাধীনতা
  2. নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুবিধা
  3. বৈধ জীবিকার অর্জনের সুবিধা
  4. ভোটাধিকার প্রয়োগ করা
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক সাম্য:
- রাষ্ট্রীয় কাজে সকলের অংশগ্রহণের সুযোগ-সুবিধা থাকাকে রাজনৈতিক সাম্য বলে।
- প্রত্যেক নাগরিক রাষ্ট্র কর্তৃক নির্ধারিত কিছু সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকে।
- জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এইসব সুযোগ-সুবিধা লাভ করাই রাজনৈতিক সাম্য।
- সংগঠন করার স্বাধীনতা, নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও নির্বাচিত হওয়ার সুবিধা, ভোট দেওয়ার অধিকার ভোগ করা ইত্যাদি রাজনৈতিক সাম্যের পর্যায়ে পড়ে।
- রাজনৈতিক সাম্য না থাকলে রাষ্ট্রে নেতৃত্বের সংকট তৈরি হবার সম্ভাবনা থাকে।
- উল্লিখিত প্রশ্নে 'যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরির সুবিধা' রাজনৈতিক সাম্য নয়। 
-'যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরির সুবিধা' অর্থনৈতিক সাম্য। 

উল্লেখ্য,
অর্থনৈতিক সাম্য: যোগ্যতা অনুযায়ী প্রত্যেকের কাজ করার ও ন্যায্য মজুরি পাওয়ার সুযোগকে অর্থনৈতিক সাম্য বলে।
-বেকারত্ব থেকে মুক্তি, বৈধ জীবিকার অর্জনের সুবিধা ইত্যাদি অর্থনৈতিক সাম্যের অন্তর্ভুক্ত।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, এবং পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল কোন গ্রন্থে গোল্ডেন মিন (Golden Mean) মতবাদটি ব্যাখ্যা করেন?
  1. Politics
  2. Eudemian Ethics
  3. Nicomachean Ethics
  4. Metaphysica
ব্যাখ্যা
গোল্ডেন মিন (Golden Mean):
- গোল্ডেন মিন বা সুবর্ণ মধ্যক হলো একটি দার্শনিক মতবাদ।
- গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল এই ধারণার প্রবর্তক।
-  দার্শনিক এরিস্টটলের "নিকোমেকিয়ান এথিকস" (Nicomachean Ethics) গ্রন্থে এই মতবাদটি ব্যাখ্যা করেন।
- দুটি চরম পন্থার মধ্যবর্তী কোন পন্থাকে গোল্ডেন মিন বা সুবর্ণ মধ্যক বলে।
- যেমন: একদিকে খুবই প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে খুবই অভাব। এ দুটি অবস্থার মাঝামাঝি অবস্থাই হলো গোল্ডেন মিন।
- গোল্ডেন মিনের ধারণাটি নৈতিকতা, রাজনীতি এবং ব্যক্তিগত জীবনে ভারসাম্যের প্রয়োজনীয়তা প্রকাশ করে

উল্লেখ্য,
গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল:
- Nicomachean Ethics- গ্রন্থে নৈতিকতার মধ্যমপন্থা এবং মানব জীবনের শ্রেষ্ঠ উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা করেন।
- Eudemian Ethics- নৈতিকতা সম্পর্কিত আরও একটি বই, যা নিকোমেকিয়ান এথিকসের সাথে সম্পর্কিত।
- Politics - গ্রন্থে আদর্শ সমাজব্যবস্থা ও রাজনৈতিক কাঠামো নিয়ে আলোচনা করেন।
- Metaphysica বা Metaphysics- গ্রন্থে বাস্তবতার মূল স্বভাব এবং সত্তার প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
.
কোনটি ইমানুয়েল কান্ট (Emanuel Kant) এর রচিত বই নয়?
  1. Critique of Pure Reason
  2. The Metaphysics of Morals
  3. Critique of Practical Reason
  4. Critique of Justice and Rights
ব্যাখ্যা
⇒ দার্শনিক ইমানুয়েল কান্ট (Emanuel Kant):
- ইমানুয়েল কান্ট জার্মান নীতিবিজ্ঞানী।
- তাঁর নীতিবিদ্যার মূলকথা তিনটি।
যথা:- সৎ ইচ্ছা, কর্তব্যের জন্য কর্তব্য এবং শর্তহীন আদেশ।

-'কর্তব্যমুখী নৈতিকতা' বা 'কর্তব্যের নৈতিকতার' দর্শন যে কোনো কর্মের ফল বা পরিণতির বদলে কর্মের ধরনকে গুরুত্ব দেয়।
-ইমানুয়েল কান্টকে 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতার' প্রবর্তক বলা হয়।

নীতিশাস্ত্রের উপর তাঁর রচিত বই:
- Groundwork for Metaphysics of Morals.
- Critique of Pure Reason.
- Critique of Practical Reason.
- Critique of Judgement.
- The Metaphysics of Morals ইত্যাদি।

