পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়26 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
৪৬তম বি.সি.এস. প্রস্তুতি - সাবজেক্ট ফাইনাল ও রিভিশন বিষয়ের নাম: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পূর্ণ [৭০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
Spacefiller বলা হয় কোন ভাইরাসকে?
  1. ভিবিএস
  2. ট্রোজান হর্স
  3. সিআইএইচ
  4. বুট সেক্টর
ব্যাখ্যা
♦ কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
যখন কোনো ভোক্তা এককভাবে অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি লেনদেন করে তখন তাকে কী বলে?
  1. B2B
  2. B2C
  3. C2B
  4. C2C
ব্যাখ্যা
♦  ই-কমার্সের প্রকারভেদ:
- ডিজিটাল উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ এবং সঞ্চারণের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় সংক্রান্ত আদান-প্রদানকে ই-কমার্স বলে।
- ই-কমার্স সিস্টেমে ইন্টারনেট, এক্সট্রানেট এবং ইন্ট্রানেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবসা, ভোক্তা এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার মধ্যে সংযোগ সাধন করা হয়।
- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত নিমোক্ত ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-

১। ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business : B2B):
- দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাইকারি কেনাবেচাকে বিজনেস টু বিজনেস (B2B) বলা হয়।
- B2B ই-কমার্সের উদাহরণ : alibaba.com, sindabad.com ইত্যাদি।

২। ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer : B2C):
- এক বা একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্য খুচরা বা পাইকারি লেনদেনসমূহ বিজনেস টু কনজিউমার (B2C)-এর অন্তর্গত।
- B2C ই-কমার্সের উদাহরণ : amazon.com, rokomari.com, othoba.com ইত্যাদি।

৩। ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business : C2B):
- যখন কোনো ভোক্তা এককভাবে অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি লেনদেন করে তখন তাকে ভোক্তা থেকে ব্যবসায় বা কনজিউমার টু বিজনেস বলা হয়।
- এ ধরনের সিস্টেমে ভোক্তারা বা গ্রাহকরা সাধারণত কোনো বিজনেস সাইট থেকে পণ্য ক্রয়ের পরিবর্তে পণ্য ও সেবা বিক্রয় করে থাকে।
- C2B ই-কমার্সের উদাহরণ : monster.com, ajkerdeal.com, daraz.com ইত্যাদি।

৪। ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer : C2C):
- অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ ছাড়াই ভোক্তা থেকে ভোক্তার লেনদেনকে ভোক্তা থেকে ভোক্তা বা কনজিউমার টু কনজিউমার (C2C) বলা হয়।
- এ জাতীয় ব্যবসা কোনো বিজনেস মিডলম্যান থাকে না।
- C2C ই-কমার্সের  উদাহরণ : ebay.com, taobao.com ইত্যাদি।

৫। এম-কমার্স (M-commerce):
- এম কমার্স বা মোবাইল কমার্স (Mobile-Commerce) হলো এমন একটি ব্যবসায়িক সিস্টেম যা তারবিহীন বা ওয়ারলেস (Wireless) পরিবেশে সংঘটিত হয়।
- অর্থাৎ আধুনিকায়নের যুগে মোবাইল, ট্যাবলেট ইত্যাদি ডিভাইসের মাধ্যমে তারবিহীন প্রযুক্তির ব্যবহার করে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় সিস্টেমকেই এম-কমার্স বলে অভিহিত করা হয়।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
একাধিক কম্পিউটারকে একত্রিভূতভাবে কাজ করলে তাকে কী বলে?
  1. PC
  2. LAN
  3. RISC
  4. System Unit
ব্যাখ্যা
♦ সিস্টেম ইউনিট:
- সিষ্টেম ইউনিটের ভিতরে কম্পিউটারের অন্যান্য অংশসমূহ বিদ্যমান। যেমন-
• মাদার বোর্ড,
• ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ,
• হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
• ফ্যাক্স মডেম কার্ড,
• ল্যান (LAN - Local Area Network) কার্ড:
- এটি এক ধরনের মডেম কার্ড, এই কার্ড ব্যবহার করে একাধিক কম্পিউটারকে তারের মাধ্যমে একত্রিভূত করে তথ্য আদান প্রদান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা করা যায়।
• পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট,
• স্পীকার।

