পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes৫০ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৫১
সিলেবাস
৪৬তম বি.সি.এস. প্রস্তুতি - সাবজেক্ট ফাইনাল ও রিভিশন বিষয়ের নাম: বাংলাদেশ বিষয়াবলি-২ [১০০ নাম্বার] (টপিকগুলোর বিস্তারিত সিলেবাস বাটনে বা পিএসসির সিলেবাসেই পাবেন।) ১) বাংলাদেশের সংবিধান। ২) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও সরকার ব্যবস্থা। ৩) বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। ৪) বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ, জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৫১ প্রশ্ন

.
প্রয়াত চিত্রপরিচালক তারেক মাসুদের 'জঙ্গীবাদ ও তার প্রভাব' সম্পর্কিত চলচ্চিত্রের নাম -
  1. মুক্তির গান
  2. রানওয়ে
  3. যাত্রা
  4. মাটির ময়না
সঠিক উত্তর:
রানওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রানওয়ে
ব্যাখ্যা
প্রয়াত চিত্রপরিচালক তারেক মাসুদের 'জঙ্গীবাদ ও তার প্রভাব' সম্পর্কিত চলচ্চিত্রের নাম - রানওয়ে

• চলচ্চিত্র:
- বাংলাদেশে স্বাধীন চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার, লেখক এবং গীতিকার হিসেবে সমাদৃত তারেক মাসুদ।
- শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর ছেলে আশফাক দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বিবিসির ভিডিও গ্রাহক হিসেবে কাজ করেছেন দীর্ঘদিন।
- সবার কাছে মিশুক মুনীর নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন তিনি।
- তিনি চেয়েছিলেন তার ‘রানওয়ে’ চলচ্চিত্রটিকে বাংলাদেশের প্রতিটি প্রান্তের দর্শকদের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে।
- জঙ্গীবাদ, মৌলবাদ বিরোধী একটি রাজনৈতিক ছবি ‘রানওয়ে’ নিয়ে ভেবেছিলেন অন্য ভাবনা।
- ঢাকা কেন্দ্রীক চিন্তাচেতনাকে অগ্রাহ্য করে আর্থিক ঝুঁকির সম্ভাবনা থাকা পরও অবলীলায় নিজের তৈরি ছবি ‘রানওয়ে’কে বন্দরনগরীতে ২০১০ সালের ৪ অক্টোবরে মুক্তি দিয়েছিলেন।
- ২০০২ সালে তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘মাটির ময়না’ মুক্তি পায়।
- ২০১১ সালের ১৩ অগস্ট মাসে কাগজের ফুল লোকেশন দেখতে গিয়ে ফিরে আসার সময় মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার জোকা এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে দুর্ঘটনায় মারা যান। 

সূত্র: বাংলা নিউজ ডট কম এবং ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট।
.
রংপুর বিভাগে কতটি জেলা রয়েছে?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
রংপুর বিভাগ:
- আয়তন: ১৬৩৭৪.০৯১ বর্গকিলোমিটার।
- অবস্থান: ২৫°২০´ থেকে ২৬°৩৭´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°৫০´ থেকে ৮৯°৫৩´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
- সীমানা: উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য, দক্ষিণে জয়পুরহাট, বগুড়া ও জামালপুর জেলা, পূর্বে ভারতের আসাম রাজ্য, পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য।
- রংপুর বিভাগ গঠিত হয় ২৫ জানুয়ারী ২০১০ সালে।
- জেলা: ৮টি।
- উপজেলা: ৫৮টি।

উৎস- বাংলাপিডিয়া ও রংপুর বিভাগ ওয়েবসাইট।
.
জাতিসংঘের কততম অধিবেশনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব পাস হয়?
  1. ৬৩তম অধিবেশনে
  2. ৬৪তম অধিবেশনে
  3. ৬৫তম অধিবেশনে
  4. ৬৬তম অধিবেশনে
সঠিক উত্তর:
৬৫তম অধিবেশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৫তম অধিবেশনে
ব্যাখ্যা
২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।

- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।
- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

সূত্র: ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
.
বাংলা পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ মুক্তি পায় -
  1. ১৯৬২ সালে
  2. ১৯৬০ সালে
  3. ১৯৫৮ সালে
  4. ১৯৫৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
চলচ্চিত্র :
- পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম সবাক বাংলা পূর্ণদৈর্ঘ্য  চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশ মুক্তি পায় ১৯৫৬ সালের ৩ আগষ্ট।
- ১৯৫৬ সালে ১টি ছবি মুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশে চলচ্চিত্রের যাত্রা শুরু করা হয়। 
- এর প্রযোজনায় ছিলেন নুরুজ্জামান, শহীদুল আলম, কলিমউদ্দিন আহমেদ, এম এ হাসান ও আব্দুল জব্বার খান।
- পরিচালকের নিজের লেখা নাটক ডাকাত অবলম্বনে এ ছবির কাহিনী তৈরি হয়।
- ১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল পূর্ব পাকিস্তান আইন পরিষদে বিল পাশের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তান চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থা (ইপিএফডিসি) প্রতিষ্ঠত হয়।
- এফডিসি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের ভিত্তি স্থাপিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর।
.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়?
  1. পঞ্চদশ সংশোধনী
  2. একাদশ সংশোধনী
  3. সপ্তদশ সংশোধনী
  4. ত্রয়োদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
• পঞ্চদশ সংশোধনী:
- পঞ্চদশ সংশোধনী আইন  সংবিধান আইন ২০১১ (পঞ্চদশ সংশোধনী) পাস হয় ২০১১ সালের ২৫ জুন।
- এই সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্টীয় মুলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতিও দেয়া হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়, জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়
- সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্টীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়। 

উৎস:- লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
.
বর্তমানে দেশে উপজেলার সংখ্যা কতটি?
  1. ৪৯৪টি
  2. ৪৯৩টি
  3. ৪৯৬টি
  4. ৪৯৫টি
সঠিক উত্তর:
৪৯৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৫টি
ব্যাখ্যা
উপজেলা:
 - বাংলাদেশে বর্তমানে উপজেলার সংখ্যা ৪৯৫টি।
- গত ২৬ জুলাই ২০২১ অনুষ্ঠিত নিকারের ১১৭তম সভায় নতুন তিনটি উপজেলার অনুমোদন দেওয়া হয়।