- উল্লিখিত প্রশ্নের 'Critique of Justice and Rights' ইমানুয়েল কান্টের রচিত বই নয়। 
- তার রচিত বই হচ্ছে - 'Critique of Judgement'।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
.
নীতিবিদ্যাকে "মানুষের আচরণ সম্পর্কিত বিজ্ঞান" হিসেবে কে আখ্যায়িত করেন?
  1. স্টুয়ার্ট সি. ডড
  2. উইলিয়াম লিলি
  3. নিকোলাস রেসার
  4. এম. ডব্লিউ. পামফ্রে
ব্যাখ্যা
⇒ নীতিবিদ্যা:
- নীতিবিদ্যার ইংরেজি প্রতিশব্দ Ethics শব্দটি গ্রিক শব্দ Ethos থেকে উদ্ভূত যার অর্থ হলো ঐচ্ছিক আচরণ।
- মানুষের আচরণের নৈতিক মূল্য ও আদর্শ নির্ধারণ করা নীতিবিদ্যার কাজ।
- নীতিবিদ্যা হলো মানুষের আচরণের রীতিনীতি সম্পর্কিত বিজ্ঞান।
- নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয় মানুষের - আচরণ।
- নীতিবিদ্যা মানুষের ঐচ্ছিক আচরণ নিয়ে আলোচনা করে।
- ঐচ্ছিক আচরণ হলো মানুষের সেসব আচরণ যেগুলো মানুষ স্বপ্রণোদিত হয়ে করে থাকে।

⇒ উইলিয়াম লিলি- তাঁর An Introduction to Ethics বইয়ে নীতিবিদ্যার সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন,
‘‘নীতিবিদ্যা হলো সমাজে বসাবাসকারী মানুষের আচরণ সম্পর্কিত বিজ্ঞান যেখানে আচরণের সঠিকতা বা অসঠিকতা, ভালো বা মন্দ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়।’’

তথ্যসূত্র: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন গ্রন্থটি John Stuart Mill কর্তৃক রচিত?
  1. On Liberty
  2. Leviathan
  3. The Republic
  4. The Spirit of Laws
ব্যাখ্যা
⇒ John Stuart Mill:
- ইংরেজ দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ এবং উপযোগবাদের প্রবক্তা।

⇒ তার রচিত গ্রন্থসমূহ:
- “On Liberty”.
- “A System of Logic”.
- “Autobiography”.
- “Considerations on Representative Government”.
- “Essays on Some Unsettled Questions of Political Economy”.
- “Examination of Sir William Hamilton’s Philosophy”.

অন্যদিকে -
- টমাস হবসের গ্রন্থের নাম Leviathan.
- The Republic গ্রন্থটির লেখক প্লেটো। 
- 'The Spirit of Laws'- গ্রন্থের রচয়িতা ফরাসি দার্শনিক মন্টেস্কু।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
.
প্লেটোর মতে নিচের কোনটি সদগুণ নয়?
  1. প্রজ্ঞা
  2. সাহস
  3. বিনয়
  4. উদারতা
ব্যাখ্যা
প্লেটো:
- ইংরেজিতে যাকে Virtue বলা হয়, সেটাকে বাংলায় বলে - সদগুণ।
- Virtue শব্দটির আভিধানিক অর্থ হচ্ছে Excellence বা উৎকর্ষতা। 
- এই হিসেবে মানুষের চরিত্রের যে সব লক্ষণগুলো তার চরিত্রের উৎকর্ষতা প্রমাণ করে তাদেরকেই সদগুণ বলা হয়।

- প্লেটো ৪টি প্রধান সদগুণের (Cardinal Virtues) কথা উল্লেখ করেছেন।  
এগুলো হচ্ছে : 
- প্রজ্ঞা,
- সাহস, 
- বিনয় ও 
- ন্যায়। 

উল্লিখিত প্রশ্নে 'উদারতা' প্লেটোর মতে সদগুণ নয়। 

- এদের মধ্যে ন্যায়কেই তিনি রাষ্ট্র ও ব্যক্তি উভয়ের ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ অত্যাবশ্যকীয় সদগুণরূপে অভিহিত করেন।
- তবে ব্যক্তি বা রাষ্ট্রের মধ্যে যখন অন্য তিনটি সদগুণের অস্তিত্ব থাকে তখনই ন্যায়রূপ সদগুণের অভ্যুদয় ঘটে।

