পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ; ২. বাংলাদেশের সংবিধান উৎস: ইতিহাস সংক্রান্ত বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, বাংলাপিডিয়া সহ সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, বাংলাদেশের সংবিধান ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ পাকিস্তান সেনাবাহিনী যে গণহত্যা চালায় তার নাম কী ছিল?
  1. অপারেশন জ্যাকপট
  2. অপারেশন নীলনকশা
  3. অপারেশন সার্চলাইট
  4. অপারেশন ব্লাক বার্ড
সঠিক উত্তর:
অপারেশন সার্চলাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন সার্চলাইট
ব্যাখ্যা
২৫শে মার্চের গণহত্যা:
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে বাঙালির তথা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরলতম এবং একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনা হয়, যা 'কালরাত্রি' নামে পরিচিত।
- সে সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানের নিরস্ত্র, নিরীহ, স্বাধীনতাকামী সাধারণ জনগণের ওপর ইতিহাসের নির্মমতম গণহত্যা চালায়।
- পাকিস্তান তাদের এ অভিযানের নাম দেয় 'অপারেশন সার্চলাইট'।

অপারেশন জ্যাকপট:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনী পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট',
- ১৫ই আগস্ট ১৯৭১ অভিযান পরিচালনা করে।
- এই অভিযানে দেশের দুইটি সমুদ্রবন্দর-চট্টগ্রাম ও মোংলা এবং দুইটি নদী বন্দর-চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জে একযোগে একই নামে অপারেশন চালানো হয়েছিল।


সূত্র: ¡) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
       ¡¡) বিবিসি বাংলা।
.
মুক্তিযুদ্ধে ৪নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন কে?
  1. ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
  2. সিপাহি হামিদুর রহমান
  3. সিপাহি মোস্তফা কামাল
  4. ল্যান্স নায়েক নুর মুহাম্মদ শেখ
সঠিক উত্তর:
সিপাহি হামিদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপাহি হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহি হামিদুর রহমান:
- জন্মস্থান বর্তমান ঝিনাইদহ জেলা মহেশপুর উপজেলার খোরদা খালিশপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- অংশরত মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর: ৪নং সেক্টর।
- মৃত্যু: ২৮ অক্টোবর ১৯৭১ সাল।
- সমাধি স্থান: মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থান।

অপরদিকে,
বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:
- মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের জন্ম ৭ মার্চ ১৯৪৯, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর মুক্তিযুদ্ধের ৭ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণহত্যার খবর পেয়ে তিনি দেশত্যাগ করে ভারতে যান এবং মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন।
- ৭ নম্বর সেক্টরের, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহি মোস্তফা কামাল:
- জন্মস্থান ভোলা জেলার দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজিপুর গ্রামে।
- অংশরত মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর: ২ নং সেক্টর।
- মৃত্যু: ১৮ এপ্রিল ১৯৭১ সাল।
- সমাধি স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার দরুইন গ্রামে।

• বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নুর মুহাম্মদ শেখ:
- জন্মস্থান নড়াইল জেলার মহেষ খোলা গ্রামে।
- অংশরত মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:৮ নং সেক্টর।
- মৃত্যু: ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সাল।
- সমাধি স্থান: যশোরের কাশিপুর নামক স্থানে।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ওয়েবসাইট।
.
কতজন সদস্য নিয়ে গনপরিষদ গঠিত হয়েছিল?
  1. ১৬৯ জন
  2. ৪০০ জন
  3. ৩০০ জন
  4. ৪০৩ জন
সঠিক উত্তর:
৪০৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০৩ জন
ব্যাখ্যা
গণপরিষদ আদেশ:
- ৪০৩ জন সদস্য নিয়ে গনপরিষদ গঠিত হয়েছিল?
- ১৯৭২ সালে ২৩ মার্চ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ জারি করেন।
- এই আদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকর হয়।
- এই আদেশ অনুসারে ১৯৭০ সালের ডিসেম্বর ও ১৯৭১ সালের জানুয়ারি মাসে নির্বাচিত প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদ সদস্যগণ গণপরিষদের সদস্য বলে পরিগণিত হয়।
- মৃত্যু এবং অন্য কোন কারণে বা আইনে অযোগ্য বলে ঘোষিত হওয়ার ফলে সর্বমোট (১৬৯+৩০০) ৪৬৯ জন সদস্যের স্থলে ৪০৩ জন সদস্য নিয়ে গণপরিষদ গঠিত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জন্য একটি স্থায়ী সংবিধান প্রণয়নের গুরুদায়িত্ব গণপরিষদের ওপর ন্যস্ত করা হয়।
- পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একজন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করতে পারবে।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
খসড়া সংবিধান গণপরিষদে কবে উত্থাপিত হয় ?
  1. ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
  2. ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর
  3. ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর
  4. ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয়: ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- এদিন পরিষদের সামনে সকল প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়।
- ৪ নভেম্বর ১৯৭২ গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