এগুলো হলো:
- ৪৯৫তম : ডাসার, (মাদারীপুর)
- ৪৯৪তম : মধ্যনগর, (সুনামগঞ্জ)
- ৪৯৩তম : ঈদগাঁও (কক্সবাজার)।
- গত ১০ আগস্ট ২০২১ নতুন উপজেলাগুলোর গেজেট প্রকাশ করা হয়।

এছাড়াও,
- সিটি কর্পোরেশন রয়েছে ১২ টি।
- জেলা রয়েছে ৬৪টি।
- বিভাগ রয়েছে ৮টি।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয় ওয়েবসাইট।
.
মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত কে?
  1. জাহানারা ইমাম
  2. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
  3. আয়েশা রহমান
  4. বেগম সুফিয়া কামাল
সঠিক উত্তর:
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
ব্যাখ্যা
নারী জাগরণের অগ্রদূত:
 - বাঙালি সমাজ যখন ধর্মীয় প্রতিবন্ধকতা আর সামাজিক কুসংস্কারে আচ্ছন্ন ছিল, সেই সময় বেগম রোকেয়া বাংলার মুসলিম নারী সমাজে শিক্ষার আলো নিয়ে এসেছিলেন।
- বাঙালি মুসলমান নারী জাগরণের তিনি ছিলেন অন্যতম একজন পথিকৃৎ।
- বিশ শতকের প্রথমার্ধে তিনি নারীশিক্ষা বিশেষত মুসলিম নারীদের মধ্যে শিক্ষার প্রসারে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন।
- এছাড়া তিনি নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন স্থানে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন এবং সরকারের নিকট নারীদের উন্নয়নে বিভিন্ন দাবী দাওয়া পেশ করেন।
- বেগম রোকেয়া ১৮৮০ সালে রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩২ সালে কলকাতায় মারা যান।

উৎস:বাংলাপিডিয়া এবং যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
.
বাংলাদেশের কোন নৃগোষ্ঠী 'ডানডাকাঁটা’ উৎসবের আয়োজন করে?
  1. গারো
  2. ওরাঁও
  3. মুরং
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
ওরাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওরাঁও
ব্যাখ্যা
• ওরাওঁ:
- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী।
- তারা বর্তমানে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমণিরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বগুড়া, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় বসবাস করছে। 
- ওরাঁও জনগোষ্ঠী কুঁড়ুখ ভাষায় কথা বলে। এটি দ্রাবিড় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত একটি আদি ও কথ্য ভাষা।

- ওরাওঁরা জড়োপাসক, তাদের ভগবানের নাম ধরমী বা ‘ধার্মেশ’ বা ‘ধরমেশ’। তাদের মতে, এ ধরমেশই পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা। তিনি সূর্যে অবস্থান করেন। এ ধারণার পরিপ্রেক্ষিতে ওরাওঁ সমাজ সূর্যকেও দেবতা হিসেবে জ্ঞান করে। ওরাওঁরা তাদের সৃষ্টিকর্তা ধরমেশকে সন্তুষ্ট রাখার জন্য তাঁর উদ্দেশ্যে পূজা করে এবং তাঁর উদ্দেশ্যে ‘ডানডাকাঁটা’ উৎসবের আয়োজন করে।

- যাবতীয় বিবাদ মেটানো ও শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য গ্রাম সংগঠন আছে যাকে বলা হয় পাঞ্চেস।
- প্রতিটি গ্রামে একজন হেডম্যান বা মহাতোষ থাকে এবং একজন পুরোহিত বা নাইগাস থাকে।
- গ্রামের বয়স্ক সাত-আটজন ব্যক্তি দ্বারা পাঞ্চেস গঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে কোন দেশের সংবিধান অনুসরণ করা হয়েছে?
  1. ভারত
  2. যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে অনুসরণ করা হয় ভারত ও যুক্তরাজ্যের সংবিধান।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সংবিধান- ভারতের।
- পৃথিবীর যে সকল দেশের সংবিধান অলিখিত- স্পেন, নিউজিল্যান্ড, ব্রিটেন, সৌদি আরব ও ইসরায়েল।
- গণপরিষদের সর্বমোট ২১ টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান হাতে লিখে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছিল।
- সংবিধানের হস্তলিপির কাজ করেছেন এ কে এম আবদুর রুউফ ।
- হাতে লেখা বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানের পৃষ্ঠা ছিল ১০৯ ।
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা হয়েছে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'
- সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবদায়ক ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নাল আবেদীন।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১০.
'জোরজবরদস্তিমূলক শ্রম নিষিদ্ধ' কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. ২৭ নং অনুচ্ছেদে
  2. ৩৯ নং অনুচ্ছেদে
  3. ৩৬ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৩৪ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩৪ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
জোরজবরদস্তিমূলক শ্রম নিষিদ্ধ - ৩৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী

• সংবিধান:
- আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিক সমান বলা আছে - ২৭ নং অনুচ্ছেদে।
- সংবিধানের যে অনুচ্ছেদে সকল নাগরিকের আইনের আশ্রয় লাভের অধিকারের উল্লেখ আছে - ৩১ নং অনুচ্ছেদে।
- সংবিধানের যে অনুচ্ছেদে “চলাফেরার স্বাধীনতা” উল্লেখ রয়েছে - ৩৬ নং অনুচ্ছেদে।
- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে -৩৯ নং অনুচ্ছেদে।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১১.
বর্তমান 'চারুকলা ইনস্টিটিউ' এর প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. মুর্তজা বশীর
  2. মুস্তফা মনোয়ার
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. এস এম সুলতান
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা
জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন (১৯১৪-১৯৭৬)  আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অসাধারণ প্রতিভাবান শিল্পী।
- ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফ্টস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের তিনিই পুরোধা।
- ১৯৪৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানের (বর্তমান  চারুকলা ইনস্টিটিউ) তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ। 

• ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষে জয়নুল আবেদিন ধারাবাহিকভাবে একাধিক চিত্র স্কেচ করেন।
- সস্তা প্যাকিং পেপারে চাইনিজ ইঙ্ক ও তুলির আচরে ‘দুর্ভিক্ষের রেখাচিত্র’ নামে পরিচিত জয়নুলের এ চিত্রকর্মে ফুটে উঠেছে শব-সওদাগরদের নিষ্ঠুরতা ও নৈতিক কলুষতা, সে সাথে নিপীড়িতের অমানবিক দুর্দশা। চিত্রকর্মগুলি জয়নুলকে ভারতব্যাপী খ্যাতি এনে দেয়।
- ‘দ্য রেবেল ক্রো’ (জলরং, ১৯৫১) এ ধারার সবচেয়ে উজ্জ্বল নিদর্শন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২.
বঙ্গবন্ধু কত তারিখে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন?
  1. ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
  2. ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি
  3. ১৯৭৩ সালের ১০ জানুয়ারি
  4. ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
• স্বদেশ প্রত্যাবর্তন:
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি স্বপ্নের স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
- আন্তর্জাতিক চাপে বাধ্য হয়ে পাকিস্তানি সরকার ০৮ ই জানুয়ারি তারিখে ২৯০ দিন আটক রাখার পর তাকে মুক্ত করে দেয়।
- তিনি সেখান থেকে বিশেষ বিমানযোগে লন্ডনে চলে যান।
- তারপর লন্ডন থেকে ভারত হয়ে তিনি ১৯৭২ সালের ১০ ই জানুয়ারি আসেন মুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশে।
- ১০ ই জানুয়ারি ২০২২ সালে বঙ্গবন্ধুর  স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের ৫০ বছর পূর্তি হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
১৩.
সাক্ষরতা সম্পর্কিত কোন বক্তব্যটি সঠিক?
  1. সাক্ষরতা আর শিক্ষা একই
  2. পড়া ও লেখার ক্ষমতা
  3. শুধু পড়তে পারার দক্ষতা
  4. শুধু স্বাক্ষর দেওয়ার জ্ঞান
সঠিক উত্তর:
পড়া ও লেখার ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পড়া ও লেখার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

• সাক্ষরতা:
- সাক্ষরতা হচ্ছে  পড়া ও লেখার ক্ষমতা
- সমাজজীবন যত জটিল হয় ব্যবহারিক সাক্ষরতার স্তর তত উন্নীত হয় বলে একজন নিরক্ষর লোকের পক্ষে কর্মসংস্থান দুরূহ হয়ে ওঠে, দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়াও কষ্টকর হয়।
- দেশে প্রায়োগিক সাক্ষরতার হার ৬২.৯২ শতাংশ।
- দেশে এমন প্রায়োগিক সাক্ষরতা সম্পন্ন মানুষের হার ৬২ দশমিক ৯২। তাদের বয়স সাত বছর থেকে তার বেশি।
- ৭ থেকে ১৪ বছর বয়সীদের মধ্যে প্রায়োগিক সাক্ষরতায় পুরুষের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন নারীরা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ভোরের কাগজ পত্রিকা রিপোর্ট।[লিঙ্ক] [লিঙ্ক]

১৪.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গ বা বিভাগ কতটি?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন বিভাগ:
- গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গ বা বিভাগ তিনটি
i) আইন বিভাগ,
ii) শাসন বিভাগ 
iii) বিচার বিভাগ।

• সরকারের সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ - শাসন বিভাগ।
- শাসন বিভাগের দুইটি অংশ রয়েছে। যথা− রাজনৈতিক অংশ এবং অ-রাজনৈতিক অংশ।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
১৫.
বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন কে?
  1. তাজউদ্দিন আহমেদ
  2. আব্দুর রউফ
  3. এম মনসুর আলী
  4. শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধান:
- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক - এ.কে.এম আব্দুর রউফ।
- হস্তলিখিত সংবিধানে মোট ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- হাতে লেখা সংবিধানের পৃষ্ঠা সংখ্যা ছিল ১০৯।
- সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা ছিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।

সূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬.
পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার আবিষ্কার করেন -
  1. কানিংপো
  2. পিয়ারি
  3. কানিংহাম
  4. আদিশুর
সঠিক উত্তর:
কানিংহাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানিংহাম
ব্যাখ্যা
সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

উৎস: প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৭.
বাংলাদেশে কতটি উপজাতীয় প্রতিষ্ঠান আছে?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা
• উপজাতীয় প্রতিষ্ঠান:
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ১০টি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
• এগুলো হলো:
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, বিরিশিরি নেত্রকোনা,
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, রাঙামাটি, 
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, বান্দরবান,
- কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, কক্সবাজার,
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, খাগড়াছড়ি,
- রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, রাজশাহী,
- মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার,
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, হালুয়াঘাট,
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, দিনাজপুর,
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, নওগাঁ।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন, ২০১০। [লিঙ্ক]
১৮.
আদাম কী?
  1. চাকমাদের গ্রাম
  2. খাসিয়াদের গ্রাম
  3. সাঁওতালদের গ্রাম
  4. মারমাদের গ্রাম
সঠিক উত্তর:
চাকমাদের গ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমাদের গ্রাম
ব্যাখ্যা
গ্রাম:
- চাকমাদের গ্রামগুলো আদাম নামে পরিচিত
- চাকমাদের কয়েকটি পাড়া নিয়ে গঠিত হয় মৌজা।
- চাকমা মৌজার প্রধান হলেন হেডম্যান।

অন্যদিকে,
- সাওতালদের গ্রাম: দিশাম।
- মারমাদের গ্রাম: রোয়া।
- খাসিয়াদের গ্রাম: পুঞ্জি।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, সপ্তম শ্রেণি।
১৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ‘দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোনো ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থাকবে না।’
  1. অনুচ্ছেদ ৫০ (৪)
  2. অনুচ্ছেদ ৫০ (৩)
  3. অনুচ্ছেদ ৫০ (২)
  4. অনুচ্ছেদ ৫০ (১)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫০ (২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫০ (২)
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ:
- সংবিধানের ৫০ (২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থাকবে না।

