পরীক্ষা আর্কাইভ

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]

পরীক্ষাইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২৩ সাধারণ জ্ঞান: পরীক্ষা - ৬ টপিক: বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান, ভূ-প্রকৃতি, প্রাকৃতিক সম্পদ, নদ-নদী, পাহাড়, হ্রদ ও জলবায়ু, জাতীয় অর্জন, প্রতীক, দিবস, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা (সড়ক, নৌ, আকাশ ও ডিজিটাল)।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৪ এ 'সেরা খেলোয়াড়' কে?
  1. সাবিনা খাতুন
  2. রূপনা চাকমা
  3. ঋতুপর্ণা চাকমা
  4. দেকি লাজোম
সঠিক উত্তর:
ঋতুপর্ণা চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋতুপর্ণা চাকমা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
---------------------------
২০২৪ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ:
- ২০২৪ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ শিরোপা লাভ করে।
- ২০২৪ সালের অক্টোবরে নেপালে অনুষ্ঠিত হয়।
- নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ৭ম সংস্করণ।
- অংশগ্রহণকারী দল: ৭টি।
- মোট ম্যাচ: ১২টি।
- মোট গোল: ৬২টি।
- চ্যাম্পিয়ন: বাংলাদেশ।
- রানার্স আপ: নেপাল।
- সেরা খেলোয়াড়: ঋতুপর্ণা চাকমা।
- সেরা গোলরক্ষক: রূপনা চাকমা।
- ফেয়ার প্লে ট্রফি: ভুটান।

উল্লেখ্য,
- সাফ চ্যাম্পিয়ন নারী ফুটবল দলকে যমুনায় সংবর্ধনা প্রদান করেছেন অন্তবর্তীকালীন সরকারের  প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূস।
- সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৪ এ বিজয়ী  নারী ফুটবল দলকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ এক কোটি টাকা পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- সাফজয়ী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন দলের পক্ষে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন।

তথ্যসূত্র: SAFF Championship ওয়েবসাইট।
.
নিচের কোন নদীটি বাংলাদেশের সীমানায় উৎপত্তি ও সমাপ্তি হয়েছে?
  1. কর্ণফুলী
  2. হালদা
  3. মাতামুহুরি
  4. মহানন্দা
সঠিক উত্তর:
হালদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালদা
ব্যাখ্যা
হালদা নদী:
- হালদী নদী সরকার ঘোষিত একটি মৎস্য অভয়াশ্রম।
- বাংলাদেশের সীমানায় উৎপত্তি ও সমাপ্তি হয়েছে হালদা নদী।
- চট্টগ্রামে অবস্থিত হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র।
- এটি খাগড়াছড়ি (বাদনাতলী) থেকে উৎপন্ন হয়ে কর্ণফুলী নদীতে পতিত হয়েছে।
- সম্প্রতি সরকার এই নদীকে 'বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ' ঘোষণা করেছে।

অন্যদিকে, 
- মাতামুহুরী নদী বাংলাদেশের পূর্ব-পাহাড়ি অঞ্চলের বান্দরবন ও কক্সবাজার জেলার একটি নদী।
- নদীটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮৭ কিমি।
- নদীটি সর্পিলাকার।
- লামার মাইভার পর্বতে মাতামুহুরী নদীর উৎপত্তি।
• মহানন্দা: হিমালয়ের পাদদেশে দার্জিলিং এর নিকটবর্তী মহালড্রীম পর্বত হতে মহানন্দা নদীর উৎপত্তি হয়েছে।
• কর্ণফুলী: কর্ণফুলী নদী আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়েছে। 