উৎস: [www.ebookbou.edu.bd]
.
প্রথম পার্সোনাল কম্পিউটার বাজারে আসে কত সালে?
  1. ১৯৫৮
  2. ১৯৭১
  3. ১৯৭৬
  4. ১৯৮১
ব্যাখ্যা
- পার্সোনাল কম্পিউটারের অপর নাম মাইক্রোকম্পিউটার।
- ১৯৫৮ সালে অনেক ট্রানজিস্ট্রার, রেজিস্ট্যান্স ও ক্যাপাসিটরের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছিল ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি)।
- ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে ইনটেল কোম্পানি অনেক আইসির সমন্বয়ে ইনটেল-৪০০৪ (Intel-4004) নামে একটি মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করে। 
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে মাত্র একটি চিপে ধারণ করা সম্ভব হয় এবং কম্পিউটার জগতে একটি নতুন প্রজন্মের আবির্ভাব হয়।
- মাইক্রো (Micro) শব্দের অর্থ ক্ষুদ্র। ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রাকৃতি কম্পিউটারকে তাই মাইক্রোকম্পিউটার (Microcomputer) বলা হয়।
- একজন ব্যবহারকারী একাই একটি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য মাইক্রোকম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা সংক্ষেপে পিসি (PC)- ও বলা হয়।
- প্রথম সফল মাইক্রোকম্পিউটার বাজারে ছেড়েছিল ১৯৭৬ সালে এপল নামে একটি আমেরিকান কোম্পানি।
- এই কম্পিউটারকে বলা হয় এপল গোত্রের ডেস্কটপ বা এপল পিসি।
- এরপর ১৯৮১ সালে আইবিএম নামক আমেরিকান আর একটি কোম্পানি ভিন্ন ধরনের আর একটি মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করে। তারা তাদের এই কম্পিউটারের নাম দেন পিসি। 
- এরপর ১৯৮৪ সালে এপল কোম্পনি তাদের তৈরি মেকিনটোশ নামে মাইক্রোকম্পিউটার বাজারে ছাড়ে।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা (এস.এস.সি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
নিচের কোনটি ইমেইল সেবা প্রদান করে না?
  1. SyLpheed
  2. Outlook
  3. Zimbra
  4. Chrome
ব্যাখ্যা
ই-মেইল এর জন্য ব্যবহৃত সাধারণ সফটওয়্যারসমূহ: 
- ওয়েব ভিত্তিক ই-মেইল এর বাইরে ই-মেইলের জন্য নির্দিষ্ট কিছু প্রোগ্রামও ব্যবহার করা যায়।
- এদের কিছু বিনামূল্যে পাওয়া যায় আবার কিছু কিনে ব্যবহার করতে হয়।
- মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন ইমেইল সেবা হলো- আউটলুক (Outlook)।  

♦ ই-মেইল ক্লায়েন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে:
• জিমেইল (Gmail)
• ইয়াহু মেইল (Yahoo Mail)
• মোজিলা থান্ডারবার্ড (Mozilla Thunderbird)
• ক্লজ মেইল (Claws Mail)
• ফক্সমেইল (Foxmail) 
• পেগাসাস মেইল (Pegasus Mail)
• ইনক্রেডিমেইল (Incredimail) 
• মালবেরি (Mulberry)
• ড্রিম মেইল (Dream Mail) 
• সিলফিড (SyLpheed)
• আউটলুক (Outlook)
• জিমব্রা (Zimbra)
• পোস্টবক্স (Portbox) ইত্যাদি। 

- Google Chrome এক ধরনের ওয়েব ব্রাউজার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।
.
ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতি নয় কোনটি?
  1. Caesar Code
  2. Cipher code
  3. DES
  4. IDEA
ব্যাখ্যা
♦ ডেটা এনক্রিপশন:
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডাটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য ব্যবহৃত কয়েকটি পদ্ধতি হলো
◊ সিজার কোড (Caesar Code),
◊ ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES),
◊ ইন্টারন্যাশনাল ডেটা এনক্রিপশন অ্যালগরিদম (International Data Encryption Algorithm - IDEA)।

• ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট:
- যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়।

২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট।
- এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়।

