পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
বাংলাদেশের ইতিহাসঃ ১৯৪৭ থেকে বর্তমান। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই। [এই পরীক্ষা থেকে পড়া শুরু করলে আগামী ১৫০ দিনে বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাস কাভার হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
কার উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. খ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
  3. গ) কাজী মোতাহার হোসেন
  4. ঘ) অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা
সঠিক উত্তর:
খ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
.
তমদ্দুন মজলিশের ‍মুখপাত্র হিসেবে কোন পত্রিকাটি প্রকাশিত হতো?
  1. ক) দৈনিক আজাদ
  2. খ) সাপ্তাহিক সৈনিক
  3. গ) সাপ্তাহিক মিল্লাত
  4. ঘ) দৈনিক ইত্তেফাক
সঠিক উত্তর:
খ) সাপ্তাহিক সৈনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাপ্তাহিক সৈনিক
ব্যাখ্যা

- ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর তমদ্দুন মজলিসের মুখপাত্র হিসেবে সাপ্তাহিক ‘সৈনিক’ পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
- শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর। ঢাকার আজিমপুর রোডের ১৯ নং বাড়ি থেকে পত্রিকাটি প্রকাশিত হতো।
- ১৯৬১ সাল পর্যন্ত পত্রিকাটি চালু ছিল।
- তমদ্দুন মজলিশ ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)

 
.
কতটি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়?
  1. ক) তিনটি
  2. খ) চারটি
  3. গ) পাঁচটি
  4. ঘ) ছয়টি
সঠিক উত্তর:
খ) চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চারটি
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালে পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পূর্ব বাংলার চারটি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট নামে নির্বাচনি জোট গঠিত হয়।
যুক্তফ্রন্টের দলগুলো হলো:
- আওয়ামী মুসলিম লীগ
- কৃষক শ্রমিক পার্টি
- নেজামে ইসলাম
- গণতন্ত্রী দল।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনি প্রতীক ছিলো নৌকা।
- যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে ১৯৫৩ সালের ৫ ডিসেম্বর ২১ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। ২১ দফা ইশতেহার প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন আবুল মনসুর আহমেদ।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জোট ২৩৭টি ‍মুসলিম আসনের মধ্যে ২২৩টি আসন লাভ করে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
.
ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে কোন চেতনার উন্মেষ ঘটেছিলো?
  1. ক) সাম্প্রদায়িক চেতনা
  2. খ) বাঙালি জাতীয়তাবাদ
  3. গ) মুসলিম জাতীয়তাবাদ
  4. ঘ) বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ
সঠিক উত্তর:
খ) বাঙালি জাতীয়তাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাঙালি জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা

- বাঙালির ‍মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন। ভাষা আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে পূর্ব বাংলার জনগণের মধ্যে নিজস্ব জাতীয়তাবোধ তথা বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- এই জাতীয়তাবোধের ভিত্তি ছিলো বাংলা ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতি।
- বাঙালি জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে যে জাতীয় ঐক্যের সূচনা হয় তা-ই পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিসংগ্রামের মুখ্য প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিলো।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী)

.
‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয় কবে?
  1. ০৪ জানুয়ারি ১৯৫২
  2. ২২ জানুয়ারি ১৯৫২
  3. ২৮ জানুয়ারি ১৯৫২
  4. ৩১ জানুয়ারি ১৯৫২
সঠিক উত্তর:
৩১ জানুয়ারি ১৯৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ জানুয়ারি ১৯৫২
ব্যাখ্যা
সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সর্বদলীয় সভায় গঠিত হয় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’।
- এর আহ্বায়ক ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুব।
- ৪০সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি আমতলার ছাত্রসভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক।

- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহ্বায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।
- ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ পুনর্গঠন করা হয় (এটি দ্বিতীয় ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ নামেও পরিচিত) এবং আহ্বায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
.
কোন প্রেক্ষাপটে একুশ দফা প্রণীত হয়েছিলো?
