পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

পরীক্ষাপ্রাইমারি ডেইলি কুইজতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) টপিক: রাষ্ট্র, নাগরিকতা, সরকার ও রাজনীতি, বাংলাদেশের সংবিধান (ইতিহাস ও প্রস্তাবনা)। উৎস: বাংলাপিডিয়া, জাতীয় তথ্যবাতায়ন, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
রাষ্ট্র কী ধরনের প্রতিষ্ঠান?
  1. সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান
  2. রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান
  3. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
  4. অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্র :
- রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।
- বিশ্বের সকল মানুষ কোনো না কোনো রাষ্ট্রে বসবাস করে।
-  অধ্যাপক গার্নার বলেন, 'সুনির্দিষ্ট ভুখণ্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী, সুসংগঠিত সরকারের প্রতি স্বভাবজাতভাবে আনুগত্যশীল, বহিঃশত্রুর নিয়ন্ত্রণ হতে মুক্ত স্বাধীন জনসমষ্টিকে রাষ্ট্র বলে।'

রাষ্ট্রের ৪টি উপাদান রয়েছে-
(১) জনসমষ্টি
(২) নির্দিষ্ট ভূখণ্ড
(৩) সরকার ও
(৪) সার্বভৌমত্ব।
এই চারটি উপাদান রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য। এর কোন একটি না থাকলে রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

.
রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কোনটি?
  1. নির্দিষ্ট ভূখণ্ড
  2. জনসমষ্টি
  3. সার্বভৌমত্ব
  4. সরকার
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রের চারটি উপাদান :
যথা- 
১।জনসমষ্টি, 
২।নির্দিষ্ট ভূখণ্ড,
৩। সরকার ও 
৪। সার্বভৌমত্ব।

• জনসমষ্টি: 
⇒ রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য উপাদান জনসমষ্টি। কোনো ভূখণ্ডে একটি জনগোষ্ঠী স্থায়ীভাবে বসবাস করলেই রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে। তবে একটি রাষ্ট্র গঠনের জন্য কী পরিমাণ জনসমষ্টি প্রয়োজন, এর কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়ম নেই। 

• নির্দিষ্ট ভূখণ্ড: 
⇒ রাষ্ট্র গঠনের জন্য নির্দিষ্ট ভূখণ্ড আবশ্যক। ভূখণ্ড বলতে একটি রাষ্ট্রের স্থলভাগ, জলভাগ ও আকাশসীমাকে বোঝায়।

• সরকার: 
⇒ রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান সরকার। সরকার ছাড়া রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না। রাষ্ট্রের যাবতীয় কার্যাবলি সরকারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। সরকার গঠিত হয় তিনটি বিভাগ নিয়ে। যথা- আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ।

• সার্বভৌমত্ব: 
⇒ সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা। এর দুটি দিক রয়েছে, যথা- অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সার্বভৌমত্ব।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

.
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা কোন ধরনের?
  1. এককেন্দ্রিক রাজতন্ত্র
  2. সংসদীয় গণতন্ত্র 
  3. যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার 
  4. সংসদীয় ইসলামিকপ্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা

• সরকার কাঠামো:
- বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রিক সরকার কাঠামোভিত্তিক রাষ্ট্র।
- কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে সকল প্রশাসনিক ক্ষমতা ন্যস্ত।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থার ধরণ - সংসদীয় গণতন্ত্র।
- রাজধানী ঢাকা থেকে সারাদেশের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে সারা দেশকে বিভিন্ন প্রশাসনিক এককে ভাগ করে নেওয়া হয়েছে।
- তবে সকল প্রশাসনিক কর্মকান্ড পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে কেন্দ্রীয় সচিবালয়।
- কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের সকল প্রশাসনিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী।
- রাষ্ট্রপতির নামে রাষ্ট্রের সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয় এবং প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদের কার্যকরি প্রধান হিসেবে সকল কার্য পরিচালনা করে থাকেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
জন্মস্থান নীতি সংজ্ঞা অনুসারে, যদি বাংলাদেশের নাগরিকের সন্তান যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করে, তবে সে— 
  1.  যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হবে
  2. বাংলাদেশের নাগরিক হবে
  3. দ্বৈত নাগরিক হবে
  4. রাষ্ট্রহীন থাকবে
ব্যাখ্যা