৩. এনক্রিপশন এলগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়। 

৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
কোন পদ্ধতির মাধ্যমে প্রথম দুটি দূরবর্তী কম্পিউটারের যোগাযোগ স্থাপন করা হয়?
  1. APRANET
  2. HTP
  3. IMP
  4. INTRANEET
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের ইতিহাস:
- প্রথমদিকে ইন্টারনেটের নাম ছিল আরপানেট (ARPANET)।
- ১৯৬৮ সালের আরপানেট ছিল এর প্রাথমিক পর্যায়।
- এ প্রযুক্তির উন্নয়ন সাধিত হয় আমেরিকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে।
- ১৯৬৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর আরপানেট-এর মাধ্যমে বিশেষ ব্যবস্থায় প্রথম যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপিত হয়।
- লস এঞ্জেলসের UCLA ল্যাবরেটরিতে স্থাপিত উক্ত নেটওয়ার্কটির নাম ছিল ইন্টারফেস ম্যাসেজ প্রসেসর (Interface Message Processor- IMP)।
- IMP পদ্ধতির মাধ্যমেই প্রথম দুটি দূরবর্তী কম্পিউটারের যোগাযোগ স্থাপন করা হয়।
- এ পরীক্ষাটি চালানো হয় লস এঞ্জেলস থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মেনলো পার্কের স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইনিসটিটিউট (Stanford Research Institute)-এর মধ্যবর্তী দুটি কম্পিউটারের মধ্যে।
- চূড়ান্তভাবে চারটি কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপিত হয় ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর আরপানেট-এর মাধ্যমে।
- প্রথম যে চারটি কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপিত হয় সে কম্পিউটারগুলো লস এঞ্জেলস, মেনলো পার্ক, সান্তা বারবারা (U.C. Santa Barbara) এবং Utah (The University of Utah)- তে অবস্থিত ছিল।

উৎস: তথ্য ব্যবস্থাপনা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ডেসিমেল সংখ্যা 740 এর সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল মান কত?
  1. 1A3
  2. 2E4
  3. 4B1
  4. 2A3
ব্যাখ্যা

∴ (740)10 = (2E4)16   [14 = E]
.

নিচের কোনটি চিত্রের ন্যায় ডেটা ট্রান্সমিট করে?
  1. টেলিফোন
  2. রেডিও
  3. মোবাইল
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা পাঠানো হয়। উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. সিমপ্লেক্স (Simplex),
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) এবং 
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)। 

• সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- চিত্রে, A হতে B এর দিকে ডাটা প্রেরণ করা যাবে। কিন্তু B হতে A এর দিক ডাটা প্রেরণ সম্ভব নয়।
- উদাহরণ: রেডিও, টিভি।
 
• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।
- চিত্রে, হাফ-ডুপ্লেক্স ব্যবস্থায় A যখন ডাটা প্রেরণ করবে B তখন ডাটা গ্রহণ করতে পারবে, প্রেরণ করতে পারবে না। A এর প্রেরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে B ডাটা প্রেরণ করতে পারবে।
- উদাহরণ: ওয়াকিটকি।

• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে।
- চিত্রে, ফুল-ডুপ্লেক্সের ক্ষেত্রে, A যখন B এর দিকে ডাটা প্রেরণ করবে B ও তখন A এর দিকে ডাটা প্রেরণ করতে পারবে। 
- উদাহরণ: টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
সিডি-রমে ডিজিটাল ডাটা রিড করার জন্য নিচের কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. Electronic guns
  2. Optical fibers
  3. Magnetic beads
  4. Laser beams
ব্যাখ্যা
- সিডি-রমে ডিজিটাল ডাটা রিড করার জন্য লেজার বিম প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। 
- বর্তমান সময়ে কম্পিউটারে সম্পাদিত ডেটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত মেমরির নাম সিডি-রম (CD-Rom - Compact Disk Read Only Memory )। 
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে। 
- বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার, বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়। 
- সিডিতে সংরক্ষিত তথ্য বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট।
৩. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
কোন টপোলজিতে প্রথম ও শেষ কম্পিউটার পরস্পর সরাসরি যুক্ত থাকে?
i. বাস
ii. রিং
iii. মেশ
  1. i ও iii
  2. ii ও iii
  3. i ও ii
  4. i, ii ও iii
ব্যাখ্যা
◊ রিং টপোলজি ও মেশ টপোলজিতে প্রথম শেষ কম্পিউটার পরস্পর সরাসরি যুক্ত থাকে।