  1. ক) বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
  2. খ) চুয়ান্নর প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন
  3. গ) বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন
  4. ঘ) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
সঠিক উত্তর:
খ) চুয়ান্নর প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চুয়ান্নর প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে একুশ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
- একুশ দফা প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন আবুল মনসুর আহমেদ।
- এর প্রথম দফা বা দাবী ছিলো বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
এছাড়া অন্যান্য দাবীর মধ্যে ছিলো:
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
- বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করা
- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
কোন বিষয়টি ছয়দফার অন্তর্ভুক্ত ছিলো না?
  1. ক) ফেডারেল সরকার পদ্ধতি
  2. খ) মুদ্রা ব্যবস্থা ও পৃথক রিজার্ভ ব্যাংক
  3. গ) পৃথক সুপ্রিমকোর্ট প্রতিষ্ঠা
  4. ঘ) পূর্ব পাকিস্তানে নৌবাহিনীর সদরদপ্তর স্থাপন
সঠিক উত্তর:
গ) পৃথক সুপ্রিমকোর্ট প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পৃথক সুপ্রিমকোর্ট প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
- ছয়দফা দাবী কে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন।
- ১৯৬৬ সালের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন।
- ৭ জুন ‘ছয়দফা দিবস’ পালিত হয়।
ছয়দফার দাবীসমূহ হলো:
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানকে একটি ফেডারেশনে পরিণত করতে হবে, যেখানে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার থাকবে এবং প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটে নির্বাচিত আইন পরিষদ সার্বভৌম হবে
- ফেডারেল সরকারের হাতে থাকবে শুধু দুটি বিষয়, প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক সম্পর্ক, এবং অপর সব বিষয় ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত রাজ্যসমূহের হাতে ন্যস্ত থাকবে
- পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করতে হবে। যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে সমগ্র পাকিস্তানের জন্য ফেডারেল সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন একটিই মুদ্রাব্যবস্থা থাকবে, একটি ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ও দুটি আঞ্চলিক রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থাকবে। তবে এক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তান থেকে পুঁজি যাতে পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার হতে না পারে তার ব্যবস্থা সম্বলিত সুনির্দিষ্ট বিধি সংবিধানে সন্নিবিষ্ট করতে হবে
- দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পৃথক হিসাব থাকবে এবং অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা রাজ্যের হাতে থাকবে। তবে ফেডারেল সরকারের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে কিংবা উভয়ের স্বীকৃত অন্য কোনো হারে আদায় করা হবে
- দুই অংশের মধ্যে দেশিয় পণ্য বিনিময়ে কোনো শুল্ক ধার্য করা হবে না এবং রাজ্যগুলো যাতে যেকোন বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে সংবিধানে তার বিধান রাখতে হবে।
- প্রতিরক্ষায় পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে আধা-সামরিক রক্ষীবাহিনী গঠন, পূর্ব পাকিস্তানে অস্ত্র কারখানা স্থাপন এবং কেন্দ্রীয় নৌবাহিনীর সদর দফতর পূর্ব পাকিস্তানে স্থাপন করতে হবে।
- পাকিস্তানের দুই অঞ্চলের জন্যে পৃথক সুপ্রিমকোর্ট প্রতিষ্ঠার বিষয়টি ছয়দফার অন্তর্ভুক্ত ছিলো না।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
.
নিচের কোনটি ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ নামে পরিচিত?
  1. ক) একুশ দফা
  2. খ) আট দফা
  3. গ) ছয় দফা
  4. ঘ) এগারো দফা
সঠিক উত্তর:
গ) ছয় দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ছয় দফা
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ছয়দফা দাবী কে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন।
- একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন।
- ৭ জুন ‘ছয়দফা দিবস’ পালিত হয়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
.
‘কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি’ গঠিত হয় কখন?