এছাড়াও,
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
.
কনসার্ট ফর বাংলাদেশ কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. নিউইয়র্ক, টাইমস স্কয়ার
  2. প্যারিস, আইফেল টাওয়ার প্রাঙ্গণ
  3. নিউইয়র্ক, ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেন
  4. ইডেন গার্ডেন, কলকাতা
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক, ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক, ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেন
ব্যাখ্যা
কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:
- স্থান: 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়।
- সময়: ১লা আগস্ট ১৯৭১ সালে আয়োজিত এই কনসার্টের অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন পণ্ডিত রবি শংকর ও জর্জ হ্যারিসন।
- উদ্দেশ্য:  মুক্তিযুদ্ধের সময় শরণার্থীদের দুর্দশা দেখে রবি শংকর তার বন্ধু জর্জ হ্যারিসনকে সাহায্যের আহ্বান জানান
- কনসার্টে ৪০,০০০ দর্শক উপস্থিত ছিলেন।
- সংগৃহীত অর্থ ইউনিসেফের মাধ্যমে শরণার্থীদের কল্যাণে ব্যয় করা হয়।
- এটি বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১২ সালে বাংলাদেশ সরকার পণ্ডিত রবি শংকরকে 'মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা' প্রদান করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
.
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. আবুল হাসনাত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
  4. তাজউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
আবুল হাসনাত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল হাসনাত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
ব্যাখ্যা
অস্থায়ী সরকার গঠন:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল ও মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ করে।
- এদিন (১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল) কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমেদ,
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী: ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী: আবুল হাসনাত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান,
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

উল্লেখ্য,
- এটি 'মুজিবনগর সরকার' নামেই সমধিক পরিচিত এবং মুজিব নগর সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
- ১০ এপ্রিল দেশের 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নামকরণ করে তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে মন্ত্রীসভা ঘোষণা করা হয়।
- উল্লেখ্য, মেহেরপুর মহকুমা পরবর্তীতে জেলা হিসেবে উন্নীত হয় এবং বৈদ্যনাথতলার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়- মুজিবনগর।
- স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর ছিল স্বাধীন দেশের অস্থায়ী রাজধানী এবং সচিবালয়/সদর দপ্তর ছিল- কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোড।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, DMP ও তথ্য অধিদফতর ওয়েবসাইট।
.
'স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র' সংবিধানের কত নং তফসিলে বর্ণিত হয়েছে?
  1. সপ্তম তফসিল
  2. ষষ্ঠ তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. পঞ্চম তফসিল
সঠিক উত্তর:
সপ্তম তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সপ্তম তফসিল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল সমূহ:
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
• প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
• তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
• চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলি।
• পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
সংবিধানের ৩৮ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. সংগঠনের স্বাধীনতা
  2. সমাবেশের স্বাধীনতা
  3. চলাফেরার স্বাধীনতা
  4. পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
সংগঠনের স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংগঠনের স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৩৩ - গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ।
- অনুচ্ছেদ ৩৪ - জবর দস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৫ - বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৬ - চলাফেরার স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৭ - সমাবেশের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৮ - সংগঠনের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৯ - চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্‌স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪০ - পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪১ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৪৩ - গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৪ - মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৫ - শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।

উল্লেখ্য,
- সংবিধানের ২৬ থেকে ৪৭ অনুচ্ছেদ মৌলিক অধিকার কথা বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে নদী বন্দরসমূহ কোন সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ১০ নং
  2. ১১ নং
  3. ৭ নং
  4. ৮ নং
সঠিক উত্তর:
১০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ নং
ব্যাখ্যা
সেক্টর সমূহ:
- একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য তৎকালীন অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানকে (বর্তমান বাংলাদেশ) ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।
- এটি ছিল যুদ্ধ পরিচালনার একটি সামরিক কৌশল।