• বাস টপোলজি:
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়।
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন (Backbone)।
- মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টারমিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়।
- এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না।
- প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।

• রিং টপোলজি:
- এ ধরনের সংগঠনে কম্পিউটারগুলো পরস্পর বৃত্তাকারে যুক্ত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে।
- প্রতিটি কম্পিউটার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটারগুলোকে এমনভাবে সংযোগ দেয়া হয় যেন রিংয়ের সর্বশেষ কম্পিউটারটি প্রথমটির সাথে যুক্ত থাকে।

• মেশ টপোলজি:
- মেশ টপোলজির প্রত্যেকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটারের একাধিক সংযোগ ব্যবস্থা থাকে এবং প্রতিটি কম্পিউটার আলাদা লিংক ব্যবস্থাধীন থাকে।
- এ ব্যবস্থায় প্রতিটি কম্পিউটার সরাসরি যে কোন কম্পিউটারে ডাটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কভূক্ত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংযোগকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট লিংক বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
মোবাইল ব্যাংকিং সেবা কার্যক্রম চালু হয় কোন প্রজন্মের মোবাইলে?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ধারনা শুরু হয় ১৯৯২ সালে।
• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো-
- মোবাইল ব্যাংকিং,
- ই-কমার্স সেবা কার্যক্রম,
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা,
- উচ্চগতিসম্পন্ন ডেটা স্থানান্তর চালু হয়
- ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা এবং
- মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে ডাটা আদান-প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৩.
নিচের কোনটি নন-ভোলাটাইল মেমরি?
  1. RAM
  2. Bubble Memory
  3. cache memory
  4. None of the above
ব্যাখ্যা
-  Bubble Memory হলো নন-ভোলাটাইল মেমোরি। 
- Cache Memory এবং RAM হলো ভোলাটাইল মেমোরি। 

- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি। 
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় তাকে উদ্বায়ী স্মৃতি বা ভোলাটাইল মেমরি বলে।

উৎস:
১. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১৪.
একটি স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ডে কতটি কন্ট্রোল কী থাকে?
  1. ১০ টি
  2. ১১ টি
  3. ১২ টি
  4. ১৭ টি
ব্যাখ্যা
• একটি স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ডে ৯৪-১০০টি কী থাকে। তার মধ্যে -
• আলফানিউমেরিক কী - ৫৪টি
• ফাংশন কী - ১২টি
• কন্ট্রোল কী - ১১টি
• নেভিগেশন কী - ১০টি
• নিউমেরিক কী - ১৭টি

উৎস: মাইক্রোসফট।
১৫.
নিচের কোনটি আনুবাদক প্রোগ্রাম নয়?
  1. কম্পাইলার
  2. লিংকার
  3. ইন্টারপ্রেটার
  4. অ্যাসেম্বলার
ব্যাখ্যা
• আনুবাদক প্রোগ্রাম: 
- অনুবাদক প্রোগ্রামের কাজ হলো উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা।
তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে:
১) কম্পাইলার: সম্পূর্ন প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে সব ভুল এক সাথে দেখায় ডিবাগিং করার জন্য।
২) ইন্টারপ্রেটার: লাইন ধরে ধরে অনুবাদ করে এবং কোথাও বাগ খুজে পেলে সাথে সাথে অনুবাদ বন্ধ হয়ে যায়। ডিবাগ করে তারপর পরবর্তী লাইন থেকে অনুবাদ শুর হয়।
৩) অ্যাসেম্বলার: শুধু মাত্র অ্যাসেম্বলি ভাষার জন্য প্রযোজ্য।

উৎস প্রোগ্রাম:
- হিউম্যান লেঙ্গুয়েজে রচিত প্রোগ্রামকে সাধারনত উৎস প্রোগ্রাম বলা হয়।
- কম্পিউটার এইসব উৎস প্রোগ্রাম বুঝে না।