  1. ক) ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে
  2. খ) ১৯৬৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে
  3. গ) ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে
  4. ঘ) ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৬৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৬৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৫ সালের ২রা জানুয়ারি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আইয়ুব খানের বিপক্ষে একক প্রার্থী দাড় করানোর উদ্দেশ্যে তৎকালীন বিরোধীদলগুলো কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি (কপ) গঠন করে।
- কপে অন্তর্ভুক্ত দলসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- আওয়ামী লীগ
- ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)
- কাউন্সিল মুসলিম লীগ
- নেজামে ইসলাম প্রভৃতি।
- এই জোট থেকে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট পদে ‘কপ’ এর প্রার্থী হিসেবে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর বোন ফাতেমা জিন্নাহ কে প্রার্থী করা হয়।
- কিন্তু মৌলিক গণতন্ত্রীদের সমর্থন এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের কারসাজিতে আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সহজেই জয় লাভ করেন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১০.
মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) তাজউদ্দীন আহমদ
  3. গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) এএইচএম কামরুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
খ) তাজউদ্দীন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তাজউদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় যা ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে।
মুজিবনগর সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দীন আহমদ।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ-পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী : এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১১.
নিচের কোনটি নৌ সেক্টর ছিলো?
  1. ক) ৮ নং সেক্টর
  2. খ) ৯ নং সেক্টর
  3. গ) ১০ নং সেক্টর
  4. ঘ) ১১ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এর মধ্যে ১০ নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর। দেশের সমুদ্রঅঞ্চল ও নদীপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- এই সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১২.
ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করা হয় কখন?
  1. ক) ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫
  2. খ) ৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯
  3. গ) ১২ নভেম্বর ১৯৯৬
  4. ঘ) ১৭ ডিসেম্বর ১৯৯৯
সঠিক উত্তর:
গ) ১২ নভেম্বর ১৯৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২ নভেম্বর ১৯৯৬
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি খন্দকার মুশতাক আহমেদ কুখ্যাত ইমডেমনিটি অধ্যাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করেন।
- এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে ১৫ আগস্টের বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়। তাদের বিচারের আওতায় আনা যাবে না মর্মে ঘোষণা দেয় হয়।
- ১৯৭৯ সালের ৫ এপ্রিল জাতীয় সংসদে গৃহিত সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে জিয়াউর রহমান সরকার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে সাংবিধানিক বৈধতা প্রদান করে।
- পরবর্তীতে, ১২ নভেম্বর ১৯৯৬ তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে। যার ফলে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার করা সম্ভব হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৩.
বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী কোন আসামীর বীরত্বসূচক খেতাব বাতিল করা হয়?
  1. ক) শরিফুল হক ডালিম
  2. খ) নূর চৌধুরী
  3. গ) মোসলেম উদ্দিন খান
  4. ঘ) উপরের সবাই
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবাই
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।
- এদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো)
১৪.
বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল কোথায় শহীদ হন?
  1. ক) ধলই, কমলগঞ্জ
  2. খ) দরুইন, আখাউড়া
  3. গ) চিংড়ি খাল, নানিয়ারচর
  4. ঘ) গোয়ালপাড়া, শার্শা
সঠিক উত্তর:
খ) দরুইন, আখাউড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দরুইন, আখাউড়া
ব্যাখ্যা
- বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলার দরুইন গ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে শাহাদাত বরণ করেন। পরবর্তীতে তাকে সেখানেই দাফন করা হয়।
অন্যদিকে,
- বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোরের শার্শা উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামে শহীদ হন।
- বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ধলই গ্রামে শহীদ হন।
- বীরশ্রেষ্ঠ ‌ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ ১৯৭১ সালের ৮ এপ্রিল রাঙামাটি জেলার নানিয়ারচরের চিংড়ি খাল এলাকায় শহীদ হন।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
১৫.
‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র’ পাঠ করেন কে?
  1. ক) আবুল মনসুর আহমেদ
  2. খ) শাহজাহান সিরাজ
  3. গ) এম. ইউসুফ আলী
  4. ঘ) তাজউদ্দিন আহমদ
সঠিক উত্তর:
গ) এম. ইউসুফ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এম. ইউসুফ আলী
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। এই অনুষ্ঠানে অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
- এর আগে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং ১৮ এপ্রিল এই সরকারের সদস্যদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৬.
মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে কোন অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হতো?