১০ নং সেক্টর:
- মুক্তিযুদ্ধকালে নদী বন্দরসমূহ ১০ নং সেক্টর  এর অধীনে ছিল।
- এ সেক্টরে নৌ কমান্ডোরা যখন যে সেক্টরে মিশনে নিয়োজিত থাকতেন, তখন সে সেক্টরের কমান্ডারের নির্দেশে কাজ করতেন।
- এই সেক্টরে কোনো সাবসেক্টর ছিল না এবং ছিল না নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার।
- প্রধান সেনাপতির নিয়ন্ত্রণাধীন বিশেষ বাহিনী ছিল এটি।

এছাড়াও, অন্যান্য সেক্টরগুলো:
- ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম, 
- ২নং সেক্টর: ঢাকা, নোয়াখালী, ফরিদপুর ও কুমিল্লার অংশবিশেষ,
- ৩নং সেক্টর: কুমিল্লা, কিশোরগঞ্জ ও হবিগঞ্জ,
- ৪নং সেক্টর: মৌলভীবাজার ও সিলেটের পূর্বাংশ,
- ৫নং সেক্টর: সিলেট ও সুনামগঞ্জ,
- ৬নং সেক্টর: রংপুর, দিনাজপুর,
- ৭নং সেক্টর: রাজশাহী, বগুড়া, পাবনা,
- ৮নং সেক্টর: কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুর,
- ৯নং সেক্টর: খুলনা, বরিশাল,
- ১০নং সেক্টর: সকল নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল,
- ১১নং সেক্টর: টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছে?
  1. ১৫ তম সংশোধনী
  2. ১২ তম সংশোধনী
  3. ১৩ তম সংশোধনী
  4. ১৪ তম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
১৫ তম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ তম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ২৫ জুন সংসদে পাস হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনা হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা আবারও প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল।
- সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন সংখ্যা ৪৫ থেকে ৫০-এ উন্নীতকরণ।
- সংবিধানের পূর্ববর্তী অনুচ্ছেদ ৭-এর স্থলে ৭(১) এবং ৭(খ) যুক্ত করা হয়।
- যার উদ্দেশ্য অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখলের সমাপ্তি ঘটানো।

উল্লেখ্য,
- ১২ তম সংশোধনীতে, সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- ১৪ তম সংশোধনীর মাধ্যমে নারীদের সংরক্ষিত আসন ৪৫টি  ১০ বছরের জন্য রাখা।
- ১৩ তম সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন। ( বাতিল করা হয়েছে)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা কথা বর্ণিত হয়েছে?
  1. ২ক
  2. ৪ নং
  3. ৩ নং
  4. ২ নং
সঠিক উত্তর:
৩ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ নং
ব্যাখ্যা
প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা' সংবিধানের ৩ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে।

• বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগ:
- অনুচ্ছেদ ১: প্রজাতন্ত্র।
- অনুচ্ছেদ ২: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা।
- অনুচ্ছেদ ২ক: রাষ্ট্রধর্ম।
- অনুচ্ছেদ ৩: রাষ্ট্রভাষা।
- অনুচ্ছেদ ৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।
- অনুচ্ছেদ ৪ক: জাতির পিতার প্রতিকৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৫: রাজধানী।
- অনুচ্ছেদ ৬: নাগরিকত্ব।
- অনুচ্ছেদ ৭: সংবিধানের প্রাধান্য।
- অনুচ্ছেদ ৭ক: সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ।
- অনুচ্ছেদ ৭খ: সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলি সংশোধন অযোগ্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১২.
সংবিধানের-১৮(ক) অনুচ্ছেদে কী সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য
  2.  সম্পত্তির অধিকার।
  3. অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
  4. গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি-বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান:
- অনুচ্ছেদ - ১৮ নং: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
- ১৮(১): জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলে গণ্য করা হবে।
-  বিশেষত আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
 - ১৮(২):  গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
- ১৮(ক): রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
- এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণীর সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করবে।

⇒ অপরদিকে,
- অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।
- ১৭ নং অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা কথা বলা হয়েছে।
- ১৬নং গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি-বিপ্লব কথা বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৩.
মুক্তিযুদ্ধে মর্যাদা অনুসারে ২য় বীরত্বসূচক খেতাব কোনটি?
  1. বীর প্রতীক
  2. বীরশ্রেষ্ঠ
  3. বীর বিক্রম
  4. বীর উত্তম
সঠিক উত্তর:
বীর উত্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীর উত্তম
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।

⇒ এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ: ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম: ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম: ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক: ৪২৬জন।

⇒ উল্লেখ্য,
• ৬ জুন ২০২১ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ৪ জনের খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ: ৭ জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক: ৪২৪ জন।

উৎস: ¡) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
         ¡¡) বাংলাপিডিয়া।