তথ্যসূত্র - মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
.
গ্রিনিচ মান মন্দির সময় অপেক্ষা বাংলাদেশের সময় -
  1. + ৩ ঘণ্টা
  2. + ৫ ঘণ্টা
  3. - ৬ ঘণ্টা
  4. + ৬ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
+ ৬ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
+ ৬ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
গ্রিনিচ মান সময়:
- গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত। 
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে। 
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয় ৷ 
- তবে ১৯৭২ সালে GMT এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) গৃহিত হয়। 
- গ্রিনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
- গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। 
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
- গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ৬ ঘণ্টা আগে অর্থাৎ +৬ ঘন্টা।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী ও ব্রিটানিকা।
.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক এর ডিজাইনার কে?
  1. মোস্তফা কামাল
  2. কামরুল হাসান
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. আবদুর রউফ
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
জাতীয় প্রতীক:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৪(৩) নং অনুচ্ছেদে জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার- কামরুল হাসান।
- ব্যবহারের অধিকার রয়েছে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী।
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি।
- এ তিনটি উপাদানের উপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হলো অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক।
- তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা।

অন্যদিকে, 
- বাংলাদেশ সরকারের মনোগ্রামের ডিজাইনার এ এন সাহা।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয়/জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের আন্তজার্তিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী হলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
-  বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কার্টুনিস্ট হলেন রফিকুন্নবী।
- সৈয়দ মাইনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের ডিজাইনার।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
.
'চর কুকড়ি মুকড়ি' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কক্সবাজার
  2. পটুয়াখালী
  3. বরিশাল
  4. ভোলা
সঠিক উত্তর:
ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোলা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের চরসমূহ:
- নদীর মাঝে বা মোহনায় পলি সঞ্চিত হয়ে জেগে উঠা ভূখণ্ড চর নামে পরিচিত।
- ভোলা জেলা: চরফ্যাশন, চর মানিক, চর কুকড়ি মুকড়ি, চর নিউটন, চর নিজাম প্রভৃতি।
- নোয়াখালী জেলা: ভাসান চর, সুবর্ণ চর, চর শ্রীজনী, চর শাহাবানী প্রভৃতি।
- লক্ষ্মীপুর জেলা: চর গজারিয়া ও চর আলেকজান্ডার।
- ফেনী জেলা: মুহুরীর চর।
- রাজশাহী জেলা: নির্মল চর।
- সুন্দরবন: দুবলার চর, পাটনি চর।

উল্লেখ্য,
- সংশ্লিষ্ট দ্বীপের জন্ম হয় আজ থেকে প্রায় ৫০০ বছর পূর্বে, তৎকালীন ব্রিটিশ রাজ পুত্রের জন  মানবহীন এবং গভীর বনের মধ্যে কুকুর ও মেকুর (বিড়াল) এর সাথে ১৮৮২ খ্রিঃ সাক্ষাতের পর উহার নাম করন করা হয় কুকরী মুকরী।

তথ্যসূত্র:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও কুকরী-মুকরী ইউনিয়ন ওয়েবসাইট।  [লিঙ্ক]
.
২১ ফেব্রুয়ারিকে কত সালে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ১৯৯৬
  2. ১৯৯৯
  3. ২০০০
  4. ২০০২
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কো ও বাংলা ভাষা: 
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়।  
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা বিশ্বে এ দিবস পালন শুরু হয়। 
- বাংলা ভাষাকে বিশ্বের মাঝে যথাযথভাবে তুলে ধরার জন্য ২০০৩ সালে বাংলাদেশ সরকার ইউনেস্কোকে 'একুশে পদক' প্রদান করেন।

তথ্যসূত্র: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামে কয়টি তারকা থাকে?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার - নিত্যানন্দ সাহা (এনএন সাহা)।
- এই মনোগ্রামে রয়েছে লাল বৃত্তের মাঝখানে হলুদ রংঙের মানচিত্র।
- বৃত্তের উপরে লেখা ’গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’, নিচে লেখা ’সরকার’ এবং বৃত্তের দুপাশে রয়েছে ২ টি করে মোট ৪ টি তারকা।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার - কামরুল হাসান।
- জাতীয় প্রতীকের কেন্দ্রে রয়েছে পানিতে ভাসমান একটি শাপলা ফুল, তার উপর ৩ টি পরস্পর সংযুক্ত পাট পত্রক এবং তার দুপাশে ২ টি করে তারকা।
- সৈয়দ মাইনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের ডিজাইনার।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয়/জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের আন্তজার্তিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী হলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
-  বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কার্টুনিস্ট হলেন রফিকুন্নবী।

তথ্যসূত্র:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।