এছাড়াও
- ৫০ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বৎসরের মেয়াদে তার পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তার উত্তরাধিকারী-কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।
- ৫০ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- ৫০ (৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তার কার্যভারকালে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য হবেন না, এবং কোন সংসদ-সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে রাষ্ট্রপতিরূপে তার কার্যভার গ্রহণের দিনে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২০.
খাসিয়া সম্প্রদায় কোথায় বসবাস করে?
  1. রাজশাহী
  2. রংপুর
  3. হবিগঞ্জ
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
খাসিয়া সম্প্রদায়:
- খাসিয়া (বা খাসি) বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠি।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- খাসিয়ারা প্রায় পাঁচ শতাধিক বছর আগে আসাম থেকে বাংলাদেশে আসে।
- তারা আসামে এসেছিল সম্ভবত তিববত থেকে।
 - তাদের প্রধান আবাসস্থল উত্তর-পূর্ব ভারত। 
- খাসিয়া সম্প্রদায় বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়া গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও সংশ্লিষ্ট জেলা সমূহের ওয়েবসাইট।
২১.
সীতাকোট বিহার কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. বগুড়া
  3. নওগাঁ
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
সীতাকোট বিহার:
- সীতাকোট বিহার একটি বৌদ্ধ বিহার।
- বিহারটি দিনাজপুর জেলার নওয়াবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
- বিহারটিতে মোট কক্ষের সংখ্যা ৪১টি।
- এখানে পাহাড়পুর, শালবন বিহার এবং আনন্দ বিহারের মত ঐতিহ্যবাহী পোড়ামাটির ফলক দেখা যায়না।
- তবে আকার আয়তনের দিক থেকে এই বিহারের সঙ্গে বগুড়ায় অবস্থিত ভাসু বিহার এর অনেক মিল রয়েছে।
- সীতাকোট বিহার থেকে প্রাপ্ত দুইটি ব্রোঞ্জ মূর্তির গঠন শৈলী থেকে অনুমান করা যায় যে, এগুলি ৭ম-৮ম শতাব্দীতে তৈরী।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বিহার।

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২২.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৭নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে -
  1. মন্ত্রীসভা
  2. প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ
  3. স্থানীয় শাসন
  4. মন্ত্রীদের পদের মেয়াদ
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৭ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়।
- প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ: অনুচ্ছেদ ৫৭ (১)অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হবে, যদি- 
 (ক) তিনি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট পদত্যাগপত্র প্রদান করেন; অথবা 
 (খ) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন। 

- অনুচ্ছেদ ৫৭ (২)অনুযায়ী সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারালে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন কিংবা সংসদ ভেংগে দেয়ার জন্য লিখিতভাবে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শদান করবেন এবং তিনি অনুরূপ পরামর্শদান করলে রাষ্ট্রপতি, অন্য কোন সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন নন এই মর্মে সন্তুষ্ট হলে, সংসদ ভেংগে দিবেন। 

- অনুচ্ছেদ ৫৭ (৩) অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে স্বীয় পদে বহাল থাকতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই অযোগ্য করবে না।

অন্যদিকে, 
অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রীসভা।
অনুচ্ছেদ ৫৮ - মন্ত্রীদের পদের মেয়াদ। 
অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৩.
শান্তিতে অবদানের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পেয়েছিলেন -
  1. ম্যাগসেসে পদক
  2. জুলিও ফ্রিডম পদক
  3. নেহেরু পদক
  4. জুলিও কুরি পদক
সঠিক উত্তর:
জুলিও কুরি পদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলিও কুরি পদক
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বিশ্ব শান্তি পরিষদ' কর্তৃক 'জুলিও কুরি' শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে ১৯৫০ সালে প্রবর্তিত জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৩শে মে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।

উৎস: কারাগারের রোজনামচা ও আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
২৪.
বিশ্ব ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ওয়ানডে এবং টেস্ট ম্যাচ অভিষেকে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হন -
  1. শচীন টেন্ডুলকার
  2. সাকিব আল হাসান
  3. রিকি পন্টিং
  4. মোস্তাফিজুর রহমান
সঠিক উত্তর:
মোস্তাফিজুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোস্তাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা
মোস্তাফিজুর রহমান:
 -মোস্তাফিজুর রহমান জন্ম গ্রহণ করেছেন ৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫ সালে, সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে।
- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এসেই একের পর এক বিস্ময় উপহার দেওয়া মোস্তাফিজ পরিচিতি পেয়েছেন কাটার মাস্টার হিসেবে।
- ওয়ানডে ও টেস্ট ম্যাচ অভিষেকে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হন।
- ক্রিকেটের দুই সংস্করণেই শুরুর লগ্নটাকে স্মরণীয় করে মুস্তাফিজুর রহমান ঢুকে গেছেন ইতিহাসে।
- টেস্ট ও ওয়ানডে দুই ক্রিকেটেই অভিষেকে ম্যাচসেরার একমাত্র কীর্তি বাংলাদেশের এই বাঁহাতি পেসারের।
- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন সংস্করণের দুটিতেই অভিষেকে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার জেতা খেলোয়াড় আছেন আর মাত্র একজন।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
২৫.
বাংলাদেশ সংবিধানে 'অধ্যাদেশ প্রণয়নের ক্ষমতা' দেওয়া হয়েছে-
  1. ৭৭ নং অনুচ্ছেদে
  2. ৫১ নং অনুচ্ছেদে
  3. ৯৩ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৭০ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৯৩ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৩ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের,
- ৯৩ নং অনুচ্ছেদে 'অধ্যাদেশ প্রণয়নের ক্ষমতা' দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে,
- ৭৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে ন্যায়পালের কথা,
- ৭০ নং অনুচ্ছেদে রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া বা ফ্লোর ক্রসিংয়ের কথা,
- ৫১ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তির কথা বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৬.
বাংলাদেশ আইসিসির দশম পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে -
  1. ২৬ জুন ২০০০ সালে
  2. ২৬ জুলাই ১৯৯৯ সালে
  3. ২৬ জুলাই ২০০০ সালে
  4. ২৬ জুন ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২৬ জুন ২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ জুন ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় ক্রিকেট
• বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দল ১৯৭৯ সালে প্রথম আইসিসি ট্রফিতে অংশগ্রহণ করে এবং ১৯৯৭ সালে এ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। এর আগেই ১৯৮৬ সালে এশিয়া কাপে অংশগ্রহণের মাধ্যমে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় বাংলাদেশের।
- ১৯৯৭ সালেই বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস ২৬ জুন ২০০০ তারিখে আইসিসির দশম পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- ২০০০ সালের নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলতে নামে বাংলাদেশ।

- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পায়। 
- ২০০৬ সালে চার ম্যাচের সিরিজে কেনিয়াকে ৪-০তে হারিয়ে প্রথম কোনো দেশকে হোয়াইটওয়াশ করার কৃতিত্ব অর্জন করে বাংলাদেশ।
- ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টেস্ট, ওয়ানডে উভয় সিরিজে হারিয়ে বিদেশের মাটিতে কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে প্রথম সিরিজ জয়ের স্বাদ পায়।
- ২০১০ সালে নিজেদের মাঠে ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডকে ৪-০ ম্যাচে হারিয়ে পায় টেস্ট খেলুড়ে কোনো দেশকে প্রথমবারের মতো হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৭.
গারো নৃ-গোষ্ঠীর পারিবারিক কাঠামো কোনটি?
  1. পিতৃতান্ত্রিক
  2. সমাজতান্ত্রিক
  3. মাতৃতান্ত্রিক
  4. ভ্রাতৃতান্ত্রিক
সঠিক উত্তর:
মাতৃতান্ত্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাতৃতান্ত্রিক
ব্যাখ্যা
• উপজাতি:
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ৫০টি উপজাতির মধ্যে খাসিয়া এবং গারো বা মান্দি সম্প্রদায়ের পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক।
- বাকি সবগুলো উপজাতির পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- গারো নৃ-গোষ্ঠী নিজেদের ‘মান্দি’ হিসেবে পরিচয় দিতে ভালোবাসে।
- এরা বৃহত্তর ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে। এদের আদি নিবাস ছিল তিব্বতে।
- গারোদের ভাষার নাম আচিক খুসিক। তাদের প্রধান উৎসব ওয়ানগালা।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেনি।
২৮.
বাংলাদেশে প্রথম রেললাইন স্থাপন করা হয় -
  1. দর্শনা-গোয়ালন্দ
  2. কুষ্টিয়া-গোয়ালন্দ
  3. দর্শনা-সিলেট
  4. দর্শনা-কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
দর্শনা-কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দর্শনা-কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম রেল লাইন:
- এ দেশে প্রথম রেলওয়ের সূচনা হয় ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর দর্শনা হতে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত।
- রেলওয়ের কার্যক্রম শুরু হয় ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৬২ সালে।
- প্রথম দিকে শুধু অর্থনৈতিক কাজের জন্য রেলপথ চালু করা হয়।
- ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে নামের একটি প্রতিষ্ঠান প্রথম এ অঞ্চলে রেলপথ স্থাপন করে।
- ১৮৬২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে কলকাতা থেকে রাণাঘাট পর্যন্ত রেলপথ উদ্বোধন করে।
- প্রতিষ্ঠানটি ওই বছরের ১৫ নভেম্বর রানাঘাট থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত রেলপথ চালু করে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৭ সালের পূর্বে অবিভক্ত ভারতবর্ষে রেলওয়ে বোর্ডের মাধ্যমে তৎকালীন রেলওয়ে পরিচালিত হতো।
- ১৯৭৩ সালে বোর্ডের কার্যক্রম বিলুপ্ত করে একে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত করা হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে রেলপথ বিভাগ গঠন করা হয়।

উৎস: রেলপথ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া। [লিঙ্ক]
২৯.
[পরীক্ষার শুরুতে কারিগরি সমস্যার কারণে এই প্রশ্নে ৩টি অপশন দেখা যাচ্ছিল না। পরীক্ষা চলাকালীন বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে এবং প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।]
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ৪ (১)
  2. ৪ (২)
  3. ৪ (৩)
  4. ৪ক নং
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
সংবিধানে জাতীয় পতাকা:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৪(২) নং অনুচ্ছেদে জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বলা হয়েছে। এই বিধান অনুসারে “প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।”

অন্যদিকে,
- ৪(১) নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় সঙ্গীত,
- ৪(৩) নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় প্রতীক,
- ৪ক নং অনুচ্ছেদ : জাতির পিতার প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৩০.
বিশ্বে ইলিশ মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. চতুর্থ
  2. প্রথম
  3. তৃতীয়
  4. দ্বিতীয়
সঠিক উত্তর:
প্রথম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে কৃষি পন্য উৎপাদনে অবস্থান:
- জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ অনুসারে ইলিশ মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম।
- বর্তমানে বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬ শতাংশই উৎপাদিত হচ্ছে।

এছাড়াও,
- পাট উৎপাদনে দ্বিতীয়,
- চা উৎপাদনে চতুর্থ,
- মাছ উৎপাদনে দ্বিতীয়,
- ছাগলের মাংস উৎপাদনে সপ্তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।
• জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ উপস্থাপনকালে এসব তথ্য জানান সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৩১.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে 'লবি' হিসেবে অভিহিত করেন?
  1. এলান পটার
  2. আলমন্ড পাওয়াল
  3. এলান আর বল
  4. এস, ই, ফাইনার
সঠিক উত্তর:
এস, ই, ফাইনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস, ই, ফাইনার
ব্যাখ্যা
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- অধ্যাপক এস, ই, ফাইনার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে লবি এবং এলান পটার এটাকে সুসংবদ্ধ গোষ্ঠী বলে আখ্যায়িত করেছেন। যেমন-শিক্ষক সমিতি, ব্যবসায়ী সমিতি, ট্রেড ইউনিয়ন, শ্রমিক সংঘ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- অধ্যাপক মাইরন উহনার  তিনি বলেন, চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল কোন স্বেচ্ছামূলক সংগঠিত গোষ্ঠী যা সরকারী কাঠামোর বাইরে থেকে সরকারী কর্মকর্তাদের মনোনয়ন ও নিয়োগ, সরকারী নীতি গ্রহণ, পরিচালনা বা নির্ধারনের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে।
- অধ্যাপক এলান আর বল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সমভাবাপন্ন সদস্যগণের সমন্বয়ে গঠিত গোষ্ঠীকে বুঝাতে চেয়েছে।