  1. ক) রেখাপাত
  2. খ) চরমপত্র
  3. গ) হুঙ্কার
  4. ঘ) পরিক্রমা
সঠিক উত্তর:
খ) চরমপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চরমপত্র
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ প্রথমে চট্টগ্রাম, দ্বিতীয় পর্যায়ে ৩রা এপ্রিল ত্রিপুরা এবং ২৬মে কলকাতা থেকে সীমিত জনবল ও অবকাঠামো নিয়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সম্প্রচার শুরু হয়।
- এই কেন্দ্র থেকে প্রচারিত অনুষ্ঠানসমূহের মধ্যে ছিলো:
- চরমপত্র
- জল্লাদের দরবার
- অগ্নিশিখা
- জাগরণী
- বজ্রকণ্ঠ
- বিশেষ কথিকা প্রভৃতি।
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত অনুষ্ঠানগুলো মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল বৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে।
- এদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ছিলো ‘চরমপত্র’ অনুষ্ঠানটি। এটির পরিকল্পনা করেন জাতীয় পরিষদ সদস্য আবদুল মান্নান এবং এটির উপস্থাপক ছিলেন এম আর আখতার মুকুল।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং দৈনিক যুগান্তর)
১৭.
বাংলাদেশে সাংবিধানিকভাবে গঠিত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা কে?
  1. ক) শাহাবুদ্দিন আহমেদ
  2. খ) লতিফুর রহমান
  3. গ) হাবিবুর রহমান
  4. ঘ) ইয়াজউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
গ) হাবিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হাবিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গৃহিত হয়। এর অধীনে ৩০ মার্চ বিচারপতি হাবিবুর রহমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান।
- ৩ এপ্রিল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- ১৯৯০ সালে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে বাংলাদেশে প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হলেও এর সাংবিধানিক ভিত্তি ছিলো না।
- ফখরুদ্দিন আহমেদ সর্বশেষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন।
- ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাদ দেওয়া হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১৮.
কার উদ্যোগে ক্র্যাক প্লাটুন গঠিত হয়?
  1. ক) মেজর কে এম শফিউল্লাহ
  2. খ) মেজর খালেদ মোশাররফ
  3. গ) মেজর জিয়াউর রহমান
  4. ঘ) মেজর আবু তাহের
সঠিক উত্তর:
খ) মেজর খালেদ মোশাররফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেজর খালেদ মোশাররফ
ব্যাখ্যা
- ক্র্যাক প্লাটুন হলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নং সেক্টরের অধীনে ঢাকা শহরের তরুণদের সমন্বযে গঠিত একটি গেরিলা সংগঠন।
- ২নং সেক্টরের কমান্ডার মেজর খালেদ মোশারফের উদ্যোগে এই গেরিলা বাহিনী গড়ে তোলা হয়।
- ১৯৭১ সালের জুনে ভারতের মেঘালয়ের মেলাঘর ক্যাম্প থেকে প্রথমে ১৭ জন গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে ক্র্যাক প্লাটুনের যাত্রা শুরু করে।
- শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সন্তান শহিদ রুমী ইমাম, শহিদ জুয়েল, শহিদ আলতাফ মাহমুদ, প্রয়াত আযম খান, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া প্রমুখ ক্র্যাক প্লাটুনের সাথে যুক্ত ছিলেন।
(তথ্যসূত্র: দৈনিক সমকাল)
১৯.
ইউনেস্কো কবে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে?
  1. ক) ১৯৯২ সালে
  2. খ) ১৯৯৭ সালে
  3. গ) ১৯৯৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৫ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সভায় ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
- এর ফলে ২০০০ সাল থেকে ২১শে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
(তথ্যসূত্র: ইউনেস্কো ওয়েবসাইট)
২০.
বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপিত হয়-
  1. ক) ১৯৯৬ সালে
  2. খ) ২০২০ সালে
  3. গ) ২০২১ সালে
  4. ঘ) ২০২২ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০২১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
- ২০২১ সালে বাংলাদেশর স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে সুবর্ণজয়্তী উদযাপিত হচ্ছে।
- ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ বাংলাদেশ স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলো। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ হানাদার মুক্ত হয়।
- ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ২৫ বছর পূর্তিতে রজতজয়ন্তী পালিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বাংলাপিডিয়া)