• নাগরিকতা অর্জনের পদ্ধতি:
- নাগরিকতা অর্জনের দু'টি পদ্ধতি রয়েছে।
এগুলো হচ্ছে:
(ক) জন্মসূত্রে নাগরিক এবং
(খ) অনুমোদনসূত্রে নাগরিক।

- যারা জন্মগতভাবে কোন রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জন করে তাদেরকে জন্মসূত্রে নাগরিক বলে।
- আর যারা কতকগুলো শর্তপূরণ করে শর্ত আরোপকারী রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জন করে তাদেরকে অনুমোদনসূত্রে নাগরিক বলে।

• জন্মসূত্রে নাগরিকতা অর্জনের পদ্ধতি:
জন্মসূত্রে নাগরিকতা অর্জনের ক্ষেত্রে দু'টি নীতি মেনে চলা হয়- (ক) জন্মস্থান নীতি ও (খ) জন্মনীতি।

(ক) জন্মস্থান-নীতি:
- জন্মস্থান নীতি অনুযায়ী শিশু যে রাষ্ট্রে ভূমিষ্ট হয় সে রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জন করে।
- যদি কোন রাষ্ট্রের পতাকাবাহী জাহাজ, বিমান কিংবা দূতাবাসে জন্মগ্রহণ করে তবে সে সেই রাষ্ট্রের নাগরিক বলে বিবেচিত হবে।
যেমন-বাংলাদেশের কোন পিতা-মাতার সন্তান যদি কানাডা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বা তাদের পতাকাবাহী বিমান বা দূতাবাসে জন্মগ্রহণ করে তবে সে সন্তান কানাডা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হবে।
- অস্ট্রেলিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই নীতি অনুসরণ করে।

(খ) জন্মনীতি:
- এই নীতি অনুযায়ী শিশু যেখানেই ভূমিষ্ট হোক না কেন, পিতা-মাতার নাগরিকতাই তার নাগরিকতা নির্ধারণ করবে। যেমন:
- জাপানের কোন পিতা-মাতার সন্তান যদি রাশিয়ায় জন্মগ্রহণ করে তবে সেই সন্তান জাপানের নাগরিক বলে বিবেচিত হবে।
- বাংলাদেশ, ফ্রান্স, জাপান, ইতালী প্রভৃতি রাষ্ট্র জন্মনীতি মেনে চলে।

• অনুমোদনসূত্রে নাগরিকতা অর্জন:
- যদি কোন ব্যক্তি অনুমোদনসূত্রে নাগরিক হতে চায় তবে তাকে নাগরিকতা অর্জনের জন্য নিম্নলিখিত এক বা একাধিক শর্ত পূরণ করতে হয়:
(১) অনুমোদনদানকারী রাষ্ট্রের নাগরিককে বিয়ে করতে হয়,
(২) সেনাবাহিনীতে যোগদান করতে হয়,
(৩) সরকারি চাকরি করতে হয়,
(৪) সম্পত্তি ক্রয় করতে হয়,
(৫) ভাষা জানতে হয়,
(৬) নির্দিষ্ট সময় বসবাস করতে হয়।
- অনুমোদনের শর্ত রাষ্ট্রভেদে আলাদা হতে পারে। শর্ত পূরণ সাপেক্ষে একজন বিদেশীকে অনুমোদনকারী রাষ্ট্রের নিকট আবেদন করতে হয় এবং আবেদন মঞ্জুর হলেই একজন বিদেশী অনুমোদনদানকারী রাষ্ট্রের অনুমোদনসূত্রে নাগরিকে পরিণত হয়।

উৎস: পৌরনীতি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য কোনটি?
  1. দলীয় আদর্শ প্রচার করা
  2. জনমত গঠন করা
  3. পররাষ্ট্র নীতি তৈরি করা
  4. রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ করা
ব্যাখ্যা