বস্তু প্রোগ্রাম:
- উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদক প্রোগ্রামের সাহায্যে কম্পিউটার এর গ্রহন উপযোগী প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়। এই প্রোগ্রামকেই বস্তু প্রোগ্রাম বলা হয়।
- বস্তু প্রোগ্রামে রুপান্তরিত না করলে কম্পিউটারকে নির্দেশনা দেয়া যায় না।
- কম্পিউটার শুধুই বস্তু প্রোগ্রাম বুঝে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৬.
Remark, History, Reference ফিল্ডে সাধারণত কোন ধরণের ডেটা টাইপ ব্যবহার করা হয়?
  1. Currency
  2. OLE object
  3. Hyperlink
  4. Memo
ব্যাখ্যা

উৎস: উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৭.
এক্স-নর গেইটে একটি ইনপুট 1 এবং একটি ইনপুট 0 হলে, আউটপুট কত হবে?
  1. 1
  2. 0
  3. যেকোনোটি হতে পারে
  4. কোনো আউটপুট আসবে না
ব্যাখ্যা
• এক্স-নর গেইট:
- Exclusive NOR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স নর (XNOR)গেইট বলে।
- এক্স অর গেইট এবং নট গেইটের সমন্বয়ে এক্স নর গেইট গঠিত হয়।
- এক্স অর গেইটর বিপরীত কাজ করে।
- দুইটি ইনপুট সমান হলেই কেবলমাত্র আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
যে সকল সফটওয়্যারে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস চালনা করার প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন থাকে তাদের কী বলা হয়?
  1. সিস্টেম সফটওয়্যার
  2. অপারেটিং সফটওয়্যার
  3. ডিভাইস ড্রাইভার
  4. ফাইল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা

ডিভাইস ড্রাইভার (Device Driver):
- কম্পিউটারের সাথে সাধারণত বিভিন্ন পেরিফেরাল ডিভাইস যেমন: কি-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার, মনিটর, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি রম বা ডিভিডি রম ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত থাকে।
- কিন্তু শুধু সিপিইউয়ের সাথে এ ধরনে ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করলেই এগুলো কাজ করে না।
- এর জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট ড্রাইভার সফটওয়্যার ইনস্টলেশন।
- যে সকল সফটওয়্যারের সাহায্যে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইসকে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করার পর চালনা করা হয় বা যে সকল সফটওয়্যারে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস চালনা করার প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন থাকে, যা সহজেই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে উক্ত ডিভাইসটি পরিচালনা করতে সক্ষম হয় তাদেরকে বলা হয় ডিভাইস ড্রাইভার।
- সাধারণত কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস ক্রয়ের সময় বিক্রেতারা উক্ত ডিভাইসের সাথে একটি ডিভাইস ড্রাইভারের সিডি বা ডিভিডি দিয়ে দেয়।
- তবে আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমে অনেক ধরনের ডিভাইস ড্রাইভার সফটওয়্যার অন্তর্ভুক্ত করা থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
.wav কোন ধরনের ফাইল এক্সটেনশন?
  1. অডিও
  2. ভিডিও
  3. ইমেজ
  4. ডকুমেন্ট
ব্যাখ্যা
.wav হচ্ছে Audio ফাইল এক্সটেনশন। 
- Developed by: IBM and Microsoft
- ফাইল এক্সটেনশন হচ্ছে ফাইলের ফরম্যাট নির্দেশকারী একটি সুচক যা ফাইলের নামের শেষে যুক্ত থাকে।
- কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইল এক্সটেনশন এর উদাহরণ হলো-
• Music and sound files:
.mp3
.wav

• Picture files:
.bmp
.gif
.jpg
.png

• Operating system files:
.dll
.exe

• Text and word processing documents:
.doc
.docx
.rtf
.txt

• Spreadsheet files:
.xls
.xlsx
.xlr
.csv

• Web Page files:
.htm
.html

উৎস: Computerhope Website.
২০.
নিচের কোনটি প্রটোকল কনভার্টার হিসেবে পরিচিত?
  1. সক্রিয় হাব
  2. নিষ্ক্রিয় হাব
  3. গেটওয়ে
  4. রাউটার
ব্যাখ্যা

গেটওয়ে (Gateway):
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ককে আরেকটি নেটওয়ার্ক এর সাথে সংযুক্ত করে। 
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ভিন্নধর্মী প্রটোকলবিশিষ্ট নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযােগ স্থাপনের জন্য গেটওয়ে ব্যবহৃত হয়।
- এটি একই ধরনের বা ভিন্ন ভিন্ন প্রটোকলবিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের সুযােগ করে দেয় অর্থাৎ এটি মূলত একটি নেটওয়ার্ক কানেক্টিভিটি ডিভাইস।
- গেটওয়ে PAT(Protocol Address Translation) ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করে থাকে বলে একে 'প্রটোকল কনভার্টার' বলে। 