উৎস:  রাষ্টবিজ্ঞান-৩,  স্নাতক শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
নিচের কোন উপজাতির ধর্ম বৈষ্ণব?
  1. মণিপুরী
  2. মাহালী
  3. খাসিয়া
  4. খুমি
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
ব্যাখ্যা
• উপজাতির ধর্ম:
- বাংলাদেশে লুসাই, খাসিয়া ও মাহালী, গারো উপজাতির ধর্ম খ্রিস্টান।
- মণিপুরীদের ধর্ম বৈষ্ণব।
- ত্রিপুরা, হাজংদের ধর্ম সনাতন।
- রাখাইন, চাকমা, মারমা, চাক, খুমি, খিয়াং ইত্যাদি উপজাতির ধর্ম বৌদ্ধ।
- পাঙন উপজাতির ধর্ম ইসলাম।

উৎস: বান্দরবান জেলার সরকারি ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া।
৩৩.
পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিধান বাংলাদেশের সংবিধানে কততম সংশোধনীর মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়?
  1. পঞ্চদশ
  2. চতুর্দশ
  3. দ্বাদশ
  4. একাদশ
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী:
- সংবিধান আইন ২০১১ (পঞ্চদশ সংশোধনী) সংসদে পাস হয় ২০১১ সালের ২৫ জুন এবং তা রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করে ৩ জুলাই এই সংশোধনীর মাধ্যমে যে অনুচ্ছেদ ও বিষয়গুলো পরিবর্তিত হয়, সেগুলো হচ্ছে -
১. সংবিধানের প্রস্তাবনায় সংশোধন,
২. ২ক অনুচ্ছেদে পরিমার্জন।
৩. ৪ক অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপন (জাতির পিতার প্রতিকৃতি সংক্রান্ত)
৪. ৭ক ও ৭খ অনুচ্ছেদের সন্নিবেশ।
৫. সংবিধানের ৮ নং অনুচ্ছেদের সংশোধন (রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংক্রান্ত)।
৬. সংবিধানের ৯, ১০, ১২ নং অনুচ্ছেদের সংযোজন ও পরিমার্জন।
৭. সংবিধানে ১৮ক অনুচ্ছেদের সন্নিবেশ (পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিধান)।
৮. সংবিধানে ২৩ক অনুচ্ছেদের সন্নিবেশ (ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্পর্কিত)।
৯. ৪২ নং অনুচ্ছেদের সংশোধন ও ৪৪ নং অনুচ্ছেদের প্রতিস্থাপন।
১০. ৫৮ক অনুচ্ছেদের বিলোপ (তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা)।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
৩৪.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশে মুসলিম জনসংখ্যার হার কত?
  1. ৯০.৪৫%
  2. ৯১.১৬%
  3. ৯০.৫৮%
  4. ৯১.০৮%
সঠিক উত্তর:
৯১.০৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯১.০৮%
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরুপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে-  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।

• ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যা:
- মুসলমান - ৯১.০৮%।
- হিন্দু - ৭.৯৬%।
- বৌদ্ধ - ০.৬১%।
- খ্রিষ্টান - ০.৩০%।
- অন্যান্য - ০.০৬%।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৩৫.
জাতীয় অর্থ তহবিলের নিয়ন্ত্রক কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পিকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
আইনসভা বা জাতীয় সংসদের অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- জাতীয় সংসদ সরকারের অর্থ সংক্রান্ত কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। 
- সংসদের আইন বা উহার কর্তৃত্ব ব্যতীত কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যায় না (অনু: ৮৩)।
- সরকার প্রতি বছর আয়-ব্যয়ের অনুমিত হিসাব সংবলিত একটি বাজেট সংসদে উপস্থাপন করবে এবং সংসদের অনুমোদন ব্যতীত উক্ত বাজেট কার্যকর হবে না (অনু: ৮৭)।
- সকল সরকারি অর্থের রক্ষণাবেক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ সংসদের আইন দ্বারা করা হবে (অনু: ৮৫)। 
সুতরাং, জাতীয় সংসদ হচ্ছে জাতীয় অর্থের অভিভাবক ও নিয়ন্ত্রণকারী।

সূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও বাংলাদেশ সংবিধান।
৩৬.
মানব জীবনের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা সম্পর্কে বলা আছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ১৫(ঘ)
  2. ১৫(গ)
  3. ১৫(খ)
  4. ১৫(ক)
সঠিক উত্তর:
১৫(ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫(ক)
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
 - সংবিধানের ১৫নং অনুচ্ছেদে মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে উৎপাদনশক্তির ক্রমবৃদ্ধিসাধন এবং জনগণের জীবনযাত্রার বস্তুগত ও সংস্কৃতিগত মানের দৃঢ় উন্নতিসাধন, যাহাতে নাগরিকদের জন্য নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অর্জন নিশ্চিত করা যায়
ক) অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা।
(খ) কর্মের অধিকার, অর্থাৎ কর্মের গুণ ও পরিমাণ বিবেচনা করিয়া যুক্তিসঙ্গত মজুরীর বিনিময়ে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তার অধিকার;
(গ) যুক্তিসঙ্গত বিশ্রাম, বিনোদন ও অবকাশের অধিকার;
(ঘ) সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার, অর্থাৎ বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য, মাতাপিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরূপ অন্যান্য পরিস্থিতিজনিত আয়ত্তাতীত কারণে অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্যলাভের অধিকার৷