• রাজনৈতিক দল:
- প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য হল রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ এবং সরকার গঠন।
- ক্ষমতায় এসে নিজের কর্মসূচি ও মতাদর্শকে বাস্তবায়িত করার জন্য প্রতিটি দলই উদ্যোগ গ্রহণ করে।
- আধুনিক গণতান্ত্রিক দেশে একাধিক রাজনৈতিক দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করে।
- শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত দলের লক্ষ্য হল ক্ষমতায় টিকে থাকা।
- আর বিরোধী দলসমূহ নিজ-নিজ আদর্শের ভিত্তিতে শাসক দলকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায়।

এছাড়াও,
- রাজনৈতিক কিছু কার্যাবলী:
- জনমত গঠন,
- প্রার্থী মনোনয়ন,
- প্রতিশ্রুতি রক্ষা,
- সমন্বয় সাধন,
- সরকার ও জনগণের মধ্যে সংযোগ সাধন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, ১ম পত্র এইচ এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় কত তারিখে?
  1. ৩ নভেম্বর ১৯৭২
  2. ১৭ অক্টোবর ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর ১৯৭২
  4. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
ব্যাখ্যা

• গণপরিষদ:
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে- ১০  এপ্রিল ১৯৭২।
- গণ পরিষদের খসড়া সংবিধান উত্থাপিত হয় ১২ অক্টোবর ১৯৭২।
- সংবিধান গৃহীত হয় -৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- কার্যকর হয় -১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
- গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করেন- ড. কামাল হোসেন।   
- গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন- শাহ আব্দুল হামিদ।
- গণ পরিষদের  ডেপুটি স্পিকার  ছিলেন-মোহাম্মদ উল্লাহ।
- গণ পরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন- মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগী।
- সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন-৩৪ জন
- একমাত্র নারী সদস্য- বেগম রাজিয়া বানু।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র বিরোধী দলের সদস্য ছিলেন- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ গণপরিষদ হল ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক  সংবিধান  অধিবেশন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন বা অপসারণ করার ক্ষমতা রয়েছে কার?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. জাতীয় সংসদ
  3. সুপ্রিমকোর্ট
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

• জাতীয় আইনসভার ক্ষমতা ও কার্যবলী :
- বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নামে একটি আইনসভা থাকবে এবং এর ওপর প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা ন্যস্ত হবে।
- সংবিধান অনুযায়ী সংসদ যে কোনো নতুন আইন প্রণয়ন ও প্রচলিত আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করতে পারে।
- সংসদ আইনের মাধ্যমে যে কোনো সংস্থা বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ প্রদান, বিধি, উপবিধি ও প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে পারে।
- সংসদের আস্থাভাজন ব্যক্তিই প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন এবং তিনি মন্ত্রিসভা গঠন করেন।
- প্রধানমন্ত্রী সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন হয়।
- সংবিধান লঙ্ঘন, গুরুতর অপরাধ, দৈহিক ও মানসিক অসুস্থতা ও অক্ষমতার জন্য সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন বা অপসারণ করতে পারে জাতীয় সংসদ।
- জাতীয় সংসদ নির্বাচন, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, ন্যায়পাল ইত্যাদি পদের নির্বাচনি ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

.
”কর প্রদান” নাগরিকের কী ধরনের কর্তব্য?
  1. নৈতিক কর্তব্য
  2. ধর্মীয় কর্তব্য
  3. আইনগত কর্তব্য
  4. অর্থনৈতিক কর্তব্য
ব্যাখ্যা

• অধিকার ভোগ করতে গিয়ে নাগরিকরা যেসব দায়িত্ব পালন করে, তাকে কর্তব্য বলে।
- নাগরিকের কর্তব্যকে দুভাগে ভাগ করা যায়।

• নৈতিক কর্তব্য:
- নৈতিক কর্তব্য মানুষের বিবেক এবং সামাজিক নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ থেকে আসে এবং সামাজিক নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ থেকে সৃষ্টি হওয়ায় এগুলোকে নৈতিক কর্তব্য বলে।
-যেমন-
- নিজে শিক্ষিত হওয়া 
- সন্তানদের শিক্ষিত করা,
-সততার সাথে ভোট দান,
- রাষ্ট্রের সেবা করা, 
- বিশ্বমানবতার সাহায্যে এগিয়ে আসা। 

• আইনগত কর্তব্য:
- রাষ্ট্রের আইন দ্বারা আরোপিত কর্তব্যকে আইনগত কর্তব্য বলে।
যেমন-
- রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য,
- আইন মানা,
- কর প্রদান করা,