উল্লেখ্য, রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।  

২১.
নিচের কোনটি Anti-virus সফটওয়্যার নয়?
  1. Symantec
  2. Sybase
  3. McAfee
  4. Kaspersky
ব্যাখ্যা
• Anti-virus সফটওয়্যার: 
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হলো এন্টিভাইরাস। 
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে। 
- অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে। 
- কতিপয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
• Symantec, 
• McAfee, 
• AVG Anti-Virus, 
• AVIRA, 
• AVAST Anti-Virus, 
• TREND micro, 
• ESET NOD32, 
• Kaspersky Anti-Virus, 
• Microsoft Security Essential, 
• ZoneAlarm Anti-Virus, 
• Cobra Anti-Virus, 
• Bitdefender, 
• Norton Anti-Virus, 
• Panda Anti-Virus, 
• PC Tools Anti-Virus etc. 
 
- Sybase হলো ডেটাবেজ সফটওয়্যার। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
২২.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় মোবাইল ব্রাউজার কোনটি?
  1. পিপীলিকা
  2. দুরন্ত
  3. তর্জনী
  4. দোয়েল
ব্যাখ্যা
• তর্জনী:
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় মোবাইল ব্রাউজার ‘তর্জনী’।
- ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের স্মরণে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ব্রাউজারটির উদ্বোধন করা হয়।
- মোবাইল ব্রাউজার ‘তর্জনী’ চালু করেছে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ।
- ‘বাংলাদেশ সরকারের জন্য নিরাপদ ই-মেইল ও ডিজিটাল লিটারেসি সেন্টার স্থাপন’ প্রকল্পের আওতায় তর্জনী ব্রাউজারটি তৈরি করা হয়েছে।
- ব্রাউজারটির বৈশিষ্ট্য হলো এতে বাংলা ভাষা রয়েছে এবং এর বাংলা অপটিমাইজেশন অন্যান্য ব্রাউজারের তুলনায় শক্তিশালী।
- ব্রাউজারটিতে ইংরেজি ভাষাও নির্বাচন করা যায়। 
- সহজে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ব্রাউজারটিতে রয়েছে তর্জনী সার্চ বার, ডার্ক মোড, ট্যাব, বিজ্ঞাপন বন্ধ, বুকমার্ক, ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা, ইনকগনিটোসহ বিভিন্ন সুবিধা।
- অ্যাপলের অ্যাপ স্টোর এবং গুগল প্লে স্টোর থেকে বিনা মূল্যে নামিয়ে ব্যবহার করা যাবে ব্রাউজারটি। ভবিষ্যতে ব্রাউজারটির ডেস্কটপ সংস্করণও চালু করা হবে।

উৎস: 
১. [Link]
২. প্রথম আলো
২৩.
সার্বজনীন কোড বলা হয় কোনটিকে?
  1. অ্যাসকি কোড
  2. ইউনিকোড
  3. বিসিডি কোড
  4. ইবিসিডিক কোড
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড (Unicode):
- Unicode এর পূর্ণনাম হলো Universal Code বা সার্বজনীন কোড।
- ইউনিকোড হচ্ছে 16 বিট কোড। 
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়। 
- বিশ্বের সকল দেশের ভাষাসমূহকে প্রকাশ করার জন্য 16 বিটের এই কোড ব্যবহার করা হয়। 

• বিসিডি কোড (BCD Code):
- দশমিক সংখ্যা যেহেতু বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়, তাই এর দশমিক রূপটি যতটুকু সম্ভব অক্ষুণ্ণ রেখে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য একটি বিশেষ ধরনের কোডিং পদ্ধতি গ্রহণ করতে হয়। এটিকে বিসিডি কোড বলে।
- BCD এর পূর্ণ অর্থ হলো Binary Code Decimal।

• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII একটি শব্দ সংক্ষেপ যার পূর্ণ নাম American Standard Code for Information Interchange.
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত আলফানিউমেরিক কোড যা মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটারসহ অনেক মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- অ্যাসকি কোড ৭টি বিট নিয়ে গঠিত। 
- ASCII কোড দ্বারা 27 অর্থাৎ 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষর ও চিহ্ন নির্দিষ্ট করা যায়। 

