পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২২: বিষয় - নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সু-শাসন টপিকসমূহ: 1) Impact of Values Education and Good Governance in national development; 2) How the element of Good Governance and Values Education can be established in society in a given social context; 3) The benefits of Values Education and Good Governance and the cost society pays adversely in their absence. এবং বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা: রাজনৈতিক দলসমূহের গঠন, ভূমিকা ও কার্যক্রম, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের পারস্পরিক সম্পর্কাদি, সুশীল সমাজ ও চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীসমূহ এবং এদের ভূমিকা। ২. বাংলাদেশ ও উপমহাদেশের বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজ সংস্কারক।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
জাতিসংঘের মানবাধিকার সংক্রান্ত সার্বজনীন ঘোষণাপত্রে কতটি আর্টিকেল রয়েছে?
  1. ক) ১৭টি
  2. খ) ২০টি
  3. গ) ২৫টি
  4. ঘ) ৩০টি
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘ:
১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ (২১৭-এ রেজ্যুলেশন) কর্তৃক ফ্রান্সের প্যারিসে সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়।
- এই ঘোষণাপত্রে মোট ৩০টি ধারা বা আর্টিকল রয়েছে।
প্রথম আর্টিকেলে বলা হয়েছে সকল মানুষ জন্মগতভাবে স্বাধীন এবং সম মর্যাদা ও অধিকারসম্পন্ন।
- ১০ ডিসেম্বর প্রতিবছর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালিত হয়।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
.
সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নিচের কোন মূল্যবোধটি গুরুত্বপূর্ণ নয়?
  1. ক) যথার্থতা
  2. খ) জবাবদিহিতা
  3. গ) নিরপেক্ষতা
  4. ঘ) নৈতিকতা
ব্যাখ্যা
• মূল্যবোধ:
- সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা প্রণয়নে জবাবদিহিতা, নিরপেক্ষতা, যথার্থতা প্রভৃতি মূল্যবোধ থাকা অত্যাবশ্যক।
- তবে এক্ষেত্রে নৈতিকতা বা সৃজনশীলতা আবশ্যিক নয়, ঐচ্ছিক বিষয়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : প্রথমপত্র : মো. মোজাম্মেল হক।
.
জনমত গঠনের জন্য অত্যাবশ্যক?
  1. ক) তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ
  2. খ) রাজনৈতিক শিক্ষা 
  3. গ) মত প্রকাশের স্বাধীনতা
  4. ঘ) অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা 
ব্যাখ্যা
- জনমত গঠনের ক্ষেত্রে মত প্রকাশের স্বাধীনতার গুরুত্ব অপরিসীম।
- মত প্রকাশের স্বাধীনতা না থাকলে জনমত গড়ে উঠা বাধাগ্রস্ত হয়।
- জনমত গঠনের মাধ্যম সমূহের মধ্যে গণমাধ্যম, সভা-সমিতি, আইনসভা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইত্যাদি প্রধান।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন : প্রথমপত্র : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : মো. মোজাম্মেল হক।
.
অ্যালমন্ড ও পাওয়েল কত ধরনের চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর উল্লেখ করেছেন?
  1. ক) তিন ধরনের
  2. খ) চার ধরনের
  3. গ) পাঁচ ধরনের
  4. ঘ) আট ধরনের
ব্যাখ্যা
অধ্যাপক অ্যালমন্ড ও পাওয়েল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে এক ধরনের স্বার্থকামী গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেন।
তাদের মতে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী চার ভাগে বিভক্ত। এরা হলো:
- স্বতঃস্ফুর্ত স্বার্থকামী গোষ্ঠী।
- সংগঠন ভিত্তিক স্বার্থকামী গোষ্ঠী।
- অসংগঠিত স্বার্থকামী গোষ্ঠী।
- প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থকামী গোষ্ঠী।