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৭.
সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় আনুষ্ঠানিক প্রধান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পিকার
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি একজন নিয়মতান্ত্রিক প্রধান (Constitutional Head)।
- সংবিধান অনুযায়ী দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রচলিত থাকায় রাষ্ট্রপতি নাম সর্বস্ব রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি মূলত প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করে থাকেন। তবে সংবিধান অনুযায়ী তিনি দেশের সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকারী। এর ফলে তিনি দেশের সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করেন।

অর্থাৎ, সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি -
- আলংকারিক বা আনুষ্ঠানিক প্রধান,
- নামসর্বস্ব রাষ্ট্রপ্রধান, 
- সাংবিধানিক প্রধান, 
- নিয়মতান্ত্রিক প্রধান,

সূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩৮.
বাংলাদেশের সংবিধানে 'আইনের ব্যাখ্যা' দেওয়া আছে -
  1. ১৫১ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৫৩ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৫০ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৫২ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৫২ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
• বাংলাদেশের সংবিধানে আইনের ব্যাখ্যা দেওয়া ১৫২ নং অনুচ্ছেদে।
- বিষয় বা প্রসঙ্গের প্রয়োজনে অন্যরূপ না হইলে এই সংবিধানে “অধিবেশন” ( সংসদ-প্রসঙ্গে) অর্থ এই সংবিধান-প্রবর্তনের পর কিংবা একবার স্থগিত হইবার বা ভাঙ্গিয়া যাইবার পর সংসদ যখন প্রথম মিলিত হয়, তখন হইতে সংসদ স্থগিত হওয়া বা ভাঙ্গিয়া যাওয়া পর্যন্ত বৈঠকসমূহ।

এছাড়াও,
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানে অনুচ্ছেদ রয়েছে ১৫৩ টি।
- বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয় পরিবর্তন সহজ নয় বলে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মূলনীতি ৪টি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৯.
ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড ধারণাটি মূলত কিসের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. অর্থনীতি
  2. জনসংখ্যা
  3. শিক্ষা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা
ব্যাখ্যা
ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড:
- ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড ধারণাটি মূলত জনসংখ্যার সাথে সংশ্লিষ্ট।
- যখন একটি দেশের কর্মক্ষম জনসংখ্যা অর্থাৎ ১৫ থেকে ৫৯ বছর বয়সী জনসংখ্যার পরিমাণ দেশের মোট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশের অধিক হয় তখন তাকে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- জনসংখ্যার এরূপ অবস্থায় নির্ভরশীল জনগোষ্ঠী (১৫ বছরের কম ও ৬০+) সংখ্যা কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী অপেক্ষা কম হয়।
- বাংলাদেশ বর্তমানে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক লভ্যাংশ অবস্থা অতিবাহিত করছে। বর্তমানে দেশে ১৫-৫৯ বছর বয়সী জনসংখ্যার পরিমাণ শতকরা ৬৩.৩ শতাংশ।
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের তথ্যানুসারে ২০৫০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জনমিতিক লভ্যাংশের সুবিধা ভোগ করবে।

উৎস: বিবিএস ও জাতিসংঘ ওয়েসাইট এবং ডেইলি স্টার।
৪০.
সংবিধানের কোন ভাগে রাষ্ট্রপতির পদমর্যাদা, ক্ষমতা ও কার্যাবলি নির্ধারিত আছে?
  1. ২য়
  2. ৪র্থ
  3. ৩য়
  4. ১ম
সঠিক উত্তর:
৪র্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ১ম পরিচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির পদমর্যাদা, ক্ষমতা ও কার্যাবলি নির্ধারিত আছে।
- রাষ্ট্রপতি দেশের প্রধান নির্বাহী; কিন্তু অলঙ্কারিক প্রধান।
- রাষ্ট্রপতিকে দায়িত্ব পালনের অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর সাথে পরামর্শ করতে হয়।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পাঁচ বছরের জন্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রবিরুদ্ধ কর্মকান্ডের জন্য সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনের মুখোমুখি করতে পারে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ (৪) অনুসারে পঁয়ত্রিশ বছর বয়স্ক বাংলাদেশের যেকোন নাগরিক নির্দিষ্ট আইনের আওতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারেন।
- তাঁকে অবশ্যই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে।
- উল্লেখ্য যে, রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন সময়ে তিনি কখনই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

রাষ্ট্রপতির নানাবিধ ক্ষমতা:
- শাসন সংক্রান্ত ক্ষমতা,
- সংসদ ও আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত ক্ষমতা,
- বিচার সংক্রান্ত ক্ষমতা,
- অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা,
- প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত ক্ষমতা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ সংবিধান।
৪১.
বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতিগুলো কী কী?
  1. গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, আইনের শাসন, ধর্মনিরপেক্ষতা
  2. গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, মানবাধিকার
  3. গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা
  4. গণতন্ত্র, মানবাধিকার, ধর্মনিরপেক্ষতা, আইনের শাসন
সঠিক উত্তর:
গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের  অনুচ্ছেদ ৮ অনুযায়ী বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি চারটি।
- যথা- জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি,
- তফসিল আছে ৭টি,
- মূলনীতি আছে ৪টি,
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪২.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে?
  1. ২৭ নং
  2. ১৯ নং
  3. ২৯ নং
  4. ২৮ নং
সঠিক উত্তর:
১৯ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ নং
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- সংবিধানের ১৯ নং অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে।
- ১৯(৩) নং দফায় বলা হয়েছে “জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন।”

অন্যদিকে,
- ২৭ নং অনুচ্ছেদ : আইনের দৃষ্টিতে সমতা
- ২৮ নং অনুচ্ছেদ : ধর্ম প্রভৃতি কারণে বৈষম্য না করা
- ২৯ নং অনুচ্ছেদ : সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৪৩.
শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয় -
  1. ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৮ সালে
  2. ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে
  3. ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৮ সালে
  4. ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
•উপাধি:
- গণআন্দোলনের মুখে আইয়ুব সরকার ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয় এবং শেখ মুজিবসহ সকল বন্দিকে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়া হয়। 
- মুক্তির পরদিন ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এক বিশাল জনসভায় শেখ মুজিবর রহমানসহ মামলায় অভিযুক্তদের এক গণসম্বর্ধনা দেয়া হয় এবং শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- এরপর থেকে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বা ‘বঙ্গবন্ধু’ নামেই জনপ্রিয়তা লাভ করেন।
 
উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, BA & BSS প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪.
সর্বশেষ সংশোধনী অনুযায়ী, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (BCS) ক্যাডার সংখ্যা কতটি?
  1. ২৫টি
  2. ২৬টি
  3. ২৭টি
  4. ২৮টি
সঠিক উত্তর:
২৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস:
- বাংলাদেশ গেজেটে ১৩ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে প্রকাশিত এস.আর.ও. নম্বর-৩৩৫-আইন/২০১৮ অনুযায়ী বর্তমান বিসিএস ক্যাডার সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ইকোনমিক) ক্যাডারকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের সাথে একীভূত করা হয়েছে।
- বর্তমানে ক্যাডার সংখ্যা ২৬টি

উল্লেখ্য
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পূর্বে থেকেই সিভিল সার্ভিস প্রচলিত ছিল।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস গঠন করা হয়। এরপর বিভিন্ন সময় বিসিএস ক্যাডার সংখ্যায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।

উৎস: বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন ওয়েবসাইট।
৪৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “কৃষক ও শ্রমিকের” মুক্তির কথা বলা আছে?
  1. ১৫ অনুচ্ছেদ
  2. ১৪ অনুচ্ছেদ
  3. ১৯ অনুচ্ছেদ
  4. ১৭ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৪ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- ১৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে মেহনতী মানুষকে-কৃষক ও শ্রমিককে এবং জনগণের অনগ্রসর অংশসমূহকে সকল প্রকার শোষণ হইতে মুক্তি দান করা।

অন্যদিকে -
- সংবিধানের ১১ নং অনুচ্ছেদে বলা আছে 'গণতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকারের নিশ্চয়তা'।
- সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে বলা আছে 'নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ'।
- সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদে বলা আছে 'সকল নাগরিক আইনের চোখে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৬.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সত্য নয়?
  1. এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা
  2. বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা
  3. এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা
  4. রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে
ব্যাখ্যা
সরকার ব্যবস্থা:
 - বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এই ব্যবস্থায় সরকারের প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের নির্বাহী প্রধান। তার নেতৃত্বেই নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হয়।

- তবে ১৯৭৫ থেকে ১৯৯১ সময়ে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত ছিলো।
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে।
- বাংলাদেশের আইনসভা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত যা এককক্ষ বিশিষ্ট।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা এককেন্দ্রিক এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থা বহুদলীয়।

উৎস:  পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম  শ্রেণি এবং যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
৪৭.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী কোন বিভাগে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি বাস করে?
  1. সিলেট
  2. রাজশাহী
  3. বরিশাল
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি বাস করে চট্টগ্রাম বিভাগে (এ জনগোষ্ঠীর ৬০.০৪%)।
- উপজাতির সংখ্যা সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে (০.২৫%)।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।
৪৮.
বাংলাদেশ টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় -
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬৮ সালে
  3. ১৯৬৯ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৪ সালে।
- বাংলাদেশে রঙিন টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮০ সালে।
- বাংলাদেশ টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর।
- তৎকালীন ডি আই টি ভবনের (বর্তমানে রাজউক কার্যালয়) দুটি কক্ষে মাত্র ৩ ঘন্টা চলতো এর সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন ও ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়।
- ৬ই মার্চ ১৯৭৫ সাল হতে রামপুরা টিভি ভবনে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বিটিভির সম্প্রচার কার্যক্রম।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের ওয়েবসাইট।
৪৯.
বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট চালু করেছে?
  1. ১১৮ তম
  2. ১১৯ তম
  3. ১২০ তম
  4. ১২১ তম
সঠিক উত্তর:
১১৯ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৯ তম
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের অর্জন:
- বিশ্বে প্রথম ই-পাসপোর্ট চালু করে মালয়েশিয়া ১৯৯৮ সালে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট প্রদানের ঘোষণা দেয়া হয় ২৪ এপ্রিল, ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় ২২ জানুয়ারি, ২০২০ সালে।
- বাংলাদেশ বিশ্বের ১১৯তম দেশ হিসাবে ই-পাসপোর্ট চালু করে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট নিয়ে কাজ করেছে জার্মান কোম্পানি Veridos GbmH.

উৎস: বণিক বার্তা নিউজ।
৫০.
খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর হিসাব মতে, ধান উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. চতুর্থ
  2. তৃতীয়
  3. দ্বিতীয়
  4. প্রথম
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর হিসাব মতে, ধান উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ চীন।
- দেশটি বিশ্বের মোট উৎপাদনের প্রায় ৩০% ধান উৎপাদন করে, যার পরিমাণ ১৪.৮৫ কোটি টন।
- ধান উৎপাদনে ২য় স্থানে রয়েছে ভারত।
- ধান উৎপাদনে ৩য় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৫১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে বাংলাদেশের নামে মামলা করার বিধান রয়েছে?
  1. ৩৯ নং অনুচ্ছেদ 
  2. ১৪৬ নং অনুচ্ছেদ 
  3. ৩৬ নং অনুচ্ছেদ 
  4. ১৪৫ (১) নং অনুচ্ছেদ 
সঠিক উত্তর:
১৪৬ নং অনুচ্ছেদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৬ নং অনুচ্ছেদ 
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- ১৪৬ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যেতে পারে।

অন্যদিকে,
-  ১৪৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী কর্তৃত্বে প্রণীত সকল চুক্তি ও দলিল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত বলিয়া প্রকাশ করা হইবে এবং রাষ্ট্রপতি যেরূপ নির্দেশ বা ক্ষমতা প্রদান করিবেন, তাঁহার পক্ষে সেইরূপ ব্যক্তি কর্তৃক ও সেইরূপ প্রণালীতে তাহা সম্পাদিত হইবে।
- সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ” কথা বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৩৬ নং অনুচ্ছেদে “চলাফেরার স্বাধীনতা” কথা বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদে  চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।