• ইবিসিডিক কোড (EBCDIC Code):
- ইবিসিডিক (EBCDIC) Extended Binary Coded Information Code-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি একটি ৪ বিটের কোড। সুতরাং এ কোড দ্বারা 28 বা 256টি অংক, অক্ষর বা চিহ্ন প্রকাশ করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. বাযুশূন্য টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর এর ব্যবহার
  2. IC এর ব্যবহার
  3. মুদ্রণের জন্য লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার
  4. আউটপুট হিসেবে মনিটরের ব্যবহার
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাপ্তিকাল ১৯৬৫ হতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
- IBM 360, 370, PDP 8, PDP II ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।
- এ প্রজন্মে কম্পিউটারে একটি গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় ৫ ন্যানো সেকেন্ড সময় লাগত।
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি এবং জ্যাক কিলবি IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করেন। 

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো- 
- IC এর ব্যবহার।
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতির উদ্ভব ও বিকাশ (RAM, ROM এর ব্যবহার শুরু)।
- আকৃতি ছোট, কম দাম এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি।
- মুদ্রণের জন্য লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার।
- আউটপুট হিসেবে মনিটরের ব্যবহার।
- অপারেটিং সিস্টেম ব্যবস্থার উন্নয়ন।
- সহজে স্থানান্তরযোগ্য।
- রিয়েল টাইম অপারেটিং সিস্টেম, মাল্টিপ্রোগ্রামিং পদ্ধতি, টাইম শেয়ারিং, ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের ব্যবহার।
- যান্ত্রিক গোলযোগ কম বলে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কম ইত্যাদি।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার। 

• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে বাযুশূন্য টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্ট্রর ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
রিফ্রেশ রেট কোন এককে প্রকাশ করা হয়?
  1. ডিপিআই
  2. পিক্সেল
  3. মেগাবাইট
  4. হার্টজ
ব্যাখ্যা
- রিফ্রেশ রেট হলো পিক্সেলের উজ্জ্বলতা ঠিক রাখার জন্য প্রতি সেকেন্ডে পিক্সেলগুলো কতবার রিচার্জ হয় তার সংখ্যা।
- Refresh Rate যত বেশি হবে ইমেজ স্ক্রীনে তত বেশি দৃঢ় দেখাবে।
- Refresh Rate কে হার্টজ এককে প্রকাশ করা হয়।
- সাধারণভাবে মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে রিফ্রেশ করা হয়।
- এছাড়া কী F5 বোর্ডেরে বোতাম চেপে রিফ্রেশ করা যায়।

উৎস: [intel.com]
২৬.
নিচের কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়?
  1. WAP
  2. EDGE
  3. GPRS
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
◊ GPRS, EDGE, WAP ইত্যাদি প্রযুক্তির মাধ্যমে এখন মোবাইল ফোনেও ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

• মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা:
• সাশ্রয়ী বিভিন্ন ইন্টারনেট সার্ভিস নিয়ে ইচ্ছে অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
• কভারেজের আওতাভুক্ত যে কোন স্থান থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
• সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকা যায় ।
• যে কোন স্থান থেকে ই-মেইল চেক ও প্রেরণ করা যায়।
• দূরে অবস্থানরত বন্ধু-বান্ধবদের সাথে চ্যাটিং করা যায়।
• বিশ্বের যে কোন প্রান্তে মোবাইলে ভয়েস কল করা যায়।
• থ্রিজি প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও কল করা যায়।
• স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে টেলিভিশন দেখা যায়৷

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
২৭.
(624)8 = (?)2
  1. 010101010
  2. 110010100
  3. 101010101
  4. 001110101
ব্যাখ্যা
1 বিট অক্টাল সংখ্যাকে প্রকাশ করতে সর্বোচ্চ 3 বিট বাইনারি লাগে।

অক্টাল 6 এর সমতুল্য বাইনারি= 110
অক্টাল 7 এর সমতুল্য বাইনারি = 010
অক্টাল 4 এর সমতুল্য বাইনারি = 100
∴ (624)8 = (110010100)2