তথ্যসূত্র: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৩ : স্নাতক শ্রেণী : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বিকেন্দ্রীকরণের ফলে -
  1. ক) সরকারি কাজে দীর্ঘসূত্রিতা সৃষ্টি হয়
  2. খ) আমলাতান্ত্রিক দক্ষতা হ্রাস পায়
  3. গ) প্রশাসনে গতিশীলতা বৃদ্ধি পায়
  4. ঘ) প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি হয়
ব্যাখ্যা
প্রশাসন ব্যবস্থায় বিকেন্দ্রীকরণ হলো ক্ষমতা কেন্দ্রে বা এক জায়গায় কুক্ষিগত না করে স্থানীয় পর্যায়ে ছেড়ে দেওয়া। এর ফলে প্রশাসন ব্যবস্থায় গতিশীলতা বৃদ্ধি পায় এবং দৌরাত্ম্য হ্রাস পায়।
- সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বিকেন্দ্রীকরণ ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন : প্রথমপত্র : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি : মো. মোজাম্মেল হক।
.
রাজনৈতিক দলের গুরুত্ব কোন ধরণের শাসন ব্যবস্থায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ?
  1. ক) স্বৈরতন্ত্র
  2. খ) সামরিক শাসন
  3. গ) রাজতন্ত্র
  4. ঘ) গণতন্ত্র 
ব্যাখ্যা
• গণতন্ত্র:
- গণতন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে রাজনৈতিক দল।
- গণতন্ত্র সুসংহতকরণে এটি অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।
- রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য গণতান্ত্রিক উপায়ে সরকার গঠন করা।
- জনগণের মাঝে রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরি করা এবং কোন বিষযের পক্ষে-বিপক্ষে জনমত গঠন করা রাজনৈতিক দলের কাজ।
- জনগণের প্রতিনিধিত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক দল সরকার গঠন করে এবং শাসন পরিচালনায় অংশগ্রহণ করে।
- সংসদীয় গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দল বিকল্প সরকার ও ছায়া মন্ত্রিসভা হিসেবে ভূমিকা পালন করে।
- রাজনৈতিক দল তাদের কার্যাবলির মাধ্যমে সুযোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্ব গড়ে ওঠে।
- রাজনৈতিক দলের গুরুত্ব গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কাকে মুসলিম রেঁনেসার অগ্রদূত বলা হয়?
  1. ক) নওয়াব আব্দুল লতিফ
  2. খ) সৈয়দ আহমদ খান
  3. গ) নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহ
  4. ঘ) সৈয়দ আমীর আলী
ব্যাখ্যা
• মুসলিম রেঁনেসার অগ্রদূত:
- সৈয়দ আমীর আলী ছিলেন মুসলিম রেনেসাঁর অগ্রদূত।
- ইসলামী ও পাশ্চাত্য জ্ঞানের অধিকারী আমীর আলী ছিলেন একজন সুলেখক।
- তিনি ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ক বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করেন।

• এসব গ্রন্থের মধ্যে দুটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হচ্ছে -
(১) দি স্পিরিট অব ইসলাম এবং
(২) এ সর্ট হিস্টরি অব দি স্যারাসিন।
- এ গ্রন্থ দুটি পণ্ডিত হিসেবে আমীর আলীকে অমরত্ব দান করেছে।

- আমীর আলী তাঁর লেখায় ইসলাম ধর্মের বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা দান করেছেন।
- মুসলমানদের গৌরবময় অতীতের প্রতি বারংবার অঙ্গুলি নির্দেশ করে মুসলিম সমাজকে আত্মসচেতন করার চেষ্টা করেছেন।
- তাঁর এ চেষ্টায় হতাশাগ্রস্ত মুসলিম সমাজে প্রাণের সঞ্চার ঘটে।

সূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সংসদীয় গণতন্ত্রে শাসন বিভাগের সকল ক্ষমতা কার কাছে ন্যস্ত থাকে?
  1. ক) স্পিকার
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) মন্ত্রীপরিষদ সচিব
  4. ঘ) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
• সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি হলো নামমাত্র প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী হলেন শাসন বিভাগ তথা নির্বাহী বিভাগের প্রধান।
• সরকারের অঙ্গ সংগঠন তিনটি :
- আইন বিভাগ,
- শাসন বিভাগ
- বিচার বিভাগ।
• রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী।
- তিনি আইন পরিষদের নিকট দায়ী নন।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
.
নিচের কোন বিশিষ্ট ব্যক্তি ধর্ম ও সমাজ সংস্কারক হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত?
  1. ক) এ কে ফজলুল হক
  2. খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. গ) ফজলুর রহমান খান
  4. ঘ) রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা
রাজা রামমোহন রায় (১৭৭৪- ১৮৩৩ খ্রি.)
- বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী রামমোহন রায় উনিশ শতকের একজন ধর্ম ও সমাজ সংস্কারক হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
- রামমোহন রায় সংবাদ কৌমুদী নামে একটি বাংলা সংবাদপত্র প্রকাশ করেন- ১৮২১ সালে
- পরের বছর ফারসি ভাষায় আরেকটি সংবাদপত্র প্রকাশ করেন- এর নাম ছিল মিরাত উল আখবার।
- তিনি ১৮২৮ সালে ‘ব্রাহ্মসমাজ’  প্রতিষ্ঠা করেন।‘
 - তিনি বিধবা ব কোম্পানির শাসকদের 
- তিনি সতীদাহ প্রথা বিলুপ্ত করার জন্য কোম্পানির শাসকদের প্রাভাবিত করতে থাকেন।
- তার প্রচেষ্টায়  ১৮২৯ সালে গভর্নর জেনারেল উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক সতীদাহ প্রথা বিলুপ্ত ঘোষণা করে আইন পাশ করে।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ( উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১০.
বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির - প্রতীক কী?
  1. মশাল
  2. কোদাল
  3. কাস্তে
  4. হাতুড়ি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রতীক - কাস্তে;
- জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রতীক - মশাল,
- বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির প্রতীক - হাতুড়ি;
- বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির প্রতীক - কোদাল।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট।
১১.
জাতীয় পার্টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কয়বার সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে?
  1. ক) ১ বার
  2. খ) ২ বার
  3. গ) ৩ বার
  4. ঘ) ৪ বার
ব্যাখ্যা
• জাতীয় পার্টি:
- তৎকালীন সেনাশাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ১৯৮৬ সালের ১ জানুয়ারি জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন।
- মূলত সামরিক ক্ষমতার বেসামরিকীকরণের অংশ হিসেবে তিনি দলটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটি দুই বার (১৯৮৬ ও ১৯৮৮) সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এ দু’টি নির্বাচনই বর্জন করে।
- ১৯৯০ সালে অন্যান্য রাজনৈতিকগুলোর সম্মিলিত আন্দোলনে জাতীয় পার্টি ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়।
- জাতীয় পার্টির নেতা হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ স্বৈরাচার হিসেবে আখ্যায়িত হন।
- ২০০০ সালে নেতৃত্বের দ্বন্দ্বে জাতীয় পার্টি তিনটি অংশে ভাগ হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১২.
‘নিখিল প্ৰজা সমিতি' গঠন করা হয় -
  1. ১৯২৭ সালে
  2. ১৯২৮ সালে
  3. ১৯২৯ সালে
  4. ১৯৩০ সালে
ব্যাখ্যা
• রাজনীতিতে শেরে বাংলার অবদান:
- ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণার পর পূর্ব বাংলার মানুষ যখন চরম হতাশাগ্রস্থ তখন তিনি সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন।
- উল্লেখ্য যে নবাব স্যার সলিমুল-াহ ফজলুল হককে বিশ্বস্তু যোগ্য ও শক্তিশালী সহযোগী হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।
- ১৯১৩ সালে তিনি বেঙ্গল লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হন।