তথ্যসূত্র: নীতিবিদ্যা, SSHL, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
‘Government of the people, by the people, for the people’ কার উক্তি?
  1. ম্যাকাইভার
  2. স্যার জন সীলি
  3. মার্টিন লুথার কিং
  4. আব্রাহাম লিংকন
ব্যাখ্যা
গণতন্ত্র:
- গণতন্ত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ হল democracy।
- গণতন্ত্র বলতে জনগণের হাতে ক্ষমতা রয়েছে এমন সরকারকে বোঝায়।
- গণতন্ত্রের নিখুঁত সংজ্ঞা দিয়েছেন লিংকন।
- আব্রাহাম লিংকন-এর ভাষ্য মতে, ‘Government of the people, by the people, for the people’.
- অর্থাৎ ‘গণতন্ত্র হলো জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা সরকার, জনগণের জন্য সরকার।’

উল্লেখ্য,
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন একজন মার্কিন রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী।
- ১৮৬১ সালে আমেরিকার ১৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি দায়িত্ব নেন।
- তিনি আমেরিকার অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট।

তথ্যসূত্র:  i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
              ii) ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
.
সব ধরনের স্বাধীনতার মূলভিত্তি -
  1. অর্থনৈতিক স্বাধীনতা
  2. রাজনৈতিক স্বাধীনতা
  3. জাতীয় স্বাধীনতা
  4. সামাজিক স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
জাতীয় স্বাধীনতা (National liberty):
- 'বৈদেশিক শাসনের নাগপাশ থেকে মুক্তি লাভ করে যখন একটি জাতি পূর্ণ সার্বভৌমত্ব অর্জন করে তখন তাকে ‘জাতীয় স্বাধীনতা বা সার্বভৌমত্ব' বলে।
- জাতীয়তাবোধে উদ্বুদ্ধ একটি জনসমষ্টি পৃথক রাজনৈতিক সংগঠন ও রাষ্ট্র গড়ে তুলে জাতীয় স্বাধীনতা অর্জন করে।
- জাতীয় স্বাধীনতা ব্যতীত অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা মূল্যহীন।
- জাতীয় স্বাধীনতা সব ধরনের স্বাধীনতার মূলভিত্তি।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১০.
'বল নয়, ইচ্ছাই রাষ্ট্রের ভিত্তি' কে বলেছেন?
  1. Aristotle
  2. Rousseau
  3. T.H. Green
  4. John Locke
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রের ভিত্তি:
- রাষ্ট্রের স্থায়িত্বের জন্য জনমত ও জনগণের ইচ্ছা একান্ত প্রয়োজন।
- প্রকৃতপক্ষে রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ও স্থায়িত্ব নির্ভর করে জনগণের ইচ্ছার উপর।
- ইংরেজ দার্শনিক টি. এইচ. গ্রিন (T.H. Green), তাই যথার্থই বলেছেন, 'বল নয়, জনগণের ইচ্ছাই রাষ্ট্রের ভিত্তি' ("Will, not force is the basis of state").
- রাষ্ট্রের উৎপত্তি সম্পর্কে বলপ্রয়োগ মতবাদ সমর্থন যোগ্য না হওয়া সত্ত্বেও এ মতবাদের যে কোনরূপ গুরুত্ব ও প্রভাব যে নেই তা নয়।
- একথা সর্বজনস্বীকৃত যে, বল বা শক্তির সমর্থন ব্যতীত রাষ্ট্র টিকে থাকতে পারে না।
- রাষ্ট্রাভ্যন্তরে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে রাষ্ট্রকে রক্ষা করার জন্যও শক্তির প্রয়োজন।
- একারণেই বলা হয় যে, 'রাষ্ট্র একটি বলপ্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠান” ('The state is a coercive institution)'.

তথ্যসূত্র: রাষ্ট্রবিজ্ঞান: রাষ্ট্রতত্ত্ব, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
নৈতিকতার ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ কী?
  1. Ethics
  2. Equity
  3. Moral
  4. Morality
ব্যাখ্যা
⇒ নৈতিকতা:
- নৈতিকতার ইংরেজি শব্দ Morality। ইংরেজি Morality শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ Moralitas থেকে, যার অর্থ সঠিক আচরণ বা চরিত্র।
- গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস, প্লেটো, এরিস্টটল সর্বপ্রথম নৈতিকতার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।
- সক্রেটিস বলেছেন - "সৎ গুণই জ্ঞান" (Virtue is knowledge) তিনি বিশ্বাস করতেন যে, জ্ঞানী -গুণী ব্যক্তিরা অন্যায় করতে পারেন না এবং ন্যায় বোধের উৎস হচ্ছে জ্ঞান এবং অন্যায় বোধের উৎস হচ্ছে 'অজ্ঞতা'।

⇒ নৈতিকতার প্রামান্য সংজ্ঞা:
- জোনাথান হেইট (Jonathan Haidt) মনে করেন, "ধর্ম, ঐতিহ্য, ও মানব আচরণ - তিনটি থেকেই নৈতিকতার উদ্ভব হয়েছে।"
- নীতিবিদ জি. ম্যুর বলেন, "শুভর প্রতি অনুরাগ ও অশুভর প্রতি বিরাগই হচ্ছে নৈতিকতা।"

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।