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

.
বাংলাদেশের নির্বাহীবিভাগের অন্তর্ভুক্ত নয়-
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. বিশেষ ট্রাইব্যুনাল 
  3. মন্ত্রিপরিষদ 
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের নির্বাহীবিভাগের অন্তর্ভুক্ত নয়- ”বিশেষট্রাইব্যুনাল”।
- ”বিশেষট্রাইব্যুনাল” বিচার বিভাগের অর্তর্ভুক্ত ।

• বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন বিভাগ:
- পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সরকার ব্যবস্থার মতো বাংলাদেশ সরকারের তিনটি বিভাগ আছে।
সেগুলো হচ্ছে:
(১) নির্বাহীবিভাগ
(২) আইনবিভাগ ও
(৩) বিচারবিভাগ। 

• নির্বাহীবিভাগ:
- নির্বাহীবিভাগকে শাসনবিভাগও বলা হয়ে থাকে। এটি মূলত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে গঠিত।

- সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভা অন্যতম। বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত এবং বিশেষট্রাইব্যুনাল নিয়ে গঠিত।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১০.
স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে বহুদলের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।
- ১৯৭৫-এর নভেম্বরের উন্মাতাল রাজপথে অভিষেক ঘটে তাঁর। তিনি স্বাধীনতার ঘোষক ও যোদ্ধা।
- রমনা বটমূলের খোলা চত্ত্বরে ১ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবদী দল (বিএনপি)’ নামে এই নতুন রাজনৈতিক দলের ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।
- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা - শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।
- ১৯৭৮-এর ৩০ নভেম্বর সরকার ১৯৭৯ সালের ২৭ জানুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দেন।
- স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে এই প্রথম সকল রাজনৈতিক দল ও জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 
- নির্বাচনে বিএনপি ২০৭টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করে 
- বিএনপির প্রথম সরকার গঠন করে ১৯৭৯ সালে।

উৎস : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি'

১১.
খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য সংখ্যা কত ছিল?
  1. ৩৪ জন
  2. ৩০ জন
  3. ২৯ জন
  4. ৩২ জন
ব্যাখ্যা

• গণপরিষদ:
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে- ১০  এপ্রিল ১৯৭২।
- গণ পরিষদের খসড়া সংবিধান উত্থাপিত হয় ১২ অক্টোবর ১৯৭২।
- সংবিধান গৃহীত হয় -৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- কার্যকর হয় -১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
- গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করেন- ড. কামাল হোসেন।   
- গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন- শাহ আব্দুল হামিদ।
- গণ পরিষদের  ডেপুটি স্পিকার  ছিলেন-মোহাম্মদ উল্লাহ।
- গণ পরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন- মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগী।
- সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন-৩৪ জন
- একমাত্র নারী সদস্য- বেগম রাজিয়া বানু।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র বিরোধী দলের সদস্য ছিলেন- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ গণপরিষদ হল ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক  সংবিধান  অধিবেশন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
”স্বাধীনভাবে চলাফেরার ও মত প্রকাশ” নাগরিকের কী ধরনের অধিকার?
  1. রাজনৈতিক অধিকার
  2. অর্থনৈতিক অধিকার
  3. নৈতিক অধিকার
  4. সামাজিক অধিকার
ব্যাখ্যা

• নাগরিকের আইনগত অধিকার:
- যেসব অধিকার রাষ্ট্রের আইন কর্তৃক স্বীকৃত ও অনুমোদিত,সেগুলোকে আইনগত অধিকার বলে। আইনগত অধিকারকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- ক. সামাজিক খ. রাজনৈতিক ও গ. অর্থনৈতিক অধিকার।

• সামাজিক অধিকার:
- সমাজে সুখ-শান্তিতে বসবাস করার জন্য আমরা সামাজিক অধিকার ভোগ করি।
যেমন-
- জীবন রক্ষার,
- স্বাধীনভাবে চলাফেরার ও মত প্রকাশের,
- পরিবার গঠনের,
- শিক্ষার,
- আইনের দৃষ্টিতে সমান সুযোগ লাভের,
- সম্পত্তি লাভের;
- ধর্মচর্চার অধিকার ইত্যাদি।