- ১৯১৫ সালে তিনি কৃষক-প্রজা আন্দোলনে যোগদান করেন।
- ১৯১৬ সালে স্বাক্ষরিত লৌক্ষ্ম প্যাক্ট ফজলুল হকের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল।
- ১৯১৮ সালে তিনি একদিকে মুসলিম লীগের সভাপতি অন্যদিকে নিখিল ভারত কংগ্রেসের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকের পদ অলংকৃত করেন।
- এ সময় তিনি মুসলিম লীগ ও কংগ্রেসের মধ্যে ঐক্য স্থাপনে প্রচেষ্টা চালান।
- ১৯২৯ সালে তিনি ‘নিখিল প্ৰজা সমিতি' গঠন করেন।

- একে ফজলুল হক একজন অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে ব্রিটিশ ভারতের শাসনতান্ত্রিক সংকট মিমাংসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- তিনি ছিলেন বাংলার প্রথম নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী।
- ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবে শেরে বাংলা ভারতের শাসনতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের জন্য যে প্রজ্ঞা প্রদীপ্ত সুপারিশ করেছিলেন তার মধ্যে বাঙালির স্বতন্ত্র জাতিসত্তার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে ফজলুল হকের অসাধারণ নেতৃত্ব বাঙালি জাতিকে স্বাধীকারের সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
- এরই সূত্র ধরে পূর্ব বাংলার মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে।

সূত্র: সিভিক এডুকেশন-২, বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
ভারতীয় মুসলমানদের প্রথম রাজনৈতিক সংগঠন -
  1. ক) মোহামেডান এডুকেশনাল কনফারেন্স
  2. খ) সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান এসোসিয়েশন
  3. গ) মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি
  4. ঘ) মুসলিম লীগ
ব্যাখ্যা
• সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান এসোসিয়েশন গঠন:
- ১৮৭৭ সালে সৈয়দ আমীর আলী কলকাতায় ন্যাশনাল মোহামেডান এসোসিয়েশন নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।
- ভারতে বিভিন্ন প্রদেশে এর শাখা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ১৮৮৩ সালে কেন্দ্রীয় সংগঠনের নামকরণ করা হয় ‘সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান এসোসিয়েশন'।
- এটি ছিল ভারতীয় মুসলমানদের প্রথম রাজনৈতিক সংগঠন।
- আমীর আলী ২৫ বছর এ সংগঠনের কর্মসচিবের দায়িত্ব পালন করেন।

• এ সংগঠনের প্রধান প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল —
১. মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনা সঞ্চার ও তাদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা।
২. মুসলমানদের নৈতিক উন্নতি সাধন।
৩. মুসলমানদের ন্যায্য দাবি-দাওয়া নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সরকারের নিকট পেশ করা এবং
৪. ভারতের হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে মৈত্রী ও সম্প্রীতি সৃষ্টি করা ইত্যাদি।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির বর্তমান সভাপতি কে?
  1. ক) মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
  2. খ) খালেকুজ্জামান ভূঁইয়া
  3. গ) রাশেদ খান মেনন
  4. ঘ) তোফায়েল আহমেদ
ব্যাখ্যা
• ওয়ার্কার্স পার্টি:
- বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি এটি একটি সমাজতান্ত্রিক দল।
- বাংলাদেশে সমাজতান্ত্রিক দলের দুটি ধারা। একটি মার্কসবাদী-লেনিনবাদী বা চীনপন্থী অন্যটি সোভিয়েতপন্থী।
- বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পাটি মূলত লেনিনবাদী সমাজতান্ত্রিক দল।
- ১৯৮০ সালে দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৪ সালে দুটি অংশে বিভক্ত হয়ে গেলেও ১৯৯২ সালে পুনরায় একত্র হয়।
- বর্তমানে রাশেদ খান মেনন দলটির সভাপতি।
- ২০১৪ সালে মহাজোট এর হয়ে নির্বাচন করে বর্তমানে সরকারের অন্তর্ভূক্ত। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)