• রাজনৈতিক অধিকার:
- নির্বাচনে ভোটাধিকার, নির্বাচিত হওয়া এবং সকল প্রকার অভাব-অভিযোগ আবেদনের মাধ্যমে প্রতিকার পাওয়াকে রাজনৈতিক অধিকার বলে।
- এসব অধিকার ভোগের বিনিময়ে নাগরিকরা রাষ্ট্র পরিচালনায় পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।

• অর্থনৈতিক অধিকার:
- জীবনধারণ করা এবং জীবনকে উন্নত ও এগিয়ে নেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপ্রদত্ত অধিকারকে অর্থনৈতিক অধিকার বলে।
যেমন-
- যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করার অধিকার,
- ন্যায্য মজুরি লাভের অধিকার,
- অবকাশ লাভের অধিকার,
- শ্রমিকসংঘ গঠনের অধিকার।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৩.
রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কাজ কোনটি?
  1. আর্থিক কার্যাবলি
  2. পররাষ্ট্র সংক্রান্ত কার্যাবলি
  3. বিচার সংক্রান্ত
  4. শ্রমিক কল্যাণ
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রের কার্যাবলি :
⇒ ঐচ্ছিক কাজ স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে নাগরিকদের জীবনের বহুমুখী উন্নয়ন সাধনের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্র যে কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে সেগুলোকে রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কাজ হিসেবে ধরা যায়। ঐচ্ছিক কাজগুলো নিমে আলোচনা করা হলো:
(১) শিক্ষা সংক্রান্ত কার্যাবলি।
(২) স্বাস্থ্য সংরক্ষণ।
(৩) দরিদ্র কল্যাণ।
(8) শিল্প ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত।
(৫) উন্নয়নমূলক কার্যাবলি।
(৬) সামাজিক নিরাপত্তা।
(৭) অসহায় নারীদের সাহায্য প্রদান।
(৮) শ্রমিক কল্যাণ ।

অন্যদিকে,
-  অপরিহার্য কাজ যেসব কার্য নাগরিকদের জীবন, সম্পত্তি অধিকার, স্বাধীনতা সাথে জড়িত থাকে সেগুলোকে অপরিহার্য কার্যাবলি বলে। রাষ্ট্রের অপরিহার্য কাজগুলো হলো:
১। দেশ রক্ষা।
২। প্রশাসন সংক্রান্ত কার্যাবলি
৩। অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা: 
৪। আর্থিক কার্যাবলি।
৫। আইন সংক্রান্ত কার্যাবলি  
৬। বিচার সংক্রান্ত।
৭। পররাষ্ট্র সংক্রান্ত কার্যাবলি।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের ভাগ কতটি?
  1. ৯টি
  2. ১০টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা

• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা)।
- ১৯৭২ সালরে ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৫.
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ”বিকল্প নীতি উত্থাপন” করে কে?
  1. বিরোধী দল
  2. সুশীল সমাজ
  3. সরকারি দল
  4. জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা

• গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দলের ভূমিকা :
- গঠনমূলক সমালোচনা: 
- অধিকার বাস্তবায়ন: 
- গণতন্ত্র রক্ষা: 
- বিকল্প নীতি উত্থাপন,
- সমস্যা চিহ্নিত করা: 
- জনমত গঠন
- প্রার্থী মনোনয়ন,
- পারস্পরিক সম্পর্ক
- রাজনৈতিক সংযোগ সাধন;
 - রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ;
- জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা;

উৎস : উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১৬.
বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. মন্ত্রণালয়
  2. সিটি কর্পোরেশন
  3. সচিবালয়
  4. বিভাগীয় প্রশাসন
ব্যাখ্যা

• স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন :
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বুঝায়।
- সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়। প্র
- তিনিধিরা তাঁদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন।

• বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ,
- জেলা পরিষদ,
- পৌরসভা,
- সিটি কর্পোরেশন,
- পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৭.
বাংলাদেশের সংবিধানে কতটি প্রস্তাবনা রয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ১টি
  3. ২টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা

• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা)।
- ১৯৭২ সালরে ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৮.
বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. তথ্য কমিশন
  2. দুর্নীতি দমন কমিশন
  3. সরকারি কর্ম কমিশন
  4. মানবাধিকার কমিশন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রধানত বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- সংস্থাটি সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা ও আপিলের মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গেও জড়িত।
- বাংলাদেশের সংবিধানের পাঁচটি অনুচ্ছেদ সংবলিত একটি অধ্যায়ে কমিশনের গঠনপ্রণালী ও কার্যাবলি নির্দেশিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নিয়োগ প্রদান করেন।
- সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।

উল্লেখ্য,
- ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা,
- ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ এবং
- ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান: 
- নির্বাচন কমিশন,
- বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশন,
- কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল অব বাংলাদেশ,
- এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়।

সাংবিধানিক পদ: 
- সাংবিধানিক পদ,
- রাষ্ট্রপতি,
- প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপ-মন্ত্রী,
- স্পীকার এবং ডেপুটি স্পীকার,
- অ্যাটর্নি জেনারেল,
- প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারপতি,
- নির্বাচন কমিশনারের সভাপতি ও সদস্যগণ,
- সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বাংলাদেশ সংবিধান।

১৯.
লর্ড ব্রাইস এর মতে, সুনাগরিকের গুণ কোনটি?
  1. বিবেক 
  2. আত্মত্যাগ
  3. সচেতনতা
  4. জ্ঞান
ব্যাখ্যা

• সুনাগরিকের গুণাবলি:
- সুনাগরিক বলতে সেই ব্যক্তিকে বুঝায় যিনি রাষ্ট্রের কল্যাণের জন্য চিন্তাভাবনা করেন এবং প্রয়োজনীয় কর্তব্য সম্পাদন করেন।
- নিজের অধিকার এমনভাবে ভোগ করেন যাতে অন্যের সমঅধিকার ভোগের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি না হয়।
- তিনি রাষ্ট্রের আইন-কানুনের প্রতি আনুগত্য দান করেন এবং দেয় করসমূহ সময়মত পরিশোধ করেন।
- এরূপ নাগরিক রাষ্ট্রের শ্রেষ্ঠ সম্পদ।

- লর্ড ব্রাইস বলেন, "সেই ব্যক্তি সুনাগরিক যে বুদ্ধি, আত্মসংযম ও বিবেক এ তিনটি গুণের অধিকারী।" 

উৎস: পৌরনীতি , বাংলাদেশ উন্মুক্তবিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
রাষ্ট্রের অপরিহার্য কাজ কোনটি?
  1. শিক্ষা সংক্রান্ত কার্যাবলি
  2. দেশ রক্ষা
  3. স্বাস্থ্য সংরক্ষণ
  4. সামাজিক নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রের কার্যাবলি :
-  অপরিহার্য কাজ যেসব কার্য নাগরিকদের জীবন, সম্পত্তি অধিকার, স্বাধীনতা সাথে জড়িত থাকে সেগুলোকে অপরিহার্য কার্যাবলি বলে। রাষ্ট্রের অপরিহার্য কাজগুলো হলো:
১। দেশ রক্ষা।
২। প্রশাসন সংক্রান্ত কার্যাবলি
৩। অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা: 
৪। আর্থিক কার্যাবলি 
৫। আইন সংক্রান্ত কার্যাবলি  
৬। বিচার সংক্রান্ত।
৭। পররাষ্ট্র সংক্রান্ত কার্যাবলি।

⇒ ঐচ্ছিক কাজ স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে নাগরিকদের জীবনের বহুমুখী উন্নয়ন সাধনের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্র যে কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে সেগুলোকে রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কাজ হিসেবে ধরা যায়। ঐচ্ছিক কাজগুলো নিমে আলোচনা করা হলো:
(১) শিক্ষা সংক্রান্ত কার্যাবলি।
(২) স্বাস্থ্য সংরক্ষণ।
(৩) দরিদ্র কল্যাণ।
(8) শিল্প ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত।
(৫) উন্নয়নমূলক কার্যাবলি।
(৬) সামাজিক নিরাপত্তা।
(৭) অসহায় নারীদের সাহায্য প্রদান।
(৮) শ্রমিক কল্যাণ ।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।